এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫

শুরু করা, যত ছোটই হোক না কেন, এবং অধ্যবসায়ী থাকা। বিশ্বাস রাখুন, এবং আপনি অগ্রগতি দেখতে পাবেন।

 ১. যদি তুমি একটি বাড়ি কিনতে চাও, তাহলে তুমি একটি জমি কিনে শুরু করো।

২. যদি তুমি একটি সাম্রাজ্যের মালিক হতে চাও, তাহলে তুমি তোমার ব্যবসা বৃদ্ধি করে শুরু করো।

৩. যদি তুমি সুস্থ থাকতে চাও, তাহলে তুমি স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে শুরু করো।

৪. যদি তুমি জ্ঞানী হতে চাও, তাহলে তুমি বই পড়ে শুরু করো।

৫. যদি তুমি বিশ্ব ভ্রমণ করতে চাও, তাহলে তুমি অর্থ সঞ্চয় করে শুরু করো।

৬. যদি তুমি সুখী হতে চাও, তাহলে তুমি কৃতজ্ঞ হয়ে শুরু করো।

৭. যদি তুমি ধনী হতে চাও, তাহলে তুমি তোমার আর্থিক ব্যবস্থাপনা করে শুরু করো।

৮. যদি তুমি একজন ভালো নেতা হতে চাও, তাহলে তুমি প্রথমে নিজেকে নেতৃত্ব দিয়ে শুরু করো।

৯. যদি তুমি একজন ভালো বাবা-মা হতে চাও, তাহলে তুমি একজন ভালো আদর্শ হয়ে শুরু করো।

১০. যদি তুমি সফল হতে চাও, তাহলে তুমি ছোট ছোট পদক্ষেপ নিয়ে শুরু করো।

১১. যদি তুমি আত্মবিশ্বাসী হতে চাও, তাহলে তুমি নিজের উপর বিশ্বাস রেখে শুরু করো।

১২. যদি তুমি একটি নতুন দক্ষতা শিখতে চাও, তাহলে তুমি প্রতিদিন অনুশীলন করে শুরু করো।

১৩. যদি তুমি সৃজনশীল হতে চাও, তাহলে তুমি নতুন কিছু চেষ্টা করে শুরু করো।

১৪. যদি তুমি সম্মানিত হতে চাও, তাহলে তুমি সম্মান দিয়ে শুরু করো। অন্যান্য

১৫. যদি আপনি দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান, তাহলে আপনাকে বিশ্বস্ত হয়ে শুরু করতে হবে

১৬. যদি তুমি তোমার লক্ষ্য অর্জন করতে চাও, তাহলে সেগুলো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে শুরু করো।

১৭. যদি তুমি সংগঠিত হতে চাও, তাহলে তোমার স্থান পরিষ্কার করে শুরু করো।

১৮. যদি তুমি মুক্ত থাকতে চাও, তাহলে তোমার ভয় ত্যাগ করে শুরু করো।

১৯. যদি তুমি পরিবর্তন আনতে চাও, তাহলে প্রথমে নিজেকে পরিবর্তন করে শুরু করো।

২০. যদি তুমি ম্যারাথন দৌড়াতে চাও, তাহলে প্রতিদিন হাঁটা দিয়ে শুরু করো।

২১. যদি তুমি ব্যবসা শুরু করতে চাও, তাহলে প্রথমে একটি চাহিদা চিহ্নিত করে শুরু করো।

২২. যদি তুমি অন্যদের সাহায্য করতে চাও, তাহলে প্রথমে নিজেকে সাহায্য করে শুরু করো।

২৩. যদি তুমি একটি ভাষা শিখতে চাও, তাহলে প্রতিদিন অনুশীলন করে শুরু করো।

২৪. যদি তুমি উৎপাদনশীল হতে চাও, তাহলে তোমার সময়কে বুদ্ধিমানের সাথে পরিচালনা করে শুরু করো।

২৫. যদি তুমি জ্ঞান অর্জন করতে চাও, তাহলে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে শুরু করো।

২৬. যদি তুমি সুস্থ থাকতে চাও, তাহলে নিয়মিত ব্যায়াম করে শুরু করো।

২৭. যদি তুমি শান্তিতে থাকতে চাও, তাহলে তুমি ক্ষোভ ত্যাগ করে শুরু করো।

২৮. যদি তুমি শক্তিশালী হতে চাও, তাহলে চ্যালেঞ্জ সহ্য করে শুরু করো। বিশ্বাস

২৯. যদি তুমি সদয় হতে চাও, তাহলে প্রথমে নিজের প্রতি সদয় হওয়ার মাধ্যমে শুরু করো।

