এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

কোন_সারের_কি_কাজ_চলুন_জেনে_নেই,,,

 #কোন_সারের_কি_কাজ_চলুন_জেনে_নেই… 🌱


গাছের সঠিক বৃদ্ধি ও ভালো ফলনের জন্য সারের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন সার কী কাজে লাগে তা জানা থাকলে চাষ হবে আরও লাভজনক ও ফলন হবে মানসম্মত।


🔰 নিচে সহজ ভাষায় বিভিন্ন সারের কাজ তুলে ধরা হলো —


✅ ইউরিয়া সার

👉 গাছের ডাল-পালা, কাণ্ড ও পাতার দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়।

👉 পাতাকে গাঢ় সবুজ করে, ক্লোরোফিল তৈরিতে সহায়ক।

👉 গাছের প্রোটিন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

✅ টিএসপি / ডিএপি (ফসফেট সার)

👉 গাছের প্রাথমিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

👉 শক্ত ও সুস্থ মূল গঠনে সাহায্য করে, ফুল ও ফল আসা বাড়ায়।

👉 ফল দ্রুত পরিপক্ব হতে সহায়তা করে।

✅ পটাশ (এমওপি সার)

👉 ক্লোরোফিল তৈরিতে সহায়তা করে ও শর্করা চলাচল স্বাভাবিক রাখে।

👉 গাছকে রোগ প্রতিরোধী ও খরা সহনশীল করে তোলে।

👉 নাইট্রোজেনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

✅ জিপসাম সার

👉 সালফার সরবরাহ করে, যা নাইট্রোজেন শোষণে সহায়ক।

👉 প্রোটিন ও তেল তৈরিতে সাহায্য করে।

👉 ভিটামিন ও কো-এনজাইম তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

✅ জিংক সালফেট

👉 প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে।

👉 গাছের হরমোন কার্যক্রম সক্রিয় রাখে, বৃদ্ধিতে গতি আনে।

✅ বোরন সার

👉 ফুল ও ফলের বিকৃতি রোধ করে।

👉 ফল ধারণ বৃদ্ধি করে।

👉 তেলজাতীয় ফসলে প্রায় ২০% পর্যন্ত ফলন বাড়াতে সহায়তা করে।

🔘 সঠিক সময়ে সঠিক সার প্রয়োগ করলে গাছ থাকবে সুস্থ ও সবল, আর ফলন হবে বেশি ও গুণগত মানসম্পন্ন।


#কৃষি_তথ্য #কৃষি_পরামর্শ #সার_ও_পুষ্টি #স্মার্ট_কৃষক

#আধুনিক_কৃষি #ফসল_উৎপাদন #উচ্চ_ফলন #মাটি_ও_সার

#কৃষি_বাংলাদেশ #ফসল_পরিচর্যা #সঠিক_সার_সঠিক_সময়

#FarmTips #AgriKnowledge 🌾

গুটি_কলম_করার_সহজ_পদ্ধতি কৃষি তথ্য পরামর্শ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #গুটি_কলম_করার_সহজ_পদ্ধতি 🌱


প্রকৃতি যেমন মমতায় একটি গাছকে বড় করে তোলে, তেমনি সচেতন পরিচর্যায় সেই গাছ থেকেই তৈরি করা যায় অসংখ্য নতুন চারা।

এই জাদুকরী ও কার্যকর পদ্ধতির নামই হলো — গুটি কলম 🌳


✅গাছ না কেটেই, শুধু একটি ডাল ব্যবহার করে নতুন চারা তৈরি করা যায়। এতে মাতৃগাছের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ থাকে এবং ফলনও আসে দ্রুত।


━━━━━━━━━━━━━━━

🕰️ গুটি কলম করার উপযুক্ত সময়:

🔘বর্ষা মৌসুম (মে–আগস্ট) সবচেয়ে ভালো।

বিশেষ করে জুন মাসে কলম করলে বেশি সফলতা পাওয়া যায়।

🔘এই সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে এবং শিকড় সহজে গজায়।


━━━━━━━━━━━━━━━

🌳 মাতৃগাছ ও ডাল নির্বাচন:


✔️ ভালো জাতের, রোগমুক্ত ও ফলনশীল গাছ নির্বাচন করুন

✔️ বয়স ১.৫ – ২ বছর হওয়া উত্তম

✔️ ডাল পেনসিলের মতো মোটা ও গিঁটযুক্ত হতে হবে

✔️ গিঁটের নিচে কলম করতে হবে — সেখান থেকেই শিকড় বের হয়


━━━━━━━━━━━━━━━

🧰 প্রয়োজনীয় উপকরণ:


🔪 ধারালো ছুরি

🧱 এঁটেল মাটি

🪴 পঁচা গোবর/পাতা পঁচা জৈবসার

💧 পরিষ্কার পানি

📄 পলিথিন

🧵 সুতলি বা প্লাস্টিক দড়ি


━━━━━━━━━━━━━━━

🏗️ গুটি কলম করার ধাপসমূহ:


✅ ধাপ ১: শাখা প্রস্তুত

গিঁটের নিচে ৩–৪ সেমি জায়গা গোল করে কেটে মাঝখানের ছাল তুলে ফেলুন। ভেতরের সাদা অংশ বের হবে।


✅ ধাপ ২: মাটির পেস্ট তৈরি

৩ অংশ এঁটেল মাটি + ১ অংশ পঁচা গোবর

পানি দিয়ে আটার মতো নরম পেস্ট বানান।


✅ ধাপ ৩: মাটি মোড়ানো

কাটা অংশে মাটির বল জড়িয়ে পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে দিন।


✅ ধাপ ৪: বাঁধাই

সুতলি দিয়ে এমনভাবে বাঁধুন যেন বাতাস বা পানি ঢুকতে না পারে।


✅ ধাপ ৫: অপেক্ষা ও যত্ন

মাটি শুকিয়ে গেলে হালকা পানি ছিটান।

৮–১২ সপ্তাহে শিকড় বের হবে।


✅ ধাপ ৬: ডাল কাটা

ভেতরে সাদা/খয়েরি শক্ত শিকড় দেখা গেলে ডালটি কেটে নিন।


✅ ধাপ ৭: রোপণ

৭–১০ দিন ছায়ায় রেখে পরে টব বা মাটিতে রোপণ করুন।


━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 গুটি কলমের উপকারিতা:


✔️ জাত ও গুণাবলী হুবহু বজায় থাকে

✔️ কম খরচে বেশি চারা

✔️ দ্রুত ফলন

✔️ সহজ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতি


━━━━━━━━━━━━━━━

📌 বিশেষ টিপস:


🔸 কলমের আগে গাছের গোড়ায় পানি দিন

🔸 শিকড় বের হওয়ার আগে কাটবেন না

🔸 ছায়াযুক্ত স্থানে রাখুন

🔸 মাটির মিশ্রণ মাঝারি নরম রাখুন


━━━━━━━━━━━━━━━

🌱 নিজের বাগান হোক আরও সবুজ, আরও ফলনশীল!

আপনার সফল গুটি কলমের অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। 💚

প্রাকৃতিক বিষয়(Natural Object) ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রাকৃতিক বিষয়(Natural Object)

১| উপসাগর = Bay (বে)

২| ছোট সাগর = Gulf (গালফ)

৩| সাগর = Sea (সী)

৪| মহাসাগর =Ocean (ওশন)

৫| সমুদ্র তীর =Coast (কোস্ট)

৬| সমুদ্র তট =Sea shore (সী শোর)

৭| জলপ্রপাত =Water - fall ( ওয়াটার ফল )

৮| স্রোত = Current (কারেন্ট)

৯| জোয়ার = Flow tide (ফ্লো - টাইড)

১০| ভাটা=Ebb - Tide(এব- টাইড)

১১| বজ্র=Thunder (থাণ্ডার)

১২| মেঘ =Cloud (ক্লাউড)

১৩| শিশির =Dew (ডিউ)

১৪| আবহাওয়া =wheather(ওয়েদার)

১৫| বিদ্যুৎ =Lightning(লাইটনিং)

১৬| জলবায়ু = Climate (ক্লাইমেট)

১৭| রংধনু=Rain - bow (রেন বো)

১৮| তুষারপাত =Snowfallস্নো ফল )

১৯| গাঢ় কুয়াশা =Mist ( মিষ্ট)

