এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫

ইতিহাসে প্রাচীন ভারতের রাজবংশ  _______পর্ব-১০৩-(ণ)

 ইতিহাসে প্রাচীন ভারতের রাজবংশ 

_______পর্ব-১০৩-(ণ)


ভারতীয় প্রাচীন ইতিহাসে মালাবারের প্রধান ক্রীতদাস জাতি ছিল পুলায়ার,পারয়ার, কুরুভার,চেরুমাস।প্রধান কালেক্টর অনুমান করেছিলেন যে,পুলায়ার এবঙ চেরুমাররা দাস জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক ছিল।বুকানন 1801 সালে বলেছিলেন যে,প্রায় সমস্ত চাষীই দাস ছিল।তিনি আরও বলেছিলেন যে,দাসদের প্রাথমিকভাবে ক্ষেতে শ্রমের জন্য ব্যবহার করা হত এবঙ দাসত্বের মাত্রা ছিল পারয়ার,পুলায়ন এবঙ কুরভানদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ যাদেরকে পশুর মতো কাজ করানো হয়েছিল। চেরুভান এবঙ পুলায়নদের কেনাবেচা করার জন্য শহরে আনা হয়েছিল।1806 থেকে 1842 সাল পর্যন্ত 36 বছরে ক্রীতদাস জনসংখ্যা 65 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।1801 খ্রিস্টাব্দে ড. ফ্রান্সিস বুকাননের অনুমান অনুসারে,মালাবারের দক্ষিণ,মধ্য এবঙ উত্তর বিভাগে 292,366 জন মোট জনসংখ্যার মধ্যে 41,367 জন দাস ছিল।1836 সালে ট্রাভাঙ্কোরে 164,864 জন ক্রীতদাস ছিল,মোট জনসংখ্যা 1,280,668 জন।উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে কেরালায় আনুমানিক 4.25 লক্ষ (425,000) ক্রীতদাস ছিল।তাছাড়া সামাজিক নিপীড়নও দাসপ্রথার অংশ ছিল। তাদের পরিষ্কার পোশাক পরার অনুমতি ছিল না এবঙ তাদের প্রভুদের রাস্তা থেকে দূরে রাখতে হয়েছিল যারা ব্রাহ্মণ ও নায়ার ছিল। মেজর ওয়াকার বলেছিলেন যে,তারা প্রকৃতির কাছে ত্যাগ করা হয়েছিল এবঙ যখন তারা রোগে ভুগেছিল এবঙ কখনও কখনও ধানের ক্ষেতে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল যা তাদের বাত,কলেরা এবঙ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত করেছিল।ক্রীতদাসদের নিম্ন বর্ণের আখ্যায়িত করা হয়েছিল এবঙ শুধুমাত্র সামন্ত কাজের জন্য নিযুক্ত ছিল এবঙ তাদের প্রভুদের কাছ থেকে তাদের দূরে রাখা উচিত এই কলঙ্কটি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল।স্যামুয়েল মাতার উল্লেখ করেছেন যে, এমনকি কাজের ক্ষেত্রেও দাসদের দূর থেকে তদারকি করা হয়েছিল।


ভারতীয় বর্ণপ্রথা দাসদের অস্পৃশ্য হিসাবে রেখেছিল এবঙ তারা অসংখ্য উপ-বর্ণে বিভক্ত ছিল।19 শতকে চেরুমারদের অবস্থা আলাদা ছিল না,1898 সালে কেরালা পত্রিকা লিখেছিল যে,চেরুমার দাসদের তাদের প্রভুদের জন্য উচ্চ শ্রদ্ধা ছিল কারণ উচ্চ বর্ণের লোকেরা তাদের বিশ্বাস করেছিল যে,তারা উচ্চ বর্ণের সেবা করতে জন্ম থেকেই বাধ্য।

_______ চলমান,


জয় ভারত মাতার জয় 🇳🇪

প্রথমে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করুন। কোনমতে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করুন।

 প্রথমে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করুন। কোনমতে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করুন। ন্যূনতম প্ল্যানিং ছাড়াই বাচ্চা পয়দা করুন। এরপর শুরু করুন আসল গেম …


