এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫

রবীন্দ্রনাথ কে নিয়ে একটি অসাধারণ লেখা। susmita babarjee ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রবীন্দ্রনাথ কে নিয়ে

একটি অসাধারণ লেখা।


রবি ঠাকুর

--সাবিনা ইয়াসমিন রিঙ্কু


রবি ঠাকুর না জন্মালে আমাদের ছোটবেলায় সাধারণ মুসলিম ফ্যামিলিগুলোতে কিচ্ছু যায় আসত না। কারণ তখন কাজী নজরুল ইসলাম মুসলিম পরিবারগুলোতে ‘রাজ’ করতেন। ভদ্র ভাষায় বলা যায় বিরাজ করতেন। রেডিওতে ‘তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে’ বাজলে নব ঘুরিয়ে আওয়াজটা জোরে দেওয়া হত। রবীন্দ্রনাথের ছবি দেওয়া ক্যালেন্ডার কোনও ভাবে বাড়িতে এসে পড়লে খুব মুশকিল হত। দেওয়ালে ‘ঠাকুর’ এর ছবি টাঙালে গুনাহ হবে....এই সলিড ধর্মীয় কারণে রবি ঠাকুর ঢুকে যেতেন কাঠের আলমারিতে। মুসলিম পরিবারে শুধু ঠাকুর নন, যে কোনও মানব মহামানবের ছবি টাঙানোতেও ভয়ংকর নিষেধাজ্ঞা ছিল।


তখন সেই মুসলিম পরিবারটির কাছে রবি ঠাকুর মানে একজন মানুষ। অতিমানব নন। গান লেখেন। কবিতা লেখেন। গল্প উপন্যাস লেখেন। নোবেলও পেয়েছেন। তাতে কী! রেডিওতে তাঁর গান বাজলে ঘুম লাগে।


ক্যালেন্ডারে রবি ঠাকুরের ছবি দেখে আমার দাদির সে কী আক্ষেপ! ‘কী সোন্দর দাড়ি! ঠিক য্যান পীর পয়গম্বর! গায়ে মোলবি সায়েবের মতুন ঢুলা জামা। সব ঠিক আছিল। কিন্তু মোচখানের জন্য মোসলমান হতে পারল না মানুষটা!’ দাদি মাঝেমাঝে ক্যালেন্ডারটা বের করে রবি ঠাকুরকে দেখতেন আর বলতেন লোকটার মুখে কী য্যান একটা আছে! শান্তি লাগে। ক্যানে যে মোচটা থুতে গেল! ঝুলা মোচখান না থাইকলে এ লোক একেবারে খাঁটি মোসলমান। আমাগো ঘরের লোক।


ইতিমধ্যে বড় ওয়ানে উঠলাম। সহজ পাঠ হাতে এল। এত সহজ ভাবে জীবনের রস গ্রহণ করতে করতে বানান এবং বাক্যগঠনও শেখা যায়! কবিতা নয়, যেন ছবি!

— ‘পথের ধারেতে একখানে

হরি মুদি বসেছে দোকানে

-- বিধু গয়লানী মায়ে পোয় সকালবেলায় গোরু দোয়।

আঙিনায় কানাই বলাই

রাশি করে সরিষা কলাই।’


পাশে বসে বুড়ি দাদি ফুটুস করে ফুট কাটেন, ‘এ তো পুরাই হিঁদু পাড়ার বন্ননা! ও ময়না, মোসলমানদের নিয়া কিছু ল্যাখা পেলে শুনাবা।’


আমি পড়ি, ‘বামি ঐ ঘটি নিয়ে যায়। সে মাটি দিয়ে নিজে ঘটি মাজে।’ দাদি বলেন, ‘রোবিন্দনাত পীর মানুষ তো! ঠাকুর। সারাজীবন আল্লার কথা ভেবিছে। তাই ঘর সনসারের কথা ভুলভাল লিখেছে। মাটির সাথে এট্টু ছাই মিশায়ে না মাইজলে ঘটি সুনার মতুন ঝকমকা হওয়া মুশকিল।’ এ সব কথা শুনে আমি বিরক্ত হতাম। মা মুখ টিপে হাসত।


