এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫

Hp8আপনি একজন "সেপিওসে'ক্সুয়াল" কিনা তা মিলিয়ে নিন.! 

 Hp8আপনি একজন "সেপিওসে'ক্সুয়াল" কিনা তা মিলিয়ে নিন.! 


মনোজগতের একটি অন্যতম [} ছারখার হয়ে যাচ্ছে তখন সেপিওরা বুদ্ধিমত্তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। কি শুনতেø অদ্ভুত লাগছে? না বিষয়টা ন্যাচারাল। চলুন বিশ্লেষণ যাওয়া যাক।


বুদ্ধিমত্তার প্রেম আবার কি! 

সুন্দর চেহারা, বাড়ি-গাড়ি আর প্রচুর টাকাপয়সাওয়ালা ছেলেটা/মেয়েটা আপনার পিছে ঘুরঘুর করছে বা বাকিরা এদের প্রেমে মগ্ন হয়ে যাচ্ছে কিন্তু আপনার মোটেও সেটার প্রতি ইন্টারেস্ট নেই। আপনি এমন এক ছেলে/মেয়েকে ফলো করছেন বা পছন্দ করছেন যে বেশ ইন্টেলিজেন্ট তাহলে ধরে নিতে পারেন যে আপনি একজন স্যাপিও, যার অর্থ বুদ্ধিমত্তার প্রেমে পড়া মানুষ আপনি, শুধু কি তাই? না শুধু এতটুকু নয় বরং প্রচণ্ড বুদ্ধিমত্তার মানুষটিকে আপনি শারীরিকভাবেও পেতে চান যেমনটা সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে হয়।

ক্লাসের ফাস্ট বয়/গার্ল দেখতে অসুন্দর, হে'বলামার্কা হলেও তার উপরে ক্রাস খাওয়া কিংবা এমন একজন বুদ্ধিমান মানুষের সাথে আপনার চলাফেরা যার বুদ্ধি, বিশ্লেষণ আপনাকে প্রবলভাবে অবাক ও আকর্ষণ করে, মনে হয় ইস কি ব্রিলিয়ান্ট! যদি প্রেম করতে পারতাম! যদি বিয়ে করতে পারতাম! তাহলে সন্দেহ নেই যে আপনি একজন সেপিও। 


এখন আপনি বলেন, যে শারীরিক সম্পর্কের চেয়ে বুদ্ধিমত্তার টান বেশি অনুভব করে সেকি যেন তেন মানুষ? নাহ, এরাই জ্ঞানী গুণিদের কদর দেয়া মানুষ, এরাই দার্সনিকের প্রেমে পড়া মানুষ, এরাই যুক্তি ও ব্যাখ্যা দিয়ে বোঝানো শান্ত মানুষ। বলে রাখি যে, সেপিওরা শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের হয়, কারণ যারা বুদ্ধি ও জ্ঞানের কদর করে, তারা যুক্তি ও ব্যাখ্যা পছন্দ করে, এজন্য তারা বুঝে সহজে।


সেপিওদের পটানো কিন্তু মোটেই সহজ নয় কারণ এরা আপনার সৌন্দর্যে পটে না, সৌন্দর্য পছন্দ করে কিন্তু বুদ্ধিমত্তাকে গুরুত্ব দেয় সবার উপরে। এরা দ্রুত কাউকে বন্ধু বানায় না, আর নিজ বৃত্তে খুব কম সংখ্যক মানুষের সাথে এরা মিশে। আপনি হয়তো ভাববেন অহংকারী কিন্তু তা নয়, তার মনের এই জগতে সে বাঁধা। আর এই বাঁধা অতিক্রম করতে পারে ইন্টেলিজেন্টরা।


একবার কোনো সেপিও যদি আপনাকে বন্ধু বানায়, কিংবা আপনার প্রেমে পড়ে তবে সন্দেহ নেই যে সেটা বেশ সিরিয়াস ও শক্ত আয়নিক বন্ড টাইপের। কারণ তারা প্রেমে পড়ার আগে আপনাকে বন্ধু বানাবে. আপনাকে সে নিজের ব্যাপারে অনায়াসে বলবে, আপনাকে প্রচণ্ড মাত্রায় বিশ্বাস করবে। যার সুযোগ হয়তো ইন্টিলিজেন্টরা নেয় যদি খারাপ উদ্দেশ্য থাকে। মোট কথা ইন্টিলেজেন্টরা সেপিওদের অনায়াসে কাবু করতে পারে, যেমনটা সৌন্দর্য দিয়ে কাবু করা যায়।


