এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫

দাঁড়িয়ে পানি পান: প্রচলিত ধারণা বনাম বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা

 দাঁড়িয়ে পানি পান: প্রচলিত ধারণা বনাম বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা🔲🔷💧


💧💧​দাঁড়িয়ে পানি খেলে কিডনির উপর চাপ পড়ে এবং সরাসরি ব্লাডস্ট্রিমে চলে যায় ❌

​এই দাবির পক্ষে সরাসরি কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। মানবদেহের পরিপাকতন্ত্র এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, আপনি যেকোনো ভঙ্গিতেই পানি পান করুন না কেন, তা একই শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

​➡️ পানি প্রথমে খাদ্যনালী দিয়ে পাকস্থলীতে পৌঁছায়, এরপর তা ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্রে শোষিত হয়।

➡️ কিডনির প্রধান কাজ হলো শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করা। আপনি যখনই পানি পান করেন, কিডনি সেই পানিকে ফিল্টার করে শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে বের করে দেয়।


💧💧​দেহে পানির সঠিক শোষণ হয় না এবং তা অ্যাসিডিটির কারণ হয় ❌

​এটিও একটি ভুল ধারণা। আপনি দাঁড়িয়ে বা বসে যেভাবেই পানি পান করুন না কেন, পানির শোষণ প্রক্রিয়া একই থাকে।

​➡️ শরীরের ভেতরের পরিবেশ এবং হজম প্রক্রিয়া কোনো নির্দিষ্ট ভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল নয়।

➡️ পাকস্থলীর pH বা অ্যাসিডিটি মূলত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যা খাবার বা পানীয়ের ভঙ্গি দ্বারা প্রভাবিত হয় না।


💧💧​হাড়ের জন্য ক্ষতিকর এবং ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যায় ❌

​এই ধারণাটিও ভুল। দাঁড়িয়ে পানি খেলে ক্যালসিয়াম দ্রুত প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়, এমন কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

​➡️ মানবদেহে ক্যালসিয়াম শোষণের প্রক্রিয়া খুবই জটিল এবং এর সঙ্গে হরমোন ও ভিটামিন ডি জড়িত। এটি পানি পান করার ভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল নয়।

➡️ অস্টিওপোরোসিস একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ, যার সঙ্গে পুষ্টির অভাব, হরমোনজনিত সমস্যা, বয়স এবং জেনেটিক কারণ জড়িত। দাঁড়িয়ে পানি পানের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।


💧💧​নার্ভ সিস্টেমে স্ট্রেস বাড়ে ❌

​দাঁড়িয়ে পানি পান করলে ভেজিটেটিভ নার্ভ সিস্টেম উত্তেজিত হয় এবং হার্টবিট বাড়ে—এই দাবিটি সরাসরি কোনো গবেষণায় প্রমাণিত হয়নি। এই সিস্টেম শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং হজম প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তবে এর সঙ্গে দাঁড়িয়ে পানি পান করার কোনো সম্পর্ক নেই।


💧🔷​ধর্মীয় উপদেশ: ইসলামে বসে পানি খেতে বলা হয়েছে ✅

​এটি একটি ধর্মীয় উপদেশ। ইসলামে বসে পানি পান করাকে সুন্নত বলা হয়েছে, যার পেছনে স্বাস্থ্যগত সুবিধার চেয়ে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কারণ বেশি গুরুত্ব পায়। এটি শিষ্টাচার ও বিনয়ের অংশ হিসেবে পালন করা হয়।


​শেষ কথা

🌿​দাঁড়িয়ে পা

সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro): জাপানের এক অনন্য নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।। 

 মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro): জাপানের এক অনন্য নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।। 



জাপান প্রকৃতি ও আগ্নেয়গিরির দেশ। এখানকার অসংখ্য পর্বতচূড়ার মধ্যে মাউন্ট ফুজি যেমন বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছে, তেমনি অনন্য আকৃতির জন্য সমান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro)। এটি শিজুওকা প্রিফেকচারের ইতো শহরে, ইজু উপদ্বীপে (Izu Peninsula) অবস্থিত এক নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।


🔸ভৌগোলিক অবস্থান ও উচ্চতা


মাউন্ট ওমুরোর উচ্চতা প্রায় ৫৮০ মিটার (১,৯০০ ফুট)। অন্যান্য উঁচু আগ্নেয়গিরির তুলনায় এটি ছোট হলেও এর সৌন্দর্য অসাধারণ। পর্বতটির গঠন সম্পূর্ণ গোলাকার, যেন সবুজে মোড়া এক বিশাল ঢিপি। দূর থেকে একে অনেক সময় বড় একটি সবুজ বাটির মতো দেখা যায়, যা দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।


🔸আগ্নেয়গিরির বৈশিষ্ট্য


এটি একটি নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি, অর্থাৎ বহু বছর আগে বিস্ফোরণের মাধ্যমে এর সৃষ্টি হলেও বর্তমানে এর কোনো কার্যকলাপ নেই।


পাহাড়ের ক্রেটার অংশ (গহ্বর) আজও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। তবে সেটি ভেতরে ঢুকে নেই; বরং চারপাশের ঢাল নরম সবুজ ঘাসে ঢাকা।


এর ঢাল এতটাই সমান ও নিখুঁত যে দেখতে অনেকটা কৃত্রিম পাহাড়ের মতো মনে হয়।


🔸পর্যটন আকর্ষণ


মাউন্ট ওমুরো শুধু একটি ভূতাত্ত্বিক নিদর্শন নয়, বরং জাপানের একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। প্রতি বছর দেশি-বিদেশি হাজারো ভ্রমণকারী এখানে আসে। এর কয়েকটি বিশেষ দিক হলো—


1. চেয়ারলিফট বা কেবল লিফট

পাহাড়ের পাদদেশ থেকে শীর্ষে উঠতে কেবল লিফট ব্যবহার করা হয়। এতে ভ্রমণকারীরা সহজেই ক্রেটারের ধারে পৌঁছে যেতে পারেন।


2. প্যানোরামিক দৃশ্য

পাহাড়ের উপরে উঠে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ উপভোগ করা যায়। এখান থেকে স্পষ্ট দেখা যায়—


▫️দূরে মাউন্ট ফুজি


▫️বিশাল প্রশান্ত মহাসাগর


▫️এবং নিকটবর্তী ইজু দ্বীপপুঞ্জ।


3. ক্রেটার পথচারী পথ

শীর্ষে উঠে পর্যটকরা ক্রেটারের চারপাশ ঘুরে দেখতে পারেন। পুরো চক্কর দিতে প্রায় ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে।


4. ধনুক-বাণ অভিজ্ঞতা (Archery)