এরপর সংসারে যা হয় ... ভাইয়ে ভাইয়ে ঝামেলা, হাতাহাতি, দায়িত্ব এড়ানোর প্রচেষ্টা... এ সব অশান্তির মাঝখানে বাবা ‘ভেন্ন’ হলো এবং একটা ভাড়া বাড়িতে আমরা উঠে এলাম। তারপর কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের নিজের বাড়ি হল। বাগানওয়ালা বাড়ি। আমার মায়ের জীবনে খুশি নেমে এল। রেডিওতে জোরে জোরে ‘প্রাত্যহিকী’ শোনা হত রোজ। প্রাত্যহিকীর পর ১৫ মিনিটের জন্য রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রোগ্রাম হত। বাংলাদেশের শিল্পীদের গাওয়া রবীন্দ্রসঙ্গীতও বাজত সেই অল্পক্ষণের অনুষ্ঠানে। আমার পড়া মুখস্থর সঙ্গে জোরে বাজানো রবীন্দ্রসঙ্গীতের কোনও বিরোধ ঘটত না। মা-ও গলা মেলাত। মা গান না শিখলেও সুর জ্ঞান ভালোই ছিল।

নতুন বাড়িতে ছোট্ট মতো লাইব্রেরি তৈরি হল।


রবীন্দ্রনাথ সাড়ম্বরে এলেন। অনেক লেখকের বইয়ের সঙ্গে সঞ্চয়িতা, গীতবিতান, উপন্যাস সমগ্র, ছোটগল্প এল। আরও এল রেকর্ড প্লেয়ার। চারকোনা বক্স। তার উপর গোল রেকর্ড। কালো রঙের। পিন চাপিয়ে গান শুনতে হয়। সারাদিনে রবীন্দ্রসঙ্গীত দু’তিনবার তো বাজতই! হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, সাগর সেন, অর্ঘ্য সেন, সুচিত্রা মিত্র, দেবব্রত বিশ্বাস, সুমিত্রা সেন আমাদের মন ভালো রাখতেন। আরও ছিল সিনেমার গানের রেকর্ড। মণিহার, লালকুঠি সিনেমার গান। সন্ধ্যা মুখার্জির গান। ছিল সিরাজদ্দৌলা নাটক। আমার দাদি আমাদের সঙ্গে থাকতেন না। মাঝে মাঝে এসে এক দু’মাস করে থাকতেন। কাপড় চোপড়ের সঙ্গে জায়নামাজ, তসবিহ...সব আনতেন। আর আনতেন দাড়িওয়ালা ফেরেস্তার ছবিখানা। কেউ জানত না। আমি আর মা-ই শুধু জানতাম। পরে অবশ্য সবাই জেনেছিল।


হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গলায় ‘রোদনভরা এ বসন্ত’ শুনে দাদির চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ত। রেকর্ডের উল্টো পিঠে ছিল ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’... সেটা শুনেও কাঁদতেন। ‘মোর ভাবনারে কী হাওয়ায় মাতালো’র দুর্দান্ত মিউজিকে আমি যখন মাথায় গামছা বেঁধে নকল খোঁপা বানিয়ে ধিতিং ধিতিং করে নাচতাম, দাদি দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে উদাস ভাবে অন্যদিকের দেওয়ালটার দিকে তাকিয়ে থাকত।


চোখ দিয়ে অবিশ্রান্ত অশ্রু ঝরত। গানের সব কথার মানে যে ঠিকমতো বুঝতেন না, সেটা আমার মতো বাচ্চা মেয়েও বুঝতে পারত। এক দাড়িওয়ালা পীর টাইপের মানুষের সঙ্গে এই গানগুলো জুড়ে দিয়ে আমার নিরক্ষর দাদি কখন যেন তাঁকে নিভৃত প্রাণের দেবতা বানিয়ে ফেলেছিলেন নিজের অজান্তেই। নইলে যে বার বাবার ভয়ঙ্কর টাইফয়েড হল, তখন দাদি কেন নামাজ শেষ করে বাবার মাথার কাছে দাঁড়িয়ে দোয়া পড়ে গায়ে মাথায় ফুঁ দিতেন আর গোল করে পাকানো রবি ঠাকুরের ছবিওয়ালা ক্যালেন্ডারটি বাবার মাথায় স্পর্শ করাতেন?