তো যাই হোক শেষ পর্যন্ত পড়ে যারা বুঝতে পেরেছেন যে আপনিও একজন সেপিও। তাহলে আপনাকে অভিনন্দন, আপনি অন্যদের তুলনায় বেশি মানবিক মানুষ, আপনার গুরুত্ব ও প্রায়োরিটির জন্য পৃথিবিতে জ্ঞানের চর্চা আরো বাড়বে। আর আমার পক্ষ থেকে আপনার একটি সাজেশন হবে, যে কারো উপর প্রভাবিত বা বাধ্য হয়ে প্রেম/বিয়ে করবেন না। আপনি সেপিও হিসেবে এমন মানুষকে বেছে নিন যে নিত্যনতুন আপনাকে তার বুদ্ধি ও জ্ঞান দিয়ে অবাক করবে, কারণ এটা আপনাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ ও তৃপ্তি দিবে।


আর ইন্টেলিজেন্ট মানুষগুলোর উদ্দেশ্যে বলি এই সেপিওদের সুযোগ নিয়ে বো'কা বানাবেন না বা কারো জীবন নষ্ট করবেন না। কারণ তারা খুব সুন্দর মনের অধিকারী। 🌸💖


সাইন্টিস্ট মাহফুজ 🌸

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং

 এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।''

:

এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''। 

:

ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।

:

তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।

এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।

:

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ঐ এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।

:

আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা। সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।

:

উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। 'মেডিসিনের বাইবেল' নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,

"This organism is registrant against this Drugs in Indian subcontinent''

:

টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়েও জরুরী। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা।

আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা

--------------------------------------------------

রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসীতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Ezithromycin or,cefixime or cefuroxime or levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কতো দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষধটি ১ ডোজ খাবেন সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।  


চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।


জাহেদ আহমেদ এর লেখা

গরুর খামার তৈরির সংক্ষিপ্ত বিবরণ

 গরুর খামার তৈরির সংক্ষিপ্ত বিবরণ

গরুর খামার তৈরির সময় সঠিক নকশা অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

ঘরের মাপ ও বিন্যাস:

একটি গরুর জন্য ৭-৮ ফুট জায়গা প্রয়োজন।

সামনে খাবারের জন্য ২.৫ ফুট ও পেছনে ড্রেনের জন্য ০.৫ ফুট রাখা হয়।

এক সারির জন্য ১০ ফুট ও দুই সারির জন্য ২০ ফুট চওড়া ঘর প্রয়োজন।

মাঝখানে ৪ ফুট প্রশস্ত রাস্তা রেখে মোট চওড়া হবে ২৪ ফুট।

এক সারিতে ৫টি গরু রাখার জন্য লম্বা ২৪ ফুট হতে হবে।

গরুর ঘর তৈরির নিয়ম:

খাদ্য ও পানি সরবরাহের জন্য ৫ ফুট প্রশস্ত রাস্তা।

পর্যাপ্ত ড্রেন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা।

খসখসে মেঝে যাতে পিছলে না যায়, এবং হালকা ঢালু রাখা প্রয়োজন।

বাতাস চলাচলের জন্য নিচের দিকে ১.৫ ফুট দেয়াল এবং ওপরে জিআই তারের বেষ্টনী।

প্রতিদিন পরিষ্কার করা ও এন্টিসেপটিক স্প্রে করা আবশ্যক।

গরুর ঘরের ধরন:

✅ হেড টু হেড: গরুগুলো পরস্পরের মুখোমুখি থাকে, গোবর বাইরে পড়ে।

✅ টেল টু টেল: গরুগুলো বিপরীতমুখী থাকে, আলো-বাতাস বেশি পায়, গোবর সহজে পরিষ্কার করা যায়।

সুবিধা ও অসুবিধা:

টেল টু টেল পদ্ধতিতে আলো-বাতাস প্রবাহ ভালো হয়, গোবর পরিষ্কার করা সহজ এবং রোগ সংক্রমণ কম হয়।

হেড টু হেড পদ্ধতিতে খাবার দেওয়া সহজ হয়, তবে পরিষ্কার করা কঠিন এবং রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা বেশি।

ঘরের মেঝে ও চাল:

মেঝে: ইটের সলিং বা ঢালাই করা, সামান্য ঢালু রাখা যাতে ময়লা সহজে বের হয়।

চাল: ঢালাই (কম গরম হয়), টিন (সস্তা কিন্তু গরম বেশি), প্লাস্টিকের চাল (আলো প্রবেশ করে, গরম কম)।

খাবার ও পানির ব্যবস্থা:

খাবারের পাত্র খুব বেশি উঁচু না করে ফ্লোরের কাছাকাছি রাখা ভালো।

পানির জন্য আলাদা পাত্র বা পাইপলাইন করা যেতে পারে।

ড্রেনের মাপ:

প্রস্রাব ও গোবর নিষ্কাশনের জন্য ০.৫ - ১.৫ ফুট চওড়া ও ১ - ২.৫ ফুট গভীর ড্রেন প্রয়োজন।

সঠিক পরিকল্পনা ও নির্মাণ অনুসরণ করলে গরুর জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে, যা উৎপাদনশীলতা বাড়াবে। 🚜🐄v

সোরিয়াসিস ত্বকের এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত অসংক্রামক রোগ।

 সোরিয়াসিস


সোরিয়াসিস ত্বকের এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত অসংক্রামক রোগ। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়ায় বিশেষত কপালে ও মাথা, পিঠ, হাত, পায়ের তালু, নাক, স্তনের নিচে লাল রঙের উঁচু প্লাকের মতো চুলকানি সৃষ্টি হয় এবং এটা রুপালি আঁশ দিয়ে ঢাকা থাকে। এ রোগে আক্রান্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যার শতকরা দুই ভাগ। বাংলাদেশের বিভিন্ন গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী এ রোগে প্রকোপের হার শতকরা ১.৮ থেকে দুই ভাগ। তিন ধরনের সোরিয়াসিস খুব বেশি দেখা যায়। প্লেক সোরিয়াসিস, গাটা সোরিয়াসিস, পাসচুলার সোরিয়াসিস। সোরিয়াসিসের প্রকৃত কারণ অজানা তবে কিছু বিষয় এ রোগের প্রকাশ ও লক্ষণ ত্বরান্বিত করতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-জেনেটিক বা বংশগত। যদি বাবা-মার কোনো একজনের সোরিয়াসিস থাকে তাহলে বাচ্চাদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৫০ ভাগ। যদি ইতোমধ্যে পরিবারের কোনো বাচ্চার এ রোগ হয়ে থাকে তাহলে এর হার আরো বেশি হবে। যদি মনোজাইগোটিক যমজ হয় তাহলে এ রোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা শতকরা ৮০ ভাগ।


আঘাত প্রাপ্তি : যখন এ লাল রুপালি আঁশযুক্ত লেসিওন বের হয় তখন ওই স্থানে কোনো আঘাত বা চুলকালে এ রোগের বিস্তৃতি ঘটে।

ইনফেকশন বা প্রদাহ : বিশেষত বিটা হেমোলাইটিকাস স্ট্রেপটোকক্কাল প্রদাহের কারণে এর প্রকোপ বাড়তে পারে।

সূর্যরশ্মি : সূর্যরশ্মি বিশেষত আলট্রাভায়োলেট রশ্মি সোরিয়াসিসের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়।

মানসিক অস্থিরতা : বিশেষ দুশ্চিন্তা এর বিস্তৃতি ঘটায়।


ওষুধ : যেমন অ্যান্টিম্যালেরিয়াল, বিটা ব-কারস, লিথিয়াম এ রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়।

জননের কারণ : প্রধানত দুই কারণে এ রোগ হয়। একটি হলো চামড়ার কোষ বা কেরটিনোসাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি বা প্রলিফারেশন এবং এর সঙ্গে অস্বাভাবিক মাইটেসিস দ্বিতীয়টা হলো বেশি প্রদাহের কারণে ইনফ্লামেটরি সেল যেমন নিউট্রোফিল, টি-লিমফোসাইট এবং প্রদাহ সৃষ্টিকারী কোষের কারণে এটা তৈরি হয়।


লক্ষণসমূহ : ৬০ ভাগ রোগীর কপালে এ লালপ্লাক যা রুপালি আঁশ দিয়ে ঢাকা থাকে প্রকাশ পায়। কী কারণে কপালে বেশি হয় এটা স্পষ্ট নয়।


নখ : নখ, নিচের নখের বিছানা থেকে আলাদা হওয়া এবং ছোট্ট ছোট্ট গর্ত বা লিটিং তৈরি হয়।

