এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫

পাখি পাকা পেঁপে খায়" ছাড়াও আরো অনেক বাক্য আছে! আসুন ঝটপট পড়ে ফেলি :

 "পাখি পাকা পেঁপে খায়" ছাড়াও আরো অনেক বাক্য আছে!

আসুন ঝটপট পড়ে ফেলি :


★ বাবলা গাছে বাঘ উঠেছে

★ গম আর চিনা

★ চাচি তুমি চাঁছা চটা চেঁছ না আচাঁছা চটা চেঁছ

★ লোহার রেলগাড়ী

★ হাঁসের ঠোঁট চ্যাপ্টা, মুরগির ঠোঁট চুক্কা

★ হরলালের রেলগাড়ি

★ তেলে চুল তাজা জলে চুন তাজা

★ সুঁচে সুতো ছাতে ছুঁচো

★ লারা রোড রোলারে লর্ডসে যায়

★ কাকেরা কা কা করিয়া কাকে কাকা কইছে

★ কাঁচা পেঁপে, পাকা পেঁপে

★ নলিনী লালনের নোলক নাকে তাল তাকে থাক কাক তাকে খাক

★ পাতে পটল পড়লেও পড়তে পারে

★ পাখি পাকা পেঁপে খায়

★ বারো হাঁড়ি রাবড়ি বড় বাড়াবাড়ি

★ কাঁচা গাব, পাকা গাব

★ লীনা নিল, নীলা লীলা নিল না

★ নেরু রেনুর কান টানে, রেনু নেরুর নাক টানে

★ বাঘার বাড়ি বাবার গাড়ি

★ লরির ওপর রোলার

★ টাকে কাক, তাকে কাপ

★ লেনিন নিলেন লিনেন, লিনেন লেনিন নিলেন, নিলেন লেনিন লিনেন

★ গাছ কাটা কাটা খাঁজ, খাঁজ কাটা কাটা গাছ

★ করলার কলে বাড়ে কলেরার কলরব

★ শ্যমবাজারের শশী বাবু সকাল বেলায় সাইকেল চড়ে শশা খেতে খেতে সশরীরে স্বর্গে গেলেন

★ পাখি কাঁপে ফাঁদে, পাপী কাঁদে ফাঁকে

★ এক আনায় আনা যায় কত আনারস

★ মালির মাথায় মালার ডালা, মালার হাতে মালির মালা

★ রণে রাণী লড়ে, লনে নারী নড়ে

★ মাসি মারে মশা, মেসো মারে মাছি

★ অস্ট্র উষ্ট্রের সাথে অষ্ট অশ্ব

★ লালুর লড়াই রাবড়ি লড়েন

★ নানিরে পান দিই, চুন দিই

★ লাল ল্যানোলিন, নীল ল্যানোলিন

★ দুর্যোধন জর্দা খেয়ে দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়

★ রোমা রল্যা লেড় খায়

★ চাচায় চা চায়, চাচি চেঁচায়

★ লালু লালা নিলী লিলি লীলা লীনা

★ মনাকে মনার মা মানা করেছে, মনা মায়ের মানা না শুনে চলে গেছে

★ চল চপলার চকিত চরণে করিছে চরণ বিচরণ

★ কত না জনতা জানাল যতনে যতনে

★ লীলা নিলি নালা নালী

★ কালুদের কুচকুচে কালো কুকুর কাল কচুরিতে কামড় দিয়েছিল

★ টিপুর টুপি টুপুর টাকে, টুপুর টাকা টিপুর ট্যাঁকে

★ উৎকটকটমহাশঙ্করকিটকিটাম্বররায়চৌধুরী 

★ লালা রি লোলা রি লিলারি লালারি লু

★ পাঁক পুকুরের পশ্চিম পাড়ের পাঁচু পাইন পাঁচটি পুলিশ কে পটিয়ে পাঁচটি পাইপ পুঁতিল

★ হেলিকপ্টারের প্রোপ্রাইটারের প্রপিতামহ প্রপেলারের চোটে পটলপ্রাপ্ত

★ গড়ের মাঠে গরুর গাড়ি গড় গড়িয়ে যায়

★ চারুচন্দ্র চক্রবর্তী চটি জুতো চরণে জড়ায়ে চট্টগ্রাম চলে গেছে

★ লাল গরুর লাল রান

★ রুলারে লড়াই

★ কে কোণে কাঁটা পুঁতে, কানা কোণে কাঁটা পুঁতে, কেন কানা কোণে কাঁটা পুঁতে, পুঁতে দেখুক  না কানা কোণে কাঁটা

★ মিতা আটা হাতে আতা কাটে

★ বাঁশের বাঁশি, বাঁশের কাঠি, কাঠের বাঁশি, কাঁসার বাটি

★ ভাত আর নেব না

★ মাচার তলে গুড়ের হাড়ি,

গুড় উঠাই গুড় খাই

★ চাচা চেঁচায়, চাচি চেঁচায়, চাচা চাচি এত চেঁচায়, চামিলি চমকে যায়

অর্গানিক ফার্মিং: অল্প পুঁজি, বিশাল সম্ভাবনা!

 অর্গানিক ফার্মিং: অল্প পুঁজি, বিশাল সম্ভাবনা!


বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে অর্গানিক খাদ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এই সুযোগে খুব কম পুঁজিতে অর্গানিক চাষাবাদের মাধ্যমে আপনি মাসে ৫০,০০০–২০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। এটি একটি সম্মানজনক, পরিবেশবান্ধব ও লাভজনক ব্যবসা।


কেন অর্গানিক ফার্মিং করবেন?


বাজারে অর্গানিক খাদ্যের উচ্চ চাহিদা


রাসায়নিকমুক্ত চাষাবাদ হওয়ায় পরিবেশবান্ধব


তুলনামূলক কম পুঁজিতে শুরু করা যায়


কম প্রতিযোগিতা, বেশি লাভের সুযোগ


স্টার্টআপ প্ল্যান (পরিকল্পনার ধাপ):


ধাপ ১: চাষের পণ্য নির্বাচন করুন


শাকসবজি (লেটুস, পালং শাক, পুঁই শাক)


ফলমূল (পেঁপে, কলা, লেবু)


ভেষজ গাছ (তুলসী, অ্যালোভেরা)


ধাপ ২: জমি নির্বাচন


৫–১০ কাঠা জমিতে শুরু করতে পারেন


জমি নিজের না হলে ভাড়া নিতে পারেন


ধাপ ৩: প্রাকৃতিক উপায়ে মাটি প্রস্তুত করুন


গোবর সার, কম্পোস্ট সার ব্যবহার করুন


জমিতে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করবেন না


ধাপ ৪: প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ


ভালো মানের বীজ


জৈব সার (কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্ট)


পানি সরবরাহের ব্যবস্থা (সেচ)


আনুমানিক খরচের হিসাব:


জমি ভাড়া: ৫,০০০–১৫,০০০ টাকা (মাসিক)


বীজ ও সার: ১০,০০০–২০,০০০ টাকা


সেচ ও অন্যান্য: ৫,০০০–১০,০০০ টাকা


মোট প্রাথমিক খরচ: ৩০,০০০–৫০,০০০ টাকা


মাসিক আয় ও লাভ:


উৎপাদন শুরু: ২–৩ মাসের মধ্যে


প্রতি মাসে ফসল বিক্রি করে আয়: ৫০,০০০–১,৫০,০০০ টাকা


লাভ থাকবে আনুমানিক ৪০–৬০% পর্যন্ত


কোথায় বিক্রি করবেন?


