এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে পদ্ধতি 

 ✅গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে পদ্ধতি 


বর্তমানে সারা বছর টমেটোর চাহিদা থাকলেও, গ্রীষ্মকালে উৎপাদন কম হওয়ায় বাজারে এর দাম থাকে অনেক বেশি। তাই এই সময়টা হতে পারে আপনার জন্য একটি চমৎকার সুযোগ!


✅জেনে নিন গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি:


✅জলবায়ু:

উত্তম ফলনের জন্য রাতের তাপমাত্রা ২৩° সে. এর নিচে এবং গড় তাপমাত্রা ২০°-২৫° সে. হওয়া জরুরি।


✅মাটি:

উর্বর, ঝুরঝুরে, পানি নিষ্কাশন উপযোগী দোআঁশ বা এটেল দোআঁশ মাটি বেছে নিন।


✅জাত:

বারি টমেটো-৫, ৬, ১১, ১৪ এবং হাইব্রিড জাত যেমন বারি হাইব্রিড-৪, ৮, ১০ বা মিন্টু হাইব্রিড উপযোগী।


✅বীজ বপন:

এপ্রিল-জুন (বৈশাখ-আষাঢ়) মাসে বীজতলায় বপন করে পরে মূল জমিতে রোপণ করতে হবে।


✅চারা হার্ডেনিং ও রোদ/বৃষ্টির সুরক্ষা:

দ্বিতীয় বীজতলায় স্থানান্তর এবং পলি শেড বা চাটাই ব্যবহার রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।


✅সার ব্যবস্থাপনা ও হরমোন প্রয়োগ:

উপযুক্ত হারে সার প্রয়োগ ও নির্দিষ্ট সময়ে হরমোন স্প্রে করে ফলন নিশ্চিত করুন।


✅ফলন:

উন্নত পরিচর্যায় জাতভেদে ৫০-৯০ টন/হেক্টর পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব!


যারা স্থায়ীভাবে বিনিয়োগে আগ্রহী, তারা পলি হাউজ নির্মাণ করে টমেটোর পাশাপাশি ক্যাপসিকাম, তরমুজ, লেটুস ইত্যাদি উচ্চমূল্যের ফসল চাষ করে সারা বছর আয় করতে পারেন।

আঙুল ফুলে কলাগাছ হালিম বিশ্বাস,,, পটুয়াখালী খবর ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 “আঙুল ফুলে কলাগাছ হালিম বিশ্বাস”

……………………………

ঐতিহ্যবাহী পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা আইনজীবী কে এই হালিম বিশ্বাস ? অনুসন্ধানে জানা যায় আব্দুল হালিম বিশ্বাস জেলা আইনজীবী সমিতির একজন সদস্য হলেও তিনি কখনোই আদালতে নিয়মিত মামলা পরিচালনা করতেন না বরং তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখায় বিভিন্ন তদবির এবং কমিশন বাণিজ্যের দুর্নীতির সাথে জড়িত রয়েছেন।পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত কলাপাড়া উপজেলার একাধিক সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ করা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা সংগ্রহ করে দ্রুত ক্ষতিপূরণের টাকা আদায় করে দেওয়ার নামে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ  হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  জানা যায় এল.এ শাখার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে হালিম বিশ্বাস গং একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন এবং এই সিন্ডিকেট চক্র দীর্ঘদিন ধরে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন। একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন ক্ষতিপুরণ এর টাকা তুলতে তাদের নানাভাবে হয়রানি করছেন এই চক্রটি আর যারা এই অবৈধ অর্থ বাণিজ্যের সঙ্গে আপোষ করতে রাজি হতেন না তাদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিতেন এই হালিম বিশ্বাস যাতে টাকা পেতে দীর্ঘদিন যাবত ভুক্তভোগীদের অপেক্ষা করতে হয়। 

এভাবেই বিগত সরকারের আমলের ১৭ বছরে এই চক্রটি শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন এবং যার নেতৃত্বে রয়েছেন এই হালিম বিশ্বাস। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগের সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত বলতে গেলে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা ছিল তার আর এখন তিনি একাধিক ফ্লাট, ভবন, প্লট, মাছের খামার, খামার বাড়ি সহ নানা সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

একসময়ে বিভিন্ন গ্রামে হাট বাজারে ঘুরে যাত্রা পালে অভিনয় করা এই হালিম বিশ্বাস এভাবেই নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন,

 বিগত সরকারের আমলে জেলা জজ আদালতে এপিপি নিয়োগ পাওয়া এই ব্যক্তি সব সময় থেকেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, সরকারি অফিস আদালতে নিজের পদের অপব্যবহার করে করেছেন সম্পাদের পাহাড়। 

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে পটুয়াখালী পৌরসভার অন্তর্গত পশ্চিম আরামবাগ এলাকায় তার রয়েছে একটি বিলাসবহুল ছয়তলা এবং একটি চারতলা বাড়ি যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১০ কোটি টাকা, শহরের পিটিআই সড়কে রজনীগন্ধা টাওয়ারে রয়েছে তার একাধিক ফ্লাট, পাশেই নির্মাণাধীন আরো একটি দশতলা ভবনেও রয়েছে তার মালিকানা, এছাড়াও দশ নং কালিকাপুর ইউনিয়নের বল্লভপুর এলাকায় রয়েছে তার একাধিক মাছের খামার এবং খামার বাড়ি, ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাশে একাধিক প্লট এবং দোকান, কুয়াকাটায় আবাসন প্রকল্প এবং ঢাকার কচুক্ষেত এবং মিরপুর এলাকায় ফ্ল্যাট রয়েছে বলে জানা যায়।

আইন আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে হালিম বিশ্বাস কিভাবে এই অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন তা সকলের কাছেই বিস্ময়।

এমনকি তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের নেই কোনো পদক্ষেপ যা অবাক করেছে সবাইকে।

