এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

প্রসঙ্গঃ যেভাবে স'তীদাহ প্রথা পালিত হত।

 ♦ প্রসঙ্গঃ যেভাবে স'তীদাহ প্রথা পালিত হত।

♦ সতীদা'হ মূলত উচ্চ বর্ণের হিন্দু পরিবারগুলোতেই করা হত। হাজার হাজার বছর ধরে অগণিত ভারতীয় হিন্দু নারী জী'বিত অবস্থায় চিতার লেলিহান আ'গুনে প্রবেশ করেছেন- কখনও স্বেচ্ছায়, কখনও বা জো'র করে। 

♦ স্বেচ্ছায় হলেও মানবতার বিচারে এই প্রথার পৃষ্ঠপোষকতা ভারতীয় সভ্যতার একটি অন্যতম ক"লঙ্ক-বিন্দু। 

♦ কিন্তু কীভাবে পালিত হত এই ব'র্বর প্রথা? 

♦ এই ব্যাপারে গোরাচাঁদ মিত্রের লেখা 'স'তীদাহ' বইটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

♦ তারই কিছু অংশ নীচে তুলে ধরলাম-

♦ স্বামীর মৃতদেহ চিতায় শায়িত । নাপিত এসে বিধবা নারীর নখ কে'টে দিয়ে গেলেন । 

♦ শাকে স্তব্ধা স্ত্রী হাতের শাখা ভেঙে চললেন স্নানে - শুচিশুদ্ধ হবার জন্য ।

♦  স্নানের পর চিতারোহণের সাজ । আত্মীয়রা এগিয়ে এসে পরিয়ে দিলেন লাল চেলী , হাতে বেঁধে দিলেন রাঙা সুতা দিয়ে আলতা , গাটো কপাল জুড়ে লেপে দিলেন টকটকে লাল সিঁদুর – নিপুণ করে আঁচড়ানো চুলে থরে থরে চিরুনির বাহার । 

♦ গাটো দেহে মূল্যবান অলংকারের সমারাহে । স্বামীহারা স্ত্রী দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলতেও বিস্তৃত হয়েছেন তিনি যেন সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানের হাতের পুতুল । 

♦ কুশ হাতে নিয়ে পুবমুখী বসে আচমন করলেন নারী । 

♦ হাতে নিলেন তিল , জল ও কুশনির্মিত ত্ৰিপত্র । 

♦ উপস্থিত ব্রাহ্মণগণ উচ্চারণ করলে – 'ওঁ তৎসৎ' । ধ্বনিত হল বিধবার নিম্ন কন্ঠে -"নমঃ , আজ অমুক মাসে , অমুক পক্ষে , অমুক তিথিতে , অমুক গাত্রে ঐ অমুক দেবী বশিষ্ঠেব পত্নী অরুন্ধতীর সমমর্যাদায় স্বর্গে যাওয়ার জন্য , 

♦ মানুষের শরীরে যত লোম আছে তত বছর অর্থাৎ তিনকোটি বছর স্বামীর সঙ্গে স্বর্গসুখ উপভোগের আশায় , মাতৃকুল , পিতৃকুল ও পতিকুল — তিন কুলকেই পবিত্র করার অভিপ্রায়ে , চতুর্দশ ইন্দ্রের রাজত্বকাল পর্যন্ত স্বর্গসুখ ভোগের কামনায় এবং যদি স্বামী ব্রহ্মহত্যাকারী , কৃতঘ্ন ও মিত্রদ্রোহী হন , তাহলে তাকে পবিত্র করার জন্য , আমি স্বামীর জলন্ত চিতায় অধিরোহণ করছি '। 

♦ হে অষ্টলাক পালগণ , হে সূর্য , চন্দ্র , বায়ু , হে অগ্নি , আকাশ , ভূমি , জল , হে অন্তর্যামিন আত্মাপুরুষ , হে যম , দিন , রাত্রি , সন্ধ্যা , হে ধর্ম , আপনারা সকলে সাক্ষী থাকুন , আমি প্রজ্বলিত চিতায় আরাহণ করে স্বামীর অনুগামিনী হচ্ছি ।"

♦ এরপর খই , খণ্ড ও কড়ি আঁচলে বেঁধে সতীনারীর চিতাপ্রদক্ষিণের পালা - বার বার সাতবার । 

♦ ব্রাহ্মণ পুরোহিত কণ্ঠে প্রয়োজনীয় মন্ত্রাদি বিবৃত হবার পর বিধবা স্ত্রী স্বামীর পাশে চিতাশয্যা গ্রহণ করলেন । 

♦ আত্মীয়স্বজনেরা মহোল্লাসে গাছের ছালের দড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে চিতার সঙ্গে বাঁধলেন তাকে । 

♦ পুত্র বা নিকট কোন আত্মীয় এগিয়ে এলেন চিতায় অগ্নিসংযাগোর জন্য । 

♦ উপস্থিত দর্শকবৃন্দের পৈশাচিক উল্লাস ও ঢাক - ঢোলে , কাসরের প্রচণ্ড আর্তনাদে চতুর্দিক স্তম্ভিত । দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো চিতা । 

