এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

মহিলাদের বুকে কান পেতেই হৃদস্পন্দন শোনা! শালীনতা বজায় রাখতে জন্ম স্টোথোস্কোপের। মেডিকেল পোস্ট ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মহিলাদের বুকে কান পেতেই হৃদস্পন্দন শোনা! শালীনতা বজায় রাখতে জন্ম স্টোথোস্কোপের।০


উনিশ শতকের শুরুর দিক। প্যারিসের জনপদ ফিয়ে হেঁটে চলেছেন এক চিকিৎসক। মাথা নিচু করে পেরিয়ে যাচ্ছেন প্যারিসে উচ্ছ্বল যাপনচিত্রকে। ভেতরে ভেতরে চলছে এক অবিরাম তোলপাড়। চিকিৎসা করতে গিয়েই কি তিনি পেরিয়ে যাচ্ছেন শ্লীলতার সীমারেখা? হৃদযন্ত্র বা ফুসফুস পরীক্ষা করতে মহিলার রোগীর বুকে কান পেতে শোনা, একপ্রকার হেনস্থাই তো। না, এভাবে হয় না। কিন্তু উপায়? চিকিৎসা ছাড়ার কথাও আগে বার বার ভেবেছেন তিনি। এমনকি কয়েকদিন যানওনি হাসপাতালে। কিন্তু রোগীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়াও যে অমানবিকতার সমতুল্য। চিকিৎসক হিসাবে নিজের দায়িত্বকে এড়িয়ে যাওয়া।


চিকিৎসক রেনে লেনেকের প্রতিদিনের ঠিকানা প্যারিসের নেকার হাসপাতাল। ফ্রান্সের এই প্রাণকেন্দ্র নগরীতে বেশ নামডাক লেনেকের। সাধারণ জ্বর থেকে শুরু করে, যক্ষ্মার মতো যে কোনো দুরারোগ্য রোগেই শেষ ভরসা লেনেক। তিনি হাল ছাড়েন না কোনো মতেই। চেষ্টা চালিয়ে যান শেষ মুহূর্ত অবধি। আর সব থেকে বড়ো কথা হল সম্ভ্রান্ত থেকে শুরু করে হতদরিদ্র, যে কোনো রোগীই সমান তাঁর কাছে।


লেনেকের পাশ দিয়ে যেতে যেতেই দু’জন মানুষ স্মিত হেসে গেলেন। কৃতজ্ঞতা ভরে রয়েছে সেই হাসিতে। লেনেক সামান্য মুখ তুলে দেখলেন ফুটপাথে দুটো ছোট্ট বাচ্চা খেলা করছে। হাতে একটা লম্বা কার্ডবোর্ডের চোঙ। চোঙের একদিক একজনের কানের কাছে ঠেকিয়ে, আরেকদিকে তার ছোট্ট বন্ধু কথা বলছে কিছু একটা। প্রথম জন ঠিকরে উঠছে তাতে। তারপর হাসির রোল। ছোটবেলায় এমনভাবে অভিজ্ঞতা হয়েছে লেনেকেরও। কত আস্তে বলা কথাও কী ভীষণ জোরালো শোনায়, তা নতুন করে বলার কিছু নেই।


ছোটবেলার সেই স্মৃতিকেই যেন উসকে দিল বাচ্চা দুটো। মনে মনে খানিকটা হাসলেন লেনেক। প্যারিসের এই প্রাণোচ্ছ্বলতার জন্যই এত ভালো লাগে তাঁর এই শহরকে। খানিকটা এগিয়েই গিয়েছিলেন লেনেক। বিদ্যুৎগতিতে তাঁর মাথায় সঙ্গে সঙ্গে খেলে গেল বহুদিন ধরে তাঁকে অস্বস্তি দিয়ে চলা এক সমস্যার সমাধান। যদি তাঁর ধারণাই ঠিক হয়, তবে মহিলা রোগীদের আর হয়রান হতে হবে না। বাড়িতে ঢুকেই শুরু হল প্রতীক্ষার প্রহর গোনা। পরদিন হাসপাতালে গিয়ে এটা যে পরীক্ষা করে দেখতে হবে তাঁকে।


advertise

যেমনটা চেয়েছিলেন তেমনটাই হল। হাসপাতালে পরদিন হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে হাজির হলেন এক স্থূলকায় তরুণী। লেনেক বসতে বললেন তাঁকে। তারপর টেবিলের ওপর থেকে তুলে নিলেন ওষুধ লিখে দেওয়ার নোটবুকটা। রোল করে চোঙ বানিয়ে ধরলেন তরুণীর বুকে। চোঙের আরেকদিকে কান।

লেনেকের এই কাণ্ড কারখানা দেখে বিস্মিত তরুণী। তাঁর সঙ্গে আসা পরিবারের আত্মীয়রাও। তবে অন্যদিকে ততক্ষণে হাসির রেখে ফুটে উঠেছে লেনেকের ঠোঁটে। তিনি ততক্ষণে স্পষ্ট শুনতে পেয়ে গেছে হৃদপিণ্ডের একটানা বাজতে থাকা বাদ্যযন্ত্রের তাল। এবার শুধু তাঁকে এই নোটবুকের বদলে বানিয়ে ফেলতে হবে একটা চোঙ।


তেমনটাই হল। ১৮১৬ সালে প্যারিসের নেকার হাসপাতালেই জন্ম নিল এক অদ্ভুত যন্ত্র। যার মাধ্যমে দূর থেকেই শোনা যাবে হৃদযন্ত্র কিংবা ফুসফুসের শব্দ। বলে দেওয়া যাবে রোগের কারণ। লেনেক নাম দিলেন ‘সিলিন্ডার’। আর এইভাবে শব্দ শোনার পদ্ধতিকে তিনি নাম দিলেন মিডিয়াম অসকাল্টেশন।