যেহেতু আপনার বেশি টাকা নেই, তাই আপনার সন্তানকে একটি বাল-ছাল স্কুলে ভর্তি করান। সবচেয়ে ভালো হয় সরকারি স্কুল কিংবা হালকা-পাতলা নাম আছে – এমন কোনো স্কুলে ভর্তি করালে। কারণ আপনি যেই সমাজে থাকেন, সেখানে তথাকথিত সরকারি স্কুল কিংবা কিঞ্চিৎ নামী স্কুল একটা স্ট্যাটাসের বিষয় হলেও সেখানে পড়াশোনার নামে হয় না বাল্ডাও। সেখানে শিক্ষকেরা একটা প্রাচীন, ধ্বজভঙ্গ সিলেবাস ধরে পড়ায়; যার মূল উদ্দেশ্য দু’টো। এক, এই শিক্ষকরা যাতে সহজে বেতন নিয়ে বাসায় গিয়ে প্রাইভেট বাণিজ্য করতে পারে। আর দুই, সরকার যেন ভবিষ্যত প্রজন্ম হিসেবে থটলেস, ব্রেইনলেস, কনফিডেন্সলেস গ্রুপ অব স্লেইভস পায়। যাদের পলিটিক্যালি, রিলিজিয়াসলি, ন্যাশনালি ম্যানিপুলেট করা সুপার ইজি। অবশ্যই এমন স্কুলে ভর্তি করবেন, যেন আপনার সন্তান স্কুলের নাম শুনলেই কাঁদে। স্কুলের যে এমন হওয়া উচিত, যে বাচ্চারা সেখানে আগ্রহ নিয়ে যেতে চাইবে – এসব জানার আপনার প্রয়োজনই নেই। উল্টো শিক্ষকেরা ধরে মারধোর, গালি-গালাজ করলে সন্তানকে বলবেন, ঠিকই তো আছে!


এবার শিশুর যে মানসিক বিকাশ দরকার, সেটা সম্পূর্ণ ভুলে যান। ঢাকায় এমনিতেই খেলার জায়গা নেই, তাই সন্তানকে খেলাধুলা করানোর প্রশ্নই আসে না। এছাড়াও যে সকল অ্যাকটিভিটি এ বয়সে ব্রেইনের ক্যাপাসিটি বাড়ায়, স্মার্ট বানায়, সেসব নিয়েও কোন চিন্তাই করবেন না। বাচ্চাদের মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট, আঁকা-আঁকি, বই পড়া, টুক-টাক লেখালিখি তথা যেকোনো প্রকারের ক্রিয়েটিভিটির চর্চা শেখানোকে চোদনামি ভাবুন। তাকে বাসায় একটা ফোন দিয়ে আটকে রাখুন। সোশ্যালাইজিং স্কিল তাতে পুটুম্রা খাক, সেসব মোটেও আপনার মাথা ব্যথা হওয়ার কথা না। 


এরপর একটু বড় হলেই তাকে বোঝান যে সে যদি এ+ না পায়, সমাজে আপনাদের মুখ দেখানোর জায়গা থাকবে না। তাকে চরম প্রেশারে রাখুন। সবচেয়ে ভালো হয় আপনার পরিমন্ডলে থাকা বাচ্চাদের সাথে তাকে প্রায়ই কম্পেয়ার করলে। তাকে বলুন, যে অমুকেও ভাত খায়। তুইও খাস। ও পারে, তুই পারিস না ক্যান? তার সামনে কয়েকটা লক্ষ্য বেঁধে দিন। বলুন যে পৃথিবীর একমাত্র পেশা হচ্ছে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার আর নাহলে বিসিএস ক্যাডার। এগুলো না হতে পারলে জীবনের কোন অর্থ নেই …


তাকে চরম স্ট্রাগল করে মেট্রিক, ইন্টার পাশ করতে দিন। তারপর শুরু করুন গেমের দ্বিতীয় অধ্যায়। তাকে বোঝান, যে পাবলিকে চান্স না পেলে তোমার জীবন শেষ। আপনার সমস্ত চেষ্টার পরও যে যদি ভুলেও কোন হবি বা স্কিল ডেভলপ করে, সেসবকে অপ্রয়োজনীয় বোঝাতে আপনার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যয় করে সেটাকে ধ্বংস করার এটাই প্রকৃত সময়। তাকে ডিপ্রেশন, এনজাইটি, সোশ্যাল অকওয়ার্ডনেস ডেভলপ করতে সাহায্য করুন। তাকে বলুন যে তার পড়াশোনা ও খাওয়ানোর পেছনে কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে, তাকে “এই পর্যায়ে” নিয়ে আসতে আপনার কি পরিমাণ বাল ছিঁড়তে হয়েছে … 