♦ তাও যেন আশ মেটে না পুণ্যার্থীদের ! ঝুপঝাপ করে শর ও পাকাটির আঁটি ফেলতে লাগলেন সবাই চিতার আগুনে । 

♦ অগ্নিসংযোগের পর পাছে সতীনারীর আরও কিছুদিন পৃথিবীর আলা- বাতাস ভাগোর শখ হয় তাই চিতার পাশেই মোটা মোটা বাশ নিয়ে 'ধর্মসংস্থাপনাকারীরা' অপেক্ষমান । 

♦ বিধবা স্ত্রী বাঁচ'বার সামান্যতম চেষ্টা করলেই বাঁশের উপর্যুপরি আ'ঘাতে তার ভবলীলা সাঙ্গ করা হত। 

© কোন না'রী দৈবক্রমে চিতা থেকে পালিয়ে গেলে ক্ষুধার্ত নেকড়ের মত তার পিছু নিতেন অনুষ্ঠান কর্তা ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোরা , পলায়মানা না'রীকে ল'জ্জাকরভাবে বাহুবলে পরাস্ত করে আবার চিতায় চাপানো হত — না হলে যে বংশের মুখে চুনকালি পড়বে ! 

♦ সম্মিলিত প্রতিরোধে  কাছে ফুৎকারে নিভে যেত সতীনারীর বাঁচার আশা । 

♦ ধীরে ধীরে এক সময় নিভে যেত চিতার আগুন । কিন্তু তা বলে পুরোহিতের বিশ্রাম নেই । 

♦ তিনি তখন শকুনির মত ঘেটে চলেছেন চিতার ছাই - ভস্ম - সতীর গায়ের বল মূল্য অলংকারগুলি বর্তমান মালিক তো তিনিই । 

♦ অন্যদিকে বংশগৌরবের উজ্জ্বলতা বিচার করতে করতে ঘরে ফিরে চলেছেন মৃতের আত্মীয়স্বজন - চাদরের তলায় কর গুণে-গুণে হিসেব করছেন স্ত্রীর মৃত্যু হবার দরুণ মৃতের কতখানি স্থাবর - অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হলেন তারা অনেক ক্ষেত্রে দাহকার্যের পূর্বে মদ , ভাঙ , ইত্যাদি উত্তেজক দ্রব্য খাইয়ে সতীনারীর মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলা হত । 

♦ ভাবলে বিস্ময় লাগে। এক অদ্ভুত অপার্থিব সুখভােগের আশায় , স্বর্গ নামক এক অজ্ঞাত মনোহারী স্থানে মিষ্টি সুখে স্বামী-সঙ্গ লাভের কামনায় তারা দলে দলে শিকার হয়েছেন পৃথিবীর নৃশংসতম প্রথার ।

♦ তথ্যসূত্রঃ সতীদাহ | লেখকঃ গোরাচাঁদ মিত্র | শঙ্খ প্রকাশনী (পৃষ্ঠা ২-৩)


#অমানবিকতা #reality

#গল্প

#Arifenglishtutorial

#fblifestyle

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৩-১১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৩-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের বাংলাদেশ সফর ঢাকা-থিম্ফু সম্পর্ক সুদৃঢ় করেছে --- যৌথ বিবৃতিতে প্রকাশ।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশংকা নেই --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


নির্বাচনে সারা দেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা হবে --- জানাল ইসি --- নির্বাচনে সকল সহযোগিতা করতে প্রস্তুত কমনওয়েলথ।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় জানিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


 শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে রাজউকের প্লট দুর্নীতির মামলার রায় ২৭শে নভেম্বর।


রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে জেনেভায় বৈঠক করছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা।


এবং মিরপুরে দ্বিতীয় ও শেষ ক্রিকেট টেস্টে আয়ারল্যান্ডকে ২১৭ রানে হারিয়ে হোয়াইট ওয়াশ করলো বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ২৩-১১-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ২৩-১১-২০২৫


সংবাদ শিরোনাম

...............................


* ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় আবারও গতকাল তিন দশমিক তিন ও চার দশমিক তিন মাত্রার দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত---শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা


*  সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত --- দুটি সমঝোতা স্মারক সই 


* ঢাকা ও থিম্পুর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুর্নব্যক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস


* একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে সরকার, গণভোট আইন পাশের পর কাজ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন---জানালেন সিইসি


* শিগগিরই রাজধানীর সব ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

নেওয়া হবে---জানিয়েছে রাজউক


* ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবে কিয়েভের মিত্রদের উদ্বেগের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, মার্কিন পরিকল্পনা ইউক্রেনকে দেওয়া চূড়ান্ত প্রস্তাব নয়