তবে এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের পরও বেশ সমস্যার মুখেই পড়তে হল তাঁকে। বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখলেন না তৎকালীন সমাজ, অন্য চিকিৎসকরাও। তবে বছর চারেকের মধ্যেই তাঁর এই পদ্ধতি ছড়িয়ে পড়ল ইংল্যান্ড, জার্মানি, ইতালিতে। ধীরে ধীরে পেল জনপ্রিয়তা। পরে লেনেক নিজেও বেশ কিছু বদল করেছিলেন ‘সিলিন্ডার’-এর। এই আবিষ্কারের সাড়ে তিন দশক পর ১৮৫১ সালে আয়ারল্যান্ডে তৈরি হল আধুনিক স্টোথোস্কোপ। দিশা দেখিয়ে দিয়েছিলেন লেনেক। এবার আইরিশ চিকিৎসক আরথার লেয়ার্ড দু’কানে শোনার মতো করেই রূপ দিলেন যন্ত্রটিকে। 


তবে তাঁর আবিষ্কারের এই পরিণতি দেখে যেতে পারেননি লেনেক। ‘সিলিন্ডার’ আবিষ্কারের বছর দশেক পরেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে। ১৮২৬ সালে। সারাদিন যক্ষ্মা রোগীদের নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে করতে কখন নিজেই আক্রান্ত হয়ে গিয়েছিলেন মারণ ব্যাধিতে। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে এই যক্ষ্মাই কেড়ে নিয়েছিল তাঁর মায়ের প্রাণও। তাই সমাপ্তি টানতে চেয়েছিলেন এই রোগের ইতিহাসে। তা আর সম্ভব হল না। কিন্তু বাকি চিকিৎসকদের জন্য লিপিবদ্ধ করে গেলেন যক্ষ্মার যাবতীয় লক্ষণ এবং উপসর্গের প্রকৃতি। কী ধরণের শব্দ শোনা গেলে বোঝা যাবে যক্ষ্মাকে, তাও দেখিয়ে গেলেন লেনেক। 


পাশাপাশি শবদেহের পার্শ্ব ব্যবচ্ছেদের পদ্ধতি এবং লিভার সিরোসিসের মতো রোগকেও সনাক্ত করে গেলেন তিনি। আজও লিভার সিরোসিসকে তাই বলা হয় ‘লেনেক সিরোসিস’। আর স্টোথোস্কোপ ছাড়া সত্যিই কি কোনো চিকিৎসকের চরিত্র ভেসে ওঠে আমাদের মনে? বোধ হয় না। দুই শতক পেরিয়ে এসেও আধুনিক চিকিৎসায় তাঁকে অস্বীকার করার কোনো জায়গা নেই আজও...

সংগৃহীত..!!

ভাইটাল সাইন(Vital Sign) হলো শরীরের জীবন ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা দেখে রোগীর শারীরিক অবস্থা দ্রুত বুঝা যায়।

 ভাইটাল সাইন(Vital Sign) হলো শরীরের জীবন ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা দেখে রোগীর শারীরিক অবস্থা দ্রুত বুঝা যায়।


সাধারণত ৫টি প্রধান ভাইটাল সাইন আছে 


1️⃣ তাপমাত্রা (Body Temperature)


শরীরের উষ্ণতার পরিমাপ।স্বাভাবিক মাত্রা:

36.5°C – 37.5°C or 97.7°F – 99.5°F


মাপার স্থান:

1.Oral (মুখ)

2.Axillary (বগল)

৩.Rectal (মলদ্বার )

৪.Tympanic (কান)

৫.Temporal (কপাল)


অস্বাভাবিক:


জ্বর (Fever): ≥ 38°C

Hypothermia: < 35°C


---


2️⃣ পালস / নাড়ি (Pulse Rate)


হৃদস্পন্দনের হার।স্বাভাবিক মাত্রা (Adult):

60–100 বিট/মিনিট


পালস চেক করার স্থান:

১.Radial (হাতের কবজি) ⭐

২.Brachial

৩.Carotid

৪.Femoral

৫.Popliteal

৬.Dorsalis pedis


অস্বাভাবিক:

Tachycardia: >100

Bradycardia: <60

---


3️⃣ শ্বাস-প্রশ্বাস (Respiratory Rate)


প্রতি মিনিটে শ্বাস নেওয়ার সংখ্যা।স্বাভাবিক মাত্রা (Adult):


12–20 বার/মিনিট


অস্বাভাবিক:


Tachypnea: >20

Bradypnea: <12


Apnea: শ্বাস বন্ধ

⚠️ শ্বাস গোনা রোগীকে না জানিয়ে করা উত্তম।


---


4️⃣ রক্তচাপ (Blood Pressure)


রক্ত ধমনীর দেয়ালে রক্তের চাপ। স্বাভাবিক BP:


120/80 mmHg


সীমা:

Hypotension: <90/60

Hypertension: ≥140/90


BP-এর অংশ:

Systolic (উপরের)

Diastolic (নিচের)


---


5️⃣ অক্সিজেন স্যাচুরেশন (SpO₂) – ৫ম ভাইটাল সাইন


রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ। স্বাভাবিক:

95% – 100%


বিপজ্জনক:

<90% (Hypoxia)


📌 Pulse oximeter দিয়ে মাপা হয়।


---


ভাইটাল সাইন নেওয়ার সঠিক নিয়ম (নার্সিং টিপস):


✔️ রোগীকে বিশ্রামে রাখতে হবে

✔️ একি সময়ে প্রতিদিন নিলে ভালো

✔️ অস্বাভাবিক হলে পুনরায় চেক

✔️ চার্টে সঠিকভাবে লিখতে হবে


📍📍ভাইটাল সাইন কেন গুরুত্বপূর্ণ?


