এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ২৫-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ২৫-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


এক মিনিট প্রতীকী ব্ল্যাকআউটসহ বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ জাতি পালন করবে ঐতিহাসিক গণহত্যা দিবস।


আগামীকাল মহান স্বাধীনতা দিবস - রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করবেন প্রধান উপদেষ্টা।


দেশে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ সমুদ্রপথে ফেরি চলাচল শুরু।


অবৈধ অভিবাসন রোধে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে এসওপি স্বাক্ষরিত।


ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার - ঈদের আনন্দ শেয়ার করে নিতে প্রিয়জনের কাছে ছুটছেন নগরবাসী।


সচেতনতার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা প্রতিহত করার আহ্বান জানালেন বিত্রনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


গাজা থেকে সকল ইসরাইলি সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়টি যুক্ত করে নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দিল মিশর। 


শিলং-এ এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে আজ স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

বিখ্যাত আর্য গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ আর্যভট্ট (

 বিখ্যাত আর্য গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ আর্যভট্ট ( ৪৭৬–৫৫০ খ্রিস্টাব্দ ) প্রথমবারের মত নিখুঁতভাবে পাই ( π) এর গাণিতিক মান প্রকাশের জন্য যিনি প্রথমবারের মত এটিও আবিস্কার করেছিলেন যে পাই এর মান নির্দিষ্ট নয় বরং এটি একটি অমূলদ তথা আসন্ন সংখ্যা।তার বিখ্যাত গ্রন্থ আর্যভাটিয়া এর দ্বিতীয় অধ্যয় গণিতপাদ এর দশ নং শ্লোক এ তিনি ৪৯৯ খ্রিষ্টাব্দে লিখেছিলেন-


চতুরাধিকং শতম্ অষ্টগুনম্ দ্বষষ্টিস্তথা সহস্রাণাম্।

আয়ুতদ্বযবিস্কম্ভস্ব আসন্নো বৃত্তপরিণাহ।।

(আর্যভাটিয়া ২।১০)  


অর্থাৎ চতুরাধিকং শতম মানে যদি ১০০ এর ৪ বেশীকে(১০০+৪=১০৪) অষ্টগুনম বা ৮ গুন করে তাকে দ্ব ষষ্টি বা ৬২ এর সহস্রাণাম বা ১০০০ গুন = ৬২০০০ এর সাথে যোগ করা হয় তাহলে আয়ুতদ্ব বা ১০০০০ এর ২ গুন তথা ২০০০০ একক ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের পরিধি পাওয়া যাবে।


এখানে বৃত্তের পরিধি হল (১০৪*৮+৬২০০০)এবং ব্যাস হল ২০০০০।


আমরা জানি π=পরিধি/ব্যাস।

তাহলে এখানে পাই এর মান পাই-


(১০৪*৮+৬২০০০)/২০০০০=

৬২৮৩২/২০০০০


অর্থাৎ ৩.১৪১৬!!!!


এবং তিনি বলেও দিয়েছেন এই মান "আসন্নো" মানে আসন্ন অর্থাৎ দশমিক এর পরে চলতেই থাকবে,এখানেই শেষ নয়।


এছাড়াও, আর্যভট্ট ধ্বনিসংক্রান্ত সংখ্যার স্বরলিপির একটি সিস্টেম তৈরি করেছিলেন যেখানে সংখ্যাগুলিকে ব্যঞ্জনবর্ণ-স্বরবর্ণের মনোসিলেবল দ্বারা উপস্থাপন করা হয়েছিল। পরবর্তী ভাষ্যকার যেমন ব্রহ্মগুপ্ত তার কাজকে গণিতা ("গণিত"), কালক্রিয়া ("সময়ের গণনা") এবং গোলাপদা ("গোলাকার জ্যোতির্বিদ্যা") এ ভাগ করেছেন । তাঁর বিশুদ্ধ গণিত আলোচনা করে যেমন বর্গ এবং ঘনমূলের নির্ণয় , জ্যামিতিক পরিসংখ্যানগুলি তাদের বৈশিষ্ট্য এবং পরিমাপ সহ , গনোমনের ছায়ায় গাণিতিক অগ্রগতি সমস্যা , দ্বিঘাত সমীকরণ , রৈখিক এবং অনির্ধারিত সমীকরণ।আর্যভট্টের সাইন টেবিল এবং ত্রিকোণমিতির উপর তার কাজ ইসলামের স্বর্ণযুগে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিল ।তার কাজগুলো আরবি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং আল-খোয়ারিজমি এবং আল-জারকালিকে প্রভাবিত করেছে। তার গোলাকার জ্যোতির্বিদ্যায়, তিনি গোলাকার জ্যামিতিতে সমতল ত্রিকোণমিতি প্রয়োগ করেন এবং সৌর, চন্দ্রগ্রহণের হিসাব দেন। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে নক্ষত্রের আপাত পশ্চিমমুখী গতি গোলাকার পৃথিবীর তার নিজের অক্ষের আবর্তনের কারণে । আর্যভট্ট আরও উল্লেখ করেছেন যে চাঁদ এবং অন্যান্য গ্রহের উজ্জ্বলতা প্রতিফলিত সূর্যালোকের কারণে।


আর্যভট্টীয় বইটির গোলপাদ অংশে আর্যভট্ট উদাহরণের মাধ্যমে উল্লেখ করেছেন যে পৃথিবী নিজ অক্ষের সাপেক্ষে ঘোরে। তিনি পৃথিবীর আক্ষিক গতির হিসাবও করেছিলেন। তার হিসেবে পৃথিবীর পরিধি ছিল ৩৯,৯৬৮ কিলোমিটার, যেটা সে সময় পর্যন্ত বের করা যেকোন পরিমাপের চেয়ে শুদ্ধতর (ভুল মাত্র ০.২%)। সৌর জগৎে গ্রহগুলোর কক্ষপথের আকৃতি তার ভাষ্যে ছিল উপবৃত্তাকৃতির, এক বছর সময়কালের প্রায় সঠিক একটি পরিমাপ করেছিলেন, সূর্যগ্রহণ এবং চন্দ্রগ্রহণের সঠিক কারণ উল্লেখ করা এবং তার সময় নির্ধারণ করা।


