এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

ভী‌‌মের পা‌ন্টির বাংলা অনুবাদ *******

 ভী‌‌মের পা‌ন্টির বাংলা অনুবাদ

***************************

[ ভীমেরপান্টি বাদালস্তম্ভ গরুড়স্তম্ভ মঙ্গলবাড়ীস্তম্ভ ] কথা দিয়ে ছিলাম গরুড়স্তম্ভ’র লিখা গুলোর একটি সরল বাংলা আনুবাদ আপনাদের কাছে উপস্থাপন করব। ছোট্টবেলা থেকে শুনেছি এই লেখাগুলো কেউ পড়তেই পারেনি। গতকাল (০৯ জুন ২০২৫ খ্রিঃ) শেষ বার দেখে আসার সময়ও উপস্থিত দর্শনার্থীরা  ঐ একই কথা বলেন, “এটা কেউ পড়তেই পারেনি!” কথাটি সত্য নয়। ১৭৮০ খ্রিঃ স্যার চার্লস উইলকিন্স এটি আবিষ্কার করেন (স্যার চার্লস উইলকিন্স ”বাদাল কঠির” (নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার ঈসবপুর ইউনিয়নে বাদাল আশেকিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্বদিকে কাচারীভিটা নামে  একটি উচুঁ ডিবি আছে ও সেখানে কুঠিপুকুর নামে একটা পুকুরও বর্তমান।)  অধ্যক্ষ ছিলেন।) তিনি পাথরের এই স্তম্ভটি  দেখতে পাওয়া পর এর লিখাগুলোর পাঠ উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তার সম্পাদনায় ১৭৮৫ সালের ১৪ জুলাই এই স্তম্ভলিপির একটি ইংরেজী অনুবাদ Asiatic Researches কর্তৃক প্রকাশিত হয়। সেখানে লিপিটির মুল ভাষা (সংস্কত) সংযুক্ত করা হয় নাই। নানাবিধ কারনে তাঁর অনুবাদটি প্রশ্নবিদ্ধ হলেও তাঁর চেষ্টা প্রসংসার দাবি রাখে। স্যার চার্লস উইলকিন্স ‘র অনুবাদটি পুনঃবার ১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে এসিয়াটিক সোসাইটির পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল (?)। এর প্রায় একশ বছর পর  দিনাপুরের ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর (বের্তমানের জেলা প্রশাসক পদ মর্যাদা) মিঃ ওয়েষ্টমেক্‌ট এর অনুপ্রেরনায় সংস্কৃত পন্ডিত মান্যবর হরচন্দ্র চক্রবর্ত্তি -র সম্পাদনায় এসিয়াটিক সোসাইটিতে প্রেরণ করলে তা ১৮৭৪ খ্রিঃ প্রকাশিত হয়। একই সাথে শ্রীযুক্ত প্রতাপচন্দ্র ঘোষজ কতৃক লিপিটির ইংরেজী অনুবাদও প্রকাশিত হয়। এই অনুবাদেও বেশ কিছু শ্লোকের অনুবাদ ও আনুষাঙ্গিক বিয়য়ে পন্ডিতগনের মধ্যে সঠিক অনুবাদ হয়নি বলে মতানৈক্য তৈরী হয়। এরপর বিখ্যাত লিপি বিশারদ প্রফেসর কিলহর্ণ  উইলকিন্স, পন্ডিত হরচন্দ্র চক্রবির্ত্তি পাঠটি সংষ্করণ করে ১৮৯৩ সালে (ইংরেজী ভাষায়) Epigraphia India পত্রিকায় পকাশিত হয়। প্রফেসর কিলহর্ণের এই পাঠটি অধিকাংশ পন্ডিতগন গ্রহনযোগ্য বলে মেনে নিয়ে ছিলেন।  কিছু ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হয়, তা নিয়ে বিজ্ঞজনদের সংশয় দেখা দিলে ”বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি”  অক্ষকুমার মৈত্র মহাশয়কে এর একটি বিশুদ্ধ পাঠ সংকলনের  গুরুদায়ীত্ব অর্পণ করেন। দায়ীত্ব প্রাপ্ত হয়ে মৈত্র মহাশয় “গরুড়স্তম্ভ-লিপি” নামে এই স্তম্ভের লিপিগুলোর একটি বাংলা পাঠ সংকলন করে ১৯০৫(?) সালে প্রাকাশ করেন। আমি এসব তথ্য-উপাত্ত্ব অনুসন্ধান করে  এই সংস্কৃত লিপির একটি সরল বাংলা অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি মাত্র। আমার ইচ্ছা ভীমের পান্টি নামে খ্যাত এই স্তম্ভলিপিটির ২৮ টি স্তবকে কি লেখা আছে তা সাধারণ জানুক ও তাদের কৌতুহল মেটাক। 

এখন ধারাবাহিক ভাবে প্রতিটি লাইন ও স্তববকের অনুবাদ প্রকাশ করা হবে। আজকে প্রথম লাইন প্রথম স্তবকের মুল সংষ্কতলিপি পাঠ ও আমার সম্পাদিত সরল বাংলা পাঠ উপস্থাপিত করলাম।


প্রথম স্তবকঃ (মুল সংষ্কৃত ভাষা লিপি)

शाण्डिल्यवंशेभूद्वीरदेव स्तदन्व

पाञ्चालो नाम तद्गीत्रे गर्ग स्तस्मादजायत॥

शक्रः पुरोदिशि पति र्न दिगन्तरेषु

तत्रापि दैत्यपतिभि र्जित एव

প্রথম স্তবকঃ (আমার সরল বাংলা অনুবাদ)

শান্ডিল্য বংশ-গোত্রে’র বীরদেব, তার গোত্রে পঞ্চাল এবং পঞ্চালের পুত্র গর্গ জন্ম গ্রহণ করেন।।


বিঃদ্রঃ গর্গদেব গৌড়রাজের বিগ্র ও সান্ধিক ( বর্স্বতমান সময়ের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী) মন্ত্রী ছিলেন। গর্গদেব এর বাড়ী এই পাশেই হরগৌরী মন্দির। এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে আর এক পর্বে।


✍️ Afzal Hossain

ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য রত্ন

 খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করা মানুষটিই বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশক! 


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য রত্ন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশের বর্তমান বাংলাদেশ খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এই মনীষী, শাস্ত্র ও ভাষাতত্ত্বের গভীরতা থেকে বাংলা ও সংস্কৃত ভাষার অনন্য দিকগুলোকে আবিষ্কার করেছেন। ১৯০৭ সালে তার হাতে আসে বাংলার প্রাচীনতম কবিতা-সংগ্রহ চর্যাগীতির পুঁথি। চর্যাগানের সংকলনটি আবিষ্কার ও সম্পাদনা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণায় তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি।। 


“ বাঙালিয়ানা, বাঙালিত্ব, আমি বাঙালি এই বোধ। আমার বাঙালি বলিয়া যে একটা সত্তা আছে, এই জ্ঞান। বেশি সংস্কৃত পড়িলে লোকে ব্রাহ্মণ হইতে চায়, ঋষি হইতে চায়। সেটা খাঁটি বাংলার জিনিস নয়; তাহার সঞ্চার পশ্চিম হইতে। বেশি ইংরাজি পড়িলে কী হয় তাহা আর বলিয়া দিতে হইবে না। ... 

