এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫

কাস্ট ইন সিটু পাইল VS প্রি কাস্ট পাইলঃো

 কাস্ট ইন সিটু পাইল VS প্রি কাস্ট পাইলঃ


🏗️কাস্ট ইন সিটু পাইলঃ

এটি নির্মাণ স্থলে সরাসরি ড্রিলিং বা বোরিং করে কংক্রিট ঢেলে তৈরি করা হয়।

✔️প্রক্রিয়াঃ

স্থানে মাটি খনন বা বোরিং করা হয়।

স্টিল রিইনফোর্সমেন্ট স্থাপন করা হয়।

পরে কংক্রিট ঢেলে পাইল তৈরি করা হয়।

✔️উপযুক্ততাঃ 

নরম মাটি বা যেখানে মাটির গভীর স্তর খুব শক্ত নয়।

লোড বহনের ক্ষমতা বেশি প্রয়োজন।

✔️সুবিধাঃ

সাইটে কাজের পরিবেশ অনুযায়ী সহজে সামঞ্জস্য করা যায়।

বড় আকারের পাইল তৈরি সম্ভব।

পরিবহন সমস্যার ঝুঁকি নেই।

✔️অসুবিধা:

সময় বেশি লাগে।

কাজের মান সরাসরি সাইটের কাজের দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল।

স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব পড়তে পারে।


🏗️প্রি-কাস্ট পাইলঃ

এটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয় এবং পরে সাইটে নিয়ে এসে মাটিতে স্থাপন করা হয়।

✔️প্রক্রিয়াঃ

কারখানায় কংক্রিট পাইল তৈরি করা হয়।

সাইটে পরিবহন করা হয়।

হ্যামারিং বা ভাইব্রেশন দিয়ে মাটিতে ঢোকানো হয়।

✔️উপযুক্ততাঃ

শক্ত মাটির স্তরে যেখানে পাইল ঢোকানো সম্ভব।

দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে হবে এমন ক্ষেত্রে।

✔️সুবিধাঃ

উচ্চমানের কংক্রিট ও নির্ভুল ডিজাইন নিশ্চিত করা যায়।

সাইটে কাজের সময় কম লাগে।

পুনর্ব্যবহারযোগ্য হতে পারে।

✔️অসুবিধাঃ

পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ।

বড় আকারের পাইল স্থানান্তর কঠিন।

শক্ত পাইল ঢোকাতে ভাঙার ঝুঁকি থাকে।


#naeemcivilnote #construction #engineering #pile৫

ইরাকের বিখ্যাত আলেম মালেক বিন দিনার একবার এক বিশাল মাহফিলে বক্তব্য দিতে দাড়াতেই এক শ্রোতা বলে উঠলেন, আপনার বক্তব্য শুরু করার আগে একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। মালেক বিন দিনার প্রশ্ন করার অনুমতি দিলেন।

 ইরাকের বিখ্যাত আলেম মালেক বিন দিনার একবার এক বিশাল মাহফিলে বক্তব্য দিতে দাড়াতেই এক শ্রোতা বলে উঠলেন, আপনার বক্তব্য শুরু করার আগে একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। মালেক বিন দিনার প্রশ্ন করার অনুমতি দিলেন। বয়স্ক শ্রোতা বললেন, আজ থেকে দশ বছর আগে আপনাকে মাতাল অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছি, আপনি সে অবস্থা থেকে কিভাবে ফিরে এলেন? এবং ওয়াজ করার জন্য এখানে এলেন?


মালেক বিন দিনার কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে রইলেন। তারপর বললেন- ঠিক বলেছেন, আমিই সেই ব্যক্তি। শুনুন তাহলে আমার কাহিনী: এক কদরের রাতে মদের দোকান বন্ধ ছিল দোকানীকে অনেক অনুরোধ করে এক বোতল মদ কিনলাম বাসায় গিয়ে খাবো এই শর্তে। বাসায় ঢুকেই দেখি আমার স্ত্রী নামাজ পড়ছে। আমি আমার ঘরে চলে গেলাম এবং বোতলটা টেবিলে রাখলাম।