৩০. যদি তুমি প্রভাব ফেলতে চাও, তাহলে খাঁটি হওয়ার মাধ্যমে শুরু করো।


সাফল্য রাতারাতি আসে না, এবং উল্লেখযোগ্য কিছু অর্জনের জন্য ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন। বাড়ি তৈরি হোক, ব্যবসা শুরু হোক, অথবা সম্মান অর্জন হোক, যাত্রা শুরু হয় একটি মাত্র পদক্ষেপ দিয়ে। সামনের লক্ষ্যের বিশালতা দেখে হতাশ হবেন না। 


প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার উপর মনোযোগ দিন, তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ নিন, এবং আপনি এটি বুঝতে না পেরে, আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবেন। 


মূল কথা হল শুরু করা, যত ছোটই হোক না কেন, এবং অধ্যবসায়ী থাকা। বিশ্বাস রাখুন, এবং আপনি অগ্রগতি দেখতে পাবেন।

আইসক্রিম: হাজার বছরের ইতিহাসে জমে ওঠা ঠান্ডা স্বপ্ন!

 আইসক্রিম: হাজার বছরের ইতিহাসে জমে ওঠা ঠান্ডা স্বপ্ন!


আজকের দিনেও কেউ যদি আইসক্রিম হাতে দেয়, মুহূর্তে মন ভালো হয়ে যায়। কিন্তু জানো কি, এই আইসক্রিম তৈরি হতে সময় লেগেছে প্রায় ২৫০০ বছর! এটা ছিল এক সভ্যতা থেকে আরেক সভ্যতায় ঘুরে বেড়ানো এক ঠান্ডা কল্পনার বাস্তব রূপ।


🏺 পারস্য ( বর্তমান ইরান) : যেখানে ঠান্ডার স্বপ্ন শুরু হয়েছিল


খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সালে পারস্যে রাজপরিবারের লোকেরা মাটির নিচে বরফ সংরক্ষণ করত — যার নাম ছিল "ফালুদে" (Faloodeh বা Faludeh)। এটি ছিল একধরনের বরফে রাখা সুতো মতো সূক্ষ্ম নুডলস, যার সঙ্গে গোলাপজল ও লেবুর রস মেশানো হতো।


🟢 পার্সি ভাষায় একে বলা হতো:

"Sharbat" — যার অর্থ মিষ্টি ঠান্ডা পানীয়।


🕌 আরব বিশ্বে রূপান্তর:


আরবরা যখন পা0রস্য জয় করলো, তখন তারা এই বরফে রাখা মিষ্টি পানীয়ের ধারণা গ্রহণ করল। তারা একে বলত "Sharba" বা "Sharbat"।


✅ মজার তথ্য: এই শব্দ থেকেই এসেছে ইংরেজি Sherbet শব্দটি।


আরবরা বরফের সঙ্গে দুধ, চিনি ও ফলের রস মিশিয়ে এটি আরও উন্নত করে তোলে।


🐉 চীন: এক অন্যরকম প্রাচীন বিজ্ঞান!


চীনারা বরফ আর দুধ মিশিয়ে যে পদ্ধতিতে ঠান্ডা করত, তাকে বলা হতো "Milk Ice"। তারা চুন ও সল্টপিটার (potassium nitrate) ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে বরফের তাপমাত্রা কমিয়ে আনত।


এটি ছিল আধুনিক আইসক্রিমের রাসায়নিক ভিত্তি।


🏛️ রোমান ও গ্রিক সাম্রাজ্যে: রাজকীয় ঠান্ডা পানীয়


রোমান সম্রাট নিরো বরফ ও ফলের রস মিশিয়ে তৈরি করতেন একধরনের “স্বাস্থ্যকর ঠান্ডা পানীয়”। গ্রিসে এর নাম ছিল "Hypocras", যা ছিল ঠান্ডা ও মিষ্টি পানীয়


🇮🇹 ইতালি ও ফ্রান্স: সোরবেট থেকে আইসক্রিমে উত্তরণ


মার্কো পোলো চীন থেকে যখন দুধ ও বরফের এই বিশেষ রেসিপি নিয়ে আসেন, তখন ইতালিতে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে "Gelato" নামে।


ফ্রান্সে এটি পরিচিত হয় "Glace" নামে, যার মানে বরফ।


🇺🇸 আমেরিকায় আইসক্রিমের গণতান্ত্রিক রূপ!


১৮শ শতকে আমেরিকায় আসা এই খাবার ধনীদের জন্য ছিল। জর্জ ওয়াশিংটন নিজে আইসক্রিম বানানোর মেশিন কিনেছিলেন। কিন্তু ১৯০৪ সালে St. Louis World Fair-এ প্রথমবারের মতো আইসক্রিম কর্ন বানানো হয় এবং আইসক্রিম হয়ে ওঠে সব শ্রেণির মানুষের প্রিয় খাবার।


🧊 আইসক্রিম — শুধু একটা খাবার নয়, সভ্যতার শীতল স্বপ্ন!


