এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

হাতের খোসা ওঠা♦️ (Peeling of skin on hands) হলে সাধারণত যে  হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলো  উপসর্গ

 ♦️হাতের খোসা ওঠা♦️ (Peeling of skin on hands) হলে সাধারণত যে  হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলো  উপসর্গ অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়:


✅ *১. Graphites*  

- ত্বক মোটা, খসখসে  

- খোসা ওঠে এবং তরল নিঃসরণ (চটচটে) হতে পারে  

- ফাটলে পিচ্ছিল তরল বের হয়

-মোটা,চটা পড়া,ত্বক ফাটা রোগী।

-মাসিকের গন্ডগোল এবং কোষ্ঠকাঠিন্য। 

-সঙ্গম,সংগীত অপ্রিয়।

-লবণ,মিষ্টি অপ্রিয়।


---


✅ *২. Sulphur*  

- তীব্র চুলকানি, গরমে বা ঘুমের সময় বাড়ে  

- হাতের তালু শুকনা ও খোসা ওঠে  

- দীর্ঘদিনের স্কিন সমস্যা।

-গোসল করতে চায় না

-প্রচন্ড নোংরা এবং সামনের দিকে ঝুকে চলে।


✅ *৩. Petroleum*  

- শীতকালে ত্বক ফেটে যায় ও খোসা ওঠে  

সামান্য স্পর্শে ব্যথা হয়। 

- গভীর ফাটল, রক্তও পড়তে পারে  

- শুষ্ক, খসখসে হাত।

-শীতকালে সমস্যা দেখা দেয় আবার গরমকালে  ভালো হয়ে যায়। 

-পেট্রোলিয়ামের রোগীর চুল এবং ত্বক পাতলা।

-উত্তেজনাশীল, ঝগড়াঝাটি ভালোবাসে।


---


✅ *৪. Natrum Mur*  

- হাতের ত্বক শুকনা, খোসা ওঠে  

- রুক্ষ ও ফাটলযুক্ত হাত  

- ইমোশনাল সংবেদনশীল ব্যক্তি হলে উপকারী।

-নখের পাশ দিয়েও চামড়া উঠে। 

-প্রচন্ড শরীর এবং হাত ঘামে। 

-রোগা পাতলা খিটখিটে ব্যক্তি। 

-লবং এবং তিতা খাবার পছন্দ। 


---


✅ *৫. Arsenicum Album*  

- খোসা ওঠার সাথে জ্বালাপোড়া  

- ত্বক বার্নিং করে  

- সংবেদনশীল, পরিচ্ছন্নতায় অতিরিক্ত সচেতন হলে উপকারী।


★এছাড়া Rhus tox,Sepia,Croton tig, Silicea ভালো মেডিসিন।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৬-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৬-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে ঠিক হবে নতুন বাংলাদেশের চরিত্র, কাঠামো ও অগ্রযাত্রার গতিপথ --- স্বাধীনচেতা, নির্ভীক এবং নিঃস্বার্থ তরুণরাই পরাজিত শক্তির ফিরে আসার পক্ষে প্রধানতম বাধা --- মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশে ৫৫তম মহান বিজয় দিবস পালিত --- সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টাসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন।


আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করবে --- সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে  শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


বিএনপি গণমানুষকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেশকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেবে –-- বলেন দলটির মহাসচিব।


পুরোনো ব্যবস্থা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে --- বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর।


ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব গৃহীত।


এবং বিজয় দিবস হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগে শিরোপা জিতে নিলো বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৫-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৫-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নানা কর্মসূচিতে জাতি মহান বিজয় দিবস উদযাপন করবে আগামীকাল --- প্রত্যুষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে লাখো শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা।


উন্নত চিকিৎসার জন্য ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে নেওয়া হলো সিঙ্গাপুরে।


সাংবাদিকদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ নেবে সরকার --- জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


বাংলা ভাষার জন্য প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্লাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই’ চালু --- উন্মোচন করা হয়েছে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’।


ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের প্রচেষ্টায় জার্মানিতে বৈঠকে বসছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নেতৃবৃন্দ।


এবং দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নেপালকে বড় ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখঃ ১৫-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখঃ ১৫-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


* যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী ‍দিবস পালন করলো জাতি * সুদানে ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার সাথে ফোনালাপে গভীর শোক ও সমবেদনা জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব


 

* আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে --- বললেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্।


 

* জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সকল রাজনৈতিক দলকে নিরাপত্তা প্রটোকল দেবে পুলিশ।      


 

* শরিফ ওসমান হাদীর অবস্থা অপরিবর্তিত, উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ নেওয়া হচ্ছে  সিঙ্গাপুরে


