এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

টিনের বদলে সোলার, ঘরের ছাদ থেকেই মিলবে বিদ্যুৎ:-

 টিনের বদলে সোলার, ঘরের ছাদ থেকেই মিলবে বিদ্যুৎ:-


পাকা ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে সহজেই ঘরের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। কিন্তু টিনের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো কিছুটা জটিল। তবে ছাদের সে টিনকেই সোলার টিনে রূপান্তরিত করে সহজেই উৎপাদন করা যাবে বিদ্যুৎ।


বুধবার (২৩ এপ্রিল) বুয়েট ক্যাম্পাসে আয়োজিত রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্টে এমন আয়োজন নিয়ে এসেছে মুসপানা। সোলার টাইলসের মাধ্যমে ছাদের কাজও যেমন হবে, তেমনি হবে বিদ্যুৎ উৎপাদনও।


মুসপানার প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে থাকা জাহিদুল ইসলাম রিফাত বলেন, এই সোলার টাইলস ঘরে ব্যবহার করা হলে আলাদাভাবে আর টিনের প্রয়োজন পড়বে না। ছাদ যেমন সুন্দর লাগবে, তেমনি বিদ্যুৎও উৎপাদন করবে। এই সোলার টাইলস যথেষ্ট সাশ্রয়ী, ফলে বিদ্যুৎ খরচ অনেকটাই কমে আসবে। আর গ্রাহক যতটুকু লোডের সোলার চান, খরচটা সে অনুযায়ীই হবে।


রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্টের আয়োজন করেছে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ, বুয়েট ও জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ। দুইদিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলায় অংশ নিয়েছে ২৬টি স্টল। মেলায় আগত শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিভিন্ন ব্যবহার ও এর সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন।


 

মেলায় দেখা মেলে ‘ইজি গো’ স্টলেরও। ইজি গো একটি বিদ্যুৎচালিত ব্যবসায়িক পণ্য পরিবহন সেবা, যা প্রতি কিলো সেবা দিয়ে থাকবে ৯৯ টাকাতেই।


ইজি গো-এর ফাউন্ডার মো. সাজ্জাতুল ইসলাম বলেন, এটি একটি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব লজিস্টিক সেবা। বাংলাদেশের অন্যান্য কার্গো সেবায় যেখানে প্রতি কিলোতে খরচ পড়ে ২০০ টাকারও বেশি, সেখানে আমাদের পরিবহনটি মাত্র ৯৯ টাকায় সে সেবা দেবে। তাছাড়া এ গাড়িতে লাইভ ট্র্যাকিং এবং ওজন ট্র্যাকিং সুবিধাও রয়েছে।


তিনি আরো বলেন, এরইমধ্যে চালডাল-সহ বিভিন্ন কোম্পানি আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। কারণ ইভি নিয়ে এখন সবাই সচেতন ও কাজ করতে চায়।


ছেলেটা এনাল ওয়ার্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বয়স আর কত হবে,এই ২২-২৩ বছর।

 ছেলেটা এনাল ওয়ার্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বয়স আর কত হবে,এই ২২-২৩ বছর।



এনাল ওয়ার্ট কি যারা জানেন না তাদের জন্য বলি,এটা পায়খানার রাস্তায় ফুলকপির মতো দেখতে একটা গ্রোথ বা টিউমার। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণে এই রোগ হয়। মেডিকেল সাইন্স বলে,সবার এই রোগ হয় না। পায়ুপথকে যারা মিলনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের এই রোগ হয়।


তাই সন্দেহ থেকেই ছেলেটার হিস্ট্রি নেয়া শুরু হয়। কি করে না করে ইত্যাদি! প্রথমে ইতস্তত করলেও চিকিৎসার খাতিরে সে স্বীকার করে যে,সে একজন গে! তাদের চারজনের একটা গ্রুপ আছে। তারা পরস্পর এই পায়ুপথে মিলিত হয়। এই ছেলে গুলোর একজনের পেনিসে একটা গোটা আছে! (সম্ভবত হিউম্যান প্যাপিলোমা থেকেই হবে)। পরবর্তীতে জানা গেল ছেলেটা HIV পজিটিভ।  স্বভাবতই তার সকল পার্টনার HIV পজিটিভই হবে।


ছেলেটার বাসা ঢাকার পাশের এক জেলায়। প্রাইভেসির খাতিরেই এলাকার নামটা গোপন রাখলাম। সাময়িক আলাপনে যা দেখলাম, ছেলেটার বাবা একজন দাড়ি-টুপি ওয়ালা সহজ-সরল আধাশিক্ষিত মানুষ,মাও তাই। কিন্তু ছেলের এই বিষয়ে তারা জানতেন না,এখনো জানেন না। রিপোর্ট দেখে শুধু জেনেছেন ছেলে HIV পজিটিভ।


মাঝে একটা পোস্ট ভাইরাল হয়েছিল রমনা পার্ক ও এই এলজিটিভিদের দৌরাত্য নিয়ে। একটা জেলা শহরের যদি এই অবস্থা হয়,তবে ঢাকা বা বিভাগীয় শহর গুলোর কি অবস্থা!!!


