এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫

কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হয় এবং চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ

 🔴 কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হয় এবং চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ

✅ কাঠের হিসাব:

কাঠের হিসাব করা অনেক সহজ। কাঠ মাপার হিসাবকে অনেকে কঠিন মনে করে। কিন্ত কাঠ মাপার হিসাব একদম সহজ। শুধু কয়েকটি কথা মনে রাখলেই চলবে।

আপনি যদি কাঠের মাপ না জানেন তাহলে কাঠ ব্যবসায়ী আপনাকে ভুলভাল হিসাব দিয়ে আপার থেকে বেশি টাকা নিয়ে নিতে পারে। অনেক কাঠ ব্যবসায়ী এরকমটা করে থাকে। 


ব্যবসায়ীরা এই চিটিং সহজেই করতে পারে, কারণ বেশিরভাগ মানুষ কাঠের হিসাব করতে পারেনা। তাই কাঠ ব্যবসায়ী যত কিউবিক ফিট (কেবি) বলে, মানুষ বিশ্বাস করে তত কিউবিক ফিট (কেবি) টাকা দিয়ে আসে। 


ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের এই অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আপনি যদি একটু সচেতন হতেন তাহলে আপনার থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতে পারত না। 


জেনে নিন কীভাবে চেরাই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে হয়। 


✅চেরাই কাঠের মাপ:

চেরাই কাঠ পরিমাপ করা একদম সহজ। আপনি দুইটি সূত্র মুখস্ত রাখতে পারলেই চেরাই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে পারবেন। 


চেরাই কাঠ পরিমাপের জন্য একটি সূত্র এবং গোল কাঠ পরিমাপ করার জন্য একটি সূত্র।


নিম্নের ১ম ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন। এখানে দৈর্ঘ্য ১০০ ফিট, প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি এবং উচ্চতা বা পুরত্ব ২ ইঞ্চি রয়েছে। এখন সবগুলোকে গুণ করে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে বের হয়ে যাবে এখানে কত কিউবিক ফুট বা ঘন ফুট কাঠ রয়েছে। এখন আসুন বাস্তবে হিসেব করে দেখি এখানে কতটুকু কাঠ রয়েছে।


(একটি জিনিস সব সময় মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং প্রস্থ ও উচ্চতা বা পুরত্ব হবে ইঞ্চিতে, না হয় হিসেব মিলবে না।)


সূত্র: (দৈর্ঘ্য  × প্রস্থ × পুরত্ব ) ÷ ১৪৪ 

= কিউবিক ফিট বা কেবি

সূত্রমতে (দৈর্ঘ্য ১০০ ফুট × প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি × পুরত্ব ২ ইঞ্চি ) ÷ ১৪৪

= (১০০ × ১৪ × ২) ÷ ১৪৪

= ২৮০০ ÷ ১৪৪


২৮০০ কে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি প্রায়।

অর্থাৎ ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ রয়েছে এখানে।


✅গোল কাঠের হিসাব:

নিম্নে ২য় ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন।

এখানেও একটি জিনিসি মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং গোল বেড় হবে ইঞ্চিতে।

সূত্র: ( দৈর্ঘ্য × গোলবেড়ি × গোলবেড়ি) ÷ ২৩০৪ = কিউবিক ফিট বা কেবি

সূত্রমতে: (দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট × ২০ ইঞ্চি × ২০ ইঞ্চি) ÷ ২৩০৪

বা ( ৪০ × ২০ × ২০ ) ÷ ২৩০৪

শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫

মাইকেল মধুসূদন দত্তের দাম্পত্য জীবন: প্রেম, পলায়ন ও পরিণতির এক করুণ কাব্য

 💔 মাইকেল মধুসূদন দত্তের দাম্পত্য জীবন: প্রেম, পলায়ন ও পরিণতির এক করুণ কাব্য

তিনি ছিলেন শুধু কবি নন—একজন বিদ্রোহী আত্মা। বাঙালি সমাজের প্রচলিত ধ্যানধারণা, শাস্ত্র, পারিবারিক অনুশাসন—কোনো কিছুই বাঁধতে পারেনি তাঁর মন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত, যিনি বিশ্বাস করতেন প্রেম হতে হবে প্রথম দর্শনে, বিয়ে হতে হবে ভালোবেসে—not সমাজ বা পরিবার দ্বারা নির্ধারিত পাত্রীতে।


তাঁর দৃষ্টিতে বাঙালি নারীরা ছিলো অশিক্ষিত, সীমাবদ্ধ, আর পশ্চিমা নারীদের মতো স্বাধীন বা আত্মবিশ্বাসী নয়। এমন নারীর সঙ্গে সংসার তাঁর কল্পনায় আসতে পারেনি। কিন্তু বাস্তব বড়ই কঠিন—ঊনিশ বছর বয়সেই তাঁর জন্য পরিবার পাত্রী ঠিক করে ফেলে।


তিনি জানতেন, সরাসরি প্রতিবাদ করলে হয়তো সমাজচ্যুত হবেন, কিন্তু ভেতরে ভেতরে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠেছিল। সেই আগুন তাঁকে ঠেলে দিলো ধর্মান্তরের পথে। ১৮৪৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, বিয়ের ১৫ দিন আগে, তিনি খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন। এ যেন এক নাটকীয় মুক্তি—ধর্ম বদলে পরিবার ও সমাজের পছন্দের বিয়েকে প্রত্যাখ্যান!


