এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৩-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৫-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


বিডিআর হত্যাকাণ্ডের শহিদদের সম্মানে ২৫শে ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা করলো সরকার।

 

শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়ী ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফর এবং দেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইট সেবা চালুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।

 

দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সুবিধার্থে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর বাণিজ্য উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।

 

পুলিশকে কোনো রাজনৈতিক দলের তল্পিবাহক হয়ে কাজ না করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।

 

রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোডম্যাপ প্রস্তুত করার জন্য জাতিসংঘের প্রতি দুর্যোগ ও ত্রাণ উপদেষ্টার আহ্বান।

 

জার্মানির পরবর্তী চ্যান্সেলর নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ।

 

দুবাইয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৪২ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে ভারত।

রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ইফতার কি আযান হলে করতে হয়? পড়ুন

 আযানের সাথে ইফতারের সম্পর্ক নাই💕💕💕

📌 ইফতার কি আযান হলে করতে হয়? পড়ুন👇👇


সূর্য ডুবলো নাকি ডুবলো না, তার জন্য আমরা অপেক্ষা করি না। আমরা অপেক্ষা করি আযানের জন্য। কারণ আমাদের ধারণা, আযান হলে ইফতার খেতে হয়। অথচ আযানের সাথে ইফতারের কোন সম্পর্কই নেই।

.

.

রাসুল (ﷺ) বলেছেন, সূর্য যখনই অস্ত যাবে, সায়েম (সিয়াম পালনকারী) তখনই ইফতার করবে।" [বুখারী ২৯৫৪, মিশকাত ১৯৮৫]

.

____________________________

সময় হওয়ার সাথে সাথে শীঘ্র ইফতার করা নবুঅতের একটি আদর্শ। মহানবী (ﷺ) বলেন,

‘‘তিনটি কাজ নবুয়তের আদর্শের অন্তর্ভুক্ত; জলদি ইফতার করা, দেরী করে (শেষ সময়ে) সেহরী খাওয়া এবং নামাযে ডান হাতকে বাম হাতের উপর রাখা।’’ [ত্বাবারানী, মু’জাম, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ২/১০৫, সহীহুল জামেইস সাগীর, আলবানী ৩০৩৮নং]


অথচ, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা সূর্যাস্তের ৩/৪ মিনিট পরে সতর্কতামূলক ইফতার করে থাকি, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর আদেশের স্পষ্ট বিপরীত।

.

____________________________

আদম (আ) এর সময় থেকে শুরু করে সব যুগের সব নবী-রাসুলরাই ইফতার করেছেন বিনা আযানে। আসলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছাড়া কোনো নবী-রাসূলের যুগে তো আযানই ছিলনা।


আযানের সূচনা হয়েছে সিয়াম (রোজা) শুরুর  পরে।

.

বাস্তবতা হচ্ছে , রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাসূল হওয়ারও প্রায় ১০/১২ বছর পরে সালাতের আদেশ পেয়েছেন। এরও কিছুদিন পরে তিনি মদিনায় হিজরত করেছেন। তারও কিছুদিন পরে শুরু হয়েছে আযান। উদ্দেশ্য ছিল একটাই - সবাইকে একসাথে সালাতে আহবান করা, ইফতার খাওয়া নয়।

.

____________________________

আযানের সূচনা প্রসঙ্গে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেনঃ "মুসলমানরা মদিনায় আসার পর একত্রিত হয়ে  নির্দিষ্ট সময়ে সালাত পড়ে নিত। এ জন্য কেউ আযান দিত না।"

.

একদিন তারা ব্যাপারটি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল। তাদের একজন বলল, নাসারাদের নাকূসের অনুরূপ একটা নাকূস (শঙ্খ) ব্যবহার কর। তাদের অপরজন বলল, ইহুদীদের শিঙ্গার অনুরূপ একটি শিঙ্গা ব্যবহার কর। উমার (রাঃ) বললেন, তোমরা সালাতের জন্য আহবান করতে একটি লোক পাঠাওনা কেন?