প্রাচীন ভারতীয় গণিতের ইতিহাসে আর্যভট্টের হাত ধরেই ক্লাসিকাল যুগ (কিংবা স্বর্ণযুগ) শুরু হয়। গণিত এবং জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত আর্যভট্টের বিভিন্ন কাজ মূলত দুটি গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মাঝে ‘আর্যভট্টীয়’ একটি, যেটি উদ্ধার করা গিয়েছে। এটি রচিত চার খণ্ডে, মোট ১১৮টি স্তোত্রে। অন্য যে কাজটি সম্পর্কে জানা যায় সেটি হল ‘আর্য-সিদ্ধান্ত’। আর্য-সিদ্ধান্তের কোন পাণ্ডুলিপি খুঁজে পাওয়া যায়নি, তবে বরাহমিহির, ব্রহ্মগুপ্ত এবং প্রথম ভাস্করের কাজে এটির উল্লেখ মেলে।


আর্যভট্টের কাজের অধিকাংশই তিনি করেছিলেন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখানেই তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেন। শিক্ষাশেষে তিনি ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে যোগ দেন। কেউ কেউ বলেছেন, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান হিসেবেও আর্যভট্ট দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


পুনের আইইউসিএএ - তে আর্যভট্টের মূর্তি 🙏


✍️ অজানা ভারতবর্ষ Discover India 🇮🇳 Repost.

হাইপেশিয়া: ইতিহাসের প্রথম নারী গণিতবিদ ও দর্শনের আলো

 হাইপেশিয়া: ইতিহাসের প্রথম নারী গণিতবিদ ও দর্শনের আলো


হাইপেশিয়া—এক বিস্ময়কর নাম, ইতিহাসের প্রথম নারী গণিতবিদ, দার্শনিক ও আবিষ্কারক। শুধু গণিতেই নয়, তিনি দর্শন ও বিজ্ঞানেরও পথিকৃৎ ছিলেন। বলা হয়, তিনিই হাইড্রোমিটার আবিষ্কার করেছিলেন, যা তরলের ঘনত্ব পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।


জন্ম ও শিক্ষা


হাইপেশিয়ার জন্ম ৩৭০ খ্রিষ্টাব্দে (কিছু মতানুসারে ৩৫০ খ্রিষ্টাব্দে) আলেকজান্দ্রিয়ায়। তার পিতা ছিলেন বিখ্যাত দার্শনিক ও গণিতবিদ থিওন। তিনিই ছিলেন হাইপেশিয়ার প্রথম ও প্রধান শিক্ষক। গণিত, দর্শন এবং সাহিত্য—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি অগাধ জ্ঞান অর্জন করেন।


শিক্ষা ও প্রভাব


হাইপেশিয়ার প্রধান কাজ ছিল শিক্ষাদান। তিনি আলেকজান্দ্রিয়ার মানুষের কুসংস্কার ও অন্ধত্ব দূর করার লক্ষ্যে অসংখ্য লেকচার দিতেন। তার জ্ঞান ও যুক্তিবাদিতা শুধু আলেকজান্দ্রিয়াতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতেও তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছিল।


ধর্ম ও রাজনীতির সংঘাত


হাইপেশিয়া কোনো আব্রাহামিক ধর্ম অনুসরণ করতেন না; তিনি ছিলেন প্যাগান দর্শনের অনুসারী। সেই সময় আলেকজান্দ্রিয়ায় ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলছিল দুই শক্তির মধ্যে—একদিকে রোমান সম্রাট ওরেস্টেস, অন্যদিকে খ্রিস্টান চার্চের আর্চবিশপ সিরিল।


ওরেস্টেস ছিলেন হাইপেশিয়ার অনুরাগী, তিনি নিয়মিত তার বক্তৃতা শুনতে যেতেন। এটি সিরিলের জন্য সহ্য করা কঠিন হয়ে উঠল। সিরিল লক্ষ্য করলেন, হাইপেশিয়ার লেকচার শুনতে তার বাড়ির সামনে গাড়ির বহর লেগেই থাকত। ক্রমেই তিনি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন।


নৃশংস হত্যা


সিরিল হাইপেশিয়াকে ডাইনী ঘোষণা করেন। তখনকার ধর্মান্ধ খ্রিস্টানরা ডাইনী সন্দেহভাজন কাউকে পেলেই নির্মমভাবে হত্যা করত। হাইপেশিয়াও তাদের রোষানলে পড়লেন। একদিন উন্মত্ত জনতা তাকে ধরে এনে নির্মমভাবে হত্যা করল।


হাইপেশিয়া: ধর্মান্ধতার বলি


হাইপেশিয়া ছিলেন ইতিহাসের প্রথম নারী গণিতবিদ, দার্শনিক এবং সাহিত্যবিশারদ, যিনি ধর্মান্ধতার নির্মম বলি হন।


হাইপেশিয়ার কিছু অমর উক্তি


🔹 "নিজের চিন্তাকে নিজের মতো করে সংরক্ষণ কর। সে চিন্তা যদি ভুলও হয়, তাও ভালো—নিজে চিন্তা না করার চেয়ে।"


🔹 "রূপকথাকে জানা উচিত রূপকথা হিসেবে, পুরাণ কাহিনিকে শেখা উচিত পুরাণ কাহিনী হিসেবে। আর অলৌকিক ঘটনাকে বোঝা উচিত কল্পনার মতো করে। কুসংস্কার আর অন্ধবিশ্বাসকে সত্য হিসেবে শিক্ষা দেওয়ার মতো ভয়ানক কিছু নেই।"


🔹 "প্রতিটি ধর্মই প্রতারণাপূর্ণ। একজন আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ব্যক্তি তা কখনোই গ্রহণ করতে পারে না।"


হাইপেশিয়া শুধুই এক নারী গণিতবিদ নন, তিনি ছিলেন যুক্তির প্রতীক, বিদ্যার আলো, এক বিপ্লবী চিন্তানায়িকা। কিন্তু কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতার কাছে তাকে প্রাণ হারাতে হয়েছিল। তবুও, তার জ্ঞান আজও মানুষকে যুক্তিবাদ ও সত্যের পথে আলো দেখায়।