বাঙালিয়ানার অর্থ এই যে, বাংলার যা ভালো তাহা ভালো বলিয়া জানা, আর যাহা মন্দ তাহা মন্দ বলিয়া জানা। ভালো লওয়া ও মন্দ না লওয়া তোমার নিজের কাজ। কিন্তু জানাটা প্রত্যেক বাঙালির দরকারি কাজ। জানিতে হইলে বুদ্ধিপূর্বক বাংলা দেশটা কী দেখিতে হইবে, বাংলায় কে থাকে দেখিতে হইবে, বাংলার আচার ব্যবহার, রীতি-নীতি, সমাজ-সংসার, উৎসব-আনন্দ, দুঃখ-শোক, কুস্তি লাঠিখেলা টোল পাঠশালা দেখিতে হইবে। ইহার গান গীতি পয়ার পাঁচালী, নাচ খেমটা, কীর্তন ঢপ যাত্রা কবি সব দেখিতে হইবে। মন প্রাণ দিয়া দেখিতে হইবে। আবার এখনকার কালে যাহা যাহা বদলাইতেছে, তাহাও দেখিতে হইবে। খবরের কাগজ, মাসিক পত্র, কনসার্ট, থিয়েটার, ইস্কুল, কলেজ, আপিস, আদালত সবই দেখিতে হইবে। বাংলার এবং বাঙালি জাতির সমস্ত জীবনটা ভালো করিয়া দেখিতে হইবে, তবেই তুমি বাঙালি হইবে।”  


                     -হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচনা সংগ্রহ, ২য় খণ্ড 


 তাঁর জীবন ছিল সংগ্রাম ও পরিশ্রমের এক অবিরাম অধ্যায়। তিনি ভারতের প্রাচীন সাহিত্য, সংস্কৃত কবিতা এবং পুরাণের গভীরতা উন্মোচন করেন, যা আজও আমাদের জন্য অমূল্য সম্পদ। 

বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশের বর্তমান বাংলাদেশের খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর আদি নিবাস ছিল উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটিতে। তার পারিবারিক পদবী ছিল ভট্টাচার্য। গ্রামের স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের পর হরপ্রসাদ কলকাতার সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল ও প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেন। কলকাতায় তিনি তার বড়দা নন্দকুমার ন্যায়চঞ্চুর বন্ধু তথা বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সঙ্গে থাকতেন। বিএ পরীক্ষায় সংস্কৃতে প্রথম হওয়ায় প্রতি মাসে ৫০ টাকা ‘সংস্কৃত কলেজ স্নাতক বৃত্তি’, ৫ টাকা ‘লাহা বৃত্তি’, এবং ‘রাধাকান্ত দেব মেডেল’ লাভ করেন। ১৮৭৭ সালে সংস্কৃতে সাম্মানিক হন। পরে এম.এ. পরীক্ষায় পাস করে তিনি ‘শাস্ত্রী’ উপাধি লাভ করেন। ১৮৭৮ সালে তিনি হেয়ার স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৮৮৩ সালে তিনি সংস্কৃত কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯০৮ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে অবসর নিয়ে তিনি সরকারের তথ্যকেন্দ্রে যোগ দেন। ১৯২১ থেকে ১৯২৪ পর্যন্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান।


তার বিখ্যাত বইগুলো হলো- বাল্মীকির জয়, মেঘদূত ব্যাখ্যা, বেণের মেয়ে (উপন্যাস), কাঞ্চনমালা (উপন্যাস), সচিত্র রামায়ণ, প্রাচীন বাংলার গৌরব ও বৌদ্ধধর্ম। তার উল্লেখযোগ্য ইংরেজি রচনাগুলো হলো- মগধান লিটারেচার, সংস্কৃত কালচার ইন মডার্ন ইন্ডিয়া ও ডিসকভারি অফ লিভিং বুদ্ধিজম ইন বেঙ্গল।

ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী'র জীবন ও কাজ আজও প্রেরণা দেয়, বিশেষ করে যারা সাহিত্য এবং ভাষাতত্ত্বে আগ্রহী, এই প্রতিবেদন তাদের জন্য।।


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য রত্ন! 


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একাধারে পণ্ডিত, গবেষক, সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ। তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি তাঁর বিশাল অবদান দিয়ে বাংলা ভাষার গর্বিত ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছেন। তাঁর জীবন ছিল এক অবিরাম সাধনা, যেখানে শৈশব থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে তিনি নিঃশেষে উৎসর্গ করেছিলেন ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যকে।


 শৈশব ও বেড়ে ওঠা: 

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশের (বর্তমান বাংলাদেশ) খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাদের আদি নিবাস ছিল উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটিতে। তার পারিবারিক পদবি ছিল ভট্টাচার্য। তিনি ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক। শৈশবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী এবং কৌতূহলী। তাঁর বাবা, পণ্ডিত গিরিশচন্দ্র শাস্ত্রী, ছিলেন একাধিক ভাষার পন্ডিত এবং তিনি নিজে তাঁর পুত্রকে উচ্চমানের শিক্ষার জন্য প্রেরণা দিতেন। ছোট থেকেই তিনি বাংলা, সংস্কৃত, পালি এবং একাধিক প্রাচীন ভাষা শিখতে শুরু করেন। কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিক পাশ করার পর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু করেন, যেখানে তিনি প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর আগ্রহ দেখান।


শিক্ষা: 

গ্রামের স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের পর হরপ্রসাদ কলকাতার সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল ও প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেন। কলকাতায় তিনি তার বড়দা নন্দকুমার ন্যায়চঞ্চুর বন্ধু তথা বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সঙ্গে থাকতেন। ১৮৭১ সালে হরপ্রসাদ প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৮৭৩ সালে ১৯ তম স্থান অধিকার করেন ফার্স্ট আর্টস(এফএ) পরীক্ষায়। ১৮৭৬ সালে বি.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন(৮ম স্থান)। বিএ পরীক্ষায় সংস্কৃতে প্রথম হওয়ায় প্রতি মাসে ৫০ টাকা 'সংস্কৃত কলেজ স্নাতক বৃত্তি', ৫ টাকা 'লাহা বৃত্তি', এবং 'রাধাকান্ত দেব মেডেল' লাভ করেন।১৮৭৭ সালে সংস্কৃতে সাম্মানিক হন। পরে এম.এ. পরীক্ষায় পাস করে তিনি 'শাস্ত্রী' উপাধি লাভ করেন। উক্ত পরীক্ষায় হরপ্রসাদই ছিলেন প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ একমাত্র ছাত্র।


পেশাগত জীবন ও গবেষণা: 


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর পেশাগত জীবন শুরু হয়েছিল শিক্ষকতা দিয়ে, তবে খুব দ্রুতই তিনি প্রাচীন সাহিত্য ও ভাষাতত্ত্বের গবেষণায় মনোনিবেশ করেন। তাঁর কাজের মধ্যে প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য এবং সংস্কৃতির নানা দিক নিয়ে অমূল্য অবদান রয়েছে। তিনি বিশেষ করে সংস্কৃত, পালি, এবং প্রাচীন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশদ গবেষণা করেন এবং এসব ভাষার গ্রন্থগুলোর সঠিক অনুবাদ ও ব্যাখ্যা প্রদান করেন।


