এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫

আমার ক্লাসফ্রেন্ড রাশেদ,,,,,,, GOLAM MASTAFA ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হঠাৎ আমার এক ভালো বন্ধুর কথা মনে হলো।

তাই দাদুভাইয়ের দাদীকে নিয়ে তার শহরের বাসায়

মিষ্টি কিনে নিয়ে উপস্থিত হলাম। বাসার কাছে যেয়ে

তাকে কল দিলাম। আগে তার বাসায় যাইনি। এই ই

প্রথম। রাশেদ হাইস্কুল পার করার আগেই বাংলাদেশ 

বিমান বাহিনীতে চলে যায়। তারপর কত বছর পার

হলো তাকে এবং তার পরিবারের সাথে দেখতেই

খুলনা আমার বাসা থেকে ৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি

দিয়ে তার বাসায় প্রবেশ করলাম। রাশেদ, তার স্ত্রী,

তার ছেলেমেয়ের আদরে সত্যিই অভিভূত হলাম।


রাশেদ যখন ঢাকায় জব করে। আমি একদিন তার

কর্মস্তলে যাই।  ১৯৮৬ সাল। আমি তখন রাজশাহী 

 বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স পড়ি। আমি গেলে রাশেদ

কত যে খুশি হয়েছিলো তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আমাকে আদরে আপ্যায়নে কমতি রাখে নাই। আমি

আসার সময় রাশেদ আমার হাতে ১০০ টাকা 

দিয়ছিলো।বলে রাখা ভালো তখন এই ২২০০০/ টাকার 

স্কেল ছিলো ৭৫০ টাকা। আর তখন আমার মাস্টার্সের 

ফর্ম ফিল আপ করতে লেগেছিলো ১২৫ টাকা । তাহলে একজন সাধারন সৈনিকের বেতন কত ছিলো একটু 

ভেবে দেখবেন। তার মানে তার বেতনের ৩ ভাগের ১

 ভাগ আমাকে সম্মানী দিয়েছিলো।  আমি টাকা নিতে

না চাইলে সে জোর করে আমার পকেটে দিয়ে দেয়।

সে কথা আজিও মনে করে আমি তার ভালোবাসার 

শ্রদ্ধা জানাই। 


রাশেদ খুব ভালো ছেলে।  নম্রতা ভদ্রতার 

এক অনন্য দৃষ্টান্ত রাশেদ। ছোটকাল থেকে সে ও

অভাবের সাথে যুদ্ধ করেছে। এখন সে ছেলেমেয়ে

বিয়ে দিয়ে শহরে বসবাস করছে। পরিবারে তেমন 

অভাব আর নেই। বেশ ভালো আছে। আসলে সৎ

থাকলে এবং সৎভাবে আয় করলে তার অভাব 

থাকলেও অনেক সুখে থাকতে পারে। 


আমি দেখেছি যারা সৎভাবে আয় করে এবং ব্যয়

করে তাদের আয় কম হলেও তারা চিরসুখী থাকে।

শরীর ভালো থাকে।  ছেলেমেয়ে ও ভালো থাকে।

আল্লাহর রহমত তাদের উপর বর্ষিত হয়। আর অসৎ

পথে উপার্জনের টাকা স্থায়ী থাকে না। এই জীবনে

বহু প্রমান আমার সামনেই দেখেছি।


অসৎ পথের আয়ের পরিবারের কথা জানলে 

সেই পরিবারের কথা সরাসরি না বলে শুধু বর্তমান 

অবস্থা জানাতে পারেন। মানুষ যদি একটুও এতে

ভালো হয়।তাহলে আমার আপনার দেশের লাভ।


রাশেদ ফ্লাটবাড়ি করে নাই। এখনো এই টিনের

চালের এবং টিনের বেড়ার ঘরে সুখে আছে শান্তিতে

আছে। আসুন আমরা অল্পে খুশী হই।

পুনরায় ঝিনাইদহ শহরের উপর দিয়ে রেল লাইন চালু করা হোক এটা এখন সবার প্রানের দাবিতে পরিনত হয়েছে…

 ঝিনাইদহ শহরের উপর দিয়ে রেলপথ ছিল। এখানে রেলের সম্পদ যেহেতু আছে, ঝিনাইদহবাসির রেলপথের দাবী থাকাটাই স্বাভাবিক।


ঝিনাইদহ শহরে রেল পথ কিভাবে বন্ধ করে দেওয়া :

ঝিনাইদহ শহরে অতীতে রেলপথ ছিল এবং সেই রেল পথ কিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হলো।

হয়ত এ ইতিহাস আপনারা অনেকেই জানেন না।

ভারত উপমহাদেশে প্রথম রেলপথ চালুর পর ১৮৮৪ সালে খুলনা ও যশোরের সাথে কলকাতার রেলপথ সংযুক্ত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯১৪ সালে যশোর হতে ঝিনাইদহ পর্যন্ত ৪৫ কি.মি দীর্ঘ ব্রডগেজ রেললাইন নির্মিত হয়।

ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় ঝিনাইদের বর্তমান কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উত্তর পাশে ঝিনাইদহ রেল স্টেশন ছিল। পূর্বে এখানে মেথরপট্টি ছিল। বর্তমানে তদস্থলে গড়ে উঠেছে নতুন পৌর মার্কেট।

সেই রেল স্টেশনের কোনো চিহৃ এখন আর নেই। তখন প্রতিদিন ৪ বার করে রেল আসা-যাওয়া করত ঝিনাইদহ থেকে যশোরে। Jessore, Jhenidah ইংরেজি শব্দের প্রথম অক্ষর 'J ' দিয়ে, সেজন্য এ রেলপথের নাম দেওয়া হয়েছিল জে.জে. রেল লাইন।

যশোর-ঝিনাইদহ (৪৫ কিমি.) রাস্তার মধ্যে প্রসন্ননগর, কালীগঞ্জ, বারোবাজার ও চুড়ামনকাঠিতে রেলস্টেশন ছিল।

মি. হ্যারল্ড জি ম্যাকলিউড সাহেবের তত্বাবধানে এ সময় চিনি শিল্প গড়ে উঠে কোঁটচাদপুরে। এতে কোঁটচাদপুর পর্যন্ত ৮ মাইল দীর্ঘ রেল লাইন সম্প্রসারিত করা হয়।

ঝিনাইদহ হতে যশোর পর্যন্ত রেলগাড়ির ভাড়া ছিল প্রতিমাইল ১ পয়সা করে।

ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ-মাগুরা রোড দিয়ে বাস চলাচল শুরু হয় ১৯৩৫/৩৬ সালের দিকে। তুলসীরাম নামে একজন মাড়োয়ারি ও কালীগঞ্জের কয়েকজন মিলে একটি বাস সিন্ডিকেট কোম্পানি গঠন করেন এবং যশোর-ঝিনাইদহ বাস লাইন চালু করেন কাঁচা রাস্তা দিয়ে। এই বাস লাইন ছিল রেলপথের একদম পাশে।

রেলের সাথে প্রতিযোগীতা করে রেলের চেয়ে মাইল প্রতি বাস ভাড়া কম নিতে শুরু করে বাস মালিকরা।

অতিরিক্ত সুযোগ হিসাবে, বাসে চড়লে নাস্তা দেয়া হতো যাত্রীদের এবং কখনো কখনো দেয়া হত উপহার সামগ্রী। মানুষ যশোর যাওয়ার জন্য রেলগাড়িতে না উঠে বাসে উঠতে শুরু করে অধিক পরিমানে। ফলে রেল কোম্পানি পরিবহন প্রতিযোগীতায় পিছিয়ে পড়তে থাকে। এ সময়ে ঝিনাইদহের পাল কোম্পানি ও যশোরের কুরি কোম্পানি বেশ কতকগুলো বাস ক্রয় করে রাস্তায় নামিয়ে দেয় যাত্রী পরিবহনের জন্য। ফলে রেল উঠে যেতে বাধ্য হয়।

রেল লাইন উঠে যাওয়া আর একটি কারণ হচ্ছে, বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রেল কখনো বাসের আগে যেতে পারত না গন্তব্যস্থলে। রেলগাড়ি বাসের থেকে ধীর গতিতে চলতো। পথিমধ্যে হাত উঁচু করলে রেলও দাঁড়াত, বাসও দাঁড়াত যাত্রী উঠানোর জন্য। রেলের থেকে বাসের গতি বেশি থাকায় স্বল্প সময়ে যাত্রীরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারতো, তাছাড়া বাস ভাড়াও ছিল রেলের ভাড়া অপেক্ষা কম। এভাবে যশোর-ঝিনাইদহ রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

১৯৩৬ সালে যশোর-ঝিনাইদহ সড়ক পাকা করার সময় রেললাইন উঠিয়ে ফেলা হয়। ২০২২ সাল হিসাবে আজ থেকে ১০৯ বছর আগে ঝিনাইদহ শহরের উপর দিয়ে রেলপথ ছিল। এখানে রেলের সম্পদ যেহেতু আছে, ঝিনাইদহবাসির রেলপথের দাবী থাকাটাই স্বাভাবিক। শুধু দাবীই নয়, এটা ঝিনাইদহবাসির অধিকার।


* পুনরায় ঝিনাইদহ শহরের উপর দিয়ে রেল লাইন চালু করা হোক এটা এখন সবার প্রানের দাবিতে পরিনত হয়েছে…?