তালু : হাত ও পায়ের তালুতে শুধু লালচে প্লাফ কোনো কোনো সময় এটা দেখা যায় না।

ফ্লেক্সার সারফেস : যেমন স্তন ও বগলের নিচে লালচে প্লাক তৈরি হয় এটা রুপালি আঁশ দিয়ে ঢাকা থাকতেও পারে, নাও পারে।


রোগনির্ণয় : বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে ক্লিনিক্যাল ও ফিজিক্যাল পরীক্ষা করার পর নির্দেশমতো নিচের টেস্টগুলো করতে হবে।

থ্রোট সোয়ারব বিটা হেমোলইটিক্সস শনাক্তকরণের জন্য। বায়োপসি-চামড়ার বায়োপিস সর্বোত্তম এবং রোগনির্ণয় টেস্ট।


চিকিৎসা : রোগীকে আশ্বস্ত করা, সান্ত্বনা দেয়া সঠিক ওষুধ সেবন এ রোগের জন্য খুবই জরুরি। মদ্যপান কামনা বা বাদ দেয়া। যেসব কারণে সোরিয়াসিসের প্রকাপ বাড়ে সেগুলো থেকে দূরে থাকে।


ওষুধ : স্থানীয়ভাবে লাগানোর জন্য ক্রিম যেমন অ্যামেলিয়েন্ট কটিকোস্টরয়েড, ভিটামিন ডি প্রতিরোধক, হাল্কাটার চিকিৎসকের পরামর্শমতো আল্টাডায়েনেট থেরাপি যেমন ইউপিএ পিইউডিএ সিস্টেমিক এজেন্ট যেমন সাইক্লোস্পেরিন মেথোট্রেকজেট, ওরাল রেটিনসেভস।

সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫

বাপ্পারাজ অভিনীত সকল ছবির লিস্ট দেওয়া হলো। 

 ৯০ দশকের অন্যতম জনপ্রিয়, চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ এর - জন্মদিন উপলক্ষে। বাপ্পারাজ অভিনীত সকল ছবির লিস্ট দেওয়া হলো। 