চীন, পারস্য, আরব, ইউরোপ, আমেরিকা— প্রত্যেকের হাত ধরে গড়ে উঠেছে এই একবাটি ঠান্ডা, মিষ্টি আনন্দ। যুগে যুগে এই খাবার বদলেছে, কিন্তু মানুষের ভালোবাসা কখনও বদলায়নি।


হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি, ঔষধ নির্বাচন,প্রয়োগ ও মাত্রা।

 ✔️🥦হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি, ঔষধ নির্বাচন,প্রয়োগ ও মাত্রা।

শেয়ার করে ওয়ালে রাখবেন কাজে দেবে।


🍒হোমিওপ্যাথি একটি লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। মনে রাখতে হবে যে, রোগের লক্ষণগুলোই হলো রোগের প্রকৃত পরিচয় পাওয়ার একমাত্র রাস্তা। তাই রোগের শারীরিক লক্ষণসমূহ, মানসিক লক্ষণসমূহ এবং রোগীর ব্যক্তিগত লক্ষণসমূহ বুঝতে না পারলে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলি সংগ্রহ করতে না পারলে, সঠিক ঔষধ নির্বাচন করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে হাজার বার ঔষধ পাল্টিয়ে এবং হাজার ডোজ ঔষধ খেয়েও সামান্য ছোটখাট রোগও সারানো যায় না। আবার মারাত্মক অসুখ-বিসুখ কিংবা অনেক বছরেরও পুরনো রোগ-ব্যাধিও মাত্র এক ডোজ ঔষধে নির্মূল হয়ে যায় যদি লক্ষণের সাথে পুরোপুরি মিলিয়ে ঔষধ দেওয়া যায়। রোগের নাম নয়, বরং রোগ এবং রোগীর সমস্ত লক্ষণসমূহের উপর ভিত্তি করে ঔষধ নির্বাচন করতে হবে। কারণ হোমিওপ্যাথিতে রোগের নামে কোন ঔষধ নাই। একই রোগের জন্য সব রোগীকে একই ঔষধ দিলে কোন কাজ হবে না। যেমন ধরুন ডায়েরিয়ার কথা, ডায়েরিয়ার সাথে যদি পেটে ব্যথা থাকে তবে এক ঔষধ আর যদি পেটে ব্যথা না থাকে তবে অন্য ঔষধ। ডায়েরিয়ার ফলে যদি রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে তবে এক ঔষধ আর যদি দুর্বল না হয় তবে অন্য ঔষধ। ডায়েরিয়া শুরু হওয়ার কারণের ওপর ভিত্তি করেও ঔষধ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে এবং ব্যথা বা পায়খানার রঙ, গন্ধ, ধরণ বা পরিমাণের ওপর ভিত্তি করেও ঔষধ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। আপনার রোগের লক্ষণসমূহ যে-ঔষধের মধ্যে সবচেয়ে বেশী পাওয়া যাবে, সেটি হবে আপনার উপযুক্ত ঔষধ। মনে করুন আপনার জ্বর হয়েছে ; যদি দেখেন যে আপনার জ্বরের দুইটি লক্ষণ ব্রায়োনিয়া ঔষধটির সাথে মিলে যায় অন্যদিকে তিনটি লক্ষণ বেলেডোনা ঔষটির সাথে মিলে যায়, তাহলে বেলেডোনাই হবে আপনার উপযুক্ত ঔষধ। আবার শারীরিক লক্ষণের চাইতে মানসিক লক্ষণের গুরুত্ব বেশী। কাজেই যদি দেখেন যে, আপনার শারীরিক লক্ষণসমূহ রাস টক্স ঔষধটির সাথে মিলে যায় কিন্তু মানসিক লক্ষণ একোনাইট ঔষধটির সাথে মিলে যায়, তাহলে একোনাইট ঔষধটি-ই আপনার খাওয়া উচিত। হোমিওপ্যাথিতে একবারে একটির বেশী ঔষধ খাওয়া নিষিদ্ধ। মনে করুন, আপনার আমাশয় হয়েছে। তো আমাশয় হলে সাথে পেট ব্যথাও থাকে এবং কয়েকবার পায়খানা করলে শরীরে দুর্বলতাও এসে যায়। এক্ষেত্রে এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা আপনাকে তিনটি ঔষধ দিবে; একটি আমাশয়ের জন্য, একটি পেটব্যথার জন্য এবং স্যালাইন দিবে দুর্বলতার জন্য। কিন্তু হোমিওপ্যাথিতে যদি ঠিকমতো লক্ষণ মিলিয়ে দিতে পারেন তবে একটি ঔষধেই আপনার আমাশয়, পেট ব্যথা এবং দুর্বলতা সেরে যাবে। এজন্য তিনটি ঔষধ লাগবে না। ভাষাজ্ঞানের অভাবে অবুঝ শিশুরা এবং পশুপাখিরা তাদের অনেক কষ্টদায়ক রোগ লক্ষণের কথা বলতে পারে না। রোগের যন্ত্রণায় বেঁহুশ ব্যক্তিও তাদের কষ্টের কথা বলতে পারে না। এইসব ক্ষেত্রে আমাদেরকে বুদ্ধি খাটিয়ে রোগীর লক্ষণসমূহ আন্দাজ করে নিতে হবে। প্রতিটি রোগের সাথে যতগুলো ঔষধের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তার সবগুলো প্রথমে পড়ে নিন এবং তারপর যে ঔষধটি আপনার রোগ লক্ষণের সাথে সবচেয়ে বেশী মিলে যায়, সেটি খাওয়া শুরু করুন। ঔষধ কেনার নিয়ম-কানুন ? জার্মানী, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যাণ্ড, পাকিস্তান, ভারত প্রভৃতি দেশে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ তৈরী হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও প্রায় আটাত্তরটির মতো হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রস্তুতকারী কোম্পানী আছে। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ কেনার সময় দোকানদারকে বলবেন জার্মানীর অথবা আমেরিকান ঔষধ দেওয়ার জন্য। কেননা জার্মানীর এবং আমেরিকান ঔষধের কোয়ালিটির ওপর সবারই আস্থা আছে। হোমিওপ্যাথিক মূল ঔষধটি তৈরী করা হয় তরল আকারে। কিন্তু সেগুলো রোগীদের দেওয়া হয়ে থাকে পানিতে মিশিয়ে, (চিনির) বড়িতে মিশিয়ে, দুধের পাউডারে মিশিয়ে কিংবা অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি মূল ঔষধটিও দেওয়া হয়। তবে সরাসরি মূল ঔষধটি কেনা বা খাওয়া উচিত নয়। কেননা এতে ঔষধ বেশী খাওয়া হয়ে যায়; ফলে তার সাইড-ইফেক্টও বেশী হতে পারে। তাছাড়া শিশির কর্ক টাইট করে লাগাতে ভুলে গেলে ঔষধ উড়ে যায় এবং মুখ খুলে বা শিশি ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে গেলে সেগুলো আর উঠানো যায় না। কাজেই ঔষধ চিনির বড়িতে কেনা এবং খাওয়াই বুদ্ধিমানের পরিচায়ক। এক ড্রাম, দুই ড্রাম, হাফ আউন্স, এক আউন্স ইত্যাদি পরিমাণে ঔষধ ক্রয় করবেন। ঔষধ কেনার সময় এই ভাবে বলতে হবে যে, ডাক্তার সাহেব ! আমাকে অমুক ঔষধটি অমুক শক্তিতে (যেমন Nux vomica 30) বড়িতে এক ড্রাম দেন। (কারণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধের যারা ব্যবসা করেন তারা সবাই গভার্নমেন্ট রেজিষ্টার্ড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা।) হোমিও ঔষধের মেয়াদ থাকে কত দিন ? মূল হোমিও ঔষধ যা তরল আকারে তৈরী করা হয়ে থাকে, তার কোন এক্সপাইরি ডেট নাই অর্থাৎ এগুলো কখনও নষ্ট হয় না। কেননা মূল হোমিও ঔষধটি ইথাইল এলকোহল বা রেকটিফাইড স্পিরিটে তৈরী করা হয়ে থাকে। আর এলকোহল বা স্পিরিট যেহেতু কখনও নষ্ট হয় না, সেহেতু মূল হোমিও ঔষধও কখনো নষ্ট হয় না। এগুলো আপনি কেয়ামত পযর্ন্ত নিশ্চিনে- ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু মূল ঔষধটি যখন আপনি চিনির বড়িতে, পাউডারে বা পানিতে মিশিয়ে কিনে আনবেন, সেটি আপনি অনন্তকাল ব্যবহার করতে পারবেন না। কেননা সেগুলো কয়েক বছর পরেই নষ্ট হয়ে যায়। যেমন আপনি একটি ঔষধ চিনির বড়িতে কিনে আনলেন এবং পাঁচ বছর পরে দেখলেন সাদা চিনির বড়িগুলি হলুদ বা লাল বা কালো হয়ে গেছে। সেক্ষেত্রে ঔষধগুলি ফেলে দেওয়া উচিত; কেননা এগুলো যে নষ্ট হয়ে গেছে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। কত শক্তির ঔষধ খাওয়া উচিত ? হোমিওপ্যাথিক ঔষধের শক্তিগুলো হলো ৩, ৬, ১২, ৩০, ২০০, ১০০০ (বা 1M), ১০০০০ (বা 10M), ৫০০০০ (বা 50M), ১০০,০০০ (বা CM) ইত্যাদি। সবচেয়ে নিম্নশক্তি হলো মাদার টিংচার বা কিউ (Q) এবং ইহার শক্তিকে ধরা হয় শূণ্য (zero)। তাদের মধ্যে ৩, ৬, ১২, ৩০ কে বলা হয় নিম্নশক্তি আর ২০০ শক্তিকে বলা হয় মধ্য শক্তি। পক্ষান্তরে ১০০০, ১০০০০, ৫০০০০ এবং ১০০০০০ কে ধরা হয় উচ্চ শক্তি হিসাবে। নতুন রোগ বা ইমারজেন্সী রোগের ক্ষেত্রে নিম্নশক্তি এবং মধ্যশক্তির ঔষধ সবচেয়ে ভালো কাজ করে। পক্ষান্তরে উচ্চ শক্তির ঔষধ প্রয়োগ করতে হয় অনেক দিনের পুরনো রোগে অর্থাৎ ক্রনিক ডিজিজে। হোমিওপ্যাথির আবিষ্কারক ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের মতে, ৩০ শক্তি হলো স্ট্যান্ডার্ড শক্তি। হ্যাঁ, ঔষধের প্রধান প্রধান লক্ষণসমূহের অনেকগুলো যদি রোগীর মধ্যে নিশ্চিত পাওয়া যায়, তবে এক হাজার (1M) বা দশ হাজার (10M) শক্তির ঔষধও খেতে পারেন। কিন্তু উচ্চ শক্তির ঔষধ অপ্রয়োজনে ঘনঘন খেলে মারাত্মক বিপদ হতে