#হাইপেশিয়া #গণিত #দর্শন #বিজ্ঞান #প্রথম_নারী_গণিতবিদ #অভিনয়

ইলেকট্রিক ফ্যানের বিদ্যুৎ বীল হিসাব

 

১. যদি ফ্যানের পাওয়ার রেটিং ৭৫ ওয়াট হয়:

প্রতি ঘণ্টায় খরচ =  কিলোওয়াট = 0.075 kWh

১২ ঘণ্টায় খরচ =  = 0.9 kWh (ইউনিট)

এক মাসে (৩০ দিনে) খরচ =  = 27 ইউনিট

২. যদি ফ্যানের পাওয়ার রেটিং ৯০ ওয়াট হয়:

প্রতি ঘণ্টায় খরচ =  = 0.09 kWh

১২ ঘণ্টায় খরচ =  = 1.08 kWh

এক মাসে (৩০ দিনে) খরচ =  = 32.4 ইউনিট

বিল হিসাব (বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ইউনিট রেট অনুযায়ী)

বাংলাদেশে গড়ে প্রতি ইউনিট ৭ টাকা ধরা হলে:

৭৫ ওয়াট ফ্যানের মাসিক বিল =  = 189 টাকা

৯০ ওয়াট ফ্যানের মাসিক বিল =  = 227 টাকা

 ডা.হুমায়ূন বিশ্বাস স্যারের লেখা থেকে সংগ্রহ  ডিএইচএমএস পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হিসেবে  মেটেরিয়া মেডিকা ১ম বর্ষ সিনাঃ Cina Maritime(Cina)

 ডা.হুমায়ূন বিশ্বাস স্যারের লেখা থেকে সংগ্রহ 

ডিএইচএমএস পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হিসেবে 

মেটেরিয়া মেডিকা ১ম বর্ষ


সিনাঃ Cina Maritime(Cina)

🌐🌐🌐🌐🌐🌐🌐🌐🌐🌐


🖌️প্রুভারের নামঃ 

ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান


🖌️উৎসঃ 

ইহা একটি বৃক্ষ যার ফুল সবুজ হলুদ, এই গাছের বীজ হতে মূল আরক তৈরী হয়।


🖌️প্রাপ্তিস্থানঃ 

রাশিয়া, এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, ভারতের কাশশ্মীরে পাওয়া যায়।


🖌️সমনামঃ 

ওয়ার্মসীড (Worm seed), আর্টিমিসিয়া কন্ট্রা, কির্মালা, সোমরাজ বীজ।


🖌️উপশমঃ 

শিশুকে কোলে নিয়া বেড়াইলে, নড়াচড়ায়, পেট চাপিয়া শয়নে, মাথা নাড়িলে, দুলাইলে, চোখ রগড়াইলে।


🖌️বৃদ্ধিঃ 

রাতে, নিদ্রাকালে, মধ্যরাতের পূর্বে, অপরিচিত লোক দেখিলে, খোলা বাতাসে, ঠান্ডা বাতাসে, ঠান্ডা পানি নাড়লে, হাই তুলিলে, টিকা দিলে, পূর্ণিমাতে, মিষ্টি জিনিস খেলে, রাগের পর, বেশী খেলে, কোন কিছুর দিকে এক দৃষ্টে তাকালে, ক্রিমি বাড়লে, সূর্যের তাপে, গরমকালে, স্পর্শে।


🖌️ক্রিয়াস্থলঃ 

অন্ত্র, মস্তিষ্ক, মেরুদন্ড পাকস্থলী, মুত্রথলি, চোখ, বামদিকে ও শিশুদের পীড়ায়।


🖌️ধাতুগত লক্ষণঃ 

চোখের চারদিকে কালিমা, একটি গাল লাল, অপরটি ফ্যাকাশে, বদমেজাজী, সোরা ধাতু।


🖌️রোগের কারণঃ 

ক্রিমি বিশেষতঃ গোল কৃমি (Round Worm), মিষ্টি খেলে, অতিরিক্ত আহার, সহজপ্রাচ্য নয় এমন খাবার খেলে যেমন কয়লা, চারকল, চক, পাথরের টুকরা ইত্যাদি।


🖌️অনুপূরকঃ 

এন্টিম-টার্ট, ক্যাল-কার্ব, ড্রসেরা,র‍্যাটেনহিয়া।


🖌️ক্রিয়ানাশকঃ 

ক্যাস্ফর, ক্যাপসিকাম, চায়না ইপিকাক।


✒️চরিত্রগত লক্ষণঃ


📌১. সিনা প্রধানতঃ শিশুদের কৃমি বা কৃমিজনিত উপসর্গ

নিবারনের ব্যবহৃত হয়।


📌২.কোন লক্ষণের সহগামী লক্ষণ হিসাবে হাই উঠে বা কেহ হাই তুলিলো রোগীরও হাই উঠে।


📌৩.চোখের চারদিকে কালিমা পড়ে, একগাল লাল অন্যগাল ফ্যাকাশে।


📌৪.নিদ্রাবস্থায় দাঁত কড়মড় (দাঁতে দাঁত ঘষা) করে এবং জাগ্রত অবস্থা ১ নাকের মধ্যে সড় সড়, করিতে থাকে বলিয়া অনবরত নাক খোঁটে ঘুমের মধ্যে কাঁদে ও কথা বলে।


📌৫.শিশু এক পাশ থেকে আর এক পাশে হাত ছুঁড়তে থাকে।


📌৬.শিশু হঠাৎ নিদ্রা থেকে জেগে উঠে কোন দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই চিৎকার করে কাঁদিতে থাকে।


📌৭.শিশুদের গায়ের গন্ধ টক টক।


📌৮.মাথায় অত্যন্ত স্পর্শকাতর তার জন্য শিরঃপীড়া সময় মহিলারা চুল ঝুলাইয়া রাখে, বাধতে পারে না, শিশুরা মাথা আচড়াইতে দেয় না পর্যায়ক্রমে মাথা ও তলপেটে ব্যথা মাথা সামনের দিকে নোয়াইলে (Stooping) উপশম।


📌৯.মিষ্টি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা এবং বিভিন্ন অপাচ্য খাদ্য (চক, চারকল কয়লা, মাটি, পাথরের টুকরা) খাওয়ার ইচ্ছা।


📌১০.রোগী হামাগুড়ি (Knee Elbow Pasition) হইয়া পাছা উচু করিয়া ঘুমায়, উপুড় হইয়া ঘুমায়।


📌১১.দোল দিতে থাকিলে শিশু শান্ত হইয়া ঘুমাইয়া যায়।


📌১২.জিহবা পরিষ্কার।


📌১৩.জ্বরে মুখমন্ডল ঠান্ডা কিন্তু হাত দুটি গরম।


📌১৪.রাক্ষুসে ক্ষুধা ও পিপাসাহীনতা, যত পায় তত খায়। খাইয়া তাহার আশ মিটে না, আরো চাহিতে থাকে, খাইতে না পারলে চিবাইয়া চিবাইয়া ফেলিয়া দিতে থাকে। খাবার দেখিলে নড়িতে চায় না, খাবার লইয়া বসিয়া থাকে। খাইতে না দিলে ক্রমাগত ঘ্যান ঘ্যান করিয়া বাড়ী শুদ্ধ লোককে অতিষ্ট করিয়া তোলে।


📌১৫.রাক্ষুসে ক্ষুধার সহিত কোন কোন সময় ক্ষুধা হীনতা ও থাকে। 


📌১৬.মাতৃ দুধে অনিচ্ছা। 


📌১৭.মৃগী রোগের আক্রমনের পূর্বে ও পরে মাথা ব্যথা করে।


📌১৮. শিশুরা পড়তে বসলে মাথা ব্যথা করে, সেলাই করলে মাথা ও চোখে যন্ত্রনা হয়। 


📌১৯. শিশুরা রাতের নিদ্রায় বিছানায় প্রস্রাব করে (Nocturnal Enuresis) পূর্ণিমা রাতে উহা বৃদ্ধি পায়।


📌২০. প্রস্রাব ঘোলা, কিছুক্ষণ পর সাদা হইয়া যায়।


📌২১. মুখে পানি জমে।


📌২২. ঋতুস্রাব শীঘ্র শীঘ্র এবং পরিমাণে বেশী।


📌২৩. অত্যন্ত ক্রুদ্ধ স্বভাব, জেদী, একগুঁয়ে।


📌২৪. কোলে থাকিতে চায়।


📌২৫. অপরিচিত ব্যক্তির সহিত কথা বলিতে চায় না, কেহ তাহার মুখের দিকে তাকাইলে বিরক্ত হইয়া ক্রুদ্ধ হইয়া পড়ে।


📌২৬. শিশু ক্রমাগত লিঙ্গ ঘাটে।


📌২৭. নানা রকম জিনিসের বায়না ধরে, দিলে গ্রহণ করে না।


📌২৮. অদ্ভুত ধারণা মনে করে যেন সে কোন অন্যায় কাজ করেছে।


📌২৯. ভাল ব্যবহারের শিশুরাও অসুস্থ হয়ে খিটখিটে হয়ে পড়ে।


সিনার মানসিক লক্ষণঃ

================


চরিত্রগত লক্ষণের ২৩-২৯ পর্যন্ত


কৃমিতে সিনার ব্যবহারঃ

================


সিনা প্রধানতঃ শিশুদের কৃমি (গোলকৃমি) বা কৃমিজনিত উপসর্গে ব্যবহৃত হয়। শিশু নিদ্রাবস্থায় দাঁত কড়মড় করে। জাগ্রত অবস্থায় নাক চুলকায়, গায়ে টক গন্ধ, মুখে পানি জমে। ঘুমের মধ্যে কাঁদে ও কথা বলে। কৃমির সহিত রাক্ষুসে ক্ষুধা, গুহ্যদ্বারে চুলকানি।


সিনার শিশু- শিশু অত্যন্ত বদরাগী, একগুয়ে, ঘ্যানঘ্যানে প্রকৃতির, রাত্রে ছটফট করে, নিদ্রাবস্থায় খুব জোরে চীৎকার করিয়া উঠে, দাঁত কড়মড় করে, প্রস্রাব অত্যন্ত ঘোলা, নাকে চুলকানির ফলে নাক খোটে বা ডলে। সর্বদা দোল খেতে চায়। স্পর্শ, আদর বা কোলে উঠতে চায় না। অনেক কিছু চায় কিন্তু দিলে সব কিছু ছুড়ে ফেলে।

স্বামীপেডিয়া

 ------- স্বামীপেডিয়া 😃

১. ব্যাচেলর স্বামী (Bachelor Husband):

এরা কেতাদুরস্ত, মুখে সর্বদা মিষ্টি হাসি থাকে। নিজেকে ব্যাচেলর বলতে ভালোবাসে। বয়স যতই হোক না কেন, কেউ ব্যাচেলর বললে খুশী হয়। স্ত্রীর চেয়ে বন্ধুদের সাথে বেশি আড্ডা দেয়। দাম্পত্য জীবন নিয়ে মোটেও সিরিয়াস নন। এদের অনেক বান্ধবীও থাকে। 

২. তপ্ত স্বামী (Heated Husband):

এরা সবসময় সাপের মতো ফোঁস ফোঁস করে, গরম পানির মতো টগবগ করে, সব সময় রাগান্বিত, হিংস্র মেজাজ, আধিপত্যশীল ও খুব বিপজ্জনক। মধ্যরাত ছাড়া বউয়ের প্রয়োজন অনুভব করে না। গতি প্রকৃতি সাইক্লোনের মতো অনিশ্চিত। 

৩. ক্রীতদাস স্বামী (Slave Husband): শ্বশুর বাড়িতে লজিং থেকে পড়াশোনা, শ্বশুরের টাকায় লেখাপড়া, ছাত্রীর সাথে প্রেম কিংবা “বিবাহের বিনিময়ে চাকুরী” কর্মসূচিসহ কিছু অজ্ঞাত দূর্বলতার কারণে এদের স্বাধীনতার অপমৃত্যু ঘটে। এরপর আর কোন ভাবেই হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারে না।

৪. সাধারণ স্বামী (Ordinary Husband):

এরা খুবই গতানুগতিক, আর দশটা স্বামীর মতোই সাধারণ নিরবে সব সয়ে যায়। এরা জেনেই গেছে পুরুষ হয়ে জন্মেছি এটুকু জ্বালা সহ্য করতেই হবে। তাই প্রতিবাদের ঝুঁকি নেয় না।

৫. চামড়ামোটা স্বামী (Fat Skinned Husband): নানান কথার বাণে বিদ্ধ হয়ে এদের চামড়া গণ্ডারের ন্যায় পুরু হয়ে যায়। “তোমার ভাগ্য ভালো যে আমার মতো ... পেয়েছো আর কেউ হলে সেই কবেই ফেলে চলে যেতো” জাতীয় বাক্যবাণ এদের চামড়া ভেদ করতে পারে না।

৬. নিপীড়িত স্বামী (Oppressed Husband):

এরা নিজ বাড়ির চাইতে জেলখানা কিংবা নির্জন বনাঞ্চলকে শান্তির জায়গা মনে করে। সয়ে সয়ে উপরওয়ালার কাছে বিচার চাওয়ারও সাহস করে না। তবে পত্রিকায় কারও বউ মরার সংবাদ খুব মন দিয়ে পড়ে, তারপর কি যেনো ভেবে লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আগের মতো চুপচাপ বসে থাকে।

৭. তেজপাতা স্বামী (Dry Husband):

এরা খুব মুডি, কৃপণ, আত্মকেন্দ্রিক। স্ত্রীর ভালোলাগা, ইচ্ছা ও আগ্রহ মোটেও বিবেচনা করে না, রসবোধ নেই। বউ নিয়ে বেড়ানো রেস্টুরেন্টে যাওয়া, শখ করে বউয়ের জন্য কিছু কেনাকাটা করা এদের কাছে খুব কঠিন একটা কাজ। এরা রিলেশনকে আনন্দদায়ক করতে জানে না। 

৮. দাবাড়ু স্বামী (Grand Master Husband):

এরা স্ত্রীকে সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে, স্ত্রীকে শুধুমাত্র তখনই ভালোবাসে যখন তার কাছ থেকে কিছু প্রয়োজন হয়। এরা খুব চালাক, স্ত্রীর দুর্বলতাগুলি খুব ভালোভাবে জানে, স্বার্থ উদ্ধারে তা ভালোভাবে কাজে লাগাতে জানে। 

৯. পরজীবী স্বামী (Parasite Husband):

এরা অলস, শুধুমাত্র অর্থের জন্য স্ত্রীকে ভালোবাসে। বউয়ের রোজগারের টাকায় চলে, ফুটানি করে, কেউ কেউ বিভিন্ন নেশার পেছনে বউয়ের টাকা খরচ করে। সংসারের কাজে স্ত্রী'কে মোটেও সাহায্য করে না। এদের একটি প্রজাতি “ঘর জামাই বা গৃহপালিত স্বামী” নামেও পরিচিত।

১০. অপরিপক্ব স্বামী (Immatured Husband): এরা দায়িত্ব কাণ্ডজ্ঞানহীন ও শিশুসুলভ। তারা মা বোন বা আত্মীয়দের জিজ্ঞাসা না করে নিজে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কিন্তু ভুল কিছু ঘটে গেলে দ্রুত বউয়ের কাছে ছুটে যায়।

১১. অতিথি স্বামী (Guest Husband): 

এরা সব সময় বাড়িতে থাকে না, মাঝে মাঝে ভিজিটর এর মতো আসে। যে ক'দিন ঘরে থাকে বউকে প্রচণ্ড ভালোবাসে। পরিবারের বাজার ঘাট বা দরকারি জিনিসপত্র কিনে দিয়ে বউ অশ্রুজল উপেক্ষা করে বিদেয় নেয়।যেমন: চাকরিজীবী, প্রবাসী স্বামী।

১২. যত্নশীল স্বামী (Caring Husband):

এরা যত্নশীল, প্রেমময়; সকল মানসিক চাহিদা পুরণ করে, পরিবারকে যথেষ্ট সময় দেয়। অত্যন্ত দায়িত্বশীল, স্ত্রীকে অংশীদার বিবেচনা করে, সকল কাজে সাহায্যকারী হিসাবে পাশে থাকে।

গরু ও মহিষের  হিটে (গরম হবার)  আসার লক্ষণ:

 গরু ও মহিষের  হিটে (গরম হবার)  আসার লক্ষণ:


লেজ নাড়ানো: গাভী ঘন ঘন লেজ নাড়ায়।

খাবার গ্রহণে অনীহা: গাভী স্বাভাবিকের চেয়ে কম খাবার গ্রহণ করে।


বারবার ডাকাডাকি করা (Repeated bellowing)।


লেজ উত্তোলন করা।


যৌনাঙ্গের ঠোঁট ফুলে যাওয়া এবং লালচে হওয়া।


ঘন, লম্বাটে এবং স্বচ্ছ রস নির্গত হওয়া।


ঘন ঘন প্রস্রাব করা (Micturition)।


অস্থিরতা দেখা দেওয়া, অন্য পশুর গন্ধ শোঁকা এবং তাদের ওপরে চড়ে বসা।


প্রজননের সঠিক সময়: 


গরমের ১০-১২ ঘণ্টা পর, গাভী অন্য গাভী বা ষাঁড়কে তার ওপর চড়তে দেয়—এটিই কৃত্রিম প্রজননের (AI) সঠিক সময়।


স্বাভাবিক প্রজনন বা কৃত্রিম প্রজনন (AI) গরমের প্রথম লক্ষণ দেখার ১০-১২ ঘণ্টা পরে করানো উচিত, তবে সর্বোচ্চ ১৮ ঘণ্টার মধ্যে।


যদি সন্ধ্যায় গরমের লক্ষণ দেখা যায়, তবে পরের দিন সকালে কৃত্রিম প্রজনন করানো উচিত।


যদি পরের দিন সকালে গরম অব্যাহত থাকে, তবে একই দিনে আবার কৃত্রিম প্রজনন করা যেতে পারে।


যদি পশু গর্ভধারণ না করে, তবে ১৮-২১ দিনের মধ্যে পুনরায় গরমে আসবে।


প্রজননের ২১ দিন পর পুনরায় গরমের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা উচিত, বিশেষ করে ভোরবেলা বা রাতের শেষ দিকে।


মহিষের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন নিতে হবে, কারণ তাদের গরমের লক্ষণ স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় না। সাইলেন হিট থাকে।


কৃত্রিম প্রজনন (AI) প্রক্রিয়া:


প্রাণী চিকিৎসক বা খামারি বা প্রজনন কর্মী প্রথমে গাভীর হিটের লক্ষণগুলি পরীক্ষা করবেন: 

এরপর, একটি জীবাণুমুক্ত ক্যাথেটারের মাধ্যমে উন্নত জাতের ষাঁড়ের সিমেন গাভীর জরায়ুতে প্রবেশ করানো হয়।


এই প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিশেষ দক্ষতা এবং পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজন।


কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা:


উন্নত জাতের পশু উৎপাদন: কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত জাতের ষাঁড়ের সিমেন ব্যবহার করে উচ্চ উৎপাদনশীল গাভী উৎপাদন করা যায়।


রোগমুক্ত পশু পালন: এই পদ্ধতিতে রোগমুক্ত ষাঁড়ের সিমেন ব্যবহার করা হয়, যা গাভীকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।


উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি: কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উৎপাদিত গাভী বেশি দুধ দেয় এবং দ্রুত বৃদ্ধি পায়, যা খামারের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।


সহজলভ্যতা: উন্নত জাতের ষাঁড়ের সিমেন সহজেই পাওয়া যায়, যা খামারিদের জন্য সুবিধাজনক।


কৃত্রিম প্রজননের কিছু বিবেচ্য দিক:


সঠিক সময় নির্ধারণ: গাভীর হিটের সঠিক সময় নির্ধারণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


পরিচ্ছন্নতা: কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়াটি জীবাণুমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করা উচিত।


দক্ষতা: এই প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য দক্ষ পশু চিকিৎসক বা খামারির প্রয়োজন।

আমি মুসলিম হতে চাই! মিজানুর রহমান আজহরী ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমি মুসলিম হতে চাই! 


"একজন বিধর্মী মুসলিম হবে, এখন সেই কোন মুসলিম হতে হবে"!!!!??? 


১. আমি কি, শিয়া" মুসলিম হবো!? 

২. আমি কি তাবলীগ পন্থী মুসলিম হবো!? 

 ৩. আমি সাদ পন্থী মুসলিম হবো!? 

৪. আমি কি আলিয়া "মুসলিম হবো!? 

 ৫. আমি তরিকা পন্থী " মুসলিম হবো!? 

  ৬. আমি কি জামাত " মুসলিম হবো!? 

 ৭. আমি কি ইলিয়াছী " মুসলিম হবো!? 

৮. আমি কি চরমোনাই " মুসলিম হবো!? 

৯. আমি কি হেফাজত মুসলিম হবো!? 

১০. আমি দেওবন্দী মুসলিম হবো!? 

১১. আমি কি  সুন্নি মুসলিম হবো!? 

১২. আমি কি পীর পন্থী মুসলিম হবো!? 

১৩. আমি কি যুবায়ের পন্থী মুসলিম হবো!? 

১৪. আমি কওমীয় মুসলিম হবো!? 

১৫.  আমি কি মওদুদী মুসলিম হবো!? 

 ১৬. আমি কি মাইজভান্ডারী মুসলিম হবো!? 

 ১৭. আমি কি নকশোবন্দী মুসলিম হবো!? 

১৮. আমি কি মোহাম্মদী" মুসলিম হবো!?

১৯. আমি কি খারেজী মুসলিম হবো!? 

২০. আমি কি মুতাযিলাহ, মুসলিম হবো!? 

২১. আমি কি মুরজিয়াহ, মুসলিম হবো!? 

২২. আমি কি মুনকিরে হাদিস" মুসলিম হবো!? 

২৩. আমি কি আশ"আরী মাতুরিদী 

২৪. আমি কি ইখওয়ানী মুসলিম হবো!? 

২৫. আমি কি হিযবুত তাওহীদ" মুসলিম হবো!? এবং 

২৬. আমি কি দেওয়ানবাগী মুসলিম হবো !? ইত্যাদি........... 

# এই রকম আর-ও কিছু দলের নাম বলা সম্ভব,,,, 


যারা বলেন শুধু মুসলিম পরুচয় দিতে হবে, 

এখন তাদের নিকট আমার জিগ্যেসা, 

এত গুলো দল থেকে আমি কোন মুসলিম দলে ভর্তি হবো !???


বিঃ দ্রব্যঃ- আমাম হতে,  আমরা সবাই মোহাম্মদী" / আহলে হাদিস ( রাসূলের অনুসারী / কুরআন এবং সহি হাদিসের অনুসারী) মুসলিম হতে হবে...

মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫

আজ আমি আনন্দের সংজ্ঞা কি সেটা জানি। আর সেই আনন্দ নিয়েই আমি আমৃত্যু থাকতে চাই। 

 নাইজেরিয়ান তেল কোম্পানীর মালিক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ফেমি ওতেদোলা একবার এক রেডিও ইন্টারভিউতে তার জীবনের অজানা অনেক কিছু জানাচ্ছিলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে উপস্থাপক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার কি এমন কোনো স্মৃতি আছে, যখন আপনার মনে হয়েছিল আপনি এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ?’ 


ওতেদোলা বললেন, "আমার জীবনে আমি সুখের খোঁজে চারটি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। তারপর অবশেষে আমি সত্যিকারের সুখের খোঁজ পেয়েছি। 


প্রথম পর্যায় ছিল যত পারা যায় ধনসম্পদ উপার্জন। কিন্তু সবকিছু অর্জন করেও আমি সুখের দেখা পাইনি। 


এরপর দ্বিতীয় পর্যায় ছিল দামি ও বিলাসবহুল জিনিসপত্র কেনা। আমার কাছে মনে হতো এর মাধ্যমে আমি সুখ পাব। কিন্তু এবারও আমি সুখের দেখা পেলাম না।   


এরপর তৃতীয় পর্যায়ে বড় বড় প্রজেক্ট নিজের করে নেয়া শুরু করলাম। একটা সময় নাইজেরিয়া ও আফ্রিকার ৯৫% ডিজেলের সাপ্লাইয়ার ছিলাম আমি। আফ্রিকা ও এশিয়ায় সবচেয়ে বড় জাহাজ ছিল আমার। কিন্তু এরপরও আমি সুখ পেলাম না।


এই অবস্থায় একদিন আমার এক বন্ধু অনুরোধ করল ২০০ প্রতিবন্ধী বাচ্চার জন্য হুইলচেয়ার কিনে দিতে। 


বন্ধুর অনুরোধে আমি তখনই ২০০ হুইলচেয়ার কিনে ফেললাম। কিন্তু আমার বন্ধু বলল আমি নিজেই যেন বাচ্চাদের হাতে হুইলচেয়ারগুলো তুলে দিই। তাই বন্ধুর সাথে আমি সভাস্থলে উপস্থিত হলাম। 


আমি গিয়ে বাচ্চাদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দিলাম। হুইলচেয়ার পেয়ে তারা আনন্দের সাথে এখানে ওখানে ছুটাছুটি করতে লাগল। একেকজনের মুখে সে কি অপার্থিব হাসি। যেন এর চেয়ে আনন্দের দিন তাদের জীবনে আর আসেনি। 


এসব দেখে নিজের মধ্যে কেমন এক আনন্দ অনুভূত হলো। মনে হলো জীবনে আগের চারটি পর্যায় পার হয়েও, সবকিছু পেয়েও , এতটা আনন্দ কখনও হয়নি। 


এরপর যখন আমি অনুষ্ঠান থেকে বিদায় নিতে যাব হঠাৎ এক বাচ্চা আমার পা জড়িয়ে ধরল। আমি তার কাছ থেকে নিজের পা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু বাচ্চাটি আরও শক্ত করে পা ধরে এক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। 


আমি হাঁটু গেড়ে বসে বাচ্চাটিকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমার কি আর কিছু দরকার?’  


বাচ্চাটি বললো, ‘আমি আপনার চেহারাটা ভালোভাবে মনে রাখতে চাই। যদি জান্নাতে আমাদের দেখা হয় সেদিনও যেন আমি আপনাকে চিনতে পারি আর আজকের এই দিনটির জন্য আরও একবার ধন্যবাদ দিতে পারি।’ 


ছোট বাচ্চার জবাবে ফেমি ওতেদোলার দুচোখের জল বাঁধ ভেঙ্গে গেলো। ছোট বাচ্চাকে জড়িয়ে কেঁদে ফেললেন তিনি।


ফেমি ওতেদোলা বলেন, ছোট্ট এই ঘটনা আমাকে কেবলই আনন্দিতই করেনি, বরং সেদিন থেকে আমার কাছে জীবনের অর্থই পাল্টে গিয়েছে। আজ আমি আনন্দের সংজ্ঞা কি সেটা জানি। আর সেই আনন্দ নিয়েই আমি আমৃত্যু থাকতে চাই। 


 ডাক্তার সুৃামাইয়া সিমু পেইজ থেকে সংগৃহীত

শিক্ষকতায় আপনি কেন এলেন তা নিজের কাছে স্পষ্ট রাখুন

 শিক্ষকতায় আপনি কেন এলেন তা নিজের কাছে স্পষ্ট রাখুন। চাকরি, টাইম-পাস অথবা পার্টটাইম জব হিসেবে নয়, শিক্ষকতাকে একটি মহান সেবা বা মিশন হিসেবে গ্রহণ করুন। তাহলেই আপনি শিক্ষকতায় ভালো করবেন।

'অর্থের বিনিময়ে শিক্ষা' নয়, 'আলোকিত মানুষ গড়ার জন্যে শিক্ষা'- এ নীতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়ান।

ক্লাসে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করুন।

সময়মতো ক্লাসে আসুন। দেরি করে ক্লাসে এসে স্লাইডের মাধ্যমে চটজলদি পড়িয়ে ফাঁকি দেয়ার মানসিকতা পরিহার করুন।

বড় হওয়ার স্বপ্ন ও লক্ষ্য শিক্ষার্থীর মনে এঁকে দিন।

এ লক্ষ্য অর্জনে তার ঘাটতিগুলোকে সহজভাবে নিন। তার যে কিছু অনন্য মেধা, গুণ ও যোগ্যতা আছে তা খুঁজে পেতে তাকে সাহায্য করুন।

এক শিক্ষার্থীকে কখনোই অন্য শিক্ষার্থীর সাথে তুলনা করবেন না। প্রত্যেক শিক্ষার্থীই অনন্য। তাদের এ অনন্যতাকে গুরুত্ব দিন। সর্বতোভাবে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করুন।

শিক্ষার্থীদের নাম জানুন ও মনে রাখুন।

'অ্যাই ছেলে/ অ্যাই মেয়ে' কিংবা রোল নম্বর ধরে ডাকবেন না। নাম ধরে ডাকলে শিক্ষার্থীরা অনুপ্রাণিত হয়।

শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পর্কের সীমা বজায় রেখে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। তবে রসিকতা করে নিজের ব্যক্তিত্বকে ক্ষুণ্ণ করবেন না।

বিপরীত লিঙ্গের শিক্ষার্থীদের সাথে কথায়, বডি ল্যাঙ্গুয়েজে শালীন ও মার্জিত আচরণ করুন। শোভন সীমা বজায় রাখুন।

ক্লাস নেয়ার আগে হোমওয়ার্ক করুন, প্রস্তুতি নিন। যে বিষয়ে পড়াচ্ছেন তার আপডেটেড কারিকুলাম সম্পর্কে অবহিত থাকুন।

প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করুন।

প্রতিটি ক্লাস নেয়ার আগে পাঁচ মিনিট চোখ বন্ধ করে মনের পর্দায় দেখুন- ক্লাসে সবাই আপনার পড়ানো বুঝতে পারছে, আপনার সান্নিধ্য তাদেরকে আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত করছে, আপনার কথাগুলো তারা মনোযোগ দিয়ে শুনছে, উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। আপনাকে সুন্দরভাবে গ্রহণ করছে। দেখবেন, বাস্তবেও তা-ই হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের নীতিকথা বলার আগে নিজে তা অনুসরণ করুন। তাহলেই আপনার কথার শুভপ্রভাব তাদের ওপর পড়বে।

কোনো পড়া বোঝানোর সময় শিক্ষার্থীদের মতামত নিন- আসলেই তারা বুঝতে পারছে কিনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্যকে আরো সহজ এবং গল্প ও উদাহরণসমৃদ্ধ করুন।

নিজেকে শিক্ষার্থীদের অবস্থানে নিয়ে গিয়ে ধৈর্য সহকারে বোঝানোর চেষ্টা করুন।

কোনো শিক্ষার্থী পড়া বুঝতে না পারলে তাকে গালমন্দ করবেন না। তার ওপর বিরক্তও হবেন না; বরং ক্লাসের পরে সুবিধাজনক সময়ে পড়া বুঝিয়ে দিন। প্রশান্ত থাকুন, তাহলে তার মতো করে তাকে বোঝাতে পারবেন।

নিজের লেখা বই/ নোট পড়তে বাধ্য করবেন না। অন্য লেখকদের বইকে প্রাপ্য সম্মান দিলে আপনার সম্মানও বেড়ে যাবে।

যে বিষয় পড়াচ্ছেন তা কত জটিল/ কঠিন এবং সে-বিষয়ে সাধারণত কেউ ভালো করতে পারে না- এ ধরনের কথা বলে শিক্ষার্থীদের ভয় দেখাবেন না। শিক্ষক হিসেবে আপনার দেয়া সাহস শিক্ষার্থীদের সে-বিষয়ের প্রতি মনোযোগী করে তুলবে।

আর মনোযোগ যে-কোনো কঠিন বিষয়কে সহজ করে তোলে।

শিক্ষার্থীদের কাছে কোনো শিক্ষককে নিয়ে কটু মন্তব্য করবেন না।

প্রশংসা করতে না পারলে মৌন থাকুন।

কোন শিক্ষকের চেয়ে কোন শিক্ষক ভালো পড়ান/ কে বেশি জনপ্রিয়- এ জাতীয় প্রশ্ন করে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তিতে ফেলবেন না।

ক্লাসে কম পড়িয়ে নিজের কোচিং বা ব্যাচে পড়তে প্রলুব্ধ করা বা বাধ্য করা থেকে বিরত থাকুন।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্রান্তে জড়াবেন না। শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন নিতে প্রলুব্ধও করবেন না। অন্যায় করা আর অন্যায়ে ইন্ধন দেয়া-দুটোই অপরাধ।

কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে বলুন- এর উত্তর আপনি পরে জেনে জানাবেন। এতে আপনার জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে। ভুল উত্তর দেয়া/ গোঁজামিল দেয়া বা এরকম প্রশ্ন কেন করেছে ভেবে রাগান্বিত হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভালো রেজাল্টধারীদের প্রতি সুনজর দিতে গিয়ে যারা অপেক্ষাকৃত কম ভালো করছে, তাদের প্রতি অমনোযোগী হবেন না। আপনার একটু সহযোগিতা ও চেষ্টা তাদেরকেও এগিয়ে নেবে।

ব্যক্তিগত রোষের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে কম নম্বর দেয়ার মতো অন্যায় করবেন না। এ ব্যাপারে সচেতন ও সংযত থাকুন। আসলে ক্ষমা সর্বোত্তম গুণ এবং স্রষ্টা ক্ষমাশীলকে পছন্দ করেন।

দীর্ঘদিন কোনো শিক্ষার্থী আপনার ক্লাসে অনুপস্থিত অথবা অনিয়মিত থাকলে নিজ উদ্যোগে তার ও তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করুন।

জন্মদিনে কেক, ফাস্ট ফুড, চকলেট স্কুলে আনতে উদ্বুদ্ধ না করে শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানো, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বা যে-কোনো সৎকর্মে অনুপ্রাণিত করুন।

শিক্ষার্থীদেরকে অপদার্থ, নালায়েক, মূর্খ, বোকা- এ জাতীয় নেতিবাচক কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। ইতিবাচক কথার মাধ্যমে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করুন।

বকাঝকা ও গালিগালাজের মাধ্যমে মানসিক অত্যাচার কিংবা শারীরিক শাস্তি আসলে শিক্ষক হিসেবে আপনার পরাজয়কেই প্রমাণিত করে। তাই অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের মনোভাব বুঝে সংশোধনের জন্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।

কথা শোনে না, পড়তে চায় না, অমনোযোগী-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে এভাবে ঢালাও অনুযোগ না করে তাদের প্রতি সমমর্মী হোন, তাদেরকে মনোযোগী করে তোলার কৌশলগুলো নিয়ে ভাবুন ও পদক্ষেপ নিন।

জনপ্রিয় শিক্ষক হওয়ার বাসনা থেকে শিক্ষার্থীদের সাথে ব্যক্তিগত ফোনালাপ বা তথাকথিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া থেকে সচেতনভাবে বিরত থাকুন।

ক্লাস চলাকালে মোবাইলে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। ফোন সাইলেন্ট মোডে রাখুন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্বরত অবস্থায় বিনোদনের জন্যে ইন্টারনেট, ফেসবুক অথবা ইউটিউবে ব্যস্ত থাকবেন না।

কোনো শিক্ষার্থী কথা বলতে এলে ধৈর্য ধরে তার কথা শুনুন। সেই মুহূর্তে সম্ভব না হলে বা শিক্ষার্থী পরে কোনো সময় দেখা করতে চাইলে এপয়েন্টমেন্ট দিন।

নিজের রুমের চেয়ে টিচার্স কমনরুমে কথা বলাকে অগ্রাধিকার দিন।

জরুরি নোটিশ বা ডকুমেন্ট আদানপ্রদানের জন্যে 'ফেসবুক গ্রুপ' করতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করবেন না। প্রয়োজনে ই-মেইল করুন।

পিকনিক/ বনভোজন/ আনন্দভ্রমণ/ শিক্ষাসফরে খেয়াল রাখুন- ছাত্রছাত্রীরা চোখের আড়াল হচ্ছে কিনা। সচেতন থাকুন- আনন্দের উন্মাদনায় যেন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

শিক্ষার্থীদের কাছে নিজেকে রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করুন।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...