রাসূল (ﷺ) বললেন,

"হে বিলাল! উঠো এবং সালাতের জন্য ডাক দাও (আযান দাও)।" [গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ ৪/ কিতাবুস স্বলাত হাদিস নম্বরঃ ৭২৩, ইফা]

.

____________________________

বাড়ির পাশের ২/৩ টা মসজিদে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন যে, রমজান মাসে মুয়াজ্জিনরা আগে ইফতার মুখে নেন, তারপরে আযান দেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মুয়াজ্জিনরা কার আযান শুনে মুখে ইফতার নেন ?


আসলে আযান শুনে না, তাঁরা মুখে ইফতার নেন সূর্য ডোবার সাথে-সাথে। মুয়াজ্জিনরা যদি আযান শেষ করে ইফতার করতে যান, তাহলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। প্রায় ২, ৩ বা ৪ মিনিটের ব্যবধান হয়ে যাবে।

.

____________________________

কিন্তু রাসুল (ﷺ) বলেছেন,

"তত দিন মানুষ কল্যানের মধ্যে থাকবে যত দিন মানুষ দ্রুত ইফতার করবে।" [বুখারী ১৯৫৭; মুসলিম ২৬০৮; আহমাদ ২২৮২৮]


সুতরাং কল্যানের মধ্যে থাকতে চাইলে অবশ্যই দ্রুত ইফতার করতে হবে।

.

.

ইন্টারনেটে Sunset Today লিখলেই পেয়ে যাবেন আজকের সূর্যাস্তের সময়। অথবা আজকের সংবাদপত্রেও দেখতে পারেন সূর্যাস্তের সময়।

.

.

____________________________

রাসূল (ﷺ) বলেন, "দ্বীন চিরদিন বিজয়ী থাকবে, যতদিন লোকেরা ইফতার তাড়াতাড়ি করবে। কারন, ইহুদী-খ্রীস্টানরা ইফতার দেরীতে করে" [আবু দাউদ- ২৩৫৩, মিশকাত- ১৮৯৮]

.

.

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজেও সারাজীবন সূর্য ডোবার সাথে-সাথে দ্রুত ইফতার করেছেন। তারপর আযান হয়েছে, তারপরে সালাতে গিয়েছেন। পক্ষান্তরে পূর্ব সতর্কতামূলক ভাবে মুয়াজ্জিনদের দেরী করে আযান দেওয়া বিদআত। [মু’জামুল বিদা’ ২৬৮পৃঃ]

.

____________________________

অতএব দেখার বিষয় হল সূর্যাস্ত; আযান নয়। সুতরাং রোযাদার যদি দেখে যে, সূর্য ডুবে গেছে কিন্তু মুয়াজ্জিন এখনো আযান দেয়নি, তাহলেও তার জন্য ইফতার করা বৈধ। [আশ্শারহুল মুমতে’ ৬/৪৩৯]

.

আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সূর্য ডোবার সাথে-সাথে ইফতার করে কল্যাণের মাঝে থাকার তৌফিক দান করেন।

এত দলিল দেওয়ার পরেও যদি কারো সন্দেহ থাকে নিচের লিঙ্কটিতে হাত দাও একটি ভিডিও আছে ভিডিওটি দেখো। 

https://www.facebook.com/share/r/1FENNduXNQ/?mibextid=oFDknk


▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂

ডিউটি সম্পর্কিত মনিরুল ইসলাম স্যারের ম্যাসেজ ২৩/০২/২০২৫

 স্যার,

সম্প্রতি রেনডম মোবাইল ট্র্যাকিং বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, আমাদের কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতীত কর্মস্থল ত্যাগ করে ঘন ধন নিজ বাড়িতে যাচ্ছেন বা ব্যক্তিগত কাজে সময় ব্যয় করছেন, এছাড়াও অন্যকে দিয়ে স্টার্ট ওয়ার্ক এবং এন্ড ওয়ার্ক প্রদান করছেন, যা কোম্পানির নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।


