এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫

পরদেশি মেঘ Rabi Al Islam পর্ব ১

" বাসর রাতে শা*রীরি*ক সম্পর্কের ঠিক আগমুহূর্তে  হঠাৎ আমার স্ত্রী বলে উঠলো, আমি ভা*র্জি*ন না। এর আগেও আমি এক ছেলের সাথে শা'রিরীক সম্পর্কে লি*প্ত হয়েছি " 


শা'রিরী*ক সম্পর্কের ঠিক আগমুহূর্তে এসব শুনে আমি আমার মনটাই ভে*ঙে গেলো। সেই সাথে রাগও হচ্ছে অনেক। হিয়াকে বললাম, এসব কি এখন বলার সময়?  বিয়ের আগে কেনো বলতে পারলেনা। প্রতিটা ছেলেরই বা*সর রাত নিয়ে ফ্যান্টাসিতে থাকে৷ তুমি এসব বলে সব শেষ করে দিলে। বিয়ের আগে তো আমরা অনেক কথা বলেছি তখন তো তুমি এসব কিছুই বলোনি। এমনকি তোমার রিলেশন ছিলো তাও বলোনি। এই মুহুর্তেই এটা কেন বলতে হলো তোমার 


হিয়া বললো, আমার রিলেশন ছিলোনা। 


এবার আরও রেগে গেলো আহনাফ। রা'গ ক*ন্ট্রোল করে হিয়াকে বললো, এইমাত্র বললে এক ছেলের সাথে শা'রি*রীক স*ম্পর্কে লি*প্ত ছিলো আবার এখন বলছো রিলেশন ছিলো না৷ কি অদ্ভুত কথা বলছো তুমি 


হিয়া বললো, রিলেশনে না থাকলে কি শা'রি*রীক স*ম্পর্ক হয় না? 


' মানে? 


' যার সাথে আমার শা'রী*রিক স*ম্পর্ক ছিলো ও আমার বেস্টফ্রেন্ড। আমরা ছোটবেলা থেকে একে অপরের ভালো ফ্রেন্ড ছিলাম। আমরা সবসময় একে- অপরের সাথে আড্ডা দিয়েছে তাই আলাদা করে আর বিফ/জিএফ দরকার হয়নি কারও। ওর সাথে শা'রি*রীক স*ম্প*র্কের জন্য আমিই আ*গ্রহী ছিলাম। ও অবশ্য ছিলো কিন্তু কখনও আমাকে ফোর্স করেনি। 


' তাহলে তাকে বিয়ে করলে না কেন? 


' আমরা শুধুই বেস্টফ্রেন্ড ছিলাম অন্য কোনো অনুভূতি ছিলোনা আমাদের। 


' তাহলে শা'রী*রিক সম্পর্কে করলে কেন? 


' তার জন্য জিএফ/বিএফ টাইপ অ*নুভূ*তির দরকার হয়না। মানসিক তৃপ্তির জন্যও শা'রি*রীক সম্পর্কে লি*প্ত হয় মানুষ। আমাদের দুজনেরই যৌ*ন চা*হিদা ছিলো কিন্তু জিএফ/ বিএফ টাইপ অনু*ভূতি ছিলোনা কারও প্রতি। 


' তাহলে আমাকে বিয়ে করলে কেন? 


' কারন আপনার প্রতি আমার সেই অনু*ভূতি ছিলো 


' সত্যিটা তো লুকাতেও পারতে৷ শা'রি*রীক সম্প*র্কের ঠিক আগমুহূর্তেই কেন বললে? 


' আপনি আমার সাথে শা'রি*রীক সম্পর্কে লিপ্ত হলে তো বুঝেই যেতেন আমি ভা*র্জি*ন না৷ আর আমি আপনাকে মি"থ্যা বলতে চাইনি তাই সত্যিটা বলে দিলাম। 


আহনাফের নিজের রা*গ কন্ট্রোল করতে অনেক ক*ষ্ট হচ্ছে। ওর ইচ্ছে করছে হিয়াকে থা*প্পড় মা*রার৷ কিন্তু তা পারছেনা। এসব কথা শোনার পর কোনো ছেলেই আর রাগ না করে থাকতে পারবেনা৷ অথচ হিয়া কি স্বাভাবিক ভাবেই এসব বললো। মনে হয় ওর কাছে এসব নর্মাল বিষয়। 


হিয়া বললো, চুপ কেন?  কিছু বলছেন না কেন?


' রা*গ কন্ট্রোল করার চে*ষ্টা করছি৷ কোনো সু*স্থ মানুষ তোমার এমন কথা শুনতে পারবেনা৷ 


' তাহলে কি আপনি অ*সু*স্থ? 


' এইমাত্র অসুস্থ হলাম তোমার কথা শুনে৷ ইচ্ছে করছে তোমাকে থা*প্প*ড় মা*রি। শা'রী*রিক সম্পর্কে লি*প্ত হলে কিন্তু তাকে ভালোবাসোনা।  তোমাদের কাছে এসব নর্মাল বিষয়। চাহি*দার জন্য সে*ক্স করো কিন্তু তার প্রতি ভালোবাসা নেই। 


' আপনি বলছেন যাকে ভালোবাসেন তার সাথেই কেবল সে*ক্স হয় 


' আমি তেমনটাই জানি৷ আমার তোমাকে পছন্দ তাই তোমাকে বিয়ে করেছি। এখন কি আমি অন্য কারও সাথে শা'রি*রীক সম্পর্কে লি*প্ত হবো নাকি৷ 


' আমাকে পছন্দ হওয়ার আগে কি আপনার চা*হিদা ছিলোনা? 


' ছিলো কিন্তু আমি ক*ন্ট্রোল করেছি। বিয়ের পরই কেবল এসব করার সি*দ্ধান্ত নিয়েছি৷ 


' আর আমি ক*ন্ট্রোল করতে পারিনি৷ 


' তোমারা এই যুগের মেয়েরা বড়ই অদ্ভুত। এসবকে স্মা*র্টনেস ভাবো। 


' আপনি কোন যুগের? 


' তোমার থেকে ৫/৬ বছরের বড়। তাই অবশ্যই তোমাদের যুগের না৷ 


' তা এখন কি করবেন? 


' ঘুমাবো 


' কেন শা'রি*রীক স*ম্পর্ক করবেন না?  আপনার তো অনেক ফ্যান্টাসি ছিলো বা*স*র রাত নিয়ে 


' বা'*লে*র ফ্যা*ন্টাসি। এসব বলে মুডটাই ন*ষ্ট করে দিছো। আমি বুঝতে পারলে বুঝতাম তোমার এসব বলার দরকার ছিলোনা৷ কতটা আগ্রহী ছিলাম আমি৷ আর তুমি এসব বলে সব শে*ষ করে দিলে৷ 


' ভাবলাম আপনি বুঝে গেলে কি রি*য়্যাক্ট করবেন তাই আগেই বলে দিতাম। 


' এই রিয়্যা*ক্টের কথা ভাবলে বিয়ের আগেই বলে দিতে পারতা 


' বিয়ের আগে যদি জানতেন আমি ভা*র্জিন না তাহলে কি আমায় বিয়ে করতেন না? 


' না 


' আচ্ছা এসব শুনে আপনার কি করতে ইচ্ছে করছে? 