এভাবেই "মধুসূদন দত্ত" থেকে হয়ে উঠলেন "মাইকেল মধুসূদন দত্ত"।


🌹 প্রথম প্রেম: রেবেকা—এক অনাথ কিশোরীর প্রেমে কবি

নবধর্ম গ্রহণের পর তিনি গিয়ে উঠলেন মাদ্রাজে, যেখানে শিক্ষকতা করতে গিয়ে পরিচয় হলো এক শ্বেতাঙ্গ অনাথ তরুণী, রেবেকা ম্যাকটাভিশ-এর সঙ্গে। তাঁর সেই স্বপ্নের "নীল নয়না" যেন এসে দাঁড়াল বাস্তবে।


সমাজের কটাক্ষ, বর্ণবিদ্বেষ উপেক্ষা করে ১৮৪৮ সালের ৩১ জুলাই, রেবেকাকে বিয়ে করলেন কবি। এটা ছিল সাহসের চূড়ান্ত প্রকাশ—দেশি কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ তখন কোনো শ্বেতাঙ্গ নারীকে বিয়ে করে এমন দৃষ্টান্ত ছিল না।


দু’জনেই নিঃস্ব, কিন্তু ভালোবাসায় ছিল না কোনো অনটন। সংসারে আসলো চারটি সন্তান—কিন্তু জীবন দিতে লাগলো চেপে। মাত্র ৪৬ টাকার চাকরি দিয়ে চার সন্তান ও স্ত্রীর ভরণপোষণ, আর কবির শিল্পীসুলভ বিলাসিতা একসঙ্গে চলছিল না।


রেবেকা অসুস্থ হয়ে পড়ে সন্তান প্রসবের পর। তখন সে তার স্বজনদের বাড়ি চলে যায়। আর ঠিক সেই সময়েই কবি ভালোবেসে ফেলেন আরেকজনকে।


🌑 দ্বিতীয় অধ্যায়: হেনরিয়েটা—সহানুভূতির ছায়ায় জন্ম নেয় নতুন প্রেম

জর্জ হোয়াইট ছিলেন কবির সহকর্মী ও বন্ধু। হোয়াইটের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর, তার বড় মেয়ে হেনরিয়েটার জীবন হয়ে ওঠে অস্থির—বিমাতা, দুঃখ, অবহেলা। আর সেই দুঃখ-ছায়ায় কবির মনে জন্ম নেয় এক নতুন সহানুভূতি, যেটি প্রেমে পরিণত হয়।


রেবেকা তখন তৃতীয় সন্তানের গর্ভে, চতুর্থ সন্তানের অপেক্ষায়। আর মাইকেল নতুন প্রেমে বিভোর।


কলকাতা থেকে পিতার মৃত্যুর সংবাদ আসে। একমাত্র উত্তরাধিকারী হিসেবে ফিরে আসেন মাইকেল। আর ফিরে আসার আগেই তাঁর প্রেমের খবর জানাজানি হয়। রেবেকা সেই বিশ্বাসঘাতকতায় এতটাই আহত হন যে আর কখনো কবির কাছে ফেরেননি।


🥀 ভেঙে পড়া দুটি সংসার, নতুন সংসারে বিলাস আর বিচারের পালা

হেনরিয়েটা কলকাতায় এলে কবি তাঁর সঙ্গে নতুন সংসার শুরু করেন। কবি তখন খ্যাতিমান, পৈতৃক সম্পত্তিও কিছুটা উদ্ধার করেন। কিন্তু হেনরিয়েটা তাঁর স্ত্রী নন—কারণ রেবেকা তাঁকে তালাক দেননি, আর খ্রিষ্ট ধর্মে একাধিক স্ত্রী বৈধ নয়। এ ছিল এক অসম্পূর্ণ, কিন্তু গভীর সম্পর্ক।


পরে, ব্যারিস্টারি পড়ার আশায় কবি বিলেতে রওনা দেন। হেনরিয়েটা সন্তানদের নিয়ে পেছনে পড়ে থাকেন। দেশে স্বার্থান্বেষী আত্মীয়রা সম্পত্তি থেকে তাদের উচ্ছেদ করতে উঠেপড়ে লাগে। বাধ্য হয়ে হেনরিয়েটা সন্তানদের নিয়ে লন্ডনে কবির কাছে চলে যান। সেখানে শুরু হয় কবির ঋণের পাহাড়, হেনরিয়েটার মাদকাসক্তি ও নিদারুণ দারিদ্র্য।


ফিরে আসেন দেশে—ধার করে থাকা, ঘন ঘন বাসা বদল, মদ্যপান, অসুস্থতা—সব মিলিয়ে কবির পতনের শেষ অধ্যায় শুরু হয়। গলায় ঘা, রক্তপাত, জ্বর, চলাফেরা করতে না পারা। আশ্রয় মেলে বস্তিতে। আরেকবার কবি কন্যার বিয়ের ব্যবস্থা করে কষ্টের ভার লাঘব করতে চান। কিন্তু ভাগ্য সেখানে থেমে থাকেনি।


🖤 অন্তিম দিন ও চিরবিদায়: যখন কবিতা আর প্রেম শেষ অবধি পৌঁছায়

১৮৭৩ সালের ২৬ জুন, হেনরিয়েটা ৩৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তার মাত্র তিনদিন পর, কবি নিজেও মৃত্যুবরণ করেন ২৯ জুন—এক অশ্রুমাখা, অর্থহীন প্রতিজ্ঞার মতো।


এ যেন পরিণতি নয়, এক দীর্ঘশ্বাসের নাম।


রেবেকা, যিনি কবির প্রেমে সমস্ত সমাজের প্রতিবাদ উপেক্ষা করেছিলেন, পরে আর কখনো তাঁর কাছে ফিরলেন না—তবু তিনিই বেঁচে থাকলেন দীর্ঘদিন, ১৮৯২ সাল পর্যন্ত। হয়তো রেবেকা ছিলেন তাঁর বাস্তব সংসারের প্রতীক, হেনরিয়েটা তাঁর কল্পনার রাজরানী।


🕯️ শেষ কথা

মাইকেল মধুসূদন দত্তের দাম্পত্য জীবন যেন এক ট্র্যাজিক মহাকাব্য—ভালোবাসা, প্রতারণা, আত্মতৃষ্ণা, বিদ্রোহ, বিলাসিতা ও চূড়ান্ত নিঃস্বতার এক দীর্ঘ অভিসার। এখানে প্রেম আছে, ত্যাগ আছে, কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে যে বেদনার দীর্ঘ রেখা ছড়িয়ে আছে, তা তাঁর কাব্যকেও ছুঁয়ে যায়।


একজন কবির অন্তরের গভীরে যে আর্তনাদ ছিলো—তা শুধু শব্দে নয়, জীবনে ফুটে উঠেছে।

যেন সত্যিই তিনি জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন—

"বিধাতা, তুমি একই সাথে আমাদের দু’জনকে নিলে না কেন?"