স্থানীয় বাজার


সুপারশপ ও অর্গানিক ফুড স্টোর


অনলাইন প্লাটফর্ম (Facebook Page, Instagram)


অতিরিক্ত টিপস:


অর্গানিক ফার্মিংয়ের প্রশিক্ষণ নিন (DOF, PKSF, BRAC)


আপনার পণ্যের ব্র্যান্ডিং করুন (প্যাকেটিং ও লোগোসহ)


গ্রাহকদের ফার্ম ভিজিটের সুযোগ দিন—বিশ্বাস তৈরি হবে


অর্গানিক ফার্মিং শুধু একটি ব্যবসা নয়, এটি একটি স্বাস্থ্য সচেতন আন্দোলন। আপনি চাইলে নিজের ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকেই বিশাল সাফল্যের গল্প তৈরি করতে পারেন।


#অর্গানিক_ফার্মিং #স্বাস্থ্যকর_খাদ্য #GreenBusiness #AgriStartup #GlobalTravelMates #EntrepreneurBD

ছাগল পালন করে আয় করুন সঠিক জাত বেছে নিয়ে!

 🐐 ছাগল পালন করে আয় করুন সঠিক জাত বেছে নিয়ে!


আপনি কি ছাগল পালন করে লাভের কথা ভাবছেন? নিচের লাভজনক জাতগুলো সম্পর্কে জেনে নিন, যা বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে সহজলভ্য এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল:


🇧🇩🇮🇳🇵🇰 বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের সেরা ছাগলের জাত

1️⃣ ব্ল্যাক বেঙ্গল (Black Bengal)


বৈশিষ্ট্য: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, মাংস ও চামড়া উৎকৃষ্ট।


ওজন: পুরুষ ২০-৩০ কেজি, মাদী ১৫-২৫ কেজি।


লাভ: কম খরচে দ্রুত বাজারজাত করা যায়।


2️⃣ জামুনাপারি (Jamunapari)


বৈশিষ্ট্য: লম্বা পা, দুধ ও মাংস উভয়ের জন্য ভালো।


ওজন: পুরুষ ৫০-৯০ কেজি, মাদী ৩৫-৬০ কেজি।


লাভ: উচ্চমূল্যের ব্রিড, বিদেশে রপ্তানির সুযোগ।


3️⃣ বিটাল (Beetal)


বৈশিষ্ট্য: বড় আকার, দুধ উৎপাদন ভালো।


ওজন: পুরুষ ৫০-৮০ কেজি, মাদী ৩৫-৬০ কেজি।


লাভ: স্থানীয় চাহিদা বেশি, দাম ভালো।


4️⃣ বারবাড়ি (Barbari)


বৈশিষ্ট্য: ছোট আকার, দ্রুত বেড়ে ওঠে।


ওজন: পুরুষ ৩৫-৫০ কেজি, মাদী ২৫-৩৫ কেজি।


লাভ: শহুরে বাজারে জনপ্রিয়।


5️⃣ বোয়ার (Boer - বাংলাদেশে এখন চাষ হচ্ছে!)


বৈশিষ্ট্য: দক্ষিণ আফ্রিকান এই জাত দ্রুত বাড়ে, মাংসের জন্য সেরা।


ওজন: পুরুষ ৯০-১৩৫ কেজি, মাদী ৭০-১০০ কেজি।


লাভ: উচ্চ মাংস উৎপাদন, বাণিজ্যিক খামারের জন্য আদর্শ।


✅ ছাগল পালনের লাভ

কম জায়গায় বেশি লাভ: গরু/মুরগির তুলনায় কম জায়গা লাগে।


দ্রুত রিটার্ন: ৬-১২ মাসেই বিক্রি করা যায়।


বহুমুখী আয়: মাংস, দুধ, চামড়া ও বাচ্চা বিক্রি।


⚠️ সতর্কতা

জাত বাছাই করুন স্থানীয় জলবায়ু অনুযায়ী।


বোয়ার ছাগল পালনে বিশেষ যত্ন নিন: উন্নত খাদ্য ও বাসস্থান ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।


খাদ্য ও চিকিৎসার খরচ আগেই হিসাব করুন।


📢 আপনার এলাকায় কোন জাতটি ভালো হবে? কমেন্টে জানান, আমরা সাহায্য করব!

🔄 শেয়ার করুন যারা ছাগল পালনে আগ্রহী তাদের সাথে!


#ছাগল_পালন #লাভজনক_খামার #গোঠাল_পরিচালনা #বোয়ার_ছাগল


🎯 এই পোস্টটি কেন শেয়ার করবেন?


ছাগল পালন শুরু করতে চান এমন নতুন খামারিদের সাহায্য হবে।


বাংলাদেশে বোয়ার ছাগল পালনের আধুনিক তথ্য পাবেন।


স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী সঠিক জাত বেছে নেওয়ার গাইডলাইন পাবেন।


👉 নিজের খামার শুরু করার আগে একজন ভেটেরিনারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন!

অনুপ্রেরণা.... 

 অনুপ্রেরণা.... 


জীবন পরিবর্তন ১৮ ঘন্টা বা ১৮দিন কিংবা ১৮ মাসে হয় না। ১৮ বছর লাগে।  তাই শর্টকাট ভুলে শোভার আত্মজীবনীটা পড়ে দেখুন, চোখের জল ধরে রাখতে পারবেন না।

আপনি অন্তত এর থেকে ভালো থাকলে আলহামদুলিল্লাহ্‌ বলুন।

অদম্য মেধাবী মুখ 

ঠিকানাহীন মেয়েটার ঠিকানা হলো বুয়েটে 


আমি মায়ের গর্ভে থাকতেই বাবা মারা যান। ফলে জন্মের পরপরই লোকের কাছে ‘অপয়া’ ছিলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন মা মামার বাড়ি গেলেন। আমার দিদিমাও মারা গিয়েছিলেন। পরে দাদু দ্বিতীয় বিয়ে করেন। যে কারণে মামাবাড়িতেও এক ধরনের আগন্তুকের মতো ছিলাম। স্থানীয় একটা স্কুলে দপ্তরির কাজ করতেন মা। তত দিনে আমি অ আ ক খ শিখে ফেলেছি। সেই সময়কার একটা ঘটনা মনে আছে। একটা জামা বা কী যেন কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরেছিলাম। মায়ের হাতে পয়সা নেই। পরে ঘরের মুরগির ডিম বিক্রি করে সেটা কিনে দিয়েছিলেন। এটা জানতে পেরে মামা রাগ করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেছিলেন। একটা পোঁটলা আর আমাকে নিয়ে মা বাড়ি ছাড়লেন। বাইরে তখন তুমুল বৃষ্টি। মায়ের চোখে জল। কোথাও যাওয়ার মতো জায়গা যে আমাদের নেই!


