এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫

১০০ বছর চার্জ ছাড়াই চলবে! চীন আবিষ্কার করলো নিউক্লিয়ার ব্যাটারি!

 ১০০ বছর চার্জ ছাড়াই চলবে! চীন আবিষ্কার করলো নিউক্লিয়ার ব্যাটারি!


ভাবুন তো, আপনি এমন একটি স্মার্টফোন / স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করছেন যা একবার কিনেই সারা জীবনের মতো চার্জমুক্ত! এটা কি শুধুই কল্পনা? না — প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এমন কল্পনা এখন বাস্তবের খুব কাছাকাছি। সম্প্রতি চীনের একটি স্টার্টআপ কোম্পানি ঘোষণা দিয়েছে, তারা এমন এক নিউক্লিয়ার ব্যাটারির প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে যা ৫০ থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে — একটানা, কোনও চার্জ ছাড়াই!


এই ব্যাটারির নাম Betavoltaic Nuclear Battery। এরকম একটি ব্যাটারির উদ্ভাবন শুধু প্রযুক্তির জগতে নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করতে পারে।


১. এই ব্যাটারি কি সত্যিই বিদ্যমান?

চীনের Beijing Betavolt Technology নামের একটি প্রতিষ্ঠান ২০২৪ সালের শেষদিকে জানায়, তারা বিশ্বের প্রথম কমার্শিয়াল স্কেল নিউক্লিয়ার ব্যাটারির প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে যা আকারে একটি কয়েনের মতো ছোট এবং ৫০ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম। ভবিষ্যতের লক্ষ্য — ব্যাটারির আয়ু ১০০ বছরে পৌঁছে দেওয়া। বর্তমানে এটি একটি পরীক্ষামূলক প্রযুক্তি। বাজারে এখনো আসেনি, তবে গবেষণায় ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে।


২. কিভাবে কাজ করে এই ব্যাটারি?

এই ব্যাটারির শক্তির উৎস হলো Betavoltaic Effect। এটি এক ধরনের পারমাণবিক প্রযুক্তি, তবে চুল্লির মতো ভয়ানক নয়। ব্যাটারিতে থাকা রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ যেমন Nickel-63 থেকে বিটা কণা (ইলেকট্রন) নির্গত হয়। এই কণাগুলো ডায়মন্ড সেমিকন্ডাক্টর-এর মাধ্যমে ইলেকট্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি একটি ছোট ঘরে বন্দি — বাইরের পরিবেশে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায় না। অবশেষে, এই আইসোটোপের মেয়াদ শেষ হলে এটি নির্বিষ উপাদানে রূপ নেয়। ফলে পরিবেশেও এর প্রভাব নেই বললেই চলে।


৩. কোথায় ব্যবহার হবে এই ব্যাটারি?

এই ব্যাটারি মূলত এমন সব জায়গায় ব্যবহারের জন্য তৈরি, 

যেখানে চার্জ দেওয়া অসম্ভব বা খুব ঝুঁকিপূর্ণ: স্পেস স্যাটেলাইট: একবার মহাকাশে পাঠালে সেখানে চার্জ দেয়া বা ব্যাটারি বদলানো সম্ভব নয়।

পেসমেকার: শরীরের ভেতরে বসানো ডিভাইসে দীর্ঘমেয়াদে চার্জমুক্ত ব্যাটারি জীবন রক্ষা করতে পারে।

গভীর সমুদ্রের সেন্সর: যেখানে মানুষের পক্ষে পৌঁছানো কঠিন।

সেনাবাহিনীর গুপ্তচর যন্ত্র: দীর্ঘসময় ধরে নজরদারি চালাতে পারবে নিরবিচারে।


৪. পারমাণবিক শব্দেই কি ভয় পাওয়া উচিত?

এখানেই আসে সচেতনতার জায়গা। সাধারণ মানুষ “পারমাণবিক” শব্দ শুনলেই ভয় পান। কিন্তু এই ব্যাটারি একেবারে আলাদা ও নিরাপদ: বিটাভোল্টাইক ব্যাটারির তেজস্ক্রিয়তা এতই কম যে, এটি চামড়ার বাইরের স্তর পর্যন্তও পৌঁছায় না। সম্পূর্ণ সিল করা ডিজাইন হওয়ায় বিকিরণ বের হওয়া প্রায় অসম্ভব। এটি বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর নয় — এমনকি চুরি হলেও এর থেকে অস্ত্র বানানো সম্ভব নয়।বিজ্ঞানীরা একে “নিরাপদ পারমাণবিক শক্তির ভবিষ্যৎ” হিসেবে বিবেচনা করছেন।


৫. তাহলে কি মোবাইল ফোনেও চলবে এই ব্যাটারি? এটাই সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন — আমরা কি ভবিষ্যতে এমন ফোন পাব যা একবার চার্জ দিয়ে সারাজীবন চলবে?

উত্তর: এখন না, কিন্তু ভবিষ্যতে সম্ভাবনা রয়েছে। কেন এখন সম্ভব না? বর্তমান ব্যাটারিটি মাত্র ১০০ মাইক্রোওয়াট (μW) শক্তি দেয়। অথচ একটি স্মার্টফোন গড়ে ২ থেকে ৫ ওয়াট ব্যবহার করে। এই ব্যবধান হাজার গুণের বেশি। এছাড়া মোবাইল ফোনের মতো পোর্টেবল ডিভাইসে পারমাণবিক পদার্থ ব্যবহার করতে গেলে নিরাপত্তা ও আইনগত বাধা রয়েছে।

ভবিষ্যতের আশা:

কোম্পানিটি বলছে, ভবিষ্যতে তারা ১ ওয়াট বা তার বেশি শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ করছে। একাধিক ব্যাটারি একত্র করে শক্তি বাড়ানো সম্ভব। যদি প্রযুক্তি সস্তা ও নিরাপদ হয়, তবে ফোন, স্মার্টওয়াচ এমনকি ল্যাপটপেও এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। কবে নাগাদ? বিশেষজ্ঞদের মতে, এরকম ব্যবহারিক বাস্তবতা আসতে পারে ২০–৩০ বছরের মধ্যে।


৬. বাংলাদেশ কি এমন প্রযুক্তি তৈরি করতে পারবে? একটি দেশের প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য তিনটি জিনিস দরকার — গবেষণা, অর্থায়ন, এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে (যেমন: রূপপুর প্রকল্প) দক্ষতা দেখিয়েছেন।আমাদের রেডিও কেমিস্ট্রি, ন্যানো টেকনোলজি, এবং ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ একসাথে কাজ করলে ভবিষ্যতে এমন প্রযুক্তি তৈরি অসম্ভব নয়। তবে এজন্য প্রয়োজন গভীর গবেষণা, সরকারি-বেসরকারি সহায়তা, এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।


৭. ভবিষ্যতের কল্পনা: শক্তি যেখানে সময়কে ছাড়িয়ে যাবে। ভাবুন তো, একবার একটি যন্ত্র কিনে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেটি একই ব্যাটারিতে চলছে — কোনও চার্জ নেই, তার নেই, রক্ষণাবেক্ষণ নেই। এটাই হতে পারে ভবিষ্যতের ডিজিটাল স্থায়িত্বের রূপরেখা। শুধু প্রযুক্তি নয়, এই ব্যাটারি আমাদের জীবনধারায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে — একটি নীরব, নিরবচ্ছিন্ন, নিরাপদ শক্তির যুগ।


শেষ কথা, চীনের উদ্ভাবিত এই নিউক্লিয়ার ব্যাটারি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। তবে এটি ভবিষ্যতের দরজা খুলে দিয়েছে — এক দীর্ঘস্থায়ী, রক্ষণাবেক্ষণহীন শক্তির জগতে। আমাদের কাছে এখন প্রশ্ন, আমরা কি সেই ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত?


আপনার মতামত কী? আপনি কি এই প্রযুক্তি নিজের জীবনে ব্যবহার করতে আগ্রহী হবেন? পারমাণবিক বলেই কি আপনি ভয় পাবেন, নাকি বিজ্ঞানকে এগিয়ে যেতে দেবেন?


কমেন্টে জানান। বিজ্ঞান ছড়াক, কৌতূহল জাগুক।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ১ ৮-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ১ ৮-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য দুই লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন -সরকার আর কোনো মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করবে না - মন্তব্য পরিকল্পনা উপদেষ্টার।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জামাতের বৈঠক – দেশ গঠনে সকল ইতিবাচক সিদ্ধান্তে একমত এবং জাতীয় স্বার্থে সংস্কার চায় জামাত - বললেন দলটির নায়েবে আমির।


পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য অব্যাহত থাকবে - জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ কানাডার।


স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু করেছে দুদক।


গাজায় অব্যাহত ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১২৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত।


অরুণাচলে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১৮-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১৮-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


মাইক্রোক্রেডিট ব্যাংক আইন নামে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে - মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নতুন ভবন উদ্বোধন করে বললেন প্রধান উপদেষ্টা। 


মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত - তিন আসামি খালাস। 


ওএমএস এর আওতায় নিম্নআয়ের পরিবারের সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখ করা হবে, পাঁচ মাসের পরিবর্তে সহায়তা দেওয়া হবে ছয় মাস - বলেছেন খাদ্য উপদেষ্টা।


 বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে থাকলে তাদেরকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফেরত পাঠাতে বলা হয়েছে নতুন দিল্লীকে - জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। 


পুশইনসহ সীমান্তের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি-বিএসএফ এর পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত। 


কোনো ফ্যাসিস্ট যাতে আর জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সেজন্য গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময় - বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 


যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি ও কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যে টর্নেডোর আঘাতে কমপক্ষে ২৫ জন নিহত। 


শারজায় প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ২৭ রানে হারালো বাংলাদেশ - আজ অরুণাচলে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশীপ ফুটবলের ফাইনালে ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ১৭-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ১৭-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


মাইক্রোক্রেডিট ব্যাংক আইন নামে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে - মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নতুন ভবন উদ্বোধন করে বললেন প্রধান উপদেষ্টা। 


মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত - তিন আসামি খালাস।


ওএমএস এর আওতায় নিম্নআয়ের পরিবারের সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখ করা হবে, পাঁচ মাসের পরিবর্তে সহায়তা দেয়া হবে ছয় মাস - জানালেন খাদ্য উপদেষ্টা।


গ্রাহকদের স্বার্থে ইন্টারনেটের দাম যুক্তিসঙ্গতভাবে কমিয়ে আনতে হবে - বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। 


বাংলাদেশি কেউ অবৈধভাবে ভারতে থাকলে তাদেরকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফেরত পাঠাতে ভারতকে বলা হয়েছে - জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, শান্তিপূর্ণ দেশ গঠনে কাজ করছে বিএনপি - বলেছেন দলের নেতা ডক্টর আব্দুল মঈন খান।


গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ১৪৬ ফিলিস্তিনি নিহত। 


শারজায় আজ রাতে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

জামার মাপ নেওয়ার সময় ফিতা (মেজারমেন্ট টেপ) দিয়ে সঠিকভাবে বিভিন্ন অংশের মাপ নিতে হয়, যাতে জামাটি পরিধানকারী ব্যক্তির শরীর অনুযায়ী সুন্দরভাবে ফিট হয়

 জামার মাপ নেওয়ার সময় ফিতা (মেজারমেন্ট টেপ) দিয়ে সঠিকভাবে বিভিন্ন অংশের মাপ নিতে হয়, যাতে জামাটি পরিধানকারী ব্যক্তির শরীর অনুযায়ী সুন্দরভাবে ফিট হয়। নিচে ধাপে ধাপে বিস্তারিতভাবে জামার মাপ নেওয়ার নিয়ম দেওয়া হলো:


---


১. গলার মাপ (Neck Measurement):


ফিতাটি গলার চারপাশে দিন, যেখানে কলার বসবে।


খুব টাইট না, আবার বেশি ঢিলাও না।


এক আঙুল ঢুকানোর মতো জায়গা রাখুন আরামদায়ক মাপের জন্য।


---


২. কাঁধের মাপ (Shoulder Width):


এক কাঁধের হাড় থেকে আরেক কাঁধের হাড় পর্যন্ত মাপ নিন।


জামা পরার সময় যেখানে সেলাই বসবে ঠিক সেই জায়গা ধরে মাপ নিতে হবে।


---


৩. বুকের মাপ (Chest Measurement):


ফিতাটি বুকের সবথেকে মোটা অংশ (প্রায় নিঃশ্বাস নিচ্ছেন এমন অবস্থায়) চারপাশে দিন।


ফিতাটি সোজা ও সমানভাবে ঘুরানো থাকতে হবে।


এক বা দুই ইঞ্চি ঢিলা রাখা যেতে পারে (চেস্ট ইজ).


---


৪. কোমরের মাপ (Waist Measurement):


কোমরের সবচেয়ে সরু অংশে ফিতা দিন।


এই মাপটি সাধারণত নাভির একটু উপরে বা সমান হয়।


---


৫. নিতম্বের মাপ (Hip Measurement):


নিতম্বের সবচেয়ে চওড়া অংশে ফিতা দিন।


চেয়ারে বসে দেখুন জামা টাইট হচ্ছে কি না, অতিরিক্ত জায়গা দরকার হলে সেটি যোগ করুন।


---


৬. হাতার মাপ (Sleeve Length):


কাঁধের সেলাই থেকে কবজি পর্যন্ত মাপ নিন।


হাত সামান্য বাঁকিয়ে মাপলে আরও সঠিক মাপ পাওয়া যায়।


ফুল হাতা, হাফ হাতা বা থ্রি-কোয়ার্টার হাতার মাপ আলাদা হবে।


---


৭. আর্ম হোল (Armhole):


বাহু এবং কাঁধের সংযোগস্থলে ফিতা দিন এবং একবার ঘুরিয়ে মাপ নিন।


হাত উঠাতে সুবিধা হবে এমন মাপ রাখুন।


---


৮. জামার মোট দৈর্ঘ্য (Shirt/Kurta Length):


কাঁধ থেকে নিচে যতোটা লম্বা জামা চান, ততদূর পর্যন্ত ফিতা ধরে মাপ নিন।


সাধারণত কোমর পর্যন্ত, হিপ পর্যন্ত, বা হাঁটু পর্যন্ত হতে পারে।


---


৯. কবজির মাপ (Wrist Measurement):


কবজির চারপাশে ফিতা দিন।


একটু ঢিলা রাখুন যাতে বোতাম লাগানো গেলে হাত সহজে ঢুকে যায়।


---


১০. গলা খোলা মাপ (Neckline Depth):


সামনের গলা কতটা নিচে খোলা থাকবে তা কাঁধ থেকে নিচে মেপে নিন।


---


বিশেষ টিপস:


মাপ নেওয়ার সময় পাতলা জামা পরে থাকলে ভালো হয়।


সব সময় ফিতা সোজা ও চামড়ার সাথে লাগানো রেখে মাপ নিন।


একজন সহকারী থাকলে মাপ নেওয়া আরও সহজ হয়।

রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

ইত্যাদি অনুষ্ঠানের নাতি চরিত্রের নাতির জীবন বৃত্তান্ত -

 ইত্যাদি অনুষ্ঠানের নাতি চরিত্রের নাতির জীবন বৃত্তান্ত -


কাগুজে নাম শওকত আলী তালুকদার। ডাক নাম নিপু। মাথায় কোকড়ানো ঝাঁকড়া বাবরি চুল। উচ্চতা প্রায় আড়াই ফুট। কথা কিংবা চলনে-বলনে প্রকাশ পায় পূর্ণাঙ্গ পুরুষালী ব্যক্তিত্ব। বয়সের হিসাবে ৫০ বসন্ত অতিক্রম করেছেন এরই মধ্যে। হোমিও ডাক্তার বাবার তিন সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় তিনি। পড়াশোনায় গ্রাজুয়েশন (বিএ)। বসবাস ঢাকার উত্তরায়। ১৯৯০ সাল থেকে নন্দিত নির্মাতা হানিফ সংকেতের সঙ্গে আছেন। ইত্যাদির বদৌলতে দেশ এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে যার অবস্থান এখন এক নম্বর স্যাটায়ার তারকা হিসেবে। আমজনতার কাছে যিনি সর্বাধিক পরিচিত আদরের

নাতি নামে। চলমান জীবনে নানা ভুলভ্রান্তি চোখে আঙুল দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার জন্য যিনি এরই মধ্যে পরিণত হয়েছেন ভুল শুধরানোর আইকন হিসেবে। কেমন আছেন জনপ্রিয় এ স্বল্পকায় যুবক? কেমন কাটছে তার বর্তমান সময়? ইত্যাদি’র নিয়মিত ফ্রেমের বাইরে তার জীবনটাইবা যাচ্ছে কেমন? বিয়ে করেছেন কি? বাচ্চাকাচ্চা কয়জন? টানা ২০ বছর ধরে ‘ইত্যাদি’র সঙ্গেইবা কেন? প্রচারবিমুখ বিপুল জনপ্রিয় এই নাতির কাছে অনেকের এমন অনেক জিজ্ঞাসা অনেক দিনের। নিপু জানান, মুখে কথা ফোটার পর থেকেই তার স্টেজ শো’র যাত্রা শুরু। টানা চার পাঁচ বছর সেই স্টেজ শোগুলোতে একজন ক্ষুদে কমেডিয়ান কিংবা ক্ষুদ্র সাইজের মানুষ হিসেবেই তার অবস্থান এবং পারফরমেন্স সীমাবদ্ধ ছিল। সে জীবন মোটও সুখকর ছিল না। তবুও শুরুর সেই জীবনটাকে পরম শ্রদ্ধায় এখনও স্মরণ করেন তিনি। বলেন, ওই স্টেজ শোগুলোই আমাকে আজকের নাতিতে পরিণত করেছে। উপরওয়ালার ইচ্ছা আর সংকেত দা’র দিকনির্দেশনায় টানা ২০ বছর ধরে এখনও আমি ইত্যাদির খাতায় সগৌরবে আছি। এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে? নানার সঙ্গে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জুটি হয়ে স্যাটায়ার (ব্যঙ্গাত্মক অভিনয়) করার পর খানিক পরিবর্তনের ছোঁয়া নিয়ে নাতি এখন নানীকে জ্বালিয়ে মারছেন কথার মারপ্যাঁচে। নানী-নাতির জুটিটাও দর্শক ব্যাপক পছন্দ করছেন। ইত্যাদির বাইরে কয়েকটি বিজ্ঞাপন ছাড়া নাটক কিংবা চলচ্চিত্রে এখনও পাওয়া যায়নি জনপ্রিয় এ মানুষটিকে। কেন? একটু দুষ্টুমি করেই নিপু বলেন, আমি স্যাটায়ার আর্টিস্ট, কৌতুক অভিনেতা না। এ বিষয়টি এখনও আমাদের নাটক, ফিল্ম কিংবা বিজ্ঞাপনওয়ালারা পরিষ্কার হতে পারেননি। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা কনসেপ্ট। আমি কৌতুক অভিনেতা হতে চাই না। সংকেত দা আমাকে এ শিক্ষাটা দেয়নি,নানা অমল বুশের কথা স্মরণ করে শুধু কাঁদেন,বাস্তবে নানা না হলে ও নানার মতো আদর ওনি করতেন।

আল্লাহ নাতি কে আরো দীর্ঘ হায়াত দান করুন। 

-আশরাফুল আলম।

যাকে আমরা অবহেলা করি মৃত্যুর পরে সেই সাথে থাকে

 এক রাজার ৪ স্ত্রী ছিল।


৪র্থ স্ত্রীকে তিনি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। সোনা, হীরা, দামি পোশাক দিয়ে সাজাতেন তাকে। আর সবসময় তার খেয়াল রাখতেন।


৩য় স্ত্রী ছিল রূপসী ও আকর্ষণীয়। রাজা তাকে নিয়ে গর্ব করতেন, কিন্তু মনে মনে ভয়ও করতেন — এ হয়ত একদিন অন্য কাউকে ভালোবেসে তাকে ছেড়ে চলে যাবে!


২য় স্ত্রী রাজার পাশে থেকে সাধ্যমত সাহায্য সহযোগিতা করত, বিশ্বাসযোগ্যও ছিল, কিন্তু রাজার ভালোবাসার জায়গায় ৪র্থ এবং ৩য় স্ত্রীর মতো গুরুত্ব পায়নি সে।


১ম স্ত্রী ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। সে নীরবে সবকিছু সহ্য করত, স্বামীকে ভালোবেসে সবসময় পাশে থাকত, স্বামীর শরীর খারাপ করলে রাত জেগে সেবাযত্ন করত, কিন্তু কখনোই সে তার প্রাপ্য অধিকার পায়নি।


একদিন রাজা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তিনি বুঝলেন, তার সময় ফুরিয়ে এসেছে। তখন ভাবলেন, মৃত্যুর পরে কে তার সঙ্গী হবে?


প্রথমে ৪র্থ স্ত্রীকে ডেকে বললেন,

“তোমাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবেসেছি আমি, তুমি কি আমার সঙ্গে যাবে?”

সে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিল, “না, একদম না!” এবং রাজাকে ছেড়ে চলে গেল।


এরপর ৩য় স্ত্রীকে একই কথা জিজ্ঞাসা করলেন রাজা। জবাবে ৩য় স্ত্রী বলল, “আমি কেবল মৃত্যুর দিন পর্যন্ত থাকতে পারি, এরপর আমি নতুন জীবন শুরু করব।”


এবার ২য় স্ত্রীকে ডাকলেন তিনি। ২য় স্ত্রী বলল, “আমি কেবল তোমার কবর পর্যন্ত যাব, কিন্তু সেখানেই আমার পথ শেষ!”


হঠাৎ রাজা শুনলেন, কারও শান্ত কণ্ঠস্বর, “আমি তোমার সঙ্গে যাব, যেখানেই যাও না কেন!”


রাজা অবাক হয়ে দেখলেন, সেই কণ্ঠ ১ম স্ত্রীর। তাকে এতটাই ক্লান্ত, দুর্বল আর অবহেলিত দেখাচ্ছিল যে, রাজার চোখে পানি এসে গেল।


তিনি বললেন, “আমি যদি তোমার যত্ন নিতাম! আজ বুঝছি, আসলে তুমিই ছিলে আমার সবচেয়ে আপন!”


শিক্ষা: এই ৪ স্ত্রীর প্রত্যেকেই আমাদের জীবনের একেকটি প্রতীক।


৪র্থ স্ত্রী হলো আমাদের শরীর, যাকে আমরা সবচেয়ে বেশি যত্ন নিই, সাজাই; কিন্তু মৃত্যুর পর এটাই আমাদের সবার আগে ছেড়ে যায়।


৩য় স্ত্রী হলো সম্পদ, যেটা মৃত্যুর পর অন্যের হয়ে যায়।


২য় স্ত্রী হলো পরিবার ও বন্ধু, যারা কেবল কবর পর্যন্তই আমাদের সঙ্গে থাকে।


আর ১ম স্ত্রী হলো আমাদের আত্মা, যাকে আমরা সবচেয়ে বেশি অবহেলা করি, অথচ মৃত্যুর পরে একমাত্র ওটাই আমাদের সঙ্গে থাকে।


জীবনে ব্যস্ততা থাকবেই, কিন্তু আত্মার যত্ন নিতে ভুলবেন না। কারণ শেষ পর্যন্ত সেই আপনার চিরসঙ্গী।

জ্বর কেন হয় বিস্তারিত থাকছে আজকের আলোচনায় 'জ্বরের রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়,

 ✪ জ্বর কেন হয় বিস্তারিত থাকছে আজকের আলোচনায়


'জ্বরের রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়,

প্যারাসিটামল যেন ঝলসানো রুটি!'


🍃 সকাল থেকে রাত, অসংখ্য জ্বরে আমি কুপোকাত! রোগীর যত যা সমস্যা, তার সাথে জ্বর থাকবেই। অল্প জ্বর, বেশি জ্বর, জ্বর জ্বর ভাব, মাথায় জ্বর, গায়ে জ্বর, পায়ে জ্বর, আরো কত যে জ্বর, জ্বরে জ্বরে জ্বরাগ্রস্ত হওয়ার দশা! একটুখানি চেষ্টা করে দেখি এত জ্বরের ভীড়ে দিশা না হারিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছানো যায় কিনা!


🍃 আসলে জ্বর কেন হয়? এক কথায় এর কারণ হল - ইনফেকশন, ইনফ্লামেশন, মেটাবলিক বা নিওপ্লাজম। ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস নামের জীবানু সন্ত্রাসী শরীরে ঢোকে, ইম্যুনিটি পুলিশ বাহিনী গুলি (pyrogens) করা শুরু করে, আর এই গুলিতেই জ্বর আসে। অর্থাৎ জ্বরের জন্য কিন্তু শরীর নিজেই দায়ী! শরীরের গুলি হল cytokines, এরা hypothalamus এর temperature set point পরিবর্তন করে, ফলেই জ্বর আসে।


🍃 চলুন যাই, জ্বরের সমুদ্রে হাবুডুবু খাই!


🍂 Continuous fever

জ্বর এসে সারাদিনে আর কমে না। সকাল বিকাল রাত একই রকম থাকে। সামান্য ওঠানামা করলে তাও ১ ডিগ্রির কম!

- Pneumonia

- Typhoid

- UTI

- Infective endocarditis

- Brucellosis

- Typhus


🍂 Remittent fever

জ্বর সারাদিন ওঠা নামা করে, ১ ডিগ্রির বেশি। তবে নেমে কখনো নর্মালে আসে না।

- Infective endocarditis

- Brucellosis


🍂 Intermittent fever

জ্বর সারাদিন ওঠা নামা করে। নামতে নামতে নর্মালেও আসে।

- Pyogenic infection

- Tuberculosis


🍂 Double Quotidian fever

ওই যে উপরে intermittent fever পড়লাম, সেখানে ওঠানামা যদি এমন হয়, যেমন জ্বর সকালে আসে - দুপুরে নাই - আবার রাতে আসে, অর্থাৎ দুই (double) বার আসে।

- Tuberculosis


🍂 Inverse fever

ওই যে উপরে Double Quotidian fever পড়লাম, সেখানে দুইবেলার পরিবর্তে যদি একবেলা জ্বর আসে এবং সেটা সকালে তবে তাকে বলে Inverse fever.

- Miliary Tuberculosis


🍂 Relapsing fever

অনেকটা intermittent fever এর মত। তবে এই জ্বর সারাদিনে উঠানামা করে না, উঠানামা করে ১/২/৩ দিন পরপর!

- Borrelia

- Malaria


Malaria তে আবার ৪ টা  Plasmodium  আছে৷ সেগুলোতে জ্বর আসে এভাবে-

P. vivax ও P. ovale - ২ দিন পরপর (Tertian fever)

P. malariae - ৩ দিন পরপর (Quartan fever)

P. falciparam - একটু অন্যরকম। কখনো ১২, কখনো ২৪, কখনো ৩৬, কখনো বা ৪৮ ঘন্টা পরপর জ্বর আসে!  টাইম টেবিল বোঝা কঠিন, তাই এটা বিপজ্জনকও বটে!


🍂 Pel Ebstein fever

জ্বর ৩ দিন ধরে আস্তে আস্তে বাড়বে। এরপর ৩ দিন একই রকম থাকবে। এরপর ৩ দিন ধরে আস্তে আস্তে কমবে। ৩+৩+৩ = মোট ৯ দিন ধরে জ্বর থাকবে, তারপর ৯ দিন আর জ্বর নাই।

- Hodgkin's lymphoma


🍂 Step ladder fever

জ্বর ladder বা মইয়ের মত step by step উপরের দিকে উঠতে থাকে। অর্থাৎ আজকের থেকে কাল বেশি, কাল থেকে পরশু বেশি, এভাবে চলতে থাকে।

- Typhoid


🍂 Saddleback/Biphasic fever

জ্বর কয়েকদিন থেকে একদম কমে যায়। ২/৩ দিন পর আবার ব্যাক করে, তাই এটা saddleback!

- Dengue


🍂 Breakbone fever

জ্বরের সাথে গায়ে প্রচন্ড ব্যাথা। গায়ে বলতে - মাথায় ব্যাথা, চোখে ব্যাথা, মাংসে ব্যাথা, হাড্ডিতে ব্যাথা, গিড়ায় গিড়ায় ব্যাথা!

- Dengue

- Chikungunya


🍂 Low/Intermediate/High grade fever

100 -101° F : Low grade

- Tuberculosis

- UTI

- HIV

- Neoplasm


102°F : Intermediate


103 -104°F : High grade

- Pyogenic Bacterial infection

- Viral infection


105° or more : Hyperpyrexia

- Malaria

- Septicaemia

- Heat Stroke

- Encephalitis

- Pontine hemorrhage


🍂 অজ্ঞাতনামা জ্বর (PUO/FUO)!

PUO লিখে রোগী ভর্তি দিয়েছি। স্যাকমো রেজিস্টারে লিখছে PUD, আবার জিজ্ঞাসা করছে স্যার গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট কই! সে যাই হোক, কোন টাইপের জ্বরকে আমরা pyrexia of unknown origin বলি?

রোগীর ৩ সপ্তাহের বেশি জ্বর, এই জ্বরের জন্য সে আগেও দুবার ডাক্তার দেখিয়েছে, এমনকি হয়তো হাসপাতালেও ৩ দিন ভর্তি ছিল। সে সময় তার কিছু রুটিন টেস্টও করা হয়, কিন্তু জ্বরের নির্দিষ্ট কোন কারণ এখনো জানা যায় নি! তবে চেষ্টা করে যান, কারণ তো অবশ্যই আছে, আপনিই পারবেন এ রহস্য সমাধান করতে। সম্ভাব্য কয়েকটি কারণ হল-

- HIV AIDS

- Tuberculosis

- Periodic fever syndrome (Familial mediterranean fever)

- Concealed abscesses (empyema)

- Any neoplasm: specially blood borne - Lymphoma, Leukaemia

- Endocrine disease: specially Thyrotoxicosis, Addison's.

- Connective tissue disease: RF, SLE, Still's disease.

আছে আরো...


🍂 Neutropenic fever

কোন ইনফেকশন থেকে জ্বর হলে শুরুর দিকে শরীরে পুলিশ বাহিনীর (Neutrophil) সংখ্যা বাড়ে। তাই প্রথম প্রথম আমরা Neutrophilia পাই। শত্রুবাহিনী Bacteria হলে Neutrophilia বেশি হয়। কিন্তু শরীরে প্রবেশ করা শত্রু বাহিনী যদি পুলিশ বাহিনী অপেক্ষা শক্তিশালী হয় তবে উল্টো তারাই পুলিশকে (neutrophil) মেরে তক্তা বানিয়ে ফেলবে, হবে neutropenia. একে বলে neutropenic fever.


🍂  Factitious fever

পড়া হয়নি, স্কুলে গেলে পিঠে আজ দু চার ঘা পড়বেই। তাই দু কোয়া রসুন দু বগলে রেখে জ্বর আনার চেষ্টা। সুস্থ মানুষ এসে বলবে 'অনেক জ্বর!' মেপে বললেন 'কই জ্বর?' উত্তরে বলবে 'একটু আগেও ছিল, এখন নাই!'


🍃  Bacterial infection জনিত জ্বরে যেমন neutrophil বাড়ে (Neutrophilia), তেমনি Viral infection এ বাড়ে  Lymphocytes (Lymphocytosis).


🍃 ইনফেকশন হয়ে রক্তে ব্যাপক শত্রুসেনা টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে, মাঝেমধ্যে গুলিও (toxin release) ছুড়ছে। অন্যদিকে ইম্যুনিটি আছে বেহাল দশায়। একে বলে Septicaemia. আর এই দশার জ্বরকে বলে Septic/Hectic fever.

- Bacterial infection


🍃 জ্বর সন্ধ্যার দিকে আসে, রাতে ঘাম দিয়ে ছাড়ে৷ Fever with Night Sweat.

- Tuberculosis


🍃 জ্বরের চাপে যেন ভূমিকম্প হচ্ছে! কম্বল দিয়ে চেপে ধরেও কাঁপুনি থামানো যাচ্ছে না! Fever with Chills and Rigors.

- Malaria

- Kala azar

- Cholangitis

- Septicaemia

- UTI


🍃 এই জ্বর খালি হাতে বেড়াতে আসেনা, সাথে নিয়ে আসে লাল লাল মিষ্টি (র‍্যাশ)! Fever with Rashes.

- Chicken pox

- Small pox

- Measles

- Rubella

- Allergy

- Septicaemia

- Infective endocarditis

- Vasculitis


🍃 জ্বরের প্রকোপে কানে চোখে কিছু দেখছে না (photophobia), সাথে প্রচন্ড ম্যাথাব্যাথা!

- Meningitis

- Encephalitis


🍃 জ্বরের ঘোরে ভুলভাল বকে (Delirium)!

- Meningitis

- Encephalitis

- Typhoid


'যেখানেই দেখিবে জ্বর,

ভালভাবে জিজ্ঞেস কর,

পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রোগ!'


জ্বর নিজে তো কোন রোগ না, এটি অন্য রোগের সিম্পটম মাত্র। জ্বরের এই প্যাটার্নগুলো জানা থাকলে অন্য ফিচারগুলো মিলিয়ে ডায়াগনোসিস সহজ হয়। জ্বর নিয়ে ভাবতে ভাবতে আমারই একটু জ্বরজ্বর ভাব হচ্ছে, এটা মনে হয় 'রাতজাগা জ্বর' 😄

©

স্যালাইনের ঘন্টা, ড্রপ, মাইক্রোড্রপ সহজে বের করা সূত্র সমূহ 👇 (খুবই গুরুত্বপূর্ণ, Timeline এ রেখে দিন)

 📌 Topic: স্যালাইনের ঘন্টা, ড্রপ, মাইক্রোড্রপ সহজে বের করা সূত্র সমূহ 👇 (খুবই গুরুত্বপূর্ণ, Timeline এ রেখে দিন)


1. ঘন্টা বের করার সূত্র :


✅ Hours = Totall volume ÷ Drops x 4


For Example :

▪️1000 ml স্যালাইন 30 Drops করে দিলে শেষ হতে কত সময় লাগবে ?


👉 সূত্র: Totall Volume ÷ Drops × 4


= 1000ml ÷ 30×4

= 1000ml ÷ 120

= 8 hours


✔️ নোট: উপরে 1000ml  হলো Totall Volume, 30 Drops যা প্রশ্নে দেয়া আছে। আর 4 হলো সূত্রের।


2. ড্রপ বের করার সূত্র:


✅ Drops = Totall volume ÷ Hours × 4


For Example:

▪️1000ml স্যালাইন 8 ঘন্টায় শেষ করতে কত ড্রপে দিতে হবে ?


👉 সূত্র: Totall Volume ÷ Hours × 4


= 1000 ml ÷ 8×4

= 1000 ml ÷ 32

= 30 Drops


✔️ নোট: উপরে 1000ml হলো Totall Volume, 8 ঘন্টা যা প্রশ্নে দেয়া আছে। আর 4 হলো সূত্রের।


3. Microdrops বের করার সূত্র হলো ড্রপ বের করে সাথে 4 দিয়ে গুন করা।


✅ Special Note: 

▪️এখানে সূত্রের 4 তখনই হবে, যখন Drop factor 15 হবে 😊 

▪️Drop factor মানে 15 drop = 1 ml

▪️প্রশ্নে Drop factor 20 উল্লেখ করলে সূত্রে 4 এর জায়গায় (60 ÷ 20) = 3 হবে 😊


©

বাংলা যুক্ত বর্ণ

 বাংলা যুক্ত বর্ণ

১. ক্ষ = ক+ষ

২. ষ্ণ = ষ+ণ

৩. জ্ঞ = জ+ঞ

৪. ঞ্জ = ঞ+জ

৫. হ্ম = হ+ম

৬. ঞ্চ = ঞ+চ

৭. ঙ্গ = ঙ+গ

৮. ঙ্ক = ঙ+ক

৯. ট্ট = ট + ট

১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ‍ক + ষ + ম

১১. হ্ন = হ + ন

১২. হ্ণ = হ + ণ

১৩. ব্ধ = ব + ধ

১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা)

১৫. গ্ধ = গ + ধ

১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা)

১৭. ক্ত = ক + ত

১৮. ক্স = ক + স

১৯. ত্থ = ত + থ (উদাহরন: উত্থান, উত্থাপন)

২০. ত্ত = ত + ত (উদাহরন: উত্তম, উত্তর, সত্তর)

২১. ত্ম = ত + ম (উদাহরন: মাহাত্ম্য)

নিচের যুক্তবর্ণের তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে লিখতে সহায়ক হতে

পারে। এখানে বাংলায় ব্যবহৃত ২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে।

এর বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায়

প্রচলিত নয়।

ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা

ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়

ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত

ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র

ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ

ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী

ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য

ক্র = ক + র; যেমন- চক্র

ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি

ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ

ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ

ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু

ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী

ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য

ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য

ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স

খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য

খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান

গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ

গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ

গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য

গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী

গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন

গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র,

অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়

গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী

গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম

গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য

গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম

গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট

গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি

ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন

ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য

ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ

ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক

ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি

ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য

ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা

ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ

ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ

ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তি

ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ

ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য

ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি

ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়

চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা

চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা

চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস

চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়

চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা

চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী

চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য

জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক

জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল

জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা

জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান

জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর

জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য

জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র

ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল

ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা

ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ

ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা

ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম

ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা

ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল

ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য

ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা

ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান

ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য

ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ

ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য

ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য: অত্যন্ত বিরল)

ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা

ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ

ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য

ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল

ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য

ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র

ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ

ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ

ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর

ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়

ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য

ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট

ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর

ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব

ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত

ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ

ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন

ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব

ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা

ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য

ত্য = ত + য; যেমন- সত্য

ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ

ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য

ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা

ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব

থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী

থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য

থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম

দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন

দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য

দ্দ্ব = দ + দ + ব; যেমন- তদ্দ্বারা

দ্ধ = দ + ধ; যেমন- রুদ্ধ

দ্ব = দ + ব; যেমন- বিদ্বান

দ্ভ = দ + ভ; যেমন- অদ্ভুত

দ্ভ্র = দ + ভ + র; যেমন- উদ্ভ্রান্ত

দ্ম = দ + ম; যেমন- ছদ্ম

দ্য = দ + য; যেমন- বাদ্য

দ্র = দ + র; যেমন- রুদ্র

দ্র্য = দ + র + য; যেমন- দারিদ্র্য

ধ্ন = ধ + ন; যেমন- অর্থগৃধ্নু

ধ্ব = ধ + ব; যেমন- ধ্বনি

ধ্ম = ধ + ম; যেমন- উদরাধ্মান

ধ্য = ধ + য; যেমন- আরাধ্য

ধ্র = ধ + র; যেমন- ধ্রুব

ন্ট = ন + ট; যেমন- প্যান্ট (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ন্ট্র = ন + ট + র; যেমন- কন্ট্রোল (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি

মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ন্ঠ = ন + ঠ; যেমন- লন্ঠন

ন্ড = ন + ড; যেমন- গন্ডার, পাউন্ড

ন্ড্র = ন + ড + র; যেমন- হান্ড্রেড

ন্ত = ন + ত; যেমন- জীবন্ত

ন্ত্ব = ন + ত + ব; যেমন- সান্ত্বনা

ন্ত্য = ন + ত + য; যেমন- অন্ত্য

ন্ত্র = ন + ত + র; যেমন- মন্ত্র

ন্ত্র্য = ন + ত + র + য; যেমন- স্বাতন্ত্র্য

ন্থ = ন + থ; যেমন- গ্রন্থ

ন্থ্র = ন + থ + র; যেমন- অ্যান্থ্রাক্স

(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে

ব্যবহৃত)

ন্দ = ন + দ; যেমন- ছন্দ

ন্দ্য = ন + দ + য; যেমন- অনিন্দ্য

ন্দ্ব = ন + দ + ব; যেমন- দ্বন্দ্ব

ন্দ্র = ন + দ + র; যেমন- কেন্দ্র

ন্ধ = ন + ধ; যেমন- অন্ধ

ন্ধ্য = ন + ধ + য; যেমন- বিন্ধ্য

ন্ধ্র = ন + ধ + র; যেমন- রন্ধ্র

ন্ন = ন + ন; যেমন- নবান্ন

ন্ব = ন + ব; যেমন- ধন্বন্তরি

ন্ম = ন + ম; যেমন- চিন্ময়

ন্য = ন + য; যেমন- ধন্য

প্ট = প + ট; যেমন- পাটি-সাপ্টা, ক্যাপ্টেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি

মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

প্ত = প + ত; যেমন- সুপ্ত

প্ন = প + ন; যেমন- স্বপ্ন

প্প = প + প; যেমন- ধাপ্পা

প্য = প + য; যেমন- প্রাপ্য

প্র = প + র; যেমন- ক্ষিপ্র

প্র্য = প + র + য; যেমন- প্র্যাকটিস (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি

মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

প্ল = প + ল; যেমন-আপ্লুত

প্স = প + স; যেমন- লিপ্সা

ফ্র = ফ + র; যেমন- ফ্রক, ফ্রিজ, আফ্রিকা, রেফ্রিজারেটর

(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে

ব্যবহৃত)

ফ্ল = ফ + ল; যেমন- ফ্লেভার (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ব্জ = ব + জ; যেমন- ন্যুব্জ

ব্দ = ব + দ; যেমন- জব্দ

ব্ধ = ব + ধ; যেমন- লব্ধ

ব্ব = ব + ব; যেমন- ডাব্বা

ব্য = ব + য; যেমন- দাতব্য

ব্র = ব + র; যেমন- ব্রাহ্মণ

ব্ল = ব + ল; যেমন- ব্লাউজ

ভ্ব =ভ + ব; যেমন- ভ্বা

ভ্য = ভ + য; যেমন- সভ্য

ভ্র = ভ + র; যেমন- শুভ্র

ম্ন = ম + ন; যেমন- নিম্ন

ম্প = ম + প; যেমন- কম্প

ম্প্র = ম + প + র; যেমন- সম্প্রতি

ম্ফ = ম + ফ; যেমন- লম্ফ

ম্ব = ম + ব; যেমন- প্রতিবিম্ব

ম্ব্র = ম + ব + র; যেমন- মেম্ব্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি

মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ম্ভ = ম + ভ; যেমন- দম্ভ

ম্ভ্র = ম + ভ + র; যেমন- সম্ভ্রম

ম্ম = ম + ম; যেমন- সম্মান

ম্য = ম + য; যেমন- গ্রাম্য

ম্র = ম + র; যেমন- নম্র

ম্ল = ম + ল; যেমন- অম্ল

য্য = য + য; যেমন- ন্যায্য

র্ক = র + ক; যেমন - তর্ক

র্ক্য = র + ক + য; যেমন- অতর্ক্য (তর্ক দিয়ে যার সমাধান হয় না)

র্গ্য = র + গ + য; যেমন - বর্গ্য (বর্গসম্বন্ধীয়)

র্ঘ্য = র + ঘ + য; যেমন- দৈর্ঘ্য

র্চ্য = র + চ + য; যেমন- অর্চ্য (পূজনীয়)

র্জ্য = র + জ + য; যেমন- বর্জ্য

র্ণ্য = র + ণ + য; যেমন- বৈবর্ণ্য (বিবর্ণতা)

র্ত্য = র + ত + য; যেমন- মর্ত্য

র্থ্য = র + থ + য; যেমন- সামর্থ্য

র্ব্য = র + ব + য; যেমন- নৈর্ব্যক্তিক

র্ম্য = র + ম + য; যেমন- নৈষ্কর্ম্য

র্শ্য = র + শ + য; যেমন- অস্পর্শ্য

র্ষ্য = র + ষ + য; যেমন- ঔৎকর্ষ্য

র্হ্য = র + হ + য; যেমন- গর্হ্য

র্খ = র + খ; যেমন- মূর্খ

র্গ = র + গ; যেমন- দুর্গ

র্গ্র = র + গ + র; যেমন- দুর্গ্রহ, নির্গ্রন্হ

র্ঘ = র + ঘ; যেমন- দীর্ঘ

র্চ = র + চ; যেমন- অর্চনা

র্ছ = র + ছ; যেমন- মূর্ছনা

র্জ = র + জ; যেমন- অর্জন

র্ঝ = র + ঝ; যেমন- নির্ঝর

র্ট = র + ট; যেমন- আর্ট, কোর্ট, কম্ফর্টার, শার্ট, কার্টিজ,

আর্টিস্ট, পোর্টম্যানটো, সার্টিফিকেট, কনসার্ট, কার্টুন,

কোয়ার্টার (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী

কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

র্ড = র + ড; যেমন- অর্ডার, লর্ড, বর্ডার, কার্ড (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

র্ণ = র + ণ; যেমন- বর্ণ

র্ত = র + ত; যেমন- ক্ষুধার্ত

র্ত্র = র + ত + র; যেমন- কর্ত্রী

র্থ = র + থ; যেমন- অর্থ

র্দ = র + দ; যেমন- নির্দয়

র্দ্ব = র + দ + ব; যেমন- নির্দ্বিধা

র্দ্র = র + দ + র; যেমন- আর্দ্র

র্ধ = র + ধ; যেমন- গোলার্ধ

র্ধ্ব = র + ধ + ব; যেমন- ঊর্ধ্ব

র্ন = র + ন; যেমন- দুর্নাম

র্প = র + প; যেমন- দর্প

র্ফ = র + ফ; যেমন- স্কার্ফ (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-

ফার্সি কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

র্ভ = র + ভ; যেমন- গর্ভ

র্ম = র + ম; যেমন- ধর্ম

র্য = র + য; যেমন- আর্য

র্ল = র + ল; যেমন- দুর্লভ

র্শ = র + শ; যেমন- স্পর্শ

র্শ্ব = র+ শ + ব; যেমন- পার্শ্ব

র্ষ = র + ষ; যেমন- ঘর্ষণ

র্স = র + স; যেমন- জার্সি, নার্স,

পার্সেল, কুর্সি (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ

শব্দে ব্যবহৃত)

র্হ = র + হ; যেমন- গার্হস্থ্য

র্ঢ্য = র + ঢ + য; যেমন- দার্ঢ্য (অর্থাৎ দৃঢ়তা)

ল্ক = ল + ক; যেমন- শুল্ক

ল্ক্য = ল + ক + য; যেমন- যাজ্ঞবল্ক্য

ল্গ = ল + গ; যেমন- বল্গা

ল্ট = ল + ট; যেমন- উল্টো

ল্ড = ল + ড; যেমন- ফিল্ডিং (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ল্প = ল + প; যেমন- বিকল্প

ল্ফ = ল + ফ; যেমন- গল্ফ (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ল্ব = ল + ব; যেমন- বিল্ব, বাল্ব

ল্ভ = ল + ভ; যেমন- প্রগল্ভ

ল্ম = ল + ম; যেমন- গুল্ম

ল্য = ল + য; যেমন- তারল্য

ল্ল = ল + ল; যেমন- উল্লাস

শ্চ = শ + চ; যেমন- পুনশ্চ

শ্ছ = শ + ছ; যেমন- শিরশ্ছেদ

শ্ন = শ + ন; যেমন- প্রশ্ন

শ্ব = শ + ব; যেমন- বিশ্ব

শ্ম = শ + ম; যেমন- জীবাশ্ম

শ্য = শ + য; যেমন- অবশ্য

শ্র = শ + র; যেমন- মিশ্র

শ্ল = শ + ল; যেমন- অশ্লীল

ষ্ক = ষ + ক; যেমন- শুষ্ক

ষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন- নিষ্ক্রিয়

ষ্ট = ষ + ট; যেমন- কষ্ট

ষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন- বৈশিষ্ট্য

ষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন- রাষ্ট্র

ষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন- শ্রেষ্ঠ

ষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন- নিষ্ঠ্যূত

ষ্ণ = ষ + ণ; যেমন- কৃষ্ণ

ষ্প = ষ + প; যেমন- নিষ্পাপ

ষ্প্র = ষ + প + র; যেমন- নিষ্প্রয়োজন

ষ্ফ = ষ + ফ; যেমন- নিষ্ফল

ষ্ব = ষ + ব; যেমন- মাতৃষ্বসা

ষ্ম = ষ + ম; যেমন- উষ্ম

ষ্য = ষ + য; যেমন- শিষ্য

স্ক = স + ক; যেমন- মনোস্কামনা

স্ক্র = স + ক্র; যেমন- ইস্ক্রু (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্খ = স + খ; যেমন- স্খলন

স্ট = স + ট; যেমন- স্টেশন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্ট্র = স + ট্র; যেমন- স্ট্রাইক (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্ত = স + ত; যেমন- ব্যস্ত

স্ত্ব = স + ত + ব; যেমন- বহিস্ত্বক

স্ত্য = স + ত + য; যেমন-অস্ত্যর্থ

স্ত্র = স + ত + র; যেমন- স্ত্রী

স্থ = স + থ; যেমন- দুঃস্থ

স্থ্য = স + থ + য; যেমন- স্বাস্থ্য

স্ন = স + ন; যেমন- স্নান

স্প = স + প; যেমন- আস্পর্ধা

স্প্র = স + প +র; যেমন- স্প্রিং (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্প্ল = স + প + ল; যেমন- স্প্লিন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্ফ = স + ফ; যেমন- আস্ফালন

স্ব = স + ব; যেমন- স্বর

স্ম = স + ম; যেমন- স্মরণ

স্য = স + য; যেমন- শস্য

স্র = স + র; যেমন- অজস্র

স্ল = স + ল; যেমন- স্লোগান

হ্ণ = হ + ণ; যেমন- অপরাহ্ণ

হ্ন = হ + ন; যেমন- চিহ্ন

হ্ব = হ + ব; যেমন- আহ্বান

হ্ম = হ + ম; যেমন- ব্রাহ্মণ

হ্য = হ + য; যেমন- বাহ্য

হ্র = হ + র; যেমন- হ্রদ

হ্ল = হ + ল; যেমন- আহ্লাদ

#ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন।

বিঃদ্রঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।

ভালো লাগলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন 👍

টাইমলাইনে রাখতে পারেন।

❤ ধন্যবাদ❤

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...