এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

মহাকাশে থাকাকালীন দুই নভশ্চর খেতেন পৃথিবীতে রান্না করা বেশ কিছু উচ্চক্য ক্যালরিযুক্ত খাবার "

 " মহাকাশে থাকাকালীন দুই নভশ্চর খেতেন পৃথিবীতে রান্না করা বেশ কিছু উচ্চক্য ক্যালরিযুক্ত খাবার "


🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺


❤️❤️নাসার মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এবং বুচ উইলমোর সহ মোট চার জনকে নিয়ে ফ্লোরিডা উপকূলে সফলভাবে অবতরণ করেছে ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্সের মহাকাশযান ড্রাগন। বোয়িং স্টারলাইনারে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তাঁদের আট দিনে অভিযান পরিণত হয় নয় মাসের দীর্ঘ অপেক্ষায়।পৃথিবী থেকে ২৫৪ মাইল (৪০৯ কিমি) উপরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)। প্রায় ২৫ বছর ধরে বিশ্বের নানা দাশের নভোচারীদের আতিথেয়তা দিয়ে আসছে।💜💜


🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀


❤️❤️আমেরিকা এবং রাশিয়া মূলত ছোটখাটো এই মাঠের আকারের এই গবেষণাগারটি পরিচালনা করে। এটি বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার একটি মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। বুচ এবং সুনীতা দু'জনেই নৌবাহিনীর পরীক্ষামূলক পাইলট ছিলেন। পরে তাঁরা নাসায় যোগ দেন। ৬২ বছর বয়সী বুচ টেনেসিতে হাই স্কুল এবং কলেজ জীবনে ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। আর ৫৯ বছর বয়সী সুনীতা ম্যাসাচুসেটসের নিডহ্যামের একজন প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারু এবং দৌড়বিদ ছিলেন।💜💜


🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸


❤️❤️মহাকাশে থাকাকালীন বুচ তাঁর ছোট মেয়ের কলেজের বেশিরভাগ সময় মিস করেছেন। অন্যদিকে, সুনীতা মহাকাশ থেকে ইন্টারনেট কলের মাধ্যমে তাঁর স্বামী, মা এবং আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন।মাসের পর মাস মহাকাশে থাকার ফলে নানা শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় মহাকাশচারীদের। কারণ সেখানে মাধ্যাকর্ষণ বলে কিছুই নেই। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে পেশী এবং হাড়ের ক্ষয়, শরীরে তরলের ঘাটতি যার ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে, দৃষ্টি সমস্যা এবং মাধ্যাকর্ষণে ফিরে আসার পরে ভারসাম্য ফিরে পাওয়া।💜💜 


🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷


❤️❤️এই সব সমস্যার জন্য ভালভাবেই দু'জনকে প্রস্তুত করেছে নাসা। আইএসএস-এ যাওয়ার তিন মাস পর থেকে সেখানকার কমান্ডার ছিলেন সুনীতা। বাড়ি ফেরার আগের দিন পর্যন্ত তিনি সেই দায়িত্বেই ছিলেন।গত বছরের ১৮ নভেম্বর, দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট তাঁদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, বুচ এবং সুনীতা আইএসএস-এ পিৎজা, রোস্টেড চিকেন এবং চিংড়ির ককটেল খাচ্ছিলেন। প্রতিবেদনে উল্লেখিত বোয়িং স্টারলাইনার মিশনের বিষয়গুলির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্রুদের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ারই শুধু নির্দেশ ছিল। মহাকাশচারীদের প্রাতঃরাশে সিরিয়াল, গুঁড়ো দুধ, পিৎজা, রোস্ট চিকেন, চিংড়ি ককটেল এবং টুনা খাওয়ার সুযোগ ছিল।💜💜 


🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀


❤️❤️নাসার চিকিৎসকরা তাঁদের ক্যালোরি গ্রহণের উপর একটানা নজরদারি করত। ৯ সেপ্টেম্বর নাসা-প্রকাশিত একটি ছবিতে বুচ এবং সুনীতাকে আইএসএস-এ খাবার খেতে দেখা গিয়েছিল। প্রথমে তাজা ফল এবং সবজি পাওয়া যেত। কিন্তু তা তিন মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সমস্ত মাংস এবং ডিম আগে থেকে পৃথিবীতে রান্না করা। কেবল গরম করার প্রয়োজন হত। স্যুপ, স্টু এবং ক্যাসেরোলের মতো ডিহাইড্রেটেড খাবারগুলিকে আইএসএসের ৫৩০ গ্যালন বিশুদ্ধ জলের ট্যাঙ্কের জল ব্যবহার করে পুনরায় হাইড্রেট করা হত।💜💜


🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀


✴️✴️✴️স্থিরচিত্র সৌজন্যে::-- media.assettype.com


#জ্ঞানওবিজ্ঞান #জ্ঞানওবিজ্ঞানফেসবুকপেজ #fbviral

#fbpost #fbpost2025 #unbelievable #amazing #amazingfacts #unknown #unknownfacts #quiz #quiztime #generalknowledge #SunitaWilliams #buchwillmore #astronaut #highproteinfood #highcaloriefood #gravity #spaceship

বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫

বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো আলোকে একটি "সুপারসলিড" বস্তুতে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন, 

 বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো আলোকে একটি "সুপারসলিড" বস্তুতে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন, যা একই সঙ্গে কঠিন এবং তরল। এর আগে পরমাণুর মাধ্যমে সুপারসলিড তৈরি করা সম্ভব হলেও, এবারই প্রথমবার আলো ও পদার্থকে সংযুক্ত করে এটি তৈরি করা হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, এই নতুন আবিষ্কার পদার্থবিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলো বুঝতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। সুপারসলিড হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কণাগুলো একটি নির্দিষ্ট স্ফটিক গঠন ধরে রাখে, কিন্তু একই সময়ে তরলের মতো প্রবাহিত হতে পারে। এটি সাধারণ বস্তু থেকে আলাদা কারণ এতে আভ্যন্তরীণ ঘর্ষণ (ভিসকোসিটি) থাকে না।


সুপারসলিড তৈরি করতে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা প্রয়োজন, সাধারণত শূন্যের কাছাকাছি (-273.15° C)। উচ্চ তাপমাত্রায় কণাগুলো অত্যন্ত বেশি শক্তি পায়, ফলে তারা নিয়মিত ও সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করতে পারে না। কিন্তু যখন তাপমাত্রা একেবারে কমে যায়, তখন কণাগুলো তাদের সর্বনিম্ন শক্তির অবস্থানে চলে যায় এবং কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী আচরণ করতে শুরু করে। বিজ্ঞানীরা আলো ও কোয়ান্টাম কণাকে সংযুক্ত করে "পোলারিটন" নামক কণার মাধ্যমে এই সুপারসলিড তৈরি করেছেন, যা আলো ও পদার্থের মিশ্রণ। এটি পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণার জন্য এক যুগান্তকারী আবিষ্কার।


সুপারসলিডের গবেষণা ভবিষ্যতে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সুপারকন্ডাক্টর, ঘর্ষণহীন লুব্রিক্যান্ট এবং আরও বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। এটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা ও তাদের মিথস্ক্রিয়া বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যা আমাদের মহাবিশ্বের মৌলিক গঠন সম্পর্কে নতুন ধারণা দিতে পারে।

নারিকেল গাছের সার ব্যবস্থাপনা জেনে রাখুন

 নারিকেল গাছের সার ব্যবস্থাপনা জেনে রাখুন

যেকোন বয়সের নারিকেল গাছের জন্যে দুই কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম কিস্তিতে নিচের উল্লেখিত সারের অর্ধেক পরিমাণ বৈশাখ- জৌষ্ঠ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে বাকি অর্ধেক সার আশ্বীন মাসে গাছের গোড়া থেকে চতুর্দিকে ১ মিটার বাদ দিয়ে ১.০-২.৫ মিটার দূর পর্যন্ত মাটিতে ২০-৩০ সে.মি গভীরে প্রয়োগ করতে হবে। সার দেয়ার পর মাটি কুপিয়ে দিতে হবে।এ সময় মাটিতে রস কম থাকলে অবশ্যই সেচ দিতে হবে। বেশি শুষ্কতা ও বেশি বৃষ্টিপাতের সময় সার প্রয়োগ করা ঠিক হবেনা।


গাছ লাগানোর পর প্রতিবছর নিম্নলিখিত হারে সার প্রয়োগ করতে হবেঃ


১-৪ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ১০ কেজি

ইউরিয়াঃ ২০০ গ্রাম

টিএসপিঃ ১০০ গ্রাম

এমওপিঃ ৪০০ গ্রাম

জিপসামঃ ১০০ গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ৪০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ১০ গ্রাম


৫-৭ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্য


ভার্মি কম্পোস্টঃ ১৫ কেজি

ইউরিয়াঃ ৪০০গ্রাম

টিএসপিঃ ২০০গ্রাম

এমওপিঃ ৮০০গ্রাম

জিপসামঃ ২০০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ৬০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ১৫ গ্রাম


৮-১০ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ২০ কেজি

ইউরিয়াঃ ৮০০গ্রাম

টিএসপিঃ ৪০০গ্রাম

এমওপিঃ ১৫০০ গ্রাম

জিপসামঃ ২৫০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ৮০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ২০ গ্রাম


১১-১৫ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ২৫ কেজি

ইউরিয়াঃ ১০০০গ্রাম

টিএসপিঃ ৫০০ গ্রাম

এমওপিঃ ২০০০গ্রাম

জিপসামঃ ৩৫০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ১০০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ৩০ গ্রাম


১৬-২০ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ৩০ কেজি

ইউরিয়াঃ ১২০০গ্রাম

টিএসপিঃ ৬০০গ্রাম

এমওপিঃ ২৫০০গ্রাম

জিপসামঃ ৪০০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ১৫০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ৪০গ্রাম


২০ বা তার ঊর্ধ্ব নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ৪০ কেজি

ইউরিয়াঃ ১৫০০গ্রাম

টিএসপিঃ ৭৫০গ্রাম

এমওপিঃ ৩০০০গ্রাম

জিপসামঃ ৫০০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ২০০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ৫০ গ্রাম


মনে রাখতে হবেঃ


একটা সুস্থ নারিকেল গাছের পাতা লম্বায় জাতভেদে ২.৫-৩.৫ মিটার হতে পারে। সুস্থ, সবল একটা গাছের পাতার সংখ্যা ৩২-৪০টা।


পাতাগুলো যত উপরমুখী হবে এবং সংখ্যায় তা যত বেশি হবে, গাছ সাধারণত তত বেশি ফুল-ফল দানে সক্ষম হবে।


ভালো যত্ন ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় কাণ্ড থেকে প্রতি মাসে একটা করে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে পাতা বের হয় এবং সে পাতার গোড়ালি থেকে বয়স্ক গাছে ফুল-ফলের কাঁদি বের হয়।