আমার তিন বছরের শিশু মেয়েটা দৌড়ে এলো, টেবিলের সাথে ধাক্কা খেয়ে মদের বোতল মাটিতে পরে ভেঙ্গে গেল। অবুঝ মেয়েটি খিলখিল করে হাসতে লাগল। ভাঙ্গা বোতল ফেলে দিয়ে আমি ঘুমিয়ে গেলাম। সে রাতে আর মদ খাওয়া হলোনা আমার। পরের বছর আবার লাইলাতুল কদর এলো। আমি আবার মদ নিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম। বোতলটা টেবিলে রাখলাম। হঠাৎ বোতলটার দিকে তাকাতেই কান্নায় বুক ফেটে গেল। তিন মাস হলো আমার শিশু কন্যাটি মারা গেল। বোতলটা বাইরে ফেলে দিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম। স্বপ্নে দেখছি এক বিরাট সাপ আমায় তাড়া করছে। এতো বড় সাপ আমি জীবনেও দেখিনি। আমি ভয়ে দৌড়াচ্ছি। এমন সময় এক দুর্বল বৃদ্ধকে দেখলাম। বৃদ্ধ আমাকে বলল, আমি খুব দূর্বল এবং ক্ষুধার্ত। এই সাপের সাথে আমি পারবনা। তুমি এই পাহাড়ের ডানে উঠে যাও। পাহাড়ে গিয়ে দেখি দাউদাউ আগুন জ্বলছে। আর পিছনে এগিয়ে আসছে সেই সাপ। বৃদ্ধের কথা মতো ডানে ছুটলাম। দেখলাম সুন্দর একটা বাগান। বাচ্চারা খেলছে। গেইটে দারোয়ান।


দারোয়ান বলল: বাচ্চারা দেখতো এই লোকটিকে? একে সাপটা খেয়ে ফেলবে নয়তো আগুনে ফেলে দিবে। দারোয়ানের কথায় বাচ্চারা ছুটে এলো। তার মাঝে আমার মেয়েটাও আছে। মেয়েটা আমার ডান হাত জড়িয়ে ধরে বাম হাতে থাপ্পর দিয়ে সাপটিকে দূরে ফেলে দিলো। অমনেই সাপ চলে গেল। আমি অবাক হয়ে বললাম: মা তুমি এতো ছোট! আর এতো বড় সাপ তোমায় ভয় পায়?

মেয়ে বলল: আমি জান্নাতি মেয়ে। জাহান্নামের সাপ আমায় ভয় পায়। বাবা! ঐ সাপকে তুমি চিনতে পেরেছো?

আমি বললাম: না মা। আমার মেয়ে বলল: বাবা! এতো তোমার নফস। নফসকে তুমি এতো বেশি খাবার দিয়েছ যে সে আজ এতো বড় এতো শক্তিশালী হয়েছে, সে তোমাকে আজ জাহান্নাম পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে এসেছে।


মেয়েকে বললাম: পথে এক দূর্বল বৃদ্ধ আমাকে এখানে আসার পথ বলে দিয়েছে সে কে?

মেয়ে বলল: তাকেও চিননি? সে তোমার রুহ। তাকে তো কোনদিনও খেতে দাওনি তুমি। সে না খেয়ে এতোই দূর্বল হয়ে পরেছে যে, কোন রকম বেচে আছে।


আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। সেই দিন থেকে আমি আমার রুহকে খাদ্য দিয়ে যাচ্ছি আর নফসের খাদ্য একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছি। চোখ বন্ধ করলেই সেই ভয়াল রুপটি দেখতে পাই আর দেখি রুহকে। আহা! কতো দূর্বল হাটতে পারেনা। ঝরঝর করে কেঁদে ফেললেন মালিক বিন দীনার।


তাই আসুন, নিজের নফসকে হেফাজত করি। নয়তো চিরস্থায়ী হবে জাহান্নাম। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুক। আমীন।

FAR/ Floor Area Ratio কিভাবে বের করবেন

 FAR/ Floor Area Ratio কিভাবে বের করবেন? এখনি হিসাবটা শিখে নিতে পারেন। আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা করি তাদের জানা খুব দরকার।


ধরুন, আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে। ভেবে রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন। টাকা- পয়সা নিয়েও ঝামেলা নেই। কিন্তু আপনি জানেন কি?

