এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি (Dysuria) সাধারণত ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI), ডিহাইড্রেশন, কিডনির পাথর, বা প্রস্রাবের নালীর জ্বালাপোড়ার কারণে হতে পারে। এই সমস্যা দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় নিচে দেওয়া হলো

 প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি (Dysuria) সাধারণত ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI), ডিহাইড্রেশন, কিডনির পাথর, বা প্রস্রাবের নালীর জ্বালাপোড়ার কারণে হতে পারে। এই সমস্যা দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় নিচে দেওয়া হলো:


১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন:

প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমাতে প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। এটি প্রস্রাবকে লালচে হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। পানি শরীরের টক্সিন ফ্লাশ আউট করতে সাহায্য করে।


২. ক্র্যানবেরি জুস:

চিনি ছাড়া ক্র্যানবেরি জুস দিনে ১-২ গ্লাস পান করুন (ডায়াবেটিস রোগীরা সতর্ক থাকুন)।


৩. বেকিং সোডা ( খাবার সোডা )  ও পানি:

১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে দিনে ১ বার পান করুন ৫-৭ দিন। এটি প্রস্রাবের অম্লতা কমিয়ে জ্বালাপোড়া দূর করে। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহার করবেন না (সোডিয়ামের মাত্রা বাড়তে পারে)।


৪. দই বা প্রোবায়োটিক:

দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া (ল্যাক্টোব্যাসিলাস) ইউরিনারি ট্র্যাক্টের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে। প্রতিদিন ১ কাপ টক দই খান।


৫. আদা-লেবুর চা:

১ কাপ কুসুম গরম পানিতে দু ইঞি আদা কুচি ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। আদার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ এবং লেবুর ভিটামিন-সি ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে।


৬. ডাবের পানি:

ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ, যা শরীর হাইড্রেট রাখে এবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমায়। দিনে ১-২ গ্লাস পান করুন।


৭. লবঙ্গ পানি:

     ৪-৫ টি লবঙ্গ হাফ গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে পান করুন। লবঙ্গে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে যা প্রস্রাবের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।


৮. মুলার রস:

সাদা মুলা ব্লেন্ড করে রস বের করে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে দিনে ২ বার পান করুন। মুলার ডিটক্সিফাইং গুণ প্রস্রাবের ইনফেকশন দূর করে।


৯. গরম সেঁক:

তলপেটে গরম ( সহ্য করার মত গরম )  পানির বোতল বা হিটিং প্যাড রাখুন দিনে কয়েকবার। এটি মুত্রথলির চাপ ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।


১০. এড়িয়ে চলুন:

- ক্যাফেইন (চা, কফি), অ্যালকোহল, মশলাদার খাবার।  

- প্রস্রাব আটকে রাখা।  

- সুগন্ধিযুক্ত স্যানিটারি প্যাড বা সাবান।

- প্রস্রাবের সমস্যা যতদিন দূর হয় নি ততদিন সহবাস করবেন না ( বিবাহিতের উদ্দেশ্য বলছি ) 


কখন ডাক্তার দেখাবেন?  

- প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে।  

- জ্বর, পিঠে ব্যথা বা বমি হলে।  

- ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উন্নতি না হলে।  


সতর্কতা:  

গর্ভবতী মহিলা, ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগীরা যেকোনো ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। প্রস্রাবের সমস্যা  বারবার হলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হতে পারে যা চিকিৎসক দিতে পারেন।

          নো মা ন

গল্প_পূর্ণতা sornali entertainment ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিয়ের তিনদিনের মাথায় পূর্ণতার স্বামী বিদেশে পারি জমায়। আজ ঠিক দীর্ঘ পাঁচ বছর পর পূর্ণতার স্বামী বিদেশে থেকে বাড়ি আসছে। 


ঘরের ছেলে এতো বছর পর ঘরে আসছে। এজন্য বাড়িতে আনন্দের জোয়ার নেমে এসেছে। সবাই আনন্দে ছোটাছুটি করলেও এখানে পূর্ণতার মাঝে কোন আনন্দ বিরাজ করছে না।


পূর্ণতা খুব ভালো করেই জানে ওর স্বামী ওকে পছন্দ করে না। এমনকি ওকে ব‌উয়ের অধিকার অবধি দেয়নি। বিদেশে গেছে পাঁচ বছর হয়েছে তাদের বিয়ের ও পাঁচ বছর হলো। এতোটা সময় গিয়েছে কিন্তু ওর স্বামীর ওর সাথে যোগাযোগ খুব সীমিত হয়েছে।


প্রথম প্রথম স্বামীর জন্য কাঁদতো‌। কেন তাকে এইভাবে ফেলে গেল বিয়েতে রাজি না থাকলে বিয়েটা করে তার জীবন ন'ষ্ট করার কি দরকার ছিল? শুধু শুধু বিয়ের তকমা লাগিয়ে ওকে সবার কাছে অপয়া করে দিয়েছিল। স্বামী ধরে রাখতে পারেনি। এসব বলে মানুষের কম কটু কথা তো ওকে হজম করতে হয়নি। পূর্ণতা রান্না ঘরে ঢুকে দেখল ওর শাশুড়ি খুব যত্ন সহকারে খাবার রান্না করছে। 


ওকে দেখে এক গাল হেসে বললেন," যাও সুন্দর করে রেডি হয়ে থাকো। সুন্দর করে সাজগোজ করিও। কত দিন পর ছেলেটা আসছে। আজ আর রান্না ঘরে এসে নিজের সুন্দর মুখটা কালসেটে করে ফেলো না।"

পূর্ণতা কিছু বলতে চাইল। কিন্তু তিনি হাত দিয়ে থামিয়ে তৈরি হতে বলল।


পূর্ণতা তাকে মায়ের মতো সম্মান করে তার জন্যেই স্বামীর অবহেলা পেয়েও শশুর বাড়ি ছেড়ে যেতে পারেনি।পূর্ণতা তার কথা অমান্য করতে পারবে না। ও শুধু ভাবে এতো ভালো একজন মায়ের এমন ছেলে কিভাবে হলো! পূর্ণতা রুমে এসে বসে র‌ইলো কিসের সাজগোজ কিসের কি কিচ্ছু করবে না। করলেও কি তিনি দেখবে? কখনোই না। পাঁচবছর আগেই যে তার বাসর ঘরে থাকা ব‌উয়ের দিকে ফিরে তাকায় নি। আজ এতো বছর পর এসে সে ওর দিকে তাকাবে অসম্ভব।


পূর্ণতা সাজতে না চাইলে কি হবে ওর ননাসের বড়ো মেয়ে আয়রা জোর করে ওকে শাড়ি পড়িয়ে সাজিয়ে দিলো। ও দাঁতে দাঁত চেপে ছিল কিন্তু কিছু বলার সাহস পায়নি।

