এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

 গল্পে গল্পে ইংরেজি শিখুন -❤️❤️Day- 012❤️❤️

 গল্পে গল্পে ইংরেজি শিখুন -❤️❤️Day- 012❤️❤️

গ্রামীণ কৃষি পরিবারের চিত্র

The scenario of rural agricultural family 


In (ভিতরে) a (একটি) quiet (নিঃশব্দ) village (গ্রাম), where (যেখানে) the (টি) sky (আকাশ) was (ছিল) always (সবসময়) wide (প্রশস্ত) and (এবং) the (টি) soil (মাটি) always (সবসময়) brown (বাদামি), lived (বাস করত) a (একটি) small (ছোট) family (পরিবার) of (এর) four (চারজন) — a (একজন) father (বাবা), mother (মা), and (এবং) two (দুই) children (শিশু)।

They (তারা) were (ছিল) poor (গরীব), but (কিন্তু) their (তাদের) hearts (হৃদয়) were (ছিল) full (ভরা) of (এর) love (ভালোবাসা)।

Their (তাদের) only (মাত্র) wealth (সম্পদ) was (ছিল) a (একটি) small (ছোট) piece (টুকরো) of (এর) land (জমি) and (এবং) their (তাদের) belief (বিশ্বাস) in (মধ্যে) hard (কঠোর) work (কাজ)।

The (টি) father (বাবা), Abdul Karim, was (ছিলেন) a (একজন) farmer (চাষি) — not (না) by (দ্বারা) choice (পছন্দ), but (বরং) by (মাধ্যমে) blood (রক্তসূত্রে)।

He (তিনি) woke up (ঘুম থেকে উঠতেন) every (প্রতিদিন) day (দিন) before (আগে) dawn (ভোর), washed (ধুতেন) his (তার) hands (হাত) with (সাথে) cold (ঠান্ডা) water (পানি), and (এবং) walked (হাঁটতেন) barefoot (খালি পায়ে) into (ভিতরে) the (টি) fields (ক্ষেত)।

The (টি) soil (মাটি) was (ছিল) his (তার) life (জীবন)। The (টি) sun (সূর্য) was (ছিল) his (তার) boss (মালিক)। The (টি) rain (বৃষ্টি) — both (উভয়) his (তার) blessing (আশীর্বাদ) and (এবং) fear (ভয়)।

His (তার) wife (স্ত্রী), Rahima, never (কখনোই না) complained (অভিযোগ করতেন না)।

She (তিনি) cooked (রান্না করতেন) rice (ভাত) with (সাথে) salt (লবণ) when (যখন) there (সেখানে) were (ছিল) no (না) vegetables (সবজি)।

She (তিনি) stitched (সেলাই করতেন) old (পুরনো) clothes (পোশাক) again (আবার) and (এবং) again (আবার), turning (পরিণত করে) tears (অশ্রু) into (মধ্যে) patches (জোড়া) and (এবং) pain (ব্যথা) into (মধ্যে) prayer (প্রার্থনা)।

Their (তাদের) son (ছেলে), Ibrahim, was (ছিল) only (মাত্র) 13 (তের) but (কিন্তু) worked (কাজ করত) like (মতো) a (একজন) grown (বড়) man (মানুষ)।

He (সে) plowed (চাষ করত) the (টি) land (জমি) beside (পাশে) his (তার) father (বাবা), carrying (বহন করত) sacks (বস্তা) of (এর) fertilizer (সার) on (উপর) his (তার) shoulders (কাঁধ) that (যা) were (ছিল) too (অত্যন্ত) small (ছোট) for (জন্য) the (টি) weight (ওজন) of (এর) his (তার) childhood (শৈশব)

 (And) তাদের (their) ছোট্ট (little) মেয়ে (daughter), ফাতেমা (Fatema),

লিখত (wrote) কবিতা (poems) আঙুলে (fingers) ধুলায় (dust) রাঙানো (stained) অবস্থায sitting under the neem tree বসে (sitting) নিমগাছের (neem tree) নিচে (under).


যখন (while) দেখত (watching) তার পরিবারকে (her family) জমির (land) সাথে যুদ্ধ (battle) করতে (to) খাবারের (food) জন্য।

এক বছর (One year), ফসল (crops) নষ্ট হয়ে যায় (failed)।

আকাশ (sky) বৃষ্টি (rain) দেয়নি (gave no)।

The land cracked.জমি (land) ফেটে গিয়েছিল (cracked)।

ক্ষুধা (hunger) এসেছিল (visited) একটি ভূতের (like a ghost) মতো।

 


তারা (they) তাদের (their) একমাত্র (only) গরুটি (cow) বিক্রি করল (sold)

চাল (rice) কিনতে (to buy)।

রাহিমা (Rahima) বিক্রি করল (sold) তার (her) সোনার (gold) কানের দুল (earring)

ঔষধের (medicine) জন্য (for)।


কিন্তু (but) একবারও (not once) তারা (they) ভিক্ষা করেনি (did beg 

এক সন্ধ্যায় (one evening), ইব্রাহিম (Ibrahim)

তার বাবাকে (his father) জিজ্ঞেস করল (asked),

"বাবা (Baba), আমরা কি (will we)

সবসময় (always) গরীব (poor) থাকব (be)?”


