এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫

ফেসবুকে ইদানিং একটা লেখা খুব ভাইরাল হয়েছে। লেখাটা ছিলো এমন “আমি যখন জন্মেছিলাম তখন আমার স্বামী হাঁটতে পারতো। তারপরও সে আমায় দেখতে আসে নি। এখন কী আমার তার সাথে সংসার করা উচিৎ হবে?”

 

ফেসবুকে ইদানিং একটা লেখা খুব ভাইরাল হয়েছে। লেখাটা ছিলো এমন “আমি যখন জন্মেছিলাম তখন আমার স্বামী হাঁটতে পারতো। তারপরও সে আমায় দেখতে আসে নি। এখন কী আমার তার সাথে সংসার করা উচিৎ হবে?”

লেখাটা আমার বউ শ্রাবণী দেখে আমাকে মাঝরাতে ঘুম থেকে তুলে বলে,

- “আমি যখন জন্মে ছিলাম তখন তুমি আমায় দেখতে গিয়েছিলে”


রাত ১টার সময় বউ যখন এমন কথা বলবে তখন কার না মেজাজ খারাপ হবে। রাগটা কোনো রকম কন্ট্রোল করে বউকে বললাম,
– হ্যাঁ দেখতে গিয়েছিলাম।তুমি ময়মনসিংহ মেডিকেলে দুপুর ২টা বেজে ১৭মিনিটে জন্মে ছিলে। আমি যখন দেখতে যাই তখন দেখি তুমি মামীর পাশে শুয়ে ঘুমিয়ে আছো।
-“শুধু দেখেছো, আমায় কোলে নাও নি?”
আমি বউয়ের দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে বললাম,
– তোমায় আমি কোলে নিবো কি করে?  আমি তো নিজেই আমার মায়ের কোলে ছিলাম। ৩বছরের বাচ্চা ছেলে কি করে একটা সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুকে কোলে নিবে?

বউ আমার দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে বললো, “ তোমার সাথে আসলে সংসার করাই উচিত না। কোন আক্কেলে যে ফুপাতো ভাইয়ের সাথে প্রেম করে বিয়ে করতে গেলাম।”


বউ জন্ম নেওয়ার সময় আমি কেন তাকে কোলে নেই নি সেই গুরুতর অপরাধের জন্য বউ সকালে আজ নাস্তা বানায় নি। বাধ্য হয়ে না খেয়েই অফিস গেলাম। আমার পাশের চেয়ারে বসা মামুন সাহেবের দিকে খেয়াল করে দেখি উনি মনমরা হয়ে বসে আছে। আমি উনাকে জিজ্ঞেস করলাম,
– ভাই কোনো সমস্যা?
উনি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন,

- “ বউ জন্মানোর সময় আমি কেন তাকে দেখতে যাই নি এটা নিয়ে বউ আমার সাথে ঝগড়া করেছে। চিন্তা করেন ভাই, আমার বউ জন্মায়ছে নোয়াখালি আর আমার বাড়ি বরিশাল। আমি কিভাবে তাকে দেখতে যাবো? তাছাড়া আমি জানতাম নাকি কোন মেয়ে আমার বউ হবে। আর ঝগড়ার সময় ভুল করে বউকে হাতির বাচ্চা কেন বললাম এজন্য বউ আমাকমাঝরাতে রুম থেকে বের করে দিয়েছিলো।

মামুন সাহেবের কথা শুনে মনে একটু স্বস্তি পেলাম। জগতে শুধু আমার বউটা ব্রেইন বিহীন জন্মায় নাই। আমার মতো আরো অনেকের বউ ব্রেইনহীন ভাবে জন্মেছে।
আমি মামুন সাহেবকে বললাম,
–দেখেন ভাই, স্বামী স্ত্রী ঝগড়া করার সময় স্ত্রীকে কখনোই জন্তু জানোয়ারের নাম বলে গালি দিবেন না। বউ আপনাকে কু*ত্তার বাচ্চা বলুক কিংবা গাধার বাচ্চা বলুক আপনি তাকে এইসব বলে ভুলেও গালি দিতে যাবেন না। আপনি বউকে গালি দিবেন ক্যাটরিনা, দীপিকা, আলিয়া বলে।  বউ যদি আপনাকে বলে, “তুই একটা কু*ত্তা” আপনি তখন তাকে বলবেন, “তুই একটা ক্যাটরিনা। তোর গালে দীপিকার মতো টোল পড়ে। আর তুই হাসলে তোকে আলিয়ার মতো কিউট লাগে। তখন তোকে এতো সুন্দর লাগে ছিঃ ছিঃ ছিঃ ইচ্ছে করে জড়িয়ে ধরি।
এইভাবে গালি দিলে বউ রুম থেকে বের করবে না বরং আদর সোহাগ দিবে।

আমার কথা শুনে মনে হয় না মামুন সাহেব খুশি হয়েছেন বরং উনার চেহারা দেখে এটা মনে হচ্ছে নেক্সট টাইম উনি উনার বউকে গন্ডারের বাচ্চা বলে গালি দিবেন…

। 
৫মিনিট ধরে বসের রুমে বসে আছি বস কিছু বলছেন না। উনি শুধু সিলিং ফ্যানটার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। আমি হালকা গলা কেশে বললাম,
–স্যার, কোনো সমস্যা?
বস আমার দিকে তাকিয়ে বললো,

- “বলো তো মেয়েদের বুদ্ধি কোথায় থাকে?”