* এবং ঢাকায় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের বিপক্ষে

৩৩৩ রানে পিছিয়ে থেকে আজ পঞ্চম ও শেষ দিনের ব্যাটিং শুরু করবে আয়ারল্যান্ড

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-১১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশে আবারও আজ তিন দশমিক তিন ও চার দশমিক তিন মাত্রার দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত --- উৎপত্তিস্থল নরসিংদির পলাশ ও ঢাকার বাড্ডা।


দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে --- দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত --- দুটি সমঝোতা স্মারক সই।   


সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা।


একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে সরকার, গণভোট আইন পাশের পর কাজ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন --- জানালেন সিইসি।


শিগগিরই রাজধানীর সব ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে --- জানিয়েছে রাজউক।


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া রাশিয়ার --- ইউক্রেনকে  প্রস্তাব মেনে নিতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং ঢাকায় থাইল্যান্ডকে ৪০-৩১ পয়েন্টে হারিয়ে নারী কাবাডি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২২-১১-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২২-১১-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

......................................................


* ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে নয়-এ


* ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার শোক--মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে নির্দেশ---দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে কন্ট্রোল রুম চালু


* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর করতে সর্বোচ্চ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান


* মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন অনুযায়ী বৈষম্যহীন ও জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ--সশস্ত্র বাহিনী দিবসে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস


* যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরাইলী হামলায়

কমপক্ষে ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত


*  এবং মিরপুরে দ্বিতীয় ও শেষ ক্রিকেট টেস্টে সফররত আয়ারল্যান্ডের

বিপক্ষে ৩৬৭ রানে এগিয়ে থেকে আজ চতুর্থ দিনের ব্যাটিং শুরু করবে বাংলাদেশ

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২১-১১-২০২৫ খ্রি:।

  রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২১-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত --- এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৬ জন।


ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার শোক --- মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে নির্দেশ --- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে কন্ট্রোল রুম চালু।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর করতে সর্বোচ্চ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান।


মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন অনুযায়ী বৈষম্যহীন ও জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ --- সশস্ত্র বাহিনী দিবসে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


শ্রম খাতের উন্নয়নে আইএলও’র সহযোগিতা চেয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা।


পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে একটি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ১৭ জন।


এবং মিরপুরে দ্বিতীয় ও শেষ ক্রিকেট টেস্টের আজ তৃতীয় দিন শেষে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৬৭ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ --- দোহায় সেমিফাইনালে ভারত-এ দলকে হারিয়ে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্স টুর্নামেন্টের  ফাইনালে বাংলাদেশ-এ দল

রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

১৫ টি অপরাধের কারণে ভুমিকম্প আসবে।

 ১৫ টি অপরাধের কারণে ভুমিকম্প আসবে।

সবগুলোই আমাদের মাঝে বিরাজমান। তাই পাপ থেকে ফিরে আসা সময়ের দাবি। 


 عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ 

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: 


১) إِذَا اتُّخِذَ الْفَىْءُ دُوَلاً

যখন গানীমাতের (যুদ্বলব্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে, 


২) وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا

আমানতের মাল লুটের মালে পরিণত হবে,


৩)  وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا

যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে,


৪) وَتُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ

ধর্ম বিবর্জিত শিক্ষার প্রচলন হবে,


৫) وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ

পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে 


৬) وَعَقَّ أُمَّهُ 

কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে, 


৭) وَأَدْنَى صَدِيقَهُ 

বন্ধু-বান্ধবকে কাছে টেনে নিবে, 


৮) وَأَقْصَى أَبَاهُ

কিন্তু পিতাকে দূরে ঠেলে দিবে,


৯) وَظَهَرَتِ الأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ

মসজিদে কলরব ও হট্টগোল করবে,


১০) وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ

পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে,


১১) وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ

নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে, 


১২) وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ

কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে, 


১৩) وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَازِفُ

গায়িকা-নর্তকী ও বাদ্য যন্ত্রের বিস্তার ঘটবে, 


১৪) وَشُرِبَتِ الْخُمُورُ

মদ পান করা হবে, 


১৫) وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الأُمَّةِ أَوَّلَهَا 

এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববতী মনীষীদের অভিসম্পাত করবে, 


فَلْيَرْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْرَاءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ بَالٍ

قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَع

তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে, যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুঁতিরমালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুঁতি ঝরে পড়তে থাকে। [জামে আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২২১১]।


— মাওলানা আরিফ বিন হাবিব (হাফি.)