দাদির মৃত্যুর সময় ছেলের বউরা চামচে করে বেদানার রস আর জমজমের পানি খাওয়াচ্ছিল। অশীতিপর বৃদ্ধার মুখ থেকে বাইরের দিকে গড়িয়ে পড়ে গিয়েছিল সব তরল। গেলবার শক্তিটুকুও ছিল না। অথচ হাতের মুঠোয় মুড়িয়ে রাখা রবি ঠাকুরের ছবি ছাপা সেই ক্যালেন্ডারটি শক্ত করে ধরে রেখে ছিলেন। ঘরে উপস্থিত সবাই ক্ষীণস্বরে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ বিড় বিড় করছিল। দাদি আমার মায়ের দিকে ঘোলাটে চোখে তাকানোর চেষ্টা করে কী যেন বলার চেষ্টা করছিলেন। একবার নয়। বার বার। ঘরে উপস্থিত থাকা মানুষগুলো দোয়া পড়ার আওয়াজ বাড়িয়ে দিয়েও বুড়িকে শান্ত করতে পারছিল না। দাদি একভাবে মায়ের দিকে তাকিয়ে ডান হাতের কাঠির মত তর্জনিটা নাড়িয়ে কাঁপিয়ে চলেছিলেন। মা কি বুঝল জানি না। বাবাকে একদিকে ডেকে কিছু একটা বলতেই বাবা সবাইকে বুঝিয়ে বাইরে নিয়ে গেল। ব্যাপারটা সহজ ছিল না। গ্রামেগঞ্জে মৃত্যু চাক্ষুষ করা একটা নিয়মের মধ্যেই পড়ে। ক্লাইম্যাক্স মুহূর্তে আত্মীয় এবং প্রতিবেশীরা ভীষণ বিরক্ত হয়ে বাইরে উঠোনে গিয়ে দাঁড়াল। তখন ঘরে মা, আমি আর আমার দাদি। দরজা বন্ধ করে মা দাদির খুব কাছে গিয়ে কানের কাছে মুখ লাগিয়ে গাইতে শুরু করলো....রোদন ভরা এ বসন্ত, সখী কখনো আসেনি বুঝি আগে....

মায়েরও চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। মা-কে কাঁদতে দেখে আমিও কাঁদছি। সে এক মুহূর্ত বটে!

দক্ষিণসমীরে দূর গগনে...মা থেমে গেল। দাদির চোখের জল আঁচলের খুঁট দিয়ে মুছিয়ে দিয়ে চোখের পাতা দুটো বুজিয়ে দিল। হাতের মুঠো থেকে গোল করে জড়ানো ক্যালেন্ডারখানা ছাড়িয়ে নিয়ে পুরোনো আলমারির ভিতরে তুলে রেখে দরজা খুলে দিল।

রবি ঠাকুর না জন্মালে এই দুষ্প্রাপ্য দৃশ্য কী ভাবে রচিত হত?


রবি ঠাকুরের কাছে পৌঁছতে গেলে কত পড়াশোনা লাগে! সাধনা লাগে। আলাদা করে মনটাকে তৈরি করতে হয়। কিন্তু যার কাছে রবীন্দ্রনাথ নিজে পৌঁছে যান, তার কেবল ভালোবাসা দিতে লাগে।


-----------------------

ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং follow করে পাশে থাকবেন 🧡 আপনাদের সুস্মিতা।

ভাসানী যখন ইউরোপে খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস ভাসাভাসানী ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 লাগেজ বলতে মওলানা ভাসানীর আজীবনের সাথী একটি মাত্র স্যুটকেস। দৈর্ঘ্য ষোল ইঞ্চি। সম্পদ বলতে তার মধ্যে থাকে একটি গামছা, একটি লুঙ্গি, একটি খদ্দরের পাঞ্জাবি, মাথার একটা টুপি, কিছু তামাক পাতা ও চুনের একটি ডিব্বা। এসব নিয়েই পূর্ব বাংলার শহরে-গ্রামে সফর করেন এবং এসব নিয়েই তিনি গেছেন ইউরোপ সফরে।


চিরসাথী স্যুটকেসটিতে তার তালা নেই। সে বস্তু বিদায় নিয়েছে বহুদিন আগেই। ফলে চির উন্মুক্ত স্যুটকেসটি দড়ি বা শাড়ির পাড় দিয়ে বেঁধে নিয়ে এখানে সেখানে যেতে হয়। 


ঢাকা থেকে যে দড়ি দিয়ে তার একমাত্র লাগেজ বেঁধে আনা হয়েছিলো লন্ডনে, একদিন সেটা হারিয়ে গেলো। অনেক খোঁজাখুজির পর দেখা গেলো সেটা ডাস্টবিনে শোভা পাচ্ছে। বাসার ঝাডুদার রাবিশ মনে করে সেটা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলো।


একদিন তার ইউরোপ সফর সঙ্গিরা বললো, 'হুজুর, এটা ফেলে দিয়ে একটা নতুন স্যুটকেস  কিনে নেন না কেনো?