' থা*প্পড় মা*রতে তোমাকে৷ আমি যখন অ*তিরি*ক্ত রেগে থাকি তখন থা*প্পড় মা*রতে ইচ্ছে করে। 


' ধন্যবাদ 


' কেন?


' এই যে দুটো সত্যি কথা বললেন৷ 


' আর তুমি এমনই সত্যি কথা বলেছো যে আমার বা*স*র রাত মাটি হয়ে গেছে। 


' সরি 


' রাখো তোমার সরি। 


আহনাফ বিছানা থেকে উঠে ওয়াশরুমে গেলো। ফ্রেশ হয়ে এসে একটা সি*গা*রেট ধরালো। হিয়াকে বললো, সি*গা*রেট খাবে? 


' আমি খাইনা এসব 


' অবাক করার মত। তোমার মত মেয়েরা যারা স্মার্ট তাদের তো সি*গা*রেট খাওয়ার কথা। তা তুমি এটাতে অনীহা দেখাচ্ছো কেন? 


' এটার স্মেল আমার পছন্দ না। আমার উ*ই*স্কি পছন্দ। মাঝে মধ্যেই ফ্রেন্ডরা মিলে পা*র্টি করতাম। 


' ছেলে- মেয়ে উভয়?


' হ্যা,পার্টি মানে তো এটাই বুঝায়। আমরা গ্রুপ স্টাডিও করতাম সবাই একসাথে। আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনি একটু বেশিই আদিমকালের। তাও ভালো যে সি'*গা*রেট খান। 


' আগে জানলে তোমার জন্য উ*ই*স্কি এনে রেখে দিতাম। সে*ক্স করার মু*ড চলে গেলো আসো তোমার সাথে গল্প করি। তুমি তোমার লাইফের কথা বলবে আমি আমারটা। দেখবো কারটা বে*টার। 


' আমারটা তো আপনি জানবেনই৷ এই যুগের ছেলে- মেয়েদের সম্পর্কে সবাই জানে৷ কিন্তু আপনাদের ব্যাপারে আমার ধা*রনা নেই। 


' সবাই সব জানে তার ভিতরেও অনেক সিক্রেট থাকে৷ আমি সবকিছু শুনতে চাই৷ 


' বুঝতে পারছি আমি। 


' হ্যা সেটাই। 


হঠাৎ হিয়ার মোবাইলে ম্যাসেজ আসলো৷ আহনাফ জিজ্ঞেস করলো, কে মেসেজ দিয়েছে? 


' ফ্রেন্ড 


' ছেলে না মেয়ে? 


' মেয়ে। আচ্ছা আপনি ফ্রেন্ড বলার পরও ছেলে- মেয়ে জিজ্ঞেস করেন কেন? 


' আমরা ফ্রেন্ড বলতে শুধু ছেলেকেই বুঝতাম। আর মেয়ে হলে তখন আগেই বলে দিতাম মেয়ে ফ্রেন্ড। কিন্তু তোমাদের কাছে ফ্রেন্ড মানে দুটো সমান৷ তা কি মেসেজ দিলো? 


' জিজ্ঞেস করছে কি করছি?  আমাদের আগে থেকেই সবার প্ল্যান করা প্র*ত্য*কের বা*স*র রাতে এরকম মেসেজ দিয়ে মজা করবো। 


' আর তোমরা বা*স*র রাতের কথা বলে দিবে? 


' হ্যা, কেন সমস্যা? 


' না, তা এখন কি বলবে? 


আচ্ছা ওয়েট। ওকে মেসেজ করছি, যা করার কথা তাই করছি। 


রিপ্লাই আসলো, দুলাভাই কোথায়? 


' যেখানে থাকার কথা৷ 


' ভালোই তো। সব শুনবো পরে। এখন বি*রক্ত না করি। 


আহনাফ বললো, কত স্বাভাবিক ভাবে তোমরা নিজেদের ব্যা*ক্তি*গত আলাপ করছো। আ*নইজি/ ল*জ্জা লাগছেনা।


' ফ্রেন্ডদের সাথে আবার কিসের ল*জ্জা। যাকে চিনিনা জানিনা তার সাথে আন*ইজি লাগবে৷ 


' তোমাদের প্র*জ*ন্মের কাছ থেকে অনেক কিছু জানার আছে৷ 


' আপনি রিলে*শন করেছিলেন? 


' বিয়ের আগেই তো বলেছিলাম আমি একজনকে ভালোবাসতাম কিন্তু মেয়েটা অন্য কাউকে ভালোবাসতো৷ 


' ওহ হ্যা, বলেছিলেন। তা মেয়েটাকে আপনার ভালোবাসার কথা বলেছিলেন? 


' মেয়েটা জানতো। 


' মেয়েটার সাথে দেখা হয় এখন? 


' তা আর সম্ভব না। 


' যেই ছেলেটার সাথে রিলেশন ছিলো মেয়েটার। সেই ছেলেটা? 


' একদিন আমি সেই ছেলেটাকে আমার বাসায় ইনভাইট করি। বাহিরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছিলো। পরবর্তী পর্ব সবার আগে পড়তে ভিজিট করুন কথা কাব্য পেজ। ভাবলাম খিচুড়ি খাওয়া যাক। দুটো প্লেটে খিচুড়ি নিয়ে আমি আর ছেলেটা পাশাপাশি বসি আর মেয়েটাকে নিয়ে কথা বলি। আমি ছেলেটাকে বলি আমার ভালোবাসার কথা৷ কতটা ভালোবাসতাম ওকে সেটা বলি। 


আমার কথা শুনে ছেলেটা বলে, আমি কখনই ওকে ক*ষ্ট দিবোনা। 


' তুমি অলরেডি ক*ষ্ট দিচ্ছো ওকে। 


ছেলেটা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, কিভাবে? 


' খিচুড়ির সাথে যে মাং*স খাচ্ছো তা মেয়েটারই।


চলবে----


 পরদেশি মেঘ

Rabi Al Islam

পর্ব ১


নেক্সট পার্ট সবার আগে আইডিতে পোস্ট করা হবে, নীল লেখার চাপ দিয়ে সবাই আইডি ফলো করুন। 👉 Choto Dairy 01

নতুন গল্প:  _রাত। পর্ব-------(১)

 আমি নাকি ভাবীর বু*কে ওগুলো তে হাত দিছি আর 'ভাইয়ের মৃত্যুর পর ভাবিকে বিয়ে করতে হবে কখনো কল্পনাও 

করতে পারিনাই আজ থেকে দুইমাস আগে একটি রোড এক্সিডেন্ডে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়।


'এরপর সবাই বলতেছে ভাবিকে যেনো আমি বিয়ে করি!