১- চাপা ডাঙার বউ

২- প্রফেসর

৩- প্রেমের সমাধি

৪- আমার অন্তরে তুমি

৫- বুক ভরা ভালবাসা

৬- প্রেম শক্তি

৭- ঢাকা ৮৬

৮- স্বাক্ষর

৯- রাজা মিস্ত্রি

১০- জিনের বাদশা

১১- স্বাধীন

১২- দংশন

১৩- আজকের হাঙামা

১৪- শান্তি অশান্তি

১৫- প্রেম গীত

১৬- জনম দুঃখী

১৭- ডাকাত

১৮- আইনের হাত

১৯- জজ ব্যারিস্টার

২০- হত্যা

২১- বিদ্রোহী বধূ

২২- বনের রাজা টারজান

২৩- রাগ অনুরাগ

২৪- চাকরানী

২৫- আন্দোলন

২৬- বাংলার কমান্ডো

২৭- হুলিয়া

২৮- নির্মম

২৯- গরিবের ওস্তাদ

৩০- তপাস্য

৩১- আখেরি মোকাবেলা

৩২- গরিবের সংসার

৩৩- বাঘিনী কন্যা

৩৪- মা যখন বিচারক

৩৫- হারানো প্রেম

৩৬- বিদ্রোহী প্রেমিক

৩৭- আজকের সন্ত্রাসী

৩৮- ভুলনা আমায়

৩৯- ২০ বছর পর

৪০- বেঈমানের শাস্তি

৪১- চিরশত্রু

৪২- বাবা কেন চাকর

৪৩- কথা দাও

৪৪- কত যে আপন

৪৫- দুরন্ত প্রেমিক

৪৬- পাগলীর প্রেম

৪৭- বিপদ সংকেত

৪৮- ত্যাজ্যপুত্র

৪৯- প্রতিশ্রুতি

৫০- অচল পয়সা

৫১- মিথ্যার মৃত্যু

৫২- নিস্পাপ বধূ

৫৩- পারলে ঠেকাও

৫৪- দুর্দান্ত দাপট

৫৫- গরিবরাও মানুষ

৫৬- এক‌টি সংসারের গল্প

৫৭- বিশ্ব হারামী

৫৮- সন্তান যখন শত্রু

৫৯- সৎ ভাই

৬০- তুমি যে আমার

৬১- তেজী সন্তান

৬২- বাবা কেন আসামী

৬৩- বিদ্রোহী আসামী

৬৪- প্রেমের নাম বেদনা

৬৫- জবাব চাই

৬৬- ঘরে ঘরে যুদ্ধ

৬৭- মরন নিয়ে খেলা

৬৮- ইবলিশ

৬৯- ভালোবাসা কারে কয়

৭০- ভয়ংকর বদমাশ

৭১- জীবন সিমান্তে

৭২- ভালবাসার যুদ্ধ

৭৩- মনের সাথে যুদ্ধ

৭৪- কোটি টাকার ফকির

৭৫- সবাই তো ভালবাসা চায়

৭৬- ও সাথী রে

৭৭- হৃদয় থেকে পাওয়া

৭৮- আমার স্বপ্ন

৭৯- মা আমার চোখের মনি

৮০- মোস্ট ওয়েলকাম

৮১- কার্তুজ

৮২- মিস কল

৮৩- তুখোড়

৮৪- পোড়ামন ২

৮৫- ফ্লাশব্যাক ৭১

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ১৭-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ১৭-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


ঢাকা বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার লক্ষ্যে ২৬শে মার্চ চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা।


বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত বিশ্বের বৃহত্তম সৌর প্যানেল নির্মাতা চীনের প্রতিষ্ঠান লংগির।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আজ জরুরি বৈঠক করবেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


আন্তর্জাতিক মানের গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে আর্থিক ও কারিগরিসহ সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত ইউরোপীয় ইউনিয়ন।


বুয়েট-ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবনের সাজা বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।


ইয়েমেনের হুথিদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রাখবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র - এ পর্যন্ত নিহত ৫৩ জন।


বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশীপ লীগ ফুটবলে আজ অনুষ্ঠিত হবে দুটি খেলা।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৬-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৬-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ঢাকা বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার লক্ষ্যে ২৬শে মার্চ চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আগামীকাল জরুরি বৈঠক করবেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।

 

চার দিনের সফর শেষে ঢাকা ত্যাগ করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব -- জানালেন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ অসাধারণ উদারতা দেখিয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক মানের গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে আর্থিক ও কারিগরিসহ সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

 

বুয়েট-ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবনের সাজা বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

 

রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের সমন্বয়ে গঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি। 

 

ভয়াবহ ঝড়ের কবলে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ৩৪ জনের প্রাণহানি।


এবং ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে ধানমণ্ডি, গুলশান ও অগ্রণি ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫

৮০ জনের মুরগির বিরিয়ানি রান্নার এস্টিমেট

 ৮০

 জনের জন্য মুরগির বিরিয়ানি রান্নার এস্টিমেট 


১০ কেজি চাল এবং ১০ কেজি ফ্রেস মুরগির মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্নার লিস্ট


চাল ১০ কেজি

মাংস ১০ কেজি 

তেল ২ কেজি 

আদা ৫০০ গ্রাম

রসুন ৩৫০ গ্রাম

কাঠবাদাম ১৫০ গ্রাম

চিনাবাদাম ১৫০ গ্রাম

পেস্তা বাদাম ৫০ গ্রাম

গোল মরিচ ২৫ গ্রাম

যয়েত্রি ১০ গ্রাম

পেয়াজ ২ কেজি

কাচা মরিচ ৩০০ গ্রাম

মরিচ গুঁড়ো ৩০-৫০ গ্রাম

গরম মসলা ৫০ টাকার

লবন ৪০০-৪৫০ গ্রাম

টমেটো সস ৩০০ গ্রাম

তেজ পাতা ১০-১২ টি

গুড়ো দুধ ৩০০ গ্রাম

কিসমিস ৫০ গ্রাম

আলুবোখারা ১০০ গ্রাম

বিরিয়ানির মসলা ১ প্যাকেট 

টক দই ৩০০ গ্রাম

জিরা ৫০ গ্রাম

জয়ফল ১/২


গরম পানি নতুন চালের জন্য ১.৫ লিটার প্রতি কেজি চালের জন্য

পুরাতন চালের জন্য ১.৮ লিটার প্রতি কেজি চালের জন্য


বসে খেলে ৮০ জন 

প্যাকেট করলে ১০০ প্যাকেট হবে


খরচ হবে আনুমানিক ৭৫০০-৮০০০ টাকার মত যদি লেয়ার মুরগি দিয়ে করেন তাহলে।


বয়লার দিয়ে করলে ৫০০০ টাকা লাগবে আনুমানিক


১৫ কেজি চালের খিচুড়ি রান্না উপকরণ 

 ১৫ কেজি চালের খিচুড়ি রান্না উপকরণ 


উপকরণ:


চাল: ১৫ কেজি ভাতের চাল ২৯ / পোলাও চাল


মসুর ডাল: ৩ কেজি 

মুগ ডাল : ১ কেজি


১৫ কেজি মাংস রান্নার জন্য


প্রয়োজনীয় উপকরণ:

গরুর মাংস: ১৫ কেজি (পরিষ্কার করে কাটা)

পেঁয়াজ: ৩- ৪.৫ কেজি (স্লাইস করে কাটা)

রসুন বাটা: ৩৭৫ গ্রাম

আদা বাটা: ৩৭৫ গ্রাম

কাঁচা মরিচ: ৩০০ গ্রাম 

লবণ: ৪০০-৪৫০ গ্রাম

গরম মসলা:  (দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা)

হলুদ গুঁড়ো: ৩ টেবিল চামচ

মরিচ গুঁড়ো: ৪.৫ টেবিল চামচ

ধনে গুঁড়ো: ৩.৫ টেবিল চামচ

জিরা গুঁড়ো/বাটা: ৩ টেবিল চামচ

টক দই: ১ কেজি

সয়াবিন/সরিষার তেল: ২.২৫ লিটার

ঘি: ৩০০ গ্রাম

জয় ফল বাটা ২ টা

যয়েত্রি বাটা ৫০ গ্রাম

সাদা গোল মরিচ বাটা: ২৫ গ্রাম

গরম পানি: প্রয়োজন অনুযায়ী (৩ কেজি) মাংস রান্না জন্য)

তেজপাতা: ১৫-২০ টি

গরম পানি ৩৮ কেজি ( ভাতের চালের জন্য)

গরম পানি: ৩০.৪ কেজি পানি লাগবে। ( পোলাও চালের জন্য)


প্রথমে মুগ ডাল বাদামী করে ভেজে নিন। ডেকে তেল দিয়ে তাতে পেয়াজ কুচি গরম মসলা দিয়ে বাদামী করে ভাজুন। তারপর টক দই বাদে একের পর এক সব মসলা দিন, লবন দিন, কাচা মরিচ অর্ধেক দিন এবং পানি দিয়ে মসলা কষিয়ে ফেলুন। মসলা থেকে তেল ছাড়লে মাংস দিয়ে দিন, মাংস ভালো ভাবে মিক্স করে চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন ২০ মিনিট ম্যারিনেট করার জন্য এবং টক দই দিয়ে দিন।


এবার ২০ মিনিট পর মাংস রান্না শুরু করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে তাতে চাল ডালের পরিমান অনুযায়ী গরম পানি দিয়ে দিন। 


এবার তাতে ধুয়ে রাখা চাল ডাল দিয়ে দিন। লবন চেক দিবেন যদি লাগে তাহলে দিতে পারেন। বাকি অর্ধেক কাচা মরিচ দিয়ে দিন।


এবার রান্না করুন যতক্ষন না পানি ৯০% শুকিয়ে আসে, ৯০% শুকিয়ে এলে নামিয়ে দমে দিন ৩০ মিনিটের জন্য।


৩০ মিনিট পর গরম গরম পরিবেশন করুন।


১৫০+ লোক খেতে পারবে

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ১৬-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ১৬-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের লড়াইয়ে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা।


ঢাকায় যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কার্যকর ভূমিকা পালন ও তহবিল যোগান দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান - অন্তর্বর্তী সরকার ও ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য আন্তোনিও গুতেরেসের সফর অত্যন্ত অর্থবহ, বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সফররত জাতিসংঘ মহাসচিবের বৈঠক অনুষ্ঠিত - শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন পৃথিবীতে নজির সৃষ্টি করবে - বললেন আন্তোনিও গুতেরেস।


সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত - প্রায় দুই কোটি ২৬ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হলো ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুল।


বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ।


গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তায় চালু হলো হেল্প আ্যাপ - কোনো নারী অ্যাপটির মাধ্যমে অভিযোগ করলে তা এফআইআর হিসেবে গণ্য হবে - জানিয়েছে ডিএমপি।


ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ওপর মার্কিন সামরিক হামলায় কমপক্ষে ১৯ জন নিহত।


ইতালিতে শীতকালীন স্পেশাল অলিম্পিকের ফ্লোরবল ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতে নিলো বাংলাদেশ নারী দল।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...