তারপর সে যদি পাবলিকে চান্স পায়, তো ভালো। আর বাই এনি চান্স না পেলে যদি তাকে ন্যাশনাল কিংবা প্রাইভেটে ভর্তি করাতে হয়, তাহলে তাকে প্রতিনিয়ত সে যে কতোবড় অথর্ব, সেটা মনে করিয়ে দিতে ভুলবেন না। ভার্সিটিতে উঠে সে যখন দেখবে তার আশে-পাশের পোলাপান সোশ্যাল স্কিলে অনেক স্মার্ট, ভালো ইংরেজি বলতে পারে, ট্রেন্ডিং স্কিল আছে, ক্রিয়েটিভ স্কিল আছে, মোদ্দাকথা যে যখন লেফ্ট আউট ফিল করবে, তখন তাকে বলুন, মানুষের পোলাপান কতো কিছু পারে, আর তুই?


তাকে বোঝান যে, যেহেতু আপনি গরিব, আপনি জীবনে একটা বালের চাকরি ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি, তাই তাকে ইনস্যুরেন্স পলিসি হিসেবে পয়দা করেছেন। আপনি, আপনার পরিবার, আপনার খানদান যে অর্থনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করেছেন, তা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ যে আপনার সন্তান; এ জিনিসটা তার মাথায় ঢুকিয়ে তাকে প্রেশার দিয়ে পাগল বানিয়ে দিন। ডিপ্রেসড হলে, মাথায় সুইসাইডাল থট আসলে তাকে বলুন যে মোবাইল না টিপলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। 


এভাবে সে কোনমতে ভার্সিটিটা পাশ করা মাত্র শুরু করুন গেমের তৃতীয় অধ্যায়। চাকরি না পাওয়া অবধি সে যে পরিবারের একটা বোঝা, সেটা প্রতিদিন মনে করিয়ে দিন। মানুষের ছেলে-মেয়ে কত এগিয়ে গিয়েছে, কার বেতন কত, কে কত ভালো পজিশনে আছে – এটাকেই বাসার প্রধান আলোচনায় নিয়ে আসুন। তাকে বলুন এন সংখ্যক মাইল হেঁটে, এক্স সংখ্যক কিলোমিটার নদী সাঁতরে আপনারা পড়াশোনা করে “এই পর্যায়ে” এসেছেন। সে “সবকিছু” পেয়েও কেন পারছে না? 


এরপর শুরু করুন গেমের ফাইনাল স্টেজ। 


তাকে বোঝান যে আপনাদের বয়স বাড়ছে। আর বেশিদিন পৃথিবীতে থাকবেন না। সন্তানের বৌ/জামাই দেখতে চান। দাদা-দাদী, নানা-নানী ডাক শুনতে চান। এদিকে তাকে সমাজের বোঝা হিসেবে বড় করায় তাকে যে কেউ পাত্তাই দেয় না, সেটা নিয়ে আপনার ভাবার কোন দরকার নেই। তাকে জোরপূর্বক পাত্র-পাত্রী দেখানো শুরু করুন। অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ বিষয়টা সিস্টেমেটিক। কে কি পাচ্ছে, সেটা অনেকাংশেই মূখ্য। আপনার সন্তানের যে কিছুই দেওয়ার নেই – এই তথ্যটা তখনই তার মাথায় সেট করে দেওয়ার আদর্শ সময়। প্রতিটা চাকরির পরীক্ষা/ইন্টারভিউয়ের আগে তাকে প্রেশারে রাখুন, রেজাল্ট শুনে মুখ কালো করে এমনভাবে “কি সন্তান জন্ম দিয়েছি” বলুন, যেন সে ভাবে বাচ্চা পয়দা করার পরিকল্পনাটা আপনাদের ছিলো না, বরং সে-ই উপর থেকে আপনাদের সিগন্যাল দিয়েছিলো পয়দা হওয়া জন্য। 