দুপুর তিনটায় পরপর গাড়ি এসে হর্ন বাজিয়ে জানান দিলো তিনি এসেছেন। মানুষটা চলে এসেছে পূর্ণতার বুক টিপটিপ করছে। দুই বছর আগে তার সাথে ওর কথা হয়েছিল শেষ বার। শাশুড়ি মা জোর করে কথা বলতে দিয়েছিল। সে ঝগড়া করে বলেছিল আমার কাছে আর কোনদিন ফোন দিলে সে নাকি আর কোনদিন তার বাবা মায়ের সাথেও যোগাযোগ করবে না। সেদিনের পর আর কেউ আমার কাছে ফোন দিতো না। আমিও নিজের মতো চলতে ছিলাম তার আশা আমি ছে'ড়ে দিয়েছি সেইদিন ই‌।


মামি মামি বলে আমার সেই ভাগ্নি ডাকতে এলো। আমাকে জোর করে টেনে নিয়ে এলো ড্রাইনিং রুমে‌।

সোফায় বসে আছে আমার সেই পাঁচবছর আগে বিবাহ করা স্বামী। পাঁচবছরে তার শ'রীরের গঠন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগের থেকে স্বাস্থ্য হয়েছে। গায়ের রং যেন ফর্সা হয়েছে আরেকটু। তাকে দেখতে দেখতে পূর্ণতা পাশে তাকালো একটা মেয়ে বসে আছে। কে এই মেয়েটি উনার সাথে এসেছে?


পূর্ণতার‌ শাশুড়ি পূর্ণতা কে টেনে ছেলের সামনে নিয়ে বলল," দিদান ওকে চিনতে পারছিস?"

দিদান পূর্ণতার দিকে তাকিয়ে কিছু মনে করার চেষ্টা করে বলল," এটা কে মা? ও কি বড় আপুর মেয়ে আয়রা?"

দিদানের কথা শুনে সবাই খিলখিলিয়ে হেঁসে উঠলো। পূর্ণতা মনে মনে হাসছে। পূর্ণতার মনের হাসির সাথে বাস্তবেও হাসির রেশ পাওয়া গেল। আয়রা হাসি মুখে এগিয়ে এসে বলল," মামু এই যে আমি তুমি মামি কে ভাগ্নি ভাবছো!"


বলেই হেসে দিল। দিদান কপাল কুঁচকে বলল," এটা আবার কোন মামি তোর?"

" মামু কি যে বলো না এটা আমার দিদান মামার ব‌‌উ পূর্ণতা মামি। তোমার ব‌উ‌।"

দিদান অবাক চোখে পূর্ণতার দিকে তাকালো। 


দিদানের পাশে বসা মেয়েটি অবাক চোখে তাকিয়ে আছে। দিদান ঢোক গিলে বলল," কি সব বলছে মা। মজা করছো কেন তোমরা? ও তো আমার চাচাতো বোন। ব‌উ বলে মজা করার অভ্যাস আর তোমাদের গেল না। যাইহোক পরিচয় করিয়ে দেই এই হচ্ছে তোমার ছেলের ব‌উ শশী।"


সবাই চোখ কপালে তুলে তাকিয়ে আছে পাশে বসে থাকা মেয়েটির দিকে। মেয়েটি বসা থেকে উঠে দিদানের মাকে সালাম করতে চাইল। পূর্ণতা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল। ব‌উ কথাটা শুনতেই চমকে তাকাল। এই মানুষটা ওর নয় ও জানে তাকে নিয়ে ওর কোন আশা প্রত্যাশাও ছিল না তবুও কেন আরেকজন কে ব‌উ বলে পরিচয় করিয়ে দেওয়াতে ওর বুকটা কেঁপে উঠলো। ওর চোখে কেন জল চিকচিক করে উঠলো।


পূর্ণতা শশীকে এগিয়ে আসতে দেখে পিছিয়ে যায়। শশী পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে দিদানের মা আশালতা কে। আশালতা ছেলের দিকে বিষ্ময়কর চাহনি দিয়ে তাকিয়ে আছে। উনি পূর্ণতার দিকে তাকাবে কি করে? মেয়েটা তো সব আশা ছেড়েই দিয়েছিল তবু জোর করেছে তারা। তাদের নিজের ছেলের উপর বিশ্বাস ছিল। ভেবেছিল এতদিন পর এসে হয়তো স্ত্রী কে মেনে নিবে কিন্তু ছেলে এটা কি করে নিয়ে এলো। এক স্ত্রী থাকতে আরেকটা বিয়ে করে নিয়ে আসছে।


কেউ আর এগিয়ে এসে কথা বলল না দিদানের সাথে। সবাই স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারপর সবাই যে যার কাজে চলে যায়। থমকে দাঁড়িয়ে থাকে আশালতা বেগম। ছেলের থেকে এমনটা কোনদিন আশা করে নি। এই ভাবে ছেলে তার নাক কা'টবে ভাবতে পারে নি। দিদান আর শশী। দিদানের রুমে চলে যায়।


আশালতা পূর্ণতার দিকে তাকিয়ে বলে," আমায় ক্ষমা করে দিস মা। দিদান এমন করবে আমি কল্পনাতে ও ভাবিনি। নিজের ছেলেকে আমি চিনতে পারিনি।"

" আমি তোমায় মায়ের জায়গা দিয়েছি। মা হয়ে মেয়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে সেই জায়গাটা কেড়ে নিও না। উনার প্রতি আমার চাওয়া অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। তোমাদের মিথ্যে আশা নিয়ে থাকাটা এবার অন্তত বন্ধ হোক। উনি এই কাজটা করে ভালোই করেছেন।"


" তোর কি হবে? আমরা যে তোর কাছে অপরাধী হয়ে গেলাম রে।"


" আমার আবার কি হবে? তোমার ছেলে আমায় মেনে নেয়নি বলে কি আমার আর কোন গতি হবে না। আমি একজন স্বনির্ভর মেয়ে নিজের দায়িত্ব আমি নিজেই নিতে পারি।"

" তুই আমাদের কাজ থেকে চলে যাবি কিভাবে থাকবো আমরা তোকে ছাড়া? তুই ছাড়া এই বাড়িটা যে খুব ফাঁকা রে। তুই তো আমার মেয়ে বল না তাই না। মাকে ছেড়ে চলে যাস না। মেয়ে হয়েই থাক না আমাদের সাথে।"


" এটা সম্ভব না মা। তুমি নিজেও জানো স্বামীর বাড়ি মেয়ে হয়ে থাকা যায় না। এখানে থাকলে আমাকে অনেক বিব্রত কর অবস্থায় পরতে হবে। আমি এখানে থাকতে পারব না। ক্ষমা করো আমায়। আমাকে চলে যেতেই হবে।"


" আমার ছেলেটা খুব বোকা রে। খাঁটি সো'না রেখে সে কি ধরে আনলো আমি জানি না। তোকে ও আমি আটকাবো না। সেই অধিকার ও আমার নাই‌। আমাদের জন্য এমনিতেই অনেক সহ্য করেছিস আর না। এবার তুই সুখে থাক। চলেই তো যাবি আর দুইটা দিন পর যা। সায়মন এর জন্মদিনের দিনটা আমাদের সাথে কাটিয়ে যা।"


পূর্ণতা রাজি হয়। 

শশী দিদানের রুমে এসে জহুরী নজরে রুমটা দেখছে। দিদান ঘামছে অনবরত। শশী কোন ভাবে আগের বিয়ের কথা জানতে পারলে স'র্বনাশ হয়ে যাবে।

শশী আলমারির খুলে মেয়েদের পোশাক দেখে। ড্রেসিং টেবিলের সামনেও মেয়েদের কসমেটিক। 

" এসব কি দিদান! এতো মেয়েলি জিনিস কেন তোমার রুমে? এটা তোমার রুম‌ই তো?"


