এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


সংস্কারের ওপর নির্ভর করে চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে --- বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


ভ্যাটিকান সিটিতে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব মানবিক ভ্রাতৃত্ববোধ সংক্রান্ত সম্মেলনে যোগ দিতে অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানালেন ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস।


মব জাস্টিস বন্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজনের ওপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে নৌযানে বাড়তি ভাড়া আদায় ও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা --- জানালেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা।


অর্থ পাচার মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস পেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


 জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদসহ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।


প্রাণঘাতি অস্ত্রের বিস্তার ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী  প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়তে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান ।


এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেটে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব-আবহানী লিমিটেড ও পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

গরীবেরা হা*গতে যায়, মধ্যবিত্তরা টয়লেটে যায় আর বড়লোকেরা ওয়াশরুমে যায়

 গরীবেরা হা*গতে যায়, মধ্যবিত্তরা টয়লেটে যায় আর বড়লোকেরা ওয়াশরুমে যায়। ইদানিং একটু শিক্ষিত মধ্যবিত্তরা জাতে উঠার জন্য ওয়াশরুমে যায়। আর বড়লোকেরা এটা সহ্য করতে না পেরে এখন রেস্ট রুমে যায়। এই পায়খানা/টয়লেট/ওয়াশরুম/রেস্ট রুম নিয়ে আমার বিস্তর অভিজ্ঞতা আছে। 


আমার লাইফের টাইমলাইন যদি তিনটা ভাগ করি তবে প্রথমভাগ কেটেছে গ্রামে, দ্বিতীয় ভাগ ঢাকায়, তৃতীয় ভাগ দেশের বাইরে। এই তিনভাগে বিভক্ত জীবনে অনেক কিছু দেখার বুঝার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই আলোকে আজ আমি লিখবো প্রবন্ধ, 

টয়লেট- এক প্রেম কথা। 


একদম শুরুতে গেলে আমি দেখি গ্রামে আমাদের বাড়ির পশ্চিমদিকে বাঁশঝাড়ের পাশে টিনের বেড়া দেয়া ঢালুর উপরে মাচার মতন করা একটা দুর্বল টয়লেট। যার সামনে চটের বস্তার পর্দা দেয়া। ঢালুতে মাচার উপরে বলতে মাটি থেকে একটা বাঁশের সাঁকো গেছে সেই মাচা পর্যন্ত। মাচাটা আপাত শূন্যে ঝুলে আছে মনে হলেও এটি চারটি বাঁশের খুঁটিতে ভর দিয়ে থাকে। যেটাকে বলে ঝুলন্ত টয়লেট।


যেহেতু টয়লেটে কোন দরজা নেই, সেহেতু কেউ আশেপাশে আসলে বা আসছে মনে হলে টিনের বেড়ায় একটু শব্দ করতে হয় নইলে খুক খুক করে একটু কাশতে হয়। 


মাচার দুই কাঠের মাঝে একটা বড় ফাঁকা। সেখান দিয়েই মূলত প্রাকৃতিক কর্ম সাঁই করে নেমে গিয়ে নিচে পড়তো। আপনি টাইম কাউন্ট করলে দেখা যাবে নির্গত হওয়া এবং নিচ থেকে শব্দ রিটার্ন আসার মধ্যে পাঁচ সেকেন্ডের ব্যবধান আছে। এই পদ্ধতিতে সাধারণত শব্দ তরঙ্গ দিয়ে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। আমি টয়লেটের গভীরতা মাপছি। 


আচ্ছা এই পাঁচ সেকেন্ডের ব্যবধান থেকে আপনারা কি অনুমান করতে পারছেন টয়লেটটির গভীরতা কত ছিলো? আচ্ছা সহজ করে দিচ্ছি, নিচে মাটি থেকে প্রায় বিশ ত্রিশ ফুট উঁচুতে ছিলো টয়লেট। আসলে নিচে মাটি ছিলো না, ছিলো হাজার বছরের এক হলদেটে সমুদ্র। 


ভুল বললাম, হাজার বছর না। প্রতিবছর বন্যায় হলদেটে সমুদ্রটা ধুয়ে মুছে যায়। বন্যার সময়টা সুন্দর। দুই কাঠের ঐ ফাঁকটা দিয়ে নিচে তাকালে দেখা যায় পানির স্রোত। আগে কর্মটি নিচে পড়লে যে শব্দ হতো, তেমন শব্দ হয় না। পানিতে টুপ করে একটা শব্দ হয়, তারপর স্রোতে ভেসে যায়। নিচে মাছেরা অপেক্ষা করে কখন আসবে দ্বিতীয় লট। লট আসা মাত্রই মাছেদের কাড়াকাড়ি শুরু হয়ে যায়। আপনি উপরে বসে দিব্যি এই খেলাটি অবলোকন করতে পারবেন। 