পারে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া উচ্চ শক্তির ঔষধ খাওয়া উচিত নয়। কেননা সেক্ষেত্রে ঔষধের নির্বাচন ভুল হলে বিরাট ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। একই শক্তির ঔষধ সাধারণ একবারের বেশী খাওয়া উচিত নয়। অনেক সময় দ্বিতীয়বার এবং তৃতীয়বার খেলেও উপকার হয়। কিন্তু ইহার পর আর ঐ শক্তির ঔষধে তেমন কোন উপকার হয় না। হ্যানিম্যানের নির্দেশ হলো, প্রতিবার ঔষধের শক্তি বৃদ্ধি করে খেতে হবে। আপনার কাছে যদি একাধিক শক্তির ঔষধ না থাকে, তবে একমাত্রা (এক ফোটা বা ৪/৫ টি বড়ি) ঔষধকে আধা বোতল পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার খাওয়ার পূর্বে জোরে দশবার ঝাঁকি দিয়ে ঔষধের শক্তি বাড়িয়ে খান। (সাধারণত হাফ লিটার বা তার চাইতেও ছোট বোতল ব্যবহার করা উচিত। সাধারণত একই বোতলে একবারের বেশী ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে অন্য কোন বোতল না থাকলে সেটিকে অবশ্যই সাবান দিয়ে এবং গরম পানি দিয়ে ভালো করে অনেকবার ধুয়ে নেওয়া উচিত।) ঔষধ কি পরিমাণ খেতে হবে ? পূর্ণ বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে ঔষধ বড়িতে খেলে সর্বোচ্চ ৪/৫ (চার/পাঁচ) টি বড়ি করে খাবেন এবং তরল আকারে মূল ঔষধটি খেলে এক ফোটা করে খাওয়াই যথেষ্ট। তের বছর বয়স পযর্ন্ত শিশুদের ক্ষেত্রে ঔষধ বড়িতে খেলে ২/৩ (দুই/তিন) টি বড়ি করে খাবেন এবং তরল আকারে মূল ঔষধটি খেলে আধা ফোটা করে খাবেন। পক্ষান্তরে দুয়েক দিন বা দুয়েক মাসের একেবারে ছোট নবজাতক শিশুকে ঔষধ বড়িতে খাওয়ালে ১/২ (এক/দুইটি) টি বড়ি করে খাওয়াবেন এবং তরল আকারে মূল ঔষধটি খাওয়ালে এক ফোটার চার ভাগের এক ভাগ খাওয়ানোই যথেষ্ট। (এক ফোটা ঔষধকে এক চামচ পানির সাথে ভালো করে মিশিয়ে তার অর্ধেকটি ফেলে দিয়ে বাকী অর্ধেকটি খেলেই আধা ফোটা ঔষধ খাওয়া হবে। তেমনিভাবে এক ফোটা ঔষধকে এক চামচ পানির সাথে ভালো করে মিশিয়ে তার চার ভাগের তিন ভাগ ফেলে দিয়ে বাকীটুকু খেলেই এক ফোটার চার ভাগের এক ভাগ ঔষধ খাওয়া হবে।) কখনও ভাববেন না যে, এতো কম করে ঔষধ খাওয়ালে রোগ সারবে কিনা ? মনে রাখবেন ঔষধ বেশী খাওয়ালে বরং রোগ বেড়ে যেতে পারে। এজন্য বিশেষত শিশুরা মারাত্মকভাবে অসুস্থ হলে তাদেরকে নির্ধারিত পরিমাণের চাইতে বেশী ঔষধ খাওয়াবেন না, তাহলে তাদের রোগ বেড়ে গিয়ে জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হতে পারে। ঔষধ কিভাবে খেতে হবে ? ঔষধ খেতে হবে প্রধানত মুখ দিয়ে। যত ইমারজেন্সী সমস্যাই হোক না কেন, মুখে খেলেই চলবে। ঔষধের নির্বাচন যদি সঠিক হয়, তবে নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সেটি মুখে খেলেও একেবারে হাই পাওয়ারের ইনজেকশানের চাইতেও অন্তত একশগুণ দ্রুত কাজ করবে। ইনজেকশান দেওয়া, পায়খানার রাস্তা দিয়ে ঔষধ ঢুকানো বা এই জাতীয় কোন শয়তানী সিষ্টেমের হোমিওপ্যাথিতে স্থান নেই। যদি রোগীর দাঁত কপাটি লেগে থাকে বা বমির জন্য ঔষধ গিলতে না পারে, তবে ঔষধ মুখে বা ঠোটের ফাঁকে রেখে দিলেই চলবে। আবার ঔষধকে একটি বোতলে নিয়ে একটু পানির সাথে মিশিয়ে জোরে কয়েকটা ঝাঁকি দিয়ে তার বাষ্প নিঃশ্বাসের সাথে টেনে নিলেও কাজ হবে। আরেকটি পন্তুা আছে, তাহলো ঔষধকে একটু পানিতে মিশিয়ে পরিষ্কার চামড়ার ওপর মালিশ করা (যেখানে কোন চর্মরোগ নেই)। যে-সব শিশু বুকের দুধ খায়, তাদের যে-কোন রোগ-ব্যাধিতে তাদেরকে ঔষধ না খাইয়ে বরং তাদের মা-কে খাওয়ালেও কাজ হবে। শিশুরা বা মানসিক রোগীরা যদি ঔষধ খেতে অস্বীকার করে, তবে তাদেরকে না জানিয়ে দুধ, পানি, ভাত, চিড়া, মুড়ি, বিস্কিট, ইত্যাদির সাথে মিশিয়ে ঔষধ খাওয়াতে পারেন। তাতেও কাজ হবে। অধিকাংশ নতুন রোগ (acute disease) একমাত্রা হোমিও ঔষধেই সেরে যায়; যদি ঔষধের লক্ষণ আর রোগের লক্ষণ একশ ভাগ মিলিয়ে সঠিক শক্তিতে ঔষধ দেওয়া যায়।