——————————————————•••


☞ ভূমিকম্পের ব্যাপারে একটা ছোট্ট সূরার সামান্য তাফসীর পড়ুন।


সূরার নাম “আল-আসর।”

আসর অর্থ —সময়। 

আর যিলযাল অর্থ— ভূমিকম্প 

সূরা যিলযাল থেকে থেকে নিয়ে সূরা আসর পর্যন্ত চারটি সূরাতে মানুষের কর্মের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।


সবগুলো সূরার অর্থ বলতে গেলে লেখাটা লম্বা হয়ে যাবে, তাই শুধু সূরা আসরের কথা বলতে চাই। সূরা আসরে এসে আল্লাহ তায়ালা সময়ের কসম খেয়ে বলছেন— মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। যে কোন সূরায় আল্লাহ তায়ালা যখন কসম খান তখন বুঝতে হবে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মানুষকে সতর্ক করছেন।


তারপর আল্লাহ বলছেন— ক্ষতি থেকে শুধু তারাই বেঁচে থাকবে যাদের মধ্যে চারটি বিষয় একই সাথে পাওয়া যাবে।


১.যারা ঈমান আনে 

২.যারা নেক কাজ করে অর্থাৎ— নামাজ রোজা দান সদাকা ইত্যাদি। 

৩.যারা একে অপরকে উপদেশ দেয় বারবার। 

৪.সবরের সাথে। 


এই সূরায় মানুষকে ঈমান ও নেক কাজ করার সাথে সাথে দুটি আলাদা বিষয়ের কথা আল্লাহ তায়ালা বলছেন। সে আলাদা দুটি বিষয় আমাদেরকে খুব গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। 


অধিকাংশ মানুষের ঈমান আছে। ঈমান বলতে— মুসলিম। অধিকাংশ মানুষের মধ্যে কি এই চারটি বিষয় উপস্থিত আছে? আমরা বিশ্বাসী। নামাজ রোজা যাকাত সাদাকার মতো নেক কাজ করি। কিন্তু আমরা কি উপদেশ দান করি আমাদের আশেপাশে? যখন আমরা সূরা ফাতেহা পড়ে দোয়া করি— আল্লাহ তাআলা আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন 'ইহদিনা' বলে দোয়া করতে। আর সিরাত এমন একটি প্রশস্ত পথকে বলা হয় যে রাস্তা দিয়ে বহু মানুষ একসাথে চলতে পারে। আমরা তবে শুধু নিজে আমল করলে হবে?


—পর্দা আমি করি, কাজের মহিলাটা হিজাব দূর, একটা সূরা ভালোভাবে পড়তে পারে না।


—আমি পাশের বাসার ভাইয়ের সামনে বের হই না, কিন্তু ঘরের পুরুষটা ঠিকই বেপর্দা মেডামের সাথে গল্প করে।


—আমি নিজে হালাল রোজগার করি, কিন্তু আমার চাচা সুদের ওপর চলাফেরা করেন।


—নিয়মিত মসজিদে নামাজ পড়ি, কিন্তু একই এলাকার পোলাপান গান বাজনা সিগারেটে নিয়মিত।


বর্তমান পৃথিবীতে যে পরিমাণ পাপ যে পরিমাণ অশ্লীলতা অনাচার সে সব ব্যাপারে উপদেশ দান করি আমাদের আশেপাশে? বারবার? সবরের সাথে? 


সাহাবাদের বিশ্বাস ছিল মানুষের পাপ যখন বেড়ে যায় তখন ভূমিকম্প হয়। আর বিশেষজ্ঞদের মতে ছোট ছোট ভূমিকম্পের পর বড় ভূমিকম্প হয়। যদি আল্লাহর আজাব আসে তবে কি আমাদেরকে ছেড়ে দিবে আমরা ঈমান এনেছি এবং নেক কাজ করি বলে? 


নাকি ক্ষতি থেকে বাঁচতে হলে আমাদের সবাইকে একে অপরকে উপদেশ দিতে হবে? 


সবরের সাথে কেন বলা হলো?

কারণ যখন আপনি কাউকে উপদেশ দিবেন জানা কথা সে আপনাকে পছন্দ করবে না, তখন আপনি দয়ার সাথে মায়ার সাথে বারবার উপদেশ দিয়ে যাবেন। তাকে নিচু করার জন্য নয়। তার অপরাধের দিকে আঙ্গুল তোলার জন্য নয়। বরং তাকে এবং নিজেকে ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য। 


মানুষ যখন বলে আল্লাহর কসম করছি আমি এটা করিনি। মানুষ আল্লাহর কসম খেয়ে প্রমাণ উপস্থাপন করে যে সে বিষয়টা করেনি। আর আল্লাহ তায়ালা এখানে এমন এক বিষয়ের কসম খেয়েছেন যা নিজেই প্রমাণ করে যে আল্লাহ যা বলছেন তা সত্য। আল্লাহ সময়ের কসম খাচ্ছেন আর সময়ের স্বভাব হচ্ছে ফুরিয়ে যাওয়া। যে সময় ফুরিয়ে যাবে আমাদের জীবন থেকে সে সময়ে আমরা দুনিয়ার লোভে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পড়েছি।


সময় আরও প্রমাণ করে— ইতিহাসে এমন অনেক জাতি ছিল যারা আমাদের মতো। যারা দুনিয়ার মোহে মত্ত ছিল, পাপাচারে মেতে ছিল, কিন্তু সময় তাদেরকে গিলে ফেলেছে!


