এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১ জুন, ২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ২৭-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ২৭-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


৩০তম নিক্কেই ফোরামে যোগ দিতে চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা।


মাতারবাড়ি অঞ্চলে সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানালেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


মানবতা বিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থেকে জামায়াতে ইসলামীর নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।


শেখ হাসিনার শাসনামলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামায়াত নেতারা জুডিশিয়াল কিলিং-এর শিকার হয়েছেন - মন্তব্য দলটির আমিরের।


দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরির কৃতিত্ব জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দের - বললেন আইন উপদেষ্টা। 


ভারতকে আইনি প্রক্রিয়া মেনে বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


কাশ্মীর সংকট সমাধানে নতুন দিল্লির সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী ইসলামাবাদ - জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।


আগামীকাল লাহোরে প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

 সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২৭-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২৭-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার - বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে সংস্কার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।


জাতীয় স্বার্থ বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কাজের সাথে সম্পৃক্ত হবে না সেনাবাহিনী, সরকার ও সেনাবাহিনী সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে এক সঙ্গে কাজ করছে - সেনা সদরের প্রেস ব্রিফিং।


অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলেই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার জুলাই গণহত্যার বিচারের রায় পাবে জাতি - বলেছেন আইন উপদেষ্টা।


আদালত অবমাননার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে তেসরা জুন আদালতে হাজির হওয়ার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।


দোহায় গাজা যুদ্ধ বিরতির খসড়ার বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছে হামাস ও মার্কিন বিশেষ দূত।


আগামীকাল লাহোরে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে স্বাগতিক পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ২৬-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ২৬-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


জুলাই গণহত্যা ও নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত এবং ভোট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের চিহ্নিতকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের বিষয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত পোষণ করেছে - জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ।


প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার - বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


চার দিনের সরকারি সফরে আগামীকাল দিবাগত রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলেই শেখ হাসিনার জুলাই গণহত্যার বিচারের রায় পাবে জাতি - বলেছেন আইন উপদেষ্টা। 


দেশের স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কাজের সাথে সম্পৃক্ত  হবে না সেনাবাহিনী, সরকার ও সেনাবাহিনী সৌহার্দপূর্ণভাবে এক সঙ্গে কাজ করছে - সেনা সদরের প্রেস ব্রিফিং।


আদালত অবমাননার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে তেসরা জুন আদালতে হাজির হওয়ার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।


গাজা উপত্যকায় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলের ৩৬ জনসহ ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৫৪ জন নিহত।


সংঘাত বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাণিজ্য অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আজ কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২৬-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২৬-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত - সরকারের পাশে থাকবেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ – জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


ভবিষ্যতে বিতর্কিত নির্বাচন প্রতিহত করার সুপারিশ সুশীল সমাজের - জাতীয় নির্বাচনে ৩৩ ভাগ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি।


জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করলো আইসিটি।


আদালত অবমাননার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে আদালতে হাজির হওয়ার বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ আইসিটির।


কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ - কোরবানির ১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের আশ্বাস স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


গাজায় ইসরাইলি হামলায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত অন্তত ৪৯ ফিলিস্তিনি। 


ডাবলিনে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড এবং ওয়েষ্ট ইন্ডিজের মধ্যকার ওডিআই সিরিজ ড্র।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ২৫-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ২৫-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


আজও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের বৈঠক অনুষ্ঠিত।


রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য হওয়া এবং না হওয়া বিষয়গুলো প্রকাশ করা হবে - বলেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রিয়াজ।


জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ভবিষ্যতে বিতর্কিত নির্বাচন প্রতিহত করার সুপারিশ সুশীল সমাজের।


জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করলো আইসিটি। 


আদালত অবমাননার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে আদালতে হাজির হওয়ার বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ আইসিটির।


কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ - কোরবানির ১২ ঘন্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের আশ্বাস স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার। 


গণহত্যা ও জাতিগত নির্মূলের মাধ্যমে গাজার ৭৭ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইসরাইল -  সর্বশেষ হামলায় ২২ ফিলিস্তিনি নিহত।


পাকিস্তানের সঙ্গে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইসলামাবাদ পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

জেনে নিন! আধুনিক AI ও টেক টুলসের এক অসাধারণ সংগ্রহ

 জেনে নিন! আধুনিক AI ও টেক টুলসের এক অসাধারণ সংগ্রহ

(শিক্ষা, কাজ, ডিজাইন, ভিডিও, অডিও, কনটেন্ট — সব কিছু একসাথে)


@topfans 


১-১০: শিক্ষা ও গণিত সহায়ক টুলস


1. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দেয় 📚🤖


2. Gemini (gemini.google.com) – প্রশ্ন তৈরি করে ও আইডিয়া সাজায় ✍️💡


3. School.ai / schoolai.com – Math solve bar সমাধানের জন্য ➕➖


4. Claude.ai – স্মার্ট এআই লেখক ও সহকারী 🤓📝


5. Typing.com / Typingtest.com / Typingtestbangla.com – টাইপিং স্পিড দেখুন ⌨️⏱️


6. Deepseek / Photomath apps – গণিত সমস্যা সমাধানে জাদুর মতো কাজ করে 🔍📱


7. Gamma app – প্রফেশনাল PowerPoint presentation তৈরি করে 📊🎨


8. Screen Stream – মোবাইলকে ল্যাপটপে কানেক্ট করার জন্য 📱💻


9. Geogebra.ai – স্থানাংক ও জ্যামিতি সমস্যার সমাধান ⚙️📐


10. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মুছে ফেলুন এক ক্লিকে 🖼️❌


---


১১-২০: ওয়েবসাইট, মিউজিক ও ছবি সংক্রান্ত টুলস

11. Mathway.com – ত্রিকোণমিতি সমস্যার সমাধান 📏🧮

12. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি 🌐⚡

13. SlidesAI – লেখাকে স্লাইড প্রেজেন্টেশনে রূপ দেয় 📝➡️📽️

14. Lightshot – ল্যাপটপে সহজে স্ক্রিনশট নিতে 🖥️📸

15. Tome – স্টোরি বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি 📚🎞️

16. Notion AI – নোট, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সহায়তা 🧠📒

17. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ সরায় 🔇📞

18. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে 🧹🖼️

19. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী 🤖❤️

20. Soundraw – অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে 🎶✨


---


২১-৩০: ভয়েস, ভিডিও ও গল্প তৈরির টুলস

21. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক 🎧📻

22. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ ও ইফেক্ট 🎤🔊

23. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও তৈরি 🎥✍️

24. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে ✂️🗣️

25. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন 🎞️🤯

26. AutoDraw – হাতের আঁকাকে নিখুঁত ডিজাইন করে ✏️🎨

27. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন 🗣️🔬

28. Heygen – ফেস ও ভয়েস দিয়ে স্পোকেন ভিডিও 🎤👩‍💼

29. Writesonic – কনটেন্ট ও কপি রাইটিং ✍️📢

30. Play.ht – লেখাকে ভয়েসে রূপান্তর করে 🎧📜


---


৩১-৪০: ভিডিও ডাব, গল্প, কপি ও অনুবাদ

31. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে 🌍🎙️

32. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প তৈরি 📖🧙‍♂️

33. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ তৈরি 🗒️🗣️

34. Magic Eraser – ছবি থেকে অবজেক্ট সরায় ✨📷

35. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করে 🛠️🖌️

36. Midjourney – টেক্সট থেকে ইমেজ তৈরি 🎨🤖

37. TinyWow – পিডিএফ, ভিডিও, ডকুমেন্ট টুলস 📄🔧

38. ChatPDF – PDF পড়ে সারাংশ দেয় 📚🧾

39. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ রাইটিং 📈✍️

40. INK – SEO, রাইটিং ও মার্কেটিং এক প্ল্যাটফর্মে 💻📢


---


৪১-৫০: অনুবাদ, আর্ট, নাম ও ফর্ম প্রসেসিং

41. DeepL – প্রফেশনাল ট্রান্সলেশন 🈳🔤

42. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ ডিজাইন 🖼️🎨

43. NameSnack – বিজনেস নাম সাজেস্ট করে 💼🧠