দিদিমার নিজের চলাই দায়


উপায়ান্তর না দেখে মা তখন তাঁর পিসির বাড়িতে গেলেন। কিন্তু তাঁদের সংসারেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দুই-তিন মাস পর মায়ের একটা কাজ জুটল। কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ। সেই বাড়িতে রান্নাঘরের পাশে ছোট্ট একটা রুমে আমরা থাকতাম। সেখানে বেগমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন বাড়িওয়ালা বললেন, ‘কাজ করে একজন। খায় দুজন। তোমার মেয়েকে কেন রাখব?’ এক পর্যায়ে সেই বাসাও ছাড়তে হলো।


কিন্তু কোথায় যাবে মা?


অনন্যোপায় হয়ে আবার গন্তব্য মামাবাড়ি। অনুনয়-বিনয়ের পর মামার দয়া হলো। সেখানে একটা স্কুলে ক্লাস ফোরে ভর্তি হলাম। তত দিনে কোনো কাজ জোগাড় করতে পারেননি মা। ফলে মাস দুয়েক পর আবার মামার বাড়ি ছাড়তে হলো। এবারও শেষ ঠিকানা মায়ের সেই পিসির বাড়ি। পরে মা সেই বাড়িতে আমাকে রেখে কুমিল্লা চলে গেলেন। এক বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ পেলেন। মা যে বাসায় কাজ করতেন বছরখানেক পর তারাও অন্যত্র চলে যায়। ফলে মা আবার গ্রামে ফেরেন।


আবার বিয়ের পিঁড়িতে


তখন অবস্থা এমন যে মামার বাড়িতেও আমাদের ঠাঁই নেই, দিদিমণির বাড়িতেও থাকার উপায় নেই। এদিকে আমি বড় হচ্ছি। মা-মেয়ের স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। আজ এখানে তো কাল ওখানে। ফলে প্রতিবেশীরা চাচ্ছিল মাকে আবার বিয়ে দিতে। কিন্তু মা রাজি ছিলেন না। অনেকে বোঝানোর পর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবেই রাজি হলেন। তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। বিয়ের পর কুমিল্লা থেকে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে চলে আসি। সেখানে আদর্শ কিন্ডারগার্টেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। পিএসসি পাসের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। কয়েক শ শিক্ষার্থীর মধ্যে আমিসহ মাত্র ১২০ জন ভর্তির সুযোগ পেল। স্কুলের কাছেই ছিল নিউ অক্সফোর্ড কোচিং সেন্টার। সেখানে দিদার স্যার এবং পার্থ স্যার অল্প টাকায় আমার পড়ার ব্যবস্থা করলেন। স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম হয়েছিলাম!

বাবা ছিলেন উদাসীন


তাঁর সহায়-সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। চায়ের দোকানে কাজ করতেন। একদিন কাজ করলে দুই দিন বসে থাকতেন। ছোট্ট এক রুমের ভাড়া বাসায় উঠিয়েছিলেন আমাদের। ঠিকমতো চাল-ডাল আনতেন না। ঘরভাড়াও বাকি পড়ত। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়াঝাঁটি হতো। একটু উচ্চবাচ্য করলেই মায়ের ওপর চলত নির্যাতন। পড়ার টেবিলে বসে আমি কাঁদছি। চোখের জলে বইয়ের পাতা ভিজে গেছে কত দিন! খাবারদাবার বা অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে শুধু প্রার্থনা করতাম, আমাকে এমন একটা পরিবেশ দাও যেন একটু পড়তে পারি। জীবনে আর কিছুই চাই না। শুধু পড়াশোনা করতে চাই!


টিউশনি শুরু করলাম


তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তাম। খাবার, পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সব কিছু মাকেই জোগাড় করতে হতো। স্থানীয় একটা কারখানায় আচার, চকোলেট ইত্যাদির প্যাকেট বানাতেন মা। আচারের এক হাজার প্যাকেট বানালে ৩০ টাকা পেতেন। আমি এলাকার কয়েকটা বাচ্চাকে পড়ানো শুরু করলাম। সপ্তাহে সাত দিন।

মাসে একেকজনের কাছ থেকে ৫০-১০০ টাকা করে পেতাম।


জীবনে কোনো দিন অপচয় করেছি বলে মনে পড়ে না। যতটুকু লাগত তার চেয়ে কম বৈ বেশি চাইনি। দিন দিন পড়াশোনার খরচ বাড়ছিল। আমাদের এমন করুণ অবস্থার কথা স্কুলে তখনো জানত না। স্কুলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েরা পড়ে। সব সময় মনে হতো তারা জানলে কী ভাববে।


চোখের জল ফুরাত না


জেএসসি পরীক্ষার রাতগুলোও খুব কষ্টের ছিল। বাবা প্রায়ই এসে ঝগড়া করতেন। রাতে ঘুমাতে যেতাম কাঁদতে কাঁদতে। সকালে উঠে কোনো মতে পরীক্ষার হলে যেতাম। এসবের মধ্যেও পড়তে চেষ্টা করতাম। জেএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেলাম। বৃত্তিও পেলাম। নবম শ্রেণিতে চেয়েছিলাম কমার্সে পড়তে। কারণ বিজ্ঞানে পড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য নেই। পরে স্যাররা পাশে দাঁড়ালেন। বললেন, তুমি বিজ্ঞানেই পড়বে। নবম ও দশম শ্রেণিতে ক্লাসে প্রথম হয়েছিলাম।


ভেবেছিলাম আর হবে না


ক্লাস নাইনে ওঠার পর ভেবেছিলাম, আর পড়াশোনা করব না। এমন পরিস্থিতি কত সহ্য করা যায়? আগে তো বাঁচতে হবে। একদিন বইপত্র সব বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলেছি। মাকে বললাম—চলো, যাই। কিন্তু প্রতিবেশীরা তখন বুঝিয়েছে। কোচিং সেন্টারের স্যাররাও বলেছেন, কষ্টসৃষ্টে এই স্কুল থেকেই এসএসসি শেষ করো। ফলে আবারও সৎবাবার ঘরে ফিরে গেলাম।

দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন খবর পেলাম, আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে একটা বৃত্তি এসেছে। ক্লাসে দাঁড়িয়ে ম্যাডামকে বললাম, বৃত্তিটা পেলে খুব উপকার হবে। বৃত্তিটা পেলাম। এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস এবং বৃত্তি পেয়েছি। এসএসসিতে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগের রাতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাবা ঘর থেকে বের করে দেন। রাতভর কিছুই পড়তে পারিনি। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে ৯৮ নম্বর পেয়েছিলাম। এসএসসিতে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও উচ্চতর গণিতে আমার গড় নম্বর ছিল ৯৮.৯১।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনও একই ঘটনা ঘটল। তখনো ভেবেছিলাম, আর নয়। কোচিং সেন্টারের স্যাররা আবার বোঝালেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হলাম। তখন একটা বেসরকারি ট্রাস্ট থেকে অদম্য মেধাবী হিসেবে বৃত্তি পেলাম।


অবশেষে ঘর ছাড়লাম


এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে শহরে একটা মেসে উঠলাম। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কেন্দ্রবিন্দু একাডেমিক কেয়ারে বিনা পয়সায় কোচিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। তারা বৃত্তি দিত। টিউশনি করতাম। অপুষ্টি, ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলে মা তত দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিডনি, মেরুদণ্ডের সমস্যাসহ নানা রকম জটিলতায় ভুগছিলেন। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি মাসে আড়াই হাজার টাকার মতো মায়ের চিকিৎসার পেছনে খরচ হতো। এসবের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা হলো।


