এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫

হতাশ হবার কিছু নেই, আপনার হাতে এখনো অনেক সময় আছে বিলিওনার হবার...শুধু চেষ্টাটি প্রয়োজন!

 * মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি বাবাকে হারান

* ১৬ বছর বয়সে স্কুল থেকে ঝড়ে পড়েন

* ১৭ বছরের মাথায় মোট ৪ বার চাকরী হারিয়েছিলেন

* ১৮ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন

* ১৯ বছর বয়সে তিনি বাবা হন

* ২০ বছর বয়সে তার স্ত্রী তাঁকে ফেলে রেখে চলে যায় আর কন্যা সন্তানটিকেও নিয়ে যায় সাথে

* সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং সেখানে ব্যর্থ হন

* ইনস্যুরেন্স কোম্পানীতে যোগদান করেন এবং সেখানেও সফলতার দেখা পান নি

* নিজের মেয়েকে নিজেই অপহরণ করতে গিয়েছিলেন এবং সেখানেও ব্যর্থ হন

* চাকরী নিয়েছিলেন রেললাইনের কন্ডাকটর হিসেবে, সুবিধে করতে পারেন নি

* অবশেষে এক ক্যাফেতে রাধুনীর চাকুরী নেন

* ৬৫ বছর বয়সে তিনি অবসরে গিয়েছিলেন।

* অবসরে যাবার প্রথম দিন সরকারের কাছ থেকে ১০৫ ডলারের চেক পেয়েছিলেন।

* তাঁর কাছে মনে হয়েছিল জীবন তাঁর মূল্যহীন

* আত্মহত্যা করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

* এরপর একটী গাছের নিচে বসে জীবনে কি কি অর্জন করেছেন তাঁর একটা লিস্ট বানাতে শুরু করলেন।

* হঠাত তাঁর কাছে মনে হল জীবনে এখনো অনেক কিছু করবার বাকি আছে আর তিনি বাকি সবার চাইতে একটি জিনিসের ব্যাপারে বেশি জানেন- রন্ধনশিল্প

* তিনি ৮৭ ডলার ধার করলেন সেই চেকের বিপরীতে আর কিছু মুরগী কিনে এনে নিজের রেসিপি দিয়ে সেগুলো ফ্রাই করলেন।

* এরপর Kentucky তে প্রতিবেশীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সেই ফ্রাইড চিকেন বিক্রি করা শুরু করলেন!

* জন্ম নিল KENTUCY FRIED CHICKEN তথা KFC র...


* ৬৫ বছর বয়সে তিনি দুনিয়া ছাড়তে  চেয়েছিলেন আর ৮৮ বছর বয়সে এসে Colonel Sanders বিলিওনার বনে গিয়েছিলেন।


* স্মরণীয় হয়ে আছেন KFC এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে!

-----হতাশ হবার কিছু নেই, আপনার হাতে এখনো অনেক সময় আছে বিলিওনার হবার...শুধু চেষ্টাটি প্রয়োজন!❤

ঘটনাটি বলতে গেলে আজ থেকে প্রায় ১৫-১৭ বছর আগের। তখন আমার বয়স হবে বড়জোর ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে। ০,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ঘটনাটি বলতে গেলে আজ থেকে প্রায় ১৫-১৭ বছর আগের। তখন আমার বয়স হবে বড়জোর ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে। আমি তখন গ্রাম্য জীবনের অধীনে ছিলাম, যেখানে ডিজিটালের কোনো ছোঁয়া ছিল না। আশপাশের দু-চারটি গ্রামেও তেমন কোনো আধুনিক প্রযুক্তি পৌঁছায়নি, শুধু একমাত্র মোটা ডিস্কযুক্ত সিস্টেমওয়ালা টেলিভিশন ছাড়া। 


সারাদিন নিজের কিছু সমবয়সী বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ঘুরাঘুরি আর মায়ের হাতের খাবার খাওয়া—এই ছিল তখনকার জীবনের প্রথম লক্ষণ। বয়স ছিল অল্প, তাই বড় ভাইয়েরা মজার তালে তালে আমাদের চেলাদের মতোই রাখতেন। যেমন কাজ করাতেন, ঠিক তেমনই রক্ষাও করতেন। 


আমাদের গ্রামটি ছিল খুবই খোলামেলা। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ির দূরত্ব ছিল বেশ অনেকটা। সময়ের তালে তালে তা এখন একটু কাছাকাছি হয়ে গেছে। প্রত্যেক বাড়ির ঠিক সামনে-পিছনে বিশাল বিশাল চাষের জমি ছিল, যেখানে ১২ মাসই কিছু না কিছু চাষ হতো। 


আবার এইসব ক্ষেতের মধ্য দিয়েই ছিল অন্য জায়গা বা গ্রামের যাওয়ার রাস্তা। নারীরা বোরখার দুই পাশ দু'হাতে ধরে হাঁটতেন, যেন কাদামাটিতে লেগে না যায়। আমার মতো ছেলেমেয়েরা প্রায়ই ক্ষেতের বিভিন্ন জিনিস চুরি করত আর গ্যাং বানিয়ে রান্নাবান্না করত।