বন্যার সিজনে প্রতিদিন পানি বাড়ে। পানি কাছাকাছি উঠে আসলে স্রোত বাড়ে। লট পড়া মাত্রই স্রোতে ভেসে যায়, মাছেদের খেলা দেখা যায় না। পানি কাছে থাকায় উলটা ভয় লাগে মাছেরা কখন আবার লট আসতে দেরী হলে ফ্যাক্টরিতে হামলা করে বসে। 


পরদিন সকাল বেলায় দেখা যায় টয়লেট ডুবে গেছে পানিতে। সেটা এক দুঃসময়। বাড়ির উঠোনের আশেপাশে অস্থায়ী টয়লেট করা হয়। সেটাও ডুবে গেলে ঘরের পেছনদিকে গিয়ে নীরবে কর্ম সারতে হয়। কেউ কেউ গলা পানিতে নেমেও সেরে ফেলে। তখন কর্মটি নিচে যায় না, টুপ করে ভেসে উঠে। 


আমি তখন ছোট। ঐটা ছিলো বড়দের টয়লেট। আমার সেখানে যাবার অনুমতি ছিলো না। দুই কাঠের ফাঁক দিয়ে পড়ে হলদেটে সমুদ্রে ডুবে যাবার সমূহ সম্ভাবনা ছিলো। আমাকে বাড়ির আশেপাশে কোথাও বসিয়ে দেয়া হতো খোলা আকাশের নীচে। কর্ম শেষ হলে দাদা কোদাল দিয়ে চেঁছে কর্মটুক নিয়ে বাড়ির পাশে ঝোপে ফেলে দিতেন। 


ঝুলন্ত টয়লেটের আমার তেমন অভিজ্ঞতা নাই। যেটুকু অভিজ্ঞতা গ্রামের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে গিয়ে। আমাদের বাড়িতে আমি ছোট থাকতেই পাকা টয়লেট তৈরী করা হলো। আমাকে খোলা দুনিয়া থেকে জোর করে বদ্ধ ঘরে পাঠানো শুরু হলো। 


গ্রামের মানুষের একটু শুচিবাই ছিলো। এরা ঘরের আশেপাশে টয়লেট রাখতো না। শহরে যে ঘরের ভিতরে টয়লেট এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তর হাসাহাসি চলতো। টয়লেট থাকতো বাড়ির শেষ মাথায় ঝোপঝাড়ের দিকে, যেদিকটায় মানুষের আনাগোনা কম। আমাদের পাকা টয়লেটটিও তেমনি বাড়ির পেছনদিকে করা হয়েছিলো। 


আমরা রাত হবার আগেই চেষ্টা করতাম কর্ম সাধন করিয়া ফেলিতে। গ্রামে বিদ্যুৎ ছিলো না। যেদিন রাত্রে দুদ্ধজাত খাবার পেটে পড়তো আর অমানুষিক চাপ অনুভব হইতো সেদিন যেনো মনে হইতো আর রক্ষে নেই। হ্যারিকেন বা কুপি নিয়ে টয়লেটে যাওয়া ছিলো ভয়ানক এক ব্যাপার। 


টয়লেটে সাদা চুনকাম করা। দেয়ালে মাকড়সার বাসা করা। তার উপরে থাকতো টিকটিকির উপদ্রব। কর্ম সাধন করিবার মাঝপথে শুনিতাম ঠিকঠিকঠিক। বদমায়েশ এর মধ্যে ঠিক বেঠিক পাইলো কোথায়। তার উপরে ছিলো সাপের ভয়। মনে হইতো এই বুঝি কমোডের পাইপের ভেতর থেকে একটা সাপ এসে ছোবল মেরে দিবে আমার বংশের প্রদীপে। 


টয়লেটে যাবার আগেই পড়তো একটা গাবগাছ। গ্রামে কথিত ছিলো গাবগাছে ভূত থাকে। শুনশান নীরব সেই গাব গাছ পার হবার সময় তওবা পড়তে পড়তে যাইতাম। একটা পাতা ঝড়ার আওয়াজ শুনে কলিজা কেঁপে উঠতো। ভয়ে অমানুষিক চাপ উধাও হয়ে যেতো। দেখা গেলো আধাঘন্টা বসে আছি, চাপ আর আসেনা। পরে একপেট কষ্ট নিয়ে উঠে চলে আসলাম। আধাঘন্টা পর সেই গায়েবী চাপ এসে ঠিকই হাজির। 


শহরে আসার পরে ভূতের ভয় ছিলো না। তবে তখনও সাপের ভয় ছিলো মনে। বংশ প্রদীপটি আগলে রাখতাম। পরে বুঝতে পারলাম সাপের ভয় নেই আর। তবে বিপত্তি ঘটতো রাত্রে। টয়লেটের পেছনদিকে ভেন্টিলেশনের জানালা ছিলো। মনে হতো কোন একটা কালো পশমী হাত এসে এক্ষুণি ঘাড়ে সুড়সুড়ি দিবে। কর্ম শেষে দৌড়ে বের হলে মনে হইতো যেন বহু বছর নির্বাসনে থাকিবার পরে আমি সভ্যতায় এসে পৌঁছেছি। 