দিদান উত্তর দিতে পারছে না।

ভয়ে ভীত হয়ে আছে। পূর্ণতা প্রবেশ করে তখন রুমে। 

" আসলে ভাবি আপনার স্বামীর রুমে আমি কয়দিন ধরে ছিলাম। এজন্য আমার জিনিস পত্র এখানে রয়ে গেছে।"


শশী অবাক সুরে বলল," তুমি এখানে থাকতে।"

" হ্যা মানে উনি তো বিদেশ থাকতো রুমটা খালিই ছিল তাই আরকি থাকতাম। আপনারা চলে আসছেন এবার আপনারাই থাকবেন একটু বসেন আমি সব নিয়ে যাচ্ছি।"


বলেই পূর্ণতা আলমারির থেকে সব ড্রেস বের করে আনে। নিজের সমস্ত জিনিস নিয়ে বেরিয়ে আসে। দিদান হা করে তাকিয়ে ছিল পূর্ণতার দিকে। এই মেয়েটা ওর ব‌উ ছিল সে এতো সব জানার পর ও এতোটা স্বাভাবিক আছে ভাবতেই পারছে না।


শশী সন্দেহ চোখে তাকিয়ে বলল," দিদান মেয়েটার কথা আমার পছন্দ হলো না। ও তোমায় আমার স্বামী বলে সম্বোধন করলো কেন? 


চাচাতো বোনরা কি এইভাবে সম্বোধন করে? তুমি আমার থেকে কিছু লুকাচ্ছো তো?"


গল্প_পূর্ণতা

Sornali Entertainment


পরের পর্ব https://www.facebook.com/share/p/15G4vySz8c/?mibextid=wwXIfr

সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, "Compound Interest হল এই পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য্য"।

 সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, "Compound Interest হল এই পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য্য"।


.


উনার এই কথার সাথে একমত হয়ে SUCCESS Magazine- এর Publisher Darren Hardy একটি বই লিখেন The Compound Effect নামে, যেটি The New York Times Bestseller.


.


এই বইটিতে কিছু চমৎকার Key Idea আছে যা আমাদের সবাইকে একটা Perfect Life Resolution বানাতে সাহায্য করতে পারে। 


.


আচ্ছা বলুনতো,


কোন মানুষের Successful বা Failure হওয়ার পিছনে Root Factor হিসেবে কাজ করে কোনটা? তার ছোটবেলা, সে কিভাবে বড় হয়েছে, তার পরিবেশ নাকি অন্য কিছু?


.


লেখকের মতে সেই Root Factor হল তার নিজের নেয়া ছোট ছোট চয়েজগুলো।


.


এই পুরো পৃথিবীতে শুধুমাত্র একটাই জিনিস আছে যেটা যদি আমরা চাই তাহলে পুরোপুরিভাবে কন্ট্রোল করতে পারি, সেটা হচ্ছে আমাদের চয়েজ। আর এই চয়েজগুলোই আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আউটকামের জন্য দায়ী।


.


আপনি যদি ইচ্ছা করেন তাহলে অফিস থেকে ফেরার পর জিমে যেতে পারেন বা সোফাতে শুয়ে টিভিও দেখতে পারেন। আপনি যদি চান কোন কারনে আপনার বউয়ের সাথে ঝগড়া হওয়ার পর সবকিছু ভুলে পিছনে ফিরে তাকে জড়িয়ে ধরতে পারেন বা আপনার ইগোকে প্রশ্রয় দিয়ে সেখান থেকে বেড়িয়েও আসতে পারেন।


.


এরকম ছোট ছোট চয়েজগুলোই আমাদের সবকিছুর আউটকামগুলোকে নির্ধারন করে: আপনি সারাজীবন সুস্থ্য থাকবেন নাকি রোগের বয়ে বেড়াবেন, আপনি একটা দীর্ঘ এবং মধুর সম্পর্ক পাবেন নাকি আপনার মেয়েকে জবাব দিতে হবে কেন তার মাকে আপনি ডিভোর্স দিয়েছিলেন।


.


কিন্তু আমরা এরকম ছোট ছোট চয়েজগুলোতে বেশি মন দিই না, যদি আমি আপনাকে এখন দুটো অপশন দেই: আপনাকে এখন ১ টাকা দিব যেটা আগামী ১ মাস প্রতিদিন দিগুন হবে অথবা এখনই একবারে ১০ কোটি টাকা দিব; তাহলে আপনি এর মধ্যে কোন অফারট নিতে পছন্দ করবেন।


.


বেশিরভাগ মানুষই, হয়তো প্রায় সবাই ২ নাম্বার অপশন অর্থাৎ ১০ কোটি টাকাই নিবে। আচ্ছা তাহলে আমি ১ নাম্বার অফারটা নিজের কাছে রেখে দিলাম। এবার দেখা যাক ১ মাস পর এর আউটকাম কি আসে।


.


৫ দিন পর আমার কাছে আছে ১৬ টাকা আর আপনার কাছে ১০ কোটি। ১০ দিন পর আমার কাছে আছে ৫১২ টাকা আর আপনার কাছে সেই ১০ কোটি। ২০ দিন পর আমার কাছে ৫,২৪,২৮৮ আর আপনার কাছে সেই ১০ কোটি টাকা। আপনি এত টাকায় অনেক মজাতেই আছেন।


.


এবার ৩১ দিন পর আপনার কাছে আছে এখনো সেই ১০ কোটি কিন্তু আমার কাছ আছে ১০৭,৩৭,৪১,৮২৪ অর্থাৎ ১০৭ কোটি টাকা। যেটা কিনা আপনার থেকে ১০ গুন বেশি।


.


এবার তো বুঝা যাচ্ছে আইনস্টাইন কেন Compound Interest ব্যাপারটাকে 8th Wonder of World বলেছেন। সাকসেস জিনিসটাও ঠিক এই প্যাটার্নটাই ফলো করে।


.


Darren Hardy বলেছেন, "After 31 months or 31 years, the person who uses the positive nature of the compound effect appears to be an overnight success."


.


যেমন রুপক অর্থে রাশেদ, বিজয়, জুয়েল তিন বন্ধুর উদাহরন দেখা যাক। তিনজনই একরকম পরিবেশে বড় হয়েছে, একই জায়গায় থাকে আর ইনকাম মোটামুটি একই রকম। আর হ্যা ধরা যাক তিনজনেরই বিয়ে হয়ে গেছে এবং সবারই ওয়াইফের সাথে একটু মনোমালিন্য চলছে।


.


নতুন মাস বা বছরের শুরু থেকে রাশেদ সবসময় যা করে সেটাই করতে থাকল, কারন তার মনে হয় এটাতেই সে খুশী আছে। হ্যা শুধু কখনো কখনো সবার ব্যাপারে বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ করা শুরু করল।


.


