এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা  উদঘাটনঃ  (এক জায়গায় পেলাম তাই শেয়ার করলাম) ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা  উদঘাটনঃ 

আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা  উদঘাটনঃ 


(এক জায়গায় পেলাম তাই শেয়ার করলাম)


আমি সবটা জানি। সেদিন রাত্রে কি ঘটেছিল। শুধু সে রাত্রে নয়। প্রতি রাত্রে কি ঘটেছে তোমার শশুর বাড়িতে। সেসব কথা আমি বলবো নাকি তুমি নিজেই বলবে?


এবার আফিয়া বসে পরে। অপরাজিতার পায়ে ধরে। আপা কিছু বলেন না। আমার ছোট বোনের জীবনতো শেষ হয়েছে। আমার জীবন নষ্ট হতে দিয়েন না। 

উৎসুক জনতা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ কি কথোপকথন হয়েছে যে, আফিয়া পল্টি খাইয়া গেল? 


তাঁরদিকটা একবার দেখে নিল অপরাজিতা। তাঁরপর আফিয়ার দুই কাঁধে হাত রেখে উঠিয়ে নেয়।

 তাঁরপর বলে, দুর পাগলী। তোমার কিছুই হবে না। 

ধর্ষকরা তো ধরা পরেছে। 

তাছাড়া যারা অপরাধ করেছে তাদের দোষ, তুমি অকারণে ভয় পাচ্ছো কেন?  আমি, আমরা সবাই, পুরো দেশবাসি তোমার পাশে আছি, তোমার সাথে থাকবো। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছড়বো না। 

এবার ওড়না দিয়ে মুখ লুকিয়ে রাখে আফিয়া। 

অপরাজিতা আফিয়ার মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে দিয়ে বলে, তুমি চাও না আছিয়া সঠিক বিচার পাক? অপরাধীরা শাস্তি পাক? 

জী আপা চাই। 

তাহলে মুখ খোল। সত্যি কথা বলে দাও। সবাই জানুক সত্য ঘটনা। 

আফিয়া এবার ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা তারঁ দিকে তাকিয়ে আছে?। 

আফিয়া আবার দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকে। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে। 

অপরাজিতা বলে, কাঁদো। কেঁদে কেঁদে হাল্কা হও।নিজের মাধ্যে সাহস ফিরে আনো। শক্ত হয়ে দাঁড়াও। মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে উঠাও। চিৎকার করে বলো, আমি মানুষ। আমারও আছে ভালোভাবে বাঁচার অধিকার। 

আফিয়া ওড়নার আঁচলে মুখ মুছে নেয়।তাঁরপর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ায়। 

সাংবাদিক ভাইদের বলে, শোনেন আমার ও আমার ছোট বোনের সাথে কি ঘটেছিল সেই রাত্রে। 


আফিয়া নির্ভয়ে বলে, আমি আফিয়া। বাবা মায়ের প্রথম কন্যা সন্তান। অভাবের সংসার আমাদের। তাই পড়া শোনা করা হয়নি।একটি ভালো সমন্ধ আসায় অল্প বয়সে মা বাবা আমাকে বিয়ে  দেয়। আমি প্রথমে বিয়ে করতে রাজি হইনি। সবাই আমাকে বোঝায়, অভাবের সংসারে একজন খাওয়ার  মানুষ কমলে ছোট ভাই বোনেরা ভালো খেতে পারবে। তাই আমি রাজি হয়েছি। 

বিয়ের প্রথম দিন থেকেই আমার শশুরের কুনজর বুঝতে পারছি। রাত্রে বিছানায় স্বামী ব্যাবহারের পর আমাকে পোশাক পরতে না দিয়ে রুমের বাহিরে যায়। তারপর অন্ধকারে আমার শরীরের উপর কারো উপস্থিতি বুঝতে পারছি। এটাও খেয়াল করি এখন যে আছে সে আমার স্বামী না। অন্য পুরুষ। কিন্তু কে তা বুঝতে পারছি না। আমার ছোট শরীর। স্বামীকে সহ্য করাই অসম্ভব। তাঁরপর আরেক জন। আমি ব্যাথায় কুকরে উঠি। চিৎকার করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার মুখ চেপে ধরে। ফিসফিস করে আমাকে চুপ করতে বলে।  মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এবার কন্ঠ চিনতে পারি। এ কন্ঠ আমার শশুরের কন্ঠ। 

তাঁরপর সে ছেড়ে চলে গেলে  আবার আরেক জন আসে। একেও চিনতে পারি। সে হচ্ছে আমার দেবর। এরপর আমার স্বামী ভিতরে আসে। তাঁকে বিষয়টি জানালে, সে রেগে যায়। বলে সে ছাড়া ঘরে আর কেউ আসেনি। 

পরের দিন শাশুড়ীকে জানালে বলে, আমি স্বপ্ন দেখেছি। 

এভাবে প্রতি রাত্রেই আমার স্বামী, শশুর ও দেবর আমাকে ধর্ষণ করে। 

আমি স্বামীকে বললে মারধর করে। আর শাশুড়ীকে বললে বলে ভুতের আছর আছে। ভুত প্রতি রাত্রে আসে আমার কাছে। 

তাঁরপর বাড়িতে আসলে মাকে জানাই বিষয়টি। মা  বিষয়টি  বিশ্বাস করেনি। ভেবেছে মেয়ের বয়স কম তাই স্বামীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই স্বান্তনা দেয়। সময় হলে সব ঠিক হবে। 

আছিয়ার বড় বোন শশুর বাড়িতে যেতে চাচ্ছে না দেখে ছোট বোন আছিয়াকে সাথে পাঠায়। 

সে আবার বলে, আছিয়াকে আমার  শাশুড়ী সাথে রাখতে চায়। কিন্তু আমি দেইনি। 

আছিয়া পাশে থাকা অবস্থায় ওই ঘটনার আগেন রাত্রে  একইভাবে আমার স্বামী দরজা খুলে বাথরুমে যায়। তাঁরপর আমার শশুর ঘরে আসে। স্বামীকে দেখাতে হবে এটা ভুত না, তাঁর বাপ। এটা ভেবেই আমি আছিয়াকে পা দিয়ে ধাক্কা দেই। কয়েকবার ধাক্কা দেওয়ার পর আছিয়া জেগে যায়। প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারে। সে বিছানা থেকে নেমে গিয়ে রুমের লাইট জালিয়ে দেয়। তখুনি আমার শশুরকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়। আছিয়া সাথে সাথে বলে, তালোই আপনি এঘরে কেন?  আর এ অবস্থায় কেন? 

তখন শশুর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। আমার স্বামী ঘরে আসে। তখন আমাদের মাঝে ঝগড়া হয়। আমার স্বামী আমাকে মারধর করে। 

আমাকে মারে আর নিষেধ করে, একথা যেন কাউকে না বলি। কিন্তু আছিয়া বলে সে আব্বা মার কাছে সব বলে দিবে। এদিকে  মারামারির শব্দ শুনতে পেয়ে লোকজন চলে আসে। তখন আছিয়াকে এক ঘরে আটকে রাখে হাত পা ও মুখ বেঁধে রেখে। কাউকে বুঝতে দেয়না আছিয়াার কথা। 

আর আমার কথা বলে ভুতে ধরেছে তাই স্বামীকে সন্দেহ করে। লোকজনও তাই বিশ্বাস করে। ততক্ষণে সকাল হয়েছে। 


এদিকে আফিয়ার শশুর বুঝতে পারে, যে আছিয়া বাড়িতে ফিরে সব বলে দিবে। আছিয়াকে বলতে দেওয়া যাবে।  তাই তাকে আটকে রাখে। রাত্রের অপেক্ষা  করে। 


সন্ধ্যার পর লোকজন ঘুমিয়ে পরলে, গভীর রাত্রে আছিয়াকে ধ"র্ষ"ণ করতে যায়।

আছিয়াকে কতটা নির্মমভাবে ধ*র্ষ"ণ করা হযেছিল আজকে সেটার বর্ণনা দিয়েছে ডাক্তাররা। চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছে - আছিয়া যেহেতু বাচ্চা মেয়ে তাই তার পো"প"না"ঙ্গের ডেপথ খুবই ছোট। 


সেজন্যে ধ*র্ষ"ককরা কিছুটা ধারালো ব্লেড/ কাঠি দিয়ে গো'প"না"ঙ্গে ছিদ্র করার চেষ্টা করেছিল। সে ছিদ্রটা ছিল আনুমানিক ৫ সে.মি. গভীর। 


তারপর গো"প"না"ঙ্গের একদম ভিতরের দিকে অনেকগুলো স্ক্রেচ করা হয় এবং সেটা করা হয় একদম সূক্ষ্মভাবে, অনেকটা সময় নিয়ে।


একাজ করার সময় তার নাক-মুখ চেপে ধরা হয়েছিল যাতে কোনরকম চিৎকার করতে না পারে। তারপর মানুষ চলে আসার আওয়াজ পেয়ে আরেকজন গলা চেপে ধরেছিল মেরে ফেলার জন্যে। 


আর এজন্যেই অক্সিজেনের অভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটা। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল তখন।


এ নির্মম বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল ডাক্তারের। তিনি বলছিলেন - 'এরকম কন্ডিশনে ভিক্টিম স্পটেই মারা যায়। এ মেয়েটা যে এখনও বেঁচে তাতেই অবাক হচ্ছি আমি।'


তাহলে এবার বুঝুন কতটা অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বাচ্চা মেয়েটাকে। একে একে শশুর, স্বামী ও দেবর তিনজনেই পালাক্রমে ধ"র্ষ"ণ করে আছিয়াকে। আর পর জিজ্ঞেস করে কাউকে বলবি?  আছিয়া ক্ষীণ কন্ঠে বলে, আপনারা খারাপ। আমি বলবোই। 

এবার সিদ্ধান্ত নেয় আছিয়াকে মে"রে ফেলার। আছিয়া প্রাণপনে চিৎকার করে আর বলে আপনারা খারাপ। 

আছিয়ার চিৎকার বন্ধ করার জন্য গলা চেপে ধরে । আছিয়া অতিরিক্ত র"ক্ত"ক্ষ"রণের কারনে আর ব্যাথায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওরা ভেবেছে আছিয়া ম'রে গেছে। 

এবার তারা আফিয়ার নিকট আসে। প্রতি রাত্রের মতো তিনজনই আফিয়া ধ"র্ষ"ণ করে। এবার তারা বলে তুই একথা কাউকে বললে তোরও অবস্থা তোর বোনের মতো হবে। আফিয়া সাক্ষাৎ মৃ"ত্যু দেখে ভয়ে কাঁপছে। আর লজ্জায় তাঁর ধ"র্ষ'ণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার ভয়ে সে উল্টো পাল্টা কথা বলেছে। এব্যাপারে তাঁকে ইন্ধন দিচ্ছে তাঁর ও আছিয়ার দাদী। 


সত্য ঘটনা হচ্ছে এই, শুধু আছিয়া ধ"র্ষ"নের স্বীকার হয়নি তাঁর চাইতেও ভয়ংকর রকমের নির্যাতনের স্বীকার  হয়েছে আছিয়ার বড় বোন। আছিয়া ম"রে হয়তো বেঁচে গেছে কিন্তু আছিয়ার বড় বোন বেঁচেও ম"রার মতো বেঁচে আছে।

কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি পাশ করা একজন নওমুসলিমকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিল আপনি কি দেখে মুসলিম হলেন।

 কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি পাশ করা একজন নওমুসলিমকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিল আপনি কি দেখে মুসলিম হলেন।


তিনি জবাবে বললেন, হিন্দুদের যারা পূজনীয় ব্যক্তি তাদের আদর্শ যদি পৃথিবীর সর্বত্র বাস্তবায়ন করা হত তাহলে আজ সমাজের অবস্থা কি দাড়াত তা দেখে আমি মুসলমান হয়েছি।


প্রতি হিন্দু যদি আজ শ্রীকৃষ্ণের চরিত্র ধারণ করে যুবতী মেয়েদের কাপড় নিয়ে গাছে উঠে বসে থাকে তাহলে সমাজের অবস্থা কি দাড়াত তা দেখেই আমি মুসলমান হয়েছি।


হিন্দু ধর্মের দেবতাদের কথাগুলা কাগজেকলমে লিখাও লজ্জাকর। যেমন এই বিংশশতাব্দীতেও শীবের লিঙ্গের পূজার ন্যায়ও দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।মা বাবা ভাই বোন আত্মীয় স্বজন একসাথে লিঙ্গের উপর ভক্তি করে।এটা খুবি লজ্জা লাগে।এগুলা কি কোন ধর্মীয় কাজ হতে পারে?

আমি এসব দেখতে পারব না বলেই মুসলমান হয়েছি।


আপনি ধ্রুপদীর কথা চিন্তা করুন।একজন মহিলাকে পাচ ভাই স্ত্রীর দাবী করে।আবার সেটাকে হিন্দু ধর্মের লোকেরা তাদের জন্য খুব গৌরবের কাজ মনে করে।এটা নিয়ে তারা খুব গর্ববোধ করে।এসব ভেবে আমি আর হিন্দু ধর্মে থাকতে পারি নাই।


আমি চিন্তা করেছি যে কোথায় হিন্দুদের ভগবান দেবতাদের লীলা আর কোথায় মুসলমানদের নবী রাসুল গণের চরিত্র।আমি এসব চিন্তা ভাবনা করে আর হিন্দু থাকতে পারিনি।


ইসলামের দৃষ্টিতে সত্যিকারের পূণ্যবান ব্যক্তি হচ্ছেন যারা দ্বীনের কথা বলে,আল্লাহর কালাম যারা প্রচার করে। দ্বীন সম্পর্কে তাদের জ্ঞান যথেষ্ট। তাদের চলাফেরা, পোষাক, পাক পবিত্রতা থাকা তাদের ধর্মীয় আদেশ এবং তারা কেউ সংসার ত্যাগী নন।

ইসলামে কাউকে সংসার ত্যাগী হতে বলে না।আমি সম্পুর্ণ কোরআন স্টাডি করেছি,এমন কোনো তথ্য আজও পাইনি।


অন্যদিকে আপনি হিন্দু সাধুদের অবস্থা দেখুন।হিন্দু ধর্মের বেশিরভাগ সাধুদের ধর্মীয়জ্ঞান নেই।অশিক্ষিত, গেরুয়া বসন পরিধানকারী, চিমটাধারী সংসারত্যাগী, ল্যাংটা, শ্মশানে বসবাসকারী। যাদের সঙ্গে কিছু বিধবা নারী কদুর বস হাতে নিয়ে শ্মশানে একত্রে বসবাস করে। কলকাতার কালী মন্দিরের চেহারা তো আরো ভয়ঙ্কর। সেখানের সাধুরা মেয়েদের ন্যায় মাথায় লম্বা চুল রাখে আর সমস্ত শরীরে ছাই মেখে উলঙ্গ হয়ে পড়ে থাকে।সকল হিন্দুরা এসে তাদের কাছ থেকে আর্শীবাদ নিতে আসে।


এসব আমার কাছে পছন্দ হয়নি,বরং এটা সম্পুর্ণ একটা কুসংস্কার, ভ্রান্ত,পথভ্রষ্ট হওয়ার একটা সহজ মাধ্যম। এগুলা দেখে ইসলাম গ্রহণ করেছি। আলহামদুলিল্লাহ 

তথ্যসূত্রঃ- সত্যের ডাক

পৃষ্ঠা  নং-৬৪


হিন্দু দাদা

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ১৯-০৩-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ১৯-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


দেশের ভবিষ্যৎ গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ করবে জুলাই সনদ - বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


বাংলাদেশের সংস্কার কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে কাতার।


চার দশমিক আট কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা রেলসেতুর উদ্বোধন - উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগে সূচনা হলো এক নতুন যুগের।


ঈদ যাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও ভাড়া আদায় করলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি নৌ পরিবহন উপদেষ্টার।


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়ানোর তাগিদ দিলেন উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহফুজ আলম।


মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপের পর ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে এক মাসের জন্য হামলা বন্ধে সম্মত রুশ প্রেসিডেন্ট।


ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে আজ।


রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৮-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৮-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশের ভবিষ্যৎ গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ করবে জুলাই সনদ --- বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


চার দশমিক আট কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা রেলসেতুর উদ্বোধন --- উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগে সূচনা হলো এক নতুন যুগের।


দেশের অর্থনীতি নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই --- মন্তব্য অর্থ উপদেষ্টার।


বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা।


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়ানোর তাগিদ দিলেন উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহফুজ আলম।


ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার স্বজনদের আরও ৩১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।


গাজায় নতুন করে ইসরাইলি হামলায় অন্তত চারশো চার ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে আজ গাজী গ্রুপ, আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫

১২টি গোপন সত্য যা ধনী লোকেরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না.......

 ১২টি গোপন সত্য যা ধনী লোকেরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না.......


আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি যা ধনীদের দ্বারা এবং ধনীদের জন্য গঠিত। আপনি যে মিডিয়া দেখেন, যে পরামর্শ শুনেন—সবকিছুই সুচিন্তিতভাবে সাজানো হয় আপনাকে কর্মজীবনের দৌড়ে ফাঁসিয়ে রাখার জন্য, যাতে তারা আরও উপরে উঠতে পারে। কিন্তু এবার পর্দা সরানোর সময় এসেছে এবং সেই সত্যগুলো জানার সময় এসেছে যা ধনী ব্যক্তিরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না। প্রস্তুত থাকুন, কারণ এই তথ্যগুলো আপনার বিশ্বাসের অনেক ভ্রান্তি ভেঙে দিতে পারে।


১. কঠোর পরিশ্রম আপনাকে ধনী করবে না


হ্যাঁ, তারা আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে বলে, কিন্তু সত্যটা জানে—ধনী হওয়ার মূল চাবিকাঠি শ্রম নয়, লেভারেজ। মানে, যখন আপনি অতিরিক্ত সময় কাজ করে আপনার শক্তি খরচ করছেন, তারা অন্যের সময়, অর্থ এবং দক্ষতাকে ব্যবহার করে বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলছে।


২. তারা চায় আপনি বিশ্বাস করুন যে টাকা খারাপ জিনিস


আপনি যদি মনে করেন টাকা লোভ এবং দুর্নীতির প্রতীক, তাহলে আপনি কখনো এটি অর্জনের জন্য আত্মবিশ্বাসী হবেন না। অথচ ধনীরা জানে যে অর্থ কেবল একটি হাতিয়ার—যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে প্রভাব বিস্তারের শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।


৩. সঞ্চয় আপনাকে ধনী করবে না


তারা বলে "সঞ্চয় করুন এবং মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করুন", কিন্তু নিজেরা তা করে না। তারা বিনিয়োগ করে বড় ঝুঁকি ও বড় লাভের সুযোগে—স্টার্টআপ, রিয়েল এস্টেট, স্টক মার্কেট এবং ব্যবসায়, যা তাদের সম্পদকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।


৪. শিক্ষাব্যবস্থা আসলে একটি ফাঁদ


শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো আপনাকে আজ্ঞাবহ কর্মচারী বানানো, উদ্যোক্তা বা ঝুঁকি গ্রহণকারী নয়। আপনাকে শেখানো হয় কীভাবে অর্থের জন্য কাজ করতে হয়, কিন্তু ধনী ব্যক্তিরা শেখে কীভাবে অর্থকে তাদের জন্য কাজ করানো যায়।


৫. কর ব্যবস্থা ধনীদের জন্য সুবিধাজনকভাবে তৈরি


তারা জানে কর কমানোর উপায়, আইনি ফাঁকফোকর এবং বিভিন্ন কর সুবিধা। কিন্তু সাধারণ মানুষ তাদের আয়ের বড় একটি অংশ কর হিসেবে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়। ধনীরা বেতনভোগী নয়, তারা সম্পদের মালিক—আর সম্পদের ওপর করের হার ভিন্ন।


৬. ঋণ হলো শক্তিশালী অস্ত্র—যদি আপনি এটি ব্যবহার করতে জানেন


তারা চায় আপনি ঋণকে ভয় পান, কিন্তু ধনীরা ঋণকে ব্যবহার করে আরও বেশি সম্পদ অর্জন করতে। তারা অন্যের অর্থ (OPM) দিয়ে বিনিয়োগ করে এমন সম্পদ কেনে, যা তাদের জন্য নিয়মিত আয় সৃষ্টি করে এবং সেই আয় দিয়েই ঋণ শোধ হয়ে যায়।


৭. আপনার ভোগবাদ তাদের বিলাসী জীবনযাত্রার মূল কারণ


প্রতিবার যখন আপনি নতুন মোবাইল, ফ্যাশনেবল পোশাক বা দামি কফি কিনছেন, তখন আসলে আপনি তাদের পকেটেই অর্থ ঢালছেন। অন্যদিকে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে এমন সম্পদে, যা সময়ের সঙ্গে আরও মূল্যবান হয়।


৮. পরিচিতি প্রতিভার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ


তারা চায় না আপনি জানেন যে সঠিক মানুষের সংস্পর্শ আপনার জন্য অমূল্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। তারা নিজেদের জন্য একটি এলিট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, যা তাদের ধনী থাকার সুযোগ নিশ্চিত করে এবং বাইরের লোকদের প্রবেশের পথ বন্ধ রাখে।


৯. সময় হলো তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ


তারা সময় নষ্ট করে না। তারা এমন কাজ করে না যা অন্যরা করতে পারে। তারা মানুষ নিয়োগ করে তাদের জন্য কাজ করাতে, যাতে তারা সম্পদ গঠনের ওপর ফোকাস করতে পারে।


১০. শেয়ার বাজার তাদের সুবিধার জন্য নিয়ন্ত্রিত


আপনার শেয়ার বাজারের বিনিয়োগ থেকে নিয়মিত মুনাফার আশা থাকলেও, তারা ইন্সাইডার তথ্য, স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং প্রযুক্তি এবং বিশাল মূলধন ব্যবহার করে বাজারকে নিজেদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ করে।


১১. ব্যর্থতা তাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা


তারা ব্যর্থতাকে ভয় পায় না, বরং প্রতিটি ব্যর্থতাকে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে দেখে। কিন্তু আপনাকে শেখানো হয় নিরাপদ খেলা খেলতে, ঝুঁকি না নিতে। ধনীরা জানে বড় পুরস্কারের জন্য বড় ঝুঁকি নেওয়া লাগে।


১২. তারা চায় আপনি অজ্ঞ থাকুন


যত কম আপনি অর্থ, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সম্পর্কে জানবেন, তত বেশি তারা আপনার শ্রম, সময় এবং ভোক্তাস্বভাবকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আরও ধনী করে তুলবে।


তাহলে আপনাকে কী করতে হবে?


এই নিয়ন্ত্রিত খেলায় আর অংশ নেবেন না। টাকার ব্যাপারে জ্ঞান অর্জন করুন, ইনভেস্টরের মতো চিন্তা করতে শিখুন, এবং ভোগের পরিবর্তে সম্পদের মালিক হওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। গড়পড়তা জীবনের শৃঙ্খল থেকে বেরিয়ে এসে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলুন। এখনই সময় এসেছে ব্যবস্থা নেওয়ার, যাতে আপনি সেই সম্পদ এবং ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন যা ধনীরা আপনাকে পেতে দিতে চায় না।

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ১৮-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ১৮-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পাওয়া নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পুলিশ বাহিনীকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


শিশু ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত --- ডিএনএ পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা শিথিল করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের সংশোধনী নীতিগতভাবে অনুমোদন।


 ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদানে সহায়তার আশ্বাস দিল ওআইসি।


ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চারশো ২৬ জনকে সহায়ক পুলিশ হিসেবে নিয়োগ দিল ডিএমপি।


 নিয়মিত ট্রেন চলাচলের জন্য আজ খুলে দেওয়া হচ্ছে নবনির্মিত যমুনা রেল সেতু।


বিএনপিকে এক-এগারো’র মতো মিডিয়া ট্রায়ালের মুখোমুখী করা হচ্ছে --- দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অভিযোগ।


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আজ রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।


খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে গাজার ১০ লাখ শিশু - খাদ্য সরবরাহ পুনঃরায় চালু ও স্থায়ী যুদ্ধ বিরতির আহ্বান ইউনিসেফের।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৭-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৭-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পাওয়া নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পুলিশ বাহিনীকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।


শিশু ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত --- ডিএনএ পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা শিথিল করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের সংশোধনী নীতিগতভাবে অনুমোদন।


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদানে সহায়তার আশ্বাস ওআইসির।


ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চারশো ২৬ জনকে সহায়ক পুলিশ হিসেবে নিয়োগ।


নিয়মিত ট্রেন চলাচলের জন্য আগামীকাল খুলে দেয়া হচ্ছে নবনির্মিত যমুনা রেল সেতু।


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আগামীকাল রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে খেলতে দেশে পৌঁছেছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের খেলোয়াড় হামজা দেওয়ান চৌধুরী।

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপকারী হার্বস ও সাপ্লিমেন্ট: ( ১ম পর্ব  ) 

 পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপকারী হার্বস ও সাপ্লিমেন্ট: ( ১ম পর্ব  ) 

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপকারী হার্বস ও সাপ্লিমেন্ট: ( ১ম পর্ব  ) 


📌 হার্বস (ভেষজ উপাদান):


🌿 আদা ➡ প্রতিদিন ১-২ কাপ আদা চা পান করলে ব্যথা কমে এবং বমিভাব দূর হয়।

🌿 তুলসী পাতা ➡ তুলসী চা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, বিশেষ করে যদি দিনে ২-৩ বার খাওয়া হয়। কিছু তুলসী পাতা পানিতে ফুটিয়ে খাওয়া যাবে।

🌿 দারুচিনি ➡ ১/২ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো ১ কাপ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করলে ব্যথা ও ব্লোটিং কমে।

🌿 পুদিনা চা ➡ এটি মাংসপেশীর টান কমিয়ে পিরিয়ড ব্যথা কমায়। কিছু পুদিনা পাতা পানিতে ফুটিয়ে পান করা যায়।

🌿 মেথি ➡ ১ চা চামচ মেথি গুঁড়ো ১ কাপ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করলে দ্রুত ব্যথা কমে। এটি তিতা। তাই এটির সাথে লেবুর রস মেশাতে পারেন। একবার।

🌿 হলুদ ➡ ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খেতে পারেন খালিপেটে। এক বা দু বেলা।

( এগুলো নিয়মিত খেতে পারবেন বহুদিন  ) 


📌 সাপ্লিমেন্ট :


💊 ম্যাগনেসিয়াম ➡ প্রতিদিন ২০০-৩০০ mg ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নিলে জরায়ুর সংকোচন কমে ও ব্যথা কম হয়।

💊 ভিটামিন বি৬ ➡ এটি হরমোন ব্যালান্স করে এবং PMS উপসর্গ কমায় নো মা ন

💊 ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ➡ মাছের তেল বা ফ্ল্যাক্সসিড / চিয়া সিড থেকে পাওয়া যায়, যা ব্যথা ও প্রদাহ কমায়।

💊 ক্যালসিয়াম ➡ দৈনিক কিছুদিন ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে পিরিয়ডের ব্যথা ও ক্র্যাম্প কম হয়।

💊 ভিটামিন ডি ➡ ভিটামিন ডি এর অভাব পিরিয়ডের ব্যথা বাড়াতে পারে। তাই, পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত।


📌 পিরিয়ডের সময় কী খাবেন ও কী খাবেন না?


✅ কী খাবেন?


🥦 সবুজ শাকসবজি – পালং শাক, ব্রোকলি, লাউ, শসা ইত্যাদি আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামে সমৃদ্ধ।

🍌 কলা – এটি প্রাকৃতিক পটাশিয়াম সরবরাহ করে, যা পিরিয়ড ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। 

🍉 তরমুজ ও পেঁপে – শরীর হাইড্রেটেড রাখে এবং হরমোন ব্যালান্স করে। 

🐟 ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ – সারডিন, সালমন, টুনা ইত্যাদি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। 

🌰 বাদাম ও চিয়া সিড – ম্যাগনেসিয়াম ও ওমেগা-৩ এর ভালো উৎস। 

🍵 ভেষজ চা  – আদা চা, তুলসী চা, দারুচিনি চা ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর। 

🥑 অ্যাভোকাডো ও জলপাই তেল – এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে, যা ব্যথা কমায়।


🚫 কী খাবেন না?


❌ ক্যাফেইন (চা, কফি, কোলা) – এগুলো রক্তনালী সংকুচিত করে ব্যথা বাড়াতে পারে। 

❌ অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার – ব্লোটিং বাড়িয়ে তোলে। 

❌ প্রসেসড ফুড ও ফাস্ট ফুড – এতে ট্রান্স ফ্যাট থাকে, যা ইনফ্লামেশন বাড়িয়ে তোলে। 

❌ চিনি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার – হরমোন ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। 

❌ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার – কিছু মেয়েদের জন্য ব্যথা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

পিরিয়ড রেগুলার করার জন্য কিছু প্রাকৃতিক TIPS:

 পিরিয়ড রেগুলার করার জন্য কিছু প্রাকৃতিক TIPS:



1. দারুচিনি: দারুচিনি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং পিরিয়ড সাইকেল নিয়মিত করতে সাহায্য করে।  

2. আদা: আদা পিরিয়ডের ব্যথা কমায় এবং হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখে।  

3. অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা জুস হরমোনাল ভারসাম্য রক্ষা করে পিরিয়ড নিয়মিত করে।  

4. মেথি: মেথি বীজ পিরিয়ড সাইকেল নিয়মিত করতে সাহায্য করে।  

5. পুদিনা পাতা: পুদিনা পাতার চা পিরিয়ডের ব্যথা কমায় এবং সাইকেল নিয়মিত করে।  

6. কাঁচা হলুদ: হলুদ প্রদাহ কমায় এবং হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখে।  

7. তিল বীজ: তিল বীজ পিরিয়ডের সময় রক্ত প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে।  

8. পেঁপে: কাঁচা পেঁপে পিরিয়ড নিয়মিত করতে এবং হরমোনাল সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।  

9. যষ্টিমধু: যষ্টিমধু হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পিরিয়ড নিয়মিত করে।  

10. অ্যাপল সাইডার ভিনেগার: এটি ইনসুলিন লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে পিরিয়ড সাইকেল নিয়মিত করতে সাহায্য করে। নিয়ম মেনে খেতে হয়।     নো মা ন


খাওয়ার নিয়ম:


১. হাফ চা চামচ দারচিনি গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খাবেন আহারের ৩০ মিনিট আগে। এক বা দু বেলা।

২. আদা: দু ইঞি আদা চিবিয়ে খাবেন পানি সহ সকালে খালিপেটে বা আহারের পর। 

৩. এলোভেরা জুস খাবেন সকালে খালিপেটে ২-৩ চা চামচ

৪. এক চা চামচ মেথি বীজ / গুঁড়ো এক গ্লাস পানিতে ৭-৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে পানিটা ছেঁকে নিয়ে পান করবেন। একবেলা।

৫. কয়েকটা পুদিনা পাতা অল্প পানিতে ফুটিয়ে চা এর মত করে পান করতে পারেন খালিপেটে।

৬. এক চা চামচ খাঁটি কাঁচা হলুদ গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খাবেন আহারের এক ঘন্টা আগে। এটির সাথে চেষ্টা করবেন হাফ চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া মিশাতে।

৭. দিনে ১-২ চা চামচ তিল বীজ খেতে পারেন যেকোন সময়

৮. কাঁচা পেঁপে খাবেন অল্প দু তিন স্লাইস। খালিপেটে।

৯. যষ্টিমধু: হাফ চা চামচ যষ্টিমধু গুঁড়ো অল্প পানিতে গুলিয়ে খাবেন খালিপেটে।  দু বার।

১০. এক চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খাবেন আহারের ১০ মিনিট আগে। দু বেলা করে।


সঠিক লাইফস্টাইলের কোন বিকল্প নেই 💪


এই পোস্টটি যদি আপনার কাজে লাগে, তাহলে শেয়ার করে অন্যকেও জানার সুযোগ দিন। 🌸

৫ ও ৫ কেজি মুরগির মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ নিচে দেওয়া হলো—

 ৫ ও ৫ কেজি মুরগির মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ নিচে দেওয়া হলো—


★★★এটাই বিরিয়ানির লাস্ট পোস্ট ★★★


উপকরণ:


প্রধান উপকরণ:


পোলাও চাল – ৫ কেজি


মুরগির মাংস – ৫ কেজি


তেল-ঘি ও দুগ্ধজাত পণ্য:


সয়াবিন তেল – ২.৮ – ৩ লিটার মুরগি ভাজা সহ


ঘি – ২৫০ গ্রাম


টক দই – ২০০ গ্রাম


তরল দুধ – ১/২ লিটার / গুড়ো দুধ ২০০ গ্রাম


আলুবোখারা ৫০ গ্রাম


কিসমিস ৫০ গ্রাম


মসলা:


পেঁয়াজ – ১.৫ কেজি (বেরেস্তা ৩০০ গ্রাম ও রান্নার জন্য ১ কেজি .২০০ গ্রাম)


রসুন বাটা – ১৫০ গ্রাম


আদা বাটা – ১৫০  গ্রাম


কাঁচা মরিচ –  ১২-১৫ টি


বাদাম বাটা – চিনা বাদাম ১৫০ গ্রাম, কাজু বাদাম ৫০ গ্রাম


পোস্ত দানা বাটা – ২৫ গ্রাম


টমেটো – টমেটো সস ২০০ এম এল


গরম মসলা (এলাচ৭-৮ টি, দারুচিনি ৬-৭ টি, লবঙ্গ  ৭-৮ টি, জয়ত্রি বাটা ১/৪ চা চা, জৈফল ১/২ টা বাটা) 


মরিচ গুঁড়ো ১ চা চা


ধনে গুঁড়া – ৪০ গ্রাম


জিরা গুঁড়া /বাটা – ৮০ গ্রাম


গোলমরিচ গুঁড়া –  ১/২ চা চা


অন্যান্য:


আলু – ৩ কেজি (ঐচ্ছিক) ভেজে দিতে হবে।


লবণ – ১৫০ গ্রাম /পরিমান মত (যে যেমন খাবেন)


গরম পানি – ৭.৫ কেজি


ক্যাওড়া জল - ১/৪ চা চা (ঐচ্ছিক) 


গোলাপ জল - ১ চা চা ( ঐচ্ছিক) 


রান্না:


কড়াইতে তেল দিয়ে মুরগির মাংস ভেজে নিন বাদামী করে, ভাজার পর যে তেল থাকবে তাতে পেয়াজ কুচি বাদামী করে ভাজুন তাতে গরম মসলা, বাদাম, আদারসুন জিরে, ধনিয়া মরিচ গুঁড়ো, জিরে বাটা ধনিয়া গুড়ো, পোস্ত দানা, গোল মরিচ গুঁড়ো, টক দই এবং লবন দিয়ে মাংসের জন্য মসলা কষিয়ে নিন। কষানো মসলায় টমেটো সস এবং টক দই দিয়ে দিন ৫ মিনিট রান্না করে তাতে ভেজে রাখা মুরগির মাংস এবং ১০০ এম এল পানি নিয়ে রান্না করুন আরো ১০ মিনিট। মাংসের ঝোল কমে আসলে তাতে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে সামান্য ভেজে নিন। এবার চালের জন্য পরিমান মত পানি দিয়ে দিন। পানি গরম হয়ে আসলে তাতে দুধ দিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন আর খেয়ল রাখুন যেনো নিচে লেগে না যায়। এবার ঘি এবং আলুবোখারা কিসমিস দিয়ে দিন। এভাবে পানি ৯০% শুকিয়ে আসলে ক্যাওড়া জল এবং গোলাপ জল দিয়ে নামিয়ে কয়লার দমে দিতে হবে ৩০ মিনিটের জন্য। ৩০ মিনিট পর চাল গুলো উলটে পালটে দিতে হবে। হয়ে গেলে উপরে পেয়াজ বেরেস্তা দিয়ে পরিবেশন করুন।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...