এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

ডায়াবেটিস ॥ ভুল ধারণা ও প্রকৃত সত্য

 ডায়াবেটিস ॥ ভুল ধারণা ও প্রকৃত সত্য

অধ্যাপক (ডাঃ) এ বি এম আব্দুল্লাহ

ডায়াবেটিসকে বলা হয় নীরব ঘাতক। বিশ্বের বহু মানুষ এ রোগে আক্রান্ত। মানুষের মাঝে এ রোগ নিয়ে একাধিক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। আসল সত্য তুলে ধরেন।


বুধবার ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৮ মে ২০২২  ঢাকা, বাংলাদেশ।

 ফেসবুকঃ  E-Daily Janakantha 


(১) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস কোনদিনও ভাল হয় না :

* প্রকৃত সত্য- ডায়াবেটিসকে বলা হয় চিরজনমের রোগ। তবে কিছু কিছু রোগের কারণে ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে, তাকে বলে সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস। যেমন-এক্রোমেগালি, থাইরোটক্সিকোসিস, প্যানক্রিয়াটিক ডিজিজ, কুশিং সিনড্রোম। এ সমস্ত রোগের চিকিৎসা করলে ডায়াবেটিস ভাল হতে পারে। কিছু কিছু ওষুধ ব্যবহারে ডায়াবেটিস হয়। যেমন- অনেকদিন ধরে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খেলে। এগুলো ছেড়ে দিলে আবার ডায়াবেটিস ভাল হয়ে যায়। নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চললে এবং প্রয়োজনে ওষুধ নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস সেরে যেতে পারে।

(২) ভুল ধারণা- ভাত বা কার্বোহাইড্রেট একেবারেই খাওয়া যাবে না :

* প্রকৃত সত্য- অনেকেই মনে করেন ডায়াবেটিস হলে আর ভাত খাওয়া যাবে না। কথাটা একেবারেই সত্য নয়। ভাত বা কার্বোহাইড্রেট পরিমাণ মতো খাওয়া যাবে। সাধারণত সকালে- রাতে গমের রুটি খেতে বলা হয় এবং দুপুরে পরিমাণ মতো মেপে ভাত খেতে দেয়া হয়।

(৩) ভুল ধারণা- কৃত্রিম চিনি ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যাবে :

* প্রকৃত সত্য- ডায়াবেটিস রোগীদের কোন প্রকার মিষ্টান্ন খাওয়া উচিত নয় বলে ভাবেন অনেকে। এটি ভুল ধারণা। সাধারণ চিনি না খেয়ে কৃত্রিম চিনি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেটাও হতে হবে পরিমিত। ইচ্ছে মতো অতিরিক্ত কৃত্রিম চিনি ব্যবহার করা উচিত না।

(৪) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস রোগীরা ফল খেতে পারেন না:

* প্রকৃত সত্য- এটাও একটা ভুল ধারণা। ডায়াবেটিস রোগীরা যে কোন ফল খেতে পারবেন। যেমন- কলা, আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি। তবে তা যেন হয় পরিমিত।

(৫) ভুল ধারণা - মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয় :

* প্রকৃত সত্য- মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়- এ কথাটা ঠিক নয়। সরাসরি মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিস হওয়ার কোন যোগসূত্র নেই। মিষ্টি বেশি না খেলেও ডায়াবেটিস হতে পারে। আসলে পারিবারিক ইতিহাস, ওজন বৃদ্ধি, অস্বাস্থ্যকর খাবার, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বা পরিশ্রমবিহীন অলস জীবন যাপন ইত্যাদি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই বলে ইচ্ছে মতো চিনি বা মিষ্টি কোনক্রমেই বেশি খাওয়া উচিত নয়।

(৬ ) ভুল ধারণা- মিষ্টিজাতীয় ওষুধ খেলে ডায়াবেটিস বাড়বে :

* প্রকৃত সত্য- কিছু কিছু সিরাপ জাতীয় ওষুধ বেশ মিষ্টি, যেগুলোতে সামান্য সুগার বা স্যাকারিন দেয়া হয়। অনেক ডায়াবেটিস রোগীর ধারণা এগুলো খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে। আসলে তা ঠিক নয়। কারণ, এই সিরাপগুলোতে খুব সামান্য পরিমাণ স্যাকারিন মিশ্রিত থাকে। রোগের কারণে ওষুধটাই জরুরী। এগুলো সেবনে ডায়াবেটিস বাড়ার তেমন কোন ঝুঁকি নেই।

(৭) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে হতে পারে :

* প্রকৃত সত্য- ডায়াবেটিস কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়। বরং জেনেটিক বা বংশগত কারণে হতে পারে। যেমন- বাপ-মা, ভাই-বোন, নিকটাত্মীয় কারও ডায়াবেটিস থাকলে অন্যদেরও হতে পারে।

(৮) ভুল ধারণা- হোমিওপ্যাথিক বা হার্বাল মেডিসিনে ডায়াবেটিস ভাল হয় :

* প্রকৃত সত্য- আসলে এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি তিনটা ‘ডি’-

* প্রথম ডি-ডায়েট কন্ট্রোল বা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ। ৬০ থেকে ৮০ ভাগ রোগী এতেই ভাল থাকেন।

* দ্বিতীয় ডি- ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা। সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি।

* তৃতীয় ডি- ড্রাগ বা ওষুধ, খুব অল্প সংখ্যক রোগীর ওষুধের প্রয়োজন পড়বে।

(৯) ভুল ধারণা- তিতা জাতীয় জিনিস যেমন- করলা, মেথি বা নিমপাতা খেলে ডায়াবেটিস সেরে যায় :

* প্রকৃত সত্য- তিতা স্বাদযুক্ত খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হ্রাস করে বলে মনে করেন অনেকেই। এ কারণে করলা বা নিম বা অন্যান্য তিতা খাবার খান। এটা একটি ভুল ধারণা। তিতা খেলে ডায়াবেটিস রোগে উপকার হয়, এ রকম ধারণা কমবেশি প্রচলিত থাকলেও বিজ্ঞানসম্মত এর কোন প্রমাণ নেই যে, এগুলো রক্তে গ্লুকোজের নিয়ন্ত্রণ করে।

(১০) ভুল ধারণা- সাধারণ চিনিমুক্ত খাবার বা পানীয় ইচ্ছেমতো খাওয়া যায় :

* প্রকৃত সত্য- এ কথাও সত্য নয়। বাজারে ‘ডায়াবেটিক’ পানীয় যেমন- কোক, পেপসি, সেভেন আপ ইত্যাদি এমনকি ডায়াবেটিক সন্দেশ, বিস্কুট, জ্যাম, চকলেট পাওয়া যায়। এসব খাবারের গায়ে চমকপ্রদ কিছু লেখা আর চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে স্বাভাবিকভাবেই একজন ডায়াবেটিস রোগীর খেতে মন চায়। ডায়াবেটিক রোগীরা মাঝেমধ্যে মিষ্টির বদলে এগুলো খেতে পারেন। তবে সব সময় খাওয়া উচিত না।

(১১) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা প্রয়োজনে কাউকে রক্তদান করতে পারবেন না :

* প্রকৃত সত্য- ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা কখনও অন্য মানুষকে রক্তদান করতে পারেন না, এমনটাই ধারণা অনেকের। তবে এ ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে বা অন্য কোন সমস্যা না থাকলে রক্তদানে কোন সমস্যা নেই।

(১২) ভুল ধারণা- নিয়ন্ত্রণে এলে অনেকেই শারীরিক সমস্যা হচ্ছে না মনে করে ওষুধ বন্ধ করে দেন। মনে করেন ওষুধ না খেলেও চলে :