এভাবে ধীরে ধীরে আপনার সন্তানের জীবনটা তছনছ করে দিন। 


দেখবেন, প্রচন্ড ভালো লাগবে।


copy post

খাওয়া-দাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া একটি ভুল প্রথা।

 খাওয়া-দাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া একটি ভুল প্রথা।

দাওয়াত হবে ঘুমের জন্য। 


রুম টেম্পারেচার হবে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাউন্ডপ্রুফ রুমে থাকবে আধো আলো আধো অন্ধকারাছন্ন পরিবেশ! সাথে আরামদায়ক বিছানা, বালিশ আর কম্বল। 


টেবিলে কয়েক রকম বালিশ আর কম্বল সাজানো থাকবে। দাওয়াতী লজ্জা লজ্জা কন্ঠে বলবেন, 'কিছুই আয়োজন করতে পারিনি। কম্বল কোনটা নেবেন বলেন!' পাশ থেকে অন্য কেউ অনুরোধের সুরে বলবেন, 

'আরেক পিস বালিশ দেই?'


ঘন্টা কয়েক ঘুমিয়ে বিদায় নেয়ার সময় দাওয়াতী মন খারাপ করে বলবে, ''আপনি তো দেখি কিছুই ঘুমালেন না। পরের বার আসলে কিন্তু অবশ্যই নাক ডাকতে হবে।😌


প্রেগন্যান্ট বোনেরা,নতুন মায়েরা এই পোস্টটার মর্ম  ভালো ফিল করতে পারবে।🙂🙂


.

©

১৫ কেজি গরুর মাংসের কারি - উপকরণ তালিকা

 ✅ ১৫ কেজি গরুর মাংসের কারি - উপকরণ তালিকা


 1. গরুর মাংস – ১৫ কেজি

 2. পেঁয়াজ কুচি – ৪.৫ কেজি

 3. রসুন বাটা – ৪০০ গ্রাম

 4. আদা বাটা – ৪০০ গ্রাম

 5. টক দই – ১ কেজি

 6. কাঁচা মরিচ (চেরা) – ২০০ গ্রাম

 7. শুকনা মরিচ গুঁড়া – ২৫০ গ্রাম

 8. হলুদ গুঁড়া – ২০০ গ্রাম

 9. ধনে গুঁড়া – ২৫০ গ্রাম

 10. জিরা গুঁড়া – ১৫০ গ্রাম

 11. গরম মসলা গুঁড়া – ১০০ গ্রাম

 12. দারচিনি – ৫০ গ্রাম

 13. এলাচ – ৩০ গ্রাম

 14. লবঙ্গ – ২৫ গ্রাম

 15. তেজপাতা – ২০টি

 16. লবণ – স্বাদমতো (প্রায় ৩৫০-৪০০ গ্রাম)

 17. সয়াবিন তেল / সরিষার তেল – ১.৫ থেকে ২ লিটার

 18. ঘি (ঐচ্ছিক) – ২০০ গ্রাম

 19. পানি – পরিমাণমতো (ঝোলের পরিমাণ অনুযায়ী)


🍳 ১৫ কেজি গরুর মাংসের কারি রান্নার প্রণালী


✅ ধাপ ১: প্রস্তুতি

 1. মাংস ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।

 2. পেঁয়াজ কুচি, রসুন, আদা, মসলা সব প্রস্তুত করে নিন।



✅ ধাপ ২: পেঁয়াজ ভাজা

 1. একটি বড় পাত্রে (ডেকচি/কড়াই) তেল গরম করুন।

 2. তাতে তেজপাতা, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ দিয়ে হালকা ভেজে নিন।

 3. এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজুন যতক্ষণ না সোনালী বাদামি হয়।



✅ ধাপ ৩: মসলা ভাজা

 1. ভাজা পেঁয়াজে আদা-রসুন বাটা দিন।

 2. ২–৩ মিনিট নেড়েচেড়ে দিন।

 3. এরপর একে একে শুকনা মরিচ গুঁড়া, হলুদ, ধনে, জিরা গুঁড়া দিন।

 4. অল্প পানি দিয়ে মসলা কষিয়ে নিন যাতে পুড়ে না যায়।

 5. মসলা থেকে তেল আলাদা হয়ে এলে দই ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়ুন।