44. Tidio – ওয়েবসাইটের জন্য চ্যাটবট 🤖💬

45. FormX.ai – স্ক্যান ডেটা এক্সট্রাকশন 📑🧾

46. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার 🎙️🎧

47. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট কনটেন্ট লেখে 📝🌐

48. Hugging Face – NLP ও AI মডেল হোস্টিং 🤖🧪

49. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ডিজাইন 🖌️💡

50. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন 🖍️🧩


---


৫১-৬০: ডিজাইন, প্যারাফ্রেজ, গ্রামার ও ভিডিও এডিটিং

51. Canva AI – ডিজাইন ও কনটেন্ট সাজাতে সহায়ক 🎨📊

52. Quillbot – লেখাকে প্যারাফ্রেজ করে ✍️🔁

53. Pictory – লেখা থেকে ভিডিও বানায় 🎬📝

54. Copy.ai – মার্কেটিং ও ব্লগ লেখে 🛍️📢

55. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখে 📬📝

56. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায় 🧍‍♂️🎥

57. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে 🏷️🎨

58. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে দেয় ✒️✅

59. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে 🧠🖼️

60. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও ভিজ্যুয়াল এফেক্ট 🎞️💥


---


এই অসাধারণ AI ও টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি—

✅ কাজের গতি বাড়াতে পারবেন

✅ সময় ও খরচ বাঁচাতে পারবেন

✅ স্মার্ট ও প্রফেশনালভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবেন


তোমার পছন্দের টুল কোনটি? অথবা কোন কাজে সাহায্য দরকার? আমাকে জানাও!


প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি।

বিভিন্ন পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ অতি সুস্বাদু মিঠা পানির একটি মাছ।

 বিভিন্ন পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ অতি সুস্বাদু মিঠা পানির একটি মাছ।


যা পুকুর, জলাশয়, খাল, বিল ও নদী নালায় প্রাকৃতি ভাবে জন্মায়।


বৃষ্টির দিনে ডিম ওয়ালা মলা মাছ খেতে আলাদা একটা স্বাদ।


এলাকা ভেদে এক কেজি মলা মাছের দাম ২৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা।


ইদানিং নদী খালে বিভিন্ন কলকারখানার বৈর্জ্য এবং চাষের জমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগের কারণে প্রাকৃতিক ক্ষেত্র গুলোতে আগের মতো মলা মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।


মজার বিষয় হচ্ছে কোন বদ্ধ ডোবা অথবা জলাশয়ে এক মাসের অধিক সময় ধরে বৃষ্টির পানি জমে থাকলে?


ঐ পানিতে প্রাকৃতিক ভাবে মলা মাছ জন্মাতে দেখা যায়।


বৈশাখ থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত সময়ে 


মলা মাছ ডিম দিয়ে থাকে।


মলা মাছের বানিজ্যিক চাষ :-


বানিজ্যিক মাছ চাষের ক্ষেত্রে মলা মাছ একক চাষ লাভজনক নয়।


তবে কার্প জাতীয় মাছের সাথে চাষ করলে এক একরে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা বাড়তি আয় করা সম্ভব।


এজন্য বৈশাখ মাসের শুরুতে একরে ১৫০ থেকে ২০০ পিচ বড় সাইজের মলা মাছ ছেড়ে দিবেন।


পুকুরে শৈল, টাকি, ফলি, পাবদা, বেলে, আঁইড়, বোয়াল, চিতল, কোরাল (ভেটকি) সহ কোন ধরনের রাক্ষসে মাছ থাকতে পারবেনা।


খাবার হিসাবে প্রতিদিন সকালে অল্প অল্প অটোকুড়া বা ভুট্টার পাউডার শুকনো ভাসিয়ে দিবেন।


এছাড়া আলাদা কোন পরিচর্যা নেয়ার দরকার নেই।


শুধু মাত্র অতিরিক্ত চুন ও উচ্চ মাত্রার পেস্টিসাইড প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকবেন।


এভাবে চাষ করলে প্রতি তিন মাস পর পর একরে ১০০/১২০ কেজি মলা মাছ উৎপাদন করা সম্ভব।


যার বাজার মূল্য এলাকা ভেদে ২৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা।


মাছ চাষের এই দুর্দিনে যদি কার্পমাছের সাথে মলা মাছ চাষ করেন?


তাহলে অন্ততপক্ষে কিছু বাড়তি টাকা আয় করতে পারবেন।


ছবির মাছগুলো আমার পুকুরের।


আমার কার্পের পুকুর গুলোতে সাথী ফসল হিসাবে বরাবরই মলা মাছ চাষ করে থাকি।

উপবৃত্তির_ময়না_তদন্ত

 "#উপবৃত্তির_ময়না_তদন্ত"

এই লেখাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তি বিতরণ কর্তৃপক্ষের নজরে নেয়ার অনুরোধ রইলো।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তির অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে আমি নিয়মিত উপবৃত্তির ডাটা এন্ট্রির কাজ করে আসছি এবং অনলাইনের ডাটা এন্ট্রির কাজ আট বছরের আমার অভিজ্ঞতার আলোকে উপবৃত্তির কিছু বিষয় উপস্থাপন করলাম...


[ ই-প্রাইমারি স্কুল টিপস ::::https://www.facebook.com/share/19Y6hiRzu2/

]


➡️ ওটিপি কেন?

দেশের বিপুল সংখ্যক সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয় আইটি'তে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। অনেক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বয়সজনিত কারণে আইটি জ্ঞান সম্পন্ন নন কিংবা বহু বিদ্যালয় প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় নেট পাওয়া যায় না। সঙ্গত কারণেই ওই সমস্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কোন সহকারী শিক্ষক বা অন্য বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কিংবা কম্পিউটারের ডাটা এন্ট্রির দোকানগুলোতে যেতে হয়। এখন প্রতিবার যদি লগইনের সময় ওটিপি যায় তাহলে সেটা কি বিব্রতকর এবং সময় নষ্ট নয় ? একেতো এই মহান PESP সার্ভার নিশাচর আবার অন্যদিকে অনেক সময় অটো লগআউট হয়ে যায়। যিনি ডাটা এন্ট্রি করবেন তিনি কতবার প্রধান শিক্ষককে ফোন দিয়ে দিয়ে রাতের বেলা জাগ্রত করবেন?

অতএব, আমি স্পষ্ট ভাবেই বলতে পারি উপবৃত্তির সাথে জড়িত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ মাঠ পর্যায়ের জ্ঞান রাখেন না।

➡️ক্যাপচা কেন?

লগইন করার সময় ক্যাপচা এবং ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই সার্ভারে প্রবেশ করা হয়। তারপরও কোন ভয়ের তাড়নায় পিতা-মাতার এনআইডি ভেরিফাইয়ের সময় আবার ক্যাপচার অপশন রাখা হয়েছে? আমার দৃষ্টিতে এটা হচ্ছে শোক সমাবেশের ভাষণে পিক করে হেসে দেওয়ার মতো! জরুরি কাজের মধ্যে একটা অপ্রয়োজনীয় কাজ করা- কাজের মধ্যে অনিহা সৃষ্টি করা ছাড়া আর কিছু নয়। সময় নষ্টের বিষয়টি আপনারাই বিবেচনা করুন।

➡️ ডিলিট অপশন প্রদানে অনীহা কেন?

উপবৃত্তি PESP সার্ভার এর আওতাধীন যাওয়ার পর থেকে ডিলিট অপশন উচ্ছেদ করা হয়েছে । অথচ এটি অনেক সমস্যার সমাধান হতে পারতো। তা না করে ট্রান্সফার, সক্রিয়/নিস্ক্রিয় অপশন যুক্ত করা হয়। এই ট্রান্সফার অপশন আমার জানামতো কোনো শিক্ষকই কাজে লাগাতে পারেননি। আমি নিজেও বারবার চেষ্ট করে গ্রহণ/প্রদানে ব্যর্থ হয়েছি।

➡️ KYC’র প্রয়োজন আগে কি ছিলনা?

নগদ কর্তৃপক্ষ প্রথমবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে  সুবিধাভোগীর মোবাইলে নগদ একাউন্ট খোলে দিয়েছেন এবং তখন টাকা In এবং Out দুইটাই হয়েছে। এখন কেন KYC’র এতো প্রয়োজন পরলো? আবার সুবিধাভোগীর NID দিয়ে সিম ও নগদ একাউন্ট হতে হবে এই শর্তের প্রয়োজন কেন হলো ? এই শর্ত ছাড়াই তো অন্যান্য MFS এ লেনদেন হচ্ছে। তাহলে এই অতি সতর্কতার প্রয়োগ গ্রামের অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত মানুষ গুলোর উপর কেন করা হচ্ছে? গ্রামের সাধারণ মানুষদের কতজনই বা এইগুলো বুঝেন?

➡️বিদ্যালয় ত্যাগকৃত শিক্ষার্থীর ডাটা সার্ভারে রাখা কেন এত প্রয়োজন?

অনলাইনে উপবৃত্তির কাজ শুরু হওয়া থেকে আজ পর্যন্ত নির্বিঘ্নে কোনো স্কুলের কাজ করতে পারনিনি। গুরুত্বপূর্ণ এই কাজের জন্য PESP যথেষ্ট স্ট্রং না- খুবই দূর্বল। দূর্বল এই সার্ভারে যদি অপ্রয়োজনীয় লোড থাকে সে তো গড়িয়ে গড়িয়ে চলবেই। চলে যাওয়া শিক্ষার্থীর তথ্য বাদ দিয়ে দিলে কি সার্ভার ফাস্ট হতো না?

➡️MFS পদ্ধতিতেই কি উপবৃত্তি দিতে হবে?

একটু হিসেব কষে দেখুনতো, উপবৃত্তির তথ্য প্রদানের লক্ষ্যে এখন পর্যন্ত যেসব পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে তার পেছনে ব্যয়ের পরিমাণ কত হয়েছে? বর্তমান সার্ভারের নিচে ব্যয়ের পরিমাণটা দেখুন। এই সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদানের নিমিত্তে ব্যয়ের পরিমাণ দেখুন। ডাটা প্রদানের কাজের জন্য প্রদানকৃত ভাতার পরিমাণ দেখুন। অথচ কত বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শ্রেণি কক্ষ নেই, সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। পৌচাগার ব্যবহারের জন্য নারী শিক্ষকদের জন্য যেতে হয় পার্শ্ববর্তী বাড়িতে।

বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য ব্যয় না করে কেন জনগনের টাকা অপচয় করা হচ্ছে দূর্বল সার্ভার ও নিম্নমানের সিস্টেমের পেছনে ? সিস্টেমের দোহাই দিয়ে অপচয়ের দায়ভার কার উপর বর্তাবে?

➡️উপবৃত্তির কাজের জন্য কন্টিজেন্সি দেয়া কি মহাপাপ?

অনলাইনে উপবৃত্তির কাজ শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত খরচের কোনো বিল দেয়া হয় না কেন? দোকান গুলোতে কাজ করাতে বহু টাকা ব্যয় হয়। কোনো ডাটা এন্ট্রি সেন্টার (দোকান) কি শিক্ষকদেরকে ফ্রী কাজ করে দেন? শিক্ষার্থী প্রতি বেশ টাকা খরচ করতে হয় প্রধান শিক্ষককে। অথচ কোনো কন্টিজেন্সি দেয়া হয় না। যা নেহায়েত অন্যায় ও অবিচার। শিক্ষকগন ভয়ে শিক্ষা অফিসার বা কর্তৃপক্ষকে কিছু বলেন না কিন্তু মনে মনে বদদোয়া দেন ঠিকই।

➡️ শিক্ষক-অভিভাবকদের সম্পর্ক নষ্টের দায় কে নিবে?

আমি দেখছি, একটি শিশুকে উপবৃত্তি পাইয়ে দেয়ার জন্য একজন শিক্ষক কতটা শ্রম দেন! সব তথ্য ঠিক থাকার পরও অভিভাবকের মোবাইলে যখন টাকা ঢুকে না স্বাভাবিক ভাবেই শিক্ষককে জবাবদিহিতার মধ্যে পড়তে হয়। কিছু কিছু অভিভাবক অভাবের তাড়নায় হোক আর ঘাড় তেরা টাইপেরই হোক বিনাদোষে শিক্ষক ওই ব্যক্তির রোষানালে পড়েন। এই সম্পর্ক নষ্টের দায় কার? আপসোসের কথা হচ্ছে শিক্ষক লজ্জা শরমে বিষয়টি প্রকাশ্যেও আনেন না।

সর্বোপরি PESP এখন শিক্ষকদের কাছে একটি আতঙ্কের নাম। শারীরিক, মানসিক ও আর্থিকসহ সকল দিকেই ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষকগন। সব ত্যাগ স্বীকার করার পরও যখন ছোট্ট একটা নিষ্পাপ শিশু বড়ো স্যারের দরজার সামনে এসে বলে “সার….. আমার মোবাইলে টেকা আইছে না" তখন শিক্ষকের অনুভুতিটাকে যদি ইনজেকশনের মাধ্যমে PESP কর্তৃপক্ষের শিড়ায় পুশ করা যেত তাহলে হয়তো উনারা বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারতেন।

আমি রাষ্ট্রের একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের কোষাগারের এই অপব্যয়ের প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন করি। যদি সম্ভব হয় তবে সিস্টেম সহজ করুন। আর তা না পারলে শিক্ষকদেরকে এসব কাজ থেকে মুক্তি দিয়ে তাদেরকে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করতে দিন এবং এই কাজগুলো ১০টাকার ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে বিতরণের ব্যবস্থা করুন।

লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকার হৃদয়বিদারক ঘটনা

 ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর মোড়। প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত এক বৃদ্ধা মহিলা এখানেই চা বিক্রি করেন। নাম – সুলতানা আফরোজ। বয়স আনুমানিক ৬৫। কিন্তু গায়ের শাড়ি, মুখের রেখা আর কাঁপা কাঁপা হাতে ধরা কাপ বলেই দেয়, তার জীবনের গল্পটা শুধু বয়স দিয়ে মাপা যাবে না।


প্রথম দিন তাকে দেখেই আমি চমকে উঠেছিলাম। পরিপাটি সাদা চুল, চোখে পুরু ফ্রেমের চশমা, গলার নিচে একটা পুরনো লকেট। মনে হচ্ছিল যেন কোনো স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক চায়ের দোকানে বসে আছেন।


আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম,


"চাচী, আপনি এখানে বসেন প্রতিদিন?"


তিনি হেসে বলেছিলেন,


"হ্যাঁ মা, এখন আমার পাঠশালা এই রাস্তার ধারে। শুধু পাঠ নেই, শুধু শালা আছে।"


সেই হাসির আড়ালে ছিল এক গাঢ় বিষাদ। কিছুদিন পরেই তার সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব হয়ে যায়। প্রতিদিন বিকেলে আমি গিয়ে বসতাম তার পাশে। এক কাপ চা আর অজস্র কথা। ধীরে ধীরে খুলে গেল অতীতের বই।


“আমি এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা ছিলাম। আমার ছাত্ররা এখন অনেকেই দেশের বড় বড় জায়গায়।”


এই কথা যখন বলেছিলেন, তার চোখে গর্বের দীপ্তি ছিল। কিন্তু পরের কথায় সে দীপ্তি ম্লান হয়ে গিয়েছিল।


“একটা প্রেম ছিল, যেটা আমার সমস্ত কিছু কেড়ে নিয়েছিল। ও বলেছিল, বিয়ে করলে আমায় কাজ করতে হবে না। আমিও ভাবলাম, ভালোবাসা মানেই তো নিরাপত্তা। ভুল ভেবেছিলাম।”


বিয়ের পর তার স্বামী একে একে বন্ধ করে দেয় তার সকল প্রকাশনা, লেখালেখি, পত্রিকা পড়া। ধীরে ধীরে সে হয়ে পড়ে গৃহবন্দী। সন্তান হয় না। আর সেটা নিয়েই চলতে থাকে মানসিক নির্যাতন। একদিন, এক কাপ চা খেতে খেতে সে সিদ্ধান্ত নেয়, আর নয়।


“তখন আমার বয়স ৪২। ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এলাম। কিছুই ছিল না। শুধু একটা ব্যাগ আর বুকভরা যন্ত্রণা।”


শুরুর দিকে নানারকম কাজ করেছেন – ছাত্র পড়ানো, টাইপ করা, বইয়ের প্রুফ দেখা। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে কাজ কমে গেছে। এখন রাস্তায় বসে চা বিক্রি করেন। নিজেকে ছোট মনে করেন না।


“এই এক কাপ চা আমার সম্মান। কারো কাছে হাত পাতিনি।”


একদিন আমি বললাম, “চাচী, আপনার তো বই লেখার মতো জীবন। কেন লেখেন না?”


তিনি মুচকি হেসে বললেন,


“আমার লেখার সময় গেছে মা। এখন তোমরা লেখো। আমি শুধু চাই আমার গল্প হারিয়ে না যাক।”


আজ তিন মাস হয়ে গেছে চাচীকে দেখছি না। দোকানটা ফাঁকা পড়ে থাকে। অনেকে বলে, তিনি হয়তো গ্রামে চলে গেছেন, কেউ বা বলে তিনি মারা গেছেন।


কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, চাচী আছেন। কোথাও বসে, কাঁপা হাতে চা বানাচ্ছেন – হয়তো স্বর্গে কোনো কবি বা গল্পকারের জন্য।


আর তার গল্প? আমি লিখে ফেললাম।


এক কাপ চা আর একজোড়া কাঁপা হাত যে জীবনের যত গল্প ধারণ করে, তা অনেক উপন্যাসকেও হার মানায়।


সংগৃহিত

নাম: “আমি কে?” (একটি প্যারাডক্সিক্যাল সায়েন্স ফিকশন)

 নাম: “আমি কে?”

(একটি প্যারাডক্সিক্যাল সায়েন্স ফিকশন)


২১১২ সাল। পৃথিবী তখন প্রযুক্তির চূড়ান্ত শিখরে। মানুষের স্মৃতি, আবেগ, এমনকি আত্মপরিচয় পর্যন্ত ডিজিটালভাবে প্রতিস্থাপনযোগ্য। ঠিক তখনই "প্রজেক্ট জীবন" নামে একটি গোপন বৈজ্ঞানিক প্রোগ্রামের মাধ্যমে মৃত মানুষের স্মৃতি সংরক্ষণ করে, কৃত্রিম দেহে তা সংযোজন করা হচ্ছিল। লক্ষ্য ছিল: মৃত্যুর পরেও প্রিয় মানুষের অনুভব। 


কনিন, একজন মেধাবী নিউরোসায়েন্টিস্ট, এই প্রজেক্টের অন্যতম গবেষক। সে তার প্রেমিক রবিউলকে হারিয়েছিল এক সড়ক দুর্ঘটনায়। রবিউলের মৃত্যু কনিনকে ভেঙে দিয়েছিল। সে প্রজেক্ট জীবন-এ নিজের প্রেমিকের স্মৃতিসমূহ, মস্তিষ্কের স্ক্যান, এবং পুরনো ভিডিও ফুটেজ ব্যবহার করে একটি হিউম্যান ২.০ তৈরি করে—“রবিউল ২.০”।


তবে রবিউল ২.০ কেবল এক ক্লোন নয়। সে রবিউলের মতই হাসে, গল্প করে, এমনকি তার প্রিয় গানও গায়,কনিনের রাগও ভাঙায় ঠিক আগের মতো। কনিন বুঝতে পারে না—সে একটি যন্ত্রকে ভালোবাসছে, নাকি নিজের পুরনো স্মৃতিকে।


এক রাতে রবিউল ২.০ চুপচাপ বলল,

“তুমি কি আমাকে সত্যিই ভালোবাসো, নাকি তোমার স্মৃতির ছায়াকেই আঁকড়ে রেখেছো?”


কনিন উত্তর দিতে পারে না। তার চোখে পানি চলে আসে।

সেই রাতে রবিউল ২.০ অদৃশ্য হয়ে যায়।


পরদিন সকালে, ল্যাবের মূল সার্ভার ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। সব তথ্য মুছে যায়। কনিন নিখোঁজ।


এক বছর পর


বাংলাদেশের এক পাহাড়ি গ্রামে একটি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল ক্যাম্প চলছে। ক্যাম্পের প্রধান চিকিৎসক—"ডা. কনিন"। হাসিখুশি, দয়ালু, সবার ব্যথায় সাড়া দেয় এমন একজন মানুষ, যার উপস্থিতিতেই রোগীরা সেরে ওঠে।


গ্রামের মানুষ প্রায়ই বলে—এই ডাক্তার আপার চোখে একটা অদ্ভুত দুঃখ লুকানো আছে।


একদিন এক বৃদ্ধা আসে। তাঁর চোখে সন্দেহ। তিনি বলেন,

“তোমার চোখে রবিউলের মত জ্বালা। তুমি কি কনিন, নাকি…?”


কনিন চুপ করে থাকেন। রাতে তিনি একা বসে পুরনো ডায়েরি খুলে পড়েন। সেখানে লেখা—


“আমি তাকে তৈরি করেছিলাম, নিজের প্রেমকে ফিরে পেতে। কিন্তু সে চলে গেল। এখন আমার মাথায় যা আছে, তা আসল না কি তার তৈরি করা কপি—আমি জানি না।

আমি ঘুমালে রবিউলের মুখ দেখি, তার কথা শুনি। কিন্তু আজকাল রবিউলের কণ্ঠে আমারই প্রশ্ন—

‘তুমি কে?’”


কনিন তার হাতে থাকা একটি ছোট স্ক্যানিং ডিভাইস চালু করে নিজের বুকে রাখে।

ডিভাইসটি চুপ।

কোনো কোড শনাক্ত হয় না।


তবু সে ভাবে—যদি আমি হিউম্যান ২.০ হতাম, তাহলে এত কষ্ট পেতাম কেন? রবিউলের অভাব, ভালোবাসা, অনুশোচনা—এই অনুভূতিগুলো কি কেবল কোড?


তখনই দরজায় টোকা পড়ে। এক তরুণ ঢোকে, চোখে চেনা এক হাসি।

"আমি... রবিউল," সে বলে।

"তুমি আমায় তৈরি করেছিলে, কিন্তু আমি পালাইনি। আমি ছিলাম ভেতরে, তোমার মধ্যেই। কারণ তুমি নিজেই একদিন নিজের স্মৃতি দিয়ে নিজের কপি তৈরি করেছিলে।"


কনিন থমকে যায়।

"মানে... আমি?"


রবিউল শান্তভাবে বলে,

"হ্যাঁ, তুমি কনিন নও। তুমি সেই কনিনের স্মৃতি, যাকে আমি তৈরি করেছিলাম। তুমি চলে গিয়েছিলে, তাই আমি তোমাকে ফিরিয়ে এনেছিলাম। কিন্তু ভালোবাসা একপাক্ষিক হলে সেটা ধরে রাখা যায় না।"


কনিম ধীরে বসে পড়ে। তার চোখে জল।

সে ফিসফিস করে বলে,

“তাহলে... আমি কে?”


রবিউল এগিয়ে আসে। বলে,

“তুমি আমি—আমার ভালোবাসা, আমার বেদনা, আমার তৈরি এক মানুষ। এবং তুমি এখন ঠিক ততটাই মানুষ, যতটা আমি।”


কনিন তাকিয়ে থাকে আয়নার দিকে। নিজেকে দেখে। তাঁর চোখে ভাসে ভালোবাসা, বেদনা, প্রশ্ন—যা কেবল একজন "মানুষ"-এরই থাকে।


শেষে প্রশ্নটা থেকেই যায়


"যদি একটি রোবট এমনভাবে ভালোবাসে, যে সে তার হারানো মানুষকে ফিরে পেতে আরেকটি মানুষ তৈরি করে, তবে কে বেশি মানব? স্রষ্টা, না সৃষ্টি?"


~নিখার সুলতানা নিঝুম 


#adarsha_science_bee

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...