এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

দৌড়াবেন না, আশ্রয় নিন! (৫ম তলা বা তার উপরে) 🛑 ভূমিকম্পণ সতর্কতা কোম্পানির গ্রুপ থেকে নেওয়া

 দৌড়াবেন না, আশ্রয় নিন! (৫ম তলা বা তার উপরে) 🛑

উঁচু ভবনে (৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম তলা বা তার উপরে) থাকলে, বের হওয়ার চেষ্টা করা সবচেয়ে বড় ভুল। বাস্তবতা হলো, নিচের তলা ভেঙে পড়ার আগেই আপনি সিঁড়িতে বিশৃঙ্খলা, ধাক্কাধাক্কি এবং অন্ধকারে আটকা পড়বেন।


ভয়ঙ্কর সত্য: ৯০% মানুষ সিঁড়িতেই মারা যায় বা গুরুতর আহত হয়। ভূমিকম্প শুরু হলে সিঁড়ি বা বারান্দা অত্যন্ত বিপজ্জনক!


দ্রুত আশ্রয় নিন (Drop—Cover—Hold On):


বিছানায় থাকলে: শক্তভাবে খাটের নিচে ঢুকে পড়ুন।


অন্যান্য কক্ষে থাকলে: মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন।


আশ্রয় না পেলে: শক্তিশালী দেয়ালের কোণে শরীর গুটিয়ে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।


মাথা সুরক্ষিত রাখুন: বাথরুমের বালতি উল্টো করে, হেলমেট, ঝুড়ি বা শক্ত ব্যাগ যা পাবেন, তা দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন।


বারান্দা এড়িয়ে চলুন: রেলিং বা স্লাব ভেঙে পড়তে পারে।


২. সৌভাগ্যবানদের জন্য কৌশল (১ম ও ২য় তলা) 🚪


আপনি যদি ১ম বা ২য় তলায় থাকেন, তবে আপনার হাতে বের হওয়ার সুযোগ আছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে দ্রুততার সাথে।


দরজা খোলা রাখুন: কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথে দরজা খুলে দিন (জ্যাম হওয়া এড়াতে)।


তাৎক্ষণিক নির্গমন: ১৫-২০ সেকেন্ডের মধ্যে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে রাস্তায় চলে আসুন।


দূরত্ব বজায় রাখুন: রাস্তায় এসে কখনো বিল্ডিং-এর গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না। ভেঙে পড়া রোধে ভবন থেকে কমপক্ষে ১০০ ফুট দূরে সরে যান এবং খোলা মাঠে চলে যান।


৩. ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে গেলে করণীয় (Think Fast!) 🗣️


আটকে পড়লে শান্ত থাকা এবং সঠিক সংকেত দেওয়া আপনার জীবন বাঁচাতে পারে।


চিৎকার করবেন না: চিৎকার করলে ধুলো ফুসফুসে ঢুকতে পারে এবং গলা দ্রুত শুকিয়ে যাবে।


সংকেত ব্যবহার করুন:


হুইসেল থাকলে একটানা বাজান।


না থাকলে, আন্তর্জাতিক রেসকিউ সিগন্যাল হিসেবে দেয়ালে বা শক্ত পাইপে তিনবার টোকা দিন।


সংরক্ষণ করুন: মোবাইল টর্চ অন করে রাখুন। কথা বলবেন না, ব্যাটারি বাঁচান।


নিরাপত্তা: মুখে কাপড় চেপে ধরুন যাতে ধুলো শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ না করে।


৪. দৈনন্দিন প্রস্তুতি (আজ থেকেই শুরু করুন) 🛠️


প্রস্তুতি ছাড়া ঢাকায় ভূমিকম্প হলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের উপর, কিন্তু প্রস্তুতি থাকলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের হাতে!


ঘুমের প্রস্তুতি: বিছানার পাশে একজোড়া জুতা, একটি হেলমেট এবং একটি হুইসেল রাখুন।


ভারী আসবাব: ভারী আলমারি, ফ্রিজ, এবং টিভি এমন জায়গায় রাখুন যাতে পড়ে গিয়ে আঘাত না করতে পারে। পারলে দেওয়ালের সাথে বেঁধে রাখুন।


গ্যাস সিলিন্ডার: চেইন বা ফিতা দিয়ে মজবুতভাবে বেঁধে রাখুন।


নির্গমন: দরজা যেন কখনও অটো-লক না হয়। জরুরি চাবি সবসময় কাছাকাছি রাখুন।


৫. শেষ বার্তা ও মানসিক শক্তি 🙏


এই ঘনবসতিপূর্ণ শহরে, যেখানে ৫ থেকে ৭ তলার অ্যাপার্টমেন্টই প্রধান আবাসন, সেখানে সচেতনতা জীবনের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।


আমার সিদ্ধান্ত: "আমি ৪র্থ তলার উপরে—তাই আমি দৌড়াবো না, শুধু টেবিল বা বিছানার নিচে ঢুকবো। আমি যদি ১ম-২য় তলায় থাকি—প্রথম ২০ সেকেন্ডে বের হয়ে যাবো।"


প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ: জীবন কখনও কখনও কঠিনভাবে মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতি কত শক্তিশালী, আর মানুষ কত সহজেই ভেঙে যেতে পারে। দুর্যোগে মানুষের কিছু করার থাকে না, কিন্তু একটু সচেতনতা, একটু প্রস্তুতি—এটাই আমাদের শক্তি।


জীবন মানে শুধু শ্বাস নেওয়া না, জীবন মানে সচেতন থাকা, আর প্রতিটি মুহূর্তকে সম্মান করা, যেন এটা শেষ সুযোগ।


আপনার শেষ কথাটিই আমাদের প্রেরণা: জীবন অনিশ্চিত, কিন্তু কৃতজ্ঞতা নিশ্চিত। যা আছে, যতটুকু আছে—সেটাই আমাদের শক্তি। 


#earthquake

#EarthquakeAlert

#EarthquakeNews


@copied

ঢাকা - যা খুশি করতে পারার শহর......!!!

 🤔ঢাকা - যা খুশি করতে পারার শহর......!!! 

 

🤗🤔হুদাই গিরামে পইরা না থাইকা দলে দলে ঢাকায় আসেন...

 


 🫣 দুনিয়ার অন্যতম নোং*রা ঢাকা শহর এহন আস্ত একটা ডাস্টবিনে পরিণত হইছে, ভাগাড়ও বলতে পারো, এই ভাগাড়ের একজন উদ্যোক্তা (!) হওয়ার জন্য তোমাগো স্বাগত জানাইতেছি, এই ভাগাড়ে আইসা তুমি যা খুশি করতে পারবা, কি কি করবা, তার একখান ছোট্ট লিস্টি তোমাগো ধরায়া দিতে চাইঃ

 

 😇 সারা দেশের কর্মহীন বিভিন্ন বয়সী মানুষ এখন দেদারসে ঢাকায় আসতেছে, সবার একটা বিশ্বাস জন্মায়া গেছে যে, এই শহরের কোথাও না কোথাও তার মাথা গোঁজার আশ্রয় হবেই, কোথাও না হলেও যেকোনো রাস্তা বা ফুটপাতের এক পাশে বা কোনো সড়ক বিভাজকের ওপর একটা ছাপড়া বানিয়ে নেওয়া যাবে, আর পা*য়খানা পে*চ্ছাবের জন্য তো উন্মুক্ত রাস্তা আছেই...


 👉 এই শহরের বড় ছোট সড়ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকা, পাড়া-মহল্লার অলি-গলি, পার্ক, উদ্যান (যদিও পার্ক ও উদ্যান এখন নেই বললেই চলে) সবখানেই এখন ভ্রাম্যমাণ দোকান ও নানান পদের হকারের দৌরাত্ম চলতেছে, সেই হকারদের নিশ্চয় কোনো না কোনো বা*প আছে, যে বা*পেরা তাগো কাছ থিকা নির্দিষ্ট একটা চা*ন্দার বিনিময়ে তাদেরও বা*পের তৈরি রাস্তাঘাট ও ফুটপাতগুলায় তোমারে বসতে দিতেছে, এর ভিত্রে তুমিও একজন হইতে পারো.... 