এসব এলজিটিভিদের বিষয়ে পোস্ট দেয়ার কারণে আগেও আমার কয়েকজন এলজিটিভিদের সাথে কথা হয়েছে। আমি তাদের কাউন্সেলিং করার চেষ্টা করেছি। তবে দুঃখজনক বিষয়,এদের অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই আমি কোনো অনুশোচনা দেখতে পাই নি।


নীরবে নিভৃতে এই এলজিটিভির বিষ আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে। কথায়,গানে,নাটকে,সিনেমায় আমরা এদের স্বীকৃতি দিচ্ছি। এসব দেখে বড় হতে থাকা আমাদের আগামী প্রজন্ম ভাবছে, আরে এটা তো স্বাভাবিক ঘটনা,ভূল কিছু নয়!! ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে কওমে লুতের মতো একটা প্রজন্ম।


কেউ এই বিষের বিষাক্ততা থেকে মুক্ত নয়। তাই আজই নিজের পরিবারে খোজ নিন। ছেলের মাঝে মেয়েলিপনা বা এর উল্টোটা দেখতে পেলে খতিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের শরনাপন্ন হোন। নিজের সন্তানকে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে গড়ে তুলুন।


মনে রাখবেন- সময় গেলে কিন্তু সাধন হবে না.......💔


[বি.দ্র-পোস্টে বোঝার সুবিধার্থে এনাল ওয়ার্ট এর একটা ছবি এড করা হয়েছে]


[@Dr Nazmus Sakib Bappi , SSMC]


কি অদ্ভুত তাই না

 কি অদ্ভুত তাই না ❓❓


♥️♥️♥️ গ্রিনল্যান্ড অবস্থিত সুমেরু মহাসাগর ও উত্তর আতলান্ত মহাসাগর মাঝখানে, কানাডার উত্তর-পূর্বদিকে এবং আইসল্যান্ডএর উত্তর-পশ্চিমদিকে। গ্রিনল্যান্ড এর রাজত্ব গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ (পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ) ও এক'শ এরও বেশি ছোটো ছোটো দ্বীপ নিয়ে। একটি দ্বীপ হওয়ার দরুন, গ্রীনল্যান্ডের কোনো স্থলসীমানা নেই এবং ৪৪০৮৭ কিমি লম্বা তটরেখা আছে। কিছু অল্প জনসংখ্যা উপকূলের বিভিন্ন অংশে ছোটো ছোটো জনবসতি বানিয়ে থাকে। গ্রীনল্যান্ডে পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ বরফের মোড়ক আছে।


গ্রিনল্যান্ড অবস্থিত উত্তর আমেরিকান প্লেটের একটা অংশ গ্রিনল্যান্ড প্লেটের উপরে। গ্রীনল্যান্ডের ক্রেটন তৈরী হয়েছে পৃথিবীর উপরের স্তরের কিছু অত্যন্ত প্রাচীন শিলা থেকে। দক্ষিণ-পশ্চিম গ্রীনল্যান্ডের ইসুয়া গ্রীন্স্টোন বেল্টে পৃথিবীর কিছু সবচেয়ে প্রাচীন পাথর পাওয়া যায়, যার বয়স প্রায় ৩৭০ থেকে ৩৮০ কোটি বছর।


এখানকার উদ্ভিদসমূহ সাধারনতঃ অল্প পরিমাণে বিক্ষিপ্ত ভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। শুধুমাত্র গ্রিনল্যান্ডের একদম দক্ষিণে কেপ ফেয়ারওয়েল এর কাছে নানোরতালিক পৌরসভার অঞ্চলে কিছুটা অরণ্যভূমি পাওয়া যায়।


এখানকার জলবায়ু কোথাও সুমেরুর জলবায়ুর মতো তো আবার কোথাও সাব-আর্কটিক জলবায়ু, যার বৈশিষ্ট হল শীতল গ্রীষ্মকাল ও প্রচন্ড ঠান্ডা শীতকাল। এখানের ভূখণ্ড বেশীরভাগটাই সমতল কিন্তু একটু ঢালু বরফের স্তর দিয়ে ঢাকা, শুধু একটুখানি সরু অনুর্বর, পার্বত্য, পাথুরে উপকূলবর্তী অঞ্চল ছাড়া। এখানের সর্বনিম্ন উচ্চস্থান হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠএ এবং সর্বোচ্চ উচ্চস্থান হল গুনজিয়ঁঁতের চূড়ো, যেটা আবার সুমেরুর সর্বোচ্চ বিন্দু যার উচ্চতা ৩,৬৯৪ মিটার (১২,১১৯ ফুট)। কেপ মরিস জেসাপ হচ্ছে গ্রীনল্যান্ডের উত্তরতম বিন্দু, যেটার আবিস্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয় ১৯০০ সালে আ্য়ডমিরাল রবার্ট পিয়ারীকে। দস্তা, সীসা, লৌহ আকরিক, কয়লা, মলিবডেনাম, সোনা, প্ল্যাটিনাম, ইউরেনিয়াম, জলবিদ্যুৎ এবং মাছ হচ্ছে এখানকার প্রাকৃতিক সম্পদ।


✅✅✅ আইসল্যান্ড আইসল্যান্ডীয়: সরকারী নাম আইসল্যান্ড প্রজাতন্ত্র। ইউরোপ মহাদেশের একটি প্রজাতান্ত্রিক দ্বীপ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম রেইকিয়াভিক। দেশটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে গ্রীনল্যান্ড, নরওয়ে, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, এবং ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের সদাসক্রিয় ভূ-গাঠনিক প্লেটগুলির সীমারেখার ঠিক উপরে অবস্থিত একটি আগ্নেয় দ্বীপ। আইসল্যান্ডের উত্তর প্রান্ত সুমেরুবৃত্তকে স্পর্শ করেছে। ডিম্বাকার এই দ্বীপটি পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ৪৮৫ কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ। পার্শ্ববর্তী গ্রিনল্যান্ডকে উত্তর আমেরিকার অংশ ধরা হলেও আইসল্যান্ডকে ইউরোপের অন্তর্গত রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা হয়। দেশটির জলবায়ু, ভূগোল ও সংস্কৃতি বৈপরীত্য ও বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।