এছাড়া, কিছু কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে বুধবার/বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট রুটে কাজ শেষ করে বাড়ি চলে যান এবং শনিবার দেরিতে একই রুট ব্যবহার করে কর্মস্থলে ফেরত আসেন এতে করে মুলবান কর্ম ঘন্টার অপচয় সহ অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বেশি বেশি ভিজিট করছেন। আবার অনেকেই মৌখিকভাবে ছুটি নিয়ে HRM পোর্টালে আবেদন করছেন না, যা কোম্পানির শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং গর্হিত কাজ।


এ ধরনের অনিয়মের কারণে সম্প্রতি কয়েকজন TSM ও DSM কে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতীত কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী নিজ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। 


এ নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ এবং উক্ত কাজে জড়িত সকলকে সংশোধনের জন্য অনুরোধ করা হলো।


ধন্যবাদান্তে,

মোতাসিম রেজা

(এজিএম-এসএ)

বৃদ্ধ বয়সে ভালো থাকার ২০ উপায় :

 বৃদ্ধ বয়সে ভালো থাকার ২০ উপায় :


১. সন্তানদের জীবনে বেশি জড়িয়ে পড়বেন না।


২. নাতি নাতনিদের লেখাপড়ার বিষয়ে বেশি নাক গলাবেন না।


৩. পুত্রবধূ ও জামাইকে ভালোবাসুন, ওরা আপনার ছেলেমেয়েদের পছন্দের মানুষ।


৪. সন্তানদের বৈবাহিক ব্যাপারে বেশি মতামত দেবেন না।


৫. ঘ্যানঘ্যানে স্বভাব বর্জন করুন।


৬. একাধিক সন্তান থাকলে নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন। পক্ষপাতিত্ব বা দলাদলি করবেন না।


৭. আমাদের সময়ে এটা হতো ওটা হতো সারাদিন এসব কথা বলবেন না। ওগুলো অতীত, আপনার ইতিহাস যা নিয়ে কেউ ইন্টারেস্টেড নয়।


৮. রাজনীতি নিয়ে বেশি মাতামাতি করবেন না। আপনি কিছুই পাল্টাতে পারবেন না।


৯. নিজের নিয়ে অসুস্থতা যতটা সম্ভব কম কথা বলুন।


১০. উপার্জন থাকলে প্রতি মাসে সঞ্চয় করুন।


১১. নিজের ভবিষ্যৎ চিকিৎসার জন্য আলাদা সেভিংস রাখুন।


১২. নিজের শেষকৃত্যের জন্য সুব্যবস্থা করে রাখুন।


১৩. ভবিষ্যতের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রাখুন। বুড়ো হয়েছেন বলে আপনার সবকিছু শেষ হয়ে যায়নি।


১৪. আনন্দের জন্য সিনেমা দেখুন বা গান শুনুন।


১৫. কোনো সংবাদেই বিচলিত বা উত্তেজিত হবেন না। জীবনকে নির্মোহ এবং নির্লিপ্তভাবে গ্রহণ করুন।


১৬. কিছু না করে চুপ করে বসে থাকবেন না। কর্মচঞ্চল থাকার চেষ্টা করুন। বাগানের কাজ করুন, পারলে রান্না করুন, ব্যায়াম করুন বা হাঁটতে যান।


১৭. ব্যাক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। শরীরের যত্ন নিন। সাজগোজও চালু রাখুন।


১৮. বয়সকে সাদরে গ্রহণ করুন। প্রতিদিন আনন্দ নিয়ে বাঁচুন।


১৯. নিজেকে কারো দয়ার পাত্র বানাবেন না।


২০. বেড়াতে যাওয়া, বাইরে খাওয়া বা অন্য কোনো আনন্দের সুযোগ নষ্ট করবেন না। হাতে আর সময় নাও থাকতে পারে।

সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি

 সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা ১ম অধ্যায়টাই বেশি শুনেছি। কিন্তু এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে। যা হয়তো আমরা কেউ শুনেছি, কেউ শুনিনি।


১ম অধ্যায়ঃ এই অধ্যায়ে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তার মানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!

