এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১০-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১০-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ - আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে আইন কোন সমস্যা নয় - ফেসবুক পোস্টে বললেন আইন উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে - প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর বিবৃতি।


ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সংবিধানকে নিজেদের দলীয় সংবিধানে পরিণত করেছিল বিধায় সংবিধান সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই - মন্তব্য করলেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী সোমবার দাখিল করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা - জানালেন চিফ প্রসিকিউটর।


নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র গ্রেফতার ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ।


গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সংঘাতে একে অপরের ভূমিতে ড্রোন ও কামান হামলা অব্যাহত রেখেছে ভারত ও পাকিস্তান ।


ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি জাতি নিধনের অভিযোগ আনলো জাতিসংঘ।


ভারতের অরুণাচলে সাফ অনুর্ধ্ব-১৯ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে ড্র।

জেনে নিন!,,,,,

 জেনে নিন!

১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।  যে কোন শ্রেণীর অধ্যায় এর শিখন ফল জানতে 

২. gemini.google.com প্রশ্ন তৈরি করতে পারে 

৩. school.ai  , school ai.com

Math solve bar 

৪. Claude.ai

৫. typing.com , typingtest.com ,  typingtestbangla.com লেখার স্পীড দেখার জন্য 

৬.deepseek apps ,  photomath  apps গণিত সমাধান করার জন্য 

৭. gamma app   power point presentation 

৮. Screen stream  মোবাইল লেপটপে কানেকশন দেওয়ার জন্য 

৯. Geogebra.ai স্থানাংক সমস্যা সমাধান

১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।  

১১. mathway.com  ত্রিকোণমিতি সমস্যা সমাধান 

১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।  

১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।  

১৪. light shot install  লেপটপে screenshot নেওয়ার জন্য 

১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।  

১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।  

১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।  

১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।  

১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।  

২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।  

২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।  

২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।  

২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।  

২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।  

২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।  

২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।  

২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।  

২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।  

২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।  

৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।  

৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।  

৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।  

৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।  

৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।  

৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।  

৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।  

৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।  

৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।  

৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।  

৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।  

৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।  

৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।  

৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।  

৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।  

৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।  

৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।  

৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।  

৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।  

৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।  

৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

৫১. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।

৫২. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।

৫৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।  

৪৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।  

৫৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।  

৫৬. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।  

৫৭. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে। 

৫৮.Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।  

৫৯. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।  

৬০. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।  

এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।

©

মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫

দাঁতের পোকা আসলে কী ?

 দাঁতের পোকা আসলে কী ?

=================

আমাদের দেশে দাঁতের ক্ষয় বা গর্ত হওয়াকে অনেকেই দাঁতের পোকা বলে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা শত চেষ্টায়ও দাঁতের পোকার অস্তিত্ব খুঁজে পাননি।

তাহলে দাঁতের এই পোকা আসলে কী? সাধারণত চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাদ্য আমাদের মুখের ভেতরে একধরনের জীবাণুর সঙ্গে মিশে অ্যাসিড তৈরি করে। এই অ্যাসিড দাঁতের ওপরের শক্ত আবরণ এনামেলকে ক্ষয় করে এবং পরে গর্তের সৃষ্টি করে। এ রোগের নাম ডেন্টাল ক্যারিজ।


চিনিমিশ্রিত দুধ বা অন্যান্য মিষ্টিজাতীয় খাদ্য গ্রহণের পর দাঁতের গায়ে এনামেলের ওপর যে আবরণ সৃষ্টি হয়, তার নাম পেলিক্যাল। এই পেলিক্যালকেই বলা হয় ডেন্টাল প্ল্যাক বা দন্তমল। লাখ লাখ জীবাণুযুক্ত দন্তমলই শিশুদের ডেন্টাল ক্যারিজ বা দাঁত ক্ষয় রোগের প্রধান কারণ।


শিশুদের দাঁত ওঠার পর যেকোনো সময় দাঁত ক্ষয় হতে পারে। এ থেকে ঘন ঘন জ্বর, দাঁতব্যথা, টনসিলের প্রদাহ ইত্যাদি হয়। দাঁতে পোকা হওয়া সত্যি শিশুদের জন্য বড় একটি সমস্যা।


রক্ষা পাওয়ার উপায়ঃ

দাঁত শক্ত ব্রাশ দিয়ে জোরে জোরে ঘষলেই দন্তমল পরিষ্কার হয় না। এর জন্য সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ও মাড়ি ব্রাশ করার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। অর্থাৎ, দাঁত ও মাড়ির ওপর-নিচে ও চারপাশে সঠিক পদ্ধতিতে নিয়মিত দুবেলা পরিষ্কার করতে হবে যেন খাদ্যদ্রব্য এর গায়ে বা মাড়ির ফাঁকে লেগে না থাকে।


দাঁত ও মাড়ি পরিষ্কার না থাকলে বহুদিন জমে থাকা দন্তমল নরম মাড়িতে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং সামান্য আঘাতেই রক্ত বের হয়ে আসতে পারে। কোনো কিছু দেখা বা বোঝার আগেই এই প্রদাহ শুরু হয়ে যেতে পারে। তাই হঠাৎ একদিন সকালে দাঁত ব্রাশ করার সময় শিশু দাঁতব্যথায় কাঁদতে শুরু করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। যেসব শিশু ফিডার দিয়ে দুধ খায় বা ঘুমের মধ্যেও ফিডার মুখে দিয়ে রাখে, তাদের মধ্যে দাঁত ক্ষয় বেশি হয়।


শিশুদের চিনিজাতীয় বা মিষ্টি খাদ্য খাওয়ার পর কুলকুচা করা বা প্রয়োজনে দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস করান। সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করতে শেখান। বেশির ভাগ ডেন্টাল ক্যারিজ খালি চোখে দেখা যায় না। ব্যথা শুরু হলেই চিকিৎসক দেখানো ছাড়া নিয়মিত মুখ ও দাঁত পরীক্ষা করানো উচিত; বছরে অন্তত দুবার।

দুধদাঁত পড়ে যাবে বলে অনেকের ধারণা, এর বেশি যত্ন নেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু দুধদাঁত সুস্থভাবে না পড়লে স্থায়ী দাঁত সঠিক অবস্থানে আসে না।


পোস্টটি সম্পর্কে অপরকে জানাতে শেয়ার করুন।ধন্যবাদ।

 এই অন্তর্বর্তী সরকার যে কত রহস্যজনক বিষয়ে হাত দিচ্ছে, ভাবলে মাঝে মাঝে অবাক হতে হয়।

 এই অন্তর্বর্তী সরকার যে কত রহস্যজনক বিষয়ে হাত দিচ্ছে, ভাবলে মাঝে মাঝে অবাক হতে হয়।


আজ থেকে কয়েকশো বছর আগে অন্ধ্র প্রদেশের একটি গুহা থেকে বেরিয়ে এলো ছোট্ট এক খণ্ড পাথর। কিন্তু সেই খণ্ড থেকে এমন আলো ছড়াচ্ছিল, মনে হচ্ছিল পরাবাস্তব কিছু একটা চোখের সামনে। এটির নাম দেয়া হলো, দরিয়া-ই-নূর। অর্থ আলোর সাগর।


দরিয়া-ই-নূর এক রহস্যজনক হীরা। যা বাংলাদেশে থাকলেও এখনও কোন বাংলাদেশি হীরাটিকে দেখেনি।


ধারণা করা হয়, পৃথিবীর মহামূল্যবান হীরা ‘কোহিনুর’ যেখান থেকে পাওয়া গিয়েছিল, একই জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছিল দরিয়া-ই-নুর। তাই স্বাভাবিকভাবেই দরিয়া-ই-নূরের মূল্য অনেক বেশি। ডিজিটাল আর্কাইভ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অন রেকর্ডের তথ্য বলছে, দরিয়া-ই-নূর হীরা দীপ্তি ও স্বচ্ছতায় অতুলনীয়। এটি মিনা করা সোনার ওপর বসানো প্রথম শ্রেণির বিশুদ্ধ একটি টেবিল কাটের হীরা। এর চারপাশে ১০টি মুক্তাও বসানো আছে। এই তথ্যের সত্যতা মেলে ১৮৫১ সালের ৩১ মে ‘দ্য ইলাস্ট্রেটেড লন্ডন নিউজ’–এ প্রকাশিত দরিয়া-ই-নূরের একটি ছবি থেকে।


প্রথমে হীরাটি ছিল মারাঠা রাজাদের কাছে। তারপর হীরাটি হায়েদ্রাবাদের নবাব বংশের লোকেরা প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নেয়। তারাও বেশিদিন হীরাটি রাখতে পারেননি, দরিয়া-ই-নুর চলে যায় পারস্য সম্রাটের কাছে। মজার ব্যাপার হলো, পারস্য সম্রাটের কাছ থেকেও হাতছাড়া হয়ে যায় হীরাটি। পাঞ্জাবের রাজা রনজিৎ সিং দখল করে নেয় পারস্য সম্রাটের অনেক কিছুই, যার মধ্যে ছিল দরিয়া-ই-নুর।


১৮৪৯ সালে ব্রিটিশরা যখন পাঞ্জাব দখল করে, তখন পাঞ্জাবের রাজা রনজিৎ সিংয়ের কোষাগার থেকে ব্রিটিশরা লুট করে নেয় কোহিনুর ও দরিয়া-ই-নুর। ব্রিটিশ সরকারই প্রথম এই হীরা বিষয়ের নথিগুলো বিশ্লেষণ করেন এবং হীরার পূর্বের ঐতিহাসিক গতিপথ খুঁজে পান।


ব্রিটিশরা হীরাটি দখলে নেয়ার এক  বছর পর ১৮৫০ সালে রানী ভিক্টোরিয়ার সম্মানার্থে কোহিনুর হীরার সঙ্গে দরিয়া-ই-নূরকে লন্ডনে পাঠানো হয়। কিন্তু ব্রিটিশ রাজপরিবার কোহিনুর সম্পর্কে অতি আগ্রহী হলেও, দরিয়া-ই-নুরের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ ছিল কম। তাই দুই বছর পরেই ১৮৫২ সালে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে কলকাতার হ্যামিল্টন অ্যান্ড কোম্পানি দরিয়া-ই-নুর হীরাটিকে নিলামে তোলে। সেই নিলামে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন, যিনি বাংলাদেশে এই হীরাটির ভবিষ্যৎ ঠিকানা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন।


ঢাকার নবাব খাজা আলিমুল্লাহ সেই ব্রিটিশ রাজপরিবারের নিলাম থেকে দরিয়া-ই-নুর কেনেন এবং সেটা নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসেন। তারপর থেকে ঢাকার নবাব পরিবারের কাছেই ছিল রহস্যময় হীরাটি।


রহস্যের ঘনঘটা শুরু হয় ১৯০৮ সালের দিকে। নবাব পরিবার তখন ভগ্নদশায়। আর্থিক সংকটে পড়ে আসাম সরকার থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা ঋণ নেয় ঢাকার নবাব পরিবার। তখন বন্ধক হিসেবে ১০৯টি মূল্যবান রত্ন আসাম সরকারের কাছে রাখতে হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল দরিয়া-ই-নুর।


সেই ঋণ ঢাকার নবাব পরিবার আজও শোধ করতে পারেনি। তাই এই হীরাটি আর কখনও ফিরে পায়নি তারা।


কিন্তু হীরাটি যেহেতু একটি সরকারের কাছে বন্ধক ছিল, তাই এটি একসময় চলে যায় সরকার শাসিত ব্যাংকের ভল্টে। প্রথমে ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কাছে থাকলেও ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তা চলে আসে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তানের কাছে। কিন্তু ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর সেই হীরাটি চলে আসে সোনালী ব্যাংকের ভল্টে।


রহস্যময় বিষয় হলো, ১৯০৮ সালে বন্ধক দেয়ার জন্য দরিয়া-ই-নুর নবাব পরিবার থেকে বের হওয়ার পর থেকে, ১১৭ বছরে আর কখনও দেখা যায়নি হীরাটিকে। তাই সোনালী ব্যাংকের ভল্টে থাকা দরিয়া-ই-নুর আদৌ আছে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।


ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার পর সরকারি বিভিন্ন অধিদপ্তর যেভাবে স্থানান্তর হয়েছে, সে হিসেবে দরিয়া-ই-নুরের দেখভাল করার কথা ভূমি মন্ত্রণালয়ের। আরও সহজভাবে বললে, দরিয়া-ই-নূর স্বাধীন বাংলাদেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন রয়েছে। কিন্তু সোনালী ব্যাংকে আদৌ দরিয়া-ই-নূর হীরাটি অক্ষত আছে কিনা তা ভূমি মন্ত্রণালয় কয়েকবার দেখার উদ্যোগ নিলেও, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তা কখনই সম্ভব হয়নি।


আমরা ধরেই নিয়েছিলাম, সোনালী ব্যাংক থেকে বহু আগেই দরিয়া-ই-নূর বেহাত হয়ে গেছে। কিন্তু ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সোনালী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোর কাছে স্বীকার করেন যে, অন্তত ১০ বছর আগে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় একটি প্যাকেট খুব গোপনে স্থানান্তর করা হয়েছিল, যার উপরে লেখা ছিল ‘দরিয়া-ই-নূর’।


ভূমি মন্ত্রণালয়ের রেকর্ড থেকে পাওয়া তথ্য সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তার বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের রেকর্ড বলছে, ঢাকার নবাব পরিবারের সম্পত্তিগুলো রাখা ছিল সোনালী ব্যাংকের সদরঘাট শাখায়, যেহেতু নবাব বাড়ি এদিকেই। কিন্তু ২০১১ সালে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ঢাকার নবাবদের সেই সম্পত্তিগুলো সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় স্থানান্তর করা হয়।


তাহলে কি দরিয়া-ই-নূর এখনও আছে ঢাকায়?


দরিয়া-ই-নূরের রহস্য উন্মোচন করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। জানা গেছে, ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে জোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে দরিয়া-ই-নূর হীরাটির অস্তিত্ব বের করার জন্য। যদিও সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, স্বাধীন বাংলাদেশের কেউই এই হীরাটিকে চেনেন না। এমনকি ১১৭ বছর ধরে হীরাটি তার বাক্স থেকে খোলা হয়নি।


তবে অন্তর্বর্তী সরকারের এই উদ্যোগ বিষয়ে একটা টুইস্ট দিয়ে লেখাটি শেষ করছি। ২০১৮ সালে প্রথম আলোতে দরিয়া-ই-নূরের ইতিহাস নিয়ে একটি প্রবন্ধ লেখেন একজন ভদ্রলোক। সেই প্রবন্ধে দরিয়া-ই-নুরের রহস্যময় উপস্থিতি ও ইতিহাস নিয়ে বিস্তারিত লেখা হয়, সাথে এও লেখা হয় ভূমি মন্ত্রণালয়ের উচিত এই রহস্যকে সামনে আনা। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সেই ভদ্রলোক, যিনি ২০১৮ সালে প্রথম আলোতে দরিয়া-ই-নূরের রহস্য নিয়ে লিখেছিলেন।


লেখা: জুবায়ের ইবনে কামাল,

সাংবাদিক

সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

সতর্ক থাকুন 📌বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র পরিসরে আমরা কয়েকটি কাজ করতে পারি। যেমনঃ

 সতর্ক থাকুন


📌বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র পরিসরে আমরা কয়েকটি কাজ করতে পারি। যেমনঃ


✅নিজেদের অনাবাদী জমি চাষের উপযোগী করে সেখানে ফসল ও অন্যন্য বীজ রোপন করা।

✅সম্ভব হলে আগে থেকেই শুকনো খাবার, চাল, ডাল, পিয়াজ ইত্যাদি ও বিভিন্ন বীজ সংরক্ষণ করে রাখা। 

✅প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সংগ্রহ ও প্রাথমিকভাবে গাছগাছড়ার চিকিৎসা শিখে রাখা। 

✅বাড়ির আশপাশের পতিত জমিতে শাক-সবজি, আলু-মরিচ, পেঁপে-লাউ ইত্যাদির চারা লাগানো।

✅সামর্থ্য অনুযায়ী গরু-ছাগল-মহিষ পালনের ব্যবস্থা করা।

✅তবে ছাগল পালনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে আগামীর দিন গুলোর জন্য। যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ছাগল পালন করতে হবে। 

✅বাড়ির পাশে পুকুর কেটে মাছ চাষ করা। ওয়াসা বা মটরচালিত পানিব্যবস্থার ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে কুয়ো, টিপাকল বা নলকূপ বসানো। পানি ফুটিয়ে পান করা। 

✅বিদ্যুৎ এর জন্য আপনারা সৌরচালিত বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারেন। বা এটাকে জীবন থেকে বাদ দিতে পারাই সর্বোত্তম ইনশাআল্লাহ । 

✅টর্চ লাইট, ব্যাটারি, কেরোসিন তেল, বাতি, মোম, হারিকেন ইত্যাদিও রাখা দরকার। 

✅বর্তমানের ক্যাশ টাকা, না ব্যাংকে রাখা নিরাপদ আর না ঘরে রাখা। এগুলোকে সম্পদে রুপান্তর করা তথা স্বর্ণ হিসেবে কিনে রাখা। 

✅বিশ্বে সম্ভবত শীঘ্রই ডলারব্যবস্থা বাতিল হতে পারে। আর এটা হলে পুরো বিশ্বে যে কী হবে, তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ডলার ও ক্যাশ টাকার পরিবর্তে তা সোনা-রোপায় রুপান্তর করা অনেক অনেক সুবিধাজনক উপায় এবং মহাযুদ্ধের আগে আপনাকে অবশ্যই এটা করতেই হবে।


🔴এগুলো তো দুর্ভিক্ষকালীন ভালো থাকার জন্য জাগতিক কিছু হিসাব-কিতাব। কিন্তু এ সময়ে সবচেয়ে কঠিন হবে, মানুষের ঈমান রক্ষা করা। সময়টা হবে খুবই করুণ ও নাজুক। একদিকে জীবনের তাগিদ, আরেকদিকে ইমানের দাবি।


খুব কম লোকই তখন নিজেদের ইমান হিফাজত করতে সক্ষম হবে। 


দুর্ভিক্ষে মারা গেলে তো বেশির চেয়ে বেশি দুনিয়া বরবাদ হবে। কিন্তু ঈমান হারালে দুনিয়া-আখিরাত সবই বরবাদ হয়ে যাবে। তাই ঈমান বাঁচানোর জন্য  এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন। সামনের দিনগুলোতে আর কোনো আরামের ঘুম নাই।


একদিকে শান্ত হবে তো অন্যদিকে ফিৎনা উত্তাল হয়ে উঠবে।


এখন থেকে শুরু করে ইমাম মাহদী পর্যন্ত পৃথিবীতে অস্থিরতা বিরাজ করবে। মহামারী, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃত্রিম বিশৃঙ্খলা, যুদ্ধ, রক্তপাত, দুর্ভিক্ষ, আসমানী আযাব, সহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।


⭕বিধায়, সবাই কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে একতাবদ্ধ হউন, উপযুক্ত ইলম অর্জনের পাশাপাশি ইবাদতে মনোযোগী হোন, বেশি বেশি জিকির করুন।  শারীরিক মানসিক আর্থিক সহ সবরকম প্রস্তুতির এখনই সময়, বাকি বিশ্বে মালহামা ঘটতে থাকলেও আমার-আপনার উপর হি-ন্দ হতে চলেছে, যেখানে অংশগ্রহণ আমাদের উপর ফরজ, মর‍তে তো হবেই ভাই, পালিয়ে পিঠে আঘাত খেয়ে মুনাফিকির মৃত্যু কেন যেখানে বুকের রক্ত বহিয়ে শ্রেষ্ঠ শাহাদাতের মর্যাদা অর্জনের সুযোগ হাতছানি দিচ্ছে? এটা তখনই পাবেন যখন আপনি এর যোগ্য হবেন, নেক নিয়তে চাওয়ার পাশাপাশি কর্মে নিজেকে প্রস্তুত রাখবেন, বিধায় স্টেপ নিন, আর কত ঘুমাবেন?

#save_repost।

✍️সোলো ইবদুল

 প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর মাতা মা আমেনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত- ‘যখন বিশ্বনবী আমার গর্ভে এসেছিল তখ

 প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর মাতা মা আমেনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত- ‘যখন বিশ্বনবী আমার গর্ভে এসেছিল তখন থেকেই এক টুকরো মেঘ সৃষ্টি হয়েছিল। 


আমি যেখানেই যেতাম ওই মেঘের টুকরা আমাকে ছায়া দিতো। আমি যখন বকরি আর ভেড়াগুলো চড়াতে নিয়ে যেতাম, তখন সেগুলো নিজে নিজেই আমার পেছনে পেছনে চলে আসতো।


যখন আমি পাহাড়ের পাশ দিয়ে হাঁটতাম, তখন পায়ের নিচের পাথরগুলো তুলোর মতো নরম হয়ে যেতো। কূয়ার কাছে যখন পানি আনতে যেতাম, কুয়ার পানি নিজ থেকেই উপরে উঠে আসতো।


যেন খুব সহজেই কূয়া থাকে পানি সংগ্রহ করতে পারি। আমি যখন ঘুমাতে যেতাম, তখন জান্নাতি হুর আমাকে বাতাস করতো।


আর প্রতিদিন ঘুমের মধ্যে একজন নবী এসে আমাকে সুসংবাদ জানাতেন। তিনি বলতেন যে আপনাকে সুসংবাদ জানাচ্ছি। আপনি আখেরি নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর অয়ালিদা অর্থ্যাৎ মাতা হতে চলেছেন’, সুবাহান্নাল্লাহ…

ডাঃ দেবী শেঠী বললেন- সোয়াবিন খাওয়ার বা রান্নার তেল নয়-

 ✅ ডাঃ দেবী শেঠী বললেন-

সোয়াবিন খাওয়ার বা রান্নার তেল নয়-

সোয়াবিন একটা কেমিকেল বিশেষ-

শরীরের জন্য একটা বিষ। যা' হৃদযন্ত্রের জন্য বিশেষ ক্ষতিকর। সোয়াবিন বর্জন করুন-হার্টে ব্লক হবেনা। হার্ট সুস্হ রাখতে চাইলে-শরীরে যেন সোয়াবিন না ডুকে।


আর্টারীগুলো রক্ত সন্চালনে বাধাঁপ্রাপ্ত হয়।

সোয়াবিন ছাড়ুন-

তেল ছাড়া রান্না করতে শিখুন-

জীবন দীর্ঘায়ু হবে-

শরীর নিরোগ থাকবে?

তেল নামক স্লো পয়জনটির দাম -

কেজি ৪০০ টাকা হলে খুশী হতাম। 


 আগেকার দিনে সাপ্তাহিক বাজার থেকে-

 কাঁচের শিশিতে এক ছটাক / আধ পোয়া তেল কিনে সপ্তাহ পার করতেন মা ঠাকুম্মারা। 

তখন হার্ট,  প্রেসার, গ্যাস্ট্রিক আর-

 ডায়াবেটিস, ব্লক, স্ট্রোকও ছিল না এত। 

 ৯০/১০০ বছর কুঁজো হয়ে বেঁচেছিল মানুষ। 


এখন মাসে ৫- ৮ লিটারেও কুলায় না এখন। তাই এসব  রোগে ৪০/৫০ বছর বয়সে নোটিশ ছাড়া মরছে।


 এবার অন্তত একটু কম তেলে রান্না শিখুন-

মানুষের আয়ু বাড়ুক,কম তেলে রান্নার প্রতিযোগিতা চলছে বিশ্বময়। হাটুন- হাসুন, জীবনটা হাতের মুঠোয়।


সুস্হ দেহে সুস্হ জীবন-

শতায়ু আপনার হাতের মুঠোয়-

হাসির অভ্যাস জীবনকে আনন্দঘন করবে।


ডাঃ, কাজল কান্তি দাশ

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কিডনী ও হৃদরোগ।


৭/৫/২০২২.

১চামচ প্যারাসিটামল ই কেড়ে নিল বিয়ের ১০বছর পর অজস্র নির্ঘুম রাতের কান্নার ফসল ১বছরের একমাত্র ছোট্ট সোনামণি কে। 

 🗣️১চামচ প্যারাসিটামল ই কেড়ে নিল বিয়ের ১০বছর পর অজস্র নির্ঘুম রাতের কান্নার ফসল ১বছরের একমাত্র ছোট্ট সোনামণি কে। 


🎴পৃথিবী কতো নিষ্ঠুর❗ 


🔴ভাবতে পারেন,

কতো দোয়া,দয়া আর আবেগের ধন।

খবর শোনার সাথে সাথে চোখের কোনে পানি জমে গেল।

নির্বাক,স্তব্ধ মা-বাবা। চোখে পানি নাই।শুধু হাউমাউ করে মা।পৃথিবীর সব জ্ঞান,ডিগ্রী, টাকা,যোগ্যতা সব কিছু তার কাছে অর্থহীন।বাচ্চার প্রত্যেকটা কাশি মায়ের কলিজায় গিয়ে লাগে।বার বার আয়নায় তাকানো সেই মা কবে দর্পনে নিজের চেহারা দেখেছে তা মনে পড়েনা।সন্তানের কান্না থামাতে না পেরে মা বেপরোয়া হয়ে মাঝেমধ্যে ফুপিয়ে কাদতে শুরু করে।মায়ের কাছে সন্তানের চেয়ে দামি কিচ্ছু নাই।নাই নাই। 


✅বলছিলাম চিকিৎসক মায়ের সন্তান হারানোর বেদনার কথা।অসুস্থ সন্তানের জ্বর।বুকের সাথে জুড়ানো সন্তানের গায়ের তাপে মা উদ্ধিগ্ন। জ্বর কমানোর জন্য ১ চামচ প্যারাসিটামল খাওয়াতে গিয়ে তা দুর্ভাগ্যক্রমে ডুকে যায় ফুসফুসে।

তারপর কাশি,শ্বাসকষ্ট, জ্বর, আইসিইউ.......

সব শেষে সাদা কাপড়ে মোড়ানো কফিনে❗ 


🟥বাচ্চাদের সিরাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন-

১)ঘুমের মধ্যে ওষুধ খাওয়াবেন না।

২)বেশি পরিমাণ ওষুধ এক সাথে মুখে দিবেন না।

৩)অনেকগুলো ওষুধ এক সাথে পর পর দিবেন না।

৪)কাশি দেওয়া অবস্থায় ওষুধ খাওয়াবেন না। 

৫)অতিরিক্ত কান্নাকাটির সময় ওষুধ দিবেন না। 


(ছবি প্রতিকীরূপে)


#বেবিসাপোর্ট 

#নার্সভিক্টোরি 

#foryoupage 

#viralpost 

#Life dream of BD Nurse

শ্বেতী রোগ (Vitiligo): কারণ, উপসর্গ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ – বিস্তারিত জানুন!

 শ্বেতী রোগ (Vitiligo): কারণ, উপসর্গ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ – বিস্তারিত জানুন!

শ্বেতী বা ভিটিলিগো (Vitiligo) হলো এক ধরনের ত্বকের রোগ, যেখানে শরীরের নির্দিষ্ট অংশে ত্বক তার স্বাভাবিক রং হারিয়ে ফেলে এবং সেখানে সাদা দাগ দেখা যায়। এই রোগ শারীরিকভাবে ব্যথাদায়ক না হলেও মানসিক কষ্ট ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির কারণ হতে পারে।


⭐ শ্বেতী রোগ কেন হয়?

শ্বেতী রোগে ত্বকের রঙ তৈরি করে এমন কোষ মেলানোসাইট ধ্বংস হয়ে যায়। এর সঠিক কারণ এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি, তবে কিছু সম্ভাব্য কারণ হলো:


🚨 অটোইমিউন রিঅ্যাকশন: শরীর নিজের কোষের বিরুদ্ধেই প্রতিক্রিয়া করে।

🚨 জেনেটিক কারণ: পারিবারিক ইতিহাস থাকলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

🚨স্নায়বিক সমস্যা বা মানসিক চাপ।

🚨 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অসামঞ্জস্যতা।

🚨কিছু ক্ষেত্রে সানবার্ন, রসায়নজাত দ্রব্য, বা চর্মে প্রদাহ থেকেও শুরু হতে পারে।


⭐ উপসর্গগুলো কী কী?


💿 ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে দুধের মতো সাদা দাগ।

💿 মুখ, হাত, পা, ঠোঁট, চোখ, নাকের চারপাশে বেশি দেখা যায়।

💿 সাদা দাগের আশেপাশে রং হালকা হয়ে যেতে পারে।

💿 কখনও কখনও চুলও সাদা হয়ে যায় (বিশেষ করে দাগের ওপর)।

💿 চুলকানি বা জ্বালাভাব সাধারণত থাকে না, তবে মানসিক অস্বস্তি হয়।


চিকিৎসা ও ওষুধ – বিস্তারিত:

শ্বেতী রোগের স্থায়ী চিকিৎসা এখনো নেই, তবে নিয়মিত চিকিৎসায় দাগের রং অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:


⭐ওষুধ:


💊 Topical corticosteroids – ত্বকে ব্যবহারের জন্য।

💊Calcineurin inhibitors (Tacrolimus) – চোখ, মুখের মতো সংবেদনশীল স্থানে।

💊 Depigmentation agents – যদি রোগ বিস্তৃত হয় এবং অবশিষ্ট ত্বককে সাদা করতে চান।


⭐আলো থেরাপি (Phototherapy):


🫵 Narrowband UVB Therapy – নিয়মিত UVB আলো প্রয়োগে মেলানিন উৎপাদন বাড়ানো যায়।

🫵 PUVA Therapy – UVA লাইট ও ওষুধের সম্মিলিত ব্যবহার।


⭐সার্জিকাল চিকিৎসা:


🧑‍⚕️ Skin grafting – অন্য ত্বকের অংশ প্রতিস্থাপন করা হয়।

🧑‍⚕️ Blister grafting – ফোস্কা তুলে তা আক্রান্ত স্থানে বসানো।

🧑‍⚕️ Micropigmentation (tattooing) – চামড়ায় রঙিন পিগমেন্ট প্রয়োগ।

🧑‍⚕️ Excimer Laser Therapy:

আধুনিক প্রযুক্তি যা ক্ষুদ্র অঞ্চলকেন্দ্রিক চিকিৎসার জন্য কার্যকর।


⭐প্রতিরোধের উপায়:


🕸️ ত্বককে রোদ থেকে রক্ষা করা।

🕸️ মানসিক চাপ কমানো।

🕸️ পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া, বিশেষ করে ভিটামিন B12, C, D ও ফলিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার।

🕸️ কোনো অ্যালার্জি বা সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেয়া।


⭐চিকিৎসা না করলে কী জটিলতা হতে পারে?


🏵️ দাগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

🏵️ রোদে পোড়া বা ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে।

🏵️ মানসিক চাপ, আত্মবিশ্বাসে ভাটা, বিষণ্ণতা দেখা দিতে পারে।

🏵️ সামাজিক দূরত্ব বা নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ভোগাতে পারে।


⭐সবচেয়ে আধুনিক চিকিৎসা কী?


🫵 Excimer laser এবং JAK inhibitors (যেমন Ruxolitinib) – বর্তমানে গবেষণাধীন ও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর প্রমাণিত।

🫵 Stem cell therapy ও gene therapy নিয়েও গবেষণা চলছে।


🙄 চিকিৎসা নিলে কি পুরোপুরি ভালো হয়?


সব রোগীর ক্ষেত্রে ফলাফল এক নয়। অনেকেই প্রায় স্বাভাবিক রং ফিরে পান, আবার কিছু ক্ষেত্রে দাগ ফিরে আসে। তবুও, সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত ফলোআপে জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত করা যায়।


🚨 আরেকটা বিষয় ক্লিয়ার করতে হবে সেটা হচ্ছে অনেকে শ্বেতী রোগকে কুষ্ঠের সাথে গুলিয়ে ফেলেন।

ত্বকে সাদা দাগ দেখলেই ভয়ে কুঁচকে যান—ভেবে নেন, এটা বুঝি কুষ্ঠ রোগ! কিন্তু আসল সত্যি হলো:

শ্বেতী (Vitiligo) ও কুষ্ঠ (Leprosy) সম্পূর্ণ আলাদা রোগ। চলুন, সহজভাবে জেনে নিই পার্থক্যগুলো:


✅ শ্বেতী রোগ:

একটি অটোইমিউন সমস্যা

ছোঁয়াচে নয়

ত্বকে শুধু সাদা দাগ হয়

দাগে অনুভূতি থাকে

এটি কোনো সংক্রমণ নয়, ভয় পাওয়ার কিছু নেই


❌ কুষ্ঠ রোগ:

ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ

ত্বকে দাগের সাথে অনুভূতি কমে যায়

ঘা, নার্ভ ক্ষতি, ও অঙ্গ বিকৃতি হতে পারে

দ্রুত চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য


পরিশেষে এতটুকু ক্লিয়ার করতে চাই

ভিটিলিগো কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। এটি নিয়ে লজ্জিত বা হতাশ হবেন না। চিকিৎসা নিন, সচেতন হোন। শ্বেতী রোগীর পাশে থাকুন, তাদের সম্মান করুন। 

শেয়ার করুন যাতে সবাই সচেতন হতে পারে।


#শ্বেতীরসত্য #VitiligoIsBeautiful

#শ্বেতীভয়নয় #LoveYourSkin

#ShobRongShundor #VitiligoAwareness

#আমিওসুন্দর #VitiligoSupport

#SkinDoesNotDefineMe #শ্বেতীরঅভিমান


© Dr Miskat Aziz

যে স্বর্ণের বিষয়টা হাইলাইট করে আপনারা মেয়েটিকে স্বর্ণলোভী বলেছেন আপনাদের কি মনে হয় না একজন বিসিএস ক্যাডার সিনিয়র এএসপির স্ত্রীর বিয়ের গহনা এখানে খুব সামান্য।একটা ধনী পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করলে নিশ্চয়ই আরো বেশি গহনা দিয়ে বিয়ে করতো

 👉যে স্বর্ণের বিষয়টা হাইলাইট করে আপনারা মেয়েটিকে স্বর্ণলোভী বলেছেন আপনাদের কি মনে হয় না একজন বিসিএস ক্যাডার সিনিয়র এএসপির স্ত্রীর বিয়ের গহনা এখানে খুব সামান্য।একটা ধনী পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করলে নিশ্চয়ই আরো বেশি গহনা দিয়ে বিয়ে করতো।সুস্মিতা গরিব বলেই পলাশের মা তাকে এদিকেও ঠকালো।শুধু এএসপির বউ হিসেবে মানসম্মান যাবে বলে এটুকু দিতে বাধ্য হলো।সুস্মিতার ছবির গলার ছোট সেটটি ও কানের দুল তার বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া।আর বিয়ে বাদে তাকে কোন প্রকার স্বর্ণালংকারও দেয়া হয়নি।সুস্মিতার ইন্টারভিউর কথাগুলো কতটুকু সত্য তা এখানেই প্রমাণ পাওয়া গেল।বিয়ের সময় কতটুকু গহণা নিয়ে এসেছে তা তাদের বিয়ের ভিডিওতেই আছে।আর এগুলোও এখন শ্বাশুড়ির দখলে।তাই স্বামী হিসেবে চাইছে পলাশ বউকে তার স্ত্রী সরূপ এই গহনাগুলো অত্যন্ত পাক যা সে শখ করে কিনেছিল তার প্রিয়তমা স্ত্রীর জন্য।তার পরিবার তার চিরকুটে লেখার কতটুকু মূল্যায়ণ করবে তারও গ্যারান্টি নেই।পলাশের জমানো সব সম্পত্তি থেকেতো সুস্মিতাকে দিবেনা কিছু তাই মৃ*তুর আগে এই চিন্তা করে গেল কারণ সে জানে তার লোভী পরিবার কেমন।টাকার মেশিন হিসেবে ইউজ করলো তাই সে সবাইকে সব বুঝিয়ে দিয়ে গেল।কিন্তু এতে ক্ষতিগ্রস্থ হলো এই অভাগী মেয়েটাই।যেই স্বামী সারাজীবনের দায়িত্ব নিয়েছিল সে এই মাঝপথে ছেড়ে চলে গেল এই সমাজের কাছে মেয়েটা দোষ না করেও দোষী হল তার সর্বস্ব হারিয়ে।অপরদিকে পলাশের সকল জমানো সম্পত্তি পেয়ে তার পরিবার কতটা উৎফুল্ল তা তার পরিবারের সদস্যের প্রকাশ হওয়া ভিডিওগুলোতেই সবাই দেখতে পাচ্ছেন বিশেষ করে পলাশের মায়ের।যে মায়ের জন্য ছেলের এত বড় আত্মত্যাগ অবশেষে জীবনবলি! এমন মা ভক্ত ছেলের না কিভাবে এত তরতাজা হয়ে মিডিয়া এক নিশ্বাসে এত গলাবাজি করছে ছেলেকে চিতায় দেয়ার পরপরই।সে কেঁদে কেঁদে আধমরা হয়ে বেড রেস্টে থাকার কথা যে তার কলি*জার ১ টা অংশ চলে গেছে আর সে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠানেই পাখা, মুড়া পেতে পুএবধুর বদনামে লেগে পড়েছে বি*শ্রি ভা*ষায়।আদরের ছেলেটা যে এত কষ্ট পেয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছে সেটার মায়া না করে এই চাপাবাজ মহিলা এখনো পড়ে আছে পুএবধুর বদনাম করা নিয়ে।ছেলে ম*রেও এই মহিলার ঝগড়া থামাতে পারলোনা!অপরদিকে স্ত্রীটা ঠিকই কেঁদে কেঁদে নিজের অবস্থা খারাপ করে ফেলছে যা তার মলিন চেহারায় ফুটে ওঠেছে এবং সে তার স্বামীর মৃ*ত্যু কষ্টটাও উপলদ্ধি করে কষ্ট পাচ্ছে।এজন্যই বলে দিনশেষে বউ ছাড়া কেউ আপন না।স্বামী মা*রা গেলে বউ একমাএ অন্তর থেকে কাঁদে নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে সঙ্গীহারা হয়ে প্রতিনিয়ত তার অভাব অনুভব করে।দেয়ালে পীঠ না ঠেকলে কিছু পুরুষ স্ত্রীর মূল্য বুঝেনা।মাকে বেশি মাথায় তুলতে গিয়ে নিজে ভবিষ্যত সন্তান ও স্ত্রীর জীবনটা শেষ করে দিল বোকা পলাশ সাহা।😔

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...