এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম

 ১৯/০৮/২০২৫ সকালের শিরোনাম 

আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


* জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫-এর উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ---

 মৎস্য সম্পদ রক্ষায় দেশবাসীকে পরিবেশের প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান


* চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের

কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে- জানালো নির্বাচন কমিশন


* রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আগামী সোমবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হতে

যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন


* বোরো সংগ্রহ কর্মসূচির আওতায় চলতি মৌসুমে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ

পরিমাণ ধান ও চাল সংগ্রহ


* ২০১৬ সালে গাজীপুরে জঙ্গি অভিযানের নামে সাত জনকে হত্যার ঘটনায়

পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি


* গাজায় ইসরাইলের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের যুদ্ধ বিরতি ও জিম্মি

মুক্তি দেওয়ার সর্বশেষ প্রস্তাবে সম্মত হামাস


* এবং আজ কেয়ার্নস-এ তিন ম্যাচ ওডিআই ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে

স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মোকাবেলা করবে দক্ষিণ আফ্রিকা

শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

নারীদের মাঝে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ স্বাভাবিক একটি ফিজিওলজিক্যাল প্রক্রিয়া

 নারীদের মাঝে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ স্বাভাবিক একটি ফিজিওলজিক্যাল প্রক্রিয়া


। অনেকেই ভাবেন সাদা স্রাব মানেই রোগ, আসলে বিষয়টি একেবারেই তা নয়। মাসিক চক্র চলাকালীন সময়ে শরীরের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হালকা সাদা বা স্বচ্ছ স্রাব স্বাভাবিক। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভ্যাজাইনাকে আর্দ্র রাখা, জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা এবং স্পার্মের মোবিলিটি সহজ করা।

সাদা স্রাবের রং এর উপর ক্যারেক্টার দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন এটি নরমাল নাকি এবনরমাল।

যদি ও অনেকে নরমাল সাদা স্রাবকে রোগ বানিয়ে ইনকাম করে খাচ্ছেন। 🤣🤣🤣


সাদা ডিসচার্জ (White):

সব সময় সাদা স্রাব রোগ নয়। মাসিকের আগে-পরে, বিশেষ করে ওভুলেশনের সময়, হরমোনের প্রভাবে সাদা স্রাব বেড়ে যায়। এটি কোনো সমস্যা নয়। তবে যদি সাদা স্রাব ঘন হয়ে চিজের মতো হয়, সঙ্গে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া থাকে, তবে সেটি ক্যান্ডিডা বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণে হতে পারে।


স্বচ্ছ ডিসচার্জ (Clear):

স্বচ্ছ, পাতলা ও টানটান স্রাব ওভুলেশন সময় খুব স্বাভাবিক। এটি ওভুলেশনের সময়ের সংকেতও দেয়। এতে কোনো দুর্গন্ধ বা অস্বস্তি না থাকলে একে রোগ ভাবার প্রয়োজন নেই।


হলুদ ডিসচার্জ (Yellow):

হলুদ রঙের স্রাব সাধারণত ইনফেকশনের দিকে ইঙ্গিত করে। অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া বা ট্রাইকোমোনাস সংক্রমণের কারণে হলুদ স্রাব হয়। সঙ্গে দুর্গন্ধ, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা থাকলে এটিকে অবশ্যই প্যাথলজিকাল ধরা হয়।


সবুজ ডিসচার্জ (Green):

সবুজ স্রাব বেশিরভাগ সময় গুরুতর সংক্রমণের লক্ষণ। সাধারণত ব্যাকটেরিয়াল বা ট্রাইকোমোনাস ইনফেকশনে এই ধরনের ঘন, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়। এটি সবসময় রোগের চিহ্ন এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

কেন মৃগেল মাছ চাষ করবেন? 

 ✨ কেন মৃগেল মাছ চাষ করবেন? 

🐟সহজ উপায়ে লাভজনক মাছ চাষের দারুণ সুযোগ,মিঠাপানির মাছ চাষে মৃগেল মাছ (Mrigal Carp) একটি জনপ্রিয় নাম। গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই এই মাছের চাহিদা অনেক বেশি। স্বাদে ভালো, চাষে সহজ আর বাজারমূল্যও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেক কৃষক ও উদ্যোক্তা এখন মৃগেল মাছ চাষের দিকে ঝুঁকছেন।


🔹 মৃগেল মাছের বৈশিষ্ট্য


মৃগেল মাছ মূলত তলদেশে (Bottom Feeder) খাবার খোঁজে।


এরা পচা পাতা, শেওলা, ডিট্রিটাসসহ প্রাকৃতিক খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে।


চাষের জন্য খুব বেশি কৃত্রিম খাবারের প্রয়োজন হয় না।


শরীর লম্বাটে, মাথা ছোট, আর আঁশ চকচকে – বাজারে সহজেই চেনা যায়।


🔹 মৃগেল মাছ চাষের সুবিধা


1. সহজে চাষযোগ্য – সাধারণ পুকুরে সামান্য যত্নেই বড় হয়ে ওঠে।


2. দ্রুত বৃদ্ধি – এক বছরে গড়ে ১ থেকে ১.৫ কেজি পর্যন্ত বড় হয়।


3. খাদ্য খরচ কম – যেহেতু প্রাকৃতিক খাবার বেশি খায়, তাই কৃত্রিম খাদ্যের খরচ বাঁচে।


4. পলিকালচারে উপযোগী – রুই, কাতল, সিলভার কার্পের সঙ্গে মিশ্র চাষে খুব ভালো ফলন দেয়।


5. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি – সহজে রোগে আক্রান্ত হয় না, ফলে মৃত্যুহার কম।


6. বাজারে কদর বেশি – গ্রাহকদের কাছে সবসময় চাহিদা থাকায় ভালো দাম পাওয়া যায়।


🔹 চাষের উপযুক্ত পরিবেশ


মাঝারি গভীরতার (৪–৬ ফুট) পুকুর মৃগেল চাষের জন্য উপযুক্ত।


পরিষ্কার পানি, পর্যাপ্ত সূর্যালোক এবং প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরির ব্যবস্থা থাকতে হবে।


pH ৭–৮ এর মধ্যে থাকলে মাছ ভালো বৃদ্ধি পায়।


🔹 খাদ্য ব্যবস্থাপনা


প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি গুঁড়া ভুষি, সরিষার খৈল, চালের কুঁড়া ইত্যাদি খাওয়ানো যেতে পারে।


সপ্তাহে অন্তত একবার পুকুরে সার দেওয়া উচিত, যাতে প্রাকৃতিক খাদ্য বৃদ্ধি পায়।


🔹 বাজার ও লাভ


এক বছরের মধ্যে বাজারে তোলা যায়, আর বাজারে এর দাম রুই-কাতলের কাছাকাছি বা কখনও বেশি হয়।


পলিকালচারে মৃগেল চাষ করলে প্রতি বিঘায় মোট মাছের উৎপাদন অনেক বেড়ে যায়।


সামগ্রিকভাবে এটি একটি কম খরচে বেশি লাভজনক মাছ।

বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

ইন্দিরা রোড: নামের আড়ালের গল্প, পুরনো দিনের স্মৃতি আর আজকের ইন্দিরা রোড,,,,,ঢাকার গণপরিবহন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইন্দিরা রোড: নামের আড়ালের গল্প, পুরনো দিনের স্মৃতি আর আজকের ইন্দিরা রোড


ঢাকার ব্যস্ততার এক কেন্দ্র ফার্মগেটের পাশ ঘেঁষে যে রাস্তাটা শহুরে জীবনের সঙ্গে মিশে আছে, সেটাই ইন্দিরা রোড। নামটা শুনলেই অনেকের মনে প্রশ্ন—এটা কি ইন্দিরা গান্ধীর নামে? নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ‘ইন্দিরা’র গল্প আছে?


নামকরণের আসল গল্প (মিথ বনাম সত্য)


বছরের পর বছর ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল, রাস্তাটির নাম ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামে। কিন্তু প্রামাণ্য সূত্রে এ দাবি মেলে না। বরং, এলাকায় একসময় বসবাস করা ধনী ব্যবসায়ী দ্বিজদাস (বা দ্বিজনাথ/দ্বিজদাস) বাবু–এর জ্যেষ্ঠ কন্যা ইন্দিরা–র অকালমৃত্যুর স্মরণে রাস্তাটির নাম রাখা হয় ইন্দিরা রোড। তাদের বাড়ির ভেতরেই ইন্দিরার সমাধি ছিল—এই লোককথাটিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য বর্ণনা হিসেবে চলে আসছে। 


“ইন্ডিয়া রোড” নাকি “ইন্দিরা রোড”?


স্থানীয় ও সরকারি নথিতে স্বীকৃত নাম ইন্দিরা রোড (Indira Road)—“ইন্ডিয়া রোড” নয়। প্রশাসনিক রেফারেন্সে এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায়, 


কোথায় এই ইন্দিরা রোড?


ফার্মগেট-খামারবাড়ি এলাকায় এটি মূলত পূর্ব–পশ্চিম সংযোগ সড়ক; কাছেই মেট্রোরেলের ফার্মগেট স্টেশন ও তেজগাঁওয়ের ব্যস্ত বাণিজ্যিক অঞ্চল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তেজগাঁও-ফার্মগেট করিডর দ্রুত বদলে গিয়ে ঢাকার ‘সিবিডি’–র রূপ নিচ্ছে—তারও একটা ধারাবাহিক অংশ এই ইন্দিরা রোড। 


ইন্দিরা রোডের উল্লেখযোগ্য (পুরনো ও বর্তমান) স্থাপনা


তেজগাঁও কলেজ — ঠিকানা: ১৬, ইন্দিরা রোড, ফার্মগেট, ঢাকা। ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি রাস্তাটির পরিচয়ের বড় অংশ। 


খামারবাড়ি এলাকা (কৃষি প্রশাসনিক জোন)—কাছাকাছি কৃষি-সম্পর্কিত একাধিক অফিস, ব্যাংক শাখা ও দপ্তর থাকায় এই করিডর বরাবরই কর্মব্যস্ত। 


ফুটপাতের হাট/খোলা বাজারের সংস্কৃতি—বছর কয়েক আগে ইন্দিরা রোডের ফুটপাতে পোশাক-খাবার-নিত্যপণ্যের জমজমাট বাজার নিয়ে সংবাদমাধ্যমে রিপোর্ট হয়; পথের নাগালেই ‘দৈনন্দিন ঢাকা’। 


> আরো আশপাশ: মনিপুরীপাড়া, রাজাবাজার, কাওরান বাজার, পান্থপথ—সব মিলিয়ে ইন্দিরা রোড বরাবর চলাচল, বাজার-সুবিধা, শিক্ষা–স্বাস্থ্য–অফিস সংযোগ তৈরি হয়েছে এক ‘ওয়াকেবল’ শহুরে করিডর। 


অতীতের নাম কী ছিল?


উপলব্ধ নির্ভরযোগ্য উৎসে ইন্দিরা রোডের কোনো আলাদা/সরকারি ‘পূর্বনাম’ পাওয়া যায় না। সবচেয়ে প্রচলিত বয়ান হলো—দ্বিজদাস বাবুর কন্যা ইন্দিরার নামে প্রথম থেকেই এই রাস্তার নামকরণ। ফলে “আগে এর নাম কী ছিল?”—এই প্রশ্নে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক শিরোনাম আমরা পাই না; বরং উপরের লোককথা–ইতিহাসই মূলধারা। 


কেন এই গল্প গুরুত্বপূর্ণ?


ঢাকার রাস্তার নামগুলো কেবল সাইনবোর্ড নয়—এগুলো শহরের স্মৃতি–রাজনীতি–সমাজ–ব্যবসার সুতোগুলো জুড়ে রাখে। ইন্দিরা রোডের নাম আমাদের মনে করিয়ে দেয়—এই শহর লোকজনের ব্যক্তিগত ইতিহাসও ধারণ করে, শুধু ‘বড়’ রাজনীতির স্মারক নয়। আর আজকের দিনে তেজগাঁও–ফার্মগেট করিডরের দ্রুত রূপান্তরও দেখায়, পুরনো স্মৃতির পাশে নতুন নগর—দুইয়ে মিলে গড়ে ওঠে ‘ঢাকা’। 


ঢাকার ইন্দিরা রোড কেবল একটি রাস্তা নয়, এটি শহরের ইতিহাস ও স্মৃতির বাহক। নামকরণের আড়ালে রয়েছে এক স্থানীয় পরিবারের ব্যক্তিগত বেদনা, আবার এ পথের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তেজগাঁও কলেজ, খামারবাড়ি, রাজাবাজার–মনিপুরীপাড়া—ঢাকার নগর জীবনের প্রতিদিনের ব্যস্ততা।


আজকের আধুনিক মেট্রোরেল আর সিবিডি উন্নয়নের ভিড়ে হয়তো প্রাচীন গল্পগুলো আড়াল হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ইন্দিরা রোড মনে করিয়ে দেয়—ঢাকা শুধু ইট-পাথরের নগর নয়, এর প্রতিটি রাস্তা ও নামের ভেতর লুকিয়ে আছে মানুষের স্মৃতি, গল্প আর আবেগ।


👉 তাই ইন্দিরা রোডকে জানলে, আমরা আসলে ঢাকারই এক টুকরো হৃদয়কে জানতে পারি।


_________________


1. 🛣️ আপনি কি কখনো ইন্দিরা রোডে থেকেছেন বা এখানে কোনো স্মৃতি আছে? সেটা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন?


2. 📸 ইন্দিরা রোডের আপনার পুরনো কোনো ছবি বা অভিজ্ঞতা থাকলে কমেন্টে দিতে পারেন—আমরা শেয়ার করবো।


3. 🤔 আপনার মতে ঢাকার কোন রাস্তাটির নামকরণ সবচেয়ে আকর্ষণীয় গল্প বহন করে?


4. 🏙️ আজকের আধুনিক ঢাকায় ইন্দিরা রোডের কোন দিকটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি টানে—বাজার, কলেজ, নাকি লোকাল লাইফ?


_________________________________


লেখা-মোঃনাঈম ভুইয়া ||

এডমিন-ঢাকার গণপরিবহন ||


___________________________


#IndiraRoad #DhakaHistory #Farmgate #Tejgaon #Monipuripara #DhakaStreets #UrbanDhaka #ঢাকার_ইতিহাস #ইন্দিরা_রোড #ফার্মগেট #তেজগাঁও

#ঢাকারগনপরিবহন #নাঈম #ইন্দিরারোডেরনামকরণেরইতিহাস

মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫

দাঁড়িয়ে পানি পান: প্রচলিত ধারণা বনাম বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা

 দাঁড়িয়ে পানি পান: প্রচলিত ধারণা বনাম বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা🔲🔷💧


💧💧​দাঁড়িয়ে পানি খেলে কিডনির উপর চাপ পড়ে এবং সরাসরি ব্লাডস্ট্রিমে চলে যায় ❌

​এই দাবির পক্ষে সরাসরি কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। মানবদেহের পরিপাকতন্ত্র এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, আপনি যেকোনো ভঙ্গিতেই পানি পান করুন না কেন, তা একই শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

​➡️ পানি প্রথমে খাদ্যনালী দিয়ে পাকস্থলীতে পৌঁছায়, এরপর তা ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্রে শোষিত হয়।

➡️ কিডনির প্রধান কাজ হলো শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করা। আপনি যখনই পানি পান করেন, কিডনি সেই পানিকে ফিল্টার করে শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে বের করে দেয়।


💧💧​দেহে পানির সঠিক শোষণ হয় না এবং তা অ্যাসিডিটির কারণ হয় ❌

​এটিও একটি ভুল ধারণা। আপনি দাঁড়িয়ে বা বসে যেভাবেই পানি পান করুন না কেন, পানির শোষণ প্রক্রিয়া একই থাকে।

​➡️ শরীরের ভেতরের পরিবেশ এবং হজম প্রক্রিয়া কোনো নির্দিষ্ট ভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল নয়।

➡️ পাকস্থলীর pH বা অ্যাসিডিটি মূলত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যা খাবার বা পানীয়ের ভঙ্গি দ্বারা প্রভাবিত হয় না।


💧💧​হাড়ের জন্য ক্ষতিকর এবং ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যায় ❌

​এই ধারণাটিও ভুল। দাঁড়িয়ে পানি খেলে ক্যালসিয়াম দ্রুত প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়, এমন কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

​➡️ মানবদেহে ক্যালসিয়াম শোষণের প্রক্রিয়া খুবই জটিল এবং এর সঙ্গে হরমোন ও ভিটামিন ডি জড়িত। এটি পানি পান করার ভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল নয়।

➡️ অস্টিওপোরোসিস একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ, যার সঙ্গে পুষ্টির অভাব, হরমোনজনিত সমস্যা, বয়স এবং জেনেটিক কারণ জড়িত। দাঁড়িয়ে পানি পানের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।


💧💧​নার্ভ সিস্টেমে স্ট্রেস বাড়ে ❌

​দাঁড়িয়ে পানি পান করলে ভেজিটেটিভ নার্ভ সিস্টেম উত্তেজিত হয় এবং হার্টবিট বাড়ে—এই দাবিটি সরাসরি কোনো গবেষণায় প্রমাণিত হয়নি। এই সিস্টেম শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং হজম প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তবে এর সঙ্গে দাঁড়িয়ে পানি পান করার কোনো সম্পর্ক নেই।


💧🔷​ধর্মীয় উপদেশ: ইসলামে বসে পানি খেতে বলা হয়েছে ✅

​এটি একটি ধর্মীয় উপদেশ। ইসলামে বসে পানি পান করাকে সুন্নত বলা হয়েছে, যার পেছনে স্বাস্থ্যগত সুবিধার চেয়ে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কারণ বেশি গুরুত্ব পায়। এটি শিষ্টাচার ও বিনয়ের অংশ হিসেবে পালন করা হয়।


​শেষ কথা

🌿​দাঁড়িয়ে পা

সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro): জাপানের এক অনন্য নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।। 

 মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro): জাপানের এক অনন্য নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।। 



জাপান প্রকৃতি ও আগ্নেয়গিরির দেশ। এখানকার অসংখ্য পর্বতচূড়ার মধ্যে মাউন্ট ফুজি যেমন বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছে, তেমনি অনন্য আকৃতির জন্য সমান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro)। এটি শিজুওকা প্রিফেকচারের ইতো শহরে, ইজু উপদ্বীপে (Izu Peninsula) অবস্থিত এক নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।


🔸ভৌগোলিক অবস্থান ও উচ্চতা


মাউন্ট ওমুরোর উচ্চতা প্রায় ৫৮০ মিটার (১,৯০০ ফুট)। অন্যান্য উঁচু আগ্নেয়গিরির তুলনায় এটি ছোট হলেও এর সৌন্দর্য অসাধারণ। পর্বতটির গঠন সম্পূর্ণ গোলাকার, যেন সবুজে মোড়া এক বিশাল ঢিপি। দূর থেকে একে অনেক সময় বড় একটি সবুজ বাটির মতো দেখা যায়, যা দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।


🔸আগ্নেয়গিরির বৈশিষ্ট্য


এটি একটি নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি, অর্থাৎ বহু বছর আগে বিস্ফোরণের মাধ্যমে এর সৃষ্টি হলেও বর্তমানে এর কোনো কার্যকলাপ নেই।


পাহাড়ের ক্রেটার অংশ (গহ্বর) আজও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। তবে সেটি ভেতরে ঢুকে নেই; বরং চারপাশের ঢাল নরম সবুজ ঘাসে ঢাকা।


এর ঢাল এতটাই সমান ও নিখুঁত যে দেখতে অনেকটা কৃত্রিম পাহাড়ের মতো মনে হয়।


🔸পর্যটন আকর্ষণ


মাউন্ট ওমুরো শুধু একটি ভূতাত্ত্বিক নিদর্শন নয়, বরং জাপানের একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। প্রতি বছর দেশি-বিদেশি হাজারো ভ্রমণকারী এখানে আসে। এর কয়েকটি বিশেষ দিক হলো—


1. চেয়ারলিফট বা কেবল লিফট

পাহাড়ের পাদদেশ থেকে শীর্ষে উঠতে কেবল লিফট ব্যবহার করা হয়। এতে ভ্রমণকারীরা সহজেই ক্রেটারের ধারে পৌঁছে যেতে পারেন।


2. প্যানোরামিক দৃশ্য

পাহাড়ের উপরে উঠে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ উপভোগ করা যায়। এখান থেকে স্পষ্ট দেখা যায়—


▫️দূরে মাউন্ট ফুজি


▫️বিশাল প্রশান্ত মহাসাগর


▫️এবং নিকটবর্তী ইজু দ্বীপপুঞ্জ।


3. ক্রেটার পথচারী পথ

শীর্ষে উঠে পর্যটকরা ক্রেটারের চারপাশ ঘুরে দেখতে পারেন। পুরো চক্কর দিতে প্রায় ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে।


4. ধনুক-বাণ অভিজ্ঞতা (Archery)

ক্রেটারের ভেতরে ঐতিহ্যবাহী ধনুক চালানোর (কিউদো) বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যা জাপানের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এক অভিনব সুযোগ।


🔸সাংস্কৃতিক গুরুত্ব


মাউন্ট ওমুরো স্থানীয় মানুষের কাছে শুধু প্রাকৃতিক নিদর্শন নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। প্রতি বছর বিভিন্ন উৎসব ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এর সবুজে ঢাকা মসৃণ ঢাল জাপানি শিল্পী, ফটোগ্রাফার ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্যও একটি জনপ্রিয় বিষয়।


🔸মাউন্ট ওমুরো জাপানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়ের এক অসাধারণ উদাহরণ। এর গোলাকার নিখুঁত আকৃতি, শীর্ষ থেকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, এবং অনন্য পর্যটন সুবিধা একে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। যারা জাপানে ভ্রমণ করতে চান, বিশেষ করে শিজুওকা প্রিফেকচার ঘুরে দেখতে চান, তাদের জন্য মাউন্ট ওমুরো এক অবশ্য দর্শনীয় স্থান।


Geography zone- ভূগোল বলয় 

#geography #viral #model 

#geographyzone #follower

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সময় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে। কিন্তু অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবে না! তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।"

 এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সময় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে। কিন্তু অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবে না! তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।"


এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।


অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কী?

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হল এক ধরণের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স, যেখানে ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীবগুলি তাদের হত্যা বা বাধা দেওয়ার জন্য তৈরি ওষুধের প্রভাব সহ্য করার ক্ষমতা বিকাশ করে।


এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেখানে ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতিতে বেঁচে থাকার জন্য অভিযোজিত হয় এবং বিবর্তিত হয়।


এই অভিযোজনের মধ্যে জিনগত পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যা অ্যান্টিবায়োটিককে অকার্যকর করে তোলে, প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়াকে সংখ্যাবৃদ্ধি এবং ছড়িয়ে পড়তে দেয়।

যদিও প্রতিরোধ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার এবং অতিরিক্ত ব্যবহার এর বিকাশকে উল্লেখযোগ্যভাবে ত্বরান্বিত করে।


ধরুন, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। আপনি খেলেন ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আপনি সুস্থ হয়ে গেলেন। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেল। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করল নিজেরা নিজেরা।


তারা ভাবল, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে, আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকে না এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে ওই ব্যাকটেরিয়াগুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।

এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করে না!


সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়াগুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকে না। তিনি যখন হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ওই এন্টিবায়োটিক কাজ করে না। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।


আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করে না, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হাসপাতাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবে না। সামান্য সর্দিতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।


উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। "মেডিসিনের বাইবেল" নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,

"This organism is registant against this Drugs in the subcontinent'' অর্থাৎ এই জীবাণুটি উপমহাদেশের এই ওষুধগুলোকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম।


টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ জল খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়ে বেশি জরুরি। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা। আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা।


রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসিতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Azithromycin, Cefixime, Cefuroxime অথবা Levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কত দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষুধটি ১ ডোজ খাবেন, সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।  


চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

   সংগৃহীত ও পরিবর্তিত

রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫

ডাক্তারদের দেওয়া সাধারণ টেস্ট ও তাদের ফুল ফর্ম

 ”ডাক্তারদের দেওয়া সাধারণ টেস্ট ও তাদের ফুল ফর্ম”


CBC – Complete Blood Count → রক্তে হিমোগ্লোবিন, সাদা রক্তকোষ, প্লাটিলেট ইত্যাদি জানতে


ESR – Erythrocyte Sedimentation Rate → শরীরে ইনফেকশন বা প্রদাহ আছে কিনা


RBS – Random Blood Sugar → যেকোনো সময়ের রক্তে সুগার


FBS – Fasting Blood Sugar → খালি পেটে সকালের রক্তে সুগার


PPBS – Post Prandial Blood Sugar → খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরের রক্তে সুগার


HbA1c – Hemoglobin A1c → গত ৩ মাসের গড় রক্তে সুগার


 LFT – Liver Function Test → লিভারের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা


KFT / RFT – Kidney/Renal Function Test → কিডনির কার্যক্ষমতা পরীক্ষা


Lipid Profile – রক্তে কোলেস্টেরল, HDL, LDL, ট্রাইগ্লিসারাইড চেক


TSH, T3, T4 – Thyroid Hormone Tests → থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা চেক


CRP – C-Reactive Protein → শরীরে ইনফেকশন বা প্রদাহ চেক


PSA – Prostate Specific Antigen → প্রোস্টেট ক্যান্সার বা সমস্যা চেক (পুরুষদের)


VDRL – Venereal Disease Research Laboratory → সিফিলিস রোগ চেক


HbsAg – Hepatitis B Surface Antigen → হেপাটাইটিস বি ভাইরাস চেক


Anti-HCV – Hepatitis C Virus Antibody → হেপাটাইটিস সি ভাইরাস চেক


HIV Test – Human Immunodeficiency Virus Test → এইডস ভাইরাস চেক


Urine R/E – Urine Routine & Microscopic Exam → প্রস্রাবের সাধারণ টেস্ট


Stool R/E – Stool Routine & Microscopic Exam → পায়খানার সাধারণ টেস্ট


ECG – Electrocardiogram → হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম পরীক্ষা


ECHO – Echocardiography → হৃদপিণ্ডের আল্ট্রাসাউন্ড


EEG – Electroencephalogram → মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম পরীক্ষা


X-Ray – Radiograph → হাড়, ফুসফুস ইত্যাদি দেখা


CT Scan – Computed Tomography → শরীরের ডিটেইলড ছবি


MRI – Magnetic Resonance Imaging → মস্তিষ্ক, স্নায়ু, জয়েন্ট ইত্যাদি দেখা


Widal Test – টাইফয়েড পরীক্ষা


Dengue Test (NS1 / IgG / IgM) – ডেঙ্গু ভাইরাস চেক


MP Test – Malaria Parasite Test → ম্যালেরিয়া চেক


ABO & Rh – Blood Group & Rh Factor → রক্তের গ্রুপ ও Rh পজিটিভ/নেগেটিভ

ইমাম হুসাইন (আ.)’র মাথা কোথায় দাফন করা হয়?,,,,স্রষ্টার সৃষ্টির সেবাই - ধর্ম

 ইমাম হুসাইন (আ.)’র মাথা কোথায় দাফন করা হয়?


ইমাম হোসাইন (আ.) এবং অন্যান্য শহীদের মাথা কোথায় দাফন করা হয় তা নিয়ে শিয়া ও সুন্নিদের ইতিহাস গ্রন্থে এবং শিয়াদের হাদীস গ্রন্থে প্রচুর মতানৈক্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এ ব্যাপারে যেসব মতামত উল্লেখ করা হয়েছে তা যথেষ্ট বিশ্লেষণের দাবি রাখে। বর্তমানে শিয়াদের কাছে গ্রহণযোগ্য মত হলো ইমাম হোসাইন (আ.)-এর শাহাদাতের কয়েকদিন পরে তাঁর পবিত্র মাথা দেহের সাথে সংযুক্ত করে কারবালার মাটিতে দাফন করা হয়। বিস্তারিত জানার জন্য বিভিন্ন মত নিচে উল্লেখ করা হলো :


শিয়া আলেমদের মধ্যে এ মতটি হলো সবচেয়ে বেশি প্রসিদ্ধ। আল্লামা মাজলিসি (র.) এ মতের প্রসিদ্ধির কথা ব্যক্ত করেছেন। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪৫)


এক: মিশর (কায়রো)


বর্ণিত হয়েছে, ফাতেমী খলীফাগণ যারা চতুর্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে শুরু করে সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত মিশরে রাজত্ব করেন এবং শিয়া ইসমাঈলী মাযহাবের অনুসারী ছিল তারা ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাথা সিরিয়ার ফারাদীস শহর থেকে আসকালান, অতঃপর কায়রোতে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে ৫০০ বছর পর ইমাম হোসাইন (আ.)-এর মুকুট নামে একটি মাযার তৈরি করে। (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৮ম খণ্ড, পৃ. ২০৫)


মাকরীযী মনে করেন, ৫৪৮ সালে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর মাথা আসকালান থেকে কায়রোতে স্থানান্তরিত হয়। তিনি বলেন : ‘আসকালান থেকে পবিত্র মাথা বের করার সময় দেখা যাচ্ছিল যে, তার রক্ত টাটকা এবং এখনো শুকায়নি। আর মেশকের মতো একটি সুগন্ধি ইমামের পবিত্র মাথা থেকে বের হচ্ছিল। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩৩৭)


আল্লামা সাইয়্যেদ মুহসিন আমিন আমেলী (গত শতাব্দীর প্রসিদ্ধ শিয়া আলেম) আসকালান থেকে মিশরে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর মাথা স্থানান্তরিত হওয়ার ব্যাপারে বলেন : ‘মাথার সমাধিস্থলে একটি বড় মাযার তৈরি করা হয়েছে। আর তার পাশে একটি বড় মসজিদও তৈরি করা হয়েছে। ১৩২১ হিজরিতে ঐ জায়গা আমি যিয়ারত করি। আর বহু নারী-পুরুষকে সেখানে যিয়ারত করতে ও কান্নাকাটি করতে দেখতে পাই। ’ তিনি আরো বলেন : ‘একটি মাথা আসকালান থেকে মিশরে স্থানান্তরিত হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। তবে ঐ মাথাটি ইমাম হোসাইন (আ.)-এর নাকি অন্য কোন ব্যক্তির এ ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। (লাউয়ায়িজুল আশজান ফি মাকতালিল হোসাইন (আ.), পৃ. ২৫০)


আল্লামা মাজলিসী (র.) মিশরের একটি দলের বরাত দিয়ে সেখানে ‘মাশহাদুল কারীম’ নামে একটি বড় মাযার থাকার প্রতি ইঙ্গিত করেন। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪৪)


দুই. রিক্কা


ফোরাত নদীর তীরে একটি শহরের নাম হলো রিক্কা। কথিত আছে, ইয়াযীদ ইমাম হোসাইন (আ.)-এর মাথা আবু মুহিতের বংশধরের কাছে পাঠায়। (আবু মুহিতের বংশধর উসমানের আত্মীয় ছিল এবং ঐ সময় রিক্কা শহরে বাস করত)। তারা ইমামের পবিত্র মাথা একটি বাড়িতে দাফন করে যা পরবর্তীকালে মসজিদে রূপান্তরিত হয়। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, পৃ. ৩৩৪, তাজকেরাতুল খাওয়াস, পৃ. ২৬৫)


তিন. কুফা


সাব্ত ইবনে জাওজী এ মতের প্রবক্তা। তিনি বলেন : ‘আমর বিন হারিস মাখজুমী, ইবনে যিয়াদের কাছ থেকে ইমামের পবিত্র মাথা নেয় এবং গোসল দেয়ার পর কাফন পরিয়ে ও সুগন্ধি মাখিয়ে স্বীয় বাড়িতে দাফন করে। (তাজকেরাতুল খাওয়াস পৃ. ২৫৯)


চার. মদীনা


‘তাবাকাতে কুবরা’র লেখক ইবনে সা’দ এ মতটি গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন : ‘ইয়াযীদ ইমামের মাথাকে মদীনার শাসক আমর বিন সাঈদের জন্য পাঠায়। আমর ঐ পবিত্র মাথাটিকে কাফন দেওয়ার পর বাকী গোরস্তানে হযরত ফাতেমা (সা.)-এর মাযারের পাশে দাফন করে। (ইবনে সাদ, তাবাকাত, ৫ম খণ্ড, পৃ. ১১২)


এ মতটিকে আহলে সুন্নতের কতিপয় পণ্ডিত ব্যক্তি (যেমন খাওয়ারেজমী ‘মাকতালুল হোসাইন (আ.)’ গ্রন্থে এবং ইবনে এমাদ হাম্বালী ‘শুজুরাতুত যাহাব’ গ্রন্থে) গ্রহণ করেছেন। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩৩০-৩৩১)


এ মতের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় ত্রুটি হলো, হযরত ফাতেমা যাহরা (আ.)-এর কবর ছিল অজ্ঞাত। অতএব, কিভাবে সম্ভব যে, তাঁর কবরের পাশে দাফন করা হতে পারে।


পাঁচ. সিরিয়া


সম্ভবত বলা যেতে পারে, অধিকাংশ সুন্নি আলেমের মতে, ইমামের পবিত্র মাথা সিরিয়ায় দাফন করা হয়েছে। এ মতে বিশ্বাসীদের মধ্যেও মতানৈক্য পরিলক্ষিত হয়। সেসব মতামত নিচে উল্লেখ করা হলো :


ক. ফারাদীস শহরের প্রধান গেটের পাশে দাফন করা হয়। পরবর্তীকালে সেখানে ‘মাসজিদুর রাস’ তৈরি করা হয়।


খ. উমাইয়া জামে মসজিদের পাশে একটি বাগানে দাফন করা হয়।


গ. দারুল ইমারায় দাফন করা হয়।


ঘ. দামেশ্কের একটি গোরস্তানে দাফন করা হয়।


ঙ. তুমা শহরের দরজার পাশে দাফন করা হয়। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩৩১-৩৩৫)


ছয়: নাজাফে হযরত আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে


আল্লামা মাজলিসি (র.)-এর বক্তব্য থেকে এবং কতগুলো হাদীস বিশ্লেষণ করে পাওয়া যায় যে, ইমামের মাথা নাজাফে হযরত আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে দাফন করা হয়েছে। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪৫) কিছু কিছু হাদীসে এসেছে, ইমাম জাফর সাদিক (আ.) স্বীয় সন্তান ইসমাইলকে সাথে নিয়ে নাজাফে ইমাম আলী (আ.)-এর যিয়ারত করে নামায পড়ার পর ইমাম হোসাইন (আ.)-কে উদ্দেশ্য করে সালাম দিতেন। অতএব, এসব হাদীস থেকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর সময়কাল পর্যন্ত ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাথা নাজাফেই ছিল। (কামিলুজ জিয়ারাত, পৃ. ৩৪)


অন্যান্য হাদীসও এ মতটিকে সমর্থন করে। এমনকি শিয়াদের গ্রন্থসমূহে ইমাম আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাথা যিয়ারত করার জন্য দুআ’ও উল্লেখ করা হয়েছে। (মাআ রাকবিল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩২৫-৩২৮)


ইমামের পবিত্র মাথা নাজাফে স্থানান্তরিত করার ব্যাপারে ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেন : ‘আহলে বাইত (আ.)-এর একজন ভক্ত সিরিয়ায় ইমামের পবিত্র মাথা চুরি করে ইমাম আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে নিয়ে আসে। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪৫) অবশ্য এ মতের ব্যাপারে একটি ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। আর তা হলো, ইমাম জাফর সাদিক (আ.)-এর সময়কাল পর্যন্ত ইমাম আলী (আ.)-এর মাযার সবার কাছে পরিচিত ছিল না।


অন্য এক হাদীসে এসেছে, ইমামের পবিত্র মাথা দামেশ্কে কিছু দিন রাখার পর কুফায় ইবনে যিয়াদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সে জনগণের বিদ্রোহের ভয়ে এ নির্দেশ দেয় যে, ইমামের পবিত্র মাথা যেন কুফা থেকে বের করে নাজাফে হযরত আলী (আ.)-এর মাযারের পাশে দাফন করা হয়। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৭৮) পূর্ববর্তী মতের ব্যাপারে যে ত্রুটি উল্লেখ করা হয়েছে এখানেও সে ত্রুটি প্রযোজ্য।


সাত. কারবালা


সাদুক (র.) হযরত আলী (আ.)-এর মেয়ে এবং ইমাম হোসাইন (আ.)-এর বোন ফাতেমা থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে উল্লেখ করেন, কারবালায় দেহ মোবারকের সাথে মাথা সংযুক্ত করা হয়েছিল। (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খণ্ড, পৃ. ১৪০) তবে মাথা সংযুক্ত করার পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন রকম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করা হয়েছে।


সাইয়্যেদ বিন তাউসসহ কেউ কেউ এটিকে একটি অলৌকিক বিষয় হিসেবে মনে করেন এবং বলেন, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় ক্ষমতাবলে অলৌকিকভাবে এ কাজটি করেন। আর এ ব্যাপারে কোন প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। (সাইয়্যেদ ইবনে তাউস, ইকবালুল আমাল, পৃ. ৫৮৮)


আবার কেউ কেউ বলেন, ইমাম সাজ্জাদ (আ.) সিরিয়া থেকে ফেরার সময় চল্লিশতম দিনে (সাইয়্যেদুশ শোহাদা, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৩০৪) অথবা অন্য কোন এক দিনে ইমামের পবিত্র মাথা কারবালায় তাঁর দেহের পাশে দাফন করেন। (লুহুফ, পৃ. ২৩২)


কিন্তু ইমামের মাথা একেবারে তাঁর দেহ মোবারকের সাথে সংযুক্ত করে নাকি তাঁর দেহের পাশে দাফন করা হয়েছে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোন বর্ণনা নেই। এছাড়া সাইয়্যেদ ইবনে তাউসও এ ব্যাপারে বেশি প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। (ইকবালুল আ’মাল, পৃ. ৫৮৮)


একদল বলেন, ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র মাথা ইয়াযীদের আমলে তিন দিন দামেশকের প্রধান দরজায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। অতঃপর সেখান থেকে নামিয়ে সরকারি মূল্যবান বস্তুর সংরক্ষণাগারে রাখা হয়। উমাইয়া শাসক সুলায়মান বিন আবদুল মালেকের শাসনকাল পর্যন্ত ইমামের পবিত্র মাথা সেখানেই থাকে। এরপর সুলায়মান ঐ মাথাকে কাফন পরিয়ে দামেশকে মুসলমানদের গোরস্তানে দাফন করে। অতঃপর সুলায়মানের উত্তরাধিকারী উমর বিন আবদুল আজীজ (খেলাফত : ৯৯-১০১ হি.) গোরস্তান থেকে ঐ পবিত্র মাথাকে বের করে নিয়ে আসেন এবং সেটাকে কী করেন তা কারো জানা নেই! কিন্তু তিনি যেহেতু শরীয়তের বাহ্যিক আমলের প্রতি অনুগত ছিলেন সেহেতু যথাসম্ভব ঐ পবিত্র মাথাকে কারবালা পাঠিয়েছিলেন। (মাকতালুল খাওয়ারেজমী, ২য় খণ্ড, পৃ. ৭৫)


পরিশেষে বলতে চাই, কোন কোন সুন্নি মনীষী, যেমন, শাব্লানজী এবং সিব্ত ইবনে জাওজীও এক রকম স্বীকার করেছেন যে, পবিত্র মাথা কারবালায় দাফন করা হয়েছে। (মাআ রাকবুল হোসাইনী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩২৪, ৩২৫)


আল্লাহুম্মা সাল্লে আলা মোহাম্মাদ দিন ওয়া আলে মোহাম্মাদ ওয়া আজ্জিল ফারাজাহুমা


স্রষ্টার সৃষ্টির সেবাই - ধর্ম


BMW মোহাম্মদ

শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

Infinix ব্যবহারকারী? এই ১০টি Pro Level ফিচার একবারও ব্যবহার করেছেন?

 ”Infinix ব্যবহারকারী? এই ১০টি Pro Level ফিচার একবারও ব্যবহার করেছেন?”


অনেকেই Infinix ফোনকে শুধু "কমদামি" ফোন বলে অবহেলা করে, কিন্তু এই ফোনে এমন কিছু Premium Feature আছে যেগুলো Samsung-এও নেই। নিচের সেটিংগুলো একবার অন করেই দেখুন 


১. XHide – আপনার গোপন ফাইল/ছবি লুকান

`Phone Master → XHide → PIN সেট করে প্রয়োজনীয় ফাইল Add করুন`


২. Freezer – RAM ফ্রি করার জন্য Best ফিচার

`Settings → Special Function → Freezer`

 যেকোনো অ্যাপ Freeze করলে ব্যাকগ্রাউন্ডে আর চলবে না।


৩. Lightning Multi-Window (Split Screen)

`Settings → Special Function → Lightning Multi-window`


৪. Magic Button (Gaming Trigger)

`Game Mode → Magic Button` → Volume keys কে Gaming Trigger হিসেবে সেট করুন।


৫. Social Turbo (WhatsApp এর জন্য All-in-One ফিচার)

`Settings → Special Function → Social Turbo`

 WhatsApp Call Recorder, Status Saver, Voice Changer সব এক জায়গায়।


৬. Smart Panel (Floating Quick Apps)

`Settings → Display → Smart Panel` → Enable করুন


৭. Eye Care + Anti-Peeping Screen

`Settings → Display → Eye Care` → Enable + Schedule করুন


৮. Power Boost + Marathon Mode (Battery কে Long Lasting করুন)

`Settings → Battery Lab → Power Boost / Ultra Power Mode`


৯. Notification LED (কল / মেসেজ এর সময় লাইট ঝলকানো)

`Settings → Display → Notification Light`


১০. Fingerprint Quick Action

`Settings → Security → Fingerprint → Quick Launch`

 দ্রুত Apps/Others Shortcut Assign করুন


Infinix ফোনে যদি উপরের ফিচারগুলো ঠিকভাবে সেট করা থাকে, তাহলে আপনি সত্যিকারের “Pro Level” সুবিধা পাবেন – আর ফোনও আগের তুলনায় অনেক স্মার্ট ভাবে কাজ করবে।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...