এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

শিশুটির হাতে মোবাইল , মোবাইলের স্ক্রিনে রীলস। অন্তহীন অর্থহীন শালীন অশালীন ভেদাভেদজ্ঞানহীন রীলস।  (✍️ কলমে: আনন্দিতা চৌধুরী ) 

 শিশুটির হাতে মোবাইল , মোবাইলের স্ক্রিনে রীলস। অন্তহীন অর্থহীন শালীন অশালীন ভেদাভেদজ্ঞানহীন রীলস। 

(✍️ কলমে: আনন্দিতা চৌধুরী ) 


শিশুটি দেখে যাচ্ছে টানা, নড়া নেই চড়া নেই, মাথা খাটানো নেই, আগে শিশুরা কার্টুন শো দেখতো মিনিট কুড়ির...অতক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার ব্যাপারও নেই। দুয়েক মিনিটের রীল...চলছে পর পর পরের পর। শিশুটি কাউকে বিরক্ত করে না ...চেঁচামেচি করে না...ঘরদোর নোংরা করে না। ভালো ব্যবস্থা...তাই না? বেশ সুবিধার ।


 আর তার মনের ভিতর...তার অপরিণত নিষ্পাপ ...কাদার তালের মত যে কোনো ছাঁচে পড়ে তার রূপ ধারণ করার মতো নরম মনটার ভিতর...কি ঢুকছে পর পর পরের পর? একটু কোন সুস্থ চিন্তা... একটু কোন শোভন বিনোদন? কি মনে হয়?


 দয়া করে আপনার পরিবারের খুদে সদস্যটির হাত থেকে মোবাইলটি নিয়ে একটি বই ধরান। হ্যাঁ...মানছি... এখনই পড়তে পারেনা হয়তো ...পড়ে দিতে হবে। আপনি ব্যস্ত...সত্যিই ব্যস্ত...সেটাও জানি। আচ্ছা...নাহয় ছবিই দেখুক খানিক...যখন সময় হবে পড়ে দেবেন 'খন। ছিঁড়ে ফেলবে...নষ্ট করবে? এদিকে যে মনের সুকুমার কোমল বৃত্তি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে...তার কি হবে !


আচ্ছা বেশ...বই না হয় নাই দিলেন। সাদা কাগজ আর রং পেন্সিল দিন...হিজিবিজি কাটুক। ঘর নোংরা হবে? বিশ্বাস করুন...ওর মনে যে নোংরা ঢুকছে তার থেকে বেশী হবে না। আর নাহলে ব্লকস দিন...কাঠের বা প্লাস্টিকের। মডেলিং ক্লে। তাও না পেলে সাবেক খেলনাবাটি, গাড়ি , পুতুল। কিছু তো করুক হাত দিয়ে...মাথা দিয়ে...মন দিয়ে। অন্যের বানানো কিছু উদ্ভট কিম্ভুত কার্যকলাপের রেকর্ডিং দেখে মগজধোলাই না হয়ে নিজের মনে খামখেয়ালিপনাই করুক না হয়। 


আপনার শিশুকে আপনি কি ভাবে বড়ো করবেন সে বিষয়ে আমি সামাজিক মাধ্যমে উটকো লোক গায়ে পড়ে জ্ঞান দিচ্ছি...,আপনার বিরক্তির উদ্রেক হতে পারে...মানছি। আসলে..,.চার বছরের কন্যা আয়নার সামনে নানা অঙ্গভঙ্গি সহকারে বলছে..".মা আমাকে চেক্সি লাগছে"...আর মা বাবা গদ গদ হয়ে বলছেন... "দেখেছো কি সব বলে .. কোথায় যে শেখে কে জানে" ...সদ্য দেখা এই দৃশ্য আমাকে খুব ভয় পাইয়ে দিয়েছে...জানেন। 


এখনও সাবধান না হলে খুব বড়ো ক্ষতি হয় যাবে ওদের,,,, আমাদের,,,,🤔

ওয়াল্টর ফ্লেমিং এর জন্ম হয় ১৮৪৩ সালের ২১ শে এপ্রিল, জার্মানির মেকলেনবার্গ এ।মৃত্যু হয় ১৯০৫ সালের ৪ আগস্ট।

 ক্রোমোজোম আবিস্কার ও মাইটোসিস গবেষণার পথিকৃৎ বিজ্ঞানী ওয়াল্টর ফ্লেমিং

তিনি গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রায় সমসাময়িক বিজ্ঞানী ছিলেন । কিন্তু মেন্ডেলের বংশগতি সঙ্ক্রান্ত গবেষণা সম্বন্ধে কিছুই জানতেন না।কারণ ২০ বছরের বেশি সময় ধরে মেন্ডেলের গবেষণার কথা কারো জানা ছিল না। কিন্তু তিনি নিজের মতো করে বংশগত বৈশিষ্ট্য কীভাবে এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয় তা নিয়ে গবেষণা করেন।

আবার কোষের কোষ বিভাজন ও ক্রোমোজোম নিয়ে গবেষণার তিনি অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি ওয়াল্টর ফ্লেমিং (Walther Flemming ,1843-1905)।

