এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

বাচ্চারা আনন্দ পায় না বলে স্কুলে আসে না। এক বৃদ্ধ শিক্ষক সেদিন এলেন পড়াবার জন্য।

 বাচ্চারা আনন্দ পায় না বলে স্কুলে আসে না। এক বৃদ্ধ শিক্ষক সেদিন এলেন পড়াবার জন্য।

--আচ্ছা লেখো তো, এক অক্ষরে 'ডাকাত'।

কেউ লিখতে পারলো না।


তিনি ডা' কাত করে লিখে বললেন- এই হলো ডাকাত।

সবাই হেসে হেসে কূটিকূটি।


আচ্ছা এবার বলো তো কীভাবে এক অক্ষরে 'কাতলা' লিখবে।

সবাই আবার অবাক।

শিক্ষক 'লা' কাত করে লিখে বললেন-- এই হলো কাতলা।

শিশুরা হাসছে তো হাসছে।


তারপর তিনি 'কা' লিখে মুছে দিয়ে বললেন-- বলো এবার কী লিখলাম।

সবাই আবারো অবাক।

তিনি বললেন-- এবার লিখলাম কানাই।

শিশুদের হাসির রোল উঠলো।


এবার তিনি ছাত্রদের বললেন-- বলো তো আমি কেমন পড়ালাম।


ছোট একটা শিশু দাঁড়িয়ে বললো-- আপনি আমাদের আজ কিছুই পড়ান-নি।


কিছুই পড়াইনি! কি বলো!


এবার শিশুটি বোর্ডে গিয়ে একটা সূর্য আঁকলো। সূর্যের চারপাশে কিরণ এঁকে বললো-- আজকে রবি শুধু তার আলো ছড়িয়েছে।


এই স্কুলটি হলো শান্তিনিকেতন

শিক্ষক টি কে জানেন?

"রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর"

আর বোর্ডে যে ছাত্রটি এঁকেছিলেন, তিনি ছোট্ট 

“সত্যজিৎ রায়”।


#সংগৃহীত #স্বপ্নকুটির_A_House_of_Love

রোমানিয়া কেন এখন নতুন ট্রাভেল হটস্পট – ঘুরে দেখুন ইউরোপের স্বল্প খরচের স্বর্গ!

 রোমানিয়া কেন এখন নতুন ট্রাভেল হটস্পট – ঘুরে দেখুন ইউরোপের স্বল্প খরচের স্বর্গ!


রোমানিয়া এখন ইউরোপ ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন একটি ট্রেন্ডি গন্তব্য, কারণ এখানে আপনি একদিকে ঐতিহাসিক দুর্গ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং আধুনিক শহরের অভিজ্ঞতা পাবেন, অপরদিকে খরচও থাকবে হাতের নাগালে।


১. ভিসা ও যাত্রাপথ

বাংলাদেশি পাসপোর্টে সরাসরি রোমানিয়া যাওয়ার জন্য শেনজেন ভিসা লাগবে না, তবে রোমানিয়া ভিসার জন্য ঢাকাস্থ দূতাবাসে আবেদন করতে হবে।


পাসপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট (৪-৫ লাখ টাকা), চাকরি বা ব্যবসার প্রমাণ


হোটেল ও ফ্লাইট বুকিং


ভিসা ফি: আনুমানিক ৬,০০০ টাকা

দূতাবাস লিংক: https://dhaka.mae.ro


২. ফ্লাইট ও যাতায়াত খরচ

ঢাকা থেকে রোমানিয়ার বুখারেস্ট পর্যন্ত রিটার্ন ফ্লাইট খরচ: ৬৫,০০০ – ৮০,০০০ টাকা

বুকিং লিঙ্ক: https://www.skyscanner.net


৩. থাকার ব্যবস্থা (সাশ্রয়ী হোটেল)

Hotel Michelangelo Bucharest

ঠিকানা: Henri Coandă Street 25, Bucharest

ফোন: +40 21 222 8114

রাতপ্রতি খরচ: ৪,৫০০ – ৬,০০০ টাকা

বুকিং: https://www.booking.com


৪. কি কি দেখবেন


Dracula’s Castle (Bran Castle)


Peles Castle


Transfagarasan Highway (বিশ্বের সেরা ড্রাইভিং রোড)


Brasov ও Sibiu শহর


Bucharest Old Town


৫. ৭ দিনের আনুমানিক খরচ


ভিসা ও প্রসেসিং: ৬,০০০ টাকা


ফ্লাইট: ৭০,০০০ টাকা


হোটেল: ৪০,০০০ টাকা


খাবার ও যাতায়াত: ১৫,০০০ টাকা


ট্যুর ও টিকিট: ১০,০০০ টাকা

মোট: প্রায় ১,৪০,০০০ টাকা


৬. বিশেষ টিপস


রোমানিয়ার মুদ্রা: RON (Leu), ইউরো নেওয়া যেতে পারে


স্থানীয় SIM ও Google Translate রাখুন


Uber বা Bolt অ্যাপ ব্যবহার করলে সাশ্রয় হবে


#RomaniaTrip #VisitRomania #EuropeOnBudget #DraculaCastle #BucharestTravel #GlobalTravelMates #EasternEurope #RomaniaFromBangladesh #Travel2025