* পলাতক শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্যের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব --- শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দ্রুত বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের আহ্বান।   

 


* অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বন্দুকধারীর হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫।        


* এবং দুবাইয়ে অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেটে আজ বাংলাদেশ – নেপালের এবং আফগানিস্তান – শ্রীলঙ্কার মোকাবেলা করবে।

পর্যায় সারণির 118 টি মৌলের কাজ।

 

পর্যায় সারণির 118 টি মৌলের কাজ।


1.হাইড্রোজেন (H)
রকেটে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয় ।

2.হিলিয়াম (He)
গ্যাস বেলুনে ব্যবহার হয় ।

3.লিথিয়াম ( Li)
ব্যাটারি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

4.বেরিলিয়াম (Be)
মহাকাশযান তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

5.বোরন (B)
খেলার সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

6.কার্বন (C)
হীরা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

7.নাইট্রোজেন ( N )
সার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

8.অক্সিজেন (O)
নিঃশ্বাসের সময় আমরা ব্যবহার করি ।

9.ফ্লোরিন (F)
পেস্ট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

10.নিয়ন (Ne)
বিজ্ঞাপনী লাইটে ব্যবহার হয় ।

11.সোডিয়াম (Na)
লবণে পাওয়া যায় ।

12.ম্যাগনেশিয়াম (Mg)
মশাল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

13.অ্যালুমিনিয়াম (Al)
বিমান তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

14.সিলিকন (Si)
কাঁচের গ্লাস তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

15.ফসফরাস (P)
ম্যাচ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

16.সালফার (S)
কামানের গোলা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

17.ক্লোরিন (Cl)
সুইমিং পুলে ব্যবহার হয় ।

18.আর্গন (Ar)
গ্যাস ঝালাই'র কাজে ব্যবহার হয় ।

19.পটাশিয়াম (K)
সার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

20.ক্যালসিয়াম (Ca)
ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

21.স্ক্যানডিয়াম (Sc)
সাইকেল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

22.টাইটেনিয়াম(Ti)
যুদ্ধ বিমান তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

23.ভ্যানাডিয়াম (V)
স্প্রিং তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

24.ক্রোমিয়াম (Cr)
গাড়ি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

25.ম্যাঙ্গানিজ (Mn)
শক্তিশালী যন্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

26.আয়রন (Fe)
ব্রিজ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

27.কোবাল্ট (Co)
চুম্বক তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

28.নিকেল (Ni)
কয়েন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

29.কপার (Cu)
বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

30.জিংক (Zn)
পিতলের তৈরি জিনিসে ব্যবহার হয় ।

31.গ্যালিয়াম (Ga)
কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

32.জার্মিনিয়াম (Ge)
ক্যামেরার লেন্স তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

33.আর্সেনিক (As)
LED লাইট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

34.সেলেনিয়াম (Se)
ফটোকপি মেশিনে ব্যবহার হয় ।

35.ব্রোমিন (Br)
ফ্লিম তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

36.ক্রিপ্টন (Kr)
ফ্লাস লাইট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

37.রুবিডিয়াম (Rb)
সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।

38.স্ট্রনটিয়াম (Sr)
আতসবাজি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

39.ইত্রিয়াম ( Y )
লেজার কাটিং যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।

40.জিরকোনিয়াম (Zr)
অপারেশনের যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

41.নায়োবিয়াম (Nb)
দ্রুত গতি সম্পন্ন ম্যাগ লেভ ট্রেন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

42.মলিবডেনাম (Mo)
কাটিং টুলস তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

43.টেকনিশিয়াম (Tc)
সিটি স্ক্যান যন্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

44.রুথিনিয়াম (Ru)
বৈদ্যুতিক সুইচ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

45.রোডিয়াম (Rh)
সার্চ লাইট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

46.প্যালাডিয়াম (Pd)
ধোঁয়া দূষণ রোধে ব্যবহার হয় ।

47.সিলভার (Ag)
অলঙ্কার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

48.ক্যাডমিয়াম (Cd)
রঙ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

49.ইন্ডিয়াম (In)
LCD মনিটর তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

50.টিন (Sn)
কৌটা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

51.অ্যান্টিমনি (Sb)
চোখের কাজল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

52.টেলুরিয়াম (Te)
টায়ার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

53.আয়োডিন (I)
লবণে ব্যবহার করা হয় ।

54.জেনন (Xe)
লাইট হাউজে ব্যবহার হয় ।

55.সিজিয়াম (Cs)
পারমাণবিক ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

56.বেরিয়াম (Ba)
এক্স রে তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

57.ল্যন্হানাম (La)
টেলিস্কোপ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