বড় লোকের এক আজিব টয়লেট ছিলো। যেটাকে হাই কমোড বলে। বিশ্বাস করবেন না প্রথমবার হাইকমোড ওয়ালা টয়লেটে যে আমার কি এক অবস্থা হয়েছিলো। ঢাকার অভিজাত এলাকায় এক বড়লোক আত্মীয়র বাড়ি বেড়াতে গেছি। বয়স তখন নয় কি দশ। সেখানে গিয়ে টয়লেটে ঢুকে আমি তো অবাক। টয়লেট এতো সুন্দর হয় আমার ধারণা ছিলো না এর আগে। 


আমাদের ঢাকা শহরে মধ্যবিত্তের ঘরে গোসলখানা আর টয়লেট একসাথে। গোসলখানার শেষ মাথায় একটু উঁচুতে কমোড। পাশে একটা কল। নতুন বাড়িতে স্টিলের কল, একটু বয়স্ক বাড়িতে স্টিলেরটা নষ্ট হলে প্লাস্টিকেরটা লাগায়। সেটা বছরের পর বছর বদল হয়ে প্লাস্টিকই লাগানো হয়। তার নিচে থাকে সরু নল ওয়ালা বদনা। আর একদম পেছনের দেয়ালে আরামে হেলান দিয়ে থাকে টয়লেট পরিষ্কার করার একটা ব্রাশ। 


বড়লোকের টয়লেটে প্রথমবার গিয়ে দেখি মিষ্টি মিষ্টি ঘ্রাণ। পানি নিতে যেয়ে দেখি কোন বদনা নাই। বড়লোকেরা কি তবে শুটকি ধোয় না?

পড়লাম মহাচিন্তায়। টিস্যু আছে যদিও। কি এক মেহেরবানি ঠিক এমনি সময়ে আমার চোখে পড়লো একটা সরু নলের মতো পাইপ। তার মাথায় একটা কলের মত বসানো। চাপ দিতেই দেখি পানি বের হয়। খুশিতে আমি গদগদ হয়ে গেলাম। 


এবার পড়লাম আরেক মহা মুশকিলে। এই হাই কমোডে আসলে কেমনে কি করে? তার উপরে আবার দুইটা ঢাকনা। একটা উঠাইলে আরেকটা ফ্রেমের মত। আমি চিন্তায় পড়ে গেলান এই ফ্রেমের উপরে বসে নাকি ফ্রেম উঠায় বসে নাকি এখানে বসে না?

কূল কিনারা না পেয়ে আমি উঠে দেশী স্টাইলে উঠে গেলাম কমোডের উপরে। ভেবে দেখুন তো, একটা লোক হাই কমোডে দেশী স্টাইলে উঠে বসে আছে। 


কোন এক পন্ডিত লিখিয়াছিলেন,“ওহে মহাজ্ঞানী,  কর্ম করিয়া ঢালিও পানি।” কর্ম শেষে আমি পানি ঢালিবার উপায় পাই না। এইযে হলদেটে আহাম্মকটি ভাসিতেছে, কেহ যদি আসিয়া তাহাকে দেখিয়া ফেলে এবং হাসিতে হাসিতে সবাইকে বলিয়া দেয় আমার ইজ্জত বলিতে কি কিছু রহিবে?


মাথায় আসলো নিশ্চয়ই কোন ব্যবস্থা আছে। ফ্ল্যাশের বাটন দেখি, কিন্তু চাপতে ভয় লাগে। কিছু একটা হইয়া যায় যদি! বড়লোক আত্মীয় কি আমার ক্ষমা করিবে?

আমি ভয়ে ভয়ে ফ্ল্যাশের হ্যান্ডের চাপি। আস্তে চাপ দেয়ায় ফোঁসফোঁস করে হাওয়া বের হয়। আমি ভয় পাইয়া যাই। পানির কানেকশনের লাইনটা ঘুরাই, কাজ হয় না। এরপরে চোখ বন্ধ করে ফ্ল্যাশে একটু জোড়ে চাপ দিতেই ভুরভুর করে পানি এসে সব নিয়ে গেলো। আমার মুখে সে কী অমলিন হাসি! 