ফ্লেমিং  প্রথম ব্যক্তি যিনি কোষবিদ্যার (cytology)  গবেষণার করতে গিয়ে কোষ বিভাজন ও ক্রোমোজোম নিয়ে গবেষণায়  জীবনের বেশি সময় ব্যয় করেছিলেন । যদিও ১৮৪২ সালের প্রথম দিকে কার্ল নাগেলি (Carl Nageli) কোষ বিভাজন সম্বন্ধে ধারণা দিয়েছিলেন , যিনি ভেবেছিলেন কোষ বিভাজন একটি অস্বাভাবিক ঘটনা। তবে ফ্লেমিংই প্রথম মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ক্রোমোজোমের গতিপ্রকৃতির বিস্তারিত বিবরণ দেন।

১৮৭৯ সালে অ্যানিলিন ডাই (aniline dyes,  coal tar এর বাইপ্রোডাক্ট )  নামক বিশেষ রঞ্জক ব্যবহার করে ফ্লেমিং স্যালাম্যান্ডার এর ভ্রূণ কোষের নিউক্লিয়াসের  মধ্যে  বিশেষ এক ধরনের সুতোর ন্যায় গঠন (threadlike material) পর্যবেক্ষণ করেন । বেসোফিলীয় ডাইকে যা তীব্রভাবে শোষণ করতে সমর্থ হয়। তিনি তার নাম দেন ক্রোমাটিন (chromatin) ।

দেহকোষ বিভাজনের (somatic cell division)  সময় কোষের নিউক্লিয়াসে তিনি কিছু তুলনামূলক মোটা কয়েকটি সুতোর মতো গঠন পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি  মনে  করেন, কোষের নিউক্লিয়াসে থাকা ওই সুতোর মতো  গঠনগুলোর সাথে তাঁর আবিস্কৃত  ক্রোমাটিনের কোনো না কোনো সম্পর্ক রয়েছে। পরবর্তীতে শারীরতত্ত্ববিদ ভিলহেল্ম ফন ওয়ালদেয়ার হার্টজ ( Wilhelm von Waldeyer-Hartz 1841–1923) । সেগু‌লোর নাম দেন ক্রোমোজোম  ( রঞ্জিত। বস্তু )।

ফ্লেমিং ১৮৮২ সালে আবিষ্কার করেন   ক্রোমোজোম (যদিও ক্রোমোজোম নাম দেন ওয়ালদেয়ার)। এই ক্রোমোজোম  বংশগত বৈশিষ্ট্যের ধারক বাহক। তিনি দেহকোষ বিভাজনের সময় কোষের নিউক্লিয়াসের মধ্যে ক্রোমোজোম কেমন আচরণ করে তা প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন। ফ্লেমিং দেহ কোষ বিভাজন কীভাবে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা  করেছিলেন।

দেহকোষের এই বিভাজন পদ্ধতিকে তিনি মাইটোসিস (mitosis)  নাম দেন।

এছাড়াও তিনি অপত্য কোষে ক্রোমোজোমের বণ্টন প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন।  তবে অপত্য ক্রোমাটিড (chromatid) সমভাগে দ্বিবিভাজিত হওয়ার প্রক্রিয়া ফ্লেমিং পর্যবেক্ষণ করেননি। সামুদ্রিক সালামান্ডার মাছের কোষের ভ্রূণে ফ্লেমিং মাইটোসিস প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।

১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর  সাড়া জাগানো বই জেলসাবস্টাঞ্জ কার্ন উন্ড জেলথেইলাং (Zell-substanz, Kern und Zelltheilung )।এই গ্রন্থে কোষের গঠন, কোষের নিউক্লিয়াস ও কোষ বিভাজন সম্বন্ধে বিস্তারিত লেখেন।

কোষ নিয়ে তাঁর গবেষণার  ভিত্তিতে তিনি বলেন, ভারচুর ওমনিস সেলুলা ই সেলুলা মানে কোষ হতেই কোষের উৎপত্তি ঘটে।আর বলেন  নিউক্লিয়াস থেকেই নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয় ("ওমনিস নিউক্লিয়াস ই নিউক্লিও")।

মানবতার মুখ ফ্লেমিং

ওয়াল্টর ফ্লেমিং তাঁর জীবনে মানবিক মূল্যবোধকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি প্রতি সপ্তাহে গৃহহীন দরিদ্র মানুষজনকে খাওয়াতেন। তিনি যা উপার্জন করতেন, তার কুড়ি শতাংশ  অর্থ গরিব গৃহহীন মানুষকে দান করে দিতেন। দারিদ্র্যের কারণে যেসব শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারত না, তিনি তাদের গণিত ও বিজ্ঞান পড়াতেন।