✍️ লেখাটি ভালো লাগলে—লাইক, শেয়ার ও অনুসরণ করুন

বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫

অ্যাকিউট ডিজিজ এর চিকিৎসা করার জন্য কিছু পিকিউলিয়ার সিমপটমস জেনে রাখুন-----

 🔸🪴 অ্যাকিউট ডিজিজ এর চিকিৎসা করার জন্য কিছু পিকিউলিয়ার সিমপটমস জেনে রাখুন-----


★ ঝরনা বা পাহাড়ী নদীতে যখন জল কল কল করে উপর থেকে নিচে নামে, তা দেখে মাথা ঘুরে যায় ----ফেরাম মেটালিকাম,


★ মেয়েদের ঋতুস্রাব এত কম যে মাত্র এক বা দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়, তার বেশী আর হয় না----ইউফ্রেশিয়া ,


★ মেয়েদের প্রিয়ড হওয়ার নির্দিষ্ট তারিখে ---প্রিয়ড হয় না, কিন্তু ঠিক সেই দিনগুলিতেই ----প্রচুর সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া হয়----- ককুলাস ইন্ডিকা,


★ প্রিয়ডের তারিখগুলিতে প্রিয়ড হয় না , কিন্তু ঠিক সেই সময় প্রচন্ড মাথা যন্ত্রণা হয়----- গ্লোনয়িন ,


★প্রত্যেকবার কাশির ধমক শেষ হলে এক টুকরো দূর্গন্ধ কফ মুখের ভেতর থেকে ঠিকরে বাইরে পড়ে ---- ক্যাপসিকাম ,


★ মাথার চুল গায়ে গায়ে বড্ড জড়িয়ে যায়, যাকে বলে চুলে জট পড়ে --- বোরাক্স,


★ খাবার দাবারের গন্ধ একেবারেই সহ্য হচছে না, যে কোন রান্না করা খাবার দেখলেই বমি আসছে, ----ককুলাস ইন্ডিকা,


★ দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে ঠিক মতন প্রস্রাব করতে পারে, বসে করতেই পারে না -- অসুবিধা হয় ----- সার্সাপেরিলা৷,


★ পেট ব্যথার সময় মনে হয় পেটের সামনের দিক থেকে একটা দড়ি বা বেল্ট দিয়ে পেটটাকে যেন পিছন দিকে ভার্টিব্রাল কালামের সাথে টাইট করে কেউ বেঁধে রেখেছে -----প্লাম্বাম মেটালিকাম ,


★ হার্টে মনে হয় শক্ত লোহার তার দিয়ে টাইট করে পিছন দিকে বেঁধে রেখেছে ---- ক্যাকটাস,


★ নতুন বিবাহিতা মহিলাদের প্রস্রাবের রোগ, প্রস্রাব আটকে যাচ্ছে , সাথে জ্বালা ও ব্যথা --- স্টাফিসেগ্রিয়া,


★ সামনা সামনি বসলেও চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারে না, অন্য দিকে তাকিয়ে অাড় চোখে কথা বলে----- স্টাফিসেগ্রিয়া ,


কলেরা টি বি, ক্যান্সার, এসব বড় বড় অসুখের বড্ড ভয় ---- নাইট্রিক অ্যাসিড,


★ টিন এজের ছেলেরা রাত দিন একা থাকতে চায়, বাইরে বেরুতে চায় না, বদ্ধ ঘরের মধ্যে থেকে শুধু হস্তমৈথুন করার ইচ্ছা------ বিউফো রানা,


★ প্রত্যেকবার মাসিকের সময় গলায় ব্যথা হবেই হবে ----ম্যাগ কার্ব, ল্যাক ক্যানাইনাম,


★ প্রত্যেকবার মাসিকের সময় পাতলা পায়খানা হবেই হবে ------এ্যামন কার্ব, বোভিষ্টা, ভিরেট্রাম এ্যালবাম, পালসেটিলা,


★ প্রত্যেকবার মাসিকের সময় পায়খানা খুব শক্ত হয়ে যায় ----সাইলিসিয়া


★ প্রত্যেকবার মাসিকের আগে বা পরে মুখে ব্রণ বের হয় --কোনিয়াম, ডালকামারা৷


চলবে

মানবদেহের অলৌকিকতা: স্রষ্টার নিখুঁত সৃষ্টি ও বিজ্ঞানের বিস্ময়

 মানবদেহের অলৌকিকতা: স্রষ্টার নিখুঁত সৃষ্টি ও বিজ্ঞানের বিস্ময়


মানবদেহ—এই একটি সৃষ্টি এতটাই জটিল, এতটাই নিখুঁতভাবে গঠিত যে, একজন চিকিৎসক সারাজীবন শুধু একটি অঙ্গ নিয়েই গবেষণা করে কাটিয়ে দিতে পারেন—তবুও সে পূর্ণরূপে তা বোঝেন না। আজকের আধুনিক বিজ্ঞানের সব উন্নতির পরও আমরা এখনো মানবদেহের বহু রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারিনি।


এই শরীর শুধু হাড়-মাংসের কাঠামো নয়—এটি অলৌকিকতার এক জীবন্ত নিদর্শন। কুরআন বলেছে:


> "وَفِي أَنفُسِكُمْ ۚ أَفَلَا تُبْصِرُونَ"

“আর তোমাদের নিজের মধ্যেই তো বহু নিদর্শন আছে, তবুও কি তোমরা দেখবে না?”

— সূরা আদ-ধারিয়াত: ২১


১. মানব মস্তিষ্ক: মহাবিশ্বের চেয়েও জটিল


একটি মানব মস্তিষ্কে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে, এবং প্রতিটি নিউরন অন্যদের সঙ্গে হাজারো সংযোগ তৈরি করে—ফলাফল: একটি নিউরোনাল নেটওয়ার্ক যা ১০০ ট্রিলিয়নেরও বেশি সংযোগ তৈরি করে।


মস্তিষ্ক প্রতি সেকেন্ডে দশ হাজারের বেশি তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে, আমাদের চেতনা তা বুঝে ওঠার আগেই।


➡️ কিন্তু আশ্চর্য যে, এই মস্তিষ্ক কোনো “চার্জার” ছাড়া চলতে থাকে। হৃদয় আর অক্সিজেনই তার জ্বালানি।


২. হৃদপিণ্ড: এক অক্লান্ত ইঞ্জিন


মানব হৃদয় প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ বার স্পন্দিত হয় এবং প্রায় ৭,৫০০ লিটার রক্ত পাম্প করে।


এটি এক মুহূর্তের জন্যও থামে না। যদি থেমে যায়—জীবনও থেমে যায়।


➡️ সৃষ্টিকর্তা এর যান্ত্রিক গঠন এমন নিখুঁতভাবে বানিয়েছেন—যেটি একটানা ৬০–১০০ বছর পর্যন্ত চলে যায় বিদ্যুৎ বা ব্যাটারি ছাড়াই!