নারিকেল গাছের ডালা কখনোই কাটা যাবে না। এ পাতা হলুদ হয়ে শুকানোর আগ পর্যন্ত কোনো মতেই কেটে ফেলা যাবে না। এ গাছ ঠিক কলা গাছের মতো ‘রুয়ে কলা না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত’ খনার বচনটা এ গাছের জন্য একেবারে প্রযোজ্য।


যেহেতু একটা সুস্থ গাছে প্রতি মাসে একটা করে পাতা বের হয় এবং তা প্রায় তিন বছরের মতো বাঁচে সে হিসাব করলে একটা ফলন্ত, সুস্থ, সবল গাছে ৩২-৪০টা পাতা থাকার কথা। গাছে এ সংখ্যা ২৫ টার নিচে থাকলে ধরে নিতে হবে গাছটা খাবার ও যত্নের অভাবে বড় কষ্টে আছে। পাতার সংখ্যা ২০ টার নিচে নেমে গেলে গাছে ফুল ফল ধরা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর্যায়ে চলে যাবে।

একজন নারী যখন প্রথম মা হয়: তার স্বামীকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কেন?

 একজন নারী যখন প্রথম মা হয়: তার স্বামীকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কেন?


মা হওয়া একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে সুন্দর, কিন্তু সবচেয়ে কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। প্রথমবার মা হওয়ার সময় নারীর শরীর, মন ও জীবনযাত্রায় বিশাল পরিবর্তন আসে। এই পরিবর্তনের সময় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তার স্বামীর ভালোবাসা, যত্ন, সহযোগিতা ও মানসিক সমর্থন।


নতুন জীবনের সূচনা, নতুন দায়িত্বের বোঝা


প্রথমবার মা হওয়ার আনন্দ যেমন অসীম, তেমনই এটি ভয় ও অনিশ্চয়তায় ভরা। একটি ছোট্ট প্রাণের দায়িত্ব এক মুহূর্তে বদলে দেয় পুরো জীবন। রাতজাগা, নবজাতকের কান্না, স্তন্যপান করানো, নিজের শরীরের ক্লান্তি—সবকিছু মিলিয়ে একজন নতুন মা এক অবর্ণনীয় যাত্রার মধ্য দিয়ে যান। এই সময়ে যদি তার পাশে একজন দায়িত্বশীল, সহানুভূতিশীল এবং যত্নশীল স্বামী থাকেন, তাহলে পুরো অভিজ্ঞতাটি অনেক সহজ হয়ে যায়।


স্বামীই প্রথম বন্ধু, প্রথম সাহস


একজন নারী যখন গর্ভধারণ করেন, তখন থেকেই তার শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন শুরু হয়। অনেক সময় তিনি নিজের অনুভূতি কাউকে বুঝিয়ে বলতে পারেন না। মা হওয়া মানেই শুধু সন্তান জন্ম দেওয়া নয়, এটি তার নিজস্ব সত্তারও একটি নতুন জন্ম। এই সময়ে স্বামী যদি তার মনের কথাগুলো শোনেন, বোঝার চেষ্টা করেন, তাহলে তার মনে ভরসা জন্মায়।


প্রসবের পর একজন নারী শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। তার প্রয়োজন বিশ্রাম, ভালোবাসা ও মানসিক সমর্থন। সন্তান সামলানো, নিজের যত্ন নেওয়া এবং নতুন জীবনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো—এসব কিছুই সহজ হয়, যদি স্বামী তার পাশে থাকেন।


স্বামীর ছোট ছোট কাজ, বিশাল স্বস্তি


অনেক সময় পুরুষেরা ভাবেন, নবজাতকের যত্ন নেওয়া শুধু মায়ের কাজ। কিন্তু বাস্তবে, যখন স্বামী ছোট ছোট দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, তখনই একজন মা সবচেয়ে স্বস্তি বোধ করেন।


রাত জেগে সন্তানকে একটু দোল দেওয়া


স্ত্রীর জন্য খাবার গরম করে দেওয়া


তার অনুভূতি বুঝে পাশে বসে থাকা


মাঝে মাঝে তাকে একটু বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেওয়া


এই ছোট ছোট কাজগুলোই একজন মায়ের মনে স্বস্তি এনে দেয়, তাকে মানসিকভাবে শক্ত রাখে।


সুস্থ পরিবার গড়তে স্বামীর ভূমিকা


একটি সুখী পরিবার গড়ার জন্য স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গভীর ও দৃঢ় হওয়া প্রয়োজন। সন্তান জন্মের পর অনেক পুরুষ স্ত্রীকে অবহেলা করতে শুরু করেন, যা সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে। কিন্তু একজন দায়িত্বশীল স্বামী এই সময় স্ত্রীকে আরও বেশি ভালোবাসেন, তার প্রতি আরও যত্নশীল হন।


একজন মা যদি মানসিকভাবে স্বস্তিতে থাকেন, তবে তার সন্তানের প্রতিও তিনি ভালোবাসা ও যত্ন দিতে পারেন। তাই মা হওয়ার পর একজন নারীর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তার স্বামীর ভালোবাসা, সমর্থন ও সঙ্গ।


শেষ কথা


একজন নারী যখন প্রথম মা হন, তখন তিনি নতুন জীবনের পথে একা নন—তার স্বামীই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। একজন পুরুষের উচিত এই বিশেষ সময়ে তার স্ত্রীর পাশে থাকা, তাকে বোঝা, তার কষ্ট লাঘব করা এবং একসঙ্গে সুন্দর একটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা।


কারণ একজন সুখী মা মানেই একটি সুখী পরিবার, আর একটি সুখী পরিবারই গড়ে তোলে সুন্দর ভবিষ্যৎ।


#collected

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ২০-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ২০-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


সংস্কার ও জাতীয় ঐক্য নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আজ আলোচনা শুরু করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।


শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কাজ করার জন্য পুলিশি প্রস্তুতি গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।


অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সেনা প্রধানের সাক্ষাৎ - দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা।


নির্বাচন কমিশনকে রোহিঙ্গা তথ্যভাণ্ডার সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে ইউ.এন.এইচ.সি.আর।


সরকার ধর্মীয় উগ্রবাদী ও চরমপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদীরা ফের গণতন্ত্র হত্যার সুযোগ পাবে - মন্তব্য তারেক রহমানের।


গাজায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন পুনরায় শুরু করার নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।


গাজা বিভক্তকারী নেতজারিম করিডোরের পুনঃনিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইসরাইল।


এএফসি এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাই পর্বে অংশ নিতে আজ ভারত যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৯-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৯-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কাজ করার জন্য পুলিশি প্রস্তুতি গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা  ।


অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকারুজ্জামানের সাক্ষাৎ --- দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা।


সংস্কার ও জাতীয় ঐক্য নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আগামীকাল আলোচনা শুরু করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ।


নির্বাচন কমিশনকে রোহিঙ্গা তথ্যভাণ্ডার সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে ইউ.এন.এইচ.সি.আর।


অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় উগ্রবাদী ও চরমপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদীরা ফের গণতন্ত্র হত্যার সুযোগ পাবে –-- মন্তব্য করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ।


গাজায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন পুনরায় শুরু করার নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।


সর্বশেষ ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকা জুড়ে ২৭ ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে অগ্রণী ব্যাংক, রূপগঞ্জ টাইগার্স ও গুলশান নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

কুকুর কামড়ালেই জলাতঙ্ক হয় না!

 ♦️ কুকুর কামড়ালেই জলাতঙ্ক হয় না!

কুকুর নিয়ে অদ্ভুত সব কথা প্রচলিত আছে। এরমধ্যে কোনটা সবচেয়ে অহেতুক অথবা বড় ভুল, সেটা নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা হতে পারে। 


এক বন্ধুর কাছে শুনেছিলাম, তার দাদি নাকি বলত, খাওয়া দাওয়া করে আড়মোড়া ভাঙলে সেই খাবার কুকুরের পেটে চলে যায়! এটা হলে অবশ্য ভালোই হতো। পথের কুকুরদের না খেয়ে থাকতে হতো না। 


আমরা যে অলস জাতি, তবে কুকুর নিয়ে ভুল ছড়ানোতে বলা যায় আমরা নিরলস। পুরো মেডিক্যাল সায়েন্সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রচলিত হয়েছে, কুকুর কামড়ালে নাকি পেটে বাচ্চা হয়! বলেন কেমনটা লাগে? আরেক কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত আরও এক ধাপ এগিয়ে কবিতা লিখলেন, ‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড় দিয়েছে পায়…’


সেসময়কার মানুষের কবিকে জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল, ‘আপনারে কে বলছে যে কুকুরের কাজ কামড়ানো?’ 


কুকুর নিয়ে আরেকটি গুজব হলো, মানুষ দেখিবামাত্রই কুকুর কামড় বসিয়ে দিবে। আর কুকুরের কামড় মানেই নাভির নিচে ১৪টি ইনজেকশন। আর ইনজেকশন না দিলে হবে জলাতঙ্ক। সবই এখন ভুল ধারণা। 


কোনো একসময় কুকুর কামড়ালে হয়তো ১৪টা ইনজেকশনের প্রয়োজন হতো, কিন্তু কুকুর কখনও দেখামাত্রই কামড় দেয় না। মানুষ যেভাবে কামড় দেয় রাগে-ক্ষোভে মাথা গরম করে, কুকুরের কামড়টাও সেরকম স্বাভাবিক ব্যাপার। আরও ঠিকঠাক করে বললে, তাদেরকে অকারণে মারলে, তাড়া করলে, ভয় দেখালে বা নানাভাবে উত্যক্ত করলে তারা আত্মরক্ষায় কামড় বা আঁচড় দিতে পারে।


তবে কুকুরের লালা গায়ে লাগলে বা আঁচড়-কামড় খেলেই আতঙ্কের কিছু নেই। কারণ সব কুকুরের শরীরে জলাতঙ্কের র‍্যাবিস ভাইরাস থাকে না। শুধুমাত্র র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুর কামড় দিলেই জলাতঙ্ক হতে পারে। 


ঢাকায় গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত প্রাণীদের ভ্যাকসিনেশন করার ফলে র‍্যাবিস ভাইরাসে আক্রান্ত কুকুরের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। কর্তৃপক্ষ যদি আরেকটু সচেতন হয় তবে এটাকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। সারাবছর ঢাকা বা ঢাকার বাইরে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার যেসব ঘটনা ঘটেছে তা শুধুমাত্র ঠিকমতো প্রাণীদের ভ্যাকসিনেটেড না করার কারণে হয়েছে। 


মনে রাখবেন, কুকুর কামড়ালে প্রথমেই যে কাজটা করতে হবে তা হলো সাথে সাথে ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ১৫ মিনিট ক্ষতস্থান ধুয়ে ফেলতে হবে। ক্ষতস্থান সাথে সাথে ধুয়ে ফেললে ৯০ শতাংশ জীবাণু মরে যায় এবং সংক্রমণের শঙ্কা ৭০-৮০ ভাগ কমে যায়। তারপর নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে সময়মতো জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা নিতে হবে। কামড়ের পরপরই টিকা নিয়ে নিলে মৃত্যু ও জলাতঙ্ক রোধ করা যায়। 


আমাদের দেশে এমনিতেই রাস্তার প্রাণীদের সাথে বিরূপ আচরণ করা হয়। যেকোনো অজুহাতে রাস্তার কুকুর-বিড়ালদের মারা হয়। এমন অবস্থায় অযথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো ভাইরাল করে ভুল তথ্য প্রচার করা থেকে আমাদের সকলের বিরত থাকা উচিত। 


জলাতঙ্ক একটি ভয়াবহ রোগ। তাই এই রোগ সম্পর্কে আতঙ্ক না ছড়িয়ে সঠিক তথ্যের মাধ্যমে জনসচেতনতা ছড়াতে হবে।


Sheero Choudhury

বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

কলা খেলে শিশুর ঠান্ডা লাগে- কতটা সত্য

 

কলা খেলে শিশুর ঠান্ডা লাগে – কতটা সত্য?

অনেক অভিভাবক মনে করেন কলা খাওয়ার ফলে শিশু ঠান্ডা বা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়, কিন্তু এটির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি খুবই কম। তবে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এটি কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। আসুন বিস্তারিত দেখি –

কলার প্রকৃতি ও শিশুর শরীরের প্রভাব
• কলা একটি ঠান্ডা প্রকৃতির ফল (According to Ayurveda and traditional beliefs)।
• কলা খেলে শরীর কিছুটা শীতল অনুভব করতে পারে, বিশেষ করে রাতে খেলে বা ঠান্ডা আবহাওয়ায়।
• এটি শ্লেষ্মা উৎপাদন বাড়াতে পারে, তাই যদি শিশুর আগে থেকেই সর্দি থাকে, তবে শ্লেষ্মা কিছুটা বাড়তে পারে।

কলা সরাসরি ঠান্ডা বা সর্দি-কাশি সৃষ্টি করে না কারণ –

* কলায় প্রচুর পটাশিয়াম, ফাইবার ও ভিটামিন সি থাকে, যা শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


* কলার কোনো প্রমাণিত রাসায়নিক উপাদান নেই, যা ঠান্ডা বা ইনফ্লুয়েঞ্জা সৃষ্টি করতে পারে।


* বিশ্বের অনেক দেশে কলা বাচ্চাদের আদর্শ খাবার হিসেবে গণ্য করা হয়।

কখন শিশুকে কলা খাওয়ানো এড়িয়ে চলা ভালো?
• যদি শিশুর আগে থেকেই ঠান্ডা, কাশি বা শ্বাসকষ্ট থাকে, তবে কলা খেলে শ্লেষ্মা সামান্য বাড়তে পারে।
• রাতে বেশি পরিমাণে কলা না খাওয়ানো ভালো, কারণ এটি হালকা শীতল অনুভূতি দিতে পারে।
• ঠান্ডা পরিবেশে খুব ঠান্ডা কলা বা ফ্রিজের কলা খাওয়ানো এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি গলায় অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

শিশুকে কখন কলা খাওয়ানো যাবে?

* দিনের বেলায় বা সকালের নাস্তায় খাওয়ানো ভালো।


* গরম দুধ বা গরম খাবারের সাথে দিলে ঠান্ডা অনুভূতি কম হবে।


* কলা গরমকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

কোন বয়সের শিশুকে কখন কলা খাওয়ানো উচিত?

* ৬ মাসের পর থেকে কলা খাওয়ানো যায় (ম্যাশ করে বা পেস্ট বানিয়ে)।


* ১ বছরের পর ছোট ছোট টুকরো করে খাওয়ানো নিরাপদ।


* স্কুলগামী শিশুর জন্য পারফেক্ট স্ন্যাকস।

কলার পুষ্টিগুণ ও উপাদানের তালিকা (প্রতি ১০০ গ্রাম কলায়)

পুষ্টি উপাদান- পরিমাণ- উপকারিতা

শক্তি (ক্যালরি) ৮৯ ক্যালোরি দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে

প্রোটিন ১.১ গ্রাম পেশি গঠনে সাহায্য করে

চর্বি (Fat) ০.৩ গ্রাম খুবই কম, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে উপকারী

কার্বোহাইড্রেট ২২.৮ গ্রাম তাৎক্ষণিক শক্তির ভালো উৎস

ফাইবার ২.৬ গ্রাম হজমে সহায়ক, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে

চিনি (Natural Sugar) ১২.২ গ্রাম প্রাকৃতিক মিষ্টতা, রিফাইন্ড সুগারের বিকল্প

ভিটামিন সি ৮.৭ মি.গ্রা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

ভিটামিন বি৬ ০.৪ মি.গ্রা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে

ফোলেট (Vitamin B9) ২০ মাইক্রোগ্রাম কোষ বিভাজনে সহায়ক, গর্ভবতী নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

পটাশিয়াম (K) ৩৫৮ মি.গ্রা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী

ক্যালসিয়াম (Ca) ৫ মি.গ্রা হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়ক

ম্যাগনেসিয়াম (Mg) ২৭ মি.গ্রা পেশি ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম সঠিক রাখতে সাহায্য করে

ফসফরাস (P) ২২ মি.গ্রা হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয়

আয়রন (Fe) ০.৩ মি.গ্রা রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়ক

জিংক (Zn) ০.১৫ মি.গ্রা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

সোডিয়াম (Na) ১ মি.গ্রা শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখে

*************
Collected
ডা. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া
নবজাতক শিশু বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস (ঢাকা মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস (হেলথ)
এমডি, নিওনেটোলজি (বিএসএমএমইউ)

আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা  উদঘাটনঃ  (এক জায়গায় পেলাম তাই শেয়ার করলাম) ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা  উদঘাটনঃ 

আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা  উদঘাটনঃ 


(এক জায়গায় পেলাম তাই শেয়ার করলাম)


আমি সবটা জানি। সেদিন রাত্রে কি ঘটেছিল। শুধু সে রাত্রে নয়। প্রতি রাত্রে কি ঘটেছে তোমার শশুর বাড়িতে। সেসব কথা আমি বলবো নাকি তুমি নিজেই বলবে?


এবার আফিয়া বসে পরে। অপরাজিতার পায়ে ধরে। আপা কিছু বলেন না। আমার ছোট বোনের জীবনতো শেষ হয়েছে। আমার জীবন নষ্ট হতে দিয়েন না। 

উৎসুক জনতা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ কি কথোপকথন হয়েছে যে, আফিয়া পল্টি খাইয়া গেল? 


তাঁরদিকটা একবার দেখে নিল অপরাজিতা। তাঁরপর আফিয়ার দুই কাঁধে হাত রেখে উঠিয়ে নেয়।

 তাঁরপর বলে, দুর পাগলী। তোমার কিছুই হবে না। 

ধর্ষকরা তো ধরা পরেছে। 

তাছাড়া যারা অপরাধ করেছে তাদের দোষ, তুমি অকারণে ভয় পাচ্ছো কেন?  আমি, আমরা সবাই, পুরো দেশবাসি তোমার পাশে আছি, তোমার সাথে থাকবো। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছড়বো না। 

এবার ওড়না দিয়ে মুখ লুকিয়ে রাখে আফিয়া। 

অপরাজিতা আফিয়ার মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে দিয়ে বলে, তুমি চাও না আছিয়া সঠিক বিচার পাক? অপরাধীরা শাস্তি পাক? 

জী আপা চাই। 

তাহলে মুখ খোল। সত্যি কথা বলে দাও। সবাই জানুক সত্য ঘটনা। 

আফিয়া এবার ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা তারঁ দিকে তাকিয়ে আছে?। 

আফিয়া আবার দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকে। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে। 

অপরাজিতা বলে, কাঁদো। কেঁদে কেঁদে হাল্কা হও।নিজের মাধ্যে সাহস ফিরে আনো। শক্ত হয়ে দাঁড়াও। মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে উঠাও। চিৎকার করে বলো, আমি মানুষ। আমারও আছে ভালোভাবে বাঁচার অধিকার। 

আফিয়া ওড়নার আঁচলে মুখ মুছে নেয়।তাঁরপর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ায়। 

সাংবাদিক ভাইদের বলে, শোনেন আমার ও আমার ছোট বোনের সাথে কি ঘটেছিল সেই রাত্রে। 


আফিয়া নির্ভয়ে বলে, আমি আফিয়া। বাবা মায়ের প্রথম কন্যা সন্তান। অভাবের সংসার আমাদের। তাই পড়া শোনা করা হয়নি।একটি ভালো সমন্ধ আসায় অল্প বয়সে মা বাবা আমাকে বিয়ে  দেয়। আমি প্রথমে বিয়ে করতে রাজি হইনি। সবাই আমাকে বোঝায়, অভাবের সংসারে একজন খাওয়ার  মানুষ কমলে ছোট ভাই বোনেরা ভালো খেতে পারবে। তাই আমি রাজি হয়েছি। 

বিয়ের প্রথম দিন থেকেই আমার শশুরের কুনজর বুঝতে পারছি। রাত্রে বিছানায় স্বামী ব্যাবহারের পর আমাকে পোশাক পরতে না দিয়ে রুমের বাহিরে যায়। তারপর অন্ধকারে আমার শরীরের উপর কারো উপস্থিতি বুঝতে পারছি। এটাও খেয়াল করি এখন যে আছে সে আমার স্বামী না। অন্য পুরুষ। কিন্তু কে তা বুঝতে পারছি না। আমার ছোট শরীর। স্বামীকে সহ্য করাই অসম্ভব। তাঁরপর আরেক জন। আমি ব্যাথায় কুকরে উঠি। চিৎকার করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার মুখ চেপে ধরে। ফিসফিস করে আমাকে চুপ করতে বলে।  মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এবার কন্ঠ চিনতে পারি। এ কন্ঠ আমার শশুরের কন্ঠ। 

তাঁরপর সে ছেড়ে চলে গেলে  আবার আরেক জন আসে। একেও চিনতে পারি। সে হচ্ছে আমার দেবর। এরপর আমার স্বামী ভিতরে আসে। তাঁকে বিষয়টি জানালে, সে রেগে যায়। বলে সে ছাড়া ঘরে আর কেউ আসেনি। 

পরের দিন শাশুড়ীকে জানালে বলে, আমি স্বপ্ন দেখেছি। 

এভাবে প্রতি রাত্রেই আমার স্বামী, শশুর ও দেবর আমাকে ধর্ষণ করে। 

আমি স্বামীকে বললে মারধর করে। আর শাশুড়ীকে বললে বলে ভুতের আছর আছে। ভুত প্রতি রাত্রে আসে আমার কাছে। 

তাঁরপর বাড়িতে আসলে মাকে জানাই বিষয়টি। মা  বিষয়টি  বিশ্বাস করেনি। ভেবেছে মেয়ের বয়স কম তাই স্বামীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই স্বান্তনা দেয়। সময় হলে সব ঠিক হবে। 

আছিয়ার বড় বোন শশুর বাড়িতে যেতে চাচ্ছে না দেখে ছোট বোন আছিয়াকে সাথে পাঠায়। 

সে আবার বলে, আছিয়াকে আমার  শাশুড়ী সাথে রাখতে চায়। কিন্তু আমি দেইনি। 

আছিয়া পাশে থাকা অবস্থায় ওই ঘটনার আগেন রাত্রে  একইভাবে আমার স্বামী দরজা খুলে বাথরুমে যায়। তাঁরপর আমার শশুর ঘরে আসে। স্বামীকে দেখাতে হবে এটা ভুত না, তাঁর বাপ। এটা ভেবেই আমি আছিয়াকে পা দিয়ে ধাক্কা দেই। কয়েকবার ধাক্কা দেওয়ার পর আছিয়া জেগে যায়। প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারে। সে বিছানা থেকে নেমে গিয়ে রুমের লাইট জালিয়ে দেয়। তখুনি আমার শশুরকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়। আছিয়া সাথে সাথে বলে, তালোই আপনি এঘরে কেন?  আর এ অবস্থায় কেন? 

তখন শশুর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। আমার স্বামী ঘরে আসে। তখন আমাদের মাঝে ঝগড়া হয়। আমার স্বামী আমাকে মারধর করে। 

আমাকে মারে আর নিষেধ করে, একথা যেন কাউকে না বলি। কিন্তু আছিয়া বলে সে আব্বা মার কাছে সব বলে দিবে। এদিকে  মারামারির শব্দ শুনতে পেয়ে লোকজন চলে আসে। তখন আছিয়াকে এক ঘরে আটকে রাখে হাত পা ও মুখ বেঁধে রেখে। কাউকে বুঝতে দেয়না আছিয়াার কথা। 

আর আমার কথা বলে ভুতে ধরেছে তাই স্বামীকে সন্দেহ করে। লোকজনও তাই বিশ্বাস করে। ততক্ষণে সকাল হয়েছে। 


এদিকে আফিয়ার শশুর বুঝতে পারে, যে আছিয়া বাড়িতে ফিরে সব বলে দিবে। আছিয়াকে বলতে দেওয়া যাবে।  তাই তাকে আটকে রাখে। রাত্রের অপেক্ষা  করে। 


সন্ধ্যার পর লোকজন ঘুমিয়ে পরলে, গভীর রাত্রে আছিয়াকে ধ"র্ষ"ণ করতে যায়।

আছিয়াকে কতটা নির্মমভাবে ধ*র্ষ"ণ করা হযেছিল আজকে সেটার বর্ণনা দিয়েছে ডাক্তাররা। চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছে - আছিয়া যেহেতু বাচ্চা মেয়ে তাই তার পো"প"না"ঙ্গের ডেপথ খুবই ছোট। 


সেজন্যে ধ*র্ষ"ককরা কিছুটা ধারালো ব্লেড/ কাঠি দিয়ে গো'প"না"ঙ্গে ছিদ্র করার চেষ্টা করেছিল। সে ছিদ্রটা ছিল আনুমানিক ৫ সে.মি. গভীর। 


তারপর গো"প"না"ঙ্গের একদম ভিতরের দিকে অনেকগুলো স্ক্রেচ করা হয় এবং সেটা করা হয় একদম সূক্ষ্মভাবে, অনেকটা সময় নিয়ে।


একাজ করার সময় তার নাক-মুখ চেপে ধরা হয়েছিল যাতে কোনরকম চিৎকার করতে না পারে। তারপর মানুষ চলে আসার আওয়াজ পেয়ে আরেকজন গলা চেপে ধরেছিল মেরে ফেলার জন্যে। 


আর এজন্যেই অক্সিজেনের অভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটা। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল তখন।


এ নির্মম বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল ডাক্তারের। তিনি বলছিলেন - 'এরকম কন্ডিশনে ভিক্টিম স্পটেই মারা যায়। এ মেয়েটা যে এখনও বেঁচে তাতেই অবাক হচ্ছি আমি।'


তাহলে এবার বুঝুন কতটা অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বাচ্চা মেয়েটাকে। একে একে শশুর, স্বামী ও দেবর তিনজনেই পালাক্রমে ধ"র্ষ"ণ করে আছিয়াকে। আর পর জিজ্ঞেস করে কাউকে বলবি?  আছিয়া ক্ষীণ কন্ঠে বলে, আপনারা খারাপ। আমি বলবোই। 

এবার সিদ্ধান্ত নেয় আছিয়াকে মে"রে ফেলার। আছিয়া প্রাণপনে চিৎকার করে আর বলে আপনারা খারাপ। 

আছিয়ার চিৎকার বন্ধ করার জন্য গলা চেপে ধরে । আছিয়া অতিরিক্ত র"ক্ত"ক্ষ"রণের কারনে আর ব্যাথায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওরা ভেবেছে আছিয়া ম'রে গেছে। 