করিম (Karim) হেসে (smiled) তার (his)

মজবুত (calloused) হাত (hand) ছেলের (son’s) মাথায় (head) রাখলেন (placed)।

“হয়তো (maybe), আমার ছেলে (my son)।

কিন্তু (but) টাকায় (in money) গরীব (poor)

**— সততায় নয় (not in honesty), গর্বে নয় (not in pride)।”

 


সেই রাতে (that night), ফুটো (leaking)

টিনের ছাদের (tin roof) নিচে (under),


তারা সবাই (they all) একসাথে (together) বসে (sat)

এক বাটি (one bowl) চাল (rice) ভাগ করে খেল (shared)।


একটি (one) কেরোসিন বাতি (oil lamp),

আর (and) অসংখ্য গল্প (endless stories)।


কেউ কাঁদেনি (no one cried)।

কিন্তু (but) তাদের চোখ (their eyes) সব বলে দিচ্ছিল (said everything)।

 

বছর কয়েক পরে (years later), ইব্রাহিম (Ibrahim)

একটি বৃত্তি পায় (got a scholarship)


এবং (and) একজন কৃষি প্রকৌশলী (agricultural engineer) হয় (became)।


সে ফিরে আসে (he returned) একই (same) জমিতে (land),কোদাল (spade) নিয়ে নয় (not with),

জ্ঞান নিয়ে (with knowledge)।


অন্যান্য কৃষকদের (other farmers) শেখাতে (to teach)

কীভাবে (how to) ভালো ফসল (better crops) চাষ করতে হয় (to grow)।

 

জমি (land) একই রয়ে গেছে (remained the same)।

কিন্তু পরিবারটি? (But the family?)

তারা (they) ফুটে উঠেছিল (bloomed)

— ঠিক যেমন (like) বৃষ্টির পরে (after rain) ধানগাছ (rice plants)।

 

🟦 15 Important Words 

1. Stained (স্টেইনড) – দাগ লেগেছে

2. Cracked (ক্র্যাকড) – ফেটে গেছে

3. Ghost (ঘোস্ট) – ভূত

4. Beg (বেগ) – ভিক্ষা চাওয়া

5. Calloused (ক্যালাসড) – শক্ত হয়ে যাওয়া (মেহনতের কারণে)

6. Pride (প্রাইড) – গর্ব

7. Scholarship (স্কলারশিপ) – বৃত্তি

8. Engineer (ইঞ্জিনিয়ার) – প্রকৌশলী

9. Knowledge (নলেজ) – জ্ঞান

10. Bloomed (ব্লুমড) – প্রস্ফুটিত হওয়া / উন্নত হওয়া

11. Tin Roof (টিন রুফ) – টিনের ছাদ

12. Oil Lamp (অয়েল ল্যাম্প) – কেরোসিন বাতি

13. Earring (ইয়াররিং) – কানের দুল

14. Rice Plant (রাইস প্ল্যান্ট) – ধানগাছ

15. Dignity (ডিগনিটি) – সম্মান

 

🎯এইভাবে গল্পে গল্পে ইংরেজি শিখতে,পেজে মেসেজ দিন,নামমাত্র মূল্যে পাবেন একটি চমৎকার ই-বই(pdf) 🎯


পড়া শেষে Done বা Completed লিখতে ভুলবেন না। অন্যদের শেখার সুযোগ করে দি, শেয়ার করুন❤️❤️

ঢাকায় যারা থাকেন বা যাচ্ছেন তারা যে সব বিষয়ে সাবধান হবেন!'

 🔴 ঢাকায় যারা থাকেন বা যাচ্ছেন তারা যে সব বিষয়ে সাবধান হবেন!'


১.ফার্মগেটে হঠাৎ দেখতে পেলেন, কতগুলো মানুষ একজন মানুষ কে আঘাত করে চলেছে আর সে আপনাকে বলছে ভাই সাহায্য করেন,আপনি দয়া দেখাতে গিয়ে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলেই বিপদ হতে পারে,ওরা আপনাকে **** সব কিছু নিয়ে যেতে পারে, কারণ তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র


২.ওভার ব্রিজ এর উপর মহিলা কাঁদছে যে,সে যার সাথে দেখা করবে তার মোবাইলে কল দিতে হবে কিন্তু, তাঁর কাছে টাকা নেই বলবে আপনার মোবাইল দিয়ে সেই লোকের নাম্বারে মিসকল দিলেও সে ব্যাক করবে আপনি কল দিলেন তো ফাঁদে পড়লেন,ওরা নিরীহ মানুষ দেখে তাদের নম্বর সংগ্রহ করে ও পরবর্তীতে সেই নাম্বারে কল করে লোভনীয় প্রস্তাব দেয়, রাজী হলে আপনাকে তাঁদের আস্তানাতে নিয়ে ব্লাক মেইল করবে