 

 --খালি কোনোমতে ঢাকায় একবার ঢুকতে পারলেই হইছে জীবিকার জন্য আছে ভিক্ষাবৃত্তি ও ছি*নতাই, এগুলা না পারলে এলাকার যেকোনো রাস্তার এক পাশে কয়টা সবজি কিনে নিয়ে বসলেই হলো, অথবা পান-বি*ড়ি বিক্রির ছোট্ট একটা ভান্ড যোগার করতে পারলেই চলবে...


 👉 ফুটপাতে খাড়ায়া ঝালমুড়ি ব্যাচতে পারলেও সেই লাভ, পিয়াজু ও ছোলা ব্যাচারও উন্মুক্ত নগরী এই ঢাহার শহর, আর মহিলাদের জন্য তো বিষয়টা আরও সহজ..!!

 👉 ছোট্ট একটু জায়গায় দুই-চাইরটা পাতিল ও একখান চুলা যোগার কইরা পিঠার দোকান দেওয়া যায়, বুয়াগিরি তো আছেই, অথবা কোনো ব্যাডার লগে সেট হইতে পারো...

 👉 তারপর হেই ব্যাডারে অন্ধ হওয়ার অভিনয় শেখায়া রাস্তার সিগন্যালে খাড়ায়া ভিক্ষা করো, বা যেকোনো ফুটপাতেও বইসা পরতে পারো, অনেক লাভ আছে....

 

 🤗 অন্যতম ব্যবসা হইলো ব্যাটারির রিশকা চালানো, কোনোমতে একটু চালানো শিখতে পারলেই হইচে, যেকোনো রাস্তায় আন্দাঘুন্দা চালাইতে পারবা, যতো খুশি ভাড়া হাকাইতে পারবা, কোনো শা*লায় আটকাইবো না...  

   

 👉 একখান ভালো ব্যবসা আছে এই শহরে, মসজিদ, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের জন্য চান্দা তোলার ব্যবসা, এর জন্য তোমার দরকার অইবো একটা হ্যান্ড মাইক, একটা ভাঙ্গাচোরা টেবিল ও চেয়ার এবং একখান ব্যানার, তাতে লেখা থাকবে ‘"মসজিদ/এতিমখানার জন্য দান করেন, অশেষ নেকি হাসিল করেন’" লেখা একখান ব্যানার বানাইয়া কোনো একটা ফুটপাতে বসতে পারলেই  হইছে...

 👉 মাথায় টুপি দিতে অইবো, একটু দাড়ি থাকলে ভালো, একখান পাঞ্জাবিও গায়ে চড়াইতে অইবো, মসজিদ বা এতিমখানার জন্য সাহায্য চাইতেছো, তাই তোমারে কেউ ঘাটাইতেও চাইবে না... 


 😝 কাজেই প্রিয় দেশবাসী, আর হুদাই গিরামে পইরা থাইকেন না, সবাই দলে দলে ঢাকায় চইলা আসেন, যার যা আছে, তাই নিয়া আইজই বাসে, ট্রেনে বা লঞ্চে উইঠা পড়েন...

 😇 যেখানে আইসা দেখবেন যে, মানুষ রাস্তাঘাট, ফুটপাত, খেলার মাঠ, সদরঘাট- সবখানে খোলা আসমানের নিচে ঘুমায়া রইচে- বুঝবেন সেটাই ঢাকার শহর, কাজেই আর বাড়িতে থাইকা কাম নাই... আহেন...ঢাহার শহরে....

 😇 পরে আবার লিখুমনি🤔

#fb #Dhaka #city #village #history #streetfood #business #collected

আপনি কি সত্যিই জানেন কত টাকা থাকলে আপনার জীবন “নিরাপদ”

 আপনি কি সত্যিই জানেন কত টাকা থাকলে আপনার জীবন “নিরাপদ”?


বাংলাদেশে ১০ জনের মধ্যে ৮ জনই জানে না। কিন্তু এই প্রশ্নটা যে এতবার শুনেছি-

 টাকা কি করবো, কোথায় রাখবো?


মানুষ তার ফাইন্যান্স নিয়ে যত দুশ্চিন্তা করে, তার যেন শেষ নাই। কেউ বলে এক লাখ টাকা কোথায় ইনভেস্ট করবো, কেউ বলে দশ লাখ কোথায় রাখবো, আবার প্রবাসীরা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠায় তাদের টাকার দুশ্চিন্তা নিয়ে।


কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার হইলো, যখনই কাউকে জিজ্ঞেস করেন তার ফাইনান্সিয়াল টার্গেট কত, বেশিরভাগই বলতে পারে না। 


আর যারা পারে, তারাও জাস্টিফাই করতে পারে না কেন তাদের সেই টার্গেট। তারা জানে না কত সেভ করবে, কিভাবে সেভ করবে, আর তার সারভাইভালের জন্য হাতে কত টাকা থাকা জরুরি।


আজকে ঠিক এই জায়গায় আমি তিনটা এক্স্যাক্ট ফর্মুলা নিয়ে কথা বলব। এই তিনটা ফর্মুলা আপনি কৃষক হন, চাকরিজীবী হন বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হন, যে-ই হন, যদি ফলো করেন ইনশাআল্লাহ আপনি ফাইন্যান্সিয়ালি সাউন্ড থাকবেন। 


আর এই ফর্মুলার বেসিস হলো “হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের হার্ড রিটায়ারমেন্ট প্ল্যান”। কারও মনে সন্দেহ থাকলে আপনি নিজেও রিসার্চটা পড়ে নিতে পারেন।


ফর্মুলা ১: সারভাইভাল ফান্ড


বেশিরভাগ মানুষের সমস্যা অ্যাসেট না থাকা না, সমস্যা “লিকুইড টাকা” না থাকা। জমি আছে, দোকান আছে, কিন্তু প্রয়োজনের সময় হাতে ক্যাশ নাই। তাই হার্ভার্ড রিসার্চে বলা হয়েছে মিনিমাম এক বছরের খরচ আপনার হাতে লিকুইড থাকতে হবে।


ধরুন আপনার মাসিক খরচ ৮০,০০০ টাকা। তাহলে বার্ষিক খরচ দাঁড়াল আনুমানিক ১০ লাখ টাকা। এই ১০ লাখ টাকা আপনার হাতে ক্যাশ, গোল্ড, অথবা ফার্মারদের ক্ষেত্রে গরুর মতো ইজি-টু-লিকুইড জিনিস হিসেবে থাকতে হবে।


“ইনভেস্ট করব ভাই” এর আগে প্রশ্ন হচ্ছে, আপনার ইমার্জেন্সি ফান্ড আছে?

১০ লাখ টাকা হাতে আছে আবার ২০ লাখ টাকার ওইদিকে লোন আছে, তাইলে ভাই আপনি


ইনভেস্টমেন্টের কথা বলতেছেন কেন?

আপনার  প্রথম কাজ হবে সেই লোন শোধ তারপর সারভাইভাল ফান্ড তৈরি করা। এগুলা করা হয়ে গেলে আপনি ইনভেস্টমেন্টের কথা বলতে পারেন।


এরপর আছে লেভেল বি-

দুই থেকে পাঁচ বছরের খরচ আপনার হাতের কাছাকাছি ইনভেস্টমেন্টে থাকতে হবে, যেমন স্টক, রেডি-টু-সেল প্রপার্টি বা যেকোনো ইজি-এক্সিট অ্যাসেট। 


পুরোপুরি ক্যাশ লাগবে না, কিন্তু যেকোনো সময় যেন চাইলে বের করে আনতে পারেন।


ফর্মুলা ২: আপনার ফাইন্যান্সিয়াল টার্গেট কত হওয়া উচিত?


আপনি জীবনে কোন পরিমাণ টাকা নিয়ে সিকিউর থাকতে পারবেন, এই হিসাবটা পরিষ্কার না করলে জীবনজুড়ে বিভ্রান্ত থাকতে হবে।


হার্ভার্ড উনিভার্সিটি বলছে,

আপনার বার্ষিক খরচ × ২৫ থেকে ৩৩


সহজ করে বলি- ধরুন, আপনার মাসিক খরচ ৮০,০০০। বছরে ১০ লাখ

এখন ১০ লাখ × ৩০ = ৩ কোটি টাকা।


এর নিচে আপনি রিটায়ারমেন্ট বা ফাইনান্সিয়াল সিকিউরিটির স্বপ্ন দেখবেন না।


এখানে ইনফ্লেশন ধরা লাগবে না, কারণ ইনফ্লেশন ধরলে টার্গেট এত বড় হবে যে মানুষ সারাজীবন নিজেকে গরিবই ভাববে।


মূল কথা:

আপনি যতই ইমোশনাল হন, যদি আপনার খরচ বছরে ১০ লাখ হয়, আপনার টার্গেট হইতে হবে ৩ কোটি টাকা।


ফর্মুলা ৩: কতটুকু সেভ করবেন?