৩. মানব চক্ষু: এক জটিল ক্যামেরা


চোখ প্রতি সেকেন্ডে সাড়ে তিন লাখ বার তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে।


মানুষের চোখ ১০ মিলিয়ন রঙ পার্থক্য করতে পারে, এবং আধুনিক প্রযুক্তি এখনও এই পরিমাণ তথ্য প্রক্রিয়া করতে পারে না।


রেটিনা এত সংবেদনশীল যে, একটি জ্যোতির্ময় নক্ষত্র রাতের আকাশে দেখেও আমরা তার আলোর সন্ধান পেয়ে যাই।


➡️ অথচ এই চোখ মাত্র ২.৫ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের।


৪. ডিএনএ: আমাদের জীবনের কোডবই


প্রতিটি মানুষের দেহে প্রায় ৩৭ ট্রিলিয়ন কোষ আছে। প্রতিটি কোষে আছে ডিএনএ—একটি জটিল জেনেটিক কোড।


ডিএনএ-র এককোটিরও বেশি "বর্ণ" (base pair) আছে, যা যদি টাইপ করে কাগজে লেখা হয়, তবে তা প্রায় ৬০০,০০০ পৃষ্ঠার একটি বই হবে।


➡️ এটি সেই কোড যা বলে দেয়—তোমার গায়ের রঙ কেমন হবে, চোখ কেমন হবে, কণ্ঠস্বর কেমন, এমনকি তুমি কোন রোগে বেশি আক্রান্ত হতে পারো!


 ৫. হাড় ও পেশী: শক্তির আশ্চর্য খনি


মানুষের হাড় তার ওজনের তুলনায় ৫ গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে।


আমাদের শরীরের পেশী ও স্নায়ু এমনভাবে কাজ করে, যাতে মিলিমিটার পরিমাণ গতিও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


➡️ কেবল একটি আঙুল নাড়ানোর জন্য ৩০টিরও বেশি পেশী কাজ করে।


৬. রক্ত: প্রাণের নদী


মানবদেহে রক্তনালীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১ লক্ষ কিমি—যা পৃথিবীকে ২.৫ বার ঘুরিয়ে ফেলার মতো।


রক্ত কোষ প্রতি ২০ সেকেন্ডে একবার দেহের সব কোষে পৌঁছে যায়—অক্সিজেন, হরমোন, পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে আবার ফিরে আসে।


➡️ আমরা গভীর ঘুমে থাকলেও এই নীরব সিস্টেম কাজ করে যায়!


৭. ঘুম ও স্বপ্ন: দেহ-মন রিফ্রেশারের অলৌকিকতা


ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক "ডেটা ক্লিনআপ" করে—অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলে, গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি সংরক্ষণ করে।


স্বপ্ন এমন এক মানসিক জগৎ, যেখানে আমরা দেখি অতীত, ভবিষ্যৎ, কখনও অদ্ভুত, কখনও বাস্তবের ছায়া!


➡️ নবী ﷺ বলেছেন: “স্বপ্ন নবুওতের একটি অংশ।” (সহিহ মুসলিম)


ইসলাম ও মানবদেহ: সম্পর্ক কী?


ইসলাম মানবদেহকে "আমানত" হিসেবে দেখে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গের জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে:


> “যখন তাদের কানে, চোখে ও ত্বকে সাক্ষ্য দিতে বলা হবে তারা বলবে: 'তোমরা কেন আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে?' তারা বলবে: ‘আমাদের কথা বলিয়েছেন সেই আল্লাহ, যিনি সব কিছুকেই বাকশক্তি দিয়েছেন।’”

— সূরা হা-মীম সিজদাহ: ২০–২১


উপসংহার:


মানবদেহ কোন সাধারণ জৈবিক গঠন নয়—এটি এমন এক অলৌকিক ইঞ্জিন যার প্রকৌশলী একমাত্র আল্লাহ। এই শরীরের প্রতিটি অঙ্গ, প্রতিটি কার্যক্রম আমাদের মনে করিয়ে দেয় স্রষ্টার অস্তিত্ব, তার জ্ঞান ও ক্ষমতার সীমাহীনতা।


✅ বিজ্ঞান যখন বলে “বিস্ময়”,

 তখন কুরআন বলে—“তাফাক্কুর করো।”


🤲 আল্লাহর কাছে দোয়া:

হে আল্লাহ! আপনি যেভাবে আমাদের শরীর গঠন করেছেন, তেমনি আমাদের মন, আত্মা ও ঈমানকেও সুস্থ ও পরিশুদ্ধ করুন। আমাদের শরীরকে আপনার ইবাদতের জন্য ব্যবহার করার তাওফিক দিন।

আমিন।

বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫

হৃদরোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা -

 🔸🌵 হৃদরোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা -


হৃদরোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রোগীর লক্ষণভিত্তিক, ব্যক্তিকেন্দ্রিক এবং রোগের প্রকৃতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। নিচে কিছু সাধারণ হৃদরোগ ও তাতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সংক্ষিপ্ত আলোচনা দেওয়া হলো:


 🫀 সাধারণ হৃদরোগের ধরন ও উপসর্গ:


1. হৃৎপিন্ডের দুর্বলতা (Cardiac weakness)

2. উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension)

3. বুক ধড়ফড় করা বা অনিয়মিত স্পন্দন (Palpitation)

4. এনজাইনা বা হৃদযন্ত্রে ব্যথা (Angina pectoris)

5. হার্ট ফেইলুর বা হৃদযন্ত্র ব্যর্থতা (Heart failure)


🌿 গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধসমূহ:


1. Crataegus Oxyacantha/


ব্যবহার: হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করে, উচ্চ রক্তচাপে উপকারী।

বিশেষত্ব: এটি "heart tonic" হিসেবে কাজ করে।


2. Digitalis Purpurea/ ডিজিটালিস পারপুরা


ব্যবহার: হৃদস্পন্দন ধীর কিন্তু শক্তিশালী – অনুভব হয় যেন প্রতি স্পন্দনের পর থেমে যায়।