বংশগতিবিদ্যার উপর গ্রেগর জোহান মেন্ডেল যে কাজ করেছিলেন, ফ্লেমিং সে সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। তাই ফ্লেমিং তার নিজস্ব পর্যবেক্ষণ ও জিনগত উত্তরাধিকারের মধ্যে কোনো সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেননি। দুই দশক পরে যখন মেন্ডেলের সূত্র পুনরাবিষ্কৃত হয় , তখন ওয়াল্টার ফ্লেমিংয়ের মাইটোসিস তত্ত্বের তাৎপর্যও সবাই অনুধাবন করতে সক্ষম হয়।

সায়েন্স চ্যানেল ফ্লেমিংয়ের মাইটোসিস তত্ত্ব ও ক্রোমোজোম আবিস্কারের ঘটনাকে বিজ্ঞানের সেরা একশ আবিষ্কারের একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।আর তাঁর এই আবিস্কার  জীববিজ্ঞানের দশটি গুরুত্বপূর্ণ আবিস্কারের একটি বলে অভিহিত করে।

ওয়াল্টর ফ্লেমিং এর জন্ম হয় ১৮৪৩ সালের ২১ শে এপ্রিল, জার্মানির মেকলেনবার্গ এ।মৃত্যু হয় ১৯০৫ সালের ৪ আগস্ট।ো

আজ ২১ এপ্রিল এই মহান বিজ্ঞানীর জন্মদিনে  তাঁকে অসীম  শ্রদ্ধা জানাই 🙏।

লেখা -পঞ্চানন মণ্ডল ।। বিজ্ঞানকথা ।। ২১০৪২০২৩

#আবিষ্কারেরকথা  #বিজ্ঞানীরজন্মদিনেশ্রদ্ধাঞ্জলি

২০০৮ সালের এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখ আমার কোল আলো করে জন্ম নিলো আমার প্রথম কন্যা সন্তান। আমার বড় ভাই জনি ভাগ্নির নাম রাখলো রোদেলা।,,, nazmun munia nanci গায়িকা ন্যান্সির ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখ আমার কোল আলো করে জন্ম নিলো আমার প্রথম কন্যা সন্তান। আমার বড় ভাই জনি ভাগ্নির নাম রাখলো রোদেলা।

নিজের নামের মতোই ঝলমলে আমার বড় মেয়েটা। যেখানেই যায় সেখানেই সব আলোকিত হয়ে যায়। সন্তান কন্যা কিংবা পুত্র তাতে কিছুই আসে যায়না, রোদেলা তার বড় উদাহরণ। 


১৬ বছর ৮ মাস বয়সী রোদেলার অনেক গুন। সে মায়ের সবচেয়ে কাছের বন্ধু, দেশীয় রান্না ভালো করার পাশাপাশি কিছু ভিনদেশী নাস্তাও ভালো বানায়; শুধু ভাত জাতীয় কিছু রাঁধলে সেটা ভর্তা হয়ে যায়, বোনদের আগলে রাখে, খুবই পরিপাটি, শান্ত লক্ষী মেয়ে, কখনোই তর্ক করেনা, খানিকটা জেদি কিন্ত সেটার যুক্তিযুক্ত কারণ থাকে, রোদেলার বিছানা এবং আলমারি কখনোই অগোছালো থাকেনা, প্রচুর বই পড়ে ( স্কুলের বই অবশ্যই গুরুত্ব কম পায় ), নিজ উদ্যোগে যুগের থেকে খানিকটা পিছিয়ে থাকা মাকে আধুনিক করে গড়ে তোলার শিক্ষক, মোটামুটি ভালো নাচে, পিয়ানো আর গিটার নিজ আগ্রহে শিখছে এবং শেখা চলমান, ছবি আঁকে, যে কোনো ভাষার গান শোনার প্রতি অসীম আগ্রহ, রূপচর্চা ও সাজগোজে পারদর্শী, ওর স্নান ঘরে ঢুকলে মন ভালো হয়ে যায় ( নানা আকারের সুগন্ধি মোমবাতি, ক্যাকটাস, স্নানঘরের জন্য বরাদ্দ ছোট্ট অডিও স্পিকারে ভেসে আসা সুর, ঝকঝকে মেঝে, প্রয়োজনীয় সকল প্রসাধনী থরে থরে সাজানো, হোটেলের মত পরিষ্কার সাদা তোয়ালে ভাজ করে রাখা - মন ফুরফুরে হতে বাধ্য ), ছোট মামার সাথে অকারণ ঝগড়া করে, আত্মবিশ্বাসী ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন।

মার্জিয়া বুশরা রোদেলা - ও লেভেল শেষ করে এ লেভেল এ ভর্তি হলো। স্বপ্ন দেখে বড় হয়ে সাইকোলজিস্ট হবে। পাশাপাশি গান, নাচ, মডেলিং এবং অভিনয় চালিয়ে যেতে চায়! 