 জানা গেছে তার নিজের অপকর্মের প্রমাণ মুছে ফেলতে তিনি কয়েক বছর আগে জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পুড়িয়ে ফেলেছিলেন যদিও তৎকালীন সময়ে মানুষ জানতেন আগুন লেগেছে নিছক দুর্ঘটনার বশেই। 

এছাড়াও আপন ভাই এবং মা এর বাবার বাড়ির সম্পত্তি আত্মসাৎ করা সহ তার গ্রামের একাধিক সহজ সরল মানুষের জমি দখল এবং আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে এই হালিম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।


উল্লেখ্য বিগত ২৭ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন হালিম বিশ্বাস পরবর্তীতে নির্বাচনের ঠিক আগের দিন মহামান্য চেম্বার আদালতের আদেশে স্থগিত হওয়া নির্বাচন যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হয় এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে জয়লাভ করেন।

একটা ছেলে ৪টা বিয়ে করতে পারলে একটা মেয়ে কেন পারবেনা? 

 একটা ছেলে ৪টা বিয়ে করতে পারলে একটা মেয়ে কেন পারবেনা? 


এই প্রশ্নটা অনেক সময় উঠেই আসে, শুধু শাহবাগী না বরং একটা সাধারণ মেয়ের মনেও এরকম প্রশ্ন আসতে পারে? “যদি একজন পুরুষ চারটা বিয়ে করতে পারে, একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে পারে, তাহলে একজন নারী কেন পারবেনা?”


প্রথমে নিজের সম্পর্কে বলি আমি বাংলাদেশের একজন অশ্রিকৃতিপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী, নাম: 'Jahid Hasan Scientist', তো এবার আমার সাথে আপনারাও আসুন এই বিষয়টাকে বিশ্লেষণ করা যাক। প্রথমে যুক্তিতে আসি তারপর নাহয় বাকি বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা যাবে। 


ধরুন, আপনি একজন ছেলে আপনি ৪টা বিয়ে করেছেন আপনার চারজন স্ত্রী আছে, আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিসে যাচ্ছেন অফিস থেকে এসে যেকোনো একদিন যেকোনো একজন স্ত্রীর সাথে থাকছেন। সেই চারজন স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর যদি ৪টা বাচ্চা হয় তাহলে "পিতৃত্বের পরিচয় হিসেবে" সেই চারজন সন্তান আপনাকেই বাবা ডাকবে। 


এবার ধরুন আপনি একজন মেয়ে, আপনি চারজনকে বিয়ে করলেন আপনার ৪টা স্বামী আছে, আপনি একে একে আপনার চারজন স্বামীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করলেন। তারপর আপনি গর্ভধারন করলেন আপনার বাচ্ছা হলো, এখন প্রশ্ন হচ্ছে! সেই বাচ্ছাটাকে পিতৃত্বের পরিচয় কিভাবে দিবেন? অর্থাৎ বাচ্ছাটা আপনার চার স্বামীর মধ্যে কাকে বাবা বলে ডাকবে?? তারপর আপনার ৪টা শশুড়বাড়ী মধ্যে কোন বাড়ির থালাবাসন আগে মাজবেন? 


সুতরাং আবেগে অনেক কিছুই বলা যায় বইন, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে! এবার আরেকটু বিস্তারিত আলোচনা করি। 


১। ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী।

ইসলাম একজন পুরুষকে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে চারটা স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি একতরফা ছাড় নয়, বরং দায়িত্ববোধের পরীক্ষাও বটে। তবে কেন নারীর ক্ষেত্রে এটা অনুমোদিত নয়?


প্রথমত পিতৃত্বের নিশ্চয়তা।

ইসলামের দৃষ্টিতে পরিবার কাঠামো ও উত্তরাধিকার নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন নারীর যদি একাধিক স্বামী থাকে এবং সন্তান হয়, তাহলে সন্তানের পিতৃত্ব নির্ধারণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। অথচ একজন পুরুষের একাধিক স্ত্রী থাকলেও, প্রতিটি সন্তানের মা নির্দিষ্ট থাকায় পরিচয় সুস্পষ্ট থাকে।


উত্তরাধিকার ও দায়িত্ববোধ।

পুরুষকে স্ত্রীর ভরণ-পোষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে হয়। একাধিক স্ত্রী গ্রহণ মানেই একাধিক পরিবার পরিচালনার দায়িত্ব। নারী যদি একাধিক স্বামী গ্রহণ করেন, তাহলে কার ওপর দায়িত্ব পড়বে কার বাড়িতে থাকবে? কোন স্বামীকে আগে সন্তুষ্ট করবে? যেকারণে এতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।


২। মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গি।

নারীর মানসিক গঠন তুলনামূলকভাবে গভীর সংবেদনশীলতায় গড়া। গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা শারীরিক সম্পর্কে মানসিক সংযুক্তির প্রবণতা বেশি রাখে (Oxytocin hormone)। এর ফলে একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক নারীর মনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে, সৃষ্টি হতে পারে আত্মপরিচয় সংকট, দ্ব'ন্দ্ব ও বিষণ্ণতা। ( আপনার বোঝার সুবিধার্থে আরও সহজ করে বলছি, সংসারে অশান্তি লাগার পর, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেয়েরা বলে থাকে আমি জন্য তোমার সংসার করে গেলাম, এমনকি তারা দ্বিতীয়বার আর কখনোই বিয়ের ইচ্ছা পোষণ করে না। তবে পুরুষের ক্ষেত্রে এটা উল্টো, সংসারে যতই অশান্তি হোক না কেন, কোনো পুরুষকে যদি বলা হয় তুমি কি আরও বিয়ে করবে? দেখবেন পুরুষের মনে লাড্ডু ফুটবে। ) 


এছাড়াও পুরুষদের মধ্যে অধিকতর যৌ'ন বৈচিত্র্য অনুসন্ধানের প্রবণতা দেখা যায়, এটাই তাদের বিবর্তনমূলক প্রবৃত্তির অংশ। অন্যদিকে, নারীরা নিরাপত্তা ও সংবেদনশীল সংযুক্তির দিকেই ঝুঁকে থাকে, যেটা তাদের মাতৃত্বের ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।


৩। বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গি।

জিনগত দায়িত্ববোধ এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,

বিজ্ঞানীরা বলেন, একজন পুরুষ দিনে শতাধিক নারীকে গর্ভধারণ করাতে পারে, কিন্তু একজন নারী বছরে একবারের বেশি সন্তান ধারণ করতে পারে না। এই জৈবিক কাঠামো আমাদের বলে দেয়, সমাজে জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষায় ও দায়িত্ববোধ নির্ধারণে ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা আছে।


আজ বিজ্ঞানের যুগে যদিও DNA টেস্ট আছে, তবে প্রাচীন সমাজে এসব ছিল না। সন্তান কার, এই প্রশ্ন তখন পরিবার ও সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতো। ইসলামী বিধান এসব ঝুঁকি থেকে সমাজকে রক্ষা করে।


৪। সমানতা নয়, ন্যায়বিচার।

ইসলাম পুরুষ ও নারীকে সমান বলেছে না, বরং ন্যায়সঙ্গত বলেছে। সমান মানেই সব বিষয়ে এক, এমন না। বরং যার যেটা দায়িত্ব, তার উপযুক্ত সেই ব্যবস্থাই ন্যায়বিচার।


উপসংহার।

এই প্রশ্নটা খুবই যৌক্তিক মনে হলেও উত্তরটা আবেগের নয়, বরং বাস্তবতা নির্ভর। কারণ নারী ও পুরুষ আলাদা কাঠামোর সৃষ্টি, তাদের ভূমিকা আলাদা। তাই যে নিয়ম একজনের জন্য উপকারী, তা অন্যজনের জন্য ক্ষ'তিকর ও হতে পারে।


তাই আবেগ দিয়ে নয়, বরং বিবেক দিয়ে ভাবুন। ধর্ম শুধু নিষেধ করে না, ব্যাখ্যাও করে। আর বিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্ম যখন হাত মেলায়, তখনই মানুষ বুঝতে শেখে সৃষ্টির প্রতিটা বিধানই রহস্যে মোড়া এক চমৎকার ব্যালান্স।


©

সহবাসের সময় মেয়েরা কিভাবে পুরুষদেরকে আর বেশি উত্তেজিত করতে পারে। অবিবাহিতদের পড়া নিষেধ, 

 সহবাসের সময় মেয়েরা কিভাবে পুরুষদেরকে আর বেশি উত্তেজিত করতে পারে। অবিবাহিতদের পড়া নিষেধ, 


১. স্বামী উত্তেজিত হলে তার একমাত্র লক্ষ্য থাকে স্ত্রীর যোনিপথে প্রবেশ, অন্য কিছুর ধৈর্য্য তার তখন থাকে না। পর্যাপ্ত প্রেম সত্বেও বেশিরভাগ পুরুষ তখন মধুর প্রেম ক্রীড়া করতে পারে না, ফলে মিলনের সময় কমে আসে। তাই স্ত্রীর উচিত স্বামীকে কাম চরিতার্থ করার পাশাপাশি প্রেম ক্রীড়ায় উৎসাহিত করা। এজন্য উচিত স্বামীকে আলিঙ্গন ও চুম্বনের মাধ্যমে তার ভেতরের প্রেমিক সত্তাকে জাগ্রত করে তোলা।


২. চুম্বনের সময় পরস্পরের জিহ্বা নিয়ে খেলবে, জিহ্বা দিয়ে জিহ্বায় আঘাত করবে। আর স্ত্রীর উচিৎ জিহ্বার লড়াইয়ে জয় লাভ করে এবং স্বামীর মুখের অভ্যন্তরে সূচালো করে জিহ্বা প্রবিষ্ট করে দেওয়া। জননাঙ্গের পাশাপাশি মুখের এই মিলন অত্যন্ত আনন্দদায়ক। আর বলা হয়, সহবাসে স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্ত্রীতে প্রবেশ করে, আর স্ত্রীর জিহ্বা স্বামীতে প্রবেশ করবে, এই সুন্দর বিনিময়ে অর্জিত হবে স্বর্গসুখ।


৩. সাধারণত দেখা যায়, স্বামী উত্তেজনার বশে স্ত্রীর কাপড় খুলছে, কিন্তু স্ত্রী নিশ্চুপ। পরে স্বামী বেচারাকে নিজের উত্তেজনা বিসর্জন দিয়ে নিজের কাপড় খোলায় মনোযোগ দিতে হয়। কিন্তু স্ত্রীর উচিত, স্বামী যখন তার কাপড় খুলছে, তখন ধীরে ধীরে স্বামীর কাপড় খোলার দিকে মনোযোগ দেওয়া। এই পারস্পরিক সৌহার্দ্য মিলনের আনন্দ যে কত গুণ বাড়িয়ে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


৪. স্বামীকে যে স্ত্রী উপলব্ধি করতে পারে যে তার রুক্ষ শরীর স্পর্শকাতর, সেই প্রকৃত রমণী। স্বামী যেমন স্ত্রীর গায়ে হাত বুলায়, স্ত্রীর স্তন চুম্বন করে, তেমন করে স্ত্রী যদি স্বামীর সর্বাঙ্গে হাত বুলায়, চুম্বন করে, বিশেষ করে বাহুতে, বুকে ও পিঠে। আরেকটি কাজ আছে যা পুরুষকে অত্যন্ত আহ্লাদিত করে, তা হলো তার গলার নিচে ও বুকে চুম্বন।


 মিলনের সময়-


মিলনের সময় কী করা উচিৎ তা এভাবে ক্রমিক নম্বর দিয়ে বর্ণনা করা সম্ভব নয়, কারণ তা নির্ভর করবে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক বৈশিষ্ট্যের উপর। প্রথম কর্মপ্রণালী সকলের জন্য।


১. সঙ্গমের সময় স্বামীকে যথা সম্ভব কাছে টেনে রাখবে, যেন বুকের মাঝে মিশিয়ে ফেলতে চাইছে।


২. অধিক পরিমাণে চুম্বন করবে, স্বামীর বাহু, কাঁধ, গলা, মুখে। আর স্বামী যেরূপ স্ত্রীর যোনিতে তার বিশেষ অঙ্গ প্রবেশ করিয়েছে, সেরূপ স্বামীর মুখে চুম্বনের মাধ্যমে গভীরভাবে জিহ্বা প্রবেশ করিয়ে দিবে।


৩. সঙ্গম করা স্বামীর জন্য অত্যন্ত পরিশ্রমের কাজ। তাই মাঝে মাঝে নিবিড় চুম্বনের মাধ্যমে স্বামীকে কিছু মুহূর্তের জন্য বিরতি দিবে।


দ্বিতীয় কর্মপ্রণালী নীরস মেয়েদের জন্য। নীরস বলতে যাদের সাথে সহবাসে স্বামী বেশি আনন্দ পায় না। যদি অনুচ্চ স্তন (যা নির্দেশ করে অল্প যোনিরস), সাধারণের অধিক ঋতুস্রাব (যা নির্দেশ করে যোনিরসে পুরুষের আনন্দের উপকরণ কামরসের ঘাটতি), যোনিমুখে পুরুষের বাহু/পায়ের লোম অপেক্ষা ঘন চুল (যা নির্দেশ করে যোনিপথের স্বাভাবিক কোমলতার অভাব)- বৈশিষ্ট্য তিনটির অন্তত দুইটি থাকে, তবে সেই রমণী নীরস। নীরস রমণীর করণীয়ঃ


১. স্বামী যদি খর্ব হয় (পুরুষাঙ্গ পাঁচ আঙ্গুলের কম), তাহলে কোন সমস্যা নেই, বরং স্বামী পুর্ণাঙ্গ আনন্দ পাবে। তাই দুশ্চিন্তা না করে সহবাসে মনোনিবেশ করবে।


২. স্বামী সাধারণ হলে (পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল দীর্ঘ) স্ত্রীর উচিত হবে সহবাসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া, তা না হলে স্বামীকে সম্পূর্ণ সুখ দিতে পারবে না। নিজে নিজেকে সুরসুরি দিলে অনুভূতি কম হয়, কিন্তু অন্য কেউ দিলে অধিক অনুভব করা যায়, সেরূপ স্ত্রী যদি নিজে কোমর চালনা করে সহবাস কার্য চালায়, তাহলে স্বামীর অধিক আনন্দ হয়।


৩. যদি স্বামী দীর্ঘ হয় (পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুলের অধিক), তাহলে তাকে তৃপ্ত করতে স্ত্রীকে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে।

*** পোস্ট ভালো লাগলে লাইক ও কমেন্ট করে জানিয়ে দিন এবং শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।

সফল হতে চান???

 সফল হতে চান???


২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি খুঁজছেন, তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি, তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে।


প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা-যারা আপনার চাইতে এগিয়ে, তারা আপনার চাইতে বেশি পরিশ্রমী। এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায় না। শুধু পরিশ্রম করলেই সব হয় না।তা-ই যদি হত, তবে গাধা হত বনের রাজা। শুধু পরিশ্রম করা নয়, এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা।


only your results are rewarded, not your efforts!!!!


আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে? সবার দিনই তো ২৪ ঘণ্টায়। আমার বন্ধুকে দেখেছি, অন্যরা যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং করে। ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই!


আপনি বাড়তি কী করলেন, সেটাই ঠিক করে দেবে, আপনি বাড়তি কী পাবেন। আপনি ভিন্ন কিছু করতে না পারলে ভিন্ন কিছু পাবেন না। বিল গেটস রাতারাতি বিল গেটস হননি। শুধু ইউনিভার্সিটি ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস কিংবা জুকারবার্গ হওয়া যায় না।


আউটলায়ার্স বইটি পড়ে দেখুন। বড় মানুষের বড় প্রস্তুতি থাকে।


নজরুলের প্রবন্ধ গুলো পড়লে বুঝতে পারবেন, উনি কতটা স্বশিক্ষিত ছিলেন। শুধু রুটির দোকানে চাকরিতেই নজরুল হওয়া যায় না। কিংবা স্কুল কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ হয়ে যাওয়া যাবে না। সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না, বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়।


স্টুডেন্ট লাইফে কে কী বলল, সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। যে ছেলেটা প্রোগ্রামিং করতেই পারত না, সে এখন একটা সফটওয়্যার ফার্মের মালিক। যাকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি, সে এখন হাজার হাজার মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। কেরিয়ার নিয়ে যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না, সে সবার আগে পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে। সব পরীক্ষায় মহা উৎসাহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন, কী পারেন না, এটা অন্য কাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না।


সরকারী ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে পড়ছেন? সবাই বলছে, আপনার লাইফটা শেষ? আমি বলি, আরে! আপনার লাইফ তো এখনো শুরুই হয়নি। আপনি কতদূর যাবেন, এটা ঠিক করে দেয়ার অন্যরা কে? লাইফটা কি ওদের নাকি?


আপনাকে ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন?


যেখানেই পড়াশোনা করেন না কেন, আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর।


শুধু 'ওহ শিট','সরি বেবি' চ্যাটিং ডেটিং' দিয়ে জীবন চলবেন না। আপনি যার উপর ডিপেনডেন্ট, তাকে বাদ দিয়ে নিজের অবস্থানটা কল্পনা করে দেখুন। যে গাড়িটা করে ইউনিভার্সিটিতে আসেন, ঘোরাঘুরি করেন, সেটি কি আপনার নিজের টাকায় কেনা?


একদিন আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে। তখন আপনাকে যা যা করতে হবে, সেসব কাজ এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড় হতে হলে কিছু ভাল বই পড়তে হয়, কিছু ভাল মুভি দেখতে হয়, কিছু ভাল মিউজিক শুনতে হয়, কিছু ভাল জায়গায় ঘুরতে হয়, কিছু ভাল মানুষের সাথে কথা বলতে হয়, কিছু ভাল কাজ করতে হয়। জীবনটা শুধু হাহাহিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য নয়। একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে, তখন দেখবেন, পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে, মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে। স্কিল ডেভেলাপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়। এসব একদিনে কিংবা রাতারাতি হয় না।"আপনার মত করে লিখতে হলে


আমাকে কী করতে হবে? আমি আপনার মত রেজাল্ট করতে চাই। আমাকে কী করতে হবে?" এটা আমি প্রায়ই শুনি। আমি


বলি, "অসম্ভব পরিশ্রম করতে হবে। নো শর্টকাটস্। সরি!"


রিপ্লাই আসে, "কিন্তু পড়তে যে ভাল লাগে না। কী করা যায়?"এর উত্তরটা একটু ভিন্ন ভাবে দিই।


আপনি যখন স্কুল কলেজে পড়তেন, তখন যে সময়ে আপনার ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকত, সে সময়ে আপনি তাকে দেখে হাসতেন। এখন সময় এসেছে, আপনি পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন।


জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক মারতে হয়, সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলেন, যে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা, সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন না, এটাই স্বাভাবিক। এটা মেনে নিন।


মেনে নিতে না পারলে ঘুরে দাঁড়ান। এখনই সময়!


কষ্ট করুন, লক্ষ্য ঠিক রাখুন, ব্যর্থ হবেন কিন্তু থামবেন না, এগিয়ে যান--


১০০০ বার ব্যর্থ হলে তা থেকে ১০০০টা শিক্ষা নিন, তারপর সফলতা পান।


#Collected

অল্প খরচে সংসার চালাবেন কিভাবে?

 🥰অল্প খরচে সংসার চালাবেন কিভাবে?


বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সবাই অল্প খরচে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তবে সঠিক পরিকল্পনা, সংযম এবং সচেতনতা থাকলে অল্প খরচেও সুস্থ ও সুশৃঙ্খলভাবে সংসার চালানো সম্ভব। যারা অনেকদিন ধরে ভাবছেন কীভাবে খরচ কমিয়ে সংসার চালানো যায়, তাদের জন্য এই লেখাটি সহায়ক হতে পারে।

অল্প খরচে সংসার চালানোর কিছু কার্যকর উপায়:

১. মানসিকভাবে সংযমী হন

সংসারের খরচ অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের মানসিক অবস্থার উপর। যদি আপনি বাজারে গিয়ে ইচ্ছেমতো কেনাকাটা শুরু করেন, তাহলে খরচ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়বে। তাই নিজের চাহিদাগুলোকে সংযমের মধ্যে রাখা জরুরি।

২. খালি পেটে বাজারে যাবেন না

ক্ষুধার্ত অবস্থায় বাজারে গেলে মানুষ অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে ফেলে। তাই বাজারে যাওয়ার আগে কিছু খেয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

৩. পুরো সপ্তাহের বাজার একবারে করুন

প্রতিদিন বাজারে গেলে খরচ বেশি হয়। তাই সপ্তাহের বাজার একসাথে করুন। একটি তালিকা তৈরি করে তাতে প্রয়োজনীয় সবকিছু লিখে নিয়ে বাজার করুন। এতে করে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা এড়ানো যায়।

৪. খাবার দিন অনুযায়ী ভাগ করে রাখুন

ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণ করুন এবং প্রতিদিনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে মাছ, তরকারি, ভাজি ইত্যাদি ভাগ করে রাখুন। এতে অপচয় কম হবে এবং খরচ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৫. গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হোন

রান্নার সব উপকরণ আগে থেকে প্রস্তুত করে নিন, যাতে চুলা জ্বালিয়ে রাখার সময় কম লাগে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে ফ্যান, লাইট বা ফ্রিজ চালিয়ে রাখবেন না।

৬. সাইকেল ব্যবহার করুন

ছোট দূরত্বে যানবাহনের পরিবর্তে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করুন। এতে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং যাতায়াতে খরচও অনেক কমে আসবে।

৭. সৌখিন ও বিলাসী জিনিস এড়িয়ে চলুন

প্রয়োজনের অতিরিক্ত কসমেটিকস, সাজসজ্জার সামগ্রী বা বিলাসী পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকুন। যতটুকু দরকার, ততটুকুই কিনুন।

৮. অফারের ফাঁ'দে পা দেবেন না

বিভিন্ন উপলক্ষে কোম্পানিগুলো নানা আকর্ষণীয় অফার দেয়। তবে যদি আপনার প্রকৃত প্রয়োজন না থাকে, তাহলে সেই অফার যত আকর্ষণীয়ই হোক, তা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

এইভাবে আপনি ধীরে ধীরে খরচ নিয়ন্ত্রণে এনে সংসার পরিচালনাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে পারেন।

পারিবারিক খরচ কমাতে হবে

 আপনি মানুন বা না মানুন আপনার জীবনে যেকোনো মুহূর্তে ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস আসতে পারে। বিয়ে, জন্মদিন, ঈদ, পূজা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে লোক দেখানো বিশাল খরচ করবেন না। বহু মধ্যবিত্ত পরিবারের সঞ্চয়ের এক তৃতীয়াংশ খরচ হয়ে যায় শুধুমাত্র ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে গিয়ে। সন্তান জন্মের পর এক লাখ টাকাও যদি ফিক্সড করে রাখেন তার নামে, তবে সেই টাকাটা মাল্টিপ্লাই হতে হতে সন্তানের যখন বিশ বছর বয়স হবে, তখন একটা ভালো অ্যামাউন্ট পাবেন যেটা তার ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।


আপনার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আয় করা টাকা আপনি নিজে মাল্টিপ্লাই করুন, বাচ্চাদেরকেও টাকা মাল্টিপ্লাই করতে শেখান। ছোটো থেকেই ফাইনান্সিয়াল অ্যাডভাইস দিন। সন্তানকে প্রোডাক্টিভ আর নন-প্রোডাক্টিভ ইনভেস্ট সম্পর্কে জ্ঞান দিন। যেমন, গ্যাজেট আর ধাতুর মধ্যে ধাতু চ্যুজ করা উচিত। কারণ ধাতুর রিসেল ভ্যালু আছে। এই শিক্ষা ভবিষ্যতে আপনার এবং আপনার সন্তানের উপকারে আসবে।


আপনার সর্বস্ব খরচ করে সন্তানকে বিয়ে দেবার চেয়ে কোনোমতে বিয়ে দিয়ে সন্তানের নামে টাকাটা ফিক্সড ডিপোজিট করে দিন, অসময়ে দরকার পড়বে!


জমির চেয়ে বাড়ির ভ্যালু বেশি করবেন না। আবার বাড়ি বা ফার্নিচারের ভ্যালুর চেয়ে ব্যাংকের লকারে সোনা ও ব্যাংকে লিক্যুইড মানি বেশি রাখবেন, কারণ আপনার দুঃসময়ে ঘরের একটা টুকরাও আপনি সেল করতে পারবেন না, কিন্ত গহনা অথবা টাকা দিয়ে দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে পারবেন। খারাপ সময় বলে কয়ে আসে না। এই দুনিয়ার কোন কিছুরই গ্যারান্টি নেই, আপনার শরীরেরও না!


যোগ্যতাপূর্ণ চাকরিতেও ফিনান্সিয়াল সিকিউরিটি থাকে না। তাই ছেলেমেয়েকে বহু খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করতে শেখান। কোনো কাজ ছোটো নয় এই বোধ তৈরি করুন তার মধ্যে। 


সন্তানকে বইয়ের বাইরের বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন কাজ শেখান, কারণ পেটে শিক্ষা আছে মানেই ক্যারিয়ার সাকসেসফুল হবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই।


কিছু টাকা জমিয়ে রাখুন। যতটুকু বাড়ি করলে স্বচ্ছন্দে থাকা যায় ততটুকুই বাড়ি করুন। অন্তত ওই পরিমাণ টাকা MIS (Monthly Income Scheme) করে রাখুন যাতে ঠেকে গেলে অন্তত ডাল ভাত খেয়ে মাস কাটে। আগামী দিন কতটা ক্রাইসিস আসবে আমরা কেউ জানি না। চাকরি, ব্যবসা বাণিজ্য কোনো কিছুরই আসলে কোনো নিশ্চয়তা নেই। চাকরিতে পেনশনেরও একশো ভাগ গ্যারান্টি নেই!


স্ট্যাটাস মেনটেন করার জন্য সরকারি চাকরির দিকে সন্তানকে ফোর্স করবেন না। সরকারি, বেসরকারি, ব্যবসা কোনোটাতেই যেখানে হান্ড্রেড পার্সেন্ট সিকিউরিটি নেই, তাই যার যে দিকে ইচ্ছে সেদিকে খাটুক।


বিভিন্ন দিকে উপার্জনের মনোভাব রাখতে হবে। মনে রাখবেন, উপার্জনটাই বড়। আপনার টাকা এবং সন্তানের মেধা ব্যালেন্স করে তাকে পড়ান।  অযথা উচ্চশিক্ষা বা ডিগ্রির পিছনে ছুটলে সময় এবং টাকা দুই-ই ব্যয় হবে, তাই সন্তান স্কুলের গণ্ডি পেরোলেই সুনির্দিষ্ট গোল সেট করে নিন। সন্তান যতই মেধাবী হোক না কেন তাকে এমন কিছু এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিজ শেখান যেটা ভবিষ্যতে তাকে টাকা এনে দেবে।


হাতে কলমে কাজ, কারিগরি জ্ঞান, ছোটো ব্যবসা, পার্ট টাইম জব এই সবকিছুতেই তাকে অভ্যস্ত করান পড়াশোনার পাশাপাশি, কারণ জীবনের পঁচিশ ত্রিশ বছর যদি বই পড়ে পার করে দেয় তবে অফিস ওয়ার্ক ছাড়া অন্য কিছুতে ততটা এলিজিবল সে নাও থাকতে পারে ।


মোদ্দা কথা, সবকিছুকেই বিজনেস মাইন্ডে দেখতে হবে। এছাড়া কোনো অপশন নেই। অন্তত একটা বিনিয়োগ ডুবে গেলে যেন আর একটা ভেসে থাকে!

এডিসনের ভুল

 ",টমাস আলভা এডিসন কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনি জীবনে ভুল করেছেন? তিনি বলছিলেন, 'অসংখ্যবার!' তা শুনে প্রশ্নকর্তা বলেছিলেন, 'তাহলে তো আপনার মাথায় বুদ্ধি কম?' উত্তরে এডিসন যে উত্তর করেছিলেন তা এমন, 'মাথায় বুদ্ধি কম ছিলো কিন্তু অসংখ্যবার ভুল করার কারণে তা বেড়ে অসংখ্য গুণ হয়ে গিয়েছে!'


ব্যাপারটা এমন, প্রতিবার ভুলের পর এডিসন নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতেন । এভাবে সৃষ্ট সফল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে।


কানাডিয়ান বিখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেছিলেন, 'ভুল বলে কিছু নেই সবি নতুন শিক্ষা।'


বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, 'কেউ যদি বলে সে কখনো ভুল করেনি, তার মানে সে কখনো চেষ্টাই করেনি।'


'How to change a life' বইটি একবার দ্বিতীয় সংস্করণে নামের ভুলে 'How to change a wife' হয়ে বের হয়েছিলো, তারপর তা বেস্ট সেলার !


কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল বলো নাহলে তুমি বুঝতে পারবে না লোকে তোমার কথা শুনছে কি না !


মাঝে মাঝে ভুল লিখো তাহলে যে তোমাকে জিন্দেগীতে কমেন্ট করবে না বলে পণ করেছে সে ও কমেন্ট করবে।


বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, 'উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের একটি সমন্বিত পক্রিয়া।'


বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, 'নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।'


কলিন পাওয়েলের মতে, 'যোগ্য নেতা জন্ম নেয় না তৈরী হয় চেষ্টা, ভুল এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।'


অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ মাইকেল জর্ডান বলেছিলেন, 'আমি অসংখ্যবার ভুল করেছি এবং ফেইল করেছি বলে আমি আজ সফল।'


হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, 'ভুল হলো একমাত্র সুযোগ যার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার আরো সুযোগ পাবেন।'


এক প্রেমিকের ভাষ্য, 'ভুল মানুষের প্রেমে পড়া মানে আরেকটি শুদ্ধ মানুষের প্রেমে পড়ার অন্যতম সুযোগ।'


কথায় আছে, সত্যিকার মানুষ কখনো নির্ভুল হতে পারে না!


যদি সবকিছু নির্ভুল থাকে তাহলে তুমি কখনো কিছু শিখতে পারবে না!


পেন্সিল মানসিকতা হওয়ার চেষ্টা করো, যাতে ভুল হলে পিছন দিয়ে ঘষে মুছে নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ থাকবে! মুছা না গেলে চিত্র হয় না!


কলম মানসিকতার মানুষগুলো নিজেকে নির্ভুল ভাবে ! তাই কলম দিয়ে সুন্দর চিত্র হয় না!


তাই আসুন আমরা ভুল কে ভুলে গিয়ে আবার নতুনভাবে চেষ্টা করে ফুলের মত জীবন গড়ি।


জ্ঞানীদের বানী (সংগ্রহ)

যারা বর্তমান জেনারেশন আছেন, অনুরোধ থাকবে ধৈর্য নিয়ে সম্পূর্ণ লেখাটা পড়া শেষ করবেন।

 যারা বর্তমান জেনারেশন আছেন, অনুরোধ থাকবে ধৈর্য নিয়ে সম্পূর্ণ লেখাটা পড়া শেষ করবেন।


আজকাল বেশিরভাগ বর্তমান জেনারেশনের একটা সমস্যা আছে। আর সেটা হলো, এরা সবাই রিলেশনশিপের জন্য পাগল। এরা বলে তাদের নাকি সত্যিকারের প্রেম হয়ে গেছে!


তাহলে আমি আপনাকে বলতে চাই, এই পৃথিবীতে প্রেম ভালোবাসা বলে কিছু হয় না। আর যদি সেটা হয়ও, তবে তার সংখ্যাটা খুবই কম। তাই আজকাল যা কিছু হচ্ছে, এটা কেবলমাত্র "এট্রাকশন"।


"এট্রাকশন" ন্যাচারাল একটা জিনিস। আপনি ছেলে হলে মেয়ের প্রতি হবে আর মেয়ে হলে ছেলের প্রতি হবে। আর এই এট্রাকশনকে আমরা না বুঝে ভালোবাসা নাম দিয়ে দিই।


সত্যি বলতে কি, কেউ যদি আপনাকে বলে সে আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে, সে ডাহা মিথ্যা কথা বলে! আমার কথা বিশ্বাস না হলে আপনি নিজেই সেটা পরীক্ষা করে দেখুন।


যেমন, আপনি তাকে বলুন আপনার শরীর অসুস্থ এবং আপনি আর বেশি দিন বাঁচবেন না। দেখবেন কিছুদিন পরে সে আপনাকে কোনো না কোনো অজুহাতে ছেড়ে চলে যাবে । কিন্তু একই কথা আপনি আপনার বাবা মাকে বলে দেখুন, যদি প্রয়োজন হয়, তারা আপনার জন্য নিজেদের বিক্রি করে দিবে। আর এটাই হচ্ছে "রিয়েল লাভ"। 


আজকাল লোক "এট্রাকশনকে" লাভ মনে করছে। আর এর জন্য নিজের জীবনকেও নষ্ট করে ফেলছে। আপনার ক্যারিয়ার ছেড়ে যদি আপনি অ্যাফেয়ারের পেছনে ছোটেন, তাহলে আপনার জীবনটাই নষ্ট হয়ে যাবে। আপনি যে সম্পর্ক তৈরি করেন স্কুল, কলেজ কিংবা কোচিংয়ে, এসব কখনোই পারমানেন্ট কিছু না!


আপনি যদি আপনার গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করেন, তাহলে সেটা আপনার জন্য সর্বোচ্চ "বেস্ট অপশন" হবে। কিন্তু আপনার বাবা মা যাকে পছন্দ করবে, সেটা আপনার জন্য হবে "ইউনিক"। যদি আপনি বেস্ট পছন্দ করেন, তবে আপনি ক্লাসের ফার্স্ট বয় বা গার্ল হবেন আর যদি ইউনিক পছন্দ করেন, তাহলে আপনি লাখে একজন হবেন। আরেকটা কথা, অধিকাংশ প্রেমের বিয়ের পরিণতি ভালো কিছু হয় না। দুদিন পরে যদি আপনার লাইফ পার্টনার আপনাকে ছেড়ে চলে যায়, আপনি কাউকে কিছু বলতেও পারবেন না, কারণ পছন্দ তো আপনি করেছিলেন।


তাই যদি ভালোবাসতেই হয়, তবে আপনার বইকে ভালোবাসুন, আপনার কাজকে ভালোবাসুন। কারণ, এরা আপনাকে কখনোই ধোঁকা দেবে না, কিছু না কিছু অবশ্যই দিয়ে যাবে যা দিয়ে আপনি জীবন গড়তে পারবেন।


দিন সবার জন্যই ২৪ ঘন্টার হয়। এমন না যে কেউ আলাদা করে সময় পায়। কিন্তু এই ২৪ ঘন্টায় কেউ ভালোবেসে "পতি" হতে চায়, আবার কেউ পরিশ্রম করে "কোটিপতি" হতে চায়। এখন আপনিই ভেবে দেখুন, আপনি কি হতে চান?


কিছু বছর পর যখন আপনি লোকজনের মুখোমুখি হবেন, তখন তারা এটা জিজ্ঞেস করবে না যে, আপনার কয়টা গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড ছিল। তারা এটাই জিজ্জাসা করবে আপনি কত টাকা রোজগার করেন? আপনার যোগ্যতা কতটা?


এটাই পৃথিবীর নিয়ম! লোক কখনই আপনার অবস্থা জিজ্ঞেস করবে না, তারা আপনার আর্থিক অবস্থা জিজ্ঞেস করবে।


আজকাল ছেলেমেয়েরা প্রমিস করে — "আমি তোমার সাথে সারা জীবন থাকবো!" কিন্তু সত্যিটা হলো, কেউ কারো সাথে সারাজীবন থাকে না। লোক যখন শেষ যাত্রায় যায়, তখনও কাঁধ অদল বদল করে নিয়ে যায়!


আর তাই এখন যদি আপনি মাথা নিচু করে পড়ার টেবিলে পড়ে থাকেন, কিছুদিন পর আপনার মাথা সবার উপরে থাকবে। আর এখন যদি আপনি আরামের কথা ভাবেন, তাহলে সারাজীবন কষ্ট সহ্য করতে হবে। আজ যদি আপনি আপনার বইকে এবং কাজকে ভালোবাসেন, তাহলে কাল মানুষ আপনাকে সম্মান করবে। তাই কোনো ড্রিম গার্ল বা ড্রিম বয়ের জন্য কখনো নিজের বাবা মায়ের স্বপ্নকে নষ্ট করবেন না! 


আজ আপনি দুই চারটা প্রেম করে যেটাকে সুখী হওয়া মনে করছেন, সেটা আসলে কোনো সুখ নয়। সত্যি বলতে কি, আপনি এখনও আসল সুখ দেখেনইনি!


সুখী আপনি কবে হবেন জানেন? যেদিন আপনি প্রথম স্যালারি পাবেন কিংবা আপনার বিজনেস শুরু করবেন। (সেটাও কিন্তু আসল প্রকৃত সুখ নয়) কিন্তু যখন আপনি আপনার প্রথম ইনকাম নিয়ে গিয়ে বাবা মায়ের হাতে তুলে দেবেন, তখন আপনার চোখে অশ্রু আসবে। তখন আপনি ফিল করবেন —

যেই বাবা মায়ের আঙুল ধরে আমি হাঁটতে শিখেছি, সেই বাবা মায়ের হাতেই আমি আমার প্রথম ইনকাম তুলে দিয়েছি! আর ঠিক তখনই আপনি সত্যিকারের সুখটা ফিল করবেন! 


আর যখন আপনি ইনকাম করা শুরু করবেন, তখন আপনি এটাও বুঝতে পারবেন — লক্ষ টাকারও কোনো মূল্য নেই সেই দশ টাকার কাছে, যা আপনার বাবা মা স্কুলে যাবার সময় আপনার হাতে দিত।


একটু ভালোভাবে বাবা মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখুন — ওটাই হলো সেই আয়না, যেখানে সন্তান কখনো বৃদ্ধ হয় না।

Dulcamara (Dulc.) ডালকামারা

 Dulcamara (Dulc.) ডালকামারা


👉 গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ:

অভিযোগ শুরু হয় বা বেড়ে যায় ঠাণ্ডা, স্যাঁতসেঁতে, বৃষ্টিভেজা আবহাওয়ায় অথবা হঠাৎ গরম থেকে ঠাণ্ডা পরিবর্তনে।


উপকারী: যাঁরা ঠাণ্ডা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে থাকেন বা কাজ করেন (যেমন: বেজমেন্টে বা নিচতলায়)।


👉 প্রধান উপসর্গ ও রোগ:

দুধের মতো সাদা প্রস্রাবসহ মূত্র বন্ধ হওয়া (Ischuria)।


আঁচিল (Warts) – মসৃণ, সমান, একাধিক; হাত-পায়ের আঙুলে বা পেছনে।


চর্মরোগ (Eczema) – বেশি নির্গমণযুক্ত।


অ্যালার্জিক ফুসকুড়ি বা চুলকানি (Urticaria)।


স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ডায়রিয়া।


মাথার ত্বকে ফাঙ্গাস (Tinea capitis), খোঁচালে রক্ত পড়ে।


ঠাণ্ডা লাগলেই চোখে সমস্যা হয়।


নবজাতকের সর্দি – নাক গরম রাখতে চায়।


মুখে স্নায়বিক ব্যথা – হালকা ঠাণ্ডাতেও বেড়ে যায়।


শারীরিক পরিশ্রমের পর কাশি।


ঠাণ্ডা পানি পান করার প্রবল ইচ্ছা।


নাভির চারপাশে পেটব্যথা।


কোমর বা ঘাড়ে স্পন্ডিলাইটিস।


👉 আমার অভিজ্ঞতা:

স্যাঁতসেঁতে জায়গায় থাকার ইতিহাস থাকলে যে কোনো মূত্রের সমস্যায় Dulc. কার্যকর।


আঁচিলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী – বিশেষ করে সমান ও মসৃণ আঁচিল হলে। 10M বা তদূর্ধ্ব পোটেন্সিতে ভালো কাজ দেয়।


নির্গমণযুক্ত একজিমায় বিশেষ উপকারী; মাঝারি পোটেন্সি থেকে ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ব্যবহার করতে হয়।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...