✅ ধাপ ৪: মাংস দেয়া ও কষানো

 1. এবার মাংস দিয়ে ভালোভাবে মসলার সাথে মিশিয়ে নিন।

 2. মাংস কষাতে থাকুন ৩০–৪০ মিনিট, যতক্ষণ না তেল ছেড়ে দেয়।

 3. ঢেকে দিন ও মাঝে মাঝে নেড়ে দিন।



✅ ধাপ ৫: পানি ও রান্না

 1. প্রয়োজনমতো গরম পানি দিন (ঝোল কেমন চাইছেন তার ওপর নির্ভর করে)।

 2. চাপা দিয়ে মিডিয়াম আঁচে মাংস সিদ্ধ হতে দিন। সময় লাগবে ১.৫–২ ঘণ্টা।

 3. মাংস নরম হলে গরম মসলা ও ঘি দিয়ে ৫–১০ মিনিট ঢেকে রাখুন।



✅ ধাপ ৬: পরিবেশন

 • ভাত, পোলাও বা পরোটা-রুটি—সব কিছুর সাথেই দারুণ লাগে এই মাংসের কারি।

দ্বিতীয় পর্ব  বুধবার ও শনিবার চুল নখ কাটা নিষেধ,  ++++++++++++++++++++++++++

 দ্বিতীয় পর্ব 

বুধবার ও শনিবার চুল নখ কাটা নিষেধ, 

++++++++++++++++++++++++++

শিঙ্গা লাগানো নিষেধ, এই নিষেধ অমান্য করে চুল নখ কাটলে শিঙ্গা লাগালে কুষ্ঠ রোগ হয় হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত। 

যেমন হাদীস শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে,

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من احتجم يوم الا ربعاء ويوم السبت فاصابه برص. 

অর্থঃ- হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি বুধবার ও শনিবার শিঙ্গা লাগাবে, তার শ্বেতকুষ্ঠ রোগ হবে।”

হাদীস শরীফে আরো বর্ণিত রয়েছে,

النهى عن قص الاظفار يوم الاربع فانه يورث البرص.

অর্থঃ- “বুধবার দিনে নখসমূহ কাটা যাবেনা, নিশ্চয়ই ওটা শ্বেতকুষ্ঠ হওয়ার কারণ।”

উল্লিখিত দিন ছাড়া অন্যান্য দিনগুলিতে শিঙ্গা লাগানো, চুল ও নখ ইত্যাদি কাটা যাবে। তবে বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার জুমুয়ার নামাজের আগে চুল ও নখ কাটা উত্তম।

বুধবার ও শনিবার দিনে শিঙ্গা লাগানো জঈফ হাদীসের দ্বারা নিষেধ আছে,

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من احتجم يوم الاربعاء ويوم السبت فاصابه برص.

অর্থঃ- হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি বুধবার ও শনিবারে শিঙ্গা লাগাবে তার শ্বেত কুষ্ঠ রোগ হবে।”

এ প্রসঙ্গে ইমাম জালাল উদ্দীন সুয়ুতী (রঃ) তাঁর লালী ও তা’আক্কুবাত কিতাবে মসনদুল ফিরদাউসে দায়লামী শরীফ হইতে নকল করেছেন,

سمعت ابى يقول سمعت ابا عمرو محمد بن جعفر بن مطر النيشافورى قال قلت يوما ان هذاء الحديث ليس بصحيح فافتصدث يوم الاربعاء فاصابن البرص فرأيت رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم فى النبوم فشكوت اليه حالى فقال اياك والا ستهائة بحديثى فقلت بست يا رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم فا نتبهت وقد عافانى الله تعالى وذالك عنى.

অর্থঃ- আমি আমার পিতার নিকট শুনেছি, তিনি আবু ওমর মুহম্মদ জাফর নিশাপুরীকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন- আমি একদিন খেয়াল করলাম হাদীসখানা সহীহ্ নয়। 

তাই জরুরতবশতঃ বুধবার ও শনিবার দিন আমি শিঙ্গা লাগালাম, অতঃপর আমার শ্বেত কুষ্ঠ হয়ে গেল। এরপর স্বপে¦ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখে আমি আমার অবস্থা সম্পর্কে অভিযোগ করলাম। 

হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সাবধান! আমার হাদীসকে হালকা মনে কর না (হাদীস যদিও জঈফ হয়েছে রাবীর কারণে, তথাপিও আমার নামের সাথে সম্পর্কযুক্ত)।” অতঃপর আমি বললাম,