* প্রকৃত সত্য- কোন কোন রোগী একবার সুগার নিয়ন্ত্রণে এসে গেলেই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। কিন্তু বাস্তবে ওষুধের কারণেই সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। ওষুধ বন্ধ করা হলে সুগারের মাত্রা আবার বাড়তে থাকে। তাই নিয়ন্ত্রণে এলেই ওষুধ বন্ধ করা মোটেও ঠিক নয়।

(১৩) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিক রোগীরা ওষুধ খাওয়ার পরে যত খুশি মিষ্টি খেতে পারেন :

* প্রকৃত সত্য- এ ধারণাটা মোটেই ঠিক নয়। হয়ত মাঝেমধ্যে একটু আধটু মিষ্টি খাওয়া যেতে পারে। তার মানে যত খুশি তত মিষ্টি খাওয়া কোনক্রমেই উচিত হবে না। তবে অনেকেই ডায়াবেটিস অতিরিক্ত কন্ট্রোল করতে গিয়ে স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া একেবারেই কমিয়ে দেন বা ছেড়ে দেন। তা মোটেও ঠিক নয়। অবশ্যই পরিমিত পুষ্টিকর বিশুদ্ধ খাওয়া চালিয়ে যেতে হবে।

(১৪) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস সারা জীবনের সঙ্গী। এটি থেকে আর কোনদিন পরিত্রাণ পাওয়া যায় না :

* প্রকৃত সত্য- এই বিষয়টি সত্যি নয়। সঠিক নিয়ম ও উপায় অবলম্বন করে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস মুক্ত হওয়া যায়।

(১৫) ভুল ধারণা- একবার ডায়াবেটিসের ওষুধ শুরু করলে আর কোন সময়ই তা বন্ধ করা যাবে না :

* প্রকৃত সত্য- এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। স্থূলকায় ব্যক্তিদের ওজন নিয়ন্ত্রণ, ডায়েট কন্ট্রোল এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। প্রয়োজনে ওষুধ বন্ধ করা যেতে পারে।

(১৬) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা তাড়াতাড়ি মারা যায় :

* প্রকৃত সত্য- এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। শৃঙ্খলা মেনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করলে অবশ্যই জীবনযাত্রা স্বাভাবিক থাকবে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে অনেক ধরনের জটিলতা হতে পারে।

(১৭) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিসে ইনসুলিন সর্বশেষ চিকিৎসা :

* প্রকৃত সত্য- ইনসুলিন একজন ডায়াবেটিস রোগীর জীবনে যে কোন সময়ই লাগতে পারে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায়, যে কোন অপারেশনের সময়, কোন গুরুতর রোগে হাসপাতালে থাকাকালীন। যেমন- হার্ট এ্যাটাক, স্ট্রোক বা মারাত্মক কোন সংক্রমণের সময়, কিডনি বা যকৃতের জটিলতায় ইনসুলিনই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ। এ ছাড়া কোন কারণে রক্তে গ্লুকোজ অনেক বেড়ে গেলেও ইনসুলিন দরকার হবে। ব্যাপারটা এমন নয় যে, ইনসুলিন দেয়া হচ্ছে মানে অবস্থা খুব জটিল বা মরণাপন্ন। তবে অবস্থার উন্নতি হলে ইনসুলিন বন্ধ করা যেতে পারে এবং মুখে খাওয়ার ওষুধ ব্যবহার করা যাবে। তার মানে ইনসুলিন সর্বশেষ চিকিৎসা নয়।

(১৮) ভুল ধারণা - একবার ইনসুলিন ব্যবহার করলে সারা জীবনই তা নিতে হবে :

* প্রকৃত সত্য- বিষয়টা আসলে তা নয়। নানা কারণে ইনসুলিনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে। আবার পরে তা পরিবর্তন করে বা বন্ধ করে ওষুধ খাওয়াও যেতে পারে। যেমন- গর্ভাবস্থা কেটে যাওয়ার পর বা অস্ত্রোপচারের ঘা শুকিয়ে যাওয়ার পর একসময় ইনসুলিন বন্ধ করে আবার ওষুধ খাওয়া যায়। তবে টাইপ ১ ডায়াবেটিস, কিডনি ও যকৃতের গুরুতর সমস্যা এবং সর্বোচ্চ মাত্রায় ওষুধ ব্যবহার করেও যদি গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রিত না হয়, এসব ক্ষেত্রে সব সময়ের জন্য ইনসুলিন ব্যবহার করতে হবে।

(১৯) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মায়ের গর্ভধারণ করা ঠিক নয়, এমনকি বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো যাবে না:

* প্রকৃত সত্য- এ ধারণাটা মোটেও ঠিক নয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে গর্ভধারণে কোন নিষেধ নেই, এমনকি বাচ্চাকে দুধ খাওয়ালেও বাচ্চার কোন ঝুঁকি নেই।

(২০) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা কখনোই রোজা রাখতে পারবেন না :

* প্রকৃত সত্য- এই ধারণা মোটেও ঠিক নয়। ডায়াবেটিসের চিকিৎসার মূলমন্ত্র হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা। রোজা একটা সুবর্ণ সুযোগ, যা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে রোগীরা অবশ্যই রোজা রাখতে পারবেন। প্রয়োজনে ওষুধ ব্যবহার করা যাবে। এমনকি রোজা রেখে দিনের বেলায় রক্তের সুগার মাপা যাবে, প্রয়োজনে রোজা রেখে ইনসুলিন ইনজেকশন দেয়া যাবে। এতে রোজা ভঙ্গ হবে না।


(২১) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস রোগীরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে ওরস্যালাইন খেতে পারবেন না :


* প্রকৃত সত্য - অনেকে মনে করেন ওরস্যালাইনের মধ্যে গ্লুকোজ থাকে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীর ডায়রিয়া হলে ওরস্যালাইন খাওয়া উচিত নয়। এ ধারণাটা মোটেও ঠিক নয়। কারণ ওরস্যালাইনে সামান্য গ্লুকোজ থাকে। এতে ডায়াবেটিসের ততটা ক্ষতি হয় না।


সুতরাং যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তাদের এসব ভ্রান্ত ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ডায়াবেটিসকে ভয় না পেয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।


লেখক : অধ্যপক ডা: এ বি এম আবদুল্লাহ

নিজের হাতে বাচ্চার জীবন নষ্ট করছেন না তো,,,,,,,,

 নিজের হাতে বাচ্চার জীবন নষ্ট করছেন না তো🚫🚫


বাচ্চাকে যখন মোবাইল দিতেই হয় কিংবা টিভি দিন তখন কি বাচ্চাকে ইউটিউব দেখতে দেন নাকি ইউটিউব  কিডস দেন?? 