তথ্য সূত্রে : ইন্টারনেট।

কেশবপুরের রক্তাক্ত শিমুলতলা,,, bhoutik duneya ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 **কেশবপুরের রক্তাক্ত শিমুলতলা**


আজ থেকে প্রায় বিশ বছর আগে, কেশবপুর নামে এক গ্রামে রাত নামলেই মৃত্যুর কালো ছায়া নেমে আসত। সন্ধ্যার পর থেকে গ্রামের পথঘাট নিস্তব্ধ হয়ে যেত। দরজা-জানালা বন্ধ করে লোকজন ঘরে আটকে থাকত। কারণ, রাতের অন্ধকারে এক অজানা ভয়ঙ্কর শক্তি প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলত। প্রতি রাতে দুই-তিনটে অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটত, আর সেগুলো এতই ভয়াবহ ছিল যে গ্রামের মানুষের হৃৎপিণ্ড কেঁপে উঠত।


কারও ঘাড় মটকে দেওয়া হতো, কারও বুক ফুঁড়ে হৃৎপিণ্ড ছিঁড়ে ফেলা হতো। কোনো লাশের চোখ উপড়ে ফেলা হতো, কারও চোখই থাকত না—যেন কেউ গুঁড়িয়ে নিয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে আতঙ্কজনক ছিল, লাশগুলো সব একই জায়গায় পাওয়া যেত—গ্রামের প্রাচীন শিমুল গাছের তলায়, যার বিশাল ছায়া দিনের বেলাতেও মানুষের মনে অস্বস্তি জাগাত। শিমুলতলার মাটি যেন রক্তে ভেজা, আর গাছের ডালে অদ্ভুত একটা ঠান্ডা হাওয়া বইত, যা শিরদাঁড়া কাঁপিয়ে দিত।


গ্রামের মানুষ ভয়ে কথা বলত ফিসফিস করে। কেউ বলত, এটা কোনো শয়তানের কাজ। কেউ বলত, শিমুল গাছের তলায় পোঁতা আছে অভিশপ্ত কোনো আত্মা। কিন্তু কেউই সত্যিটা জানার সাহস করেনি। প্রতি রাতে মৃত্যুর এই খেলা চলতেই থাকল। গ্রামের বুড়োরা বলত, “শিমুলতলায় যাস না, ওখানে মানুষের রূপে অমানুষ ঘোরে।”


এই আতঙ্কের মাঝে গ্রামের পাঁচ যুবক—রহিম, কাশেম, সেলিম, আজিজ আর ফরিদ—ঠিক করল, তারা এই রহস্যের জাল ছিঁড়বে। তাদের বুক ভরা যৌবনের জোয়ার আর মনে অদম্য কৌতূহল। তারা জানত, মুরুব্বীরা এই পরিকল্পনায় রাজি হবেন না। তাই গোপনে, এক পূর্ণিমার রাতে, তারা শিমুল গাছের মগডালে আশ্রয় নিল। হাতে লাঠি, মুখে দুঃসাহস, আর মনে এক অজানা ভয়। তারা ঠিক করল, রাতভর পাহারা দেবে, দেখবে কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে।


চাঁদের আলোয় শিমুল গাছের ছায়া মাটিতে দানবের মতো লম্বা হয়ে পড়েছিল। গ্রাম নিঝুম, কেবল ঝিঁঝিঁর ডাক আর দূরের কুকুরের কান্না ভেসে আসছিল। পাঁচ যুবক গাছের ডালে বসে অপেক্ষা করছিল, চোখে ঘুম নেই, কান খাড়া। মাঝে মাঝে হাওয়ায় শিমুল গাছের পাতা নড়ে উঠত, আর তাদের বুক ধড়ফড় করত।


রাত গভীর হলো। হঠাৎ, দূর থেকে একটা অদ্ভুত শব্দ ভেসে এলো—যেন কেউ পা টেনে টেনে হাঁটছে। শব্দটা ক্রমশ কাছে এলো। পাঁচ জোড়া চোখ শিমুলতলার দিকে স্থির। তখনই তারা দেখল—একটা কালো, বিশাল আকৃতি। প্রায় বারো ফুট লম্বা, শরীরে কালো লোমের জঙ্গল। মুখটা হায়েনার মতো, দাঁতগুলো চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। হাতে তার একটি লাশ, রক্তে ভেজা, মুখ ফ্যাকাশে।


দানবটা শিমুলতলায় এসে লাশটা মাটিতে ফেলল। তারপর সে লাশের ঘাড়ে মুখ গুঁজে দিল। দাঁতগুলো মাংস ছিঁড়ে রক্ত চুষতে শুরু করল। রক্তের গন্ধে শিমুলতলা ভারী হয়ে উঠল। পাঁচ যুবকের শ্বাস আটকে গেল। ভয়ে তাদের হাত-পা ঠান্ডা। সেলিমের হাত থেকে লাঠি পড়ে গেল, আর সেই শব্দে দানবটা মুখ তুলল। তার চোখ দুটো লাল, জ্বলন্ত কয়লার মতো। সে এক পলক গাছের দিকে তাকাল, আর তারপর—চোখের পলকে উধাও!


ফরিদ ভয়ে চিৎকার করে উঠল। তার চিৎকারে গ্রামের কুকুরগুলো ডেকে উঠল। পাঁচ জন তড়িঘড়ি গাছ থেকে নেমে দৌড়ে বাড়ির দিকে ছুটল। তাদের মুখ ফ্যাকাশে, শরীর কাঁপছে। পরদিন সকালে তারা গ্রামের মানুষকে সব খুলে বলল। কিন্তু কেউ বিশ্বাস করল না। কেউ বলল, “ওরা পাগল হয়ে গেছে।” কেউ বলল, “শিমুলতলার ভূত ওদের মাথা খেয়েছে।”


কিন্তু এর সাত দিনের মাথায় ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটতে শুরু করল। রহিম এক রাতে পুকুরে ডুবে মারা গেল, অথচ সে সাঁতার জানত। কাশেমের বুকে অদ্ভুত কালো দাগ দেখা গেল, আর তিন দিনের মাথায় সে কালাজ্বরে মারা গেল। সেলিম এক রাতে বাড়ি ফেরার পথে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মাথা ফেটে মরল। আজিজের শরীরে রক্ত শুকিয়ে গেল, যেন কেউ তার প্রাণ চুষে নিয়েছে। আর ফরিদ? সে এক রাতে উঠোনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে করতে মারা গেল, তার চোখ দুটো খোলা, যেন কিছু দেখে ভয়ে পাথর হয়ে গেছে।


গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল। লোকজন বলতে লাগল, “শিমুলতলার দানব ওদের শাপ দিয়েছে।” এই সময় গ্রামে এলেন এক হুজুর, যিনি অলৌকিক শক্তির জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তিনি শিমুল গাছের তলায় দাঁড়িয়ে কিছু মন্ত্র পড়লেন। তারপর গ্রামের চার কোণায় আটটি তাবিজ আর শিমুল গাছের গোড়ায় একটি কবচ পুঁতলেন। পুঁততে পুঁততে তিনি বললেন, “এই অশুভ শক্তি এখন বন্দী। কিন্তু শিমুল গাছের ছায়ায় কেউ যেন না যায়।”