কারন ভাইয়ের দুটি সন্তান রয়েছে ওদের দেখা শোনা করতে হবে।

সবার এমন কথা শোনার পর কি করবো কিচ্ছু মাথায় ,

আসতে ছিলো না।


'এমন মুহূর্তে ভাবি আমার রুমে প্রবেশ করে বললো।


'হাসিব তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই আমি।

জানিনা তুমি কিভাবে কথা গুলা নিবে।


'হ‍্যাঁ বলুন।


'আমি বতর্মান একজন বিধবা নারী।

আর তুমি একজন অবিবাহিত পুরুষ এখন সবাই বলতেছে 

তুমি আমাকে বিয়ে করো এবং বাচ্চা দুটোর দায়িত্ব নাও।


'হ‍্যাঁ জানি।


'আমিও চাচ্ছিনা বাচ্চা গুলাকে রেখে অন‍্য কোথাও বিয়ে করতে।

এর চেয়ে ভালো তুমি আমাকে বিয়ে করো।

তাহলে সন্তান গুলাও মা হারা হবেনা আবার নিজের চাচাকে ,

বাবা স্বরূপ হিসেবে পাবে।


'সব কিছুই বুজলাম।

কিন্তু এটা কেমন হয়ে যায়না।

নিজের ভাবিকে শেষ পযর্ন্ত বিয়ে করবো।


'সমস‍্যা হবে কেনো।

তুমি আর আমি ঠিক থাকলেই তো হলো।


'এইটা ঠিক বলছো।


'হাসিব তুমি কী কোন মেয়ের সঙ্গে প্রেম করো নাকি?

যার কারনে আমাকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছো না।


'প্রেম ভালোবাসা কখনো করিনাই শুধুমাত্র বউকে ভালোবাসবো বলে।

কিন্তু নিজের ভাবিকে বউ হিসেবে দেখবো এইটা কখনো কল্পনাও 

করতে পারিনাই আমি।


'তার মানে তুমি আমাকে বিয়ে করতে চাওনা।


'হ‍্যাঁ চাই।


'ঠিক আছে আব্বা আম্মাকে আমি বলতেছি 

আমাদের বিয়ের ব‍্যবস্থা করতে।


'ঠিক আছে বলো।


'এরপর হাসিবের ভাবি মানে (সোনালি) শশুর শাশুড়ির কাছে গিয়ে বিয়ের ব‍্যবস্থা করতে বললো!

আজকে রাতেই বিয়ে হবে।


'এদিকে হাসিব মনে-মনে ভাবতে থাকে ভাবি আমাকে বিয়ে করার জন‍্যে এতো উতলা হয়েছে কেনো কাহিনি কী?


'ঠিক সেই মুহূর্তে সোনালি মানে হাসিবের ভাবি আবার হাসিবের 

রুমে এসে বলতে থাকে।


'হাসিব আজকে রাতেই আমাদের বিয়ে হবে।

বাবা মাকে সব কিছুর আয়জন করতে বলেছি।

{কথাটি বলেই সোনালি হাসিবের খুব কাছে চলে আসে}


'আরে ভাবি এসব কী করতেছেন।


'এখন থেকে আমি তোমার বউ বুঝলা। 

আমাকে ভাবি বলবে না সোনালি বলে ডাকবে।

আর কী করতেছি দেখতে পাচ্ছো না হবু স্বামীকে ভালোবাসা 

দিতে চাচ্ছি।


'প্লিজ দুরে থাকুন।

এখন পযর্ন্ত আমাদের বিয়ে হয়নি।

বিয়ের পর এসব নিয়ে চিন্তা করবো।


'একটু পরেই তো আমাদের বিয়ে।

তাহলে একটু ভালোবাসলে সমস্যা কোথায় পাগল।


'জানিনা আমি।


'ঠিক আছে রাত্রে বিয়েটা হোক মজা দেখাবো তোমাকে।

রেডি থাইকো কিন্তু।

{কথাটি বলে হন হন করে সোনালি বাহিরে চলে যায়}


'এরপর ঠিক রাত ৮:৩০মিনিটে কাজিকে বাসায় ডেকে এনে হাসিব এবং সোনালির বিয়েটা সম্পুর্ণ হয়।

বিয়ের পর যখন সবাই এক সঙ্গে খাওয়া দাওয়া করছিলো এমন মুহূর্তে সেখানে অভি চলে আসে।

মৃত অভিকে দেখা মাত্রই সবাই আকাশ থেকে যেনো মাঠিতে পরে।


চলবে,,,,


'পরবর্তীতে পর্বের জন‍্যে অপেক্ষায় থাকুন।


নতুন গল্প:  _রাত।

পর্ব-------(১)


পরের পর্ব সবার আগে নতুন পেজ এ পোস্ট করা হবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে ফলো করুন। 👉 Choto Dairy 01

সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

কেমন মেয়ে বিয়ে করলে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি?

 কেমন মেয়ে বিয়ে করলে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি?


ভুল মানুষকে বিয়ে করলে জীবন জাহান্নাম হয়ে যায়— এটা বইয়ে লেখা থাকে না। 


এটা বোঝা যায় দুপুর ৩টার ঝগড়ার পর রাতে খালি পেটে মনে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে একা ঘুমাতে গিয়ে।


বিয়ে নামক এই রহস্যময় চুক্তি নিয়ে আমাদের যত ভাবনা, তার ৯০%-ই কল্পনার ওপর ভিত্তি করে।


চেহারা, মেকাপ, হাসি—সব দেখে মনে হয়, 

এই মেয়েটাকে বিয়ে করলে জীবনটা সিনেমার  মতো হবে।


কিন্তু সমস্যা হয় তখনই, যখন সেই মুভির শেষে ভেসে ওঠে: To be continued… in Family Court.


চলুন, একটু বুঝি কেমন মেয়েদের বিয়ের পর ডিভোর্স হওয়াটা কেবল সময়ের ব্যাপার। 


১. যে নিজেকে আপনার প্রতিপক্ষ ভাবে


তার সঙ্গে আলোচনা মানে একেকটা বিতর্ক প্রতিযোগিতা।

তিনি বলবে— তুমি ভুল বলছো

আপনি বলবেন— ঠিক আছে, ভুল বলেছি।

তারপরও বলবে— তুমি কিছুই বুঝতে পারো না। তোমাকে বিয়ে করে আমার জীবনটা নষ্ট হয়ে গেল। 


বিয়ে যেখানে প্রতিযোগিতা হয়ে যায়, সেখানে ভালোবাসা হেরে যায়।


২. যে ভাবে—সংসার মানেই বাকি জীবন আমাকে কন্ট্রোল করা হবে!


এই টাইপ মেয়েরা সাধারণত বলে—

“আমাকে স্বাধীনতা দাও, আমাকে প্রশ্ন করবা না, আমি কার সঙ্গে কোথায় যাই তা বলার দরকার নেই।


ভালোবাসা আর স্বাধীনতা একসঙ্গে চলতে পারে—যদি সম্পর্কটা সম্মানের হয়।


কিন্তু সম্মানের মুখোশ পরে যদি সীমাহীন স্বার্থপরতা ঢুকে পড়ে, তখন ‘স্বাধীনতা’র নামে চলে ‘সম্পর্কবিনাশ’।


৩. যে ফেসবুককে ডায়েরি ভাবে


আজ ঝগড়া করলেন, কাল স্ট্যাটাস:

Some people don’t deserve love!

