এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ?

 🫀হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ?



সমাধানঃ-

হার্ট এর ওজন প্রায় 300 গ্রাম। 

✅ হার্টের কাজঃ

পুরো শরীরে ব্লাড পাম্প করা। হার্ট ১ মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।

হার্ট, প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ বার পাম্প করে থাকে।

হার্ট একবার পাম্প করলো মানে পুরো বডি তে ব্লাড পৌঁছে গেলো।


✅ হার্ট এর অসুখ কী :-

হার্ট এর অসুখ মানে আর্টারি তে চর্বি জমে যাওয়া, কোলেষ্টেরোল জমে যাওয়া, ফ্যাট জমে  যাওয়া।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ধীরে ধীরে হার্ট এর ব্লাড সাপ্লাই ক্ষমতা কমে যায়।

এটাকেই বলা হয় হার্টের অসুখ।

বর্তমানে হার্টের অসুখ টি বিশ্বের সব চেয়ে বড় অসুখ।

যেদিন হার্টের ব্লাড সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন  হার্ট টাও বন্ধ হয়ে যাবে, মানে হার্ট এট্যাক হয়ে যাবে।

হার্ট এর আর্টারি গুলো 3-4 mm মোটা হয়।


✅ হার্ট এ ব্লকেজ হতে কত সময় লাগে?

বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে হার্ট ব্লকেজ তৈরী হয়।

মানুষ জন্মের পর পর ই ব্লকেজ তৈরী শুরু হয় না।

18-20 বছর বয়স থেকে এই ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে।

70%, 80%, 90% ব্লকেজ তৈরী হতে কম করে 30-40 বছর সময় লাগে।

50% ব্লকেজ হয়ে গেলেও মানুষ কোনো কষ্ট অনুভব করে না।

কারণ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য আরও 50% বাকি থাকে।


✅ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য হার্ট এর প্রয়োজন 10%, 20%, 30% জায়গা।

10% প্রয়োজন যখন মানুষ বসে থাকে।

20% প্রয়োজন যখন হাঁটা চলা করে।

30% প্রয়োজন যখন মানুষ দৌড়ায়।

যেদিন মানুষের ব্লকেজ 70% এর বেশি হয়ে যায় সেদিন থেকে মানুষ হার্ট এর সমস্যা অনুভব করতে থাকে। সেদিন থেকে কষ্ট শুরু হয়ে যায়।


✅ যদি দৌড়ালে বুকে ব্যাথা অনুভব হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 70% ক্রস করেছে।


যদি হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হয় তাহলে বুঝতে হবে ব্লকেজ 80%।


যদি সামান্য 10 ধাপ হাঁটলেই ব্যাথা হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 90%।


✅ এখানে বোঝা গেলো হার্ট এর পেশেন্ট 70% ব্লকেজ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমস্যা সাধারণত বুঝতে পারে না।


✅ হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হলে এই পর্যায়কে বলা হয় "এনজাইনা।"

2%/year ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে 20 বছর বয়সের পর থেকে।


*** আমার লিখা পড়ে হার্ট এর অসুখ সম্পর্কে বুঝতে সময় লাগলো মাত্র কয়েক মিনিট, কিন্তু আপনি যদি কোন হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক যান তাহলে উনারা আপনাকে এতো বিস্তারিত বোঝাবে না, শুধু বলবে আপনার "করোনারী আর্টারি ডিজিজ "এ আক্রান্ত।


✅ আধুনিক উপায়ে ব্লকেজ পরীক্ষা, যেটা ও সঠিক নয়ঃ

আধুনিক যুগের ক্যার্ডিওলোজিস্ট রা ব্লকেজ এর পার্সেন্টেজ বোঝার জন্য তার ঢুকিয়ে এনজিওগ্রাফিক করেন, যেটাতে রেজাল্ট আসে রাউন্ড ফিগার যেমন 70%, 80%, 90%।

আমাদের মতে যেটা সঠিক নয়। কারণ সঠিক হলে রাউন্ড ফিগার না হয়ে হতো 70.25%, 80.03%, 90.৮১%।


✅ হার্ট এট্যাক মানে কি?