বিশেষত্ব: দুর্বল হৃদযন্ত্রে কার্যকর।


3. Cactus Grandiflorus/ ক্যাকটাস গ্রান্ডিফ্লোরা


ব্যবহার-  বুকে যেন কেউ চেপে ধরে আছে – হৃদযন্ত্র সংকোচনের মতো ব্যথা।

বিশেষত্ব: এনজাইনা ও বুক ধড়ফড় করার ক্ষেত্রে উপকারী।


 4. Aurum Metallicum/  অরাম মেট


ব্যবহার: উচ্চ রক্তচাপ, দুশ্চিন্তা, হতাশা ও হৃদকম্প।

বিশেষত্ব: মানসিক চাপজনিত হৃদরোগে কার্যকর।


 5. Spigelia / স্পাইজেলিয়া


ব্যবহার: হৃদযন্ত্রের ব্যথা বামদিকে ছড়িয়ে পড়ে, মাঝে মাঝে হাতেও যায়।

**বিশেষত্ব: সংবেদনশীল ও দ্রুত স্পন্দনবিশিষ্ট হৃদরোগে ব্যবহৃত হয়।


 6. Lachesis/ ল্যাকেসিস 


ব্যবহার: রক্তচাপ বাড়ে, গলা বা বুকে চাপ লাগলে খারাপ হয়।

বিশেষত্ব: মেয়েদের মেনোপজ পরবর্তী হৃদরোগে উপকারী।


 7. Adonis Vernalis এডোনিস ভার্সন 


ব্যবহার: দীর্ঘস্থায়ী হৃদযন্ত্র দুর্বলতা বা হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেলে।

বিশেষত্ব: এটি কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং প্রস্রাবের পরিমাণও বাড়ায়।


⚠️ সতর্কতা:


* হৃদরোগের ক্ষেত্রে নিজে চিকিৎসা না করে অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

* হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যক্তি ও উপসর্গভিত্তিক হওয়ায় একজনের ওষুধ অন্যজনের ক্ষেত্রে কার্যকর নাও হতে পারে। একজন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর নিকট থেকে চিকিৎসা নিন।

Cd

মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

টাকানেই মানে আপনার কোনো দাম নেই

 📌টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন আপনার আদরের সন্তান দোকানে দাঁড়িয়ে একটা খেলনা পছন্দ করে, কিন্তু আপনি সেটা কিনে দিতে ব্যর্থ হন!


টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখেন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে আপনাকে কম গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, যখন শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে বুঝতে পারেন, আপনার তুলনায় অন্য জামাইকে বেশি আদর আপ্যায়ন করা হচ্ছে, কারণ সে ধনী।


টাকার গুরুত্ব তখনই বোঝা যায়, আপনার স্ত্রীর ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো আপনি পূরণ করতে পারেন না, আর এজন্য সে আপনাকে উঠতে বসতে খোঁটা দেয়।


পরিবার নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে, বিল দেওয়ার সময় বুঝবেন টাকা কতটা জরুরি।


যখন আপনার কাছে টাকা নেই বলে বন্ধুরাও আপনাকে মূল্যায়ন করে না, তখন উপলব্ধি করবেন কেন টাকা দরকার।


যখন দেখবেন, আপনার টাকা নেই বিধায় আত্মীয়স্বজন আপনার সাথে দূরত্ব বজায় রেখে চলে, তখন স্পষ্ট হবে টাকার মূল্য।


বিপদের সময় দেখবেন, আপনার টাকা কম বলে কেউ আপনার পাশে থাকে না, আপনার প্রতি সহানুভূতি দেখায় না! তখন সত্যিকার অর্থে বুঝবেন টাকার প্রয়োজনীয়তা।


টাকার অভাবই মানুষকে শেখায় এর গুরুত্ব। তাই নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে হলে, টাকা কামাই করতে শিখুন। কারণ, জীবনের ৮০% সমস্যার সমাধান টাকা দিয়েই সম্ভব!

মানব জীবন + হোমিওপ্যাথি"

 বিবাহিত মহিলাদের অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা (Nymphomania বা Excessive Sexual Desire) এবং সঙ্গীর অপর্যাপ্ত মনোযোগের কারণে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের দিকে ঝোঁক একটি জটিল সামাজিক ও মানসিক সমস্যা। হোমিওপ্যাথিতে এই অবস্থার চিকিৎসার জন্য মানসিক লক্ষণ, শারীরিক উপসর্গ এবং রোগীর সামগ্রিক প্রকৃতি বিবেচনা করে ওষুধ নির্বাচন করা হয়।


হোমিওপ্যাথিক ওষুধের তালিকা (প্রধান ৫টি):


1. Platina (প্লাটিনা)

মানসিক লক্ষণ:

অতিরিক্ত যৌন কল্পনা, অহংকারী ও নার্সিসিস্টিক প্রবণতা।

সঙ্গীর প্রতি অবজ্ঞা বা তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভাব।

উত্তেজনার সাথে যৌনাঙ্গে অসাড়তা বা অতৃপ্তি।


শারীরিক লক্ষণ:

যৌনাঙ্গে সংবেদনশীলতা, রজঃস্রাবের সময় যন্ত্রণা।

উত্তেজনার পরেও তৃপ্তির অভাব।


2. Nux Vomica (নাক্স ভমিকা)

মানসিক লক্ষণ:

অতিরিক্ত উত্তেজনা, কিন্তু তা দমনের চেষ্টা করে।


স্বামীর প্রতি রাগ বা বিরক্তি, অস্থিরতা।

কাজের মধ্যে ডুবে থাকলেও যৌন চিন্তা ভাবনা করে।


শারীরিক লক্ষণ:

পেলভিক অঞ্চলে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি।

কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যালকোহল বা মশলাদার খাবারের প্রতি ঝোঁক।


3. Lilium Tigrinum (লিলিয়াম টাইগ্রিনাম)

মানসিক লক্ষণ:

ধর্মীয় বা নৈতিক দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে, কিন্তু যৌন ইচ্ছা দমন করতে পারে না।

হৃদয়ে চাপ বা ব্যথা অনুভব করা।

সব সময় যৌন চিন্তা, বিশেষ করে ধর্মভীরু মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।


শারীরিক লক্ষণ:

জরায়ুতে টান বা ভারী ভাব, যোনিপথে জ্বালাপোড়া।

ডান ডিম্বাশয়ে ব্যথা, হাঁটলে বেড়ে যায়।


4. Origanum (ওরিগ্যানাম)

মানসিক লক্ষণ:

অতিরিক্ত উত্তেজনা, প্রায়শই যৌন স্বপ্ন দেখা।

সঙ্গীর অনুপস্থিতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি।


শারীরিক লক্ষণ:

রজঃস্রাবের সময় উত্তেজনা বৃদ্ধি।

যৌনাঙ্গে গরম ভাব, ঘন ঘন যৌন ইচ্ছা।


5. Selenium (সেলেনিয়াম)

মানসিক লক্ষণ:

দুর্বল স্নায়ুতন্ত্র, কিন্তু যৌন চিন্তা প্রবল।

স্বামীর প্রতি আকর্ষণ কম, কিন্তু অন্য পুরুষদের প্রতি আকর্ষণ।


শারীরিক লক্ষণ:

শুক্রাণু বা যোনি স্রাবের সাথে দুর্বলতা।

উত্তেজনার পরে শারীরিক দুর্বলতা।


সাধারণ ব্যবস্থাপনা:

এই ওষুধগুলো এক্সপার্ট হোমিওপ্যাথের পরামর্শে সেবন করা উচিত।


মানসিক চাপ কমানোর জন্য ধ্যান, যোগব্যায়াম বা কাউন্সেলিং প্রয়োজন।


স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে খোলামেলা আলোচনা ও সম্পর্ক উন্নয়ন জরুরি।


দ্রষ্টব্য: হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যক্তিগত লক্ষণের উপর নির্ভরশীল, তাই স্ব-চিকিৎসা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


"মানব জীবন + হোমিওপ্যাথি"

 এর পেইজের এর সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

 ৩, ৬, ৯-এর শক্তিঃ টেসলার ভাষায় মহাবিশ্বের কোড?

 🔺 ৩, ৬, ৯-এর শক্তিঃ টেসলার ভাষায় মহাবিশ্বের কোড?


(সৃষ্টির রহস্যময় গাণিতিক ত্রয়ী)


নিকোলা টেসলা একবার বলেছিলেন—

“যদি তুমি ৩, ৬ এবং ৯-এর মাহাত্ম্য বুঝতে পারো, তবে তুমি মহাবিশ্বের চাবি পেয়ে যাবে।”


এটা কি নিছক এক রূপক বাক্য?

নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক গভীর গাণিতিক সত্য—যা সৃষ্টি, কম্পাঙ্ক ও চেতনার কেন্দ্রবিন্দু?


এই সংখ্যাগুলো শুধুমাত্র অঙ্ক নয়।

৩, ৬ ও ৯—এরা যেন মহাবিশ্বের ভাষা, এক গোপন নকশার কুণ্ডলী।

যেখানে বিজ্ঞান, গণিত, আধ্যাত্মিকতা এবং শক্তি একসাথে মিলিত হয়।

---

🔹 ভর্টেক্স ম্যাথমেটিক্সঃ সংখ্যার ঘূর্ণিপথ ও টেসলার সূত্র


মার্কো রোডিন উদ্ভাবিত Vortex Mathematics বা ঘূর্ণি-গণিতে দেখা যায়, সংখ্যাগুলো একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্নে ঘুরতে থাকে।

১ থেকে ৯ পর্যন্ত এক অদ্ভুত চক্র আবর্তিত হয়:


১ → ২ → ৪ → ৮ → ৭ → ৫ → (আবার ১)

এই সাইকেলটা হলো পদার্থগত সৃষ্টির ধারা।


কিন্তু ৩, ৬ এবং ৯?

তারা এই চক্রের বাইরের, এক ভিন্ন মাত্রার প্রতিনিধিত্ব করে।


৩ + ৩ = ৬


৬ + ৬ = ১২ → ১ + ২ = ৩


৩ + ৬ = ৯


৯ + ৯ = ১৮ → ১ + ৮ = ৯


৯ সবসময় ৯-ই থেকে যায়। সে নিজেই নিজের প্রতিফলন।

সে একটি চিরস্থায়ী উৎসবিন্দু—জন্ম নয়, সমাপ্তিও নয়—বরং এক শাশ্বত কেন্দ্রমূল।

---

🔹 পবিত্র জ্যামিতি ও সৃষ্টির ত্রিভুজ


৩, ৬, ৯ সংখ্যাগুলো শুধু অঙ্ক নয়—এরা প্রতিফলিত হয় পবিত্র জ্যামিতির ত্রিভুজে:


৩ = সৃষ্টি / পিতা / প্রথম স্পন্দন


৬ = গর্ভধারণ / মাতা / শক্তির প্রবাহ


৯ = আত্মা / পূর্ণতা / মহাজাগতিক চেতনা


এই ত্রয়ী একত্র হয়ে গঠন করে এক পবিত্র রচনাকাঠামো, যেটা হারমেটিক ও পিথাগোরিয়ান তত্ত্বে পরিচিত Tetractys নামে—যা থেকে সমস্ত সৃষ্টির ধারার উৎপত্তি ঘটে।

---

🔹 কম্পাঙ্ক ও সলফেজিওর গোপন দ্বার


প্রাচীন সঙ্গীততত্ত্বে Solfeggio Frequencies-এর মধ্যেও দেখা যায় এই সংখ্যাতত্ত্বের অলৌকিক প্রভাব:


৩৯৬ Hz → অপরাধবোধ ও ভয় মুক্ত করে


৬৩৯ Hz → সম্পর্ক ও ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে


৯৬৩ Hz → উচ্চতর চেতনার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে


এই সংখ্যাগুলো যেন একেকটি ধ্বনির দরজা,

যার মাধ্যমে আত্মা প্রবেশ করে মহাজাগতিক ভাষায়।

---

🔹 টেসলার দৃষ্টিভঙ্গি — সংখ্যার মধ্যে ঈশ্বর


নিকোলা টেসলা মনে করতেন,

“Energy, Frequency, and Vibration”—এই তিনটি হলো বাস্তবতার মূল উপাদান।

তিনি বিশ্বাস করতেন যে, এই মহাবিশ্ব গঠিত হয়েছে এক নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের কোডে—

আর সেই কোডের মূল চাবিকাঠি হলো ৩, ৬ ও ৯।


এটা কোনো জ্যোতিষ নয়, এটা এক মহাজাগতিক গাণিতিক ভাষা,

যা আধুনিক বিজ্ঞান এখনো পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেনি।

---

🔴 সারকথা — সৃষ্টির গোপন ত্রয়ী


৩, ৬, ৯—তারা কোনো সাধারণ সংখ্যা নয়।

তারা হলো সৃষ্টি ও চেতনার তিনটি স্তম্ভ:


৩ = জন্ম / মনের প্রকাশ / শক্তির সূচনা


৬ = রূপ / প্রবাহ / শরীরের বিন্যাস


৯ = পূর্ণতা / আত্মা / চেতনার শিখর


তারা একত্র হয়ে গঠন করে ভর্টেক্স অফ রিয়্যালিটি,

যা প্রতিটি জিনিসের ভিতরে বাজে—

আপনার শরীরেও, মস্তিষ্কেও, কণিকায়ও।

অঙ্ক কাকে বলে?