অন্যদিকে বিজয় একটি Daily Checklist বানিয়ে নিজের মধ্যে কিছু ছোট ছোট Insignificant Positive Change আনা শুরু করল। যেমন-


১- প্রতিদিন ঘুমানোর আগে একটা ভাল বইয়ের ১০ পৃষ্ঠা পড়া।


২- প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার বা ফেরার সময় গাড়িতে বসে বা সুবিধামত সময়ে ৩০ মিনিট কোন Self Help/Motivational ভিডিও দেখা।


৩- নিজের ডেইলি ডায়েট প্ল্যান থেকে ১২৫ ক্যালরি কমালো।


৪- প্রতিদিন এক্সট্রা অন্তত ২ লিটার পানি খাওয়া।


৫- প্রতিদিন ১ মাইল হাটা।


৬- ব্যবসায়ীক স্বার্থ জড়িত প্রতিদিন অন্তত এমন ২/১ জনকে ফোন দিয়ে খোজখবর নেয়া বা সম্পর্কোন্নয়ন।


৭- নিজের বউকে নিয়ে প্রতি সপ্তাহে শুধুমাত্র ১ দিন বাইরে ডিনারের জন্য যাওয়া।


.


এবার অন্যদিকে জুয়েল কিছু ছোট ছোট Insignificant Negative Change আনা শুরু করল। যেমন:


১- প্রতিদিন লাঞ্চে একটু করে জাংকফুড খাওয়া।


২- কাজের চাপের অজুহাতে সপ্তাহে ৩/৪ দিন জিম মিস দেয়া।


৩- প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার সময় ১ বোতল কোল্ডড্রিঙ্কস খাওয়া।


৪- টিভিতে ফেভারিট শো দেখার জন্য ইভিনিং ওয়াক বন্ধ করে দেয়া।


৫- সময়ের অভাবের অজুহাতে অফিসিয়াল যোগাযোগ কমিয়ে দেয়া।


৬- ব্যস্ততার অজুহাতে বউয়ের সাথে বাইরে যাওয়াও বন্ধ করে দিল।


.


পরব্ররতী ৫ মাসে ৩ বন্ধুর তেমন কোন পার্থক্য দেখা গেল না। ১০ মাস পরেও একই। এবার বিজয় একটু একটু ফ্রাস্ট্রেট হতে লাগল। কেননা এখনো সে কোন পজটিভ রেজাল্ট দেখতে পায়নি তাও সে কোনরকমে জেদ ধরে চালিয়ে গেল, যেখানে জুয়েল কম কাজ করে জীবনকে উপভোগ করতে থাকল। আর রাশেদও খুশিতেই আছে।


.


কিন্তু ২৫ মাস পর হঠাৎই এদের মধ্যে কিছুটা বড় পার্থক্য দেখতে পাওয়া গেল, আর ২৭ মাস পর সেটা আরো ক্লিয়ারলি দেখতে পাওয়া গেল।


.


And after 31 months the differences become poles apart.


.


রাশেদ এখন আরো বেশি কম্পলেইন করে সবার ব্যাপারে। সে বেশিরভাগ সময়ই Bore এবং Purposeless অনুভব করে।


.


জুয়েল রোজ একটু একটু জাংকফুড খেয়ে এবং জিম বাদ দিয়ে ১৫ কেজি ওজন বাড়ালো, সাথে নানান রোগব্যাধি। যোগাযোগ কমিয়ে দেয়ার ফলে বিজনেসের অবস্থাও খারাপ হতে লাগল। ফলস্বরূপ আর্থিক অবস্থাও খারাপ হয়ে গেল সেই সাথে বউয়ের সাথেও সম্পর্ক খারাপ হয়ে ডিভোর্সের পর্যায়ে চলে গেল।


.


Small negative changes compounded for 31 months brought a horrific result.


.


এবার আসা যাক বিজয়ের ব্যাপারে। এই ৩১ মাসে সে প্রায় ৫০ টি বই এবং ৪৬৫ ঘন্টা উপকারী ভিডিও দেখে নিয়েছে যেটাতে তার Knowledge & Wisdom দুটোই আগের থেকে অনেকগুণ বেড়ে গেল।


.


প্রতিদিন শুধু ১২৫ ক্যালরি কমিয়ে আর ১ মাইল হেটে ১৫ কেজি ওজন কমালো যে কারনে সে এখনো আগের মতই স্লিম আর হ্যান্ডসাম। প্রতিদিন মাত্র ২ লিটার পানি খেয়ে মোট প্রায় দুই হাজার লিটার পানি খেয়ে নিল যা কিনা তার নিজের ভিতরে অনেক রোগকে বেড়ে ওঠা কমিয়ে দিল।


.


আর প্রতিদিন মাত্র দুইটা কল করে সে মোট ১৮০০ কল দিল যাতে সম্পর্ক ভালো হল ফলে বিজনেসও বাড়তে থাকল।


সপ্তাহে মাত্র একদিন বউকে ডিনারে নিয়ে গিয়ে মোট ১২৪ টা ডিনার ডেট করে ফেলল, যাতে তার বউ খুশী হল, নিজেদের সম্পর্কটাও মজবুত হল।


.


Strong insignificant changes compounded for 31 months brought an outstanding result for him.


.


.


কিন্তু!!


যদি সাকসেস পাওয়া এতটাই সোজা হয় আর আমরা সবাই প্রসেসটাও জানি, তাহলে কেন আমরা এই সূত্রটা ফলো করতে ব্যর্থ হয়ে যাই?


.


লেখকের মতে চারটি ফাঁদ আছে যার কারনে আমরা ব্যর্থ হই বা Consistency ধরে রাখতে পারি না।


.


1- Starting Results Are Invisible


.


ভাবুন যদি আপনি আজ একটা বার্গার খান আর পরদিন সকালে ১৫ কেজি ওজন বাড়িয়ে ঘুম থেকে ওঠেন তাহলে কি আপনি কোনদিনও একটা বার্গার খেতেন? অথবা আজ একটি সিগারেট খান আর পরদিন সকালে আপনি গলায় ক্যান্সার নিয়ে ঘুম থেকে ওঠেন, তাহলে কি আপনি কোনদিনও একটা সিগারেট খাওয়ার সাহস করতেন?


.


কিন্তু সমস্যাটা হল শুরুতে কোন পরিবর্তনই চোখে ধরা পরে না। কিছু মাস বা কিছু বছর পর হঠৎ যেন রাতারাতি কিছু ভয়ানক ফলাফল সামনে এসে যায়, যতক্ষণে সেটাকে আটকানোর আর সুযোগ থাকে না।


.


এই ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য আপনাকে সবসময় এটা মনে রাখতে হবে, "Every choice you make ignites a butterfly effect" মানে আপনাকে সতর্ক হয়ে প্রতিটা চয়েজ মন দিয়ে নিতে হবে।


.


2-Deceptiveness


.