আমি মুচকি হেসে বললাম,
–এটা তো সবাই জানে। মেয়েদের বুদ্ধি হাটুর নিচে থাকে।
বস বললো,

- “তুমি ভুল জানো। মেয়েদের বুদ্ধি বলে কোনো জিনিসই থাকে না। ওরা জন্মানোর পর প্রথম যখন হিসু করে তখন হিসুর সাথে তাদের বুদ্ধিও বের হয়ে যায়।  তা নাহলে বিয়ের ১০বছর পর কেউ এটা নিয়ে ঝগড়া করে আমি কেন সে জন্মানোর সময় দেখতে গেলাম না। এজন্যই মাঝে মধ্যে মনে হয় এই সিলিং ফ্যানে ঝু*লে পড়ি।”

বসের কথা শুনে মনটা একদম জুড়িয়ে গেলো। আর একটা ব্রেইনহীন মেয়ে মানুষের সন্ধান পেলাম। আমি বসকে স্বান্তনা দেওয়ার জন্য বললাম,
–স্যার বাদ দেন এইসব পাগল-ছাগলের কথা।
আমার কথা শুনে বস রেগে গিয়ে বললো,

- “তুমি আমার বউকে ছাগল বলো কোন সাহসে?”


আমি আমতা আমতা করে বললাম,
– সরি স্যার, আমার হয়তো ভেড়া বলা উচিত ছিলো…

স্যার রেগেমেগে আমাকে বেয়াদব বলে রুম থেকে বের করে দিলো।


বাসায় এসে কলিংবেল চাপতেই শ্রাবণী দরজা খুললো। এই মেয়েটাকে যতবার দেখি ততবার প্রথম থেকে প্রেমে পড়ি। যে মেয়েটা আমাকে পাবার জন্য হারপিক খেয়ে ফ্যামিলিকে রাজি করিয়েছিলো  সেই মেয়েটার টুকটাক ছেলেমানুষি আমার সহ্য করা উচিত।

শ্রাবণী ধমক দিয়ে বললো, “এমন হা করে কি দেখছো?”
আমি মাথা নিচু করে বললাম,
–আমার অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে তোমার জন্মের পর তোমায় কোলে না নেওয়া। তাই চিন্তা করেছি যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি আমার এই গুরুতর অন্যায়ের ক্ষমা না করবে ততক্ষণ আমি তোমাকে কোলে রাখবো।

এইকথা বলে শ্রাবণীকে আমি কোলে তুলে নিলাম। ভেবেছিলাম আমি কোলে তুলে নিলেই সে নেমে যাবে কিন্তু দুই মিনিট হতে চললো তার নামার কোনো নাম গন্ধ নাই। আর ঐদিকে ৫০কেজি ওজনের লবণের বস্তাকে আমার কোলে তুলে আমার মেরুদন্ড বেঁকে যাচ্ছে।
হঠাৎ শ্রাবণীকে দেখি আমার  দিকে তাকিয়ে মিটমিট করে হাসছে। আমি তখন ওকে বললাম,
–হাসছো কেন?
শ্রাবণী বললো,

- “তুমি আমাকে যেভাবে কোলে নিয়েছো সেভাবে মা তার সন্তানকে কোলে নিয়ে দুধ খাওয়ায়।”

শ্রাবণী আমার বুকের দিকে তাকাতেই আমি তাড়াতাড়ি ওকে কোল থেকে নামিয়ে দুইহাত দিয়ে নিজের বুক ঢেকে বললাম,
– এই মেয়ে! তোর নজর এতো খারাপ কেন? বাড়িতে কি বাপ ভাই নাই?

আমার কথা শুনে শ্রাবণী হাসতে লাগলো। আমি মুগ্ধ হয়ে ওকে দেখতে লাগলাম। মেয়েরা আসলেই মায়াবতী হয়। ওরা হাসলেও মুক্তা ঝড়ে আবার কাঁদলেও মুক্তা ঝড়ে । ওরা ২৫-৩০ বছর বয়স হলেও যেমন স্বামীর সাথে ছেলেমানুষি করে তেমনি ১৬-১৭  বছর বয়সে ওদের বিয়ে হয়ে গেলেও পুরো একটা সংসার বুক পেতে আগলে রাখে। স্ত্রী ছেলেমানুষি করলে বিরক্ত হবেন না। হাসি ঠাট্টা করার জন্য বাহিরে আপনার বন্ধু-বান্ধব, অফিস কলিগ অনেকেই আছে কিন্তু আপনার স্ত্রীর আপনি বাদে কেউ নেই। তাই দিনের কিছুটা সময় হলেও আপনার স্ত্রীর সাথে হাসি ঠাট্টা ছেলেমানুষি করে কাটান…

ছেলেমানুষি
আবুল বাশার পিয়াস

এরকম সুন্দর গল্পো পেতে পেজটি ফলো দিন 👉 লেখক - সাহেব

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়। 

 মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়। 


ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা  করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন। 


পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায়  এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।


যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল। 


এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না। 

এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই। 


এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে। 


Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না

কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা। 


সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট। 


ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান। 


পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas  স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে। 


তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?  


তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার  কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়। 


কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।) 


এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%,  Lymphocyte 90%. ESR= 45.


পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই  পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন। 


আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন। 

ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন। 


Take_Home_Message: 

নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে। 


এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে  যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত। 


বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,

বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি  ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই  করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।   

*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) 

*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)


♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি,  ভাগিনা/ভাগিনী  থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।


এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam  (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।


বি: দ্র: ইংরেজিতে একটা কথা আছে,, Knowledge increases by Sharing, not by Saving! এই সিরিজের সবগুলো লিখাই একাডেমিক আলোচনার জন্য। প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য/অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন। 

Dr. Fahim Uddin

Khulna Medical College

Session: 2012-2013 


♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।


পড়াশেষে Done লিখুন এবং জনস্বার্থে শেয়ার করুন।মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়। 


ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা  করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন। 


পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায়  এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।


যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল। 


এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না। 

এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই। 


এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে। 


Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না

কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা। 


সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট। 


ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান। 


পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas  স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে। 


তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?  


তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার  কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়। 


কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।) 


এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%,  Lymphocyte 90%. ESR= 45.


পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই  পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন। 


আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন। 

ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন। 


Take_Home_Message: 

নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে। 


এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে  যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত। 


বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,

বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি  ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই  করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।   

*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) 

*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)


♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি,  ভাগিনা/ভাগিনী  থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।


এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam  (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।


বি: দ্র: ইংরেজিতে একটা কথা আছে,, Knowledge increases by Sharing, not by Saving! এই সিরিজের সবগুলো লিখাই একাডেমিক আলোচনার জন্য। প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য/অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন। 

Dr. Fahim Uddin

Khulna Medical College

Session: 2012-2013 


♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।


পড়াশেষে Done লিখুন এবং জনস্বার্থে শেয়ার করুন।

আপনার জীবন, আপনার সিদ্ধান্ত ‼️

 

✅আপনার জীবন, আপনার সিদ্ধান্ত ‼️

আপনি কি এমন একজন, যিনি ভাবেন, “একদিন আমি সব ঠিকঠাক করে নেব”?
• “আগামীকাল থেকে সকালে উঠে দৌড়াবো।”
• “পরের মাস থেকে নতুন কিছু শিখব।”
• “একটা ভালো কাজ শুরু করবো।”
• “পরের বার নিশ্চিতভাবে পরীক্ষা ভালো দেব।”

কিন্তু ‘একদিন’ কখনো আসে না। আর এই অপেক্ষা, এই ‘আগামীকাল’ আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রতারক।

আপনার সমস্যার আসল কারণ কী?

১. পরিকল্পনা নয়, কাজ শুরু করুন:


পরিকল্পনা করা সহজ, কিন্তু সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করা কঠিন। আমাদের মস্তিষ্ক পরিকল্পনার সময় সাময়িক আনন্দ পায় এবং মনে করে কাজ শেষ। কিন্তু বাস্তবিক কাজ শুরু না করলে সেটি শুধু একটা কল্পনা।

২. সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষা:


“সবকিছু ঠিকঠাক হলে শুরু করবো”—এই ধারণা ভয়ানক। কারণ জীবন কখনোই নিখুঁত হবে না। এই অপেক্ষার মানে হলো, আপনি ভয় পাচ্ছেন।

৩. ছোট পদক্ষেপে অগ্রগতি:


বড় কিছু করার জন্য ছোট শুরু করাটা জরুরি। আপনি যদি দিনে মাত্র ১০ মিনিটও কিছু করেন, তাও অগ্রগতির প্রথম ধাপ।

৪. ব্যর্থতার ভয়:


ব্যর্থতা জীবনের অংশ। আপনার ভুল থেকেই শিখতে হবে। ব্যর্থ না হলে সফলতাও আসবে না।

আপনার জন্য আজকের বার্তা:

জীবন আপনাকে কখনোই ‘পরে’ বা ‘কাল’ বলে অপেক্ষা করবে না। সময় তার মতো এগিয়ে যাবে। আপনি হয় আজ শুরু করবেন, নয়তো পিছিয়ে পড়বেন।

আজ থেকেই ছোট কিছু করুন।
• যদি পড়াশোনা হয়, একটা পৃষ্ঠা পড়ুন।
• যদি ফিটনেস হয়, ৫ মিনিট ব্যায়াম করুন।
• যদি নতুন দক্ষতা শিখতে চান, ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখুন।

যতদিন না আপনি শুরু করছেন, ততদিন সবকিছুই অসম্ভব। আর একবার শুরু করলে সবকিছুই সম্ভব।

আজকের ছোট পদক্ষেপটাই হতে পারে আপনার আগামীকালের সাফল্যের ভিত্তি।

তাই, “আগামীকাল” নয়, “আজ” শুরু করুন। কারণ, জীবন অপেক্ষা করবে না।
©
মাইসারা জান্নাত মিম
স্বপ্ন মানুষকে বাঁচতে শেখায়

গল্প থেকে শিক্ষা

 গল্প থেকে শিক্ষা


একজন ব্যক্তি ছিলেন, তার নাম ছিল সূরদাস। তিনি জন্ম থেকেই অন্ধ ছিলেন। তবে সূরদাস ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমান। অনেক কষ্ট করে তিনি পড়াশোনা শিখেছিলেন এবং বিবাহযোগ্য হয়ে ওঠেন। সূরদাসের বাবা-মা তার বিয়ে ঠিক করেন। তার স্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন এবং সূরদাসের বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়ে তাকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।


বিয়ের পর দুজনের জীবন সুন্দরভাবে চলতে থাকে। সূরদাসের স্ত্রী প্রতিটি কাজে তাকে সাহায্য করতেন।


কিছুদিন পর তাদের ঘর আলো করে এক পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সূরদাসের স্ত্রী একদিন চোখের রোগে আক্রান্ত হন এবং দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ফলে, দুজনের জীবন খুব কঠিন হয়ে পড়ে। স্ত্রী যখন রান্না করতেন, তখন কুকুর এসে খাবার খেয়ে যেত, যার ফলে তারা না খেয়েই থাকতেন।


একদিন সূরদাস গ্রামের এক জ্ঞানী ব্যক্তির কাছে গেলেন এবং নিজের দুঃখের কথা বললেন। সেই ব্যক্তি তাকে পরামর্শ দিলেন, “যখন তোমার স্ত্রী রান্না করবে, তখন তুমি ঘরের দোরগোড়ায় বসে লাঠি পেটাতে থাকো। এতে কুকুর ভয় পাবে এবং ঘরে আসবে না।”


সূরদাস এই উপদেশ মেনে চলতে শুরু করলেন। কিছুদিন এভাবেই চলল। তবে একদিন সূরদাস ও তার স্ত্রী মারা যান, আর তাদের ছোট সন্তান একা হয়ে গেল।


গ্রামের লোকেরা সেই ছেলেটির যত্ন নিল এবং বড় হয়ে গেলে তার বিয়ে দিয়ে দিল।


বিয়ের পর সূরদাসের ছেলে দেখল, তার মা রান্না করার সময় তার বাবা দোরগোড়ায় বসে লাঠি পেটাতেন। তাই সে নিজেও একই কাজ করতে লাগল, যদিও তার চোখ একেবারে সুস্থ ছিল।


একদিন এক গ্রাম্য বৃদ্ধ ছেলেটিকে এমন করতে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি এটা কেন করছো?”


ছেলেটি উত্তর দিল, “আমি জানি না, তবে আমার বাবা এমন করতেন, তাই আমিও করছি।”


তখন বৃদ্ধ হেসে বললেন, “আমি তোমার বাবাকে এই কাজ করতে বলেছিলাম, কারণ তোমার বাবা-মায়ের চোখ ছিল না। কুকুর যেন খাবার না খেয়ে নেয়, সে জন্যই তোমার বাবা লাঠি পেটাতেন। কিন্তু তুমি তো দেখতে পাও! তোমার এটা করার কোনো প্রয়োজন নেই।”


এই কথা শুনে সূরদাসের ছেলে হতবাক হয়ে গেল এবং সে তখনই সেই অভ্যাস বন্ধ করে দিল।


নৈতিক শিক্ষা:

কোনো কাজ করার আগে আমাদের জানতে হবে কেন সেটি করছি। না জেনে কোনো কাজ করাটা ভুল হতে পারে।।।


#অনুপ্রেরণা #মোটিভেশনাল

শেখ হাসিনার উন্নয়নগুলো,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শেখ হাসিনার উন্নয়নগুলো


@ পদ্মা সেতু ও রেল লাইন

@ মেট্রোরেল 

@ এলিভেটেড এক্সপ্রেস 

@ থার্ড টার্মিনাল 

@ হাতিরঝিল প্রকল্প

@ পূর্বাচল তিনশো ফিট

@ উড়াল সেতু নির্মাণ 

@ বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু

@ যমুনা রেল সেতু

@ সমুদ্র সীমা বিজয় 

@ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট 

@ রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র 

@ কর্নফুলি ট্যানেল

@কক্সবাজার রেল লাইন

@কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

@ ঢাকা ও চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে

@ পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র 

@ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র 

@ মাতারবাড়ী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র 

@ ১১৯ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন

@ পায়রা সমুদ্র বন্দর 

@ ১০০ টি ইকোনমিক জোন

@ ৫৬০ টি মডেল মসজিদ 

@১৬৮১ টি মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ 

@ কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি 

@ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীতকরণ

@ রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান

@সমস্ত দেশকে রেলওয়ে আওতায় আনার উদ্যোগ

@ ফ্লাইওভার নির্মাণ 

@ মহাসড়ক গুলো চার,ছয়  ও আট লাইনে উন্নতি করন।

@ এশিয়ান হাইওয়ে রোড প্রকল্প 

@ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ 

@ ফ্লাইওভার নির্মাণ 

@ নদী ভাঙ্গন রোদ প্রকল্প

@ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি

@ বয়স্ক ভাতা

@ মাতৃত্বকালীন ভাতা

@ বিধবা ভাতা

@ মুক্তিযোদ্ধা ভাতা

@ শিক্ষা ভাতা

@ প্রতিবন্ধী ভাতা 

@ স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা 

@ জেলেদের খাদ্য সহয়াতা

@ ঈমামদের ভাতা

@ বৈশাখী ভাতা

@ ডি জি ডি কার্ড

@ ভি জি এফ কার্ড

@ ও এম এস কর্মসূচি 

@ ১০ টাকা মুল্যে চাল বিতরণ

@ বিনামূল্যে বই

@ কমিউনিটি ক্লিনিক এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা।

@ দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি 

@ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি 

@ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ 

@ আরবি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন 

@ শেখ হাসিনা  বার্ন হাসপাতাল

@ প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল তথ্য সেবা

@ মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা বৃদ্ধি 

@ কর্মসংস্থান সৃষ্টি 

@ কৃষিতে সফলতা 

@ নারীর ক্ষমতায়ন

@ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি 

@ মাতৃত্বকালীন ছুটি বৃদ্ধি 

@ ছিটম�


মসজিদকে বলা হয় মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহতায়ালার ঘর ও মুসলিমদের ইবাদত কেন্দ্র। মসজিদ প্রত্যেক মুসলমানের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও পবিত্র জায়গা। ইসলামে মসজিদ নির্মাণ এবং মসজিদ সংরক্ষণের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহতায়ালা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ ঘর নির্মাণ করবেন।’ সহিহ বোখারি : ৪৫০


রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার উদ্যোগে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন বিরল এক ঘটনা। ইতিহাস হয়ে থাকবে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৫৬৪টি মডেল মসজিদ নির্মাণ। মুসলমানদের প্রতি তার মমত্ববোধ ও ভালোবাসার  এক অনন্য, অসাধারণ, বিস্ময়কর ও ইতিহাস সৃষ্টিকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা।

শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫

হিন্দু বা বৌদ্ধরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় "উপবাস"। খ্রিস্টানরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘’ফাস্টিং"। মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় "সিয়াম"

 হিন্দু বা বৌদ্ধরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় "উপবাস"। খ্রিস্টানরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘’ফাস্টিং"। মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় "সিয়াম"। বিপ্লবীরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘’অনশন"। আর, মেডিক্যাল সাইন্সে উপবাস করলে, তাকে বলা হয় "অটোফেজি"।


২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ‘ওশিনরি ওসুমি’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে নোবেল পুরষ্কার দেন ।


যাই হোক, ‘Autophagy‘ কি ?


Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ ।


Auto অর্থ নিজে নিজে এবং Phagy অর্থ খাওয়া ।


সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া ।


মেডিক্যাল সাইন্স থেকে জানা যায়, শরীরের কোষগুলো বাইরে থেকে কোনো খাবার না পেয়ে, নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকেই অটোফেজি বলা হয়।


আরেকটু সহজভাবে বলি -


আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে ।


সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে, কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায় ।


শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মতো অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই। মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে দেয় ।


কোষগুলোর আমাদের মতো আবর্জনা ফেলার কোন জায়গা নেই বলে, তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি।


শুধুমাত্র এই জিনিসটা আবিষ্কার করেই জাপানের, ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা পেয়ে গেলেন ।


তিনি আবিষ্কার করেন যে ১২-২৪ ঘন্টা উপবাস রাখলে মানুষের দেহে অটোফেজি চালু হয়।


তিনি প্রমান করেন যে, উপবাস থাকার মাধ্যমে মানুষের নিম্নলিখিত উপকার গুলো হয়-


১| দেহের সেল পরিস্কার হয়।


২| ক্যান্সার সেল ধ্বংস হয়।


৩| পাকস্থলীর প্রদাহ সেরে যায়।


৪| ব্রেইনের কার্যকরীতা বাড়ে।


৫| শরীর নিজে নিজেই সেরে যায়।


৬| ডায়াবেটিস ভালো হয়।


৭| বার্ধক্য রোধ করা যায়।


৮| স্থূলতা দূর হয়।


৯| দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়।


তাহলে বুঝুন ধর্মগ্রন্থে অনেক আগেই যেটা বলে এসেছে যে উপোস করা শরীরের পক্ষে ভালো। সেটাকে এতদিন বিজ্ঞানমনস্করা কুসংস্কার বলে এসেছে। 2016 সালের পর থেকে ওনারাও ধর্ম গ্রন্থের কথাই নুতুন নামকরণ (অটোফেজি) বলে চালাচ্ছে 😊।


তাহলে পাঠকগণ এর থেকে কি বোঝা গেল যে ধর্মগ্রন্থে যেটি লেখা আছে সেটি একদম ঠিক বিজ্ঞান যতক্ষণ প্রমাণ করতে না পারবে ততক্ষণ সেটা কুসংস্কার।।

পঁচে যাওয়া পেঁয়াজ হতে পারে কোটি টাকার রপ্তানি ব্যবসা! কিন্তু কিভাবে আসুন জেনে নিই।

 

পঁচে যাওয়া পেঁয়াজ হতে পারে কোটি টাকার রপ্তানি ব্যবসা! কিন্তু কিভাবে আসুন জেনে নিই।
বাংলাদেশে মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়, কিন্তু সংরক্ষণের অভাবে এর একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এই অতিরিক্ত বা নষ্ট হয়ে যাওয়া পেঁয়াজ যদি প্রসেস করে পেঁয়াজ পাউডার তৈরি করা যায়, তবে তা দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করে বিশাল মুনাফা করা সম্ভব।

পেঁয়াজ পাউডার বিভিন্ন ফাস্ট ফুড চেইন, রেস্টুরেন্ট, প্রসেসড ফুড কোম্পানি, সস এবং ইনস্ট্যান্ট নুডলস প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে। এর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা অনেক বেশি।

এই গাইডে বিস্তারিত আলোচনা করব কীভাবে পেঁয়াজ পাউডার ব্যবসা শুরু করবেন, উৎপাদন করবেন, বাজারজাত করবেন এবং রপ্তানি করবেন।

পেঁয়াজ পাউডার ব্যবসার সম্ভাবনা ও বাজার বিশ্লেষণ

বিশ্বব্যাপী পেঁয়াজ পাউডারের বাজার ২০২৪ সালে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৯ সালের মধ্যে ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে!

প্রতিদিন লাখ লাখ টন পেঁয়াজ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এগুলো সংরক্ষণ করা কঠিন। এজন্য অনেক কোম্পানি পেঁয়াজের বদলে পেঁয়াজ পাউডার ব্যবহার করে, যা সংরক্ষণ করা সহজ এবং রান্নায় ব্যবহার করাও সুবিধাজনক।

বৃহত্তর বাজার কোথায়?

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেঁয়াজ পাউডারের চাহিদা প্রচুর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাজার:
✅ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি
✅ সৌদি আরব, দুবাই, কাতার, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড
✅ ভারত ও চীন পেঁয়াজ পাউডারের বড় সরবরাহকারী, কিন্তু বাংলাদেশও এই বাজার ধরতে পারে

পেঁয়াজ পাউডারের দাম ও লাভ

✅ আন্তর্জাতিক বাজারে ১ কেজি পেঁয়াজ পাউডারের দাম $৩-$৮ (প্রায় ৩৫০-৯০০ টাকা)।
✅ পাইকারি বাজারে প্রতি টন পেঁয়াজ পাউডার $৩,০০০-$৮,০০০ (প্রায় ৩-৮ লাখ টাকা) বিক্রি হয়!

বাংলাদেশে প্রতি মৌসুমে ৫-১০ টন পেঁয়াজ নষ্ট হয়। এগুলো দিয়ে পাউডার তৈরি করলে বছরে কোটি টাকার ব্যবসা করা সম্ভব!

পেঁয়াজ পাউডার তৈরির ধাপ

১. কাঁচামাল সংগ্রহ

প্রথম ধাপে কম দামে মৌসুমী পেঁয়াজ সংগ্রহ করতে হবে। মৌসুমে যখন পেঁয়াজের দাম কম থাকে, তখন বেশি পরিমাণে কিনে মজুত করতে হবে।

২. পরিষ্কার ও কাটিং

সংগ্রহ করা পেঁয়াজ ভালোভাবে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করতে হবে।

৩. শুকানোর প্রক্রিয়া (Dehydration)

পেঁয়াজের পানি কমাতে ৬০-৭০°C তাপমাত্রায় হট এয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করে ৮-১২ ঘণ্টা শুকানো হয়। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, কারণ সঠিকভাবে শুকানো না হলে পাউডার ভালো মানের হবে না।

৪. গুঁড়ো করা (Grinding)

শুকিয়ে নেওয়া পেঁয়াজ ব্লেন্ডারে বা গ্রাইন্ডিং মেশিনে গুঁড়ো করে পাউডার বানানো হয়।

৫. প্যাকেজিং ও সংরক্ষণ

পেঁয়াজ পাউডার আর্দ্রতা প্রতিরোধী উন্নত মানের প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে এটি দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

পেঁয়াজ পাউডার ব্যবসা শুরু করতে কী লাগবে?

প্রয়োজনীয় মেশিন ও সরঞ্জাম

✅ পেঁয়াজ কাটার মেশিন (১-২ লাখ টাকা)
✅ শুকানোর মেশিন (Dehydrator) (২-৩ লাখ টাকা)
✅ পাউডার গ্রাইন্ডিং মেশিন (৫০,০০০ - ১ লাখ টাকা)
✅ প্যাকেজিং মেশিন (১-২ লাখ টাকা)

বিনিয়োগ ও লাভের হিসাব

একটি ছোট ইউনিট শুরু করতে ৫-১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

১০ টন পেঁয়াজ থেকে ১ টন পেঁয়াজ পাউডার তৈরি করা যায়।
• পেঁয়াজ ক্রয় খরচ: ১০ টন × ২০ টাকা = ২,০০,০০০ টাকা
• উৎপাদন খরচ: ৫০,০০০ টাকা
• প্যাকেজিং ও পরিবহন খরচ: ৫০,০০০ টাকা
• মোট খরচ: ৩,০০,০০০ টাকা
• বিক্রয় মূল্য (আন্তর্জাতিক বাজারে ১ টন): ৮,০০,০০০ টাকা
• লাভ: ৫,০০,০০০ টাকা

বছরে ১০ টন পেঁয়াজ পাউডার রপ্তানি করলে ১ কোটি টাকা লাভ সম্ভব!

কীভাবে বিক্রি ও রপ্তানি করবেন?

স্থানীয় বাজারে বিক্রি

✅ সুপারশপ, রেস্টুরেন্ট, খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান
✅ অনলাইন মার্কেটপ্লেস (Daraz, Facebook, Instagram, Shopee)

আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি

✅ B2B প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন: Alibaba, Indiamart, Amazon, GlobalSources, Tradekey
✅ সরাসরি আমদানিকারকদের সাথে যোগাযোগ করুন
✅ সঠিক রপ্তানি নীতিমালা অনুসরণ করুন (HACCP, ISO, FDA সার্টিফিকেট নিন)

কেন এখনই পেঁয়াজ পাউডার রপ্তানি ব্যবসা শুরু করা উচিত?

✅ বাংলাদেশে প্রচুর কাঁচামাল সহজলভ্য
✅ বিশ্বব্যাপী বিশাল বাজার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা
✅ কম বিনিয়োগে লাভজনক ব্যবসার সুযোগ
✅ E-commerce ও B2B প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহজেই রপ্তানি সম্ভব

বাংলাদেশের কৃষিপণ্যকে প্রসেসিং ও রপ্তানির মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব। পেঁয়াজ পাউডার এমন একটি পণ্য যা অল্প বিনিয়োগে বিশাল মুনাফা দিতে পারে।

বিশ্ববাজারে এর চাহিদা প্রচুর, এবং বাংলাদেশ চাইলে এই সেক্টরে বড় রপ্তানিকারক হতে পারে। তাই সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ব্যবসায় প্রবেশ করলে, এটি হতে পারে আপনার কোটি টাকার রপ্তানি ব্যবসা!

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২১-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২১-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ওমরাহ’র ক্ষেত্রে বিমানের টিকিট সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে --- জানালেন ধর্ম উপদেষ্টা।


অন্তর্দ্বন্দ্ব ভুলে গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিতে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চলমান সংলাপের অংশ হিসেবে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির সঙ্গে বৈঠক আগামীকাল।


আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন নিষিদ্ধের দাবি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় --- আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন মেনে নেবেনা জনগণ --- ফেসবুকে পোস্টে বললেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমীর।


গাজায় নির্মম হত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানালো বিএনপি।


প্রচন্ড লড়াইয়ের মাধ্যমে দুই বছর পর সুদানের সেনাবাহিনী পুনর্দখল করলো প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ।


এবং অকল্যান্ডে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের বিশাল জয়।

বাইসাইকেল হেলিকপ্টার এখন গল্প মাত্র! 

 বাইসাইকেল হেলিকপ্টার এখন গল্প মাত্র! 


সাতক্ষীরার হেলিকপ্টার বলতে মূলত এখানকার এক ঐতিহ্যবাহী বাহনকে বোঝানো হয়। এটি কোনো উড়োজাহাজ নয়, বরং একটি বিশেষ ধরনের বাইসাইকেল। সাতক্ষীরার হেলিকপ্টারের কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:


Tradition of satkhira 


 * বৈশিষ্ট্য:

   * এটি মূলত একটি বাইসাইকেল, যার পেছনে একটি আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা থাকে।

   * পেছনের ক্যারিয়ারে একটি কাঠ বেঁধে তার ওপর ফোম বা গদি লাগিয়ে বসার ব্যবস্থা তৈরি করা হয়।

   * সাইকেলের চালক সিটের সামনে মূল ফ্রেমের উপর বসানো হয়।

   * পেছনের সিটে একজন যাত্রী এবং সামনের সিটে চালক বসেন।


"সাতক্ষীরা ঐতিহ্য"


 * ইতিহাস:

   * সাতক্ষীরার রাস্তাঘাট অনুন্নত থাকার কারণে এই বাহনটির প্রচলন শুরু হয়।

   * ষাটের দশকে এটি সাতক্ষীরার জনপ্রিয় বাহন ছিল।

   * সত্তর আশির দশকে সাতক্ষীরায় এসেছেন অথচ হেলিকপ্টারে চড়েন নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়।

   * শুধু প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষ বহনই নয়, সংবাদপত্র পৌঁছানোর কাজেও এটি ব্যবহার করা হতো।


 * বর্তমান অবস্থা:

   * আধুনিক যানবাহনের কারণে এর ব্যবহার এখন কমে গেছে।

   * তবে এখনও সাতক্ষীরার কিছু এলাকায় এই ঐতিহ্যবাহী বাহন দেখা যায়।

 * সাতক্ষীরার এই ঐতিহ্যবাহী যানটি এখন বিলুপ্তির পথে।

সাতক্ষীরার এই হেলিকপ্টার সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার একটি অংশ এবং এর সঙ্গে অনেক ইতিহাস জড়িয়ে আছে।

আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে এমন কিছু চমৎকার  উক্তি সমূহ। তো জেনে নেওয়া যাক তাহলে:

 আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে এমন কিছু চমৎকার  উক্তি সমূহ। তো জেনে নেওয়া যাক তাহলে:


(1) যা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!


(2) সততার কাছে দুর্নীতি কোন দিন জয়ী হতে পারে না।


(3) দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক। একটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু তা তোমাকে বলে না। আর অপরটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে না এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলে দেয়।


(4) বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই সত্যিকারের বন্ধু।


 (5) দু:খ কখনও একা আসে না, যখন আসে তখন তার দলবল নিয়ে-ই আসে।


(6) আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময় এই দুঃখের কারণ হয়ে দাড়ায়।


(7) অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।


(8) জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না,শুধু স্মৃতিগুলো রয়ে যায়।


(9) কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও। তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রেখো। কারন, প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না।


(10) যে তার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না, সে ভালোবাসতেই জানে না।


(11) আনন্দ ও কাজ সময়কে সংক্ষিপ্ত করে।


(12) সাফল্যের ৩টি শর্তঃ - অন্যের থেকে বেশী জানুন! - অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন! - অন্যের থেকে কম আশা করুন!


(13) তোমার একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোঁখে জল আসে, তবে মনে রেখো, তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না।


(14) তোমার বন্ধু যখন বিপদে থাকবে, তখন সে না ডাকলেও তাকে সাহায্য কর। কিন্তু, যখন সে খুশিতে থাকবে, তখন সে না ডাকলে যেওনা।


একটা গল্প বলি,👇


শেক্সপিয়ার কে একজন জিজ্ঞেস করলো "তুমি বিয়ে করেছ তোমার চেয়ে বেশি বয়সের একটি মেয়েকে। তোমার লজ্জা করেনা।" শেক্সপিয়ার তাকে একটি ক্যালেন্ডার এনে দেখালেন আর বললেন "আপনি বলতে পারবেন সপ্তাহের সাতটি দিনের মধ্যে কোনটা যুবক আর কোনটা বৃদ্ধ?" আসলে ভালবাসার কোন বয়স হয়না আপনি যে কাউকেই ভালবাসতে পারেন।


* প্রয়োজন খারাপ কেও ভাল করে তোলে।


* মহত্ত্বের প্রতীক হচ্ছে ক্ষমাশীলতা।


 * জীবন-জীবন মানেই অনিশ্চিত ভ্রমণ।


* আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায়।


ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে।।


 আত্নবিশ্বাসী হও এগিয়ে যাও সফলতা ধরা দিবেই...😊🌸


Self Confidence

#fallow

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...