উত্তরে তিনি বললেন, 'জীবনের বহুদিনের সঙ্গী  আমার এই স্যুটকেসটি। বিদেশবিভুঁইয়ে ওকে না ফেলে দিয়ে দেশে গিয়েই না হয় বদলানো যাবে।'


লন্ডন থেকে স্টকহোমে যাওয়ার পথেও ছেঁড়া লুঙ্গির একাংশ দিয়ে বেঁধে স্যুটকেসটি নিয়ে  যাওয়া হলো। স্টকহোম থেকে পুনরায় লন্ডনে  ফিরার পথেও সেই ছেড়া লুঙ্গির বাঁধন। কিন্তু  লন্ডন এয়ারপোর্টে এসে রহস্যজনক ভাবে  স্যুটকেসটি হারিয়ে যায়।


স্যুটকেসটি হারানোর ফলে সফর সঙ্গিরা খুব খুশি হয়। সিদ্ধান্ত হলো একটা নতুন ক্রয় করা হবে।


যেদিন স্যুটকেস কেনার জন্য বাসা থেকে বের হচ্ছিলেন ঠিক তখনি মওলানার সাথে কয়েকবার জেলখাটা সেই স্যুটকেসটি নিয়ে হাজির বৃটিশ এয়ারওয়েজ এর লোক। 


বললো, 'মনে কিছু করবেন না স্যার, স্যুটকেসটি  ভুলক্রমে ব্রাসেলসে চলে গিয়েছিলো। আমরা দুঃখিত।'


মওলানার তখনও বেলজিয়াম দেখার সুযোগ হয়নি অথচ তার জেলখাটা স্যুটকেসটি সে দেশটা এক চক্কর ঘুরে এসেছে।


পুরোনো সাথী পেয়ে হুজুরের আনন্দ আর ধরে না। তিনি আরো খুশি হলেন দেখে যে, বিমান কোম্পানী  তার ভাঙা স্যুটকেসটি মেরামত করে তাতে একটা তালা লাগিয়ে একজোড়া ঝুলিয়ে দিয়েছে।

 

ভাসানী যখন ইউরোপে

খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০১-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০১-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’-এনসিপি’র আত্মপ্রকাশ - মোহাম্মদ নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক করে একশো ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা।


রাজনীতিতে দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতির কোনো স্থান হবে না - আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন এনসিপি’র আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলাম।


জুলাই গণঅভ্যূত্থানে আহত এক হাজার চারশ এক জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার।


রমজান মাসকে সামনে রেখে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি শুরু।


অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমাগত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে পলাতক ফ্যাসিস্ট এবং তার দোসররা - বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেইন বৈঠক পণ্ড - জেলেনস্কির বিরুদ্ধে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগ ডোনাল্ড ট্রাম্পের।


লাহোরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চার পয়েন্ট নিয়ে সেমি- ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া - করাচিতে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশ --- মোহাম্মদ নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক করে একশো ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা।


জুলাই গণঅভ্যূত্থানে আহত এক হাজার চারশ এক জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার।


রমজান মাসকে সামনে রেখে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি শুরু হলো আজ।


আজ শেষ হচ্ছে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা ।


ভারতের উত্তরাখন্ডে তুষারধসে অন্তত ৪১ জন সড়ক শ্রমিক নিখোঁজ। 


এবং লাহোরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২৭৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে এখন ব্যাট করছে অস্ট্রেলিয়া ।

পুইশাক_কিভাবে_আবাদ_করবেন বেকার সমস্যার সহজ সমাধান ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া

 #পুইশাক_কিভাবে_আবাদ_করবেন


#জলবায়ুঃ

গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে পুঁইশাক জন্মে। গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া এবং রোদ পুঁইশাক গাছের পছন্দ । কম তাপমাত্রায় গাছের বৃদ্ধি ও ফলন কম হয়। 


#মাটিঃ

সুনিষ্কাশিত বেলে দোআঁশ থেকে এঁটেল দোআঁশ মাটিতে পুঁইশাক ভালো হয়।


#জাত_পরিচিতিঃ

চিত্রা/বারি পুঁইশাক-২/মাধুরী/মনীষা/রুপশা গ্রীণ/কিয়ারা/সামার ওয়াল্ডার


#আবাদ_উপযোগী_এলাকাঃ

সারা দেশে আবাদ করা যায় পুইশাক।


#জমি_তৈরিঃ

আগাছা পরিষ্কারের পর ৫ থেকে ৬টি চাষ ও মই দিয়ে উত্তমরূপে জমি তৈরি করতে হয়।


#বীজ_বপনের_সময়ঃ

ফাল্গুন থেকে জ্যৈষ্ঠ (ফেব্রুয়ারি থেকে মে) পর্যন্ত বীজ বোনা যায়। সাধারণত গ্রীষ্মকালে বর্ষায় এর চাষ ভালো হয়। 


#বীজ_ভিজানোঃ

বীজ ১২-১৫ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরে জমিতে বুনতে হয়। 


#বীজহারঃ

প্রতি শতকে ৮-১০ গ্রাম বীজ দরকার। 


#বীজবপন_চারা_তৈরিঃ

কখনো কখনো বেডে চারা তৈরি করা হয়। বেডে সারি করে ১০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে বীজ পুঁতে বা ছিটিয়ে বীজ বুনে চারা তৈরি করা যায়। ফেব্রুয়ারি-মার্চে চারা তৈরির জন্য বেডে বা পলিব্যাগে বীজ বোনা হয়। বীজ গজানোর জন্য ১৮ থেকে ২১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার দরকার হয়। সেজন্য শীত শেষে যখন তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে তখন বীজ বোনা ভালো। বীজ গজাতে তাপমাত্রা ও মাটির আর্দ্রতার ওপর ভিত্তি করে ১০ থেকে ২১ দিন সময় লাগে। এর কম সময়েও গজাতে পারে যদি বীজ এক রাত পানিতে ভিজিয়ে বোনা হয়। চারা দু সপ্তাহের হলে সেগুলো তুলে মূল জমিতে লাগানো যায় বা ফাঁকা জায়গা পূরণ করা যায়।


#রোপণ_দূরত্বঃ 

পুঁইশাকের চারা রোপণের জন্য সারি থেকে সারি ৮০-১০০ সে:মি: এবং চারা বা বীজ ৪০-৫০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে চারা রোপণ করতে হয়।


#সারের_পরিমানঃ (শতকপ্রতি)

গোবর ৬০ কেজি

সরিষার খৈল ৫০০ গ্রাম

ইউরিয়া ৮০০ গ্রাম

টিএসপি ৫০০ গ্রাম

এমওপি ৫০০ গ্রাম


#সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ

জমি তৈরির সময় সম্পুর্ণ টিএসপি বা ডিএপি, অর্ধেক পটাশ সার প্রয়োগ করতে হবে। 

প্রথম কিস্তি ইউরিয়া সার চারার বয়স ১৫-২০ হলে 

দ্বিতীয় কিস্তি ৩৫-৪০ দিন পর এবং প্রথমবার ফলন তোলার পর বাকি দুই কিস্তি এই মোট তিন কিস্তিতে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।


#সেচ

বর্ষায় সাধারণত সেচ দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। মাটিতে রস না থাকলে অবশ্যই সেচ দিতে হবে। প্রায়ই মাটি আলগা করে দিতে হবে।


#আগাছা_পরিষ্কার_ছাঁটাইঃ

নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হয়। 


#মাচা_বা_বাউনিঃ

ফলন বেশি পেতে হলে বাউনি বা মাচা দিতে হবে। 


#আগা_কর্তনঃ

চারা ২৫-৩০ সেন্টিমিটার উঁচু হলে আগা কেটে দিতে হয়। এতে গাছ ঝোপালো হয়।


#রোগবালাইঃ

পাতায় দাগ রোগ (বীজ বাহিত) ও কান্ডের গোড়া পচা রোগ

দমন ব্যবস্থা:

কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক ব্যাভিষ্টিন বা নোইন ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর স্প্রে করতে হয়।


#ফসল_তোলাঃ

বীজ বা চারা রোপনের ৪৫-৫০ দিন বয়সে পুঁই শাক সংগ্রহ করা যায়। একবার চারা লাগিয়ে এক মৌসুমে ৮ থেকে ১০ বার পুঁইশাক সংগ্রহ করা যায়।


#ফলনঃ

ফলন প্রতি হেক্টরে ৬০-৭৫ টন।

শতকে ২০০-৩০০ কেজি


মোঃ ফরিদুল ইসলাম

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

ব্লকঃ ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ২৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ২৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

 

আজকের শিরোনাম:


রোহিঙ্গা শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘের আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফলভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


জনগণ যাতে নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আগামী মার্চ ও এপ্রিলে ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার - জানালেন খাদ্য উপদেষ্টা।                                                             


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-জনতার নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ আজ।


জুলাই শহীদদের প্রতিটি পরিবারকে এককালীন সহায়তা ৩০ লাখ ও মাসিক ২০ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে - জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরতে ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত শেষ করে দেশে গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানালেন বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।


মিশরের কায়রোতে গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে ইসরাইল ও হামাস।


লাহোরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৭-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৭-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


জনগণ যাতে নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় আগামী মার্চ ও এপ্রিলে ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার --- জানালেন খাদ্য উপদেষ্টা।  


প্রথম কর্মদিবসে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা।   


জুলাই শহীদদের প্রতিটি পরিবারকে এককালীন সহায়তা ৩০ লাখ ও মাসিক ২০ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে ---  জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরতে ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত শেষ করে দেশে গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানালেন বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-জনতার নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ আগামীকাল।


অধিকৃত পশ্চিম তীরে মাসব্যাপী ভয়াবহ ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের।


এবং রাওয়ালপিন্ডিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত।

বিখ্যাত ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলেই এর ১৬১০ সালে নিজহাতে আঁকা চাঁদের ছবি।

 বিখ্যাত ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলেই এর ১৬১০ সালে নিজহাতে আঁকা চাঁদের ছবি।


তিনি তাঁর দূরবীনে চাঁদ দেখে এই ভাবে কাগজে অ্যাঁকে মানুষকে বুঝাতেন কিভাবে চাঁদের উপর সূর্যের আলো পড়ে কিভাবে চাঁদ বাড়ে-কমে কিভাবে পূর্ণিমা ও আমাবস্যা হয়।


গ্যালিলিও গ্যালিলেই একজন ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী,

জ্যোতির্বিজ্ঞানী,গণিতজ্ঞ এবং দার্শনিক যিনি বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সঙ্গে বেশ নিগূঢ়ভাবে সম্পৃক্ত। তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি সাধন যা জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে,বিভিন্ন ধরনের অনেক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ,নিউটনের গতির প্রথম এবং দ্বিতীয় সূত্র এবং কোপারনিকাসের মতবাদের পক্ষে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ।


বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের মতে আধুনিক যুগে প্রকৃতি বিজ্ঞানের এতো বিশাল অগ্রগতির পেছনে গ্যালিলিওর চেয়ে বেশি অবদান আর কেউ রাখতে পারেননি। তাঁকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক,আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক এবং এমনকি আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। অ্যারিস্টটলীয় ধারণার অবসানে গ্যালিলিওর আবিষ্কারগুলোই সবচেয়ে বড়ো ভূমিকা রেখেছে।


১৬০৯ খ্রিস্টাব্দে গ্যালিলিও স্বাধীনভাবে এবং উন্নত ধরনের দূরবীক্ষণ যন্ত্র নির্মাণ ও এই যন্ত্রকে জ্যোতির্বিদ্যায় সার্থকভাবে প্রয়োগ করেন। এর আগে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজ চশমা নির্মাতা লিপেরশাইম তার নির্মিত এক দূরবীক্ষণ যন্ত্রের কথা প্রকাশ করেন এবং সেই বছরই এই অদ্ভুত কাচ নির্মিত যন্ত্রের কথা গ্যালিলিওর নিকট পৌঁছে।


এসময় তিনি তার এক রচনায় লেখেন - প্রায় ১০ মাস পূর্বে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছে যে জনৈক ওলন্দাজ চশমা নির্মাতা এমন এক যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন যার দ্বারা দূরবর্তী বস্তুদের নিকটবর্তী বস্তুর মতো স্পষ্ট দেখা যায়। এ খবর পাওয়ামাত্র আমি নিজে কীভাবে এরূপ একটি যন্ত্র নির্মাণ করতে পারি তা চিন্তা করতে লাগলাম। শীঘ্রই দূরবীক্ষণ যন্ত্রের নানা উন্নতি সাধন করে গ্যালিলিও দূরবর্তী বস্তুর অন্তত ৩০ গুণ বড়ো করে দেখার ব্যবস্থা করেন।


🟡🟠🟤 তথ্য সূত্র: উইকিপিডিয়া ----

রেহানার কর্মজীবন শুর হয় আশির দশকের শুরুতে টেলিভিশনে অভিনয় দিয়ে

 রেহানার কর্মজীবন শুর হয় আশির দশকের শুরুতে টেলিভিশনে অভিনয় দিয়ে। এসময়ে তিনি বদরুন্নেসা আব্দুল্লাহ পরিচালিত উজান চরের দুলি টেলিভিশন নাটকে দুলি চরিত্রে অভিনয় করেন। পাশাপাশি তিনি মঞ্চ নাটকেও অভিনয় করেন। তার প্রথম অভিনীত মঞ্চ নাটক বিধায়ক ভট্টাচার্যের নির্দেশনায় তাইতো।[১] তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ১৯৮৫ সালে কামাল আহমেদ পরিচালিত মা ও ছেলে চলচ্চিত্রে। এই চলচ্চিত্রে মমতা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ১০ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন।পরে বিরাজ বৌ, প্রতীক্ষা, গোলমাল, প্রায়শ্চিত্ত, নিষ্পাপ চলচ্চিত্রে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন


১৯৯০-এর দশক

সম্পাদনা

১৯৯৪ সালে তিনি এ জে মিন্টুর প্রথম প্রেম চলচ্চিত্রে পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন।পরে ১৯৯৬ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত জীবন সঙ্গী ও বাদল খন্দকার পরিচালিত স্বপ্নের পৃথিবীতে সালমান শাহের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন।


২০০০-এর দশক

সম্পাদনা

২০১০-এর দশক

সম্পাদনা

২০১১ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পায় তার অভিনীত মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ছোট্ট সংসার, মোহাম্মদ হোসেন-বদিউল আলম খোকন পরিচালিত বস নাম্বার ওয়ান ও রাজু চৌধুরীর প্রিয়া আমার জান। ২০১৩ সালে রেহানা বিজ্ঞাপন নির্মাতা আশফাক উজ্জামান বিপুলের নির্দেশনায় প্রাণ ম্যাংগো জুস-এর বিজ্ঞাপনে মডেল হন।এ বছর পি এ কাজল রচিত ও পরিচালিত ভালোবাসা আজকাল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।২০১৪ সালে রেহানা মাসুদ পথিক পরিচালিত নির্মলেন্দু গুণ রচিত কবিতা অবলম্বনে নির্মিত নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ ছবিতে অভিনয় করেন।একই বছর আবুল কালাম আজাদের অনেক সাধনার পরে ছবিতে অভিনয় করেন।২০১৫ সালে মা বাবা সন্তান ছবিতে তার অভিনয় সেই বছরের সবচেয়ে বাজে পার্শ্ব অভিনেত্রীর কাজ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

তথ্য ও ছবি উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত ❤️❤️❤️

কিংবদন্তি চিত্রপরিচালক সত্যজিৎ রায় রসিকতার সুরে বলেছিলেন "মহানগর" ছবির জন্য বাঙালিরা তাঁকে যে প্রশংসা করেছেন তার তুল

 কিংবদন্তি চিত্রপরিচালক সত্যজিৎ রায় রসিকতার সুরে বলেছিলেন "মহানগর" ছবির জন্য বাঙালিরা তাঁকে যে প্রশংসা করেছেন তার তুলনা হয় না। সত্যি কথা হল ছবির শেষ দৃশ্যে চৌরঙ্গীর রাস্তার সাবেকি আমলের একটা ল্যামপোস্টের তিনটে হোল্ডারওলা এনামেলের তৈরি গোলাকার ল্যাম্প শেডের অবস্থা কার্যত বিতর্কে জড়িয়েছিলেন ছবির দর্শক থেকে সাধারণ মানুষ। মানিক বাবু হাসি চাপতে চাপতে বলেছিলেন " কাগজে কাগজে সে একেবারে জয়জয়কার মশাই। এমন নির্ভেজাল প্রশংসা আর কখনও এর আগে পাইনি "।


জয়পুরের অফিসে ঢুকলে বাঙালি ভদ্রলোক কে রাজস্থানী পিওন বললেন "সত্যদেও রাও"নামে একজন ফোন করেছিলেন। তিনি অফিসে এসে যেন একবার খাসাকোটি প্যালেসে ফোন করেন। একটু যেন ধাঁধার মত লাগছে,আর সে নিজে "সত্যদেও রাও"নামের কাউকে চেনেন না।যাই হোক ফোন করার অনুরোধ যখন এসেছ তখন পাল্টা ফোন করতে হয়। সেই সময় তাঁর জন্মান্তর প্রসঙ্গে একটি বই প্রকাশিত হয়।বইটি তিনি জয়পুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারাসাইকোলজি বিভাগের অধ্যক্ষ বিজ্ঞানী ড.হেমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গবেষণার ভিত্তিতে লিখেছিলেন।