রোদেলার ‘ রাজকুমার ’ শিরোনামে নতুন একটি গান মুক্তি পেয়েছে। আমি আশা করবো, সবাই আমাকে যেভাবে ভালোবেসে আগলে রেখেছেন ঠিক সেভাবেই রোদেলার প্রতিও ভালোবাসা দেখাবেন। রোদেলার নতুন গান কেমন লাগলো সেটা মন্তব্যের ঘরে জানাবেন। Rodela ওর নতুন কাজের আপডেট পেতে তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজ ফলো করতে পারেন।

সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ❤️

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২১-০৪-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২১-০৪-২০২৪ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ঢাকা থেকে দোহায় যাচ্ছেন আজ।


পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার - চীনের রাষ্ট্রদূতকে বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহম্মদ ইউনূস।


চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক কার্যক্রম উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ১৩ হাজার পাঁচশো কোটি টাকা ব্যয়ে বে-টার্মিনাল মেরিন অবকাঠামো প্রকল্প একনেকে অনুমোদন।


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে আরো বেশি বাংলাদেশি নারী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


জাতীয় ঐক্য কমিশনের সাথে বিএনপির বৈঠক - রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির পক্ষে মত।


গত তিনটি নির্বাচনে অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি এনসিপির।


গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলের হামলায় নিহত ৩১ ফিলিস্তিনি। 


জাকার্তায় এশিয়ান হকি ফেডারেশন কাপে ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেল বাংলাদেশ।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৪-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০৪-২০২৫ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক কার্যক্রম উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ১৩ হাজার পাঁচশো কোটি টাকা ব্যয়ে বে-টার্মিনাল মেরিন অবকাঠামো প্রকল্প একনেকে অনুমোদন।


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে আরো বেশি বাংলাদেশি নারী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল দোহার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।


চট্টগ্রাম ও চীনের ইউনান প্রদেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও চীনের।


জাতীয় ঐক্য কমিশনের সাথে বিএনপির বৈঠক - রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির পক্ষে মত।


গত তিনটি নির্বাচনে অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি এনসিপির।


একে অপরের বিরুদ্ধে ৩০ ঘন্টার ইস্টার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগ রাশিয়া ও ইউক্রেনের।


আজ সিলেটে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম দিনের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ে ১২৪ রানে পিছিয়ে।

PCOS ও অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় হোমিওপ্যাথিক সমাধান!

 ㊗️ PCOS ও অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় হোমিওপ্যাথিক সমাধান!


আপনি কি অনিয়মিত মাসিক, অতিরিক্ত সাদাস্রাব, বা মাসিকের সময় তীব্র ব্যথায় ভুগছেন? পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) আজকাল অনেক মহিলার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তবে চিন্তার কিছু নেই!


Medicure Homeo Clinic নিয়ে এসেছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন, যা আপনার শরীরকে স্বাভাবিক হরমোন ব্যালান্স বজায় রাখতে সহায়তা করে।


বিশেষ উপকারিতা:


✅ অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে

✅ PCOS-জনিত সমস্যার জন্য কার্যকরী

✅ পিরিয়ডের সময় ব্যথা কমায়

✅ হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে

✅ অতিরিক্ত সাদা স্রাব দূর করতে সহায়ক


আমাদের নির্ভরযোগ্য হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন:


✔ Pulsatila 1M

✔ Pulsatila 200

✔ Ashwagandha Q - 100ml


(দুই মাসের ফুল কোর্স) 


🩸 সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও জার্মান ফার্মাকোপিয়া অনুযায়ী প্রস্তুত


আপনার স্বাস্থ্য আমাদের অগ্রাধিকার! এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপন করুন।


📞 যোগাযোগ করুন: 01968-985371


স্বাস্থ্যই সম্পদ, নিজেকে ভালোবাসুন!

বারী সিদ্দিকী: এক বাঁশির যাত্রী, এক সুরের সাধক

 বারী সিদ্দিকী: এক বাঁশির যাত্রী, এক সুরের সাধক

(একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবন্ধ | A Tribute Feature by Labu Flutes)


নির্জন কোনো নদীর ধারে বসে কেউ যদি চোখ বন্ধ করে শুনে, হঠাৎ কোথা থেকে যেন এক বাঁশির করুণ ধ্বনি ভেসে আসে—তাহলে ধরে নেওয়া যায়, সে সুরের উৎস বারী সিদ্দিকীর আত্মা থেকে নিঃসৃত। তাঁর বাঁশির আওয়াজ ছিল কেবল সঙ্গীত নয়, ছিল ধ্যান, সাধনা, কান্না আর প্রেমের গভীর ভাষ্য।

@

১৯৫৪ সালের ১৫ নভেম্বর নেত্রকোণার এক সংগীতপ্রবণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বারী সিদ্দিকী। তাঁর পিতা মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন এক সংস্কৃতিমনস্ক ব্যক্তি, যিনি নিজেই সংগীত চর্চা করতেন। ছোটবেলায় বাড়ির উঠানে বাউলদের আসর বসত, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সেসব লোকজ সুর গেঁথে যেতে থাকে তাঁর হৃদয়ে। ছয়-সাত বছর বয়স থেকেই বাঁশির প্রতি দুর্নিবার টান অনুভব করতেন তিনি—মনে হতো, এই যন্ত্রের মধ্যেই যেন তার আত্মার আত্মীয় বাস করে।