এরপরে কত প্রযুক্তির টয়লেট দেখা হলো জীবনে। প্লেনের টয়লেটগুলা যেমন একটা আজব জিনিস। কাজ শেষে সুইচ চাপলে কয়েকসেকেন্ড পরে ভুস করে বাতাস এসে সব নিয়ে যায়। কোন পানির কারবার নাই। এখন আবার নতুন ফ্ল্যাশ আসছে উন্নত দেশগুলায়। সুইচ চাপতে হয় না। সেন্সর করা, কর্ম শেষে সেন্সরে টাচ করলে অটোমেটিক ফ্ল্যাশ হয়ে যায়। 


আবার এদেশে (ফ্রান্সে) রাস্তায় বুথের মত পাললিক টয়লেটগুলায় সুইচ চাপলে দরজা খুলে। অটোমেটিক আটকায়। কাজ করবেন। সুচ চেপে দরজা খুলে বেড়িয়ে যাবেন। এরপরে দরজা লাগবে। সমস্ত টয়লেটটা পানি ছেড়ে পরিষ্কার হবে অটোমেটিক। কত মানুষ দেখলাম অপেক্ষা না করে একজন বের হবার সাথে সাথেই ঢুকে যায়। টয়লেট পরিষ্কার হবার টাইম দেয় না। বেকুবেরা গোসল করে বের হয়।


প্রযুক্তি এখন আরও এক কাঠি সরেস। গুগলে Toilet near me লিখে সার্চ করলে আশেপাশের লোকেশনে পাবলিক টয়লেট শো করে। আমার শো করে টয়লেটে যেতে কতটুক পথ, কত মিনিট সময় লাগবে। যুগে যুগে পালটে যাচ্ছে মানুষের ধ্যান ধারণা। উন্নতির ছোঁয়া লাগছে শহর বন্দর গ্রাম সবখানে। 


অথচ এখনো আমার একটা শখ আছে। বর্ষাকালে ঝুলন্ত টয়লেটে যাবার শখ। মাছেদের সাথে খেলার শখ। দুর্ভাগ্য আমাদের গ্রামে এখন আর কোন ঝুলন্ত টয়লেট নাই। আশা করি কোন এক বর্ষায় এমন একটা সুযোগ আসবে, স্বপ্ন পূরণ হবে। নইলে আমি হেলানো কোন গাছের ডালে উঠে যাবো। তারপর আমি মাছেদের সাথে খেলবো।  

  

©

গিটার পরিচিতি: তারুণ্যের প্রথম পছন্দের মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট।

 গিটার পরিচিতি: তারুণ্যের প্রথম পছন্দের মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট।



গিটার বহুল পরিচিত ও প্রচলিত একটি বাদ্যযন্ত্র। এটি মূলত ৬ তার বিশিষ্ট। গিটার প্রধানত তিন প্রকার। যেমনঃ স্প্যানিশ গিটার, হাওয়াইয়ান গিটার ও বেইজ গিটার। এছাড়াও স্প্যানিশ গিটারের মধ্যেও প্রকারভেদ রয়েছে যেমন ক্লাসিক্যাল, একিউস্টিক ও ইলেকট্রিক।


মূলত গিটার বলতে স্প্যানিশ গিটারকেই আমরা প্রথমে চিন্তা করি, যাতে ফ্রেট থাকে এবং রিদম অথবা লিডের মাধ্যমে বাজাতে হয়। আধুনিক রক এবং মেটাল গান মূলত গিটারের উপর প্রতিষ্ঠিত।


হাওয়াইয়ান গিটারে স্প্যানিশ গিটারের মতো ফ্রেট থাকে না এবং একে রিদম দিয়ে বাজানো যায় না। এই গিটার বাজাতে হলে কোলের ওপর রেখে একটি স্টিলের তৈরি স্লাইডিং মেটাল বার্ এর মাধ্যমে বাজাতে হয়।


বেস গিটার এক প্রকারের ইলেকট্রিক গিটার যা ৪টি তার বিশিষ্ট। বেস গিটারের তারগুলো অন্যান্য গিটারের তুলনায় অনেক মোটা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে সঙ্গীতের পটের অন্তরালে একটি গম্ভীর সুরের আবহ দেয়া হয়।


একিউস্টিক গিটারের অংশগুলো হল বডি(Body), সাউন্ড হোল(Sound hole), ফ্রেট বোর্ড(Fret Board), নেক(Neck), ব্রিজ(Bridge), হেডস্টক(Headstock)। এর তারগুলো ধাতুর তৈরি। এ গিটারের শব্দ তৈরি হয় সাউন্ড হোল এর মাধ্যমে। তারের কম্পন বডির ভেতর প্রতিধ্বনিত হয়ে সাউন্ড হোল এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিছু একোস্টিক গিটারের বডির অভ্যন্তরে পিক-আপ থাকে, যা দিয়ে এমপ্লিফায়ারের সহায়তায় এর ধ্বনিকে বর্ধিত করা যায়।