পরামনোবিদ্যা সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে সিধু জ্যাঠা ফেলুদাকে যে ম্যাগাজিনটি ট্রেনে পড়ার জন্য দিয়েছিলেন সেটির জন্যই মানিকবাবু তাঁকে টেলিফোন করেছিলেন। হ্যাঁ লেখক ভদ্রলোক টেলিফোন ব্যাক করে শুনলেন গম্ভীর স্বরে উল্টোদিকের মানুষটি বলেছেন "হ্যাঁ আমি জয়পুরে 'সোনার কেল্লা'র শুটিং করতে এসেছি, আমার জন্মান্তরবাদের ওপরে কিছু বিদেশী ম্যাগাজিন চাই।


নিবন্ধের লেখক জ্যোতির্ময় দাশ লিখেছেন "মানিকদার কাছে গল্প শোনা এক বিরল সৌভাগ্যের মত।অমন জমিয়ে মজলিশি ঢংয়ে গল্প বলা আমি আর কারও কাছে শুনিনি"। রসিকতার সুরে বলেছিলেন "তবে বাঙালিদের মত অমন ইন্টেলেকচুয়াল দর্শক আর হুজুগে মানুষ আমি বিশ্বের কোথাও পাইনি "। সঙ্গে আরও কিছু বলেছিলেন সে গল্প না হয় আপাতত অন্যদিনের জন্য তোলা থাকুক।


 "মহানগর "ছবির একটা গল্প বলেছিলেন মানিকবাবু। বলেছিলেন বাঙালিরা তাঁকে"মহানগরের "যে প্রশংসা করেছেন তার তুলনা হয় না। ছবির দুই মুখ্য চরিত্র মাধবী ও অনিল চট্টোপাধ্যায় অফিসপাড়া দিয়ে হাঁটছেন। সন্ধ্যা নেমে আসছে,অনিলের ব্যাঙ্ক ফেল করেছে, ওদিকে মাধবী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।সদ্য চাকরি হারানো স্বামী,স্ত্রী পাশাপাশি পথ চলতে চলতে শেষ সংলাপ বলে "এত বড় শহরে আমরা কী আবার চাকরি পাবো না"? তারা জনতার স্রোতে মিশে যায় আর ক্যামেরা চৌরঙ্গীর রাস্তার সাবেকি আমলের একটা ল্যামপোস্টের তিনটে হোল্ডারওলা এনামেলের তৈরি গোলাকার ল্যাম্প শেডে এসে ফ্রিজ হয়।

সিনেমার পর্দায় ক্লোজ আপ শটে দেখা গেল তিনটে বাল্বের মাত্র একটা জ্বলছে,আর একটায় বাল্ব আছে কিন্তু জ্বলছে না,আর তৃতীয় হোল্ডারে কোনও বাল্ব নেই।


তবে এই নিয়ে খবরের কাগজে উঠল আলোচনার ঝড়, সবাই মুক্তকণ্ঠে সত্যজিৎ রায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নানা ব্যঞ্জনায় হলেও লেখার সুর এক।কেউ লিখলেন সত্যজিৎ রায় ক্যালকাটা কর্পোরেশন কে যে ভাবে সাইলেন্টলি জুতো মারলেন তুলনা নেই।কেউ অতি উৎসাহে প্রশ্ন তোলেন একেবারে পুকুর চুরির মত ঘটনা ইন্সপেক্টররা সব বাড়িতে ঘুমোয়। অনেকেরই আফশোস রোজ অফিসে গেলেও এটা তারা খেয়ালই করেন নি। নরেন মিত্তিরের গল্পেও এই ঘটনা নেই, কিন্তু সত্যজিৎ রায় সকলের টনক নাড়িয়ে দিলেন।এই না হলে ওয়ার্ল্ড ফেমাস ডাইরেক্টর। মানিক বাবু হাসি চাপতে চাপতে বললেন " কাগজে কাগজে সে একেবারে জয়জয়কার মশাই। এমন নির্ভেজাল প্রশংসা আর কখনও এর আগে পাইনি।


পুস্তক ঋণ- শুটিংয়ের গল্প, সম্পাদনা: সন্দীপ রায়

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...