সেই থেকে কেশবপুরে আর কোনো অপমৃত্যু ঘটেনি। শিমুল গাছটা এখনো দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু তার তলায় কেউ যায় না। গ্রামের বুড়োরা বলে, রাতের বেলা শিমুলতলায় এখনো অদ্ভুত শব্দ শোনা যায়—যেন কেউ রক্তের জন্য হাহাকার করছে। আর পূর্ণিমার রাতে, শিমুল গাছের ছায়ায় একটা কালো আকৃতি নাকি এখনো ঘোরে, তার লাল চোখ জ্বলে ওঠে, আর মুখে থাকে রক্তের দাগ।


কেশবপুরেররহস্য

শিমুলতলারদানব

ভৌতিকগল্প

গ্রামবাংলারআতঙ্ক

রক্তাক্তশিমুলগাছ

থ্রিলারগল্প

ভয়েররাত

অলৌকিকঘটনা

বাংলারভূতেরগল্প

সাসপেন্সওআতঙ্ক

পূর্ণিমাররহস্য

কালোছায়ারখুনি

গ্রামেরগোপনরহস্য

শিমুলতলারশাপ

ভয়ঙ্করঅভিজ্ঞতা

শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

গার্মেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইন্টারভিউ প্রস্তুতি গাইড

 গার্মেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইন্টারভিউ প্রস্তুতি গাইড

(প্রশ্ন-উত্তর সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য)


বর্তমানে গার্মেন্টস শিল্পে একটি দক্ষ ও পেশাদার কোয়ালিটি কন্ট্রোলার হিসেবে চাকরি পেতে হলে শুধু অভিজ্ঞতা নয়, তাত্ত্বিক জ্ঞানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর তুলে ধরা হলো যা কোয়ালিটি কন্ট্রোল/ইন্সপেকশন বিভাগের ইন্টারভিউতে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।


---


মূল শব্দ ও সংজ্ঞা:


QI (Quality Inspector): গুণগত মান যাচাইকারী ব্যক্তি।


AQL (Acceptable Quality Level): গ্রহণযোগ্য গুণগত মানের মাত্রা।


DTM (Dye To Match): রঙের সাথে মিলিয়ে রঙ প্রয়োগ।


HPS (High Point Shoulder): গার্মেন্টস মাপের রেফারেন্স পয়েন্ট।


SPI (Stitch Per Inch): প্রতি ইঞ্চিতে সেলাইয়ের সংখ্যা।


CB (Centre Back): পেছনের কেন্দ্রীয় সেলাই লাইন।


LPS (Low Point Shoulder): কাঁধের নিম্ন বিন্দু।


GTM (Garments Total Management): গার্মেন্টস ব্যবস্থাপনার পূর্ণাঙ্গ পদ্ধতি।


---


ডিফেক্ট ও কোয়ালিটি বিষয়ক প্রশ্ন:


ডিফেক্ট এর ধরন: Major, Minor, Critical।


Fabric Defects: Hole, Slub, Run, Contamination ইত্যাদি।


Iron Defects: Crease Mark, Shining Mark ইত্যাদি।


Shade: একই ফেব্রিকে রঙের পার্থক্য।


Blue Card: টেকনিক্যাল সমস্যা নির্দেশ করে।


Black Card: মেশিন সংক্রান্ত সমস্যা নির্দেশ করে।


---


জরুরি পরিমাপ সম্পর্কিত তথ্য:


1 ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার।


1 মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার / ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।


Measuring Tape Composition: 150 সেমি, 60 ইঞ্চি, 5 ফুট।


---


কার্যক্রম ভিত্তিক শব্দ:


Mockup: কাজের নমুনা বুঝতে ব্যবহৃত নমুনা।


Trim Card: উপাদানের অ্যাপ্রুভাল কার্ড।


Marker: কাটিং নির্দেশনার জন্য ব্যবহৃত প্যাটার্ন।


Fusing: কাপড়ে স্টিফনেস দেওয়ার প্রসেস।


---


বিশেষ শব্দের পূর্ণরূপ:


GSM: Gram per Square Meter


PPM: Pre-Production Meeting


RFT: Right First Time


DHU: Defects per Hundred Units


KPI: Key Performance Indicator


SRM: Supplier Relationship Management


QMS: Quality Management System


RQS: Requirement for Quality System


SPI: Stitch Per Inch


---


সেলাই ও থ্রেড সম্পর্কিত তথ্য:


Stitch প্রকার: Chain Stitch, Lock Stitch।


Thread প্রকার: Cotton, Polyester, Silicon, Nylon।


Contrast: ফেব্রিক ও সুতার রঙের ভিন্নতা।


Seam Allowance: সেলাইয়ের জন্য বাড়তি কাপড়।


---


এই তথ্যসমূহ গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির কোয়ালিটি বিভাগে সফলভাবে চাকরি পেতে সাহায্য করবে।

আপনার সহকর্মী বা আগ্রহীদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে সবার উপকার হয়।

বউয়ের প্রকারভেদ:

 এর আগে দিয়েছিলাম স্বামীর প্রকারভেদ। অনেকেই বলেছিলেন, বউয়েরটা কোথায়? তাই এবারে খুঁজে বের করেছি বউয়ের প্রকারভেদ:


১. লক্ষ্মী বউ: আবহমান বাংলার চিরায়ত আদর্শ ব‌উ আমাদের লক্ষ্মী বউ। এই বউ সুকুমার রায়ের ছড়ার সাপের মতোই: “করে নাকো ফোঁস ফাঁস, মারে নাকো ঢুঁশ ঢাঁশ, নেই কোনো উৎপাত, খায় শুধু দুধ ভাত!” লক্ষ্মী বউ অল্পতেই খুশি। জামাইয়ের কাছ থেকে তার কোনো বাড়তি ডিমান্ড নেই। সারাদিন বাসার টুকটাক কাজ করবে, ড্রয়িংরুম বেডরুম বারবার গোছাবে, গেস্ট আসলে হাসিমুখে তাদের আপ্যায়ন করবে, কাজের লোককে দিয়ে না করিয়ে অনেক কাজ নিজেই করে ফেলবে, রান্নাঘরে তার দক্ষতার ছাপ রাখবে এবং পরিশেষে স্বামীকে ব্যাপক ভালোবাসবে। লক্ষ্মী বউ দুর্লভ প্রজাতির, এদের দেখা আজকাল শুধু পুরনো বাংলা ছবি বা নাটকেই পাওয়া যায়। 


২. রাগী বা মেজাজী বউ: খ্যাঁচখ্যাঁচ, খিটপিট, কটমট শব্দগুলো এই বউয়ের জন্যই তৈরি হয়েছিল। সকালে উঠেই কাজের মহিলার সাথে খ্যাঁচখ্যাঁচ, এরপর বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যেতে যেতে রিকশাওয়ালার সাথে এক প্রস্থ, স্কুল থেকে ফিরে আসার সময় হালকা বাজার সদাই করতে গিয়ে দোকানদারকেও একচোট। বাসায় ঢুকে বাচ্চাদের পড়াতে বসে তাদের ওপর দিয়েও সিডর বওয়াবেন রাগী বউ। দিনের শেষ ডোজটা বরাদ্দ জামাইয়ের জন্য, বাসায় ঢোকামাত্রই:


“কারেন্টের বিল দেয়া হয় না কয় মাস হুঁশ আছে?”


“সারাদিনতো বাসায় থাক না, আমার ওপর দিয়ে কি যায় বোঝো?”


“তোমার মা! উফফ্! অসহ্য একটা মহিলা!!”


“তাহলে আগে বলে দিলেই পারতে! ১৪ বছর সংসার করতে গেলে কেন?”


"তোমার ১৪ গুষ্টির ভাগ্য, আমার মতো বউ পেয়েছ!"