রোগীর অবস্থা মূল্যায়ন

জরুরি অবস্থা শনাক্ত

চিকিৎসার অগ্রগতি বোঝা

ICU / মেডিকেল ওয়ার্ডে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়


(পোষ্ট করতেছি সাথে নিজের ও চর্চা)

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-১২-২০২৫ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


নির্বাচন ও গণভোটের তথ্য দেশজুড়ে পৌঁছে দিতে যাত্রা শুরু করলো ভোটের গাড়ি  সুপার ক্যারাভান - নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


আগামী বৃহস্পতিবার দেশে ফিরবেন তারেক রহমান - শনিবার সম্পন্ন করবেন ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কাজ - জানালেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমদ।


আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের পোস্টাল ভোট ব্যবস্থা সারা বিশ্বের জন্য রোল মডেল হয়ে থাকবে - মন্তব্য করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


ওসমান হাদির খুনিদের বিচার সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার -জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা - জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি স্বজনদের।


ইন্দোনেশিয়ার জাভায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৬ ।


এবং মাউন্ট মঙ্গানুই-এ তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে সিরিজ জিতে নিলো নিউজিল্যান্ড।

সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২২-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২২-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


* চির নিদ্রায় শায়িত হলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার বীর উত্তম


* ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত ছয় বাংলাদেশি সেনা সদস্যের জানাজা সম্পন্ন---চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন নিজ নিজ গ্রামে


* জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবরে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন


* জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক---নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন করে, এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে শিগগিরই  অভিযান শুরু করবে যৌথবাহিনী 


* নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে সংঘটিত বিক্ষোভ নিয়ে ভারতের প্রেস নোট প্রত্যাখ্যান করলো ঢাকা 


* গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানালেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  


* অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১৯টি নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিলো ইসরাইল --- জাতিসংঘ ও সৌদি আরবের নিন্দা 


* এবং দুবাইয়ে অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে পাকিস্তানের শিরোপা জয়

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২১-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২১-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার বীর উত্তমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত --- অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।


ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত ছয় বাংলাদেশি সেনা সদস্যের জানাজা সম্পন্ন --- চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন নিজ নিজ গ্রামে।


জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত শহীদ ওসমান হাদির কবরে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া প্রার্থনা।


জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক --- নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন করে, এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে শিগগীরই  অভিযান শুরু করবে যৌথবাহিনী।


নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে সংঘটিত বিক্ষোভ নিয়ে ভারতের প্রেস নোট প্রত্যাখ্যান করলো ঢাকা।


ফ্যাসিবাদী শাসনামলে টিএফআই সেলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ মঙ্গলবার।


গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির অঙ্গীকারের বিষয়ে সম্মান ও সংযম প্রদর্শনের জন্য উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানালো যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, কাতার ও তুরস্ক।


এবং দুবাইয়ে অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে পাকিস্তানের শিরোপা জয়।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবির সমাধির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অকুতোভয় যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি---জানাজায় লাখো মানুষের ঢল।


বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, শরিফ ওসমান হাদি মানুষের হৃদয়ে ততদিন বেঁচে থাকবেন, তাঁর অবদানের কথা স্মরণ রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে জাতি --- বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুতে দেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত --- হাদি হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সবাইকে সংযত থাকার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল সংশোধন --- আপিলের সময়সীমা দুই দিন কমিয়ে ৫ থেকে ৯ই জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তির সময় দুই দিন বাড়িয়ে ১০ থেকে ১৮ই জানুয়ারি নির্ধারণ করলো নির্বাচন কমিশন।


মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ. কে. খন্দকার বীর উত্তমের ইন্তেকাল --- প্রধান উপদেষ্টার শোক।


দেশে পৌঁছেছে সুদানে জাতিসংঘ মিশনের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীর মরদেহ --- আগামীকাল যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন।


পাকিস্তানে তোশাখানা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তাঁর স্ত্রীর

১৭ বছরের কারাদণ্ড।


এবং আগামীকাল দুবাইয়ে অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতের মোকাবেলা করবে পাকিস্তান।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২০-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

 তারিখ : ২০-১২-২০২৫


সংবাদ শিরোনাম

................................


* জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের অকুতোভয় যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে পৌঁছেছে---নামাজে জানাজা আজ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়


* শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে দেশে আজ পালিত  হচ্ছে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক


* শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের বিক্ষোভ অব্যাহত --- অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠিন শাস্তির দাবি


* শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ জাতিসংঘের---দেশে শান্তি বজায় রাখা এবং দায়ীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ 


* প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার সম্পাদকের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ – সম্পাদকদের ও সংবাদ মাধ্যমগুলোর পূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস। 


* বিচ্ছিন্ন উগ্রগোষ্ঠীর সংঘটিত নতুন ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে দেশের সকল নাগরিককে দৃঢ় সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার 


* পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার সাথে সম্মানসূচক আচরণ করলে আর কোনো যুদ্ধ না করার প্রতিশ্রুতি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের 


* এবং অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে ভারত ও পাকিস্তান

ছয় মিনিটের সেই বৈঠকে হাদিকে যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন শুটার ফয়সাল*,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 # **পুরোটা পড়েন, ভাইরে ভাই কি পরিকল্পনা ...**

# **ছয় মিনিটের সেই বৈঠকে হাদিকে যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন শুটার ফয়সাল**

# **বিদেশ থেকে দেশে ফিরে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয় একটি ‘শ্যুটার টিম’। টার্গেট বাস্তবায়নে আগে তৈরি করা হয় সখ্যতা, এরপর মাত্র সাত দিনের মধ্যেই চালানো হয় প্রাণঘাতী হামলা। **