শীঘ্রই সময় আমাদেরও গিলে ফেলবে! তার আগেই সতর্ক হওয়া জরুরী। পাপের দুনিয়া থেকে নিজে বাঁচার সাথে সাথে অন্যদেরও বাঁচানো জরুরী।


☞ সংগৃহীত

দৌড়াবেন না, আশ্রয় নিন! (৫ম তলা বা তার উপরে) 🛑 ভূমিকম্পণ সতর্কতা কোম্পানির গ্রুপ থেকে নেওয়া

 দৌড়াবেন না, আশ্রয় নিন! (৫ম তলা বা তার উপরে) 🛑

উঁচু ভবনে (৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম তলা বা তার উপরে) থাকলে, বের হওয়ার চেষ্টা করা সবচেয়ে বড় ভুল। বাস্তবতা হলো, নিচের তলা ভেঙে পড়ার আগেই আপনি সিঁড়িতে বিশৃঙ্খলা, ধাক্কাধাক্কি এবং অন্ধকারে আটকা পড়বেন।


ভয়ঙ্কর সত্য: ৯০% মানুষ সিঁড়িতেই মারা যায় বা গুরুতর আহত হয়। ভূমিকম্প শুরু হলে সিঁড়ি বা বারান্দা অত্যন্ত বিপজ্জনক!


দ্রুত আশ্রয় নিন (Drop—Cover—Hold On):


বিছানায় থাকলে: শক্তভাবে খাটের নিচে ঢুকে পড়ুন।


অন্যান্য কক্ষে থাকলে: মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন।


আশ্রয় না পেলে: শক্তিশালী দেয়ালের কোণে শরীর গুটিয়ে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।


মাথা সুরক্ষিত রাখুন: বাথরুমের বালতি উল্টো করে, হেলমেট, ঝুড়ি বা শক্ত ব্যাগ যা পাবেন, তা দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন।


বারান্দা এড়িয়ে চলুন: রেলিং বা স্লাব ভেঙে পড়তে পারে।


২. সৌভাগ্যবানদের জন্য কৌশল (১ম ও ২য় তলা) 🚪


আপনি যদি ১ম বা ২য় তলায় থাকেন, তবে আপনার হাতে বের হওয়ার সুযোগ আছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে দ্রুততার সাথে।


দরজা খোলা রাখুন: কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথে দরজা খুলে দিন (জ্যাম হওয়া এড়াতে)।


তাৎক্ষণিক নির্গমন: ১৫-২০ সেকেন্ডের মধ্যে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে রাস্তায় চলে আসুন।


দূরত্ব বজায় রাখুন: রাস্তায় এসে কখনো বিল্ডিং-এর গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না। ভেঙে পড়া রোধে ভবন থেকে কমপক্ষে ১০০ ফুট দূরে সরে যান এবং খোলা মাঠে চলে যান।


৩. ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে গেলে করণীয় (Think Fast!) 🗣️


আটকে পড়লে শান্ত থাকা এবং সঠিক সংকেত দেওয়া আপনার জীবন বাঁচাতে পারে।


চিৎকার করবেন না: চিৎকার করলে ধুলো ফুসফুসে ঢুকতে পারে এবং গলা দ্রুত শুকিয়ে যাবে।


সংকেত ব্যবহার করুন:


হুইসেল থাকলে একটানা বাজান।


না থাকলে, আন্তর্জাতিক রেসকিউ সিগন্যাল হিসেবে দেয়ালে বা শক্ত পাইপে তিনবার টোকা দিন।


সংরক্ষণ করুন: মোবাইল টর্চ অন করে রাখুন। কথা বলবেন না, ব্যাটারি বাঁচান।


নিরাপত্তা: মুখে কাপড় চেপে ধরুন যাতে ধুলো শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ না করে।


৪. দৈনন্দিন প্রস্তুতি (আজ থেকেই শুরু করুন) 🛠️


প্রস্তুতি ছাড়া ঢাকায় ভূমিকম্প হলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের উপর, কিন্তু প্রস্তুতি থাকলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের হাতে!


ঘুমের প্রস্তুতি: বিছানার পাশে একজোড়া জুতা, একটি হেলমেট এবং একটি হুইসেল রাখুন।


ভারী আসবাব: ভারী আলমারি, ফ্রিজ, এবং টিভি এমন জায়গায় রাখুন যাতে পড়ে গিয়ে আঘাত না করতে পারে। পারলে দেওয়ালের সাথে বেঁধে রাখুন।


গ্যাস সিলিন্ডার: চেইন বা ফিতা দিয়ে মজবুতভাবে বেঁধে রাখুন।


নির্গমন: দরজা যেন কখনও অটো-লক না হয়। জরুরি চাবি সবসময় কাছাকাছি রাখুন।


৫. শেষ বার্তা ও মানসিক শক্তি 🙏


এই ঘনবসতিপূর্ণ শহরে, যেখানে ৫ থেকে ৭ তলার অ্যাপার্টমেন্টই প্রধান আবাসন, সেখানে সচেতনতা জীবনের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।