আপনি চাইলেও ৫ কাঠা জমিতে ১০ তলা বানাতে পারবেন না রাজউকের নিয়মানুযায়ী। কারন একটা ভবন বানানোর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয়। সেটাকে সেটব্যাক বলে । আমরা শুধুমাত্র FAR নিয়ে আলোচনা করবো আজকে।


FAR জানার সুবিধাঃ

১. FAR জানলে যেকোনো ভালো অফিসে চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যায়।

২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব করতে পারবেন অংক করে।

FAR এর হিসাব করবেন যেভাবেঃ

মনে করি,

ভূমি- ৫ কাঠা,

রোড- ২০ ফুট,

FAR- ৩.৫ ( ইঞ্জিনিয়ারিং বইগুলোতে শুধুমাত্র FAR লিখে কত কাঠার জন্য কত FAR সেটা উল্লেখ থাকে কিন্তু হিসাব থাকে না।

যেহেতু, ভালো চাকরি করতে চাইলে FAR জানতেই হবে।


Maximum Build Area (M.B.A)= Land x Far

= 5 katha x 3.5 (far 3.5)

= 5x(720)x3.5 ( 1 katha=720square ft)

= 3600×3.5

=12600 sqft

Maximum Ground Coverage(M.G.C)- 62.5%

(এটাও লেখা থাকে বইতে কিন্তু যারা পারে না তারা এইসব লেখাকে অনর্থক ভেবে বসে থাকে।)

= 5 katha x 62.5%

= (5x 720) x 62.5%

= 2250 sqft.

Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC

= 12600 / 2250

= 5.6 Floor

Total Floor = Ground floor + 5.6 floor

= 1+ 5.6 floor

= 6.6 floor ( ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা)।


#naeemcivilnote #FAR #engineering #construction #BD

কিয়ামতের ছোট আলামত** # **পর্বঃ ৫৩**

 # **কিয়ামতের ছোট আলামত**

# **পর্বঃ ৫৩**

# **কিয়ামত নিকটে জানার কারণে ইবাদত মানুষের কাছে অতি প্রিয় হবেঃ**

# আবূ হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যাঁর হাতে আমার জীবন আছে সেই সত্তার কসম! অবশ্যই এমন এক দিন আসবে, যেদিন তোমাদের মধ্যে ঈসা ইবনে মারয়্যাম একজন ন্যায়পরায়ণ শাসকরূপে অবতরণ করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে চুরমার করবেন, শূকর নিধন করবেন, জিযিয়া কর বাতিল করবেন, মাল-সম্পদ এত বেশী হবে যে, (দান বা সাদকা) গ্রহণ করার মত লোক থাকবে না। সেই সময় একটি সিজদাহ্ দুনিয়া এবং তার মধ্যে যা কিছু রয়েছে তার থেকেও উত্তম হবে। (অর্থাৎ, কিয়ামত নিকটে জানার কারণে ইবাদত মানুষের কাছে অতি প্রিয় হবে।) এ হাদীস বর্ণনার পর আবু হুরাইরাহ (রাঃ) বললেন, তোমরা ইচ্ছা করলে, ক্বুরআন কারীমের এ আয়াত পাঠ করতে পার, অর্থাৎ, আহলে কিতাবদের মধ্যে প্রত্যেকে নিজ মৃত্যুর পূর্বে অবশ্যই তাঁর প্রতি ঈমান আনবে। (সহীহ বুখারীঃ কিতাবুল আম্বিয়া, ৩৪৪৮; [হাদীস সম্ভার](https://www.hadithbd.com/hadith/chapter/?book=27)ঃ ৩৮৪৬; সূরাঃ নিসা, আয়াতঃ ১৫৯)