বাচ্চা খিটখিটে, অবাধ্য এবং রাগী হওয়ার আগে সাবধান হয়ে যান। 


বাচ্চাকে যদি মোবাইল বা টিভি দিতেই হয় দয়া করে ইউটিউব কিডস দেন। এবং আপনি পুরো সময় বাচ্চার পাশে থাকতে না পারলেও কিছু সময় পাশে থাকুন এবং খেয়াল রাখুন সে কোন  চ্যানেল টা দেখছে কিংবা কোন চ্যানেলগুলো সচরাচর তার সামনে পড়ছে। 


YouTube Kids এর সুবিধা:


নিরাপদ কনটেন্ট: শুধুমাত্র শিশুদের উপযোগী ভিডিও দেখায়।


অভিভাবকের নিয়ন্ত্রণ: বাবা-মা সময়সীমা, কনটেন্ট টাইপ এবং সার্চ অপশন কন্ট্রোল করতে পারেন।


বিজ্ঞাপন সীমিত: বিজ্ঞাপন থাকলেও সেগুলো শিশুদের জন্য নিরাপদভাবে বাছাই করা হয়, তবে আমি সাড়ে তিন বছর যাবত আমার বাচ্চার জন্য youtube কিডস ব্যবহার করছি এখনো অব্দি কোনো বিজ্ঞাপন চোখে পড়েনি। 


ইন্টারফেস সহজ: বাচ্চাদের বোঝার জন্য সহজ ও রঙিন ইন্টারফেস।


শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম ; আপনি নিজে বাছাই করে করে ইংরেজি কিংবা বাংলা যা আপনার বাচ্চাকে শেখাতে চান বর্ণমালা, কাউন্টিং, বিভিন্ন ভাষা যেমন ইংরেজি,আরবি বিষয়ে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কনটেন্ট সহজেই বাছাই করতে পারবেন নিত্যদিনের জন্য। 


YouTube (মূল অ্যাপ):


Shorts : বাচ্চাকে নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। বাচ্চাকে উগ্র করে দেওয়া,মেজাজ খিটখিটে করে দেওয়া, চিৎকার চেঁচামেচি করা এরকম আরো অনেক নেগেটিভ ব্যাপার বাচ্চার মধ্যে লক্ষ্য করা   যায়। 


সব ধরনের ভিডিও দেখা যায় — যা অনেক সময় বাচ্চাদের জন্য অনুপযুক্ত হতে পারে।


কম নিয়ন্ত্রণ: অভিভাবকরা চাইলে কিছু ফিল্টার করতে পারেন, কিন্তু তা সীমিত।


আঠারো প্লাস বিষয়: যা শিশুদের জন্য পুরোপুরি অনুপযুক্ত।


বেশি বিজ্ঞাপন এবং সেগুলোর কন্টেন্ট সবসময় শিশুবান্ধব নাও হতে পারে।


দয়া করে মা বাবারা একটু খেয়াল রাখুন।


এছাড়া বাচ্চাদের জন্য যথা সম্ভব স্কিন টাইম অ্যাভয়েড করা গেলে, এটা তাদের জন্য মঙ্গলজনক।


📍ইউটিউব কিডস এর কোন চ্যানেলগুলো বাচ্চাদের জন্য শিক্ষনীয় এবং সত্যিকার অর্থে বাচ্চার কাজে আসে তা শেয়ার করব আপনারা চাইলে। 


কমেন্ট করে জানিয়ে দিন আপনার বাচ্চার জন্য ইউটিউব কিডস নাকি ইউটিউব ব্যবহার করেন? আরো জানাবেন আপনারা পরের পর্বে এ বিষয়ে আরো ইনফরমেটিব লিখা চান কিনা। 


ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন লিখাটি যাতে আমরা 

মা- বাবার বাচ্চাদের নিয়ে আরও সচেতন হতে পারি💖


আপনার সন্তান নিরাপদে থাকুক এই দোয়া করি ধন্যবাদ 


Kaab Mall

পাটশাকের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণঃ,,,,,,,

 পাটশাকের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণঃ


পুষ্টিগুণে ভরা পাটশাক অনেকের কাছেই প্রিয় একটি খাবার। পাটশাক খেতে যেমন সুস্বাদু আর তেমনই সহজলভ্য। সাধারণত পাটশাক ভেজে নিয়ে গরম ভাতের সাথে খাওয়া হয়। এটি শাক হিসেবে শুধু মুখরোচকই নয় পাটের পাতায় রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। পাট শাকে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সেলেনিয়াম এবং ভিটামিন সি, ই, কে, বি- ৬ এবং নিয়াসিন রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম পাটশাকে ক্যালরি থাকে ৭৩। এতে আমিষ থাকে ৩.৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৯৮ মিলিগ্রাম, লোহা ১১ মিলিগ্রাম ও ক্যারোটিন ৬৪০০ (আইইউ)। তাছাড়া পাট শাকে রয়েছে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যারোটিন এবং খাদ্যআঁশ। এসব পুষ্টি উপাদান রোগবালাই থেকে আমাদেরকে দূরে রাখে। সম্মানিত পাঠক দেখে নিন এবার পাট শাকের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।


মুখের রুচি বাড়ায়ঃ

তেতো স্বাদের পাটশাক খাওয়ার রুচি বাড়ায়। মুখের স্বাদ ফিরিয়ে আনে ও মেদ বৃদ্ধির আশঙ্কা কমায়। পাটশাকের তেতো স্বাদ মুখে লালা ক্ষরণ করে শ্বেতসারকে ভাঙতে সাহায্য করে। এতে হজমের সুবিধা হয় ফলে খাবারের রুচি বাড়ে।


নিদ্রাহীনতা দূর করেঃ

পাটশাকে থাকা ম্যাগনেশিয়াম উপাদান শরীরে প্রয়োজনীয় হরমোন উৎপাদন করে যা স্নায়ুতন্ত্র শান্ত রাখে এবং নিরবচ্ছিন্ন নিদ্রা নিশ্চিত করে। তাই ভাল ঘুমের জন্য পাট শাক খেতে পারেন।


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ

পাট শাকের ভিটামিন এ, ই এবং সি শরীরের রোগ পতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা ভিটামিন সি ও ক্যারোটিন মুখের ঘা দূর করতে সাহায্য করে। তাছাড়া ভিটামিন-সি রক্তের শ্বেত কনিকা বৃদ্ধি করে এবং ভিটামিন-এ, ভিটামিন ই চোখ, হৃদপিণ্ডসহ অন্যান্য অঙ্গের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


হাড়ের বৃদ্ধি সাধন করেঃ

পাটশাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে যা হাড় ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে। তাছাড়া এতে থাকা আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান হাড় গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে এবং হাড়ভঙ্গুরতা রোধ করে।


উচ্চ রক্তচাপ দূর করেঃ

পাটশাকে বিদ্যমান উচ্চ মাত্রার পটাশিয়াম রক্তসঞ্চালন ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। ফলে উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা দূর হয়। এছাড়া পাটশাক রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাক এবং ষ্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।


আয়রণের ভাল উৎসঃ

পাটশাকে প্রচুর পরিমান আয়রন থাকে যা রক্তে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে সহায়তা করে। পাটশাকে থাকা আয়রন দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা এবং কর্মদক্ষতাও বৃদ্ধি করে।


হজম শক্তি বড়ায়ঃ

পাটশাকে থাকা খাদ্যআঁশ হজম প্রক্রিয়াকে দারুণভাবে ত্বরান্বিত করে আমাদের হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।


বাতের ব্যথা দূর করেঃ

পাট শাকে প্রচুর ভিটামিন ই থাকে। ভিটামিন-ই গেঁটেবাত, আর্থরাইটস এবং প্রদাহ জনিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এই সকল রোগের জন্য পাট শাক একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ্য।

কাজী নজরুল ইসলামের পুত্রবধূ  উমা কাজী,,,,,,,,

 কাজী নজরুল ইসলামের পুত্রবধূ 

উমা কাজী


বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সেবিকার যত্নে, মায়ের স্নেহে আগলে রেখেছিলেন যিনি, তিনি উমা কাজী। এই ব্রাহ্মণ-কন্যাটি ছিলেন কবির পুত্র কাজী সব্যসাচীর স্ত্রী, বিদ্রোহী কবি নজরুলের পুত্রবধূ।

“যেখানেতে দেখি যাহা;

মা-এর মতন আহা।

একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,

মায়ের মতন এত

আদর সোহাগ সে তো

আর কোনোখানে কেহ পাইবে, ভাই !”

কাজী নজরুল ইসলাম নিজের "মা"বাদেও আর একজন নারীর মধ্যে নিজের মাকে খোঁজে পেয়েছিলেন ! যে নারী সন্তানের মতো নির্বাক ও প্রায় স্মৃতিশক্তিহীন কবি নজরুলকে মায়ের  ভালোবাসায় আবদ্ধ রেখেছিলেন। আর স্নেহ-মায়া, ভালোবাসায় দিয়ে, যে সমস্ত রকম ভেদাভেদ দূর করা যায়, তার উদাহরণ উমা কাজী এই মানুষটি! 