এদের স্বামীদের বউয়ের গঞ্জনা শুনতে শুনতে তাকে কিছু বলার ক্ষমতা কমতে কমতে একটা সময় চলেই যায়। খুবই অসহায় এদের জীবন।


৩. হস্তিনী বউ: হস্তিনী বউয়ের হাতি হয়ে ওঠার পেছনে তার স্বাস্থ্যের কোনো সম্পর্ক নেই। এই বউ ঘরে রাখা অনেকটা হাতি পালার মতো। মাসের শুরুতেই সে জামাইয়ের মানিব্যাগটিতে অধিকার স্থাপন করে তা অধিগ্রহণ করবে। খরচের ব্যাপারে সে হিসেবের ধার ধারবে না। মাসের মধ্যে ১৪ বার শপিংয়ে গিয়ে তার ক্ষান্তি নেই। হাতি যেমন গ্রামে হানা দিয়ে বনের ভেতরে শস্য নিয়ে যায়, তেমনি হস্তিনী বউ স্বামীর সংসারের টাকা সুন্দরভাবে বাবার সংসারে মানি লন্ডারিং করে দেবে।  


৪. সুন্দরী বউ: এই বউ সুন্দরী এবং এটাই তার সমস্যা। সুন্দরী বউ যদি বিনয়ী হয় তবেও সমস্যা, আর দেমাগী হলে তো কথাই নেই। সুন্দরী বউয়ের রূপের দেমাগ থাকলে পুরো শ্বশুরবাড়ি, বিশেষত ননদ ও জাকুলের সাথে ঠান্ডা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। আর যদি রূপ নিয়ে কোন গর্ব না-ও থাকে, তবুও অকারণে অনেক কথাই শুনতে হয়। পান থেকে চুন খসলেই রূপের কথা তুলে খোঁটা দেয়া হয়:


“হুঁ, সুন্দর বউ ঘরে নিয়ে আসছে। তাকে তো আবার কিছু বলা যাবে না!"


“বউ সুন্দর হলেই হয় না শুধু, সাথে সংসারের কাজকামও কিছু করতে হয়।"


“সারাজীবন কি রূপচর্চা করেই কাটবে?”


“রূপ ধুয়ে কি জল খাবে?” (স্বামীর উদ্দেশ্যে শ্বশুরবাড়ির লোকজন) 


৫. চিরযৌবনা বউ: তার বয়স হয়েছে, কিন্তু সৌন্দর্য্যে লেশমাত্র ছাপ পড়েনি। অন্যান্য মহিলারা যেখানে ফুলেফেঁপে উঠছেন, চামড়ায় ভাঁজ পড়ছে, সেখানে চিরযৌবনা বউ দিন দিন শুকাচ্ছেন, আরও সুন্দর হচ্ছেন! জামাইকে নিয়ে কোনো পার্টিতে গেলে লোকে তাদের দেখে বাবা মেয়ে ভাবছে – এমন ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। চিরযৌবনা বউয়ের পরকীয়ার ব্যাপারে জামাইরা সাধু সাবধান!


৬. সন্দেহবাজ বউ: এই বউ শুধু জামাইকে সন্দেহ করে। সে কোথায় যায়, কি করে, কি খায়, কাদের সাথে ওঠাবসা করে সব খবর তার চাই। ৫ মিনিটের জন্য ফোন বিজি পেলেই তার কড়া জিজ্ঞাসা, “কার সাথে কথা বলছিলে?” ফোন দিয়ে সর্বদা স্বামীর খোঁজ খবর নিতে ভালোবাসেন। শার্টের কলারে চুল আর লিপস্টিকের দাগ খোঁজা তার রোজকার অভ্যাস। নিষ্পাপ স্বামীদের এমন বউরা প্রতিবাদী করে তোলেন। স্বামীরা ভাবেন – কিছু না করেই যখন এত কিছু শুনছি, তার চেয়ে ভালো কিছু করে তবে শুনি।  


৭. বৌ-মা: এই বউ 'বউ' কম, মা বেশি। সব সময় স্বামীর ওপর একটা গার্জিয়ানগিরি ফলানোর চেষ্ট‍া সে করবে। সারাক্ষণ এটা খাবে না, ওটা ধরবে না, বেশি বুঝো না তো – এসব বলবে এবং স্বামীকে সার্বক্ষণিক শাসনের ভেতরে রাখবে।  


৮. নিঃসঙ্গ বউ: এই বউয়ের স্বামী বিয়ে করে তাকে গ্রামের বাড়ি রেখে গেছে বা দেশের বাইরে গেছেন। নিঃসঙ্গ বউয়ের জীবন খুব কষ্টের। স্বামী কবে ফিরবেন – দিন গোনা যেন শেষ হয় না তার! দিনের মধ্যে অসংখ্যবার ক্যালেন্ডার দেখে! জামাইয়ের সাথে কথা বলতে যোগাযোগের কোনো মাধ্যমই বাদ দেন না। অনেক ক্ষেত্রে এমন বউরা প্রতারণার শিকার হন, যখন জামাই শহরে ও বিদেশে আরেকটি বিয়ে করে। অনেকে আবার স্বামীর অপেক্ষা সহ্য করতে না পেরে নিজেই পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে যান।


৯. আত্মকেন্দ্রিক বউ: নিজেকে নিয়েই পুরোটা সময় ব্যস্ত থাকেন আত্মকেন্দ্রিক বউ। বাসার রান্নাবান্নার পুরো দায়িত্বটা কাজের মেয়েকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, আর ছেলেমেয়ের পড়াশোনা কোচিং সেন্টারকে। অবসর সময়টা কাজে লাগান টিভিতে সিরিয়াল দেখে আর রূপচর্চা করে। যৌথ পরিবারের ক্ষেত্রে বাড়ির অন্য বউদের মতো সংসারের কোনো কাজে কর্মে তার কোনো অংশগ্রহণ থাকে না। এর জন্য যে লোকে তাকে খারাপ ভাবছে তাতেও তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমন বউরা খুব বেশিমাত্রায় বহির্মুখী হন।  


১০. হাই স্ট্যাটাস বউ: এই বউ জামাইকে পদে পদে ও হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দেবে সে কোন ফ্যামিলির মেয়ে, সেখানে কি কি হতো, যা তার (স্বামীর) সংসারে হয় না। এই বউ সব সময় জামাইকে বলবে, বাটার ছাড়া কোনো দিন সে সকালে নাস্তা করে নাই, বিয়ের পর সে (স্বামী) যে চাকরিটা পেয়েছেন সেটাও তার বাবার কল্যাণে, ঘরের আসবাবপত্র সবই তার বাপের বাড়ি থেকে আসা ইত্যাদি ইত্যাদি।


১১. হতাশাগ্রস্থ বউ: এই বউয়ের আফসোস আর দুঃখের সীমা নেই। স্বামীর সংসারে এসে সে কিছুই পায়নি। কত শখ ছিলো বিয়ের পর সুইজারল্যান্ড যাবে, প্রতি মাসে একট নতুন শাড়ি হবে, নিজের একটা ফ্ল্যাট হবে, ছেলেমেয়েরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়বে, আরো কত কি! উঠতে বসতে স্বামী বেচারাকে সেইসব হতাশামাখা বাণী শুনতে হয়। 


১২. হিংসুটে বউ: হিংসুটে বউয়ের সবকিছুতেই হিংসে, সবার সাথেই হিংসে। এই বউকে তার জামাই আর্থিক বা মানসিকভাবে কোনকালেও সুখী করতে পারবে না। আর বউয়ের নজর শুধু কার বউ ৭০ হাজার টাকা দিয়ে শাড়ি কিনলো, জা ননদরা কে কি করল! সারাদিন শুধু এইসব নিয়েই আলোচনা আর ফিসফাস। 


১৩. প্যাঁচালো বউ: এই বউ সংসারে অশান্তি বয়ে আনেন – তার কথাবার্তা, আচার আচরণ, কূটচাল আর কুটনামির স্বভাব দিয়ে। স্বামীর কানে শ্বাশুড়ির নামে বদনাম করেন আর শ্বাশুড়ির সামনে ছেলের। ‘এর কথা ওকে’ আর ‘ওর কথা একে’ বলে বেড়ানো তার স্বভাব। কথা ছড়ানোর সময় দু চার পরত রং মাখাতেও ছাড়েন না প্যাঁচালো বউ।


১৪. পানসে বউ: কোনো কিছুর প্রতিই এই বউয়ের বিশেষ কোন আগ্রহ দেখা যায় না। স্বামী অনেক শখ করে তার জন্য কিছু একটা করলে বা উপহার দিলেও “হ্যাঁ, সুন্দর” ব্যাস এটুকু বলেই শেষ। এই সামগ্রিক আগ্রহের ‍অভাবে শুধু স্বামী নয়, সন্তানদের সাথেও পানসে বউয়ের একটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তাকে কেউ ঘাঁটায় না, সেও কাউকে ঘাঁটায় না। 


১৫. বাপের বাড়ি প্রিয় বউ: বছরের মধ্যে ১০ মাসই এই বউ বাপের বাড়ি থাকেন! কদাচিৎ শ্বশুড়বাড়িতে গিয়ে তাদের কুশলাদি জেনে আসেন। বউয়ের কারণে জামাইকেও অনেকটা সময় শ্বশুরবাড়িতে কাটাতে হয়। সাধারণত নিজের মা বাবার পরামর্শেই তিনি এমনটা করেন।


১৬. ঘরজামাইয়ের বউ: ঘরজামাই যেমন দুর্বলচিত্তের, তার স্ত্রী ঠিক ততোটাই শক্ত ও কড়া মানসিকতার। ঘরের বাজার সদাই থেকে শুরু করে বাচ্চাকে স্কুলে আনা নেওয়া সবই তিনি ঘরজামাইকে দিয়ে করান। আর মুহূর্তে মুহূর্তে মনে করিয়ে দিতে ভোলেন না – এই বাড়িটা কার বাবার!  


১৭. সেলিব্রিটির বউ: সেলিব্রিটিদের বউ দু ধরনের হন। যদি বউ নিজেও সেলিব্রিটি হন, তবে স্বামীর সার্বক্ষণিক নারীসঙ্গ তাকে তেমন একটা প্রভাবিত করে না। কারণ তিনি নিজেও পুরুষসঙ্গে আসক্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু বউ যদি সাধারণ হন, তবে এগুলো সহ্য করা খুব কষ্টের হয়ে যায়। স্বামীর বেপরোয়া জীবন নিয়ে কিছু বলার ক্ষমতা কমতে কমতে একটা সময় চলেই যায়।


১৮. কর্মজীবী বউ: কর্মসূত্রে অনেকটা সময়ই বাসার বাইরে থাকতে হয় কর্মজীবী বউকে। আর তাই বাচ্চার দেখভাল সহ সাংসারিক নানা কাজে খুব কমই সময় দিতে পারেন। অধিকাংশ পরিবারেই বিষয়টিকে অত্যন্ত নেগেটিভভাবে নেয়া হয়। স্বামীর সমস্যা না থাকলেও সমস্যা থাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে। সেই চাপে অনেক সময় কর্মজীবী বউদের চাকরী ছেড়ে সংসারমুখী হতে হয়। আর শক্ত মানসিকতার অনেকে দীর্ঘদিন লড়াই চালিয়ে হয় জয়ী হন, নতুবা শেষ পন্থা হিসেবে সেপারেশনে চলে যান। 


১৯. তিড়িং বিড়িং বউ: এই বউ সবকিছুতেই খুব উৎফুল্ল গোছের। বিয়ের পরে সমাজ যে ধরনের গাম্ভীর্য আশা করে তার অনেক কিছুই এর মধ্যে অনুপস্থিত। সাধারণত কমবয়সী মেয়েরা বউ হয়ে ঘরে এসে তাদের বয়সী কোনো দেবর/ননদ পেলে এমনটা হয়ে থাকে। সাংসারিক রীতি রেওয়াজ বজায় রেখেই চলে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক। এমন বউরা বেশ খোলা মন এবং বিস্তৃত চিন্তার অধিকারী হয়ে থাকেন।  


২০. ভাবী বউ: এই বউ প্রচলিত ‘ভাবী কালচার’ এর মধ্যে বসবাস করেন। বাচ্চার স্কুল বা কোচিং হোক, ‍পাশের বাসার গৃহিণী হোক কিংবা হোক না কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান – ভাবী কালচার চলছে চলবে! কোন ভাবীর জামাই কত হাজার টাকার শাড়ি কিনে দিল, কোন ভাবীর বাচ্চা কয়টা কোচিং করে, কোন সিরিয়ালে কোন নায়ক নায়িকা হাত ধরে কি বলেছে, কার শ্বাশুড়ির আচরণে কি সমস্যা, কার বুয়া কার হাত ধরে ভেগেছে – আলোচনার কি আর শেষ আছে? 


২১. কাঁঠালের আঠা/এঁটেল বউ: স্বামী তাকে নির্যাতন করে, মারধর করে, শারীরিক/মানসিক হেন কোনো যন্ত্রণা নেই যা শ্বশুরবাড়ির লোকজন দেয়নি – তবু সন্তানের জন্য বা লোকলজ্জার ভয়ে সংসার ধরে রেখেছেন বা রাখছেন এই বউ। অত্যাচার সইতে না পেরে শতবার বাপের বাড়ি গিয়েছেন, আবার ফিরেছেন। লক্ষ্মী বউয়ের মতই ইনিও এক অর্থে আবহমান বাংলার চিরাচরিত বউ।

সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলোঃ চমৎকার উপলব্ধি হবেঃ

 সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলোঃ চমৎকার উপলব্ধি হবেঃ


একটি পিঁপড়ার কলোনিতে থাকতো একটি ছোট পিঁপড়ে। সে ছিল না সবচেয়ে শক্তিশালী, না সবচেয়ে দ্রুতগামী, না সবচেয়ে বুদ্ধিমান, কিন্তু তার একটি গুণ ছিল যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করতো: আর তা হলো - সে কখনোই অন্যের কষ্ট উপেক্ষা করতে পারতো না।

যদি কেউ ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং শস্যের দানা বাসায় নিয়ে যেতে না পারে, সে সাহায্য করত। যদি কেউ হোঁচট খেয়ে পড়ে যেত, সে তাকে তুলে দিত। যদি বৃষ্টিতে সুড়ঙ্গ ধসে যেত, সে-ই সবার আগে তা মেরামত শুরু করত।

পিঁপড়ারা তার সবসময় পাশে থাকার অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল। তারা জানত, যদি তারা কোনো বোঝা ফেলে দেয়, সে তা তুলে নেবে; যদি তারা কোনো পথ শেষ না করে, সে তা শেষ করবে; যদি তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে, সে তাদের কাঁধ দেবে ভর দিয়ে চলার জন্য।

 কিন্তু কেউ কখনও জিজ্ঞেস করেনি: সে নিজে কি ক্লান্ত?

দিনের পর দিন, সে শুধু নিজের কাজই করত না, সবার কাজও করে যেত। তার কখনও বিশ্রামের সময় ছিল না, কিন্তু সে নিজেকে বোঝাত: “আর একটু, তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।” সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—অন্যদের জন্য যেন সহজ হয়।

একদিন, পিঁপড়েটি লক্ষ্য করল তার পা কাঁপছে ক্লান্তিতে। সে আর আগের মতো দ্রুত শস্য বয়ে নিতে পারছিল না। তার পিঠ ব্যথা করছিল, আর চোখে ক্লান্তি জমে ছিল সেই অন্তহীন কাজের চাপ দেখে। কিন্তু সে তো পিঁপড়ার ঢিপিকে নিরাশ করতে পারত না।

যখন এক পিঁপড়ে তাকে একটি বোঝা বয়ে নিতে সাহায্য চাইল, সে তার শেষ শক্তিটুকু জড়ো করে রাজি হলো।

যখন দ্বিতীয় পিঁপড়ে তাকে নিজের কাজ শেষ করতে বলল, সে দাঁত কামড়ে হ্যাঁ বলল।

যখন তৃতীয় পিঁপড়ে বলল, “তোমার তো সবসময় সময় থাকে, আমাকেও সাহায্য করো,” তখনও সে না বলতে পারল না।

আর তখনই ঘটল এমন কিছু, যা সে নিজেও আশা করেনি। সব দায়িত্বের ভারে তার পা ভেঙে পড়ল। সে মাটিতে পড়ে গেলো। অথচ পাশ দিয়ে ছুটে যাওয়া পিঁপড়ারা খেয়ালই করল না যে সে আর নড়ছে না।

প্রথমে কেউ তার অনুপস্থিতি লক্ষ্যই করল না। “ও নিশ্চয়ই শিগগিরই ফিরে আসবে,” তারা বলল।

কিন্তু দিন কেটে গেল, আর কাজ আরও কঠিন হয়ে উঠল। আর কেউ পড়া শস্য তুলে নেয় না। আর কেউ কাঁধ দেয় না। আর কেউ সুড়ঙ্গ মেরামত করে না। 

পিঁপড়ার ঢিপিতে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠল।

এক একজন করে পিঁপড়ারা বুঝতে শুরু করল: সে তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি কিছু করত। তারা তাকে খুঁজলো, কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া গেল না।

আর তখনই, পিঁপড়ার ঢিপির এক কোণে থাকা এক বৃদ্ধ পিঁপড়ে একদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল: “সে চলে গেছে।” 

সে বুঝেছিল, তার কাজের মূল্য তখনই বোঝা গেল, যখন সে আর ছিল না।

“কিন্তু সে আমাদের বলল না কেন?!”—পিঁপড়ারা ক্ষুব্ধ হলো।

“তোমরা কি কখনো তাকে জিজ্ঞেস করেছিলে, সে কেমন আছে?” পিঁপড়ারা চুপ করে রইল।

তারা বুঝতে পারলো: তারা তার সাহায্যকে স্বাভাবিক মনে করেছিল। সে সবসময় পাশে থাকত, সাহায্য করত, সবাইকে কঠিন সময় থেকে রক্ষা করত। আর যখন সে নিজেই কষ্টে ছিল, তখন কেউ তা টেরও পায়নি।

নৈতিক শিক্ষা:

প্রতিটি সমাজে কিছু মানুষ থাকে যারা অন্যদের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয়।

তারা সাহায্য করে, পাশে থাকে, সবার চেয়ে বেশি পরিশ্রম করে। তারা “হ্যাঁ” বলে, এমনকি যখন তারা ক্লান্ত থাকে। তারা অন্যদের জীবন সহজ করে তোলে, কিন্তু কেউ তাদের জিজ্ঞেস করে না—তারা কেমন আছে।

একদিন, যখন তাদের শক্তি শেষ হয়ে যায় আর তারা চলে যায়, তখনই সবাই বোঝে তারা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

কিন্তু তখন কি তারা ফিরে আসার সুযোগ পায়?

যদি তোমার জীবনে এমন কেউ থাকে, তবে তার পতনের জন্য অপেক্ষা কোরো না। এখনই তাকে জিজ্ঞেস করো:

“তুমি কি কষ্টে আছো? আমি কি তোমার জন্য কিছু করতে পারি?” একদিন, এই প্রশ্নটিই সবকিছু বদলে দিতে পারে।

.#everyonefollowers #story #viral #Amazing

সাইকোলজি এবং বিজ্ঞান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১. নিজেকে কখনো বড় করে প্রকাশ করবেন না। এতে আপনি ছোট হবেন।


২. ভুল স্বীকার করার মানসিকতা দেখান। "Thank you", "Please" এই কথাগুলো বলতে দ্বিধা করবেন না।


৩. কারো কাছে নিজের সিক্রেট শেয়ার করবেন না বা কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না।


৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসা করতে যাবেন না।


৫. পর্ণে আসক্ত হবেন না। এতে করে আপনি ক্ষণস্থায়ী সুখের জন্য সুন্দর জীবন হারাবেন।


৫. পরচর্চা করবেন না। যে ব্যক্তি আপনার সামনে অন্যের নিন্দা করে, সে নিশ্চিতভাবে অন্যের সামনে আপনার নিন্দা করে।


৬. গাধার সাথে তর্ক করতে যাবেন না। তর্কের শুরুতেই গাধা আপনাকে তার স্তরে নামিয়ে আনবে, তারপর আপনাকে সবার সামনে অপদস্থ করবে।


৭. পরে করব ভেবে কোনো কাজ ফেলে রাখবেন না। আপনি যদি তা করেন শতকরা ৮০ ভাগ সম্ভাবনা কাজটি আপনি আর কখনোই করতে পারবেন না।


৮. 'না' বলতে ভয় পাবেন না।


৯. স্ত্রীর কারণে বাবা-মাকে বা বাবা মায়ের কারণে স্ত্রীকে অবহেলা করবেন না।


১০. সবাইকে সন্তুষ্ট করতে যাবেন না। এতে আপনি আপনার ব্যক্তিত্ব হারাবেন।


১১. ঝুঁকি ছাড়া সাফল্য আসে না। তাই জীবনে ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিতে ভয় পাবেন না।


১২. স্মার্টফোনে আসক্ত হবেন না। গুগলে জীবনের সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন না।


১৩. মনের ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেরি করবেন না। কারণ, এই একটি কাজের বিলম্বের জন্য আপনি সারাজীবন পস্তাতে পারেন।


১৩. রিলেশনসিপে অসুখী হলে সেটা আঁকড়ে ধরে থাকবেন না। যে সম্পর্ক মানসিক যন্ত্রণা দেয়, ভেতরে অশান্তি সৃষ্টি করে তা জীবন থেকে দ্রুত মুছে ফেলুন।


১৪. আপনি কখনোই জানেন না যে আপনি স্বপ্নপূরণের ঠিক কতটা কাছাকাছি। তাই, কখনোই লক্ষ্যের পিছু ধাওয়া করা বন্ধ করবেন না। বেশিরভাগ মানুষ সাফল্য লাভের কাছাকাছি গিয়ে হাল ছেড়ে দেয়।


১৫. অকারণে শত্রু বাড়াবেন না।


১৬. কারো ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দিয়ে কোনো কথা বলবেন না বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করবেন না।


১৭. বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সাথে একান্ত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও করবেন না। তার সাথে আপনার বিয়ে হবেই বা সে আপনাকে ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইল করবে না এটা আপনি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারেন না।


১৮. যে আপনার কথা শোনার জন্য প্রস্তুত নয়, তাকে কিছু শেখাতে যাবেন না। সে ঠকবে, ভুল করবে, ধাক্কা খাবে; তারপর একসময় ঠিকই আপনার মূল্য বুঝতে পারবে।


১৯. নিজের সম্মান বিসর্জন দিয়ে মানুষের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করবেন না। যেখানে আপনার সম্মান নেই

টিনের বদলে সোলার, ঘরের ছাদ থেকেই মিলবে বিদ্যুৎ:-

 টিনের বদলে সোলার, ঘরের ছাদ থেকেই মিলবে বিদ্যুৎ:-


পাকা ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে সহজেই ঘরের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। কিন্তু টিনের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো কিছুটা জটিল। তবে ছাদের সে টিনকেই সোলার টিনে রূপান্তরিত করে সহজেই উৎপাদন করা যাবে বিদ্যুৎ।


বুধবার (২৩ এপ্রিল) বুয়েট ক্যাম্পাসে আয়োজিত রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্টে এমন আয়োজন নিয়ে এসেছে মুসপানা। সোলার টাইলসের মাধ্যমে ছাদের কাজও যেমন হবে, তেমনি হবে বিদ্যুৎ উৎপাদনও।


মুসপানার প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে থাকা জাহিদুল ইসলাম রিফাত বলেন, এই সোলার টাইলস ঘরে ব্যবহার করা হলে আলাদাভাবে আর টিনের প্রয়োজন পড়বে না। ছাদ যেমন সুন্দর লাগবে, তেমনি বিদ্যুৎও উৎপাদন করবে। এই সোলার টাইলস যথেষ্ট সাশ্রয়ী, ফলে বিদ্যুৎ খরচ অনেকটাই কমে আসবে। আর গ্রাহক যতটুকু লোডের সোলার চান, খরচটা সে অনুযায়ীই হবে।


রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্টের আয়োজন করেছে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ, বুয়েট ও জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ। দুইদিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলায় অংশ নিয়েছে ২৬টি স্টল। মেলায় আগত শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিভিন্ন ব্যবহার ও এর সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন।


 

মেলায় দেখা মেলে ‘ইজি গো’ স্টলেরও। ইজি গো একটি বিদ্যুৎচালিত ব্যবসায়িক পণ্য পরিবহন সেবা, যা প্রতি কিলো সেবা দিয়ে থাকবে ৯৯ টাকাতেই।


ইজি গো-এর ফাউন্ডার মো. সাজ্জাতুল ইসলাম বলেন, এটি একটি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব লজিস্টিক সেবা। বাংলাদেশের অন্যান্য কার্গো সেবায় যেখানে প্রতি কিলোতে খরচ পড়ে ২০০ টাকারও বেশি, সেখানে আমাদের পরিবহনটি মাত্র ৯৯ টাকায় সে সেবা দেবে। তাছাড়া এ গাড়িতে লাইভ ট্র্যাকিং এবং ওজন ট্র্যাকিং সুবিধাও রয়েছে।


তিনি আরো বলেন, এরইমধ্যে চালডাল-সহ বিভিন্ন কোম্পানি আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। কারণ ইভি নিয়ে এখন সবাই সচেতন ও কাজ করতে চায়।


ছেলেটা এনাল ওয়ার্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বয়স আর কত হবে,এই ২২-২৩ বছর।

 ছেলেটা এনাল ওয়ার্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বয়স আর কত হবে,এই ২২-২৩ বছর।



এনাল ওয়ার্ট কি যারা জানেন না তাদের জন্য বলি,এটা পায়খানার রাস্তায় ফুলকপির মতো দেখতে একটা গ্রোথ বা টিউমার। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণে এই রোগ হয়। মেডিকেল সাইন্স বলে,সবার এই রোগ হয় না। পায়ুপথকে যারা মিলনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের এই রোগ হয়।


তাই সন্দেহ থেকেই ছেলেটার হিস্ট্রি নেয়া শুরু হয়। কি করে না করে ইত্যাদি! প্রথমে ইতস্তত করলেও চিকিৎসার খাতিরে সে স্বীকার করে যে,সে একজন গে! তাদের চারজনের একটা গ্রুপ আছে। তারা পরস্পর এই পায়ুপথে মিলিত হয়। এই ছেলে গুলোর একজনের পেনিসে একটা গোটা আছে! (সম্ভবত হিউম্যান প্যাপিলোমা থেকেই হবে)। পরবর্তীতে জানা গেল ছেলেটা HIV পজিটিভ।  স্বভাবতই তার সকল পার্টনার HIV পজিটিভই হবে।


ছেলেটার বাসা ঢাকার পাশের এক জেলায়। প্রাইভেসির খাতিরেই এলাকার নামটা গোপন রাখলাম। সাময়িক আলাপনে যা দেখলাম, ছেলেটার বাবা একজন দাড়ি-টুপি ওয়ালা সহজ-সরল আধাশিক্ষিত মানুষ,মাও তাই। কিন্তু ছেলের এই বিষয়ে তারা জানতেন না,এখনো জানেন না। রিপোর্ট দেখে শুধু জেনেছেন ছেলে HIV পজিটিভ।


মাঝে একটা পোস্ট ভাইরাল হয়েছিল রমনা পার্ক ও এই এলজিটিভিদের দৌরাত্য নিয়ে। একটা জেলা শহরের যদি এই অবস্থা হয়,তবে ঢাকা বা বিভাগীয় শহর গুলোর কি অবস্থা!!!


এসব এলজিটিভিদের বিষয়ে পোস্ট দেয়ার কারণে আগেও আমার কয়েকজন এলজিটিভিদের সাথে কথা হয়েছে। আমি তাদের কাউন্সেলিং করার চেষ্টা করেছি। তবে দুঃখজনক বিষয়,এদের অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই আমি কোনো অনুশোচনা দেখতে পাই নি।


নীরবে নিভৃতে এই এলজিটিভির বিষ আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে। কথায়,গানে,নাটকে,সিনেমায় আমরা এদের স্বীকৃতি দিচ্ছি। এসব দেখে বড় হতে থাকা আমাদের আগামী প্রজন্ম ভাবছে, আরে এটা তো স্বাভাবিক ঘটনা,ভূল কিছু নয়!! ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে কওমে লুতের মতো একটা প্রজন্ম।


কেউ এই বিষের বিষাক্ততা থেকে মুক্ত নয়। তাই আজই নিজের পরিবারে খোজ নিন। ছেলের মাঝে মেয়েলিপনা বা এর উল্টোটা দেখতে পেলে খতিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের শরনাপন্ন হোন। নিজের সন্তানকে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে গড়ে তুলুন।


মনে রাখবেন- সময় গেলে কিন্তু সাধন হবে না.......💔


[বি.দ্র-পোস্টে বোঝার সুবিধার্থে এনাল ওয়ার্ট এর একটা ছবি এড করা হয়েছে]


[@Dr Nazmus Sakib Bappi , SSMC]


কি অদ্ভুত তাই না

 কি অদ্ভুত তাই না ❓❓


♥️♥️♥️ গ্রিনল্যান্ড অবস্থিত সুমেরু মহাসাগর ও উত্তর আতলান্ত মহাসাগর মাঝখানে, কানাডার উত্তর-পূর্বদিকে এবং আইসল্যান্ডএর উত্তর-পশ্চিমদিকে। গ্রিনল্যান্ড এর রাজত্ব গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ (পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ) ও এক'শ এরও বেশি ছোটো ছোটো দ্বীপ নিয়ে। একটি দ্বীপ হওয়ার দরুন, গ্রীনল্যান্ডের কোনো স্থলসীমানা নেই এবং ৪৪০৮৭ কিমি লম্বা তটরেখা আছে। কিছু অল্প জনসংখ্যা উপকূলের বিভিন্ন অংশে ছোটো ছোটো জনবসতি বানিয়ে থাকে। গ্রীনল্যান্ডে পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ বরফের মোড়ক আছে।


গ্রিনল্যান্ড অবস্থিত উত্তর আমেরিকান প্লেটের একটা অংশ গ্রিনল্যান্ড প্লেটের উপরে। গ্রীনল্যান্ডের ক্রেটন তৈরী হয়েছে পৃথিবীর উপরের স্তরের কিছু অত্যন্ত প্রাচীন শিলা থেকে। দক্ষিণ-পশ্চিম গ্রীনল্যান্ডের ইসুয়া গ্রীন্স্টোন বেল্টে পৃথিবীর কিছু সবচেয়ে প্রাচীন পাথর পাওয়া যায়, যার বয়স প্রায় ৩৭০ থেকে ৩৮০ কোটি বছর।


এখানকার উদ্ভিদসমূহ সাধারনতঃ অল্প পরিমাণে বিক্ষিপ্ত ভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। শুধুমাত্র গ্রিনল্যান্ডের একদম দক্ষিণে কেপ ফেয়ারওয়েল এর কাছে নানোরতালিক পৌরসভার অঞ্চলে কিছুটা অরণ্যভূমি পাওয়া যায়।


এখানকার জলবায়ু কোথাও সুমেরুর জলবায়ুর মতো তো আবার কোথাও সাব-আর্কটিক জলবায়ু, যার বৈশিষ্ট হল শীতল গ্রীষ্মকাল ও প্রচন্ড ঠান্ডা শীতকাল। এখানের ভূখণ্ড বেশীরভাগটাই সমতল কিন্তু একটু ঢালু বরফের স্তর দিয়ে ঢাকা, শুধু একটুখানি সরু অনুর্বর, পার্বত্য, পাথুরে উপকূলবর্তী অঞ্চল ছাড়া। এখানের সর্বনিম্ন উচ্চস্থান হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠএ এবং সর্বোচ্চ উচ্চস্থান হল গুনজিয়ঁঁতের চূড়ো, যেটা আবার সুমেরুর সর্বোচ্চ বিন্দু যার উচ্চতা ৩,৬৯৪ মিটার (১২,১১৯ ফুট)। কেপ মরিস জেসাপ হচ্ছে গ্রীনল্যান্ডের উত্তরতম বিন্দু, যেটার আবিস্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয় ১৯০০ সালে আ্য়ডমিরাল রবার্ট পিয়ারীকে। দস্তা, সীসা, লৌহ আকরিক, কয়লা, মলিবডেনাম, সোনা, প্ল্যাটিনাম, ইউরেনিয়াম, জলবিদ্যুৎ এবং মাছ হচ্ছে এখানকার প্রাকৃতিক সম্পদ।