#  **সংকলকঃ মোঃ আব্দুল গফুর**

কিয়ামতের ছোট আলামত** # **পর্বঃ ৫৬**

 # **কিয়ামতের ছোট আলামত**

# **পর্বঃ ৫৬**

# **কুরআন সুন্নাহ’র গভীর জ্ঞানী ওলামা হবে কম, আর ইলমে অপরিপক্ক বক্তা হবে বেশিঃ**

# আবু হুরায়রাহ রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেনঃ ‘নিশ্চই তোমরা (আজ এমন এক) জামানায় রয়েছো, (তোমাদেরকে আল্লাহ’র তরফ থেকে) যে হুকুম দেয়া হয়েছে, (তা থেকে) তোমাদের যে কেউ এক-দশমাংশ ছেড়ে দিবে, সে (আখেরাতে) ধ্বংস হয়ে যাবে। এরপর (এমন এক) জামানা আসবে, (যে জামানায় তোমাদের মুসলমানদের অবস্থা এত নাজুক হবে যে, তোমাদেরকে আল্লাহ’র তরফ থেকে) যে হুকুম দেয়া হয়েছে, তোমাদের যে ব্যাক্তি (তার) এক-দশমাংশর উপর আমল করবে, সে নাজাত পাবে’। [সুনানে তিরমিযীঃ ৩/৫৩০ হাদিস ২২৬৭; আল-মু’জামুস সাগীর, ত্বাবরাণীঃ ১১৫৬; আল-কামেল, ইবনু আদীঃ ৭/১৮; ফাইযুল কাদীর, মুনাভীঃ ২/৬৯০ হাদিস ২৫৪২; কানজুল উম্মালঃ ১৪/২৫৪ হাদিস ৩৮৬২৬]


# আবু যর রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেনঃ ‘তোমরা (আজ এমন এক) জামানায় রয়েছো, (যখন তোমাদের মাঝে কুরআন সুন্নাহ’র গভীর জ্ঞানী) ওলামা রয়েছে অনেক, আর বক্তা রয়েছে কম। (এমতাবস্থায় তোমাদের মধ্যে) যে ব্যাক্তি তাতে জেনেশুনে (তার উপরে আদিষ্ট হুকুমের) এক-দশমাংশ ছেড়ে দিবে, সে কুপ্রবৃত্তিগ্রস্থ হয়ে যাবে’, অথবা বলেছেনঃ ‘সে ধ্বংস হয়ে যাবে’। অচিরেই (এমন এক) জামানা আসবে, (যখন কুরআন সুন্নাহ’র গভীর জ্ঞানী) ওলামা হবে কম, আর (ইলমে অপরিপক্ক) বক্তা হবে বেশি। (সে জামানায় অবস্থা এত সোচনীয় হবে যে,) যে (মুমিন) ব্যাক্তি জানা জিনিসের এক-দশমাংশ আকড়িয়ে ধরবে, সে নাজাত পাবে’। [মুসনাদে আহমদঃ ৫/১৫৫; কানজুল উম্মালঃ ১৪/২৫৫ হাদিস ৩৮৬২৯]


# শেষ জামানায় পৃথিবী জুড়ে কা*ফে*র ও মু*না*ফে*ক শাসকরা তাদের অনুসারীদেরকে সহ প্রবল হয়ে উঠবে এবং তারা সমাজে মুমিনদেরকে একেবারে কোণঠাসা করে দিবে, শরীয়তের অত্যাবশ্যক অনেক কিছুই জোর করে মানতে দিবে না বা মানতে বাঁধার সৃষ্টি করবে, বিভিন্ন ভাবে হেনস্ত করবে, অন্যায় অবিচার করবে, জুলুম অত্যাচার চালাবে, এমনকি বিভিন্ন অযুহাতে হত্যাও করে ফেলবে। এমতাবস্থায় কোনো মুনিনের জন্য যদি এক-দশমাংশেষ বেশি শরীয়ত মানা দূঃসাধ্য হয়ে যায়, তাহলে সে ততটুকু মেনেই আল্লাহ কাছে ইস্তেগফার করতে থাকবে। উদাহরণ স্বরূপ, আজ চী*নে লক্ষাধিক মুসলমানকে বন্দি-শিবিরে আটক করে রাখা হয়েছে এবং তাদেরকে জোর করে দ্বীন-ইসলাম ত্যাগ করানোর জন্য মানসিক ও শারীরীক অত্যাচার চালানো হচ্ছে, কেউ রোযা রাখতে চাইলে তাকে পুলিশ ধরে জোর করে রোযা ভাঙ্গাচ্ছে। বিভিন্ন দেশে মুসলীম নারী মাথা কাপড়ে ঢেকে বাড়ি থেকে বেড় হলে পু*লি*শ ধরে নিয়ে যাচ্ছে, জোর করে মাথার স্কার্প খোলানো হচ্ছে, স্কার্প পরিহিত অবস্থায় বিচারক তার সাথে কথা পর্যন্ত বলছে না, আইন করে ছেলে মেয়ে একসাথে সাতার ও গোসল করানো হচ্ছে ইত্যাদি। আমর বিল মা’রুফ ও নাহি আনিল মুনকার পালন-তো আরো দূরের কথা; এটা করতে গেলেইতো ‘সন্ত্রাসী’ লেভেল লাগিয়ে জীবনের বোরোটা বাজিয়ে দেয়া হচ্ছে। উপরোক্ত হাদিসটি বোঝার ক্ষেত্রে এসব পরিস্থিতি সামনে রাখতে হবে। পাইকারী হারে সকল মুমিনের জন্য এই হাদিসের মর্মার্থ প্রযোজ্য হবে না। স্থান কাল পাত্র ভেদে প্রযোজ্য হবে।