তবে বারী সিদ্দিকী কেবল স্বভাবগত প্রতিভাই ছিলেন না—তিনি পরিশ্রমী, নিবেদিতপ্রাণ এবং শুদ্ধ সংগীতের এক অস্থির খোঁজাখুঁজির যাত্রী। ১৯৮১ সালে শুরু করেন গুরুপরম্পরায় প্রাতিষ্ঠানিক সংগীতশিক্ষা। তাঁর ভাগ্যবান শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন পণ্ডিত ভিষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় (কলকাতা), যিনি তাঁকে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের মাধুর্য, রাগভিত্তিক সুরের গঠন এবং অলঙ্কারিকতা শেখান। তাঁর আরও এক গুরু ছিলেন উস্তাদ আমিনুর রহমান, যিনি লোকগান ও শাস্ত্রীয় সংগীতের এক ভিন্ন মিশ্রণে বারী সিদ্দিকীকে দীক্ষা দেন।


বারী সিদ্দিকীর সংগীত জীবনের সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী অধ্যায়গুলোর একটি ছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক উস্তাদ লাবু মিয়া–এর সঙ্গে, যিনি Labu Flutes-এর প্রতিষ্ঠাতা। লাবু মিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত বাঁশিশিল্পী ও বাঁশি নির্মাতা। দুজনেই ছিলেন সুরের সাধক, দুই ভিন্ন পথে হাঁটলেও গন্তব্য ছিল এক—সত্যিকারের সুরের সন্ধান।


উস্তাদ লাবু মিয়া বারী সিদ্দিকীর জন্য বহু বিশেষ বাঁশি নির্মাণ করেছিলেন—প্রতিটি বাঁশি ছিল হাতে বানানো, তাঁর নিখুঁত বাজানোর কৌশল অনুযায়ী। কখনো ছিল মিহির ঘরানার স্টাইল, কখনো লোকগানের ঝোঁক—এই প্রতিটি বাঁশিই লাবু মিয়ার নির্মাণশৈলীতে ছিল স্বতন্ত্র। 


বারী সিদ্দিকীর সংগীতজীবন যেন এক বহতা নদীর মতো—লোকসংগীত, বাউল, শাস্ত্রীয় ও আধুনিক সকল ধারায় ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। তাঁর কণ্ঠ ছিল বাঁশির মতোই—কখনো করুণ, কখনো দার্শনিক, কখনো প্রেমময়। "শুয়োরে ভাই", "আমার গায়ে যত দুঃখ সয়", "মানুষ ধরলে সোনার মানুষ" "সাদা পাতায় কালো দাগ", শুয়া চান পাখি, পূবালি বাতাসে –এমন অসংখ্য গান তিনি উপহার দিয়েছেন, যেগুলো আজও বাংলার সুরের ভাণ্ডারে অমূল্য সম্পদ।


একজন বাঁশিশিল্পী হিসেবে তাঁর সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো—তিনি বাঁশিকে জনপ্রিয় করলেন সেই শ্রোতামহলের কাছে, যারা আগে কেবল গায়ক-কেন্দ্রিক সংগীতকেই প্রাধান্য দিত। তাঁর হাত ধরে বাঁশি হয়ে উঠল জনতার সংগীতযন্ত্র।


বারী সিদ্দিকীর সংগীতচর্চা কখনো নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি অনেক শিষ্যকে দীক্ষা দিয়েছেন, সংগীত বুঝতে শিখিয়েছেন।


২০১৭ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহান শিল্পী। তিনি শেষ দিন পর্যন্ত সংগীতচর্চায় ব্যস্ত ছিলেন, এমনকি মৃত্যুর কিছুদিন আগেও এক বন্ধুকে বলেছিলেন,

“সুরটাই তো আমার জীবনের কথা—আমি মরবো, কিন্তু আমার বাঁশি থাকবে, গাইবে।”


🌟 নির্বাসিত দেহ, অনন্ত সুর

আজ বারী সিদ্দিকী নেই, কিন্তু তাঁর বাঁশির সুর, তাঁর গানের শব্দ, তাঁর চোখ বন্ধ করে বাজানোর যে নিবেদন—তা রয়ে গেছে বাংলার প্রতিটি হৃদয়ে। তাঁর আত্মা আজও ভেসে বেড়ায় Labu Flutes-এর কোনো এক বাঁশির শরীরে।


📯 Labu Flutes এই মহান সুরসাধককে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করে।


“বারী সিদ্দিকী ছিলেন আমাদের সময়ের আত্মার বাঁশি।”


এই লেখা Labu Flutes-এর পক্ষ থেকে রচিত। 🎶

যদি আপনার ভালো লেগে থাকে, তবে দয়া করে কমেন্ট করতে ভুলবেন না, আর বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিন


#BariSiddiqui #LabuFlutesFeature #BanglaSurerGorbo #FluteLegacy #Mihargarana #UstadLabuMiah #BanglaMusicHistory