ছেলের বয়স ৩০+। পরিবার শত চেষ্টা করেও বিয়েতে রাজী করাতে পারছে না। 

 ছেলের বয়স ৩০+। পরিবার শত চেষ্টা করেও বিয়েতে রাজী করাতে পারছে না। ছেলে প্রায় বছর তিনেক ধরে বিভিন্নভাবে পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল যে চরিত্র রক্ষার্থে বিয়েটা তার প্রয়োজন। কিন্তু চাকুরী না থাকায় বিয়ের ব্যাপারে পরিবারের কোন সহযোগিতা পায়নি। অবশেষে গত বছর ছেলে প্রথম শ্রেণীর চাকুরী পাওয়ার পর পরিবার উঠে-পড়ে লাগে বিয়ের জন্য। 


এবার ছেলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আর কোনদিনই সে এই ব্যাপারে বিবেচনা করবে না এবং বাড়াবাড়ি করলে গৃহ'ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। যখন প্রয়োজন ছিল, তখন যেহেতু পায়নি, আর প্রয়োজন নেই। ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছে, যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় পেরিয়ে আসার পর লোক-দেখানো বিয়ে করে এমন কোন মেয়েকে সে তার জীবনে আনতে রাজী নয়, যে মেয়ে লাখ লাখ টাকা কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিয়ে মূলত তার চাকুরী ও স্ট্যাটাস দেখে আসবে। 


যার কাছে টাকা মুখ্য, তার কাছে মানুষের মূল্য গৌণ। অতএব, এই প্রহসনে সে অংশ নিবে না। টাকার অংকে মানুষকে বিবেচনা করা তার দৃষ্টিতে নোংরামী। কিভাবে একে বোঝানো যায়, জানাবেন দয়া করে।


লেখা : সংগৃহীত 

©Ibnu Wali

ভালোবাসুন বাস্তব মানুষকে, কল্পনার চরিত্রকে নয়। Dr.Tanvir Ahmed  Join: Child Disease and Surgical Care-BD (CDSC-BD) 

 আপনি যদি একজন কর্মজীবী মেয়েকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে—তারও একটি আলাদা পেশাগত দায়িত্ব ও সময়সূচি রয়েছে। অফিসে ৮–১০ ঘণ্টা কাজ করে সে ক্লান্ত হয়ে ফিরবে। তখন যদি আপনি আশা করেন সে আপনার জন্য গরম চা বানাবে, প্রতিদিন আপনার জামা কাপড় গুছিয়ে রাখবে, কিংবা আপনার মা-বাবার যত্ন করবে—তাহলে সেটা অন্যায় প্রত্যাশা। তাকে সাহায্য করতে হবে, বোঝাতে হবে আপনি তার পাশে আছেন, তাকে শুধু গৃহিণী ভাবলে চলবে না।


আবার আপনি যদি একজন গৃহিণীকে বিয়ে করেন, তবে এটাও মেনে নিতে হবে যে—সে আপনার আর্থিক দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারবে না। তার অবদান টাকা দিয়ে মাপা যাবে না, কারণ সে ঘরের প্রতিটি খুঁটিনাটি সামলাবে, সন্তানদের মানুষ করবে, আপনার পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখবে। সে হয়তো পে-স্লিপ দেখাতে পারবে না, কিন্তু তার কাজের মূল্য আপনি বুঝবেন সময়ের সঙ্গে।


আপনি যদি স্টাইলিশ অথচ কর্মহীন একজন মেয়েকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন, তাহলে মনে রাখতে হবে তার সাজগোজ, লাইফস্টাইল, ঘোরাঘুরি, ব্র্যান্ডের প্রতি আগ্রহ—এই সব কিছুর খরচ আপনার কাঁধে এসে পড়বে। আর আপনি যদি নিজেই তার চাহিদা পূরণে অক্ষম হন, তাহলে তার এই জীবনযাপন নিয়ে অভিযোগ করার নৈতিক অধিকার আপনার নেই।


আর আপনি যদি এমন একজন সাধারণ মেয়েকে বিয়ে করেন, যে মেকআপ দিয়ে মুখ ঢাকে না, নিজের ত্বকের দাগ-ছোপ লুকানোর চেষ্টা করে না, তাহলে তাকে ভালোবাসুন তার বাস্তবতা নিয়ে। তার মুখের ব্রণের দাগকে হীন করে দেখানো মানে হলো, আপনি এখনও বাইরের চাকচিক্যে মুগ্ধ। অন্য মেয়ের সঙ্গে তুলনা করে তার আত্মবিশ্বাস ভেঙে ফেলবেন না।


মনে রাখবেন, কাউকে কারো মতো বানানো যায় না। মানুষ পুতুল নয়, যাকে আপনি নিজের পছন্দমতো গড়ে নেবেন। মানুষ জন্মায় নিজস্ব স্বভাব, চাহিদা ও স্বপ্ন নিয়ে। সম্পর্ক মানে সমঝোতা, শ্রদ্ধা, গ্রহণযোগ্যতা। আপনি যেমন ত্রুটিহীন নন, তেমনি আপনার সঙ্গীকেও নিখুঁত হতেই হবে এমন দাবি অন্যায়।


একজন নারীকে একসাথে ঘরের রান্নাঘরে দক্ষ, অফিসে প্রফেশনাল, বিছানায় আকর্ষণীয়, অতিথির সামনে ভদ্র, পার্টিতে স্টাইলিশ, সন্তানের সামনে আদর্শ মা—সবকিছু হবার চাপ দেবেন না।


তাই ভালোবাসুন বাস্তব মানুষকে, কল্পনার চরিত্রকে নয়।


Dr.Tanvir Ahmed 

Join: Child Disease and Surgical Care-BD (CDSC-BD) 


#lifepartner #collected #পরিমার্জিত

ফিনল্যান্ডে পড়াশোনা ও স্থায়ী হওয়ার সহজ পথ: জেনে নিন বিস্তারিত

 ফিনল্যান্ডে পড়াশোনা ও স্থায়ী হওয়ার সহজ পথ: জেনে নিন বিস্তারিত


টানা ৮ম বছরের মতো বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ নির্বাচিত হয়েছে ফিনল্যান্ড! জীবনমান, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের দিক থেকে অসাধারণ সুযোগ থাকায় অনেকেই পরিবারসহ ফিনল্যান্ডে স্থায়ী হতে চান। চলুন জেনে নিই কীভাবে ফিনল্যান্ডে যাওয়া সম্ভব:


স্টুডেন্ট ভিসায় আবেদন

Studyinfo.fi ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দের কোর্স ও বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই করুন। আবেদনকাল ও প্রয়োজনীয় তথ্য দেখে অনলাইনে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।


স্কলারশিপ সুবিধা


ব্যাচেলর কোর্সের প্রথম বছরে সাধারণত স্কলারশিপ কম, তবে Early Bird ডিসকাউন্ট (১৫%-৫০%) পাওয়া যায়।


মাস্টার্স কোর্সে CGPA, IELTS, GRE স্কোর এবং কাজ/গবেষণার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ১০০% পর্যন্ত স্কলারশিপের সুযোগ রয়েছে।


ব্যাংক স্টেটমেন্ট

নিজ নামে অন্তত ৯,৬০০ ইউরো ব্যালেন্স থাকতে হবে।

স্পনসর থাকলে, ফান্ড ট্রান্সফার করে দেখাতে হবে এবং স্পনসরের ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রয়োজন।


Post Study Work Visa

পড়াশোনা শেষে ২ বছরের ওয়ার্ক ভিসা পাওয়া যাবে, যার মাধ্যমে ফুলটাইম চাকরির সুযোগ নেওয়া সম্ভব।


Permanent Residency (PR)

ফিনল্যান্ডে ৪ বছর বৈধভাবে থাকার পর PR এর জন্য আবেদন করা যাবে।

প্রতি মাসে অন্তত ১৬০০ ইউরো আয় দেখাতে হবে। ফিনিশ ভাষা জানা বাধ্যতামূলক নয়, তবে জানা থাকলে সুবিধা হয়।


কমন প্রশ্নোত্তর


IELTS কি লাগবে?: কিছু কোর্সে লাগতে পারে।


খরচ কেমন?: থাকা-খাওয়া ৪০০-৬০০ ইউরো/মাস, টিউশন ফি ৫,০০০-১৫,০০০ ইউরো/বছর।


স্টাডি গ্যাপ?: ১০-১৫ বছরের গ্যাপও গ্রহণযোগ্য।


পার্টটাইম কাজ?: সপ্তাহে ৩০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি রয়েছে।


পরিবার নিয়ে যাওয়া যাবে?: স্পাউস, সন্তান ও বাবা-মাকে নেয়া সম্ভব।


পার্টটাইম আয়ে খরচ ম্যানেজ?: সম্ভব, বছরে ৮,০০০ ইউরো পর্যন্ত আয় করা যায়।


অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

Studyinfo.fi


ফিনল্যান্ডে নতুন জীবনের দিগন্ত খুলুন আজই!


#FinlandVisa #StudentVisa #StudyInFinland #FinlandPR #ফিনল্যান্ডভিসা #ফিনল্যান্ডস্টাডি #ফিনল্যান্ডPR #StudyAbroad #GlobalTravelMates #শুভদিন

বাংলাদেশে একটা কথা খুব প্রচলিত, “বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে মা পাওয়া যায় না।”

 বাংলাদেশে একটা কথা খুব প্রচলিত, “বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে মা পাওয়া যায় না।”

শুনতে যতটা আবেগময়, বাস্তব জীবনে এই কথাটা অনেক সময় হয় অন্যায় আর বিষাক্ত চাপে পরিণত।


এই কথাটা বুকের মধ্যে নিয়ে চলা অনেক পুরুষ নিজের জীবনের ভারই বইতে পারে না।

একসময় হাঁপিয়ে যায়—

👉 বউকে খুশি রাখতে গিয়ে মাকে কষ্ট দেয়

👉 আবার মাকে খুশি রাখতে গিয়ে স্ত্রীর চোখের জল দেখেও কিছু বলতে পারে না


এভাবেই একটা সময় সে একদম একা হয়ে পড়ে। অনেকেই তো সহ্য করতে না পেরে নিজেকেই শেষ করে দেন। আমি নাজিম উদ্দিন হৃদম আজ কথা বলবো "মা নাকি বউ" এটা নিয়েই। 


💔 তিন দিক থেকে চাপ — আর মাঝখানে একজন অসহায় ছেলে


🎭 ১. মা কী ভাবেন?

"আমার ছেলে তো এখন বউয়ের হয়ে গেছে। আগে যেমন ছিল, এখন আর তেমন খেয়াল রাখে না।"

— মা নিজের জায়গা হারিয়ে ফেলেন বলে মনে করেন।


💔 ২. স্ত্রী কী ভাবেন?

"এই সংসারে আমার কথা কেউ শুনে না। সব সময় শাশুড়ির কথাই শুনতে হয়। আমি কি কখনো এই ঘরের আপন হবো না?"

— স্ত্রী ভালোবাসা চায়, নিরাপত্তা চায়, জায়গা চায়।


😓 ৩. ছেলে কী করে?


চুপচাপ থাকে। হয়তো কারো সাথেই মন খুলে কথা বলতে পারে না।

তার দিক থেকে দেখলে—সে দুজনকেই ভালোবাসে। কিন্তু কার পক্ষে দাঁড়াবে?


⚠️ এই টানাপোড়েন যদি চলতেই থাকে, কী হয়?


👉 পরিবারে প্রতিদিন ঝগড়া,

👉 স্ত্রী বিষণ্নতা ও মানসিক অবহেলায় ভোগে,

👉 মা নিজেকে অবহেলিত ভাবেন,

👉 সন্তানদের মনেও ভয় গেঁথে যায় — বাবা চুপ, মা কাঁদে।


এভাবে একটা সংসার ভেঙে পড়ে, ভবিষ্যৎ পর্যন্ত তছনছ হয়ে যায়।


🧨 সবচেয়ে ভয়ংকর পরিণতি?

অনেক পুরুষ এটা সহ্য করতে না পেরে—


👉 মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে

👉 হঠাৎ একদিন বাসা ছেড়ে চলে যায়

👉 কেউ কেউ আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নেয়


পুরুষ যদি ব্যালেন্স না শেখে তাহলেই সেই পরিবার টা খুব তাড়াতাড়ি ধংশ হয়ে যাবার সব থেকে বেশী সম্ভবনা থাকে।


🧠 তাহলে সমাধান কী? ব্যালেন্সটা কীভাবে তৈরি হবে?


🔹 ১. ছেলের (স্বামীর) ভূমিকা — তিনি হচ্ছেন সম্পর্কের 'সেতু'

একজন পুরুষকে বুঝতে হবে—মা ও বউ দুজনই তার জীবনসঙ্গী, কিন্তু ভিন্নভাবে।

👉মা তাকে জন্ম দিয়েছেন, জীবন গড়ে দিয়েছেন।

👉আর বউ তার ভবিষ্যতের পথচলার সঙ্গী।


এখন এই দুই নারীর মাঝখানে উপস্থিত থাকার আর বুদ্ধিমত্তার ভার তার ওপরেই।


✅তাহলে করণীয় কি :


👉আলাদা সময় দিন:

যেমন: মাকে সকালে চায়ের সময়টা দিন, স্ত্রীর সাথে রাতে ২০ মিনিট গল্প করুন।

দুজনকেই মনে হবে, আপনি তার পাশে আছেন।


👉সংঘর্ষে নিরপেক্ষ থাকুন:

কোনো পক্ষ না নিয়ে বলুন,

“দুইজনকেই আমি ভালোবাসি, কিন্তু একটা বিষয়ে একসাথে বসে কথা বলা যাক।”

মুখ বন্ধ রাখার চেয়ে এই মধ্যস্থতা করা অনেক ফলদায়ক।


👉প্রতিটি ভালোবাসার ইঙ্গিত দিন:

বাজার থেকে ফেরার পথে মা’র জন্য পছন্দের ফল আনুন,

আবার স্ত্রীর জন্যও পছন্দের কিছু আনুন।

ছোট ছোট এই আচরণ একেকটা শান্তির পিলার তৈরি করে।


📌 উদাহরণ :

রফিক সাহেব, নারায়ণগঞ্জের এক প্রাইভেট কোম্পানির ম্যানেজার।

তিনি তার স্ত্রীকে মায়ের সঙ্গে রান্না করতে বাধ্য করেন না।

তবে সন্ধ্যার পর মা ও স্ত্রী দুজনকে নিয়ে বারান্দায় বসে গল্প করেন, মজার ভিডিও দেখেন।

এই ছোট্ট সময়টাই দুজনের মন ভালো করে দেয়।


🔹 ২. মায়ের ভূমিকা — ছাড় নয়


👉মায়ের ভয়টা খুব সাধারণ:

আমার ছেলে তো এখন আমাকে সময় দেয় না। হয়তো ওর মনটাই চলে গেছে অন্য দিকে।

কিন্তু মনে রাখতে হবে—ছেলে যখন বিয়ে করে, সে আপনাকে কম ভালোবাসে না।

সে শুধু তখন দ্বিগুণ দায়িত্বশীল হয়ে যায়।


✅ করণীয়:


👉 বউকে শত্রু মনে করবেন না:

আপনার ছেলে আজকে তার জীবনসঙ্গীকে নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়বে—এটা আপনি আশীর্বাদ করলেই সে সুন্দর হবে।


👉সাহায্য না চাইলে চাপ দিবেন না:

তুমি এটা করো না কেন?, আগে তো আমি এত কিছু করতাম—এই তুলনাগুলো এড়িয়ে চলুন।


👉স্ত্রীকে 'মেয়ে' ভাবুন, 'প্রতিযোগী' নয়:

আপনি যদি তাকে বলেন, “তুমি আমার মেয়ের মতো”—তাহলে সেও একদিন আপনাকে “আম্মু” বলে গর্ব করবে।


📌 উদাহরণ:

সেলিনা খাতুন, বরিশালের এক মা, প্রথম দিকে তার পুত্রবধূকে সন্দেহ করতেন।

কিন্তু একদিন সে নিজের হাতে রান্না করে বউমার জন্য আনলেন খাবার।

বউমা খেয়ে কেঁদে ফেলে বললেন, “আপনার হাতের রান্না আমার মায়ের মতো।”

এরপর থেকে তাদের সম্পর্ক আর কখনো দূরত্বে যায়নি।


🔹 ৩. স্ত্রীর ভূমিকা — সম্মান দিন। 


স্ত্রীরা অনেক সময় ভাবেন—আমার স্বামী সব সময় মায়ের কথাই শুনে।

কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে—আপনার স্বামীর মা একজন আবেগের জায়গা, তার শিকড়।

আপনি যদি সেই জায়গাকে সম্মান করেন, আপনি তার হৃদয়ের সবচেয়ে আপন হয়ে উঠবেন।


✅ করণীয়:


👉শাশুড়িকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করবেন না:

আপনি যদি তাকে সম্মান করেন, তিনিও আপনাকে আপন ভাববেন।


👉স্বামীকে প্রতিদিন অভিযোগ না করে সাহচর্য দিন:

তোমার মা এটা বলেছে — এটা বাদ দিয়ে বলুন, আজ একটু গল্প করি?

চাপ দিলে পুরুষ পালায়, শান্তি দিলে সে নিজে থেকেই ফিরে আসে।


👉মায়ের সামনে অহংকার করবেন না:

বরং সব সময় মায়ের প্রতি সৌজন্য বজায় রাখুন—এতে স্বামীর চোখে আপনার মর্যাদা বাড়ে।


📌 উদাহরণ:

তানজিলা আপু, ঢাকার একজন গৃহিণী, শাশুড়ির সাথে প্রথমে কথা বলতেন কম।

পরে একদিন শাশুড়ির জন্মদিনে চুপিচুপি তার জন্য শাড়ি এনে উপহার দেন।

এরপর থেকেই শাশুড়ি তাকে শুধু "বউমা" নয়, “মেয়ে” বলেই ডাকেন।


🚨 যদি ব্যালেন্স না থাকে, কী হয়?


👉 ১. পুরুষ হয়ে পড়ে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত – কার কথায় চলবো?\


📌যখন মা বলেন—“তোমার বউ এখন তোমাকে বদলে দিয়েছে।”

📌আর স্ত্রী বলেন—“তুমি কখনো আমার পক্ষে কথা বলো না।”

📌তখন একজন ছেলে মাঝখানে পড়ে "নিজের কথাই ভুলে যায়"।


📌 উদাহরণ:

সাগর, খুলনার এক প্রাইভেট কোম্পানির অফিসার।

মায়ের চাপে তিনি স্ত্রীর কোনো কথাই শুনতে পারতেন না।

স্ত্রী একসময় মানসিক অবসাদে ভুগে বাবার বাসায় চলে যান।

সাগর এখন নিজের ছেলেকেও ঠিকমতো দেখতে পারেন না।

কেন? কারণ সে সময়মতো ‘ব্যালেন্স’ শিখেনি।


👉 ২. মা আর বউয়ের মধ্যে শত্রুতা জন্ম নেয়

মায়ের মনে হয়—"বউ ছেলেকে কেড়ে নিয়েছে"

বউয়ের মনে হয়—"মা কখনো আমাকে আপন ভাবেনি"


এই ভুল বোঝাবুঝি যত বাড়ে, ততই ঘরে ঝগড়া, কটুবাক্য, অভিমান আর মনকষাকষি জমে।

এক সময় এমন হয়—একজন কিছু বললেই আরেকজন রিঅ্যাক্ট করে।


📌 উদাহরণ:

নুসরাত, চট্টগ্রামের একটি গৃহিণী, স্বামীর পরিবারে এসে প্রথম দিকে হাসিখুশি ছিলেন।

কিন্তু শাশুড়ির কড়া মন্তব্য ও বারবার তুলনা তাঁকে দমিয়ে দেয়।

নুসরাত একসময় কাউকে না বলে আত্মহত্যা করেন।

পরিবারে চিরদিনের মতো বিষাদের ছায়া নামে।


👉 ৩. সন্তানরা বড় হয় ভয়ের মধ্যে—“বিয়ে মানেই সমস্যা”

যে ঘরে প্রতিদিন মা-বাবার ঝগড়া, শাশুড়ি-বউয়ের ঠাণ্ডা লড়াই, আর বাবার নিরবতা—

সেই ঘরে বড় হওয়া সন্তানদের মনে সম্পর্কের প্রতি ভয় গেঁথে যায়।


তারা ভাবে—“বিয়ে মানেই ত্যাগ, মানেই কষ্ট”

একটা প্রজন্ম দাম্পত্যের গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে।


📌 উদাহরণ:

ঢাকার রাহাত, নিজের মা-বাবার জীবনে যন্ত্রণা দেখে এতটাই প্রভাবিত হন যে,

বয়স ৩৫ পেরিয়েও তিনি বিয়ে করতে চান না।

তাঁর ভাষায়—“আমি আর একটা সংসারে সেই যুদ্ধ দেখতে চাই না।”


👉 ৪. একসময় স্ত্রী ভাবেন – “আমার কোনো মূল্যই নেই”


যখন স্বামী বারবার মায়ের পক্ষ নেয়,

যখন সে স্ত্রীর অনুভব বোঝে না,

তখন স্ত্রী নিজেকে একটা "আঁটকে পড়া বোঝা" মনে করে।

এটা ধীরে ধীরে ডিপ্রেশন, আত্মগ্লানি, এমনকি শারীরিক অসুস্থতা পর্যন্ত নিয়ে যায়।


📌 উদাহরণ:

তানিয়া, রাজবাড়ির এক তরুণী।

স্বামী তাকে কোনো সিদ্ধান্তে গুরুত্ব দিতেন না, সবসময় মায়ের কথাই চলতো।

এক সময় তানিয়া কিছু না বলে সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান।

স্বামী তখন বুঝলেন—তিনি আসলে দুজনকেই হারিয়েছেন।


👉৫. এক পর্যায়ে পুরুষ নিজেও হাঁপিয়ে যায় – "আমি কি কখনো শান্তি পাবো না?"


একদিকে মায়ের অভিমান, অন্যদিকে স্ত্রীর অভিযোগ,

আর তার মধ্যে নিজের কাজের চাপ, সমাজের চাপ—

সব মিলিয়ে সে একসময় মনে করে "সব ছেড়ে দিলে বাঁচি"


এই সময়ই অনেকে হয়ে পড়ে—


👉 বিষণ্ন,

👉 রেগে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে,

👉 কাজে মনোযোগ হারায়,

👉 কেউ কেউ মাদক বা সিগারেটের ওপর নির্ভর করে,

👉 আবার কেউ কেউ চিরতরে হারিয়ে যায়...


📌 সাম্প্রতিক ঘটনা


চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার র‍্যাব-৭ ক্যাম্পে কর্মরত

স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পলাশ সাহা

নিজের অফিস কক্ষে নিজের পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যা করেন।


পুলিশ সূত্র জানায়, তিনি একটি চিরকুটে কিছু পারিবারিক অসন্তোষ ও মানসিক ক্লান্তির কথা উল্লেখ করেন।

এএসপি পলাশ সাহা ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও সৎ অফিসার।

কিন্তু পরিবার থেকে পাওয়া বোঝার অভাব, চাপ, একাকীত্ব—সব মিলিয়ে

তিনি এমন ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।


এই ঘটনা প্রমাণ করে,

👉 সম্মানিত পেশা থাকা,

👉 আয় থাকা,

👉 সামাজিক অবস্থান ভালো হওয়া —

এই সবই অর্থহীন হয়ে পড়ে, যদি ঘরে ফিরে কেউ বুঝে না: “তুমি কেমন আছো?”


🧠 এই পরিণতি কি আপনি চান?

এই শেষ না হোক আপনাদের পরিবারে।

এই কান্না না হোক আপনার স্ত্রীর চোখে,

এই অভিমান না হোক আপনার মায়ের হৃদয়ে,

এই একাকিত্ব না হোক আপনার নিজের জীবনে।


🌈 বাসা হোক শান্তির ঘর, প্রতিযোগিতার ময়দান নয়


একটা বাসায় দুজন নারী থাকলে প্রতিযোগিতা নয়—সহাবস্থান হওয়া উচিত।

আর সেই সহাবস্থানের মূল কান্ডারী হচ্ছেন—পুরুষ নিজেই।


আপনি যদি মা আর স্ত্রীর মধ্যে শান্তির সেতু তৈরি করতে পারেন,

তাহলে সেই ঘরে একদিন সন্তানেরাও শিখবে—"ভালোবাসা মানে বোঝা, বোঝাপড়া আর সমান সম্মান।"


🕊️ যদি ভালোবাসেন, তাহলে বোঝার দায়িত্বটাও নিন।


আপনার মা আপনাকে জন্ম দিয়েছেন।

আপনার স্ত্রী আপনার নতুন জীবনের সঙ্গী।

এই দুইজন মানুষ আপনার জীবনের দুই কণা—একজন রক্তের, আরেকজন ভালোবাসার।


তাদের মাঝে থেকে আপনি যদি ব্যালেন্স করতে পারেন,

তাহলে আপনি শুধু একজন সফল পুরুষই নন—আপনি একজন সত্যিকারের মানুষ।

Spotted Lake (স্থানীয় নাম: Khiluk) কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার Osoyoos শহরের কাছাকাছি অবস্থিত। এটি আদিবাসী Syilx First Nation জনগোষ্ঠীর কাছে পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।

 Spotted Lake (স্থানীয় নাম: Khiluk) কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার Osoyoos শহরের কাছাকাছি অবস্থিত। এটি আদিবাসী Syilx First Nation জনগোষ্ঠীর কাছে পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।


🔍 কেন এটি বছরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য দেখা যায়?

গ্রীষ্মকালে, হ্রদের পানি তীব্র তাপের৬ঝঙঝঃমক কারণে বাষ্প হয়ে যায়। কিন্তু হ্রদে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান (যেমনঃ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম সালফেট) থাকার কারণে পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর জায়গা জুড়ে গোলাকার, দাগের মতো খনিজ জমা পড়ে। ফলে হ্রদের পৃষ্ঠে অসংখ্য দাগ বা “spots” দেখা যায়, যেখান থেকে এর নাম Spotted Lake এসেছে।


🌡️ কি ধরণের খনিজ জমে থাকে?

Magnesium sulfate (Epsom salt)


Calcium


Sodium sulfates


কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাইটানিয়াম ও সিলভার ধাতুও দেখা যায়।


🕰️ বছরের কোন সময়ে দেখা যায়?

সাধারণত জুলাই থেকে আগস্ট মাসে এই দৃশ্যপট দেখা যায়।


শুকিয়ে যাওয়ার সময়কাল মাত্র কয়েক ঘণ্টা থেকে এক-দুই দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়, এরপর বৃষ্টির কারণে আবার ঢেকে যায়।


🛑 পর্যটনের সময় সতর্কতা:

Spotted Lake একটি পবিত্র আদিবাসী এলাকা। সেখানে যাওয়ার জন্য অনুমতি প্রয়োজন হতে পারে, এবং সীমিত এলাকায় প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়।

গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্থানের সাথে মুসলিমদের যু*দ্ধের ভবিষ্যতবাণী ▬▬▬▬✪✪✪▬▬▬

 গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্থানের সাথে মুসলিমদের যু*দ্ধের ভবিষ্যতবাণী

▬▬▬▬✪✪✪▬▬▬

প্রশ্ন (১/৪১) : ‘গাযওয়াতুল হিন্দ’ নামে এক যু*দ্ধের কথা কোন কোন বক্তা প্রচার করে থাকেন। উক্ত যু*দ্ধের সত্যতা ও বিবরণ সম্পর্কে জানতে চাই। 

এছাড়া আরেক শতাব্দী পর মুসলমানরা ইসলামী খেলাফত ফিরে পাবে মর্মে কোন ভবিষ্যদ্বাণী আছে কি?


উত্তর: 

‘গাযওয়াতুল হিন্দ’ নামে এক যু*দ্ধের বর্ণনা বিভিন্ন হাদীছে রয়েছে, যার মধ্যে একটিমাত্র ছহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে। যেমন:


 ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন:


عِصَابَتَانِ مِنْ أُمَّتِي أَحْرَزَهُمَا اللَّهُ مِنْ النَّارِ : عِصَابَةٌ تَغْزُو الْهِنْدَ ، وَعِصَابَةٌ تَكُونُ مَعَ عِيسَى بْنِ مَرْيَمَ عَلَيْهِمَا السَّلَام

 ‘আমার উম্মতের দু’টি দল রয়েছে যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। তাদের একটি দল হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। আরেকটি দল যারা ঈসা (আঃ)-এর পক্ষে থাকবে’ (নাসাঈ হা/৩১৭৫; আহমাদ হা/২২৪৪৯; ছহীহাহ হা/১৯৩৪)। 


উপরোক্ত হাদীছে হিন্দুস্থানের যে যুদ্ধে বিজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী রাসূল (ছাঃ) করেছিলেন, তা ইতিমধ্যে ঘটে গেছে। কেননা মুসলমানগণ হিন্দুস্থানে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেছেন। যেমন:


➤ ওমর (রাঃ)-এর খেলাফতকালে সর্বপ্রথম ১৫ হিজরীতে ওছমান বিন আবুল ‘আছের নেতৃত্বে একটি সেনাদল প্রেরিত হয়। যারা হিন্দুস্থানের থানা, ব্রূছ ও দেবল বন্দরে সফল অভিযান পরিচালনা করেন। থানাকে বর্তমানে মুম্বাই, ব্রূছকে গুজরাট এবং দেবলকে করাচী বলা হয়। তারা এ সময় ‘সরনদীব’ জয় করেন। যাকে বর্তমানে শ্রীলঙ্কা বলা হয় (আতহার মুবারকপুরী, আল-ইক্বদুছ ছামীন ফী ফুতূহিল হিন্দ (কায়রো : দারুল আনছার, ২য় সংস্করণ ১৩৯৯ হি./১৯৭৯) ১/২৬, ৪০, ৪২, ৪৪)। 


➤ অতঃপর মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর খেলাফতকালে (৪১-৬০ হি.) হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ পরিচালিত হয় (আল-বিদায়াহ ৬/২২৩)। 


➤ এরপর ৯৩ হিজরীতে খলীফা ওয়ালীদ বিন আব্দুল মালিকের আমলে (৮৬-৯৬ হি.) মুহাম্মাদ বিন কাসেম ছাক্বাফী-র নেতৃত্বে সিন্ধু ও হিন্দুস্থান বিজিত হয় (আল-বিদায়াহ ৯/৭৭, ৯৫; আল-ইক্বদুছ ছামীন ১/১৪১-৪২)। 


➤ এছাড়া ৫ম শতাব্দী হিজরীর প্রথম দিকে গযনীর সুলতান মাহমূদ (৩৮৮-৪২১ হি.) হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি ভারতের বিখ্যাত সোমনাথ মন্দিরে প্রবেশ করে সকল মূর্তি ভেঙ্গে চুরমার করেন। অতঃপর বিজয়ী হয়ে ফিরে আসেন (আল-বিদায়াহ ৬/২২৩, ১২/৩০; আহলেহাদীছ আন্দোলন ২০৬-২০৮ পৃ.)।


অপরপক্ষে হযরত আবু হুরায়রাহ, কা‘ব ও ছাফওয়ান বিন ‘আমর (রাঃ) থেকে দুর্বল সূত্রে এ বিষয়ে কিছু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে যে, ‘হিন্দুস্থানের নেতাদেরকে মুসলিম সেনারা বেড়ীবদ্ধ অবস্থায় শামে নিয়ে যাবে। অতঃপর ঈসা (আঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করবে’। যেগুলির সবই যঈফ।


 (নাসাঈ হা/৩১৭৩-৭৪; আহমাদ হা/৭১২৮; হাকেম হা/৬১১; নু‘আঈম বিন হাম্মাদ, আল-ফিতান হা/১২০২, ১২১৫, ১২৩৬)। 

এসকল যঈফ বর্ণনা থেকে অনেকে ধারণা করেন যে, এই গাযওয়াতুল হিন্দ ক্বিয়ামতের পূর্বকালে সংঘটিত হবে। 


🔰 দ্বিতীয়ত, ক্বিয়ামতের পূর্বে ইমাম মাহদীর মাধ্যমে ইসলামী খেলাফত পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হবে এবং যা সাত বছর অব্যাহত থাকবে-মর্মে রাসূল (ছাঃ)-এর ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে (আবূদাঊদ হা/৪২৮৪-৮৫; মিশকাত হা/৫৪৫৩-৫৪; ছহীহাহ হা/১৫২৯)। তবে সেই খেলাফত এখন থেকে এক শতাব্দীকাল পর প্রতিষ্ঠিত হবে, এমন কোন সময়সীমা নির্দিষ্ট করার সুযোগ নেই। আল্লাহু আলাম

[মাসিক আত-তাহরীক, ২২তম বর্ষ, ২য় সংখ্যা, নভেম্বর ২০১৮-অনলাইন ভার্সন]


উল্লেখ্য যে, ইতেপূর্বে একাধিকবার রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভবিষ্যতবাণী বাস্তবায়িত হলেও কিয়ামতের পূর্বে আবারও গাযওয়াতুল হিন্দ হবে না তা বলার সুযোগ নেই। অর্থাৎ কিয়ামতের পূর্বে আবারও তা সংঘটিত হতে পারে। সে যু*দ্ধে আল্লাহ তাআলা মুসলিমদেরকে বিজয় দান করবেন বলে আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করি যেভাবে ইতোপূর্বে ভারতের ভীতু হি*ন্দুদের উপর বীর মুসলিমদেরকে বিজয় দান করেছিলেন। 

হে আল্লাহ, তুমি ভারতবর্ষের মুসলিমদের ঈমানী শক্তি বৃদ্ধি করো, যেন তারা অত্যাচারী হি*ন্দুদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পায় এবং পুনরায় ভারতের সর্বত্র অতীতের মত ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করতে পারে। আল্লাহুম্মা আমীন।

▬▬▬▬✪✪✪▬▬▬

সংকলনে (সামান্য পরিমার্জন ও সংযোজন সহ):

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)

দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

#abdullahilhadi

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।  তারিখ: ১০-০৫-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। 

তারিখ: ০৯-০৫-২০২৫ খ্রি:।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১০-০৫-২০২৫ খ্রি

সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১০-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ - আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে আইন কোন সমস্যা নয় - ফেসবুক পোস্টে বললেন আইন উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে - প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর বিবৃতি।


ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সংবিধানকে নিজেদের দলীয় সংবিধানে পরিণত করেছিল বিধায় সংবিধান সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই - মন্তব্য করলেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী সোমবার দাখিল করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা - জানালেন চিফ প্রসিকিউটর।


নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র গ্রেফতার ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ।


গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সংঘাতে একে অপরের ভূমিতে ড্রোন ও কামান হামলা অব্যাহত রেখেছে ভারত ও পাকিস্তান ।


ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি জাতি নি 


ভারতের অরুণাচলে সাফ অনুর্ধ্ব-১৯ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে ড্র।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...