ক্রেটারের ভেতরে ঐতিহ্যবাহী ধনুক চালানোর (কিউদো) বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যা জাপানের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এক অভিনব সুযোগ।


🔸সাংস্কৃতিক গুরুত্ব


মাউন্ট ওমুরো স্থানীয় মানুষের কাছে শুধু প্রাকৃতিক নিদর্শন নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। প্রতি বছর বিভিন্ন উৎসব ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এর সবুজে ঢাকা মসৃণ ঢাল জাপানি শিল্পী, ফটোগ্রাফার ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্যও একটি জনপ্রিয় বিষয়।


🔸মাউন্ট ওমুরো জাপানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়ের এক অসাধারণ উদাহরণ। এর গোলাকার নিখুঁত আকৃতি, শীর্ষ থেকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, এবং অনন্য পর্যটন সুবিধা একে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। যারা জাপানে ভ্রমণ করতে চান, বিশেষ করে শিজুওকা প্রিফেকচার ঘুরে দেখতে চান, তাদের জন্য মাউন্ট ওমুরো এক অবশ্য দর্শনীয় স্থান।


Geography zone- ভূগোল বলয় 

#geography #viral #model 

#geographyzone #follower

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সময় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে। কিন্তু অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবে না! তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।"

 এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সময় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে। কিন্তু অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবে না! তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।"


এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।


অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কী?

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হল এক ধরণের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স, যেখানে ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীবগুলি তাদের হত্যা বা বাধা দেওয়ার জন্য তৈরি ওষুধের প্রভাব সহ্য করার ক্ষমতা বিকাশ করে।


এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেখানে ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতিতে বেঁচে থাকার জন্য অভিযোজিত হয় এবং বিবর্তিত হয়।


এই অভিযোজনের মধ্যে জিনগত পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যা অ্যান্টিবায়োটিককে অকার্যকর করে তোলে, প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়াকে সংখ্যাবৃদ্ধি এবং ছড়িয়ে পড়তে দেয়।

যদিও প্রতিরোধ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার এবং অতিরিক্ত ব্যবহার এর বিকাশকে উল্লেখযোগ্যভাবে ত্বরান্বিত করে।


ধরুন, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। আপনি খেলেন ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আপনি সুস্থ হয়ে গেলেন। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেল। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করল নিজেরা নিজেরা।


তারা ভাবল, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে, আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকে না এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে ওই ব্যাকটেরিয়াগুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।

এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করে না!


সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়াগুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকে না। তিনি যখন হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ওই এন্টিবায়োটিক কাজ করে না। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।


আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করে না, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হাসপাতাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবে না। সামান্য সর্দিতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।


উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। "মেডিসিনের বাইবেল" নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,

"This organism is registant against this Drugs in the subcontinent'' অর্থাৎ এই জীবাণুটি উপমহাদেশের এই ওষুধগুলোকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম।


টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ জল খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়ে বেশি জরুরি। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা। আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা।


রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসিতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Azithromycin, Cefixime, Cefuroxime অথবা Levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কত দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষুধটি ১ ডোজ খাবেন, সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।  


চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

   সংগৃহীত ও পরিবর্তিত

রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫

ডাক্তারদের দেওয়া সাধারণ টেস্ট ও তাদের ফুল ফর্ম

 ”ডাক্তারদের দেওয়া সাধারণ টেস্ট ও তাদের ফুল ফর্ম”


CBC – Complete Blood Count → রক্তে হিমোগ্লোবিন, সাদা রক্তকোষ, প্লাটিলেট ইত্যাদি জানতে


ESR – Erythrocyte Sedimentation Rate → শরীরে ইনফেকশন বা প্রদাহ আছে কিনা


RBS – Random Blood Sugar → যেকোনো সময়ের রক্তে সুগার


FBS – Fasting Blood Sugar → খালি পেটে সকালের রক্তে সুগার


PPBS – Post Prandial Blood Sugar → খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরের রক্তে সুগার


HbA1c – Hemoglobin A1c → গত ৩ মাসের গড় রক্তে সুগার


 LFT – Liver Function Test → লিভারের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা


KFT / RFT – Kidney/Renal Function Test → কিডনির কার্যক্ষমতা পরীক্ষা


Lipid Profile – রক্তে কোলেস্টেরল, HDL, LDL, ট্রাইগ্লিসারাইড চেক


TSH, T3, T4 – Thyroid Hormone Tests → থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা চেক


CRP – C-Reactive Protein → শরীরে ইনফেকশন বা প্রদাহ চেক


PSA – Prostate Specific Antigen → প্রোস্টেট ক্যান্সার বা সমস্যা চেক (পুরুষদের)


VDRL – Venereal Disease Research Laboratory → সিফিলিস রোগ চেক


HbsAg – Hepatitis B Surface Antigen → হেপাটাইটিস বি ভাইরাস চেক


Anti-HCV – Hepatitis C Virus Antibody → হেপাটাইটিস সি ভাইরাস চেক


HIV Test – Human Immunodeficiency Virus Test → এইডস ভাইরাস চেক


Urine R/E – Urine Routine & Microscopic Exam → প্রস্রাবের সাধারণ টেস্ট


Stool R/E – Stool Routine & Microscopic Exam → পায়খানার সাধারণ টেস্ট


ECG – Electrocardiogram → হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম পরীক্ষা


ECHO – Echocardiography → হৃদপিণ্ডের আল্ট্রাসাউন্ড


EEG – Electroencephalogram → মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম পরীক্ষা


X-Ray – Radiograph → হাড়, ফুসফুস ইত্যাদি দেখা


CT Scan – Computed Tomography → শরীরের ডিটেইলড ছবি


MRI – Magnetic Resonance Imaging → মস্তিষ্ক, স্নায়ু, জয়েন্ট ইত্যাদি দেখা


Widal Test – টাইফয়েড পরীক্ষা


Dengue Test (NS1 / IgG / IgM) – ডেঙ্গু ভাইরাস চেক


MP Test – Malaria Parasite Test → ম্যালেরিয়া চেক


ABO & Rh – Blood Group & Rh Factor → রক্তের গ্রুপ ও Rh পজিটিভ/নেগেটিভ

ইমাম হুসাইন (আ.)’র মাথা কোথায় দাফন করা হয়?,,,,স্রষ্টার সৃষ্টির সেবাই - ধর্ম

 ইমাম হুসাইন (আ.)’র মাথা কোথায় দাফন করা হয়?