তারপর ইনবক্সে “আল্লাহ ভরসা আপু। কি হইছে বলেন না?” গ্যাং ঢুকল।


সংসার তখন আর ব্যক্তিগত থাকে না।

সবাই জানে আপনি সারাদিন ভাত পাননি, আর রাতে হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক ছিলেন।


৪. যে রান্না করতে পারে না, সেটা না—যে রান্না শেখার আগ্রহও রাখে না


রাঁধতে পারা জরুরি নয়।

কিন্তু যখন কেউ বলে, “আমি তো মডার্ন, রান্না-টান্না আমার কাজ না”

তখন বোঝা যায়, সে সংসার নয়, সারাজীবন রেডি-মেইড লাইফ চায়।


খিদে কিন্তু মডার্ন বুঝে না, চাহিদা বুঝে না—

সে শুধু খেতে চায়।


৫. যে তার পরিবারের লোকদের সম্মান দেয় না


বিয়ের আগেই যদি আপনি দেখেন—মেয়েটি মাকে ধমক দেয়, বাবার কথা শুনে না,

তাহলে আপনার পরিবারের জন্য তার হৃদয়ে জায়গা থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।


যে নিজের গাছের শিকড় কেটে দেয়, সে অন্য গাছের যত্ন নিবে কিভাবে?


৬. যে বলে—“ছেলেরা মানুষ না”


এই একটা লাইনেই বুঝে নিতে পারেন—

তার ধারণা অনুযায়ী সব ছেলেই খারাপ।

আপনি ব্যতিক্রম—এটা সে শুধু বিয়ের আগ পর্যন্ত বিশ্বাস করে।


তারপর একদিন দুপুরে আপনি বলে ফেলেন, “ডালে একটু বেশি লবণ হয়েছে।


আর সেদিনই আপনি তার চোখে পরিণত হন- ছেলে মানুষ মানেই অমানুষ। 


৭. যে সবসময় বলে—“আমার একটা ছেলেবেস্টফ্রেন্ড আছে”


বিয়ের পর সেই বন্ধু হঠাৎ খুব ঘনিষ্ঠ হয়,

হঠাৎ করে তার ফোনে নাম আসে: কলিজার দোস্ত।


আপনি বললে সে বলে—

তোমার সমস্যা কেন? তুমি insecure! তোমার মাইন্ড খুব ন‍্যারো! 


না ভাই, আপনি insecure না—

আপনি শুধু একজন স্বাভাবিক মানুষ, যার বুকের ভেতরে একটা প্রাণ আছে।


৮. যে সবসময় চায়—তার মতো সব চলবে


এই মেয়েরা “আমি, আমার, আমাকে” দিয়েই সংসার শুরু করে, আর সেখানেই শেষ।


আপনার পছন্দ, আপনার অপছন্দ, আপনার কষ্ট—এসব বিষয় তার রাডারে থাকে না।


সংসার যেখানে শুধু একপক্ষ শুনবে, সেখানে সম্পর্ক একদিন কান্না হয়ে ভেসে যায়।


৯. যে আত্মপ্রশংসায় ভীষণ ব্যস্ত


সবাই তাকে সুন্দরী বলে, স্মার্ট বলে,

সে নিজেকেই একমাত্র ‘লাভেবল’ ভাবে।

আপনি যেন একটা অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন—এমন ভঙ্গিতে কথা বলে।


এমন মেয়ের কাছে আপনি কখনো ভালোবাসার মানুষ নন। কেবল দিয়ে যাওয়ার গোলাম। 


১০. যে কখনো প্রাণ খুলে হাসে না


সে হয়তো দিনে তিনবার সেলফি তোলে,

কিন্তু একবারও প্রাণভরে হাসে না।


এমন মেয়েদের সঙ্গে জীবন মানে—

একটা সুন্দর, সাজানো ঘর; কিন্তু দরজা জানালা বন্ধ।

ভালোবাসা নেই, হাওয়া নেই।

শুধু নিঃশ্বাস টেনে বাঁচা।


বিয়ে মানেই একসাথে থাকা। 


কিন্তু প্রতিদিন যদি ‘একসাথে’ থেকে নিজেকে একা লাগে, তাহলে ডিভোর্স শুধু একটা কাগজ না, সেটা হয়ে দাঁড়ায়—নিজেকে বাঁচিয়ে তোলার একমাত্র রাস্তা।


সুতরাং…


চেহারা নয়। 


ডিগ্রি নয়।


দরকার এমন একজন মেয়ে, যার সঙ্গে ঝগড়া করলেও ঘুমানোর আগে সে বলে— ভালোবাসি তো। একটু হাসো। এখন চলো একসঙ্গে ঘুমাই।


ভুল মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার জীবন হবে একটা রিসাইকেল বিন।


প্রতিদিন ঝগড়া, প্রতিদিন মলিন মুখ, প্রতিদিন ঘুমের ভান করে কান্না।


কিন্তু ঠিক মেয়েকে বিয়ে করলে জীবনটা হবে…


এক কাপ চা, একটা গল্প, আর মানসিক শান্তিতে ভরা হাসিমুখ।

বউ না থাকার উপকারিতা

 ♦️বউ না থাকলে,

একটা ছোট্ট হারপিক অন্তত দশ বছর চলতে পারে...


♦️বউ না থাকলে,

একটা রুম ফ্রেশনারে সারা জীবন চলে যায়...


♦️বউ না থাকলে,

একটা ঘর মোছা ন্যাতা অন্তত পাঁচ বছর টেকে...


♦️বউ না থাকলে,

একটা পাতি দাঁতের ব্রাস দু বছর অব্দি চলে...


♦️বউ না থাকলে,

ডিওর কোনো প্রয়োজনই নেই..


♦️বউ না থাকলে,

তোয়ালে কেনার প্রশ্নই নেই। একটা গামছাই যথেষ্ট। পা মোছা গামছা, হাত মোছা তোয়ালে, মুখ মোছা টিস্যু, পিঠ মোছা টাওয়াল ইত্যাদি সমস্ত বিভাজন একটা সুতির গামছাই মেটাতে পারে।


♦️বউ না থাকলে,

জল আর উইল্কিনশন ব্লেডেই দিয়েই দাঁড়ি কামানো যায়। ফোম লোশন ইত্যাদি নিশ্চিন্তে ভুলে যেতে পারেন...


♦️বউ না থাকলে,

এরিয়াল, সার্ফ এক্সেল ইত্যাদির প্রয়োজন হয় না। পাঁচ টাকার রিনের গুড়ো তিন মাস চলবে...


♦️বউ না থাকলে,

হিম্যান ওম্যান শিম্যান ইত্যাদি বিভাজনের প্রশ্ন ওঠে না। জুই ফুল গন্ধ শ্যাম্পুও অবলিলায় গায়ে মাথায় মাখা যায়... লাল লাইফবয় সাবানও খুশিতে মাখা যায়... গায়ে বা মাথায়।


♦️বউ না থাকলে,

কোলগেটের গুঁড়োতেই কাজ চলে। নুন দেওয়া, চারকোল ঠোসা, লবঙ্গ পেষা, ফ্লোরাইড, ভিজিবল হোয়াইট ইত্যাদি পেষ্টের দরকার হয় না...


♦️বউ না থাকলে,

জামা প্যান্ট ইস্ত্রি করানোর খরচ শূন্য. তাছাড়া ইস্ত্রি লাগে এমন জামাকাপড় কেনারও প্রয়োজন নেই। পাতি টেরিকটের শার্টেও "ও লাভলি" বলার লোক প্রচুর আছে, সবাই যদিও স্বীকার করে না শিকার হবার ভয়ে...


