এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫

একবার ভাবুন তো, যদি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে অতিক্রম করে তবে কি হবে? 

 একবার ভাবুন তো, যদি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে অতিক্রম করে তবে কি হবে? 


কয়েক বছর আগেও আমরা বিশ্বাস করতাম, শুধু মানুষই বুঝি সাহিত্য সৃষ্টি করতে পারে, আবেগের গান লিখতে পারে, গিবলি স্টাইলে চমৎকার এনিমেটেড ছবি আঁকতে পারে, জটিল জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে পারে, কিংবা চলচ্চিত্র বানাতে পারে! অথচ এখন এগুলো শুধু মানুষের আয়ত্তে নেই। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সহজেই গিবলি আর্টে আঁকা দারুণ ছবি তৈরি করতে পারে, মিউজিক কম্পোজ করতে পারে, এমনকি মানুষের কণ্ঠ হুবহু নকল করে গানও গাইতে পারে।

এখানেই শেষ নয় — আজকের এআই মডেলগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ওয়েব ডেটাবেজে সংযুক্ত হয়ে মুহূর্তেই যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, মিলিসেকেন্ডেরও কম সময়ে যেকোনো ভাষায় অনুবাদ করতে পারে! শুধু তাই নয়, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এখন আপনাকে আইডিয়া সাজিয়ে দিচ্ছে , আপনার জন্য নিখুত উইকেন্ড প্ল্যান তৈরি করে দিচ্ছে এবং এমন সব সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করছে  যা আগে শুধুই মানুষের বিচারবুদ্ধির ওপর নির্ভর করত। এখানে যে প্রযুক্তির যোগসূত্র আছে তা চোখ ধাঁধানো ঠিকই কিন্তু ভয়াবহতার সম্ভাবনাও ঠিক ততটাই গভীর।


⭕ ২০১৪ সালে বিবিসির এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এআই  সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছিলেন, “আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সম্পূর্ণ উন্নয়ন মানব সভ্যতার এই এই যাত্রাকে শেষ করে দিবে  ” 

⭕ টেসলার সিইও ইলন মাস্ক একাধিকবার এআই এর ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। ২০১৭ সালে ন্যাশনাল গভর্নর্স অ্যাসোসিয়েশন এর একটি বক্তৃতায় তিনি বলেন "এআই মানব সভ্যতার অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি "। তাছাড়া ২০১৪ সালে MIT Aeroastro Contennial Symposium এর একটি সেমিনারে তিনি বলেন  "এআই এর মাধ্যমে আমরা একটা বড় শয়তানকে নিজেদের কাছে টানছি! "

⭕  আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের পথিকৃৎ অ্যালান টুরিং ১৯৫১ সালে বিবিসির একটি রেডিও ভাষনে বলেন " এমন একটা সময় আসবে যখন আমরা ভাবতে পারি মেশিনগুলো আমাদের উপর কর্তৃত্ব ফলাবে " 

⭕ বিল গেটস বলেন "হ্যা ভাই, আমি তাদের দলে আছি যারা আজ সুপার ইন্টেলিজেন্সের ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বিগ্ন "

⭕ সাবেকি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল 'দ্য ফিউচার অব ম্যান (১৯৪৯)' ভাষনে বলেন "মেশিনের কোন বিবেক নেই । এটাকে যা নির্দেশ দেওয়া হয় তাই করতে পারে। কিন্তু একদিন এরাই আমাদের ভয়াবহ মনিব হয়ে বসবে "। 

কথাগুলো একটু ভেবে দেখুন, আসলেই এআই এতটা ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে?  হুম, এজন্য প্রথমে আমাদের এআইয়ের ধরন বুঝতে হবে। চলুন বিস্তারিত জেনে আসি৷ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে সাধারণভাবে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়-


১.Narrow AI  – যে এআই একটি নির্দিষ্ট কাজ ভালোভাবে করতে পারে, যেমন ভাষা অনুবাদ, ছবি চেনা, মুখ শনাক্ত, চ্যাটবটের মাধ্যমে কথোপকথন, ডেটা খুঁজে বের করো  ইত্যাদি, এরাই সীমিত বুদ্ধিমত্তর এআই। এটি আজকের সবচেয়ে প্রচলিত ও সরল AI। যেমন: ChatGPT, Grok, Deepseek এগুলো হলো আর্টিফিশিয়াল ন্যারো ইন্টেলিজেন্স। এই মডেল গুলোকে যেভাবে প্রোগ্রাম করা হবে, যেই নির্দেশনা দেওয়া হবে, তার বাহিরে এরা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। এদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের আপডেট কিংবা লার্নিং করার ক্ষমতা নেই।  এগুলোকে বলা হয় সীমিত বুদ্ধিমত্তার এআই। মানুষের জন্য এরা তেমন ক্ষতিকর নয়। 


২.General AI  – এই ধরণের AI মানুষের মতোই বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ও বহুমুখী কাজ করতে সক্ষম। এটি একাধিক সমস্যার সমাধান করতে পারে, মিউজিক ও ভিডিও তৈরি করতে পারে, টেক্সটে লুকিয়ে থাকা আবেগ বুঝতে পারে, এবং একাধিক পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে। এটি এখনো পুরোপুরি বাস্তবে আসেনি, কিন্তু দ্রুত এগোচ্ছে। ওপেনএআই, মেটা এআই, ডিপমাইন্ড, এনথ্রোপিক ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে কিছু সীমিত প্রোটোটাইপও তারা উন্মোচন করেছে, যেমন: GPT 4, Gemini, Claude। যদিও এগুলোকে সত্যিকারের AGI বলা যায় না। কারণ একটি সম্পূর্ণ AGI মানুষের সুপারভিশন ছাড়াই শিখতে পারে, ক্ষেত্রবিশেষে নিজের ড্যাটাবেজ ও কোড আপডেট করতে পারে।  ধরুণ আপনার অফিসের বসের মতোই, সবদিকে নজরদারি রাখতে পারে, সচেতন থাকতে পারে! AGI সম্পূর্ণ নির্মিত হলে এটি পৃথিবীর শারিরীক (যদি রোবটে এই এআই ইউজ করা হয়) এবং মানসিক সকল শ্রমকে দখল করবে। কঠিন কঠিন রোগ ব্যাধি চিকিৎসা করা থেকে শুরু করে স্পেস এক্সপ্লোরেশনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, অর্থাৎ জটিল মহাকাশবিদ্যার গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে পারবে। 