তিনি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের এক মহান গবেষক হিসেবে পরিচিত। তাঁর "বাংলা সাহিত্যরূপ" এবং "বাংলা সাহিত্য ইতিহাস" সংক্রান্ত গবেষণা বাংলা সাহিত্যকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপলব্ধি করতে সহায়তা করেছে। তাঁর কাজ শুধু ভারতীয় সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদদের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও সমাদৃত হয়েছে। তাঁর সৃষ্ট গবেষণা গ্রন্থগুলো বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।


এছাড়া, তিনি বাংলা ভাষার ওপর “বাংলা ভাষার শুদ্ধতা” এবং "ভারতীয় ভাষার ঐতিহাসিক বিবর্তন" বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছিলেন, যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতিতে এক দিক নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর আউটস্ট্যান্ডিং কাজ: 


১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস :  চর্যাপদ আবিষ্কার: ১৮৯৭ সালে নেপালে গিয়ে প্রথম বৌদ্ধ পুঁথি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন এবং সেখান থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।

এটি একটি অমূল্য সংকলন, যা বাংলা সাহিত্যের শুরু থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত বিস্তৃত। এতে তিনি সাহিত্যের বিভিন্ন দিক, রচনা, লেখক, এবং সাহিত্যের ধারাগুলির গভীর বিশ্লেষণ করেছেন।

২. ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য: ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য সম্পর্কিত তাঁর গ্রন্থগুলির মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং এক্সটেনসিভ গবেষণা রয়েছে, যা ভারতীয় সংস্কৃতির বিস্তৃত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গভীরতায় আলোকপাত করেছে।


৩. প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্য: সংস্কৃত সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলির আধুনিক ভাষায় অনুবাদ ও ব্যাখ্যা। এই কাজগুলি আজও গবেষকদের জন্য রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়।


৪. পালি ভাষার গবেষণা: পালি ভাষার ওপর তাঁর কাজ ছিল উল্লেখযোগ্য, বিশেষ করে তিনি তাতে সংকলিত পবিত্র গ্রন্থগুলির বিশ্লেষণ করেন।


শাস্ত্রীর ঐতিহাসিক অবদান


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির মঙ্গলার্থে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি কেবল একটি যুগের সাহিত্য গবেষকই ছিলেন না।

বরং বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশক ছিলেন। তাঁর গবেষণার মধ্য দিয়ে প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সাহিত্য অনেক বেশি সুস্পষ্ট এবং সংজ্ঞায়িত হয়েছে।


তিনি যে সমস্ত বই লিখেছিলেন এবং গবেষণা করেছিলেন তা আজও ঐতিহাসিক শিক্ষায় দিশা নির্দেশক। তার সাহিত্যের ক্ষেত্রে যে এক গভীর আন্তরিকতা ছিল, তা আজকের সাহিত্যিকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।


পরিশেষে বলবো, 

ড.হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আমাদের জন্য একটি জীবন্ত আদর্শ, যার জীবন ও কাজ বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অমূল্য ধন। তিনি শুধু একজন গবেষক নন, বরং একজন আদর্শ ব্যক্তি যিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে অনন্তকাল ধরে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।


#travelblogger #blogger #blog #history #historylovers #lovers

#ড.হরপ্রসাদশাস্ত্রী ##বাংলাশাস্ত্রী #বাংলাসাহিত্য #ভারতীয়সংস্কৃতি #সংস্কৃতসাহিত্য #পালিলেখক #বাংলাভাষা #বাংলাদেশ #সাহিত্য #ইতিহাস #indianliterature #BengaliLanguage #HorePrasadShastri #classicalliterature #sanskritresearch #Tagore #birthday #Khulna #kolkata #Dhaka #DhakaUniversity #culture

খুলনার গায়েবি দুর্গ — সুন্দরবনের গোপন রহস্য

 🏰 খুলনার গায়েবি দুর্গ — সুন্দরবনের গোপন রহস্য


📍 দাকোপ, খুলনা | 🔍 লোককাহিনী ও ইতিহাস


বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে, খুলনার দাকোপ উপজেলার এক গভীর বনাঞ্চলে রয়েছে এমন একটি জায়গা, যাকে স্থানীয় মানুষজন “গায়েবি কেল্লা” বা “অদৃশ্য দুর্গ” নামে চেনে।


এটি কোনো গল্প নয়, বাস্তবেই সেখানে রয়েছে ইটের তৈরি একটি পরিত্যক্ত পুরনো কাঠামো, যা আজও গবেষকদের ধাঁধায় ফেলে দেয়।


---


🧱 কাঠামোর বর্ণনা


মাটি চাপা পড়া প্রাচীন ইটের তৈরি দেয়াল ও চৌকি আকৃতির কাঠামো


কিছু জায়গায় গাছের শিকড়ের মধ্যে লুকানো ছোট ছোট গুহার মতো গর্ত


আশপাশে কোনো মানুষের বসতি নেই, কেবল জেলেরা মাঝেমধ্যে যান


---


👻 লোককাহিনীর দাবি


স্থানীয়দের বিশ্বাস, এটি জিনদের তৈরি দুর্গ


কেউ কেউ বলেন, এক কালে এখানে কোনো অলৌকিক সাধকের আস্তানা ছিল


রাতে সেখানে অদ্ভুত আলো দেখা যায়, আবার কেউ কেউ ধূপের গন্ধ টের পান


অনেক জেলে এই জায়গা পাশ কাটিয়ে চলেন, কারণ নাকি এখানে দিক হারানোর সম্ভাবনা বেশি


---


📵 অদ্ভুত বৈজ্ঞানিক লক্ষণ


মোবাইল নেটওয়ার্ক একেবারে বন্ধ হয়ে যায়


কম্পাসের দিক দেখানো বন্ধ হয়ে যায় বা এলোমেলো দেখায়


জোয়ার-ভাটার সঙ্গে এক রহস্যময় “গুহার মতো গর্ত” পানির নিচে চলে যায় এবং আবার উঠে আসে


---


📜 


কেউ কেউ মনে করেন, এটি মুঘল আমলে লবণাক্ততা থেকে বাঁচার জন্য তৈরি কোনো সেনা দুর্গ ছিল


আবার কারও মতে, এটি পর্তুগিজ জলদস্যুদের পুরনো ঘাঁটি, যারা সুন্দরবনে লুকিয়ে থাকতো


তবে এখনও কোনো সরকারি খনন বা চূড়ান্ত গবেষণা হয়নি


---


🎯 ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য বার্তা:


খুলনার এই গায়েবি দুর্গ ইতিহাসের একটি অব্যাখ্যাত অধ্যায়। এটি শুধু কল্পনা নয়, সত্যিকারের একটি রহস্য, যাকে জানতে আমাদের আরো গবেষণা প্রয়োজন।


রেফারেন্স ও তথ্যসূত্র:


1. স্থানীয় সংবাদ ও সাক্ষাৎকার


খুলনার দাকোপ উপজেলায় সুন্দরবনের সীমান্তবর্তী এলাকায় বেশ কিছু পুরনো ইটের কাঠামোর অস্তিত্ব স্থানীয় মানুষ ও জেলেরা দেখে থাকেন।