লস এঞ্জেলসগামী কোন বিমান যদি ১ ডিগ্রিও Off Route হয়ে যায় তো সেই প্লেন লস এঞ্জেলস থেকে ১৫০ মাইল দূরে অন্য কোন দ্বীপে গিয়ে ল্যান্ড করবে। এবার আপনি ভাবুন যদি আপনিও নিজের জীবনে শুধুমাত্র ১ ডিগ্রীও Off Route হয়ে যান ১০ বা ১৫ বছরের জন্য, তাহলে জীবনের কোথায় গিয়ে ল্যান্ড করবেন!


.


এটা থেকে বাঁচার জন্য একটা গাইডলাইন থাকা খুবই দরকার। যেমন একটা Daily Checklist যেটা একটা ফুটপ্রিন্টের মত আপনাকে On Track থাকার জন্য সাহায্য করবে। যদি আপনি কোন কারনে কিছুদিনের জন্য অফট্র‍্যাক হয়েও যান তখন এই চেকলিস্টটা আপনাকে অন ট্র‍্যাকে ফিরে আসার জন্য অনেকটা সাহায্য করবে।


.


3- Immediate Gratification


.


আপনার কাছে দুটো অপশন আছে, ডিনারের পর আপনি একটা হট চকলেট কেক খেতে পারেন বা শুধু ১ গ্লাস পানি খেতে পারেন। আপনি পানি বেছে নিলেন আর আপনার একটা বন্ধু নিল কেক। বন্ধু খুব আনন্দে ওই কেকটাকে আপনার চোখের সামনে মজা করে খেতে লাগল। আর এদিকে আপনি শুধু পানি খাচ্ছেন যেটার এতটুকুও কোন স্বাদ নেই। তখন কেমন লাগবে আপনার?


.


এটাই ফাঁদ!


যদি আপনি শর্ট টার্মে দেখেন তাহলে কোন ভাল চয়েজ বেছে নিলে তাতে আপনি কিছুই পান না কিন্তু যদি একটা খারাপ চয়েজকে বেছে নেন তাহলে আপনি অনেক খুশী আর মজা লাভ করেন।


.


Which is a great paradox.


.


যেমন Darren Hardy বলেছেন,


"Short term pleasures create long term pains and short term pains create long term pleasures.


.


জীবনে একবার তো আপনাকে কষ্ট করতেই হবে, আপনি এটাকে Skip করতে পারবেন না। এই কষ্ট দুই ধরনের হয়: Pain of Discipline এবং Pain of regret.


কিন্তু ডিসিপ্লিনের কষ্টে ওজন শুধু কয়েক গ্রাম এবং কিছুদিনের যেখানে রিগ্রেটের কষ্টের ওজন কয়েক টন এবং আজীবনের।


এবার চয়েজ আপনার।


.


4- What is easy to do is also not easy to do.


.


চেকলিষ্ট Maintain করা, প্রতিদিন শুধুমাত্র দুই বোতল পানি খাওয়া, ১ মাইল হাটা; এইসব কাজ করা খুবই সহজ।


হ্যা সহজ তো বটেই কিন্তু এটা করা অনেকটা মুশকিলও।


.


লেখক বলেছেন শুধুমাত্র একটা জিনিস এরকম আছে যেটা Successful এবং Unsuccessful দুধনের লোকেদের মধ্যেই Common, তাদের কেউই ভাল চয়েজটা বেছে নিতে ভালবাসে না।


.


হ্যা এটাই সত্যি!


হট চকলেট কেকের পরিবর্তে শুধু স্বাদহীন পানি খেতে কেউই ভালবাসে না, কিন্তু সাকসেসফুল লোকেরা তাও যেকোন ভাবে তাদের Will Power বা নিজের Why Power- কে কাজে লাগিয়ে সেই কাজটা করে নেয়।


.


যেমন মোহাম্মদ আলী বলেছেন,


"I hated every minute of training but I love being a world champion."


.


তো এই ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য আপনার ওই Why টাকে খুজে বের করতে হবে। এই Why যত পাওয়ারফুল হবে আপনিও ততটাই পাওয়ারফুল হবেন।


.


So prepare a Checklist on daily basis, which will guide you throughout the year to stay on the right track.


.


One thing is fixed that you can never escape from the compound effect, either u earn it or you pay for it.


Collected

ব্ল্যাক ভাইরাস - সিজন ২ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হিয়া তোর ফিগার তো জোশ চল না একদিন দুজনে গ্রুপ Study করি আমার বাসায়,তোর শরীর টা ভোগ করার ইচ্ছে খুব,তোর স্ত*ন টা জোস কাল আমার বাসা পুরো ফাঁকা থাকবে,

,

হিয়া-না রে দোস্ত আমার bf  যেতে দিবে না,

মিঠু- তুই বলে যাবি নাকি, অনেক মজা হবে চল না যাই,তোকে দেখে আমার এখনি ইচ্ছে করছে,,,,,,,,?

,

হিয়া হেসে বলে মিঠু অধৈর্য্য হওয়া যাবে না,একদিনের জন্য আমি তোর, ফ্রেন্ড হিসেবে পেতেই পারিস আমাকে সে অধিকার তোর আছে, 

সঠিক সময় আসুক তারপর, 

যদি আমার bf জানতে পাতে তাহলে আমার সমস্যা হবে রে,

,

হিয়া- চল ক্লাসে যাই,


হিয়া আর মিঠু দুজনে বেষ্ট ফ্রেন্ড 

কলেজে যতক্ষন থাকে দুজনে সুপার গ্লো আঠার মতো লেগে থাকে,

দুজনে অনার্সে পড়ে,

আর হিয়ার বফ নীল টুটু কোম্পানির

ম্যানেজার একেবারে তা নয়,কাজ আছে প্রতিদিন রুটিন অনুযায়ী চাকরির ইন্টারভিউ দেওয়া, এ পর্যন্ত কম করে 

হলেও ২-৩শত চাকরির ইন্টারভিউ দিয়েছে, আর বাকি সময় আড্ডাবাজি 

করা আর বাপের বকা শুনা,

,

হিয়া আর মিঠু  ইউনিভার্সিটির ওয়াশরুমে, মিঠু বলল কি ব্যাপার ওয়াশরুমে নিয়ে আসলি কেনো আমাকে,


হিয়া-তুই না একটু আগে বললি তোর আর তর সইছে না,

বলে হিয়া তার টপ ব্রা খোলে নরম 

স্ত*ন বের করে দিলো,

তাই দেখে মিঠুর চোখ কপালে উঠে পড়লো,

মিঠুর শা*রী*রি*ক চা*হি*দা জেগে উঠে হিয়ার গাঁয়ে হাত দিতেই, 

হিয়ার ফোন টা বেজে উঠে,

ব্যাগ থেকে ফোন টা বের করে দেখে 

নীল ফোন দিচ্ছে,


হিয়া রিসিভ করে,

হিয়া- হ্যালো আমি ইম্পর্টেন্ট ক্লাসে আছি পড়ে কথা বলছি,


নীল- আমি তোমার ডিপার্টমেন্টের সামনে তুমি কই,

আমি আসবো,,


হিয়া- না না ক্লাস শেষ আমি এখনি আসছি তুমি সেমিনারে বসো,


মিঠু হিয়া কে আবার জরিয়ে ধরতে চাইলে ছিটকানি দিয়ে ব্রা আর টপ পড়ে নেয়,


মিঠু - কি এমন করছিস কেনো কিছুই

তো করলাম না,


হিয়া; পড়ে হবে সব সেমিনারে নীল বসে 

আছে দেখলে সব শেষ, তোর আমার খবর করে ছাড়বে,


হিয়া তারাতাড়ি বের হয়ে সেমিনারে 

আসলো,


হিয়া- তুমি এই সময় কলেজে কি মনে 

করে,


নীল- কেনো আমি কি তোমার সাথে 

দেখা করতে আসতে পারি না,


হিয়া- না তা আসতে পারো,

নীল- তুমি না বললা ক্লাসে ছিলা তা চুল গুলা এমন এলোমেলো কেনো,


হিয়া- না ঐ ফ্যানের বাতাসেসে এলোমেলো হয়ে গেছে,


নীল- এই শীতে ফ্যান কি এমন ক্লাস করছিলে যে এমন ঘেমে গিয়েছো,,,


হিয়া- কি কি ববলতে চাও তুমি? 