70% ব্লকেজ এর পর ধীরে ধীরে ব্লকেজ বাড়তে থাকে। এই ব্লকেজ এর উপর একটা পর্দা থাকে এবং ব্লকেজ বাড়ার সাথে সাথে পর্দাটির উপরেও চাপ তৈরী হতে থাকে।

এই চাপ বাড়তে বাড়তে একদিন হঠাৎ পর্দাটা ছিঁড়ে যায়।

পর্দা ছিঁড়ার সাথে সাথে পর্দার নিচে থাকা কেমিক্যাল রক্তে গিয়ে মিশে যার ফলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।

রক্ত জমাট বেঁধে গেলে এটাকে বলা হয় "ক্লট"।

এটি আর্টারির রাস্তা পুরো পুরি ব্লক করে দেয়। ব্লক 100% হয়ে যায়, হার্ট এ রক্ত পৌঁছতে পারে না তখন এটাকেই বলা হয় "হার্ট অ্যাটাক"।


✅ হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়ঃ

ব্লকেজ 70%, 80%, 90% হয়ে গেলেও চেষ্টা করতে হবে ব্লকেজকে রুখে দেয়া।

ব্লকেজ না বাড়লে পর্দাটা ছিঁড়বে না, হার্ট অ্যাটাকও হবে না।


আরও ভালো হয় পর্দার নিচে জমে থাকা কিছু চর্বি যদি ধীরে ধীরে বের করে দেয়া যায়। সেজন্য নিয়মিত কমকরে হলেও ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। চর্বি জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে, ভাত, রুটি, মিষ্টি জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে।

শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।


✅ বুকে ব্যাথা অনুভব করলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


#heart #HeartHealthTips #healthtips

শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

স্বামী'র রচনা পড়েছেন?? যদি না পড়ে থাকেন, তাহলে পড়ে নিন,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 'স্বামী'র রচনা পড়েছেন?? যদি না পড়ে থাকেন, তাহলে পড়ে নিন 

✅ভুমিকাঃ ---------

"""""""""""'"'"'''"""

স্বামী একটি গৃহপালিত ও স্ত্রীভক্ত প্রাণী।পুরুষমানুষ বিয়ের মাধ্যমে স্বামীতে রূপান্তরিত হয়ে থাকে। এদের সঠিকভাবে পোষ মানালে ঘর ও বাইরের সমস্ত রকম কাজে ব্যবহার করা যায়।

✅আকৃতিঃ_-----------

________________

এদের সাধারণত একটি ভুঁড়ি, শক্ত ঘাড়, দুর্বল মেরুদণ্ড এবং টুপি পরবার উপযোগী মাপসই একটি মাথা থাকে।

✅প্রকৃতিঃ -------------

"""""""""""""""""

এরা সাধারণতঃ নিরীহ, শান্তিপ্রিয় ও ঝগড়াঝাঁটীতে অপটু হয়ে থাকে। বিয়ের আগে এদের স্বভাবে সিংহের বল থাকলেও বিয়ের পর সেই সিংহ দুর্গারূপিণী স্ত্রীর বাহনে পরিনত হয়। তাই এরা স্ত্রী-প্রভুর অবাধ্য হয়ে চরম অশান্তি ভোগের আশঙ্কায় চিরকাল মিনমিনে স্বভাবের মিনসে হয়ে থাকে। এরা পুরনো কথার দিন-ক্ষণ, নাড়ি-নক্ষত্র সেভাবে মনে রাখতে পারেনা বলে ঝগড়া বা বিতর্কে প্রায়শই পরাজিত হয়। 

✅উপকারিতাঃ ------------

""""""""""""""""""""""

স্বামী উপকারী ও ভীষণভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি প্রাণী। এরা ছুটির দিনে সংসারের নানাবিধ কাজ, যেমন প্যান পরিস্কার, ফ্যান পরিষ্কার প্রভৃতি করে থাকে। এছাড়া এরা স্ত্রীর চোখে আইলাইনার, আইশ্যাডো প্রভৃতি লাগিয়ে দিয়ে, শাড়ির কুঁচি ধরে স্ত্রীকে রূপচর্চাতে সাহায্য করে। এরা ভ্রমণের সময়ে কুলীরূপ ধারণ করে ভারী ব্যাগ বহন করে, কখন বা এরা ড্রাইভার রূপ ধারণ করে স্ত্রীকে লং ড্রাইভে নিয়ে যায়। এদেরকে বিবাহ করে অনেক অতি সাধারণ নারী বিদেশভ্রমণ ও বসবাসের সুযোগ পায়। কর্মক্ষেত্রে অবসরের পর এদেরকে নাতি-নাতনি প্রতিপালন, ঘর পাহারা, বারবার

দোকানে গিয়ে প্রয়োজনীয় টুকিটাকি জিনিস কিনে আনা – এই ধরনের গৃহস্থালির কাজে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

✅অপকারিতাঃ -----------

"""""""""""""""""""""""""

অনেক প্রকার স্বামী অফিসের কাজে অধিকাংশ দিন রাতকরে বাড়ী ফেরে। অনেকে আবার বাড়ীতে অফিসের কাজও নিয়ে আসে।তাই এরা স্ত্রীকে তাদের চাহিদামতো সময়দিতে পারে না। অধিকাংশ স্বামীই স্ত্রীকে শপিং- এ নিয়ে গিয়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। তাদের শাড়ী, গয়না কেনার যথাযথ সঙ্গী হতে

পারে না। 

✅উপসংহারঃ -------------

"""""""""""""'"""""""""

গৃহপালিত প্রাণীদের মধ্যে সংসারে স্বামীরচেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রাণী বিরল । যে আবিষ্কারক--স্বামীদের  পোষ মানানোর জন্য "স্ত্রী" নামক ‘যন্তর’- টি আবিষ্কার করেছিলেন, তাঁর কাছে 

পৃথিবীবাসি চির-কৃতজ্ঞ থাকবে। 🤪

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৩-০১-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৩-০১-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রচারাভিযানে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী।


 


 


নির্বাচিত সরকারই মানুষের সমস্যার সমাধানে কাজ করতে পারে উল্লেখ করে ভাষানটেকে নির্বাচনী জনসভায় নিজের জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


 


 


নির্বাচিত হলে উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানীতে রূপান্তর করা হবে ---  পঞ্চগড়ে নির্বাচনী জনসভায় বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমান।


 


 


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রকৃত দেশপ্রেমিকদের সংসদে পাঠানোর নির্বাচন --- মন্তব্য এনসিপি’র আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলামের।


 


 


নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে উদযাপিত হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা।


 


 


আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারি আগাম নির্বাচনের প্রাক্কালে আজ দেশটির পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন  জাপানের প্রধানমন্ত্রী।


 


 


এবং মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের বিপক্ষে ১৭৫ রানের জয়ের লক্ষে এখন ব্যাট করছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ  ২৩-০১-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ  ২৩-০১-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


উচ্চশিক্ষায় সূচনা হলো নতুন ধারার---প্রশাসনিক জট নিরসনে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ-২০২৬’ অনুমোদিত।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের যাতায়াত সুবিধা ও আইনশৃংখলা নিশ্চিতে ১১ই ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি --- জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরুর প্রথম দিনে গতকাল ব্যস্ত সময় পার করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা – ভোটারদের পক্ষে টানতে তুলে ধরেন নানা প্রতিশ্রুতি।


 আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনও সুযোগ নেই --- দৃঢ়ভাবে বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


ন্যাটো গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের পক্ষে আলোচনা করতে পারে না --- এ বিষয়ে ন্যাটোর সঙ্গে একটি চুক্তি অর্জিত হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন দাবির পর মন্তব্য করলো ডেনমার্ক।  


এবং বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে আজ চট্টগ্রাম রয়্যালসের মুখোমুখি হবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

মাদার টিংচার ​পর্ব-০৭০,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাদার টিংচার

​পর্ব-০৭


​মাদার টিংচার সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের সঠিক নিয়ম।

_______________________________

​একটি মাদার টিংচার কতটুকু কার্যকর থাকবে, তা নির্ভর করে সেটি আপনি কীভাবে সংরক্ষণ করছেন তার ওপর। ভুলভাবে সংরক্ষণের ফলে ওষুধের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, এমনকি তা বিষক্রিয়াও তৈরি করতে পারে।

​১. কাঁচের বোতলের গুরুত্ব:

মাদার টিংচার সবসময় কাঁচের বোতলে রাখা উচিত।সবসময় উচ্চমানের কাঁচের বোতল ব্যবহার করা উচিত। কাঁচ রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয়, তাই এটি ঔষধের সাথে কোনো বিক্রিয়া করে না।

​কেন প্লাস্টিক নয়? প্লাস্টিক অ্যালকোহলের সংস্পর্শে এসে রাসায়নিক বিক্রিয়া করতে পারে, যা ওষুধের বিশুদ্ধতা নষ্ট করে।

​কেন অ্যাম্বার (Amber) বা বাদামী রঙের বোতল? বাদামী রঙের কাঁচ সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মিকে (UV rays) ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়।

​২. আলোর প্রভাব:

সরাসরি সূর্যালোক বা তীব্র আলো মাদার টিংচারের রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন করে দিতে পারে (Photo-oxidation)। তাই ওষুধ সবসময় অন্ধকার বা ছায়াযুক্ত স্থানে রাখা উচিত।রান্নাঘরের চুলার পাশে বা সরাসরি রোদ পড়ে এমন জানালার পাশে ঔষধ রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অতিরিক্ত তাপে অ্যালকোহল বাষ্পীভূত হয়ে ঔষধের শক্তি (Potency) পরিবর্তন করে দিতে পারে।

​৩. তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রণ:

মাদার টিংচার অতিরিক্ত গরমে রাখা যাবে না। ওষুধের স্টোর রুম বা ড্রয়ার শীতল ও শুষ্ক হওয়া প্রয়োজন।এটি কক্ষ তাপমাত্রায় (২৫° সেলসিয়াসের আশেপাশে) রাখা আদর্শ।অতিরিক্ত তাপে অ্যালকোহল বাষ্পীভূত হয়ে ওষুধের পোটেন্সি বা শক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে, যা কাঙ্ক্ষিত নয়।

​৪. বায়ুরোধী ছিপি (Air-tight Stopper):

মাদার টিংচারের বোতলের মুখ সবসময় টাইট করে বন্ধ রাখতে হবে। বাতাস ঢুকলে অ্যালকোহল উড়ে যেতে পারে এবং বাইরের আর্দ্রতা ওষুধের গুণমান কমিয়ে দেয়। এছাড়া কাঁচের ছিপি ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।সহজ কথায়, Airtight Sealing বা বায়ুরোধী ঢাকনা কেন ব‍্যবহার করবো?

​মাদার টিংচারে উচ্চমাত্রায় ইথাইল অ্যালকোহল থাকে যা খুব দ্রুত উদায়ী (Volatile)।তাই ​বোতলের ছিপি বা ঢাকনা সবসময় শক্ত করে লাগিয়ে রাখতে হবে।

​ঢাকনা ঢিলে থাকলে অ্যালকোহল উড়ে যাবে এবং ঔষধের ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে এর গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাবে।

​৫. গন্ধ থেকে সাবধান:

হোমিওপ্যাথিক ওষুধ​ অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং খুব দ্রুত গন্ধ শোষণ করে। তাই তীব্র গন্ধযুক্ত বস্তু যেমন- কর্পূর,মেন্থল, পারফিউম,কড়া গন্ধযুক্ত মসলা বা তেলের পাশে মাদার টিংচার রাখা একদম উচিত নয়।তীব্র গন্ধ ঔষধের সূক্ষ্ম শক্তিকে ব্যাহত করতে পারে।

৬.আর্দ্রতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা :

​স্যাঁতসেঁতে স্থানে ঔষধ রাখলে বোতলের ছিপিতে ছত্রাক বা ফাঙ্গাস পড়তে পারে। তাই শুকনো স্থানে ঔষধ সংরক্ষণ করুন।

​একটি ঔষধ ব্যবহারের পর অন্য ঔষধ ধরার আগে হাত ভালো করে পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত যাতে ক্রস-কন্টামিনেশন না হয়।

​মনে রাখবেন:

মাদার টিংচারের বোতলে অবশ্যই পরিষ্কার লেবেল থাকতে হবে, যেখানে ওষুধের নাম, ড্রাগ পাওয়ার, তৈরির তারিখ এবং এক্সপায়ারি ডেট (যদি থাকে) স্পষ্ট লেখা থাকবে। সঠিকভাবে সংরক্ষিত মাদার টিংচার বহু বছর পর্যন্ত তার কার্যকারিতা বজায় রাখতে পারে।মাদার টিংচারের বোতলটি হাতে নিয়ে যদি দেখেন সেটি ঘোলাটে হয়ে গেছে বা নিচে অস্বাভাবিক তলানি জমেছে (যা আগে ছিল না), তবে বুঝবেন ঔষধটি নষ্ট হয়ে গেছে বা এর অপব্যবহার হয়েছে।

আগামী পর্বে এ বিষয়ে আরেকটু ভেঙে ভেঙে আলোচনার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ.....


---


✍️


ডা. মুহাম্মদ ফায়েক এনাম

(ফুল-টাইম ডেডিকেটেড হোমিওপ্যাথ)।

ডিএইচএমএস।

চেম্বার :

আয়েশা হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র।

নতুন ব্রীজ।

কর্ণফুলী সিটি গার্ডেন (২য় তলা),

রুম নং-৩৫

চট্টগ্রাম সিটি।

01848-144199

শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

জরায়ুর ক্যান্সার- এর হোমিও চিকিৎসা

 জরায়ুর ক্যান্সার (Uterus cancer) কি? এর কারণ লক্ষণ এবং এর কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন।


জরায়ুর ক্যান্সার-


জরায়ুর মুখে (Cervix) অস্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি থেকে যে ক্যান্সার হয় তাকে জরায়ুর ক্যান্সার বলে।


**জরায়ুর ক্যান্সারের প্রধান কারণ-


1. HPV (Human Papilloma Virus) সংক্রমণ – সবচেয়ে বড় কারণ


2. অল্প বয়সে যৌন জীবন শুরু


3. একাধিক যৌন সঙ্গী


4.দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করা জরায়ুর ক্ষত / ইনফেকশন


5. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া


6. দীর্ঘদিন গর্ভনিরোধক পিল ব্যবহার


**জরায়ুর ক্যান্সারের লক্ষণ —


১.সহবাসের পর রক্তপাত


২.মাসিক ছাড়াও রক্তপাত


৩.মেনোপজের পর রক্তপাত


৪.দুর্গন্ধযুক্ত সাদা/পুঁজের মতো স্রাব


৫.তলপেটে ব্যথা 


৬.সহবাসের সময় ব্যথা


৭.দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া


** জরায়ুর ক্যান্সারের কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন। 


1.Arsenic alb.


জরায়ুর মধ্যে ক্ষত, ব্যথা, জ্বালাকর ব্যথা। 


কালচে বর্ণের দুর্গন্ধ স্রাব। 


ব্যথা যন্ত্রণা গরম প্রয়োগে উপশম 


রোগীর মধ্যে অস্থিরতা ও মৃত্যু ভয় থাকে।


2.Conium.


জরায়ু গ্রীবা শক্ত। 


জ্বালাকর ব্যথা, ছুচ ফোটানো, খোঁচা বা ঘাই মারা ব্যথা। 


ঋতুস্রাবের সময় স্তনে টাটানি ব্যথা। 


জরায়ুতে শক্ত টিউমার


সহবাসে ব্যথা


3. Hydrastis canadensis


দুর্গন্ধযুক্ত ঘন স্রাব


জরায়ুর ক্ষত


মাংস ধোয়া জলের মত এবং আঠালো প্রকৃতির প্রদরস্রাব সহ তলপেটে অনেক যন্ত্রনা। 


দুর্বলতা।


4.kreosotum.


জরায়ুর মুখে ক্ষত ও জ্বালা। 


রক্তের কলতানির মত দুর্গন্ধ স্রাব। 


রাত্রে ব্যথা বৃদ্ধি পায়। 


সহবাসের পর রক্তপাত।


5.Carcinosin.


ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস


দীর্ঘদিন দমনকৃত রোগ


মানসিক চাপ


6.lachesis


ঋতুস্রাব চিরতরে বন্ধ হবার পরে জরায়ুর ক্যান্সার।


রোগীর যেকোনো স্রাব নির্মমনে ব্যথা যন্ত্রণার উপশম। 


7.Carbo animalis.


জরায়ু শক্ত, কঠিন। 


কেটে ফেলা মত, জ্বালাযুক্ত ব্যথা। 


ঋতুস্রাব শুরু হলে রোগী এত দুর্বল হয়ে পড়তো যে 

কথা বলতে কষ্ট হয় হত, এ ধরনের হিস্ট্রি পাওয়া যায়। 


8.Arsenic  Iod.


জরায়ুতে ফাইব্রয়েড টিউমার ব্যথা। 


জ্বালাকর ব্যথা সহ রোগী খুবই গরম কাতর। 


9.Lapis album


জরায়ু ক্যান্সারে ভীষণ জ্বালা যন্ত্রণা সহ প্রচুর রক্তস্রাব  হলে, লেপিস অ্যালবাম ওষুধটি খুবই কার্যকরী। 


10. Phosphorus.


রক্তস্বল্পতা, হালকা-পাতলা লম্বা গড়নের। 


রোগী দেখতে খুবই সুন্দর।


রোগীর জরায়ুতে ক্ষত।


রক্তস্রাব প্রবণতা, রক্ত উজ্জ্বল লাল বর্ণের। 


এছাড়াও জরায়ুর ক্যান্সারের জন্য হোমিওপ্যাথিতে আমরা আরো যে ওষুধগুলো ব্যবহার করি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে থুজা, পালসেটিলা, লাইকোপোডিয়াম, নাইট্রিক অ্যাসিড, গ্রাফাইটিস, স্যাবাইনা, প্লাটিনা, মেডোরিনাম ইত্যাদি। এ ঔষধগুলো আমরা রোগীদের সিমটম অনুযায়ী দিয়ে থাকি।


হোমিওপ্যাথি যে কোন ঔষধই একজন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শে সেবন করবেন। 


ডা: কে এম জসীম উদ্দীন।

 বি এইচ এম এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

 মোবাইল ০১৮১৭৫৫০২১২ 


#জরায়ুরক্যান্সার #হোমিওপ্যাথিকমেডিসিন #হোমিওপ্যাথিট্রিটমেন্ট #uterus #Cancer #homeopathicmedicine #homeotreatment #health #fbpost

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-০৬-২০২৪ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-০৬-২০২৪ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


উচ্চশিক্ষায় সূচনা হলো নতুন ধারার --- প্রশাসনিক জট নিরসনে অনুমোদিত হলো  ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ-২০২৬’।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের যাতায়াত সুবিধা ও আইনশৃংখলা নিশ্চিতে ১১ই ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি --- জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রম শুরু – ভোটারদের পক্ষে টানতে প্রার্থীরা তুলে ধরছেন বিজয়ী হলে কে কী করবেন।


 আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনও সুযোগ নেই --- দৃঢ়ভাবে বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা


 ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ১০ সেনা সদস্য।


এবং নিরাপত্তাশংকায় ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তেই অনড় বাংলাদেশ ---- ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২২-১০-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২২-১০-২০২৪

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু আজ।

 

আসন্ন নির্বাচনকে একটি ঐতিহাসিক অর্জনে রূপ দিতে হবে --- নির্বাচন প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকে বললেন প্রধান উপদেষ্টা ।  

 

অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পেশ --- সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার ও সর্বোচ্চ এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ।

 

প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ভোট দেওয়া শুরু --- ২৫শে জানুয়ারির মধ্যে ভোট ডাকযোগে পাঠানোর আহ্বান নির্বাচন কমিশনের।  

 

পরিবর্তন ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিতে গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট দেওয়ার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।

 

আজ সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান --- নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস জামায়াতের। 

 

গ্রীনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা থেকে সরে এলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

 

এবং ঢাকায় বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ১২ রানে হারিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

দূর্বা ঘাস আমাদের প্রকৃতির এক অমূল্য দান। 

 দূর্বা ঘাস আমাদের প্রকৃতির এক অমূল্য দান। 

 ১. রক্তস্বল্পতা দূর করতে: দূর্বা ঘাস হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দূর করে।


২. হজম শক্তি বাড়াতে: নিয়মিত দূর্বা ঘাসের রস খেলে পেটের গোলমাল কমে এবং হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।


৩. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।


৪.রক্তক্ষরণ বন্ধে: শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে দূর্বা ঘাস বেটে লাগালে দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়।


৫. ত্বকের সমস্যায়: চুলকানি, একজিমা বা ত্বকের অ্যালার্জি কমাতে দূর্বা ঘাসের রস অত্যন্ত কার্যকরী।


৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তোলে।


৭. চোখের জ্যোতি বাড়াতে: ভোরে খালি পায়ে শিশিরভেজা দূর্বা ঘাসের ওপর হাঁটলে চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়।


৮. মুখের ক্ষত বা ঘা: মুখে ঘা হলে দূর্বা ঘাস সেদ্ধ জল দিয়ে কুলকুচি করলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।


৯. পিত্ত শান্ত করতে: অতিরিক্ত পিত্ত বা শরীরের জ্বালাপোড়া কমাতে এর রস বেশ উপকারী।


১০. নাক দিয়ে রক্ত পড়া: নাক দিয়ে রক্ত পড়লে দূর্বা ঘাসের রসের নস্যি নিলে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।


১১. প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া: নিয়মিত এর রস খেলে প্রস্রাবের ইনফেকশন বা জ্বালাপোড়া কমে।


১২. অর্শ্ব বা পাইলস: অর্শ্ব রোগের রক্তপাত বন্ধ করতে দূর্বা ঘাসের রস ওষুধের মতো কাজ করে।


১৩. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি: এটি মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।


১৪. মহিলাদের জরায়ুর সমস্যায়: অনিয়মিত ঋতুস্রাব বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকরী।


১৫. লিভারের সুরক্ষা: দূর্বা ঘাস লিভার থেকে টক্সিন বের করে লিভার সুস্থ রাখে।


১৬. ওজন কমাতে: শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে দূর্বা ঘাসের রস সাহায্য করে।


১৭. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: এটি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।


১৮. মাথাব্যথা কমাতে: দূর্বা ঘাস এবং চন্দন একসাথে বেটে কপালে লাগালে মাথাব্যথা কমে।


১৯. দাঁত ও মাড়ির যত্নে: মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে এর রস দাঁতের গোড়ায় লাগানো যায়।


২০. মানসিক প্রশান্তি: এটি স্নায়ুকে শিথিল করে এবং অনিদ্রা বা স্ট্রেস দূর করতে সাহায্য করে।


 🥛 দূর্বা ঘাস খাওয়ার নিয়ম


 দূর্বা ঘাস খাওয়ার সবথেকে ভালো মাধ্যম হলো এর তাজা রস। নিচে সঠিক নিয়মটি দেওয়া হলো:

 পরিষ্কার করা: বাগান বা মাঠের পরিষ্কার জায়গা থেকে দূর্বা ঘাস সংগ্রহ করুন। এরপর জল দিয়ে খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

 রস তৈরি: হামানদিস্তা বা ব্লেন্ডারে অল্প জল দিয়ে ঘাসগুলো পিষে নিন। এরপর একটি পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে ছেঁকে রস বের করুন।

 সেবন: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ থেকে ২ চা চামচ রস আধা কাপ জলের সাথে মিশিয়ে পান করুন।

 স্বাদ বাড়াতে: আপনি চাইলে এর সাথে সামান্য মধু বা মিছরি মিশিয়ে নিতে পারেন।

 সতর্কতা: যেকোনো ভেষজ খাওয়ার আগে যদি আপনার কোনো দীর্ঘমেয়াদী অসুখ থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।


 #CynodonDactylon #দূর্বাঘাস #আয়ুর্বেদ #স্বাস্থ্যকথা #HealthTips #NaturalRemedy #HerbalMedicine #সুস্থথাকুন #প্রাকৃতিকচিকিৎসা

স্ট্রোক হলে কিভাবে বুঝবেন? খুবই প্রয়োজনীয় একটি পোস্ট।।

 ✅ স্ট্রোক হলে কিভাবে বুঝবেন? খুবই প্রয়োজনীয় একটি পোস্ট।।


একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।


সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।


মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো- তার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক হয়েছিল। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।


সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভারসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটে মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।


বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।


স্ট্রোককে চিনুন...

সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!

মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।


সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ

S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।


T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।


R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।

এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)


সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।


যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন- আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান..!!

#HealthEducation #highlights #ভুল_ও_নির্ভুল #healthtips #Bangladesh #InfectionDetection #everyone #followers #viral #foryou

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...