এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

ছেঁড়া চপ্পল 

 ছেঁড়া চপ্পল 

কে জানে, সামনের দোকানে বসে থাকা মোটা শেঠটা সপ্তাহে তিন-চারবার তার চপ্পল কীভাবে ছিঁড়ে ফেলে? জুতো সেলাই করা মুচি ফিসফিস করে বলল। তার চোখ ছিল সেই বড় মুদির দোকানের শেঠটার দিকেই।


প্রতিবার যখনই মুচির দোকানে তেমন কোনো কাজ থাকত না, তখনই সেই শেঠটার চাকর এসে তার ছিঁড়া চপ্পলটা সেলাই করার জন্য দিয়ে যেত। মুচি খুব মন দিয়ে সেই চপ্পলটা এমনভাবে সেলাই করত, যেন অন্তত দু-তিন মাস আর না ছেঁড়ে।


চাকর এসে কোনো দামাদামি না করেই টাকা দিয়ে চপ্পলটা নিয়ে যেত। কিন্তু কদিন পরেই আবার সেই একই চপ্পল ছেঁড়া অবস্থায় মুচির দোকানে হাজির হত।


আজও ঠিক সেই রকমই সকাল, সূর্য উঠেছে... শেঠটার চাকর রামধন দোকানে ঝাঁট দিচ্ছে।


আর সেই শেঠটা... সে তখন জোর দিয়ে তার চপ্পল ছেঁড়ার চেষ্টা করছে। অনেক চেষ্টা করেও যখন চপ্পলটা ছিঁড়ল না, তখন সে রামধনকে ডাক দিল–


"এই রামধন! এর কিছু কর তো! মঙ্গু এমন কী সেলাই করে যে চপ্পলটা ছেঁড়েই না!"


রামধন আজ আর চুপ থাকতে চাইল না, সে স্পষ্ট বলে ফেলল, "শেঠজি, আমি আপনার এই কাণ্ড বুঝি না! আপনি নিজেই চপ্পল ছেঁড়েন, আবার নিজেই মঙ্গুর কাছে পাঠান সেলাই করাতে!"


শেঠজি তখন হেসে ফেলল। এইবার চপ্পলটা একেবারে ছিঁড়ে গেছে। সে সেটা রামধনের হাতে তুলে দিয়ে আসল কারণটা বলল–


"দেখ রামধন, যেদিন দেখি মঙ্গুর দোকানে কোনো কাজ নেই, সেদিনই আমি আমার চপ্পলটা ছিঁড়ে ফেলি। কারণ আমি জানি, মঙ্গু খুব গরিব হলেও, সে নিজের সম্মানকে খুব ভালোবাসে। আমি যদি সরাসরি তাকে সাহায্য করতে যাই, তাহলে সে নেবে না। তাই আমি এই নাটক করি—আমার চপ্পল ছিঁড়ি, যাতে তার দোকানে একটা কাজ আসে। আমার এই অভিনয়ে যদি ওর আত্মসম্মান বাঁচে, আর আমি একটু সাহায্য করতে পারি, তাহলে এর থেকে ভালো আর কিছু হতে পারে?"


রামধনের চোখে জল চলে এলো... সেইদিন সে বুঝেছিল, দান কেবল টাকা দিয়ে হয় না, ভালোবাসা দিয়েও হয়।


এই গল্পটি নিছক ছেঁড়া চপ্পলের গল্প নয়, এটি মানুষের সহানুভূতি, সম্মানবোধ এবং গোপন উদারতার এক অমূল্য দৃষ্টান্ত।


#সংগৃহীত #life #dhwonidiary #চপ্পল

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী  বলেশ্বর নদী। 

 বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী  বলেশ্বর নদী। নদীটি বাগেরহাট জেলার পূর্ব সীমান্তে এবং বরগুনা জেলার পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত।আর অবস্থান বিচারে নদীটির পূর্ব প্রান্তে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উপকূলীয় বনভূমি সুন্দরবন।


গঙ্গা- ব্রহ্মপুত্র ডেলটায় অবস্থিত এই বলেশ্বর নদীর উৎপত্তি বিষয়ে সঠিক ভাবে জানা না গেলেও ধারনা করা হয় দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ নদীর মতো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই নদীটির পানির উৎস পদ্মা কিংবা যমুনা। পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাংগা থেকে শুরু হয়ে বলেশ্বর নদী দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে হরিণঘাটা নদীর সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এই নদীর মোহনায়ই লালদিয়া সমুদ্রসৈকত অবস্থিত।


১৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সর্পিলাকার এই নদীটির গড় প্রস্থ ১৬৪৪ মিটার। তাই স্বভাবতই একসময় বলেশ্বর নদীতে স্টিমার, লঞ্চ এমনকি জাহাজও চলতো। এখনও এ নদীতে নৌকা চলাচল অব্যাহত আছে।দু’পাড়ে হাজার হাজার মানুষের কৃষি কাজ,জীবিকা ও নৌযাগাযোগের একমাত্র ভরসা এ নদী।তবে মৎস্যজীবীদের জন্য এক আশীর্বাদ স্বরূপ বলেশ্বর নদী।  প্রচুর ইলিশ-চিতলসহ নানা প্রকার মাছে ভরপুর এ নদী। ২০২২ সালে বলেশ্বর নদী ও সাগর মোহনা অঞ্চলের প্রায় সাড়ে সাত হাজার বর্গকিলোমিটারকে ইলিশ মাছের নতুন প্রজনন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।