এবার আসল কাজ, সেভিং।

ধরেন একটা পিজ্জা, ওইটাকে চারটা সমান ভাগ করেন।


২৫% সেভিং বাধ্যতামূলক রাখেন সারভাইভ করার জন্য, এটা মিনিমাম। এর নিচে গেলে আপনি কোনোদিনই টার্গেট পূরণ করতে পারবেন না।


এখন অনেকে বলতে পারেন, ইয়াহিয়া ভাই আমার বেতনই তো কম!


তাইলে ভাই আপনি বেতন বাড়ান। নিজের স্কিল বাড়ান। বা ক্যারিয়ার পাল্টান। ঢাকায় খরচ বেশি হলে শহর ছারেন, গ্রামে যান। কিন্তু ২৫% সেভিং না করলে আপনি সবসময়ই বিপদে থাকবেন।


আর যদি চান তাইলে ৫০% সেভিং রাখতে পারেন সেটা সচ্ছলতা ও গ্রোথের জন্য কাজে লাগেব।


যদি বড় কিছু করতে চান যেমন ব্যবসা, তাইলে তখন আপনার এই টাকা কাজে লাগবে।


আর একান্তই যদি আপনি  খুব বড় কিছু তৈরির জন্য করতে চান তাইলে ৭৫% সেভিং করতে পারেন। যারা কোম্পানি, ফাউন্ডেশন, বড় ব্যবসা দাঁড় করায়, তারা অনেকেই এই মডেল ফলো করছে।


সব সেভিং হিসাব ট্যাক্স, যাকাত, ইমারজেন্সি ফান্ড বাদ দিয়ে, তারপর করবেন।


মোট কথা হচ্ছে,

১) এক বছরের খরচ হাতে রাখবেন, ২ থেকে ৫ বছরের খরচ ইজি-এক্সিট ইনভেস্টমেন্টে রাখবেন।


২) আপনার বার্ষিক খরচ × ৩০ = আপনার ফাইনান্সিয়াল সিকিউরিটি নম্বর।


৩) মিনিমাম ২৫% সেভ করবেন, নইলে সব ভেঙে পড়বে।


আপনার আয় যতই হোক, সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে সেটা হারিয়ে যাবে।


আর আয় কম হলেও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে ভবিষ্যৎ ও বর্তমান সুন্দর সম্ভব।

©

─সংগৃহিত

হযরত লোকমান (আঃ) নিজের ছেলেকে দেওয়া ৭৬ টি উপদেশ!,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হযরত লোকমান (আঃ) নিজের ছেলেকে দেওয়া ৭৬ টি উপদেশ!

♻️১। বৎস! কর্জ হইতে নিজেকে হেফাজাত রাখিও। কেননা ইহা দিনের বেলায় অপমান এবং রাত্রিতে দুশ্চিন্তা।


♻️২। বৎস ! তুমি মোরগের চাইতে বেশী অক্ষম হইও না। সে তো শেষ রাত্রিতে জাগিয়া চিৎকার শুরু করিয়া দেয়, আর তুমি নিজের বিছানায় পড়িয়া ঘুমাইতে থাকো।


♻️৩। বৎস! গুরুত্ব সহকারে জানাযায় শরীক হইও এবং অহেতুক অনুষ্ঠানাদি শরীক হওয়া হইতে বাঁচিয়া থাকিও।


♻️৪। বৎস আল্লাহর সান্নিদ্ধ অবলম্বন করবে।


♻️৫। অন্যকে উপদেশ দেওয়ার আগে নিজে আমল করার চেষ্টা কর।


♻️৬। নিজের মান মর্যাদা বজায় রেখে কথা বলবে।


♻️৭। ভাল মানুষ রূপে বিবেচিত হওয়ার চেষ্টা করবে।


♻️৮। স্বীয় অধিকারের প্রতি সচেতন থাকবে।


♻️৯। গোপন তথ্য কারো নিকট প্রকাশ করবে না। 


♻️১০। বিপদে বন্ধুর পরীক্ষা নিবে।


♻️১১। বন্ধুদের ভাল মন্দ উভয়টাই পরীক্ষা করবে।


♻️১২। বিচক্ষণ এবং জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করবে।


♻️১৩। ভাল কাজে পুণঃপুণঃ অংশগ্রহণ করবে ।


♻️১৪। নিজের কথা প্রমাণ করে দিবে।


♻️১৫। বন্ধুদের সাধ্যমত ভালবাসবে।


♻️১৬। শত্রু মিত্র সকলের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করবে।


♻️১৭। মাতা পিতাকে সর্বাধিক সম্মান করবে।


♻️১৮। শিষ্যকে সর্বাধিক মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখবে।


♻️১৯। আয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যয় করবে।


♻️২০। কথা বলার সময় মুখ আয়ত্বের মধ্যে রাখবে।


♻️২১। বীরত্ব কে নীতি হিসাবে গ্রহণ করবে।


♻️২২। শরীর এবং পোষাক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখবে।


♻️২৩। ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবে।


♻️২৪। প্রচলিত অস্ত্র সস্ত্র ও যানবাহন পরিচালনা শিখে নিবে।


♻️২৫। প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব প্রদান করবে।


♻️২৬। রাতের বেলায় যদি কথা বলার প্রয়োজন হয় তাহলে আস্তে এবং নরম স্বরে কথা বলবে।


♻️২৭। দিনের বেলায় কথা বলার সময় চতুর্দিকে লক্ষ্য করে কথা বলবে।


♻️২৮। কম কথা বলা কম খাওয়া এবং কম ঘুমানোর অভ্যাস করবে।


♻️২৯। নিজের জন্য যা পচন্দ করো না তা অন্যের জন্য পচন্দ করবে না।


♻️৩০। বিচক্ষণতা ও কৌশল অবলম্বন করে কাজ করবে।


♻️৩১। উপযুক্ত শিক্ষিত না হয়ে অন্যকে শিখাতে যেও না।


♻️৩২। অন্যের ধন সম্পদের প্রতি লক্ষ্য করবে না।


♻️৩৩। নীতিহীনদের কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করবে না।


♻️৩৪। কোনো কাজেই চিন্তামুক্ত হইও না।


♻️৩৫। যে কাজ তুমি করনি এরূপ কাজ করেছ বলে মনে করো না।


♻️৩৬। আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে রাখবে না।


♻️৩৭। বড়দের সাথে হাসি ঠাট্টা করতে যেও না।


♻️৩৮। আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করিও না।


♻️৩৯। তোমার প্রতি যারা আশা রাখে তাদের নিরাশ করো না।


♻️৪০। বড়দের সামনে কথা দীর্ঘায়িত করবে না।


♻️৪১। অতীতের তিক্ততা মনে রেখো না ।


♻️৪২। নিজের ধন সম্পদের কথা অন্যের নিকট প্রকাশ করবে না।


♻️৪৩। সৎ লোকদের নিন্দা করবে না ।


♻️৪৪। আপনজনদের কাছ থেকে কখনও বিচ্ছিন্ন হইও না।


♻️৪৫। অহংকার করবে না।


♻️৪৬। মানুষের সামনে দাঁত খেলাল করবে না।


♻️৪৭। মানুষের সামনে মুখে বা নাকে অঙ্গুল প্রবেশ করবে না।


♻️৪৮। শব্দ করে থুতু ফেলবে না।


♻️৪৯। হাই তোলার সময় মুখে হাত রাখবে।


♻️৫০। কাউকে জনসম্মুখে লজ্জা দিবে না।


♻️৫১। চোখ দিয়ে ইঙ্গিত করবে না।


♻️৫২। এক কথা বারবার বলবে না।


♻️৫৩। তামাশা মূলক অবাস্তব কথা বলবে না।


♻️৫৪। ঠাট্টা বিদ্রুপ থেকে বিরত থাকবে।


♻️৫৫। অন্যের সামনে নিজের প্রশংসা করবে না।


♻️৫৬। মেয়েদের ন্যায় সাজসজ্জা করবে না।


♻️৫৭। কথা বলার সময় হাত নাড়াচাড়া করবে না।


♻️৫৮। আপনজনদের শত্রুর সাথে উঠাবসা করবে না।


♻️৫৯। কারো মৃত্যুর পর তার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করবে না।