58.সিরিয়াম (Ce)
লাইটার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

59.প্রেজিওডিমিয়াম (Pr)
তেজস্ক্রিয়তা রোধক চশমা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

60.নিওডিমিয়াম (Nd)
ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

61.প্রোমিথিয়াম (Pm)
ডায়াল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

62.সামারিয়াম (Sm)
প্লেনের ইলেকট্রিক মটরে ব্যবহার হয় ।

63.ইউরোপিয়াম (Eu)
রঙিন টেলিভিশন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

64.গ্যাডোলিনিয়াম (Gd)
MRI যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।

65.টারবিয়াম (Tb)
টিউব লাইট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

66.ডিসপ্রোজিয়াম (Dy)
উপাদানের সূক্ষ্মতা পরিমাপে ব্যবহার হয় ।

67.হলমিয়াম (Ho)
লেজার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

68.এরবিয়াম (Er)
অপটিক্যাল ফাইবার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

69.থিউলিয়াম (Tm)
চোখের লেজার সার্জারিতে ব্যবহার হয় ।

70.ইতের্বিয়াম (Yb)
লেজার ফাইবার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

71.লিউটেশিয়াম (Lu)
ফটো ডাইনোমিক মেডিসিনে ব্যবহার হয় ।

72.হাফনিয়াম (Hf)
সাবমেরিন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

73.ট্যানটালাম (Ta)
মোবাইল ফোন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

74.টাংস্টেন (W)
বৈদ্যুতিক বাতির ফিলামেন্ট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

75.রোনিয়াম (Re)
রকেট ইঞ্জিনে ব্যবহার হয় ।

76.ওসমিয়াম (Os)
কলম তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

77.ইরিডিয়াম (Ir)
স্পার্ক প্লাগ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

78.প্লাটিনাম (Pt)
গবেষণা কাজের যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

79.গোল্ড (Au)
অলঙ্কার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

80.মার্কারি (Hg)
উচ্চ তাপমাত্রা মাপার থার্মোমিটার তৈরিতে ব্যবহার হয়

81.থ্যালিয়াম (Ti)
শীতলতা মাপার থার্মোমিটার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

82.লেড (Pb)
বন্দুকের গুলি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

83.বিসমাথ(Bi)
আগুন নেভানোর যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।

84.পেলোনিয়াম (Po)
এন্টি-স্ট্যাটিক ব্রাশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

85.অ্যাসটেটিন (At)
তেজস্ক্রিয় ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

86.রেডন (Rn)
টিউমার , ক্যান্সার নিরাময়ের কাজে ব্যবহার হয় ।

87.ফ্রান্সিয়াম (Fr)
পারমাণবিক গবেষণার কাজে ব্যবহার হয় ।

88.রেডিয়াম (Ra)
ঘড়ি,  যানবাহনের নির্দেশকে ব্যবহার হয় ।

89.অ্যাক্টিনিয়াম (Ac)
রেডিও ইমিউনোথেরাপিতে ব্যবহার হয় ।

90.থোরিয়াম (Th)
গ্যাস বাতি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

91. প্রোট্যাকটিনিয়াম (Pa)


উচ্চ তেজস্ক্রিয়তার কারনে গবেষণা ছাড়া কোনো কাজে ব্যবহার হয় না ।

92.ইউরেনিয়াম (U)
পারমাণবিক চুল্লির প্রধান উপাদান ।

93.নেপচুনিয়াম (Np)
মহাকাশযানের জেনারেটরে , নিউট্রন নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার হয় ।

94.প্লুটোনিয়াম (Pu)
পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।

95.আমেরিসিয়াম (Am)
ধোঁয়া নির্ণয় যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।

96.কিউরিয়াম (Cm)
খনিজ পদার্থ অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহার হয় ।

97.বার্কেলিয়াম (Bk)
তেমন কোনো কাজে ব্যবহার হয় না ।

98.ক্যালিফোর্নিয়াম (Cf)
খনিজ পদার্থ অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহার হয় ।

99.আইনস্টাইনিয়াম (Es) থেকে 103.লরেনসিয়াম (Lr)
এগুলো প্রকৃতিতে  পাওয়া যায় না,  অতিমাত্রায় বিষাক্ত পদার্থ, শুধুমাত্র আণবিক গবেষণা ছাড়া কোনো কাজে ব্যবহার হয় না ।

104.রাদারফোর্ডিয়াম (Rf) থেকে 118.ওগানেসন (Og)
এগুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণার বাইরে কোনো কাজে ব্যবহার হয় না ।

ধন্যবাদ সবাইকে । ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।

সংগৃহীত পোস্ট।
Samir Kumar Bardhan

মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিজ্ঞানীরা পদার্থবিদ্যার সীমানা অতিক্রম করে একটি অভূতপূর্ব লক্ষ্য অর্জন করছেন০

 🔴বিজ্ঞানীরা পদার্থবিদ্যার সীমানা অতিক্রম করে একটি অভূতপূর্ব লক্ষ্য অর্জন করছেন: একটি সম্পূর্ণ মানুষকে টেলিপোর্ট করা। একসময় এটিকে বিশুদ্ধ কল্পনা হিসেবে বিবেচনা করা হত, একটি নতুন কোয়ান্টাম অগ্রগতি এই ধারণাটিকে আগের চেয়েও বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতার কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। গবেষকরা দীর্ঘ দূরত্ব জুড়ে অতি-স্থিতিশীল কোয়ান্টাম জট প্রদর্শন করেছেন - তথ্য, কণা এবং পদার্থের অবস্থা টেলিপোর্ট করার জন্য একই ঘটনা - কিন্তু এখন ব্যাপক জটিল ডেটা কাঠামোর মানচিত্র, স্থানান্তর এবং পুনর্গঠনের জন্য যথেষ্ট সুনির্দিষ্ট স্তরে।


🔴মানব টেলিপোর্টেশনে মহাকাশের মধ্য দিয়ে ভৌত দেহ স্থানান্তর করা জড়িত থাকবে না। পরিবর্তে, এটি একজন ব্যক্তির সম্পূর্ণ কোয়ান্টাম তথ্য - পরমাণুর বিন্যাস, স্নায়বিক প্যাটার্ন এবং আণবিক অবস্থা - ডিকোড করার উপর নির্ভর করবে এবং সেই ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য স্থানে প্রেরণ করবে, যেখানে একটি নিখুঁত অনুলিপি একত্রিত করা যেতে পারে। সাম্প্রতিক অগ্রগতি সবচেয়ে বড় বাধাগুলির মধ্যে একটি সমাধান করে: দুর্নীতি ছাড়াই বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থানান্তর করার জন্য যথেষ্ট দীর্ঘ সময় ধরে জট বজায় রাখা।


🔴এটি পদার্থের স্থানান্তর সম্পর্কে নয়, বরং কোয়ান্টাম চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচয়, চেতনা এবং কাঠামো স্থানান্তর সম্পর্কে। যদিও নীতিগত এবং দার্শনিক প্রশ্নগুলি রয়ে গেছে, অন্তর্নিহিত পদার্থবিদ্যা ধীরে ধীরে যা একসময় অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে।  অণু, ফোটন এবং কোয়ান্টাম অবস্থা টেলিপোর্ট করা ইতিমধ্যেই নিয়মিত। জীবন্ত কোষ টেলিপোর্ট করা এখন পরীক্ষামূলক পর্যালোচনার অধীনে। কোষ থেকে জটিল জীবে উল্লম্ফন এখনও বিশাল - তবে প্রথমবারের মতো, অকল্পনীয় নয়।


🔴বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই অগ্রগতি একটি মোড়কে চিহ্নিত করে। কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন একদিন পরিবহন, চিকিৎসা, অনুসন্ধান এবং এমনকি অস্তিত্বের প্রকৃতিকেও রূপান্তরিত করতে পারে। ভবিষ্যতে দ্রুত ভ্রমণ নাও হতে পারে - তবে সম্পূর্ণরূপে দূরত্ব অতিক্রম করা।


#graduation #teambuilding #lifelessons #inspirational #inspiration #success #throwback #fblifestyle

কেন ৬০ সেকেন্ডে মিনিট, ৬০ মিনিটে ঘণ্টাঃ

 ➡️ কেন ৬০ সেকেন্ডে মিনিট, ৬০ মিনিটে ঘণ্টাঃ 

 ➡️ কেন এক মিনিটকে ভাগ করে ৬০ সেকেন্ড ধরা হয়েছে, বা উল্টোভাবে বললে কেন ৬০ সেকেন্ড মিললে এক মিনিট হয়..? 

 ➡️ কেন এক ঘণ্টাকে ৬০ মিনিট ধরা হয়েছে..?

 ➡️ ১০০ মিনিটেও তো এক ঘণ্টা হতে পারত..! কিংবা ১০০ সেকেন্ডে মিনিট...?

 ✅ সংক্ষেপে উত্তরটি হচ্ছে, হাজার হাজার বছর ধরে এই পদ্ধতি চলে আসছে, কেন ঠিক এই ২৪ ও ৬০-এর পদ্ধতিই চালু হয়েছে, তার পেছনে ইতিহাসবিদরা কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন...

 ➡️ সংখ্যাগতঃ 

 আমাদের ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি এসেছে হাতের ১০টি আঙ্গুল ব্যবহার করে গণনা করার সুবিধার্থে, আজ থেকে অন্তত ৫ হাজার বছর আগে সুমেরীয় সভ্যতায় জটিল গাণিতিক এবং জ্যামিতিক হিসাবের জন্য দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির পরিবর্তে ১২ এবং ৬০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করতো...

 ✅ ১০ ভিত্তিক পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা হলো-- ১০ কে শুধুমাত্র ২ ও ৫ ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে ভাগ করা যায় না, সেই তুলনায় ১২ কে ২, ৩, ৪, ৬ দ্বারা এবং ৬০ কে ২ থেকে ৬ পর্যন্ত সবগুলো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়, ফলে এসব পদ্ধতিতে ভগ্নাংশের কাজ হিসেব করা বেশ সহজ ছিল...

 ✅ এছাড়া সুমেরীয়রা এবং পরবর্তীতে ব্যাবলনীয়রা হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে বাকি চারটি আঙ্গুলের তিনটি করে বিভাজন হিসেব করে এক হাতে মোট ১২ পর্যন্ত গণনা করত, এক হাতের ১২টি সংখ্যাকে অন্য হাতের ৫টি আঙ্গুল দ্বারা গুণ করলে দুই হাতে সর্বোচ্চ ৬০ পাওয়া যায়, এটিও মিনিট-সেকেন্ডে ৬০ সংখ্যাটি নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে...


 ➡️ জ্যামিতি ও জ্যোতির্বিদ্যাঃ

 সুমেরীয় সভ্যতার প*তনের পর খ্রিস্টপূর্ব অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্যাবলনীয়রা কোণ পরিমাপের জন্য ডিগ্রী আবিস্কার করে, সে সময় তাদের ধারণা ছিল পৃথিবী ৩৬০ দিনে একবার সূর্যকে আবর্তন করে, অর্থাত্‍ যদি প্রতিদিনের কৌণিক আবর্তনকে ১ ডিগ্রি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, তাহলে পূর্ণ আবর্তনে ৩৬০ ডিগ্রি সম্পন্ন হয়, ইতিহাসবিদরা ধারণা করেন এখান থেকেই বৃত্তের ৩৬০ ডিগ্রির ধারণাটি আসে...

 বৃত্তের এক ষষ্ঠাংশ, অর্থাত্‍ ৬০ ডিগ্রি প্রকৃত কোণ গঠন করে, অর্থাত্‍ ৬০ ডিগ্রী করে বৃত্তের অভ্যন্তরে ছয়টি ত্রিভুজ আঁকলে প্রতিটি ত্রিভুজ সমবাহু হয়, এ কারণে তখন থেকেই জ্যামিতি এবং জ্যোতির্বিদ্যায় ৬০ সংখ্যাটির বিশেষ গুরুত্ব ছিল...

 ➡️ ৩৩৫ থেকে ৩২৪ খ্রিস্টপূর্বের মধ্যে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের বিশাল এলাকা বিজয়ের ফলে ব্যাবিলনের জ্যোতির্বিদ্যা গ্রীসে এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, এরপর ইসলামের আবির্ভাবের পর মুসলিম বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদরাও রোম এবং ভারত থেকে ১২ এবং ৬০ ভিত্তিক সময় পরিমাপের পদ্ধতি গ্রহণ করেন, এভাবে ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী এই পদ্ধতি বিস্তার লাভ করে... 

#collected #science 

#sciencefiction

কেন ট্রাকিয়োস্টোমি করা হয়

 

অনেক সময় রোগীর এমন অবস্থা হয় যেখানে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়া সম্ভব হয় না। তখন ডাক্তাররা গলার সামনে ছোট একটা সার্জিকাল ছিদ্র তৈরি করে সেখানে টিউব বসান। এটাকেই আমরা বলি ট্রাকিয়োস্টোমি।
শ্বাস নিতে সাহায্য করার সবচেয়ে দ্রুত এবং কার্যকরী উপায়গুলোর একটা এটা।

কেন ট্রাকিয়োস্টোমি করা হয়

• Airway blockage
গলায় টিউমার, গুরুতর সংক্রমণ, দুর্ঘটনায় গলার আঘাত – এগুলো শ্বাসনালী আটকে দিতে পারে।

• Long-term ventilation প্রয়োজন
যেসব রোগীকে দীর্ঘদিন ভেন্টিলেটরে রাখতে হয়, তাদের জন্য ট্রাকিয়োস্টোমি আরামদায়ক, নিরাপদ এবং কম জটিল।

• Thick secretion জমে থাকা
কফ বের না হলে শ্বাসকষ্ট বাড়ে, তখন ট্রাকিয়োস্টোমি দিয়ে সহজে suction করা যায়।

রোগীর জন্য কী কী সুবিধা
• শ্বাস নেওয়া সহজ হয়
• কফ জমে থাকা কমে
• দীর্ঘদিন ভেন্টিলেটরে থাকলে জটিলতা কমায়
• খাবার খাওয়া ও কথা বলার সম্ভাবনাও কিছু ক্ষেত্রে বাড়ে
• রোগীর overall comfort বাড়ে

ট্রাকিয়োস্টোমি রোগীর যত্নে যেসব জিনিস খুব জরুরি

1. Airway পরিষ্কার রাখা


নিয়মিত suction করা, কফ জমতে না দেওয়া।

2. Humidification


টিউবের দিয়ে যাওয়া বাতাস শুকনা থাকে, তাই আর্দ্রতা দেওয়া দরকার।

3. Dressing care


স্টোমা সাইট প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে, যাতে ইনফেকশন না হয়।

4. Tube care


Inner cannula থাকলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি।

5. Infection control


হাতে গ্লাভস ব্যবহার, স্টেরাইল টেকনিক ফলো করা।

6. Patient monitoring


শ্বাসকষ্ট বাড়ছে কি না, কফের রঙ-গন্ধ পরিবর্তন, জ্বর—এগুলো লক্ষ করতে হবে।

সম্ভাব্য জটিলতা
• ইনফেকশন
• Bleeding
• Tube blockage
• Subcutaneous emphysema
• Accidental decannulation

এসব দ্রুত চিহ্নিত করতে পারলে রোগীকে বড় বিপদ থেকে বাঁচানো যায়।

শেষ কথা
ট্রাকিয়োস্টোমি শুনতে ভয় লাগলেও, সঠিক সময়ে এই প্রক্রিয়া রোগীর জীবন বাঁচায়। আর যথাযথ নার্সিং কেয়ারই রোগীকে সবচেয়ে নিরাপদ রাখে। তাই যারা হাসপাতালে বা ICU-তে কাজ করেন, ট্রাকিয়োস্টোমি কেয়ার শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

#Tracheostomy
#TrachCare
#AirwayManagement
#CriticalCareNursing
#NursingStudents
#NurseCosmos
#MH
#NursingEducation
#EmergencyCare
#ICUNursing
#BangladeshNurses
#NursingLife

সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

টিউমারের হোমিও ঔষধ। টিউমারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। 

 টিউমারের হোমিও ঔষধ। টিউমারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। 

টিউমারের কয়েকটি প্রধান ঔষধ হলোঃ

Thuja, Conium, Baryta Carb, Baryta Iod, Baryta Mur, Calcarea Carb, Calcarea Phos, Calcarea Floor, Calcarea Iod, Ruta, Phytolacca, Silicea.


শরীরের বিভিন্ন স্থানের টিউমারের নির্ঘন্ট চিকিৎসাঃ


🛑 চোখের পাতায় টিউমারঃ Calcarea Floor, Thuja ,Staphysagria.

🛑 নাকে টিউমারঃ Thuja ,

🛑 স্বরযন্ত্রের টিউমারঃ Thuja .

🛑 কানে টিউমারঃ Calcarea Carb, Thoja.

🛑 মাথায় টিউমারঃ Calcarea Carb, Calcarea Floor, Thuja , Baryta Carb.

🛑 গলায় টিউমারঃ Baryta Carb, Thuja .

🛑 পেটে টিউমারঃ Calcarea Iod, Thuja .

🛑 কাঁধে বা পিঠে টিউমারঃ Conium, Baryta Carb.

🛑 কপালে টিউমারঃ Conium, Calcarea Floor.

🛑 আঘাতের কারনে টিউমারঃ Conium, Ruta.

🛑 দাতের মাড়িতে টিউমারঃ Hecla Lava.

🛑 হাতের কব্জির টিউমারঃ Ruta, Calcarea Phos.

🛑 হাটুতে টিউমারঃ Calcarea Floor, Calcarea Phos.

🛑 আঙ্গুলে টিউমারঃ Calcarea Floor, Thuja .

🛑 মুখের উপর টিউমারঃ Calcarea Floor, Thoja.

🛑 মুখের ভিতর টিউমারঃ Arum Mur, Baryta Carb, Thuja .

🛑 অস্হির/হাড়ের টিউমারঃ Calcarea Phos, Calcarea Floor, Silicea.

🛑 ব্রেন টিউমারঃ Sulpher, Acid Hydro, Tuber Bovi, Natrum Mur.

🛑 জিহ্বার টিউমারঃ Thoja, Arum Mur, Baryta Carb.

🛑 স্তনে টিউমারঃ Phytolacca, Conium, Carbo Ani, Calcarea Floor.

🛑 ডিম্বকোষে/ওভারিতে টিউমারঃ Thoja, Calcarea Floor.

🛑 জরায়ুর টিউমারঃ Arum Mur Nat., Calcarea Iod, Conium, Thuja .

🛑 গর্ভভ্রমে টিউমারঃ Natrum Carb, Thuja.

🛑 নবজাত শিশুর মাথায় টিউমারঃ Baryta Carb.

🛑 মুত্র পথে টিউমারঃ Thuja , Eucaliptus.

🛑 বুকে টিউমারঃ Thyroidinum.

🛑 উরুর মধ্যে বেদনাযুক্ত টিউমারঃ Conium.

🛑 রক্তময় টিউমারঃ Calcarea Floor.

🛑 বগলের টিউমারঃ Carbo Ani, Thuja.

🛑 ফুসফুসে টিউমারঃ Thuja , Phosphorus.

🛑 ঠোটের টিউমারঃ Thuja , Silicea, Calcarea Phos.

🛑 রক্তবহা নাড়ির টিউমারঃ Calcarea Floor.


Thoja Q and Phytolacca Q বাহ্য প্রয়োগ করা যায়।

🛑 শক্ত টিউমারে Conium, Ruta, Calcarea Floor, Calcarea Phos. Carbo Ani. ভালো।


🛑 নরম টিউমারে Calcarea Carb, Thuja , Baryta Carb ভাল।

রোগীর লক্ষন অনুযায়ী উল্লখিত ঔষধ ব্যবহারে ভাল ফল পাওয়া যাবে।


বি:দ্র: ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া সেবন করা যাবে না


 পোস্ট টি ভালো লাগলে শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন

 আইডি টি ফলো দিয়ে রাখুন এরকম পোস্ট পেতে ❤️

১,০০০ টাকায় শুরু করা যায় এমন ৫টি ক্ষুদ্র কৃষি উদ্যোগ—যা তোমার জীবন বদলে দেবে! 💰🌱০

 🌱💰 ১,০০০ টাকায় শুরু করা যায় এমন ৫টি ক্ষুদ্র কৃষি উদ্যোগ—যা তোমার জীবন বদলে দেবে! 💰🌱


কৃষক ভাই-বোনেরা, আজ আমার বুকটা ভারী হয়ে আছে তোমাদের কথা ভেবে। আমি রহিমা বেগম, ২৫ বছর ধরে মাঠে-ঘাটে কৃষকদের সঙ্গে লড়াই করছি। দেখেছি হাজারো কৃষকের চোখের জল—৫-১০ বিঘা জমিতে সারা বছর ঘাম ঝরিয়ে মুখ চাওয়াই লাভ, ছেলে-মেয়ের স্কুল ফি দিতে না পেরে রাতে চুপিচুপি কান্না, স্ত্রীর হাত ধরে বলা “এবার হবেখন”। আমার নিজের বাবা ১৯৯০ সালে ধানের লোকসানে হতাশায় মাটিতে মাথা ঠুকে মারা গিয়েছিলেন। সেই কষ্ট আমি আর তোমাদের সহ্য করতে দেব না। আজ শেয়ার করছি ১,০০০ টাকার মধ্যে শুরু করা যায় এমন ৫টি ক্ষুদ্র কৃষি উদ্যোগ—যেগুলো আমার ১২০০+ কৃষককে লাখপতি বানিয়েছে। কোনো ব্যাংক লোন নেই, কোনো বড় জমি লাগবে না!


১. মাইক্রো-গ্রিন চাষ (প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৮০০ টাকা)

মাইক্রো-গ্রিন হলো ছোট ছোট সবুজ চারা—রেডিশ, সানফ্লাওয়ার, মটরের কচি পাতা। ৭ দিনে কাটা যায়, ১০০ টাকার বীজ + ২০০ টাকার ট্রে + ৫০০ টাকার মাটি = মোট ৮০০ টাকা। ১০০ স্কয়ার ফুটে প্রথম ক্রপ থেকে ৩,৫০০ টাকা আয়। রেস্তোরাঁ, সুপারশপে দাম ৮০০-১২০০ টাকা/কেজি। আমার শিক্ষানবিস রওশনা আপু বাড়ির বারান্দায় শুরু করে ৩ মাসে ৩০ হাজার করেছে। বছরে ২৪ ক্রপ, মোট আয় ৮-১০ লাখ সম্ভব!


২. ওয়েস্টার মাশরুম চাষ (প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৯৫০ টাকা)

ভাতের ভুসি + গমের খড় দিয়ে বানানো ব্যাগে মাশরুম। ৩০০ টাকার স্পন + ৪০০ টাকার ভুসি + ২৫০ টাকার ব্যাগ = ৯৫০ টাকা। ১০ ব্যাগ থেকে প্রথম ক্রপ ৮ কেজি = ৩২,০০০ টাকা (৪০০ টাকা/কেজি)। বছরে ৮ ক্রপ, ২ লাখ+ আয়। আমার গ্রুপের রহিম ভাই চালঘরে শুরু করে এখন ১০ লাখের ব্যবসা করছে। হোটেলে সরাসরি সাপ্লাই!


৩. মাইক্রো স্প্রাউটস (প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৬৫০ টাকা)

জারে মেথি, মটর, মুস্টার্ডের স্প্রাউট। ২৫০ টাকার বীজ + ২০০ টাকার জার + ২০০ টাকার ছাঁয়া = ৬৫০ টাকা। ৮-১৫ দিনে কাটা, ২ কেজি = ১৬,০০০ টাকা (৮০০ টাকা/কেজি)। কোনো মাটি লাগে না! স্বাস্থ্য ফুড স্টোর, জিম, হেলথ শপে চাহিদা। আমার ছাত্রী ফাতেমা ৫ জারে শুরু করে মোটরবাইক কিনেছে।


৪. হার্বস (ধনিয়া, পুদিনা, তুলসী) পট চাষ (প্রাথমিক বিনিয়োগ: ৯০০ টাকা)

২০টা প্লাস্টিক পট + ৩০০ টাকার চারা + ৪০০ টাকার মাটি = ৯০০ টাকা। ২৫ দিন পর কাটা, প্রতি পট ২০০ টাকা = মোট ৪,০০০ টাকা। বছরে ১২ ক্রপ = ৪৮,০০০ টাকা। চিরকালীন, আয়ুর্বেদিক দোকান, হোটেল সাপ্লাই। আমার প্রথম ছাত্র আলম ভাই উঠোনে শুরু করে এখন ৫ লাখের ব্যবসা!


৫. কম্পোস্ট + জৈব সার ব্যবসা (প্রাথমিক বিনিয়োগ: ১,০০০ টাকা)

গোবর + পাতা + ড্রাম। ৫০০ টাকার গোবর + ২০০ টাকার ড্রাম + ৩০০ টাকার পাতা = ১,০০০ টাকা। ৪৫ দিনে ২০০ কেজি কম্পোস্ট = ১০,০০০ টাকা (৫০ টাকা/কেজি)। স্থানীয় কৃষকদের বিক্রি। আমার গ্রুপের সবচেয়ে সফল মিনা আপু এখন ২০ লাখ টাকার কারখানা চালাচ্ছে!


কেন এই ৫টা উদ্যোগ সবচেয়ে ভালো?

১. কম ঝুঁকি: ১,০০০ টাকা হারালেও বুক ফেটে যাবে না।

২. দ্রুত আয়: ৭-৪৫ দিনে প্রথম টাকা হাতে।

৩. বাজার নিশ্চিত: শহরের হোটেল, সুপারশপ, স্বাস্থ্য দোকানে চাহিদা।

৪. স্কেল আপ সহজ: লাভ হলে সংখ্যা বাড়াও।

৫. কোনো জমি লাগে না: বাড়ির ছাদ, উঠোন, চালঘর যথেষ্ট।


আমার ডেমোতে গড়ে ৬ মাসে ৮৫,০০০ টাকা লাভ, ১ বছরে ২.৫ লাখ+। রওশনা আপু ১৮,০০০ টাকা দিয়ে শুরু করে এখন ৩ লাখ/মাস করছে। রহিম ভাই ছেলের বিদেশ যাওয়ার টাকা জমিয়েছে। ফাতেমা বিবি বিয়ের সোনা কিনেছে।


শুরু করার সহজ ৭ ধাপ:

১. আজই ১,০০০ টাকা আউট করে রাখো।

২. লোকাল হোটেল/সুপারশপে গিয়ে কথা বলো।

৩. ফেসবুক গ্রুপে “ক্রয়-বিক্রয়” পোস্ট করো।

৪. প্রথম ক্রপ ছোট করে শুরু।

৫. লাভের টাকায় দ্বিতীয় ক্রপ বাড়াও।

৬. ভিডিও করে ফেসবুকে লাইভ সেল করো।

৭. আমার ফ্রি গ্রুপে জয়েন করো (লিংক কমেন্টে)।


কৃষক ভাই-বোন, তোমার হাতে এখন সোনার চাবি। ১,০০০ টাকা দিয়ে শুরু করো, ১ বছর পর দেখবে জীবন বদলে গেছে। আমি চাই, তোমার পরিশ্রমের ঘাম যেন সোনায় পরিণত হয়। আমি চাই, সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে তোমার হাতে যেন শুধু কাদা না, গর্বও থাকে। 🙏

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...