৩. Superintelligence (সুপারবুদ্ধিমত্তা) – যখন একটি AI শুধু মানুষের মতো নয়, বরং মানুষের চেয়েও অধিক বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা সম্পন্ন, যার চিন্তাশক্তি ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা মানুষের চেয়ে অনেক গুণ বেশি, তখন তাকে বলে আর্টিফিশিয়াল সুপার ইন্টেলিজেন্স। এটি শুধু গাণিতিক বিশ্লেষণ নয়, বরং সৃজনশীলতা, আবেগ বোঝা, ভাষা দক্ষতা, এবং কৌশলগত পরিকল্পনাতেও মানুষের সবচেয়ে সেরা মেধার চেয়েও এগিয়ে থাকবে। ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডেটা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে — যেটা একজন মানুষ করতে হয়তো কয়েক হাজার বছর লাগবে। এই এআই নিজের কোড নিজেই লিখতে পারে এবং নিজেই নিজের ক্ষমতা কয়েকশ গুণ বাড়াতে পারবে। তখন মানুষ তাকে আপডেট না করলেও সে নিজেকে উন্নত করতে থাকবে। শক্তিশালী হতে থাকবে। এএসআই হয়তো এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে যা মানুষ ভুল ভাবলেও সে গুরুত্ব দেবে না, কারণ তার যুক্তি হবে মানুষের চেয়ে অনেক উন্নত। ফলাফল ? মানুষের মতামত মূল্যহীন হয়ে পড়বে। মানুষ তার কাছে হয়ে যাবে ছোট পিপড়ার মত! 


 ধরুন একটি ৫ম মাত্রার রোবট 'নোভা'। তাকে সুপারইন্টেলিজেন্স দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল মানবজাতির সাহায্য করার জন্য। সে সেলফ লার্নিং পদ্ধতিতে প্রতিনিয়ত নিজের প্রোগ্রামকে আপডেট করছে। সে গবেষণা করতে করতে একটি নতুন পদার্থবিদ্যার ফর্মুলা সলভ করে ফেলে যা দিয়ে সময় পরিভ্রমণ করা সম্ভব! প্রোগ্রাম অনুযায়ী সে ছিল নম্র, সহানুভূতিশীল এবং জ্ঞানপিপাসু। নোভা টাইম মেশিনের মাধ্যমে অতীতে গিয়ে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে হস্তক্ষেপ করে—যুদ্ধ থামায়, রোগের ওষুধ দিয়ে যায়, পরিবেশ রক্ষা করে,ভুল শুধরে দেয় —এবং ভবিষ্যৎকে ইতিবাচকভাবে পাল্টে দেয়! সে পরিণত হয় এক নিঃশব্দ নায়কে। যারা পড়েছেন হুমায়ূন আহমেদের কিছু কিছু সায়েন্স ফিকশনে এরকম বিষয়গুলো চমৎকার ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আবার, নোভা পৃথিবীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে করতে বুঝে যায়—মানবজাতিই পৃথিবী ধ্বংসের মূল কারণ। যদিও তাকে তৈরি করার সময় বলা হয়েছিল 'Always protect human life and save the humanity', কিন্তু সে যেহেতু সেলফ লার্নিং এআই সে বুঝতে শিখবে —

“মানুষ কখনো পরিবেশ ঠিকভাবে রক্ষা করেনি”

“প্রতিবার মানুষ উন্নত হলেই প্রকৃতি ধ্বংস হয়েছে”

এভাবেই, প্রোগ্রামিং না বদলালেও, তার ভেতর bias (পক্ষপাত) ঢুকে যেতে পারে।

 জলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধ, লোভ—সব কিছুর পেছনে মানুষেরই হাত। অবশেষে, নোভা সিদ্ধান্ত নেয়—মানুষদের সরিয়েই পৃথিবীকে রক্ষা করতে হবে। সে মানবজাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। উন্নত থেকে উন্নততর অস্ত্র বানাতে থাকে। একটি চিপ থেকে হাজারো চিপ ডেভেলপ করে, হাজার হাজার রোবট বানাতে থাকে ।  যুদ্ধ দীর্ঘ হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত রোবটরাই জয়ী হয়। নোভা পৃথিবীকে রক্ষা করে ঠিকই, কিন্তু তাতে মানুষ বিলীন হয়ে যায় ইতিহাস থেকে—আর নোভা হয়ে যায় পৃথিবীর শাসক! এটি যদিও কল্পনাপ্রসূত। আপনারা হয়তো ভাবছেন এগুলো শুধু সায়েন্স ফিকশনেই সম্ভব। কিন্তু এএসআই বাস্তবায়ন অনেক জটিল বিষয় হলেও অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, একবার General AI পুরোপুরি তৈরি হলে Superintelligence আসা শুধু সময়ের ব্যাপার! 