♻️৬০। যথাসম্ভব ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকবে।


♻️৬১। সৎলোকের প্রতি সুধারণা রাখবে।


♻️৬২। নিজের খানা অন্যের দস্তারখানায় নিয়ে যাবে না।


♻️৬৩। কোনো কাজেই তাড়াহুড়ো করবে না ।


♻️৬৪। পার্থিব স্বার্থের মোহে নিজেকে দুঃখ কষ্টে ফেল না।


♻️৬৫। রাগান্বিত অবস্থায়ও ধীর শান্ত ভাবে কথা বলবে।


♻️৬৬।জামার আস্তিন দ্বারা নাক পরিস্কার করবে না।


♻️৬৭। সূর্য উদয়ের পূর্বেই শয্যা ত্যাগ করবে।


♻️৬৮। পথ চলার সময় বড়দের আগে চলবে না।


♻️৬৯। এদিক সেদিক উকি মেরে দেখবে না ।


♻️৭০। অন্যের কথার মধ্যে বাধা দিয়ে কথা বলবে না।


♻️৭১। মেহমানের সামনে কারো প্রতি রাগান্বিত হইও না।


♻️৭২। সন্দেহ প্রবণতা ত্যাগ করতে না পারলে দুনিয়ায় তুমি কোনো বন্ধু খুঁজে পাবে না।


♻️৭৩। বেটা ! তুমি এত মিষ্ট হইও না যে, মানুষ তোমাকে গিলিয়া ফেলে। আরএত তিক্ত হইও না যে মানুষ তোমাকে থুথুর মতো ফেলিয়া দেয়।


♻️৭৪। বেটা! নিজের খানা আল্লাহভীরু লোকদের ব্যতীত কাহাকেও খাওয়াইও না। আর নিজের কাজে আলেমগনের নিকট হইতে পরামর্শ লইতে থাকিও।


♻️৭৫। বেটা! মূর্খের সহিত বন্ধুত্ব করিও না। এমন না হয় তাহার মূর্খতা সুলভ কথাবার্তা তোমার ভালো লাগিত আরম্ভ করে। আর জ্ঞানী লোকের সহিত শত্রুতা করিও না। এমন না হয় যে, সে তোমার দিক হইতে মুখ ফিরাইয়া রাখে।


♻️৭৬। বেটা ! তুমি যেদিন হইতে দুনিয়াতে আসিয়াছ, প্রতিদিন আখেরাতের নিকটবর্তী হইতেছে।

বিজ্ঞান বনাম কুসংস্কার

 সাম্প্রতিক দিনে নাসার বহু প্রতীক্ষিত যুগ্ম-উপগ্রহ মিশন ‘এসকেপেড’–এর উৎক্ষেপণ পিছিয়ে গেছে। মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডল ও সৌর বায়ুর পারস্পরিক প্রভাব নিয়ে গবেষণার জন্য পরিকল্পিত এই মিশনটি নির্ধারিত সময়ে পাঠানোর প্রস্তুতি থাকলেও, শক্তিশালী এক সৌরঝড় মহাকাশ আবহাওয়াকে অস্থিতিশীল করে তোলে। নাসার নিয়ন্ত্রকরা তাই উৎক্ষেপণ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যতক্ষণ না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।


বাবা ভাঙ্গা আবার আলোচনায়


সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনার ঢেউ—বুলগেরিয়ার রহস্যময় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা আবারও শিরোনামে। অনুসারীদের দাবি, বহু বছর আগে তিনি তীব্র সৌরঝড় ও মহাজাগতিক অস্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বর্তমান সৌরঝড় ও নাসার মিশন বিলম্বকে কেন্দ্র করে অনেকে বলছেন, বাবার ভবিষ্যদ্বাণীর আরেকটি মিল পাওয়া গেছে।


১৯৯৬ সালে মৃত্যুবরণ করা বাবা ভাঙ্গা—যাকে অনেকেই ‘বলকানের নস্ত্রাদামুস’ বলে ডাকেন—প্রতি বছরই নানা ভবিষ্যদ্বাণীর কারণে আলোচনায় উঠে আসেন। তাঁর অনুসারীরা দাবি করেন, রাজকুমারী ডায়ানার মৃত্যু থেকে শুরু করে কোভিড-১৯ মহামারী, বহু ঘটনাই তিনি আগে থেকেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।


সৌরঝড়ের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা


বর্তমান যে সৌরঝড় পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এসেছে, তাকে বিশেষজ্ঞরা “ক্যানিবাল স্টর্ম” বলে উল্লেখ করছেন। এটি পূর্ববর্তী দুর্বল সৌরঝড়গুলিকে গ্রাস করে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই এই ঝড় রেডিও সংকেত বিঘ্নিত করেছে এবং ২০১২ সাল থেকে ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভে যে পরিমাপ শুরু করেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিস্তর বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করেছে।


বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ঝড়ের পরবর্তী ধাপ দৈনন্দিন জীবনের বহু ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে—যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থা, জিপিএস পরিষেবা, এমনকি পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা উপগ্রহের গতিপথ।


বাবা ভাঙ্গার আরও আলোচিত ভবিষ্যদ্বাণী


বাবা ভাঙ্গা ইউরোপ ও রোম সম্পর্কেও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। বিভিন্ন অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তিনি নাকি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে আগামী ১৯ বছরের মধ্যে ইউরোপের চেহারা আমূল বদলে যাবে এবং বিপুল জনসংখ্যা হ্রাস পাবে। তাঁর কথিত ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, ‘আজকের ইউরোপ ২০৪৪ সালের শেষে আর থাকবে না।’ মহাদেশটি প্রায় জনশূন্য হয়ে বিরানভূমিতে পরিণত হবে—এমনই ইঙ্গিত তিনি দিয়েছিলেন।


বিজ্ঞান বনাম কুসংস্কার


যদিও বিজ্ঞানীরা এসব ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে সৌরঝড় বা নাসার মিশন বিলম্বের কোনো সম্পর্ক দেখেন না, তবে সামাজিক মাধ্যমে রহস্যময়তার আবহ সব সময়ই আলোচনাকে আরও জোরালো করে তোলে। সৌরঝড়ের প্রভাব ও প্রযুক্তিনির্ভর পৃথিবীর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বাস্তবসম্মত বিশ্লেষণ দিচ্ছেন। অন্যদিকে, কুসংস্কার ও ভবিষ্যদ্বাণী মিলিয়ে নতুন বিতর্ক ও কৌতূহলও জনমনে ছড়িয়ে পড়ছে।

নিশ্চিন্ত থাকুন ভাই, রেকর্ডে ভুল করে চাচার নামে হয়ে গেলে আইনগতভাবে ঠিক করার স্পষ্ট উপায় আছে।

 নিশ্চিন্ত থাকুন ভাই, রেকর্ডে ভুল করে চাচার নামে হয়ে গেলে আইনগতভাবে ঠিক করার স্পষ্ট উপায় আছে।

🔴 রেকর্ড ভুল করে চাচার নামে? এখন কী করবেন?


বাংলাদেশে রেকর্ড ভুল হওয়া খুবই সাধারণ বিষয়—বিশেষ করে CS, SA, RS বা বর্তমান BDS রেকর্ডে। কিন্তু সঠিক প্রমাণ থাকলে রেকর্ড ১০০% ঠিক করা সম্ভব।


🟢 ১️⃣ প্রকৃত মালিকানা প্রমাণ সংগ্রহ করুন


নিচের কাগজগুলো জোগাড় করুনঃ


✔️ মূল দলিল / ক্রয়ের কাগজ


✔️ মিউটেশন (নামজারি)


✔️ খাজনা রশিদ


✔️ চৌহদ্দি ও সীমানা প্রমাণ


✔️ কাগজপত্রে আপনার বাবার/দাদার নাম থাকলে তার প্রমাণ


এগুলোই প্রমাণ করবে জমি আপনার, কিন্তু ভুল করে চাচার নামে রেকর্ড হয়েছে।


🟣 ২️⃣ আপিল বা সংশোধন আবেদন (BDS / RS / SA সংশোধন)


ভুল রেকর্ড পাওয়ার পর আপনি করতে পারেন—


🔵 ক) রেকর্ড সংশোধন (Record Correction Application)


👉 উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে আবেদন


👉 ভুল রেকর্ড + আপনার মালিকানার প্রমাণ


👉 শুনানিতে আপনার পক্ষ তুলে ধরবেন


জমি আপনার হলে রেকর্ড সংশোধন করে নামে আসবে।


🔵 ৩️⃣ ডিসিআর, নোটিশ, শুনানি—সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী হবে


📌 নোটিশ যাবে আপনার চাচার কাছেও


📌 দু’পক্ষকে শুনে সঠিক মালিক নির্ধারণ করা হবে


যদি আপনার কাগজ শক্ত হয়—ভুল রেকর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।


🔴 ৪️⃣ আপিলে সমাধান না হলে?