গুলি করে হত্যার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই দেশ ছাড়ে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল। পরিকল্পনা অনুযায়ী গায়েব করা হয় গুরুত্বপূর্ণ আলামতও। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার নেপথ্যে এমনই এক সুপরিকল্পিত মিশনের তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা তদন্তে।


ওসমান হাদি এবং শ্যুটার ফয়সালের পরিচয় ও সখ্যতার সূত্রপাত ঘটে ইনকিলাব মঞ্চের কালচারাল সেন্টারেই। সময় টেলিভিশনের হাতে আসা শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্য পর্যালোচনায় উঠে এসেছে-হাদিকে গুলি করার আগে শ্যুটাররা কোথায় কোথায় অনুসরণ করেছে, কীভাবে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।


 গত ৪ ডিসেম্বর রাত ৮টা ১৮ মিনিটে বাংলামোটরের ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে আসেন শ্যুটার ফয়সাল ও তার সহযোগী কবির। প্রায় ছয় মিনিটের সেই বৈঠকটি ছিল মূলত হাদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরির প্রথম ধাপ। বৈঠকে ফয়সাল হাদির সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দেন।


এরপর ৯ ডিসেম্বর রাতে আবারও কালচারাল সেন্টারে আসেন ফয়সাল। এবার তার সঙ্গে ছিলেন না কবির, নতুন সঙ্গী ছিলেন আলমগীর। ওই বৈঠকে আলোচনার বিষয় ছিল নির্বাচনী প্রচারণার পরিকল্পনা। সেখান থেকেই হাদির টিমে ঢুকে পড়েন ফয়সাল। পরদিন ১২ ডিসেম্বর সেগুনবাগিচায় হাদির প্রচারণায় সরাসরি অংশ নেন তিনি।


প্রচারণায় অংশ নেয়ার পরই হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন শ্যুটার ফয়সাল। মিশন বাস্তবায়নের জন্য নরসিংদী, সাভার, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় রেকি করেন তিনি। ১১ ডিসেম্বর মিশন বাস্তবায়নের প্রস্তুতিতে ওঠেন পশ্চিম আগারগাঁওয়ে বোনের বাসায়। হামলার দিন ভোরে উবারে করে যান হেমায়েতপুরের একটি রিসোর্টে।


রিসোর্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শুক্রবার ভোর ৫টা ২২ মিনিটে ফয়সাল ও আলমগীরের গাড়ি গ্রিন জোন রিসোর্টে প্রবেশ করে। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া ও তার বোন। সেখানে হাদির একটি ভিডিও বান্ধবীকে দেখিয়ে ফয়সাল জানান, তিনি হাদিকের মাথায় গুলি করার পরিকল্পনা করেছেন এবং এতে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হবে। এ কারণে ঘটনার পর তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন তিনি।


সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে বান্ধবীকে নিয়ে রিসোর্ট থেকে বের হন ফয়সাল। বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন আলমগীর। উবারের গাড়িতে করে বান্ধবীকে বাড্ডায় নামিয়ে দেন তারা। এরপর সকাল ১১টা ৫ মিনিটে আগারগাঁওয়ের বাসা থেকে মোটরসাইকেলে বের হন ফয়সাল ও আলমগীর। তারা সরাসরি যান হাদির সেগুনবাগিচার প্রচারণায়। সকাল পৌনে ১২টার দিকে সেখানে পৌঁছান ফয়সাল। প্রচারণা শেষে দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে হাদি মতিঝিলের উদ্দেশ্যে রওনা হলে শ্যুটাররা পেছন থেকে তার অটোরিকশা অনুসরণ করতে থাকেন।


দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে হাদিকে বহন করা অটোরিকশা মতিঝিলের জামিয়া দারুল উলুম মসজিদের সামনে পৌঁছায়। আলমগীর মোটরসাইকেল পার্ক করলে দুজন নেমে আবারও প্রচারণায় যুক্ত হন।


মতিঝিলের দারুল উলুম মসজিদে জুমার নামাজ পড়েন হাদি। নামাজ শেষে সেখানে প্রচারণা করার কথা ছিলো। আর সেই প্রচারণায় যুক্ত হয়েছিল শ্যুটার দলের দুজন।


নামাজ শেষে দুপুর ২টা ১৬ মিনিটে হাদি সেখান থেকে রওনা হলে শ্যুটাররাও পিছু নেয়। উল্টো পথে মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে দৈনিক বাংলা মোড়ে ডান দিকে ঘুরে পল্টনের বক্স কালভার্ট সড়কে ঢুকে পড়ে তারা। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ফাঁকা জায়গা খুঁজে বেড়ানোর পর দুপুর ২টা ২৪ মিনিটে খুব কাছ থেকে হাদিকে লক্ষ্য করে দুটি গুলি ছোড়ে ফয়সাল।


ঘটনার পরপরই পালানোর নাটক শুরু হয়। বিজয়নগর, কাকরাইল, শাহবাগ হয়ে ফার্মগেইট পেরিয়ে সোজা পশ্চিম আগারগাঁওয়ে বোনের বাসায় পৌঁছান তারা। বিকেল তিনটায় সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ঠিক তখনই বাসা ভাড়া নিতে আসা এক ব্যক্তি কলিং বেল চাপলে আতঙ্কে অস্ত্রভর্তি ব্যাগ নিচে ফেলে দেয় ফয়সাল। পাশের বাসার ছাদে ফেলে দেয় নিজের মোবাইল ফোন। অস্ত্র ও মোটরসাইকেল রেখে পালানোর চেষ্টা করলে বিপত্তি ঘটে। বিষয়টি জেনে যায় পরিবারের সদস্যরাও। তখন আলামত নষ্টে জড়িয়ে পড়ে বাবা-মা।


বিকেল ৩টা ১৯ মিনিটে ফয়সালের বাবা বাইকচালক আলমগীরকে নিয়ে মোটরসাইকেলের আসল নম্বরপ্লেট নিয়ে এসে পার্কিংয়ে ঢোকেন। নকল নম্বরপ্লেট খুলে আসলটি লাগানো হয়। এরপর আলমগীরসহ মোটরসাইকেলটি পাশের একটি ভবনের গ্যারেজে রেখে দেয়া হয়। পরে নিচে পড়ে থাকা ব্যাগ উদ্ধারে মই দিয়ে ভাগনেকে দুই ভবনের মাঝখানে নামানো হয়। পাশের ছাদে ফেলে দেয়া মোবাইল আনতেও ভাগনেকেই পাঠানো হয়। ছেলের পালানোর ব্যবস্থা করতে অটোরিকশা ভাড়া করেন ফয়সালের বাবা।


বিকেল ৪টা ৫৪ মিনিটে পশ্চিম আগারগাঁও থেকে সিএনজিতে করে আমিনবাজারে যায় ফয়সাল। সেখান থেকে উবারে ধামরাইয়ের কালামপুর, এরপর ভাড়া করা প্রাইভেটকারে নবীনগর হয়ে গাজীপুরের চন্দ্রা-মাওনা পেরিয়ে পৌঁছায় ময়মনসিংহে। সেখান থেকে হালুয়াঘাটের ধারাবাজার পেট্রোল পাম্পে যায় তারা। সময় টেলিভিশনের হাতে আসা ওই পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ১১টা ৩১ মিনিটে সেখানে পৌঁছায় শ্যুটারদের বহনকারী প্রাইভেটকার। মানবপাচারকারী ফিলিপ স্নাল মোটরসাইকেলে এসে তাদের রিসিভ করে সীমান্তের দিকে নিয়ে যান।


পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ফিলিপের দুই সহযোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে শ্যুটাররা ভারতে পালিয়ে যায়। সময় টেলিভিশনের হাতে এসেছে শ্যুটার ফয়সালের ফোনের আইপি অ্যাড্রেসও, যেখানে দেখা যায় বুধবার তার লোকেশন ছিল ভারতের মহারাষ্ট্রে এবং সে রিলায়েন্স সিম ব্যবহার করছিল।


হত্যার পর আলামত গায়েব করতেও ছিল সুপরিকল্পিত ছক। অস্ত্রভর্তি ব্যাগ শ্যালক শিপুর হাতে দেয়া হয়। শিপু সেটি দেয় বন্ধু ফয়সালের কাছে, যিনি নরসিংদীর তারাবো খালে ব্যাগটি ফেলে দেন। স্ত্রী ঢাকা ছেড়ে পালিয়ে যান নরসিংদীতে, আর বাবা-মা আত্মগোপনে যান কামরাঙ্গীরচরে।


ডিএমপির মুখপাত্র মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, ঘটনার আগে ও পরে প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। সব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে।


প্রধান দুই আসামি এখনও পলাতক থাকলেও তদন্তে পুরো হত্যাকাণ্ডের নকশা সামনে এসেছে। গত জুলাইয়ে দেশে ফিরে ফয়সাল কবির, কামাল, রুবেল ও মাইনুদ্দিনদের নিয়ে কিলিং মিশনে নামে। তারা সবাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা বলে তদন্তে উঠে এসেছে। শুরুতেই শনাক্ত করা হয় হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, গ্রেফতার হন মালিক। পরে জানা যায়, সেটিতে ছিল নকল নম্বরপ্লেট। সিটিটিসির অভিযানে উদ্ধার করা হয় মোটরসাইকেলটি।


মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, মোটরসাইকেলটি অল্প সময়ের মধ্যে আটবার হাতবদল হয়ে শুভ নামের এক ব্যক্তির কাছে যায়। শ্যুটাররা কীভাবে শুভর কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


হত্যায় সহায়তার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে শ্যালক শিপু, স্ত্রী সামিয়া ও বান্ধবী মারিয়াকে। কামরাঙ্গীরচর থেকে বাবা-মাকে গ্রেফতারের পর তাদের তথ্যের ভিত্তিতে তারাবোর বিল থেকে উদ্ধার হয় দুটি অস্ত্র। গ্রেফতার হন প্রাইভেটকারচালক নুরুজ্জামানও। পরে ফয়সালের বোনের বাসার নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় হাদিকে গুলি করা সেভেন পয়েন্ট সিক্স ফাইভ ক্যালিবারের পিস্তলের গুলি ও ম্যাগজিন। উদ্ধার হয়েছে কয়েকশ কোটি টাকার চেক। তদন্তে এখন প্রশ্ন উঠেছে- এত বিপুল অর্থ কি শুধু হাদিকে হত্যার জন্য, নাকি ছিল আরও কিলিং মিশনের পরিকল্পনা?


[#সময়_টিভি](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F_%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF?__eep__=6&__cft__[0]=AZZ5x2jJPmb8z7RpudW7BUlLLzpINaTSjL64H-b1PPC9ReqjiWzn9ARV3gcIbdqabMreGHX6zk9BFrFpz5aGbCc5qJoCNAUlifRTmh58W9MNJE2dkkGHGTWm9Kgo2-vZKTZSbnPJuFbUgJzOYIjbq1XN5VgFkjD8lDKvrvoLzkPOZxQ6ctLj-6iFdhwrZpgHrXJprWyKjghP6u830TcLv14V&__tn__=*NK-R)

ফাইলকয়েন: কম্পিউটারের খালি হার্ড ডিস্ক হতে পারে আয়ের উৎস

 ফাইলকয়েন: কম্পিউটারের খালি হার্ড ডিস্ক হতে পারে আয়ের উৎস


আমরা সাধারণত ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের জন্য গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউড ব্যবহার করি। কিন্তু সেখানে আমাদের ব্যক্তিগত ফাইলগুলি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির সার্ভারে জমা থাকে। কোম্পানি চাইলে আপনার ফাইল মুছে দিতে পারে, আবার হ্যাকাররা তাদের সার্ভার থেকে তথ্য চুরিও করতে পারে।


ফাইলকয়েন (Filecoin) এই ব্যবস্থার একটি আধুনিক ও নিরাপদ সমাধান। এটি কোনো কোম্পানির মালিকানাধীন নয়, বরং এটি বিশ্বের হাজার হাজার সাধারণ মানুষের কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকা একটি বিশাল নেটওয়ার্ক।


সহজ একটি উদাহরণ দেওয়া যাক: ধরুন কারো বিয়ের একটি ভিডিও আছে। গুগল ড্রাইভে রাখলে সেটি কেবল গুগলের সার্ভারে থাকবে। কিন্তু ফাইলকয়েনে সেই ভিডিওটি ১০০টি ছোট ছোট টুকরো হয়ে আমেরিকা, ইউরোপ বা এশিয়ার ১০০ জন মানুষের কম্পিউটারে জমা হবে। এর ফলে কোনো একজনের কম্পিউটার নষ্ট বা হ্যাক হলেও আপনার ভিডিওর কোনো ক্ষতি হবে না। বাকিদের থেকে তা সহজেই উদ্ধার করা যাবে। 


এটি ২০১৭ সালে Protocol Labs নামের একটা গ্রুপ শুরু করে। তখন তারা অনলাইনে সবচেয়ে বড় ফান্ড সংগ্রহ করে। মাত্র কয়েক মাসে ২৫৭ মিলিয়ন ডলার জোগাড় করে। ২০২০ সালের অক্টোবরে এর আসল সার্ভিস চালু হয়। এখন ২০২৫ সালে এর নেটওয়ার্কে Netflix-এর এক বছরের সব ভিডিওর সমান জায়গা তৈরি হয়েছে। এটি স্টোরেজের "Airbnb" এর মত কাজ করে। যার কম্পিউটারে খালি জায়গা আছে সে ভাড়া দেয়। যার ফাইল রাখতে হবে সে সেই জায়গা ভাড়া নেয়।

.


ফাইলকয়েন কীভাবে কাজ করে?


ফাইলকয়েন নেটওয়ার্ক মূলত দুই ধরনের মানুষের সমন্বয়ে চলে:


১. স্টোরেজ মাইনার (ভাড়া দাতা): এরা হলেন সেই সব মানুষ যাদের কম্পিউটারে অনেক খালি জায়গা (Hard Disk) পড়ে আছে। তারা সেই খালি জায়গা নেটওয়ার্ককে ভাড়া দেন। বিনিময়ে তারা FIL নামের একটি ডিজিটাল মুদ্রা (ক্রিপ্টোকারেন্সি) আয় করেন। 


এই FIL কয়েনগুলি বিন্যান্স (Binance) বা কয়েনবেস (Coinbase)-এর মত প্ল্যাটফর্মে আসল টাকায় রূপান্তর করা যায়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১টি FIL-এর দাম প্রায় ৪-৬ ডলার। তবে মাইনার হতে হলে ভাল মানের হার্ড ডিস্ক, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন।


২. ক্লায়েন্ট (ভাড়া গ্রহীতা): এরা হলেন সাধারণ ব্যবহারকারী বা কোম্পানি যাদের ফাইল রাখার জন্য নিরাপদ জায়গা দরকার। তারা মাইনারদের কাছ থেকে খুব সস্তায় জায়গা ভাড়া নেন।


ফাইল জমার প্রক্রিয়া: আপনি যখন কোনো ফাইল আপলোড করেন, সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছোট ছোট এনক্রিপ্টেড (লক করা) টুকরাতে ভাগ হয়ে যায়। এই টুকরাগুলি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ১০ জিবির একটি ফাইল ১০০টি টুকরা হয়ে ১০০ জন মাইনারের কাছে জমা হতে পারে।

.


নিরাপত্তা


নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ফাইলকয়েন কোনো ব্যক্তির ওপর বিশ্বাস না করে গাণিতিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করে। এই পদ্ধতিটি মূলত দুটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়:


প্রুফ-অফ-রেপ্লিকেশন (Proof-of-Replication): এটি হল ফাইল জমা রাখার প্রাথমিক নিশ্চয়তা। যখন কোনো মাইনার আপনার ফাইলটি গ্রহণ করে, সেটিকে সে একটি বিশেষ ডিজিটাল সংকেত বা এনক্রিপশনের মাধ্যমে নিজের হার্ড ডিস্কে সিলগালা করে রাখে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক নিশ্চিত হয় যে, মাইনার আপনার আসল ফাইলটির একটি অনন্য কপি তৈরি করে সফলভাবে জমা রেখেছে। 


এটি কেবল ফাইল রাখা নিশ্চিত করে না, বরং এটিও নিশ্চিত করে যে অন্য কোনো মাইনারের ফাইলের সাথে এটি মিলে যাচ্ছে না—অর্থাৎ আপনার ফাইলের একাধিক ব্যাকআপ কপি বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্রভাবে সংরক্ষিত আছে।


প্রুফ-অফ-স্পেসটাইম (Proof-of-Spacetime): ফাইলটি একবার রাখার পর মাইনার সেটি মাঝপথে মুছে ফেলল কিনা, তা যাচাই করার জন্য এই নিয়মটি কাজ করে। নেটওয়ার্ক প্রতি নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাইনারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চ্যালেঞ্জ পাঠায়। মাইনারকে তখন প্রমাণ দিতে হয় যে ফাইলটি এখনও তার কম্পিউটারে অক্ষত অবস্থায় আছে। একে বলা হয় সময়ের (Time) সাথে জায়গার (Space) প্রমাণ। 


যদি কোনো মাইনার এই প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয় বা ফাইলটি মুছে ফেলে, তবে নেটওয়ার্ক তাকে জরিমানা করে এবং তার অর্জিত রিওয়ার্ড কেটে নেয়। ফলে মাইনার সবসময় আপনার ফাইলটি সযত্নে রাখতে বাধ্য থাকে।

.


ফাইলকয়েন ব্যবহারের সুবিধা


ফাইলকয়েন ব্যবহারের সুবিধাগুলিকে আমরা দুই দিক থেকে দেখতে পারি। যারা ফাইল জমা রাখতে চান তাদের জন্য এটি যেমন সাশ্রয়ী, যারা নিজেদের কম্পিউটারের খালি জায়গা ভাড়া দিতে চান তাদের জন্য এটি তেমনি আয়ের একটি উৎস।


১. ক্লায়েন্ট বা ব্যবহারকারী হিসাবে আপনার সুবিধা


আপনি যদি গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউডের বিকল্প হিসেবে ফাইলকয়েন ব্যবহার করেন, তবে সবচেয়ে বড় সুবিধা পাবেন খরচের ক্ষেত্রে। সাধারণ ক্লাউড স্টোরেজে ১ টেরাবাইট (TB) জায়গার জন্য বছরে যেখানে প্রায় ২৭,০০০ টাকা খরচ হয়, ফাইলকয়েনে সেই একই পরিমাণ জায়গা মাত্র ১,২০০ থেকে ২,৪০০ টাকার মধ্যে পাওয়া সম্ভব। দ্বিতীয়ত, এখানে নিরাপত্তার স্তর অনেক শক্তিশালী। আপনার ফাইলটি এনক্রিপ্টেড হয়ে বিশ্বের হাজার হাজার কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকে, তাই কোনো একক হ্যাকারের পক্ষে আপনার সম্পূর্ণ তথ্য চুরি করা অসম্ভব। এছাড়া এখানে কোনো কোম্পানি বা কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেই। গুগল বা অন্য কোম্পানি চাইলে যেকোনো সময় আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারে, কিন্তু ফাইলকয়েনে আপনার ফাইলের ওপর মালিকানা শুধু আপনারই থাকে। এমনকি যে মাইনারের কম্পিউটারে আপনার ফাইল আছে, সেও সেটি খুলে দেখতে পারবে না।


২. মাইনার বা ভাড়া দাতা হিসাবে আপনার সুবিধা


আপনার যদি একটি ভাল মানের কম্পিউটার এবং অব্যবহৃত হার্ড ডিস্ক থাকে, তবে সেটি হতে পারে আয়ের নতুন একটি পথ। আপনার কম্পিউটারের খালি জায়গা ভাড়া দিয়ে আপনি ঘরে বসেই মাসে ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে আপনার বাংলাদেশের কম্পিউটারে বসে হয়ত আমেরিকার কোনো বড় কোম্পানির ডেটা সংরক্ষণ করছেন এবং বিনিময়ে 'FIL' নামক ডিজিটাল মুদ্রা পাচ্ছেন। যদিও মাইনিং সেটআপ করতে শুরুতে হার্ড ডিস্ক ও বিদ্যুতের পেছনে কিছু বিনিয়োগ (৫০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকা) করতে হয়, কিন্তু একবার সেটআপ হয়ে গেলে এটি অনেকটা প্যাসিভ ইনকামের মত কাজ করে। বাজারে FIL মুদ্রার দাম বাড়লে আপনার আয়ের পরিমাণও কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে।

.


কিছু চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা 


সুবিধা অনেক থাকলেও ফাইলকয়েন ব্যবহারের কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এর মধ্যে অন্যতম হল ফাইলের গতি বা অ্যাক্সেস টাইম। গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউড থেকে কোনো ফাইল ক্লিক করার সাথে সাথে সেটি ওপেন হলেও, ফাইলকয়েন নেটওয়ার্ক থেকে ফাইল ফিরিয়ে আনতে কিছুটা বেশি সময় লাগে। সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফাইলের টুকরাগুলিকে খুঁজে এনে পুনরায় একত্রিত করতে ২ থেকে ৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে।


এছাড়া মাইনার হিসাবে কাজ শুরু করাটা সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা কারিগরি জটিলতাপূর্ণ। এই সেটআপের জন্য ভাল মানের হার্ডওয়্যার, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রয়োজন হয়, যা শুরুতে ৫০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকার একটি বড় বিনিয়োগের দাবি রাখে। 


পাশাপাশি এটি যেহেতু ক্রিপ্টোকারেন্সি বা 'FIL' টোকেনের ওপর নির্ভরশীল, তাই বিভিন্ন দেশের সরকারি আইনি কড়াকড়ি বা ক্রিপ্টো বাজারের অস্থিতিশীলতা আপনার আয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই উচ্চ নিরাপত্তার পাশাপাশি এই ছোটখাটো সীমাবদ্ধতাগুলি মাথায় রেখেই ফাইলকয়েন ব্যবহার করা উচিত।

.


বাস্তব উদাহরণ


ধরুন, একটি ছোট সিকিউরিটি কোম্পানি তাদের ১০ বছরের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে চায়, যার মোট আকার প্রায় ২০ টেরাবাইট। গুগল ক্লাউড বা এই জাতীয় প্রথাগত প্ল্যাটফর্মে এত বিশাল ডেটা রাখার জন্য তাদের বছরে প্রায় ৫.৫ লাখ টাকা গুণতে হবে, যা একটি ছোট ব্যবসার জন্য অনেক বড় বোঝা। কিন্তু ফাইলকয়েন ব্যবহার করে তারা বিশ্বের বিভিন্ন মাইনারদের কাছ থেকে এই একই জায়গা মাত্র ২৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকায় পেতে পারে। 


যেহেতু ফাইলগুলি এনক্রিপ্টেড বা লক করা থাকে, তাই যার কম্পিউটারে ফুটেজগুলি জমা আছে সে নিজেও তা দেখতে পারবে না। এতে খরচ যেমন ৯০% কমে যায়, তেমনি তথ্যের গোপনীয়তাও শতভাগ নিশ্চিত হয়।

.


ফাইলকয়েন মূলত স্টোরেজ বা তথ্য সংরক্ষণের ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছে। এটি সাধারণ মানুষকে তাদের অব্যবহৃত কম্পিউটারের জায়গা থেকে আয়ের সুযোগ করে দিচ্ছে, আর ব্যবহারকারীদের দিচ্ছে সাশ্রয়ী ও সর্বোচ্চ নিরাপদ একটি ব্যবস্থা। 


বড় সাইজের ফাইল, দীর্ঘমেয়াদী ব্যাকআপ বা ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সস্তায় এবং নিরাপদে রাখতে চাইলে ফাইলকয়েন একটি চমৎকার বিকল্প। যদিও ফাইল ফিরে পেতে গুগলের চেয়ে কয়েক মিনিট বেশি সময় লাগতে পারে এবং মাইনিং সেটআপে শুরুতে কিছুটা পরিশ্রম আছে, তবুও তথ্যের নিরাপত্তা ও মালিকানার প্রশ্নে এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা সমাধান।


#ডেট #নিরাপত্তা #ফাইলকয়েন

রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

Sterility (#বন্ধ্যাত্ব) মানে হলো – পুরুষ বা নারী উভয়ের সন্তান উৎপাদনে অক্ষমতা, অর্থাৎ গর্ভধারণে বারবার ব্যর্থ হওয়া।

 Sterility (#বন্ধ্যাত্ব) মানে হলো – পুরুষ বা নারী উভয়ের সন্তান উৎপাদনে অক্ষমতা, অর্থাৎ গর্ভধারণে বারবার ব্যর্থ হওয়া।


♦️নারীর বন্ধ্যাত্বের কারণ:♦️

- ডিম্বাণু তৈরি না হওয়া (Ovulation problem)  

- পলিসিস্টিক ওভারি (PCOS)  

- জরায়ু বা ডিম্বনালী ব্লক  

- হরমোন সমস্যা  

- আগের ইনফেকশন বা অপারেশন  


♦️পুরুষের বন্ধ্যত্বের কারণ:♦️

- শুক্রাণুর স্বল্পতা বা দুর্বলতা  

- শুক্রনালী ব্লক  

- হরমোনের সমস্যা  

- ধূমপান, মদ্যপান, স্ট্রেস


---


✅ ✅Sterility-এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (উপসর্গভিত্তিক):


🟣 নারীদের জন্য:

1. Sepia– মাসিক অনিয়ম, ঠাণ্ডা শরীর, যৌন অনীহা। চিকন চাকান,পুরুষালি চেহারা।পেট মোটা।কৃপণ এবং সহজেই কান্না করা স্বভাব। 


2. *Pulsatilla* – হরমোনাল সমস্যা, কোমল স্বভাব, দেরিতে মাসিক । পানিতে ভিজে রজঃরোধ।বন্ধ্যাত্বের কথা বলতে গিয়ে কান্না করে দেয়।সহজেই বশ্যতা স্বীকার করে। 


3. *Calcarea Carb* – স্থূল নারী, অতিরিক্ত ঘাম, ক্লান্তি । অনিয়মিত  মাসিক স্রাব।নানান ধরনের ভয়।পাগল হয়ে যাওয়ার ভয়, হাই পেলেসের ভয়,ইঁদুরের ভয় ইত্যাদি। 


4. *Natrum Mur* – গোপন দুঃখে ভোগে, পিরিয়ড স্বল্প বা বন্ধ । চিকন চাকান নারী।লবণের প্রতি আসক্ত। 


5. *Lachesis* – মাসিক রক্তপাত বেশি, গরমে অসহ্য, বাচাল স্বভাবের।সাপের ভয় পায়।সন্দেহ এবং হিংসুটে নারী।


6.*Natrum carb*—সাদাস্রাবের কারণে বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।রোদ,তাপ অসহ্য। দুধ অপছন্দ। 


★এছাড়া Medorrhinum,Borax,Caulophyllum ইত্যাদি।


🔵 *পুরুষদের জন্য:*

1. *Sabal Serrulata* – শুক্রাণুর সমস্যা, যৌন দুর্বলতা  

2. *Agnus Castus* – সেক্সে অনীহা, পুরনো হস্তমৈথুনের ইতিহাস  

3. *X-Ray* – শুক্রাণু স্বল্পতায় ব্যবহৃত হয়  

4. *Caladium* – যৌন ইচ্ছা থাকলেও শক্তি নেই  

5. *Phosphoric Acid* – মানসিক দুর্বলতা ও বীর্য পাতলা

6.*Lycopodium*—সেক্সের প্রতি প্রচন্ড আগ্রহ কিন্তু সামর্থ্য কম।দ্রুত ইজাকুলেশন হয়ে যায়।গরম এবং মিষ্টি খাবারে আগ্রহ। 

7.*Medorrhinum*–সাইকোটিক প্রধাণ ওষুধ। গণোরিয়া দোষে দুষ্ট ব্যক্তি।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...