গঠনগত দিক থেকে আইসল্যান্ড অপেক্ষাকৃত নবীন। বিগত ৬০ মিলিয়ন বছর ধরে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের অবশেষ থেকে দ্বীপটি উৎপত্তি লাভ করে। এখনও দ্বীপটিতে অনেকগুলি আগ্নেয়গিরি সক্রিয় আছে। ভূমিকম্প বেশ সাধারণ ব্যাপার। ভূ-গর্ভস্থ উষ্ণ পানির প্রস্রবণগুলি দেশটির ভবনগুলিকে সারা বছর ধরে উষ্ণ রাখে এবং কৃষিকাজে সহায়তা করে। দক্ষিণ-পশ্চিমের প্রস্রবণগুলি থেকে নির্গত জলীয় বাষ্পের কারণে সেখানে অবস্থিত আইসল্যান্ডের রাজধানীর নাম দেয়া হয়েছে রেইকিয়াভিক, অর্থাৎ "ধোঁয়াটে উপসাগর"। ভৌগলিকভাবে অত্যন্ত উত্তরে সুমেরুর কাছে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের উষ্ণ উপসাগরীয় সমুদ্রস্রোতের কারণে এখানকার জলবায়ু তুলনামূলকভাবে মৃদু। ফলে আইসল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত মানববসতিগুলির একটি। এটিকে তাই সুমেরু অঞ্চলীয় রাষ্ট্র হিসেবেও গণ্য করা হয় না। আইসল্যান্ডের রুক্ষ্ম পর্বতশ্রেণীগুলি হিমবাহে আবৃত। এদের মধ্যে ভাৎনায়কুল (Vatnajökull) হিমবাহটি ইউরোপের বৃহত্তম। আইসল্যান্ডের সমুদ্র উপকূল প্রায় সারা বছর ধরে জাহাজ ভেড়ার জন্য উন্মুক্ত থাকে। কেবল শীতকালে মেরুদেশীয় অঞ্চল থেকে আগত ভাসমান বরফের কারণে দেশের উত্তর ও পূর্বের বন্দরগুলি বন্ধ রাখতে হয়।


প্রায় ১০০০ বছর আগে খ্রিস্টীয় ৯ম শতকে নর্স অভিযানকারীরা আইসল্যান্ডে বসতি স্থাপন করে। আইসল্যান্ডবাসীরা তাদের নর্স ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করে। অনেকেই একেবারে শুরুর দিকের বসতিস্থাপকদের সাথে পারিবারিক সম্পর্ক খুঁজে বের করতে পারে। এখানে বসবাসকারী জনগণ জাতিতে নর্স ও কেল্টীয়। শুরুর দিকে মূলত নরওয়েজীয় নাবিক ও অভিযানকারীরা এখানে বসবাস করত এবং এখান থেকে পরবর্তীতে গ্রিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকাতে অভিযান চালাত (নরওয়েজীয়রা উত্তর আমেরিকার নাম দিয়েছিল ভিনল্যান্ড)। আইসল্যান্ডের সাথে নিকটতম ইউরোপীয় প্রতিবেশী দেশ স্কটল্যান্ডের দূরত্ব প্রায় ৮০০ কিলোমিটার। কিন্তু তা সত্ত্বেও সমগ্র ইতিহাস জুড়ে আইসল্যান্ড বৃহত্তর ইউরোপীয় সভ্যতার অংশ হিসেবেই বিদ্যমান। আইসল্যান্ডের গাথাগুলিকে মধ্যযুগের সবচেয়েউৎকৃষ্ট সাহিত্যিক নিদর্শনের অংশ হিসেবে মনে করা হয়। এই গাথাগুলিতে ইউরোপের চিন্তাধারা যেমন প্রতিফলিত হয়েছে, তেমনি ইউরোপ মহাদেশ থেকে বহু দূরে অবস্থিত লোকদের ইতিহাস ও রীতিনীতিও ফুটে উঠেছে। ভাইকিংদের মুখের প্রাচীন নর্স ভাষার সাথে আইসল্যান্ডীয় ভাষার পার্থক্য খুবই কম, ফলে তারা সহজেই এই গাথাগুলি পড়তে পারে।


আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইকিয়াভিকেই দেশের প্রথম কৃষি খামার গড়ে উঠেছিল। বর্তমানে এটি একটি বর্ধনশীল শহর এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক এখানে বাস করে। অন্যান্য বড় শহরগুলির মধ্যে আছে উত্তর-মধ্য উপকূলের আকুরেইরি (Akureyri), দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের হাফনারফিয়র্ডর (Hafnarfjördhur) এবং দক্ষিণের নিম্নভূমিতে অবস্থিত সেলফস (Selfoss)।


আইসল্যান্ড একটি রুক্ষ দেশ। এখানে কৃষি ও খনিজ সম্পদ খুব কম। দ্বীপের তিন-চতুর্থাংশই উদ্ভিদ জন্মানোর অযোগ্য। উদ্ভিজ্জ্জের মধ্যে তৃণভূমি প্রধান, যেখানে ভেড়া, গবাদি পশু ও শক্তসমর্থ আইসল্যান্ডীয় ঘোড়া পালন করা হয়। দ্বীপের চারপাশের সমুদ্রে বিভিন্ন জাতের মাছ পাওয়া যায় এবং মৎস্যশিকার এখানকার লোকদের আদি ও প্রধান পেশা। বর্তমানে আইসল্যান্ডের রপ্তানির অর্ধেকই মাছ ধরা ও মাছ প্রক্রিয়াকরণ খাত থেকে আসে।


আইসল্যান্ড একটি স্ক্যান্ডিনেভীয় রাষ্ট্র এবং আধুনিক বিশ্বের বিশ্বের প্রথমদিকের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলির একটি। এর জনসংখ্যার জাতিগত প্রকৃতি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় তেমন পরিবর্তনশীল নয়, বরং সমসত্ত্ব। এ কারণে জিন গবেষকেরা বংশগত রোগ নিয়ে গবেষণা ও এদের চিকিৎসা খুঁজে পাওয়ার লক্ষ্যে অনেক সময় আইসল্যান্ডের লোকদের উপর পরীক্ষা চালিয়ে থাকেন। যদিও আইসল্যান্ডের অধিবাসীরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ইউরোপের মূলধারার সাথে মিশে যাচ্ছে, তা সত্ত্বেও তারা তাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ভাষা ধরে রেখেছে। এখনও বহু গ্রামীণ আইসল্যান্ডীয় অধিবাসী প্রাচীন নরওয়েজীয় পূরাণের নানা দৈত্য-দানব যেমন এল্‌ফ, ট্রোল, ইত্যাদির অস্তিত্বে বিশ্বাস করে। অন্যদিকে শহরের আইসল্যান্ডীয়দের অধিকাংশ নিজেদের দেশকে একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে মনে করতেই পছন্দ করেন।