এবার ভর্তিযুদ্ধে

এইচএসসি পরীক্ষার আগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন একটা পরীক্ষার আয়োজন করেছিল। সেখানে নির্বাচিত হয়ে বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ও হোস্টেলে থাকার সুযোগ পেলাম। সেই থেকে ঢাকায় হোস্টেল জীবন। এর মধ্যে ঈদ আসে, পূজা আসে। সবাই নিজ নিজ বাড়ি যায়। কিন্তু আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই! মন খারাপ হতো। কিন্তু আবার নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আমাকে হতেই হবে।

মা তখনো কাঁদছিলেন

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফরম পূরণ, যাতায়াতসহ সব খরচ দিয়েছিল মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। তারা মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। যাহোক বুয়েট, ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, বুটেক্সসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। সব কটিতে মেধাতালিকায় প্রথম দিকে আছি। ২৫ নভেম্বর বুয়েটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হলো। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। খবরটা জেনে সবার আগে মাকে ফোন করেছি। মুঠোফোনের অন্য প্রান্তে মা তখনো কাঁদছিলেন। তবে এ কান্না আনন্দের!


আমার জীবন একটা কষ্টের সাগর


প্রতিমা রানী দাশ শোভার মা

বাচ্চাটারে নিয়ে অনেক কষ্ট করছি। কোনো মতে ডাইল-ভাত খাইয়া বাচ্চাটারে দাঁড় করাইচি। ম্যালা জায়গায় কাজ করচি। বাবারে তোমারে কী কমু, মালিকেরা তো বেশি ভালা না। মাইয়া মানুষ কোন জায়গায় নিরাপদ? পরে বিয়া কইরা যার কাছে আইছি হেও কষ্ট দিছে। তাও ভাবছি, যতই কষ্ট হউক শোভারে পড়ামু। বাচ্চাটা টিফিন খাইব। দিমু যে দুইডা টাকা, হেই সামর্থ্য আছিল না। আমার জীবনটা একটা কষ্টের সাগর। আমি তো কষ্ট পাইছি। শোভাও প্রচুর কষ্ট পাইছে। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাইনসের ঋণ শোধ করতে পারুম না।


সূত্র: কালের কণ্ঠ(২০২০)

পটুয়াখালীতে সাংবাদিকতার আড়ালে চলছে ভয়ংকর মিডিয়া ট্রাইল ও চাঁদাবাজি এবং প্রতারনা !,,,, পটুয়াখালীর খবর ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পটুয়াখালীতে সাংবাদিকতার আড়ালে চলছে ভয়ংকর মিডিয়া ট্রাইল ও চাঁদাবাজি এবং প্রতারনা !

এই দলের প্রধান ভুয়া সংবাদিক আব্দুস সালাম আরিফের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হচ্ছে মেহেদী।

যে ভূগোল মেহেদী নামে পরিচিত এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার একদফা আন্দোলনে পটুয়াখালী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ও ঝাউতলার ফোর লেনে  ছাত্র জনতার উপর রামদা হকিস্টিক লাঠি নিয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালায়। 

সেই সকল ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ইতিমধ্যেই ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে।

তাদের প্রটোকল ও ভিডিও ধারন করে প্রচারের দায়িত্বে ছিল ছামাদ আরিফ ও তার সহযোগীরা।


তাদের আরেক সদস্য রায়হান 

'পটুয়াখালীবাসী' নামে একটি ফেইসবুক নাম সর্বস্ব সংগঠন খুলে দুস্থ অসহায় ব্যাক্তি দের বিভিন্ন সহায়তা দেয়ার কথা বলে দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন ব্যক্তিদের ফোন কল করে রায়হান ইমোশনাল কথাবার্তা বলে পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের নামে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে।

 মূলত রায়হান সামাজিক সংগঠনের নামে বিভিন্ন লোকের থেকে টাকা সংগ্রহ করে,

 সেই সমস্ত  টাকা আব্দুস সালাম আরিফ ও রায়হান এবং গোপাল হাওলাদার আত্মসাত করে আসছে।

রায়হান একজন মোবাইল দোকানের কর্মচারী হয়েও পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের নামেও চালিয়ে যাচ্ছে চাঁদাবাজি ও প্রতারণা।

 তাদের বিলাস বহুল জীবন যাপন দেখলে মনে হবে  কোটিপতি ব্যবসায়ী কিন্তু তাদের নেই কোন ধরনের বৈধ ইনকাম।


 এখানেই শেষ নয় এর বাইরেও সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে  পক্ষ বিপক্ষে মনগড়া সংবাদ পরিবেশন ও সাংবাদিকতার নামে দলবেঁধে ভাড়ায় গিয়ে হুমকি ধামকি এবং পক্ষে বিপক্ষে নিউজ প্রকাশ করে অর্থ আদায় করাই এই সকল ভূয়া সাংবাদিকের একমাত্র পেশা।

 

তারা সকলেই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ও পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতার কারনে বিএনপির বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রাইল পরিচালনার দায়িত্বে আছে এরা।

সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমপক্ষে ১৫ থেকে২০ জনের একটি সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ দল রয়েছে এই কাজে। 

তারা কথিত হলুদ সাংবাদিক আব্দুস সালাম আরিফ নির্দেশনায় ও পরিচালনায় মাইক্রোবাস, মটরসাইকেল বহর নিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে চষে বেড়াচ্ছে পটুয়াখালীর শহরের বিভিন্ন এলাকা। 

এই ভয়ংকর মিডিয়া প্রতারকরা অপকর্ম চাঁদাবাজি করতে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে জনতার হাতে বিভিন্ন সময়ে ধরা পড়ে,

 তবে তাদের দলের প্রধান ভুয়া সংবাদিক ছামাদ আরিফ তাদেরকে অদৃশ্য কোন শক্তির মাধ্যমে তাদেরকে বার বার রক্ষা করে আসছে। 

এদের দৌরাত্ম্যে এখন জেলা থেকে থানা ও গ্ৰাম পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। 


কেউ এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাদের নামে মাদক ব্যবসায়ী কিংবা জমি দখল করছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে সাংবাদ করা হবে, এমন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। 

 তাদের দলের আরেক ভূয়া সাংবাদিক গোপাল হাওলাদার

তার বাড়ি মির্জাগঞ্জে, বর্তমানে সবুজবাগ এলাকার সে একজন ভাড়াটিয়া টোকাই। 

এই গোপাল হাওলাদার ভূয়া সাংবাদিক ছামাদ আরিফকে বাবা বলে ডাকে এবং ছামাদ আরিফের খুঁটির জোরে বিভিন্ন ব্যক্তিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যেই। 


এদের বিরুদ্ধে

 "পটুয়াখালীতে চাঁদাবাজ ক্লাবের নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চলছে" 

এমন একটি পোষ্টে, 

 তোদের নামে মাদক ও জমি দখলের নিউজ হবে অপেক্ষা কর"  

 কমেন্টে এমন হুমকি-ধামকি দিতে দেখা যায় প্রতিনিয়ত।


পটুয়াখালীতে ক্ষমতাবান ও অবৈধ অর্থের মালিক যারা রয়েছেন তাদের কাছ  থেকে অর্থের বিনিময়ে সমাজে তাদের মানবতার ফেরিওয়ালা বলে পরিচয় করিয়ে দেয়া এবং তাদের বিপক্ষের লোকজনকে মিডিয়া ট্রাইল করে মানহানি করে আসছে এই ছামাদ আরিফ, গোপাল হাওলাদার এবং রায়হানরা। 


বিগত দিনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য থাকলেও বর্তমানে কখনো জামায়াতে ইসলামী আবার কখনো বিএনপি বেশে  আবার কখনো গনঅধিকার পরিষদের নেতা বলে নিজেদের দাবি করে আসছিলো।


তবে নিষিদ্ধ  ছাত্রলীগের এই সদস্যদের আসল চরিত্র কোনটা..?