নীল-এমন তোতলাচ্ছো কেনো,কি 

হয়েছে,


হিয়া- কোকোই না তো,

এমন সময় মিঠু আসলো,


নীল মিঠু কে দেখে আরে মিঠু কি খবর বলে হাত হ্যান্ডশেক করলো,,, 


নীল বলল কি ব্যাপার, আজকাল প্যান্টের চেইন খোলা রেখে ঘুরে বেড়াও দেখছি,


মিঠু- আসলো ওয়াশরুমে গিয়ে ছিলাম তো লাগাতে মনে নাই,


নীল- ওয়াশরুম নাকি অন্য কিছু,


তখন হিয়া আর মিঠুর মুখে কোন কথা নাই,কলিজা শুকিয়ে গেছে দুজনের, 


তখন নীল হো হো হো করে হেসে আরে ম্যান আমি জোক্স করলাম আর তোমরা সেটা seriously নিলা,,,


নীল-আচ্ছা যাই আমি কাজ আছে, 

নীল চলে গেলো হাসতে হাসতে, 

হিয়া আর মিঠু শ্বাস ছেড়ে বাঁচা গেলো,

,

মিঠু বলল এখানে করাটা রিস্ক হবে 

কাল আমার বাসায় একদম নিরাপদ আর প্রটেকশনসহ, 


হিয়া- নীল আসাতে ভালই হইছে, আজ তো প্রটেকশন ছিলো না যদি হয়ে যেতো তাহলে তো আমি প্রেগন্যান্ট হয়ে যেতাম, 


মিঠু- হুম ঠিক কিন্ত ধরা পড়লে কি হতো ভাবছিস,


হিয়া- বাদ দে, আমি বাসায় যাবো, কাল 

দেখা হবে,


পরেরদিন,,,,,


হিয়া আর নীল ক্যাম্পাসে বসে এমন সময় মিঠুর আগমন, 

মিঠু আসাতে নীল বিরক্ত বোধ করলো, 

আসলো তো আসলো এসেই হিয়ার গলা জরিয়ে ধরলো,

,

তারপর মিঠু বলল ক্লাসে যাবি না, 


নীল এমন সময় বলল কি মিঠু ভাই তোমার  বান্ধুবির সাথে হাগ করলা আমার সাথে করবা না,

আসো হাগ করি আসো, 


মিঠু; না ভাই ক্লাস আছে চল হিয়া ক্লাসে যাই,,


নীল/ আচ্ছা পড়ে হাগ করবো,


দুজনে ক্লাসে চলে গেলো কিন্ত নীল ভাবলো আজ সারাদিন দুজনের উপর 

নজর রাখবে,,,


যেই ভাবা সেই কাজ নজর রাখলো ক্লাস শেষ করে একটা ফার্মেসিতে  গেলো কিছু একটা কিনে মিঠুর বাসায় সোজা,


নীলও পিছন পিছন গেলো, 


দেখলো মিঠুর বাসায় যেতে ৩০ মিনিট 


নীল মিঠুর দরজায় গিয়ে ঠক ঠক, 


অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় মিঠু দরজা খোলে 


হা,আর নীল ভিতরে উঁকি মেরে দেখতে পেলো হিয়া অর্ধ উলঙ্গ হয়ে চিত হয়ে শুয়ে আছে,


নীল হাত তালি দিয়ে বলল কি ফ্রেন্ড, 


সব লোটে খাচ্ছে আর আমি বফ আঙুল চুষি, 


২টারে ইচ্ছা মত উরাধুরা মাইর দিয়ে বের হয়ে গেলো নীল,


পরেরদিন নীল খুব দেরিতে ঘুম থেকে উঠে, 


প্রতিদিন কার রুটিন চাকরির ইন্টারভিউ দেওয়া,


তাই কোট টাই পড়ে, 


রওনা হল চাকরির  ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য,


মিঠুর বাড়ির সামনে দিয়েই যাচ্ছিলো 


অনেক লোকজনের ভিড় নীল রিকশা ওয়ালা মামা কে জিজ্ঞেস করে মামা এখানে কি হয়ছে,


মানুষ খুন হয়ছে মামা,


নীল কথা টা শুনে নামে আর কে খুন হয়ছে তা দেখার জন্য বাড়ির ভিতরে যায়,


যেতে যেতে মিঠুর সেই রুমে গিয়ে দেখলো মিঠুর দেহ টা ফ্যানের সাথে 

ঝুলে আছে নীল ভয়ে কিছুটা পিছু হটে যায় কারন মিঠু কে খুব নির্মম ভাবে মারা হয়ছে মিঠু একদম উলঙ্গ, 


চোখ দুটো তুলে ফেলা হয়ছে,


লিঙ্গ কেটে মুখে বেঁধে দেওয়া হয়েছে,


আর সারাশরীর ব্লেড দিয়ে কেটে লবন দেওয়া হয়েছে আর বুকে রক্ত দিয়ে লেখা i am back!


I am back

ব্ল্যাক ভাইরাস - সিজন ২

পর্বঃ ১

MD Helal Uddin 


(I am back/ব্ল্যাক ভাইরাস - সিজন ২) সকল পর্ব 

Open this link

https://www.facebook.com/share/p/QXX5qjRGN96tBk7z/?mibextid=oFDknk

আন্তঃপ্রজননঃ আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে বিয়ে হলে সাধারণ জন্মগত ত্রুটি নিয়ে শিশুরা বেড়ে ওঠে।, ইজিলাইফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আন্তঃপ্রজননঃ আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে বিয়ে হলে সাধারণ জন্মগত ত্রুটি নিয়ে শিশুরা বেড়ে ওঠে।


রক্তের সম্পর্কের মধ্যে প্রজনন বা মিলনের ফলে যে বাচ্চা জন্ম নেয় সেটাই আন্তঃপ্রজনন। আদিম অবস্থায় মানুষ প্রচুর আন্তঃপ্রজনন ঘটিয়েছে, এখনও ঘটায়, তবে কম পরিমাণে, কারণ আমাদের পূর্বপুরুষরা  আন্তঃপ্রজনন-এর খারাপ ফলাফল দীর্ঘদিন পর্যবেক্ষেণের ফলে বুঝতে পেরেছিলেন। আন্তঃপ্রজননের ফলে শিশুর অসুস্থতা ও মৃত্যুর হার খুব বেশি। শারিরীক ও মানসিক শক্তি, ইমিউনিটি কমে যায়। 