#gk #generalknowledge #geography #greenland #iceland

ছেঁড়া চপ্পল 

 ছেঁড়া চপ্পল 

কে জানে, সামনের দোকানে বসে থাকা মোটা শেঠটা সপ্তাহে তিন-চারবার তার চপ্পল কীভাবে ছিঁড়ে ফেলে? জুতো সেলাই করা মুচি ফিসফিস করে বলল। তার চোখ ছিল সেই বড় মুদির দোকানের শেঠটার দিকেই।


প্রতিবার যখনই মুচির দোকানে তেমন কোনো কাজ থাকত না, তখনই সেই শেঠটার চাকর এসে তার ছিঁড়া চপ্পলটা সেলাই করার জন্য দিয়ে যেত। মুচি খুব মন দিয়ে সেই চপ্পলটা এমনভাবে সেলাই করত, যেন অন্তত দু-তিন মাস আর না ছেঁড়ে।


চাকর এসে কোনো দামাদামি না করেই টাকা দিয়ে চপ্পলটা নিয়ে যেত। কিন্তু কদিন পরেই আবার সেই একই চপ্পল ছেঁড়া অবস্থায় মুচির দোকানে হাজির হত।


আজও ঠিক সেই রকমই সকাল, সূর্য উঠেছে... শেঠটার চাকর রামধন দোকানে ঝাঁট দিচ্ছে।


আর সেই শেঠটা... সে তখন জোর দিয়ে তার চপ্পল ছেঁড়ার চেষ্টা করছে। অনেক চেষ্টা করেও যখন চপ্পলটা ছিঁড়ল না, তখন সে রামধনকে ডাক দিল–


"এই রামধন! এর কিছু কর তো! মঙ্গু এমন কী সেলাই করে যে চপ্পলটা ছেঁড়েই না!"


রামধন আজ আর চুপ থাকতে চাইল না, সে স্পষ্ট বলে ফেলল, "শেঠজি, আমি আপনার এই কাণ্ড বুঝি না! আপনি নিজেই চপ্পল ছেঁড়েন, আবার নিজেই মঙ্গুর কাছে পাঠান সেলাই করাতে!"


শেঠজি তখন হেসে ফেলল। এইবার চপ্পলটা একেবারে ছিঁড়ে গেছে। সে সেটা রামধনের হাতে তুলে দিয়ে আসল কারণটা বলল–


"দেখ রামধন, যেদিন দেখি মঙ্গুর দোকানে কোনো কাজ নেই, সেদিনই আমি আমার চপ্পলটা ছিঁড়ে ফেলি। কারণ আমি জানি, মঙ্গু খুব গরিব হলেও, সে নিজের সম্মানকে খুব ভালোবাসে। আমি যদি সরাসরি তাকে সাহায্য করতে যাই, তাহলে সে নেবে না। তাই আমি এই নাটক করি—আমার চপ্পল ছিঁড়ি, যাতে তার দোকানে একটা কাজ আসে। আমার এই অভিনয়ে যদি ওর আত্মসম্মান বাঁচে, আর আমি একটু সাহায্য করতে পারি, তাহলে এর থেকে ভালো আর কিছু হতে পারে?"


রামধনের চোখে জল চলে এলো... সেইদিন সে বুঝেছিল, দান কেবল টাকা দিয়ে হয় না, ভালোবাসা দিয়েও হয়।


এই গল্পটি নিছক ছেঁড়া চপ্পলের গল্প নয়, এটি মানুষের সহানুভূতি, সম্মানবোধ এবং গোপন উদারতার এক অমূল্য দৃষ্টান্ত।


#সংগৃহীত #life #dhwonidiary #চপ্পল

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী  বলেশ্বর নদী। 

 বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী  বলেশ্বর নদী। নদীটি বাগেরহাট জেলার পূর্ব সীমান্তে এবং বরগুনা জেলার পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত।আর অবস্থান বিচারে নদীটির পূর্ব প্রান্তে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উপকূলীয় বনভূমি সুন্দরবন।


গঙ্গা- ব্রহ্মপুত্র ডেলটায় অবস্থিত এই বলেশ্বর নদীর উৎপত্তি বিষয়ে সঠিক ভাবে জানা না গেলেও ধারনা করা হয় দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ নদীর মতো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই নদীটির পানির উৎস পদ্মা কিংবা যমুনা। পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাংগা থেকে শুরু হয়ে বলেশ্বর নদী দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে হরিণঘাটা নদীর সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এই নদীর মোহনায়ই লালদিয়া সমুদ্রসৈকত অবস্থিত।


১৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সর্পিলাকার এই নদীটির গড় প্রস্থ ১৬৪৪ মিটার। তাই স্বভাবতই একসময় বলেশ্বর নদীতে স্টিমার, লঞ্চ এমনকি জাহাজও চলতো। এখনও এ নদীতে নৌকা চলাচল অব্যাহত আছে।দু’পাড়ে হাজার হাজার মানুষের কৃষি কাজ,জীবিকা ও নৌযাগাযোগের একমাত্র ভরসা এ নদী।তবে মৎস্যজীবীদের জন্য এক আশীর্বাদ স্বরূপ বলেশ্বর নদী।  প্রচুর ইলিশ-চিতলসহ নানা প্রকার মাছে ভরপুর এ নদী। ২০২২ সালে বলেশ্বর নদী ও সাগর মোহনা অঞ্চলের প্রায় সাড়ে সাত হাজার বর্গকিলোমিটারকে ইলিশ মাছের নতুন প্রজনন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।


