এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

টিপসগুলো লাগবেই কোন সময় , টাইমলাইনে রেখে দিন--

 টিপসগুলো লাগবেই কোন সময় , টাইমলাইনে রেখে দিন--

👉হেঁচকি উঠেছে? 

১-২ গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন কিংবা ২০-৩০ সেকেন্ড শ্বাস নেয়া বন্ধ রাখুন এবং তারপর ১ গ্লাস পানি খেয়ে নিন। অধবা "নাক্স ভম ২০০" খান এক ডোজ। 


👉মাসিকের সময় ব্যথা হচ্ছে?

মাসিকের সময় তলপেটের ব্যথায় "ম্যাগফস থ্রীএক্স" ১ঘন্টা পর পর ৪বার উসুম গরম পানিসহ ৪টা ট্যাবলেট খান। 


👉গাড়ীতে চড়লে বমি হয়? 

গাড়ী চড়ার সময় কোন লেখা পড়বেন না।মোবাইলে চ্যাট করবেন না যা আপনার মোশন সিকনেসকে উদ্রেক করবে। মাথা ঘুরালে বা বমির ভাব হলেই চোখ বন্ধ করে সিটের হেলান দিয়ে বসে থাকুন। প্রয়োজনে "ককুলাস ইন্ডিকা ৩০"  খেতে পারেন।


👉প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করছে?

২.৫-৩ লিটার পানি খান। প্রস্রাব আটকে রাখবেন না। প্রয়োজনে "ক্যান্থারিস ২০০" এক ফোঁটা খান ২ঘন্টা অন্তর তিন বার।  ডায়াবেটিস হয়েছে কিনা চেক করুন।


👉কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে?

২.৫ - ৩ লিটার পানি ও প্রচুর শাকসবজি খান। প্রতিবেলা খাবারের পর  হাঁটুন ২০-৩০ মিনিট। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ১ গ্লাস পানি খেয়ে ৩০-৪০ মিনিট দ্রুতগতিতে হাঁটুন। প্রয়োজনে "নেট্রাম মিউর ১২এক্স" তিনবেলা খবার পর সামান্য গরম পানিসহ ৪টা ট্যাবলেট খান এক সপ্তাহ। 


👉পা ফুলে গেছে?

রাতে ঘুমানোর সময় পায়ের নিচে বালিশ রেখে ঘুমান। তাতে পায়ের ফোলা কমবে। 


👉ঘাড়ে ব্যথা? ঘাড় কামড়ায়?

নরম বালিশ ও নরম বিছানা পরিহার করুন। গরম পানির ব্যাগ দিয়ে সেক দিন।


👉হাঁটতে সমস্যা নেই। হাঁটতেও ভাল লাগে?

হাঁটুন,হোক সেটা ১-২ ঘন্টা কিংবা ৩০মিনিট।


👉হঠাৎ পায়ের গোড়ালি মচকে গেছে?

বরফের সেক দিন এবং পায়ের নিচে বালিশ রেখে সোজা হয়ে শুয়ে থাকুন। এবং "রাসটক্স ওয়ান এম" তিন ঘন্টা অন্তর তিন বার এক ফোঁটা খান। 


👉প্রেসার কমে গেছে?

৪চামচ মধু সামান্য পানিতে গুলিয়ে খেয়ে নিন দ্রুত।


👉হঠাৎ বসা থেকে উঠলে মাথা ঘোরে?

বসা থেকে উঠা ধীরে করুন কিংবা শোয়া থেকে ধীরে ধীরে বসুন। প্রেসার,ডায়াবেটিস চেক করুন। এবং "চায়না থ্রী এক্স" তিনবেলা খবার আগে সামান্য পানিসহ ১০ ফোঁটা খান ১৫ দিন। 


👉জ্বর হয়েছে?

জ্বর ১০০-১০১.৫ ডিগ্রি হলে প্রথমেই খাবেন "একোনাইট "


👉খুশখুশে কাশি হয়েছে?

লবণ ও হাল্কা গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করবেন।আদা,লেবু,লাল চা খাবেন। প্রচলিত কাশির সিরাপের চেয়ে গড়গড়া করা দ্বিগুণ কাজ করে। প্রয়োজনে "ব্রায়োনিয়া" খান। 


👉বমি বমি ভাব হচ্ছে?

চোখ বন্ধ করে অন্ধকার রুমে শুয়ে থাকুন কিছুক্ষণ। কিছুটা লেবু খেতে পারেন। অথবা "ইপিকা" খান ২/৩ ডোজ এক ঘন্টা অন্তর।


✍️ Latifuzzaman Rubel

জেনে রাখুন, দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাবেনঃ জনস্বার্থে শেয়ার করুন

♦️জেনে রাখুন, দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাবেনঃ জনস্বার্থে শেয়ার করুন।✅

১. সরকারী হাসপাতালে যে অপরিচিত লোকটি আপনার ঘনিষ্ট হিসাবে ডাক্তারকে পরিচয় দিবে, সে লোকটি একজন দালাল। শুরুতেই মার্ক করে রাখুন। এড়িয়ে চলুন। তাতে টাকা, সম্মান ও রোগী তিনটাই বাঁচবে।

২. জরুরী বিভাগ থেকে ভর্তির পর কাগজটি নিজ হাতে বহন করে নিজের ওয়ার্ডে যাবার অভ্যাস করুন। অথবা বহনকারী লোকটি আপনাকে বড়সড় খরচ করিয়ে শুইয়ে দিতে পারে।

৩. কাটা-ফাটা রোগীর ঔষুধ কিনে আনলে খেয়াল রাখুন আপনার কেনা এন্টিবায়োটিক, পেইন কিলার ও সুতা দিয়েই আপনার রোগীর চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এন্টিবায়োটিক ও সুতার দাম পাঁচ শতাধিক টাকা থেকে শুরু হয়। এগুলো চোরদের লক্ষ্যবস্তু।

৪. ডিউটি ডাক্তাররা (ইন্টার্ন বা ইউনিটের সিএ,

রেজিস্টার) উচ্চশিক্ষিত ও হাইলি কোয়ালিফাইড। সেখানে গিয়ে নিজের ক্ষমতা, শিক্ষাগতযোগ্যাতা, স্মার্টনেসের প্রমান দিতে যাবেন না। মনে রাখবেন, দে আর স্মার্টার দ্যান ইউ। দে আর মোর হিউম্যান দ্যান ইউ। আপনি যতটুকু ভদ্রলোক হবেন, তারা তার চাইতে বেশি ভদ্রলোকের মত আপনাকে চিকিৎসা দিবে।

৫. হাসপাতালের সব সিরিয়াস রোগীর চিকিৎসা শুরু হয় ইন্টার্ন/সিএ/

রেজিস্টারের হাত দিয়েই। তারা জানে কিভাবে রোগীকে দ্রুত সময়ে প্রাণরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হয়। বড় স্যার কবে দেখবে, কেন এখনো ডাক্তার আসছে না বলে বোকামীর পরিচয় দিবেন না।

৬. শুক্রবার হাসপাতালের রাউন্ড বন্ধ থাকে। এসময় ডাক্তার নাই, ডাক্তার দেখে নাই বলে কাউকে বিব্রত করবেন না।

৭. হাসপাতাল থেকে সাপ্লাইকৃত ঔষুধ ডাক্তাররা দিবে না। সংশ্লিষ্ট ঔষুধের জন্য নার্স বা ইনচার্জকে ভদ্রভাষায় বলুন।

৮. রোগীর পাশ থেকে আপনার সমস্ত আত্মীয়স্বজনকে সরিয়ে ফেলুন। তারা রোগীর কোন কল্যানে আসবে না। তাদের জন্য চিকিৎসা দেরি হয়, এমনকি রোগী মারা যেতে পারে। যত মানুষ কম তত রোগীর সুস্থ্য হবার সম্ভাবনা বেশি।

৯. সরকারী হাসপাতালে বেড এর জন্য অবসেসিভ(ঘ্যানঘ্যান) হবেন না। এখানে কেউ বেড দখল করে শুয়ে থাকেনা। সবাই অসুস্থ্য রোগী। সেখানে মুচি ডোম শুয়ে থাকলেও তাকে নামিয়ে আপনাকে উঠানো যাবেনা। বেড না থাকলে একজন ডাক্তারের মা নিজে অসুস্থ্য হয়ে আসলেও তাকে মেঝেতেই থাকতে হবে। সকল রোগী সমান। বেড ও মেঝের সবাইকে সমান চিকিৎসা দেওয়া হয়।

১০. কোন রাজনৈতিক পরিচয় দেবার চেষ্টা করবেন না। মনে রাখবেন, ঝামেলা এড়ানোর জন্য সকল ডাক্তার ঐ রোগীর কাছে যেতে অনীহা প্রকাশ করে। দিনশেষে ক্ষতিটা আপনারই।

১১. রোগী খাবে কি... বলে বারবার বিরক্ত করবেন না। যদি স্যালাইন চলে তাহলে ভেবে নিন তাকে আলাদা করে খাওয়াতে হবেনা। খাবার বন্ধ রাখা হয় রোগীর ভালোর জন্যই। কিছুক্ষন না খেলে আপনার রোগী মারা যাবেনা।

১২. ক্যানুলা খুলে গেছে, স্যালাইন অফ কেন, ঔষুধ কখন খাবে, কিভাবে খাবে, ঔষুধটা চেক করে দিন তো.... এই প্রশ্নগুলো নার্সকে ভদ্রভাষায় জিজ্ঞাসা করুন। সাধারণত এগুলো তাদের দায়িত্ব। তারা শিক্ষিত ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। তাদের সম্মান করুন।

১৩. যেকোন পুরুষ ডাক্তারকে মিস্টি কন্ঠে 'স্যার' ও মহিলা ডাক্তারকে 'ম্যাম/ম্যাডাম' বলে সম্বোধন করুন। একইভাবে মহিলা ও পুরুষ নার্সকে সিস্টার-ব্রাদার বলুন। আয়া বা কর্মচারীদের মামা ও খালা হিসাবে সম্বোধন করবেন। এগুলো আপনাকে ছোট করবে না বরং সম্মানীয় বানাবে। ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীরাও আপনাকে মিস্টিভাষায় সাহায্য করবে।

১৪. কেউ আপনার টাকা, ফোন ইত্যাদি হাতিয়ে নিলে তার চেহারা সুরৎ চিনে রাখুন। নিকটস্থ থানায় গিয়ে বলুন। বিলিভ মি- এটাতে কাজ হয়। সম্পত্তির উদ্ধার ও সাজা দুটো আমি প্রায়ই দেখছি। পুলিশ অনেক বেশিই সহায়তা করে। শুধু সাহস করে বলুন।

১৫. হাসপাতাল বিশাল জায়গা। কোন অন্ধকার করিডোর বা চিপায় যাবেন না। ছিনতাই হবার সম্ভাবনা আছে।

১৬. থুথু ফেলার জায়গা না থাকলে মাঝেমাঝে গিলে খাবার অভ্যাস করুন। আপনি হাসপাতাল যতটুকু নোংরা করবেন, বাকী সবাই আপনার ফেলানো থুথু দেখে সেখানে থুথু ফেলে ভাসিয়ে।দিবে। অপরাধের শুরুটা কিন্তু আপনিই করলেন।

১৭. সরকারী হাসপাতালের ডাক্তারদের উপর বিশ্বাস রাখুন। আপনি শুধুই লাভবান হবেন। কারণ সেবার বিনিমিয়ে ডাক্তাররা এক পয়সাও পকেটে ঢুকাবে না।

১৮. রোগী মারা গেলে ডাক্তারকে গালিগালাজ না করে স্বস্ব ধর্মের সৃষ্টিকর্তার কাছে অভিযোগ করুন। ডাক্তার একজন মানুষ। তিনি চেষ্টা করেছেন কিন্তু সৃষ্টিকর্তা আপনার রোগীর সুস্থ্যতা চাননি।


সৌজন্যে- ডাঃ তানিয়া সুলতানা

নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন৷

ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান৷

বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

৩ জানুয়ারী কায়েদে মিল্লাত  হাজী মুহসিন (রহঃ)এর জন্মদিন স্মরণে...

 ৩ জানুয়ারী কায়েদে মিল্লাত

 হাজী মুহসিন (রহঃ)এর জন্মদিন স্মরণে...


হাজী মুহাম্মদ মুহসীন: দুই শতাধিক বছর আগের এই 'দানবীর' সম্পর্কে যা জানা যায়।

বাঙ্গালি মুসলমানই শুধু নয়, এই অঞ্চলের শিক্ষা ও সামাজিক, দাতব্য কর্মকাণ্ডে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি- সেই তালিকায় শীর্ষে থাকা একটি নাম হাজী মুহাম্মদ মুহসীন।

নিজের সকল সম্পত্তি দান করা, শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারে ব্যয় করার জন্য এই অঞ্চলে 'দানবীর' হিসাবে খ্যাতি পেয়েছেন হাজী মুহাম্মদ মুহসীন।

অকৃতদার, অবৈষয়িক মুহসীন তার জীবনে বহু দেশ ঘুরেছেন। জীবন সম্পর্কে তার গড়ে উঠেছিল আলাদা ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি। 

ফলে তিনি যখন বোনের কাছ থেকে বিপুল সম্পত্তির মালিক হলেন, কয়েক বছরের মধ্যে সেগুলোর দানপত্র লিখে দিয়ে কোরান শরীফ কপি করে বাকি জীবন কাটিয়েছেন। 

''আইনি জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পর এই ফান্ডের তহবিল তখনকার সরকার বাঙ্গালির, বিশেষ করে বর্তমান বাংলাদেশ অঞ্চলের মানুষের শিক্ষার কাজে ব্যয় করতে শুরু করে। তাতে আমাদের একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বড় রকমের শিক্ষার একটি রেনেসাঁ শুরু হয়-বিশেষ করে অবহেলিত মুসলিম সমাজের জন্য।''

'যদিও মুহসীনের নামটা সেভাবে উচ্চারিত হয় না। কিন্তু মূলত তার অবদানেরই মুসলমানদের লেখাপড়ার প্রতি যে আগ্রহটা, সেটার একটা বড় অবদান হচ্ছে মহসিনের সেই তহবিলের।


স্মরণে

হাজী মুহাম্মদ মহসিন 

(৩ জানুয়ারি ১৭৩২ – ২৯ নভেম্বর ১৮১২)

-------------------------------------

ইরান থেকে বাঙ্গাল মুলুকে..

হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের জন্ম হয়েছিল ১৭৩২ সালের পহেলা অগাস্ট, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে। তবে হুগলির ইমামবাড়ার তথ্য অনুযায়ী, তার জন্মসাল ১৭৩০। 

তিনি অবশ্য তখনো হাজী হয়ে ওঠেননি, হজ করার কারণে সেই পদবি পেয়েছেন আরও প্রায় ২৮ বছর পরে। 

তার পরিবারের পূর্বপুরুষরা পারস্য বা ইরান থেকে ভারতবর্ষে এসেছিলেন। 

হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের দানের ইতিহাস জানতে হলে জানতে হলে ফিরে যেতে হবে সতেরোশ শতকের গোড়ার দিকে। 

সতেরোশো শতকের মাঝামাঝি মুহসীনের পিতামহ আগা ফজলুল্লাহ তার তার তরুণ পুত্র ফয়জুল্লাহকে নিয়ে ইরান থেকে বাণিজ্য করতে এসে মুর্শিদাবাদে বসবাস করতে শুরু করেন। 

কিছুদিন পরে তিনি হুগলির বাণিজ্যিক গুরুত্ব বুঝতে পেরে ছেলেকে মুর্শিদাবাদের দায়িত্ব দিয়ে হুগলিতে চলে আসেন। ব্যবসা বেড়ে যাওয়ায় তিনি পরবর্তীতে ছেলেকেও হুগলিতে নিয়ে আসেন। 

প্রায় একই সময় দিল্লির মুঘল দরবার থেকে হুগলিতে আসেন আগা মুহাম্মদ মোতাহার। তিনিও পারস্য থেকে এসেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইতিহাসের বইগুলোতে। হাজী ফয়জুল্লাহ তার বোনের ছেলে ছিল বলে একাধিক বইতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

বাদশাহ আওরঙ্গজেব তার বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতায় খুশি হয়ে তাকে এই অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। সেই সময় তাকে জমিদারিও দেয়া হয়। 

রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি লবণ ব্যবসার মতো নানা খাতে বিনিয়োগ করে অনেক সম্পত্তির মালিক হয়েছিলেন আগা মোতাহার। 

তার তিনজন স্ত্রী থাকলেও কোন পুত্র সন্তান ছিল না। আগা মোতাহার যখন মারা যান, তখন তার স্ত্রী জয়নাব খাতুনের গর্ভে জন্ম নেয়া সাতবছর বয়সী একটি মেয়ে ছিল, মরিয়ম খাতুন ওরফে মুন্নুজান। আগা মোতাহার তার সমস্ত সম্পত্তি মেয়ের নামে দিয়ে যান। 

আগা মোতাহার মারা যাওয়ার পর জয়নাব খাতুনকে বিয়ে করেন হাজী ফয়জুল্লাহ। সেই ঘরেই জন্ম হয় মুহম্মদ মুহসীনের। 

বড় বোনের হাত ধরে ছোট ভাইয়ের দাতব্য কর্মকাণ্ড শুরু

পিতা আলাদা হলেও সাতবছরের ছোট ভাইয়ের প্রতি মুন্নুজানের ভালোবাসা ছিল অনেক বেশি। তারা দুজন একই বাড়িতে বড় হয়ে ওঠেন। 

আগা মোতাহার ও হাজী ফয়জুল্লাহ- উভয়েই অত্যন্ত ধার্মিক ছিলেন এবং অনেক দানখয়রাত করতেন। জাকাতের পাশাপাশি তারা নানারকম দাতব্য কর্মে ব্যয় করতেন। 

ফলে মরিয়ম ওরফে মুন্নুজান এবং মুহসীন- উভয়েই পরিবারের ধর্মীয় ও দাতব্য কর্মকাণ্ড দেখতে দেখতে বড় হন। 

অধ্যাপক আমজাদ হোসেন লিখেছেন, সেই সময়ের রীতিনীতি অনুযায়ী, উভয়েই বাড়িতে থেকে শিক্ষকের কাছে পড়াশোনা শিখতে শুরু করেন। তাদের একজন শিক্ষক ছিলেন ইরান থেকে আসা আগা সিরাজি- যিনি ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি নানা দেশ ভ্রমণের কারণে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন। ধারণা করা হয়, মুন্নুজান ও মুহসীনের ওপর তার উদার দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব পড়েছিল। 

ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার পাশাপাশি কুস্তি, তরবারি লড়াই এবং অন্যান্য খেলাধুলা করতেন মুহাম্মদ মুহসীন। তারা দুই ভাইবোন সঙ্গীতের শিক্ষাও পেয়েছিলেন, সেতার বাজাতেন এবং গজল গাইতেন। 

হুগলির পড়াশোনা শেষ করে মাদ্রাসায় উচ্চশিক্ষার জন্য মুহসীনকে মুর্শিদাবাদে পাঠানো হয়। সেখানে পড়াশোনা শেষ করার পর ভারত ভ্রমণে বের হন তরুণ মুহসীন। 

মুহসীন যখন ভারত ভ্রমণে গিয়েছেন, তখন বিপুল সম্পত্তি গ্রাস করার উদ্দেশ্যে অনেকেই তার বোন মুন্নুজানকে বিয়ে করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিলেন। সেই সময় তাকে বিষ প্রয়োগে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ধারণা করা হয়। খুব তাড়াতাড়ি মুন্নুজান মির্জা সালেহ অথবা সালেহ-উদ-দিনকে বিয়ে করেন। তিনিও ছিলেন একজন জমিদার এবং অনেক ধনসম্পত্তির মালিক। 

এই দম্পতির কোন সন্তান ছিল না। তাদের জমিদারির আয়ের বেশিরভাগ অংশই তারা দাতব্য কাজে ব্যয় করতেন। 

১৭৬৩ সালে সালেহ-উদ-দিন মারা যাওয়ার পরে মু্ন্নুজান তার দাতব্য কর্মকাণ্ড আরও বাড়িয়ে দেন। যেহেতু কোন সন্তান ছিল না, তিনি প্রজাদেরই সন্তান বলে মনে করতেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুদান, মসজিদ তৈরি, কুয়া ও বিশাল পুকুর খনন, রাস্তাঘাট ও বাজার তৈরি করতে শুরু করেন। 

তিনি চেয়েছিলেন, তার মৃত্যুর পরেও যেন এসব কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে। তার বিশ্বাস জন্মে, এজন্য একমাত্র তার ভাই মুহাম্মদ মুহসীনের ওপর নির্ভর করা যায়। হুগলিতে ফিরে এসে বিষয় সম্পত্তির দায়িত্ব নেয়ার জন্য তিনি ভাইকে চিঠি লিখে পাঠান। 

ধারণা করা হয়, বোনের এসব দাতব্য কর্মকাণ্ড মুহাম্মদ মুহসীনকে অনুপ্রাণিত করেছিল। 

দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে হাজী মুহসীনের ফিরে আসা

বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠা মহসিনের সংসার জীবনে প্রবেশ করার কোন ইচ্ছাই ছিল না। তবে তিনি ফিরে এসে সত্তরের দুর্ভিক্ষে মানুষজনকে সহায়তা করতে শুরু করেন। সেই সময় তিনি 'জনতার রান্নাঘর' চালু করেছিলেন। 

দুর্ভিক্ষ কেটে যাওয়ার পর হজের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়েন মুহম্মদ মুহসীন। ধর্মীয় স্কলারদের সাথে তিনি মক্কা, মদিনা, কারবালা, নাজাফ ভ্রমণ করেন। এরপর মিশরে যান, সেখান থেকে তুরস্কে। 

তারপর যান তার পূর্বপুরুষদের দেশ ইরানে। ভারতে ফিরে এসে অনেক বছর তিনি লক্ষ্মৌতে কাটান। 

প্রায় ২৮ বছর পরে আবার হুগলিতে ফিরে আসেন হাজী মুহম্মদ মুহসীন। এতদিন ধরে অবশ্য তার বোন মুন্নুজান অনেক চিঠি পাঠিয়েছেন তাকে ফিরে আসার জন্য। 

নানা দেশ ভ্রমণ করে আসা হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের ব্যক্তিগত চাহিদা তেমন ছিল না। ফলে জমিদারির বিপুল আয়কে তিনি আল্লাহর দান মেনে নিয়ে সামাজিক ও জনগণের কাজে ব্যয় করতে শুরু করেন। 

''১৭৫৭ সালে ব্রিটিশদের কাছে স্বাধীনতা চলে যাওয়ার পর একটি স্বাধীন জাতি যেভাবে ঔপনিবেশিক শাসকদের কাছে নিগৃহীত হয়েছে, তার পেছনে জাতীয়তাবোধ না থাকা, তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর স্পৃহা তৈরি না হওয়ার পেছনে অশিক্ষাই প্রধান বিষয় বলে তার কাছে মনে হয়েছিল। এই জন্য তিনি দানে চেয়েছিলেন যেন শিক্ষার পেছনেই বেশি ব্যয় হয়।'' 

মুন্নুজান তার সমস্ত সম্পত্তি হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের নামে লিখে দেন। তার মৃত্যু হয় ১৮০৩ সালে। সেই সময় হাজী মুহসীনের বয়স প্রায় ৭০ বছর। 

হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের নিশ্চয়ই চিন্তা এসেছিল যে, তার মৃত্যুর পরে এই বিপুল সম্পত্তির কি হবে? তাই ১৮০৬ সালে তিনি পুরো সম্পত্তির ওয়াকফ বা দানপত্র করে দেন। সেখানে এই সম্পত্তির আয় কীভাবে বিলি বণ্টন করা হবে, তার বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়া হয়। 

সেখানে বলা হয়, ধর্মীয় স্থাপনার পাশাপাশি শিক্ষা, জনকল্যাণে এসব অর্থ ব্যয় করা হবে। 

হাজী মুহাম্মদ মুহসীন মারা যান এর ছয় বছর পরে, ১৮১২ সালে। কিন্তু এই ছয় বছরে দান করা সম্পত্তি থেকে তিনি এক টাকাও গ্রহণ করেননি। তার চমৎকার হাতের লেখায় কোরান শরিফ কপি করে তিনি নিজের ব্যক্তিগত খরচ চালিয়েছেন। হুগলি ইমামবাড়ায় এখনো এইরকম একটি কপি সংরক্ষিত রয়েছে। 

শিক্ষায় হাজী মুহসীনের অবদান..

মুন্নুজান অথবা হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের দান করা সম্পত্তির পরিচালনা নিয়ে পরবর্তীতে কিছু মামলা-মোকদ্দমার তৈরি হয়। যাদের পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। অবশেষ ১৮৩৪ সাল নাগাদ এই তহবিল ব্যবহারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয় তৎকালীন ব্রিটিশ শাসকেরা। 

সেই সময় এই তহবিলের আকার ছিল পাঁচ শতাংশ সুদে সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করা আট লাখ আটানব্বই হাজার চারশো রুপি এবং নগদ পাঁচ হাজার দুইশ ৪৩ রুপি। সরকারি বন্ড থেকে বছরের আয় ছিল ৪৪ হাজার ৩৯৪ রুপি। সেই সময়ের হিসাবে এটি অনেক টাকা। 

১৮৩৫ সালে এই তহবিল দিয়ে 'মহসিন এডুকেশনাল এনডাউমেন্ট ফান্ড' তৈরি করে ব্রিটিশ সরকার। 

হাজী মোহাম্মদ মুহসীন যেভাবে দানপত্র লিখেছিলেন, তাতে কিছু পরিবর্তন এনে ব্রিটিশরা দুইটি আলাদা তহবিল গঠন করে। তার একটিতে হাজী মহসিনের ইচ্ছা অনুযায়ী ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে ব্যয় যেমন শিয়া ধর্মকেন্দ্র ইমামবাড়ার খরচ, পেনশন প্রদান ও মোতোয়ালির বেতন ইত্যাদি খাতে ব্যয় হবে। সাধারণ ফান্ড নামের আরেকটি ফান্ড থেকে শিক্ষার পেছনে ব্যয় হবে। 

পরবর্তীতে এই তহবিল থেকে ১৮৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় হুগলি মহসীন কলেজ। এরপরে হুগলি কলেজিয়েট স্কুল, হুগলি ব্রাঞ্চ স্কুল, হুগলি মাদ্রাসা, সিতাপুর মাদ্রাসা, ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়। 

এই তহবিল থেকে একটি শিক্ষাবৃত্তিও চালু করা হয়, যা মেধাবী কিন্তু দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য আজও সহায়তা দিয়ে আসছে। 

১৮৭৩ সালে এই ফান্ড থেকে স্কলারশিপ চালু করা হয়। শুধু এটাই না, তখনকার স্কুলগুলোয় একজন আরবি শিক্ষকসহ বিশেষ করে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার ব্যাপারে এই ফান্ড থেকে সহযোগিতা আসতো।'' 

''তবে ওনার অর্থে প্রথম যে কলেজটি শুরু হয়, হুগলি মহসীন কলেজ- সেখানে কিন্তু সবাই পড়তে পারতেন। যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গুরুদেব মুখোপাধ্যায়, দিজেন্দ্রনাল রায়, অক্ষয় চন্দ্র সরকার, স্যার উপেন্দ্র নাথ ব্রহ্মচারী, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- এরকম বিখ্যাত বাঙ্গালিরা এই কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন। তাদের সবার অবদান সম্পর্কে আমরা জানি।'' 

কলমে: সায়েদুল ইসলাম

বিবিসি বাংলা, ঢাকা

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০১-২০২৬ খ্রি:।০

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০১-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার কাছে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন পেশ -- গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। 


আইপিএল-কে কেন্দ্র করে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কোন প্রভাব দেশের অর্থ-বাণিজ্যে পড়বে না --- মন্তব্য অর্থ উপদেষ্টার।


দেশে এলপিজির সরবরাহ সংকট নেই --- বললেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানী উপদেষ্টা।


সেন্টমার্টিন রক্ষায় টেকসই পরিকল্পনাসহ মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ পরিবেশ উপদেষ্টার।


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই -- বললেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ -- ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করলেন মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ছয়শ’ ৮২ জন।


শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল।


ভেনিজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপের ফলে বিঘ্নিত হয়েছে বিশ্ব নিরাপত্তা --- মন্তব্য জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের।


এবং সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে আগামীকাল ঢাকা ক্যাপিটালস – নোয়াখালী এক্সপ্রেসের এবং চট্টগ্রাম রয়্যালস - সিলেট টাইটান্সের মোকাবেলা করবে।

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম ০৬/০১/২০২৬

 সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম ০৬/০১/২০২৬

সংবাদ শিরোনাম

................................

* আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুরু --- প্রথম দিনে আপিল দায়ের ৪২ টি

 

* মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক ভিত্তি, একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্বই থাকবে না --- মন্তব্য করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

 

* বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তারেক রহমানের কাছে প্রধান উপদেষ্টার শোক বার্তা হস্তান্তর --- ইসলামাবাদে বাংলাদেশ মিশনে গিয়ে বেগম জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

 

ভেনিজুয়েলায় সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে বাংলাদেশের উদ্বেগ প্রকাশ --- জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান।

 


* নিরাপত্তা পরিষদে ভেনিজুয়েলা সংক্রান্ত বৈঠকে যেকোনো দেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের --- ডেলসি রদ্রিগেজের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেব শপথ গ্রহণ।

 

* বাংলাদেশে আইপিএল এর সকল খেলা সম্প্রচার বন্ধ।

 

* এবং সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সিলেট টাইটান্স ও রংপুর রাইডার্সের নিজ নিজ খেলায় জয়লাভ।

হোমিওপ্যাথি_নোসড_মেডিসিন_বেসিলিনাম (Bacillinum) 

 #আমি_হোমিওপ্যাথি_নোসড_মেডিসিন_বেসিলিনাম (Bacillinum) #বলছি

🌼 আমার জন্ম: আমি কোনো ফুল নই,কোনো গাছও নই।

আমি জন্মেছি—

👉 ক্ষয়ের গভীর ছায়া থেকে।

👉 Tubercular diathesis-এর বুকের ভেতর থেকে।

আমি সেই ওষুধ—

যে কাজ করে

👉 ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাওয়া মানুষদের জন্য।

যারা বাঁচে,

কিন্তু পুরোপুরি বাঁচে না।

🧪 আমি Proved

আমাকে প্রুভিং করেছেন—

👉 ড. Burnett।

তিনি দেখেছিলেন,

আমি সেই রোগীর ওষুধ—

যার অসুখ বারবার ফিরে আসে,

👉 ওষুধে সাময়িক ভালো হয়,

কিন্তু মূল শক্তি ফেরে না।

💠 আমার মায়াজম

👉 Pure Tubercular

আমি সেই রোগীর ওষুধ—

যার পরিবারে আছে

👉 যক্ষা,

👉 হাঁপানি,

👉 দীর্ঘস্থায়ী কাশি,

👉 বারবার সংক্রমণ,

👉 দ্রুত ভেঙে পড়ার ইতিহাস।

👩‍⚕️ আমি যেসব রোগে ব্যবহৃত হই

দীর্ঘস্থায়ী কাশি

হাঁপানি (বিশেষ করে শিশুর)

বারবার ঠান্ডা লাগা

সাইনুসাইটিস

অ্যাডিনয়েড, টনসিল

ক্রনিক ডায়রিয়া

ত্বকের পুরনো রোগ

হাড়-জয়েন্ট দুর্বলতা

বারবার জ্বর

দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি

👶 আমার শৈশব

আমি সেই শিশু—

👉 যে দেখতে ফ্যাকাসে।

💥 ওজন বাড়ে না

💥 বুক সরু

💥 চোখ বড় বড়

💥 ঘন ঘন অসুস্থ হয়

👉 মা বলে—

“বাচ্চাটা তো সারাক্ষণই দুর্বল।”

👦 কৈশোর—আমার প্রকৃতি

💥 পড়াশোনায় মেধা আছে

💥 কিন্তু শরীর টানে না

💥 সহজে হাঁপিয়ে যায়

💥 বন্ধুদের সাথে তাল রাখতে পারে না

👉 ইচ্ছে অনেক,

শক্তি কম।

👨 যৌবনে আমার রূপ

💥 কাজ করতে মন চায়

💥 কিন্তু শরীর ভেঙে পড়ে

💥 দীর্ঘস্থায়ী কাশি

💥 বুক ভারী লাগে

👉 মনে হয়—

“আমি কেন এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে যাই?”

👩 নারী রোগে আমার ভূমিকা

💥 মাসিক দুর্বল

💥 শরীর ভেঙে পড়ে

💥 সন্তান জন্মের পর দ্রুত ক্ষয়

💥 বারবার সংক্রমণ

👉 শরীর যেন ধরে রাখতে পারে না।

🧓 বয়স বাড়ার সাথে সাথে

💥 দীর্ঘদিনের রোগ

💥 ধীরে ধীরে ক্ষয়

💥 হাড়ে ব্যথা

💥 নিঃশ্বাসে কষ্ট

👉 আমি সেই রোগী,

যে ধীরে ধীরে ফুরিয়ে যায়।

💠 আমার প্রধান চেনার লক্ষণ (Keynotes)

1️⃣ যক্ষা বা TB-এর পারিবারিক ইতিহাস

2️⃣ বারবার অসুখে পড়া

3️⃣ ওষুধে অল্প সময় ভালো হওয়া

4️⃣ দ্রুত ক্লান্তি

5️⃣ ফ্যাকাসে মুখ, দুর্বল শরীর

6️⃣ শিশুর বৃদ্ধি কম

7️⃣ দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা হাঁপানি

⬆️ আমার বৃদ্ধি (Aggravation)

❄️ ঠান্ডা বাতাস

🌙 রাত

😓 পরিশ্রম

🌧️ স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া

⬇️ আমার উপশম (Amelioration)

🌞 রোদ

🔥 উষ্ণতা

😴 বিশ্রাম

🌿 পাহাড়ি বা খোলা বাতাস

🔄 আমার সম্পূরক

Tuberculinum

Calcarea phosphorica

❎ আমার ক্রিয়ানাশক

Camphor

⬅️ আমার পূর্বে উপকারী

Tuberculinum

➡️ আমার পরে ভালো চলে

Sulphur

🔥 আমার স্থিতিকাল

⏳ সাধারণত ৩০–৯০ দিন

(দীর্ঘস্থায়ী ও গভীর টিউবারকুলার কেসে)

🌼 শেষ কথা

যখন রোগী বলে—

“ডাক্তার, একটু ভালো হলেই

আবার অসুখ ফিরে আসে…”

👉 তখন আমি বুঝে ফেলি—

এটা সাময়িক রোগ নয়,

👉 বংশগত ক্ষয়।

আমি Bacillinum—

আমি সেই মানুষদের ওষুধ,

যারা ধীরে ধীরে

ভেতর থেকে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে,

কিন্তু

এখনও বাঁচতে চায়।


 কপি না করে শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন এবং পরবর্তী পোস্ট পেতে Next লিখুন

মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬

আরোগ্য_সূত্র_হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসায়

 #আরোগ্য_সূত্র_হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসায়-


📘 ডাঃ কনস্ট্যান্টাইন হেরিং-এর আরোগ্য সূত্র (Hering’s Law of Cure)


হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার দ্বিতীয় আরোগ্য সূত্র-


ডাঃ কনস্ট্যান্টাইন হেরিং (Dr. Constantine Hering) ছিলেন আমেরিকান হোমিওপ্যাথির অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও পথপ্রদর্শক। দীর্ঘ ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তিনি রোগ আরোগ্যের একটি স্বাভাবিক ও বৈজ্ঞানিক ধারা পর্যবেক্ষণ করেন, যা আজ “Hering’s Law of Cure” নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত।


এই সূত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগ নিরাময়ের/ আরোগ্যের সঠিক দিকনির্দেশনা হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


🩺 হেরিং-এর আরোগ্য সূত্র সমূহ-


১.★ উপর থেকে নিচের দিকে-

(From Above Downwards)


আরোগ্যের সময় রোগ শরীরের উপরের অংশ-

(মাথা, মুখ, বুক) থেকে ধীরে ধীরে নিচের দিকে (পেট, কোমর, পা) সরে যায়।


✅ উদাহরণ:-

মাথাব্যথা সেরে গিয়ে পায়ের ব্যথা দেখা দেওয়া — এটি সঠিক আরোগ্যের লক্ষণ।


২.★ ভিতর থেকে বাহিরের দিকে-


(From Within Outwards)

দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ (হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি) থেকে রোগ সরে ত্বক বা বাহ্যিক অঙ্গে প্রকাশ পায়।


✅ উদাহরণ:-

হাঁপানি কমে গিয়ে ত্বকে চুলকানি বা একজিমা দেখা দেওয়া — এটি আরোগ্যের ইঙ্গিত।


৩.★ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে-

(From More Vital to Less Vital Organs)


মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড, লিভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে রোগ সরে ত্বক বা পেশীর মতো কম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে আসে।


৪.★ সর্বশেষ উপসর্গ আগে সারে-


(Symptoms Disappear in Reverse Order of Appearance)

যে উপসর্গগুলো সর্বশেষ দেখা দিয়েছিল, সেগুলো আগে সারে।

আর মুল উপসর্গগুলো সবশেষে সারে।


⭐ হেরিং-এর সূত্র কেন গুরুত্বপূর্ণ?


১. চিকিৎসা সঠিক পথে চলছে কি না—তা বোঝা যায়।

২. ভুল বা দমনমূলক চিকিৎসা শনাক্ত করা সম্ভব।

৩. দীর্ঘমেয়াদি রোগে আরোগ্যের প্রকৃত ধারা মূল্যায়ন করা যায়।


🩺 ব্যবহারিক উদাহরণ-


দমন চিকিৎসা-

একজন রোগীর আগে একজিমা ছিল, পরে দমন চিকিৎসার কারণে হাঁপানি দেখা দেয়।


আরোগ্য চিকিৎসা-

সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় হাঁপানি কমে গিয়ে আবার একজিমা ফিরে আসে।

★ সঠিক আরোগ্য প্রক্রিয়ার স্পষ্ট লক্ষণ, কারণ রোগ ভিতর থেকে বাহিরের দিকে এসেছে।


গুরুত্বপূর্ণ নোট -


🔹 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

🔹 নিজে নিজে ওষুধ সেবন না করে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🔹 এই পোস্টটি শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত।


✍️ ডা. জিয়াউল হক 

মাহিন হোমিও মেডিকেল 


@highlight 

#principles #Education #everyoneシ゚ #homoeopathy #drziaulhaque 

#mahinhomeomedical 

#Homeopathy 

#DrHering 

#HomeopathyEducation

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৫-০১-২০২৬ খ্রি:।ো

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-০১-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুরু --- প্রথম দিনে আপিল দায়ের ৪২ টি।


মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক ভিত্তি, একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্বই থাকবে না --- মন্তব্য করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তারেক রহমানের কাছে প্রধান উপদেষ্টার শোক বার্তা হস্তান্তর।


দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত।


ভেনিজুয়েলায় মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের ঘটনায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক --- জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান বাংলাদেশের।


বাংলাদেশে আইপিএল এর সকল খেলা সম্প্রচার বন্ধ।


এবং ‎সিলেটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৬ উইকেটে  হারিয়েছে  সিলেট টাইটান্স --- এখন চট্টগ্রাম রয়্যালসের মোকাবেলা করছে রংপুর রাইডার্স।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ০৫-০১-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ০৫-০১-২০২৬


আজকের সংবাদ শিরোনাম

......................................................


* প্রধান উপদেষ্টার কাছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ– গুমের পেছনে মূল কারণ ছিলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য

 

* আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষ --- আজ থেকে আপিল শুরু, চলবে ৯ই জানুয়ারি পর্যন্ত।

 

* শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদেরকে নিরপেক্ষ, পেশাদার ও দায়িত্বশীল থাকতে হবে --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

 

* গণভোটের সার্বিক বিষয়ে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করার জন্য গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।

 

* দেশে বর্তমানে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ পরিমাণ খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে ---জানালেন খাদ্য উপদেষ্টা

 

* ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হবে আজ

 

* এবং আজ সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে সিলেট টাইটান্স- নোয়াখালী এক্সপ্রেসের এবং চট্টগ্রাম রয়্যালস - রংপুর রাইডার্সের মোকাবেলা করবে

সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬

তরুণ সর্দির হোমিও ঔষধ 🔻

 🔻🔻তরুণ সর্দির হোমিও ঔষধ 🔻🔻


🛑একোনাইট ন্যাপ(Aconite Nap)3X


👉হঠাৎ শুষ্ক ঠান্ডা হাওয়া লেগে সর্দি। তরুণ সর্দিতে হাঁচির পর হাঁচি,নাক দিয়ে জলের মতো শ্লেষ্মা বের হয়। 

নাক জ্বালা করে। সামান্য পিপাসা থাকে।খুবই অস্বস্তি বোধ করে এবং অস্থির হয়। গরমে উপশম( আর্সেনিক)

ইত্যাদি লক্ষণে উপকারী। 

(সেবন বিধি)—একমাত্রা করে দুই ঘন্টা অন্তর কয়েক মাত্রা সেবনে অব্যর্থ। 


🛑এলিয়াম সেপা (Alium Sepa) 6:


👉ইহা সর্দির একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। সর্দির স্রাব জলের মত পাতলা, স্রাবে নাক ও ঠোঁট হেজে যায়, জ্বালা করে, চোখ জ্বালা করে এবং চোখ দিয়ে জল পড়ে, অনবরত হাঁচি, সামনের কপালে বেদনা। যাদের নাকে পলিপসহ সর্দি-হাঁচি-কাশি থাকে, তাদের পক্ষে ইহা খুবই উপযোগী।

(সেবন বিধি) — এক মাত্রা করে ৩/৪ ঘন্টা পর পর কয়েক মাত্রা সেবনে উপকার।


🛑এভেনা স্যাটাইভা (Avena Sat) 3 :


👉স্নায়বিক দুর্বল বয়স্ক ব্যক্তিদের তরুণ সর্দিতে ইহা উপযোগী। পুরুষদের ধ্বজভঙ্গ এবং মহিলাদের নানাবিধ ঋতুকষ্টে ও  ইহা উপকারী।

(সেবন বিধি) — ১৫–২০ ফোঁটা মাত্রায় উষ্ণ জলসহ দিনে ২/৩ বার কয়েক মাত্রা সেবন।


🛑স্টিক্টা পালমোনারিস (Sticta Pulmonaris) 6:


👉ইহার রোগীর ঠাণ্ডা লেগে সর্দি হওয়ার পূর্বে কপালে ও নাসিকা মূলে ভার বোধ এবং বেদনা হয়। পরে অধিক মাত্রায় সর্দির স্রাব নির্গমনে বেদনার উপশম। রোগীর বার বার নাসিকা ঝাড়তে ইচ্ছা হয়।হাঁচি হয়। সর্দির স্রাব শুকিয়ে নাকের মধ্যে পিচুটি পড়ে, গলা সুড় সুড় করে ঘন ঘন কাশি, রাতে খুব বৃদ্ধি পায়। ইহার কাশিতে প্রায় নাক বন্ধ থাকে ও হাঁচি হয়।

(সেবন বিধি) — এক মাত্রা করে দৈনিক ৩ বার কয়েক মাত্রা সেবন।


🛑ডালকামারা (Dulcamara) 6 বা 30:


👉গরমের পর ঠাণ্ডা লেগে বা জলে ভিজে ঠাণ্ডা লেগে অথবা শরৎ কালে সর্দি কাশি হলে, ভিজা সেঁৎ স্যাঁতে কিংবা ঠাণ্ডা স্থানে বাস করে কোন তরুণ পীড়া হলে (নেট্রাম সালফ) ইহা উপযোগী।

(সেবন বিধি) — এক মাত্রা করে দিনে ৩/৪ বার দু’এক দিন সেবন।


👉লক্ষণানুসারে (Symptomatic) ঃ—

আর্সেনিক, ওলিয়াম, কষ্টিকাম, ক্যাম্ফর, বেলাডোনা, মেডোরিনাম, নেট্রাম মিউর, স্যাঙ্গুইনেরিয়া নাইট।

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...