পৃথিবীব্যাপি সুনামধন্য জার্মানির সেরা হোমিওপ্যাথি কোম্পানির মে'ডিসিন তাও পাইকারি দামে

 পৃথিবীব্যাপি সুনামধন্য জার্মানির সেরা হোমিওপ্যাথি কোম্পানির মে'ডিসিন তাও পাইকারি দামে🌿


👉এই প্যাকেজের মেডি'সিন গুলো ১০০% কোয়ালিটি সম্পন্ন। 


👉আমরা আপনাদের কাছে আমাদের সেরা সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করেছি। 


👉আমদানিকৃত অর্জিনাল সীল প্যাক প্রোডাক্ট গুলো আপনার অর্ডার নিশ্চিত করার পর আপনার  নিকট দ্রুত পৌছানোর জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে চেষ্টা ও নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর।


🩺আপনি চাইলে আমাদের অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর সাথে আপনার সমস্যা গুলো নিয়ে আলোচনা করেও সেবা নিতে পারবেন। 


👉আমরা প্রতিটি কার্যদিবস ছাড়াও ছুটিরদিন গুলোতে অসংখ্য রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। 

🤲আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহর রহমত ও আমাদের চিকিৎসা সেবা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে অনেকেই সুস্থ হয়েছে ও হচ্ছে।


👉এছাড়াও আপনার যেকোনো শারীরিক  সমস্যা সমাধানের জন্য পরামর্শ করতে পারেন।


চেম্বারঃ রেডিয়েন্ট হোমিও সেন্টার। 

বাংলাদেশ হোমিও মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল 

এর বিপরীত পাশে, 

হাবিব কমপ্লেক্স ওয়ারী, 

দক্ষিন সাইডের নিচতলা,

জয়কালী মন্দির, ঢাকা।

জেনে নিন, হঠাৎ কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন? 

 ✅ জেনে নিন, হঠাৎ কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন? 

মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত সরবরাহে ব্যঘাত ঘটার ফলে যে অব্যবস্থা দ্রুত জন্ম নেয় তাকে বলা হয় স্ট্রোক (Stroke)। 


দেহের রক্তের মাত্র ২% মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু মস্তিষ্ক কোষসমূহ অত্যন্ত সংবেদনশীল—অক্সিজেন বা শর্করা সরবরাহে সমস্যা হলে দ্রুত এই কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ওই কোষগুলো শরীরের যেই অংশ নিয়ন্ত্রণ করত ওই অংশ গুলো পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।


স্ট্রোক সম্বন্ধে চীনের অধ্যাপকরা বলেছেন-

স্ট্রোক আজ অকালে কেড়ে নিচ্ছে মানুষের প্রান৷ যদি দেখেন কারো স্ট্রোক হচ্ছে তাহলে রোগীকে বাঁচানোর জন্য আপনাকে জরুরীভিত্তিতে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে-


যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তখন তার রক্তচাপ বেড়ে যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরন হয় ও মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়। এসময় একজন মানুষের জরুরী ভিত্তিতে ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।


যদি স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগী দেখেন তবে তাকে তাৎক্ষনিক সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে, আপনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে এটি জীবাণুমুক্ত হয় ৷


তারপর রোগীর হাতের ১০ আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত বা বিদ্ধ করতে এটি ব্যবহার করুন। এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন নেই। 


কেবলমাত্র নিশ্চিত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না। এবার ১০ আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।


যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে। তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে রোগীর অবস্থা একটু স্বাভাবিক হলে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।


জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয়ের এই পদ্ধতি চীনে প্রথাগতভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ, ১০০% কার্যকরী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।


#stroke #এই #এই

পালসেটিলা 🍁Pulsatilla pratensi

 🍀পালসেটিলা

🍁Pulsatilla pratensis 

গুরুপাক খাবার অর্থাৎ তেল-চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়ার কারণে পেট ব্যথা হলে পালসেটিলা খাওয়াতে হবে। গর্ভধারণের কারণে পেট ব্যথা হলেও ইহা প্রযোজ্য।পালসের রোগীরা অত্যন্ত ভদ্র ও নম্র হয়। এ জন্য শান্ত শ্লিষ্ট নম্র ভদ্র কাউকে দেখলেই আমরা পালস কে মনে করি। কিন্তু পালস ছাড়া আর কোন কোন ঔষধের রোগী শান্ত নম্র ভদ্র?চেম্বারে অনেক রোগী পাবেন -যারা রোগের কথা বর্ননা করতে গিয়ে কাঁদে , তারা সবাই পালসেটিলার রোগী । পালসের রোগী অত্যন্ত কোমল প্রকৃতির, ক্রন্দলশীল, অত্যন্ত অভিমানী, রোগী যেমন চুপচাপ ঠান্ডা থাকতে পছন্দ করেন, তেমনি ঠান্ডা খেতে ও ঠান্ডা আবহাওয়া পছন্দ করে । মুক্তহাওয়া তার বড়ই পছন্দ । যারা খুব চন্ছল ,তারা পালসের রোগী হতে পারেনা এ কথা সবার মনে রাখা দরকার ।


🍁Pulsatilla – পালসেটিলা চিকেনপক্সের আরেকটি সেরা ঔষধ। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো গলা শুকিয়ে থাকে কিন্তু কোন পানি পিপাসা থাকে না, ঠান্ডা বাতাস/ ঠান্ডা খাবার/ ঠান্ডা পানি পছন্দ করে, গরম-আলো-বাতাসহীন বদ্ধ ঘরে বিরক্ত বোধ করে ইত্যাদি। আবেগপ্রবন, অল্পতেই কেঁদে ফেলে এবং যত দিন যায় ততই মোটা হতে থাকে, এমন মেয়েদের ক্ষেত্রে পালসেটিলা ভালো কাজ করে। এসব লক্ষণ কারো মধ্যে থাকলে যে-কোন রোগে পালসেটিলা খাওয়াতে হবে।

রোগী গরম কাতর তবে গোছল পছন্দ করেনা । এ লক্ষন টি সালফারের ও চমৎকার লক্ষন । পালসের রোগীর একপাশে ঘাম, এক পাশে শুষ্ক থাকে । এটি একটি আনকমন লক্ষন তাই মনে রাখা দরকার ।পালসের সমস্ত রোগ ধিরে ধিরে বৃদ্ধি হয় । এ কথাটি মুক্তাসম - যখনি কোন রোগীর রোগ আক্রমণ ধীরে বৃদ্ধি দেখবেন তখন শত শত ঔষধ বাদ দিয়ে অল্প কয়েক টি ঔষধের মধ্যে চলে আসা যায় । রোগ আক্রমণের গতি ধীর ও মৃদু প্রকৃতির প্রথম শ্রেনির ঔষধ হল- ব্রায়েনিয়া , জেলস, কোনিয়াম, ককিউলাস , এলুমিনা, সাইলেসিয়া , এন্টিমটার্ট , আইওডিয়াম, লাইকো ইত্যাদি I খাওয়ার পর লাইকো কাপড় ঢিলা করে দেয় , নতুবা অস্থিরতা শুরু হয়, পালসেটিলা তার বিপরীত । পালসেটিলা কাপড় জোরে কষে বাঁধলে আরাম পান ।


🍁Pulsatilla pratensis – মাসিক বন্ধের চিকিৎসায় হোমিও ঔষধগুলোর মধ্যে

তরুন রোগের সহিত শীতবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষন । যতব্যথা ততশীত । ঋতু বন্ধ হয়ে নাক দিয়ে রক্ত গেলে পালস কে স্মরন করবেন । পালসের রোগী বামপাশে শুইতে পারেনা, মার্কসলের রোগী ডান পাশে শুইতে পারেনা ।

 পালসের রোগী তার বিছানার চাদরের মাঝে উলঙ্গ মানুষের ছবি দেখতে পায় । ঋতু আবদ্ধ হওয়ার পর তার এই মনোলক্ষন্য দেখা দেয় । কখনো কখনো সে দেখে শয়তান তাকে নিতে আসছে, তার মন এই ভাল এই খারাপ,এই হাসে, এই কাঁদে । পালসের রোগী লোভী ও হিংসুক হয়, নাক্স ও লাইকোর রোগী অনেকটাই হিংসুক । মাথার ভিতরে পিছনের দিকে , একপাশে অতি তীব্র যন্তনা অনুভুত হয়।মনে হয় একটা পেরেক সজোরে মাথায় প্রবেশ করানো হচ্ছে । এই লক্ষন টা পালসের খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষন । অনেক রোগী এসে বলে " মাথা ব্যাথার সময় আমার মাথার মধ্যে যেন কেউ পেরেক মারতেছে । এটা শুনলেই পালস কে চিন্তা করবেন । রোগী সাধারনত কানে শুনেনা কিন্তু গাড়ী বা ট্রেনের শব্দে সব কিছু শুনতে পায় এটি পালসের আনকমন লক্ষন । পালসের উদরাময়ের মল একবার এক রকম হয়, কখনো সাদা, কখনো পানির মত, কখনো আম মিশ্রিত । ঘৃত, দুধ, মাখন,ইলিশ মাছ পোলাও খাইয়া পেটে সমস্যা হলে পালস তাদের জন্য ধন্বস্তরী । কেবল গোস্ত খেয়ে পেটে সমস্যা হলে নাক্স ভাল কাজ করে । বয়স হওয়া শর্তে ও স্ত্রী যন্ত্রের ঠিকমত উন্নতি না বলে লক্ষন থাকলে পালসেটিলা ভাল ফল দেয় । পালসের লক্ষন না থাকলে হোমিওপ্যাথিক ম্যাজিক ক্যালকেরিয়া ফস কে ভুলবেন না । দাঁতের ব্যথা সাধারনত গরম জ্বলে উপশম , কিন্তু পালসের ঠান্ডা জলে উপশম । ঠান্ডা জলে উপশম অন্যান্য ঔষধ হল ব্রায়োনিয়া , কফিয়া, নেট্টাম সালফ, ও বিসমাথ ।


🍁Pulsatilla – পালসেটিলা ঔষধটিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে পারে। ঠান্ডা মেজাজী এবং কথায় কথায় চোখ দিয়ে পানি ঝরে এমন মেয়েদের ওপর এটি বেশী কাজ করে।

ইগ্নেসিয়াতেও সর্বদা বিষণ্ন ও দুঃখিতভাব আছে,কিন্তু পালসেটিলার রোগীণীর মত সান্ত্বনা প্রাপ্তির আশায় কাঁদিয়া কাঁদিয়া নিজ দুঃখের বিষয় অপরকে জানাইতে চাই না, সে শোকদুঃখ নীরবে সহ্য করে।।ষ্ট্যানাম মোটেও পালসেটিলার মত সামন্য কারণে কান্না করা আছে।ষ্ট্যানাম মেটের রোগী শীর্ণ এবং বক্ষঃস্থলে সাতিশয় দুর্বলতা অনুভব করে।ফুসফুসের অসুখ হইলে ভাবিয়া আকুল হয় এবং নিরাশায় কান্না করে,সে মনে তার মৃত্য হইবে। লাইকোর রোগী ধন্যবাদ দিলে কান্না করে।রোগী পিপাসাহীনতা দেখলে শত ঔষধ ফেলে গুটি কয়েক ঔষধ কে স্মরন করতে হয়। পালস তন্মধ্যে অন্যতম । এই পিপাসাহীনতার সব ঔষধ গুলোকে মনে রাখার জন্য আমি একটা সেন্টেন্স তৈরী করেছি। আপনারাও ইচ্ছে করলে মুখস্ত করে রাখতে পারেন। "পানির পিপাসা না থাকলে ইথু""পাল" কে পাঠিয়ে "জেল"এপি" কিনে "ইপিকে" দিয়ে নাইট্রিক এসিডকে দিও। অত্র লাইনে পিপাসাহীনতা ঔষধ - ইথু= ইথুজা, পাল= পালসেটিলা, জেল= জেলসিমিয়াম , এপি= এপিস,ইপি= ইপিকাক, এবং এসিড নাইট।


🍁Pulsatilla pratensis – যারা অল্পতেই কেঁদে ফেলে এবং নানানভাবে সান্ত্বনা দিলে ভালো থাকে, তাদের টেনশানে পালসেটিলা প্রযোজ্য।

 কারন কষ্ট বাডে । কপালের উপর হাত রেখে চিত হয়ে শুইতে পছন্দ করে । এ লক্ষন টি লাইকো ও কষ্টিকাম মেডোরিনামেও আছে

যে সব মহিলারা অতিরিক্ত বাচাল তাদের কে ল্যাকেসিস, যারা ঝগডাটে তারা লিডাম, আর শান্তরা পালস। আমাদের একটিভ নারীরা বেশীর ভাগ পালস। তবে আমার মনে হয় এ ভাবে চিন্তা করা ঠিক হচ্ছেনা। আরো কয়েকটি ঔষধের রোগী শান্ত ও বাচাল হয়। আমার মনে বয় পার্সেন্টিজ একটু চেন্জ করতে হবে। পালসেটিলার স্থান এক নম্বরে। এটি স্নেহপরায়ন, কথায় কথায় কেদে ফেলে, খুব সহজেই মোটা হয়ে যায়….এই ধরণের মেয়েদের বেলায় ভালো কাজ করে। মাত্রা হবে নিম্নশক্তিতে (Q, ৩, ৬ ইত্যাদি) ৫ থেকে ১০ ফোটা করে রোজ তিনবার।বর্তমানে সবকিছুর দাম যেভাবে বেডেছে তাতে প্রকৃত আয় দ্বারা সংসার চালানো কঠিন। তাই অধিকাংশ মানুষ অবৈধ ভাবে উপরি ইনকাম করছে। অথবা অন্যথেকে জোর করে টাকা আদায় করছে। যা হারাম।

 আর হারাম ইনকামের আয়ের টাকা খেলে মানুষের লজ্জা উঠে যাবে। তার প্রমান আদম ও হাওয়া( আ)।সবাই সুস্হ্য থাকবেন, ভাল 

থাকবেন শুভকামনা সবসময়।

🐠🐠🐠🐠🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🐠🐠🐠🐠

🌿সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা

ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা  উচিত নয়।

⛳আপনারা যদি মনে করেন লেখাগুলো আপনার জন্য উপকারি তাহলে আরেক ভাইয়ের জন্যও হয়তো উপকারি হবে , আপনি কষ্ট করে লেখাটি শেয়ার করলে অন্য ভাইও লেখা পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। তাই শেয়ার করুন এবং পেজে লাইক বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। আর এ জন্য ইনভাইট অপসানে গিয়ে বন্ধুদেরকে পেজ লাইকের ইনভাইট পাঠান।মনে রাখবেন জানার কোন শেষ নেই ।


📗হোমিওপ্যাথিক টিপস

☎হেল্পলাইন 01955507911

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...