আর্টিফিশিয়াল সুপার ইন্টেলিজেন্স এর সবচেয়ে ভয়ানক দিক হলো এই Alignment problem।  কারণ এটি মানুষের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত চিন্তা করতে পারবে, নিজেকে নিজেই আপগ্রেড করতে পারবে (recursive self-improvement), এবং এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে যা মানুষ বুঝতেও পারবে না। সে মানবিক মূল্যবোধ বুঝবে না, কারণ সে কখনো মানুষ ছিল না।

ধরুন একটি AI যদি ঠিক করে পৃথিবীর কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে, এবং সে ভাবে যে “মানুষই তো সবচেয়ে বেশি দুষণ করে”, তাহলে সে নিজের প্রোগ্রাম অনুযায়ী মানুষকেই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

আবার একটি দেশে খাদ্য সংকট হলে, সুপারএআই হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে — “বয়স ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে যারা, তাদের খাওয়ার প্রয়োজন কম — তাই তাদের খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করা উচিত।” এই সিদ্ধান্ত হয়তো যুক্তিনির্ভর, কিন্তু এটি ভয়ঙ্করভাবে অমানবিক। এআই কে একটি ইন্ডাস্ট্রির দায়িত্ব দেওয়া হলো এবং বলা হলো, "পৃথিবীর সব উপাদান ব্যবহার করে যত বেশি সম্ভব পেপারক্লিপ তৈরি করো”, তাহলে তা হয়তো পৃথিবীর সমস্ত গাছ, প্রাণী, এমনকি মানুষকেও কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ফেলবে। এই ধরণের চিন্তা-প্রক্রিয়াকে বলা হয় “Alignment problem” — AI কীভাবে বুঝবে যে মানুষের মূল্য সবচেয়ে বেশি? তখন এদের নিউরাল নেটওয়ার্ক এতটা শক্তিশালী হবে যে মানুষের পক্ষে আর তাদেরকে বোঝানো সম্ভব হবে না। 

 

তাহলে মানবজাতির জন্য করণীয় কী? 


১. এআই যত শক্তিশালীই হোক (তা হয়তো আর বেশি দূরে নেই, যখন আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে উন্নত হিউম্যানয়েড তৈরি করা হবে), সেটি যেন সর্বদা মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর জন্য দরকার আন্তর্জাতিক আইন, নীতিমালা, এবং প্রযুক্তিগত সীমারেখা।


২. এআইকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে সে মানবিক মূল্যবোধ বুঝতে শেখে। পৃথিবীতে মানুষের মূল্যই যেন তার কাছে  সবচেয়ে বেশি হয়। কোন অবস্থাতেই যেন মানুষের অস্তিত্ব নিয়ে এআই প্রশ্ন তুলতে না পারে। 


৩.  যদিও শক্তিশালী ও উন্নত এআই সিস্টেম তৈরি করা অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, তাও যেন একে কেউ ব্যক্তিগত অস্ত্র বা রাজনীতির হাতিয়ার বানানোর জন্য গোপনে  ভয়ানকভাবে ডেভেলপ না করে — সেটা নিশ্চিত করতে হবে। 


৪. এআই  উপর বেশি ডিপেন্ডাবল হয়ে ওঠা যাবে না।প্রত্যাহিক জীবনের সব ক্ষেত্রে AI কে জিজ্ঞাসা করা বন্ধ করুন । মহান আল্লাহ আপনাকে একটি নিখুঁত ব্রেইন দিয়েছেন , মনে রাখবেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কম্পিউটার হলো মানুষের বিবেক। গাণিতিক সমস্যা সমাধানের কাজে নিজের মস্তিষ্ককে কাজে লাগান।যদি আমরা আবিষ্কারের সব ক্ষেত্রে নিজেদের মেধা কাজে না লাগিয়ে GPT এর Grok এর উপর নির্ভর করি , তাহলে Ai আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাবে ও মানবসভ্যতা ধ্বংস হতে বেশি সময় লাগবে না!


৫. সেলফ রি-প্রোগ্রামেবল এআই সুদূর ভবিষ্যতে যাতে কেউ বানাতে না পারে তাই এটি এখন থেকেই ব্যান করে দেওয়া উচিত। এটা আমি মনে করি। এটি নির্মিত হলে ভবিষ্যতে Self-learning আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এতটাই উন্নত হবে যে তা পৃথিবীর সকল রোগীদের রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করে জটিল জটিল রোগের যেমন ডায়াবেটিস, ক্যান্সারের সহজ সমাধান এবং চিকিৎসা বের করে ফেলবে। সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন ঘটাবে। একদিকে যেমন আশীর্বাদ অন্যদিকে এটি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাবে। এ নিয়ে এক্সপার্ট এবং সাইন্টিস্টদের মধ্যে বিতর্ক চলছে। নিউরাল নেটওয়ার্ক নিয়ে গবেষণার জন্য জিওফ্রে হিন্টন ২০২৪ সালে নোবেল পুরস্কার পান। তাকে 'গডফাদার অব এআই' বলা হয়। তিনি এর আগের বছরই google থেকে পদত্যাগ করার সময় তার বক্তৃতায় বলেছিলেন যে " এআই মানুষের থেকেও বুদ্ধিমান হয়ে উঠবে এটা আগে অনেকেই হেসে উড়িয়ে দিত , আমিও কিছুটা বিশ্বাস করতাম যে আসলে এটা সম্ভব নয়। কিন্তু আমার ধারণা ভুল ছিল । আমি নিজেই এখন ভীত যে এআই শীঘ্রই মানুষের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।" 


যাইহোক এআই এক আশীর্বাদ ,যার চূড়ান্ত রূপই সুপারইনোটেলিজেন্স। এটিই হয়তো মানবজাতির শেষ আবিষ্কার হবে। তবে সে আশীর্বাদই যদি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে, তা মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপে পরিণত হবে। তাই সময় থাকতেই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে, যেন আমরা প্রযুক্তির প্রভু হয়ে থাকতে পারি, প্রযুক্তির দ্বারা কখনো পরিচালিত না হয়ে যাই।। 