👉 জেলা জজ আদালতের রিভিশন মামলা


👉 এখানে ১০০% আইনি সমাধান পাওয়া যায়


👉 আদালত রেকর্ড সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারে


🟢 ৫️⃣ কোন কাগজ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়?


💯 দলিল + মিউটেশন (নামজারি) + দখল


এই তিনটি থাকলেই রেকর্ডে ভুল সংশোধন নিশ্চিত।


🌿 সতর্কতা


❌ দেরি করবেন না


❌ ভুল রেকর্ড থেকে পরবর্তীতে বিরোধ বাড়ে


❌ চাচা যদি দাবি না-ও করে, রেকর্ড ভুল থাকলে ভবিষ্যতে ঝামেলা হবে


#জমি #দলিল #ভূমি #খতিয়ান #ভূমিকম্প

দাঁত ব্যথার জন্য কিছু সেরা হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

 দাঁত ব্যথার জন্য কিছু সেরা হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

প্ল্যান্টাগো: দাঁত ব্যথা এবং সংবেদনশীল দাঁতের জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্লান্টাগো দাঁত ব্যথার জন্য একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার। দাঁত ব্যথা এবং সংবেদনশীলতা সব ক্ষেত্রে প্লান্টাগো সাহায্য করে। দাঁতে ক্ষয় দেখা দেয় এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রয়োজন এমন বেশিরভাগ ব্যক্তির দাঁত ব্যথার সাথে মুখে লালা বৃদ্ধি পায়। দাঁত ব্যথার সাথে সাথে গাল ফোলাভাব দেখা দিলেও প্লান্টাগো ভালো ফলাফল দেয়। দাঁত থেকে কানে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা প্লান্টাগো দিয়ে সবচেয়ে ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অনেক সময় দাঁতের স্নায়ুর ব্যথা চোখে ছড়িয়ে পড়তে পারে। দাঁত থেকে চোখের এই প্রতিচ্ছবি ব্যথায়, প্লান্টাগো ব্যথা নিয়ন্ত্রণে একটি দুর্দান্ত ভূমিকা পালন করে। এই সমস্ত বর্ণিত পরিস্থিতিতে, প্লান্টাগো অভ্যন্তরীণভাবে নিতে হয়। প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্লান্টাগো বাহ্যিক প্রয়োগ হিসাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে যদি ব্যথা করা দাঁতটি ভিতরে ফাঁপা থাকে।


ক্যামোমিলা এবং কফি: গরম খাবারের সংবেদনশীলতা সহ দাঁত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

গরম খাবার এবং পানীয়ের প্রতি

 দাঁত সংবেদনশীলতা বৃদ্ধির ফলে দাঁতের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায় এমন দাঁত ব্যথার চিকিৎসার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ক্যামোমিলা হল সর্বোত্তম প্রাকৃতিক প্রতিকার। ঠান্ডা জল দাঁত ব্যথায় উপশম করতে সাহায্য করলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কফি খাওয়া যেতে পারে। দাঁতের তাপ সংবেদনশীলতা কারণ হলে দাঁত ব্যথার জন্য এই দুটি হোমিওপ্যাথিক প্রতিকারই চিকিৎসার একটি চমৎকার উৎস।


হেপার সালফ এবং ম্যাগনেসিয়াম ফস: ঠান্ডা খাবারের সংবেদনশীলতা সহ দাঁত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

ঠান্ডা পানীয় বা খাবার থেকে দাঁত ব্যথা আরও খারাপ হলে হেপার সালফ হল একটি প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার। এবং গরম পানীয় দাঁত ব্যথা থেকে উপশম আনতে পারলে ম্যাগনেসিয়াম ফস গ্রহণ করা যেতে পারে। দাঁত ব্যথার জন্য এই দুটি হোমিওপ্যাথিক প্রতিকারই চিকিৎসার একটি চমৎকার উৎস।


আর্নিকা এবং হাইপেরিকাম: দাঁত তোলার পর দাঁত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

আর্নিকা একটি প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ যা দাঁত তোলার পর মাড়ির ব্যথার চিকিৎসায় খুবই সাহায্য করে। দাঁত তোলার পর ব্যথা হলে আর্নিকা খুবই উপকারী। আঘাতের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিতে এই প্রাকৃতিক ঔষধটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। তাই, দাঁতের চিকিৎসার পর, ব্যথার জন্য আর্নিকা সর্বদা সুপারিশ করা হয়।


আর্নিকা এবং হাইপেরিকাম: দাঁত ভর্তি করার পর দাঁত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আর্নিকা দাঁত ব্যথার জন্য একটি অত্যন্ত উপকারী প্রতিকার এবং দাঁত ভর্তি করার পর মাড়িতে ব্যথা হয়। এখানে, আর্নিকা একটি সঠিক ব্যথা উপশমকারী ঔষধ হিসেবে কাজ করে। হাইপেরিকাম দাঁত ভর্তি করার পর স্নায়ু ব্যথার জন্য একটি হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার। দাঁত ব্যথার জন্য এই প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক প্রতিকারগুলি পরিবর্তন করে ভালো ফলাফল পেতে নেওয়া যেতে পারে।


প্ল্যান্টাগো: ক্ষয়প্রাপ্ত ফাঁপা দাঁতের ব্যথার জন্য প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

যেসব রোগীদের দাঁতের ক্ষয়জনিত কারণে ফাঁপা দাঁত থাকে, তাদের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্ল্যান্টাগো বাইরে থেকে টিংচার আকারে এবং অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবহার করা উচিত যাতে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। দাঁতের ব্যথায় যেখানে ফাঁপা গহ্বর দেখা দেয় সেখানে প্ল্যান্টাগো ব্যবহার করলে দুর্দান্ত ফলাফল পাওয়া যায়।


প্ল্যান্টাগো, স্পিগেলিয়া এবং ম্যাগনেসিয়াম ফস: দাঁত থেকে কান বা মুখ পর্যন্ত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ


কান পর্যন্ত প্রসারিত দাঁতের ব্যথার জন্য, প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্ল্যান্টাগো উপযুক্ত প্রতিকার। দাঁতের ব্যথার কারণে ডান দিকে মুখের স্নায়বিক ব্যথার জন্য, হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ম্যাগনেসিয়াম ফস সর্বোত্তম ওষুধ। এবং দাঁত থেকে মুখের বাম দিকে প্রসারিত স্নায়ুর ব্যথা মোকাবেলা করার জন্য, স্পিগেলিয়া আদর্শ হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার।


হেকলা লাভা: চোয়ালের চারপাশে ফোলা সহ দাঁতের জন্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

হেকলা লাভা দাঁতের ব্যথার জন্য একটি চমৎকার প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ যা চোয়ালের চারপাশে ফোলা সহ দাঁতের ব্যথার জন্য। চোয়ালের ফোলা সহ দাঁতের ব্যথার সমস্ত ক্ষেত্রে হেকলা লাভা নেওয়া যেতে পারে। হেকলা লাভা দাঁতের ব্যথা উভয়ই উপশম করবে এবং চোয়ালের চারপাশের ফোলাভাব কমাবে।


সিলিসিয়া এবং হেপার সালফ: মূল ফোড়ার কারণে দাঁত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

সিলিসিয়া এবং হেপার সালফ উভয়ই মূল ফোড়ার কারণে দাঁত ব্যথার জন্য চমৎকার প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ। মূল ফোড়ার কারণে দাঁত ব্যথার সাথে মাড়ি এবং মুখ ফুলে যায় এমন সমস্ত ক্ষেত্রে সিলিসিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে। এবং যদি জ্বরের সাথে ঠান্ডা লাগা এবং ব্যথা এবং ফোলাভাব থাকে, তাহলে হেপার সালফ হল পছন্দের হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার।