হে আল্লাহ রাসূল আমি তওবা করিতেছি (আমার অপরাধ হয়েছে। হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ক্ষমা করে দিলেন) অতঃপর আমি ঘুম থেকে জেগে দেখি আল্লাহ্ পাক আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং উক্ত রোগের চিহ্ন মাত্র আমার শরীরে নেই। হযরত ইমাম গাজ্জালী (রঃ) তাঁর আরবাইন কিতাবেও এ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

আল্লামা তাহতাবী (রঃ) হাশিয়ায়ে দুররে মুখতারে বলেন, হাদীস শরীফে আছে,

النهى عن قص الاظفار يوم الاربعاء فائه يورث البرص.

অর্থঃ- হাদীস শরীফে বুধবার ও শনিবার দিন নখ কাটা নিষেধ করা হয়েছে। নিশ্চয়ই এতে শ্বেত কুষ্ঠ হয়।

এ প্রসঙ্গে আল্লামা শিহাবুদ্দীন খাফফাজী মিসরী হানাফী (রঃ) নাসিমুর রিয়াজ ফি শরহে ইমাম কাজী আয়াজ কিতাবে বলেন, 

قص الاظفار وتقليمها سنة وورد النهى عنه فى يوم الاربعاء وانة يورث البرص وحكى بعض العلماء انه فعله قنهى عنه فقال لم يثبت هذا الله فلحقه البرص من ساعته فراى النبى صل عليه وسلم فى منامه فشكى اليه فقال له الم بسمع نهى عنه فقال لم يصح عندى فقال صلى الله عليه وسلم يكفيك انه سمع ثم مسح بدنه بيده الشر يفة فذهب مابه فتاب عن مخالفة ماسمع.

অর্থঃ- নখ কাটা বা ছোট করা সুন্নত।

তবে হাদীস শরীফে বুধবার ও শনিবার নখ কাটা নিষেধ করা হয়েছে, কেননা কাটিলে শ্বেত কুষ্ঠ হয়। বর্ণিত আছে কোন একজন আলেম (ইমাম ইবনুল হজ্ব মক্কী মালেকী (রঃ)) বুধবার দিন নখ কাটলে তাঁকে হাদীস শরীফের বরাত দিয়ে নিষেধ করা হলো। তিনি বলেন, ইহা সহীহ্ হাদীস বলে প্রমাণিত নয়। অতঃপর তাঁর শ্বেত কুষ্ঠ হয়ে গেল। তিনি স্বপে¦ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখে তাঁর অবস্থা সম্পর্কে অভিযোগ করলেন। তখন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বলেন, “তুমি কি এ সম্পর্কে আমার নিষেধ বাণী শুননি?” তিনি বলেন, এই হাদীস আমার নিকট সহীহ্ হিসাবে পৌঁছেনি। 

তারপর হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ঠ ছিল যে, তুমি শুনেছ এই হাদীস আমার নাম মোবারকের সাথে সম্পর্কযুক্ত।” আর হাত মোবারক দ্বারা তাঁর শরীর মসেহ্ করে দিলেন। তৎক্ষণাৎ সেই রোগ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। তৎপর তিনি তওবা করলেন যে, জীবনে আর কখনো হাদীস শরীফের বিরোধিতা করবনা।

উপরোক্ত দু’খানা হাদীস শরীফ দ্বারা এ কথাই বুঝা গেল যে, হাদীস শরীফের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব আরোপ না করলে ভয়ংকর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

প্রথম পর্ব 

https://www.facebook.com/share/p/1A6iwp3jLk/

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ - ১৭-০৬-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ - ১৭-০৬-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু --- জুলাই মাসের মধ্যে 'জাতীয় সনদ' চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে --- মন্তব্য ডক্টর আলী রিয়াজের।


বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশে এখনই জ্বালানির দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের  --- জানালেন অর্থ উপদেষ্টা।


জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর যাত্রা শুরু --- এটর্নি জেনারেল বলেন গণহত্যার বিচার হবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যাতে কোন প্রশ্ন না উঠে।


যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেহরানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ সরকারের --- ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব জানালেন নিরাপদ এলাকায় স্থানান্তর শুরু হয়েছে।


পঞ্চম দিনের মতো ইরান-ইসরাইল পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত --- ইরানের ওপর ইসরাইলি হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিন পিংয়ের ।   


গাজায় ইসরাইলি ট্যাঙ্কের গোলায় খাবারের জন্য অপেক্ষমান কমপক্ষে ৮৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম দিনের খেলা শেষে শান্ত এবং মুশফিকের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৯২।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৭-০৬-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৭-০৬-২০২৫

আজকের সংবাদ শিরোনাম


বিতর্কিত তিনটি জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে জড়িতদের ভূমিকা তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির আগেই গুম বিষয়ক আইন প্রণয়ন করার পাশাপাশি একটি স্থায়ী কমিশন গঠন করা হবে --- গুমের ঘটনা মোকাবিলায় অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে জাতিসংঘ।


রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংলাপ শুরু হচ্ছে আজ।


আগামী তিন বছরের মধ্যে পাঁচ লাখ যুব নারীসহ ৯ লাখ তরুণকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে --- জানালেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।


এডিস মশা ও ডেঙ্গু রোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।


বিদেশিদের দ্রুত তেহরান ছাড়ার আহ্বান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।


এবং গলে স্বাগতিক শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের মধ্যে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটি শুরু হচ্ছে আজ।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ - ১৫-০৬-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ - ১৫-০৬-২০২৫

আজকের সংবাদ শিরোনাম


মঙ্গলবার থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংস্কার নিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংলাপ শুরু করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হলে নির্বাচনের ৬০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। 

 

নির্বাচনের সময় যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে -- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

 

ঈদুল আযহার দীর্ঘ ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ প্রথম কর্ম দিবসে অফিস পাড়ায় ঈদের আমেজ।

 

অবৈধভাবে ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে নতুন করে দুদকের পরোয়ানা জারি।

 

ইসরাইল ও ইরানের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি।

 

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর জুড়ে বিক্ষোভ।

 


এবং মায়ামিতে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে মিশরের আল আহলি ও যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামির মধ্যে উদ্বোধনী ম্যাচ গোলশূন্য ড্র।

সকাল ৭টার সংবাদ তারখ ১৬-০৬-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারখ ১৬-০৬-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


পবিত্র ঈদুল আযহার দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ খুলছে দেশের সব অফিস-আদালত --- প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ। 

 

লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ে জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে --- বললেন আইন উপদেষ্টা।

 

মাঠ পর্যায়ের পুলিশের কাছে থাকবে রাইফেল, থাকবে না কোনো মারণাস্ত্র বা ভারী অস্ত্র ---  জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় সিলেটের জাফলংসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় পাথর উত্তোলনের জন্য আর লিজ দেবে না সরকার, বিকল্প কর্মসংস্থান করা হবে শ্রমিকদের জন্য --- বলেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা।


 সরকারি খাতের কর্মদক্ষতা বাড়াতে বাংলাদেশকে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক।

 

ইরান ও ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত --- ১০টি ইসরাইলি বিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের --- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পরমাণু আলোচনা বাতিল তেহরানের।


 গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ৭৯ ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু --- উদ্বোধনী ম্যাচে মিশরের ক্লাব আল আহলি এখন মোকাবেলা করছে মার্কিন ক্লাব ইন্টার মায়ামির।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৬-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ১৪-০৬-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


যুক্তরাজ্যে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা।


পবিত্র ঈদুল আযহার দীর্ঘ ছুটি শেষে আগামীকাল খুলছে দেশের সব অফিস-আদালত --- প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ।


লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ে জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে --- বললেন আইন উপদেষ্টা।


মাঠ পর্যায়ের পুলিশের কাছে থাকবে রাইফেল, থাকবে না কোনো মারণাস্ত্র বা ভারী অস্ত্র ---  জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় সিলেটের জাফলংসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় পাথর উত্তোলনের জন্য আর লিজ দেবে না সরকার, বিকল্প কর্মসংস্থান করা হবে শ্রমিকদের জন্য --- বলেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা।


ইরান-ইসরাইলের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা অব্যাহত --- ইসরাইলে তিনজন নিহত --- তেল আবিবের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সহযোগিতা করলে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি তেহরানের।


ভারতের আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দুশো ৭০ জনের মরদেহ উদ্ধার।


এবং লর্ডসে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতলো দক্ষিণ আফ্রিকা।

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...