২য় অধ্যায়ঃ হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল। এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়। আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থিরভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতামূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!


৩য় অধ্যায়ঃ কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দ্বিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমরা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল। যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি। কারন দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল। খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।


গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়


চতুর্থ অধ্যায়ঃ এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরং এবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!

শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো। এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল। তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু'জনই একসাথে জয়ী হল।


আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।


#foryouシ #BMW #viralpost2025シ

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অসাধারণ কিছু টিপস জেনে নিনঃ মোহা হানিফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ✅ স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অসাধারণ কিছু টিপস জেনে নিনঃ

১। চুলকানি জাতীয় চর্মরোগে নিমপাতা ও কাঁচা হলুদ বেটে গোসলের আধা ঘন্টা পূর্বে লাগালে ভাল হবে।


২। রক্ত আমাশয়ে ডুমুর গাছের শিকড়ের রস দিনে দু'বার খান।


৩। দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।


৪। দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে রক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।


৫। ফোঁড়া হলে তা অনেক সময় না পেকে শক্ত দলার মত হয়ে যায়। কলমি শাকের কচি ডগা ও শিকড় একসঙ্গে বেটে ফোঁড়ার ওপর প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেখে দিন। এতে ফোঁড়া পেকে যাবে।


৬। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।


৭। ঠোঁটের দু'পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।


৮। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।


৯। অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।


১০। মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।


১১। কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।


১২। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।


১৩। দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।


১৪। গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।


১৫। ছুরি/দা/বটিতে হাত কেটে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত বন্ধ হবে।


১৬। শ্বাসকষ্ট কমাতে বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।


১৭। জিভে বা মুখে সাদা ঘা হলে পানির সঙ্গে কর্পূর গুলে দিনে ২ বার মুখ ধুয়ে নিন।


১৮। ঘুম ভাল হওয়ার জন্য ডালিমের রসের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর শাঁস মিশিয়ে খেতে পারেন।


পোস্টটি আপনাদের উপকারে এলে লাইক ও শেয়ার করুন৷ 


নিয়মিত হেলথ টিপস পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন৷


কালেক্টেড ফ্রম হেল্থ টিপস + মেডিসিন পেইজ

প্রয়োজনীয় টিপস্ HEALTH বার্তা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রয়োজনীয় টিপস্


১: সিমের বীচির খোসা সহজেই ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য ডিপ ফ্রীজের ১ দিন রেখে দিন

১দিন পর ফ্রীজ থেকে নামিয়ে আলত হাতে ধরলেই খোসা খোলে আসবে


২:ডিম সিদ্ধ করার সময় সামান্য লবন ছিটিয়ে দিবেন

এতে সহজেই ডিমের খোসা ছাড়ানো যাবে


৩: নুডলস /পাস্তা সিদ্ধ করার সময় পানিতে সামান্য তেল দিলে নুডলস /পাস্তা ঝরঝরে হয়


৪:চায়ের কাপের দাগ তুলতে লবন দিয়ে ঘষে নিন দাগ চলে যাবে


৫:ঘরে টক দই না থাকলে গুড়া দুধের সাথে পানি ও লেবুর রস মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে দেখা যাবে দুধ ফেটে যাবে

এটা রান্নায় ব্যবহার করা যাবে


৬:আলুর সাথে পেয়াজ রাখলে আলু পঁচে যায়


৭:আলুর সাথে রসুন রেখে দিলে আলু বেশিদিন ভালোথাকে


৮:মাছ কাটার পর হাতে লেবু ঘষে নিলে হাতে মাছের আশটে গন্ধ আসেনা


৯: মশার কয়েলের পরিবর্তে ঘরে ধুপকাটি /আগরবাতি  জ্বালিয়ে রাখলে বাড়ীতে মশামাছি উপদ্রব কমে যাবে


১০:ফ্রীজে দীর্ঘদিন মাছ রাখলে মাছ খেতে ভালোলাগেনা তবে এই মাছের সাথে কয়েকটি লেবু পাতা দিয়ে রান্না করলে মাছ খেতে সুস্বাদু হয়


বি:দ্র: তবে লেবু পাতা মাছ চুলা থেকে নামানোর ১মিনিট আগে দিতে হবে

লেবু পাতা দিয়ে বেশিক্ষণ রান্না করলে তিতা হয়ে যাবে

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ২৩-০২-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ২৩-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


আসন্ন রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশে কোনো লোডশেডিং হবে না - বললেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা।


বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৮ লাখ কোটি টাকা - জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


মৎস্য চাষে ক্ষতিকর ঔষধের ব্যবহার ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার - বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।


জরুরি সংস্কার শেষে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে অন্তর্বর্তী সরকার - আশাবাদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


জার্মানির পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ।


লাহোরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংল্যান্ডকে পাঁচ উইকেটে হারালো অস্ট্রেলিয়া - দুবাইয়ে আজ পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে ভারত।


রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-০২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশে কোনো লোডশেডিং হবে না --- বললেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খণিজ সম্পদ উপদেষ্টা।


বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৮ লাখ কোটি টাকা --- জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


মৎস্য চাষে ক্ষতিকর ঔষধের ব্যবহার ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার --- বলেছেন মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ উপদেষ্টা।


জরুরি সংস্কার শেষে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে অন্তর্বর্তী সরকার --- আশাবাদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


জার্মানির পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আগামীকাল।


এবং লাহোরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৫২ রানের জয়ের লক্ষ্যে এখন ব্যাট করছে অস্ট্রেলিয়া।


শিশির রায় এর পোষ্ট থেকে নেওয়া,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যে ভাষায় আমের নাম হিমসাগর আর গ্রামের নাম বীরসিংহ, ফুলের নাম অপরাজিতা আর দুলের নাম ঝুমকো, পাখির নাম বউকথাকও আর ফাঁকির নাম দেশভাগ, মিষ্টির নাম বালুসাই আর বৃষ্টির নাম ইলশেগুঁড়ি, মাছের নাম রূপচাঁদা আর গাছের নাম শিশু, কবির নাম জীবনানন্দ আর ছবির নাম সাড়ে চুয়াত্তর, কাজীর নাম নজরুল আর পাজির নাম পাঝাড়া, ঋতুর নাম হেমন্ত আর থিতুর নাম বিবাহিত, মাসের নাম শ্রাবণ আর ঘাসের নাম দূর্বা, গানের নাম ভাটিয়ালী আর ধানের নাম বিন্নি, খেলার নাম গোল্লাছুট আর ঠেলার নাম বাবাজী, সুরের নাম রামপ্রসাদি আর গুড়ের নাম নলেন, রেলের নাম কাঞ্চনকন্যা আর তেলের নাম জবাকুসুম, দাদার নাম ফেলু আর ধাঁধার নাম শুভঙ্করী, হাসির নাম খিলখিল আর বাঁশির নাম মোহন, ঝড়ের নাম কালবৈশাখী আর ঘরের নাম 'ভালো বাসা', যুদ্ধের নাম মুক্তি আর বুদ্ধের নাম অমিতাভ, প্রেমের নাম দেবদাস আর ট্রেমের নাম পরকীয়া, নদীর নাম কীর্ত্তনখোলা আর যদির নাম দিবাস্বপ্ন, রোগের নাম সন্ন্যাস আর যোগের নাম মণিকাঞ্চন, সাপের নাম শঙ্খচূড় আর বাপের নাম আপনি বাঁচলে...🖤


তাকে ভালো না বেসে পারি ?


✍শিশির রায় এর পোষ্ট থেকে নেওয়া।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...