♦️বউ না থাকলে,

আত্মীয় অনাত্মীয় আপ্যায়নের খরচ খুব কম...একটা ঝাল চানাচুরের প্যাকেটেই দশটা আপ্যায়নের কাজ চলে, মিষ্টি চানাচুর অনেকেই ভালো খান। সেইজন্যই ঝাল ভাবলাম...


♦️বউ না থাকলে,

কেবল কানেকশন লাগে না। ইউটিউব আর টোরেন্ট লিঙ্ক যথেষ্ট.. আর মাঝে সাঝে বড়দের সিনেমা...


♦️বউ না থাকলে,

হিট মর্টিন গুডনাইট অল আউট লাগে না। ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ারও ভয় নেই। জানলাই খুলবো না তো মশা আসবে কোত্থেকে... তাছাড়া মশার পছন্দসই ইন্ডোর আগাছাও বাড়িতে থাকে না, বউ না থাকলে...


♦️বউ না থাকলে,

ধুপকাঠি, নকুলদানা, বাতাসা, গুজিয়া, আমিষ নিরামিষ বাসন ইত্যাদি বাবদ জিরো এক্সপেন্স...


♦️বউ না থাকলে,

ইকোপার্ক নিকোপার্ক নলবন নানা ইকো রিসোর্ট ইত্যাদি যেতে লাগে না। বুড়ো আমগাছ তলায়, আরো জনা দুই বউছাড়া বন্ধুর সাথে বসে বিশ্বভ্রমনের সুখ পাওয়া যায়! টেকনিকটা জানতে হবে শুধু...


♦️বউ না থাকলে,

একবার মশারি টাঙালে অন্তত একমাস খোলার দরকার নেই। ধার গুটিয়ে গুটিয়ে ঠিক চালিয়ে নেওয়া যায়.. বছরে দুবার বিছানার চাদর আর বালিশের ওয়ার পাল্টানো যথেষ্ট...


♦️বউ না থাকলে,

বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ডালসেদ্ধ ঘি দিয়ে আর কাটা কাতলা পেটি ভাজা খেয়ে একশো বছর সুস্থ ভাবে বাঁচা যায়। দশ রকম শাক, নানা কিসেমর ভাজা, বড়ি সুক্ত সব্জি কাসন আচার যত্তসব.. 


এবং আরো আরো আরো... প্রচুর আছে এই তালিকার লিষ্ট। বহুজাতিক থেকে আঞ্চলিক ব্যবসা যত, সবই টিকে আছে শুধু নারীদের ভিত্তি করেই। এবং টিকে আছি আমরাও। আমাদের গায়ে গন্ধ নেই, শার্টে রিঙ্কেল নেই, মুখে ব্রন নেই...,  এও তো কোনো না কোনো নারীর খ্যাকানির ভয়েই। আমাদের রুপ, শিষ্টাচার, বা আরও যা কিছু পুরুষালি কাজকর্ম সবই তো কোনো না কোনো নারীর জন্যই। কথাতেই আছে না..


বন্যেরা বনে সুন্দর

পুরুষেরা নারীর ভয়ে,,,,


ভয়ে? নাকি ভালোবাসায়? নাকি ভক্তিতে? নাকি সবগুলো মিলে মিশেই..?


বড় জটিল এর উত্তর.. 

বোঝার ক্ষমতা নেই আমাদের,,,,বুঝে কাজও নেই,,,,🤔


এই বেশ টিকে আছি,,,,🤣😜

কিছু সংশ্লিষ্ট ইংরেজি শব্দের উচ্চারণসহ বাংলা অর্থ 

 💖 আরও কিছু সংশ্লিষ্ট ইংরেজি শব্দের উচ্চারণসহ বাংলা অর্থ 

⭐ *Love (লাভ) – ভালোবাসা

⭐ *In love (ইন লাভ) – প্রেমে পড়া

⭐ *True love (ট্রু লাভ) – প্রকৃত ভালোবাসা

⭐ *Fall in love (ফল ইন লাভ) – প্রেমে পড়া

⭐ *Madly in love (ম্যাডলি ইন লাভ) – পাগলের মতো প্রেমে

⭐ *First love (ফার্স্ট লাভ) – প্রথম প্রেম

⭐ *Secret love (সিক্রেট লাভ) – গোপন প্রেম

⭐ *Unspoken love (আনস্পোকেন লাভ) – না বলা ভালোবাসা

⭐ *One-sided love (ওয়ান-সাইডেড লাভ) – একতরফা প্রেম

⭐ *Long-distance love (লং-ডিস্ট্যান্স লাভ) – দূরত্বের প্রেম

⭐ *Love hurts (লাভ হার্টস) – প্রেম কষ্ট দেয়

⭐ *Heartbeat (হার্টবিট) – হৃদস্পন্দন

⭐ *Soulmate (সোলমেট) – আত্মার সঙ্গী

⭐ *Heart to heart (হার্ট টু হার্ট) – মন খুলে কথা

⭐ *Heartbroken (হার্টব্রোকেন) – হৃদয়ভাঙা

⭐ *Broken heart (ব্রোকেন হার্ট) – ভাঙা হৃদয়

⭐ *Breakup (ব্রেকআপ) – সম্পর্ক ছিন্ন

⭐ *We broke up (উই ব্রোক আপ) – আমরা বিচ্ছেদ করেছি

⭐ *I miss you (আই মিস ইউ) – আমি তোমাকে মিস করি

⭐ *Missed call, missed you – মিস করেছি

⭐ *I loved you truly (আই লাভড ইউ ট্রুলি) – আমি সত্যি ভালোবাসতাম

⭐ *Still love you (স্টিল লাভ ইউ) – এখনো ভালোবাসি

⭐ *Love is gone (লাভ ইজ গন) – ভালোবাসা হারিয়ে গেছে

⭐ *I’m hurt (আই’ম হার্ট) – আমি কষ্ট পেয়েছি

⭐ *I feel empty (আই ফিল এম্পটি) – ফাঁকা লাগছে

⭐ *Feeling lonely (ফিলিং লোনলি) – একা লাগছে

⭐ *I cried for you (আই ক্রাইড ফর ইউ) – তোমার জন্য কেঁদেছি

⭐ *I let you go (আই লেট ইউ গো) – তোমাকে ছেড়ে দিয়েছি

⭐ *I don’t love you anymore – আর ভালোবাসি না

⭐ *You broke my heart – তুমি আমার হৃদয় ভেঙেছো

⭐ *It's over – সব শেষ

⭐ *We’re just strangers now – আমরা এখন শুধু অপরিচিত

⭐ *I moved on – আমি সামনে এগিয়ে গেছি

⭐ *Let me go – আমাকে যেতে দাও

⭐ *It still hurts – এখনো ব্যথা দেয়

⭐ *Can’t forget you – ভুলতে পারি না

⭐ *Memories hurt – স্মৃতিগুলো কষ্ট দেয়

⭐ *Tears in my eyes – চোখে পানি

⭐ *Why did you leave? – তুমি কেন গেলে?

⭐ *Don’t come back – আর ফিরে এসো না

⭐ *I’m healing – আমি সেরে উঠছি

⭐ *Love fades – প্রেম ম্লান হয়ে যায়

⭐ *Time changes everything – সময় সবকিছু বদলায়

⭐ *Just a memory – শুধু একটুকরো স্মৃতি

⭐ *Missing the old days – আগের দিনগুলো মিস করি

⭐ *My heart is numb – মনটা শূন্য

⭐ *You meant everything – তুমি ছিলে সব

⭐ *All we had is gone – সবকিছু হারিয়ে গেছে

⭐ *Fake love (ফেইক লাভ) – ভুয়া ভালোবাসা

⭐ *Just friends – শুধু বন্ধু

⭐ *She left me – সে আমাকে ছেড়ে গেছে

⭐ *He cheated – সে প্রতারণা করেছে

⭐ *I regret – আমি অনুতপ্ত

⭐ *Love is painful – প্রেম কষ্টদায়ক

⭐ *Still waiting – এখনো অপেক্ষা করছি

⭐ *Letting go – ছেড়ে দেওয়া

⭐ *Heart full of scars – জখমে ভরা হৃদয়

⭐ *Tired of love – প্রেমে ক্লান্ত

⭐ *Can’t trust again – আর বিশ্বাস করতে পারি না

⭐ *Don’t love me – আমাকে ভালোবেসো না

⭐ *Too late – অনেক দেরি হয়ে গেছে

⭐ *No second chance – দ্বিতীয় সুযোগ নেই

⭐ *You’re my past – তুমি আমার অতীত

⭐ *Don’t call me again – আর ফোন দিও না

⭐ *It’s hard to move on – এগিয়ে যাওয়া কঠিন

⭐ *Let it be – যেভাবে চলছে চলুক

⭐ *Forget me – আমাকে ভুলে যাও

⭐ *Just walk away – চুপচাপ চলে যাও

⭐ *Lost feelings – হারিয়ে যাওয়া অনুভূতি

⭐ *Love turned into pain – প্রেম বদলে গেছে যন্ত্রণায়

⭐ *Used to love you – একসময় ভালোবাসতাম

⭐ *Can't hold back tears – কান্না থামাতে পারছি না

⭐ *Goodbye forever – চিরতরে বিদায়

শুধু অন্যকে সময় দিচ্ছেন।  আর তাতেই আয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা

 ভাবুন তো, 

আপনি বসে আছেন—

কোনো কাজ নেই, শুধু অন্যকে সময় দিচ্ছেন। 

আর তাতেই আয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা!

 হ্যাঁ, এটা কোনো গল্প নয়, একেবারে বাস্তব ঘটনা। 

এই কাহিনির নায়ক জাপানের শোজি মরিমোতো, যিনি ‘কিছু না করেই’ ৯৭ লাখ টাকার বেশি আয় করেছেন!


২০১৮ সালে চাকরি হারান শোজি। 

বসের কথাটা ছিল কড়া, “তুমি তো কিছুই করো না, আমার প্রতিষ্ঠানে তোমার কোনো অবদান নেই!” 

শোজি হয়তো কথাটা একটু বেশিই সিরিয়াসলি নিয়েছিলেন! কারণ, সেই ‘কিছু না করা’ই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় পেশা!


💡 কী করেন শোজি?


চাকরি হারানোর পর শোজি নিজের একটা ওয়েবসাইট চালু করেন। সেখানে স্পষ্ট ভাষায় লেখেন—

👉 “আমি কিছু করি না। তবে চাইলে আমি আপনার সঙ্গে থাকতে পারি, চুপচাপ পাশে বসে থাকতে পারি, কথা শুনতে পারি, কফি খেতে যেতে পারি!”


আর তাতেই বাজিমাত!


👫 মানুষ কী চায়?


মানুষ চায় সঙ্গ। যেমন—


কেউ চায় কেউ পাশে থাকুক যখন সে ডিভোর্স পেপারে সই করছে


কেউ চায় ম্যারাথনের শেষে কেউ দাঁড়িয়ে তালি দিক


কেউ চায় পার্টিতে একা না যাওয়া


কেউ চায় গল্প করতে একজন শ্রোতা


কেউ চায় স্রেফ একজন পাশে হাঁটুক, চুপচাপ


শোজির কাজ এগুলোই। তিনি কখনো কেক খেতে যান, কখনো ট্রেনে ১৭ ঘণ্টা ভ্রমণ করেন—শুধু কারও গল্প শোনার জন্য। কোনো উপদেশ দেন না, বিচার করেন না। শুধু একজন ভালো শ্রোতা আর ভদ্র সঙ্গী হয়ে থাকেন।


💸 কত টাকা আয় করেন?


শোজি জানান, অনেকেই তাঁর কাজ দেখে এত খুশি হন যে চুক্তির চেয়েও বেশি টাকা দেন। কখনো ঘণ্টায় ১০ ডলার, আবার কখনো হাজার ডলারও পেয়েছেন। ২০২৪ সালে তাঁর আয় দাঁড়ায় প্রায় ৮০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৯৭ লাখ)!


👪 শোজির জীবনদর্শন


আজ তিনি এক সন্তানের বাবা। 

তিনি বলেন, “সব কাজ সহজ ছিল না—অচেনা মানুষের সঙ্গে পার্টি, বরফে দাঁড়িয়ে থাকা, চুপচাপ মনোযোগ দিয়ে শোনা—তবুও আমি প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি। কারণ এটাই আমার পেশা। আর আমি আমার পরিবারকে সময় দিতে পারছি, এটাই আমার সাফল্য।”


🇯🇵 জাপানের বাস্তবতা


জাপানে এখন একাকিত্ব বড় সমস্যা। 

বিয়ে, সম্পর্ক—এই জিনিসগুলো থেকে তরুণ প্রজন্ম অনেকটাই দূরে। তাই মানুষের দরকার এমন কেউ, যে পাশে থাকবে, কিছু না করেও বুঝে যাবে। শোজির মতো মানুষদের জন্য তাই জাপানে চাহিদা বাড়ছেই।


বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, শোজি আসলে এমন একটা ‘চাহিদা’ পূরণ করছেন, যা আগে কেউ বোঝেনি। তিনি নিজেই এক প্রতিষ্ঠান, এক সমাধান, এক সঙ্গী।


শেষ কথা:

এই গল্প আমাদের শেখায়—জীবনের প্রতিটি ব্যর্থতার মাঝেও লুকিয়ে থাকতে পারে নতুন এক সম্ভাবনা। আপনি যদি অন্যের প্রয়োজন বুঝতে পারেন, তাহলে কিছু না করেও অনেক কিছু করা যায়।


(সংগৃহিত)

পরমাণু বোমা বানানো এত কঠিন কেন?

 পরমাণু বোমা বানানো এত কঠিন কেন?


মানবসভ্যতার ইতিহাসে বিজ্ঞানের আশীর্বাদ যেমন আমাদের আলো দিয়েছে, তেমনি কিছু আবিষ্কার আমাদের ছায়ায় ঠেলে দিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি আবিষ্কার হলো পরমাণু বোমা। এটি এমন একটি অস্ত্র, যা মুহূর্তে একটি শহর ধ্বংস করে দিতে পারে, লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে, এবং পৃথিবীর পরিবেশ, রাজনীতি ও মানবিক ভারসাম্য দীর্ঘকাল ধরে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এত ধ্বংসাত্মক একটি অস্ত্র তৈরিতে মানুষ এত আগ্রহী হলেও, কেন এর নির্মাণ এত জটিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের বিজ্ঞানের গভীরে, রাজনীতির ছায়ায় ও মানুষের নৈতিকতা ও প্রযুক্তির সীমারেখায় প্রবেশ করতে হয়। এই লিখায় আমরা বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করব—কেন পরমাণু বোমা বানানো এত কঠিন।


১. পরমাণু বোমা কী এবং এর কাজ করার পদ্ধতি


পরমাণু বোমা একটি বিশেষ ধরনের বিস্ফোরক যন্ত্র, যার শক্তি আসে পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরকার শক্তি থেকে। দুই ধরনের প্রক্রিয়ায় এই শক্তি উৎপন্ন হয়—নিউক্লিয়ার ফিশন এবং নিউক্লিয়ার ফিউশন।


ফিশন বোমা (নিউক্লিয়ার বিভাজন):

ইউরেনিয়াম-২৩৫ অথবা প্লুটোনিয়াম-২৩৯ এর মতো ভারী মৌল গরম হয়ে ভেঙে যায়, এবং সেই ভাঙনের সময় প্রচুর পরিমাণে শক্তি ও নিউট্রন বের হয়। এই নিউট্রন আবার অন্যান্য পরমাণুকে ভেঙে দেয়, ফলে একে একে একটি শৃঙ্খল বিক্রিয়া শুরু হয়। এই বিক্রিয়ার মাত্র কয়েক মিলিসেকেন্ডের মধ্যেই ঘটে ভয়ংকর বিস্ফোরণ।


ফিউশন বোমা (হাইড্রোজেন বোমা):

এখানে হালকা মৌল যেমন ডিউটেরিয়াম ও ট্রাইটিয়াম একত্রে মিলিত হয়ে হিলিয়ামে রূপান্তরিত হয়। এদের সংযুক্তির সময় যে শক্তি নির্গত হয়, তা ফিশন বোমার তুলনায় বহু গুণ বেশি। তবে ফিউশন ঘটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ফিশন বোমার প্রচণ্ড তাপ ও চাপ।


এখন এই প্রক্রিয়াগুলোর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বোঝা যতটা সহজ, বাস্তবে এগুলো বাস্তবায়ন করা ততটাই জটিল।


২. কাঁচামালের অভাব ও জটিলতা


পরমাণু বোমা বানাতে যে কাঁচামাল লাগে, তা সংগ্রহ করা খুব সহজ কাজ নয়। সবচেয়ে সাধারণ উপাদান দুটি হলো:


ইউরেনিয়াম-২৩৫:

প্রকৃতিতে ইউরেনিয়াম পাওয়া গেলেও এর মাত্র ০.৭% অংশ ইউ-২৩৫ হয়। বাকিটা ইউরেনিয়াম-২৩৮, যা বিস্ফোরণের জন্য উপযোগী নয়। কাজেই ইউরেনিয়াম-২৩৫ আলাদা করে বিশুদ্ধীকরণ করতে হয় যা এক বিশাল প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া—ইনরিচমেন্ট।


প্লুটোনিয়াম-২৩৯:

এটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না। এটিকে বিশেষ ধরনের পারমাণবিক চুল্লিতে ইউ

নায়ক থেকে কি ভাবে দূর্ধষ্য ভিলেন হলেন = রাজীব 

 নায়ক থেকে কি ভাবে দূর্ধষ্য ভিলেন হলেন = রাজীব 

তার আসল নাম = ওয়াসিমুল বারী রাজীব 

১৯৫২ সালেের ১লা জানুয়ারী পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলায় জন্ম গ্রহন - দূর্ধষ্য ভিলেন রাজীব 

তিনি ঢাকায় গ্যাস কোম্পানিতে চাকুরী করতেন - তার পাশা পাশি মন্চে অভিনয় করতেন - 

আর মনে মনে স্বপ্ন দেখতেন চলচ্চিত্রের নায়ক হওয়ার  

এরই মধ্যেই পরিচয় হয় - পরিচালক আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে এবং তারই পরিচালনার " রাখে আল্লাহ মারে কে " ছবিতে ছোট্ট একটি চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান - রাজীব 

আর এই ছবিতে স্যুটিং করতে এসে এফ ডি সিতে পরিচয় হয় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক - কাজী হায়াৎ এর সঙ্গে - এই পরিচয় পর্বটি বন্ধুত্বে রুপ নেয় - কাজী হায়াৎ কে রাজীব বলেন - বন্ধু যে করেই হোক আমাকে তুমি নায়ক বানাবে তোমার নেক্সট ছবিতে - 

কাজী হায়াৎ তার কথা রেখেছিলেন- তার পরিচালনার " খোকন সোনা " ছবিতে তাকে নায়ক বানান - রাজীবের বিপরিতে নায়িকা ছিলেন - জুলিয়া 

তারপর অন্জন সরকার পরিচালিত " ভুল বিচার " ছবিতেও রাজীব নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন - কিন্তু এই দুটি ছবিতেই তাকে নায়ক হিসেবে পাবলিক মানতে পারে নাই - 

আসে সেই মহেন্দ্র ক্ষন - 

ডাক পড়ে ভিলেন চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কিন্তু রাজীব তা মনে মনে কখনই হতে চাননি - তাকে ভিলেন হিসেবে প্রথম সুযোগ দেন - বাংলা চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক - আমজাদ হোসেন - 

শুরু হয় আমজাদ হোসেন পরিচালিত " ভাত দে " ছবির স্যুটিং এই ছবিতে - নায়ক আলমগীর আর নায়িকা শাবানাকে আর আনোয়ার হোসেনকে  অত্যাচার করা ভিলেন রাজীব একটি ভয়ংকর রাইস মিলের মালিকের চরিত্রে অভিনয় করেন। 

ছবিটি - ১৯৮৪ সালে মুক্তি পায় এবং রাতা রাতি ভিলেন হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন - রাজীব 

তিনি প্রায় ৪০০ টি ছবিতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করেন-

শ্রেষ্ট ভিলেন হিসেবে জিতে নেন ৪ বার জাতীয় চলচ্চিত্র  পুরস্কার - সেই ৪টি ছবির নাম উল্লেখ করা হইল -: 

১.হীরামতি = পরিচালক - আমজাদ হোসেন 

২. দাঙ্গা = পরিচালক - কাজী হায়াৎ 

৩. বিদ্রোহ চারিদিকে = 

৪. সাহসী মানুষ চাই = 

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে যে কজন দাপুটে ভিলেন ছিলেন, তাদের নাম উল্লেখ করছি - 

১. রাজু আহমেদ 

২. আজমল হুদা মিঠু 

৩. দারাশিকো 

৪. মন্জুর রাহী 

৫. আহমেদ শরীফ 

৬. আদিল 

৭. রাজীব 

তার সর্বশেষ অভিনীত ছবির নাম " অন্য মানুষ " পরিচালক - কাজী হায়াৎ আর অভিনয় করেছিলেন - কাজী মারুফ, শাবনুর 

তিনি প্রায় ৪ বছর এফ ডি সির ব্যাবস্হাপনা পরিচালক ( এম ডি)  ছিলেন - 

এই মহা-ভিলেনের মৃত্য হয় - ২০০৪ সালের ১৪ই নভেম্বর-

রাজীব ভাই আপনি একজন মহান ব্যাক্তি ছিলেন - দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে বেহেস্তবাসী করেন - 