 সেটা বুঝাতে পারা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের পক্ষে।

ইতিমধ্যেই আব্দুস সালাম আরিফ, রায়হান, গোপাল হাওলাদার বিগত সময়ের আওয়ামী ছাত্রলীগের সাথে সম্পর্কিত সকল নিউজ ডিলিট করে দিয়ে নতুন রুপে বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের ম্যানেজ করতে তারা সদা তৎপর রয়েছে।

'তারা  হচ্ছে বর্তমানে পটুয়াখালীর ভয়ংকর সাংবাদিক!

 বিগত ও বর্তমান সময়ে যারা পটুয়াখালীতে দুর্নীতি অপকর্ম করেছে তাদের সম্পর্কে জনগন অবগত থাকলেও ছামাদ আরিফ, গোপাল হাওলাদার ও রায়হানরা দালালির মাধ্যমে উল্টো  তাদের দুর্নীতি অপকর্ম ঢেকে তাদের সাদা করার চেষ্টায় থাকেন টাকার বিনিময়ে। 


তারা এক একজন ডিজিটাল দালাল ও চাঁদাবাজ এবং প্রতারক। 


তাদের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী গডফাদারা পালিয়ে যাওয়ার পর নতুন রাজনৈতিক নেতাদের তেল মেরে ক্ষমতাবানদের ম্যানেজ ও তাদের দোহাই দিয়ে চলছে তাদের চাঁদাবাজি ও তদবির বানিজ্যে। 


মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের ফেসবুক পেজ থেকে বিভিন্ন সম্মানীত ব্যাক্তিদের চরিত্র হরন করে আসছে বিগত দিন থেকেই।

এদের বিশাল নেটওয়ার্কের কাছে অসহায় আজ পটুয়াখালীর সাধারণ মানুষ। 


এদের থেকে মুক্তি পেতে চায় পটুয়াখালীর সচেতন সমাজ।


পটুয়াখালীর ভুক্তভোগীরা পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাংবাদিক নামধারী  এই সকল চাঁদাবাজ, প্রতারক এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে  মুক্তি পেতে চায় পটুয়াখালীর সাধারণ মানুষ।


বিগত বছরগুলোতে এদের সাথে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসরদের সাথে সম্পৃক্ততা এবং ঘনিষ্ঠতার অসংখ্য ছবি থেকে কিছু ছবি পোষ্টে ও কমেন্টে তুলে ধরা হলো। 


তাছাড়া নিচে দেয়া লিংকে ক্লিক করে দেখতে পাবেন এদের নিয়ে আগের একটি রিপোর্ট। 

দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন https://www.facebook.com/share/p/16JDkmGMh8/

মৌমাছির জগতে এক গভীর রহস্য লুকিয়ে আছে—

 মৌমাছির জগতে এক গভীর রহস্য লুকিয়ে আছে—

যখন একটি মৌচাকে রানী মৌমাছি মারা যায়, সব কিছু থেমে যায়।

রানীই ছিল প্রাণের উৎস। তারাই ডিম দিতো, সমাজকে গড়ে রাখতো।


তার মৃত্যু মানে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

কিছু দিনের মধ্যেই পুরো মৌচাক ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়।


কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়—

এই ছোট ছোট পোকারা তখন হতাশ হয়ে বসে থাকে না।

তারা বাইরে থেকে কোনো সাহায্যের অপেক্ষাও করে না।


বরং, তারা শুরু করে এক অবিশ্বাস্য রূপান্তর।

একটি সুনিয়ন্ত্রিত সমাজের মাঝে জেগে ওঠে তীব্র বুদ্ধিমত্তা ও চেতনাবোধ।

একটি সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে, তারা নেয় এমন একটি সিদ্ধান্ত,

যা অনেক মানুষের কাছেও কল্পনার বাইরে।



◆ এক সাধারণ লার্ভা, এক অসাধারণ সিদ্ধান্ত


সব কাজের মৌমাছিরা মিলে বেছে নেয় কিছু সাধারণ লার্ভা।

যারা স্বাভাবিক নিয়মে বড় হলে হতো কেবল একজন সাধারণ কর্মী।

তারা কোনো বিশেষ বংশধর নয়, কোনো জিনগত শ্রেষ্ঠত্বও নেই তাদের।


তবুও… তাদের ভাগ্য বদলে যায়।

তাদের খাওয়ানো হয় এক বিশেষ খাদ্য—রয়্যাল জেলি।

এটি এক অনন্য উপাদান, যা কেবল সুস্থ মৌমাছিরাই তৈরি করতে পারে।

এই খাদ্যে থাকে প্রোটিন, ভিটামিন, জীবন্ত সক্রিয় উপাদান।

সত্যিকার অর্থেই রাজকীয় খাবার।


এই খাবারে বড় হতে হতে সেই লার্ভার শরীর বদলে যায়।

তার ডিম পাড়ার ক্ষমতা জাগে, শরীর হয় বড়, শক্তিশালী।

তার জীবনকাল হয় বিশ গুণ দীর্ঘ।


সে আর কাজ করবে না—

সে নেতৃত্ব দেবে।

সে আর অনুসরণ করবে না—

সে সৃষ্টি করবে জীবন।



◆ নেতৃত্ব জন্ম নেয়, তৈরি হয়—উত্তরাধিকার নয়


রানী মৌমাছি তার জিনগত কারণে রানী হয় না।

সে হয়ে ওঠে রানী অন্যদের সিদ্ধান্ত, যত্ন আর পুষ্টির কারণে।


সাধারণ আর রানীর মাঝে জেনেটিক কোনো পার্থক্য থাকে না।

বিচার হয় খাবারে। যত্নে। সিদ্ধান্তে।


ভাবুন তো, যদি মানবসমাজেও এমনটা হতো—

একটি সাধারণ শিশুকে আমরা যদি সঠিক যত্ন, পরিবেশ, উৎসাহ দিই,

তাহলে সেও হয়ে উঠতে পারে এক অনন্য নেতা।


জেনেটিক পরিবর্তনের দরকার নেই।

কেবল দৃষ্টি, সহানুভূতি আর যথাযথ সিদ্ধান্ত।



◆ সংকটই আনে নেতৃত্বের জন্ম


এই রূপান্তর শুধু একটি লার্ভাকে নয়,

বাঁচায় পুরো মৌচাককে।


নতুন রানী ডিম পাড়ে, সমাজে ফেরে শৃঙ্খলা।

নতুন জীবন, নতুন প্রজন্ম, নতুন নেতৃত্বের সূচনা হয়।


আমাদের সমাজে এদের সাথে কাদের মিল খুঁজে পাচ্ছেন? 

এরা কি সেই সাধারণ তরুণ যারা দেশে বিপ্লব করেছে? c.

এসি ছাড়াই ঘর শীতল রাখার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানা যাবে এই আলোচনায়।

 গরমে শীতল হাওয়ার ছোঁয়া পেতে অনেকেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি ব্যবহার করেন। তবে গরমের তীব্রতা দিন দিন বাড়তে থাকলেও অনেকের এসি কেনার সক্ষমতা নেই। অনেকেই আবার বিদ্যুৎ বিল, দুর্ঘটনার ঝুঁকি এমনকি পরিবেশের ক্ষতির বিষয়টি মাথায় রেখেও এসি ব্যবহার করেন না।


এসি ছাড়াই ঘর শীতল রাখার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানা যাবে এই আলোচনায়।


প্রাচীন মিশরীয় পদ্ধতি


প্রাচীন মিশরীয়দের মধ্যে সাধারণ একটি নিয়ম ছিল শীতল জলাবদ্ধতা তৈরি করা। তারা জানালা-দরজায় বা রোদ প্রবেশের স্থানে ভেজা চট বা মাদুর রেখে দিত। রোদের তাপ ভেজা মাদুর বা ভেজা চটের পানি শুকিয়ে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা তেমন একটা বাড়ানোর সুযোগ পেতো না।


সিলিং ফ্যানের ঘূর্ণন


সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গ্রীষ্মকাল এবং শীতকালের একটি সম্পর্ক আছে। গ্রীষ্মকালে এমন ভাবে ফ্যান সেট করতে হবে যাতে সেটি ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে। আবার শীতকালে ফ্যান থাকা উচিত এমন ভাবে যাতে ফ্যানের পাখাগুলো ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরতে পারে। গরমের সময় এমন ঘূর্ণনের ফলে ফ্যান গরম বাতাস দ্রুত অপসারণ করতে পারে।


ডাবল গ্লাসযুক্ত জানালার ব্যবহার


কাঁচের ২ স্তর বিশিষ্ট প্যানেলকেই সাধারণত ডাবল গ্লাসযুক্ত জানালা বলা হয়। ডাবল গ্লাসযুক্ত জানালার কাঁচের স্তর ৩ থেকে ১০ মিলিমিটার পুরু হয়ে থাকে। এসব কাঁচের মধ্যকার জায়গা গ্যাস দিয়ে পূর্ণ করা হয় এবং গ্যাস যেন বেড়িয়ে যেতে না পারে তাই সিল করে দেওয়া হয়।


কাঁচের ২ স্তরের মধ্যে শূন্যস্থান সিল করা থাকে বলে ডাবল গ্লাসযুক্ত জানালা সাধারণ জানালার থেকে অনেক ভাল তাপ নিরোধক হিসেবে কাজ করে। গ্রীষ্ম ও শীতকালের চরম তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। গ্রীষ্মের গরম দিনে, ডাবল গ্লাসযুক্ত জানালা আপনাকে রক্ষা করবে প্রচণ্ড তাপ থেকে। শীতকালে এই জানালা বাইরে থেকে শীতকে ঘরের ভেতর ঢুকতে বাধা দেবে। আবহাওয়া যাই হোক না কেন, বাড়ি বা অফিসে ডাবল গ্লাসযুক্ত জানালা ঘরের ভেতরে আরামদায়ক পরিস্থিতি নিশ্চিত করে।


জানালার পাল্লা কাঁচের হলে গরম বেশি অনুভূত হয়। কারণ কাঁচের মধ্যে দিয়ে সূর্যের তাপ দ্রুত শোষণ হয় এবং ঘরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।


এক্ষেত্রে যেসব জানালায় সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে সেসব জানালায় হিট প্রটেক্টিং উইন্ডো ফিল্ম লাগানো যেতে পারে। যার ফলে জানালার ভেতর দিয়ে সূর্যের তাপ শোষণ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায় এবং ঘর ঠাণ্ডা থাকে। এছাড়াও সাদা কাগজ, সাদা হার্ডবোর্ড, জানলার পাল্লার বাহিরের দিকে লাগালে সাদা রং প্রায় সব শক্তিই বিকিরণ করবে বাইরের দিকে। ঘরে খুব কম তাপ প্রবেশ করবে।


মোটা এবং গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার


বাজারে বাহারি ধরনের পর্দা থাকলেও গরম কমাতে চাইলে মোটা কাপড়ের এবং গাঢ় রঙ যেমন কালো, বেগুনী, নীল, খয়েরী এমন রঙগুলো বাছাই করতে পারেন। কারণ এগুলোর তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, তাপ বিকিরণ ক্ষমতা কম থাকে৷


তাপ প্রবেশ রোধ করা


জানালার মাধ্যমে প্রায় ২৫ শতাংশ তাপ ঘরে প্রবেশ করতে পারে। ঘর ঠাণ্ডা রাখতে দিনের বেলা বা দিনের যে সময় সবচেয়ে বেশি রোদ্রৌজ্জ্বল থাকে তখন তাপ প্রবেশ করার পথ বন্ধ করে দিলে উত্তাপ কম থাকবে।


রাতে ঘরে বাতাস প্রবেশ করতে দেওয়া


রাতে ঘুমাবার আগে জানালা খুলে শীতল বাতাস প্রবেশ করতে দিতে হবে। এতে করে ভেতরের গরম বাতাস বাইরে বের হয়ে ঘরকে শীতল করবে। দিনের বেলা নতুন ভাবে রোদ না ঢুকলে এই শীতল বাতাস প্রশান্তি দেবে।


অপ্রয়োজনে বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখা


যেকোনো সক্রিয় ডিভাইস চালু থাকলে তা নির্দিষ্ট কাজের পাশাপাশি কিছু শক্তি তাপ উৎপাদনে ব্যয় করে। এতে ঘর গরম হয়। তাই অব্যবহৃত যে কোনো কিছু বন্ধ করা উচিত। কম্পিউটার, টেলিভিশন, ওভেন, কিংবা এমন ডিভাইস যা প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে তা বন্ধ রাখতে হবে। ঘরে ব্যবহৃত বাল্বগুলোও তাপের উৎস। তাই সব লাইট বন্ধ করা সবসময় সম্ভব না হলেও আলো যতটা সম্ভব কম রাখতে পারেন।


বরফ পদ্ধতি


এটি ঘর ঠাণ্ডা রাখার জনপ্রিয় এবং প্রচলিত পদ্ধতি। ফ্যানের নিচে বাটিতে বরফের টুকরা রাখলে এটি গরম তাপ শুষে নিয়ে গলতে শুরু করবে। এতে ঘর ঠাণ্ডা রাখা যায়।