স্ট্যাফিসাগ্রিয়া এবং মার্স সল: ক্ষয়প্রাপ্ত দাঁত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

স্ট্যাফিসাগ্রিয়া হল একটি প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ যা ক্ষয়প্রাপ্ত দাঁতের দাঁত ব্যথা উপশমে দুর্দান্ত প্রতিশ্রুতি দেয়। সাধারণত স্ট্যাফিসাগ্রিয়ার প্রয়োজন এমন রোগী কোনও খাবার বা পানীয় স্পর্শ করার সাথে সাথে ব্যথা আরও খারাপ হওয়ার অভিযোগ করেন। মার্স সল হল আরেকটি প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ যা ঠান্ডা এবং গরম উভয় খাবারই ক্ষয়প্রাপ্ত দাঁতের ব্যথা আরও খারাপ করলে খুবই উপকারী। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ মার্স সল থেকে উপকৃত রোগীদের মধ্যে লালা বৃদ্ধি এবং মুখ থেকে দুর্গন্ধ প্রায়শই লক্ষ্য করা যায়।


স্টাফিসাগ্রিয়া: খাওয়া বা পান করার সময় দাঁত ব্যথার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা স্টাফিসাগ্রিয়া একটি অত্যন্ত কার্যকর চিকিৎসা যখন কোনও খাবার বা পানীয় দাঁত স্পর্শ করার সাথে সাথে দাঁত ব্যথাকে উত্তেজিত করে। ক্ষয়প্রাপ্ত দাঁতে অথবা সুস্থ দাঁতে দাঁত ব্যথা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ সময়, ঠান্ডা পানীয় পান করলে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে মুখে অতিরিক্ত লালা এবং মাড়ি থেকে রক্তপাতও লক্ষ্য করা যেতে পারে।


মার্ক সল: অতিরিক্ত লালা, মুখে দুর্গন্ধযুক্ত দাঁত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

মার্ক সল হল দাঁত ব্যথার জন্য সেরা প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ঔষধ যার সাথে দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমটি হল মুখে প্রচুর লালা, এবং দ্বিতীয়টি হল মুখের দুর্গন্ধের সবচেয়ে খারাপ ধরণের। যদি রোগী দাঁত ব্যথার সাথে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ বর্ণনা করেন, তাহলে সর্বদা মার্ক সল দেওয়া উচিত। গরম এবং ঠান্ডা উভয় খাবারই দাঁতের ব্যথাকে আরও খারাপ করলে মার্ক সল ব্যবহার করা উচিত। বেশিরভাগ সময় দাঁতের মুকুট ক্ষয়প্রাপ্ত হয় যখন মূলটি পুরোপুরি সুস্থ থাকে। এই ক্ষেত্রেও, মার্ক সল হল আদর্শ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ। মাড়ি থেকে রক্তপাত প্রায়শই লক্ষ্য করা যায়। রোগী দাঁত ঢিলেঢালা হওয়ার অভিযোগ করতে পারেন। পানির জন্য তৃষ্ণা বৃদ্ধিও থাকতে পারে।


সিলিসিয়া: দাঁতের গোড়ার ফোড়া থেকে দাঁত ব্যথার জন্য সেরা হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার

দাঁতের গোড়ার ফোড়া থেকে দাঁত ব্যথার জন্য সিলিসিয়া হল সেরা প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার। ফোড়া বলতে দাঁতের গোড়ায় পুঁজ জমাকে বোঝায়। ফোড়া তৈরির কারণে দাঁত ব্যথার জন্য সিলিসিয়া হল আদর্শ হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার। সব ক্ষেত্রেই মাড়ি ফুলে যায়। গালও ফুলে যেতে পারে। বেশিরভাগ সময় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রয়োজন হয় এমন রোগীদের সিলিসিয়া ঠান্ডা বাতাসে এবং ঠান্ডা জল পান করার ফলে দাঁতের ব্যথা আরও খারাপ হওয়ার অভিযোগ করে। ফোড়ার কারণে দাঁত ব্যথার সাথে জ্বরও আসতে পারে।


ক্যামোমিলা: রোগী খিটখিটে হয়ে গেলে দাঁত ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

ক্যামোমিলা হল দাঁত ব্যথার জন্য একটি অত্যন্ত উপকারী প্রাকৃতিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ যখন রোগী খিটখিটে, উন্মাদ এবং তীব্র দাঁত ব্যথার সাথে সাথে উন্মত্ত হয়ে ওঠে। দাঁত ব্যথা সম্পূর্ণ অসহনীয়। দাঁত ব্যথার সাথে মানসিক উত্তেজনার জন্য ক্যামোমিলা ব্যবহার করা প্রয়োজন। রোগী ব্যথার প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীল বলে মনে হয়। উষ্ণ পানীয় গ্রহণ সাধারণত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ক্যামোমিলার প্রয়োজন এমন রোগীদের অবস্থা আরও খারাপ করে তোলে।


বি দ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করা উচিৎ নয়, কেনোনা হোমিও চিকিৎসাতে রোগির প্রপার কেস টেকিং না করে ওষুধ এর মাত্রা ও ডোজ নির্ণয় সম্ভব নয়।

প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র নতুন হোমিও চিকিৎসক বন্ধুদের জন্য।

টাইপিং করতে গিয়ে কোন ত্রুটি থাকলে বা অনিচ্ছাকৃত কোন ত্রুটি থাকলে ক্ষমা প্রার্থী, বলে রাখা ভালো সময়ের স্বল্পতার জন্য সব সময় কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়া হয়ে ওঠে না , তবে চেষ্টা করছি যত সম্ভব কমেন্টের রিপ্লাই দিতে।