তবে দুঃখজনক হলেও নির্মম সত্য যে বলেশ্বর নদী তার এ সমৃদ্ধি হারানোর পথে।নাব্য সঙ্কটের কারণে মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে অথৈ বলেশ্বর এখন নালা। দ্রুতই শুকিয়ে যাচ্ছে। এই নির্মমতার পিছে রয়েছে নানান কারণ।নদীভরাট, ভোগদখল, অপরিকল্পিত সংস্কার উদ্যোগ ও দায়ি।২০২০ সালে নদীর তীর সংরক্ষণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেয়া সংস্কারের উদ্যোগ অভিশাপ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য স্থানীয়দের। পুরানো খেয়াঘাট থেকে ২১৯ মিটার দীর্ঘ এলাকায় ব্লক ডাম্পিং করার কথা ছিলো। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্লকগুলো নদীর মাঝখানে এলোমেলোভাবে ফেলে রাখায় পলি জমে ভরাট হতে শুরু করেছে। তাই ভাটার সময় ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়।বলেশ্বর নদীর এই নাব্য সংকট ক্রমেই স্থানীয় জেলে, কৃষকের চাষাবাদ ও মানুষের জীবিকার সংকট বাড়িয়ে দিচ্ছে।তাই ব্যাক্তি পর্যায়ে সচেতনতা তো বটেই, সরকারি পর্যায় থেকেও বলেশ্বর নদীর বিপর্যয় রোধে দ্রুতই ব্যাবস্থা নেওয়া উচিত।


বাংলার প্রাঙ্গণের “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগেরই একটি শাখা “নদীকথন”। এই "নদীকথন"  শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি নদীর শাখা, উপশাখা, বর্ণনা এবং ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে সবার সামনে নিয়ে আসা এরই ধারাবাহিকতায় আজ "নদীকথন"- র ২২ তম পর্বে ছিল বলেশ্বর নদী।


তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া। 

#নদীকথন #বলেশ্বর_নদী #জল_জীবন #নদীর_সৌন্দর্য 

(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না) 

#বাংলার_তথ্যপট ('বাংলার তথ্যপট' সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

বিয়ে শুধু একটা সম্পর্ক নয়, এটা প্রতিদিন তৈরি করা এক ভালোবাসার ঘর”**এই নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা 

 **“বিয়ে শুধু একটা সম্পর্ক নয়, এটা প্রতিদিন তৈরি করা এক ভালোবাসার ঘর”**এই নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা 🙂

---


### **বিবাহিত জীবনে সুখী থাকার ৮টি সহজ উপায় কিন্তু গভীর সত্য**:


**১. ভালোবাসা হোক নিঃস্বার্থ, শুধু চাওয়া নয়—দেয়াও শেখো**  

একজন অন্যজনকে ভালোবাসবে এমনভাবে, যেখানে শর্ত থাকবে না। ভালোবাসা শুধু "আমি কী পাচ্ছি" নয়, বরং "আমি কী দিতে পারি"—এই মনোভাবেই সম্পর্ক টিকে।


---


**২. কথা বলো, মন খুলে বলো**  

নীরবতা অনেক সম্পর্ক ভেঙে দেয়। প্রতিদিন একটু সময় করে একে অপরের কথা শোনা ও বলা—এই ছোট অভ্যাসই বড় সুখ এনে দেয়।


---


**৩. ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ইগো নয়, বোঝাপড়া রাখো**  

বিয়ে মানেই দুইটা আলাদা মানুষ একসাথে চলা। মতের অমিল হবেই, কিন্তু সমস্যা নিয়ে ‘লড়ো না’, বরং ‘সমাধান খুঁজো’—এই দৃষ্টিভঙ্গি রাখো।


---


**৪. একে অপরের পরিবারকে সম্মান করো**  

যে মানুষটিকে তুমি ভালোবাসো, তার পরিবারও তার জীবনের অংশ। শ্রদ্ধা আর সম্মান দেখাতে শিখলে সম্পর্ক আরও মজবুত হয়।


---


**৫. একসাথে সময় কাটাও—স্মৃতি তৈরি করো**  

দামী উপহার নয়, একসাথে হাঁটা, সিনেমা দেখা, চা খাওয়া বা ছাদে বসে গল্প করাই সম্পর্কের আসল রসদ। এই সময়গুলোই ভবিষ্যতের জন্য শক্ত ভিত তৈরি করে।


---


**৬. প্রশংসা করো, কৃতজ্ঞতা দেখাও**  

একটা “তুমি আজ খুব সুন্দর লাগছো” বা “তোমার রান্না আজ অসাধারণ হয়েছে”—এই শব্দগুলো জাদুর মতো কাজ করে।


---


**৭. ব্যক্তিগত সময় ও স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দাও**  

একজন মানুষকে ভালোবাসা মানে তাকে গিলে ফেলা নয়। নিজস্ব জায়গা ও পছন্দকে সম্মান করলেই সম্পর্কটা টিকে দীর্ঘদিন।


---


**৮. একে অপরের পাশে থাকো—ভালো সময়ে যেমন, খারাপ সময়েও ঠিক তেমন**  

যখন দুঃসময় আসে, তখনই বোঝা যায় কে সত্যিকারের সঙ্গী। পাশে থাকো, হাতে হাত রেখে হাঁটো—সুখ তখন আপনা থেকেই চলে আসে।


---


**উপসংহার:**  

সুখী দাম্পত্য জীবন কোনো ম্যাজিক নয়। এটা ধৈর্য, বোঝাপড়া, আর প্রতিদিন একটু একটু করে গড়ে তোলার ফল। ভালোবাসা হোক চোখে নয়, অন্তরে। সুখ হোক শব্দে নয়, ব্যবহারে।


**আপনি যদি আমার এই লাইনটি পড়েন তার মানে আপনি পুরোটা পড়েছেন অতএব একটা মানসম্মত কমেন্ট করবেন ভালো হোক বা খারাপ এটাই আপনাদের কাছে আবদার আমার🥰

মুত্রথলির পাথর যখন একটা নারিকেলের সমান হয়। প্রস্রাব করতে গেলেই জ্বালাপোড়া।

 মুত্রথলির পাথর যখন একটা নারিকেলের সমান হয়।

প্রস্রাব করতে গেলেই জ্বালাপোড়া।

দিনের পর দিন কষ্টে ছিলেন ভদ্রলোক।

মাঝে মাঝে ব্যথা, আবার কখনো রক্তও বের হতো।

শেষমেশ ভয় পেয়ে এক্সরে করালেন।


আর এক্সরে দেখে ডাক্তার থ!

ব্লাডারের মধ্যে বিশাল এক গোল সাদা ছায়া।

CT স্ক্যানে দেখা গেল—ব্লাডার স্টোন 

অপারেশনের পরে যেটা বের হলো, সেটা দেখে সবাই হতবাক—প্রায় একটা নারকেলের মতো পাথর!


 তাহলে প্রশ্ন—এত বড় পাথর গেল কোথা দিয়ে?

➡️ কোন দিক দিয়ে যায়নি। ধীরে ধীরে নিজেই তৈরি হইছে—মূত্রাশয়ের ভিতরে।


কারণগুলো ছিল সোজা:


 • দিনের পর দিন প্রস্রাব আটকে রাখা

 • ইউরিন ঠিকভাবে না বের হওয়া

 • ইনফেকশন থাকলেও চিকিৎসা না নেওয়া

 • এবং সবচেয়ে বড় কথা—অবহেলা


✅ কীভাবে স্টোন হওয়া এড়াবেন?


 • প্রতিদিন ২-২.৫ লিটার পানি পান করুন

 • প্রস্রাব চেপে রাখবেন না

 • ইউরিনে জ্বালা বা রক্ত দেখলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন

 • বয়স হলে প্রোস্টেট চেক করান নিয়মিত


মনে রাখুন:

ছোট সমস্যা সময়মতো গুরুত্ব না দিলে, একসময় সেটা বড় বিপদ হয়ে দাঁড়ায়।

জার সমভূমি,— এক রহস্যময় প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন:---

 জার সমভূমি,— এক রহস্যময় প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন:---


♦️পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে আছে নানা অদ্ভুত এবং রহস্যময় স্থান, যেগুলো আমাদের ইতিহাসের অজানা অধ্যায়ের দিকে ইঙ্গিত করে। তেমনি এক বিস্ময়কর জায়গা হচ্ছে জার সমভূমি (Plain of Jars), যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছোট দেশ লাওস-এর উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ জিয়াংখুয়াং (Xieng Khouang)-এ অবস্থিত।


♦️এই সমভূমির বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে শত শত, এমনকি হাজারেরও বেশি বিশাল আকৃতির পাথরের পাত্র বা "জার"। এদের উচ্চতা ১ মিটার থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত এবং ওজন কয়েকশ কেজি থেকে কয়েক টন পর্যন্ত হতে পারে। জারগুলো দেখতে অনেকটা বড় কলসের মতো, কিন্তু এগুলোর আসল উদ্দেশ্য বা উৎপত্তি আজও সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি।


♦️বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জারগুলো তৈরি হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ বছর থেকে খ্রিস্টীয় ৫০০ সালের মধ্যে, অর্থাৎ আনুমানিক দুই হাজার বছর আগে। অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা বলছে, এই পাত্রগুলো সম্ভবত শেষকৃত্য বা দাহক্রিয়ার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিছু জার-এর মধ্যে কঙ্কাল, দাঁত এবং মৃতদেহ পোড়ানোর ছাই পাওয়া গেছে, যা এই তত্ত্বকে সমর্থন করে।


♦️স্থানীয়দের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পাথরের জারগুলো তৈরি করেছিলেন এক কিংবদন্তিতুল্য দৈত্য রাজা, যিনি যুদ্ধে জয়লাভের পর তার সৈন্যদের জন্য বিশাল মদের পাত্র বানিয়েছিলেন। যদিও এটি নিছক একটি কাহিনি, তবুও এই লোকজ বিশ্বাস জার সমভূমির রহস্যকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।


♦️দুঃখজনকভাবে, ১৯৬০-এর দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে লাওস ছিল অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। এই জার সমভূমির অনেক অংশ মার্কিন বোমা হামলার ফলে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং বহু এলাকায় আজও অবিস্ফোরিত বোমা (UXO) পড়ে আছে, যা পর্যটকদের জন্য বিপজ্জনক করে তোলে।তবে আন্তর্জাতিক সাহায্যে এখন অনেক অংশ পরিষ্কার ও নিরাপদ করা হয়েছে এবং সেখানে পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত "সেফ জোন" তৈরি করা হয়েছে।


♦️২০১৯ সালে জার সমভূমিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এটি শুধুমাত্র লাওসের ইতিহাস নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রাচীন সভ্যতার এক অমূল্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।


♦️জার সমভূমি পরিদর্শনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি, কারণ তখন আবহাওয়া শুষ্ক ও আরামদায়ক থাকে।ফোনসাভান (Phonsavan) শহর জার সমভূমির প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এবং এখানেই বেশিরভাগ হোটেল ও ট্যুর গাইড পাওয়া যায়।ঘোরার সময় অবশ্যই নির্দেশিত পথে চলতে হবে এবং "সেফ জোন"-এর বাইরে না যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।


জার সমভূমি শুধু একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয়; এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি, লোককাহিনি ও যুদ্ধের চিহ্নে ভরপুর এক মহামূল্যবান নিদর্শন। এই জায়গাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ইতিহাস সব সময় বইয়ের পাতায় লেখা থাকে না—কখনও কখনও তা পাথরের মধ্যে গাঁথা থাকে, বছরের পর বছর, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে।


