এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫

কোষ্ঠকাঠিন্যকে একেবারে হালকাভাবে নেয়াটা এক ধরণের ক্রাইম। দুই সপ্তাহ ধরে পায়খানা না হওয়ার পর অবশেষে এক্সরে করিয়েছে। এখন দেখুন অবস্থা...

 কোষ্ঠকাঠিন্যকে একেবারে হালকাভাবে নেয়াটা এক ধরণের ক্রাইম। দুই সপ্তাহ ধরে পায়খানা না হওয়ার পর অবশেষে এক্সরে করিয়েছে। এখন দেখুন অবস্থা...


বাচ্চাদের তো বটেই, আপনার নিজেরও কোষ্ঠকাঠিন্য হলে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎকের পরামর্শ নেবেন। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকার জন্য কিছু খাবারের নাম বলে দিচ্ছি। শেয়ার করে রাখতে পারেন।


শাকসবজি: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আঁশযুক্ত খাবারের কোনো বিকল্প নেই। আর শাকসবজি হলো আঁশের সবচেয়ে ভালো উৎস। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় তাজা মৌসুমি শাকসবজি রাখুন। সবজির মাঝে লাউ, পেঁপে, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, ঢ্যাঁড়স রাখুন। 


কলা: কলায় প্রচুর আঁশ রয়েছে। তাই যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা সকালের নাশতায় একটি করে পাকা কলা রাখুন।


আপেল: কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে নিয়মিত খোসাসহ আপেল খান। আপেলের খোসায় পর্যাপ্ত আঁশ রয়েছে, যা মল নরম করে।


নাশপাতি: প্রতিদিন একটি নাশপাতি খেলে আমাদের দৈনন্দিন আঁশের চাহিদা ২২ শতাংশ পূরণ হয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক।


ইসবগুলের ভুসি: ইসবগুলের ভুসি প্রাকৃতিকভাবেই মল নরম করতে, মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে ও সহজে মলত্যাগ করতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণ অদ্রবণীয় আঁশ রয়েছে, যা প্রচুর পানি শোষণ করে। সকালে খালি পেটে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একইভাবে ইসবগুলের ভুসি খেলে সকালে মলত্যাগে কোনো সমস্যা হয় না। তবে ইসবগুলের ভুসি খেলে সারা দিন প্রচুর পানি পান করতে হবে। না হলে ইসবগুলের ভুসি শরীর থেকে পানি শোষণ করে মলত্যাগ আরও কষ্টসাধ্য করে তুলবে।

©

আমরা শুধু পৃথিবীর না, পুরো মহাবিশ্বের সন্তান। আমরা সত্যিকার অর্থেই তারার ধুলো যা কোটি কোটি বছর ধরে মহাকাশ ঘুরে জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে

 আমাদের শরীরের কণাগুলো পৃথিবী সৃষ্টির আগেই মহাবিশ্ব ঘুরে এসেছে। শরীর গঠনে থাকা পরমাণুগুলো শুধু তারার ভেতরেই জন্ম নেয়নি বরং তা আমাদের ছায়াপথ মিল্কিওয়ে ছাড়িয়ে মহাজাগতিক ভ্রমণে বের হয়েছিল! সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, এই কণাগুলোর অনেকগুলোই একসময় মহাবিশ্বের গভীরে হারিয়ে গিয়েছিল, তারপর আবার ফিরে এসে পৃথিবী ও প্রাণ সৃষ্টির অংশ হয়েছে। তারার ভেতরে বিস্ফোরণের মতো ঘটনাগুলোর (যেমন সুপারনোভা বা নিউট্রন স্টার সংঘর্ষ) মাধ্যমে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের চেয়ে ভারী উপাদান—যেমন কার্বন, অক্সিজেন, আয়রন ইত্যাদি—তৈরি হয়। আগে ভাবা হতো, এসব উপাদান নিজের গ্যালাক্সিতেই থেকে যায় এবং নতুন তারা ও গ্রহ তৈরি করে। কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব উপাদান গ্যালাক্সির বাইরে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে "সার্কামগ্যালাক্টিক মিডিয়াম" বা CGM-এ। এটা এক ধরনের গ্যাসীয় স্তর, যা গ্যালাক্সির বাইরের দিকে ছড়িয়ে থাকে। গবেষণার প্রধান লেখক সামান্থা গারজা বলেন, “তারার বিস্ফোরণে তৈরি ভারী উপাদানগুলো CGM-এ ছিটকে পড়ে, তারপর আবার সেগুলো ফিরে আসে, নতুন তারা ও গ্রহ তৈরিতে অংশ নেয়।” অর্থাৎ CGM হলো এক ধরনের মহাজাগতিক রিসাইক্লিং সিস্টেম!


এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা হাবল টেলিস্কোপ ব্যবহার করে দূরের ৯টি কোয়াসারের আলো বিশ্লেষণ করেছেন, যেগুলোর আলো CGM-এর মধ্য দিয়ে এসেছে। এতে তারা ১১টি তারা-উৎপাদনশীল গ্যালাক্সির আশেপাশে কার্বনের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। তারা দেখেন, যেসব গ্যালাক্সিতে এখনো তারা তৈরি হচ্ছে, সেখানে CGM-এ অনেক কার্বন রয়েছে। আর যেসব গ্যালাক্সি “প্যাসিভ” বা নিষ্ক্রিয়, অর্থাৎ যেখানে নতুন তারা তৈরি বন্ধ হয়ে গেছে, সেখানে এই উপাদানের উপস্থিতি অনেক কম।কার্বনের উপস্থিতি খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটা প্রাণের জন্য অপরিহার্য। গবেষকরা বলছেন, যদি কোনো গ্যালাক্সি এই উপাদান রিসাইক্লিং বন্ধ করে ফেলে, তাহলে তারা উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যেতে পারে—অর্থাৎ সেই গ্যালাক্সি “মৃত” হয়ে যেতে পারে। এই গবেষণার অন্যতম সদস্য জেসিকা ওয়ার্ক বলেন, “আমাদের শরীরের কার্বন হয়তো কখনো গ্যালাক্সির বাইরেই ছিল অনেকদিন।” ভাবতেই অবাক লাগে, আমরা যেসব উপাদান দিয়ে তৈরি, সেগুলোর একটা বড় অংশ বিশাল মহাবিশ্ব ঘুরে, কোটি কোটি আলোকবর্ষ পাড়ি দিয়ে, অবশেষে এখানে ফিরে এসেছে! এই আবিষ্কার আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়—আমরা শুধু পৃথিবীর না, পুরো মহাবিশ্বের সন্তান। আমরা সত্যিকার অর্থেই তারার ধুলো যা কোটি কোটি বছর ধরে মহাকাশ ঘুরে জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। 

Source : Science Galaxy


#image #post #science #facts #education

আর্থিক সচেতনতা:  সময়ের দাবি ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতি

 আর্থিক সচেতনতা: 

সময়ের দাবি ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতি


১. ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস এভয়েড করতে চাইলে...


"Emergency never knocks, it breaks in."

জীবনে যে কোনো মুহূর্তে আর্থিক সংকট আসতে পারে—স্বাস্থ্য, চাকরি হারানো, পারিবারিক বিপর্যয়—তাই প্রস্তুতি আবশ্যক।


উৎসব নয়, স্থিতিশীলতা:

লোক দেখানো অনুষ্ঠান যেমন বিয়ে বা জন্মদিনে অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে চলুন।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ভারতীয় উপমহাদেশে মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় ৩৫% সঞ্চয় খরচ হয় শুধুমাত্র ছেলেমেয়ের বিয়েতে।


২. কম খরচে অধিক মুনাফা: স্মার্ট ইনভেস্টমেন্ট স্ট্র্যাটেজি


স্মার্ট সেভিংস টিপস:

সন্তান জন্মের পর মাত্র ১ লাখ টাকা যদি ৮-১০% ইন্টারেস্টে ফিক্সড ডিপোজিট করা হয়, তবে ২০ বছরে তা দাঁড়াবে প্রায় ৫ লাখ টাকা (চক্রবৃদ্ধি হারে)।


“Start early, grow steadily.”


৩. সন্তানের আর্থিক শিক্ষা শুরু হোক ঘর থেকেই


ফিনান্সিয়াল লিটারেসি শেখানো হোক ছোটোবেলা থেকে:


প্রোডাক্টিভ vs নন-প্রোডাক্টিভ ইনভেস্টমেন্ট:

গ্যাজেট নয়, সোনা-রুপার মতো মূল্যবান ধাতুতে বিনিয়োগ শেখান।

কারণ এগুলোর রিসেল ভ্যালু থাকে, প্রযুক্তির নয়।

“Don’t raise consumers. Raise creators.”


৪. স্ট্যাটাস নয়, স্ট্যাবিলিটি জরুরি


ছেলের বিয়েতে সর্বস্ব খরচ নয়:

একটি সাদাসিধে বিয়ে করে বরং বাকি টাকাটি সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য ইনভেস্ট করুন—ফিক্সড ডিপোজিট, SIP, সোনার বার, বা লিকুইড মানি আকারে।


৫. রিয়েল এসেট বনাম লিকুইড অ্যাসেট: কোনটি জরুরি?


জমি ও বাড়ি জরুরি হলেও তা লিকুইড নয়:

দুঃসময়ে ঘরের দরজা বিক্রি করা যায় না, কিন্তু গহনা বা ব্যাঙ্কের টাকা কাজে আসে।


“Liquidity is king in crisis.”


৬. উচ্চ ডিগ্রি নয়, কার্যকর দক্ষতা জরুরি


সার্টিফিকেট নয়, স্কিল চ্যাম্পিয়ন করে:

সন্তানকে পড়ালেখার বাইরেও কারিগরি জ্ঞান, ব্যবসার ধারণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা দিন।

Part-time job, freelancing, entrepreneurship—যেকোনো দিকেই উৎসাহ দিন।

“Degrees open doors, but skills build the path.”


৭. একটিমাত্র আয়ের পথ নয়, বহু আয়ের স্ট্রিম তৈরি করুন


Diversify your income sources:

বিভিন্ন খাতে ইনভেস্ট ও উপার্জনের পরিকল্পনা করুন:


Real Estate

SIP

Digital Business

Freelance / Remote Work

Small Scale Business


"Never depend on a single income. Make investment to create a second source." — Warren Buffett


৮. সন্তানকে স্বাধীন চিন্তা ও পছন্দের স্বাধীনতা দিন


গভর্নমেন্ট জব মানেই নিরাপত্তা নয়:

বর্তমান বিশ্বে কোন খাতে একশো শতাংশ সিকিউরিটি নেই—সরকারি হোক বা বেসরকারি।


তাই সন্তানকে তাঁর আগ্রহ অনুযায়ী খাত বেছে নিতে দিন এবং গাইড করুন।


৯. ভবিষ্যতের জন্য ‘মাসিক আয় প্রকল্প’ প্রস্তুত রাখুন


Monthly Income Scheme (MIS):

বয়স ও দুঃসময়ের কথা মাথায় রেখে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা এমন স্কিমে রাখুন, যাতে অন্তত মাসের খরচ চলে।


"A penny saved today is a savior tomorrow."


১০. প্রতিটি বিষয়কে বিজনেস মাইন্ডে ভাবুন


Risk Management = Survival Strategy

একটা ইনভেস্ট ডুবে গেলেও যেন অন্যটা বাঁচিয়ে রাখতে পারে—এই চিন্তা করে চলুন।


"Think like an investor, act like a protector."

অল্প খরচে সংসার চালানোর স্মার্ট কৌশল!

 অল্প খরচে সংসার চালানোর স্মার্ট কৌশল!

বর্তমানের মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের চাপে অনেকেই সংসার পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা, বাজেটিং এবং সচেতন অভ্যাস গড়ে তুললে অল্প ব্যয়েও সুশৃঙ্খলভাবে সংসার চালানো সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু কার্যকরী টিপস:


১. সচেতন মানসিকতা গড়ে তুলুন 

খরচ নিয়ন্ত্রণের প্রথম শর্ত হলো ইচ্ছাশক্তিকে শাণিত করা। বাজারে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে কেনাকাটা না করে শুধু প্রয়োজনীয় জিনিসই ক্রয় করুন। লোভ আর  লাভের ফাঁদ এড়িয়ে চলুন।


২. পেট ভরে বাজারে যান:

খালি পেটে শপিং করলে অপ্রয়োজনীয় স্ন্যাক্স ও জাঙ্ক ফুড কেনার প্রবণতা বাড়ে। বাজারে যাওয়ার আগে হালকা খাবার খেয়ে নিন – এতে বাজেট ডিসিপ্লিন বজায় রাখা সহজ হবে।


৩. সাপ্তাহিক শপিংয়ের রুটিন:

প্রতিদিন বাজারে গেলে ছোটখাটো খরচ বেড়ে যায়। সপ্তাহে একদিন গোছানো তালিকা নিয়ে বাজার সেরে ফেলুন। লিস্ট থেকে বিচ্যুত না হওয়াই সাফল্যের চাবিকাঠি!


৪. মিলমিশে রান্নার প্ল্যানিং:

সপ্তাহের মেনু আগে থেকে ঠিক করুন। শাকসবজি, ডাল, মাংস ইত্যাদি পরিমাণমতো ভাগ করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। এতে অপচয় রোধ হবে এবং প্রতিদিনের রান্না হয়ে উঠবে স্ট্রেস-ফ্রি!


৫. ইউটিলিটি বিল কমানোর ফর্মুলা:  

- রান্নার আগে সব উপকরণ কেটে-মেপে রাখুন, গ্যাসের ব্যবহার কমবে  

- unused রুমের লাইট-ফ্যান বন্ধ রাখুন  

- ফ্রিজের দরজা কম খুলুন, বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয় হবে


৬. হাঁটা-সাইকেল চালানোকে প্রাধান্য দিন:

নিয়মিত হাঁটাহাঁটি বা সাইকেল চালানোর অভ্যাস জ্বালানি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যও ভালো রাখবে। ছোট দূরত্বে গাড়ি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।


৭. বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিন: 

ব্র্যান্ডেড প্রোডাক্টের চেয়ে স্থানীয় পণ্য কিনুন। মেকআপ বা ডেকোরেশনের ক্ষেত্রে মিনিমালিস্ট অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করুন। Quality over quantity নীতিতে বিশ্বাসী হোন।


৮. ডিসকাউন্টের ছলনা চিনুন:  

'বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি' বা সীমিত সময়ের অফারের প্রলোভনে অপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে বাজেট ন*ষ্ট করবেন না। শপিংয়ের আগে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন – "আমার কি সত্যিই এটি দরকার?"


একটু সৃজনশীলতা আর নিয়মানুবর্তিতা আপনাকে ব্যয়বৃদ্ধির এই যুগেও সফলভাবে সংসার চালাতে সাহায্য করবে। মনে রাখবেন, সাশ্রয়ের অর্থ কৃপণতা নয় – বরং সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা!"

#জীবন_চক্র

১০০ বছর চার্জ ছাড়াই চলবে! চীন আবিষ্কার করলো নিউক্লিয়ার ব্যাটারি!

 ১০০ বছর চার্জ ছাড়াই চলবে! চীন আবিষ্কার করলো নিউক্লিয়ার ব্যাটারি!


ভাবুন তো, আপনি এমন একটি স্মার্টফোন / স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করছেন যা একবার কিনেই সারা জীবনের মতো চার্জমুক্ত! এটা কি শুধুই কল্পনা? না — প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এমন কল্পনা এখন বাস্তবের খুব কাছাকাছি। সম্প্রতি চীনের একটি স্টার্টআপ কোম্পানি ঘোষণা দিয়েছে, তারা এমন এক নিউক্লিয়ার ব্যাটারির প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে যা ৫০ থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে — একটানা, কোনও চার্জ ছাড়াই!


এই ব্যাটারির নাম Betavoltaic Nuclear Battery। এরকম একটি ব্যাটারির উদ্ভাবন শুধু প্রযুক্তির জগতে নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করতে পারে।


১. এই ব্যাটারি কি সত্যিই বিদ্যমান?

চীনের Beijing Betavolt Technology নামের একটি প্রতিষ্ঠান ২০২৪ সালের শেষদিকে জানায়, তারা বিশ্বের প্রথম কমার্শিয়াল স্কেল নিউক্লিয়ার ব্যাটারির প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে যা আকারে একটি কয়েনের মতো ছোট এবং ৫০ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম। ভবিষ্যতের লক্ষ্য — ব্যাটারির আয়ু ১০০ বছরে পৌঁছে দেওয়া। বর্তমানে এটি একটি পরীক্ষামূলক প্রযুক্তি। বাজারে এখনো আসেনি, তবে গবেষণায় ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে।


২. কিভাবে কাজ করে এই ব্যাটারি?

এই ব্যাটারির শক্তির উৎস হলো Betavoltaic Effect। এটি এক ধরনের পারমাণবিক প্রযুক্তি, তবে চুল্লির মতো ভয়ানক নয়। ব্যাটারিতে থাকা রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ যেমন Nickel-63 থেকে বিটা কণা (ইলেকট্রন) নির্গত হয়। এই কণাগুলো ডায়মন্ড সেমিকন্ডাক্টর-এর মাধ্যমে ইলেকট্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি একটি ছোট ঘরে বন্দি — বাইরের পরিবেশে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায় না। অবশেষে, এই আইসোটোপের মেয়াদ শেষ হলে এটি নির্বিষ উপাদানে রূপ নেয়। ফলে পরিবেশেও এর প্রভাব নেই বললেই চলে।


৩. কোথায় ব্যবহার হবে এই ব্যাটারি?

এই ব্যাটারি মূলত এমন সব জায়গায় ব্যবহারের জন্য তৈরি, 

যেখানে চার্জ দেওয়া অসম্ভব বা খুব ঝুঁকিপূর্ণ: স্পেস স্যাটেলাইট: একবার মহাকাশে পাঠালে সেখানে চার্জ দেয়া বা ব্যাটারি বদলানো সম্ভব নয়।

পেসমেকার: শরীরের ভেতরে বসানো ডিভাইসে দীর্ঘমেয়াদে চার্জমুক্ত ব্যাটারি জীবন রক্ষা করতে পারে।

গভীর সমুদ্রের সেন্সর: যেখানে মানুষের পক্ষে পৌঁছানো কঠিন।

সেনাবাহিনীর গুপ্তচর যন্ত্র: দীর্ঘসময় ধরে নজরদারি চালাতে পারবে নিরবিচারে।


৪. পারমাণবিক শব্দেই কি ভয় পাওয়া উচিত?

এখানেই আসে সচেতনতার জায়গা। সাধারণ মানুষ “পারমাণবিক” শব্দ শুনলেই ভয় পান। কিন্তু এই ব্যাটারি একেবারে আলাদা ও নিরাপদ: বিটাভোল্টাইক ব্যাটারির তেজস্ক্রিয়তা এতই কম যে, এটি চামড়ার বাইরের স্তর পর্যন্তও পৌঁছায় না। সম্পূর্ণ সিল করা ডিজাইন হওয়ায় বিকিরণ বের হওয়া প্রায় অসম্ভব। এটি বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর নয় — এমনকি চুরি হলেও এর থেকে অস্ত্র বানানো সম্ভব নয়।বিজ্ঞানীরা একে “নিরাপদ পারমাণবিক শক্তির ভবিষ্যৎ” হিসেবে বিবেচনা করছেন।


৫. তাহলে কি মোবাইল ফোনেও চলবে এই ব্যাটারি? এটাই সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন — আমরা কি ভবিষ্যতে এমন ফোন পাব যা একবার চার্জ দিয়ে সারাজীবন চলবে?

উত্তর: এখন না, কিন্তু ভবিষ্যতে সম্ভাবনা রয়েছে। কেন এখন সম্ভব না? বর্তমান ব্যাটারিটি মাত্র ১০০ মাইক্রোওয়াট (μW) শক্তি দেয়। অথচ একটি স্মার্টফোন গড়ে ২ থেকে ৫ ওয়াট ব্যবহার করে। এই ব্যবধান হাজার গুণের বেশি। এছাড়া মোবাইল ফোনের মতো পোর্টেবল ডিভাইসে পারমাণবিক পদার্থ ব্যবহার করতে গেলে নিরাপত্তা ও আইনগত বাধা রয়েছে।

ভবিষ্যতের আশা:

কোম্পানিটি বলছে, ভবিষ্যতে তারা ১ ওয়াট বা তার বেশি শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ করছে। একাধিক ব্যাটারি একত্র করে শক্তি বাড়ানো সম্ভব। যদি প্রযুক্তি সস্তা ও নিরাপদ হয়, তবে ফোন, স্মার্টওয়াচ এমনকি ল্যাপটপেও এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। কবে নাগাদ? বিশেষজ্ঞদের মতে, এরকম ব্যবহারিক বাস্তবতা আসতে পারে ২০–৩০ বছরের মধ্যে।


৬. বাংলাদেশ কি এমন প্রযুক্তি তৈরি করতে পারবে? একটি দেশের প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য তিনটি জিনিস দরকার — গবেষণা, অর্থায়ন, এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে (যেমন: রূপপুর প্রকল্প) দক্ষতা দেখিয়েছেন।আমাদের রেডিও কেমিস্ট্রি, ন্যানো টেকনোলজি, এবং ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ একসাথে কাজ করলে ভবিষ্যতে এমন প্রযুক্তি তৈরি অসম্ভব নয়। তবে এজন্য প্রয়োজন গভীর গবেষণা, সরকারি-বেসরকারি সহায়তা, এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।


৭. ভবিষ্যতের কল্পনা: শক্তি যেখানে সময়কে ছাড়িয়ে যাবে। ভাবুন তো, একবার একটি যন্ত্র কিনে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেটি একই ব্যাটারিতে চলছে — কোনও চার্জ নেই, তার নেই, রক্ষণাবেক্ষণ নেই। এটাই হতে পারে ভবিষ্যতের ডিজিটাল স্থায়িত্বের রূপরেখা। শুধু প্রযুক্তি নয়, এই ব্যাটারি আমাদের জীবনধারায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে — একটি নীরব, নিরবচ্ছিন্ন, নিরাপদ শক্তির যুগ।


শেষ কথা, চীনের উদ্ভাবিত এই নিউক্লিয়ার ব্যাটারি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। তবে এটি ভবিষ্যতের দরজা খুলে দিয়েছে — এক দীর্ঘস্থায়ী, রক্ষণাবেক্ষণহীন শক্তির জগতে। আমাদের কাছে এখন প্রশ্ন, আমরা কি সেই ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত?


আপনার মতামত কী? আপনি কি এই প্রযুক্তি নিজের জীবনে ব্যবহার করতে আগ্রহী হবেন? পারমাণবিক বলেই কি আপনি ভয় পাবেন, নাকি বিজ্ঞানকে এগিয়ে যেতে দেবেন?


কমেন্টে জানান। বিজ্ঞান ছড়াক, কৌতূহল জাগুক।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ১ ৮-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ১ ৮-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য দুই লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন -সরকার আর কোনো মেগাপ্রকল্প গ্রহণ করবে না - মন্তব্য পরিকল্পনা উপদেষ্টার।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জামাতের বৈঠক – দেশ গঠনে সকল ইতিবাচক সিদ্ধান্তে একমত এবং জাতীয় স্বার্থে সংস্কার চায় জামাত - বললেন দলটির নায়েবে আমির।


পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য অব্যাহত থাকবে - জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ কানাডার।


স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু করেছে দুদক।


গাজায় অব্যাহত ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১২৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত।


অরুণাচলে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১৮-০৫-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১৮-০৫-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


মাইক্রোক্রেডিট ব্যাংক আইন নামে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে - মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নতুন ভবন উদ্বোধন করে বললেন প্রধান উপদেষ্টা। 


মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত - তিন আসামি খালাস। 


ওএমএস এর আওতায় নিম্নআয়ের পরিবারের সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখ করা হবে, পাঁচ মাসের পরিবর্তে সহায়তা দেওয়া হবে ছয় মাস - বলেছেন খাদ্য উপদেষ্টা।


 বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে থাকলে তাদেরকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফেরত পাঠাতে বলা হয়েছে নতুন দিল্লীকে - জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। 


পুশইনসহ সীমান্তের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি-বিএসএফ এর পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত। 


কোনো ফ্যাসিস্ট যাতে আর জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সেজন্য গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময় - বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 


যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি ও কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যে টর্নেডোর আঘাতে কমপক্ষে ২৫ জন নিহত। 


শারজায় প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ২৭ রানে হারালো বাংলাদেশ - আজ অরুণাচলে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশীপ ফুটবলের ফাইনালে ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ১৭-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ১৭-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


মাইক্রোক্রেডিট ব্যাংক আইন নামে নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে - মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নতুন ভবন উদ্বোধন করে বললেন প্রধান উপদেষ্টা। 


মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত - তিন আসামি খালাস।


ওএমএস এর আওতায় নিম্নআয়ের পরিবারের সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখ করা হবে, পাঁচ মাসের পরিবর্তে সহায়তা দেয়া হবে ছয় মাস - জানালেন খাদ্য উপদেষ্টা।


গ্রাহকদের স্বার্থে ইন্টারনেটের দাম যুক্তিসঙ্গতভাবে কমিয়ে আনতে হবে - বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। 


বাংলাদেশি কেউ অবৈধভাবে ভারতে থাকলে তাদেরকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফেরত পাঠাতে ভারতকে বলা হয়েছে - জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, শান্তিপূর্ণ দেশ গঠনে কাজ করছে বিএনপি - বলেছেন দলের নেতা ডক্টর আব্দুল মঈন খান।


গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ১৪৬ ফিলিস্তিনি নিহত। 


শারজায় আজ রাতে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

জামার মাপ নেওয়ার সময় ফিতা (মেজারমেন্ট টেপ) দিয়ে সঠিকভাবে বিভিন্ন অংশের মাপ নিতে হয়, যাতে জামাটি পরিধানকারী ব্যক্তির শরীর অনুযায়ী সুন্দরভাবে ফিট হয়

 জামার মাপ নেওয়ার সময় ফিতা (মেজারমেন্ট টেপ) দিয়ে সঠিকভাবে বিভিন্ন অংশের মাপ নিতে হয়, যাতে জামাটি পরিধানকারী ব্যক্তির শরীর অনুযায়ী সুন্দরভাবে ফিট হয়। নিচে ধাপে ধাপে বিস্তারিতভাবে জামার মাপ নেওয়ার নিয়ম দেওয়া হলো:


---


১. গলার মাপ (Neck Measurement):


ফিতাটি গলার চারপাশে দিন, যেখানে কলার বসবে।


খুব টাইট না, আবার বেশি ঢিলাও না।


এক আঙুল ঢুকানোর মতো জায়গা রাখুন আরামদায়ক মাপের জন্য।


---


২. কাঁধের মাপ (Shoulder Width):


এক কাঁধের হাড় থেকে আরেক কাঁধের হাড় পর্যন্ত মাপ নিন।


জামা পরার সময় যেখানে সেলাই বসবে ঠিক সেই জায়গা ধরে মাপ নিতে হবে।


---


৩. বুকের মাপ (Chest Measurement):


ফিতাটি বুকের সবথেকে মোটা অংশ (প্রায় নিঃশ্বাস নিচ্ছেন এমন অবস্থায়) চারপাশে দিন।


ফিতাটি সোজা ও সমানভাবে ঘুরানো থাকতে হবে।


এক বা দুই ইঞ্চি ঢিলা রাখা যেতে পারে (চেস্ট ইজ).


---


৪. কোমরের মাপ (Waist Measurement):


কোমরের সবচেয়ে সরু অংশে ফিতা দিন।


এই মাপটি সাধারণত নাভির একটু উপরে বা সমান হয়।


---


৫. নিতম্বের মাপ (Hip Measurement):


নিতম্বের সবচেয়ে চওড়া অংশে ফিতা দিন।


চেয়ারে বসে দেখুন জামা টাইট হচ্ছে কি না, অতিরিক্ত জায়গা দরকার হলে সেটি যোগ করুন।


---


৬. হাতার মাপ (Sleeve Length):


কাঁধের সেলাই থেকে কবজি পর্যন্ত মাপ নিন।


হাত সামান্য বাঁকিয়ে মাপলে আরও সঠিক মাপ পাওয়া যায়।


ফুল হাতা, হাফ হাতা বা থ্রি-কোয়ার্টার হাতার মাপ আলাদা হবে।


---


৭. আর্ম হোল (Armhole):


বাহু এবং কাঁধের সংযোগস্থলে ফিতা দিন এবং একবার ঘুরিয়ে মাপ নিন।


হাত উঠাতে সুবিধা হবে এমন মাপ রাখুন।


---


৮. জামার মোট দৈর্ঘ্য (Shirt/Kurta Length):


কাঁধ থেকে নিচে যতোটা লম্বা জামা চান, ততদূর পর্যন্ত ফিতা ধরে মাপ নিন।


সাধারণত কোমর পর্যন্ত, হিপ পর্যন্ত, বা হাঁটু পর্যন্ত হতে পারে।


---


৯. কবজির মাপ (Wrist Measurement):


কবজির চারপাশে ফিতা দিন।


একটু ঢিলা রাখুন যাতে বোতাম লাগানো গেলে হাত সহজে ঢুকে যায়।


---


১০. গলা খোলা মাপ (Neckline Depth):


সামনের গলা কতটা নিচে খোলা থাকবে তা কাঁধ থেকে নিচে মেপে নিন।


---


বিশেষ টিপস:


মাপ নেওয়ার সময় পাতলা জামা পরে থাকলে ভালো হয়।


সব সময় ফিতা সোজা ও চামড়ার সাথে লাগানো রেখে মাপ নিন।


একজন সহকারী থাকলে মাপ নেওয়া আরও সহজ হয়।

রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫

ইত্যাদি অনুষ্ঠানের নাতি চরিত্রের নাতির জীবন বৃত্তান্ত -

 ইত্যাদি অনুষ্ঠানের নাতি চরিত্রের নাতির জীবন বৃত্তান্ত -


কাগুজে নাম শওকত আলী তালুকদার। ডাক নাম নিপু। মাথায় কোকড়ানো ঝাঁকড়া বাবরি চুল। উচ্চতা প্রায় আড়াই ফুট। কথা কিংবা চলনে-বলনে প্রকাশ পায় পূর্ণাঙ্গ পুরুষালী ব্যক্তিত্ব। বয়সের হিসাবে ৫০ বসন্ত অতিক্রম করেছেন এরই মধ্যে। হোমিও ডাক্তার বাবার তিন সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় তিনি। পড়াশোনায় গ্রাজুয়েশন (বিএ)। বসবাস ঢাকার উত্তরায়। ১৯৯০ সাল থেকে নন্দিত নির্মাতা হানিফ সংকেতের সঙ্গে আছেন। ইত্যাদির বদৌলতে দেশ এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে যার অবস্থান এখন এক নম্বর স্যাটায়ার তারকা হিসেবে। আমজনতার কাছে যিনি সর্বাধিক পরিচিত আদরের

নাতি নামে। চলমান জীবনে নানা ভুলভ্রান্তি চোখে আঙুল দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার জন্য যিনি এরই মধ্যে পরিণত হয়েছেন ভুল শুধরানোর আইকন হিসেবে। কেমন আছেন জনপ্রিয় এ স্বল্পকায় যুবক? কেমন কাটছে তার বর্তমান সময়? ইত্যাদি’র নিয়মিত ফ্রেমের বাইরে তার জীবনটাইবা যাচ্ছে কেমন? বিয়ে করেছেন কি? বাচ্চাকাচ্চা কয়জন? টানা ২০ বছর ধরে ‘ইত্যাদি’র সঙ্গেইবা কেন? প্রচারবিমুখ বিপুল জনপ্রিয় এই নাতির কাছে অনেকের এমন অনেক জিজ্ঞাসা অনেক দিনের। নিপু জানান, মুখে কথা ফোটার পর থেকেই তার স্টেজ শো’র যাত্রা শুরু। টানা চার পাঁচ বছর সেই স্টেজ শোগুলোতে একজন ক্ষুদে কমেডিয়ান কিংবা ক্ষুদ্র সাইজের মানুষ হিসেবেই তার অবস্থান এবং পারফরমেন্স সীমাবদ্ধ ছিল। সে জীবন মোটও সুখকর ছিল না। তবুও শুরুর সেই জীবনটাকে পরম শ্রদ্ধায় এখনও স্মরণ করেন তিনি। বলেন, ওই স্টেজ শোগুলোই আমাকে আজকের নাতিতে পরিণত করেছে। উপরওয়ালার ইচ্ছা আর সংকেত দা’র দিকনির্দেশনায় টানা ২০ বছর ধরে এখনও আমি ইত্যাদির খাতায় সগৌরবে আছি। এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে? নানার সঙ্গে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জুটি হয়ে স্যাটায়ার (ব্যঙ্গাত্মক অভিনয়) করার পর খানিক পরিবর্তনের ছোঁয়া নিয়ে নাতি এখন নানীকে জ্বালিয়ে মারছেন কথার মারপ্যাঁচে। নানী-নাতির জুটিটাও দর্শক ব্যাপক পছন্দ করছেন। ইত্যাদির বাইরে কয়েকটি বিজ্ঞাপন ছাড়া নাটক কিংবা চলচ্চিত্রে এখনও পাওয়া যায়নি জনপ্রিয় এ মানুষটিকে। কেন? একটু দুষ্টুমি করেই নিপু বলেন, আমি স্যাটায়ার আর্টিস্ট, কৌতুক অভিনেতা না। এ বিষয়টি এখনও আমাদের নাটক, ফিল্ম কিংবা বিজ্ঞাপনওয়ালারা পরিষ্কার হতে পারেননি। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা কনসেপ্ট। আমি কৌতুক অভিনেতা হতে চাই না। সংকেত দা আমাকে এ শিক্ষাটা দেয়নি,নানা অমল বুশের কথা স্মরণ করে শুধু কাঁদেন,বাস্তবে নানা না হলে ও নানার মতো আদর ওনি করতেন।

আল্লাহ নাতি কে আরো দীর্ঘ হায়াত দান করুন। 

-আশরাফুল আলম।

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...