# **সংকলকঃ মোঃ আব্দুল গফুর**

আজ থেকে ৬ বছর আগে আমার বিয়ে হয়।

 আজ থেকে ৬ বছর আগে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর সব ভালো চললেও আমি সহবাসে অক্ষম ছিলাম। ওরকম টাইমিং আমার ছিল না। তাই আমার স্ত্রীও আমার উপর সন্তুষ্ট ছিল না। সন্তুষ্ট না থাকলেও ভালোবাসার কোনো কমতি রাখে নি। সে যা চাইতে তাই তাকে দিতাম। যেখানে নিয়ে যেতে বলতো সেখানেই নিয়ে যেতাম। বলতে গেলে তার প্রতি আমি আসক্ত হয়ে গিয়েছিলাম। আমার পরিবারও তাকে খুব পছন্দ করতো। ১ বছর পর আমাদের একটি সন্তান হয়।  কিন্তু শারীরিক চাহিদা পূরন না হওয়ার কারনে সে  অনেক খিট খিটে মেজাজের হয়ে গিয়েছিল। সে প্রতিদনই আমাকে এই বিষয় নিয়ে খোটা দিত। আমার তখন অনেক খারাপ লাগলেও তাকে কিছু বলতাম না। এভাবে চলার পর।  সে তার পরিবার আর আমার পরিবারকে এ বিষয়ে জানায় এবং আমাকে ডিভোর্স এর জন্য জোরাজোরি করে। কারণ সে আর পারছিলোনা। কিন্তু পরিবার ডিভোর্স না দিয়ে ধৈর্য ধরতে বলে ও চিকিৎসা করাতে বলে। পরবর্তীতে অনেক চিকিৎসা করার পরেও কোনো লাভ হয়নি। তারপর সে অনিচ্ছা সত্ত্বেও আরেকজনের সাথে পরকীয়ায় জরিয়ে পরে। প্রায় ১.৫ বছর এ সম্পর্কের পর সে সরাসরি আমাকে ডিভোর্স দেয়। এবং এতে তার পরিবারে সম্মতিও ছিল। আমিও তাকে আর জোর করিনি।  কারণ আমি একজন মেয়ের হোক নষ্ট করতে পারবো না। সে সন্তানকে আমার কাছে রেখে চলে যায়। কিন্তু খারাপ লাগার বিষয় হচ্ছে সে একবারের জন্যেও তার সন্তামকে দেখতে আসেনি। তার কিছুদিন পর সে তার পরকীয়া বিয়ে করে। বিয়ে করার পর জানতে পারে তার ২য় স্বামীর আরেকজন স্ত্রী আছে। সে তখন এই বিষয়ে রাগারাগি করলে নাকি তারা তার উপর হাত তুলে। তারপর থেকেই সে অনিচ্ছা সত্ত্বেও তার সাথে সংসার করে যায়। সংসার এর বেশিরভাগ কাজই তাকে দিয়ে নাকি করাতো। কিছু এদিক ওদিক হলেই নাকি গালি গালাজ করতো। এমন কি তাকে নাকি ডিভোর্সি বলে গালি গালাজ ও করতো। এভাবে ২ বছর সংসার করার পর তার আবারও ডিভোর্স হয়। ২য় ডিভোর্স হবার সে নাকি মানসিক ভাবে খুবই ভেঙে পরে। তার কিছু মাস পর সে আবারও আমার সাথে যোগাযোগ করে।  এবং আমার সাথে সংসার করতে চায়। সে খুব কান্নাকাটি করে আর আমার কাছে ক্ষমা চায়।  সে বলে এত ভালো সংসার থাকার সত্ত্বেও শুধুমাত্র শারীরিক চাহিদার লোভে আমাকে ফেলে চলে যায়। তাই সে সে আবার আমার কাছে আসতে চায়। সে তার সন্তানকে দেখতে চায়।  কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করে দেই।  আমি বলি এই তিন বছরে তো একবারো আমার সন্তানকে দেখতে আসনি। তাহলে এখন আসতে আ