গ্রামটি বেশ খোলামেলা হওয়ায় মাঝে মাঝেই কিছু ভুতুড়ে ঘটনার কথা শোনা যেত। গ্রামের বিভিন্ন পুকুরপাড়ে মাঝে মাঝে কিছু সাদা কাপড় পরা বয়স্কদের দেখা যেত। তারা পুকুরে ওজু সম্পাদন করে পুকুরের পানিতেই হাঁটতে হাঁটতে ধীরে ধীরে বাতাসে মিলিয়ে যেত। এই ধরনের ঘটনা বেশিরভাগই দেখতেন বাড়ির নতুন বউরা। 


প্রায় প্রতিদিনই আমাদের গ্রামের ক্ষেতের রাস্তা দিয়ে নতুন বউ নিয়ে পালকি যেত। বেশিরভাগ সময়ে পালকি দেখা যেত শীতকালে। মাঝে মাঝে এলাকার লোকজন নতুন বউকে দেখতে চাইলে পালকিবাহকরা দেখাতো, আবার কখনো দেখাতো না।


তো, একদিন তীব্র শীতের ভোরবেলার কথা। আমি এবং আমার এক বড় ভাই ক্ষেতের মধ্যে ঘুরছিলাম। ভাই ক্ষেতে কী যেন এক ধরনের পোকার ওষুধ ছিটিয়ে দিচ্ছিলেন, আর আমি সেই ওষুধের বালতি হাতে নিয়ে তার সঙ্গে সঙ্গে ঘুরছিলাম। 


হঠাৎ, দূর কোথাও থেকে কিছু লোকের পালকির গান গাওয়ার শব্দ ভেসে আসতে লাগল। আমরা দুজন সেদিকে তাকিয়ে থাকলাম। কিছু মুহূর্তের মধ্যেই চারজন পালকিবাহক কুয়াশা ভেদ করে একটি পালকি কাঁধে নিয়ে আসতে লাগল।


হঠাৎ, পালকিবাহকরা কাদামাটিতে পিছলে পড়ে গেল ক্ষেতের অপর পাশে। ভাই আর আমি তাড়াহুড়ো করে তাদের সাহায্য করতে ছুটে গেলাম। ভাই পালকি ধরতেই, চারজনের মধ্যে একজন হঠাৎ গর্জন করে উঠে আমাদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করল,


"তোরা ভালো করলিনা! তোরা ভালো করলিনা!"


তার সঙ্গে সঙ্গে অন্যরাও একই কথা বলতে লাগল। একসময় তাদের সঙ্গে ভাইও যেন দণ্ডে লেগে গেল...


তাদের মধ্যে গ্রাম্যভাষায় তর্কবিতর্ক হচ্ছিল, আর আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখছিলাম। হঠাৎ, আমি একটি জিনিস লক্ষ্য করি। পালকির নতুন বউ জমিতে পড়ে আছে। আমি তাড়াহুড়ো করে নতুন বউয়ের কাছে গিয়ে তাকে মুড়িয়ে দেখতেই একটা চিৎকার করে ফেলি।


আমি দেখি, একটি অর্ধ-খাওয়া লা*শ, যার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ যেন কেউ ছিঁড়ে খেয়ে ফেলেছে, চোখ দুটি বড় বড় করে খোলা, আর বউয়ের সাজ পড়েছিল।


আমার চিৎকার শুনে ভাই তাড়াতাড়ি আমার দিকে দৌড় দিয়ে আসে। ভাইও একি দৃশ্য দেখে কিছু একটা বুঝতে পেরে আমাকে কোলে তুলে দৌড়াতে শুরু করেন বাড়ির দিকে। পিছন থেকে বিভিন্ন আওয়াজে কেউ আমাদের থামানোর চেষ্টা করছিল, বারবার।


অনেক বছর পরে আমি ভাই থেকে জানতে পারি যে সেই বউটা বেশ কিছুদিন আগে আ*ত্মহ*ত্যা করেছিল। বউকে তার সাজানো রূপেই কবর দেওয়া হয়েছিল। আর সেই পালকিবাহকরা ছিল নরখাদক।

আমরা কেন মাযহাব মানি?

 আমরা কেন মাযহাব মানি?


ছোট বেলা থেকে না জেনেই হানাফী মাজহাব পালন করে বড়  হয়েছি। নামাজ শিক্ষার যে বই গুলো বাসায় ছিল - সব ছিল নিউজপ্রিন্টের। ভিতরে  খালি মাসআলা ছিল।  কুরআন হাদিসের কোন রেফারেন্স ছিলোনা। ছিল ব্র্যাকেটে  ফতোয়ায়ে আলমগিরি,বেহেশতী জেওর,মালাবুদ্দা মিনহু-র রেফারেন্স, যা কি জিনিস জানতাম না।  


   বড়  হলে আহলে হাদীস ও সালাফিদের বই পড়লাম। কুরআন ও হাদিসের প্রচুর রেফারেন্স  দেয়াতে খুব ভালো লাগলো। তারা বললো: তুমি এসব মাযহাব ছাড়। সহীহ হাদিস মেনে  ইবাদত করো। অন্ধ তাকলীদ করো না।


 হানাফীরা ইমাম আবু হানিফা রহ. ও অন্যান্য  মুকাল্লিদরা বাকী  ইমামদের ফিকহ মানে, এর চেয়ে সহীহ হাদিস মানো । একটু  এক্সট্রিম কেউ কেউ তাকলীদকে শিরক বললো, বললো বুদ্ধি থাকলে তাকলীদ করতে হবে  কেনো। এরকমই আরো কিছু কথা সুন্দর সুন্দর কথা । 