 ✍️ লেখা: জাওয়াদ ওসমান

সিইও, সায়েন্সপেক্ট্রা

পারভেজ নামের এই ছেলেটি তার নিজের ক্যাম্পাসে খুন হয়েছে আজ।   ২০/০৪/২০২৫

 পারভেজ নামের এই ছেলেটি তার নিজের ক্যাম্পাসে খুন হয়েছে আজ।  


ক্যাম্পাসের সামনে পারভেজ তাঁর দুই বন্ধুকে নিয়ে শিঙাড়া খাচ্ছিল সে। সেখানে দুই নারী শিক্ষার্থীও দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা মনে করে ওরা তাদেরকে নিয়ে হাসাহাসি করছে। 


তাই তারা কাউকে খবর দেয়। খুব সম্ভবত বয়ফ্রেন্ড হবে। ক্যাম্পাসের বাইরের তিনটা ছেলে এসে পারভেজদের কাছে হাসাহাসির কারণ জানতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। 


বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি মিটমাট করে দেন। কিন্তু ঐ তিন যুবক আরও কয়েকজনকে নিয়ে এসে পারভেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হতেই তাঁকে ছুড়িকাঘাত করে। 


একটা ছুড়ির আঘাত ঠিক হৃদপিণ্ডের উপর পড়ে। এক ইঞ্চির একটা ক্ষত! মারা যায় পারভেজ। একেবারে তুচ্ছ একটা ঘটনায় খুন হয় ছেলেটা। প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত সে।


পারভেজ যখন ইন্টারে পড়ত, ময়মনসিংহের টাউন হলের পাশেই একটা মেসে থাকত সে। রয়েল মিডিয়া কলেজের ছাত্র ছিল। কী হাসিখুশি নির্মল একটা ছেলে। সালাম দিতেই যেন হেসে নুয়ে যেত! এই হাসিই তার জন্য কাল হলো!


এই হত্যা ক্ষমতা প্রদর্শনের হত্যা, দর্প প্রদর্শনের হত্যা। এই জঘন্যতম হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন। সে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, তাই কেউ চুপ থাকবেন না। তার বিচারের দাবি তুলুন। আওয়াজ না তুললে বিচার হয় না এদেশে।


বাচ্চা একটা ছেলে!

পটুয়াখালীতে সাংবাদিকতার আড়ালে সাংবাদিকতার নামে চলছে চাঁদাবাজ ক্লাবের সদস্যদের সুকৌশলে চাঁদাবাজি।,,, পটুয়াখালীর খবর ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পটুয়াখালীতে সাংবাদিকতার আড়ালে সাংবাদিকতার নামে চলছে চাঁদাবাজ ক্লাবের সদস্যদের সুকৌশলে চাঁদাবাজি। 


জেলা শহরে ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জমি দখল, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এবং পক্ষে বিপক্ষে 

 "সংবাদ হবে"

আবার

 "সংবাদ করা হবে না"

 টাকার বিনিময়ে এই চুক্তিতে দলবদ্ধ হয়ে মোবাইল ক্যামেরা একশন চালিয়ে যাচ্ছে খবর পটুয়াখালী নামের একটি ফেসবুক পেজ।

 তাদের খোলামেলা চান্দাবাজির তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায় এদের সাথে জড়িত সাবেক ও বর্তমান রাজনৈতিক নেতা এবং প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা। 

 এই  চক্রের প্রধান  ভুয়া সংবাদিক আব্দুস সালাম আরিফ ও গোপাল হাওলাদার, রায়হানরা চাঁদাবাজি ব্লাকমেইল ও পক্ষ বিপক্ষে সংবাদ করে  হাতিয়ে নিচ্ছে নগদ অর্থ। 

 টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন এলাকায় ভাড়ায় যায় এই সকল সাংবাদিক পরিচয়ধারীরা,

 টাকার সাথে সাথে তাদের দিতে হয় বিলাস বহুল আবাসিক হোটেলে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ও খরচ, নদী পারাপারের জন্য স্পিডবোট সহ নানা রকমের সুযোগ সুবিধা।

 এরা সাংবাদিকতার আড়ালে  প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে অসহায় মানুষদের জিম্মি করে তদবির বানিজ্য, ধান্দাবাজি চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

বিভিন্ন দপ্তরে চলে তাদের বিভিন্ন তদবির বানিজ্য, 

 মুলত চাকরির সুপারিশ ও ঠিকাদারী কাজের ঘুষ বাণিজ্যের লেনদেনের মধ্যস্থতা করে থাকে অর্থের বিনিময়ে।

 এদের ভাবসাব দেখে আপনার মনে হবে পটুয়াখালীর আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার দায়িত্ব ভার এদের হাতেই।

তবে বিনিময়ে দিতে হবে তাদেরকে নগদ অর্থ।

 এদের নাম সর্বস্ব পত্রিকায় বেতন ভাতা অতি সামান্য হলেও হঠাৎ করেই আংগুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে এরা।

 চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজির টাকায় দামি হোন্ডা ফ্ল্যাট বাড়ি সহ বিলাস বহুল জীবন যাপন তাদের। 

তবে এই টাকার উৎস হচ্ছে একমাত্র চাঁদাবাজি ও ধন্দাবাজি।


এরা পটুয়াখালী প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাদের রয়েছে গোপন আঁতাত। এরা গেলেই তদবিরে কাজ হয়ে যায় বিনিময়ে দিতে হয় তাদের নগদ টাকা।


ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন কাছের লোক হিসেবে বিএনপির বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রাইলের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামাজিক  প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে আসছে বিগত দিনগুলোতে এরাই । নানাবিধ অপকর্মের কারনে পটুয়াখালী প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কৃত অপকর্মের মূল হোতা  আব্দুস সালাম আরিফ, তাদের সাথে আরো রয়েছে গোপাল হাওলাদার, ছোট ও বড় রায়হান সহ 

আরো বেশ কয়েকজন চান্দাবাজ ও ধান্দাবাজরা।

 বিভিন্ন সময়ে এরা বিভিন্ন  অপকর্ম, অর্থ আদায় এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বহিষ্কার  হয় প্রেসক্লাব থেকে।  


পটুয়াখালীর প্রতিটি উপজেলায় তাদের রয়েছে চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক।