 শিম্পাঞ্জী, গরিলা ও বানরেরা আন্তঃপ্রজনন প্রতিরোধ করার উপায় হিসাবে তাদের স্ত্রী প্রাণিরা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের থেকে পৃথক হয়ে নূতন দল গঠন করে, যা জীববিজ্ঞানে "ন্যাটাল ডিসপারসাল: নামে পরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে ঘ্রাণসংকেতের মাধ্যমে অনেক মেরুদণ্ডী প্রাণী উপযুক্ত সঙ্গীকে আকর্ষণ করে। যে গাভীকে তার পছন্দসই ষাড়ের সাথে বিট করাবেন, সে গাভীর দুধ দেবার পরিমাণ বেড়ে যাবে, বাচ্ছা হবে সুস্থ সবল।  


বিশ্বব্যাপী প্রায় এক বিলিয়ন জনগোষ্ঠীতে নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিবাহের চল রয়েছে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৩৭ শতাংশই রক্তের সম্পর্কের মধ্যে বিয়ে হয়।  এছাড়া বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য, ইরান ও দক্ষিণ এশিয়ায় নিকটাত্মীয়ের মধ্যে এ ধরনের বিয়ে বেশি ঘটে। 


ফার্স্ট রিলেটিভ বিয়ে, মানে আপন চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে। সেকেন্ড রিলেটিভ বিয়ে, মানে বাবা বা মায়ের চাচাতো, মামাতো, খালাতো বা ফুফাতো ভাইবোনের সন্তানদের মধ্যে বিয়ে। এই দুই ধরনের কাজিন ম্যারেজের কারণে জন্ম নেওয়া সন্তানের মধ্যে নানা বংশগত রোগের ঝুঁকি বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। বিশেষত জিনবাহিত বংশধারার রোগগুলোর প্রকোপ  বেড়ে যায়।


নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিয়ের কারণে সন্তানের যেসব ঝুঁকি বাড়ে তা হলো:

১. গর্ভপাত, মৃত সন্তান প্রসব

২. শারীরিক ত্রুটিসংবলিত শিশুর জন্ম (স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ গুণ বেশি) হয়।

৩.  হঠাৎ অজানা কারণে শিশুমৃত্যু

৪. শিশুর শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা 

৫. যথাযথভাবে শিশু বৃদ্ধি না হওয়া

৬. মৃগী রোগ, অজানা রোগ

৭. নানা রকমের রক্তরোগ যেমন সিকেল সেল ডিজিজ ও বিটা থ্যালাসেমিয়া।

৮. যেসব পরিবারে জন্মগত বিভিন্ন রোগের ইতিহাস আছে, সেখানে সমস্যা জটিল হয়।

৯. উইলসন রোগে হয়। এর চিকিৎসায় দামী দামী ওষুধ খেতে হয় সারা জীবন। আক্রান্তদের বেশিরভাগ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারেন না।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১৮-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১৮-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধে আগামীকাল বাংলাদেশ স্কাউটসের আয়োজনে সাত দিনব্যাপী জাতীয় কমডেকার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা।


দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আসন্ন রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি করবে সরকার।


খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ও টিসিবি’র আওতায় আগামী দু’মাসে মোট সাত লাখ টন চাল বিতরণ করা হবে - জানালেন খাদ্য উপদেষ্টা।


নাগরিকদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা প্রদানে জেলা প্রশাসকদের প্রতি কাজ করার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে - জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা।


বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ও ভোটের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে - বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


গাজায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও রাফায় বাড়ি ঘর ধ্বংস করেছে ইসরাইল।


গতকাল দুবাইয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে পাকিস্তান শাহীন।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৭-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৭-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আসন্ন রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি করবে সরকার।


খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ও টিসিবি’র আওতায় আগামী দু’মাসে মোট সাত লাখ টন চাল বিতরণ করা হবে --- জানালেন খাদ্য উপদেষ্টা।


নিশ্চিত জ্বালানি সরবরাহ পেতে ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রতি অনুরোধ জানালো বাংলাদেশ।


ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে --- জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা।


বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ও ভোটের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে --- বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে আজ প্যারিসে জরুরি বৈঠক করছেন ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ --- আগামীকাল সৌদি আরবে আলোচনায় বসবেন মার্কিন ও রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


এবং আজ ঢাকায় ৪৮তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা শুরু --- দেশের দ্রুততম মানব মোহাম্মদ ইসমাইল, দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার।

সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

লচির তরুণ ও নিরোগ থাকার অব্যর্থ টিপস দিলেন দেবী শেঠী,,,,

 চির তরুণ ও নিরোগ থাকার অব্যর্থ টিপস দিলেন দেবী শেঠী


এই সহজ পরামর্শগুলো বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠীর। রো*গমুক্ত ও চিরতরুণ থাকার অব্যর্থ উপায় বলছেন তিনি।


১. খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের

মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি

খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান।

.

২. বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি

খান এবং তার পর খান দুধ ছাড়া খুব হালকা এক

কাপ চা। আপনার ওজন বেশি হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে

দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না।

.

৩. সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি

খাবেন।

.

৪. পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি রা

জলচিকিৎসা। মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার

বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক

বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে

উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস

করলে প্রায় ৩৬ ধরণের রোগ হয় না এবং হলেও

সেরে যায়।

.

৫. অপর পক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা

গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি

চায়নিজ হারবাল মেডিসিন । সেকালে এই চা দিয়ে

হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) ও পেটের

নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা হতো। আবার

আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে

রয়েছে অ্যান্টিঅিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে

নিশ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ

রয়েছে চায়ে। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে

চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত ভালো।

.

৬. ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ এর

গুণাগুণ অসংখ্য। জানা গেছে, দিনে ১ হাজার

মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে।

তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না।

প্রতিদিনই কমবেশী খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ

তাজা ফলমূল। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে

সাহায্য করে। আমলকি, সব ধরনের লেবু, টমেটো,

কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে

বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।

.

৭. ধূমপানসহ সকল ধরণের নেশা জাতীয় অভ্যাস

ত্যাগ করুণ। কারণ নেশা মানুষকে সকল দিক দিয়ে

ধ্বংস করে দেয়।

.

৮. রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া

ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের

মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস

খাওয়া চলতে পারে।

.

৯. প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি,

তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি

খাওয়া উচিত।

ভাজাভুজি খাবেন না। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ঘি,

মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গুণ আছে,

তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।

.

১০. সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন

কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি।

.

১১. বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক

চামচ মধু খাবেন।

.

.

১২. ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের

মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তো খুবই ভালো।

কেননা, এটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া

ঠিক নয়। ওতে পাকস্থলিতে পাথর হতে পারে।

.