আমার কথা গুলো বেশ  মনে ধরলো। হানাফী থেকে আহলে হাদীস হতে ইচ্ছা জাগলো । মাযহাবের তাকলীদ বাদ দিয়ে  সহীহ হাদিসের উপর আমল করা শুরু করলাম।  হাতে টাকা ছিল - জোগাড় করলাম  সিহাহ সিত্তাহ, বাংলা-আরবী। আরবী স্কিপ করে বাংলায় সহীহ হাদিস পড়া শুরু  করলাম।

কিন্তু ওযু ও গোসল অধ্যায়ই শেষ করতে পারলাম না। নামাজ তো আরো পরে।

রাসূলুল্লাহ  (সঃ) এর ওযুর বিভিন্ন ধরণের বর্ণনা আছে।  কোনটা মেনে ওযু করবো ? ছোট একটা  জিনিসই ধরি। কিছু জায়গায় অঙ্গ দুবার করে ধোয়ার কথা বলা আছে , কিছু জায়গায়  তিনবার, কিছু জায়গায় একবার।  আমি যদি দুবার করে ধৌত করি তাহলে একটা সহীহ  হাদিস আমি মান্য করছিনা, তিন বার ধুলে অন্য আরেকটি সহীহ  হাদিস মান্য  করছিনা ।


প্রশ্ন ১: আমি এই যে কিছু সহীহ  হাদিস মানতে যেয়ে অন্য সহীহ  হাদিস মান্য করছিনা, সেগুলো খুঁজে খুঁজে বের  করে রেফারেন্স দিয়ে  কেউ যদি বলে আমি সহীহ হাদিস মানিনা সেটা কি ঠিক হবে ?  এর মানে কি আমি সহীহ হাদিস অমান্যকারী  ?

এখন আমার কথা না হয় বাদই  দিলাম। আমি পড়ালেখা করেছি, বই পড়ার উৎসাহ আছে, ইসলামের প্রতি ঝোক আছে। এদের  কথা ধরেন  :  আমাদের বাসার বুয়া বা বিল্ডিং এর কেয়ারটেকার পড়াশোনা করতে  পারেনা। আমার বন্ধু কয়েকজন যারা পড়ালেখা জানলেও ইসলামী বই অধ্যায়ন করেনা  কারণ ইসলামের প্রতি আগ্রহ নেই এদের কেউ  ওযু পারেনা।   


প্রশ্ন ২: তাদের কে শিখানোর জন্য যদি আমি যদি  বুখারীর ও অন্যন্য হাদিস গ্রন্হের ওযু অধ্যায়ের সহীহ হাদিস গুলি সিরিয়ালি  তাদের কাছে শুধু বাংলায়  রিডিং পড়া শুরু করি, তারা কি সেগুলি বুঝে ঠিক মতো  আমল করতে পারবে ?


প্রশ্ন ৩: যদি তারা না বুঝে তাহলে তো আমাকে তাদের  দেখিয়ে দিতে হবে কিভাবে ওযু করতে হয় । তখন আমি বুখারীর ও অন্যন্য হাদিস  গ্রন্হের ওযু অধ্যায়ে উল্লেখিত বাংলা  সহীহ হাদিস গুলি সমন্বয় করে বা সেখান  থেকে বেছে নিয়ে আমার বুঝ অনুযায়ী তাদের শিখাবো। এতে কি তারা সহীহ হাদিস  মানলো নাকি আমার বুঝ ও ব্যাখ্যা মানলো ? এই ব্যাখ্যাই কি ফিকহ না ?


প্রশ্ন  ৪: যখন আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি, তখন আমার হাদিসের টেক্সট ও  রেফারেন্স দেয়া কি  আমার জন্য জরুরি হবে ? বাস্তবেই কি তারা প্রত্যেকটির শিক্ষার পিছনের  হাদিসের রেফারেন্স চাবে ? নাকি বলবে শুধু ওযু শিখিয়ে দাও ? এটি কি আমার উপর  বিশ্বাস করে অন্ধ তাকলীদ করা নয় কি ? যদি রেফারেন্স দিয়েও দি তাও কি তারা  সহীহ থেকে জাল হাদিস পার্থক্য করতে পারবে ? 


প্রশ্ন  ৫:একটি হাদিস যে  আমি সহীহ হাদিস কিভাবে বুঝছি ? ব্র্যাকেটে লেখা আছে  বলে।  আমার সামর্থ্য  নাই হাদিস শাস্ত্র অধ্যয়ন করে সহীহ যঈফ আলাদা করার।  কেউ  তাহকীক করে লিখে দিয়েছে। সেটাই চোখ বন্ধ করে মেনে নিচ্ছি।  কেউ বুখারী  অনুবাদ করে দিয়েছে, আমিও মেনে নিচ্ছি সেটা সঠিক অনুবাদ, কারণ আমার পক্ষে  আরবি বুঝে অনুবাদের ত্রুটি ধরা সম্ভব না ।  এই তাহকীক ও অনুবাদ যে সঠিক  মেনে নেয়া হচ্ছে সেটা কি অন্ধ তাকলীদ নয়  ?  


প্রশ্ন ৬:  ওযুর মতো অতি সহজ ব্যাপারে আমার  যদি এই অবস্থা হয়, নামাজের মতো অতি জটিল  ব্যাপারে কি আমার পক্ষে সহীহ হাদিস পড়ে নামাজ শিক্ষা করা  কিভাবে সম্ভব ? যদি আমার পক্ষেই সম্ভব না হয় ৭ বছরের ছেলে কিংবা  পড়ালেখা না জানা বুয়ার পক্ষে  কিভাবে সম্ভব ?


প্রশ্ন ৭: যদি  সম্ভব না হয় তাহলে আমাকে এমন একজনের আলিমের দারস্ত হতে হবে যিনি সব হাদিস পড়ে  বুঝে আমাকে নামাজের নিয়ম কানুন বুঝিয়ে দিবেন,তাইনা ? হাদিস গুলির সমন্বয়  করে যদি উনি ব্যাখ্যাই করেন তাহলে ফিকহ তো ফিকহই হয়ে গেলো । এই ক্ষেত্রে  আমি কি সহীহ হাদিস মানছি নাকি ফিকহ ? এই ফিকহ মানার মাধ্যমে আমি কি বাস্তবে  আমি সমন্বয়কৃত সহীহ হাদিসই মানছি না ?


প্রশ্ন ৮:  আমি যদি আরেকজন  আলিমের কাছে যাই এবং একই অনুরোধ করি হাদিস ঘেটে নিয়ম কানুন বানিয়ে দেয়ার  জন্য । উনিও সব হাদিস ঘেটে আমাকে নিয়ম বানিয়ে দিলেন।  প্রথম আলিমের নিয়ম  গুলি আর দ্বিতীয় আলিমের নিয়ম গুলি কি হুবুহু একই হবে ? নাকি তাদের দুজনের  সমন্বয় পদ্ধতি আলাদা হতে পারে ?

 একজনের কাছে এক হাদিস বেশি সহীহ অন্য জনের  কাছে কম সহীহ লাগতে পারে না ? দুজন একই হাদিসের অর্থ কে দুই ভাবে নিতে পারে  ? তারা কি আরবি ইবারত ভিন্ন ভাবে পড়তে পারেনা ? হাদিসের শত শত কিতাবের উনি  হয়তো কিছু পড়েছেন অন্যজন কিছু ?  রাবী দুর্বল কিনা এই নিয়ে ইখতেলাফ আছেনা ?  কারো কারো মতে বুখারী সব চেয়ে সহীহ, কারো মতে মুয়াত্তা ইমাম মালিক, এরকম  অচেনা ? 

আরো কত কারণ আছে, হাদিস শাস্ত্র কি অংকের মতো যে রেজাল্ট একটাই হবে  ? তাহলে দুজনেরই সহীহ হাদিস মানা সত্ত্বেও দুজনের নামাজের নিয়ম দুই ধরণের  হতে পারেনা ? আমার কি সেই যোগ্যতা আছে যে আমি বলতে পারবো প্রথম জন বেশি ঠিক  না দ্বিতীয় জন ?


প্রশ্ন ৯: ধরেন আমি প্রথম আলিমের কাছে যাওয়ার পর  উনি আমার অনুরোধে সকল হাদিস ঘেটে আমার জন্য নামাজের নিয়ম বানিয়ে দিয়েছেন।  এখন আমার ভাই যদি তার কাছে যেয়ে একই অনুরোধ করে তাহলে কি তিনি এই কাজটি  হাদিস ঘাটার কাজটি কি আবার করবেন ? নাকি আমাকে যে নিয়ম গুলি উনি দিয়েছেন  সেগুলিই আমার ভাইকেও  দিয়ে দিবেন ? আমার ভাই  আজ থেকে ১০ বছর পর গেলে একই  নিয়মি তো পাবেন ওই আলিম থেকে তাইনা  (কারণ যে হাদিস দেখে নিয়ম তৈরী করেছেন  সেই হাদিস তো আর ১০ বছরে পরিবর্তন হয়নি)  ? ৫০ বছর পর কেউ গেলে ? এখানে কি  নামাজের নিয়ম পরিবর্তন হওয়ার খুব বেশি সুযোগ আছে ? ১৩০০ বছর পর ? নাকি  প্রত্যেকবার শুরু থেকে হাদিস ঘাটতে হবে ?

 যদি পরে আমরা প্রথম আলিমের বের  করা নিয়ম কে মাজহাব বা ফিকহে  X  ও দ্বিতীয় আলিমের বের করা নিয়ম কে মাজহাব  বা ফিকহে Y নাম দি , তাহলে X ও Y ফলো করা কি ১৩০০ বছর পর হারাম হয়ে যাবে,  যেখানে এটি ১৩০০ বছর আগে সহীহ ছিল ?


প্রশ্ন ১০:  নামাজ তো আর নতুন  জিনিস না।  এটি ইসলামের শুরু থেকে চলছে।  তাহলে এই হাদিস ঘাটাঘাটি করে  নামাজের নিয়ম বের করার কাজও তখন থেকেই হওয়ার কথা। তখন থেকেই যদি ইমাম আবু  হানিফা (রহঃ) বা ইমাম মালিক (রহঃ) বা ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বা ইমাম আহমদ  (রহঃ) যদি এই হাদিস ঘাটাঘাটি করে নামাজের নিয়ম বের করার কাজটি করে গিয়ে থাকেন,  নামাজের নিয়ম তো আর পরিবর্তন হয়নি,  তাহলে এখন সেগুলি মানতে সমস্যা কোথায় ?

 নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেব এই যুগে এসে হাদিস ঘাটাঘাটি করে যে নিয়ম  বের করেছেন তা ওগুলোর উপর প্রাধান্য পাবে কেন ? ওই চার ইমামের কারো যোগ্যতা  কি ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেবের চেয়ে কম ছিল  ?


প্রশ্ন ১১: এখন যদি কেউ বলেন যে সাহাবীরা রাসূলুল্লাহ (দঃ) এর ওফাতের পর সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে দুটি বিষয় হতে পারে।

হয়তো প্রধান সাহাবীরা যেসব এলাকায় গিয়েছিলেন বা ছিলেন সেসব জায়গায় নামাজ সম্পর্কিত সব হাদিস ছিল।  এই ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফার কাছে কুফায় বা ইমাম  মালিকের কাছে মদিনায় নামাজ সংক্রান্ত সব হাদিস ছিল।  এই ক্ষেত্রে তারা এসব  বেছেই নামাজের নিয়ম বানিয়েছেন।  ওই নিয়ম ফলো করতে আপত্তি কোথায় ? 

অথবা . সাহাবীরা যেসব এলাকায় গিয়েছিলেন সেখানে নামাজ সম্পর্কিত সব হাদিস ছিলোনা, কিছু হাদিস ছিল। 


তাই  কোনো এক এলাকায় যেমন ইমাম আবু হানিফার কুফায় কিংবা ইমাম মালিকের মদিনায় সব  হাদিস ছিলোনা। পরে সব হাদিস একত্রিত হয়েছে। তাই সব হাদিস বাছাই করে বানানো  ল্যাটেস্ট  আলবানী সাহেবের নামাজের নিয়ম বেশি শুদ্ধ। 

আমার প্রশ্ন হচ্ছে  ওই সব এলাকায় আংশিক হাদিস থেকে বানানো আংশিক নামাজের নিয়ম পালন করে যদি  সালাফ তথা তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈনরা শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম হয় তাহলে ওই আংশিক নিয়ম  পালন করলে  আমরা কেন ধরা খাব কিংবা সাওয়াব কম পাবো  ?


প্রশ্ন ১২:  সুন্নাহর বিস্তার এর একমাত্র মাধ্যম কি হাদিস ? এছাড়া কোন মাধ্যম নেই ?  ওযুর কথাই ধরুন না।  যখন সাহাবীরা তাদের সন্তান বা তাবেঈদের ওযু শিক্ষা  দিতেন তখন কি শুধু হাদিস বর্ণনা করতেন ? 

নাকি হাতে কলমে নবীজির (সঃ) এর  কাছ থেকে শেখা ওযুর মতো করে ওযু করে অন্যদের শিক্ষা দিতেন ?

 

তাহলে তাবেঈ বা  তাবেঈ-তাবেঈনদের সংস্পর্শে এসে প্র্যাকটিকাল  নামাজ শিক্ষার পদ্ধতি ইমাম  আবু হানিফা (রহঃ) কিংবা ইমাম মালিকের (রহঃ)  বেশি জানার কথা নাকি  নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেবের।

 আলবানীর কাছে তো শুধু হাদিস আছে ,  কিন্তু ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মালিকের কাছে হাদিসের সাথে সাথে  প্র্যাকটিকাল শিক্ষাও তো ছিল। কার নামাজের নিয়ম বেশি শুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা  বেশি ?


প্রশ্ন ১৩ঃ- ইমাম চতুষ্টয়ের বানানো  নামাজের নিয়ম প্রায় ১৩০০ বছর ধরে মুসলিম উম্মাহ ফলো করে আসছে। উম্মাহর  ইতিহাসের বাঘা বাঘা আলিম এগুলি মেনে নামাজ পড়েছেন । এমন সময় যখন ইসলাম  দুনিয়াতে বিজয়ী ছিল, যখন মুসলিমদের ঈমান আমল ও ইখলাস বর্তমান মুসলিমদের  চেয়ে বেশি ছিল। আর নাসিরুদ্দিন আলবানীর তৈরী নামাজের নিয়ম  অপেক্ষাকৃত অনেক কম মানুষ অনেক কম দিনের জন্য ফলো করছে, যখন মুসলিমদের  ঈমান, আমল ও আখলাক সব চেয়ে নিচে।  প্রথমোক্ত গ্রূপের বহু মুসলিমদের ভুল  হওয়ার সম্ভাবনা বেশি নাকি দ্বিতীয় গ্রূপের কম মুসলিমদের  ?


প্রশ্ন  ১৪: কুরআনে বলা আছে শুধু মাত্র বাপ্ দাদারা করতো বলে কোন কিছু করা উচিত  না।  কিন্তু তা কি মুশরিক বাপ্ দাদাদের ব্যাপারে বলা হয়নি ? বাপ্ দাদা যদি  মুসলিম হয় তাহলে তো তাদের মান্য করতে কোনো দোষ আছে ?

 

যেমন নবী  ইয়াকুব (আঃ)  মৃত্যুর সময় তার পুত্রদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন তারা তার পরে কার ইবাদত করবে ।  তার ছেলেরা উত্তর দিয়েছিলেন তাদের বাপ্ দাদাদের উপাস্যের। বাপ্ দাদা সঠিক  রাস্তায় থাকলে সেই রাস্তা দিয়ে হাটা যাবেনা এমন কথা কি বলা আছে ? নূহ (আঃ)  এর ছেলে যদি এই যুক্তি দিত যে বাপ্ দাদা মেনে আসছে বলে আমরা মানবোনা এটা কি  সঠিক হতো ?