উত্তাপ কমাতে গাছ রাখা


বেশ কিছু গাছ আছে যা তাপমাত্রা ঠাণ্ডা রাখতে সক্ষম। যেমন, অ্যালোভেরা, অ্যারিকা পাম, গোল্ডেন পোথোস বা সাদা-সবুজ মিশেলের মানি প্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট বা ফণিমনসা, ফার্ন ইত্যাদি। এছাড়াও আইভি, দ্রুত বর্ধনশীল লতা এবং আলংকারিক গৃহস্থালির উদ্ভিদ দেয়াল বা জানালায় ব্যবহার করা যেতে পারে। সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি তাপ আর রোদ প্রবেশ নিরোধক হিসেবেও এটি কাজ করবে।


বেড়েই চলছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা, যার প্রভাব কোনো দেশই এড়াতে সক্ষম নয়। আমাদের দেশও এর ব্যতিক্রম নয়। গরমের এই দুর্বিষহ জীবনযাত্রায় পুরোপুরি শান্তি না মিললেও স্বস্তি পেতে উপরের যে কোনো পদ্ধতি প্রয়োগে ঘরের কিংবা কাজের পরিবেশ ঠাণ্ডা রাখতে পারেন।

শেক্সপিয়র  বলেছিলেন , "একজন ছেলে কখনো একজন মেয়ের বন্ধু হতে পারে না,

 শেক্সপিয়র  বলেছিলেন , "একজন ছেলে কখনো একজন মেয়ের বন্ধু হতে পারে না, কারণ এখানে  আবেগ আছে , দৈহিক আকাঙ্খা আছে । "একই কথা বলেছেন আইরিশ কবি Oscar Wilde.  "নারী এবং পুরুষের মাঝে কেবলই বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকা অসম্ভব । যা থাকতে পারে তা হলো আকাঙ্খা, দুর্বলতা, ঘৃণা কিংবা ভালোবাসা।"

---

হুমায়ূন  আহমেদ বলেছিলেন , "ছেলে আর মেয়ে বন্ধু হতে পারে কিন্ত তারা অবশ্যই প্রেমে  পড়বে । হয়তো খুবই অল্প সময়ের জন্য অথবা ভুল সময়ে । কিংবা খুবই দেরিতে , আর  না হয় সব সময়ের জন্য । তবে প্রেমে তারা পড়বেই ।"

---

সত্যি বলতে,  ছেলে ও মেয়েতে শুধুমাত্র বন্ধুত্ব অসম্ভব ও প্রকৃতি বিরুদ্ধ । কেননা  শুধুমাত্র বন্ধুত্ব হলে প্রকৃতি নিজের অস্তিত্ব হারাবে। চুম্বক আর লোহা  কখনো পাশাপাশি থাকতে পারে না। আকৃষ্ট করবেই। যদি কেউ তা এড়িয়ে যায় তবে সে  ভণ্ডামি করছে নয়তো ধোঁকা দিচ্ছে ।

আগুনের পাশে মোম গলবেই। ছেলে ও মেয়ে বন্ধুত্ব হতে পারে , কিন্তু একসময় প্রেমে বা অবৈধ সম্পর্কে রুপ নিবেই। আর এটাই স্বাভাবিক ।

মহান আল্লাহ তায়ালা পুরুষ ও নারীর মধ্যে বিপরীত আকর্ষণ দিয়েই পাঠিয়েছেন। 

😡😡😭😭

#এটাই #বাস্তব

নারীর এই দুইটা জিনিস না থাকলে নারী মূল্যহীন 😭😭

বোর্দো মিক্সার প্রস্তুত ও ব্যবহারের নিয়ম 

 বোর্দো মিক্সার প্রস্তুত ও ব্যবহারের নিয়ম 🌿

বোর্দো মিক্সার (Bordeaux Mixture) একটি কার্যকর ছত্রাকনাশক যা কৃষিক্ষেত্রে ছত্রাকজনিত রোগ দমন ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এটি তুতে বা তামার সালফেট (Copper Sulfate) এবং পাথর চুন (Lime) মিশিয়ে তৈরি করা হয়।


বোর্দো মিশ্রণের উপাদানসমূহ:

১. তুতে (Copper Sulfate, CuSO₄): ছত্রাকনাশক উপাদান।

২. চুন (Ca(OH)₂): মিশ্রণের pH নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৩. পানি: দ্রবণের বাহক হিসেবে কাজ করে।


প্রয়োজনীয় উপকরণ:

তুতে (Copper Sulfate) – ১০০ গ্রাম


চুন (Lime) – ১০০ গ্রাম


পানি – ১০ লিটার


মাটির পাত্র (বা যেকোনো পাত্র)


দুটি বাঁশ বা কাঠের কাঠি


স্প্রে বোতল


একটি ইস্পাতের চাকু


বোর্দো মিশ্রণ তৈরি করার পদ্ধতি:

তুতে ও চুন গুড়া করে নেওয়া: প্রথমে তুতে এবং চুন আলাদাভাবে মিহি করে গুড়া করে নিতে হবে।


পানি প্রস্তুতি: দুটি ছোট পাত্রে ৫ লিটার করে পানি নিয়ে তাতে তুতে এবং চুন মিশিয়ে আলাদা আলাদা দ্রবণ তৈরি করতে হবে।


মিশ্রণ তৈরি: একটি বড় মাটির পাত্রে দুই পাত্রের মিশ্রণ ঢেলে দিয়ে বাঁশের কাঠি দিয়ে ভালোভাবে মিশাতে হবে।


ভিজিয়ে রাখা: মিশ্রণটি ৮-১০ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন।


অবশেষে মিশ্রণ প্রস্তুত: তুতে ও চুন মিশিয়ে তৈরী করা এই দ্রবণটির রঙ দেখে যাচাই করা যায়। যদি রঙ গা dark নীল হয়, তবে মিশ্রণ সঠিক হয়েছে। যদি রঙ সবুজ বা সাদা হয়, তবে তুতে বা চুন বেশি হয়ে গেছে, তখন পানি দিয়ে সমান করতে হবে।


স্প্রে প্রস্তুত: মিশ্রণ প্রস্তুত হলে তা গাছের পাতা, কান্ড, এবং শিকড়ে স্প্রে করতে হবে।


বোর্দো মিশ্রণের ব্যবহার পদ্ধতি:

স্প্রে করার সময়:


স্প্রে করার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় হলো সকাল বা বিকেল, কারণ দুপুরের গরমে অতিরিক্ত সূর্যালোকের কারণে রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে।


বৃষ্টি হলে পুনরায় স্প্রে করতে হবে, কারণ বৃষ্টিতে এটি ধুয়ে যেতে পারে।


প্রতিরোধমূলক ব্যবহারের জন্য:


সাধারণত ফসলের চারা অবস্থায় এবং ফুল-ফল আসার আগে ব্যবহার করা হয়।


প্রতি ১৫-২০ দিন পর পর একবার স্প্রে করা যেতে পারে।


বিশেষ সতর্কতা:

বোর্দো মিশ্রণটি তাজা অবস্থায় ব্যবহার করা উচিত।


তৈরি করার পর ৩ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহারের চেষ্টা করুন, কারণ এটি সংরক্ষণযোগ্য নয়।


অতিরিক্ত বোর্দো মিশ্রণ স্প্রে করলে গাছের পাতা পুড়ে যেতে পারে।


স্প্রে করার সময় গ্লাভস ও মাস্ক পরা উচিত।


বোর্দো মিশ্রণের কার্যকারিতা:

বোর্দো মিক্সার বিভিন্ন ছত্রাকজনিত রোগের জন্য খুবই কার্যকর। এর মাধ্যমে ডাউন মাইলডিউ, ব্লাইট, অ্যানথ্রাকনোজ, পাউডারি মিলডিউ, গোড়া পচাঁ, কুমড়ার চুনাপড়া, টমেটো আলুর ব্লাইট সহ অন্যান্য ছত্রাকজনিত রোগ দমন করা যায়।


এটি তৈরী করা খুবই সহজ এবং যে কেউ এটি তৈরি করে ব্যবহার করতে পারবে।


🔧 টিপ: নিয়মিত বোর্দো মিশ্রণ ব্যবহার করলে ছত্রাকজনিত রোগ থেকে কৃষকরা রক্ষা পাবেন এবং তাদের ফসলের উৎপাদন বাড়বে। 🌱

আপনি মানুন বা না মানুন আপনার জীবনে যেকোনো মুহূর্তে ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস আসতে পারে। বিয়ে, জন্মদিন, ঈদ, পূজা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে লোক দেখানো বিশাল খরচ করবেন না

 আপনি মানুন বা না মানুন আপনার জীবনে যেকোনো মুহূর্তে ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস আসতে পারে। বিয়ে, জন্মদিন, ঈদ, পূজা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে লোক দেখানো বিশাল খরচ করবেন না। বহু মধ্যবিত্ত পরিবারের সঞ্চয়ের এক তৃতীয়াংশ খরচ হয়ে যায় শুধুমাত্র ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে গিয়ে। সন্তান জন্মের পর এক লাখ টাকাও যদি ফিক্সড করে রাখেন তার নামে, তবে সেই টাকাটা মাল্টিপ্লাই হতে হতে সন্তানের যখন বিশ বছর বয়স হবে, তখন একটা ভালো অ্যামাউন্ট পাবেন যেটা তার ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।


আপনার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আয় করা টাকা আপনি নিজে মাল্টিপ্লাই করুন, বাচ্চাদেরকেও টাকা মাল্টিপ্লাই করতে শেখান। ছোটো থেকেই ফাইনান্সিয়াল অ্যাডভাইস দিন। সন্তানকে প্রোডাক্টিভ আর নন-প্রোডাক্টিভ ইনভেস্ট সম্পর্কে জ্ঞান দিন। যেমন, গ্যাজেট আর ধাতুর মধ্যে ধাতু চ্যুজ করা উচিত। কারণ ধাতুর রিসেল ভ্যালু আছে। এই শিক্ষা ভবিষ্যতে আপনার এবং আপনার সন্তানের উপকারে আসবে।


আপনার সর্বস্ব খরচ করে সন্তানকে বিয়ে দেবার চেয়ে কোনোমতে বিয়ে দিয়ে সন্তানের নামে টাকাটা ফিক্সড ডিপোজিট করে দিন, অসময়ে দরকার পড়বে!


জমির চেয়ে বাড়ির ভ্যালু বেশি করবেন না। আবার বাড়ি বা ফার্নিচারের ভ্যালুর চেয়ে ব্যাংকের লকারে সোনা ও ব্যাংকে লিক্যুইড মানি বেশি রাখবেন, কারণ আপনার দুঃসময়ে ঘরের একটা টুকরাও আপনি সেল করতে পারবেন না, কিন্ত গহনা অথবা টাকা দিয়ে দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে পারবেন। খারাপ সময় বলে কয়ে আসে না। এই দুনিয়ার কোন কিছুরই গ্যারান্টি নেই, আপনার শরীরেরও না!


যোগ্যতাপূর্ণ চাকরিতেও ফিনান্সিয়াল সিকিউরিটি থাকে না। তাই ছেলেমেয়েকে বহু খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করতে শেখান। কোনো কাজ ছোটো নয় এই বোধ তৈরি করুন তার মধ্যে। 


সন্তানকে বইয়ের বাইরের বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন কাজ শেখান, কারণ পেটে শিক্ষা আছে মানেই ক্যারিয়ার সাকসেসফুল হবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই।


কিছু টাকা জমিয়ে রাখুন। যতটুকু বাড়ি করলে স্বচ্ছন্দে থাকা যায় ততটুকুই বাড়ি করুন। অন্তত ওই পরিমাণ টাকা MIS (Monthly Income Scheme) করে রাখুন যাতে ঠেকে গেলে অন্তত ডাল ভাত খেয়ে মাস কাটে। আগামী দিন কতটা ক্রাইসিস আসবে আমরা কেউ জানি না। চাকরি, ব্যবসা বাণিজ্য কোনো কিছুরই আসলে কোনো নিশ্চয়তা নেই। চাকরিতে পেনশনেরও একশো ভাগ গ্যারান্টি নেই!


স্ট্যাটাস মেনটেন করার জন্য সরকারি চাকরির দিকে সন্তানকে ফোর্স করবেন না। সরকারি, বেসরকারি, ব্যবসা কোনোটাতেই যেখানে হান্ড্রেড পার্সেন্ট সিকিউরিটি নেই, তাই যার যে দিকে ইচ্ছে সেদিকে খাটুক।


বিভিন্ন দিকে উপার্জনের মনোভাব রাখতে হবে। মনে রাখবেন, উপার্জনটাই বড়। আপনার টাকা এবং সন্তানের মেধা ব্যালেন্স করে তাকে পড়ান।  অযথা উচ্চশিক্ষা বা ডিগ্রির পিছনে ছুটলে সময় এবং টাকা দুই-ই ব্যয় হবে, তাই সন্তান স্কুলের গণ্ডি পেরোলেই সুনির্দিষ্ট গোল সেট করে নিন। সন্তান যতই মেধাবী হোক না কেন তাকে এমন কিছু এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিজ শেখান যেটা ভবিষ্যতে তাকে টাকা এনে দেবে।


হাতে কলমে কাজ, কারিগরি জ্ঞান, ছোটো ব্যবসা, পার্ট টাইম জব এই সবকিছুতেই তাকে অভ্যস্ত করান পড়াশোনার পাশাপাশি, কারণ জীবনের পঁচিশ ত্রিশ বছর যদি বই পড়ে পার করে দেয় তবে অফিস ওয়ার্ক ছাড়া অন্য কিছুতে ততটা এলিজিবল সে নাও থাকতে পারে ।


মোদ্দা কথা, সবকিছুকেই বিজনেস মাইন্ডে দেখতে হবে। এছাড়া কোনো অপশন নেই। অন্তত একটা বিনিয়োগ ডুবে গেলে যেন আর একটা ভেসে থাকে!


---------------------------------------------------------------------


📢 আপনার নিজস্ব নিউজ পোর্টাল অথবা পত্রিকার ই-পেপার তৈরি করতে চান? 🌐


ওয়েব নিউজ ডিজাইন - আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিউজ পোর্টাল, ই-পেপার এবং অফিসিয়াল ওয়েবসাইট তৈরি ও পরিচালনার সেবা প্রদান করি। এছাড়াও, আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সেরা ডিজাইন সেবা পেতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন!


যোগাযোগ

📞 ০১৯১৫৩৪৪৪১৮ [WhatsApp, Imo], ঢাকা।

🌐 webnewsdesign.com

📧 faroque.computer@gmail.com]


---------------------------------------------------------------------

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...