সূত্র: স্থানীয় পত্রিকা “দৈনিক পূর্বাঞ্চল” (খুলনা সংস্করণ), বনে হারিয়ে যাওয়া কাঠামোর খবর, ২০১৯।


2. লোককাহিনী ও মৌখিক ইতিহাস


দাকোপ ও পাশ্ববর্তী গ্রামের প্রবীণদের মুখে এই ধরনের “গায়েবি দুর্গ” এর কাহিনী প্রচলিত আছে।


একাধিক ফোকলোর গবেষণায় উঠে এসেছে, এই ধরনের কাঠামোকে "জিনের ঘর", "অলৌকিক কেল্লা" বলা হয়।


3. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রিপোর্ট


২০১৫ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক দাকোপ এলাকায় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের সময় এ ধরনের স্থাপনার অস্তিত্বের সম্ভাবনার কথা বলেন।


যদিও পূর্ণাঙ্গ খনন বা গবেষণা হয়নি, তারা স্থানীয় ফোক-তথ্যের উপর ভিত্তি করে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন তৈরি করেন।


4. বাংলাদেশ বনবিভাগের সংরক্ষণ নথি


সুন্দরবনের ভেতরের কিছু এলাকা ‘অবিকৃত বনাঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত, যেখানে মানব-নির্মিত কাঠামোর সন্ধান পাওয়া গেছে।


সূত্র: বাংলাদেশ বনবিভাগ, খুলনা রেঞ্জ রিপোর্ট ২০০৭-২০২০।


Isma Azam Rezu নাম Shakher Tek Kali Temple (“গায়েবী কেল্লা”)

অবস্থান দাকোপ, খুলনা; শিবসা নদীর পূর্ব পাড়


আপনি খুলনা শহর থেকে দাকোপের Shakher Tek (শাখের টেক) কালী মন্দির বা “گায়েবী কেল্লা” পৌঁছাতে পারেন দুইটি প্রধান রুটে — রাস্তা ও নৌপথ। নিচে বিস্তারিত দেখুন:


---


🚗 রুট ১: রাস্তা + নৌকাযোগে


1. খুলনা → দাকোপ (সড়কপথ, ≈ 50 কিমি)


বাস বা সিএনজি অটোরিকশা: খুলনা শহরের বেলাভূমি, নারী কলোনি বা কাটখোলা থেকে সরাসরি ডাকপপুর বাস পাওয়া যায়।


প্রাইভেট কার/মটরসাইকেল: কাঁচা-জমির মধ্য দিয়ে দোয়ারাবাড়ি, পিরোজপুর-দাকোপ রাস্তা ধরে করে দাকোপ পৌঁছতে পারেন।


2. দাকোপ → শিবসা নদীর পূর্ব পাড়ে (নৌকাযোগে, ≈ 10–15 কিমি)


দৌলতিয়া ঘাট বা স্থানীয় ঘাট থেকে ছোট নৌকা ভাড়া করে নদীপারে হয়ে নদী পারাপর অন্তত ৪০–৬০ মিনিট সময় নেবে।


নদীপথে গিয়ে “Shekher Khal” বা “Kali Khal” খাল অনুসরণ করে পৌঁছান।


3. শাখের টেক অর্জন


নদী তীরে নেমে সংক্ষিপ্ত যানবাহন বা হাঁটাহাঁটি করে মন্দিরাঞ্চলে উপনীত হন।


---


🌉 রুট ২: দীর্ঘ নদীপথ (পুরোপুরি নৌকা)


Khulna Launch Ghat থেকে সরাসরি শিবসা নদীতে চালকৃত লোকাল নৌকা ভাড়া করে ২–৩ ঘণ্টা যেতে পারবেন “Shekher Khal” এলাকায়।


সময় বেশি লাগলেও এটি সরাসরি সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ, প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগের দুর্দান্ত উপায়।


আমি আবারও বলছি এটা লোকোকথার গল্প বা ইতিহাস 

সম্পূর্ণ সঠিক আমি জানিনা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেফারেন্স গুলো দিয়েছি 

লেখা : History Hunters 


#khulnahistory #Khulna #history #historyhunters

বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫

রান্নাঘরের দুই যাদুকর – বেকিং সোডা আর বেকিং পাউডার!

 🧂 রান্নাঘরের দুই যাদুকর – বেকিং সোডা আর বেকিং পাউডার!


❝ এক চামচেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ম্যাজিক! ❞


আমরা সাধারণত কেক, পিঠে বা বিস্কুট বানাতে বেকিং সোডা বা বেকিং পাউডার ব্যবহার করি।

কিন্তু জানেন কি?

রান্নাঘর পরিষ্কার রাখতে, গন্ধ দূর করতে, এমনকি তেলের দাগ তোলাতেও এদের অবদান অসাধারণ!


চলুন, এক নজরে দেখে নিই এদের বিস্ময়কর ব্যবহার 👇



🥄 বেকিং সোডার ঘরোয়া টিপস:


➤ ১. চপিং বোর্ড পরিষ্কার করতে:

পেঁয়াজ-রসুন কাটা বোর্ডে গন্ধ বা দাগ বসে গেলে বেকিং সোডা ছিটিয়ে স্পঞ্জ দিয়ে ঘষে ধুয়ে ফেলুন—দারুণ কাজ দেবে।


➤ ২. সবজি ধোওয়ায়:

ফল বা সবজি ফ্রেশ রাখতে জলের মধ্যে এক চিমটি বেকিং সোডা মিশিয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।


➤ ৩. পোড়া হাঁড়ি পরিষ্কার করতে:

গরম জল আর বেকিং সোডা মিশিয়ে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে ঘষে নিন—পুরনো দাগ হাওয়া।


➤ ৪. রান্নার গন্ধ দূর করতে:

একটি বাটিতে বেকিং সোডা রেখে দিন রান্নাঘরে—অতিরিক্ত তেল-ঝালের গন্ধ শুষে নেবে।


➤ ৫. ফ্রিজ বা মাইক্রোওভেনের গন্ধ কমাতে:

একটি খোলা পাত্রে বেকিং সোডা রেখে দিন—নিঃশব্দে গন্ধ শুষে নেবে।


➤ ৬. প্লাস্টিক কন্টেইনারের গন্ধ দূর করতে:

বেকিং সোডা ও জল মিশিয়ে ধুয়ে ফেললেই দাগ ও গন্ধ দুটোই যাবে।


➤ ৭. কাপড়ে তেলের দাগ উঠাতে:

দাগের উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ঘষে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।


➤ ৮. এক্সজস্ট ফ্যান, গ্যাস বার্নার বা চিমনি পরিষ্কারে:

গরম জলে বেকিং সোডা মিশিয়ে কাপড় ডুবিয়ে পরিষ্কার করুন।


➤ ৯. চা-কফির কাপের দাগ তুলতে:

বেকিং সোডা ছিটিয়ে নরম স্পঞ্জে ঘষলেই দাগ উধাও।



🥄 বেকিং পাউডারের ঘরোয়া টিপস:


🌟 বেকিং পাউডার (Baking Powder) – শুধু কেক নয়, পরিষ্কারের জাদুও!


🔸 ১. হাঁড়ির পোড়া দাগে:

গরম জল ও বেকিং পাউডার দিয়ে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে স্ক্রাব করলেই দাগ উঠে যাবে।


🔸 ২. প্লাস্টিক বক্সের গন্ধ দূর:

এক চিমটি বেকিং পাউডার ও জল দিয়ে ধুলেই গন্ধ উধাও।


🔸 ৩. তেলের দাগ তুলতে:

দাগের ওপর ছিটিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ঘষুন, কাচলে দাগ যাবে।


🔸 ৪. টাইলস, সিঙ্ক বা গ্যাস স্টোভ পরিষ্কারে:

লেবুর রস ও বেকিং পাউডার পেস্ট বানিয়ে লাগান, কিছুক্ষণ পর স্ক্রাব করুন—ফিরবে চকচকে ভাব।


🔸 ৫. চা-কফির কাপ পরিষ্কার:

কাপে বেকিং পাউডার ছিটিয়ে স্পঞ্জ দিয়ে ঘষলেই দাগ উধাও।


🔸 ৬. ফ্রিজ/ওভেনের গন্ধে:

এক বাটিতে রেখে দিন—গন্ধ শোষণ করবে।


🔸 ৭. চিমনি/বার্নার/এক্সজস্ট পরিষ্কারে:

গরম জলে মিশিয়ে কাপড় বা স্পঞ্জ দিয়ে ঘষুন—তেল-ময়লা দূর হবে।


🔸 ৮. তেল লাগা কনটেইনার পরিষ্কারে:

গরম জল ও বেকিং পাউডার দিয়ে ধুলেই দাগহীন হবে।



🧁 বেকিং সোডা বনাম বেকিং পাউডার – কখন কোনটা?


🥄 বেকিং সোডা:

– শুধু sodium bicarbonate

– অ্যাসিড থাকলেই কাজ করে (যেমন দই, লেবু)

– রান্না ও পরিষ্কারে দুই জায়গায়ই খুব কার্যকর


🥄 বেকিং পাউডার:

– তাতে আগে থেকেই অ্যাসিড মেশানো থাকে

– আলাদা অ্যাসিড লাগে না

– কেক, বিস্কুট, ব্রেডে বেশি ব্যবহার হয়

– হালকা পরিষ্কার কাজেও ভালো


🧽 সংক্ষেপে:

✔️ রান্নায় অ্যাসিড থাকলে → Baking Soda

✔️ অ্যাসিড না থাকলে → Baking Powder

✔️ পরিষ্কারে → Baking Soda Best!



🌿 তাই কেবল কেক বা পিঠে নয়, এই দুই কৌটোতে লুকিয়ে আছে পরিষ্কার আর রান্নার অজস্র উপকারিতা।

রোজকার ছোট সমস্যার সহজ সমাধান – একেবারে আপনার হেঁশেল থেকেই।


✨ আপনার কিচেন থাকুক পরিষ্কার, ঝকঝকে আর সুগন্ধি – বেকিং পাউডার আর বেকিং সোডার সঙ্গে!


#BakingSodaTips #BakingPowderHacks #RannaGhorerTips #HomeHacks 


 #tips  #tipsandtricks  #follower #nonfollowers

ইতিহাসে প্রাচীন ভারতের রাজবংশ  _______পর্ব-১০৩-(ণ)

 ইতিহাসে প্রাচীন ভারতের রাজবংশ 

_______পর্ব-১০৩-(ণ)


ভারতীয় প্রাচীন ইতিহাসে মালাবারের প্রধান ক্রীতদাস জাতি ছিল পুলায়ার,পারয়ার, কুরুভার,চেরুমাস।প্রধান কালেক্টর অনুমান করেছিলেন যে,পুলায়ার এবঙ চেরুমাররা দাস জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক ছিল।বুকানন 1801 সালে বলেছিলেন যে,প্রায় সমস্ত চাষীই দাস ছিল।তিনি আরও বলেছিলেন যে,দাসদের প্রাথমিকভাবে ক্ষেতে শ্রমের জন্য ব্যবহার করা হত এবঙ দাসত্বের মাত্রা ছিল পারয়ার,পুলায়ন এবঙ কুরভানদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ যাদেরকে পশুর মতো কাজ করানো হয়েছিল। চেরুভান এবঙ পুলায়নদের কেনাবেচা করার জন্য শহরে আনা হয়েছিল।1806 থেকে 1842 সাল পর্যন্ত 36 বছরে ক্রীতদাস জনসংখ্যা 65 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।1801 খ্রিস্টাব্দে ড. ফ্রান্সিস বুকাননের অনুমান অনুসারে,মালাবারের দক্ষিণ,মধ্য এবঙ উত্তর বিভাগে 292,366 জন মোট জনসংখ্যার মধ্যে 41,367 জন দাস ছিল।1836 সালে ট্রাভাঙ্কোরে 164,864 জন ক্রীতদাস ছিল,মোট জনসংখ্যা 1,280,668 জন।উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে কেরালায় আনুমানিক 4.25 লক্ষ (425,000) ক্রীতদাস ছিল।তাছাড়া সামাজিক নিপীড়নও দাসপ্রথার অংশ ছিল। তাদের পরিষ্কার পোশাক পরার অনুমতি ছিল না এবঙ তাদের প্রভুদের রাস্তা থেকে দূরে রাখতে হয়েছিল যারা ব্রাহ্মণ ও নায়ার ছিল। মেজর ওয়াকার বলেছিলেন যে,তারা প্রকৃতির কাছে ত্যাগ করা হয়েছিল এবঙ যখন তারা রোগে ভুগেছিল এবঙ কখনও কখনও ধানের ক্ষেতে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল যা তাদের বাত,কলেরা এবঙ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত করেছিল।ক্রীতদাসদের নিম্ন বর্ণের আখ্যায়িত করা হয়েছিল এবঙ শুধুমাত্র সামন্ত কাজের জন্য নিযুক্ত ছিল এবঙ তাদের প্রভুদের কাছ থেকে তাদের দূরে রাখা উচিত এই কলঙ্কটি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল।স্যামুয়েল মাতার উল্লেখ করেছেন যে, এমনকি কাজের ক্ষেত্রেও দাসদের দূর থেকে তদারকি করা হয়েছিল।


ভারতীয় বর্ণপ্রথা দাসদের অস্পৃশ্য হিসাবে রেখেছিল এবঙ তারা অসংখ্য উপ-বর্ণে বিভক্ত ছিল।19 শতকে চেরুমারদের অবস্থা আলাদা ছিল না,1898 সালে কেরালা পত্রিকা লিখেছিল যে,চেরুমার দাসদের তাদের প্রভুদের জন্য উচ্চ শ্রদ্ধা ছিল কারণ উচ্চ বর্ণের লোকেরা তাদের বিশ্বাস করেছিল যে,তারা উচ্চ বর্ণের সেবা করতে জন্ম থেকেই বাধ্য।

_______ চলমান,


জয় ভারত মাতার জয় 🇳🇪

প্রথমে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করুন। কোনমতে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করুন।

 প্রথমে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করুন। কোনমতে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করুন। ন্যূনতম প্ল্যানিং ছাড়াই বাচ্চা পয়দা করুন। এরপর শুরু করুন আসল গেম …


যেহেতু আপনার বেশি টাকা নেই, তাই আপনার সন্তানকে একটি বাল-ছাল স্কুলে ভর্তি করান। সবচেয়ে ভালো হয় সরকারি স্কুল কিংবা হালকা-পাতলা নাম আছে – এমন কোনো স্কুলে ভর্তি করালে। কারণ আপনি যেই সমাজে থাকেন, সেখানে তথাকথিত সরকারি স্কুল কিংবা কিঞ্চিৎ নামী স্কুল একটা স্ট্যাটাসের বিষয় হলেও সেখানে পড়াশোনার নামে হয় না বাল্ডাও। সেখানে শিক্ষকেরা একটা প্রাচীন, ধ্বজভঙ্গ সিলেবাস ধরে পড়ায়; যার মূল উদ্দেশ্য দু’টো। এক, এই শিক্ষকরা যাতে সহজে বেতন নিয়ে বাসায় গিয়ে প্রাইভেট বাণিজ্য করতে পারে। আর দুই, সরকার যেন ভবিষ্যত প্রজন্ম হিসেবে থটলেস, ব্রেইনলেস, কনফিডেন্সলেস গ্রুপ অব স্লেইভস পায়। যাদের পলিটিক্যালি, রিলিজিয়াসলি, ন্যাশনালি ম্যানিপুলেট করা সুপার ইজি। অবশ্যই এমন স্কুলে ভর্তি করবেন, যেন আপনার সন্তান স্কুলের নাম শুনলেই কাঁদে। স্কুলের যে এমন হওয়া উচিত, যে বাচ্চারা সেখানে আগ্রহ নিয়ে যেতে চাইবে – এসব জানার আপনার প্রয়োজনই নেই। উল্টো শিক্ষকেরা ধরে মারধোর, গালি-গালাজ করলে সন্তানকে বলবেন, ঠিকই তো আছে!


এবার শিশুর যে মানসিক বিকাশ দরকার, সেটা সম্পূর্ণ ভুলে যান। ঢাকায় এমনিতেই খেলার জায়গা নেই, তাই সন্তানকে খেলাধুলা করানোর প্রশ্নই আসে না। এছাড়াও যে সকল অ্যাকটিভিটি এ বয়সে ব্রেইনের ক্যাপাসিটি বাড়ায়, স্মার্ট বানায়, সেসব নিয়েও কোন চিন্তাই করবেন না। বাচ্চাদের মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট, আঁকা-আঁকি, বই পড়া, টুক-টাক লেখালিখি তথা যেকোনো প্রকারের ক্রিয়েটিভিটির চর্চা শেখানোকে চোদনামি ভাবুন। তাকে বাসায় একটা ফোন দিয়ে আটকে রাখুন। সোশ্যালাইজিং স্কিল তাতে পুটুম্রা খাক, সেসব মোটেও আপনার মাথা ব্যথা হওয়ার কথা না। 


এরপর একটু বড় হলেই তাকে বোঝান যে সে যদি এ+ না পায়, সমাজে আপনাদের মুখ দেখানোর জায়গা থাকবে না। তাকে চরম প্রেশারে রাখুন। সবচেয়ে ভালো হয় আপনার পরিমন্ডলে থাকা বাচ্চাদের সাথে তাকে প্রায়ই কম্পেয়ার করলে। তাকে বলুন, যে অমুকেও ভাত খায়। তুইও খাস। ও পারে, তুই পারিস না ক্যান? তার সামনে কয়েকটা লক্ষ্য বেঁধে দিন। বলুন যে পৃথিবীর একমাত্র পেশা হচ্ছে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার আর নাহলে বিসিএস ক্যাডার। এগুলো না হতে পারলে জীবনের কোন অর্থ নেই …


তাকে চরম স্ট্রাগল করে মেট্রিক, ইন্টার পাশ করতে দিন। তারপর শুরু করুন গেমের দ্বিতীয় অধ্যায়। তাকে বোঝান, যে পাবলিকে চান্স না পেলে তোমার জীবন শেষ। আপনার সমস্ত চেষ্টার পরও যে যদি ভুলেও কোন হবি বা স্কিল ডেভলপ করে, সেসবকে অপ্রয়োজনীয় বোঝাতে আপনার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যয় করে সেটাকে ধ্বংস করার এটাই প্রকৃত সময়। তাকে ডিপ্রেশন, এনজাইটি, সোশ্যাল অকওয়ার্ডনেস ডেভলপ করতে সাহায্য করুন। তাকে বলুন যে তার পড়াশোনা ও খাওয়ানোর পেছনে কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে, তাকে “এই পর্যায়ে” নিয়ে আসতে আপনার কি পরিমাণ বাল ছিঁড়তে হয়েছে … 


তারপর সে যদি পাবলিকে চান্স পায়, তো ভালো। আর বাই এনি চান্স না পেলে যদি তাকে ন্যাশনাল কিংবা প্রাইভেটে ভর্তি করাতে হয়, তাহলে তাকে প্রতিনিয়ত সে যে কতোবড় অথর্ব, সেটা মনে করিয়ে দিতে ভুলবেন না। ভার্সিটিতে উঠে সে যখন দেখবে তার আশে-পাশের পোলাপান সোশ্যাল স্কিলে অনেক স্মার্ট, ভালো ইংরেজি বলতে পারে, ট্রেন্ডিং স্কিল আছে, ক্রিয়েটিভ স্কিল আছে, মোদ্দাকথা যে যখন লেফ্ট আউট ফিল করবে, তখন তাকে বলুন, মানুষের পোলাপান কতো কিছু পারে, আর তুই?


তাকে বোঝান যে, যেহেতু আপনি গরিব, আপনি জীবনে একটা বালের চাকরি ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি, তাই তাকে ইনস্যুরেন্স পলিসি হিসেবে পয়দা করেছেন। আপনি, আপনার পরিবার, আপনার খানদান যে অর্থনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করেছেন, তা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ যে আপনার সন্তান; এ জিনিসটা তার মাথায় ঢুকিয়ে তাকে প্রেশার দিয়ে পাগল বানিয়ে দিন। ডিপ্রেসড হলে, মাথায় সুইসাইডাল থট আসলে তাকে বলুন যে মোবাইল না টিপলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। 


এভাবে সে কোনমতে ভার্সিটিটা পাশ করা মাত্র শুরু করুন গেমের তৃতীয় অধ্যায়। চাকরি না পাওয়া অবধি সে যে পরিবারের একটা বোঝা, সেটা প্রতিদিন মনে করিয়ে দিন। মানুষের ছেলে-মেয়ে কত এগিয়ে গিয়েছে, কার বেতন কত, কে কত ভালো পজিশনে আছে – এটাকেই বাসার প্রধান আলোচনায় নিয়ে আসুন। তাকে বলুন এন সংখ্যক মাইল হেঁটে, এক্স সংখ্যক কিলোমিটার নদী সাঁতরে আপনারা পড়াশোনা করে “এই পর্যায়ে” এসেছেন। সে “সবকিছু” পেয়েও কেন পারছে না? 


এরপর শুরু করুন গেমের ফাইনাল স্টেজ। 


তাকে বোঝান যে আপনাদের বয়স বাড়ছে। আর বেশিদিন পৃথিবীতে থাকবেন না। সন্তানের বৌ/জামাই দেখতে চান। দাদা-দাদী, নানা-নানী ডাক শুনতে চান। এদিকে তাকে সমাজের বোঝা হিসেবে বড় করায় তাকে যে কেউ পাত্তাই দেয় না, সেটা নিয়ে আপনার ভাবার কোন দরকার নেই। তাকে জোরপূর্বক পাত্র-পাত্রী দেখানো শুরু করুন। অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ বিষয়টা সিস্টেমেটিক। কে কি পাচ্ছে, সেটা অনেকাংশেই মূখ্য। আপনার সন্তানের যে কিছুই দেওয়ার নেই – এই তথ্যটা তখনই তার মাথায় সেট করে দেওয়ার আদর্শ সময়। প্রতিটা চাকরির পরীক্ষা/ইন্টারভিউয়ের আগে তাকে প্রেশারে রাখুন, রেজাল্ট শুনে মুখ কালো করে এমনভাবে “কি সন্তান জন্ম দিয়েছি” বলুন, যেন সে ভাবে বাচ্চা পয়দা করার পরিকল্পনাটা আপনাদের ছিলো না, বরং সে-ই উপর থেকে আপনাদের সিগন্যাল দিয়েছিলো পয়দা হওয়া জন্য। 


এভাবে ধীরে ধীরে আপনার সন্তানের জীবনটা তছনছ করে দিন। 


দেখবেন, প্রচন্ড ভালো লাগবে।


copy post

খাওয়া-দাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া একটি ভুল প্রথা।

 খাওয়া-দাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া একটি ভুল প্রথা।

দাওয়াত হবে ঘুমের জন্য। 


রুম টেম্পারেচার হবে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাউন্ডপ্রুফ রুমে থাকবে আধো আলো আধো অন্ধকারাছন্ন পরিবেশ! সাথে আরামদায়ক বিছানা, বালিশ আর কম্বল। 


টেবিলে কয়েক রকম বালিশ আর কম্বল সাজানো থাকবে। দাওয়াতী লজ্জা লজ্জা কন্ঠে বলবেন, 'কিছুই আয়োজন করতে পারিনি। কম্বল কোনটা নেবেন বলেন!' পাশ থেকে অন্য কেউ অনুরোধের সুরে বলবেন, 

'আরেক পিস বালিশ দেই?'


ঘন্টা কয়েক ঘুমিয়ে বিদায় নেয়ার সময় দাওয়াতী মন খারাপ করে বলবে, ''আপনি তো দেখি কিছুই ঘুমালেন না। পরের বার আসলে কিন্তু অবশ্যই নাক ডাকতে হবে।😌


প্রেগন্যান্ট বোনেরা,নতুন মায়েরা এই পোস্টটার মর্ম  ভালো ফিল করতে পারবে।🙂🙂


.

©

১৫ কেজি গরুর মাংসের কারি - উপকরণ তালিকা

 ✅ ১৫ কেজি গরুর মাংসের কারি - উপকরণ তালিকা


 1. গরুর মাংস – ১৫ কেজি

 2. পেঁয়াজ কুচি – ৪.৫ কেজি

 3. রসুন বাটা – ৪০০ গ্রাম

 4. আদা বাটা – ৪০০ গ্রাম

 5. টক দই – ১ কেজি

 6. কাঁচা মরিচ (চেরা) – ২০০ গ্রাম

 7. শুকনা মরিচ গুঁড়া – ২৫০ গ্রাম

 8. হলুদ গুঁড়া – ২০০ গ্রাম

 9. ধনে গুঁড়া – ২৫০ গ্রাম

 10. জিরা গুঁড়া – ১৫০ গ্রাম

 11. গরম মসলা গুঁড়া – ১০০ গ্রাম

 12. দারচিনি – ৫০ গ্রাম

 13. এলাচ – ৩০ গ্রাম

 14. লবঙ্গ – ২৫ গ্রাম

 15. তেজপাতা – ২০টি

 16. লবণ – স্বাদমতো (প্রায় ৩৫০-৪০০ গ্রাম)

 17. সয়াবিন তেল / সরিষার তেল – ১.৫ থেকে ২ লিটার

 18. ঘি (ঐচ্ছিক) – ২০০ গ্রাম

 19. পানি – পরিমাণমতো (ঝোলের পরিমাণ অনুযায়ী)


🍳 ১৫ কেজি গরুর মাংসের কারি রান্নার প্রণালী


✅ ধাপ ১: প্রস্তুতি

 1. মাংস ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।

 2. পেঁয়াজ কুচি, রসুন, আদা, মসলা সব প্রস্তুত করে নিন।



✅ ধাপ ২: পেঁয়াজ ভাজা

 1. একটি বড় পাত্রে (ডেকচি/কড়াই) তেল গরম করুন।

 2. তাতে তেজপাতা, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ দিয়ে হালকা ভেজে নিন।

 3. এরপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজুন যতক্ষণ না সোনালী বাদামি হয়।



✅ ধাপ ৩: মসলা ভাজা

 1. ভাজা পেঁয়াজে আদা-রসুন বাটা দিন।

 2. ২–৩ মিনিট নেড়েচেড়ে দিন।

 3. এরপর একে একে শুকনা মরিচ গুঁড়া, হলুদ, ধনে, জিরা গুঁড়া দিন।

 4. অল্প পানি দিয়ে মসলা কষিয়ে নিন যাতে পুড়ে না যায়।

 5. মসলা থেকে তেল আলাদা হয়ে এলে দই ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়ুন।



✅ ধাপ ৪: মাংস দেয়া ও কষানো

 1. এবার মাংস দিয়ে ভালোভাবে মসলার সাথে মিশিয়ে নিন।

 2. মাংস কষাতে থাকুন ৩০–৪০ মিনিট, যতক্ষণ না তেল ছেড়ে দেয়।

 3. ঢেকে দিন ও মাঝে মাঝে নেড়ে দিন।



✅ ধাপ ৫: পানি ও রান্না

 1. প্রয়োজনমতো গরম পানি দিন (ঝোল কেমন চাইছেন তার ওপর নির্ভর করে)।

 2. চাপা দিয়ে মিডিয়াম আঁচে মাংস সিদ্ধ হতে দিন। সময় লাগবে ১.৫–২ ঘণ্টা।

 3. মাংস নরম হলে গরম মসলা ও ঘি দিয়ে ৫–১০ মিনিট ঢেকে রাখুন।



✅ ধাপ ৬: পরিবেশন

 • ভাত, পোলাও বা পরোটা-রুটি—সব কিছুর সাথেই দারুণ লাগে এই মাংসের কারি।

দ্বিতীয় পর্ব  বুধবার ও শনিবার চুল নখ কাটা নিষেধ,  ++++++++++++++++++++++++++

 দ্বিতীয় পর্ব 

বুধবার ও শনিবার চুল নখ কাটা নিষেধ, 

++++++++++++++++++++++++++

শিঙ্গা লাগানো নিষেধ, এই নিষেধ অমান্য করে চুল নখ কাটলে শিঙ্গা লাগালে কুষ্ঠ রোগ হয় হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত। 

যেমন হাদীস শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে,

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من احتجم يوم الا ربعاء ويوم السبت فاصابه برص. 

অর্থঃ- হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি বুধবার ও শনিবার শিঙ্গা লাগাবে, তার শ্বেতকুষ্ঠ রোগ হবে।”

হাদীস শরীফে আরো বর্ণিত রয়েছে,

النهى عن قص الاظفار يوم الاربع فانه يورث البرص.

অর্থঃ- “বুধবার দিনে নখসমূহ কাটা যাবেনা, নিশ্চয়ই ওটা শ্বেতকুষ্ঠ হওয়ার কারণ।”

উল্লিখিত দিন ছাড়া অন্যান্য দিনগুলিতে শিঙ্গা লাগানো, চুল ও নখ ইত্যাদি কাটা যাবে। তবে বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার জুমুয়ার নামাজের আগে চুল ও নখ কাটা উত্তম।

বুধবার ও শনিবার দিনে শিঙ্গা লাগানো জঈফ হাদীসের দ্বারা নিষেধ আছে,

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من احتجم يوم الاربعاء ويوم السبت فاصابه برص.

অর্থঃ- হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি বুধবার ও শনিবারে শিঙ্গা লাগাবে তার শ্বেত কুষ্ঠ রোগ হবে।”

এ প্রসঙ্গে ইমাম জালাল উদ্দীন সুয়ুতী (রঃ) তাঁর লালী ও তা’আক্কুবাত কিতাবে মসনদুল ফিরদাউসে দায়লামী শরীফ হইতে নকল করেছেন,

سمعت ابى يقول سمعت ابا عمرو محمد بن جعفر بن مطر النيشافورى قال قلت يوما ان هذاء الحديث ليس بصحيح فافتصدث يوم الاربعاء فاصابن البرص فرأيت رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم فى النبوم فشكوت اليه حالى فقال اياك والا ستهائة بحديثى فقلت بست يا رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم فا نتبهت وقد عافانى الله تعالى وذالك عنى.

অর্থঃ- আমি আমার পিতার নিকট শুনেছি, তিনি আবু ওমর মুহম্মদ জাফর নিশাপুরীকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন- আমি একদিন খেয়াল করলাম হাদীসখানা সহীহ্ নয়। 

তাই জরুরতবশতঃ বুধবার ও শনিবার দিন আমি শিঙ্গা লাগালাম, অতঃপর আমার শ্বেত কুষ্ঠ হয়ে গেল। এরপর স্বপে¦ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখে আমি আমার অবস্থা সম্পর্কে অভিযোগ করলাম। 

হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সাবধান! আমার হাদীসকে হালকা মনে কর না (হাদীস যদিও জঈফ হয়েছে রাবীর কারণে, তথাপিও আমার নামের সাথে সম্পর্কযুক্ত)।” অতঃপর আমি বললাম,

হে আল্লাহ রাসূল আমি তওবা করিতেছি (আমার অপরাধ হয়েছে। হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ক্ষমা করে দিলেন) অতঃপর আমি ঘুম থেকে জেগে দেখি আল্লাহ্ পাক আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং উক্ত রোগের চিহ্ন মাত্র আমার শরীরে নেই। হযরত ইমাম গাজ্জালী (রঃ) তাঁর আরবাইন কিতাবেও এ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

আল্লামা তাহতাবী (রঃ) হাশিয়ায়ে দুররে মুখতারে বলেন, হাদীস শরীফে আছে,

النهى عن قص الاظفار يوم الاربعاء فائه يورث البرص.

অর্থঃ- হাদীস শরীফে বুধবার ও শনিবার দিন নখ কাটা নিষেধ করা হয়েছে। নিশ্চয়ই এতে শ্বেত কুষ্ঠ হয়।

এ প্রসঙ্গে আল্লামা শিহাবুদ্দীন খাফফাজী মিসরী হানাফী (রঃ) নাসিমুর রিয়াজ ফি শরহে ইমাম কাজী আয়াজ কিতাবে বলেন, 

قص الاظفار وتقليمها سنة وورد النهى عنه فى يوم الاربعاء وانة يورث البرص وحكى بعض العلماء انه فعله قنهى عنه فقال لم يثبت هذا الله فلحقه البرص من ساعته فراى النبى صل عليه وسلم فى منامه فشكى اليه فقال له الم بسمع نهى عنه فقال لم يصح عندى فقال صلى الله عليه وسلم يكفيك انه سمع ثم مسح بدنه بيده الشر يفة فذهب مابه فتاب عن مخالفة ماسمع.

অর্থঃ- নখ কাটা বা ছোট করা সুন্নত।

তবে হাদীস শরীফে বুধবার ও শনিবার নখ কাটা নিষেধ করা হয়েছে, কেননা কাটিলে শ্বেত কুষ্ঠ হয়। বর্ণিত আছে কোন একজন আলেম (ইমাম ইবনুল হজ্ব মক্কী মালেকী (রঃ)) বুধবার দিন নখ কাটলে তাঁকে হাদীস শরীফের বরাত দিয়ে নিষেধ করা হলো। তিনি বলেন, ইহা সহীহ্ হাদীস বলে প্রমাণিত নয়। অতঃপর তাঁর শ্বেত কুষ্ঠ হয়ে গেল। তিনি স্বপে¦ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখে তাঁর অবস্থা সম্পর্কে অভিযোগ করলেন। তখন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বলেন, “তুমি কি এ সম্পর্কে আমার নিষেধ বাণী শুননি?” তিনি বলেন, এই হাদীস আমার নিকট সহীহ্ হিসাবে পৌঁছেনি। 

তারপর হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ঠ ছিল যে, তুমি শুনেছ এই হাদীস আমার নাম মোবারকের সাথে সম্পর্কযুক্ত।” আর হাত মোবারক দ্বারা তাঁর শরীর মসেহ্ করে দিলেন। তৎক্ষণাৎ সেই রোগ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। তৎপর তিনি তওবা করলেন যে, জীবনে আর কখনো হাদীস শরীফের বিরোধিতা করবনা।

উপরোক্ত দু’খানা হাদীস শরীফ দ্বারা এ কথাই বুঝা গেল যে, হাদীস শরীফের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব আরোপ না করলে ভয়ংকর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

প্রথম পর্ব 

https://www.facebook.com/share/p/1A6iwp3jLk/

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ - ১৭-০৬-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ - ১৭-০৬-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু --- জুলাই মাসের মধ্যে 'জাতীয় সনদ' চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে --- মন্তব্য ডক্টর আলী রিয়াজের।


বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশে এখনই জ্বালানির দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের  --- জানালেন অর্থ উপদেষ্টা।


জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর যাত্রা শুরু --- এটর্নি জেনারেল বলেন গণহত্যার বিচার হবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যাতে কোন প্রশ্ন না উঠে।


যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেহরানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ সরকারের --- ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব জানালেন নিরাপদ এলাকায় স্থানান্তর শুরু হয়েছে।


পঞ্চম দিনের মতো ইরান-ইসরাইল পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত --- ইরানের ওপর ইসরাইলি হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিন পিংয়ের ।   


গাজায় ইসরাইলি ট্যাঙ্কের গোলায় খাবারের জন্য অপেক্ষমান কমপক্ষে ৮৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম দিনের খেলা শেষে শান্ত এবং মুশফিকের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৯২।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...