চাইছো কেনো। তার পরিবারও আমাদের সাথে যোগাযোগ করে। কিন্তু আমরা তাদেরকে না বলে দেই। আচ্ছা আমরা কি ঠিক কাজ করেছি??? আমাদের কি তাকে আবার নিয়ে আসা উচিত হবে???? আমি তাকে আর সয্য করে পারি না। আর আমরা সামনে মাসে পুরো পরিবার আমি আমার সন্তান আমার বাবা মা ছোট ভাই সিঙ্গাপুর চলে যাচ্ছি একেবারের জন্য। আমার কি উচিত হবে তাকে আবার নিজের কাছে নিয়ে আসা??? সে তার সন্তানকে আবার দেখতে চাইছে। এখন আমার কি করা উচিত।

কনক্রিট সিলিন্ডার প্রস্তুতি ও বুয়েটে টেস্ট গাইড(শেয়ার করে রাখুন) 

 কনক্রিট সিলিন্ডার প্রস্তুতি ও বুয়েটে টেস্ট গাইড(শেয়ার করে রাখুন) 


১. সিলিন্ডার সাইজঃ

সাধারণত কনক্রিটের কমপ্রেসিভ স্ট্রেংথ পরীক্ষার জন্য আমরা ৬” x ১২” সিলিন্ডার ব্যবহার করি। তবে ৪” x ৮” সিলিন্ডারও ASTM C31/C31M-03 স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী স্বীকৃত।


৪” x ৮” সিলিন্ডারের সুবিধাসমূহঃ

✔️ একই পরিমাণ কনক্রিট দিয়ে ৩টিরও বেশি স্যাম্পল তৈরি সম্ভব

✔️ ৭০% পর্যন্ত কনক্রিট অপচয় রোধ

✔️ বহনে সহজ

✔️ BUET-এ টেস্ট খরচ তুলনামূলকভাবে কম

✔️ স্ট্রেংথে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই


২. কনস্ট্রাকশন সাইটে প্রস্তুতির পূর্বশর্তঃ

⚠️ সাইটেই সিলিন্ডার কাস্ট করতে হবে

⚠️ ড্রাম মিক্সার থেকে প্রয়োজনীয় পানি মিশিয়ে তারপর স্যাম্পল নিতে হবে

⚠️ ৬” x ১২” এর জন্য কোর্স এগ্রিগেট ≤ ৫০mm & ৪” x ৮” এর জন্য ≤ ৩১mm হওয়া উচিত


৩. কাস্টিং প্রসেসঃ

🔸 কম্প্যাকশনঃ রড/ভাইব্রেটর যেকোনো পদ্ধতি (স্ল্যাম্প < ২৫mm হলে ভাইব্রেটর)

🔸 ট্যাম্পিং রড গোল প্রান্তবিশিষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়

🔸 ভাইব্রেটর ব্যবহারঃ প্রতি লেয়ারে ধীরে ধীরে ১০ সেকেন্ডের মতো

🔸 স্যাম্পল ভরার পর বাইরে ১০–১৫ বার টোকা দিন


৪. কিউরিং ও সংরক্ষণঃ

⏱️ ৪৮ ঘণ্টা ছায়াযুক্ত স্থানে সংরক্ষণ

🧪 চুনমিশ্রিত পানিতে ডুবিয়ে রাখুন

✍️ কাস্টিং ডেট, লোকেশন ইত্যাদি খোদাই করে বা মার্কার দিয়ে লিখে রাখুন


৫. বুয়েটে পরীক্ষার জন্য প্রেরণঃ

📦 টেস্টিং ডেটের ১–২ দিন আগে BUET-এ পৌঁছে দিতে হবে

📄 ফরোয়ার্ডিং চিঠি, সিল-গালা করা থাকতে হবে

📝 আবেদনে থাকতে হবেঃ

(১) কাস্টিং ডেট

(২) লোকেশন (বীম, কলাম, পাইল ক্যাপ)

(৩) গ্রীড নম্বর (যদি থাকে)

(৪) মিক্স অনুপাত

(৫) এগ্রিগেট টাইপ (ব্রিক/স্টোন/সিঙ্গেলস)

(৬) দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর নাম ও মোবাইল

(৭) সিলিন্ডারের সাইজ ও সংখ্যা


#ConcreteCylinder #CivilEngineering #BUETTest #ConstructionBD #naeemcivilnote #SitePractice #ASTMStandard #EngineeringGuide #BDProject #FieldToLab #SmartConstruction

এক টাকার লাল কয়েন

 ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে হঠাৎ করেই এক টাকার লাল কয়েন নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। অজানা ও অদ্ভুত কারণেই হু হু করে বাড়তে শুরু করে এক টাকার সোনালি কয়েনের দাম। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, এ ধাতব মুদ্রাটি বিক্রি হতে শুরু করে ৫০-২০০ টাকায়। সারা দেশে বহু সংঘবদ্ধ চক্র এক টাকার সোনালি কয়েন কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। ফলে স্থানীয় দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এক টাকার সোনালি কয়েনের চরম সঙ্কট দেখা দেয়। যে যেভাবে সম্ভব এক টাকার লাল কয়েন সংগ্রহ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা ও মাজারের দানবাক্স খুলে সংগ্রহ করা হয় এ কয়েন। মাটির ব্যাংক ভেঙে খুঁজতে শুরু করে কোথায় আছে লাল কয়েন। স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ সবাই যে যার মতো ফোনে ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে সোনালি কয়েন সংগ্রহ করার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে। রিকশাওয়ালা ও দোকানিরা ২০-৩০ টাকার ভাড়া কিংবা সওদার পরিবর্তে দাবি করেন এক টাকার লালচে কয়েন। কে বা কারা কী কারণে এ কয়েন সংগ্রহ করছে তা বলতে পারছে না কেউ। তবুও দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে লাল কয়েনের কারিশমা। প্রশাসনও লাল কয়েন দৌরাত্ম্য রুখতে অসহায়! রহস্যের জট খোলার আগেই হাট-বাজার থেকে এক টাকার লাল কয়েন গায়েব। যারা লাল কয়েন বিক্রি করছেন তারাও জানেন না লাল কায়েনের মূল্য কত। লাল কয়েনের ক্রেতারাও জানেন না এ কয়েন সংগ্রহ করে তারা কোথায় বিক্রি করবেন। কয়েন নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু হওয়ার আগে চিলে কান নেয়ার গল্পের মতো করে রটে যায় সারা দেশে। কানাঘুষা চলতে থাকে, লাল কয়েন দিয়ে স্বর্ণে ভেজাল দেয়া হয়। ফলে স্বর্ণের খাদ হিসেবে লাল কয়েনের চাহিদা তুঙ্গে। তাই মুনাফার লোভে লোকজন যে যেভাবে পারে লাল কয়েন সংগ্রহ করতে শুরু করে দেয়। আর এভাবেই লাল কয়েন সারা দেশে আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়। কিন্তু পুরো ব্যাপারটি ছিল মিথ্যা এবং যারা উচ্চমূল্যে লাল কয়েন সংগ্রহ করেছেন তাদের কেউই তা অন্যত্র বিক্রি করতে পারেননি।


-সংগৃহিত

আসল শত্রু বাইরের না—আমরা নিজেরাই শত্রু নিজেদের।

 ৪৪টা যুদ্ধবিমান!

তাও পুরোনো, জং ধরা, আধুনিকতার ধারে কাছে না!

আর আমরা লজ্জা না পেয়ে গর্ব করি—"স্বাধীন দেশ!"


ভারত ৫০০টা নিয়ে একসাথে ৫টা ফ্রন্ট সামলাতে পারে,

পাকিস্তান ৪৪৫টা নিয়ে যুদ্ধের জন্য রেডি।

আর আমরা?

দলবাজিতে মাস্টার!

টকশোতে জেনারেল, ফেসবুকে কৌশলী, আর মাঠে? শুনশান শূন্যতা।


আমাদের একটাই স্পেশাল স্কোয়াড—

“Keyboard Battalion”!

পোস্ট দিবে, শেয়ার করবে, “দেশপ্রেম” জাহির করবে—

আর বাস্তবে, একটা গোলা উড়লে পাত্তা নাই!


আসল শত্রু বাইরের না—আমরা নিজেরাই শত্রু নিজেদের।

কারণ আমরা যুদ্ধের জন্য না,

তর্কের জন্য জন্মেছি।


বাচ্চা জন্মের পর স্কুলে ভর্তি হয় না, আগে দল চিনে!