২০| তুষার = Snow (স্নো)

২১| বন্যা =Flood (ফ্লাড)

২২|বাষ্প =Vapour(ভেপার)

২৩| ঝড়= Storm (স্টর্ম)

২৪|ধূমকেতু =Comet (কমেট)

২৫|রাত্রি =Night(নাইট)

২৬|ধোঁয়া =Smoke(স্মোক)

২৭|হ্রদ=Lake (লেক)

২৮|পুকুর =Pond(পণ্ড)

২৯|ঢেউ =Wave(ওয়েভ)

৩০|পানি =Water(ওয়াটার)

৩১|ঝর্ণা =Spring (স্পিং)

৩২|দ্বীপ =Island(আইল্যান্ড)

৩৩|উপদ্বীপ =Peninsula(পেনিনসুলা)

৩৪|কুয়াশা =Fog(ফগ)

৩৫|শিলাবৃষ্টি =Hail (হেল)

৩৬|বৃষ্টি =Rain(রেন)

৩৭|পাথর=Stone (স্টোন)

৩৮|মঙ্গলগ্রহ=Mars (মারস)

৩৯|শুক্রগ্রহ=Venus(ভেনাস)

৪০|গ্রহ =Planet(প্ল্যানেট)

৪১|শনিগ্রহ=Saturn(স্যাটার্ন)

৪২|বৃহস্পতিবার গ্রহ=Jupitar(জুপিটার)

৪৩|বুধগ্রহ=Mercury(মার্কিউরি)

৪৪|উপগ্রহ=Satellite(স্যাটালাইট)

৪৫|ধূলি =Dust(ডাস্ট)

  

📌 পড়া শেষ হলে 'Done' লিখতে ভুলবেন না। 


🔵 ইংরেজি শেখার ইচ্ছা আছে—কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন, সেটাই কি সবচেয়ে বড় বাধা?

ঠিক গাইডলাইন আর সঠিক বই হাতে থাকলে শেখা হয় দ্রুত, গুছানো এবং ফলদায়ক। ✅


➡️ ইংরেজি শেখার বাছাইকৃত সেরা বই পেতে ভিজিট করুন: /bookhousebangladesh

কপি পেষ্ট

আকাশের টোল কিভাবে আদায় করা হয়,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আকাশের টোল কিভাবে আদায় করা হয় এর উপর একটা ভিডিও লিংক কমেন্টে দিলাম, সাথে লাইভ দেখার আরেকটি লিংক‌।


বাংলাদেশ বকেয়া আকাশসীমা ব্যবহারের ফি( Overflying Charge)পরিশোধ না করায় ভারতীয় এয়ারলাইন স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষিদ্ধ করেছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ—বেবিচক—জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের বকেয়া নেভিগেশন চার্জ পরিশোধ না হওয়ায় এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।


এর ফলে কলকাতা থেকে গৌহাটি, ইম্ফলসহ উত্তর–পূর্ব ভারতের রুটগুলোতে স্পাইসজেটকে এখন বাংলাদেশ এড়িয়ে দীর্ঘ ঘুরপথে উড়তে হচ্ছে। এতে ফ্লাইটের সময় বাড়ছে, জ্বালানি খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।


ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য বলছে—বৃহস্পতিবার স্পাইসজেটের একাধিক বিমান বাংলাদেশি আকাশসীমা এড়িয়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করেছে।

এয়ারলাইনের মুখপাত্র জানিয়েছেন—এটি “রুটিন ইস্যু”, এবং তারা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তবে ফ্লাইট অপারেশন স্বাভাবিক রয়েছে বলেও দাবি তাদের।

গত কয়েক মাস ধরেই আর্থিক সংকটে থাকা স্পাইসজেট ডিসেম্বর প্রান্তিকে দেখিয়েছে ২৬৯ কোটি রুপির লোকসান। বাড়তি খরচ ও এককালীন ব্যয়ের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

 ‘স্পাইসজেটের রুটে বাড়তি চাপ’

বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকায় স্পাইসজেটের পূর্বাঞ্চলীয় রুটগুলোতে অপারেশনাল চাপ বাড়ছে, আর যাত্রীদের জন্যও বাড়তি সময় ও খরচের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এখন পর্যন্ত কোনো সূত্রে স্পাইসজেটের বাংলাদেশের কাছে বকেয়া ফি’র নির্দিষ্ট অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি। তবে নিশ্চিতভাবে জানা গেছে, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও নেভিগেশন চার্জ ও অন্যান্য ফি পরিশোধ না করায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।


**RNFC মানে Route Navigation Facility Charges — এটি হলো সেই ফি, যা কোনো দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করলে এয়ারলাইন্সগুলোকে পরিশোধ করতে হয়।  


- RNFC হলো এয়ারস্পেস ব্যবহার ফি।  

- এটি নেয় সংশ্লিষ্ট দেশের এয়ার নেভিগেশন সার্ভিস প্রোভাইডার (যেমন ভারতে AAI)।  

- চার্জ নির্ভর করে বিমানের ওজন, আকাশসীমায় উড়ার দূরত্ব, এবং নির্ধারিত রেটের ওপর।  


** Boeing 737 এর এই ফ্লাইটটি কোলকাতা থেকে গৌহাটি যাচ্ছে।গৌহাটি (Guwahati) হচ্ছে ভারতের আসাম রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর, যা উত্তর–পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।  


স্পাইসজেটের জন্য গৌহাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য, বিশেষ করে কলকাতা থেকে। কিন্তু বাংলাদেশ আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার ফলে কলকাতা–গৌহাটি রুটে এখন ঘুরপথে উড়তে হচ্ছে, যা সময় ও খরচ—দু’টিই বাড়িয়ে দিচ্ছে।  

Aviation Express।/ NDTV/ The Economic Times ( India).

16,200

রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাংলা ভাষায় বৈদেশিক প্রভাব।,,,, misbah uddin ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলা ভাষায় বৈদেশিক প্রভাব।


বহু প্রকার বিচিত্র শব্দ সম্ভার বাংলা ভাষার গৌরব বৃদ্ধি করেছে। ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক কারণে প্রাচীনকাল থেকে এদেশে বহু জাতির আগমন ঘটেছে। সে সব জাতির সাথে আদান-প্রদান ও সংমিশ্রণের ফলে তাদের ভাষার বহু শব্দ বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। বাংলা ভাষার উৎপত্তির পরে অন্যান্য ভাষা থেকে যেসব শব্দ এ ভাষায় এসেছে, সে আগন্তুক শব্দ গুলো হচ্ছে বাংলার বিদেশী উপাদান।


ফারসি শব্দ: বাংলা ভাষায় আগম্ভক বিদেশী শব্দগুলোর মধ্যে ফারসি শব্দের প্রভাব সব থেকে বেশি। এ ফারসির মাধ্যমে আরো দুটো ভাষা এসেছে- তুর্কি ও আরবি। বাংলাদেশে মুসলিম আধিপত্যের প্রায় সাড়ে পাঁচশত বছরের ঘনিষ্ঠতার ফলে ফারসি ভাষার বহু শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ ঘটে। 

এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলায় প্রায় আড়াই হাজার শব্দ ফারসি অথবা ফারসির ভেতর দিয়ে আরবি ও তুর্কি হতে এসেছে। বাংলায় মুসলিম আধিপত্যের প্রথম তিন শতাব্দী ফারসি শব্দ বাংলায় বেশি না এলেও ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগ হতে, বিশেষ করে মুঘল শাসন শুরুর পর এ জাতীয় শব্দের প্রচুর প্রবেশ ঘটেছে। এটা অব্যাহত ছিল অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত। এরপর বিগত শতাব্দীর তিরিশের দশকে যখন ফারসির পরিবর্তে বাংলা ও ইংরেজি আইন-আদালত ও শাসন-কার্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন থেকেই ফারসির প্রভাব কমতে শুরু করে। কিন্তু ফারসি শব্দগুলো বাংলা ভাষায় এমনভাবে শিকড় গেড়ে তখন থেকে রয়েছে যে, সেগুলো এখনো বাংলার প্রয়োজনীয় শব্দগুলোর অন্তর্গত।


ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বোঝার সুবিধার্থে সাত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :-