ক্লাসিক্যাল গিটার দেখতে অনেকটা একিউস্টিক গিটার এ

র মতই, তবে তারগুলো মূলত নাইলনের তৈরি হয়ে থাকে।


ইলেক্ট্রিক গিটারে সাধারণত সাউন্ড হোল থাকে না। এর সুর তৈরি হয় পিক-আপ(Pickup) এর মাধ্যমে। এটি বাজানোর জন্য এমপ্লিফায়ার(Amplifier) অত্যাবশ্যক। প্রসেসর (Processor) এর মাধ্যমে এর সুরে পরিবর্তন আনা যায়।


#highlights #সঙ্গীত #গিটার #fypシ #trend #ঋষণা

বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫

সব মেয়েদের জানা উচিত

 ❌ ফ্লার্ট করা ছেলেদের থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। আপনি যতটুকু প্রশংসার যোগ্য তার চেয়ে বেশি প্রশংসা যখন কেউ আপনাকে করে, তার সম্পর্কে সাবধান হয়ে যান। ভালো ছেলেগুলো সাধারণত খুব একটা স্মার্ট হয় না। তারা হয়তো বোরিং হয়, কিন্তু তারা কখনো চিট করে না। অন্যদিকে, ফ্লার্ট করা পুরুষ এ্যাট্রাকটিভ হলেও কথার ফাঁদে মেয়েদের সর্বনাশ করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এজন্য চেহারা না, চরিত্রের প্রেমে পড়ুন।


❌ সবসময় নিজের গাট ফিলিংসকে প্রাধান্য দিন। দেখে খারাপ মনে হয় না, কিন্তু মন থেকে কেন জানি লোকটাকে পছন্দ হয় না - এমন হলে সেই ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন।


❌ আপনি কালো, শর্ট, মুখে ব্রণ - এগুলা কিচ্ছু না। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে যেভাবে বানিয়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা আর যোগ্যতা দেখে যেন একটা ছেলে আকৃষ্ট হয়, নিজেকে সেভাবে তৈরি করুন। নিজেকে সুন্দর দেখানোর বাসনা মেয়েদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। রূপচর্চায় কম, যোগ্যতা অর্জনে বেশি সময় দিন।


❌ চোখ বন্ধ করে কাউকে বিশ্বাস করবেন না। (গণহারে ট্রাস্ট এর কথা বলছি, ট্রাস্টওয়ার্দি ম্যান অবশ্যই আছে) বাবার অফিসের কলিগ, মামার পরিচিত, বড় ভাইয়ের বন্ধু, একদম ফ্যামিলি পারসন, মহাপুরুষ টাইপের লোক - এরকম কারো সাথে একা কোথাও থাকবেন না। মনে রাখবেন, মেয়েরা কাছের মানুষদের দ্বারা সে*ক্সুয়ালি অ্যা*বিউজ হয় সবচেয়ে বেশি।


❌ কারো বাসায় যেতে হলে পরিবারকে জানিয়ে যাবেন। যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার ঠিকানা, ফোন নাম্বার মা, বাবা, বড় ভাই বা বোনকে দিয়ে যান। এবং অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব বাসায় ফিরে আসুন। পরিবারের সদস্যদের ছাড়া কোথাও রাত কাটাবেন না।


❌ বাবা-মাকে বন্ধু বানান। তাদের কাছে কোনোকিছু গোপন করবেন না বা তাদের অজান্তে কোনো কাজ করবেন না। নিজের সিক্রেট কথাগুলো পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কারো সাথে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। মনের কথা কাউকে বলে হালকা হতে চাইলে শ্রোতা হিসেবে ফ্যামিলি মেম্বারদের বেছে নিন।


❌ কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে বা কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাবুন। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন, ১০০ বার।


❌ নিজের আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখুন। মেয়েরা আবেগের কারণে ভিকটিম হয়।


❌ সব সময় সৎ পথে থাকবেন। খারাপ পথগুলো সহজ, অনেক বেশি আনন্দ দেয়, কিন্তু তা ক্ষণিকের জন্য। সঠিক পথ আপনাকে দেবে নিরাপত্তা, তা যত কষ্টেরই হোক না কেন।

বাংলাদেশে মাস্টার্স ডিগ্রির একটা বাস্তবতা আছে!

 বাংলাদেশে মাস্টার্স ডিগ্রির একটা বাস্তবতা আছে!

"কেন করছি জানি না, কিন্তু করতেই হবে!" 

আমি বাংলাদেশের প্রচুর স্টুডেন্ট চিনি মাস্টার্স এ পড়ছে কিন্তু কেন পড়ছে, এই সাব্জেক্ট এ মাস্টার্স তার কী কাজে লাগবে এসব নিয়ে তার কোনো আইডিয়া নেই! স্পেশালি পাবলিক ও ন্যাশনাল ভার্সিটির স্টুডেন্ট রা।


আমাদের দেশের বড় একটা অংশের স্টুডেন্ট অনার্স শেষ করে মাস্টার্সে ভর্তি হয় বিনা পরিকল্পনায়! 🤦‍♂️


ক্যারিয়ারের জন্য? না!


জব মার্কেটে ডিমান্ড আছে বলে? না!


নতুন কিছু শেখার ইচ্ছা থেকে? সেটাও না!


📢 তাহলে কেন?

👉 "বাবা-মা বলছে"

👉 "সামাজিক স্ট্যাটাস বাড়বে"

👉 "বন্ধুরা ভর্তি হচ্ছে, তাই আমিও"

👉 "জব নাই, তো আর কী করা!"


অনার্স শেষে মাস্টার্সে ভর্তির আগে ভাবো এই মাস্টার্স তোমার কী কাজে লাগবে!


না লাগলে সেই সময়টা অন্য একটা স্কিলে দাও যদি অলরেডি না থাকে।

সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-

 সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-


১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।


২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।


৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।


৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।


৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।


৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।


৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।


৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।


৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।


১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।


১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।


১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।


১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।


১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।


১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।


১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।


১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।


১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।


২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।


২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।


২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।


২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।


২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।


২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।


২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।


২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।


২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।


৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।


৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।


৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।

(লেখা গুলি ভাল লাগছে তাই পোস্ট টি করলাম)

হারমোনিয়ামের স্কেল পরিচিতি:

 হারমোনিয়ামের স্কেল পরিচিতি:


..


হারমোনিয়ামের ১২ টি স্বরের একেকটি স্বরকে একেকটি স্কেল বলা হয়।


হারমোনিয়ামের ৩৬টি পর্দা তিনটি সপ্তকে বিভক্ত। স্কেল ১২টি সপ্তকভেদে উপরে-নিচে/মোটা-চিকন শব্দ হয়ে থাকে

তাহলে স্কেল×সপ্তক ১২×৩=৩৬


১২টি স্কেলের নাম নিম্নে দেয়া হলোঃ-


০১। C (সি)

০২। C#  (সি শার্প)

০৩। D (ডি)

০৪। D# (ডি শার্প)

০৫। E (ই)

০৬। F (এফ)

০৭। F# (এফ শার্প)

০৮। G (জি)

০৯। G# (জি শার্প)

১০। A (এ)

১১। A#  (এ শার্প)

১২। B (বি)


উপরের নামসমূহ এবার নিচের চিত্রে দেখে মিলিয়ে নিন তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে। হারমোনিয়ামের সাথে সরাসরি মিলিয়ে নিলে যেমন তাড়াতাড়ি শিখতে পারবেন তেমনি বাজাতেও সক্ষম হবেন।


#সঙ্গীত #highlights #trend #গান #fypシ #ঋষণা

কিছু বিখ্যাত উক্তি যা আপনাকে উপকৃত করতে পারে (𝙌𝙪𝙤𝙩𝙚𝙨 𝙏𝙝𝙖𝙩 𝙈𝙖𝙮 𝘽𝙚𝙣𝙚𝙛𝙞𝙩 𝙔𝙤𝙪)

 🧧👉কিছু বিখ্যাত উক্তি যা আপনাকে উপকৃত করতে পারে (𝙌𝙪𝙤𝙩𝙚𝙨 𝙏𝙝𝙖𝙩 𝙈𝙖𝙮 𝘽𝙚𝙣𝙚𝙛𝙞𝙩 𝙔𝙤𝙪)


1️⃣ "মানুষের জীবনে সবচেয়ে কঠিন অনুভূতি হলো, অন্যরা তাদের সম্পর্কে কী ভাবছে সেই ভয়ের সঙ্গে বেঁচে থাকা।"

— ডেভিড আইকে


2️⃣ "যারা দ্রুত ক্ষমা চায়, তাদের থেকে সাবধান থাকুন; তারা প্রায়ই কথোপকথন শেষ করতে চায়, আন্তরিকভাবে নয়।"

— পাওলো কোয়েলহো


3️⃣ "যারা অন্যদের নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তারা প্রায়শই নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না।"

— মার্কাস অরেলিয়াস


4️⃣ "এই অন্যায় পৃথিবীর সঙ্গে লড়াই করার একমাত্র উপায় হলো এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা।"

— আলবেয়ার কামু


5️⃣ "জ্ঞান হলো কখন কথা বলতে হবে তা জানা, আর বুদ্ধিমত্তা হলো কখন নীরব থাকতে হবে তা বোঝা।"

— সক্রেটিস


6️⃣ "একটি ভাঙা হৃদয় এমন শিক্ষা দেয় যা সাফল্য কখনোই দিতে পারে না।"

— খলিল জিবরান


7️⃣ "বেশিরভাগ মানুষ সত্য খোঁজে না; তারা শুধু আশ্বাস চায়।"

— কার্ল ইয়ুং


8️⃣ "যার হারানোর কিছু নেই, তাকেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।"

— ফিওদর দস্তয়েভস্কি


9️⃣ "একজন জ্ঞানী প্রতিশোধ খোঁজে না, কারণ জীবনই সেটার ব্যবস্থা করে দেয়।"

— কনফুসিয়াস


🔟 "কাকে বিশ্বাস করবেন তা সাবধানে বেছে নিন; লবণ আর চিনি দেখতে একরকম।"

— জাপানি প্রবাদ


1️⃣1️⃣ "আপনি যখন কিছু পাওয়ার জন্য ছুটতে থাকেন না, তখনই সেটি আপনাকে খুঁজে নেয়।"

— গৌতম বুদ্ধ


1️⃣2️⃣ "একটি সিংহের নেতৃত্বে থাকা ভেড়ার দল, একটি ভেড়ার নেতৃত্বে থাকা সিংহের দলকে পরাজিত করতে পারে।"

— আরবীয় প্রবাদ


1️⃣3️⃣ "যে কোনো স্থানের অন্যায়, সর্বত্র ন্যায়বিচারের জন্য হুমকি।"

— মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র


1️⃣4️⃣ "যে অন্যদের জন্য বেঁচে থাকে, সে অনেক দিন মনে থাকে; কিন্তু যে কেবল নিজের জন্য বাঁচে, সে দ্রুত ভুলে যায়।"

— লিও টলস্টয়


1️⃣5️⃣ "সবচেয়ে কষ্টদায়ক একাকীত্ব হলো, যখন কেউ আপনাকে বুঝতে পারে না।"

— জর্জ এলিয়ট


1️⃣6️⃣ "কেউ আপনাকে কতটা মূল্য দেয়, তা বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো তারা যখন আপনাকে আর প্রয়োজন মনে করবে না, তখন তাদের আচরণ দেখুন।"

— ফ্রিডরিখ নীটশে


1️⃣7️⃣ "যখন আপনি অন্যদের সঙ্গে নিজের তুলনা করা বন্ধ করবেন, তখনই আপনি আপনার সর্বোত্তম সংস্করণ হয়ে উঠবেন।"

— লাও জু


1️⃣8️⃣ "আপনি কখনোই এই পৃথিবীকে প্রভাবিত করতে পারবেন না, যদি আপনি এতে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেন।"

— অজানা


1️⃣9️⃣ "আপনি এমন কেউ হন, যার কারণে মানুষ মানবতার প্রতি বিশ্বাস রাখে।"

— অজানা


2️⃣0️⃣ "কিছু ভুল হলে, তা ঠিক করুন। তবে নিজেকে দুশ্চিন্তা থেকে বিরত রাখুন—কারণ দুশ্চিন্তা কখনো কিছু ঠিক করে না।"

— আর্নেস্ট হেমিংওয়ে


☮️☮️☮️ উক্তিগুলো আমাদের জীবনকে গভীরভাবে অনুধাবন করতে সাহায্য করতে পারে।

বইঃ 'জীবনের ক্যানভাসে আঁকা গল্প'

 ছেলে বাবাকে বললো, আব্বু আমি বিয়ে করতে চাই। একজনকে আমার বেশ পছন্দ হয়েছে।

.

কোথায় চলো দেখি, সব ঠিক থাকলে আমার আপত্তি নেই।

.

মেয়েটিকে বাবা দেখে নিজেই মুগ্ধ হয়ে গেলেন। ছেলেকে বললেন, দেখ তুমি এই মেয়ের যোগ্য নও। আমার মতো অভিজ্ঞ একজন মানুষই এই মেয়ের স্বামী হওয়া দরকার। 

.

পিতাপুত্রে তখন মস্ত বিবাদ। মীমাংসার জন্য তারা স্থানীয় বিচারকের কাছে গেলো।

.

বিচারক বললেন, তোমাদের কথা শুনে এবং মেয়েটিকে দেখে আমার যা মনে হলো, তোমাদের দুজনের কেউই এর নখের যোগ্যও নও। আমার মতো একজন পদস্থ ব্যক্তিই এই মেয়ের বর হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

.

এভাবে বিচার গড়াতে গড়াতে দেশের প্রধান পর্যন্ত গিয়ে ঠেকলো। রাজা মেয়ে দেখে হুঙ্কার দিয়ে উঠে বললেন, খামোশ! এই মেয়ে রাজার ঘর ছাড়া আর কোথাও মানাবে না।

.

এই জটিল পরিস্থিতিতে মেয়েটি মুখ খুললো। আমার কাছে এই সমস্যার সমাধান আছে: আমি দৌড় দেবো। যে আমাকে আগে ধরতে পারবে তার সাথেই আমার বিয়ে হবে।

.

মেয়েটি তীরবেগে দৌড় দিলো। তার পিছু পিছু বরবাহিনীও পড়িমরি করে ছুটলো। দৌড়াতে দৌড়াতে কিছুদূর গিয়ে বরবাহিনী হুড়মুড় করে এক অতল গহ্বরে পড়ে গেলো।

.

মেয়েটি গর্তের মুখে এসে বললো, তোমরা কি জানো, আমি কে?

.

আমি হলাম দুনিয়া। আমার পেছনেই সমস্ত মানুষ দৌড়ায়। আমাকে পাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে সবাই নিজের দ্বীনকে ভুলে যায়। এভাবে এক সময় কবরে চলে যায়, কিন্তু আমার নাগাল পায় না।


বইঃ 'জীবনের ক্যানভাসে আঁকা গল্প'

©️

#rksrana

কীভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়াই ওয়াইফাই কানেক্ট করবেন?  

 আপনার বাড়িতে কোনও অতিথি এলে প্রথমেই ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করেন। সব ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড হলেও, প্রায় সব রাউটার প্রস্তুতকারী কোম্পানি পাসওয়ার্ড ছাড়াও অন্য উপায়ে নেটওয়ার্কে লগ ইন করার সুবিধা দেয়। যদিও কারও অনুমতি ছাড়া তাঁর ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার আইনি সমস্যা ডেকে আনতে পারে। তাই যে কোনও নেটওয়ার্কে কানেক্ট করার আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে নিন।


কীভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়াই ওয়াইফাই কানেক্ট করবেন?  

ডব্লিউপিএস ব্যবহার করে—


রাউটারের ডব্লিউপিএস (WPS) এনাবল থাকলে পাসওয়ার্ড ছাড়াও লগ ইন করা যাবে। দেখে নিন কীভাবে করবেন?


* স্মার্টফোনে Settings ওপেন করুন।


* এবার নেটওয়ার্ক বিভাগে ওয়াইফাইসিলেক্ট করুন।


* Advanced Settings সিলেক্ট করুন।


* Connect by WPS Button সিলেক্ট করুন।


* এবার রাউটারে WPS বাটন টিপুন। ৩০ সেকেন্ড রাউটারে এই বাটন টিপে ধরে থাকলে আপনার ফোন ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে কানেক্ট হয়ে যাবে।


* এর পরে প্রত্যেকবার নিজে থেকেই আপনার ফোন এই রাউটারের সঙ্গে কানেক্ট হয়ে যাবে।


রাউটারে পাসওয়ার্ড ছাড়া গেস্ট মোড—


কিছু রাউটারে গেস্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়। সাময়িকভাবে এই অপশন এনাবল করে অতিথিকে ওয়াইফাই অ্যাকসেস দিতে পারেন।


* কম্পিউটার ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে ১৯২.১৬৮.০.১ বা ১৯২.১৬৮.১.১ টাইপ করে এন্টার করুন।


* ইউজারনেম পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করুন। পাসওয়ার্ড জানা না থাকলে 'admin' দিয়ে দেখুন।


* লগ ইন হলে ওয়াইফাই সেটিংস থেকে guest Network সিলেক্ট করে এনাবল করে দিন।


* গেস্ট নেটওয়ার্কের জন্য নাম দিয়ে দিন। সিকিওরিটি ফাঁকা রাখুন।


কিউএর কোডের মাধ্যমে ওয়াইফাই লগ ইন—


কিউএর (QR) কোডের মাধ্যমে ওয়াইফাই লগইন তুলনামূলক জটিল। এর থেকে পাসওয়ার্ড টাইপ করলে সহজে লগ ইন করা সম্ভব। তা-ও দেখে নিন কিউএর কোড স্ক্যান করে কী ভাবে ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে লগ ইন করবেন।


ল্যাপটপ থেকে—


* বন্ধুর ল্যাপটপে qrstuff.com ওয়েবসাইট ওপেন করুন।


* এখানে বাঁ দিকে Wifi Login অপশন সিলেক্ট করুন।


* এবার নেটওয়ার্কের SSID ও পাসওয়ার্ড দিন।


* তার পর কিউএর কোড ডিসপ্লের উপরে দেখতে পাবে। স্মার্টফোন থেকে এই কিউএর  কোড স্ক্যান করুন।


* স্ক্যান করার পরে Connect to this network সিলেক্ট করুন।


স্মার্টফোন থেকে—


* Play Store থেকে WiFiKeyShare ইনস্টল করুন।


* বন্ধুর স্মার্টফোনে এই অ্যাপ ইনস্টল করুন।


* বন্ধুকে নেটওয়ার্কের SSID ও পাসওয়ার্ড দিতে বলুন।


* এবার বন্ধুর ফোনের ডিসপ্লেতে কিউএর  কোড ভেসে উঠবে।


* এই কোড স্ক্যান করে লগ ইন করুন।


বিজ্ঞানের অজানা তথ্য আপনিও শেয়ার করতে পারেন Science Express Family  তে।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...