আমার সিদ্ধান্ত: "আমি ৪র্থ তলার উপরে—তাই আমি দৌড়াবো না, শুধু টেবিল বা বিছানার নিচে ঢুকবো। আমি যদি ১ম-২য় তলায় থাকি—প্রথম ২০ সেকেন্ডে বের হয়ে যাবো।"


প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ: জীবন কখনও কখনও কঠিনভাবে মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতি কত শক্তিশালী, আর মানুষ কত সহজেই ভেঙে যেতে পারে। দুর্যোগে মানুষের কিছু করার থাকে না, কিন্তু একটু সচেতনতা, একটু প্রস্তুতি—এটাই আমাদের শক্তি।


জীবন মানে শুধু শ্বাস নেওয়া না, জীবন মানে সচেতন থাকা, আর প্রতিটি মুহূর্তকে সম্মান করা, যেন এটা শেষ সুযোগ।


আপনার শেষ কথাটিই আমাদের প্রেরণা: জীবন অনিশ্চিত, কিন্তু কৃতজ্ঞতা নিশ্চিত। যা আছে, যতটুকু আছে—সেটাই আমাদের শক্তি। 


#earthquake

#EarthquakeAlert

#EarthquakeNews


@copied

ঢাকা - যা খুশি করতে পারার শহর......!!!

 🤔ঢাকা - যা খুশি করতে পারার শহর......!!! 

 

🤗🤔হুদাই গিরামে পইরা না থাইকা দলে দলে ঢাকায় আসেন...

 


 🫣 দুনিয়ার অন্যতম নোং*রা ঢাকা শহর এহন আস্ত একটা ডাস্টবিনে পরিণত হইছে, ভাগাড়ও বলতে পারো, এই ভাগাড়ের একজন উদ্যোক্তা (!) হওয়ার জন্য তোমাগো স্বাগত জানাইতেছি, এই ভাগাড়ে আইসা তুমি যা খুশি করতে পারবা, কি কি করবা, তার একখান ছোট্ট লিস্টি তোমাগো ধরায়া দিতে চাইঃ

 

 😇 সারা দেশের কর্মহীন বিভিন্ন বয়সী মানুষ এখন দেদারসে ঢাকায় আসতেছে, সবার একটা বিশ্বাস জন্মায়া গেছে যে, এই শহরের কোথাও না কোথাও তার মাথা গোঁজার আশ্রয় হবেই, কোথাও না হলেও যেকোনো রাস্তা বা ফুটপাতের এক পাশে বা কোনো সড়ক বিভাজকের ওপর একটা ছাপড়া বানিয়ে নেওয়া যাবে, আর পা*য়খানা পে*চ্ছাবের জন্য তো উন্মুক্ত রাস্তা আছেই...


 👉 এই শহরের বড় ছোট সড়ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকা, পাড়া-মহল্লার অলি-গলি, পার্ক, উদ্যান (যদিও পার্ক ও উদ্যান এখন নেই বললেই চলে) সবখানেই এখন ভ্রাম্যমাণ দোকান ও নানান পদের হকারের দৌরাত্ম চলতেছে, সেই হকারদের নিশ্চয় কোনো না কোনো বা*প আছে, যে বা*পেরা তাগো কাছ থিকা নির্দিষ্ট একটা চা*ন্দার বিনিময়ে তাদেরও বা*পের তৈরি রাস্তাঘাট ও ফুটপাতগুলায় তোমারে বসতে দিতেছে, এর ভিত্রে তুমিও একজন হইতে পারো.... 

 

 --খালি কোনোমতে ঢাকায় একবার ঢুকতে পারলেই হইছে জীবিকার জন্য আছে ভিক্ষাবৃত্তি ও ছি*নতাই, এগুলা না পারলে এলাকার যেকোনো রাস্তার এক পাশে কয়টা সবজি কিনে নিয়ে বসলেই হলো, অথবা পান-বি*ড়ি বিক্রির ছোট্ট একটা ভান্ড যোগার করতে পারলেই চলবে...


 👉 ফুটপাতে খাড়ায়া ঝালমুড়ি ব্যাচতে পারলেও সেই লাভ, পিয়াজু ও ছোলা ব্যাচারও উন্মুক্ত নগরী এই ঢাহার শহর, আর মহিলাদের জন্য তো বিষয়টা আরও সহজ..!!

 👉 ছোট্ট একটু জায়গায় দুই-চাইরটা পাতিল ও একখান চুলা যোগার কইরা পিঠার দোকান দেওয়া যায়, বুয়াগিরি তো আছেই, অথবা কোনো ব্যাডার লগে সেট হইতে পারো...

 👉 তারপর হেই ব্যাডারে অন্ধ হওয়ার অভিনয় শেখায়া রাস্তার সিগন্যালে খাড়ায়া ভিক্ষা করো, বা যেকোনো ফুটপাতেও বইসা পরতে পারো, অনেক লাভ আছে....