✅✅✅ আইসল্যান্ড আইসল্যান্ডীয়: সরকারী নাম আইসল্যান্ড প্রজাতন্ত্র। ইউরোপ মহাদেশের একটি প্রজাতান্ত্রিক দ্বীপ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম রেইকিয়াভিক। দেশটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে গ্রীনল্যান্ড, নরওয়ে, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, এবং ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের সদাসক্রিয় ভূ-গাঠনিক প্লেটগুলির সীমারেখার ঠিক উপরে অবস্থিত একটি আগ্নেয় দ্বীপ। আইসল্যান্ডের উত্তর প্রান্ত সুমেরুবৃত্তকে স্পর্শ করেছে। ডিম্বাকার এই দ্বীপটি পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ৪৮৫ কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ। পার্শ্ববর্তী গ্রিনল্যান্ডকে উত্তর আমেরিকার অংশ ধরা হলেও আইসল্যান্ডকে ইউরোপের অন্তর্গত রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা হয়। দেশটির জলবায়ু, ভূগোল ও সংস্কৃতি বৈপরীত্য ও বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।


গঠনগত দিক থেকে আইসল্যান্ড অপেক্ষাকৃত নবীন। বিগত ৬০ মিলিয়ন বছর ধরে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের অবশেষ থেকে দ্বীপটি উৎপত্তি লাভ করে। এখনও দ্বীপটিতে অনেকগুলি আগ্নেয়গিরি সক্রিয় আছে। ভূমিকম্প বেশ সাধারণ ব্যাপার। ভূ-গর্ভস্থ উষ্ণ পানির প্রস্রবণগুলি দেশটির ভবনগুলিকে সারা বছর ধরে উষ্ণ রাখে এবং কৃষিকাজে সহায়তা করে। দক্ষিণ-পশ্চিমের প্রস্রবণগুলি থেকে নির্গত জলীয় বাষ্পের কারণে সেখানে অবস্থিত আইসল্যান্ডের রাজধানীর নাম দেয়া হয়েছে রেইকিয়াভিক, অর্থাৎ "ধোঁয়াটে উপসাগর"। ভৌগলিকভাবে অত্যন্ত উত্তরে সুমেরুর কাছে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের উষ্ণ উপসাগরীয় সমুদ্রস্রোতের কারণে এখানকার জলবায়ু তুলনামূলকভাবে মৃদু। ফলে আইসল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত মানববসতিগুলির একটি। এটিকে তাই সুমেরু অঞ্চলীয় রাষ্ট্র হিসেবেও গণ্য করা হয় না। আইসল্যান্ডের রুক্ষ্ম পর্বতশ্রেণীগুলি হিমবাহে আবৃত। এদের মধ্যে ভাৎনায়কুল (Vatnajökull) হিমবাহটি ইউরোপের বৃহত্তম। আইসল্যান্ডের সমুদ্র উপকূল প্রায় সারা বছর ধরে জাহাজ ভেড়ার জন্য উন্মুক্ত থাকে। কেবল শীতকালে মেরুদেশীয় অঞ্চল থেকে আগত ভাসমান বরফের কারণে দেশের উত্তর ও পূর্বের বন্দরগুলি বন্ধ রাখতে হয়।


প্রায় ১০০০ বছর আগে খ্রিস্টীয় ৯ম শতকে নর্স অভিযানকারীরা আইসল্যান্ডে বসতি স্থাপন করে। আইসল্যান্ডবাসীরা তাদের নর্স ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করে। অনেকেই একেবারে শুরুর দিকের বসতিস্থাপকদের সাথে পারিবারিক সম্পর্ক খুঁজে বের করতে পারে। এখানে বসবাসকারী জনগণ জাতিতে নর্স ও কেল্টীয়। শুরুর দিকে মূলত নরওয়েজীয় নাবিক ও অভিযানকারীরা এখানে বসবাস করত এবং এখান থেকে পরবর্তীতে গ্রিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকাতে অভিযান চালাত (নরওয়েজীয়রা উত্তর আমেরিকার নাম দিয়েছিল ভিনল্যান্ড)। আইসল্যান্ডের সাথে নিকটতম ইউরোপীয় প্রতিবেশী দেশ স্কটল্যান্ডের দূরত্ব প্রায় ৮০০ কিলোমিটার। কিন্তু তা সত্ত্বেও সমগ্র ইতিহাস জুড়ে আইসল্যান্ড বৃহত্তর ইউরোপীয় সভ্যতার অংশ হিসেবেই বিদ্যমান। আইসল্যান্ডের গাথাগুলিকে মধ্যযুগের সবচেয়েউৎকৃষ্ট সাহিত্যিক নিদর্শনের অংশ হিসেবে মনে করা হয়। এই গাথাগুলিতে ইউরোপের চিন্তাধারা যেমন প্রতিফলিত হয়েছে, তেমনি ইউরোপ মহাদেশ থেকে বহু দূরে অবস্থিত লোকদের ইতিহাস ও রীতিনীতিও ফুটে উঠেছে। ভাইকিংদের মুখের প্রাচীন নর্স ভাষার সাথে আইসল্যান্ডীয় ভাষার পার্থক্য খুবই কম, ফলে তারা সহজেই এই গাথাগুলি পড়তে পারে।


আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইকিয়াভিকেই দেশের প্রথম কৃষি খামার গড়ে উঠেছিল। বর্তমানে এটি একটি বর্ধনশীল শহর এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক এখানে বাস করে। অন্যান্য বড় শহরগুলির মধ্যে আছে উত্তর-মধ্য উপকূলের আকুরেইরি (Akureyri), দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের হাফনারফিয়র্ডর (Hafnarfjördhur) এবং দক্ষিণের নিম্নভূমিতে অবস্থিত সেলফস (Selfoss)।


আইসল্যান্ড একটি রুক্ষ দেশ। এখানে কৃষি ও খনিজ সম্পদ খুব কম। দ্বীপের তিন-চতুর্থাংশই উদ্ভিদ জন্মানোর অযোগ্য। উদ্ভিজ্জ্জের মধ্যে তৃণভূমি প্রধান, যেখানে ভেড়া, গবাদি পশু ও শক্তসমর্থ আইসল্যান্ডীয় ঘোড়া পালন করা হয়। দ্বীপের চারপাশের সমুদ্রে বিভিন্ন জাতের মাছ পাওয়া যায় এবং মৎস্যশিকার এখানকার লোকদের আদি ও প্রধান পেশা। বর্তমানে আইসল্যান্ডের রপ্তানির অর্ধেকই মাছ ধরা ও মাছ প্রক্রিয়াকরণ খাত থেকে আসে।


আইসল্যান্ড একটি স্ক্যান্ডিনেভীয় রাষ্ট্র এবং আধুনিক বিশ্বের বিশ্বের প্রথমদিকের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলির একটি। এর জনসংখ্যার জাতিগত প্রকৃতি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় তেমন পরিবর্তনশীল নয়, বরং সমসত্ত্ব। এ কারণে জিন গবেষকেরা বংশগত রোগ নিয়ে গবেষণা ও এদের চিকিৎসা খুঁজে পাওয়ার লক্ষ্যে অনেক সময় আইসল্যান্ডের লোকদের উপর পরীক্ষা চালিয়ে থাকেন। যদিও আইসল্যান্ডের অধিবাসীরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ইউরোপের মূলধারার সাথে মিশে যাচ্ছে, তা সত্ত্বেও তারা তাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ভাষা ধরে রেখেছে। এখনও বহু গ্রামীণ আইসল্যান্ডীয় অধিবাসী প্রাচীন নরওয়েজীয় পূরাণের নানা দৈত্য-দানব যেমন এল্‌ফ, ট্রোল, ইত্যাদির অস্তিত্বে বিশ্বাস করে। অন্যদিকে শহরের আইসল্যান্ডীয়দের অধিকাংশ নিজেদের দেশকে একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে মনে করতেই পছন্দ করেন।


#gk #generalknowledge #geography #greenland #iceland

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...