১. রাজ্য, যুদ্ধ-বিগ্রহ সম্বন্ধীয়- বাদশাহ, নবাব,


বেগম, তীর, তোপ, ইত্যাদি।


২. আইন-আদালত সংক্রান্ত- আদালত, মুন্সেফ,


মোকদ্দমা, আইন-কানুন, হাকিম, উকিল; ইত্যাদি।


৩. ধর্ম-বিষয়ক - খোদা, নামাজ, মৌলভি, কোরবানি, হারাম, জাহান্নাম; ইত্যাদি।


৪. শিক্ষা বিষয়ক - কাগজ, কলম, কেতাব, মক্তব, হরফ, আলেম, আদব ইত্যাদি।


৫. জাতি বা ব্যবসাবাচক- হিন্দু, ইহুদি, ফিরিঙ্গি, দরজি, মেথর, যাদুকর; ইত্যাদি।


৬. সাধারণ দ্রব্য সম্পর্কিত- হাওয়া, পছন্দ, লাল,


সাদা, নরম, পেশা; ইত্যাদি।


তুর্কি শব্দ: আরবি-ফারসি মাধ্যমে বাংলা ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে কিছু তুর্কি শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। আরবি ফারসি মাধ্যম ছাড়াও কিছু কিছু শব্দ সোজাসুজি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। 

ড. এনামূল হক প্রমুখ এদেশের খ্যাতনামা পণ্ডিতগণের ধারণা, খ্রিস্টীয় ৮ম-৯ম শতাব্দীতে বাঙালিরা আরব বণিকদের সংস্পর্শে আসে এবং পূর্ব-দক্ষিণ বাংলার চট্টগ্রামে উভয়ের সম্মতিতে একটি উপনিবেশ গড়ে ওঠে। যার ফলে আরবি-ফারসি শব্দের সাথে কিছু তুর্কি শব্দও বাংলা ভাষায় চলে এসেছে। তুর্কি শব্দের কিছু নমুনা নিচে দেওয়া হলো-


তুর্কি : আলখাল্লা, উজবুক, কাচি, কাবু, কুলি, চাকু, চিক, বিবি, বোঁচকা, খাতুন, খা, খানম, গালিচা, তবক, বাবুর্চি, বেগম, সওগাত, মুচলেকা, লাশ, তুরুক, দারোগা, কোর্মা ইত্যাদি।


আরবি শব্দ: আরবি ষষ্ঠ-সপ্তম শতাব্দী থেকে ১২-১৩শ শতাব্দীতে ছড়িয়ে যায় ইরাক, ইরান, সিরিয়া, মিশর, উত্তর আফ্রিকায় এবং পরে ইউরোপের স্পেনে, এশিয়ার ভারতে, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া অঞ্চলে মুসলিম সম্রাজ্যের এবং ইসলাম ধর্মের বিস্তৃতির সঙ্গে সঙ্গে কালক্রমে পারস্য দেশের লোকেরা ভারতবর্ষে রাজকার্যে এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় ব্যবহারিক জীবনে ফারসির প্রভাব বৃদ্ধি পায়। আর আরবির প্রাধান্য রইল ধর্মীয় ব্যাপারে। বিশেষ করে মসজিদ, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং কিছু পরিমাণে ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে।


আরবি : আইন, আক্কেল, হুকা, কেচ্ছা, খাসি, আয়েশ, বিদায়, জিলা, আতর, কেতাব, তাজ্জব, দফা, আদমি, এতিয়ার, উশুল, খাজনা, খারিজ, জমি, জমা, তহশিল, হিসাব, হিস্সা, আদালত, উকিল, দলিল, ফেরার, হাকিম, হেফাজৎ, আদব, কায়দা, কদম, দখল, হজম, সাফ; ইত্যাদি।


পর্তুগিজ শব্দ : বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ শব্দের প্রভাব একেবারে কম নয়। পর্তুগিজরা ব্যবসা-বাণিজ্য উপলক্ষে এদেশে আসে ষোড়শ শতাব্দীতে। ঢাকা-চট্টগ্রাম- হুগলি অঞ্চলে তাদের বসবাস ছিল। 

ড. সুকুমার সেন পর্তুগিজদের সম্পর্কে বলেছেন-"অষ্টাদশ শতাব্দের মধ্যভাগ অবধি মিশনারিদের কার্যকলাপের দ্বারা। বাঙ্গালার সহিত তাহাদের যোগ কতকটা বজায় থাকে, যদিও দাস ব্যবসায়। জলদস্যুতা এবং উগ্রভাব ধর্ম প্রচারের জন্য তাহাদের সঙ্গে সে সম্পর্ক কখনই সহজ ও হৃদ্য ছিল না। ব্যবসা-বাণিজ্য সূত্রে এদের সাথে বাঙালিদের যোগাযোগ হওয়ার ফলে পর্তুগিজ ভাষার কিছু শব্দ বাংলায় চলে আসে। ১৮শ শতাব্দী থেকে বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ শব্দের প্রভাব কমে আসে। তবুও পর্তুগিজ ভাষার যে শব্দগুলো এখনো বাংলা ভাষায় চালু রয়েছে, তার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। বাংলা ভাষায় প্রচলিত পর্তুগিজ শব্দের কিছু নমুনা নিচে দেওয়া হলো:


পর্তুগিজ শব্দ : আলকাতরা, আলপিন, আনারস, নোনা, আতা, আলমারি, ক্রুশ, গরাদ, জানালা, বালতি, বোতাম, বাসন, বোমা, কামিজ, কেরানি, চাবি, কপি, ফিতা, ফালতো, গামলা, গুদাম, গির্জা, নিলাম, মার্কা, মিস্ত্রি, পেঁপে, পাউ (রুটি), পাচার, পেয়ারা, পেরেক, সাবান, সাগু, তোয়ালে, তামাক, বেহালা, বারান্দা; ইত্যাদি।


ফরাসি এবং ওলন্দাজ শব্দ: অষ্টাদশ শতাব্দীর দিকে অন্যান্য জাতির সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য উপলক্ষে ফরাসি (ফ্রেঞ্চ) এবং ওলন্দাজ (ডাচু) এদেশে আগমন করে। ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এলেও ইংরেজদের মতো এরাও কিছু কিছু রাজনৈতিক বিষয়ে এদেশে মানুষের সাথে সম্পৃক্ত হয়। তবে এদের রাজনৈতিক প্রভাব ইংরেজদের মতো সুদৃঢ় ছিল না। বিভিন্ন কারণে বাঙালিদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় বাংলা ভাষায় তাদের কিছু শব্দ প্রবেশ করেছে। তবে অন্যান্য ভাষার তুলনায় ফরাসি এবং ওলন্দাজ শব্দের পরিমাণ সামান্য।


ফরাসি শব্দ: কার্তুজ, কুপন, কাফে, রেস্তোরা, আঁতাৎ; ইত্যাদি।


ওলন্দাজ শব্দ : হরতন, রুইতন, ইশকাপন, তুরুপ, ইসকুপ; ইত্যাদি।


ইংরেজি শব্দ: বাংলাদেশে ইংরেজদের আগমন ঘটে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে। তবে বাংলা ভাষায় ইংরেজি শব্দের ব্যাপক অনুপ্রবেশ ঘটে উনবিংশ শতাব্দীর গোড়ায়। ১৭৫৭ সালে পলাশি যুদ্ধে জয় লাভ করার পর এদেশে ইংরেজের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা শুরু হয় এবং বলতে গেলে এখান থেকেই গোটা ভারতে তাদের সাম্রাজ্যের পত্তন আরম্ভ হয়।


আদালতের ভাষা হিসেবে ইংরেজি প্রতিষ্ঠা পায় ১৮৩৬ সাল থেকে। বাংলাদেশ তো বটেই, গোটা ভারতবর্ষে বাঙালির দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এবং চিন্তজগতের সর্বত্রই ইংরেজির প্রভাব ও প্রতিষ্ঠা চরম উৎকর্ষ লাভ করে। যার ফলে বাংলা ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে ইংরেজি শব্দের অনুপ্রবেশ ছিল স্বাভাবিক একটি বিষয়।


ইংরেজি শব্দ চেয়ার, টোস্ট, ট্রেন, রেল, মেল, সিনেমা, কফি, হোটেল, ফিল্ম, থিয়েটার, টেলিফোন, শার্ট, কোট, কোর্ট, স্কুল, কলেজ, স্টল, ডিপুটি, ফটো, ফোন; ইত্যাদি।


বৈদেশিক শব্দ বাংলা শব্দের সাথে মিশে একাকার হয়ে গেছে। বাংলা ভাষায় উল্লিখিত বিদেশী শব্দগুলোর প্রভাব এতোটাই বেশি যে, বিদেশী শব্দ ছাড়া কারো পক্ষেই কথা বলা অথবা কোনো কিছু লেখা সম্ভব নয়। সংস্কৃত ভাষার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার ফলে নতুন শব্দ তৈরিতে বাংলা ভাষা যেমন দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে, অনুরূপভাবে ইংরেজিসহ অন্যান্য বিদেশী ভাষার সাথে গভীর সম্পর্কের কারণে বিদেশী শব্দগুলোকে বাংলায় আত্মীকরণ করতে সমান দক্ষতা দেখিয়েছে। বিদেশী শব্দগুলো বাংলায় আত্মীকরণের ফলে বাংলা শব্দ ভাণ্ডার নিঃসন্দেহে সমৃদ্ধ হয়েছে।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

৫ হাজার বছরের পুরনো রহস্য, যা আজও বিজ্ঞানকে হার মানায়!,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🗿৫ হাজার বছরের পুরনো রহস্য, যা আজও বিজ্ঞানকে হার মানায়! 🗿✨

​আধুনিক ক্রেন নেই, চাকা নেই, এমনকি লোহার কোনো সরঞ্জামও নেই—ভাবুন তো, আজ থেকে ৫০০০ বছর আগে মানুষ কীভাবে ২৫ থেকে ৪০ টনের বিশাল পাথরগুলো মাইলের পর মাইল সরিয়ে নিয়েছিল? 🤯

​ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারে দাঁড়িয়ে থাকা ‘স্টোনহেঞ্জ’ (Stonehenge) আজও পৃথিবীর অন্যতম বড় রহস্য। আসুন জেনে নিই এই স্থাপনা নিয়ে কিছু অবিশ্বাস্য তথ্য:

​📅 কবে তৈরি হয়েছিল?

গবেষকদের মতে, এর নির্মাণ শুরু হয়েছিল প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সালে। কোনো তাড়াহুড়ো নয়, ধাপে ধাপে প্রায় ১৫০০ বছর ধরে এর কাজ চলেছে!

​🪨 পাথরের অবিশ্বাস্য ওজন:

এখানে মূলত দুই ধরনের পাথর আছে—

▪️ সারসেন পাথর: প্রতিটি ২৫ থেকে ৪০ টন!

▪️ ব্লুস্টোন: প্রতিটি ২ থেকে ৪ টন।

​🧭 ২৫০ কিলোমিটারের যাত্রা!

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই বিশাল ব্লুস্টোনগুলো আনা হয়েছিল ওয়েলসের প্রিসেলি পাহাড় থেকে, যা স্টোনহেঞ্জ থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরে! তখনকার মানুষ কোনো ইঞ্জিন ছাড়াই নদীপথ আর পাহাড় ডিঙিয়ে কীভাবে এগুলো আনল, তা ভাবলে আজও গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়।

​🏗️ ইঞ্জিনিয়ারিং নাকি জাদু?

বিজ্ঞানীরা মনে করেন হাজার হাজার মানুষ কাঠের রোলার, দড়ি আর স্লেজ ব্যবহার করে এই অসাধ্য সাধন করেছিল। শুধু তাই নয়, পাথরগুলো এমনভাবে কাটা যে সেগুলো একে অপরের সাথে 'তালা-চাবি'র মতো নিখুঁতভাবে আটকে যায়!

​🌞 এর উদ্দেশ্য কী ছিল?

এখনো কেউ শতভাগ নিশ্চিত নয়, তবে ধারণা করা হয়:

🔸 এটি ছিল প্রাচীন এক জ্যোতির্বিজ্ঞানের মানমন্দির (সূর্য ও চাঁদের চলন দেখার জন্য)।

🔸 পবিত্র কোনো ধর্মীয় আচার বা আধ্যাত্মিক কেন্দ্র।

🔸 একটি মর্যাদাপূর্ণ সমাধিস্থল।

​✨ শেষ কথা:

আজকের আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও স্টোনহেঞ্জ আমাদের মনে করিয়ে দেয়— মানুষের অদম্য ইচ্ছা, ধৈর্য আর ঐক্য থাকলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। যুগ যাই হোক না কেন, মানুষের বুদ্ধি সবসময়ই বিস্ময়কর!

​আপনি কি কখনো এমন রহস্যময় জায়গায় যেতে চান? নাকি আপনার মনে হয় এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে? কমেন্টে জানান! 👇

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২১-০২-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২১-০২-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে আজ --- বিনম্র শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করছে জাতি।


একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা।


প্রথমবারের মতো তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করলেন তারেক রহমান --- ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ও উৎসব ভাতা দেওয়া শুরুর সিদ্ধান্ত।


নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে আগামীকাল থেকে বরিশালে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হবে --- জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর করা হবে --- দৃঢ়ভাবে বললেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী।  


দলকানা হয়ে নয়, পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের তাগিদ দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।


মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট আমদানি শুল্ক বাতিল করার পর বিশ্বব্যাপী নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং ব্যাংককে নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস্ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে আগামীকাল ভারত-এ দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-এ দল।  ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ২১-০২-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ২১-০২-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ --- ভাষা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে জাতি।

 

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

 

বন্দরে পণ্য খালাসে বিলম্বের ফলে মূল্য বৃদ্ধি রোধে কঠোর নির্দেশনা অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর।

 

রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে --- জানালেন বাণিজ্য মন্ত্রী --- নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতে বিকেল তিনটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নির্দেশনা সরকারের।  

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সফলভাবে দেশ পরিচালনায় সবার সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ।

 

একশো ৮০ দিনের মধ্যে দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রম শুরু করবে সরকার --- জানালেন পানিসম্পদ মন্ত্রী।

 

বিভিন্ন দেশের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপকে অবৈধ ঘোষণা  মার্কিন সুপ্রীম কোর্টের।

 

এবং কলম্বোয় পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের খেলার মধ্য দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুপার এইট পর্ব শুরু হচ্ছে আজ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০২-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০২-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আগামীকাল মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস --- একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।


একুশের চেতনাকে ধারণ করে দেশে প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ --- দিবসের বাণীতে বললেন তারেক রহমান।


প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে টেলিফোনে শুভেচ্ছা জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।


বন্দরে পণ্য খালাসে বিলম্বের ফলে মূল্য বৃদ্ধি রোধে কঠোর নির্দেশনা দিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ।


রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে --- নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিকেল তিনটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নির্দেশনা।  


একশো ৮০ দিনের মধ্যে দেশব্যাপী খাল খনন প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করবে সরকার --- জানালেন পানিসম্পদ মন্ত্রী।


আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হিসেবে গাজায় সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিলো ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া।


এবং ব্যাংককে পাকিস্তান-এ দলকে ৫৪ রানে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস্ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২০-০২-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২০-০২-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ঈদ-উল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে ফ্যামিলিকার্ড --- প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত --- ফ্যামিলি কার্ড প্রদানে  ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন


আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সারাদেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো ও খাল খননের সিদ্ধান্ত


প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তারেক রহমানকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন --- বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার


রমজানে নিম্ন আয়ের দশ লাখ পরিবারকে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস সরবরাহ করবে সরকার --- ২৫টি স্পটে চলবে মাসব্যাপী কার্যক্রম


তদবির বাণিজ্য বন্ধসহ শিক্ষামন্ত্রণালয়ে কোন দুর্নীতি প্রশ্রয় দেওয়া হবে না --- জানালেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী


কোন প্রতিষ্ঠানের কাউকে চাকরিচ্যুত করতে হলে বিধি অনুযায়ী করতে হবে, মব করে চাকরিচ্যুত করা যাবে না --- মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


পারমাণবিক কর্মসূচী নিয়ে আগামী ১০ দিনের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর না করলে ইরানে হামলার হুমকি মার্কিন প্রেসিডেন্টের।  


এবং ব্যাংককে নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুনার্মেন্টের সেমিফাইনালে আজ পাকিস্তান ‘এ’ দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...