ডাক্তার জীবন বাঁচায় না, দল বাঁচায়!

ইঞ্জিনিয়ার বিল্ডিং বানায় না, বরাদ্দ চিবায়!

আর্মি অফিসারও রাজনীতির ব্যানারে ঝুঁকে পড়ে!


এই তো আমরা—মেধাহীন, পরিকল্পনাহীন, দায়িত্বহীন!

নেতারা গাড়িতে বুলেটপ্রুফ, আর দেশের সীমানা?

একটা ড্রোন আসলেও ধরার কেউ নাই!


একদিন হুট করে আকাশ কালো হবে,

বোমা পড়বে মাথার উপর—

তখন আর পোস্ট দেওয়ার সময় থাকবে না,

তখন বুঝব—"দেশটা ফেসবুক দিয়ে রক্ষা হয় না!"


তখন বুঝব—“বন্ধুদেশ” বলে কিছু নেই,

যার অস্ত্র আছে, তারই দাপট চলে!


এই ঘুম, এই ঢোল-বাজানো দেশপ্রেম,

সব পুড়ে ছাই হয়ে যাবে একটুখানি আগুনে।


আর তখন?

আমরা কাঁদব... কিন্তু কেউ শুনবে না।🙂


© Collected

বাচ্চাদের চুমু দেওয়া ঠিক না।

 বাচ্চাদের চুমু দেওয়া ঠিক না।

সকল শিশুর বাবা-মায়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যেহেতু শিশু আপনার। তাই শিশুর লালন-পালনের দায়িত্ব আপনাদেরই।তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকার জন্য সকল শিশুর বাবা-মায়ের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। 


আপনি কি জানেন, কিছু ভাইরাস শিশুর জন্য মারাত্মক হতে পারে, এমনকি প্রাণঘাতীও হতে পারে? সম্প্রতি (ছবিতে দেখানো )ছোট্ট রিভার্স নামে শিশুর জীবনে ঘটেছে এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা, যা আমাদের সবাইকে সচেতন হওয়ার বার্তা দেয়।


গত সপ্তাহে রিভার্সকে তার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল একজিমা ও ঠোঁটে একটি ছোট লাল দাগের জন্য। প্রথমে চিকিৎসক এটি হ্যান্ড-ফুট-মাউথ ডিজিজ (HFMD) বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু কিছু ঘণ্টার মধ্যেই তার শরীরে দাগগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।


পরবর্তী কয়েকদিন রিভার্স প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়ে, অসহ্য যন্ত্রণায় কাঁদতে থাকে। অবশেষে, তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানালেন, এটি HFMD নয়, বরং এক বিরল এবং ভয়ানক ভাইরাস “একজিমা হারপেটিকাম (Eczema Herpeticum)”।


⚠️ এই ভাইরাস মূলত চুমুর মাধ্যমে ছড়ায়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ, যিনি নিজেও হয়তো জানেন না যে তার শরীরে হারপেস ভাইরাস রয়েছে, তার চুমু থেকেই শিশুর মধ্যে এ ভয়ংকর সংক্রমণ ছড়াতে পারে।


🔴 একজিমা হারপেটিকাম কেন ভয়ানক?

✅ এটি শিশুর মস্তিষ্ক, চোখ, গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করতে পারে।

✅ যদি দ্রুত চিকিৎসা না করা হয়, এটি প্রাণঘাতীও হতে পারে।

✅ শিশুকে বাঁচাতে তাকে IV অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা দিতে হয়।


শিশুদের দেখলে আদর করতে ইচ্ছা করবে এটা স্বাভাবিক, কিন্তু অনুরোধ রইলো— অন্যের শিশুকে চুমু দেবেন না! কারণ আপনার শরীরে লুকিয়ে থাকা ভাইরাস তার জীবনের জন্য হুমকি হতে পারে।


শিশুর সুস্থতার জন্য আমাদের সবাইকে আরও সতর্ক হতে হবে। ছবিতে দেয়া শিশুটির মতো যেন আর কোনো শিশু এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার না হয়। সবাই সচেতন হোন, শিশুদের নিরাপদ রাখুন!


শেয়ার করুন, যেন সবাই এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি জানতে পারে!

কপি পোস্ট

#copied #collected #viralpost2025シ

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...