এসব প্রশ্নের উত্তর আমাকে সালাফী হতে  দিলোনা।  


আমি হানাফীই থাকলাম। এবং মন ভরে দুআ করলাম সেই সব আলিমদের যারা  আমাদের জন্য নিজেদের সারা জীবন বিলিয়ে দিয়ে সহজ ফিকহের কিতাব লিখে গিয়েছেন,  যা মাত্র ১০০/২০০ টাকা দিয়ে কিনে  কিংবা আলিমের সোহবতে শিখে আমল করে আমরা অমূল্য অফুরন্ত অনিঃশেষ  জান্নাতের জন্য কাজ করতে পারি।


বিঃ দ্রঃ ইমাম আজম আবু হানীফা রহ. একজন তাবেয়ী ছিলেন। 


সবাই শেয়ার করুন 

 #fbreelsfypシ゚viral 

#channel_net_quran_bd

বেঁচে থাকাটাই আশ্চর্য! 

 বেঁচে থাকাটাই আশ্চর্য! 


সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম-তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!


তারপর নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!


তারপর কলা খাইলাম - কার্বাইড দিয়ে পাকানো!


তারপর কফি নিলাম - এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!


তারপর বাজারে গেলাম টাটকা শাক সবজি কিনলাম-

কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!


মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম - লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!


গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম - পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!


আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে - কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!


দুপুরে ভাত খাবো - ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!


মুরগী নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!


সয়াবিন তেলে রান্না সব - ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!


খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম - পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!


রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম - ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!


খেজুর খাইলাম - বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!


সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!


রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!


ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা। গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!


এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করেনা।


এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!..মানুষের ঈমান তো নাই নাই, দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে  নাই।  


Collected

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৪-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৪-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


দুই লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। 


অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচির প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন।


পতিত সরকারের ব্যাপক দুর্নীতি, ব্যর্থতা এবং দুঃশাসন থেকে দেশকে বের করে আনাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য - বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধান উপদেষ্টা। 


বাড়ানোর ওপর পরিবেশ উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলো আপিল বিভাগ।


পশ্চিম তীরে সামরিক অস্ত্র ব্যবহার করার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে এলাকাটি ইসরাইলের অর্ন্তর্ভূক্ত না করার আহ্বান জানালেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান। 


দুবাইয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম সেমিফাইনালে আজ ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৩-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৩-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দুই লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ।


অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচির প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত --- রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবেলায় ৬৮ মিলিয়ন ইউরো আর্থিক সহায়তা প্রদান।


পতিত সরকারের ব্যাপক দুর্নীতি, ব্যর্থতা এবং দুঃশাসন থেকে দেশকে বের করে আনাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য --- বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


বনভূমি ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর পরিবেশ উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগেও বহাল।


গাজায় ত্রাণ  ও খাদ্য সহায়তা প্রবেশ বন্ধে ইসরাইলের পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ এবং আরব দেশসমূহ।


এবং দুবাইয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম সেমিফাইনালে আগামীকাল অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে ভারত।

ঢাকায় বনি আমিনের স্থায়ী ঠিকানাঃ

 ঢাকায় বনি আমিনের স্থায়ী ঠিকানাঃ

-      -      -      -      -      -       

জন্মদেশে আসলে আমি ২০১৮ থেকে বর্তমান (রিনোভেটেড ) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে (শাহবাগ, ঢাকা) সর্বদা উঠি। মনে হয় যেন আমি 'ঘর থেকে ঘরে এসেছি', আমি ২০০২ সন থেকেই জন্মদেশের বিভিন্ন তারকা হোটেল ব্যবহার করেছি, লেকিন কেউই স্থায়ীভাবে আমার মন কাড়তে পারেনি। জন্মদেশের প্রায় প্রতিটি তারকা হোটেলের কাস্টমার লিস্টে বনি আমিনের নাম খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু আমি শেষাব্দি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালকেই আমার স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে বেছে নিলাম। বনি আমিন ঢাকায় আসলেই বুঝবেন সে আছে এই হোটেলে, কারণ আমার দৃষ্টিতে হোটেল ইন্টারকণ হচ্ছে সর্বদিকে নাম্বার ওয়ান। আর ওদের প্রতিটি স্টাফ এবং সহযোগী লোকগুলো প্রফেশনাল এবং আন্তর্জাতিকমানের। যাকে খাঁটি বাংলায় বলা যায় 'ওয়েল ট্রেইন্ড এন্ড এডুকেটেড', THANK YOU SO MUCH HOTEL INTERCONTINENTAL, DHAKA, BANGLADESH

সোমবার, ৩ মার্চ, ২০২৫

জেনে রাখা ভালো (#জনস্বার্থে #প্রচারিত)

 জেনে রাখা ভালো (#জনস্বার্থে #প্রচারিত)