১৩. সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ

ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে

হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ

থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।

.

১৪. প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস

করুন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে

সাহায্য করে ।


গাছের জন্য ক্ষতিকর পোকামাকড়ের সংখ্যা অনেক, এবং এরা বিভিন্নভাবে গাছের ক্ষতি করে। নিচে কিছু সাধারণ ক্ষতিকর পোকামাকড়ের তালিকা দেওয়া হলো:

 গাছের জন্য ক্ষতিকর পোকামাকড়ের সংখ্যা অনেক, এবং এরা বিভিন্নভাবে গাছের ক্ষতি করে। নিচে কিছু সাধারণ ক্ষতিকর পোকামাকড়ের তালিকা দেওয়া হলো:



### ১. **এফিড (Aphids)**

- **বর্ণনা**: ছোট, নরম শরীরের পোকা, সাধারণত সবুজ, কালো বা বাদামি রঙের হয়।

- **ক্ষতি**: এরা গাছের রস চুষে খায়, ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পাতায় মোজাইক রোগ দেখা দেয়।


### ২. **হোয়াইটফ্লাই (Whiteflies)**

- **বর্ণনা**: ছোট, সাদা রঙের পোকা, সাধারণত পাতার নিচের দিকে থাকে।

- **ক্ষতি**: এরা পাতার রস চুষে খায় এবং পাতায় স্টিকি হানি ডিউ তৈরি করে, যা ফাঙ্গাসের জন্ম দেয়।


### ৩. **স্পাইডার মাইট (Spider Mites)**

- **বর্ণনা**: খুব ছোট, মাকড়সার মতো দেখতে পোকা, সাধারণত পাতার নিচের দিকে থাকে।

- **ক্ষতি**: এরা পাতার রস চুষে খায়, ফলে পাতা হলুদ হয়ে শুকিয়ে যায়।


### ৪. **ক্যাটারপিলার (Caterpillars)**

- **বর্ণনা**: প্রজাপতি বা মথের লার্ভা, সাধারণত সবুজ বা বাদামি রঙের হয়।

- **ক্ষতি**: এরা গাছের পাতা, ফুল এবং ফল খেয়ে ফেলে, ফলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।


### ৫. **লিফহপার (Leafhoppers)**

- **বর্ণনা**: ছোট, চ্যাপ্টা শরীরের পোকা, সাধারণত সবুজ বা বাদামি রঙের হয়।

- **ক্ষতি**: এরা পাতার রস চুষে খায় এবং বিভিন্ন রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।


### ৬. **থ্রিপস (Thrips)**

- **বর্ণনা**: খুব ছোট, সরু শরীরের পোকা, সাধারণত হলুদ বা কালো রঙের হয়।

- **ক্ষতি**: এরা পাতার রস চুষে খায় এবং পাতায় রূপালি দাগ তৈরি করে।


### ৭. **স্কেল ইনসেক্ট (Scale Insects)**

- **বর্ণনা**: ছোট, শক্ত খোলসযুক্ত পোকা, সাধারণত গাছের ডাল বা পাতায় আটকে থাকে।

- **ক্ষতি**: এরা গাছের রস চুষে খায়, ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পাতায় স্টিকি হানি ডিউ তৈরি করে।


### ৮. **মিলিবাগ (Mealybugs)**

- **বর্ণনা**: ছোট, সাদা, তুলার মতো দেখতে পোকা, সাধারণত পাতার নিচের দিকে বা গাছের কাণ্ডে থাকে।

- **ক্ষতি**: এরা গাছের রস চুষে খায় এবং পাতায় স্টিকি হানি ডিউ তৈরি করে।


### ৯. **বোরার (Borers)**

- **বর্ণনা**: বিভিন্ন প্রকারের পোকা যারা গাছের কাণ্ড বা শিকড়ে গর্ত করে।

- **ক্ষতি**: এরা গাছের কাণ্ড বা শিকড়ে গর্ত করে, ফলে গাছের পুষ্টি পরিবহন ব্যাহত হয় এবং গাছ মারা যেতে পারে।


### ১০. **গ্রাব (Grubs)**

- **বর্ণনা**: বিটলের লার্ভা, সাধারণত মাটির নিচে থাকে।

- **ক্ষতি**: এরা গাছের শিকড় খেয়ে ফেলে, ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মারা যেতে পারে।


### ১১. **নেমাটোড (Nematodes)**

- **বর্ণনা**: মাইক্রোস্কোপিক কৃমি, সাধারণত মাটিতে থাকে।

- **ক্ষতি**: এরা গাছের শিকড়ে আক্রমণ করে, ফলে গাছের পুষ্টি শোষণ ক্ষমতা কমে যায়।


### ১২. **লিফ মাইনার (Leaf Miners)**

- **বর্ণনা**: ছোট পোকা যারা পাতার ভিতরে টানেল তৈরি করে।

- **ক্ষতি**: এরা পাতার ভিতরে টানেল তৈরি করে, ফলে পাতার সবুজ অংশ নষ্ট হয়ে যায়।


### ১৩. **ফ্রুট ফ্লাই (Fruit Fly)**

- **বর্ণনা**: ছোট মাছি, সাধারণত ফলের উপর ডিম পাড়ে।

- **ক্ষতি**: এরা ফলের ভিতরে ডিম পাড়ে এবং লার্ভা ফলের ভিতরে খেয়ে ফেলে, ফলে ফল নষ্ট হয়ে যায়।


### ১৪. **কাটুই বাগ (Cutworm)**

- **বর্ণনা**: মথের লার্ভা, সাধারণত মাটির নিচে থাকে।

- **ক্ষতি**: এরা গাছের কাণ্ড কেটে ফেলে, ফলে গাছ মারা যেতে পারে।


### ১৫. **জাপানিজ বিটল (Japanese Beetle)**

- **বর্ণনা**: ধাতব সবুজ রঙের বিটল, সাধারণত পাতার উপর থাকে।

- **ক্ষতি**: এরা পাতার উপরিভাগ খেয়ে ফেলে, ফলে পাতায় জালের মতো দাগ তৈরি হয়।


এই পোকামাকড়গুলো গাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে এবং সঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নিলে গাছের উৎপাদনশীলতা ব্যাহত হতে পারে। তাই, গাছের যত্ন নেওয়ার সময় এই পোকামাকড়গুলোর উপস্থিতি এবং তাদের নিয়ন্ত্রণের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১৭-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১৭-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আজ দ্বিতীয় দিন - আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও বাজার ব্যবস্থা তদারকি জোরদারে জেলা প্রশাসকদের প্রতি নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।


জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করাই সরকারের লক্ষ্য - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


জুলাই আন্দোলনের সময় গণমাধ্যমের ভূমিকার দলিল তৈরির ওপর জোর দিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠন করতে চায় বিএনপি - বললেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।


সীমান্ত সংক্রান্ত নানা বিষয় আলোচনার জন্য আজ ভারতে শুরু হচ্ছে বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন।


ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে সৌদি আরবে আজ সামনাসামনি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।


আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার তৃতীয় ও শেষ পর্ব।


দুবাইয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে আজ বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে ।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...