#facts #Amezing #mystree #ad 

#like #share #comment #follow 

Geography zone- ভূগোল বলয়

পেহেলগাঁও এর যে স্থানে জঙ্গি আক্রমণ হলো সেখানে কোনো নেট ওয়ার্ক নেই,বিদ্যুৎ নেই,বসতি নেই।এই মাঠে শীতের সময় বরফ পরে।

 পেহেলগাঁও এর যে স্থানে জঙ্গি আক্রমণ হলো সেখানে কোনো নেট ওয়ার্ক নেই,বিদ্যুৎ নেই,বসতি নেই।এই মাঠে শীতের সময় বরফ পরে।জায়গাটি যেমন অপূর্ব সুন্দর ঠিক তেমন নির্জন।সাধারণত পেহেলগাঁও এ পর্যটক ঘুরতে এলে এই মাঠে অনেকেই আসেন আবার অনেকেই আসেন না।এই মাঠে পৌঁছতে হলে সকাল বেলায় আপনাকে ঘোড়ার পিঠে চড়ে আসতে হবে।বিকল্প কোনো রাস্তা নেই।পাহাড়ের উচু নিচু,জল, ঝর্ণা, বড় বড় পাইন গাছের মধ্যে দিয়ে আপনাকে পৌঁছতে হবে।অর্থাৎ গতকালের জঙ্গি হামলার পর সেনা কেউ হয় হ্যালিকম্পটার নয়তো ঘোড়া করে পৌঁছতে হয়েছে।কোনো কাঁচা বা পাকা রাস্তা নেই।পাহাড়ের খাড়া ঢাল বেয়ে উপরে উঠতে হয় এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড় তারপর পৌঁছতে হয় এই সুন্দর মাঠে।মুহত এই স্থানে নেই কোনো ঘর, বাড়ি,বাজার।সম্পূর্ণ নিরিবিলি পরিবেশ।স্থানীয় কিছু বাসিন্দা ঘোড়ার পিঠে করে কিছু খাদ্য সামগ্রী নিয়ে এই স্থানে দোকান দিয়েছে।তাও হাতে গোনা 

10/15 টি যার মধ্যে 4/5 টি ছাড়া বাকি দোকান বন্ধ থাকে।এই সব দোকানে আপনি চা,বিস্কুট, মোমো,চাউমিন,জল,কোল্ড ড্রিঙ্কস থেকে ছোটো খাটো কিছু খাবার জিনিস পাবেন।দোকানদার সকালে দোকান খুলে আবার বিবেক বিকেল দোকান বন্ধ করে পেহেলগাঁও এ নিচে নেমে আসে।

আমি আগেই বলেছি এই স্থানে ফোনে নেট ওয়ার্ক নেই, বিদ্যুৎ নেই,বসতি নেই।সুতরাং রাতে এই স্থান বা এই মাঠটি সম্পূর্ণ নির্জন বা অন্ধকার থাকে ।

এতো কিছু বলার একটাই কারণ এই স্থানটি শুধুমাত্র পর্যটকদের জন্য।জঙ্গিরা ধরে নিন পাকিস্থান থেকে এসেছে,ওদের পক্ষে এই স্থান, রাস্তা ঘাট চিনিয়ে দিতে হলে লোকাল লোক এর সাপোর্ট লাগবেই।গোটা জম্মু কাশ্মীরে সারা বছর রাস্তাঘাট থেকে গুরুত্বপুর্ন স্থানে সেনা বাহিনী, পুলিশ পাহারা দেয়।কাশ্মিরের অলিগলিতে সেনা বাহিনী থাকে।স্থানীয় পুলিশ সিভিল ড্রেসে পাবলিকপ্লেসে মিশে থাকে।ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর একটা বিশাল ফাঁক হয়ে গেলো গত কালের জঙ্গি হামলার।জঙ্গিরা তো ধরা পরবেই আজ হোক বা কাল।শুধু জঙ্গিরা কেন তাদের যারা সাহায্য করেছে তারাও ধরা পরবে।স্থানীয় লোক ছাড়া এই ফাঁকা স্থানে জঙ্গি হামলা হলো কারণ তারা তাদের নোংরা বর্বরোচিত হামলা করে পালিয়ে যেতে অনেকটাই সময় পাবে।কাশ্মীরের অন্য স্থানে আক্রমণ করলে ওরা বেছে বেছে হিন্দুদের মারতে পারতো না।ওদের উদ্দেশ্য একটাই ছিল হিন্দুদের হত্যা করা।ওদের উদ্দেশ্য যদি অন্য কিছু থাকতো তাহলে ওরা ধরনের আক্রমণ করত,এতে সাধারণ কাশ্মীরি থেকে হিন্দু মুসলিম অনেকেই মারা যেতো কিন্তু ওরা তা করেনি।এবার আসি জঙ্গিদের কে সাহায্য করলো  সেই প্রসঙ্গে,আমার ধারণা স্থানীয় ঘোড়া ছুটিয়ে যারা নিয়ে যায় টুরিস্টদের তাদের মধ্যে কেউ জড়িত থাকতে পারে।কারণ তারা বন্দুক সঙ্গে নিয়ে গেছে।যাত্রীদের ব্যাগ থেকে সারা বডি যেখানে চেকিং হয় সেখানে বন্দুক নিয়ে যাওয়া সম্ভব না।হাজার হাজার ঘোড়া গোটা এলাকায়।জঙ্গিরা আগে থেকেই কোনো কোনো ঘোড়ার পিঠে বন্ধুক লুকিয়ে গেছে এবং ওদের সাহায্য করেছে স্থানীয় লোক অথবা ঘোড়ার চালক (এটা আমার ধারণা মাত্র) স্থানীয় কিছু বড়লোক ঘোড়া কিনে আর কিছু স্থানীয় গরীব মানুষ 300/400 টাকার বিনিময়ে ঘোড়ার মালিকদের থেকে ঘোড়া সারা দিনের জন্য ভাড়া নেয়।সব খুঁজে বের হবে আগামীদিনে। 