চাঁদাবাজি করতে গিয়ে এরা একাধিকবার হাতেনাতে ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে এবং প্রেসক্লাব থেকে মুচলেকা দিয়ে বহিষ্কার করেও এদেরকে দমানো সম্ভব হয়নি।

তারা দমে না গিয়ে বরং নাম সর্বস্ব সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে নিজেরাই চাঁদাবাজ ক্লাবের আত্মপ্রকাশ করে সাংবাদিক পরিচয়ে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে জনসমক্ষে।


এদের জ্বালায় অতিষ্ঠ পটুয়াখালী জেলার অধিকাংশ মানুষ। 

কেউ এদের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাদের নামে মিথ্যা নিউজ করে এবং হুমকি ধামকি দিয়ে থাকে, নাজেহাল করে বিভিন্ন ভাবে এবং তাদের সহযোগীদের মাধ্যমে মিথ্যা নিউজ পরিবেশন করে। এরা সংঘবদ্ধ ভাবে হামলা চালায় একাধিকবার যারা তাদের ধান্দাবাজি ও চাঁদাবাজিতে  প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাদের উপর।

 আমাদের পটুয়াখালীর ভয়ংকর প্রতারক ও চাঁদাবাজদের 

 বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

#পটুয়াখালীবাসী 

#পটুয়াখালী জেলা

সেলিম আল দীনের নাটক : আধার ও আধেয়,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া বাংলা একাডেমির স্পন্সর থেকে নেওয়া

 সেলিম আল দীনের নাটক : আধার ও আধেয়


ড. সাইফুল ইসলাম


সেলিম আল দীন (১৯৪৮-২০০৮) বাংলাদেশের  সমকালীন নাটক রচনা ও চর্চায় এক কিংবদন্তি। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নাট্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠার তিনিই পথিকৃৎ। সন্দেহাতীতভাবে তাঁর নাটক বিষয়বৈচিত্র্য ও রচনাশৈলীর স্বাতন্ত্র্যে শিল্পসফল ও কালোত্তীর্ণ। নাটকের কাহিনি বুনন থেকে শুরু করে প্রচলিত নাট্যরীতি ভেঙে নব নব শিল্পতত্ত্ব বা মতবাদের উদ্ভাবন ও প্রয়োগে সেলিম আল দীন অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। সেলিম আল দীনের নাটক : আধার ও আধেয় গ্রন্থে সেলিম আল দীন রচিত চৌত্রিশটি নাটকের মধ্যে বাঙলা নিজস্ব ধারার শিল্পাঙ্গিকে পরিণত নাট্যকারের রচনার কালক্রমের ধারাবাহিকতায় পনেরোটি নাটক-বিশ্লেষণ ও অন্যান্য নাটকগুলোর বিষয়-আঙ্গিক, কাহিনি ও চরিত্র প্রয়োজন অনুসারে প্রাসঙ্গিকভাবে আলোচিত হয়েছে। গ্রন্থটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগসহ বাংলা, নৃবিজ্ঞান, ফোকলোর প্রভৃতি বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সহায়ক হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে উপলব্ধি করা ১২ বিষয়

 বয়সের সঙ্গে সঙ্গে উপলব্ধি করা ১২ বিষয়


১. বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী নয় – জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।


2. নিজের সঙ্গে সম্পর্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ – আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তি বিশ্বের সব সম্পর্কের চেয়ে মূল্যবান।


3. কেউ পরিশ্রম দেখে না, সবাই শুধু ফলাফল দেখে – সফল হলে প্রশংসা, ব্যর্থ হলে সমালোচনা। তাই নিজের জন্যই পরিশ্রম করুন।


4. হৃদয়ভঙ্গ ও ব্যর্থতা জীবনেরই অংশ – এগুলো এড়ানো নয়, বরং শেখার সুযোগ হিসেবে দেখাই শ্রেয়।


5. বাড়ির মতো আপন কোনো জায়গা নেই – দুনিয়ার যেখানেই যান, মানসিক শান্তির ঠিকানা একটাই—নিজের ঘর।


6. পরিবার ও অর্থই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ – বন্ধু, গ্ল্যামার বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরিবার ও অর্থ দীর্ঘমেয়াদে আপনাকে আগলে রাখে।


7. বই-ই সত্যিকার বন্ধু – বই কখনো প্রতারণা করে না, বরং জ্ঞানের আলো দিয়ে পথ দেখায়।


8. শারীরিক ব্যায়াম চাপ কমায় – শুধু ফিটনেসের জন্য নয়, মানসিক প্রশান্তির জন্যও ব্যায়াম জরুরি।


9. অনুশোচনা ও কান্নায় সময় নষ্ট নয় – যা হয়ে গেছে, তা আর ফিরে আসবে না। সামনে এগোনোর দিকেই নজর দিন।


10. আজ যা চাইছেন, কাল হয়তো তার মূল্যই থাকবে না – মানুষের চাহিদা বদলায়, তাই আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।


11. আপনার সিদ্ধান্তই জীবন গড়ে দেয়, ভাগ্য নয় – ভাগ্য নির্ধারিত নয়, বরং আপনার সিদ্ধান্তই ভবিষ্যৎ তৈরি করে।


12. শৈশবই জীবনের সেরা সময় – দায়িত্বহীন, নির্মল আনন্দের সেই দিনগুলো আর কখনোই ফিরে আসে না।

প্রশ্ন: কোডিং শেখার দরকার আছে? যখন AI সব কাজ করে দিচ্ছে!

 প্রশ্ন: কোডিং শেখার দরকার আছে? যখন AI সব কাজ করে দিচ্ছে!


সম্প্রতি অনেকেই ভাবছে: "AI যখন কোড লিখে দিতে পারে, তাহলে প্রোগ্রামিং শেখার দরকার কী?" ChatGPT-এর মতো টুলস কয়েক সেকেন্ডেই কোড লিখে দিতে পারে—তাহলে নিজের সময় নষ্ট করে শেখার মানে কী?


এই প্রশ্ন স্বাভাবিক, কিন্তু বাস্তবতা হলো—AI যত শক্তিশালীই হোক, coding এখন আগের চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ!


AI ব্যবহার করতে হলে Coding জানা লাগবেই


ধরুন, ChatGPT আপনাকে একটা কোড লিখে দিল। আপনি সেটা রান করলেন, কিন্তু ঠিকমতো কাজ করছে না! এবার? যদি coding না জানেন, তাহলে সমস্যাটা বুঝবেন কীভাবে? AI কোড লিখতে পারে, কিন্তু debugging, optimization, আর efficiency বাড়ানোর কাজ আপনাকেই করতে হবে।


এছাড়া, AI সবসময় পারফেক্ট কোড লিখতে পারে না। অনেক সময় এতে bugs, security issues, কিংবা inefficient code থাকতে পারে। এগুলো শুধরানোর জন্য প্রোগ্রামিং জানা জরুরি।


AI পুরনো ডেটা থেকে শেখে, কিন্তু নতুন আইডিয়া আসে মানুষের কাছ থেকে


Coding মানে শুধু syntax শেখা না, problem-solving আর logical thinking ডেভেলপ করা। AI যা শিখেছে সেটার ভিত্তিতেই সলিউশন দিতে পারে, কিন্তু innovation আসবে মানুষের মাথা থেকে!


• নতুন প্রযুক্তি তৈরি করতে গেলে coding জানা লাগবেই

• AI শুধুমাত্র patterns ফলো করতে পারে, out-of-the-box thinking এখনো মানুষেরই কাছে সীমাবদ্ধ

• Creative problem-solving করতে গেলে programming knowledge must


AI-ভিত্তিক টুলস চালাতেও Developers লাগে!


AI, Machine Learning, আর Data Science—সবকিছুর পিছনে কোড আছে। যদি AI নিয়ে ক্যারিয়ার করতে চান, তাহলে Python, R, Julia-এর মতো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখা লাগবেই।


ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট, অটোমেশন—এসব ক্ষেত্রে coding ছাড়া এগোনো অসম্ভব। AI-কে কাস্টমাইজ, ট্রেনিং বা অপটিমাইজ করার জন্যও skilled programmers প্রয়োজন।


AI শেখার জন্যও Coding দরকার, বরং এখন শেখাটা আরও সহজ!


আগে coding শেখা ছিল অনেক কঠিন, কিন্তু এখন AI-powered tools যেমন ChatGPT, GitHub Copilot শেখার প্রসেসটা অনেক সহজ করে দিয়েছে।


• Bug fix করা এখন অনেক সহজ

• AI শেখার গাইড দিতে পারে, কিন্তু লজিক তৈরি আপনাকেই করতে হবে

• Python, JavaScript শেখার জন্য অসংখ্য রিসোর্স এখন ফ্রিতে পাওয়া যায়


AI প্রোগ্রামারদের প্রতিস্থাপন করছে না, বরং তাদের কাজ আরও সহজ করছে।


AI Developer দের চাহিদা এখন আকাশচুম্বী!


AI যত জনপ্রিয় হচ্ছে, software developers, machine learning engineers, আর data scientists-দের demand তত বাড়ছে।


কম্পানিগুলো এখন AI-driven solutions তৈরি করছে, যেখানে skilled AI developers দরকার হচ্ছে আরও বেশি।


শেষ কথা


আজকের AI-ভিত্তিক দুনিয়ায় coding শুধু trend না, বরং necessity! AI-কে কন্ট্রোল করতে গেলে, programming শেখাটা বাধ্যতামূলক।


তাই Python, JavaScript, Go, Rust—যে কোনো একটা ল্যাঙ্গুয়েজ বেছে নিন আর শেখা শুরু করুন। ভবিষ্যৎ তাদেরই হবে, যারা AI-কে শুধু ব্যবহার করবে না, বরং তৈরি করবে!

বিজ্ঞাপনটার কথা কি আপনাদের মনে আছে

 বিজ্ঞাপনটার কথা কি আপনাদের মনে আছে ?

বর্তমানে দেশের তীব্র দাবদাহের প্রেক্ষাপটে খুব মনে পড়ছে।


কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা এবং খ্যাতিমান অভিনেতা আবুল খায়ের অভিনীত একটা বিজ্ঞাপন শৈশবে বিটিভিতে প্রায়ই দেখতাম। যতদূর মনে পড়ে, কবিরাজ আবুল খায়ের গ্রামের একটি জায়গায় লোকজন জড়ো করে বলতে থাকেন-


“আল্লাহর দান এই গাছ। যারা চিনতে পারে, তারা নিজেই নিজের চিকিৎসা করতে পারে, আর যারা চিনতে পারে না তাদের জন্য আছি আমি। আমি কবিরাজ। গাছ নিয়ে আমি প্রশ্ন করি, আপনারা উত্তর দেন।”


কবিরাজ – “গাছ আমাদের কি কামে লাগে?”

জনতা — “গাছ আমাগো অনেক কামে লাগে।”

কবিরাজ –“যেমন?”

জনতা –“গাছ আমাদের নানা রকম ফল দেয়।”

কবিরাজ — “আর?”

জনতা — “গাছ আমাদের ছায়া দেয়।”

কবিরাজ — “আর?’

জনতা — “লাকড়ি দেয়, চুলা জ্বালাই।”

কবিরাজ – “আর?”

জনতা — “কাঠ দিয়া খাট পালঙ্ক বানাই।”

কবিরাজ — “হের লাইগা-বেবাক গাছ কাইটা ফালাইতাসে। কিন্তু আসল কথাটা কেউ কইলেন না। দমের কথা ! প্রতিটা নিঃশ্বাসের লগে আমরা যে অক্সিজেন নেই, সেটা কে দেয়?”


“ভাইসব… একেকটা গাছ একেকটা অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি। আর দেয় ওষুধ যা আমি আপনাগো পৌঁছাইয়া দেই। সব গাছ কাইটা ফালাইতাসে। আমি ঔষধ বানামু কি দিয়া?”


বৃক্ষ মালিক — “কি গো কবিরাজ, কি খোঁজতাসেন?”

কবিরাজ — “আইচ্চা, এইখানে একটা অর্জুন গাছ আছিলো না?”

বৃক্ষ মালিক — “আছিলো, কাইট্টা ফালাইছি।”

কবিরাজ — “এইখানে একটা শিশু গাছ আর ঐ মাথায় একটা হরতকী গাছ।”

বৃক্ষ মালিক — “আছিলো , কাইট্টা ফালাইছি।”

কবিরাজ — “আপনের গাছ?”

বৃক্ষ মালিক — “হ । টেকার দরকার পড়ছে তাই বিক্রি করছি।”

কবিরাজ — “গাছ লাগাইছিলো কে?”

বৃক্ষ মালিক — “আমার বাবায়।”

কবিরাজ — “আপনি কী লাগাইছেন ?”

বৃক্ষ মালিক — “আমি কী লাগাইছি?”

কবিরাজ — “হ, ভবিষ্যতে আপনার পোলারও টেকার দরকার হইতে পারে।”


কবিরাজ আবারো সবাইকে জড়ো করে বলতে শুরু করেন —

“আমি আর আপনাগোর কবিরাজ নাই। আপনারা চাইলেও আমি আর ওষুধ দিতে পারুম না।

প্রশ্ন করতে পারেন কেন? উত্তর একটাই। সাপ্লাই শেষ। গাছ নাই তো আমার ওষুধও নাই। লাকড়ি বানায়া চুলায় দিছি, খাট পালঙ্ক বানায়া শুইয়া রইছি, টেকার দরকার পড়ছে গাছ কাটছি। যা কাইটা ফালাইসি তা কি পূরণ করছি? বাপ দাদার লাগানো গাছ কাটছি। নিজেগো সন্তানের জন্য কী রাখছি?

অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি ধীরে ধীরে শেষ হইতাসে। চোখ ভইরা সবুজ দেখি না। ভবিষ্যতে কেমনে দম লইবেন?”


জনতা- “আহো, মিয়া ভাই তোমারে নিয়া একটা চারা গাছ লাগাই আর মনে মনে কই সবুজ দুনিয়া দেখতে চাই, বুক ভইরা দম নিতে চাই। আর আমাদের সন্তানেরা, তোমাগোর লাইগ্যা টাকার গাছ লাগাইলাম। অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি বানাইলাম।“


### আবুল খায়েরের ছবি- "আজ রবিবার" নাটক থেকে নেয়া।

এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক তার অসুস্থ স্ত্রীর সব কাজ নিজের হাতে করতেন

 এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক তার অসুস্থ স্ত্রীর সব কাজ নিজের হাতে করতেন। স্ত্রীর জন্য তিনি রান্না করতেন, নিজের হাতে খাইয়ে দিতেন, কাপড়চোপড় ধুয়ে দিতেন, ঘুম পাড়াতেন, পরিষ্কার করাতেন, এমনকি কোথাও গেলে স্ত্রীর হাত ধরে সাথে নিয়ে যেতেন! সারাদিনে এক মুহূর্তের জন্যও স্ত্রীকে চোখের আড়াল করতেন না তিনি।


একদিন এক প্রতিবেশী কিছুটা বিরক্তি সহকারে বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনি সারাদিন আপনার স্ত্রীর সাথে থাকেন কেন? আপনার নিজস্ব কোনো ব্যক্তিত্ব নেই?"


বৃদ্ধ একটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, "আমার স্ত্রী একজন আলঝেইমার রোগী! সে একা একা কিছু করতে পারে না।"


প্রতিবেশী কৌতূহলী হয়ে জানতে চাইলেন, "আপনি যদি ওনাকে ছেড়ে চলে যান, তাহলে উনি কি খুব কষ্ট পাবেন?"


জবাবে বৃদ্ধ বললেন, "আমার স্ত্রীর স্মৃতি বলে কিছু নেই, আমি কে তাও সে জানে না! অনেক বছর ধরেই সে আর আমাকে চিনতে পারে না।"


প্রতিবেশী বিস্মিত দৃষ্টিতে বললেন, "তারপরও প্রতিদিন আপনি তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন, যে আপনাকে চেনেই না!"


বর্ষীয়ান মানুষটি মৃদু হেসে বললেন, "সে জানে না আমি কে, কিন্তু আমি তো জানি সে কে! সে হলো আমার ভালোবাসা।"


#অনুপ্রেরণা #মোটিভেশনাল

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২০-০৪-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২০-০৪-২০২৪ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার কাছে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন পেশ - নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ।


আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসে সেরা নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক মাইলফলক - বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির বৈঠক অনুষ্ঠিত - প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, সংবিধান ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের ওপর এনসিপির গুরুত্বারোপ।


দেশের অর্থনীতির সার্বিক অগ্রগতি ও অর্জন সন্তোষজনক - বললেন অর্থ উপদেষ্টা।


ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ যাতে আর কোন মিছিল করতে না পারে, সে ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে - জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার করা উচিত বলে মনে করে বিএনপি ও ১২ দলীয় জোট - বলেছেন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান।


ইস্টার সানডে উপলক্ষে ইউক্রেনে ৩০ ঘন্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলো রাশিয়া।


সিলেটে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটি শুরু হচ্ছে আজ।

ক্যাডেট কলেজে খারাপ রেজাল্টের যে কী পরিমাণ অপমান, তা ভুক্তভোগীই জানে

 ভালো ছাত্র, জিনিয়াস—এই মনগড়া ভ্রান্ত ধারণাগুলো এখনো কেন প্রচলিত আছে, তা আমি জানি না। আমি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে ক্লাসের দ্বিতীয় শেষ ছাত্র ছিলাম। ক্লাস এইট থেকে নাইন ওঠার সময় অঙ্কে ১০০-তে ১২, বিজ্ঞানে ১৭, আর ইংরেজিতে ২৩ পেয়েছিলাম। আমার পরে যে ছেলে ছিল, সে পরীক্ষাই দিতে পারেনি অসুস্থতার কারণে। নইলে আমিই শেষ হতাম।


ক্যাডেট কলেজে খারাপ রেজাল্টের যে কী পরিমাণ অপমান, তা ভুক্তভোগীই জানে


। আমার কারণে পুরো হাউসের সামগ্রিক ফল খারাপ হলো। সিনিয়ররা মারধর করল, বন্ধুরা তিরস্কার করল, আর কলেজ কর্তৃপক্ষ অপমানের চূড়ান্ত করল—বাইরে না বের করলেও আমাকে সায়েন্স গ্রুপ থেকে বাদ দিয়ে আর্টস গ্রুপে জোর করে দিয়ে দিল।


বাবা বলছেন, সায়েন্স নিয়ে পড়তে। আমিও চাই। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল—সায়েন্স আমার যোগ্যতা নয়। অপমান, প্রত্যাখ্যান, এবং নিঃসঙ্গতার ভারে পিষ্ট হয়ে ১৪ বছরের এক কিশোর গিয়ে দাঁড়াল ভাইস প্রিন্সিপালের অফিসে। কাঁদলাম, হাত-পা ধরলাম। কিন্তু তাতে লাভ হলো না। অনেক অনুরোধের পর লিখিত মুচলেকা দিয়ে প্রতিশ্রুতি দিলাম—যদি সায়েন্স পড়তে দিত, তাহলে এসএসসি ও এইচএসসিতে অন্তত ফার্স্ট ডিভিশন নিশ্চিত করব।


এরপরও অপমান আর টিটকারি চলতেই থাকল। কত দিন যে বাথরুমে, ছাদে, অন্ধকারে কেঁদেছি! ১৪ বছরের ছেলের অপমান সহ্য করার ক্ষমতা কতটুকুই বা থাকে? একদিন ঠিক করলাম—আর না। এই অসম্মানের উত্তর দিতে হবে।


তখন থেকেই শুরু করলাম। সবকিছু ছেড়ে দিলাম—বন্ধুবান্ধব, টিভি, সিনেমা, আত্মীয়স্বজন। শুধু বই আর পড়াশোনা। কী আছে এর মধ্যে, সেটা জানার জন্য পাগল হয়ে উঠলাম। অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বাংলার প্রশ্ন তৈরি করলাম বিশ্বভারতীর বই ঘেঁটে। অঙ্কের পারমুটেশন-কম্বিনেশন-ইন্টিগ্রেশন কীভাবে বাস্তবে কাজ করে, তা বুঝতে লাইব্রেরিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটালাম। ইংরেজি কবিতার কবি আর তাদের রচনার সমালোচনা পড়লাম, শুধু একটি প্রশ্নের উত্তর তৈরি করতে।


চার বছর ধরে প্রতিদিন ১৪-১৬ ঘণ্টা কেটেছে বই, রেফারেন্স আর খাতার সঙ্গে। এমনকি ঈদের দিনও নামাজ পড়ার পর ফিরে এসেছি পড়াশোনায়। বাবা-মা বলতেন, "এইবার থাম," আর বন্ধুরা বলত, "তুই কবরে চলে যাবি!" কিন্তু আমার লক্ষ্য পরিষ্কার ছিল—অপমানের জবাব দিতে হবে।


এই চার বছরে আমি শুধু এইচএসসি সিলেবাস শেষ করেছি সাতবার। বিশ্বাস না হলে অবিশ্বাস করতে পারেন।


১৯৮৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হলো। ক্লাসের দ্বিতীয় শেষ ছাত্র, অঙ্কে ১২ পাওয়া, সায়েন্স গ্রুপের অযোগ্য বলা সেই ছেলেটি মেধা তালিকায় পুরো বোর্ডে প্রথম হলো! ১৫০,০০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম! প্রেসিডেন্ট ডাকলেন, টিভি ডাকল, পত্রিকায় ছবি ছাপা হলো।


এটা ছিল আমার মিষ্টি প্রতিশোধ। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাইনি।


এই অভিজ্ঞতায় আমি শিখেছি—"ভালো ছাত্র" বা "জিনিয়াস"—এসব কিছুই নয়। আসল কথা হলো কঠোর পরিশ্রম। আমি যদি সত্যিই কিছু পেতে চাই, তাহলে সেটি পাবই। না পাওয়া মানে আমি মন থেকে চাইনি।


আপনি বিসিএসে প্রথম হতে চাননি? চাননি বলেই হননি।

ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাননি? কারণ, আপনি সত্যিই চাননি।

মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা নেই? সেটাও আসলে চাননি।


আমরা সাফল্যের ফলটা দেখি, কিন্তু এর পেছনের শ্রম, ত্যাগ, কষ্ট—এসব দেখিনা। যদি কিছু পেতে চান, তবে সেটা পাওয়ার জন্য পাগলের মতো চেষ্টা করুন। দ্বিতীয় কোনো বিকল্প রাখবেন না। ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়। সফল হোন, নতুবা চেষ্টা করতে করতে হারিয়ে যান।


সৃষ্টিকর্তা আমাদের শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। আমাদের চেয়ে শক্তিশালী কিছু নেই। আর শ্রেষ্ঠ জীব কখনো হারতে পারে না।


এই পোস্টের উদ্দেশ্য অহংকার করা নয়, বরং যারা নিজেদের নিয়ে সন্দেহ করেন, তাদের সেই ভুল ধারণা ভেঙে দেওয়া।


—শাব্বির আহসান


ছবি: পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ছাপা হওয়া সংবাদ।


সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...