৩.শাহবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী জ্যামে আটকে আছেন, নানা ধরণের লিফলেট যেমনঃ দুর্বলতা,রোগে, নানা লোভে আপনাকে ফাঁদে ফেলার ব্যবস্থা,

এমন বলে যে রুম ডেট এর ব্যবস্থা আছে


৪.রাস্তায় সুন্দর চোখ এর বোরকা আলি আপনার সাথে কথা বলতে চায়, প্রেমের প্রস্তাব নয়, কিন্তু ইসারা, যে আপনি ভাববেন একটু চেষ্টা করলে কাছে পাবেন, যদি তাই ভাবেন তবে ধরা পড়ার সম্ভাবনা শতভাগ আপনাকে তাঁদের আস্তানায় নিবে, তারপর আর কিছু আপনার করা লাগবে না, সব হারাবেন,মেয়ে দিয়ে ব্লাক মেইল করবে


৫.গাবতলি, সায়েদাবাদ, কিংবা সদরঘাট , মাওয়া, আরিচা, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বসে আছেন, দেখলেন যে বাইরে তাস, লুডু ইত্যাদি খেলছে, কাছে গেলেন কি ফেঁসে গেলেন


৬.যাত্রাপথে অপরিচিত লোক এর সাথে মতবিনিময় করবেন খুবই কম,আপনি যে স্থানে যাবেন সে স্থান যেন আপনার পরিচিত


৭.রেলগাড়ির ছাঁদে চলাচল করা থেকে বিরত থাকবেন, কারণ এক দল ছেলে পাওয়া যায়, যারা রেলের ছাদের উপর থেকে ছিনতাই করে ছাদ থাকে ফেলে দেয়


৮.লঞ্চ এ কম যাত্রী থাকলে উঠবেন না


৯.যারা দ্রুত যাতায়াত এর জন্য স্পীড বোট এ যাতায়াত করবেন তারা টাকা বা মুল্যবান কিছু সাথে নিবেন না কারণ দেখা গিয়েছে যে, এক দল আছে যারা বোট ছাড়ার পর নির্জন স্থানে বোট ভিড়িয়ে ছিনতাই করে আপনাকে নামিয়ে দিতে পারে


১০.হেঁটে যেতে হলে বিভিন্ন বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়া অনুচিত কারণ নেশাখোর ওঁত পেতে থাকে ছিনতাই এর জন্য


এছাড়াও যাতায়াতের সময় এ জাতীয় অন্যান্য ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে,সচেতনতা সৃষ্টিতে শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন...🌬️

ধন্যবাদ💝


#সংগৃহীত

জরুরী সতর্কতা

 জরুরী সতর্কতা: 

আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা  COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।


১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:


i) কাশি নেই।

ii) জ্বর নেই।

বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—

iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।

iv) মাথাব্যথা।

v) গলাব্যথা।

vi) পিঠে ব্যথা।

vii) নিউমোনিয়া।

viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।


২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।


৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।


৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।


এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।


৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।


এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।


৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।


এই COVID-Omicron XBB "ওয়েভ" প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।


সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।


✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।

✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।

✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।


ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

শুনতে মিষ্টি কোনও রূপকথার মতো লাগলেও এটা একেবারে সত্যি! পেঙ্গুইনরাও প্রেম করে

 শুনতে মিষ্টি কোনও রূপকথার মতো লাগলেও এটা একেবারে সত্যি! পেঙ্গুইনরাও প্রেম করে! 🐧💕


পেঙ্গুইন প্রেমে পড়লে প্রিয়জনকে যে জিনিসটি উপহার দেয়, তা হলো—একটি নিখুঁত নুড়ি পাথর। ঠিক যেন আমাদের ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে কেউ কাউকে আংটি দেয়, পেঙ্গুইনের ক্ষেত্রেও এই ছোট্ট নুড়িটি তাদের প্রেমের প্রতীক।


বিশেষ করে আডেলি এবং জেনটু প্রজাতির পুরুষ পেঙ্গুইন, তার প্রিয়তমার জন্য একটি সুন্দর, মসৃণ, গোল নুড়ি খুঁজে বের করে এবং সেটা তার পছন্দের সঙ্গীর সামনে রেখে দেয়। যদি নারী পেঙ্গুইন সেই পাথরটি গ্রহণ করে, তাহলে ধরে নেওয়া হয়—প্রস্তাব গ্রহণ করেছে! এরপর তারা একসঙ্গে বাসা তৈরি করতে শুরু করে।


পেঙ্গুইনদের বাসা হয় সাধারণত বরফ বা পাথুরে জায়গায়, আর নুড়ি দিয়ে তারা ডিম রাখার জন্য একটি উঁচু বাসা বানায়। এই বাসা ডিমকে ঠান্ডা বরফের পানির সংস্পর্শ থেকে রক্ষা করে। তাই নুড়ি শুধু প্রেমের প্রতীক নয়, বাসা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানও বটে।


এই তথ্যটি শুধু ভাইরাল গল্প নয়—বিখ্যাত প্রাকৃতিক ইতিহাসবিদ Sir David Attenborough তাঁর ডকুমেন্টারি “The Life of Birds” ও “Frozen Planet”-এ পেঙ্গুইদের এই আচরণ তুলে ধরেছেন।


তাই কেউ যদি আপনাকে একটা সুন্দর পাথর উপহার দেয়, হালকা হেসে বলবেন— "তুমি কি তাহলে আমার পেঙ্গুইন?" 😄💖

#PenguinLove #NatureIsCute #পেঙ্গুইনেরপ্রেম

রসায়নের এক বিশেষ নিয়মে অবলোহিত আলো ফেলেই ক্যানসার কোষ নির্মুল করেছেন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল।

রসায়নের এক বিশেষ নিয়মে অবলোহিত আলো ফেলেই ক্যানসার কোষ নির্মুল করেছেন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল।


গল্পের নায়ক অ্যামিনোসায়ানিন নামের এক রঞ্জক। শরীরের ভেতর ছবি তুলতে হাসপাতালে হরহামেশাই এই রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।


যখন এই রঞ্জকের ওপর অবলোহিত আলো ফেলা হয়, এর পরমাণুগুলো উচ্চ কম্পাঙ্কে কাঁপতে থাকে। সেকেন্ডে এক ট্রিলিয়ন বার! পরমাণুর এই কম্পনেই ক্যানসারের কোষগুলো ছিঁড়ে যায়। তবে আশেপাশের সুস্থ কোষগুলোর কোনো ক্ষতি হয় না।


ল্যাবে এই পদ্ধতিতে মানবদেহে ৯৯% স্কিন ক্যানসার ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। ইঁদুরেরও টিউমার সেরে উঠেছে এই প্রক্রিয়ায়।


নেই কাটাছেঁড়ার ঝামেলা, নেই কেমোথেরাপির ঝুঁকি। আবার অ্যামিনোসায়ানিনও FDA কর্তৃক অনুমদিত। ফলে নিঃসন্দেহে ক্যানসার চিকিৎসায় বিল্পব এনে দিতে পারে এই পদ্ধতি।  বিজ্ঞানপ্রিয়।

বিবাহিত ব্যক্তিরা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন) --------তাদের জন্য বেশি জরুরি------

 (বিবাহিত ব্যক্তিরা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন)

--------তাদের জন্য বেশি জরুরি----------- 


সন্তান জন্মের পর আমাদের দেশের বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে। ২ জন বা ৩ জন বাচ্চা হলে তো কথাই নেই। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হয়ে যায় ভাইবোনের মতো। বাচ্চার পিছনে দৌড়ে দৌড়ে, সংসারের কাজ করে করে স্বামীর সাথে রোমান্টিক সম্পর্কের মুড আর থাকেনা। সম্পর্কে শুরু হয় তিক্ততা। 


১/এদিকে দেশীয় কালচারে বাচ্চা নিয়ে ঘুমানো প্রায় সব পরিবারেই দেখা যায়। বাচ্চার বয়স ৫/৬/৭ কিন্তু মা বাবার সাথে ঘুমায়। যেখানে আড়াই বা তিন হলেই বাচ্চাকে আলাদা করে দেয়া উচিত। কারণ এরপর বাচ্চারা বুঝতে পারে অনেক কিছুই। রাতে ঘুম ভেংগে সে মা-বাবাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখলে তার মনে যেমন প্রশ্নের উদ্রেক হবে, তেমনি উল্টোদিকে বাচ্চার সাথে একসাথে শোবার কারণে দাম্পত্যে বিঘ্ন তৈরি হয়। 


২/বাচ্চার বয়স আড়াই বা তিন হলেই তাকে আলাদা করে দিন। বাচ্চা কিন্তু কষ্ট পাবেনা, কষ্ট পাবেন আপনি, বাচ্চা দূরে সরে যাবে মনে হবে। কিন্তু না, আসলে বাচ্চা দূরে সরে যায়না। এটা বাচ্চার ভালোর জন্য, আপনাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। 


৩/বাচ্চার জন্য আলাদা বিছানা রেডি করুন। ওর রুমটাকে ওর পছন্দ মতো সাজিয়ে দিন। রাতে গল্প শুনিয়ে বা বই পড়িয়ে ওকে ঘুম পাড়ান। ঘুমিয়ে গেলে চলে আসুন আপনার রুমে। ও আপনার অনুপস্থিতি টেরও পাবেনা। রাতে ও উঠতে পারে এই ভয় থাকলে একটা বেবি মনিটর কিনে নিন, দাম বেশি নয়। ওর মাথার কাছে মনিটর রেখে রিসিভার আপনার নিজের বালিশের কাছে রাখুন। রাতে উঠলে আপনি সাথে সাথে টের পাবেন, যেমনটা পেতেন আপনার সাথে ঘুমালে। আপনি তো জানেনই সকালে কখন উঠে। তার একটু আগে গিয়ে ওর সাথে শোবেন। ও ঘুম হতে উঠেও আপনাকে পাবে। রাতে যে আপনি ছিলেন না, তা ও বুঝবেইনা। 


৪/দ্বিতীয় সন্তান হলে বেশীরভাগ মায়েরা প্রথম সন্তানকে অবহেলা শুরু করে। সব আদর যেন ছোটজনের জন্য, অথচ সে আদরের কিছুই বোঝেনা। আর যে বোঝে সেই বড়জনকে কথায় কথায় ডাক দেয়া, বকা দেয়া চলতে থাকে। মাইর( পিটন) কথা তো বাদই দিলাম। স্বাভাবিকভাবেই তার মনে ছোট বাচ্চাটার প্রতি বিদ্বেষ সৃষ্টি হয়। ভাবে, ও না থাকলেই ভালো হতো, মা আদর করতো। অথচ মায়ের উচিত এই সময়ে বড়জনকে বেশি করে সময় দেয়া, আদর করা। বড়জনকে বোঝানো তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা একটুও কমেনি। আপনি আর আপনার স্বামী দুজনেরই দায়িত্ব এটা। 


৫/দু বাচ্চার মাঝে তুলনা করবেন না। কারণ তারা দুজনই সম্পুর্ন আলাদা মানুষ।  দুই বাচ্চার জন্য আলাদা নিয়ম বানাবেন না। একজনকে মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াবেন, আরেকজনকে বলবেন খাওয়ার সময় নো ডিভাইস (মোবাইল), তাহলে তো হবেনা। দুজনের বেডটাইম যেন এক হয়। কোনো জিনিস কিনলে একজনের জন্য নয়, দুজনের জন্যই কিনবেন। 

ছোটটির বয়স যখন আড়াই হবে তখন ওকেও আলাদা করে দিন, বড়জনের সাথে। দুজন একসাথে ঘুমুবে বা একই রুমে দুটো বিছানায়। 


৬/দিনে এক হতে দেড়ঘন্টা আলাদা করে রাখুন যখন পরিবারের সবাই মিলে সময় কাটাবেন। হাসি আনন্দ করবেন। বাচ্চাদের সাথে স্বামী স্ত্রী একসাথে খেলবেন। নিজের পার্টনারের দিকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকাবেন। মেজাজ যদি বেশি খারাপ থাকে অকারণে, সরে যান প্রিয় মানুষগুলোর কাছ হতে তাদের আঘাত করার আগেই। আলাদা রুমে বা বারান্দা বা ছাদে গিয়ে মেডিটেশন করুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে কারণে আপনার মেজাজ খারাপ তা কতটা যুক্তিযুক্ত। গভীর নিঃস্বাস নিন। মন খারাপকে ছড়িয়ে দিন বাতাসে। 


সংসার তৈরি হয় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে। সংসারের কাজ করতে করতে এই মানুষগুলোই যেন অবহেলিত না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। ভালোবাসার সম্পর্কগুলো অটুট থাকুক। 

কলমে :আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ.

টাকাই সবকিছু নয় —

 টাকাই সবকিছু নয় — এই কথা বলা যত সহজ, বাস্তবে মানা ততটাই কঠিন। এই সমাজে টাকা ছাড়া কোনো মানুষের অস্তিত্বই স্বীকৃত নয়। যার হাতে টাকা নেই, তার কণ্ঠস্বর শোনা হয় না, তার দুঃখ-ব্যথা অনুভব করা হয় না।


একজন মানুষ যখন অর্থহীন হয়ে পড়ে, তখন শুধু তার প্রয়োজনগুলোই অপূর্ণ থাকে না, সাথে সাথে সমাজ তার উপর ছুঁড়ে দেয় অবহেলার, অবজ্ঞার আর অপমানের তীক্ষ্ণ বাক্য।


টাকা না থাকলে আপনি আপনার স্ত্রীর শখ পূরণ করতে পারবেন না, আপনার সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে পারবেন না, আপনার মা-বাবার শেষ বয়সে চিকিৎসাটুকু পর্যন্ত করাতে পারবেন না।


টাকা না থাকায়, অনেক বাবা-মা বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। অনেক মানুষ নিজের স্বপ্ন ছুঁতে না পেরে আত্মহত্যা করে, কেবল টাকার অভাবে।

টাকা না থাকলে আপনি যতই ভালো ব্যবহার করুন না কেন, কেউ মূল্য দেবে না। আপনি যতই সম্পর্ক ধরে রাখতে চান, শখের মানুষ আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে। এই সমাজ কেবল তখনই আপনাকে আপন ভাবে, যখন আপনার হাতে টাকা থাকে। আর যদি না থাকে, তখন আপনি তাদের চোখে শুধু একটা ‘বোঝা’।


টাকা ছাড়া সুখ কেনা যায় না, ভালোবাসার মানুষটাকে পাশে রাখতেও টাকা লাগে। টাকা না থাকলে, সময়ের সাথে সাথে সবাই দূরে সরে যায়। কারণ এই সমাজ কআরো স্বপ্ন পূরণের দায় নেয় না। কেউ যদি ভাবে, কিছু মানুষ কেন কেবল টাকার পেছনে ছোটে, তবে সে বোঝে না, যারা টাকার পেছনে ছোটে, তারা জানে অভাবের কষ্ট কতটা গভীর, তারা জানে সন্তানের মুখে একটু হাসি ফোটাতে কতটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়, তারা জানে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, তারা জানে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কতটা যুদ্ধ করতে হয়।


টাকাই কি সব? না, তা হয়তো নয়। কিন্তু টাকাই সেই ভিত্তি, যার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে জীবন, দায়িত্ব, সম্পর্ক, স্বপ্ন আর আত্মসম্মান। যারা বলে টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না, তাদের বোঝা উচিত, সুখ যদি না-ও কেনা যায়, সুখে বাঁচার রাস্তাটা কিন্তু টাকা দিয়েই তৈরি হয়। জীবন শুধু আবেগ দিয়ে চলে না, চলে প্রয়োজন পূরণের সক্ষমতা দিয়ে।

শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫

বাংলা বই vs বিজ্ঞান বই!

 বাংলা বই vs বিজ্ঞান বই!


১. বাংলা বই বলে : সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে পশ্চিমে অস্ত যায়।


ফিজিক্স বই বলে : সূর্য ডুবেও না, ওঠেও নাহ। পৃথিবীটা ঘোরে!


২. বাংলা বই বলে : মানুষের সকল শক্তির আধার হচ্ছে চেতনা ও মূল্যবোধ।


জীববিজ্ঞান বই বলে : মানুষের সকল শক্তির আধার হচ্ছে মাইটোকন্ড্রিয়া!


৩. বাংলা বই বলে : পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় কোণায় পৌঁছে যাক তোমার খ্যাতি।


ফিজিক্স বই বলে : পৃথিবী হচ্ছে কমলালেবুর মতো গোল। এর কোনো কোণা নাই!


৪. বাংলা বই বলে : যারা মানবকল্যাণে কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না, তারা হল অপদার্থ।


রসায়ন বই বলে : কোনো মানুষই অপদার্থ নয়। সকল মানুষই পদার্থ। কারণ মানুষের ভর আছে, জায়গা দখল করে, বল প্রয়োগে মানুষ বাধা প্রদান করে!


৫. বাংলা বই বলে : মানুষকে হৃদয় থেকে ভালোবাসো।


জীববিজ্ঞান বই বলে : ভালোবাসায় হৃদপিন্ডের কোনো ভূমিকা নেই!


কি বই পড়লাম এতদিন! একটার সাথে আরেকটার কোনো মিল নাই!!

আযানের সাথে ইফতারের সম্পর্ক নাই💕💕💕 📌 ইফতার কি আযান হলে করতে হয়? পড়ুন👇👇

 আযানের সাথে ইফতারের সম্পর্ক নাই💕💕💕

📌 ইফতার কি আযান হলে করতে হয়? পড়ুন👇👇


সূর্য ডুবলো নাকি ডুবলো না, তার জন্য আমরা অপেক্ষা করি না। আমরা অপেক্ষা করি আযানের জন্য। কারণ আমাদের ধারণা, আযান হলে ইফতার খেতে হয়। অথচ আযানের সাথে ইফতারের কোন সম্পর্কই নেই।

.

.

রাসুল (ﷺ) বলেছেন, সূর্য যখনই অস্ত যাবে, সায়েম (সিয়াম পালনকারী) তখনই ইফতার করবে।" [বুখারী ২৯৫৪, মিশকাত ১৯৮৫]

.

____________________________

সময় হওয়ার সাথে সাথে শীঘ্র ইফতার করা নবুঅতের একটি আদর্শ। মহানবী (ﷺ) বলেন,

‘‘তিনটি কাজ নবুয়তের আদর্শের অন্তর্ভুক্ত; জলদি ইফতার করা, দেরী করে (শেষ সময়ে) সেহরী খাওয়া এবং নামাযে ডান হাতকে বাম হাতের উপর রাখা।’’ [ত্বাবারানী, মু’জাম, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ২/১০৫, সহীহুল জামেইস সাগীর, আলবানী ৩০৩৮নং]


অথচ, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা সূর্যাস্তের ৩/৪ মিনিট পরে সতর্কতামূলক ইফতার করে থাকি, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর আদেশের স্পষ্ট বিপরীত।

.

____________________________

আদম (আ) এর সময় থেকে শুরু করে সব যুগের সব নবী-রাসুলরাই ইফতার করেছেন বিনা আযানে। আসলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছাড়া কোনো নবী-রাসূলের যুগে তো আযানই ছিলনা।


আযানের সূচনা হয়েছে সিয়াম (রোজা) শুরুর  পরে।

.

বাস্তবতা হচ্ছে , রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাসূল হওয়ারও প্রায় ১০/১২ বছর পরে সালাতের আদেশ পেয়েছেন। এরও কিছুদিন পরে তিনি মদিনায় হিজরত করেছেন। তারও কিছুদিন পরে শুরু হয়েছে আযান। উদ্দেশ্য ছিল একটাই - সবাইকে একসাথে সালাতে আহবান করা, ইফতার খাওয়া নয়।

.

____________________________

আযানের সূচনা প্রসঙ্গে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেনঃ "মুসলমানরা মদিনায় আসার পর একত্রিত হয়ে  নির্দিষ্ট সময়ে সালাত পড়ে নিত। এ জন্য কেউ আযান দিত না।"

.

একদিন তারা ব্যাপারটি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল। তাদের একজন বলল, নাসারাদের নাকূসের অনুরূপ একটা নাকূস (শঙ্খ) ব্যবহার কর। তাদের অপরজন বলল, ইহুদীদের শিঙ্গার অনুরূপ একটি শিঙ্গা ব্যবহার কর। উমার (রাঃ) বললেন, তোমরা সালাতের জন্য আহবান করতে একটি লোক পাঠাওনা কেন?


রাসূল (ﷺ) বললেন,

"হে বিলাল! উঠো এবং সালাতের জন্য ডাক দাও (আযান দাও)।" [গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ ৪/ কিতাবুস স্বলাত হাদিস নম্বরঃ ৭২৩, ইফা]

.

____________________________

বাড়ির পাশের ২/৩ টা মসজিদে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন যে, রমজান মাসে মুয়াজ্জিনরা আগে ইফতার মুখে নেন, তারপরে আযান দেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মুয়াজ্জিনরা কার আযান শুনে মুখে ইফতার নেন ?


আসলে আযান শুনে না, তাঁরা মুখে ইফতার নেন সূর্য ডোবার সাথে-সাথে। মুয়াজ্জিনরা যদি আযান শেষ করে ইফতার করতে যান, তাহলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। প্রায় ২, ৩ বা ৪ মিনিটের ব্যবধান হয়ে যাবে।

.

____________________________

কিন্তু রাসুল (ﷺ) বলেছেন,

"তত দিন মানুষ কল্যানের মধ্যে থাকবে যত দিন মানুষ দ্রুত ইফতার করবে।" [বুখারী ১৯৫৭; মুসলিম ২৬০৮; আহমাদ ২২৮২৮]


সুতরাং কল্যানের মধ্যে থাকতে চাইলে অবশ্যই দ্রুত ইফতার করতে হবে।

.

.

ইন্টারনেটে Sunset Today লিখলেই পেয়ে যাবেন আজকের সূর্যাস্তের সময়। অথবা আজকের সংবাদপত্রেও দেখতে পারেন সূর্যাস্তের সময়।

.

.

____________________________

রাসূল (ﷺ) বলেন, "দ্বীন চিরদিন বিজয়ী থাকবে, যতদিন লোকেরা ইফতার তাড়াতাড়ি করবে। কারন, ইহুদী-খ্রীস্টানরা ইফতার দেরীতে করে" [আবু দাউদ- ২৩৫৩, মিশকাত- ১৮৯৮]

.

.

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজেও সারাজীবন সূর্য ডোবার সাথে-সাথে দ্রুত ইফতার করেছেন। তারপর আযান হয়েছে, তারপরে সালাতে গিয়েছেন। পক্ষান্তরে পূর্ব সতর্কতামূলক ভাবে মুয়াজ্জিনদের দেরী করে আযান দেওয়া বিদআত। [মু’জামুল বিদা’ ২৬৮পৃঃ]

.

____________________________

অতএব দেখার বিষয় হল সূর্যাস্ত; আযান নয়। সুতরাং রোযাদার যদি দেখে যে, সূর্য ডুবে গেছে কিন্তু মুয়াজ্জিন এখনো আযান দেয়নি, তাহলেও তার জন্য ইফতার করা বৈধ। [আশ্শারহুল মুমতে’ ৬/৪৩৯]

.

আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সূর্য ডোবার সাথে-সাথে ইফতার করে কল্যাণের মাঝে থাকার তৌফিক দান করেন।

এত দলিল দেওয়ার পরেও যদি কারো সন্দেহ থাকে নিচের লিঙ্কটিতে হাত দাও একটি ভিডিও আছে ভিডিওটি দেখো। 

https://www.facebook.com/share/r/1FENNduXNQ/?mibextid=oFDknk


▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂

রোগের ভিন্নতায় জিহ্বা নানা বর্ণ ধারণ করে।

 👅 জিহ্বার রঙ বলে দেবে আপনি সুস্থ না অসুস্থ। রোগ নির্ণয়ে জিহ্বা একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা দেখে 👩‍⚕️ চিকিৎসকরা সহজেই রোগের লক্ষণ বুঝে ফেলেন। 

📌রোগের ভিন্নতায় জিহ্বা নানা বর্ণ ধারণ করে। 

দিনের আলোয় জিহ্বার রঙ দেখা সবচেয়ে ভালো। উন্নত 🔦 লাইটের মাধ্যমে যে কোনো সময় জিহ্বার রঙ পরীক্ষা করা যায়।  


📌 জিহ্বার রঙ দেখতে হলে খাবার গ্রহণের অন্তত ৩০ মিনিট পর দেখতে হবে। 

🔵 জিহ্বার রঙ পুরোপুরি নীল না হয়ে নীলাভ হতে পারে। সায়ানোসিসের ক্ষেত্রে জিহ্বা নীল বর্ণ ধারণ করতে পারে। 

-আপনার শরীরে অক্সিজেন দ্রুত কমে গেলে জিহ্বা এবং মুখের রঙ নীলাভ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত অক্সিজেন দিতে হবে। 

-এ ছাড়া ফুসফুসের কিছু রোগ যেমন সিওপিডিতে জিহ্বার রঙ নীলাভ হতে পারে। 

-কখনো কখনো কিডনি রোগে জিহ্বার রঙ হালকা নীলাভ হতে পারে। 

🔵 গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের অভাবের কারণে জিহ্বার রঙ ফ্যাকাশে দেখা যায়। 

🔵 জিহ্বার রঙ সাদা হলে শরীরে পানিশূন্যতা থাকতে পারে।  ছত্রাক সংক্রমণ অথবা ভাইরাস জ্বরেও এমন হতে পারে। �🔵 জিহ্বার ওপর সাদা দাগ বা সাদা আবরণ বলে দেয় ওরাল থ্রাশের কথা। ওরাল থ্রাশ এক ধরনের ইস্ট সংক্রমণ। আবার লিউকোপ্লাকিয়া হলেও একই অবস্থা দেখা যেতে পারে। 

-জিহ্বার ওপর ব্যথাযুক্ত মুখের আলসারের কারণে হতে পারে অথবা মুখের ক্যান্সারের কারণেও হতে পারে। 


🔵 জিহ্বার রঙ নীল হলে রোগীর শরীরে অক্সিজেনের অভাব হতে পারে। 


🔵 কালো রঙের জিহ্বা প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া জমা হওয়ার কারণে দেখা দিতে পারে। 

-জেনেটিক কারণেও কালো রঙের জিহ্বা দেখা যেতে পারে। -মাঝে মাঝে অ্যান্টিবায়োটিক এবং গ্যাস্ট্রিকের কিছু ওষুধ সেবনের পর জিহ্বার রঙ কালো হয়ে যেতে পারে। 

-আবার কিছু মাউথ ওয়াশ দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করলে জিহ্বার রঙ কালো হতে পারে। 

🔵 উজ্জ্বল লাল রঙের জিহ্বা দেখা গেলে বুঝতে হবে ফলিক এসিড অথবা ভিটামিন বি১২-এর অভাব থাকতে পারে। 

-এছাড়া স্কারলেট ফিবার এবং শিশুদের ক্ষেত্রে কাওয়াসাকি ডিজিজের ক্ষেত্রে জিহ্বার রঙ লাল হতে পারে। 

-হৃদযন্ত্রের কোনো রোগের ক্ষেত্রে জিহ্বার রঙ লাল হতে পারে। 

🔵 কালো অথবা হেয়ারি টাং ব্যাকটেরিয়ার বংশ বৃদ্ধির লক্ষণ হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের অথবা অ্যান্টিবায়োটিক ও কেমোথেরাপি গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে হতে পারে। 

🔵 হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা হলে জিহ্বার রঙ ধূসর হতে পারে। জিহ্বার উপরিভাগে সাদা আবরণ বেশি হলে সংক্রামক রোগ হতে পারে। আবার কোনো বিষক্রিয়ার কারণে এমন হতে পারে। 

🔵 লিভার এবং পাকস্থলীর কোনো সমস্যা হলে জিহ্বার রঙ হলুদ অথবা হলুদাভ হয়ে থাকে। জিহ্বার ওপর ধূসর আস্তরণ গ্যাস্ট্রাইটিস এবং পেপটিক আলসারের লক্ষণ। 


🔵 জিহ্বার ওপর বাদামি আস্তরণ ফুসফুসের কোনো রোগের লক্ষণ হিসাবে দেখা দিতে পারে। 


🔵 হজমের সমস্যার ক্ষেত্রে জিহ্বার ওপর হলুদ আস্তরণ পড়তে পারে। 


তবে জিহ্বার রঙ যেমনই হোক না কেন, তা দেখে কিন্তু পুরোপুরি একটি রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এটা একটা প্রাথমিক ধারনা মাত্র। ধারনা কোনো রোগ নির্ণয় করতে হলে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে করতে হয়।


সুত্র: যুগান্তর

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...