বিঃদ্রঃ তার সাথে আমার প্রথম কাজ হয় - ১৯৯৫ সালে, ছবিটির নাম ছিলো - লাভার বয় - পরে নাম পরিবর্তন করে দেওযা হয় " চালবাজ " অভিনয় করেছিলেন - ওমরসানী, শাহানাজ - আমি ছিলাম " সহকারী পরিচালক " আর ছবিটির পরিচালক ছিলেন - শওকত জামিল 

ছবিটির প্রযোজক ছিলেন - রাজীব ও মিজু আহমেদ 

এই ছবির স্যুটিং করতে ছিলাম নারায়নগন্জ পাগলা - পপুলার স্টুডিওতে সেখানে আমাদের সাথে রাজীব ভাই অভিনয় করতেছিল - হঠাৎ করে তার ওয়ারলেস এ ফোন আসলো তার দুই ছেলে - জয় আর বিজয় পানিতে পড়ে মারা গেছেন নানীর বাড়ীতে গিয়ে - রাজীব ভাই কেঁদে দিলো - স্যুটিং পেকাপ করতে বললেন - পরিচালক শওকত জামিলকে - মিজু আহমেদ রাজীব ভাইকে নিয়ে চলে গেলেন কাঁদতে কাঁদতে - 

                        রবিউল ইসলাম রাজ 

                        চলচ্চিত্র পরিচালক 

                         01948-329383

৩৫০টি ছবিতে অভিনয় করেও অশ্লীল তকমা পেয়েছেন নায়ক= মেহেদী 

 ৩৫০টি ছবিতে অভিনয় করেও অশ্লীল তকমা পেয়েছেন নায়ক= মেহেদী 

নায়ক মেহেদীর জন্ম কিশোরগন্জ জেলায় মিয়াবাড়ীতে জন্ম গ্রহন করেন - কিন্তু তার বেড়ে উঠা সব কিছু ঢাকা টিকাটুলিতে - আর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ থেকে বি এ পাশ করেছেন - 

নায়ক মেহেদী ছোট বেলা থেকেই খুবই ট্যালেন্ট ছিলেন, তার স্কুলের এক অনুষ্টানে বিখ্যাত পরিচালক জহিরুল হক তাকে দেখেন এবং তার বাবাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন - মেহেদীর বাবা রাজী হন - 

তিনি - ১৯৮১ সালে প্রথম অভিনয় করেন শিশু শিল্পী হিসেবে - জহিরুল হক পরিচালিত " চেনামুখ " ছবিতে - ছবিটির প্রযোজক ছিলেন - নায়ক ফারুক 

শিশু শিল্পী হিসেবে তিনি প্রায় ৫০টির ও ছবিতে অভিনয় করেন - 

উল্লেখযোগ্য ছবি গুলো হলো - 

১. চেনামুখ 

২. জন্ম থেকে জ্বলছি 

৩. কাবিন 

৪. বিধাতা 

৫. ভাইবন্ধু 

৬. অন্যায় 

৭. নাগ জ্যোতি 

৮. চেতনা 

৯. নবাব 

১০. নান্টুঘটক 

১১. শরীফ বদমাশ 

১২. তিন বাহাদুর 

১৩. অহিংসা 

১৪. উনিশ বিশ 

১৫. দিদার 

১৬. কসম 

১৭. বিস্ফ্রোরন 

কিন্তু শিশু শিল্পী শামিম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসেন - প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন - পরিচালিত " জন্ম থেকে জ্বলছি " ছবিতে অভিনয় করে। 

এই ছবির তার লিপে " বাবা বলে গেলো আর কোন দিন গান করো না " গানটি এতোটা জনপ্রিয় হয় যে, সারা দেশের সবার মুখে মুখে গানটি স্হান পায় -  

ছবিটি ৩১-১২-১৯৮১ সালে মুক্তি পায় - 

নায়ক মেহেদী বড় হয়ে নায়ক হয়েছেন প্রায় ৩৫০টি ছবিতে- 

নায়ক হিসেবে তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবি গুলো হচ্ছে- 

১. পাগল মন 

২. নতিজা 

৩. বালিকা হলো বধু 

৪. শত জনমের প্রেম 

৫. পরান কোকিলা 

৬. মর্যাদার লড়াই 

৭. অচেনা মানুষ 

৮. শুধু তোমারী 

৯ প্রিয়া আমার প্রিয়া 

১০. তুমি আমার ভালোবাসা 

১১. বাস্তব 

১২. ভালোবাসা কারে কয় 

১৩. আমার স্বপ্ন আমার সংসার 

১৪. অবৈধ সন্তান 

আমার সঙ্গে নায়ক মেহেদীর আত্তার সম্পর্ক ছিলো - আমি যখন- প্রধান সহকারী পরিচালক - তখন এক সাথে অনেক ছবিতে কাজ করেছি - সেই সুবাদে আমাদের মধ্যে দু এক দিন পর পর ফোনে কথা হতো - 

কিন্তু আমি পরিচালক হবার পর আমার কোন ছবিতে তাকে নিতে পারি নাই - তবে আগামী ছবি গুলোতে তাকে নিয়ে কাজ করবো - 

তাকে অশ্লীল নায়কের তকমা দেওযা হয়েছিল এবং তার নামে মামলা এবং সরকারী ভাবে এফ ডি সি তে ঢোকার নিষেধাক্কা ছিলো - 

কিন্তু আমার প্রশ্ন - সে কি নিজে নিজে কাপড় খুলে ল্যাংটা হয়েছিল ক্যামেরার সামনে - না কি তাকে কাপড় খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল, না কি তিনি ফিল্ম পলেটিক্সের স্বীকার - এর উত্তরটি আপনারাই জানেন - 

মেহেদী আপনি যেখানেই থাকবেন, ভালো থাকবেন, সুস্হ্য থাকবেন, দোয়া রইল - 

                          রবিউল ইসলাম রাজ 

                           চলচ্চিত্র পরিচালক 

       .              .      01948-329383

রাত ৮টা ৩০মিনিটের সংবাদ তারিখ ২১-০৬-২০১৫

 রাত ৮টা ৩০মিনিটের সংবাদ

তারিখ ২১-০৬-২০১৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


আগামী জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ও নির্বাচনী তফসিল যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে --- জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের পছন্দের প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার --- বললেন উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।


উপকূলীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে --- বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসের সেমিনারে নৌ পরিবহন উপদেষ্টার আশাবাদ।  


বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা ও তাদের বিনিয়োগকে সুরক্ষিত করতে কাজ করছে সরকার --- বলেছেন বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান।


সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক খাতে সুশাসন ও স্থিতিশীলতা জোরদারে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক।


ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব রাজনৈতিক দলকে একজোট হয়ে সরকারকে সহযোগিতার আহ্বান বিএনপি মহাসচিবের।  


ইসরাইলি হামলা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইরানে চারশোর বেশি নিহত ---  ইসরাইল আঞ্চলিক শান্তির সবচেয়ে বড় বাধা --- ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে বললেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।


এবং গলে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার প্রথম টেস্ট ড্র --- দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করলেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...