 কাজী নজরুল-এর বড় ছেলে কাজী সব্যসাচীর স্ত্রী, অর্থাৎ নজরুলের পুত্রবধূ।

আসলে, তিনি ছিলেন উমা মুখোপাধ্যায়। হিন্দু ও ব্রাহ্মণ পরিবারের কন্যা হয়েও মুসলিম পরিবারের পুত্রবধূ হয়েছিলেন ! সেই অনেক বছর আগে।  উমার বাবা ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং মা বাদলা মুখোপাধ্যায়। তার জন্ম বর্ধমানের কাটোয়া অঞ্চলে।


লেখাপড়া শেষ করে কলকাতার ‘লেডি ডাফরিন মেডিকেল হাসপাতাল’ থেকে ট্রেনিং নিয়ে নার্স হয়েছিলেন উমা মুখোপাধ্যায়। থাকতেন সেখানকার নার্সিং হোস্টেলেই। ছোটকাল, থেকেই সেবিকা হতে চাইতেন তিনি। সেখানকারই এক হেড নার্স ঊষা দিদি, উমাকে এক নতুন পথের দিশা দেখান। উমাকে তিনি নিয়ে যান অসুস্থ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাড়ীতে। কবির সেবা করার জন্য প্রয়োজন ছিল এক নার্সের। নির্বাক কবি তখন কলকাতার মানিকতলায় থাকতেন। নানা অসুস্থতায় জর্জরিত হলেও, দুই বাংলাতেই সমান্তরারালে তখন কবিকে নিয়ে কোনো অংশে উন্মাদনা কম নয়! 

এমনই সময়ে কবির মাথার কাছে গিয়ে বসলেন তরুণী উমা। নজরুলের স্ত্রী প্রমীলা দেবী বলেছিলেন, “তুমি কি পারবে 'মা' কবির সেবা করতে ? ঐ যে দ্যাখো, উঁনি খবরের কাগজ ছিঁড়ছেন। উঁনি এখন শিশুর মতো।” এ প্রশ্নের উত্তরে উমা বলেছিলেন, “আমরা তো কলকাতার হাসপাতালে শিশু বিভাগেই ডিউটি করেছি। কবি যদি শিশুর মতো হন, তবে নিশ্চয়ই পারবো।”

সেবা ও স্নেহের পথ পরিক্রমায় উমাই হয়ে উঠলেন কবি নজরুলের প্রিয় মানুষ। তাঁকে স্নান করানো, খাওয়ানো, দেখ-ভাল করা, গল্প শোনানো।  উমার হাতের স্পর্শ যেন কবির কাছে মায়ের আঁচলের মতো হয়ে ওঠে। কিন্তু এরই মধ্যে উমার সেবার মনোবৃত্তি দেখে, মিষ্টি ব্যবহার দেখে কবির বড় ছেলে কাজী সব্যসাচী,উমার প্রেমে পড়ে গেলেন । উমাও সব্যসাচীকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবেসে ফেললেন।

বিয়ে হল ব্রাহ্মণের মেয়ের সঙ্গে মুসলিম ছেলের। সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রেখে, উমা মুসলিম পরিবারকে আপন করে নিলেন। মুসলিম  ধর্মান্তরে উমা মুখোপাধ্যায় হয়ে গেলেন, উমা কাজী। কবি ও কবিপত্নী প্রমীলা নজরুলও এমন এক মেয়েকে ঘরের বৌমা হিসেবে পেয়ে খুশি হলেন। উমা মুসলিম পদবী গ্রহণ করলেও, তাঁর নামে থেকে গেল দুর্গা'র চিহ্ন।

শাশুড়ি প্রমীলাদেবী উমা বৌমাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসতেন। এদিকে কবি নিজেও বৌমা অন্তঃপ্রাণ। বৌমা চন্দন সাবান দিয়ে গোসল করিয়ে না দিলে স্নান করবেন না নজরুল, দাঁড়ি বৌমাই কেটে দেবে, খাইয়ে দেবে বৌমা। আদরের বৌমার কাছে শিশুর মতো আবদার বায়না করতেন কবি। এমনকি পরিধেয় জামাকাপড়ে নীল বোতলের আতর-সুগন্ধিও বৌমাকেই লাগিয়ে দিতে হবে।

উমা একদিকে নিজের নতুন সংসার সামলাচ্ছেন আর অন্যদিকে কবিকেও সামলাচ্ছেন। ধীরে ধীরে এল সব্যসাচী-উমার ঘরে তিন সন্তান, 

- মিষ্টি কাজী, 

- খিলখিল কাজী এবং 

- বাবুল কাজী। তিন নাতি-নাতনি দাদা নজরুলের কাছেই থাকত বেশি সময়। কবিও তো শিশুর মতোই। সন্তানদের সঙ্গেই কবিকেও আসন পেতে বসিয়ে ভাত খাইয়ে দিতেন উমা কাজী।


পরবর্তীতে, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সুস্থ করতে দুটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়, যে বোর্ডের সদস্যদের কবির সমস্যাগুলি বুঝিয়ে দিতে যেতেন, উমা নিজেই । কিভাবে কবির স্মৃতিশক্তি ফেরানো যাবে, কথা বলানো যাবে, এ সব ভাল করে শুনে সেবার ধরণও বুঝে নিতেন উমা। পাশাপাশি স্বামীর খেয়াল রাখা থেকে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা, সবটাই দেখতেন উমা কাজী।

এরি মধ্যে কবিপত্নী প্রমীলা দেবী অসুস্থ হয়ে পড়লেন। শাশুড়ির সব দেখভালের দায়িত্বও নিলেন উমা কাজীই। কবির আগেই চলে গেলেন কবিপত্নী। দীর্ঘ ৩৮ বছরের সংসার জীবনের পর, ১৯৬২ সালের ৩০শে জুন মাত্র ৫২ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রমীলা কাজী। তাঁকে কলকাতা থেকে চুরুলিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাজী পাহালোয়ানের দরগার পাশে কবিপত্নীকে সমাহিত করা হয়।

১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর উদ্যোগে স্বপরিবারে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। ধানমন্ডির ২৮ নম্বর রোডে (বর্তমান নজরুল ইনস্টিটিউট সংলগ্ন) কবি ভবনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁরা বসবাস শুরু করেন। কাজী সব্যসাচী কর্মসূত্রে কলকাতায় থেকে গেলেও উমা কাজী কবিকে দেখার জন্য ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। ধানমণ্ডির বাড়িতে নজরুল নাতি-নাতনি নিয়ে খেলা করতেন, বাগানে ঘুরে বেড়াতেন।

কবির জন্মদিন পালন হতো বেশ বড় করে। অতিথিরা আসতেন, কবিকে সবাই মালা পরাতেন । কবি সেইসব মালা পরে খিলখিল করে হাসতেন। হারমোনিয়াম দেখিয়ে সবাইকে বলতেন গান করতে। নাতি-নাতনিরাও নজরুল সঙ্গীত গাইতেন। নির্বাক কবিই কখনও হেসে উঠতেন আবার কখনও নির্বাক হয়ে অঝোর ধারায় কেঁদে যেতেন।  একটার পর একটা নিজের সৃষ্টি শুনে। সব যন্ত্রণা যেন গানে গানে ঝরে পড়ত কবির চোখের জলে।

জীবনের শেষ দিকে বিছানাতে স্থায়ী ঠিকানা হলো কবির। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতেন উমা। তিনি যে সেবিকা থেকে ততদিনে তিনি যে কবির 'মা' হয়ে গিয়েছিলেন ! তাই, তো এত কিছুর মধ্যেও এতটুকু ফাঁক-ফোঁকর পড়েনি!  ছেলে-মেয়েদেরকে বড় করার বা শাশুড়ির অবর্তমানে সমগ্র সংসার সামলানোর বা কাজী সব্যসাচীর যোগ্য সহধর্মিণী হয়ে উঠার।

২৯ আগস্ট ১৯৭৬ ইং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল প্রয়াত হন। চির বিদায়ের শেষ সজ্জায় কবিকে সাজিয়েও দিয়েছেন উমা কাজী। তিন বছর পরে ১৯৭৯ সালের ২ মার্চ কলকাতায় মারা যান আবৃত্তিকার স্বামী কাজী সব্যসাচী। অকালেই চলে যান অসুখে। ফলে আরও কঠিন দায়িত্ব এসে পড়ে উমার কাঁধের উপর। তখন ম্লান হয়ে আসছে কাজী পরিবারের যশ-খ্যাতি। একা হাতে বিখ্যাত কবি পরিবারকে কঠিন লড়াইয়ের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করেন উমা। তিনি না থাকলে কাজী পরিবার আজ খ্যাতি আর পরিচিতির জায়গাটা হয়তো ধরেই রাখত পারতো না। বিখ্যাত পরিবারে বিখ্যাত সদস্যদের পেছনে কাণ্ডারীর মতো শক্তির উৎস হয়ে উঠেছিলেন এই উমা মুখোপাধ্যায় তথা উমা কাজী।


উমা নিজেই যখন দাদী-নানী হলেন, তখন তিনিও কবির মতই তাঁর নাতি-নাতনিদের গল্প বলতেন। কাজী নজরুল, প্রমীলাদেবী, কাজী সব্যসাচী সকলের কথা তিনি বলতেন নাতি-নাতনিদের। তারাও কাজী নজরুলকে ছুঁতে পারত উমার গল্পে। উমা জানতেন, উত্তরাধিকারী নবীন প্রজন্মকে কবির কাজে আগ্রহী করলে কবির কাজ বেঁচে থাকবে, আরও এগুবে তাঁর সৃষ্টি।     উমা যেন সারাজীবন কবির সেবিকা ও সাধিকা হয়ে রইলেন। এইভাবেই ৮০টি বসন্ত পেরিয়ে প্রয়াত হলেন উমা কাজী। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতার পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে আর শেষ দিকে স্মৃতিভ্রংশতায় ভুগছিলেন, কবির মতোই। ১৫ জানুয়ারি ২০২০ইং সালে ঢাকার বনানীতে 'কবি ভবন'-এ প্রয়াত হন ভালোবাসার  মনুষ্যত্ব ও সেবার ধর্ম সারাজীবন ধরে পালন করা মানুষ উমা কাজী। বনানীতেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।


কাজী বংশের এই শ্রেষ্ঠ "মা"কে বর্ণনা করা যায় নজরুলের কবিতা দিয়েই !

“হেরিলে মায়ের মুখ

দূরে যায় সব দুখ,

মায়ের কোলেতে শুয়ে জুড়ায় পরাণ,

মায়ের শীতল কোলে

সকল যাতনা ভোলে

কত না সোহাগে মাতা বুকটি ভরান।

কত করি উৎপাত

আবদার দিন-রাত,

সব স'ন হাসি মুখে, ওরে সে যে মা!

আমাদের মুখ চেয়ে

নিজে র’ন নাহি খেয়ে,

শত দোষী তবু মা তো ত্যাজে না।”


অভিনন্দন ❤️🌸❤️

কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল:,,,,,,,,,

 ✅ কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল:

কারক ছয় প্রকার: 

১. কর্তৃকারক

২. কর্মকারক

৩. করণকারক

৪. সম্প্রদান কারক

৫. অপাদান কারক

৬. অধিকরণ কারক


সংজ্ঞা: যে কাজ করে, তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।

উদাহরণ:

আমি ভাত খাই।

বালকেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।


মনে রাখার কৌশল:

“কে” বা “কারা” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।

উদাহরণ:

কে ভাত খায়? → আমি

কারা ফুটবল খেলছে? → বালকেরা


২. কর্মকারক


সংজ্ঞা: কর্তা যাকে অবলম্বন করে কার্য সম্পাদন করে, সেটি কর্ম বা কর্মকারক।

উদাহরণ:

আমি ভাত খাই।

হাবিব সোহেলকে মেরেছে।


মনে রাখার কৌশল:

“কি” বা “কাকে” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটি কর্মকারক।

উদাহরণ:

আমি কি খাই? → ভাত

হাবিব কাকে মেরেছে? → সোহেলকে


৩. করণকারক


সংজ্ঞা: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণকে করণকারক বলে।

উদাহরণ:

নীরা কলম দিয়ে লেখে।

সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়।


মনে রাখার কৌশল:

“কীসের দ্বারা” বা “কী উপায়ে” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটি করণকারক।

উদাহরণ:

নীরা কীসের দ্বারা লেখে? → কলম

কী উপায়ে সিদ্ধি লাভ হয়? → সাধনায়


৪. সম্প্রদান কারক


সংজ্ঞা: স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা অর্চনা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়।

উদাহরণ:

ভিক্ষারীকে ভিক্ষা দাও।

গুরুজনে কর নতি।


মনে রাখার কৌশল:

“কাকে” দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তবে স্বত্ব ত্যাগ থাকতে হবে।

উদাহরণ:

কাকে ভিক্ষা দাও? → ভিক্ষারীকে

কাকে নতি কর? → গুরুজনে


৫. অপাদান কারক


সংজ্ঞা: "হতে", "থেকে" বোঝালে অপাদান কারক হয়।

উদাহরণ:

গাছ থেকে পাতা পড়ে।

পাপে বিরত হও।


মনে রাখার কৌশল:

“কোথা থেকে” বা “কি হতে” প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই অপাদান কারক।

উদাহরণ:

কোথা থেকে পাতা পড়ে? → গাছ থেকে

কি হতে বিরত হও? → পাপ থেকে


৬. অধিকরণ কারক

সংজ্ঞা: ক্রিয়ার সময় বা স্থান বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। 

উদাহরণ:

আমরা রোজ স্কুলে যাই।

প্রভাতে সূর্য ওঠে।


মনে রাখার কৌশল:

“কোথায়” বা “কখন” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই অধিকরণ কারক।

যেমন:

কোথায় যাই? → স্কুলে

কখন সূর্য ওঠে? → প্রভাতে


শুদ্ধ ভাষাচর্চা—শুভাচ

সে* 'ক্স* ও সফলতা একসাথে চলে না। 

 সে'ক্স ও সফলতা একসাথে চলে না। 

তাই কোন অসংযত পুরুষ কখনোই মহান হতে পারে না"।


কিছু পুরুষ সফলতার স্বপ্ন দেখে। কিছু পুরুষ সফলতার জন্য পরিশ্রম করে। আবার কিছু পুরুষ শুরু হওয়ার আগেই তাদের সফলতা ধ্বংস করে ফেলে।


আপনি জানেন কি?❓

অনেক পুরুষের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হলো সে'ক্স।‼️


যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে কখনোই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। আর যে পুরুষ নিজের ইচ্ছেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে-ই সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে। কেননা সফলতার জন্য দরকার কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। আর যৌন আস'ক্তি সেই নিয়মানুবর্তিতাকে ধ্বংস করে দেয়।


তাই আপনি যদি নিজের কামনাকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারেন,

তাহলে ভবিষ্যতও আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।❗


➤ কঠিন সত্যঃ🛐


1️⃣ ক্ষমতাবান পুরুষ যৌন-বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলে, দুর্বল পুরুষ না বলতে পারে না।

ইতিহাসের সব মহান পুরুষদের একটা বিষয় মিল: তারা ছিল কঠোর নিয়মানুবর্তিতায় অভ্যস্ত।


আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ৩০ বছরের মধ্যেই পৃথিবী জয় করেছিলেন—তিনি মেয়েদের পেছনে সময় নষ্ট করেননি।


এলন মাস্ক সপ্তাহে ১০০ ঘণ্টা কাজ করেন—তিনি মেয়েদের সাথে চ্যাট করে সময় নষ্ট করেন না।


মোহাম্মদ আলী লড়াইয়ের আগে যৌনতা থেকে বিরত থাকতেন—কারণ তিনি জানতেন নিয়ন্ত্রণ মানেই শক্তি।


কিন্তু আজকের অনেক পুরুষ কী করছে?

প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা প'র্ন ও মা'স্টারবে'শনে নষ্ট করছে।

মেয়েদেরকে ইমপ্রেস করতে শেষ টাকা পর্যন্ত খরচ করছে।

একটা মেয়ের জন্য কাঁদছে, ভবিষ্যত গড়ার চেয়ে।

অথচ কোনো মহান পুরুষ কখনোই তার কামনার দাস ছিল না।


2️⃣ যৌ'নতা আপনার শক্তি, মনোযোগ, ও উদ্যম কেড়ে নেয়।

প্রতিবার আপনি "রিলিজ" করলে, আপনি কেবল কয়েক সেকেন্ডের আনন্দ হারান না— আপনি হারান:

টে'স্টোস্টেরন (যা আপনাকে শক্তি ও সাফল্য দেয়)

উদ্যম (জয় পাওয়ার ক্ষুধা)

মানসিক স্থিরতা (মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা)

তাইতো অনেক পুরুষ যৌ'নতার পর ক্লান্ত ও অলস অনুভব করে।


ভাবুন, আপনি যদি প্রতিদিন এভাবে নিজেকে দুর্বল করে ফেলেন— তাহলে আপনি কীভাবে শক্তিশালী হবেন?


3️⃣ মেয়েদের পেছনে প্রতিটি মিনিট মানে নিজের ভবিষ্যৎ থেকে দূরে যাওয়া। প্রতিদিন আপনি কত সময়:

মেয়েদের ছবি স্ক্রল করে কাটান?

ফ্লার্ট ও চ্যাটিংয়ে ব্যয় করেন?

প'র্ন দেখে বা মাস্টা'রবেট করে নিজের শক্তি নষ্ট করেন?


ভাবুন, এই সময়গুলো যদি আপনি ব্যয় করতেন:

উচ্চ আয়ের দক্ষতা শেখায়, নিজের ব্যবসা বা ক্যারিয়ারে, শরীর গঠনে— তাহলে আপনাকে কারো পেছনে ছুটতে হতো না, তারা নিজেরাই আপনার দিকে ছুটে আসত।


4️⃣ ইতিহাস বলে, যৌ'ন দুর্বলতাই অনেক মহান পুরুষকে ধ্বং'স করেছে।

ভেবে দেখুন, ইতিহাসের অনেক শক্তিশালী পুরুষ কীভাবে ধ্বং'স হয়েছে? না যুদ্ধ, না দারিদ্র্য— বরং যৌ'ন দুর্বলতায়।

শিম'শোন (Samson) তার শক্তি হারিয়েছিল ডেলিলার কারণে।

সলো'মন ছিলেন জ্ঞানী, কিন্তু নারীদের কারণে ধ্বং'স হয়েছিলেন।

টাই'গার উ'ডস হারিয়েছেন কোটি কোটি টাকার স্প'নসরশিপ যৌ'ন স্ক্যা'ন্ডালের জন্য।

বিল ক্লিনটনের ক্যারিয়ার পড়ে গিয়েছিল বিপদের মুখে।


অর্থাৎ একজন অসংযত পুরুষ মানে একটি নিশ্চিত বিপর্যয়ের অপেক্ষা।


5️⃣ নারীরা কখনোই এমন পুরুষকে সম্মান করে না যে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না।

আপনি কি ভাবেন, কোনো নারী তার পেছনে ছুটে বেড়ানো একজন পুরুষকে সম্মান করে? না। নারীরা সম্মান করে সেই পুরুষকে যার আছে: লক্ষ্য, আত্মসংযম, বড় কোনো মিশন জীবনে।


যখন আপনি আপনার উদ্দেশ্যে মনোযোগ দিবেন, নারীরাই আপনাকে খুঁজবে।


6️⃣ প'র্ন, মা'স্টারবেশন ও আকস্মিক যৌ'নতা পুরুষদের দুর্বল করে দিচ্ছে। আধুনিক পুরুষ: দুর্বল, অলস, অর্থনৈতিকভাবে দুর্দশাগ্রস্ত— এবং এর মূল কারণ হলো সস্তা আনন্দে আসক্তি।


প'র্ন ধ্বংস করে আপনার মস্তিষ্ক।

মা'স্টারবেশন খেয়ে ফেলে আপনার উদ্যম।

ক্যাজুয়াল সে'ক্স নষ্ট করে আপনার নিয়মানুবর্তিতা।


ফলাফল?⁉️

পুরুষেরা আজ: অনুপ্রাণিত না, আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত, হতাশাগ্রস্ত ও দিকহীন।


7️⃣ যে পুরুষ নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে ভবিষ্যৎও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

আপনি হয়ত বলছেন আপনি ধনী, ক্ষমতাবান ও সফল হতে চান। কিন্তু আপনি কি পারেন:

এক সপ্তাহও সে'ক্স বা প'র্ন ছাড়া থাকতে?

কাজের মাঝে নারীর চিন্তা বাদ দিতে?

প্রতিটি নারী দেখে তার পেছনে না ছুটতে?


যদি নিজের শরীরকেই আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন,

তাহলে এই পৃথিবী আপনি কীভাবে জয় করবেন?


8️⃣ সফল পুরুষ সে'ক্সকে নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যর্থ পুরুষ সে'ক্সের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

সে'ক্স একটি মাধ্যম। দুর্বলরা এটা ব্যবহার করে শুধুই আনন্দের জন্য। শক্তিশালীরা ব্যবহার করে এটা নিয়ন্ত্রণের জন্য।


সফল পুরুষ জানে কবে, কীভাবে এই চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ব্যর্থ পুরুষ নিজের কামনার গোলাম হয়ে থাকে। 

অথচ এই পৃথিবী শাসন করে সেসব পুরুষ, যারা ভোগ নয় বরং নিয়ন্ত্রণকে বেছে নেয়।


9️⃣ নারী আসবে যাবে, কিন্তু সফলতা চিরস্থায়ী।

আজকে আপনি হয়ত ১০০ জন নারীর সাথে আছেন, কালকে তারা একসাথে চলে যেতে পারে। কিন্তু যদি আপনার থাকে: অর্থ, ক্ষমতা, অবস্থান— তাহলে শত শত নারী নিজে থেকেই আসবে।


তাই সফল পুরুষদের নারীর অভাব হয় না, আর দুর্বল পুরুষদের জীবন কাটে পিছনে ছুটে।‼️


🔟 প্রথমে নিয়মানুবর্তিতা, পরে আনন্দ।

সেক্স নিজে খারাপ কিছু নয়। কিন্তু যদি আপনি আনন্দকে উদ্দেশ্যের আগে রাখেন, তাহলে আপনি সবসময় সংগ্রামে থাকবেন। যদি আপনি আত্মসংযম রপ্ত করেন, তাহলে আপনি সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।


☞ শেষ কথা:

যদি আপনি ধনী, শক্তিশালী ও সফল হতে চান⁉️ তাহলে প্রথম শিখুন নিজের ভোগের ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করতে। 


কারণ শেষ পর্যন্ত…

যে পুরুষ নিজের কামনাকে জয় করে, সে-ই নিজের ভবিষ্যৎ জয় করে। আর যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে একদিন সবকিছু হারায়।

সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫

গ্লাসের সাথে গ্লাস লাগিয়ে চিয়ার্স (টোস্ট)  করার প্রথা এসেছে মধ্যযুগের ওয়াইনে বিষ মিশিয়েছে কি না তা চেক করার থেকে। 

 গ্লাসের সাথে গ্লাস লাগিয়ে চিয়ার্স (টোস্ট)  করার প্রথা এসেছে মধ্যযুগের ওয়াইনে বিষ মিশিয়েছে কি না তা চেক করার থেকে। 


🍷 কখনো ভেবেছেন পান করার আগে আমরা কেন আমাদের গ্লাসগুলো একসাথে ঠোকাই? সবচেয়ে প্রচলিত মতবাদ অনুসারে, এই সার্বজনীন প্রথা মধ্যযুগের অভিজাত সমাজের ভয়ংকর সময়ে শুরু হয়, যেখানে প্রতিপক্ষকে বিষ দেওয়া  একটি রাজনৈতিক কৌশল ছিল।


মধ্যযুগে যখন কেউ ‘টোস্ট’ করত, তা কেবল আনুষ্ঠানিক ছিল না - এটি ছিল একটি চতুর নিরাপত্তা প্রোটোকল। জোরে ঠোকার ফলে এক গ্লাস থেকে অন্য গ্লাসের মধ্যে ওয়াইন ছিটকে পড়ত। ফলে কেউ যদি কেউ একজনের গ্লাসে বিষ মিশিয়ে থাকে, তবে তাকেও একই বিশ খেতে হবে। 


কিছু বর্ণনায় এমনও বলা হয় যে মধ্যযুগে অতিরিক্ত সতর্কতা হিসাবে অনেকে ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ওয়াইনের একটি অংশ একে অপরের কাপে ঢালতেন। এটা সেই যুগে একদম যুক্তিযুক্ত ছিল যখন ইতালির কুখ্যাত বোর্জিয়া পরিবারের মতো পরিবারগুলো আর্সেনিক মিশ্রিত ওয়াইন দিয়ে শত্রুদের নিধন করার জন্য পরিচিত ছিল। (বিষ প্রয়োগের জন্য ওয়াইনকে বেছে নেয়া হতো কারণ এর প্রাকৃতিক উপাদান বিষের চিহ্নিত স্বাদগুলো লুকাতে সাহায্য করত।)


যদিও এই মতবাদটি প্রচলিত, তবে আরও কয়েকটি মতবাদও রয়েছে যেমন:


১। পাঁচটি ইন্দ্রিয়ের সবগুলোকে সম্পৃক্ত করা: টস্টের শব্দ পান করার ইন্দ্রিয়গত অভিজ্ঞতাকে পূর্ণ করে


২। অশুভ আত্মাদের তাড়ানো: ঘন্টার মতো শব্দ মদে লুকিয়ে থাকা অশুভ শক্তিগুলোকে তাড়িয়ে দেয় বলে মনে করা হত।


৩। প্রাচীন ঐতিহ্য সম্মান করা: গ্রীক ও রোমানরা ওয়াইনের দেবতা ব্যাকাসকে সম্মান জানাতে গ্লাস তুলতেন। 


পরের বার যখন বন্ধুদের সাথে টোস্ট করবেন, তাকে এই মজার ইতিহাসটি জানাতে ভুলবেন না।  এর জন্য চিয়ার্স! 🥂


#DrinkingTraditions #HistoricalCuriosities #ToastingCustoms #MedievalHistory #CulturalTraditions

চালাক মানুষ চেনার উপায়।✅

 📌 চালাক মানুষ চেনার উপায়।✅


⚡*চালাক মানুষ চেনার ৭টি স্পষ্ট উপায় (বিশ্লেষণসহ)**

**অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো**

---


**১. তারা বেশি কথা না বলে পর্যবেক্ষণ করে**  

চালাক মানুষ প্রথমেই নিজেকে প্রমাণ করতে চায় না।  

তারা চুপচাপ সবকিছু দেখে, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং যখন সময় আসে, তখনই বলে— তাও সংক্ষেপে।  

> _“যে কম বলে, সে বেশি বোঝে। যে বেশি বোঝে, সে কম ভুল করে।”_


---


**২. আবেগে ভাসে না, আবেগ বোঝে**  

চালাক মানুষ রাগ, অভিমান বা ভালোবাসায় গা ভাসিয়ে দেয় না।  

তারা আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে, অন্যের আবেগ পড়ে বুঝতে পারে কোন কথা কখন বলা উচিত আর কখন নয়।  

> _“তারা জানে, আবেগ দিয়ে সম্পর্ক টেকে না— বোঝাপড়া লাগে।”_


---


**৩. তারা কখনও নিজেকে সবার সামনে বড় দেখাতে চায় না**  

চালাক মানুষ চুপচাপ নিজেকে তৈরি করে।  

তারা নিজের শক্তি গোপন রাখে, কারণ তারা জানে—  

**"যারা নিজের শক্তি দেখায়, তারা ভয় পায় হারানোর।"**  

আর চালাকরা হারার ভয় পোষে না— জেতার কৌশল খোঁজে।


---


**৪. তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে বদলাতে জানে**  

চালাক মানুষ জেদি নয়, নমনীয়।  

আজ যদি কঠোর হতে হয়, হয়— আর কাল যদি নরম হতে হয়, সেখানেও পিছু হটে না।  

> _“চালাকরা জানে, টিকে থাকার জন্য জয় নয়, বদলই আসল চাবিকাঠি।”_


---


**৫. তারা সকলের বন্ধু হলেও, খুব কমজনকে বিশ্বাস করে**  

স্মার্ট মানুষের মুখে হাসি সবার জন্য থাকে,  

কিন্তু মন খুলে কথা বলে শুধু গুটিকয়েকের সঙ্গে।  

তারা জানে—  

**"বিশ্বাস ভুল জায়গায় রাখলে, আঘাত নিশ্চিত।"**


---


**৬. ভুল করলে শেখে, কিন্তু বারবার সেই ভুল করে না**  

চালাক মানুষ ব্যর্থতা থেকে পালায় না— বরং সে ব্যর্থতা থেকেই তার শিক্ষা তুলে নেয়।  

> _“একবার ভুল করা স্বাভাবিক, কিন্তু একই ভুল বারবার করা বোকার কাজ।”_


---


**৭. তারা কখন কাকে কী বলতে হয়, সেটা খুব ভালো বোঝে**  

তারা অপ্রয়োজনে নিজের মনের কথা উজাড় করে না।  

কারণ তারা জানে,  

**"সব কথা সবাইকে বলার নয়— আর সব কান সত্য শোনার যোগ্য নয়।"**


✍️ **শেষ কথা:**  

চালাক মানে শুধু ডিগ্রি বা বই পড়া নয়।  

চালাক সেই, যে মানুষ, সময় ও অনুভূতিকে বুঝে  

**নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলে— জেতার জন্য নয়, টিকে থাকার জন্য।**


---


**এই লেখাটা যদি ভালো লাগে, পোস্ট করে দাও নিজের টাইমলাইনে।  

কারণ আজকের দিনে চালাক না হলে, ভালো থাকাও একটা চ্যালেঞ্জ।**


---**অবশ্যই একটা ভালো বা খারাপ কমেন্ট করবেন, এটা আপনাদের থেকে আমার আবদার ,ধন্যবাদ আমাদের সাথেই থাকব।

সক্রেটিস ছিলেন গ্রিক দার্শনিক। প্লেটো সক্রেটিসের ছাত্র ছিলেন এবং এরিস্টটল ছিলেন প্লেটোর ছাত্র। এ হিসেবে প্রাচীন গ্রিসের সবচেয়ে প্রভাবশালী তিনজন দার্শনিকের মধ্যে প্রথম সক্রেটিস, প্লেটো দ্বিতীয় এবং তৃতীয় এরিস্টটল,,,,

 সক্রেটিস ছিলেন গ্রিক দার্শনিক। প্লেটো সক্রেটিসের ছাত্র ছিলেন এবং এরিস্টটল ছিলেন প্লেটোর ছাত্র। এ হিসেবে প্রাচীন গ্রিসের সবচেয়ে প্রভাবশালী তিনজন দার্শনিকের মধ্যে প্রথম সক্রেটিস, প্লেটো দ্বিতীয় এবং তৃতীয় এরিস্টটল। 


দর্শন সম্বন্ধে চমৎকার একটি কথা প্রচলিত আছে — 

তা হল : "দর্শন হচ্ছে গুরুমারা বিদ্যা ; প্রকৃত দার্শনিক তার ছাত্রদের স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে উৎসাহিত করবেন। শিক্ষক যা বলেছেন যদি ছাত্র অন্ধভাবে সে কথারই পুনরাবৃত্তি মাত্র করেন, তা হলে সেটা আর যাই হোক দর্শন হবে না।"


সক্রেটিস-প্লেটো-এরিস্টটল এই তিন গুরুশিষ্যই পশ্চিমা দর্শনের ভিত রচনা করেছেন বলা যায়। প্লেটো একাধারে গণিতজ্ঞ এবং দার্শনিক ভাষ্যের রচয়িতা হিসেবে খ্যাত। তিনিই পশ্চিমা বিশ্বে উচ্চ শিক্ষার প্রথম প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। এটি ছিল এথেন্সের আকাদেমি। 


দার্শনিক প্লেটোকে নিয়ে মজার অনেক গল্প প্রচলিত আছে। দার্শনিক প্লেটো একবার মানুষের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘মানুষ হচ্ছে পালকবিহীন দ্বিপদ একটি প্রাণী।’ এই সংজ্ঞা শুনতে পেয়ে আরেক দার্শনিক ডায়োজেনিস একটি মুরগি জবাই করে সবগুলো পালক ফেলে দিয়ে প্লেটোকে পাঠিয়ে দিলেন। সঙ্গে একটি কাগজে লিখলেন, ‘এটাই তোমার সংজ্ঞায়িত মানুষ।’


সক্রেটিসকে নিয়েও মজার মজার অনেক গল্প প্রচলিত হাজার বছর ধরে। সবচেয়ে প্রচলিত গল্পটি হল — সক্রেটিসের স্ত্রী তাকে সব সময় বাক্যবাণে জর্জরিত করত। কারণ তিনি যতই বিখ্যাত জ্ঞানী ব্যক্তি হোন না কেন, টাকা পয়সা কি করে রোজগার করতে হয় সে বিষয়ে একেবারেই অজ্ঞ ছিলেন। এ জন্য তাঁর স্ত্রী সব সময় খেপে থাকতেন। বলতেন, এহ, কত জ্ঞানী লোক। জ্ঞান দিয়ে কি হবে যদি টাকা-পয়সা আনতে না পারো। ওই দেখো অমুককে, ব্যবসা করে কত বড়লোক হয়েছে। বউকে কত দামে দামী গয়না পোষাক কিনে দেয়। আর তুমি? একেবারে অপদার্থ। ইত্যাদি ইত্যাদি...


একদিন তাঁর সঙ্গে একজন দেখা করতে এল। তখন তাঁর স্ত্রী ঘরের মধ্যে থেকে তাঁর উদ্দেশ্যে বাক্যবাণ বর্ষণ করছিলেন। আগত ব্যক্তি বললেন, 


- এ সব কি? আপনার মত বিখ্যাত ব্যক্তিকে এই সব কথা বলছে?


- না না মনে হয় অন্য কাউকে বলছে। আমার স্ত্রী খুব ভাল।


- নাহ। আপনাকেই তো বলছে। আমি ভাল করে শুনেছি।


- হ্যাঁ ও একটু রাগী। রাগ হলেই এই সব বলে। কিন্তু কখনও মারেনি আমাকে। যতই রাগুক আমার গায়ে হাত তোলে না। 


সক্রেটিসের স্ত্রী খুব চেঁচামিচি করতে করতে বেরিয়ে এসে বললেন —


- অ্যাঁঁ? এত কথা বলছি কিছু গায়ে লাগছে না? 


এই বলে তাঁর গায়ে এক গামলা নোংরা জল ঢেলে দিলেন।


আগত ব্যক্তি বলল —


- মারে না তো বুঝলাম। এটা কি হল?


- বুঝলে না? মেঘ গর্জনের পরই তো বারিবর্ষণ হয়।


সক্রেটিসের যখন মৃত্যুদন্ড হয় তখন তাঁর স্ত্রী এসে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিল —


- বিনা দোষে ওরা তোমাকে শাস্তি দিল।


সক্রেটিস হেসে বলেছিলেন —


- দোষ করে শাস্তি পেলে কি তুমি খুশী হতে?


লেখা : রাজিক হাসান

নবজাতকের গলায় নাভির ডোরি (umbilical cord) পেঁচিয়ে আছে, যাকে #চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে "#nuchal_cord"। এটি সাধারণ তবে সম্ভাব্য জটিলতা তৈরি করতে পারে এমন ঘটনা। আসুন এর ব্যাখ্যা ও গর্ভকালীন সতর্কতা নিয়ে আলোচনা করি:

 Pregnancy  🤰Alert: 👉 এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে নবজাতকের গলায় নাভির ডোরি (umbilical cord) পেঁচিয়ে আছে, যাকে #চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে "#nuchal_cord"। এটি সাধারণ তবে সম্ভাব্য জটিলতা তৈরি করতে পারে এমন ঘটনা। আসুন এর ব্যাখ্যা ও গর্ভকালীন সতর্কতা নিয়ে আলোচনা করি:


✅👨‍⚕️🤰কারণসমূহ:❓❓👇


👉🤰বাচ্চার অতিরিক্ত নড়াচড়া: গর্ভে বাচ্চা বেশি নড়াচড়া করলে নাভির ডোরি পেঁচিয়ে যেতে পারে।


👉🤰নাভির ডোরির দৈর্ঘ্য বেশি হওয়া: দীর্ঘ নাভির ডোরি সহজেই পেঁচিয়ে যেতে পারে।


👉🤰 গর্ভের পানির পরিমাণ বেশি হলে (Polyhydramnios): বাচ্চা বেশি ভেসে বেড়ায়, পেঁচানোর সম্ভাবনা বাড়ে।


✅👨‍⚕️🤰গর্ভকালীন লক্ষণ ও সতর্কতা:❓❓👇


🤰রুটিন আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান:


👉☑️৩য় ট্রাইমেস্টারে Doppler বা 3D/4D স্ক্যান করলে নাভির ডোরির অবস্থান বোঝা যায়।


🤰 ফিটাল মুভমেন্ট মনিটরিং:


👉☑️মা যদি অনুভব করেন যে বাচ্চার নড়াচড়া হঠাৎ কমে গেছে বা অস্বাভাবিক, তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


🤰NST (Non-Stress Test):


👉☑️এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট যা দেখে বাচ্চার হার্টবিট ঠিকভাবে চলছে কিনা।


✅👨‍⚕️🤰প্রসবের সময় সতর্কতা:


.👉☑️ Continuous fetal monitoring করা উচিত।


👉☑️যদি নাভির ডোরি গলায় জড়িয়ে থাকে ও প্রসব জটিল হয়, তাহলে সিজারিয়ান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...