 

 🤗 অন্যতম ব্যবসা হইলো ব্যাটারির রিশকা চালানো, কোনোমতে একটু চালানো শিখতে পারলেই হইচে, যেকোনো রাস্তায় আন্দাঘুন্দা চালাইতে পারবা, যতো খুশি ভাড়া হাকাইতে পারবা, কোনো শা*লায় আটকাইবো না...  

   

 👉 একখান ভালো ব্যবসা আছে এই শহরে, মসজিদ, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের জন্য চান্দা তোলার ব্যবসা, এর জন্য তোমার দরকার অইবো একটা হ্যান্ড মাইক, একটা ভাঙ্গাচোরা টেবিল ও চেয়ার এবং একখান ব্যানার, তাতে লেখা থাকবে ‘"মসজিদ/এতিমখানার জন্য দান করেন, অশেষ নেকি হাসিল করেন’" লেখা একখান ব্যানার বানাইয়া কোনো একটা ফুটপাতে বসতে পারলেই  হইছে...

 👉 মাথায় টুপি দিতে অইবো, একটু দাড়ি থাকলে ভালো, একখান পাঞ্জাবিও গায়ে চড়াইতে অইবো, মসজিদ বা এতিমখানার জন্য সাহায্য চাইতেছো, তাই তোমারে কেউ ঘাটাইতেও চাইবে না... 


 😝 কাজেই প্রিয় দেশবাসী, আর হুদাই গিরামে পইরা থাইকেন না, সবাই দলে দলে ঢাকায় চইলা আসেন, যার যা আছে, তাই নিয়া আইজই বাসে, ট্রেনে বা লঞ্চে উইঠা পড়েন...

 😇 যেখানে আইসা দেখবেন যে, মানুষ রাস্তাঘাট, ফুটপাত, খেলার মাঠ, সদরঘাট- সবখানে খোলা আসমানের নিচে ঘুমায়া রইচে- বুঝবেন সেটাই ঢাকার শহর, কাজেই আর বাড়িতে থাইকা কাম নাই... আহেন...ঢাহার শহরে....

 😇 পরে আবার লিখুমনি🤔

#fb #Dhaka #city #village #history #streetfood #business #collected

আপনি কি সত্যিই জানেন কত টাকা থাকলে আপনার জীবন “নিরাপদ”

 আপনি কি সত্যিই জানেন কত টাকা থাকলে আপনার জীবন “নিরাপদ”?


বাংলাদেশে ১০ জনের মধ্যে ৮ জনই জানে না। কিন্তু এই প্রশ্নটা যে এতবার শুনেছি-

 টাকা কি করবো, কোথায় রাখবো?


মানুষ তার ফাইন্যান্স নিয়ে যত দুশ্চিন্তা করে, তার যেন শেষ নাই। কেউ বলে এক লাখ টাকা কোথায় ইনভেস্ট করবো, কেউ বলে দশ লাখ কোথায় রাখবো, আবার প্রবাসীরা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠায় তাদের টাকার দুশ্চিন্তা নিয়ে।


কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার হইলো, যখনই কাউকে জিজ্ঞেস করেন তার ফাইনান্সিয়াল টার্গেট কত, বেশিরভাগই বলতে পারে না। 


আর যারা পারে, তারাও জাস্টিফাই করতে পারে না কেন তাদের সেই টার্গেট। তারা জানে না কত সেভ করবে, কিভাবে সেভ করবে, আর তার সারভাইভালের জন্য হাতে কত টাকা থাকা জরুরি।


আজকে ঠিক এই জায়গায় আমি তিনটা এক্স্যাক্ট ফর্মুলা নিয়ে কথা বলব। এই তিনটা ফর্মুলা আপনি কৃষক হন, চাকরিজীবী হন বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হন, যে-ই হন, যদি ফলো করেন ইনশাআল্লাহ আপনি ফাইন্যান্সিয়ালি সাউন্ড থাকবেন। 


আর এই ফর্মুলার বেসিস হলো “হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের হার্ড রিটায়ারমেন্ট প্ল্যান”। কারও মনে সন্দেহ থাকলে আপনি নিজেও রিসার্চটা পড়ে নিতে পারেন।


ফর্মুলা ১: সারভাইভাল ফান্ড


বেশিরভাগ মানুষের সমস্যা অ্যাসেট না থাকা না, সমস্যা “লিকুইড টাকা” না থাকা। জমি আছে, দোকান আছে, কিন্তু প্রয়োজনের সময় হাতে ক্যাশ নাই। তাই হার্ভার্ড রিসার্চে বলা হয়েছে মিনিমাম এক বছরের খরচ আপনার হাতে লিকুইড থাকতে হবে।


ধরুন আপনার মাসিক খরচ ৮০,০০০ টাকা। তাহলে বার্ষিক খরচ দাঁড়াল আনুমানিক ১০ লাখ টাকা। এই ১০ লাখ টাকা আপনার হাতে ক্যাশ, গোল্ড, অথবা ফার্মারদের ক্ষেত্রে গরুর মতো ইজি-টু-লিকুইড জিনিস হিসেবে থাকতে হবে।


“ইনভেস্ট করব ভাই” এর আগে প্রশ্ন হচ্ছে, আপনার ইমার্জেন্সি ফান্ড আছে?

১০ লাখ টাকা হাতে আছে আবার ২০ লাখ টাকার ওইদিকে লোন আছে, তাইলে ভাই আপনি


ইনভেস্টমেন্টের কথা বলতেছেন কেন?

আপনার  প্রথম কাজ হবে সেই লোন শোধ তারপর সারভাইভাল ফান্ড তৈরি করা। এগুলা করা হয়ে গেলে আপনি ইনভেস্টমেন্টের কথা বলতে পারেন।


এরপর আছে লেভেল বি-

দুই থেকে পাঁচ বছরের খরচ আপনার হাতের কাছাকাছি ইনভেস্টমেন্টে থাকতে হবে, যেমন স্টক, রেডি-টু-সেল প্রপার্টি বা যেকোনো ইজি-এক্সিট অ্যাসেট। 


পুরোপুরি ক্যাশ লাগবে না, কিন্তু যেকোনো সময় যেন চাইলে বের করে আনতে পারেন।


ফর্মুলা ২: আপনার ফাইন্যান্সিয়াল টার্গেট কত হওয়া উচিত?


আপনি জীবনে কোন পরিমাণ টাকা নিয়ে সিকিউর থাকতে পারবেন, এই হিসাবটা পরিষ্কার না করলে জীবনজুড়ে বিভ্রান্ত থাকতে হবে।


হার্ভার্ড উনিভার্সিটি বলছে,

আপনার বার্ষিক খরচ × ২৫ থেকে ৩৩


সহজ করে বলি- ধরুন, আপনার মাসিক খরচ ৮০,০০০। বছরে ১০ লাখ

এখন ১০ লাখ × ৩০ = ৩ কোটি টাকা।


এর নিচে আপনি রিটায়ারমেন্ট বা ফাইনান্সিয়াল সিকিউরিটির স্বপ্ন দেখবেন না।


এখানে ইনফ্লেশন ধরা লাগবে না, কারণ ইনফ্লেশন ধরলে টার্গেট এত বড় হবে যে মানুষ সারাজীবন নিজেকে গরিবই ভাববে।


মূল কথা:

আপনি যতই ইমোশনাল হন, যদি আপনার খরচ বছরে ১০ লাখ হয়, আপনার টার্গেট হইতে হবে ৩ কোটি টাকা।


ফর্মুলা ৩: কতটুকু সেভ করবেন?


এবার আসল কাজ, সেভিং।

ধরেন একটা পিজ্জা, ওইটাকে চারটা সমান ভাগ করেন।


২৫% সেভিং বাধ্যতামূলক রাখেন সারভাইভ করার জন্য, এটা মিনিমাম। এর নিচে গেলে আপনি কোনোদিনই টার্গেট পূরণ করতে পারবেন না।


এখন অনেকে বলতে পারেন, ইয়াহিয়া ভাই আমার বেতনই তো কম!


তাইলে ভাই আপনি বেতন বাড়ান। নিজের স্কিল বাড়ান। বা ক্যারিয়ার পাল্টান। ঢাকায় খরচ বেশি হলে শহর ছারেন, গ্রামে যান। কিন্তু ২৫% সেভিং না করলে আপনি সবসময়ই বিপদে থাকবেন।


আর যদি চান তাইলে ৫০% সেভিং রাখতে পারেন সেটা সচ্ছলতা ও গ্রোথের জন্য কাজে লাগেব।


যদি বড় কিছু করতে চান যেমন ব্যবসা, তাইলে তখন আপনার এই টাকা কাজে লাগবে।


আর একান্তই যদি আপনি  খুব বড় কিছু তৈরির জন্য করতে চান তাইলে ৭৫% সেভিং করতে পারেন। যারা কোম্পানি, ফাউন্ডেশন, বড় ব্যবসা দাঁড় করায়, তারা অনেকেই এই মডেল ফলো করছে।


সব সেভিং হিসাব ট্যাক্স, যাকাত, ইমারজেন্সি ফান্ড বাদ দিয়ে, তারপর করবেন।


মোট কথা হচ্ছে,

১) এক বছরের খরচ হাতে রাখবেন, ২ থেকে ৫ বছরের খরচ ইজি-এক্সিট ইনভেস্টমেন্টে রাখবেন।


২) আপনার বার্ষিক খরচ × ৩০ = আপনার ফাইনান্সিয়াল সিকিউরিটি নম্বর।


৩) মিনিমাম ২৫% সেভ করবেন, নইলে সব ভেঙে পড়বে।


আপনার আয় যতই হোক, সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে সেটা হারিয়ে যাবে।


আর আয় কম হলেও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে ভবিষ্যৎ ও বর্তমান সুন্দর সম্ভব।

©

─সংগৃহিত

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...