⭕🌿🌳🍀🌲⭕🌿🌳🍀⭕🌿🌳🍀⭕

হোমিওপ্যাথিক টিপস অল্প সময়ে অধিক গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করায় ফেসবুক কতৃপক্ষ সম্ভবত অনেক পোস্ট স্পামবক্সে ফেলে দিয়ে বুস্ট করার জন্য বার বার রিমান্ডার দিচ্ছে।

এটি একটি পরামর্শ ও সচেতনতামূলক পেজ।বুস্ট করে জনপ্রিয়তা অর্জনের কোন কার্যক্রম গ্রহন করার মানষিকতা এডমিনের নেই।আর তাছাড়া দর্শক প্রিয়তার চেয়ে বড় বুস্ট আর নেই।

তাই বেশি বেশি লাইক ও শেয়ার করুন যাতে পরবর্তী লেখার অনুপ্রেরনা পাই আর আপনার মাধ্যমে যেন অন্য কেউ উপকার পায়।অন্যথায় হয়তো লেখার মানষিকতা হারিয়ে যাবে।যে কোন পরামর্শের জন্য যে কেউ যোগাযোগ করতে পারেন।সবার জন্য শুভকামনা রইল।

  

📗জার্মান হোমিও কেয়ার

☎হেল্পলাইন 🏪01994453367

রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫

এতিমা নাবালিকা মেয়েদের জীবনে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হলো স্বামীর ঘর – একজন দ্বীনদার স্বামীর তত্ত্বাবধান।,,,,,ইমাম উদ্দিন চাচার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এতিমা নাবালিকা মেয়েদের জীবনে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হলো স্বামীর ঘর – একজন দ্বীনদার স্বামীর তত্ত্বাবধান।

এই আশ্রয় ছাড়া সমাজ তাদের জন্য প্রকৃত নিরাপত্তা দিতে পারে না। যতই সমাজ কল্যাণের বুলি কপচানো হোক না কেন, বাস্তবতা হলো— এতিম, গরীব, পথশিশু মেয়েদেরকে আজ ব্যবহার করা হচ্ছে একেকটা প্রজেক্ট হিসেবে, মানবতাবাদী ব্যবসার কাঁচামাল হিসেবে।


অনেক পরিবারে দেখা যায়, ৭/৮ বছর বয়সে বাবা মারা গেলে সেই এতিমা মেয়েটিকে আত্মীয়স্বজন কিছু টাকার বিনিময়ে বড়লোকদের বাসায় কাজের বুয়া হিসেবে বিক্রি করে দেয়।

আর যারা এই রাস্তাতেই বেড়ে ওঠে— পথশিশু হয়ে, এদেরকে নানা সংস্থা পেট্রোনাইজ করে। এসব তথাকথিত এনজিওরা তাদের নিয়ে অর্গানাইজড কাজ করে।

তাদের মূল লক্ষ্য থাকে— এই শিশুগুলিকে 'দেখিয়ে' মোটা অঙ্কের অনুদান, প্রজেক্ট, ফান্ড হাতিয়ে নেওয়া।

এই শিশুদের দুঃখ তাদের ব্যবসার পুঁজি। তাই তারা চায়— এমন অনাথ শিশু যেন সমাজে আরও জন্ম নেয়, আরও অনিরাপদ হয়ে উঠুক তাদের জীবন। তাহলে তাদের আয় রোজগার স্থায়ী থাকবে।


ইসলাম এই জায়গায় এসেছে পরিপূর্ণ সমাধান নিয়ে।

ইসলাম বলে— এতিম মেয়েকে বিয়ে করে তাকে নিরাপত্তা দাও। তাকে ভালোবাসা, ইজ্জত ও মর্যাদার স্থানে বসাও।

কারণ, বিবাহই একমাত্র পথ যা তাকে নিরাপত্তা, ভালোবাসা, পরিচর্যা ও পূর্ণ মর্যাদার আসন দিতে পারে।


মানুষ অনেক কিছু ভবিষ্যতের জন্য সংগ্রহ করে—

একটা জমি কিনে যত্ন করে গড়ে তোলে, গাছ লাগিয়ে বছর বছর পরিচর্যা করে, সন্তান লালন করে ভবিষ্যতে তার উপকার পাওয়ার আশা রাখে।

একটা ফ্ল্যাটের কিস্তি দিয়ে বহু বছর পর সেটাতে বাস শুরু করে।

সত্যিই, জীবনের সবকিছুর জন্যই মানুষ দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নেয়। 

ঠিক সেভাবে একটা এতিমা নাবালিকা মেয়েকে বিবাহ করে নিজের তত্ত্বাবধানে রেখে লালন পালন করে উপযুক্ত করে নিবে। যখন উপযুক্ত  হবে তখন থেকে স্ত্রী হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করবে। 


পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত – একজন নেককার, হালাল, পরিপূর্ণ স্ত্রী।

সেই স্ত্রীর জন্যও প্রস্তুতি নেওয়া যায় না কেন?

একজন পুরুষ যদি একজন হালাল, পবিত্র, একনিষ্ঠ, স্বামীভক্ত স্ত্রী চান, তবে উত্তম উপায় হলো— তাকে ছোটবেলায় বিয়ে করে নিজের তত্ত্বাবধানে লালন-পালন করা।

এতে স্ত্রী হয় স্বামীর মতোই দীনদার, তার পরিবেশে গড়া, তার আস্থাভাজন – কোনো বাইরের প্রভাবে বিকৃত নয়।


এটা কোনো অন্যায় নয়— এটা ইসলামের সুস্পষ্ট অনুমোদিত ও রহমতপূর্ণ বিধান।

এটা একদিকে যেমন একটা অনাথ বা এতিম মেয়ের জীবনের নিরাপত্তা, ঠিক তেমনই একজন পুরুষের জন্য নিশ্চিত হালাল ও নির্ভরযোগ্য স্ত্রী পাওয়ার সহজ ও পরিশুদ্ধতম উপায়।


---


এই সমাজের হায়েনারা যেখানে এতিম মেয়েদের শরীর ও ভবিষ্যৎকে বিক্রি করে টাকা কামায়, ইসলাম সেখানে বিবাহের মাধ্যমে তাদের জীবনে নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও মর্যাদা নিশ্চিত করেছে।

যারা ইসলামের এই বিধানকে বুঝে না বা অপপ্রচার করে, তারা আসলে এই হায়েনাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে চায়।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ০৫-০৭ ২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ০৫-০৭ ২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


জুলাই ঘোষণাপত্র সংবিধানে যুক্ত করতে হবে — বললেন এনসিপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলাম।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যারা দণ্ডিত হবেন তারা ভবিষ্যতে কোনো জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না -- বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল।


শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করতে মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দের প্রতি পরিবেশ উপদেষ্টার আহ্বান।


গত ১৫ বছরের সাংবাদিকতা নিয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্ত হবে -- জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ এ মাসের শেষে কিংবা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে –-আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউসনের আশাবাদ।


যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আগামীকাল দেশে পালিত হবে পবিত্র আশুরা।


ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি পরিদর্শন বা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে সম্মত হয়নি — বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং মিয়ানমারে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে তুর্কমেনিস্তানকে সাত-শূন্য গোলের বিশাল ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ  ০৪-০৭-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ  ০৪-০৭-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন অব্যাহত।


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মব সহিংসতার তীব্র বিরোধী --- রংপুরে সমাবেশে বললেন দলের আমীর।


অনৈতিক ও অপরাধমূলক কাজে জড়িত হলে দলীয় নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের হুঁশিয়ারি দিলেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী।


কুমিল্লায় ধর্ষনের ঘটনায় পর্নোগ্রাফি মামলার মূল আসামি গ্রেফতার।


সারাদেশে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭, আহত ১০ ।


আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিল রাশিয়া।


এবং আগামীকাল কলম্বোয় দ্বিতীয় ওডিআই ম্যাচে শ্রীলংকার মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ --- টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য লিটন দাসের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা ।

সকাল ৭টার সংবাদ, তারিখ : ০২-০৭-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ, তারিখ : ০২-০৭-২০২৫


সংবাদ শিরোনাম : নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শুরু হলো ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সূচনার বার্ষিকী উদযাপন। *** জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা --- স্বৈরাচার আর যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে সেজন্য প্রতি বছর দিবসটি পালনের আহ্বান।***গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নতুন সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে --- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সুচনার বার্ষিকীতে বললেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।***সংস্কারবিহীন নির্বাচন মেনে নেবে না জামায়াত --- বললেন দলটির নায়েবে আমীর।***আবু সাঈদের শাহাদাত বরণ স্বৈরাচার উৎখাতের পথ প্রশস্ত করেছিল --- বললেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম।***পূর্বাচল প্লট জালিয়াতি মামলায় শেখ হাসিনা ও অপর ৯৯ জনকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ।***গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধ বিরতির শর্তসমূহে রাজী ইসরাইল --- বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।***এবং কলম্বোয় তিন ম্যাচের ওডিআই ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে আজ শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ০১-০৭-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ০১-০৭-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সূচনার বার্ষিকী উদযাপন করছে জাতি।


জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা --- স্বৈরাচার আর যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে সেজন্য প্রতি বছর দিবসটি পালনের আহ্বান।


গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নতুন সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে --- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সুচনার বার্ষিকীতে বললেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।


সংস্কারবিহীন নির্বাচন মেনে নেবে না জামায়াত --- বললেন জামায়তে ইসলামীর নায়েবে আমীর।


আবু সাঈদের শাহাদাত স্বৈরাচার উৎখাতের পথ প্রশস্ত করেছিল --- বললেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম।


পূর্বাচল প্লট জালিয়াতি মামলায় শেখ হাসিনা ও অপর ৯৯ জনকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ।


ইসরাইলের অবরোধে শিশুখাদ্য শেষ হওয়ার ফলে মারা যেতে পারে হাজার হাজার শিশু --- সতর্ক করলেন গাজার চিকিৎসকরা।


এবং আগামীকাল কলম্বোয় তিন ম্যাচের ওডিআই ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ০১-০৭-০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ০১-০৭-০২৫


শিরোনাম

১। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী --- আলোচনা করেছেন পারষ্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়।

 

২। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপনে আজ থেকে শুরু হচ্ছে সরকারের মাসব্যাপী কর্মসূচি।  

 

৩। আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

 

৪। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন – চেয়েছে জনমত।

 

৫। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে সরকার --- জানালেন পরিবেশ উপদেষ্টা।

 

৬। দেশে ২৪ ঘন্টায় রেকর্ড ৪২৯ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত।

 

৭। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে কঠোর অবস্থানে ইরান।

 

৮। এবং আগামীকাল ইয়াঙ্গুনে এএফসি –উইমেন’স এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে স্বাগতিক মিয়ানমারের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ৩০-০৬-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ৩০-০৬-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপনে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে সরকারের মাসব্যাপী কর্মসূচি।  


আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।


বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে খণ্ডকালীন চাকরিতে শিক্ষার্থীদের নিয়োগ করা হবে --- জানালেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা।


বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে সরকার --- বললেন পরিবেশ উপদেষ্টা।


দেশে ২৪ ঘন্টায় রেকর্ড ৪২৯ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত।


কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরু করতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে হামলার চিন্তা থেকে সরে আসতে হবে --- জানালো ইরান।


এবং অনূর্ধ-১৮ এশিয়া কাপ হকিতে অংশ নিতে আজ রাতে চীন যাচ্ছে বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী দল।

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ফেইসবুক থেকে নেওয়া,, তিনি ও নিয়েছেন ফেইসবুক থেকে

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার ...