এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

বিশ্বের প্রথম মোটর বাইক: ডেইমলারের আবিষ্কার (১৮৮৫)

 বিশ্বের প্রথম মোটর বাইক: ডেইমলারের আবিষ্কার (১৮৮৫)


ভূমিকা :


আধুনিক মোটরসাইকেলের ইতিহাসের সূচনা হয়েছিল ১৮৮৫ সালে জার্মান প্রকৌশলী গটলিব ডেইমলার (Gottlieb Daimler) ও তার সহকারী ভিলহেল্ম মায়বাখ (Wilhelm Maybach)–এর হাত ধরে। তাদের তৈরি যন্ত্রটি ছিল বিশ্বের প্রথম অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনচালিত দুই চাকার বাহন, যা আধুনিক মোটরসাইকেলের পূর্বসূরি হিসেবে স্বীকৃত।


---


উদ্ভাবনের পটভূমি

গটলিব ডেইমলার ছিলেন জার্মানির একজন প্রতিভাবান প্রকৌশলী যিনি অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনের উন্নয়নে কাজ করছিলেন। ১৮৮৫ সালে তিনি এবং মায়বাখ মিলে এমন একটি বাহন তৈরি করেন যা একটি ক্ষুদ্র গ্যাসোলিনচালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করে চালানো যেত। এটির নাম দেওয়া হয়েছিল "Reitwagen", যার অর্থ “রাইডিং গাড়ি” বা "চালকের বাহন"।


---


প্রযুক্তিগত বিবরণ: Reitwagen (ডেইমলারের বাইক)


ইঞ্জিন টাইপ: এক সিলিন্ডারযুক্ত, চার-স্ট্রোক অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন


ইঞ্জিন ক্ষমতা: ০.৫ হর্সপাওয়ার (৪০০ ওয়াট)


গতি: সর্বোচ্চ প্রায় ১২ কিমি/ঘণ্টা (৭.৫ মাইল/ঘণ্টা)


জ্বালানি: পেট্রল


গঠন: কাঠের তৈরি ফ্রেম, দুপাশে দুটি বড় চাকা এবং ভারসাম্য রক্ষার জন্য পাশে দুটি অতিরিক্ত ছোট চাকা


স্টার্টিং পদ্ধতি: হাতে ক্র্যাঙ্ক ঘুরিয়ে ইঞ্জিন চালু করতে হতো


---


বিশেষ বৈশিষ্ট্য

১. এটি ছিল ইতিহাসের প্রথম যান যেখানে ছোট একটি ইঞ্জিন ব্যবহার করে দহন প্রক্রিয়ায় চলা যানবাহনের ধারণা প্রয়োগ করা হয়েছিল।

২. Reitwagen আধুনিক মোটরবাইকের মতো দেখতে না হলেও মূল কাঠামো (চাকা, হ্যান্ডেল, আসন ও ইঞ্জিন) একই রকম ধারণা বহন করছিল।

৩. এই বাইকটির উদ্ভাবনের মধ্য দিয়েই মোটর চালিত ব্যক্তিগত পরিবহনের নতুন যুগের সূচনা হয়।


---


ইতিহাসে গুরুত্ব

ডেইমলারের মোটরবাইক পরবর্তী সময়ে গাড়ি শিল্পে একটি যুগান্তকারী উদ্ভাবন হিসেবে বিবেচিত হয়। তার তৈরি ইঞ্জিনের নকশা থেকেই পরে মোটরগাড়ি, ট্রাক এবং আধুনিক মোটরসাইকেলের পথ রচিত হয়। ডেইমলার এবং মায়বাখের এই উদ্ভাবনই পরবর্তীতে "Mercedes-Benz" কোম্পানির সূচনালগ্নের ভিত গড়ে দেয়।


---


উপসংহার

১৮৮৫ সালে ডেইমলারের তৈরি এই মোটর বাইকটি প্রযুক্তিগত ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মাইলফলক। এটি শুধুমাত্র একটি বাহন নয়, বরং মানবজাতির পরিবহন ব্যবস্থার রূপান্তরের সূচনা। আজকের আধুনিক, দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের পেছনে আছে এই ছোট্ট কাঠের বাইকটিরই বৈপ্লবিক পদচারণা।

খুলনা নড়াইল অঞ্চলের নিচু জমির বিলুপ্তপ্রায় লক্ষীদীঘা ধানের ঢেঁকিছাটা লাল চাউ,,,,

 খুলনা নড়াইল অঞ্চলের নিচু জমির বিলুপ্তপ্রায় লক্ষীদীঘা ধানের ঢেঁকিছাটা লাল চাউল। ছবিতে একটু লক্ষ করলেই বুঝতে পারবেন ঢেঁকির পাড়ের আঘাতের দাগ স্পষ্ট! ভাত খেতে অধিক মিষ্টি স্বাদের। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ কার্যকর৷ 


ঢেঁকিছাটা লক্ষীদীঘা ধানের লাল চাউলের ভাত মোটা হলেও চমৎকার মিষ্টি স্বাদ ও মোলায়েম৷ রান্নার পরে ভাত ৮/১০ ঘন্টা পর্যন্ত ভাল থাকবে। চাউল ৫/৬ মাস নিশ্চিতে রেখে খেতে পারবেন পোকা আসবে না। 


ঢেঁকিছাটা লক্ষীদীঘা ধানের লাল চাউল পাইকারী কিনতে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭৩০-৮২৭৮২৯ নাম্বারে। সর্বনিন্ম অর্ডার ২৫ কেজি বস্তা।


#বিলুপ্তপ্রায় #লক্ষীদীঘা #ঢেঁকিছাটা #উচ্চফাইবার #ফাইবারসমৃদ্ধ #পুষ্টিকর #লালচাউল #Bosundharacity #ন্যাচারাল #doctor #Uttara #ডায়বেটিস #health #healthylifestyle #healthyfood #ঢেঁকিছাটা #ধান #বিলুপ্তপ্রায়ধান

বয়ঃসন্ধির ব্ল্যাকহোল –যেখানে যত্ন না নিলে আপনার বাচ্চা হারিয়ে যাবে পড়াশোনা থেকে  বিপ্লব পাল 

 বয়ঃসন্ধির ব্ল্যাকহোল –যেখানে যত্ন না নিলে আপনার বাচ্চা হারিয়ে যাবে পড়াশোনা থেকে 


বিপ্লব পাল 


( আমাকে একজন পিতা লিখেছেন, তার ছেলে নরেন্দ্রপুরে পড়ে। পড়াশোনায় ভাল ছিল। কিন্ত এখন এই উঠতি কিশোরের বয়ঃসন্ধি কালে পড়াশোনায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। এটা সব ছেলেমেয়েরা ফেস করে। আরো অনেক অভিভাবক এই নিয়ে আমাকে লিখেছেন। তাদের সবার জন্য থাকল এই লেখা। এর পেছনে বিজ্ঞান কি সেটা বুঝুন। তাহলেই সমাধান পাবেন )


অর্ক ক্লাস এইটে পড়ে। চোখে এখনো শিশুসুলভ স্বপ্নের আভাস, কিন্তু তার বইয়ের পাতায় মন বসে না। সেদিন রাত্রে, বাবার সামনের ডেস্কে বসে বই খুলে বসেছিল। দু’মিনিটের মধ্যে বইয়ের জায়গা করে নিল ইনস্টাগ্রামের স্ক্রল। পরক্ষণেই গিটারটা হাতে তুলে নিল—নতুন একটা টিউন শিখেছে। তারও পাঁচ মিনিট পর মা ডাক দিল, “তুই পড়ছিস তো ঠিক করে?” সে যেন জেগে উঠে এল এক ঘোরের মধ্য থেকে।


“হ্যাঁ, পড়ছি তো,” বলে আবার বইয়ে চোখ রাখে। তবে মন পড়ে না—কারণ সে নিজেই জানে না, কেন পড়ছে।


এই গল্পটা শুধু অর্কর নয়। এটা ওইসব কিশোর-কিশোরীদের মস্তিষ্কের একটি টানেল ভ্রমণ—যারা হঠাৎ করেই পড়াশোনা থেকে মন সরিয়ে ফেলে, অথচ তারা বোকা নয়, অসৎ নয়, অলসও নয়।


মস্তিষ্কের নির্মাণকাল


আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান বলে, বয়ঃসন্ধিকাল হল মানুষের দ্বিতীয় জন্ম। প্রথম জন্ম শারীরিক, দ্বিতীয় জন্ম মানসিক।


এই সময়ে প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স, অর্থাৎ যুক্তি, পরিকল্পনা, মনোযোগ আর নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র, নির্মাণাধীন থাকে। আবার লিম্বিক সিস্টেম, যেটা আবেগ, ঝুঁকি নেওয়া, আর তাৎক্ষণিক আনন্দের জন্য দায়ী—তা পূর্ণগতিতে সক্রিয়।


এই জটিল অবস্থায়, টেক্সটবুকের প্যারা পড়া, অংকের অদৃশ্য সূত্র খুঁজে পাওয়া বা ইতিহাসের রাজাদের নাম মুখস্থ করা—সব কিছুই হয়ে ওঠে একঘেয়ে, বিবর্ণ।


হরমোনের হুলস্থূল এবং ডোপামিনের খিদে


একবার একজন ছেলেকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, “তোমার পড়তে ভালো লাগে না কেন?”


সে উত্তর দিয়েছিল, “কারণ পড়লে মনে হয় যেন একঘেয়ে সিনেমা দেখছি, আর মোবাইলে ভিডিও দেখলে মনে হয় অ্যাকশন সিনেমা চলছে।”


এটা কোনও বাহানা নয়। বিজ্ঞান বলছে, বয়ঃসন্ধির সময় ডোপামিন রিসেপ্টর-এ পরিবর্তন হয়। ডোপামিনই আমাদের “আনন্দ” অনুভব করায়।


পড়াশোনা তখন আর আনন্দের উৎস নয়। বরং গান, ভিডিও, চ্যাট, মেমে—এসবই সে রস দিয়ে দেয়।


তাকে কে বলেছে সে কে?


এই বয়সে একটা মূর্ত প্রশ্ন ঘুরতে থাকে মনের ভিতরে:


“আমি কে?”


সে হয়তো ছোটবেলা থেকে ‘ভালো ছাত্র’ নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু এখন সে এই ট্যাগ থেকে বেরোতে চাইছে। হয়তো সে চায় চিত্রশিল্পী হতে, কিংবা কোডার, কিংবা মোটেই কিছু না হয়ে শুধু নিজেকে চিনতে চায়।


আপনি যদি তাকে জিজ্ঞেস করেন, “এত পড়ছো না কেন?”

সে হয়তো বলবে, “আমি জানি না।”


আর ঠিক এই “জানি না”-র মধ্যে দিয়েই একটা নতুন মানুষ জন্ম নিচ্ছে—যার জন্ম ব্যথাহীন নয়।


ঘুমে বিঘ্ন আর শরীরের লড়াই


রাতে পড়তে বসলে চোখে ঘুম আসে না। সকালে উঠতে পারে না। কারণ তার সার্কেডিয়ান রিদম (দৈনিক ঘুমের ঘড়ি) ২ ঘণ্টা পিছিয়ে যায় এই বয়সে।


তবুও স্কুল সকাল আটটায় শুরু হয়। ফলাফল? সে ক্লাসে বসে থাকলেও, মস্তিষ্ক তখন ঘুমিয়ে আছে।


সামাজিক চাপ আর “দেখে রাখিস” সংস্কৃতি


পাশের বন্ধু ফেসবুকে নতুন শার্ট পরে ছবি দিচ্ছে, কেউ প্রেম করছে, কেউ ভিডিও এডিট করছে, কেউ গান গাইছে—এসব কিছু তাকে বলে দেয়, “তুই কোথায় পিছিয়ে আছিস।”


এই হীনমন্যতাই আবার পড়ার প্রতি একরকম বিতৃষ্ণা তৈরি করে। কারণ, সেখানে সে নিজেকে “কিছু না” মনে করে।


শেষ কথা: সে অলস নয়, সে রাস্তায় হাঁটছে


তিন বছর আগে যার পছন্দ ছিল ছবি আঁকা,বা নাচ করা বা গান শেখা সে আজ চুপচাপ দেয়ালে তাকিয়ে থাকে। আপনি ভাবছেন—সে কিছুই করছে না।


কিন্তু সে আসলে নিজের ভেতরের একটা ঘূর্ণিপাকে আটকে আছে।

কখনো সেটা অবসাদ, কখনো আত্মদ্বন্দ্ব, কখনো ভবিষ্যতের ধোঁয়াটে ভয়।


এ অবস্থায় বাবা-মা যা করতে পারেন:


ওকে বোঝানোর বদলে শোনার চেষ্টা করুন।


পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছোট কাজে জয় আনতে দিন (যেমন: রান্না, সাজানো, গান শোনা, লিখে ফেলা)।


ওর মনোযোগের ধরন বুঝে আলাদা স্টাডি রুটিন তৈরি করুন।


প্রয়োজনে একজন কাউন্সেলর বা শিশু মনোবিদের সাহায্য নিন—এটা লজ্জার নয়, সচেতনতার প্রমাণ।


চেকভ বলেছেন,

“A man is what he believes.”

এই বয়সে তারা নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। আপনি যদি বিশ্বাস রাখেন, তবেই সে একদিন নিজের মধ্যে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে।


( জীবন ও জীবিকায় বাচ্চাদের কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা আছে। মল্লিকা ( Mallika Chatterjee ) বা অরুণীতা ( Mua Arunita Banerjee Rath ) কে যোগাযোগ করুন।

সন্তান বড় হলে, সন্তানের বিছানা আলাদা করা অবশ্য কর্তব্য! কেন করবেন?

 সন্তান বড় হলে, সন্তানের বিছানা আলাদা করা অবশ্য কর্তব্য! কেন করবেন?


রিবা (ছদ্ম নাম)। বয়স সাত। ওয়ানে পড়ে। ধবধবে ফর্সা। মাথা ভর্তি কোকড়ানো চুল। টলটলে চোখ। মনে হয় একটু ছুঁয়ে দিলেই ব্যস। চোখের মায়া আবীর হয়ে হাতে লেগে যাবে। প্রজাপতির রঙের মতো।


ওর মায়ের সাথে সেদিন চেম্বারে এসেছে। প্রসাবে জ্বালা পোড়া। তল পেটে ব্যথা। মায়ের ভাষ্য, ম্যাডাম, পিসাব করনের সময় খালি কান্দে আর লাফায়। পেট চেপে খিচ্চা বইসা থাকে।


পরীক্ষা করে দেখতে চাইলে, প্যান্ট খুলে রিবার মা যা দেখালো তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না, বললেই ভালো। সরাসরি জিজ্ঞেস করলে মা বলবে, কী যে কন, ছোট মানুষ। মনেমনে দু-একটা গালিও যে দিবে না, বলা যায় না।


ডাক্তারদের এ এক জীবন! কত কী যে দেখতে হয়! ঘুরিয়ে প্যচিয়ে জিজ্ঞেস করি, বাড়িতে কে কে আছে?


ওর বাপ আর আমি।


আর কেউ না?


না ম্যাডাম। তবে পাশেই ভাসুরের বাসা।


ও কার সাথে খেলাধুলা করে?


আমার ভাসুরের পোলার সাথে। বয়স এগারো বারো। সিক্সে পড়ে। সারাদিন দৌড়াদৌড়ি ঝাঁপাঝাপি। ভিডিও গেমস, ইউটিউব নাকি কি কয় এসব নিয়া থাকে। সারা বাড়িতে আর বাচ্চাকাচ্চা নাই তো। অরা অরাই খেলে। আমিও তেমন খেয়াল করি না। আহারে বাচ্চারা!


বাড়িতেই তো থাকে সারাদিন। হয় দাদির ঘর, নয় চাচির ঘর। আসলে মাইয়া আমার এই একটাই। মিছা কইয়া লাভ নাই। চাচা চাচিও আদর করে। খুব। মিতুল (ছদ্ম নাম) তো বইন বলতে অজ্ঞান।


কখনো জিজ্ঞেস করেছেন, কি খেলা খেলে?


না ম্যডাম। কী খেলব আর, চোর পলান্তি। পুতুল খেলা। এই সব আরকি। জিগানোর কী আছে?


আছে, এখন জিজ্ঞেস করেন তো।


রিবা, মিতুল ভাইয়ার সাথে কি খেলাধুলা করো বলো তো মা?


বউ জামাই খেলি।


বউ জামাই খেলা কী করে খেলো?


মেয়ে যা বর্ণনা দিলো, শুনে মা মুর্ছা যান আরকি! ছোট বাচ্চার আর দোষ কি? বাচ্চারা অনুকরণ প্রিয়। এটা সবাই জানে। বড়রা অবিবেচকের মতো কাজ করবে আর বাচ্চাকাচ্চা দেখে শুনে চুপ করে বসে থাকবে, এটা ভাবার কারণ নেই। আসলেই নেই।


ওহ, ভালো কথা। রিবা, মিতুল কাকে অনুসরণ করল? বাবা মাকে? টিভি সিনেমাকে? নাকি ইউটিউবকে? কাউকে না কাউকে তো অবশ্যই।


রিবা, এ ধরনের খেলা তো ভালো না মা। এটা পঁচা কাজ। কথা শেষ করতে দেয়না পাকনি বুড়িটা। টাসটাস করে মুখের ওপর বলে ওঠে, বাবা-মা খেলে যে! তাহলে বাবা-মা কি পঁচা?


কী উত্তর দেবে রিবার মা? উত্তর দেয়ার কি মুখ থাকে? মহিলা হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। যেনো পায়ের তলায় কোন মাটি নেই। বেচারা!


রিবার মাকে প্রশ্ন করি, আপনারা কি স্বামী-স্ত্রী রিবাকে নিয়ে এক বিছানায় ঘুমান?


হ ম্যাডাম। ছোট বাচ্চা। ওর বাপে কয়, কী বুঝব? ও ঘুমালেই তো কাদা। লোকটার খাই বেশি। বাচ্চা ঘুমালো কি ঘুমালো না। তর সয় না। আমি আগেই কইছিলাম। হাহাকার থই থই কান্না হয়ে ঝরে পড়ে। আহারে!


দেখুন, আমরা বাচ্চাদের যতটা নির্বোধ মনে করি, আসলে ততটা নির্বোধ ওরা না। বরং একটু বেশিই বুদ্ধি রাখে ওরা। শুধু আমরা বড়রাই এ কথাটা মানতে চাই না। আমাদের দিয়ে ওদের হিসেব করি। কিন্তু ওরা হিসেবে বাবা-মা'দের চেয়ে পাকা। যে কাজটা বাবা মা করে, সে কাজটা খারাপ কিভাবে হয়? কাজেই বাবা-মা, বউ-জামাই খেলা তারা খেলতেই পারে। তাদের তো দোষ দেয়া যায় না। একটু ভেবে বলুন তো, যায় কি?


আসলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর সন্তানদের বিছানা আলাদা হওয়াই বাঞ্চনীয়। সবার পক্ষে হয়তো, সন্তানদের জন্য আলাদা আলাদা রুম দেয়া সম্ভব না। সে ক্ষেত্রে অন্তত বিছানাটা আলাদা করা যায়। বাবা-মায়ের বিছানাটা কাপড় দিয়ে পার্টিশন দেয়া যায়। মশারির মতো। আর নিতান্তই যদি সম্ভব না হয়, শিশু সম্বলিত সংসারে দম্পতিদের অবশ্যই সর্বোত্তম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কী সেটা আমি জানিনা। আর সবার ঘরে নিশ্চয় একরকম ফর্মূলা চলবে না। নিজের ঘর অনুযায়ী নিজেদের ফর্মূলা তৈরী করুন প্রিয় অভিভাবক।


আমরা বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে ঘুরতে যাই। মজার মজার খাবার খাই। দামী দামী গেজেট দেই। নতুন নতুন ট্রেন্ডি জামা কাপড় পরাই। কিন্তু সবচেয়ে দামী যে লেসন সেটাই দেই না। হেলথ এডুকেশন, সেক্স এডুকেশন। কত্ত জরুরি যে এসব জীবনমুখী শিক্ষা। কী আজব আমরা! কবে বুঝব এর গুরুত্ব? আর কত ভুল বার্তা দেহ মনে নিয়ে বড় হবে আমাদের শিশুরা?


বাচ্চাদের কি কি করা উচিৎ আর কি কি না সেটা বলুন। ছোটদের কাজ, বড়দের কাজ কি কি জানান। ধীরে ধীরে নিজের শরীর সম্বন্ধে শিক্ষা দিন। গুড টাচ, ব্যাড টাচ সম্পর্কে জানান। নারী-পুরুষের যৌন জীবন সম্বন্ধে শিক্ষা দিন। ধীরে ধীরে, সহজ করে। কাজের লোক কিংবা ক্যানভাসারের কাছে ভুল জানার চেয়ে, বাবা মার কাছে জানা ভালো নয় কি?


প্রিয় অভিভাবকগন, সন্তানের কথা বিশ্বাস করুন। সন্তানের বন্ধু হোন। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করুন এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করুন। মনে রাখা ভালো, লালন পালন করাই কিন্তু শেষ কথা না। সন্তানকে সুরক্ষিত রাখাও বাবা-মার পবিত্র দায়িত্ব।


আসুন ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করি। ওদের জীবনটা আরেকটু সহজ করি।


✍️ - ডাঃ সাবিকুন নাহার

গাছ যে নিজেই বৃষ্টি ডাকে – প্রকৃতির গোপন বর্ষাদেবতা!

 গাছ যে নিজেই বৃষ্টি ডাকে – প্রকৃতির গোপন বর্ষাদেবতা!


সব গাছ শুধু বৃষ্টি বনেই বাঁচে না,

কিছু গাছ নিজেরই বৃষ্টি তৈরি করে!


দক্ষিণ আমেরিকার গভীর জঙ্গলে এক অদ্ভুত গাছ জন্মায়, যার নাম এম্বাউবা গাছ (Cecropia)। বিজ্ঞানীরা এই গাছ নিয়ে যা আবিষ্কার করেছেন, তা যেন গল্পের চেয়েও অবিশ্বাস্য।


এই গাছ দিনে প্রচুর পরিমাণে জল মাটির গভীর থেকে টেনে তোলে এবং পাতার মাধ্যমে তা বাতাসে ছেড়ে দেয় – এই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সপিরেশন। কিন্তু এম্বাউবা এখানেই থামে না। যখন অনেক এম্বাউবা গাছ একসাথে থাকে, তখন তারা এতটা আর্দ্রতা ছড়িয়ে দেয় যে সেই জলীয়বাষ্প থেকে আকাশে মেঘ জমে – এবং শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি নামে।


অর্থাৎ, শুধু টিকে থাকার জন্য নয়, এই গাছেরা নিজেদের এলাকা ঠাণ্ডা রাখে এবং নিজেরাই বৃষ্টিও ডাকে!


প্রকৃতি কতটা জটিল ও বিস্ময়কর, এম্বাউবা গাছ তার এক জীবন্ত প্রমাণ।


তাই গাছ শুধু দাড়িয়ে থাকে—এ ধারণা ভুল। কিছু গাছ সত্যিই বর্ষা নামাতে পারে!


#প্রকৃতিররহস্য #বৃষ্টিগাছ #অজানাতথ্য #এম্বাউবাগাছ #NatureFacts #বেঙ্গলিনিউজ #dorpon.kol

বৃষ্টি মানেই শুধু ঠান্ডা হাওয়া আর ভেজা মাটি নয় এতে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর গন্ধ, যেটা আমাদের মন ছুঁয়ে যায়

 বৃষ্টি মানেই শুধু ঠান্ডা হাওয়া আর ভেজা মাটি নয় এতে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর গন্ধ, যেটা আমাদের মন ছুঁয়ে যায়।বৃষ্টির পর মাটির যেই চেনা গন্ধটা নাকে আসে, তার নাম পেট্রিকর (Petrichor)।এই গন্ধটা আসে একধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে, যার নাম অ্যাক্টিনোমাইসেটিস (Actinomycetes)।


এই ব্যাকটেরিয়া শুষ্ক মাটিতে বসবাস থাকে।বৃষ্টি পড়লেই মাটি ভিজে যায়, আর তখনই ব্যাকটেরিয়াগুলো জিওসমিন (Geosmin) নামক এক রাসায়নিক নিঃসরণ করে।জিওসমিনই সেই পরিচিত গন্ধের জন্য দায়ী, যেটাকে আমরা “বৃষ্টির গন্ধ” বলি।

মানুষের ঘ্রাণেন্দ্রিয় এই জিওসমিনের প্রতি খুবই সংবেদনশীল  অল্প পরিমাণেই আমরা সেটা টের পাই।এই গন্ধ শুধু ভালো লাগা তৈরি করে না,অনেকের মনে ফিরিয়ে আনে শৈশব,  স্মৃতি, ছুটির দিন কিংবা প্রথম প্রেমের বৃষ্টি!এটা একধরনের মানসিক প্রশান্তি, যেন প্রকৃতি নতুন করে শুদ্ধ হতে শুরু করেছে।বিজ্ঞান আর প্রকৃতির এই মেলবন্ধনই আমাদের পৃথিবীকে করে তোলে আরও রহস্যময় আর সুন্দর।


#scirovers #science #facts #rain #rainydays

স্কিল ছাড়াও ইনকাম! জেনে নিন–ফ্রিতে অনলাইনে আয় করার ১৫টি বাস্তব উপায় (নতুনদের জন্য বেস্ট!)

 স্কিল ছাড়াও ইনকাম!

জেনে নিন–ফ্রিতে অনলাইনে আয় করার ১৫টি বাস্তব উপায় (নতুনদের জন্য বেস্ট!)


সময় নষ্ট নয়, এবার শুরু হোক স্মার্ট ইনকামের পথ! মোবাইল/কম্পিউটার থাকলেই চলবে!


১. YouTube Automation – ভিডিওতে নিজের মুখ না দেখিয়ে ইনকাম করুন (AI Tools দিয়ে ভিডিও বানিয়ে আপলোড)।

২. Facebook Page Monetization – Reels ও Video Content দিয়ে ইনস্ট্যান্ট ইনকাম!

৩. CPA Marketing (Cost Per Action) – কেউ সাইন আপ করলেই আপনি টাকা পাবেন।

৪. Paid Survey Sites (Swagbucks, Ysense) – ঘরে বসে সার্ভে করে ইনকাম করুন।

৫. Referral Programs (Binance, Shohoz, Pathao) – অন্যকে রেফার করলেই কমিশন।

৬. App Testing (TesterWork, UserTesting) – অ্যাপ ইউজ করে আপনার মতামত দিন, আর টাকা নিন।

৭. TikTok Content (Without Face) – ভাইরাল ভিডিও বানিয়ে ইনকাম।

৮. Watching Ads (TimeBucks, AdWallet) – বিজ্ঞাপন দেখে ইনকাম!

৯. Website Testing (TryMyUI) – ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ভুল ধরিয়ে টাকা নিন।

১০. Amazon Kindle eBook – ফ্রি টুল দিয়ে বই লিখে বিক্রি করুন (AI রাইটিং ব্যবহার করুন)।

১১. Microtasking (Clickworker, Microworkers) – ছোট ছোট কাজ করে ডলার ইনকাম।

১২. Data Entry on Freelancing Sites – বেসিক টাইপিং স্কিল থাকলেই চলবে।

১৩. Facebook Group Admin বা Moderator হয়ে আয় – বড় পেইজ/গ্রুপে কাজ করে ইনকাম।

১৪. Free Stock Photo Upload (Pexels, Pixabay) – মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে ইনকাম করুন।

১৫. YouTube Shorts Compilation Channel – অন্যদের ভিডিও ক্লিপ কম্বাইন করে ভাইরাল করুন।


এই পদ্ধতিগুলোয় ইনকাম একটু একটু করে শুরু হবে, কিন্তু নিয়মিত করলে মাসে ৫০০-১০০০ ডলার সম্ভব!

শুরু করুন ধীরে ধীরে, ৬ মাস পর নিজেই বলবেন — “যাত্রাটা সার্থক!”


#techburnbd #SmartLifeBD #GadgetLovers #wirelessearbuds

জুতা পরিয়ে দিবে কে কে,,,,,,,

 দক্ষিণ ভারতের কোন এক নবাবের রাজ্য যখন শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়, তখন নওয়াব ছিলেন নিরুদ্বেগ। তিনি ভেবেছিলেন, শত্রু মোকাবেলা করার জন্য তো রয়েছে বেতনভুক লাঠিয়াল, বরকন্দাজ, অশ্বারোহী ও তীরন্দাজ বাহিনী। তারাই যথেষ্ট। তাদের কাজ তারাই করবে। আমি খামখা এ নিয়ে কেন মাথা ঘামাতে যাবো।


নওয়াব হাম্মানখানা থেকে এইমাত্র গোসল সেরে এসে কাপড়-চোপড় পরে আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে বসেছেন। কিছুক্ষণ পরই টেবিলে খানা লাগানো হবে। খানার সঠিক সময়ের অপেক্ষায় আছেন। নফর তার কক্ষে প্রবেশ করে বললো, জাহাপনা! শত্রুরা চারিদিক থেকে এগিয়ে আসছে, এখনই রাজপ্রাসাদ ঘিরে ফেলবে। যে যেদিকে পারে, পালাচ্ছে। ফটকে পালকি ও ঘোড়া আছে, আপনার যেটা পছন্দ হয় তাতে সওয়ার হয়ে পালান। একথা ক'টি বলে নফর দ্রুত নিজেই পালালো। নওয়াব তার খাস নফরকে জুতা-মোজা পরিয়ে দেয়ার জন্য ডাকলেন, কিন্তু সে ডাকে কেউ সাড়া দিল না। নওয়াব জানতেন না যে, সেও পালিয়েছে। কি আর করা। নওয়াব তো আর নিজ হাতে জুতা পরতে পারেন না। প্রেস্টিজ বলতে তো একটা কথা আছে। বাধ্য হয়ে তিনি জুতার সারির দিকে চেয়ে বসেই থাকলেন।


রাজপ্রাসাদ ঘেরাও করা হলো। নওয়াবের খাস কামরায় শত্রু সেনারা প্রবেশ করলো। তারা নওয়াবকে নিরুদ্বেগ অবস্থায় এভাবে বসে থাকতে দেখে তো অবাক! একজন জিজ্ঞাসা করলো, সবাই পালিয়ে গেছে, আপনিও তো পালাতে পারতেন। কেন আপনি পালাবার চেষ্টা না করে এভাবে বসে আছেন? নওয়াব সাহেব একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন, যে আমাকে সব সময় জুতা পরিয়ে দেয়, পা থেকে জুতা খুলে দেয়, সেই জুতার নফরকে অনেক ডাকাডাকি করলাম, কিন্তু পেলাম না, কখন যে পালিয়েছে তা জানি না। জুতা পরাবার লোক না থাকলে জুতা পরি কি ভাবে আর বিনা জুতায় পালাবোই বা কেমনে?


এক সৈনিক জিজ্ঞাসা করলেন, নিজের পায়ে নিজের জুতা পরবেন, এজন্য কি চাকর লাগে?


নওয়াব বললেন, আমি তো আর তুমি নই। আমি নওয়াব হয়ে নিজের হাতে জুতা পরতে পারি না। ইজ্জত কি সওয়াল।


শত্রুপক্ষের সেনানায়ক নওয়াবের এ কাহিনী শুনে বললেন, যদি এই নওয়াব জীবিত থাকেন তাহলে তাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক। লোকজন তাকে দেখবে আর বলবে, ভারতবর্ষে এমন নওয়াবও ছিল, যে নিজের হাতে নিজের জুতা পরলে মনে করতো তাতে ইজ্জত থাকে না। তাই পালাতে পারেনি পাদুকা শূন্য পদযুগলের কারণে। যদি মারা যান তবে মমি করে রাখা হোক এই কাহিনীর নায়ককে যুগ যুগান্তরকাল পর্যন্ত স্মরণীয় করে রাখার জন্য। অতঃপর সেনানায়ক বললেন, ভারতবর্ষে এমন রাজা-মহারাজা আর নওয়াব আছেন বলেই তো সহজ বিজয় আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে।


বই: প্রেস্টিজ কনসার্নড

লেখক: জহুরী


#everyoneシ゚ #highlightsシ゚

ডায়াবেটিস ॥ ভুল ধারণা ও প্রকৃত সত্য

 ডায়াবেটিস ॥ ভুল ধারণা ও প্রকৃত সত্য

অধ্যাপক (ডাঃ) এ বি এম আব্দুল্লাহ

ডায়াবেটিসকে বলা হয় নীরব ঘাতক। বিশ্বের বহু মানুষ এ রোগে আক্রান্ত। মানুষের মাঝে এ রোগ নিয়ে একাধিক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। আসল সত্য তুলে ধরেন।


বুধবার ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৮ মে ২০২২  ঢাকা, বাংলাদেশ।

 ফেসবুকঃ  E-Daily Janakantha 


(১) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস কোনদিনও ভাল হয় না :

* প্রকৃত সত্য- ডায়াবেটিসকে বলা হয় চিরজনমের রোগ। তবে কিছু কিছু রোগের কারণে ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে, তাকে বলে সেকেন্ডারি ডায়াবেটিস। যেমন-এক্রোমেগালি, থাইরোটক্সিকোসিস, প্যানক্রিয়াটিক ডিজিজ, কুশিং সিনড্রোম। এ সমস্ত রোগের চিকিৎসা করলে ডায়াবেটিস ভাল হতে পারে। কিছু কিছু ওষুধ ব্যবহারে ডায়াবেটিস হয়। যেমন- অনেকদিন ধরে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খেলে। এগুলো ছেড়ে দিলে আবার ডায়াবেটিস ভাল হয়ে যায়। নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চললে এবং প্রয়োজনে ওষুধ নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস সেরে যেতে পারে।

(২) ভুল ধারণা- ভাত বা কার্বোহাইড্রেট একেবারেই খাওয়া যাবে না :

* প্রকৃত সত্য- অনেকেই মনে করেন ডায়াবেটিস হলে আর ভাত খাওয়া যাবে না। কথাটা একেবারেই সত্য নয়। ভাত বা কার্বোহাইড্রেট পরিমাণ মতো খাওয়া যাবে। সাধারণত সকালে- রাতে গমের রুটি খেতে বলা হয় এবং দুপুরে পরিমাণ মতো মেপে ভাত খেতে দেয়া হয়।

(৩) ভুল ধারণা- কৃত্রিম চিনি ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যাবে :

* প্রকৃত সত্য- ডায়াবেটিস রোগীদের কোন প্রকার মিষ্টান্ন খাওয়া উচিত নয় বলে ভাবেন অনেকে। এটি ভুল ধারণা। সাধারণ চিনি না খেয়ে কৃত্রিম চিনি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেটাও হতে হবে পরিমিত। ইচ্ছে মতো অতিরিক্ত কৃত্রিম চিনি ব্যবহার করা উচিত না।

(৪) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস রোগীরা ফল খেতে পারেন না:

* প্রকৃত সত্য- এটাও একটা ভুল ধারণা। ডায়াবেটিস রোগীরা যে কোন ফল খেতে পারবেন। যেমন- কলা, আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি। তবে তা যেন হয় পরিমিত।

(৫) ভুল ধারণা - মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয় :

* প্রকৃত সত্য- মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়- এ কথাটা ঠিক নয়। সরাসরি মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিস হওয়ার কোন যোগসূত্র নেই। মিষ্টি বেশি না খেলেও ডায়াবেটিস হতে পারে। আসলে পারিবারিক ইতিহাস, ওজন বৃদ্ধি, অস্বাস্থ্যকর খাবার, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বা পরিশ্রমবিহীন অলস জীবন যাপন ইত্যাদি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই বলে ইচ্ছে মতো চিনি বা মিষ্টি কোনক্রমেই বেশি খাওয়া উচিত নয়।

(৬ ) ভুল ধারণা- মিষ্টিজাতীয় ওষুধ খেলে ডায়াবেটিস বাড়বে :

* প্রকৃত সত্য- কিছু কিছু সিরাপ জাতীয় ওষুধ বেশ মিষ্টি, যেগুলোতে সামান্য সুগার বা স্যাকারিন দেয়া হয়। অনেক ডায়াবেটিস রোগীর ধারণা এগুলো খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে। আসলে তা ঠিক নয়। কারণ, এই সিরাপগুলোতে খুব সামান্য পরিমাণ স্যাকারিন মিশ্রিত থাকে। রোগের কারণে ওষুধটাই জরুরী। এগুলো সেবনে ডায়াবেটিস বাড়ার তেমন কোন ঝুঁকি নেই।

(৭) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে হতে পারে :

* প্রকৃত সত্য- ডায়াবেটিস কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়। বরং জেনেটিক বা বংশগত কারণে হতে পারে। যেমন- বাপ-মা, ভাই-বোন, নিকটাত্মীয় কারও ডায়াবেটিস থাকলে অন্যদেরও হতে পারে।

(৮) ভুল ধারণা- হোমিওপ্যাথিক বা হার্বাল মেডিসিনে ডায়াবেটিস ভাল হয় :

* প্রকৃত সত্য- আসলে এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি তিনটা ‘ডি’-

* প্রথম ডি-ডায়েট কন্ট্রোল বা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ। ৬০ থেকে ৮০ ভাগ রোগী এতেই ভাল থাকেন।

* দ্বিতীয় ডি- ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা। সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি।

* তৃতীয় ডি- ড্রাগ বা ওষুধ, খুব অল্প সংখ্যক রোগীর ওষুধের প্রয়োজন পড়বে।

(৯) ভুল ধারণা- তিতা জাতীয় জিনিস যেমন- করলা, মেথি বা নিমপাতা খেলে ডায়াবেটিস সেরে যায় :

* প্রকৃত সত্য- তিতা স্বাদযুক্ত খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হ্রাস করে বলে মনে করেন অনেকেই। এ কারণে করলা বা নিম বা অন্যান্য তিতা খাবার খান। এটা একটি ভুল ধারণা। তিতা খেলে ডায়াবেটিস রোগে উপকার হয়, এ রকম ধারণা কমবেশি প্রচলিত থাকলেও বিজ্ঞানসম্মত এর কোন প্রমাণ নেই যে, এগুলো রক্তে গ্লুকোজের নিয়ন্ত্রণ করে।

(১০) ভুল ধারণা- সাধারণ চিনিমুক্ত খাবার বা পানীয় ইচ্ছেমতো খাওয়া যায় :

* প্রকৃত সত্য- এ কথাও সত্য নয়। বাজারে ‘ডায়াবেটিক’ পানীয় যেমন- কোক, পেপসি, সেভেন আপ ইত্যাদি এমনকি ডায়াবেটিক সন্দেশ, বিস্কুট, জ্যাম, চকলেট পাওয়া যায়। এসব খাবারের গায়ে চমকপ্রদ কিছু লেখা আর চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে স্বাভাবিকভাবেই একজন ডায়াবেটিস রোগীর খেতে মন চায়। ডায়াবেটিক রোগীরা মাঝেমধ্যে মিষ্টির বদলে এগুলো খেতে পারেন। তবে সব সময় খাওয়া উচিত না।

(১১) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা প্রয়োজনে কাউকে রক্তদান করতে পারবেন না :

* প্রকৃত সত্য- ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা কখনও অন্য মানুষকে রক্তদান করতে পারেন না, এমনটাই ধারণা অনেকের। তবে এ ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে বা অন্য কোন সমস্যা না থাকলে রক্তদানে কোন সমস্যা নেই।

(১২) ভুল ধারণা- নিয়ন্ত্রণে এলে অনেকেই শারীরিক সমস্যা হচ্ছে না মনে করে ওষুধ বন্ধ করে দেন। মনে করেন ওষুধ না খেলেও চলে :

* প্রকৃত সত্য- কোন কোন রোগী একবার সুগার নিয়ন্ত্রণে এসে গেলেই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। কিন্তু বাস্তবে ওষুধের কারণেই সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। ওষুধ বন্ধ করা হলে সুগারের মাত্রা আবার বাড়তে থাকে। তাই নিয়ন্ত্রণে এলেই ওষুধ বন্ধ করা মোটেও ঠিক নয়।

(১৩) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিক রোগীরা ওষুধ খাওয়ার পরে যত খুশি মিষ্টি খেতে পারেন :

* প্রকৃত সত্য- এ ধারণাটা মোটেই ঠিক নয়। হয়ত মাঝেমধ্যে একটু আধটু মিষ্টি খাওয়া যেতে পারে। তার মানে যত খুশি তত মিষ্টি খাওয়া কোনক্রমেই উচিত হবে না। তবে অনেকেই ডায়াবেটিস অতিরিক্ত কন্ট্রোল করতে গিয়ে স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া একেবারেই কমিয়ে দেন বা ছেড়ে দেন। তা মোটেও ঠিক নয়। অবশ্যই পরিমিত পুষ্টিকর বিশুদ্ধ খাওয়া চালিয়ে যেতে হবে।

(১৪) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস সারা জীবনের সঙ্গী। এটি থেকে আর কোনদিন পরিত্রাণ পাওয়া যায় না :

* প্রকৃত সত্য- এই বিষয়টি সত্যি নয়। সঠিক নিয়ম ও উপায় অবলম্বন করে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস মুক্ত হওয়া যায়।

(১৫) ভুল ধারণা- একবার ডায়াবেটিসের ওষুধ শুরু করলে আর কোন সময়ই তা বন্ধ করা যাবে না :

* প্রকৃত সত্য- এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। স্থূলকায় ব্যক্তিদের ওজন নিয়ন্ত্রণ, ডায়েট কন্ট্রোল এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। প্রয়োজনে ওষুধ বন্ধ করা যেতে পারে।

(১৬) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা তাড়াতাড়ি মারা যায় :

* প্রকৃত সত্য- এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। শৃঙ্খলা মেনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করলে অবশ্যই জীবনযাত্রা স্বাভাবিক থাকবে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে অনেক ধরনের জটিলতা হতে পারে।

(১৭) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিসে ইনসুলিন সর্বশেষ চিকিৎসা :

* প্রকৃত সত্য- ইনসুলিন একজন ডায়াবেটিস রোগীর জীবনে যে কোন সময়ই লাগতে পারে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায়, যে কোন অপারেশনের সময়, কোন গুরুতর রোগে হাসপাতালে থাকাকালীন। যেমন- হার্ট এ্যাটাক, স্ট্রোক বা মারাত্মক কোন সংক্রমণের সময়, কিডনি বা যকৃতের জটিলতায় ইনসুলিনই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ। এ ছাড়া কোন কারণে রক্তে গ্লুকোজ অনেক বেড়ে গেলেও ইনসুলিন দরকার হবে। ব্যাপারটা এমন নয় যে, ইনসুলিন দেয়া হচ্ছে মানে অবস্থা খুব জটিল বা মরণাপন্ন। তবে অবস্থার উন্নতি হলে ইনসুলিন বন্ধ করা যেতে পারে এবং মুখে খাওয়ার ওষুধ ব্যবহার করা যাবে। তার মানে ইনসুলিন সর্বশেষ চিকিৎসা নয়।

(১৮) ভুল ধারণা - একবার ইনসুলিন ব্যবহার করলে সারা জীবনই তা নিতে হবে :

* প্রকৃত সত্য- বিষয়টা আসলে তা নয়। নানা কারণে ইনসুলিনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে। আবার পরে তা পরিবর্তন করে বা বন্ধ করে ওষুধ খাওয়াও যেতে পারে। যেমন- গর্ভাবস্থা কেটে যাওয়ার পর বা অস্ত্রোপচারের ঘা শুকিয়ে যাওয়ার পর একসময় ইনসুলিন বন্ধ করে আবার ওষুধ খাওয়া যায়। তবে টাইপ ১ ডায়াবেটিস, কিডনি ও যকৃতের গুরুতর সমস্যা এবং সর্বোচ্চ মাত্রায় ওষুধ ব্যবহার করেও যদি গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রিত না হয়, এসব ক্ষেত্রে সব সময়ের জন্য ইনসুলিন ব্যবহার করতে হবে।

(১৯) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মায়ের গর্ভধারণ করা ঠিক নয়, এমনকি বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো যাবে না:

* প্রকৃত সত্য- এ ধারণাটা মোটেও ঠিক নয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে গর্ভধারণে কোন নিষেধ নেই, এমনকি বাচ্চাকে দুধ খাওয়ালেও বাচ্চার কোন ঝুঁকি নেই।

(২০) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা কখনোই রোজা রাখতে পারবেন না :

* প্রকৃত সত্য- এই ধারণা মোটেও ঠিক নয়। ডায়াবেটিসের চিকিৎসার মূলমন্ত্র হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা। রোজা একটা সুবর্ণ সুযোগ, যা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে রোগীরা অবশ্যই রোজা রাখতে পারবেন। প্রয়োজনে ওষুধ ব্যবহার করা যাবে। এমনকি রোজা রেখে দিনের বেলায় রক্তের সুগার মাপা যাবে, প্রয়োজনে রোজা রেখে ইনসুলিন ইনজেকশন দেয়া যাবে। এতে রোজা ভঙ্গ হবে না।


(২১) ভুল ধারণা- ডায়াবেটিস রোগীরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে ওরস্যালাইন খেতে পারবেন না :


* প্রকৃত সত্য - অনেকে মনে করেন ওরস্যালাইনের মধ্যে গ্লুকোজ থাকে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীর ডায়রিয়া হলে ওরস্যালাইন খাওয়া উচিত নয়। এ ধারণাটা মোটেও ঠিক নয়। কারণ ওরস্যালাইনে সামান্য গ্লুকোজ থাকে। এতে ডায়াবেটিসের ততটা ক্ষতি হয় না।


সুতরাং যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তাদের এসব ভ্রান্ত ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ডায়াবেটিসকে ভয় না পেয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।


লেখক : অধ্যপক ডা: এ বি এম আবদুল্লাহ

নিজের হাতে বাচ্চার জীবন নষ্ট করছেন না তো,,,,,,,,

 নিজের হাতে বাচ্চার জীবন নষ্ট করছেন না তো🚫🚫


বাচ্চাকে যখন মোবাইল দিতেই হয় কিংবা টিভি দিন তখন কি বাচ্চাকে ইউটিউব দেখতে দেন নাকি ইউটিউব  কিডস দেন?? 


বাচ্চা খিটখিটে, অবাধ্য এবং রাগী হওয়ার আগে সাবধান হয়ে যান। 


বাচ্চাকে যদি মোবাইল বা টিভি দিতেই হয় দয়া করে ইউটিউব কিডস দেন। এবং আপনি পুরো সময় বাচ্চার পাশে থাকতে না পারলেও কিছু সময় পাশে থাকুন এবং খেয়াল রাখুন সে কোন  চ্যানেল টা দেখছে কিংবা কোন চ্যানেলগুলো সচরাচর তার সামনে পড়ছে। 


YouTube Kids এর সুবিধা:


নিরাপদ কনটেন্ট: শুধুমাত্র শিশুদের উপযোগী ভিডিও দেখায়।


অভিভাবকের নিয়ন্ত্রণ: বাবা-মা সময়সীমা, কনটেন্ট টাইপ এবং সার্চ অপশন কন্ট্রোল করতে পারেন।


বিজ্ঞাপন সীমিত: বিজ্ঞাপন থাকলেও সেগুলো শিশুদের জন্য নিরাপদভাবে বাছাই করা হয়, তবে আমি সাড়ে তিন বছর যাবত আমার বাচ্চার জন্য youtube কিডস ব্যবহার করছি এখনো অব্দি কোনো বিজ্ঞাপন চোখে পড়েনি। 


ইন্টারফেস সহজ: বাচ্চাদের বোঝার জন্য সহজ ও রঙিন ইন্টারফেস।


শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম ; আপনি নিজে বাছাই করে করে ইংরেজি কিংবা বাংলা যা আপনার বাচ্চাকে শেখাতে চান বর্ণমালা, কাউন্টিং, বিভিন্ন ভাষা যেমন ইংরেজি,আরবি বিষয়ে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কনটেন্ট সহজেই বাছাই করতে পারবেন নিত্যদিনের জন্য। 


YouTube (মূল অ্যাপ):


Shorts : বাচ্চাকে নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। বাচ্চাকে উগ্র করে দেওয়া,মেজাজ খিটখিটে করে দেওয়া, চিৎকার চেঁচামেচি করা এরকম আরো অনেক নেগেটিভ ব্যাপার বাচ্চার মধ্যে লক্ষ্য করা   যায়। 


সব ধরনের ভিডিও দেখা যায় — যা অনেক সময় বাচ্চাদের জন্য অনুপযুক্ত হতে পারে।


কম নিয়ন্ত্রণ: অভিভাবকরা চাইলে কিছু ফিল্টার করতে পারেন, কিন্তু তা সীমিত।


আঠারো প্লাস বিষয়: যা শিশুদের জন্য পুরোপুরি অনুপযুক্ত।


বেশি বিজ্ঞাপন এবং সেগুলোর কন্টেন্ট সবসময় শিশুবান্ধব নাও হতে পারে।


দয়া করে মা বাবারা একটু খেয়াল রাখুন।


এছাড়া বাচ্চাদের জন্য যথা সম্ভব স্কিন টাইম অ্যাভয়েড করা গেলে, এটা তাদের জন্য মঙ্গলজনক।


📍ইউটিউব কিডস এর কোন চ্যানেলগুলো বাচ্চাদের জন্য শিক্ষনীয় এবং সত্যিকার অর্থে বাচ্চার কাজে আসে তা শেয়ার করব আপনারা চাইলে। 


কমেন্ট করে জানিয়ে দিন আপনার বাচ্চার জন্য ইউটিউব কিডস নাকি ইউটিউব ব্যবহার করেন? আরো জানাবেন আপনারা পরের পর্বে এ বিষয়ে আরো ইনফরমেটিব লিখা চান কিনা। 


ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন লিখাটি যাতে আমরা 

মা- বাবার বাচ্চাদের নিয়ে আরও সচেতন হতে পারি💖


আপনার সন্তান নিরাপদে থাকুক এই দোয়া করি ধন্যবাদ 


Kaab Mall

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...