ইমাম হোসাইন (আ.) এবং অন্যান্য শহীদের মাথা কোথায় দাফন করা হয় তা নিয়ে শিয়া ও সুন্নিদের ইতিহাস গ্রন্থে এবং শিয়াদের হাদীস গ্রন্থে প্রচুর মতানৈক্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এ ব্যাপারে যেসব মতামত উল্লেখ করা হয়েছে তা যথেষ্ট বিশ্লেষণের দাবি রাখে। বর্তমানে শিয়াদের কাছে গ্রহণযোগ্য মত হলো ইমাম হোসাইন (আ.)-এর শাহাদাতের কয়েকদিন পরে তাঁর পবিত্র মাথা দেহের সাথে সংযুক্ত করে কারবালার মাটিতে দাফন করা হয়। বিস্তারিত জানার জন্য বিভিন্ন মত নিচে উল্লেখ করা হলো :


শিয়া আলেমদের মধ্যে এ মতটি হলো সবচেয়ে বেশি প্রসিদ্ধ। আল্লামা মাজলিসি (র.) এ মতের প্রসিদ্ধির কথা ব্যক্ত করেছেন। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪৫)


এক: মিশর (কায়রো)


বর্ণিত হয়েছে, ফাতেমী খলীফাগণ যারা চতুর্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে শুরু করে সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত মিশরে রাজত্ব করেন এবং শিয়া ইসমাঈলী মাযহাবের অনুসারী ছিল তারা ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাথা সিরিয়ার ফারাদীস শহর থেকে আসকালান, অতঃপর কায়রোতে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে ৫০০ বছর পর ইমাম হোসাইন (আ.)-এর মুকুট নামে একটি মাযার তৈরি করে। (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৮ম খণ্ড, পৃ. ২০৫)


মাকরীযী মনে করেন, ৫৪৮ সালে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর মাথা আসকালান থেকে কায়রোতে স্থানান্তরিত হয়। তিনি বলেন : ‘আসকালান থেকে পবিত্র মাথা বের করার সময় দেখা যাচ্ছিল যে, তার রক্ত টাটকা এবং এখনো শুকায়নি। আর মেশকের মতো একটি সুগন্ধি ইমামের পবিত্র মাথা থেকে বের হচ্ছিল। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩৩৭)


আল্লামা সাইয়্যেদ মুহসিন আমিন আমেলী (গত শতাব্দীর প্রসিদ্ধ শিয়া আলেম) আসকালান থেকে মিশরে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর মাথা স্থানান্তরিত হওয়ার ব্যাপারে বলেন : ‘মাথার সমাধিস্থলে একটি বড় মাযার তৈরি করা হয়েছে। আর তার পাশে একটি বড় মসজিদও তৈরি করা হয়েছে। ১৩২১ হিজরিতে ঐ জায়গা আমি যিয়ারত করি। আর বহু নারী-পুরুষকে সেখানে যিয়ারত করতে ও কান্নাকাটি করতে দেখতে পাই। ’ তিনি আরো বলেন : ‘একটি মাথা আসকালান থেকে মিশরে স্থানান্তরিত হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। তবে ঐ মাথাটি ইমাম হোসাইন (আ.)-এর নাকি অন্য কোন ব্যক্তির এ ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। (লাউয়ায়িজুল আশজান ফি মাকতালিল হোসাইন (আ.), পৃ. ২৫০)


আল্লামা মাজলিসী (র.) মিশরের একটি দলের বরাত দিয়ে সেখানে ‘মাশহাদুল কারীম’ নামে একটি বড় মাযার থাকার প্রতি ইঙ্গিত করেন। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪৪)


দুই. রিক্কা


ফোরাত নদীর তীরে একটি শহরের নাম হলো রিক্কা। কথিত আছে, ইয়াযীদ ইমাম হোসাইন (আ.)-এর মাথা আবু মুহিতের বংশধরের কাছে পাঠায়। (আবু মুহিতের বংশধর উসমানের আত্মীয় ছিল এবং ঐ সময় রিক্কা শহরে বাস করত)। তারা ইমামের পবিত্র মাথা একটি বাড়িতে দাফন করে যা পরবর্তীকালে মসজিদে রূপান্তরিত হয়। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, পৃ. ৩৩৪, তাজকেরাতুল খাওয়াস, পৃ. ২৬৫)


তিন. কুফা


সাব্ত ইবনে জাওজী এ মতের প্রবক্তা। তিনি বলেন : ‘আমর বিন হারিস মাখজুমী, ইবনে যিয়াদের কাছ থেকে ইমামের পবিত্র মাথা নেয় এবং গোসল দেয়ার পর কাফন পরিয়ে ও সুগন্ধি মাখিয়ে স্বীয় বাড়িতে দাফন করে। (তাজকেরাতুল খাওয়াস পৃ. ২৫৯)


চার. মদীনা


‘তাবাকাতে কুবরা’র লেখক ইবনে সা’দ এ মতটি গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন : ‘ইয়াযীদ ইমামের মাথাকে মদীনার শাসক আমর বিন সাঈদের জন্য পাঠায়। আমর ঐ পবিত্র মাথাটিকে কাফন দেওয়ার পর বাকী গোরস্তানে হযরত ফাতেমা (সা.)-এর মাযারের পাশে দাফন করে। (ইবনে সাদ, তাবাকাত, ৫ম খণ্ড, পৃ. ১১২)


এ মতটিকে আহলে সুন্নতের কতিপয় পণ্ডিত ব্যক্তি (যেমন খাওয়ারেজমী ‘মাকতালুল হোসাইন (আ.)’ গ্রন্থে এবং ইবনে এমাদ হাম্বালী ‘শুজুরাতুত যাহাব’ গ্রন্থে) গ্রহণ করেছেন। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩৩০-৩৩১)


এ মতের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় ত্রুটি হলো, হযরত ফাতেমা যাহরা (আ.)-এর কবর ছিল অজ্ঞাত। অতএব, কিভাবে সম্ভব যে, তাঁর কবরের পাশে দাফন করা হতে পারে।


পাঁচ. সিরিয়া


সম্ভবত বলা যেতে পারে, অধিকাংশ সুন্নি আলেমের মতে, ইমামের পবিত্র মাথা সিরিয়ায় দাফন করা হয়েছে। এ মতে বিশ্বাসীদের মধ্যেও মতানৈক্য পরিলক্ষিত হয়। সেসব মতামত নিচে উল্লেখ করা হলো :


ক. ফারাদীস শহরের প্রধান গেটের পাশে দাফন করা হয়। পরবর্তীকালে সেখানে ‘মাসজিদুর রাস’ তৈরি করা হয়।


খ. উমাইয়া জামে মসজিদের পাশে একটি বাগানে দাফন করা হয়।


গ. দারুল ইমারায় দাফন করা হয়।


ঘ. দামেশ্কের একটি গোরস্তানে দাফন করা হয়।


ঙ. তুমা শহরের দরজার পাশে দাফন করা হয়। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩৩১-৩৩৫)


ছয়: নাজাফে হযরত আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে


আল্লামা মাজলিসি (র.)-এর বক্তব্য থেকে এবং কতগুলো হাদীস বিশ্লেষণ করে পাওয়া যায় যে, ইমামের মাথা নাজাফে হযরত আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে দাফন করা হয়েছে। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪৫) কিছু কিছু হাদীসে এসেছে, ইমাম জাফর সাদিক (আ.) স্বীয় সন্তান ইসমাইলকে সাথে নিয়ে নাজাফে ইমাম আলী (আ.)-এর যিয়ারত করে নামায পড়ার পর ইমাম হোসাইন (আ.)-কে উদ্দেশ্য করে সালাম দিতেন। অতএব, এসব হাদীস থেকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর সময়কাল পর্যন্ত ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাথা নাজাফেই ছিল। (কামিলুজ জিয়ারাত, পৃ. ৩৪)


অন্যান্য হাদীসও এ মতটিকে সমর্থন করে। এমনকি শিয়াদের গ্রন্থসমূহে ইমাম আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাথা যিয়ারত করার জন্য দুআ’ও উল্লেখ করা হয়েছে। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩২৫-৩২৮)


ইমামের পবিত্র মাথা নাজাফে স্থানান্তরিত করার ব্যাপারে ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেন : ‘আহলে বাইত (আ.)-এর একজন ভক্ত সিরিয়ায় ইমামের পবিত্র মাথা চুরি করে ইমাম আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে নিয়ে আসে। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪৫) অবশ্য এ মতের ব্যাপারে একটি ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। আর তা হলো, ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর সময়কাল পর্যন্ত ইমাম আলী (আ.)-এর মাযার সবার কাছে পরিচিত ছিল না।


অন্য এক হাদীসে এসেছে, ইমামের পবিত্র মাথা দামেশ্কে কিছু দিন রাখার পর কুফায় ইবনে যিয়াদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সে জনগণের বিদ্রোহের ভয়ে এ নির্দেশ দেয় যে, ইমামের পবিত্র মাথা যেন কুফা থেকে বের করে নাজাফে হযরত আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে দাফন করা হয়। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৭৮) পূর্ববর্তী মতের ব্যাপারে যে ত্রুটি উল্লেখ করা হয়েছে এখানেও সে ত্রুটি প্রযোজ্য।


সাত. কারবালা


সাদুক (র.) হযরত আলী (আ.)-এর মেয়ে এবং ইমাম হোসাইন (আ.)-এর বোন ফাতেমা থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে উল্লেখ করেন, কারবালায় দেহ মোবারকের সাথে মাথা সংযুক্ত করা হয়েছিল। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪০) তবে মাথা সংযুক্ত করার পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন রকম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করা হয়েছে।


সাইয়্যেদ বিন তাউসসহ কেউ কেউ এটিকে একটি অলৌকিক বিষয় হিসেবে মনে করেন এবং বলেন, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় ক্ষমতাবলে অলৌকিকভাবে এ কাজটি করেন। আর এ ব্যাপারে কোন প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। (সাইয়্যেদ ইবনে তাউস, ইকবালুল আমাল, পৃ. ৫৮৮)


আবার কেউ কেউ বলেন, ইমাম সাজ্জাদ (আ.) সিরিয়া থেকে ফেরার সময় চল্লিশতম দিনে (সাইয়্যেদুশ শোহাদা, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৩০৪) অথবা অন্য কোন এক দিনে ইমামের পবিত্র মাথা কারবালায় তাঁর দেহের পাশে দাফন করেন। (লুহুফ, পৃ. ২৩২)


কিন্তু ইমামের মাথা একেবারে তাঁর দেহ মোবারকের সাথে সংযুক্ত করে নাকি তাঁর দেহের পাশে দাফন করা হয়েছে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোন বর্ণনা নেই। এছাড়া সাইয়্যেদ ইবনে তাউসও এ ব্যাপারে বেশি প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। (ইকবালুল আ’মাল, পৃ. ৫৮৮)


একদল বলেন, ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাথা ইয়াযীদের আমলে তিন দিন দামেশকের প্রধান দরজায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। অতঃপর সেখান থেকে নামিয়ে সরকারি মূল্যবান বস্তুর সংরক্ষণাগারে রাখা হয়। উমাইয়া শাসক সুলায়মান বিন আবদুল মালেকের শাসনকাল পর্যন্ত ইমামের পবিত্র মাথা সেখানেই থাকে। এরপর সুলায়মান ঐ মাথাকে কাফন পরিয়ে দামেশকে মুসলমানদের গোরস্তানে দাফন করে। অতঃপর সুলায়মানের উত্তরাধিকারী উমর বিন আবদুল আজীজ (খেলাফত : ৯৯-১০১ হি.) গোরস্তান থেকে ঐ পবিত্র মাথাকে বের করে নিয়ে আসেন এবং সেটাকে কী করেন তা কারো জানা নেই! কিন্তু তিনি যেহেতু শরীয়তের বাহ্যিক আমলের প্রতি অনুগত ছিলেন সেহেতু যথাসম্ভব ঐ পবিত্র মাথাকে কারবালা পাঠিয়েছিলেন। (মাকতালুল খাওয়ারেজমী, ২য় খণ্ড, পৃ. ৭৫)


পরিশেষে বলতে চাই, কোন কোন সুন্নি মনীষী, যেমন, শাব্লানজী এবং সিব্ত ইবনে জাওজীও এক রকম স্বীকার করেছেন যে, পবিত্র মাথা কারবালায় দাফন করা হয়েছে। (মাআ রাকবুল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩২৪, ৩২৫)


আল্লাহুম্মা সাল্লে আলা মোহাম্মাদ দিন ওয়া আলে মোহাম্মাদ ওয়া আজ্জিল ফারাজাহুমা


স্রষ্টার সৃষ্টির সেবাই - ধর্ম


BMW মোহাম্মদ

শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

Infinix ব্যবহারকারী? এই ১০টি Pro Level ফিচার একবারও ব্যবহার করেছেন?

 ”Infinix ব্যবহারকারী? এই ১০টি Pro Level ফিচার একবারও ব্যবহার করেছেন?”


অনেকেই Infinix ফোনকে শুধু "কমদামি" ফোন বলে অবহেলা করে, কিন্তু এই ফোনে এমন কিছু Premium Feature আছে যেগুলো Samsung-এও নেই। নিচের সেটিংগুলো একবার অন করেই দেখুন 


১. XHide – আপনার গোপন ফাইল/ছবি লুকান

`Phone Master → XHide → PIN সেট করে প্রয়োজনীয় ফাইল Add করুন`


২. Freezer – RAM ফ্রি করার জন্য Best ফিচার

`Settings → Special Function → Freezer`

 যেকোনো অ্যাপ Freeze করলে ব্যাকগ্রাউন্ডে আর চলবে না।


৩. Lightning Multi-Window (Split Screen)

`Settings → Special Function → Lightning Multi-window`


৪. Magic Button (Gaming Trigger)

`Game Mode → Magic Button` → Volume keys কে Gaming Trigger হিসেবে সেট করুন।


৫. Social Turbo (WhatsApp এর জন্য All-in-One ফিচার)

`Settings → Special Function → Social Turbo`

 WhatsApp Call Recorder, Status Saver, Voice Changer সব এক জায়গায়।


৬. Smart Panel (Floating Quick Apps)

`Settings → Display → Smart Panel` → Enable করুন


৭. Eye Care + Anti-Peeping Screen

`Settings → Display → Eye Care` → Enable + Schedule করুন


৮. Power Boost + Marathon Mode (Battery কে Long Lasting করুন)

`Settings → Battery Lab → Power Boost / Ultra Power Mode`


৯. Notification LED (কল / মেসেজ এর সময় লাইট ঝলকানো)

`Settings → Display → Notification Light`


১০. Fingerprint Quick Action

`Settings → Security → Fingerprint → Quick Launch`

 দ্রুত Apps/Others Shortcut Assign করুন


Infinix ফোনে যদি উপরের ফিচারগুলো ঠিকভাবে সেট করা থাকে, তাহলে আপনি সত্যিকারের “Pro Level” সুবিধা পাবেন – আর ফোনও আগের তুলনায় অনেক স্মার্ট ভাবে কাজ করবে।

রোগ অনুযায়ী কোন ডাক্তার দেখাবেন

 "রোগ অনুযায়ী কোন ডাক্তার দেখাবেন?"


অনেকেই জানেন না কোন রোগ হলে কোন ডাক্তার দেখাতে হবে। এখানে সহজভাবে রোগ ও ডাক্তার অনুযায়ী গাইডলাইন দেওয়া হলো 


সাধারণ সমস্যা


জ্বর, সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা, ডায়রিয়া → মেডিসিন ডাক্তার / জেনারেল ফিজিশিয়ান


শিশুর অসুখ (০–১৪ বছর বয়স) → পেডিয়াট্রিশিয়ান (শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ)


বয়সজনিত সাধারণ সমস্যা (বৃদ্ধদের) → জেরিয়াট্রিশিয়ান


অঙ্গভিত্তিক রোগ

হৃদরোগ, বুক ধড়ফড়, হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক → কার্ডিওলজিস্ট (হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ)


শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ফুসফুস সমস্যা, কাশি দীর্ঘদিন ধরে → পালমোনোলজিস্ট (ফুসফুস বিশেষজ্ঞ)


পেট ব্যথা, গ্যাস্ট্রিক, লিভার, কিডনি বা হজম সমস্যা → গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট (পেট/লিভার বিশেষজ্ঞ)


কিডনি রোগ, প্রস্রাবের সমস্যা, ডায়ালাইসিস → নেফ্রোলজিস্ট (কিডনি বিশেষজ্ঞ)


হাড়, জয়েন্ট ব্যথা, আর্থ্রাইটিস, ভাঙা হাড় → অর্থোপেডিক সার্জন


চোখের সমস্যা, কম দেখা, ছানি, চশমা লাগবে কিনা → অপথ্যালমোলজিস্ট (চক্ষু বিশেষজ্ঞ)


কান, নাক, গলা ব্যথা, শ্রবণ সমস্যা, টনসিল → ইএনটি ডাক্তার


দাঁত, মাড়ি ব্যথা, দাঁত ওঠানো/সেট করা → ডেন্টিস্ট (দন্ত চিকিৎসক)


 বিশেষ রোগ


ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, হরমোন সমস্যা → এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট (হরমোন বিশেষজ্ঞ)


ত্বকের সমস্যা, একজিমা, চুল পড়া, ব্রণ, এলার্জি → ডার্মাটোলজিস্ট (ত্বক বিশেষজ্ঞ)


মস্তিষ্ক, স্নায়ু, মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, স্ট্রোক → নিউরোলজিস্ট (স্নায়ু বিশেষজ্ঞ)


মানসিক চাপ, ডিপ্রেশন, ঘুমের সমস্যা → সাইকিয়াট্রিস্ট (মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ)


ক্যান্সার, টিউমার → অঙ্কোলজিস্ট (ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ)


মহিলা রোগ (পিরিয়ড সমস্যা, গর্ভধারণ, ডেলিভারি) → গাইনোকোলজিস্ট


প্রসবের সময় বাচ্চা বের করার অপারেশন → অবসটেট্রিশিয়ান


চর্ম যৌন রোগ, এইডস, যৌন সমস্যা → ভেনেরিওলজিস্ট / চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ


সার্জারি


অ্যাপেন্ডিক্স, গলস্টোন, টিউমার অপারেশন → জেনারেল সার্জন


ব্রেইন টিউমার, মাথায় আঘাত, মস্তিষ্ক অপারেশন → নিউরোসার্জন


হৃদযন্ত্রের বাইপাস, হার্ট সার্জারি → কার্ডিয়াক সার্জন


প্লাস্টিক সার্জারি, পোড়া জায়গার চিকিৎসা → প্লাস্টিক সার্জন


চোখের অপারেশন (ছানি/লেজার ইত্যাদি) → অকুলার সার্জন


প্রথমে যদি নিশ্চিত না হন → জেনারেল ফিজিশিয়ান/মেডিসিন ডাক্তার দেখান, উনি সঠিক স্পেশালিস্টে রেফার করবেন।


সব সময় রোগ অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বেছে নিন, এতে সঠিক চিকিৎসা দ্রুত পাওয়া যায়।

একটু খেয়াল করুন—সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে প্রথমে কি করেন?

 একটু খেয়াল করুন—সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে প্রথমে কি করেন?


নাহ, দাঁত ব্রাশ না। আপনার আঙুল টাচ করে ফোনে। নোটিফিকেশন আসে, চোখ চকচক করে ওঠে। মাথায় একটা হালকা আনন্দের ভাব।


এটাই ডোপামিন।

একটা ছোট্ট ‘হিট’।

মস্তিষ্ক বলে, “ভালো লাগছে, আবার করো!”


কিন্তু আপনি কি জানেন, এই ‘ভালো লাগা’টা আসলে একটা কন্ট্রোলড ডিজাইন?

এই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলোর অ্যালগরিদম আপনাকে না জেনে একটা ট্র্যাপে ফেলে রাখে।


টিকটক কেন ননস্টপ প্লে করে?

ইনস্টাগ্রাম কেন “Scroll End” বলে কিছু নেই?

Facebook কেন “Memories” দেখায়?


এইসব কিছুই—পিওর সায়েন্স অব মেন্টাল হ্যাকিং।


আপনি আর কন্ট্রোলে নেই।

আপনার মস্তিষ্ক এখন প্ল্যাটফর্মগুলোর হাতে রিমোট কন্ট্রোল।


২০ মিনিটের জন্য সব অফ। শুধু নিজের সাথে কানেক্টেড থাকবো।

দেখলাম— একবার শুরু করলেই, সময়, ফোকাস, পিস—সব ফিরে আসে।


আপনার জন্য আমার রোডম্যাপ:


🧭 ১. প্রতিদিন ১৫ /২০  মিনিট “Digital Pause” নিন।

🧭 ২. ফোনে স্ক্রিন টাইম আলার্ম সেট করুন।

🧭 ৩. দিনে ৩০ মিনিট “No Dopamine Hour” চালু করুন।

🧭 ৪. রাতে ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে সব নোটিফিকেশন বন্ধ করুন।


শুরুতে কঠিন লাগবে। মস্তিষ্ক বিদ্রোহ করবে। শরীর ‘ফেক আনন্দ’ খুঁজবে। কি 

কিন্তু মনে রাখবেন— আপনি রোবট না।


আমি এই নিয়মগুলো ফলো করে নিজের প্রোডাক্টিভিটি কয়েকগুন গুণ বাড়িয়েছি,

আর স্ট্রেস ৭০% কমিয়েছি।


আমার এক ট্রেইনি ছিল—প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা স্ক্রল করতো। আজ সে একটা স্টার্টআপ চালাচ্ছে, কারণ এখন ওর ‘mind’ ওর নিজের কন্ট্রোলে।


ভাবুন তো— আপনি সকালবেলা উঠে ডিভাইস নয়, নিজের লাইফের ওপর কন্ট্রোল নিয়ে দিন শুরু করছেন। মন শান্ত, মাথা ক্লিয়ার,, আর কাজ শেষ হচ্ছে ঠিক সময়মতো।


এটাই হতে পারে আপনার নতুন সুপার পাওয়ার।


আজ যদি আপনি সিদ্ধান্ত না নেন—আগামীকালও অন্য কেউ আপনার মাথা দিয়ে আয় করবে। আপনার সময়টাই তাদের বিজনেস মডেল।


এখন সিদ্ধান্ত আপনার—


আপনি "Device" কন্ট্রোল করবেন,

নাকি "Device" আপনাকে কন্ট্রোল করবে?


©

শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫

আমার মতো ছাত্র বুয়েট আর দ্বিতীয়টি পাবে না, আর আসবেও না। আমিই শেষ

 বুয়েটের সমাবর্তনে এক যুবক বক্তৃতা দিতে গিয়ে বললেন—

“আমার মতো ছাত্র বুয়েট আর দ্বিতীয়টি পাবে না, আর আসবেও না। আমিই শেষ


আমি আজ বেরিয়ে যাচ্ছি। আমার মতো আর কোনো ছাত্র এই বুয়েটে ভর্তি হতে পারবে না। আজ আমি গর্বিত যে এত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আমি ছাত্র ছিলাম।”

কথা বলতে বলতে তার চোখ থেকে অবিরাম জল পড়ছিল। তখন একজন প্রফেসর তাকে জিজ্ঞেস করলেন—

“তোমার গর্বিত হওয়ার কারণ কী?”

জবাবে ছেলেটি বলল—

“কমলাপুর রেলস্টেশনের পাশে একচালা এক বস্তির ঘরে আমার জন্ম। হ্যাঁ, আমি বস্তিরই ছেলে। বাবা যখন মারা যান, আমি তখন খুব ছোট। আমাকে বড় করে মানুষ করার জন্য আমার মা দিনের বেলায় ভিক্ষা করতেন আর রাতে এক বাসায় ঝির কাজ করতেন। আমি ওই বস্তিরই স্কুলে পড়তাম। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় ভালো ছিলাম।

মায়ের একার রোজগারে সংসার চলত না, তাই আমি কমলাপুর স্টেশনে বাদাম বিক্রি করতাম। স্টেশনে বাদাম নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর সময় কোথাও কোনো পড়ে থাকা ইংরেজি পত্রিকা কাগজ কুড়িয়ে এনে পড়ার চেষ্টা করতাম। আমি যখন তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হই, বস্তির স্কুলে সর্বোচ্চ নম্বর পাই।

আমার পড়াশোনার আগ্রহ দেখে একজন ভদ্রলোক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। আজ সেই ভদ্রলোকের জন্যই আমি এত দূর পর্যন্ত আসতে পেরেছি। এর জন্য আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিই।

আজ আর আমার মা বেঁচে নেই। বেঁচে থাকলে জড়িয়ে ধরে বলতাম—‘মা, তোমার বাদাম বিক্রি করা ছেলে বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ার হয়েছে।’ কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—তিনি তো আর নেই।

তবুও আমার একটাই পরিচয়—আমি বস্তির ছেলে। এই কথা বলতে আমার কোনো দ্বিধা হয় না।”

কথা শেষ করে আবারও চোখ মুছলেন ছেলেটি।


#Thebogura #BUET

বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

Bangladesh Weather Observation Team- BWOT ((ফেইসবুক থেকে নেওয়া)) আপডেট : ২০ অগাস্ট ২০২৫, রাত ১০:৩০ টা

 ধেঁয়ে আসছে দেশের দিকে প্রায় শক্তিশালী মৌসুমি বৃষ্টি বলয় " স্পিড "


নোট : বলে রাখা ভালো, এই বৃষ্টি বলয়টি দেশের দক্ষিণ, দক্ষিণ পূর্ব,  দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল বা উপকূলীয় জেলা গুলোতে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে, ফলে ভারিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে উপকূলীয় এলাকার নিচু এলাকা সাময়িক প্লাবিত হতে পারে। 


এটি একটি আংশিক বৃষ্টি বলয়, মানে এই বৃষ্টি বলয় সারাদেশে সক্রিয় হতে পারবেনা। তবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সক্রিয় হয়ে যথেষ্ট বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।  এবং এই বৃষ্টি বলয় টি দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকায় বেশ বৃষ্টি ঘটাতে পারে। 


এটি চলতি বছরের ১১ তম বৃষ্টি বলয় ও ৭ তম মৌসূমী বৃষ্টি বলয়। 


সর্বাধিক সক্রিয়ঃ খুলনা > বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগ (বিশেষ করে এই সকল বিভাগের যত দক্ষিণে তত বেশি সক্রিয়)


মাঝারি সক্রিয় : ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ 

কম সক্রিয় : রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ। 


নাম :  শক্তিশালী মৌসুমী বৃষ্টি বলয় "স্পিড"। 

টাইপ : আংশিক বৃষ্টি বলয়। 


কাভারেজ : দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা। 

ধরন : মৌসূমী বৃষ্টি বলয়

সময়কাল : ২১ শে অগাস্ট হতে ২৫ শে অগাস্ট ২০২৫। 

সর্বাধিক সক্রিয়: ২২ টু ২৪ শে অগাস্ট। 


কালবৈশাখী : নেই

বজ্রপাত :  প্রায় স্বাভাবিক 

বন্যা : দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের নিচু এলাকা ভারিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সাময়িক প্লাবিত হতে পারে। 


একটানা বর্ষন : আছে বেশি সক্রিয় এলাকায়

সিস্টেম : স্থল সার্কুলেশন/লঘুচাপ থাকতে পারে। 

ঝড় :  এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের উপর বড় কোন ঝড়ের সম্ভাবনা নেই তবে দমকা হাওয়া থাকতে পারে উত্তর বঙ্গোপসাগর, উপকূল ও বৃষ্টিবাহী এলাকায়। 


সাগর : বেশিরভাগ সময়েই সাগর বেশ উত্তাল  থাকতে পারে সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা, সার্কুলেশন/লঘুচাপ ও বায়ুচাপের তারতম্যের কারনে। 


পাহাড় ধসঃ এসময় চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকাতে পাহাড় ধ্বসের বেশ আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে বান্দরবান কক্সবাজার চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি জেলায়। 


নোট : বৃষ্টিবলয় " স্পিড " চলাকালীন সময়ে দেশের আকাশ অধিকাংশ এলাকায় আংশিক থেকে মূলত মেঘলা থাকতে পারে। ও অধিক সক্রিয় এলাকায় মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে।

বৃষ্টি বলয় "স্পিড" এ অধিকাংশ বৃষ্টিপাত হতেপারে একটানা ও দীর্ঘস্থায়ী, ঝাঁকে ঝাকেও হতে পারে বেশ কিছু এলাকায়। 


*এই বৃষ্টি বলয় চলাকালীন সময়ে দেশের প্রায় ৪০-৬০% এলাকায় পানি সেচের চাহিদা পুরন হতে পারে। 


এই বৃষ্টি বলয় টি ২১ শে অগাস্ট দেশের উপকূলীয় এলাকা দিয়ে দেশে প্রবেশ করবে ও আগামি ২৫ শে অগাস্ট খুলনা বিভাগের উপকূলীয় এলাকা দিয়েই দেশ ত্যাগ করতে পারে। 


বৃষ্টিবলয় স্পিড  চলাকালীন সময়ে দেশের আবহাওয়া দক্ষিণ ও উপকূলীয় অধিকাংশ এলাকায় আরামদায়ক থাকতে পারে, তবে বৃষ্টি বিরতির সময় অল্প কিছুটা ভ্যপসা গরম পড়তে পারে কিছু কিছু এলাকায়। এবং উত্তর ও উত্তর মধ্য অঞ্চলে কিছুটা ভ্যাপসা গরম অনুভূতি থাকতে পারে মাঝে মাঝেই। 


"স্পিড"  চলাকালীন সময়ে বেশি সক্রিয় স্থানে রোদের উপস্থিতি তেমন পাওয়া যাবেনা ইনশাআল্লাহ।


স্পিড এর বৈশিষ্ট্য : অধিক সক্রিয় এলাকায় খুবই জোরে মুসলধারে বৃষ্টি ও অল্প সময়ে অধিক বৃষ্টি হতে পারে। এবং অধিকাংশ বৃষ্টিপাত মধ্যরাত হতে দুপুরের মধ্যে হতে পারে। 


নোট : স্পিড যেহেতু আংশিক বৃষ্টি বলয়, সুতরাং স্পিড চলাকালীন সময়ে দেশের কিছু এলাকায় খুবই কম বৃষ্টিপাত বা বৃষ্টি একেবারে না ও হতে পারে। 


নোট: বৃষ্টি বলয় চালু হওয়া মানে একসাথে সকল এলাকায় বৃষ্টিপাত নয়। মূলত এই সময়সীমার মধ্যে সর্বোচ্চ সক্রিয় এলাকায় পর্যায়ক্রমে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে এবং কম সক্রিয় এলাকায় বৃষ্টিপাত হলেও তা পর্যায়ক্রমে ও কম হতে পারে। 


মেঘের অভিমুখ: শুরুতে দক্ষিন পশ্চিম থেকে  উত্তর-পুর্ব দিকে। তারপর এরপর অধিকাংশ এলাকায় পশ্চিম  হতে পুর্ব দিকে। তবে মাঝে মাঝে বিভিন্ন এলাকায় গতিপথ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। 


আসুন একনজরে দেখেনেই বৃষ্টি বলয় "স্পিড" চলাকালীন সময়ে দেশের কোন বিভাগে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গড়ে কত মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ও বৃষ্টি বলয়ের ৫ দিনে কোন বিভাগে গড়ে কত দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।


ঢাকা ৮৫-১৩০ মিলিমিটার, গড়ে ৩দিন

খুলনা ১০০-৩০০ মিলিমিটার গড়ে ৪ দিন

বরিশাল ১৫০-৩০০ মিলিমিটার গড়ে ৫ দিন

সিলেট ৮০-১৪০ মিলিমিটার গড়ে ৩ দিন

ময়মনসিংহ ৯০-১২০ মিলিমিটার গড়ে ৩ দিন

রাজশাহী ৬০-৮০ মিলিমিটার গড়ে ২ দিন

রংপুর ৫৫-১২০ মিলিমিটার গড়ে ২ দিন

চট্টগ্রাম  ১০০-৩৬০ মিলিমিটার গড়ে ৫ দিন।


আসুন একনজরে দেখে নেই, বৃষ্টি বলয় স্পিড এ চলাকালীন সময়ে আপনার জেলায় গড়ে কত মিলিমিটার বৃষ্টি হতেপারে।


বরিশাল বিভাগ

==========

বরিশাল 150

ভোলা উত্তর 180

ভোলা দক্ষিণ 300

বরগুনা 300

ঝালকাঠি 165

পটুয়াখালী উত্তর 250

পটুয়াখালী দক্ষিণ 300

পিরোজপুর উত্তর 160

পিরোজপুর দক্ষিণ 250

—————————

চট্টগ্রাম বিভাগ

==========

বান্দরবন উত্তর 220

বান্দরবন দক্ষিণ 275

ব্রাহ্মণবাড়িয়া 85

চাঁদপুর 130

চট্টগ্রাম উত্তর 225

চট্টগ্রাম দক্ষিণ 275

কুমিল্লা উত্তর 100

কুমিল্লা দক্ষিণ 150

কক্সবাজার উত্তর 340

কক্সবাজার দক্ষিণ 360

ফেনী 225

খাগড়াছড়ি উত্তর 115

খাগড়াছড়ি দক্ষিণ 160

লক্ষ্মীপুর 200

নোয়াখালী উত্তর 225

নোয়াখালী দক্ষিণ 300

রাঙামাটি উত্তর 115

রাঙামাটি দক্ষিণ 200

—————————

ঢাকা বিভাগ

===========

ঢাকা 85

ফরিদপুর 105

গাজীপুর 90

গোপালগঞ্জ 130

কিশোরগঞ্জ 80

মাদারীপুর 100

মানিকগঞ্জ 85

মুন্সীগঞ্জ 96

নারায়ণগঞ্জ 105

নরসিংদী 85

রাজবাড়ী 95

শরীয়তপুর 100

টাঙ্গাইল 90

——————–

ময়মনসিংহ বিভাগ

=============

জামালপুর 90

ময়মনসিংহ উত্তর 110

ময়মনসিংহ দক্ষিণ 90

নেত্রকোনা 120

শেরপুর 100

—————————


খুলনা বিভাগ

============

বাগেরহাট উত্তর 180

বাগেরহাট দক্ষিণ 280

চুয়াডাঙ্গা 110

যশোর 130

ঝিনাইদহ  115

খুলনা উত্তর 185

খুলনা দক্ষিণ  290

কুষ্টিয়া 75

মাগুরা 100

মেহেরপুর 95

নড়াইল 120

সাতক্ষীরা উত্তর 190

সাতক্ষীরা দক্ষিণ 300

—————————

রাজশাহী বিভাগ

============

বগুড়া 60

জয়পুরহাট 55

নওগাঁ 65

নাটোর 65

নবাবগঞ্জ 75

পাবনা 70

রাজশাহী 75

সিরাজগঞ্জ 80

—————————

রংপুর বিভাগ

=============

দিনাজপুর 65

গাইবান্ধা 55

কুড়িগ্রাম 75

লালমনিরহাট 85

নীলফামারী 90

পঞ্চগড় 120

রংপুর 65

ঠাকুরগাঁও 80

—————————

সিলেট বিভাগ

============

হবিগঞ্জ 80

মৌলভীবাজার 85

সুনামগঞ্জ 140

সিলেট 135

—————————

পশ্চিমবঙ্গ

==========

উত্তর ২৪ পরগণা 180

দক্ষিণ ২৪ পরগণা 300

কলকাতা 250

দিঘা 275

মেদিনীপুর 285

বাঁকুড়া 190

পুরুলিয়া 200

বর্ধমান 160

আসানসোল 170

বহরমপুর 95

মালদা 75

রায়গঞ্জ 75

ইসলামপুর 120

শিলিগুড়ি 150

দার্জিলিং 155

জলপাইগুড়ি 150

কোচবিহার 150

—————————

ওড়িশা

==========

উত্তর উড়িষ্যা 140

পূর্ব-মধ্য  উড়িষ্যা 40

—————————

ঝাড়খণ্ড

==========

উত্তর ঝাড়খণ্ড 150

দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড 190

জামশেদপুর 270

রাঁচি 250

দুমকা 100

—————————

বিহার

========

দক্ষিণ বিহার 95

পূর্ব বিহার 75

উত্তর বিহার 80

—————————

নেপাল

মধ্য নেপাল 100

দক্ষিণ পূর্ব নেপাল 120

—————————

ভুটান

পশ্চিম ভুটান 70

মধ্য ভুটান 68

পূর্ব ভুটান 65

—————————

আসাম

পশ্চিম আসাম 145

মধ্য আসাম 55

পূর্ব আসাম 90

দক্ষিণ আসাম 85

—————————


অন্যান্য

===========

চেরাপুঞ্জি 220

মধ্য মেঘালয় 55

দক্ষিণ পূর্ব অরুণাচল 85

মধ্য ত্রিপুরা 150

ত্রিপুরা-মিজোরান সীমান্ত 85

মণিপুর 75

নাগাল্যান্ড 65

উত্তর মিজোরাম 85

দক্ষিণ মিজোরাম 150

———————–

মিয়ানমার

===========

উত্তর চিন 110

দক্ষিণ চিন 150

মধ্য সাগাইং 140

উত্তর রাখাইন 360

মাগওয়ে 30

-----------------------

বৃষ্টি বলয় এর পূর্বাভাসে যা বিবেচনায় রাখতে হবে:

*এখানে দেওয়া বৃষ্টির পরিমান একটা গড় ধারনা মাত্র, স্থানভেদে এর পরিমান কিছুটা হেরফের হতেপারে। ও দেশের কোন কোন ক্ষুদ্র এলাকায় কিছুটা বেশি বৃষ্টি হতে পারে ও কোন ক্ষুদ্র স্থানে বৃষ্টি অনেক কম হতে পারে।


নোট : প্রাকৃতিক কারনে বৃষ্টি বলয় "স্পিড" এর সময়সূচি কিছুটা পরিবর্তন ও এর শক্তি কিছুটা হ্রাস, বৃদ্ধি বা বিলুপ্ত হতেপারে।


পূর্বাভাস তৈরি : Bangladesh Weather Observation Team Ltd. (BWOT)


[Copyright : বাংলাদেশে BWOT একমাত্র আবহাওয়া সংস্থা যারা বৃষ্টি বলয় নামকরন করে বৃষ্টিবলয়ের পূর্বাভাস করার প্রচলন করে। তাই BWOT ব্যাতিত আর কেউ বৃষ্টি বলয় নামকরণ করে পূর্বাভাস করে বিভ্রান্তি তৈরি করা থেকে বিরত থাকুন]


*DISCLAIMER: এটা শুধুমাত্র আমাদের গবেষণায় পাওয়া তথ্য, কোনো সরকারি পূর্বাভাস বা সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি না এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত অফিসিয়াল পূর্বাভাসের জন্য সবাই বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করুন।

এবং এই পূর্বাভাসের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করুন, অথবা তাদের পূর্বাভাস অনুসরণ করুন।


ধন্যবাদ : Bangladesh Weather Observation Team- BWOT

আপডেট : ২০ অগাস্ট ২০২৫, রাত ১০:৩০ টা

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...