এবার তারা আফিয়ার নিকট আসে। প্রতি রাত্রের মতো তিনজনই আফিয়া ধ"র্ষ"ণ করে। এবার তারা বলে তুই একথা কাউকে বললে তোরও অবস্থা তোর বোনের মতো হবে। আফিয়া সাক্ষাৎ মৃ"ত্যু দেখে ভয়ে কাঁপছে। আর লজ্জায় তাঁর ধ"র্ষ'ণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার ভয়ে সে উল্টো পাল্টা কথা বলেছে। এব্যাপারে তাঁকে ইন্ধন দিচ্ছে তাঁর ও আছিয়ার দাদী। 


সত্য ঘটনা হচ্ছে এই, শুধু আছিয়া ধ"র্ষ"নের স্বীকার হয়নি তাঁর চাইতেও ভয়ংকর রকমের নির্যাতনের স্বীকার  হয়েছে আছিয়ার বড় বোন। আছিয়া ম"রে হয়তো বেঁচে গেছে কিন্তু আছিয়ার বড় বোন বেঁচেও ম"রার মতো বেঁচে আছে।

কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি পাশ করা একজন নওমুসলিমকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিল আপনি কি দেখে মুসলিম হলেন।

 কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি পাশ করা একজন নওমুসলিমকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিল আপনি কি দেখে মুসলিম হলেন।


তিনি জবাবে বললেন, হিন্দুদের যারা পূজনীয় ব্যক্তি তাদের আদর্শ যদি পৃথিবীর সর্বত্র বাস্তবায়ন করা হত তাহলে আজ সমাজের অবস্থা কি দাড়াত তা দেখে আমি মুসলমান হয়েছি।


প্রতি হিন্দু যদি আজ শ্রীকৃষ্ণের চরিত্র ধারণ করে যুবতী মেয়েদের কাপড় নিয়ে গাছে উঠে বসে থাকে তাহলে সমাজের অবস্থা কি দাড়াত তা দেখেই আমি মুসলমান হয়েছি।


হিন্দু ধর্মের দেবতাদের কথাগুলা কাগজেকলমে লিখাও লজ্জাকর। যেমন এই বিংশশতাব্দীতেও শীবের লিঙ্গের পূজার ন্যায়ও দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।মা বাবা ভাই বোন আত্মীয় স্বজন একসাথে লিঙ্গের উপর ভক্তি করে।এটা খুবি লজ্জা লাগে।এগুলা কি কোন ধর্মীয় কাজ হতে পারে?

আমি এসব দেখতে পারব না বলেই মুসলমান হয়েছি।


আপনি ধ্রুপদীর কথা চিন্তা করুন।একজন মহিলাকে পাচ ভাই স্ত্রীর দাবী করে।আবার সেটাকে হিন্দু ধর্মের লোকেরা তাদের জন্য খুব গৌরবের কাজ মনে করে।এটা নিয়ে তারা খুব গর্ববোধ করে।এসব ভেবে আমি আর হিন্দু ধর্মে থাকতে পারি নাই।


আমি চিন্তা করেছি যে কোথায় হিন্দুদের ভগবান দেবতাদের লীলা আর কোথায় মুসলমানদের নবী রাসুল গণের চরিত্র।আমি এসব চিন্তা ভাবনা করে আর হিন্দু থাকতে পারিনি।


ইসলামের দৃষ্টিতে সত্যিকারের পূণ্যবান ব্যক্তি হচ্ছেন যারা দ্বীনের কথা বলে,আল্লাহর কালাম যারা প্রচার করে। দ্বীন সম্পর্কে তাদের জ্ঞান যথেষ্ট। তাদের চলাফেরা, পোষাক, পাক পবিত্রতা থাকা তাদের ধর্মীয় আদেশ এবং তারা কেউ সংসার ত্যাগী নন।

ইসলামে কাউকে সংসার ত্যাগী হতে বলে না।আমি সম্পুর্ণ কোরআন স্টাডি করেছি,এমন কোনো তথ্য আজও পাইনি।


অন্যদিকে আপনি হিন্দু সাধুদের অবস্থা দেখুন।হিন্দু ধর্মের বেশিরভাগ সাধুদের ধর্মীয়জ্ঞান নেই।অশিক্ষিত, গেরুয়া বসন পরিধানকারী, চিমটাধারী সংসারত্যাগী, ল্যাংটা, শ্মশানে বসবাসকারী। যাদের সঙ্গে কিছু বিধবা নারী কদুর বস হাতে নিয়ে শ্মশানে একত্রে বসবাস করে। কলকাতার কালী মন্দিরের চেহারা তো আরো ভয়ঙ্কর। সেখানের সাধুরা মেয়েদের ন্যায় মাথায় লম্বা চুল রাখে আর সমস্ত শরীরে ছাই মেখে উলঙ্গ হয়ে পড়ে থাকে।সকল হিন্দুরা এসে তাদের কাছ থেকে আর্শীবাদ নিতে আসে।


এসব আমার কাছে পছন্দ হয়নি,বরং এটা সম্পুর্ণ একটা কুসংস্কার, ভ্রান্ত,পথভ্রষ্ট হওয়ার একটা সহজ মাধ্যম। এগুলা দেখে ইসলাম গ্রহণ করেছি। আলহামদুলিল্লাহ 

তথ্যসূত্রঃ- সত্যের ডাক

পৃষ্ঠা  নং-৬৪


হিন্দু দাদা

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...