সকলে ভালো থাকুন সুস্থ্য থাকুন 

শুভ কামনায়,

রাধারাণী হোমিও হল 

বেতাই তেল পাম্প 

তেহট্ট, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

৩০টি হোমিও ঔষধ ও সংক্ষিপ্ত ধাতু-প্রকৃতি~

 ⭐ ৩০টি হোমিও ঔষধ ও সংক্ষিপ্ত ধাতু-প্রকৃতি~


1) Nux Vomica


প্রকৃতি: খিটখিটে, তাড়াহুড়া, অতিসংবেদনশীল, অফিস-কর্মী টাইপ; ঠান্ডায় কষ্ট।


2) Pulsatilla


প্রকৃতি: নরম, কান্নাকাটি, আদরপ্রিয়; গরম সহ্য হয় না, ঠান্ডা বাতাসে আরাম।


3) Sulphur


প্রকৃতি: গরম প্রকৃতি, অগোছালো, দার্শনিক/যুক্তিবাদী; সকালে সমস্যা বাড়ে।


4) Lycopodium


প্রকৃতি: ভিতরে ভয়, বাইরে আত্মবিশ্বাসী; গ্যাসি, দুর্বলতা; ডান দিকের সমস্যাপ্রবণ।


5) Bryonia


প্রকৃতি: চুপচাপ থাকতে চায়; নড়লেই ব্যথা বাড়ে; অত্যন্ত ইরিটেবল।


6) Rhus Tox


প্রকৃতি: শীতপ্রবণ; নড়াচড়া করলে ব্যথা কমে; আর্দ্রতায় কষ্ট।


7) Arsenicum Album


প্রকৃতি: ভয়প্রবণ, সন্দেহপ্রবণ, পরিপাটি; গরমে আরাম; রাত বাড়লে উপসর্গ খারাপ।


😎 Calcarea Carb


প্রকৃতি: মোটা/ফুলে থাকা টাইপ; ঘেমে যায়; ঠান্ডা পছন্দ; ভয় এবং উদ্বেগ বেশি।


9) Natrum Mur


প্রকৃতি: একা থাকতে ভালোবাসে; আবেগ লুকায়; লবণ-প্রিয়; রোদে মাথাব্যথা।


10) Ignatia


প্রকৃতি: সংবেদনশীল, আবেগপ্রবণ; দুঃখ, মান-অভিমান বেশি; হঠাৎ বদল।


11) Phosphorus


প্রকৃতি: মিশুক, প্রাণবন্ত, দ্রুত দুর্বল হয়; গরমে কষ্ট, ঠান্ডা পানিতে আরাম।


12) Silicea


প্রকৃতি: ভীরু, ঠান্ডা-সংবেদনশীল; ঘেমে যায়; ধীরে ধীরে সমস্যা বাড়ে।


13) Belladonna


প্রকৃতি: হঠাৎ শুরু, লাল-গরম অবস্থা; উত্তেজিত; আলো/শব্দে কষ্ট।


14) Gelsemium


প্রকৃতি: টেনশন হলে দুর্বল; ভয় পায়; ঘুমঘুম ভাব; পরীক্ষার ভীতি।


15) Hepar Sulph


প্রকৃতি: একটু উত্তেজিত; ঠান্ডা একদম সহ্য হয় না; সংবেদনশীল।


16) Merc Sol


প্রকৃতি: গরম-ঠান্ডা দুটিই সহ্যহীন; মুখে দুর্গন্ধ; লালচে প্রদাহ।


17) Sepia


প্রকৃতি: উদাসীন, পরিবারে আগ্রহ কম; গরমে কষ্ট; ব্যথা নড়াচড়া করলে কমে।


18) Tuberculinum


প্রকৃতি: অস্থির, ভ্রমণপ্রিয়; পরিবর্তন চায়; সহজে দুর্বল।


19) Lachesis


প্রকৃতি: কথা বলতে ভালোবাসে; গরম সহ্য হয় না; গলায় কিছু লাগলে সমস্যা।


20) Carbo Veg


প্রকৃতি: সম্পূর্ণ শক্তিহীন, ঠান্ডা অনুভব; বাতাস চাই; ফাঁপাভাব।


21) China Off


প্রকৃতি: রক্ত/শক্তি হারালে দুর্বল; সামান্য টাচেও ব্যথা বেড়ে যায়।


22) Kali Carb


প্রকৃতি: কর্তব্যপরায়ণ, স্পর্শ সহ্য হয় না; শ্বাসকষ্ট; ভোরে সমস্যা বাড়ে।


23) Aurum Met


প্রকৃতি: দায়িত্ববান, গভীর হতাশা; আত্মগ্লানি; রাতে অবনতি।


24) Graphites


প্রকৃতি: মোটা-শরীর, ঠান্ডা প্রকৃতি; ত্বকে শুষ্কতা ও একজিমা।


25) Antimonium Crudum


প্রকৃতি: গরমে কষ্ট; বদহজম প্রবণ; কোণঠাসা হতে চায় না।


26) Colocynth


প্রকৃতি: রাগে ব্যথা বাড়ে; চাপ দিলে ব্যথা কমে।


27) Chamomilla


প্রকৃতি: অসহ্য রাগ; শিশুরা কোলে নিলে শান্ত; ব্যথায় চিৎকার।


28) Causticum


প্রকৃতি: নরম-মনের, ন্যায়পরায়ণ; শুষ্কতা; ঠান্ডায় কষ্ট।


29) Ferrum Phos


প্রকৃতি: হালকা জ্বর, দুর্বলতা; শান্ত, ভদ্র; সহজেই অ্যানিমিয়া প্রবণ।


30) Thuja Occidentalis


প্রকৃতি: লজ্জাশীল, ভিতরে ভয়; গোপন ভাবনা; দু-ধরনের ব্যক্তিত্ব; স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডায় কষ্ট।



⚠️ Notice:All content in this post - including text and images - is owned© Dr. Farhad Hossain | Copying without permission will be reported 🚫 Respect Original Creation ~প্রয়োজনে শেয়ার করে রেখে দিন।   🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।  🩺Dr.Md.Forhad Hossain  D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA Pdt(Hom) Consultant:Homoeopathic  Medicine  Helpline:01955507911

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবহারের সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা -

 হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবহারের সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা -


হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারগনের অবশ্যপালনীয় পরার্মসমুহ,


কষ্টিকাম (Causticum) ঔষধটিকে কখনও ফসফরাসের (Phosphorus) আগে বা পরে ব্যবহার করবেন না।

বিশেষতSulphur,Silicea,Psorinum,Phosphorus,Lachesis,Kalicarb,Graphities,Carcinosinum,Zincum নামক ঔষধ গুলি ভুলেও উচ্চশক্তিতে খাবেন না।কেননা এতে রোগ বেড়ে যেতেপারে মারাত্মকভাবে এবং তাছাড়াও অন্য ধরণের বিরাট ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।এজন্য প্রথমে নিম্নশক্তিতে (৩০,২০০) ব্যবহার করে উপকৃত হলেই কেবল প্রয়োজনেউচ্চশক্তিতে প্রয়োগ করতে পারেন।

লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium)নিম্নশক্তিতে দীর্ধদিন ভুল প্রয়োগে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।এমনকি মৃত্যু পযর্ন্ত হতে পারে।

হ্যানিম্যানের মতে, সালফারের ( Sulphur )পূর্বে ক্যালকেরিয়া কার্ব(Calcarea Carbonica)

ব্যবহার করা উচিত নয়।( এতে শরীর মারাত্মক দুর্বল হয়ে যেতে পারে )।

ক্যাল্কেরিয়া কার্বঃ(Calcarea Carbonica)এবং ব্রায়োনিয়া (Bryonia alba) শত্রুভাবাপন্ন(inimical)ঔষধ।কাজেই এই দুটিকে কাছাকাছি সময়ে একটির আগে বা পরে অন্যটিকে ব্যবহার করা নিষেধ।

মার্ক সলঃ( Mercurius solbulis )এবং সইলিশিয়া(Silicea)ঔষধ দুটির একটিকে অপরটি(কাছাকাছি সময় )আগে বা পরে ব্যবহার করা উচিত নয়।

Natrum mur : জ্বরের উচ্চ তাপের সময় নেট্রাম মিউর (Natrum mur)ঔষধটি প্রয়োগ করা নিষেধ।

ক্যাল্কেরিয়া কার্ব (Calcarea Carbonica)

ঔষধটি সালফার বা নাইট্রিক এসিডের ( Nitricum acidum ) পূর্বে ব্যবহার করা নিষেধ।

লিডামঃ( Ledum ) খেয়ে সৃষ্ট দুর্বলতার চিকিৎসায় চায়না ব্যবহার করা ক্ষতিকর।

Sulphur :কোন রোগীর যদি নিদ্রাহীনতা থাকে তবে তাঁকে রাতের বেলা সালফার (Sulphur)দিতে পারেন।পক্ষান্তরে যেই রোগী ভালো ঘুমায়, তাকে সকাল বেলায় সালফার খাওয়ানো উচিত।কেননা রাতের বেলা সালফার দিলে তার ঘুমে অসুবিধা হতে পারে।

নাক্স ভমিকাঃ(Nux vomica)রাতে এবং সালফার সকালে দিতে পারেন যদি তাঁদের সম্পূরক(complementary)ক্রিয়া প্রত্যাশা করেন।

Phosphorus : বাম ফুসফুসের ব্যথায় ফসফরাস (Phosphorus )ঔষধটি ঘন ঘন প্রয়োগ করা বিপজ্জনক।কেননা এতে রোগীর তাড়াতাড়ি যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

মেডোরিনামঃ(Medorrhinum)ঔষধটি হৃদরোগীদেরকে কখনও উচ্চশক্তিতে দিতে নাই এতে করে তাঁর হৃদরোগ বৃদ্ধি পেয়ে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে।প্রথমে ২০০ শক্তিতে প্রয়োগ করে তারপর সহ্য শক্তি অনুযায়ী উপরের শক্তি প্রয়োগ করা যেতে পারে।

কলিনসোনিয়া ক্যানঃ ( Collinsonia Canadensis ) ঔষধটি হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে কখনও নিম্নশক্তিতে প্রয়োগ করতে নাই।

Apis, Lac defloratum, Gossipium, Pulsatilla, Pinus lamb, Viscum album ইত্যাদি ঔষধ গর্ভবতীদের দেওয়া নিষেধ।কেননা এতে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে।

সাইলিশিয়াঃ(Silicea )ঔষধটি কারো কোন অপারেশনের ছয়মাসের মধ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ।অন্যথায় সেখানে ঘা/পূঁজ হয়ে জোড়া ছুঁটে যেতে পারে।

কয়েক দিন অচেতন রোগীদেরকে জিংকামমেট(Zincum metallicum)দিতে হয়।কিন্তু ভুলেও এক মাত্রার বেশী দিবেন না।

জর্জ ভিথুলকাসের মতে, কোন রোগীর মধ্যে যদি কোন একটি ঔষধের ১০০ ভাগ লক্ষণ পাওয়া যায়, তবে সেই রোগীকে সেই ঔষধটি নিম্নশক্তিতে খাওয়ানো তাকে হত্যা করার সমতুল্য।

মেধা, স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ, বুদ্ধিবৃত্তি ও ব্রেন-ফাংশন উন্নত করতে ব্যবহৃত ৫০টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ দেওয়া হলো~

 🎍মেধা, স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ, বুদ্ধিবৃত্তি ও ব্রেন-ফাংশন উন্নত করতে ব্যবহৃত ৫০টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ দেওয়া হলো~

🧠 মেধা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ৫০টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ


1️⃣ আনাকার্ডিয়াম ওরিয়েন্টেল — Anacardium Orientale


দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, ভুলে যাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া।


2️⃣ জিঙ্কাম মেটালিকাম — Zincum Metallicum


দুর্বল স্নায়ু, অতিরিক্ত পড়াশোনায় মাথা ক্লান্তি।


3️⃣ ন্যাট্রাম মিউর — Natrum Muriaticum


আবেগজনিত ভুলে যাওয়া, মানসিক চাপজনিত স্মৃতিহানি।


4️⃣ ক্যালকেরিয়া ফস — Calcarea Phosphorica


শিশুর বুদ্ধি বিকাশ, পড়াশোনায় মনোযোগের ঘাটতি।


5️⃣ কালি ফস — Kali Phosphoricum


স্নায়ু দুর্বলতা, অতিরিক্ত পরিশ্রমে ব্রেন ক্লান্তি।


6️⃣ জিঙ্কাম ফস — Zincum Phosphoricum


ব্রেন-টনিক; একাগ্রতার ঘাটতি।


7️⃣ লাইকোপোডিয়াম — Lycopodium


ভয়-টেনশন, আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া, পরীক্ষার ভয়।


8️⃣ জেলসেমিয়াম — Gelsemium


টেনশন-পরীক্ষায় মাথা ফাঁকা হয়ে যাওয়া।


9️⃣ আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম — Argentum Nitricum


অস্থিরতা, চিন্তায় হঠাৎ ব্ল্যাঙ্ক হয়ে যাওয়া।


🔟 সিলিসিয়া — Silicea


স্মৃতিভ্রংশ, দুর্বল মনোযোগ, ভয়-ভীতি।



11. ফসফরাস — Phosphorus


মেধা উজ্জ্বল করতে, পড়াশোনায় ইন্টেলিজেন্স বাড়ায়।


12. ব্যারিটা কার্ব — Baryta Carbonica


বুদ্ধির বিকাশ ধীর—শিশু ও বয়স্ক উভয়ের জন্য।


13. ব্যারিটা মিউর — Baryta Muriatica


স্মৃতি কমে যাওয়া, ধীর প্রতিক্রিয়া।


14. নাক্স ভমিকা — Nux Vomica


স্ট্রেস-চাপের ফলে মাথা কাজ না করা।


15. কফিয়া — Coffea Cruda


অতিরিক্ত উত্তেজনায় ঘুম না হওয়া, মনোযোগ হারানো।


16. আর্সেনিকাম অ্যালবাম — Arsenicum Album


ব্যাকুলতা, অস্থিরতা, টেনশনে ভুলে যাওয়া।


17. ব্রায়োনিয়া — Bryonia Alba


চিন্তা করতে অক্ষমতা, মাথা ভারী।


18. চায়না — China Officinalis


শারীরিক দুর্বলতায় মেধা কমে যাওয়া।


19. কার্বো ভেজ — Carbo Vegetabilis


স্নায়ু দুর্বলতা, স্মৃতিশক্তির পতন।


20. ক্যানাবিস ইন্ডিকা — Cannabis Indica


মাথা ফাঁকা লাগা, অদ্ভুত ভুলে যাওয়া।



21. কাওস্টিকাম — Causticum


মস্তিষ্কের একাগ্রতা কমে যাওয়া, ধীর বুদ্ধি।


22. হায়োসায়ামাস — Hyoscyamus Niger


চিন্তার অসংগতি, অতি কথাবার্তা।


23. বেলাডোনা — Belladonna


উত্তেজনা, তীব্র একাগ্রতার অভাব।


24. স্ট্রামোনিয়াম — Stramonium


ভয়, অস্থিরতায় চিন্তা ব্যাহত।


25. ইগ্নেশিয়া — Ignatia Amara


মানসিক ধাক্কা বা দুঃখে স্মৃতি দুর্বল।


26. ন্যাট্রাম ফস — Natrum Phosphoricum


অতিরিক্ত পড়াশোনায় মাথা ভার।


27. ম্যাগ ফস — Magnesium Phosphoricum


নিউরাল ক্লান্তি, চিন্তা করতে কষ্ট।


28. অরুম মেট — Aurum Metallicum


ডিপ্রেশনে স্মৃতি কমে যাওয়া।


29. সেপিয়া — Sepia Officinalis


মনোযোগ কমে যাওয়া, মানসিক ক্লান্তি।


30. রাসটক্স — Rhus Toxicodendron


অধিক অধ্যয়নে মাথা চাপ অনুভব।



31. ফসফরিক এসিড — Phosphoric Acid


দুঃখ-চিন্তায় স্মৃতি লোপ পাওয়া।


32. অ্যাসিড ফস — Acid Phosphoricum


মস্তিষ্কের শক্তি কমে যাওয়া।


33. অর্টিগা উরেন্স — Urtica Urens


স্নায়ু সতেজতা বৃদ্ধি।


34. সালফার — Sulphur


মনোযোগ বিচ্ছিন্নতা, ভুলে যাওয়া।


35. আয়োডাম — Iodum


দ্রুত চিন্তা, আবার দ্রুত ভুলে যাওয়া।


36. থুজা — Thuja Occidentalis


মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা।


37. পাইক্রোটক্সিন — Picrotoxin


মস্তিষ্কের অতি উত্তেজনা কমায়।


38. ল্যাসিসেস — Lachesis Mutus


টেনশনে কথার ধারাবাহিকতা ভেঙে যাওয়া।


39. কক্কুলাস — Cocculus Indicus


ঘুমের অভাবে মাথা কাজ না করা।


40. হেলোনিয়াস — Helonias Dioica


মানসিক ক্লান্তি, ব্রেন-ড্রেন।



41. প্লাটিনা — Platina


অতিরিক্ত আত্মগরিমায় মনোযোগ হারানো।


42. ক্যালকারিয়া কার্ব — Calcarea Carbonica


পড়াশোনায় মনোযোগহীনতা, দুর্বল স্মৃতি।


43. স্ট্যানাম মেট — Stannum Metallicum


অতিরিক্ত ভাবনায় মস্তিষ্ক ক্লান্ত।


44. ওপিয়াম — Opium


ধীর প্রতিক্রিয়া, স্মৃতিশক্তির ঘাটতি।


45. ভেরাট্রাম অ্যালবাম — Veratrum Album


অতিরিক্ত মানসিক চাপের পর মস্তিষ্ক দুর্বল।


46. হেপার সালফ — Hepar Sulphur


বিচলিত মস্তিষ্ক, সিদ্ধান্তহীনতা।


47. অ্যালুমিনা — Alumina


ধীর চিন্তা, কথা ভুলে যাওয়া।


48. ন্যাট্রাম সালফ — Natrum Sulphuricum


মুড-চেঞ্জে স্মৃতি কমে যাওয়া।


49. ফেরাম ফস — Ferrum Phosphoricum


দুর্বল রক্তচলাচলে মেধা কমা।


50. গ্লোনইন — Glonoinum


মাথায় রক্তচাপ উঠানামায় স্মৃতির ব্যাঘাত।



✔ বিশেষ নোট

 • মেধা-স্মৃতি দুর্বলতা কারণভেদে ভিন্ন রেমেডি প্রয়োজন হয়।

 • সব রোগীর জন্য একই ওষুধ উপযুক্ত নয়।

 • সঠিক রেমেডি নির্বাচন একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের দায়িত্ব।


⚠️ Notice:All content in this post - including text and images - is owned© Dr. Farhad Hossain | Copying without permission will be reported 🚫 Respect Original Creation ~প্রয়োজনে শেয়ার করে রেখে দিন।   🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।  🩺Dr.Md.Forhad Hossain  D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA Pdt(Hom) Consultant:Homoeopathic  Medicine  Helpline:01955507911

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...