বর্তমানে জঙ্গিরা ভারতকে আক্রমণ করেছে।ওরা যে উদ্দেশ্য নিয়ে আক্রমণ করেছে সেটা সফল।ওরা হিন্দুদের মেরে গোটা দেশে বুঝিয়ে দিলো।ওরা জানে হিন্দুদের মারলে গোটা দেশে হিন্দু মুসলিম ডাঙ্গা লেগে যাবে।হিন্দু মুসলিম ভুলে সবাইকে একটাই কথা বলবো সবাই শান্ত থাকুন।গুজবে কান দিবেন না।অল্প জেনে বা সত্যি মিথ্যে না জেনে ভুলভাল পোস্ট করবেন না।এই একটি দেশের অভ্যন্তরীন বিপর্যয় ।।

নিহত সকল পর্যটকদের আত্মার শান্তি কামনা করি এবং পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই ।।

জয় হিন্দ ।। 

(সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত প্রকাশ করলাম,কারণ এতগুলো প্রাণ চলে গেলো,গতকাল থেকে ছটফট করছি,চোখের সামনে সব কেমন যেন শূন্য হয়ে যাচ্ছে,আমার নিজের অভিজ্ঞতা ও কল্পনা থেকে লিখেছি দুই এক কথা।কেউ ব্যক্তিগত ভাবে নিবেন না।সকলে ভালো ও সুস্থ থাকুন।সবাই মিলেমিশে থাকুন।গুজবে কান দিবেন না, জাত ধর্ম রাজনীতি নিয়ে আমার পোস্টে কমেন্ট করবেন না)


Collected from Facebook 

সংগৃহীত

ভারতে বর্ণপ্রথার এক করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে ১৯৪৭ সালে মার্গারেট-বোর্ক হোয়াইটের তোলা এই ছবিতে। এখানে দেখা যাচ্ছে একজন উঁচু বর্ণের জমিদার বেশ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ও কোনো রকম শারীরিক স্পর্শ যাতে না হয় তা নিশ্চিত করে পাতায় মুড়িয়ে মজুরি দিচ্ছেন তার জন্য কাজ করা নিম্ন বর্ণের শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছেন। 

 ভারতে বর্ণপ্রথার এক করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে ১৯৪৭ সালে মার্গারেট-বোর্ক হোয়াইটের তোলা এই ছবিতে। এখানে দেখা যাচ্ছে একজন উঁচু বর্ণের জমিদার বেশ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ও কোনো রকম শারীরিক স্পর্শ যাতে না হয় তা নিশ্চিত করে পাতায় মুড়িয়ে মজুরি দিচ্ছেন তার জন্য কাজ করা নিম্ন বর্ণের শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছেন। 


ভারতের বর্ণপ্রথা একটি সামাজিক স্তরবিন্যাস পদ্ধতি, যা সমাজকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে। এই প্রথা মূলত দুটি ধারণার ওপর ভিত্তি করে গঠিত: 'বর্ণ' ও 'জাতি'।

বর্ণ ও জাতি: পার্থক্য ও সংজ্ঞা

• বর্ণ: 'বর্ণ' শব্দের আক্ষরিক অর্থ 'প্রকার', 'শ্রেণি' বা 'রঙ'। প্রাচীন ভারতে সমাজকে চারটি প্রধান বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছিল:

• ব্রাহ্মণ: পুরোহিত ও শিক্ষাবিদ

• ক্ষত্রিয়: যোদ্ধা ও শাসক

• বৈশ্য: ব্যবসায়ী ও কৃষক

• শূদ্র: শ্রমিক ও সেবক

• জাতি: 'জাতি' শব্দের অর্থ 'জন্ম'। এটি সমাজের আরও সূক্ষ্ম বিভাজন নির্দেশ করে, যেখানে পেশা, অঞ্চল ও অন্যান্য সামাজিক বিষয়ের ভিত্তিতে হাজারো উপগোষ্ঠী রয়েছে।

বর্ণপ্রথার বৈশিষ্ট্য

বর্ণপ্রথার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:

• জন্মগত সদস্যপদ: একজন ব্যক্তি যে বর্ণে জন্মগ্রহণ করেন, সাধারণত সেই বর্ণের সদস্যপদ বহন করেন।

• এন্ডোগ্যামি: প্রত্যেক বর্ণের মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন হয়; অন্য বর্ণের সঙ্গে বিবাহ সাধারণত নিষিদ্ধ।

• পেশাগত নির্ধারণ: প্রত্যেক বর্ণের নির্দিষ্ট পেশা বা কাজ নির্ধারিত থাকে, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসে।

• সামাজিক পৃথকীকরণ: বিভিন্ন বর্ণের মধ্যে খাদ্য গ্রহণ, সামাজিক মেলামেশা ও বসবাসের ক্ষেত্রে পৃথকীকরণ বজায় থাকে।

বর্ণপ্রথার উদ্ভব

ঐতিহাসিকদের মতে, আর্যদের ভারতে আগমনের পর ঋগ্বৈদিক যুগে বর্ণপ্রথার সূচনা হয়। প্রথমে এই প্রথা পেশা ও কর্মের ভিত্তিতে ছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এটি জন্মভিত্তিক হয়ে ওঠে।

আধুনিক ভারতে বর্ণপ্রথা

ভারতীয় সংবিধান বর্ণভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধ করেছে। তবে, সমাজে এখনও বর্ণপ্রথার প্রভাব দেখা যায়। সরকার তফসিলি জাতি ও উপজাতির জন্য সংরক্ষণ নীতি গ্রহণ করেছে, যাতে তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি নিশ্চিত হয়।

বর্ণপ্রথা ভারতের সমাজে গভীর প্রোথিত একটি প্রথা, যা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে, তবে এর প্রভাব এখনও বিদ্যমান।


#সংগৃহীত

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...