 #####প্রশ্ন : অঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর : অঙ্ক হল গণিত প্রকাশের সাংকেতিক চিহ্ন । ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এগুলি হল অঙ্ক। অথবা, 

সংখ্যা গঠনের জন্য যেসব প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে অঙ্ক বলে।

যেমন : ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ০।


*সংখ্যা কাকে বলে

উত্তর : অঙ্কগুলো একে অপরের সঙ্গে বসে তৈরি হয় সংখ্যা।

প্রশ্ন :  গণিত কাকে বলে. 

উত্তর : অঙ্ক ,সংখ্যা বিভিন্ন হিসাব করার চিহ্ন ব্যবহার করে যে সমস্যা গুলো তৈরি হয়, তাদের সামগ্রিক বিষয়কে বলা হয় গণিত । 


প্রশ্ন :  গণিত কাকে বলে. 

সাধারণভাবে গণিত বলতে হিসাব-নিকাশ বিষয়টিকে বুঝায়। আর হিসাব-নিকাশ কথাটির সাথে সংখ্যা ও পরিমানের ধারণাটি চলে আসে। তাই, সংখ্যা ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের প্রক্রিয়াকে গণিত বলা যায়।


প্রশ্ন : অঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর : সংখ্যা গঠনের জন্য যেসব প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে অংক বলে।

যেমন : ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ০।


*সংখ্যা কাকে বলে

সংখ্যা হলো এক ধরনের চিহ্ন বিশেষ, যা কোনো কিছুর পরিমাণ নির্দেশ করে এবং যা গণনার কাজে ব্যবহৃত হয়। দশটি অঙ্ক সহ আরও কতকগুলি চিহ্নের ( যেমন দশমিক বিন্দু , বর্গ , বর্গমূল ইত্যাদি ) সাহায্যে যা তৈরি হয়, তাকে সংখ্যা বলে।


উদাহরণসমূহ

সংখ্যার কিছু উদাহরণ নিচে দেওয়া হলঃ


স্বাভাবিক সংখ্যা: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9

পূর্ণসংখ্যা: -9, -8, -7, -6, -5, -4, -3, -2, -1, 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9

মৌলিক সংখ্যা: 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29, ..

যৌগিক সংখ্যা: 4, 6, 8, 9, 10, 12, 14, 15, 16, 18, …

ভগ্নাংশ: 1/2, 2/3, 3/4, 4/5, 5/6, 6/7, 7/8, 8/9, 9/10, ..

দশমিক: 0.5, 2.3, 3.4, 4.5, 5.6, 6.7, 7.8, 8.9, 9.10, …

নৈর্ব্যক্তিক সংখ্যা: π, e, √2, √3, √5, …


সংখ্যার প্রকারভেদ

সাধারণত সংখ্যাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ


অবাস্তব সংখ্যা

বাস্তব সংখ্যা


অবাস্তব সংখ্যা কাকে বলে

যে সংখ্যার কোন ব্যবহার নেই প্রয়োগ নেই তাকে অবাস্তব বা জটিল সংখ্যা বলে। যেমনঃ বাস্তব সংখ্যা+ কাল্পনিক সংখ্যা= অবাস্তব সংখ্যা, ৩+৮j- অবাস্তব সংখ্যা।


বাস্তব সংখ্যা

যে সংখ্যাগুলি নিয়ে আমরা বাস্তবে কাজ করে থাকি তাই মূলত বাস্তব সংখ্যা। অন্য কথা বলতে গেলে, সকল প্রকার মূলদ এবং অমূলদ সংখ্যাকেই বাস্তব সংখ্যা বলা হয়। যেমনঃ √2, √3, √7,0,1,2,3, 1.2365,

স্বাভাবিক সংখ্যা : শূন্যসহ সব পূর্ণসংখ্যাকে বলা হয় স্বাভাবিক সংখ্যা।

যেমন ০, ১, ৩, ৬ ইত্যাদি।

ইনতেজার : তবে স্বাভাবিক সংখ্যা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক উভয় প্রকার হতে পারে। তখন এদের ইংরেজিতে Integer বলা হয়।

জটিল সংখ্যা : বাস্তব সংখ্যা ও অবাস্তব সংখ্যার যোগফল অথবা বিয়োগফলকে বলা হয় জটিল সংখ্যা।


বাস্তব সংখ্যা কত প্রকার

বাস্তব সংখ্যা কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছেঃ


মূলদ সংখ্যা

অমূলদ সংখ্যা


মূলদ সংখ্যা

যে সংখ্যাকে p/q প্রকাশ করা যায় তাকে মূলদ সংখ্যা বলে। যেখানে q≠0 ,q এর মান ০ হতে পারবে না। যেমনঃ 3/1=1, 1/2=0.5


অমূলদ সংখ্যা

যে সংখ্যাকে p/q প্রকাশ করা যায় না তাকে অমূলদ সংখ্যা বলে। পূর্ণসংখ্যা p ও q পূর্ণ সংখ্যা।যেখানে q≠0 যেমনঃ √2=1.4142… √5/2=1.118….