তবে দুঃখজনক হলেও নির্মম সত্য যে বলেশ্বর নদী তার এ সমৃদ্ধি হারানোর পথে।নাব্য সঙ্কটের কারণে মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে অথৈ বলেশ্বর এখন নালা। দ্রুতই শুকিয়ে যাচ্ছে। এই নির্মমতার পিছে রয়েছে নানান কারণ।নদীভরাট, ভোগদখল, অপরিকল্পিত সংস্কার উদ্যোগ ও দায়ি।২০২০ সালে নদীর তীর সংরক্ষণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেয়া সংস্কারের উদ্যোগ অভিশাপ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য স্থানীয়দের। পুরানো খেয়াঘাট থেকে ২১৯ মিটার দীর্ঘ এলাকায় ব্লক ডাম্পিং করার কথা ছিলো। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্লকগুলো নদীর মাঝখানে এলোমেলোভাবে ফেলে রাখায় পলি জমে ভরাট হতে শুরু করেছে। তাই ভাটার সময় ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়।বলেশ্বর নদীর এই নাব্য সংকট ক্রমেই স্থানীয় জেলে, কৃষকের চাষাবাদ ও মানুষের জীবিকার সংকট বাড়িয়ে দিচ্ছে।তাই ব্যাক্তি পর্যায়ে সচেতনতা তো বটেই, সরকারি পর্যায় থেকেও বলেশ্বর নদীর বিপর্যয় রোধে দ্রুতই ব্যাবস্থা নেওয়া উচিত।


বাংলার প্রাঙ্গণের “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগেরই একটি শাখা “নদীকথন”। এই "নদীকথন"  শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি নদীর শাখা, উপশাখা, বর্ণনা এবং ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে সবার সামনে নিয়ে আসা এরই ধারাবাহিকতায় আজ "নদীকথন"- র ২২ তম পর্বে ছিল বলেশ্বর নদী।


তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া। 

#নদীকথন #বলেশ্বর_নদী #জল_জীবন #নদীর_সৌন্দর্য 

(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না) 

#বাংলার_তথ্যপট ('বাংলার তথ্যপট' সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

বিয়ে শুধু একটা সম্পর্ক নয়, এটা প্রতিদিন তৈরি করা এক ভালোবাসার ঘর”**এই নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা 

 **“বিয়ে শুধু একটা সম্পর্ক নয়, এটা প্রতিদিন তৈরি করা এক ভালোবাসার ঘর”**এই নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা 🙂

---


### **বিবাহিত জীবনে সুখী থাকার ৮টি সহজ উপায় কিন্তু গভীর সত্য**:


**১. ভালোবাসা হোক নিঃস্বার্থ, শুধু চাওয়া নয়—দেয়াও শেখো**  

একজন অন্যজনকে ভালোবাসবে এমনভাবে, যেখানে শর্ত থাকবে না। ভালোবাসা শুধু "আমি কী পাচ্ছি" নয়, বরং "আমি কী দিতে পারি"—এই মনোভাবেই সম্পর্ক টিকে।


---


**২. কথা বলো, মন খুলে বলো**  

নীরবতা অনেক সম্পর্ক ভেঙে দেয়। প্রতিদিন একটু সময় করে একে অপরের কথা শোনা ও বলা—এই ছোট অভ্যাসই বড় সুখ এনে দেয়।


---


**৩. ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ইগো নয়, বোঝাপড়া রাখো**  

বিয়ে মানেই দুইটা আলাদা মানুষ একসাথে চলা। মতের অমিল হবেই, কিন্তু সমস্যা নিয়ে ‘লড়ো না’, বরং ‘সমাধান খুঁজো’—এই দৃষ্টিভঙ্গি রাখো।


---


**৪. একে অপরের পরিবারকে সম্মান করো**  

যে মানুষটিকে তুমি ভালোবাসো, তার পরিবারও তার জীবনের অংশ। শ্রদ্ধা আর সম্মান দেখাতে শিখলে সম্পর্ক আরও মজবুত হয়।


---


**৫. একসাথে সময় কাটাও—স্মৃতি তৈরি করো**  

দামী উপহার নয়, একসাথে হাঁটা, সিনেমা দেখা, চা খাওয়া বা ছাদে বসে গল্প করাই সম্পর্কের আসল রসদ। এই সময়গুলোই ভবিষ্যতের জন্য শক্ত ভিত তৈরি করে।


---


**৬. প্রশংসা করো, কৃতজ্ঞতা দেখাও**  

একটা “তুমি আজ খুব সুন্দর লাগছো” বা “তোমার রান্না আজ অসাধারণ হয়েছে”—এই শব্দগুলো জাদুর মতো কাজ করে।


---


**৭. ব্যক্তিগত সময় ও স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দাও**  

একজন মানুষকে ভালোবাসা মানে তাকে গিলে ফেলা নয়। নিজস্ব জায়গা ও পছন্দকে সম্মান করলেই সম্পর্কটা টিকে দীর্ঘদিন।


---


**৮. একে অপরের পাশে থাকো—ভালো সময়ে যেমন, খারাপ সময়েও ঠিক তেমন**  

যখন দুঃসময় আসে, তখনই বোঝা যায় কে সত্যিকারের সঙ্গী। পাশে থাকো, হাতে হাত রেখে হাঁটো—সুখ তখন আপনা থেকেই চলে আসে।


---


**উপসংহার:**  

সুখী দাম্পত্য জীবন কোনো ম্যাজিক নয়। এটা ধৈর্য, বোঝাপড়া, আর প্রতিদিন একটু একটু করে গড়ে তোলার ফল। ভালোবাসা হোক চোখে নয়, অন্তরে। সুখ হোক শব্দে নয়, ব্যবহারে।


**আপনি যদি আমার এই লাইনটি পড়েন তার মানে আপনি পুরোটা পড়েছেন অতএব একটা মানসম্মত কমেন্ট করবেন ভালো হোক বা খারাপ এটাই আপনাদের কাছে আবদার আমার🥰

মুত্রথলির পাথর যখন একটা নারিকেলের সমান হয়। প্রস্রাব করতে গেলেই জ্বালাপোড়া।

 মুত্রথলির পাথর যখন একটা নারিকেলের সমান হয়।

প্রস্রাব করতে গেলেই জ্বালাপোড়া।

দিনের পর দিন কষ্টে ছিলেন ভদ্রলোক।

মাঝে মাঝে ব্যথা, আবার কখনো রক্তও বের হতো।

শেষমেশ ভয় পেয়ে এক্সরে করালেন।


আর এক্সরে দেখে ডাক্তার থ!

ব্লাডারের মধ্যে বিশাল এক গোল সাদা ছায়া।

CT স্ক্যানে দেখা গেল—ব্লাডার স্টোন 

অপারেশনের পরে যেটা বের হলো, সেটা দেখে সবাই হতবাক—প্রায় একটা নারকেলের মতো পাথর!


 তাহলে প্রশ্ন—এত বড় পাথর গেল কোথা দিয়ে?

➡️ কোন দিক দিয়ে যায়নি। ধীরে ধীরে নিজেই তৈরি হইছে—মূত্রাশয়ের ভিতরে।


কারণগুলো ছিল সোজা:


 • দিনের পর দিন প্রস্রাব আটকে রাখা

 • ইউরিন ঠিকভাবে না বের হওয়া

 • ইনফেকশন থাকলেও চিকিৎসা না নেওয়া

 • এবং সবচেয়ে বড় কথা—অবহেলা


✅ কীভাবে স্টোন হওয়া এড়াবেন?


 • প্রতিদিন ২-২.৫ লিটার পানি পান করুন

 • প্রস্রাব চেপে রাখবেন না

 • ইউরিনে জ্বালা বা রক্ত দেখলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন

 • বয়স হলে প্রোস্টেট চেক করান নিয়মিত


মনে রাখুন:

ছোট সমস্যা সময়মতো গুরুত্ব না দিলে, একসময় সেটা বড় বিপদ হয়ে দাঁড়ায়।

জার সমভূমি,— এক রহস্যময় প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন:---

 জার সমভূমি,— এক রহস্যময় প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন:---


♦️পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে আছে নানা অদ্ভুত এবং রহস্যময় স্থান, যেগুলো আমাদের ইতিহাসের অজানা অধ্যায়ের দিকে ইঙ্গিত করে। তেমনি এক বিস্ময়কর জায়গা হচ্ছে জার সমভূমি (Plain of Jars), যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছোট দেশ লাওস-এর উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ জিয়াংখুয়াং (Xieng Khouang)-এ অবস্থিত।


♦️এই সমভূমির বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে শত শত, এমনকি হাজারেরও বেশি বিশাল আকৃতির পাথরের পাত্র বা "জার"। এদের উচ্চতা ১ মিটার থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত এবং ওজন কয়েকশ কেজি থেকে কয়েক টন পর্যন্ত হতে পারে। জারগুলো দেখতে অনেকটা বড় কলসের মতো, কিন্তু এগুলোর আসল উদ্দেশ্য বা উৎপত্তি আজও সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি।


♦️বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জারগুলো তৈরি হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ বছর থেকে খ্রিস্টীয় ৫০০ সালের মধ্যে, অর্থাৎ আনুমানিক দুই হাজার বছর আগে। অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা বলছে, এই পাত্রগুলো সম্ভবত শেষকৃত্য বা দাহক্রিয়ার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিছু জার-এর মধ্যে কঙ্কাল, দাঁত এবং মৃতদেহ পোড়ানোর ছাই পাওয়া গেছে, যা এই তত্ত্বকে সমর্থন করে।


♦️স্থানীয়দের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পাথরের জারগুলো তৈরি করেছিলেন এক কিংবদন্তিতুল্য দৈত্য রাজা, যিনি যুদ্ধে জয়লাভের পর তার সৈন্যদের জন্য বিশাল মদের পাত্র বানিয়েছিলেন। যদিও এটি নিছক একটি কাহিনি, তবুও এই লোকজ বিশ্বাস জার সমভূমির রহস্যকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।


♦️দুঃখজনকভাবে, ১৯৬০-এর দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে লাওস ছিল অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। এই জার সমভূমির অনেক অংশ মার্কিন বোমা হামলার ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং বহু এলাকায় আজও অবিস্ফোরিত বোমা (UXO) পড়ে আছে, যা পর্যটকদের জন্য বিপজ্জনক করে তোলে।তবে আন্তর্জাতিক সাহায্যে এখন অনেক অংশ পরিষ্কার ও নিরাপদ করা হয়েছে এবং সেখানে পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত "সেফ জোন" তৈরি করা হয়েছে।


♦️২০১৯ সালে জার সমভূমিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এটি শুধুমাত্র লাওসের ইতিহাস নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রাচীন সভ্যতার এক অমূল্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।


♦️জার সমভূমি পরিদর্শনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি, কারণ তখন আবহাওয়া শুষ্ক ও আরামদায়ক থাকে।ফোনসাভান (Phonsavan) শহর জার সমভূমির প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এবং এখানেই বেশিরভাগ হোটেল ও ট্যুর গাইড পাওয়া যায়।ঘোরার সময় অবশ্যই নির্দেশিত পথে চলতে হবে এবং "সেফ জোন"-এর বাইরে না যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।


জার সমভূমি শুধু একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয়; এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি, লোককাহিনি ও যুদ্ধের চিহ্নে ভরপুর এক মহামূল্যবান নিদর্শন। এই জায়গাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ইতিহাস সব সময় বইয়ের পাতায় লেখা থাকে না—কখনও কখনও তা পাথরের মধ্যে গাঁথা থাকে, বছরের পর বছর, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে।


#facts #Amezing #mystree #ad 

#like #share #comment #follow 

Geography zone- ভূগোল বলয়

পেহেলগাঁও এর যে স্থানে জঙ্গি আক্রমণ হলো সেখানে কোনো নেট ওয়ার্ক নেই,বিদ্যুৎ নেই,বসতি নেই।এই মাঠে শীতের সময় বরফ পরে।

 পেহেলগাঁও এর যে স্থানে জঙ্গি আক্রমণ হলো সেখানে কোনো নেট ওয়ার্ক নেই,বিদ্যুৎ নেই,বসতি নেই।এই মাঠে শীতের সময় বরফ পরে।জায়গাটি যেমন অপূর্ব সুন্দর ঠিক তেমন নির্জন।সাধারণত পেহেলগাঁও এ পর্যটক ঘুরতে এলে এই মাঠে অনেকেই আসেন আবার অনেকেই আসেন না।এই মাঠে পৌঁছতে হলে সকাল বেলায় আপনাকে ঘোড়ার পিঠে চড়ে আসতে হবে।বিকল্প কোনো রাস্তা নেই।পাহাড়ের উচু নিচু,জল, ঝর্ণা, বড় বড় পাইন গাছের মধ্যে দিয়ে আপনাকে পৌঁছতে হবে।অর্থাৎ গতকালের জঙ্গি হামলার পর সেনা কেউ হয় হ্যালিকম্পটার নয়তো ঘোড়া করে পৌঁছতে হয়েছে।কোনো কাঁচা বা পাকা রাস্তা নেই।পাহাড়ের খাড়া ঢাল বেয়ে উপরে উঠতে হয় এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড় তারপর পৌঁছতে হয় এই সুন্দর মাঠে।মুহত এই স্থানে নেই কোনো ঘর, বাড়ি,বাজার।সম্পূর্ণ নিরিবিলি পরিবেশ।স্থানীয় কিছু বাসিন্দা ঘোড়ার পিঠে করে কিছু খাদ্য সামগ্রী নিয়ে এই স্থানে দোকান দিয়েছে।তাও হাতে গোনা 

10/15 টি যার মধ্যে 4/5 টি ছাড়া বাকি দোকান বন্ধ থাকে।এই সব দোকানে আপনি চা,বিস্কুট, মোমো,চাউমিন,জল,কোল্ড ড্রিঙ্কস থেকে ছোটো খাটো কিছু খাবার জিনিস পাবেন।দোকানদার সকালে দোকান খুলে আবার বিবেক বিকেল দোকান বন্ধ করে পেহেলগাঁও এ নিচে নেমে আসে।

আমি আগেই বলেছি এই স্থানে ফোনে নেট ওয়ার্ক নেই, বিদ্যুৎ নেই,বসতি নেই।সুতরাং রাতে এই স্থান বা এই মাঠটি সম্পূর্ণ নির্জন বা অন্ধকার থাকে ।

এতো কিছু বলার একটাই কারণ এই স্থানটি শুধুমাত্র পর্যটকদের জন্য।জঙ্গিরা ধরে নিন পাকিস্থান থেকে এসেছে,ওদের পক্ষে এই স্থান, রাস্তা ঘাট চিনিয়ে দিতে হলে লোকাল লোক এর সাপোর্ট লাগবেই।গোটা জম্মু কাশ্মীরে সারা বছর রাস্তাঘাট থেকে গুরুত্বপুর্ন স্থানে সেনা বাহিনী, পুলিশ পাহারা দেয়।কাশ্মিরের অলিগলিতে সেনা বাহিনী থাকে।স্থানীয় পুলিশ সিভিল ড্রেসে পাবলিকপ্লেসে মিশে থাকে।ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর একটা বিশাল ফাঁক হয়ে গেলো গত কালের জঙ্গি হামলার।জঙ্গিরা তো ধরা পরবেই আজ হোক বা কাল।শুধু জঙ্গিরা কেন তাদের যারা সাহায্য করেছে তারাও ধরা পরবে।স্থানীয় লোক ছাড়া এই ফাঁকা স্থানে জঙ্গি হামলা হলো কারণ তারা তাদের নোংরা বর্বরোচিত হামলা করে পালিয়ে যেতে অনেকটাই সময় পাবে।কাশ্মীরের অন্য স্থানে আক্রমণ করলে ওরা বেছে বেছে হিন্দুদের মারতে পারতো না।ওদের উদ্দেশ্য একটাই ছিল হিন্দুদের হত্যা করা।ওদের উদ্দেশ্য যদি অন্য কিছু থাকতো তাহলে ওরা ধরনের আক্রমণ করত,এতে সাধারণ কাশ্মীরি থেকে হিন্দু মুসলিম অনেকেই মারা যেতো কিন্তু ওরা তা করেনি।এবার আসি জঙ্গিদের কে সাহায্য করলো  সেই প্রসঙ্গে,আমার ধারণা স্থানীয় ঘোড়া ছুটিয়ে যারা নিয়ে যায় টুরিস্টদের তাদের মধ্যে কেউ জড়িত থাকতে পারে।কারণ তারা বন্দুক সঙ্গে নিয়ে গেছে।যাত্রীদের ব্যাগ থেকে সারা বডি যেখানে চেকিং হয় সেখানে বন্দুক নিয়ে যাওয়া সম্ভব না।হাজার হাজার ঘোড়া গোটা এলাকায়।জঙ্গিরা আগে থেকেই কোনো কোনো ঘোড়ার পিঠে বন্ধুক লুকিয়ে গেছে এবং ওদের সাহায্য করেছে স্থানীয় লোক অথবা ঘোড়ার চালক (এটা আমার ধারণা মাত্র) স্থানীয় কিছু বড়লোক ঘোড়া কিনে আর কিছু স্থানীয় গরীব মানুষ 300/400 টাকার বিনিময়ে ঘোড়ার মালিকদের থেকে ঘোড়া সারা দিনের জন্য ভাড়া নেয়।সব খুঁজে বের হবে আগামীদিনে। 

বর্তমানে জঙ্গিরা ভারতকে আক্রমণ করেছে।ওরা যে উদ্দেশ্য নিয়ে আক্রমণ করেছে সেটা সফল।ওরা হিন্দুদের মেরে গোটা দেশে বুঝিয়ে দিলো।ওরা জানে হিন্দুদের মারলে গোটা দেশে হিন্দু মুসলিম ডাঙ্গা লেগে যাবে।হিন্দু মুসলিম ভুলে সবাইকে একটাই কথা বলবো সবাই শান্ত থাকুন।গুজবে কান দিবেন না।অল্প জেনে বা সত্যি মিথ্যে না জেনে ভুলভাল পোস্ট করবেন না।এই একটি দেশের অভ্যন্তরীন বিপর্যয় ।।

নিহত সকল পর্যটকদের আত্মার শান্তি কামনা করি এবং পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই ।।

জয় হিন্দ ।। 

(সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত প্রকাশ করলাম,কারণ এতগুলো প্রাণ চলে গেলো,গতকাল থেকে ছটফট করছি,চোখের সামনে সব কেমন যেন শূন্য হয়ে যাচ্ছে,আমার নিজের অভিজ্ঞতা ও কল্পনা থেকে লিখেছি দুই এক কথা।কেউ ব্যক্তিগত ভাবে নিবেন না।সকলে ভালো ও সুস্থ থাকুন।সবাই মিলেমিশে থাকুন।গুজবে কান দিবেন না, জাত ধর্ম রাজনীতি নিয়ে আমার পোস্টে কমেন্ট করবেন না)


Collected from Facebook 

সংগৃহীত

ভারতে বর্ণপ্রথার এক করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে ১৯৪৭ সালে মার্গারেট-বোর্ক হোয়াইটের তোলা এই ছবিতে। এখানে দেখা যাচ্ছে একজন উঁচু বর্ণের জমিদার বেশ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ও কোনো রকম শারীরিক স্পর্শ যাতে না হয় তা নিশ্চিত করে পাতায় মুড়িয়ে মজুরি দিচ্ছেন তার জন্য কাজ করা নিম্ন বর্ণের শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছেন। 

 ভারতে বর্ণপ্রথার এক করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে ১৯৪৭ সালে মার্গারেট-বোর্ক হোয়াইটের তোলা এই ছবিতে। এখানে দেখা যাচ্ছে একজন উঁচু বর্ণের জমিদার বেশ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ও কোনো রকম শারীরিক স্পর্শ যাতে না হয় তা নিশ্চিত করে পাতায় মুড়িয়ে মজুরি দিচ্ছেন তার জন্য কাজ করা নিম্ন বর্ণের শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছেন। 


ভারতের বর্ণপ্রথা একটি সামাজিক স্তরবিন্যাস পদ্ধতি, যা সমাজকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে। এই প্রথা মূলত দুটি ধারণার ওপর ভিত্তি করে গঠিত: 'বর্ণ' ও 'জাতি'।

বর্ণ ও জাতি: পার্থক্য ও সংজ্ঞা

• বর্ণ: 'বর্ণ' শব্দের আক্ষরিক অর্থ 'প্রকার', 'শ্রেণি' বা 'রঙ'। প্রাচীন ভারতে সমাজকে চারটি প্রধান বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছিল:

• ব্রাহ্মণ: পুরোহিত ও শিক্ষাবিদ

• ক্ষত্রিয়: যোদ্ধা ও শাসক

• বৈশ্য: ব্যবসায়ী ও কৃষক

• শূদ্র: শ্রমিক ও সেবক

• জাতি: 'জাতি' শব্দের অর্থ 'জন্ম'। এটি সমাজের আরও সূক্ষ্ম বিভাজন নির্দেশ করে, যেখানে পেশা, অঞ্চল ও অন্যান্য সামাজিক বিষয়ের ভিত্তিতে হাজারো উপগোষ্ঠী রয়েছে।

বর্ণপ্রথার বৈশিষ্ট্য

বর্ণপ্রথার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:

• জন্মগত সদস্যপদ: একজন ব্যক্তি যে বর্ণে জন্মগ্রহণ করেন, সাধারণত সেই বর্ণের সদস্যপদ বহন করেন।

• এন্ডোগ্যামি: প্রত্যেক বর্ণের মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন হয়; অন্য বর্ণের সঙ্গে বিবাহ সাধারণত নিষিদ্ধ।

• পেশাগত নির্ধারণ: প্রত্যেক বর্ণের নির্দিষ্ট পেশা বা কাজ নির্ধারিত থাকে, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসে।

• সামাজিক পৃথকীকরণ: বিভিন্ন বর্ণের মধ্যে খাদ্য গ্রহণ, সামাজিক মেলামেশা ও বসবাসের ক্ষেত্রে পৃথকীকরণ বজায় থাকে।

বর্ণপ্রথার উদ্ভব

ঐতিহাসিকদের মতে, আর্যদের ভারতে আগমনের পর ঋগ্বৈদিক যুগে বর্ণপ্রথার সূচনা হয়। প্রথমে এই প্রথা পেশা ও কর্মের ভিত্তিতে ছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এটি জন্মভিত্তিক হয়ে ওঠে।

আধুনিক ভারতে বর্ণপ্রথা

ভারতীয় সংবিধান বর্ণভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধ করেছে। তবে, সমাজে এখনও বর্ণপ্রথার প্রভাব দেখা যায়। সরকার তফসিলি জাতি ও উপজাতির জন্য সংরক্ষণ নীতি গ্রহণ করেছে, যাতে তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি নিশ্চিত হয়।

বর্ণপ্রথা ভারতের সমাজে গভীর প্রোথিত একটি প্রথা, যা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে, তবে এর প্রভাব এখনও বিদ্যমান।


#সংগৃহীত

গল্পের নাম : খেলাঘরে তুমি আমি  পর্ব--1

 শ্যা'লিকার লাল টকটকে ব্লা*উজটা খুলতে খুলতে তাকে জিজ্ঞেস করলাম : 

---তোমার আমাকে মেনে নিতে কোনো আপত্তি নেই তো? 


পারমিতা আমার প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে চুপ করে বসে রইলো,ওরদিকে তাকিয়ে দেখি লজ্জায় মুখটা লাল হয়ে আছে।


---কী হলো,কোনো কথা বলছো না কেনো?


---দুলাভাই আরেকটু সময় দিন আমায়,আমার ভালো লাগছে না কিছুই। 


পারমিতার মুখ থেকে কথাটা শুনে আর এক মূহুর্ত দেরি করলাম না আমি,ব্লা*উজের ফি*তাগুলো বাঁধতে বাঁধতে বললাম 


---তোমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমি ভুলেও স্পর্শ করবো না তোমায়,এইটুকু বিশ্বাস রাখতে পারো।


--আমি জানতাম আপনি আমার মনের অবস্থাটা ঠিক বুঝবেন দুলাভাই।


---তুমি কি এখনো আমায় দুলাভাই বলেই ডাকবে?দেখো আমি সবকিছু মানতে রাজি,এটা কিন্তু একদম মানবো না।


---দুলাভাই ডাকবো না তো কি ডাকবো,অভ্যাস হয়ে গেছে যে। 


---এই অভ্যাসটাকেই পরিবর্তন করতে হবে,আমি আমি এখন আর তোমার দুলাভাই নই,তা তুমি আমার শ্যা*লিকা।আল্লাহপাকের ইচ্ছেতে আমাদের ভেতরে একটা সম্পর্ক তৈরী হয়েছে।তাই এখন থেকে আমরা দুজন স্বামী স্ত্রী!


---আচ্ছা,আপুর ম*রে যাওয়াটাও কি আল্লাহপাকের ইচ্ছেতে হয়েছে দুলাভাই...সরি অর্ণব...

একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে পারমিতা আমায় প্রশ্ন করে। 


---হয়তো তাই। 


---আপু বেঁচে থাকলে আজকের এই দিনটা দেখতে হতো না,আমি কি পারবো ওর মতো সমস্ত দ্বায়িত্ব পালন করতে? 


---আমি মিথিলার সাথে বিয়ের দিন থেকে তোমায় দেখে আসছি,তোমায় চিনেছি।সেই কারনে আমার যথেষ্ট ভরসা আছে,তুমি নিশ্চয়ই পারবে।


আমি পারমিতাকে আরোও কিছু বলতে যাবো ঠিক তখন একটা শব্দ আমাদের ভেতরে ছেদ সৃষ্টি করে।হ্যাঁ,আমার আর মিথিলার ছেলে সন্তান রিসালাত ঘুম থেকে জেগেই কেঁদে উঠলো।আমাদের ফুলসজ্জার খাট থেকে খানিকটা দূরেই দোলনায় ওকে শুইয়ে রাখা হয়েছিলো।রিসালাতের জন্মের সময়ে ওর মা মিথিলা অর্থাৎ আমার প্রথম পক্ষের স্ত্রী মা রা যায়।এরপর আমার আর মিথিলার পরিবার রিসালাতের দ্বায়িত্ব ওর খালার কাঁধে তুলে দেয়।সেই সূত্রে আজ পারমিতা আমার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী।আমরা পরস্পর বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি।আমি খাট থেকে নামতে যাবো ঠিক তখন পারমিতা আমায় থামিয়ে দিলো।


---অর্নব আপনি বসুন,আমি দেখছি। 


এই বলে পারমিতা গিয়ে রিসালাতকে কোলে তুলে নিলো।পারমিতার কোলের ছোঁয়া পেয়ে আমার ছেলে মূহুর্তেই কান্না ভুলে হাত পা ছোড়াছুড়ির খেলায় মেতে উঠলো।এই দৃশ্য দেখার থেকে আনন্দের আর কি হতে পারে।পারমিতাকে বিয়ে করা নিয়ে আমার মনের ভেতরে আপত্তি থাকলেও আজ মনে হচ্ছে আমি বাবা মায়ের কথা শুনে ভুল করিনি।বিশেষ করে আমার বাবার,উনিই বেশী এই বিয়েটা জোরাজুরি করেছেন আমায়।


আমি আর পারমিতা রিসালাতকে মাঝখানে নিয়ে শুয়ে পড়লাম।


---বাহহহ,পারমিতা।ছেলে তো দেখছি এই কয়দিনে ভালোই চিনে ফেলেছে তোমায়,কোন মন্ত্রে বশ করলে বলো? 


--মায়েদের মন্ত্র দিয়ে বশ করতে হয় না জনাব।তাছাড়া আমার মনে হয় না,মিথিলা আপু ওকে যতোটা মায়ের আদর ভালোবাসা দিতো,আমি তার সিকিভাগও দিতে পারবো।


---আমার তো মনে হয় একটু বেশিই পারবে,আর শুধু ছেলেকে নিয়ে চিন্তা করলে হবে,তার বাবাকে নিয়েও একটু চিন্তা করো। 

এই বলে আমি একটা হাসি দিলাম।


পরেরদিন সকালবেলা।

ঘুম থেকে জেগে দেখতে পাই পারমিতা নেই আমার পাশে।আমার পাশে রিসালাত অঘোরে ঘুমুচ্ছে।পারমিতাকে দুবার ডাক দিলাম,কোনো সাড়াশব্দ এলো না।বোধহয় কিচেনে আছে,তাই আমার শব্দ ওর কানে পৌঁছায়নি।বিছানা থেকে উঠে রুম থেকে বেরিয়ে যাবো ঠিক তখন পারমিতার ফোনটা বেজে ওঠে।আমি প্রথমবার কলটা ইগনোর করি,কিন্তু নম্বরটা থেকে কনটিনিউয়াসলি কল এসেই যাচ্ছিলো।তাই বাধ্য হয়ে রিসিভ করলাম,ঠিক তখন ওপাশ থেকে একটা রুক্ষ কন্ঠস্বর ভেসে আসে। 


---কি ব্যপার পারমিতা?তোমার কথায় আমি তোমার বোনকে অপারেশনের নাম করে মে*রে ফেললাম।এতো বড়ো একটা রিস্ক নিলাম শুধু তোমার জন্যে,সেই তুমি টাকা নিয়ে ঘোরাচ্ছো আমায়...এর ফল কি হতে পারে জানো তুমি? 


লোকটার কথা শুনে আমার পুরো শরীরটা এক ঝটকায় কেঁপে উঠলো,হাত থেকে ফোনটা মেঝেতে পড়ে গড়াগড়ি খেতে লাগলো... 


চলবে...  


গল্পের নাম : খেলাঘরে তুমি আমি

 পর্ব--1


(খেলা ঘরে তুমি আমি)


নেক্সট পার্ট সবার আগে আইডিতে পোস্ট করা হবে, নীল লেখার চাপ দিয়ে সবাই আইডি ফলো করুন facebook.com/thearal0

মাতৃত্ব ও সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি: এক মায়ের অদম্য লড়াই!

 মাতৃত্ব ও সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি: এক মায়ের অদম্য লড়াই!


পাঁচ মাসের শিশুকে বুকে বেঁধে রিকশা চালাচ্ছেন আসামের এক মা। এই মা সারা দেশের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।

এই দৃশ্য শুধু একজন মায়ের লড়াইয়ের নয়, বরং তা কর্মজীবী নারীদের অবিরাম সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। কঠোর বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করেও তিনি সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সংকল্পে অবিচল।


একজন মা, যিনি শুধু নিজের সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে চান, জীবনযুদ্ধে নামছেন প্রতিদিন। সমাজের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, কষ্ট আর ঘাম দিয়ে গড়ে তুলছেন একটুকরো ভবিষ্যৎ।

এই মায়ের গল্পটা কি শুধু তার একার? না, এটা লাখ লাখ নারীর গল্প।

যারা ঘরের ভেতরে আর বাইরে—দু’জায়গাতেই লড়ছেন।


মা হওয়া কোনো বাধা নয়, বরং এটাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি।

এই দৃশ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একজন নারী চাইলে সব পারে—সে মা, সে কর্মী, সে যোদ্ধা।


আমরা অনেক সময় এমন নারীদের কষ্ট দেখি, কিন্তু তার পেছনের সাহসটা দেখি না। তারা চুপ করে থাকেন, কিন্তু তাদের সংগ্রাম চিৎকার করে বলে—"আমি থামবো না!"

যখন পৃথিবীর মানুষের গড় আয়ু ছিল ৪০-৪৫ বছর, পঞ্চাশের উপরে বেঁচে থাকা ছিল একটা বিরল ঘটনা।  তখন চেঙ্গিস খান সিংহাসনে বসেছিলেন ৫১ বছর বয়সে।    

 যখন পৃথিবীর মানুষের গড় আয়ু ছিল ৪০-৪৫ বছর, পঞ্চাশের উপরে বেঁচে থাকা ছিল একটা বিরল ঘটনা। 

তখন চেঙ্গিস খান সিংহাসনে বসেছিলেন ৫১ বছর বয়সে।    


সিংহাসনে আরোহনের মাত্র বিশ বছরের মধ্যে  তিনি ভূ-লোকের যত অঞ্চল জয় করেছিলেন, যত সাম্রাজ্যকে পদানত করেছিলেন,  যত রাজা-মহারাজাদের নাকে খদ খাইয়েছিলেন  তার আগে-পরে  আর কেউ তা পারেনি। 


আলেক্সান্ডার,  সিজার কিংবা নেপোলিয়নদের মত দিগ্বিজয়ীরা যৌবনে যত অঞ্চলে পা রাখতে পারেননি চেঙ্গিস তার চেয়ে ঢের ঢের বেশি অঞ্চল জয় করে নিয়েছিলেন বার্ধক্যে। 


একজন দুর্ধর্ষ বিজেতা, দুর্দান্ত সংগঠক, দুর্বিনীত যোদ্ধা অথচ তিনি জানতেন না যে দুনিয়াতে 'লিখনপদ্ধতি' নামে একটি ব্যাপার আছে। তার সময়ে যাবতীয় রাজকীয় তথ্য ,  ফরমান এবং নির্দেশনা প্রথমে প্রবাদাকারে দূতকে মুখস্ত করানো হত। তারপর মৌখিকভাবে তা যথাস্থানে পৌঁছে দেয়া হত।

'লেখা'র বয়স তখন প্রায় ৪৫০০ বছর হয়ে গেছে। চীন অভিযানে বেরিয়ে চেঙ্গিস খান  প্রথম জানতে পারেন দুনিয়াতে 'লিখনপদ্ধতি' নামে একটা ব্যাপার আছে। জানার সাথে সাথে তিনি তার পুত্র এবং আমত্যবর্গকে এ পদ্ধতিটি আয়ত্ত করার জন্য আদেশ দেন। তার যাবতীয় বাণী, আইন, বিধি ইত্যাদি লিখে রাখার জন্যও তাদের নির্দেশনা দিয়ে দেন।। এ বিধানগুলো চিরকাল মানুষ সভয়ে পালন করবে  এই ছিল তার বিশ্বাস।


অনেকে চেঙ্গিস খানের নামের শেষে 'খান' শব্দটি দেখে তাকে ইসলাম ধর্মের অনুসারী ভেবে থাকেন কিন্তু তিনি মোটেই তা ছিলেন না। তিনি ছিলেন নীল আকাশের পূজারী। আকাশকেই তিনি তার প্রভু মনে করতেন। বিপদে তিনি আকাশের কাছেই মাথা নুয়াতেন। আবার কারো কারো মনে তিনি ছিলেন অগ্নি পুজারী!


বংশধর রেখে যাওয়ার ক্ষেত্রেও এ লোকটি বিরল মাইলফলক রেখে গেছেন। তার পুরুষ বংশধরের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষের উপরে। সন্তানদেরকে যদি ধন সম্পদের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে নিশ্চয় চেঙ্গিস খানের চেয়ে ধনী বাবা পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।


চেঙ্গিস খানের ৫ জন স্ত্রী এবং অর্ধ সহস্রাধিক উপপত্নী ছিল। তবে এদের মধ্যে তিনি তার প্রথম স্ত্রী বোর্তের আশপাশে কাউকে আসতে দেননি। বিয়ের কিছুদিন পরেই বোর্তে অপহরিত হয়েছিল। অবধারিতভাবে তার শ্লীলতাহানিও করা হয়েছিল।  চেঙ্গিসখান সেখান থেকে বোর্তে কে উদ্ধার করেছিলেন এবং স্ত্রীর মর্যাদায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। অপহরণের কিছুদিন পরে বোর্তে সন্তানসম্ভাবা হলেও চেঙ্গিস খান সে সন্তানকে নিজের সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেন। 


 অসংখ্য সন্তানের পিতা হওয়া সত্ত্বেও শুধু বোর্তের গর্ভে জন্ম নেওয়া চার ছেলেকেই উত্তরাধিকারী হিসাবে মনোনীত করেছিলেন তিনি। 


তার সমাধি গোপন রাখার জন্য মৃত্যুর আগে তিনি সৈন্যদের নির্দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন।  বলা হয়ে  থাকে তার সমাধিকে নিচিহ্ন করার জন্য সমাহিত অঞ্চলের উপর দিয়ে এক হাজার ঘোড়া ছুটিয়ে নেয়া হয়েছিল।


#life #dhwonidiary #motivation 

সংগৃহিত

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...