⚕️1) সকালের খাবার না খেলে পেট ভয় পায়।


⚕️(২) 24 ঘন্টায় 10 গ্লাস জল না খেলে কিডনি ভয় পায়।


⚕️[৩] গলব্লাডার ভয় পায় যখন আপনি রাত ১১টা পর্যন্ত ঘুমান না এবং সূর্যোদয়ের সময় জেগে উঠবেন না।


⚕️[৪] তৈলাক্ত, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেলে ক্ষুদ্রান্ত্র ভয় পায়।


⚕️[৫] ভাজা ও মশলাদার খাবার বেশি খেলে অন্ত্র ভয় পায়।


⚕️[৬] সিগারেট ও বিড়ির দূষিত ধোঁয়া, ময়লা পরিবেশে নিঃশ্বাস নিলে ফুসফুস ভয় পায়।


⚕️[৭] ভাজা ভাজা খাবার, জাঙ্ক এবং ফাস্ট ফুড খেলে লিভার ভয় পায়। ইয়েডো [ বেশি লবণ এবং কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার খেলে হৃদয় ভয় পায়।


⚕️[9] দ্রুত এবং অবাধে পাওয়া যায় বলে বেশি চিনি খেলে অগ্ন্যাশয় ভয় পায়।


⚕️[ 10 ] আপনি যখন মোবাইলের স্ক্রিনের আলোতে এবং অন্ধকারে কম্পিউটারে কাজ করেন তখন চোখ ভয় পায় এবং


⚕️[ 11 ] নেতিবাচক চিন্তাভাবনা শুরু করলে মস্তিষ্ক ভয় পায়।


⚕️ (12) যতটা পারবেন ভোরে ঘুম থেকে উঠে শরীর চর্চা ব্যায়াম করুন এবং ক্যাপসুল থেকে দূরে থাকুন তাহলে আমাদের শরীরের সব রোগ ভয় পাবে।


প্রশ্ন আপনার শরীরের বিভিন্ন অংশের যত্ন নিন এবং তাদের ভয় পাবেন না। এই সমস্ত অঙ্গ বাজারে পাওয়া যায় না. উপলব্ধগুলি খুব ব্যয়বহুল এবং সম্ভবত আপনার শরীরে ফিট করতে পারে না৷ তাই আপনার অঙ্গগুলিকে সুস্থ রাখুন।

ই’উরিক অ্যা’সিডের সমস্যায় ভুগছেন? কী থেকে এই সমস্যা হয় জানেন ? জেনে নিন।

 ই’উরিক অ্যা’সিডের সমস্যায় ভুগছেন? কী থেকে এই সমস্যা হয় জানেন ? জেনে নিন।


ইউরিক অ্যাসিড একটি মারাত্মক সমস্যা। এই অসুখে আক্রান্ত হলে প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে তা বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে জমে। তখন ব্যথা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে গাউট আর্থ্রাইটিস হয়। এই অবস্থায় দাঁড়ালে খুব ব্যথা হয়। আক্রান্তস্থল ফুলে যেতে পারে। এমনকী জ্বালাও করতে পারে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা সাধারণত খাদ্যাভাস থেকে হয়। সেক্ষেত্রে কিছু কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। 


যেমন-

রেড মিট : রেড মিট অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি করতে পারে। কারণ রেড মিটে মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন থাকে। আর রেড মিটের প্রোটিন থেকে অনেকটা পরিমাণে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। 


চিংড়ি: চিংড়ি কমবেশি সবারই পছন্দের। চিংড়িতে ভালো পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। তাই চিংড়ি খেলেও সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে ইউরিক অ্যাসিড থাকলে চিংড়ি থেকে দূরে থাকুন।


সামুদ্রিক মাছ: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে সামুদ্রিক মাছ খেলেও এই সমস্যা বাড়ে। এক্ষেত্রে ইলিশ, পমপ্লেট খেলেও কিন্তু সমস্যা দেখা দিতেই পারে। এমনকী ক্যানবন্দি বিদেশি সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যামন, টুনা খেলেও সমস্যা হতে পারে। তাই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভোগা প্রতিটি মানুষকে এ ব্যাপারে সাবধান হতে হবে।


দানা থাকা সবজি: বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকলে বিভিন্ন দানা জাতীয় সবজি যেমন ঢ্যাঁড়শ, টমেটো থেকে দূরে থাকতে হবে। কারণ এই দানা খেলে সমস্যা বাড়তে পারে। এছাড়া বিনস জাতীয় খাবারও এড়িয়ে চলতে হবে।


সয়াবিন : সয়াবিন হল হাই প্রোটিন খাবার। এই খাবার থেকে মানুষের শরীরে প্রোটিন পৌঁছায়। সয়াবিন অত্যন্ত ভালো একটি খাবার। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই খাবার থেকে সমস্যা হয়। যেমন -ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে এই খাবার নিয়ে অত্যন্ত সচেতন হয়ে যেতে হয়। তবেই ভালো থাকা সম্ভব হবে।


এছাড়া ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হবে।

✍️Googleserch 

ছবি সংগ্রহ Imageserch

সন্তান জন্মদানে অক্ষম পুরুষের যেমন বিয়ে করার অধিকার নেই। সংসার দিতে অক্ষম পুরুষেরও বিয়ে করার কোনো অধিকার থাকতে নেই।

 ♦️♦️সন্তান জন্মদানে অক্ষম পুরুষের যেমন বিয়ে করার অধিকার নেই। সংসার দিতে অক্ষম পুরুষেরও বিয়ে করার কোনো অধিকার থাকতে নেই।


প্রত্যেক বিবাহিত মেয়েদের সংসার হচ্ছে তার বিবাহগত অধিকার। কোনো মানুষকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করলে আপনাকে জবাবদিহিতা করতে হবে।


প্রতিটি মেয়েদের বিয়ে হলে একটা আলাদা সংসার সাজাতে দেওয়া উচিত। অথচ আমাদের সমাজে বেশির ভাগ মেয়েদের বিবাহিত জীবন পার করতে শ্বাশুড়ি মায়ের সংসারে। 


মায়ের সংসার, শাশুড়ীর সংসার দেখতে দেখতে একটা মেয়ের আর সংসার হয়ে উঠে না। সে হয়ে উঠে আরেক মা না হয় আরেক শাশুড়ী। কিন্তু ঘরের বউদের আর কোন সংসার হয় না। এভাবেই বছর ঘুরে চলে সাইকেল। কেন কেউ চায় না এভাবে জানি না। 


আমি এক আপুকে চিনি। বিয়ের পর স্বামী তিনমাস দেশে থাকার পর বিদেশ চলে গেছে বউকে শ্বশুর বাড়ি রেখে। বিয়ে নামক সার্টিফিকেট কাঁধে ঝুলিয়ে মেয়েটা বাবার বাড়িতেই থেকে গেল।

বর তিন বছর পর পর আসে আর তাকে একটা সন্তান উপহার দিয়ে চলে যায়। বারো বছরের বিবাহিত জীবনে সে তিন সন্তানের মা হয়।  অথচ তার নিজের কোনো সংসার হয় না। 


সে ভ্রাম্যমান জীবনযাপন করে। কিছু দিন বাবার বাড়ি, কিছুদিন শ্বশুর বাড়ি, কিছু দিন বোনের বাড়ি করে।  ভাইয়ের বাড়ি এসে অধিকার ফলালে ভাইয়ের বউর মন খারাপ। শ্বশুর বাড়ি এসে অধিকার ফলালে জায়ের মন খারাপ।

সে শিকড়বিহীন পরগাছার মতো একডাল থেকে আরেক ডালে ছুটে বেড়ায়। তার সব হয়, অথচ সংসার হয় না।


শ্বাশুড়ি মায়েদের সংসারে মেয়েদের কত কিছু নেই। সবচেয়ে বড় কথা তাদের একটা সংসার নেই। অথচ সংসারের প্রধান উপকরন স্বামী ও সন্তান সবই আছে। 


নিজের সংসারের শখের জিনিস কিনতে পারার যে আনন্দে, সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিস অপছন্দ হলে যে বেদনা। যে কখনো কিনতে পারেনি, বা যার কখনো কেনার প্রয়োজন হয়নি, সে এই নির্মল আনন্দ থেকে, পরিচ্ছন্ন বেদনা থেকে বঞ্চিত হয়। 


হয়তো ভাবছেন সংসার গঠনের প্রধান হাতিয়ার স্বামী আছে, সন্তান আছে। তাহলে সংসার নেই কেন? সংসারও আছে! তবে সেখানে ঘরের বউদের  অবস্থান বিশাল বটবৃক্ষের কাছে ক্ষুদ্র একটা ডালের যে অবস্থান। সংসার তাদের শ্বাশুড়ি মায়ের। 


ইনশাআল্লাহ আমি যদি কখনো পুত্র সন্তানের জননী হই যখনই পুত্রের বিয়ে হবে তখনই আলাদা করে দিবো। খুব কাছেই রাখবো কিন্তু সব আলাদা সংসার হবে। মেয়েটা তার রুম, তার পছন্দের কিছু কর্নার, বারান্দা, রান্নাঘর থেকে সব কিছু  নিজের হাতে সাজাবে। যেখানে অবজেকশন দেয়ার কেউ থাকবে না। যেখানে কোনবেলা ক'মুঠো ভাত রান্না করবে সেটা জানার জন্য পায়চারি করতে হবে না। 


দিন শেষ এ সবাই একা। তাই যে যার মত ভালো থাকুক, একা থাকুক। কেন আমাদের অন্যের লাইফে ইন্টারফায়ার করা লাগবে। কেন আমাদের অন্যের উপর ডিপেন্ডেবল’ হতে হবে। 


কবরে আপনার আমার একা যেতে হবে। তাই আমল করুন, মানুষের সাথে ভালো ব্যাবহার করুন, অন্যের থেকে আশা ছেড়ে দিন। আপনি আপনার দ্বায়িত্ব পালন করে যান। দিন শেষ এ আপনার কোন অভিযোগ থাকবে না। আর কেউ আপনার প্রতিও অভিযোগ রাখবে না। বিশ্বাস করুন এভাবেই জীবন অনেক সহজ।  আপনি যেমন অন্যের স্বপ্ন পূরণে বাধা দিবেন না, ঠিক আপনার স্বপ্ন পূরণে সময় লাগবে না। 


একদিন হয়তো আজ যে ঘরের বউ তার ও সংসার হবে, কিন্তু তখন হয়তো সংসার করার যে ইচ্ছেটা একসময় হতো সে ইচ্ছেটা মরে যাবে। সকালের সোনা রোদের আনন্দ আপনি দুপুরের কড়কড়ে রোদে পাবেন না...... 🙂🙃


🌻


©Mishu

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...