মূলদ সংখ্যা কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথাঃ


পূর্ণ সংখ্যা

ভগ্নাংশ সংখ্যা


পূর্ণ সংখ্যা

শুন্যসহ সকল ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অখণ্ড সংখ্যাকে পূর্ণ সংখ্যা বলা হয়। যেমনঃ ০,২, ৩,-১ -২-৩


ভগ্নাংশ সংখ্যা

p/q আকারের কোন সংখ্যা প্রকাশ হলে তাকে ভগ্নাংশ সংখ্যা বলা হয়। যেমনঃ ২/৩, ৫/৬, -৫/৮


পূর্ণ সংখ্যা কে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথাঃ


ধনাত্বক পূর্ণ সংখ্যা

শূন্য

অঋণাত্বক সংখ্যা


ধনাত্বক পূর্ণ সংখ্যা

শূন্য থেকে বড় সকল বাস্তব সংখ্যাকে ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা বলে। যেমনঃ২,৫,৭,০.৫৪৭, ৮/২


ঋণাত্বক পূর্ণ সংখ্যা

শূন্য থেকে ছোট সকল বাস্তব সংখ্যা কে ঋণাত্মক সংখ্যা বলা হয়। ঋণাত্মক সংখ্যাগুলিকে – চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমনঃ -১ ,-২,-৩ -৫, -১২ -√2


ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা কে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথাঃ


মৌলিক সংখ্যা

যৌগিক সংখ্যা


মৌলিক সংখ্যা

যেসব পূর্ণসংখ্যা দুইটি মাত্র স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, অর্থাৎ যেসব পূর্ণসংখ্যার দুটিমাত্র উৎপাদক ১ এবং নিজেই, তাদেরকে মৌলিক সংখ্যা বলে। যেমন ১, ২, ৩, ৫, ৭, ১১,


যৌগিক সংখ্যা

যেসব সংখ্যাকে ১ এবং নিজের পাশাপাশি অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারাও ভাগ করা যায়, তাদের যৌগিক সংখ্যা বলে। যেমন: ৪, ৬, ৮, ১০, ১২,

জোড় সংখ্যা ও বিজোড় সংখ্যা : যেসব সংখ্যাকে ২ দ্বারা ভাগ করা যায়, তাদের বলা হয় জোড় সংখ্যা। অন্যদিকে যেসব সংখ্যাকে ২ দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাদের বলা হয় বিজোড় সংখ্যা।


ভগ্নাংশ কত প্রকার?

ভগ্নাংশ দুই প্রকার যথাঃ


সাধারন ভগ্নাংশ সংখ্যা

দশমিক ভগ্নাংশ সংখ্যা


সাধারন ভগ্নাংশ সংখ্যা

লব হর নিয়ে গঠিত ভগ্নাংশই হল সাধারণ ভগ্নাংশ। যেমন ঃ৫/৮,২/৩,১/৫ ইত্যাদি


দশমিক ভগ্নাংশ সংখ্যা

যে সকল ভগ্নাংশকে দশমিক চিহ্নের সাহায্য প্রকাশ করা হয় তাকে দশমিক ভগ্নাংশ বলে। যেমন ঃ ২.৫, ৩.২, ৬.৯ ইত্যাদি


সাধারণ ভগ্নাংশ তিন প্রকার যথাঃ


প্রকৃত ভগ্নাংশ

অপ্রকৃত ভগ্নাংশ

মিশ্র ভগ্নাংশ


প্রকৃত ভগ্নাংশ

যে ভগ্নাংশের লব, হরের চেয়ে ছোট হয় সেই ভগ্নাংশকে প্রকৃত ভগ্নাংশ বলে। যেমনঃ ১/৫, ১৩/১৭ এবং ৫/১৮।


অপ্রকৃত ভগ্নাংশ

যে ভগ্নাংশের লব, হরের চেয়ে বড় হয় সেই ভগ্নাংশকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ বলে। যেমনঃ ৭/৩, ১৭/১৩ ১২/৫ এবং ১৮/৫


মিশ্র ভগ্নাংশ

যদি কোন ভগ্নাংশ পূর্ণ সংখ্যা ও প্রকৃত ভগ্নাংশ দ্বারা গঠিত হয় তবে তাকে মিশ্র ভগ্নাংশ বলে। যেমনঃ ১-৫/৮, ৩-১/৭ ইত্যাদি


দশমিক ভগ্নাংশ দুই প্রকার যথাঃ


সসীম দশমিক ভগ্নাংশ

অসীম দশমিক ভগ্নাংশ


সসীম দশমিক ভগ্নাংশ

দশমিক বিন্দুর পর অংক সংখ্যা সসীম হলে এদেরকে সসীম দশমিক ভগ্নাংশ বলে। যেমনঃ ২.০৫ ,৫.২০


অসীম দশমিক ভগ্নাংশ

দশমিক বিন্দুর পর অংক সংখ্যা অসীম হলে এদেরকে অসীম দশমিক ভগ্নাংশ বলে। যেমনঃ ১.১২২২২২…. ,৮.২৩২৩২৩…..


অসীম অনাবৃত্ত দশমিক

যে দশমিক ভগ্নাংশের দশমিক বিন্দুর পর অঙ্কগুলো পর্যায়ক্রমে পুনরাবৃত্তি হয় না, তাকে অসীম অনাবৃও দশমিক বলে। যেমনঃ2.460983406…

3.095640230…

√2 = 1.4142135623730950488016…..


###

জেলসেমিয়াম ঔষধ ভালো কাজ করেছে

 ডঃ ডব্লিউ. ই. রজার্স এমন একটি রোগীর কথা বলেছেন যেখানে জেলসেমিয়াম ঔষধ ভালো কাজ করেছে। রোগীটি ছিল ২২ বছর বয়সী এক যুবক, যার মেজাজ সবসময় খারাপ থাকত এবং সে অনেক বছর ধরে হস্তমৈথুন করত।


আগে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়েও তেমন উপকার পায়নি। তার লক্ষণগুলো ছিল: যৌনাঙ্গ শিথিল হয়ে পড়েছে, কোনো যৌন অনুভূতি নেই, অঙ্গগুলো অবশ লাগত, সে নিজেকে সম্পূর্ণ পুরুষত্বহীন মনে করত।


সন্ধ্যার দিকে হালকা উত্তেজনা হলেও খুব সামান্য স্রাব হতো। তার মন ছিল খুব বিষণ্ণ, সে বিবাহিত, শরীরের ওজন কমে গিয়েছিল, খাওয়ার ইচ্ছাও কমে গিয়েছিল, পেটেও ব্যথা হতো এবং চেহারাও ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল।


তাকে সকালে ও রাতে জেলসেমিয়াম টিংচারের দুই ফোঁটা করে দেওয়া হয়। এক সপ্তাহের মধ্যেই তার অবস্থার উন্নতি হয় এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায়।

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ফেইসবুক থেকে নেওয়া,, তিনি ও নিয়েছেন ফেইসবুক থেকে

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার ...