এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

AI রেডি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রিয় পাঠক,

আসসালামু আলাইকুম।

আমরা খুব অদ্ভুত এক সময়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছি — এমন এক সময়, যেখানে অর্থনৈতিক কাজে মানুষের সরাসরি প্রয়োজন ক্রমেই কমে যাবে, কারণ AI প্রায় সবই করে ফেলবে।

এই বিষয়টা যেমন একই সঙ্গে প্রচণ্ড এলার্মিং, তেমনি সম্ভাবনাময়ও।


আমরা যদি এমন একটি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ কল্পনা করি, যেখানে প্রতিটি বাংলাদেশি ছাত্র তার AI সঙ্গীকে ব্যবহার করে শেখার গভীর থেকে গভীরে যাচ্ছে, চার মাসের পড়ালেখা এক দিনে শেষ করে ফেলছে…

একজন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার একাই পুরো এজেন্সির কাজ করছেন…

একজন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এমন সব সমস্যার সমাধান করে ফেলছেন, যা আগে অকল্পনীয় ছিল…

ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে দেশের বাইরে না গিয়েও ট্যালেন্টেড মানুষ দেশ থেকেই ফেসবুক-গুগলের মতো SaaS তৈরি করে ফেলছেন…

তাহলে আশা করাই যায়, AI বিপ্লবের ফলে যে গ্লোবাল অগ্রগতি হবে, সেই মিছিলের একদম সামনে বাংলাদেশ থাকবে, ইন শা আল্লাহ।


সেরকম একটি AI রেডি বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়েই AI Ready Movment Bangladesh-এর এই প্রাথমিক প্রয়াস —

AI রেডি বই।

এই বইতে আমি চেষ্টা করেছি যতটা সম্ভব সহজভাবে 

AI যুগে রেডি হওয়ার একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন দিতে।


আল্লাহ আপনাদের সবাইকে দুনিয়া ও আখিরাতে সফল করুন। আমিন।


আবিদ আদনান

Head of AI, Onnorokom EdTech

Founder & CEO, AI Ready Movement Bangladesh

Aiready.com.bd

শ্বশুরবাড়ির সাথে সম্পর্ক মজবুত করা কঠিন মনে হয়

 শ্বশুরবাড়ির সাথে সম্পর্ক মজবুত করা কঠিন মনে হয়? সঠিক কৌশল জানলে অনেক সহজ!


সম্পর্ক ভালো রাখতে জোর নয়, দরকার বুদ্ধিমত্তা আর ধৈর্য—

• সম্মান ও ভদ্রতা বজায় রাখুন — ছোট বড় সবার সাথে আচরণে সৌজন্য রাখলে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে

• নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন — খোঁজখবর নেওয়া, কথা বলা—এগুলো দূরত্ব কমায়

• ছোট ছোট সাহায্য করুন — প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ালে বিশ্বাস তৈরি হয়

• তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করুন — সবকিছু নিজের মতো ভাবলে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে

• সীমারেখা ঠিক রাখুন — সম্মান রেখেই নিজের ব্যক্তিগত জায়গা পরিষ্কার করুন

• সমালোচনা না করে কৌশলে কথা বলুন — সরাসরি বিরোধ না করে নরমভাবে নিজের কথা বলুন

• তুলনা এড়িয়ে চলুন — নিজের পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির মধ্যে তুলনা করলে সম্পর্ক খারাপ হয়

• স্বামী/স্ত্রীর সাথে সমন্বয় রাখুন — যেকোনো সমস্যায় একে অপরকে সাপোর্ট করুন

সবচেয়ে বড় বিষয়—সম্পর্ক সময় নিয়ে তৈরি হয়। ধৈর্য, ভালো ব্যবহার, আর ধারাবাহিক আচরণই এটাকে শক্ত করে।


Educational purpose only.


#পরিবার #সম্পর্ক #দাম্পত্য

নারীরা বাবার নামে পরিচিত হবে।  ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নারীরা বাবার নামে পরিচিত হবে। 


নাম ছিল শাহানা আক্তার। এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স, মাস্টার্স সব পরীক্ষার সনদেও তার এই নাম। কিন্তু বিয়ের পর শাহানা আক্তার হয়ে যান শাহানা চৌধুরী। স্বামীর চাকরির সুবাদে তাঁকে পাড়ি জমাতে হয় সুদূর কানাডায়। সেখানে তিনি শুধুই মিসেস চৌধুরী নামে পরিচিত। বিয়ের পর স্বামীর পদবি যুক্ত হচ্ছে নারীদের নামের পাশে। ফলে হারিয়ে যাচ্ছে তার নিজস্ব নামটি।


ইসলাম জন্ম পরিচয়ের সূত্র প্রকাশের সময় আপন পিতা ছাড়া অন্যের দিকে নিজের পরিচয়কে সম্পর্কযুক্ত করতে কঠিনভাবে নিষেধ করেছে।


এমনকি ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, ভক্তি-শ্রদ্ধা, সম্মান প্রদর্শনসহ অন্য যে কোনো কারণ দেখিয়েই হোক না কেন, জন্মদাতা ছাড়া পরিচয় দিতে নিষেধ করা হয়েছে।


কোরআন বলছে: তোমরা তাদেরকে তাদের বাবার নামে ডাক। (আল-কুরআন, ৩৩:৫) 


এই আয়াতটি পালকপুত্রদেরকে তাদের প্রকৃত পিতার নামে ডাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেননা যারা বর্তমানে তাদের লালন-পালন করছেন বা ভরণ-পোষণ যোগান দিচ্ছেন, প্রকৃতপক্ষে তারা তাদের পিতা নন। বরং যারা তাদেরকে জন্ম দিয়েছেন তারাই তাদের আসল পিতা। অনুরূপভাবে মেয়েরাও তাদের  পিতার পরিচয়ে পরিচিত হবেন স্বামীর পরিচয়ে নন। এখানে পালক পুত্রকে প্রকৃত পিতার নামে ডাকার নির্দেশ প্রমাণ করে যে, স্ত্রীদেরকেও তাদের পিতার নামে ডাকতে হবে।


সাঈদ ইবনে যুবায়ের হযরত ইবনে আব্বাসকে (রা)  বলতে শুনেছেন যে, রসূল (ছাঃ) বলেছেন: যে কেউ নিজেকে বাবার নাম ছাড়া অন্য নামে ডাকবে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সমগ্র মানুষের লানত বর্ষিত হবে। (মুসনাদে আহমাদ) ইমাম বুখারীও (র) এই হাদীসটি হযরত সাদ (রা) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।


সাদ ও আবু বাকরা (রা) হতে বর্ণিত, তাঁরা প্রত্যেকে বলেছেন: আমার দু' কান শুনেছে এবং আমার অন্তর মুহাম্মদ (ছাঃ) এর এ কথা সংরক্ষণ করেছে যে, নবী মুহাম্মদ (ছাঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি জেনেশুনে নিজেকে নিজের পিতা ছাড়া অন্যের সাথে সংযুক্ত করে তার জন্য জান্নাত হারাম হয়ে যাবে। (ইবনে মাজাহ)


আবার আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী মুহাম্মদ (ছাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (ছাঃ) বলেছেন: যে কেউ নিজের বাবা ব্যতীত অন্যের পরিচয়ে পরিচয় দেয় সে জান্নাতের গন্ধও  পাবে না, যদিও জান্নাতের সুঘ্রাণ সত্তর বছর হাঁটার রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যাবে। (মুসনাদে আহমাদ)


সকল বোনদের বলি!

বাবার নামে পরিচিত হোন। 

১. স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে কোন রক্ত সম্পর্ক থাকে না কিন্তু বাবা-মেয়ের রক্ত সম্পর্ক চিরদিনের। 


২. স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সাথে মনোমালিন্য হলে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটতে পারে তখন এই নাম থাকে না। 


৩. স্বামী  মারা গেলে স্ত্রী অন্য পুরুষকে বিয়ে করতে পারে, তখন এই নামের কী দশা হবে তা সহজেই অনুমেয়। 


৪. স্বামী তো বিয়ের পর নিজের নাম পরিবর্তন করে না, তাহলে আপনি কেন করবেন? এটা কি আপনার অধিকারের লংঘন নয়?

:

#Hadith #হাদিস

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের **“স্বল্প বেতন”** নিয়ে আবেগ বনাম বাস্তবতা: মুদ্রার ওপিঠটা দেখুন!

 ইমাম-মুয়াজ্জিনদের **“স্বল্প বেতন”** নিয়ে আবেগ বনাম বাস্তবতা: মুদ্রার ওপিঠটা দেখুন!

আমরা প্রায়ই চোখ বন্ধ করে আবেগে ভাসি — “আহা, ইমাম-মুয়াজ্জিনরা কী মানবেতর জীবন যাপন করেন!” শুধু মূল বেতনের অঙ্ক দেখেই কান্না চলে আসে। কিন্তু পর্দার আড়ালের পুরো ছবিটা ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাই। গ্রামের সাধারণ মসজিদ থেকে শুরু করে শহরের মসজিদ পর্যন্ত, বাস্তব হিসাবটা আসলে কী?


### দৃশ্যমান + অদৃশ্য আয়ের খতিয়ান (গড় অনুমান, গ্রাম-শহর মিলিয়ে)


- **মসজিদের মূল বেতন + সরকারি/ফাউন্ডেশন ভাতা**: ৮,০০০–১২,০০০ টাকা।


- **মক্তব/কুরআন শিক্ষা ও মাদ্রাসা পরিচালনা**: ৫,০০০–১০,০০০ টাকা।


- **হাদিয়া (তারাবিহ, জুমা, মিলাদ, আকিকা, জানাজা, দুয়া-মুনাজাত)**: ৮,০০০–১৫,০০০ টাকা।


- **ঝাড়ফুঁক, তাবিজ, রুকইয়াহ, বদনজর-কালজাদু “চিকিৎসা”**: ৫,০০০–১২,০০০ টাকা (অনেকের জন্য সবচেয়ে লাভজনক সার্ভিস)।


- **আতর, টুপি, তসবিহ, ইসলামী বই বিক্রি/কমিশন**: ৩,০০০–৮,০০০ টাকা।


- **ফ্রি বাসস্থান (বাজার মূল্যে সাশ্রয়)**: ৩,০০০–৬,০০০ টাকা।


- **প্রতিদিন একেক বাড়ি থেকে ৩ বেলা খাবার**: মাসিক বাজার মূল্যে **১০,০০০–১৫,০০০ টাকা** (অনেক ইমাম-মুয়াজ্জিনের বাড়িতে রান্না করতে হয় না, প্রতিদিন বিভিন্ন বাড়ি থেকে ভাত-তরকারি-মাছ-মাংস আসে)।


- **অন্যান্য ফ্রি হাদিয়া ও উপহার**: মানুষ যা যা দেয় তার হিসাব নেই — কাপড়-চোপড়, ফল-মিষ্টি, টাকা, মোবাইল রিচার্জ, সাবান-তেল, এমনকি ঈদ-পূজায় নতুন জামা-কাপড়, জুতা ইত্যাদি। এগুলোর মাসিক মূল্যও কম নয়।


- **ঈদ-কুরবানির অতিরিক্ত**: মাংস, চামড়া বিক্রি, বোনাস হাদিয়া (আলাদা বড় অঙ্ক)।


**গড় মোট মাসিক আয় (সব মিলিয়ে)**: **৫০,০০০–৭০,০০০ টাকা** (গ্রামে ৪৫-৬০ হাজার, শহরে আরও বেশি)। অনেক ক্ষেত্রে এর চেয়েও উপরে চলে যায়।


### বাস্তবতার আরও কিছু চিত্র


ইমামতি করে অনেকেই **মোটরবাইক** কিনেছেন এবং পরিবার নিয়ে আরামে চলাফেরা করেন। তাদের অনেকেরই **নিজস্ব ঘর-বাড়ি**, জমি, সোনা-দানা এবং ব্যাংক ব্যালেন্স রয়েছে — যা অনেক সাধারণ চাকরিজীবীর তুলনায় কম নয়। কেউ কেউ একাধিক মসজিদ বা মক্তব দেখাশোনা করে আয় আরও বাড়িয়ে নেন।


### অন্ধকার দিক (যেটা আমরা সাধারণত চুপ করে থাকি)


- মসজিদ ফান্ডের টাকা লুটপাট, অনিয়মিত চাঁদাবাজি ও কমিশন বাণিজ্য।


- অন্ধবিশ্বাসী মানুষের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে “ঝাড়ফুঁক-তাবিজের ব্যবসা”।


- কিছু ক্ষেত্রে ধর্মের নামে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া — যা ইসলামী শিক্ষার সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।


প্রশ্নটা খুব সোজা:  


এটা কি সত্যিই **দারিদ্র্যের চিত্র**? নাকি আমরা শুধু মূল বেতনের অঙ্ক দেখে আবেগের ড্রামা করি, আর অদৃশ্য আয়ের স্তূপ, ফ্রি খাবার, হাদিয়া ও অনৈতিক খাতগুলো দেখেও “আল্লাহর রহমত” বলে চোখ বন্ধ করে ফেলি?


বুকে হাত দিয়ে ভাবুন — এই “স্বল্প বেতন” ন্যারেটিভটা কতটা সত্যি, আর কতটা **সুবিধাবাদী ভণ্ডামি**? ধর্মকে ব্যবসায় পরিণত করা যদি কোনো ক্ষেত্রে হয়, তাহলে সেটা সবার আগে ধর্মপ্রাণ মানুষদেরই প্রশ্ন করা উচিত।


সত্যটা সামনে আনলে আবেগের ঝড় থামবে, আর বাস্তবতা-ভিত্তিক আলোচনা শুরু হবে। 


লেখাটা কপি করে যত খুশি শেয়ার করুন — ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্স বা যেখানে ইচ্ছা। আবেগ নয়, বাস্তবতাই ছড়িয়ে দিন। 


#ইমাম_মুয়াজ্জিন #আবেগ_বনাম_বাস্তবতা #মসজিদের_অর্থনীতি #ধর্ম_ও_ব্যবসা৫

৪৭টি আয়াত (সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ) যেটা আল্লাহর প্রধান বিধান।

 #everyone 

📖 ৪৭টি আয়াত (সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ)

যেটা আল্লাহর প্রধান বিধান।


🔹 আল্লাহর বিধান মানা


1. 5:44 → আল্লাহর নাযিল অনুযায়ী বিচার না করলে গুরুতর বিচ্যুতি


2. 5:45 → না মানলে জুলুম


3. 5:47 → না মানলে অবাধ্যতা


4. 6:114 → আল্লাহ ছাড়া অন্যকে বিচারক বানানো ঠিক না


5. 12:40 → হুকুম শুধু আল্লাহর


6. 18:26 → তাঁর হুকুমে কেউ শরিক না


7. 28:70 → সিদ্ধান্ত একমাত্র তাঁর


---


🔹 কোরআন অনুসরণ


8. 6:153 → একটাই সোজা পথ—এটা অনুসরণ কর


9. 7:3 → যা নাযিল হয়েছে তাই মানো


10. 33:2 → ওহী অনুসরণ কর


11. 46:9 → নবীও শুধু ওহী অনুসরণ করেন


12. 10:15 → নিজের থেকে বদলানোর অধিকার নেই


---


🔹 শিরক বর্জন


13. 4:48 → শিরক ক্ষমা করা হবে না


14. 4:116 → শিরক বড় গুনাহ


15. 6:151 → শিরক করতে নিষেধ


16. 31:13 → শিরক বড় জুলুম


17. 39:65 → শিরক করলে আমল নষ্ট


18. 30:13 → মুশরিকদের জন্য সুপারিশ নেই


---


🔹 মানুষ/পূর্বপুরুষ অন্ধ অনুসরণ


19. 2:170 → পূর্বপুরুষের অন্ধ অনুসরণ ভুল


20. 31:21 → না বুঝে অনুসরণ করা বিপদ


21. 9:31 → আলেমদেরও ‘রব’ বানানো যাবে না


22. 42:21 → আল্লাহ ছাড়া আইন বানানো শিরক


23. 45:23 → নফসকে ইলাহ বানানো


---


🔹 আয়াত অস্বীকার


24. 2:85 → আংশিক মানা-আংশিক অস্বীকার ভুল


25. 6:21 → আল্লাহর নামে মিথ্যা বড় জুলুম


26. 6:33 → আয়াত অস্বীকার করা হয়


27. 29:68 → আল্লাহর উপর মিথ্যা চাপানো


28. 61:7 → আয়াত অস্বীকারকারীরা জালিম


---


🔹 দ্বীন বিভক্ত করা


29. 6:159 → দ্বীন ভাগ করা নিষিদ্ধ


30. 30:32 → দলাদলি করা মুশরিকদের কাজ


31. 42:13 → দ্বীনে বিভক্ত না হও


---


🔹 অনুমান/মনগড়া


32. 10:36 → অধিকাংশই ধারণা অনুসরণ করে


33. 53:28 → অনুমান সত্যের বিকল্প না


34. 6:116 → অধিকাংশ মানুষ পথভ্রষ্ট করতে পারে


---


🔹 কিতাবের পূর্ণতা


35. 6:38 → কিতাবে কিছু বাদ নেই


36. 16:89 → সব কিছুর ব্যাখ্যা আছে


37. 18:27 → আল্লাহর বাণী পরিবর্তন হয় না


---


🔹 কোরআন ছাড়া অন্য কথা


38. 7:185 → এর পর আর কোন কথা মানবে?


39. 77:50 → কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?


40. 45:6 → আল্লাহর আয়াতের পর আর কি?


---


🔹 সতর্কবার্তা


41. 24:63 → নবীর আদেশ অমান্য করলে ফিতনা


42. 33:36 → আল্লাহ-রাসূলের সিদ্ধান্তের পর বিকল্প নেই


43. 4:14 → সীমা লঙ্ঘনে শাস্তি


44. 6:112 → শয়তানরা বিভ্রান্ত করে


---


🔹 নবীদের অবস্থান


45. 46:9 → শুধু ওহী অনুসরণ


46. 10:15 → নিজের থেকে বদলান না


47. 6:50 → আমি শুধু ওহী মানি


---


🎯 শেষ কথা (এক লাইনে)


👉 এই আয়াতগুলো একসাথে দেখায়:

আল্লাহর নির্দেশ মানা, শিরক বর্জন, ওহী অনুসরণ—এটাই কোরআনের মূল বার্তা।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

মৃত্যু ব্যাক্তিকে গোসল করানোর নিয়ম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো?

কিংবা নিয়মগুলো জানা আছে?


প্রত্যেক মাঁ-বোনের জানা মহা-জরুরী।


❑ এটা অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। আর বর্তমানে গ্রাম্য এলাকায় বেশিরভাগ এমন মানুষেরা গোসল করায়, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে যারা নিজেরাই পাক পবিত্রতার বিষয়ে বেখবর, ফরজ ইবাদতটুকুতেও নেয় সতর্কতা। 


এজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ গোসলের নিয়মটা আমাদের প্র্যাকটিসিং মুসলিমাহ বোনদেরসহ সকলের জেনে রাখা ভালো। যাতে করে আমরাও এ কাজে শরীক হতে পারি ইংশাআল্লহ।


⚰️ মুসলিম মৃত নারীকে গোসলের পর্ব - (১)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ প্রয়োজনীয় উপকরণ,

২/ কার্যপদ্ধতি (এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ),

৩/ সতর্কতা। 


কোন মৃত বাড়িতে আপনি দেখবেন, একদল মহিলা যারা যায় শুধু গসিপিং করতে। তারা বলে মুখের কাপড়টা সরাও তো- একটু দেখতে দাও।


কিছু কিছু বিষয় অসম্ভব কঠোর হতে হয়, এটা তার মধ্যে অন্যতম।

আপনি কিছুতেই মৃতের মুখের কাপড় সরাবেননা।

আপনি কঠোর হয়ে মৃতের মুখ ঢেকে রাখবেন। 


⚰️ ডেডবডি রিলেটেড যারা আছে তাদের সাথে নিয়ে পর্দা এমন ভাবে ঢেকে দিবেন, যেন একটু ফাঁক ফোকরও না থাকে।


যাচাই করে নিবেন, মৃতের গোসল দেয়ার আগে আপনার সাথে গোসল দিতে সহায়তা কারীরা আপনার সমমনা কি না।


❑ শুরুতে ডেডবডি এমন ভাবে ধরতে হবে—

যেন সে ব্যথা না পায়। মৃত ব্যক্তির শরীরে তখন খুব ব্যথা।


মৃত্যু বড় কষ্টের।


ডেডবডি ধরলেই বোঝা যায় কে ভালো কে মন্দ।

ভালো অনুভব হলে বলবো - হে আরশের মালিক! আমাকেও এমন মৃত্যু দিয়েন।


খারাপ কিছু অনুভব হলে টু শব্দ ও করবোনা।


⚰️ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল করাবে,

আল্লাহ তাকে চল্লিশ বারের বেশি ক্ষমা ঘোষণা করেছেন।


▪️যে মৃতের জন্য ঘর বানাবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তার জন্য ঘর বানাবেন।


▪️যে মৃতের কাফন পরিয়ে দিবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তাকে উত্তম পোশাক পরিধান করাবেন


❑ কি কি লাগবে?

▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ চারটা বড় বালতি চার কোনায় রাখবো

২/ চারটা বড় মগ চারজন ধরবে

৩/ বড়ই পাতা বেজোড় সংখ্যায় লাগবে ৫/৭/৯টি

৪/ এক হাড়ি উষ্ণ গরম পানি

৫/ tooth pick - নখের কোনা পরিষ্কার করার জন্য 

৬/ বাস্কেট দুইটা

৭/ খাটিয়া

৮/ কটন/তুলা

৯/ কেচি/ছুরি

১০/ দুইটা সাবানের বাটি

১১/ চারটা বড় ওড়না

১২/ একটা নরম পাতলা কাঁথা। 

১৩/ তায়াম্মুমের /বা নদীর পাক (অথেনটিক) মাটি

১৪/ তিনটা কাফনের কাপড়

এক্সিডেন্টাল কেসের ক্ষেত্রে কাপড় আরো বেশী লাগবে।

১৫/ ডেডবডি বাধার তিনটা ফিতা

১৬/ একটি হালাল দেশী সাবান (কেয়া সাবান)- কুরবানির আগে গরুকে গোসল দেয় যে দেশী হালাল সাবান সেই সাবান।

১৭/ কুলুপের মাটি পাতলা নরম কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নেবো সাতটি কুলুপ।

১৯/ কর্পূর।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (২)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রত্যেক জীবকে মৃত্যু বরণ করতে হবে। 

— [আল ইমরান, ১৮৫]


☞ প্রথম মৃতের চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে হবে।

একটা কাপড় দিয়ে তার সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে দিতে হবে। 

মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে উপস্থিত সকলে ভালো কথা বলবে।

কারণ ফিরেশতারা তখন আমীন বলে।


☞ দ্রুত তার লোন পরিশোধ করে। 

তাকে দাফনকাজ শুরু করতে হবে। 


আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন—

যে ব্যক্তি কোন মৃত মুসলিম কে গোসল করাবে ও গোপনীয়তা রক্ষা করবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ৪০ বার ক্ষমা করে দিবেন।


যে ব্যক্তি মৃতের জন্য কবর খুড়বে অতপর ঢেকে দিবে, 

কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তার বসবাসের জন্য সদাকা হিসাবে একটি ঘর তৈরি করে দিলে যে সওয়াব পেত -সেই পরিমাণ সওয়াব লিখে দেয়া হবে। 


আর যে ব্যক্তি কাফন পরিয়ে দিবে, 

আল্লাহ তাকে জান্নাতে ইসতিবরাকের রেশমী পোশাক পরিয়ে দিবেন।

— হাদীস টি হাকিম ১/৩৫৪,৩৬২; বায়হাক্বী-৩/৩৯৫

হাদিসটি মুসলিম এর শর্তানুযায়ী সহীহ।


❑ ধাপ সমূহ—

▬▬▬▬▬▬☞

১/ মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে সবকিছু অপসারণ করা 

২/ সর্বাবস্থায় ঢেকে ঢেকে গোসল করানো

৩/ বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করানো

৪/ ডানদিক থেকে ও অজুর স্হান দিয়ে গোসল করানো 

৫/ বেজোড় সংখ্যায় গোসল করানো 

৬/ শেষ বার গোসলের পানিতে কর্পূর মেশানো।

৭/ মহিলাদের চুল তিনটা ভাগ করে মাথার পেছনে ছড়িয়ে দেয়া

৮/ ৩টি সাদা কাপর( সেলাই বিহীন) দিয়ে কাফন পরানো


❑ কার্যপদ্ধতি—

▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে মৃত ব্যক্তির শরীরে কোথাও স্কচটেপ, তবিজ, গহনা, কেনুলা, নাকফুল, ক্যাথেটার, কানের দুল, temporary dialysis pipe, ডাক্তারের সাহায্যে খুলে ফেলতে হবে।


গায়ে পরিহিত কাপড় কাধের উপর থেকে কেচি দিয়ে কাটতে হবে কনুই পর্যন্ত। আবার নীচের দিক থেকে পেট পর্যন্ত। 

কোন ভাবে মৃত ব্যক্তি যেন ব্যথা না পায়।


সাবান কুচি করে কেটে দুই বাটিতে পাতলা করে গুলাতে হবে।

১টি বাটি পায়ের কাছে,

১টি বাটি মাথার কাছে রাখতে হবে। 

কোন অবস্থায় বাটি পরিবর্তন করা যাবেনা।


⚰️ ঢেকে ঢেকে তিন চারটা ওরনা, কাফনের কাপড়, কটন, দড়ি, মোছার জন্য বড় পাতলা নরম কাঁথা, কর্পূর একটা ট্রেতে রাখতে হবে। 


⚰️ অন্য ট্রেতে toothpicks, কুলুপের মাটি (মাটির দলা ৭ টা ছোট টুকরা করে সাদা নরম কাপরে বেধে কুলুপ বানিয়ে নিতে হবে। এই মাটিটা তায়াম্মুমের বা নদীর বা ইট ভাটার কাচা ইট থেকে সংগ্রহ করা উত্তম। 


⚰️ হাতে পেচানোর জন্য পাতলা ছাট কাপড়, /ওড়না/গ্লাভস, চাকু রাখতে হবে। 


⚰️ পানি চুলায় ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বেজোড় সংখ্যক বড়ই পাতা ছেঁচে বা ছিড়ে পানিতে মিশাতে হবে।


চুলার পানিতে বড়ই পাতা না মিশানো ভালো। আগুনের তাপে বড়ই পাতার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবণা থাকে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৩)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

চারজন চারকোনা ধরে ১টা ওড়না দিয়ে মুর্দাকে ঢেকে দিয়ে পড়নের কাপড় কেটে একটা ঝুড়িতে রাখতে হবে। 

সর্বাবস্হায় ঢেকে রাখবেন। 


☞ কার্যক্রম—

▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে দেখে নিতে হবে শরীরের কোথাও ময়লা আছে কিনা।

এরপর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে পানি ঢালতে হবে।

পেশাবের জায়গা, কুচকি, মলদ্বার ভালো করে চেক করে পরিস্কার করে নিতে হবে।


⚰️ যদি দেখা যায় অনবরত মল বের হতেই থাকে-

আবার সাবান দিয়ে প্রথম বারের মতো পরিষ্কার করতে হবে। 

৪র্থ বার মাটির কুলুপের সাহায্য আবার মলদ্বার চেক করতে হবে।

যতক্ষণ মল বের হওয়া শেষ না হয় -অপেক্ষা করতে হবে।

আবার পরিষ্কার করতে হবে। এবং কুলুপ গুলো দ্বিতীয় বাস্কেটে ফেলতে হবে।


☞ আল্লাহর রসূল সঃ বলেছেন—

পৃথিবী যখন শেষ হবে, কুফরি কালামে ভরে যাবে। তাই এই বাস্কেটের সব বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতে হবে অথবা মাটির গভীরে পুতে ফেলতে হবে।


এরপরও যদি মল বের হতে থাকে -

তখন কটনের আগায় কর্পূর বেশী দিয়ে জায়গা আটকে দেবো মলদ্বারে ঢুকিয়ে দিবো। যাতে কাফন নষ্ট না হয়।

যারা লাশ বহন করে নিয়ে যাবে তাদের কষ্ট না হয়।


⚰️ গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য আমরা মাইয়্যাতের মা/মেয়ে/বোন /ছেলের বৌ-এর সাহায্য নেবো।


কিন্তু লোম (বগলের /নাভীর নীচের) কাটা যাবেনা।

নখ কাটা যাবেনা।


⚰️ মাইয়্যাতের পেশাবের জায়গা থেকে টেনে একটা করে কুলুপ মলদ্বার পর্যন্ত ৩ বার টেনে আনতে হবে। 


যদি ময়লা লেগে থাকে—

প্রথম বারেই হাতের তালুর ঠিক মাঝখানে নাভী রেখে ডান দিকে ৩ বার, ও বাম দিকে ৩ বার (clock wise and anti clock wise)করে নাভীর চারপাশে হাত ঘোরাতে হবে।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মুর্দাকে উঠিয়ে বসিয়ে পেটে চাপ দেয়া যাবেনা।


▪️এরপর আমরা ওজুর গোসল যেভাবে করি,

ঠিক সেভাবে ওজুর অঙ্গ গুলো আগে ধুয়ে গোসল করাতে হবে।


❑ ওজুর প্রথম ধাপ—

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে ডান হাত তিনবার কব্জি পর্যন্ত ধোয়াতে হবে। এরপর বাম হাত।

মুর্দাকে কুলি করানো সম্ভব নয়।

তাই হাতে পানি নিয়ে ফেলে দিয়ে শাহাদাৎ আঙ্গুলি / তর্জনী দিয়ে মুখের ডানদিকে ১ বার, ও বাম দিকে ১ বার পরিষ্কার করতে হবে। এভাবে ৩ বার পরিষ্কার করতে হবে। 


যদি পান / জর্দা খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলেও মুখে বেশি ঘষামাজা করা যাবেনা।


▪️এরপর নাকে বাম হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে নাকের দুই ছিদ্র ৩ বার সাফ করতে হবে। 

চাইলে নাক কটন বাড দিয়েও সাফ করা যাবে।


▪️তিনবার ডান হাত দিয়ে মুখমন্ডল মুছে নিতে হবে।

▪️চোখের কোনা সাফ করতে হবে। 


▪️শরীরের নীচের পরশন পরিষ্কার করবে তারা শুধু কোমর থেকে নীচ পর্যন্ত ধোবে। যারা মাথার কাছে থাকবে, তারা শুধু উপরের অংশ নাভী পর্যন্ত ধোবে।


▪️এবার মাথা মাসেহ করবে।

দুই হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা আঙুল দিয়ে কপাল থেকে পুরা চুল মাসেহ করতে হবে। 


শাহাদাত আঙুল দিয়ে কানের প্যাচ গুলো, 

বুড়ো আঙুল দিয়ে কানের পিছনে,

মধ্যমা ও বৃদ্ধা আঙুল দিয়ে কানের লতি পরিষ্কার করতে হবে। 

ঘাড় মাসেহ করার প্রয়োজন নেই। 


☞ এরপর গোসলের পর্ব—

❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৪)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

যেখানে গোসল করাবেন উপরে যেন ছাদ থাকে।

চারিদিকে যেন বেড়া থাকে।

পানির লাইন যেন কাছে থাকে।

জায়গা প্রশস্ত হলে ভালো হয়।


🚫 আগরবাতি গোবর শুকিয়ে বানায়-সাথে একটু পারফিউম মিক্সড করে দেয়-তাই আগরবাতি জালাবেন না।


🚫 মশারীর নীচে গোসল করানো বিদআত। এটা করা যাবেনা।

🚫 মৃতদেহের চোখে সুরমা লাগাবেন না।

🚫 জর্দা যদি থেকে যায় মৃতদেহের মুখে তাহলে গোসল হবেনা।


🚫 মাইয়্যাতের হাতে নেইলপালিশ লাগানো আছে কিনা চেক করুন। রিমুভ করুন।

🚫 পিরিয়ডের সময় ও হাতে নেইলপালিশ লাগানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ কেউ জানেনা মৃত্যু কখন আসবে, পিরিয়ড শুরু হলেও মৃত্যু হয়, হতে পারে।


▪️ওজু শেষ হলে কোন উৎসুক জনতাকে মাইয়্যাতের মুখ দেখতে দিবেন না।

সে যেই হোক। আমি স্ট্রিক্টলি দেখতে দেবোনা।

প্রথম কাজ হচ্ছে প্রত্যেকের হাতে প্যাচানোর জন্য চারটা বড় ওড়না জড়িয়ে বেধে নেবো।

চাইলে গ্লোবসও নেয়া যায় তবে এতে অর্থের অপচয় হয় এবং গ্লোবস পোড়ানোর সময় পরিবেশ দূষণ হবে। তাই ওড়নার কাপড় নেয়া ভালো।


আমার হাত সরাসরি যেন ডেডবডির গায়ে না লাগে।

তাই ওড়না দিয়ে হাত বেধে নেবো। 


এবার মাইয়্যাতের উপরের পরশন, লোয়ার পরশন, লেফট্ পরশন ও রাইট পরশনে লোক ভাগ করে দেবো।


🚫 যিনি উপরের অংশ ধোয়াবেন,

তিনি কোন অবস্থায় নীচের অংশে যাবেন না।


পিছনে অনেক সময় স্টুল /মল থাকে।

এটা দেখবে লোয়ার পরশনে যারা থাকবে শুধু তারা।


প্রথম ধাপে শরীরের কোথায় কোথায় সূচ আছে, ক্যাথেটার আছে সব রিমুভ করবো।


🚫 সব দায়িত্ব আপনি নেবেন না।

নার্স ডাকবেন।

যদি মাইয়্যাত লিভার সিরোসিস এর হয়-

তবে রস ঝড়তেই থাকে একটু একটু করে। 


যে মানুষটা মারা গেছেন, তার ক্যানসার আছে কি না, জেনে নেবো।

☞ মাইয়্যাতের ব্লিডিং শুরু হতে পারে -

কি করবো তখন?


- কটনটা কেটে ভাজ করে তার মধ্যে একটু বেশী কর্পূর দিয়ে ব্লাডকে আটকে দিবো।


▪️লিভার সিরোসিস হলে পুজ সদৃশ ব্লাড বের হবে।

ভয় পাবোনা ইনশাআল্লাহ। 

▪️ল্যাপ্রোস্কোপি করে মারা গেলে ফুটোটা থেকে যায়-

তখন কি করব?


-কটন/তুলা ভাজ করে কর্পূর লাগিয়ে সেখানে আটকে দেবো।


ঘরে সবসময় তায়াম্মুমের মাটি রাখবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে যে মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন।

সূরা মায়েদার ৬ নং আায়াতে তার প্রমান -

সেই প্রমান এখন আপনি পাবেন।


—কিভাবে?


-এক মুঠো মাটি নিয়ে অনবরত ঝড়ে পরা মল আটকে দিবেন।

আচ্ছা এতো পাতা থাকতে বরই পাতা কেন লাগবে?


—কারণ, বরই পাতার এমন একটি সাইন্টিফিক ভ্যালু আছে যা শরীরকে অন্যরকম করে দেয়। 


নাভীটাকে বিসমিল্লাহ বলে -

নাভীর মিডল পয়েন্টে horizontally এবং ক্লক ওয়েরি 

একটু হাত দিয়ে মেসেজ করতে হবে।


▪️নাভীর নীচের অংশ পরিষ্কার করার জন্য মাই্য়্যাতের মেয়ে/বোন/ছেলের বৌ/নিকট আত্মীয় হলে ভালো হয়।


▪️বিশ পচিশটা কুলুপ বানিয়ে ট্রেতে রাখবো।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মাইয়্যাতকে ব্যায়াম করানোর কোন অধিকার আমার নাই। পেটে এভাবে চাপ দিয়ে মল বের করা যাবেনা।


একটা বাস্কেটে পরিধেয় কাপড় ফেলবো-

আরেকটা বাস্কেটে কুলুপ ফেলবো।


▪️মলদ্বার ভালো করে সাফ করে ওজু করিয়ে সমস্ত শরীরে সাবান মাখাবো।


একজন গ্রেটার দিয়ে কুচি কুচি করে সাবান কেটে একটা বাটিতে নেবো।


- লিকুইড সাবান ইউস না করা ভালো। 


▪️একজন মাথায় সাবান মাখবে।

▪️২/১ জন হাতে কাপড় বেধে সমস্ত শরীরে কাধ থেকে পিঠ নাভীর উপর পর্যন্ত কর্পূর ও বরই পাতা মেশানো গরম পানি দিয়ে ধোব।

কাত করবো ডান ও বাম দিকে। 


কাত করে পিঠের একপাশ করে করে ধোব। হাতে সাবান লাগিয়ে নেবো।


▪️শরীর কিচ্ছু নেবেনা। দুনিয়ার কিচ্ছু না।

এমনকি এই দুনিয়ার ময়লাও না।

এভাবে সাবান ও বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে পায়ের আঙুল, হাতের আঙুল সব ময়লা বের হয়ে আসবে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৫)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

▪️কুলুপের কাপড়, সাহায্য কারীদের হাতে পেচানো কাপড় ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির গোসল ও কাফনের ব্যবহৃত ফেলে দেয়ার জিনিস পত্র সব কিছু একত্রিত করে কেরোসিন বা কোন দাহ্য পদার্থের সাহায্যে পুড়িয়ে ছাই করে দিন। 

যাতে কেউ এগুলোর সাহায্যে কুফরি করতে না পারে।


▪️কাফন পড়ানোর পর গোলাপজল ছিটাবেন না।

ফুলের তোড়া, ফুল দিবেন না।


▪️কাফনের উপর দুয়া লিখবেন না।

▪️মুর্দা গোসল করালে গোসল ফরজ না। নাপাকী লাগলে গোসল করতে পারেন।


🚨 সতর্কতা—

▬▬▬▬▬▬☞

১/মুর্দার খারাপ কিছু দেখলে আলোচনা করবেন না।

২/শুধু মাত্র যারা গোসল করাবেন তারাই থাকবেন।

উৎসুক জনতাকে দেখতে দিবেন না।মুর্দার ব্যপারে যেন কন গীবত না হয়।

৩/আতর, সুরমা, জাফরান ব্যবহার নিষিদ্ধ। 

৪/কাফনের উপর আলাদা চাদর দিয়ে ঢেকে দিবেন।

৫/কাফন পরানোর পর মাহরাম বাদে কোন পুরুষের সামনে মুখ খুলবেন না।

৬/গোসলের আগে পরে গোসলের সহায়তাকারীগণ। 

আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন দুয়া মোনাজাত করবেন না।

৭/মুর্দা গোসল করানোর পর শরীরে নাপাকি না লাগলে 

সাহায্য কারী গণের গোসল ফরজ না। 


গোসল না করে ঘরে ঢোকা যাবেনা, এ ধারনা ভুল। 

চাইলে আপনি গোসল করতে পারেন।


৮/যেখানে গোসল করানো হয়েছে, সেখানে কন রকম বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন না।


❑ উক্ত আলোচনার কোন তথ্য ভুল পেলে অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে জানাবেন।

তাইবাহ একাডেমির লেকচার থেকে নেয়া।

— আসমা খাতুন


#foryou #CopyPost #viralpost #foryoupage #viralমৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো?

কিংবা নিয়মগুলো জানা আছে?


প্রত্যেক মাঁ-বোনের জানা মহা-জরুরী।


❑ এটা অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। আর বর্তমানে গ্রাম্য এলাকায় বেশিরভাগ এমন মানুষেরা গোসল করায়, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে যারা নিজেরাই পাক পবিত্রতার বিষয়ে বেখবর, ফরজ ইবাদতটুকুতেও নেয় সতর্কতা। 


এজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ গোসলের নিয়মটা আমাদের প্র্যাকটিসিং মুসলিমাহ বোনদেরসহ সকলের জেনে রাখা ভালো। যাতে করে আমরাও এ কাজে শরীক হতে পারি ইংশাআল্লহ।


⚰️ মুসলিম মৃত নারীকে গোসলের পর্ব - (১)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ প্রয়োজনীয় উপকরণ,

২/ কার্যপদ্ধতি (এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ),

৩/ সতর্কতা। 


কোন মৃত বাড়িতে আপনি দেখবেন, একদল মহিলা যারা যায় শুধু গসিপিং করতে। তারা বলে মুখের কাপড়টা সরাও তো- একটু দেখতে দাও।


কিছু কিছু বিষয় অসম্ভব কঠোর হতে হয়, এটা তার মধ্যে অন্যতম।

আপনি কিছুতেই মৃতের মুখের কাপড় সরাবেননা।

আপনি কঠোর হয়ে মৃতের মুখ ঢেকে রাখবেন। 


⚰️ ডেডবডি রিলেটেড যারা আছে তাদের সাথে নিয়ে পর্দা এমন ভাবে ঢেকে দিবেন, যেন একটু ফাঁক ফোকরও না থাকে।


যাচাই করে নিবেন, মৃতের গোসল দেয়ার আগে আপনার সাথে গোসল দিতে সহায়তা কারীরা আপনার সমমনা কি না।


❑ শুরুতে ডেডবডি এমন ভাবে ধরতে হবে—

যেন সে ব্যথা না পায়। মৃত ব্যক্তির শরীরে তখন খুব ব্যথা।


মৃত্যু বড় কষ্টের।


ডেডবডি ধরলেই বোঝা যায় কে ভালো কে মন্দ।

ভালো অনুভব হলে বলবো - হে আরশের মালিক! আমাকেও এমন মৃত্যু দিয়েন।


খারাপ কিছু অনুভব হলে টু শব্দ ও করবোনা।


⚰️ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল করাবে,

আল্লাহ তাকে চল্লিশ বারের বেশি ক্ষমা ঘোষণা করেছেন।


▪️যে মৃতের জন্য ঘর বানাবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তার জন্য ঘর বানাবেন।


▪️যে মৃতের কাফন পরিয়ে দিবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তাকে উত্তম পোশাক পরিধান করাবেন


❑ কি কি লাগবে?

▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ চারটা বড় বালতি চার কোনায় রাখবো

২/ চারটা বড় মগ চারজন ধরবে

৩/ বড়ই পাতা বেজোড় সংখ্যায় লাগবে ৫/৭/৯টি

৪/ এক হাড়ি উষ্ণ গরম পানি

৫/ tooth pick - নখের কোনা পরিষ্কার করার জন্য 

৬/ বাস্কেট দুইটা

৭/ খাটিয়া

৮/ কটন/তুলা

৯/ কেচি/ছুরি

১০/ দুইটা সাবানের বাটি

১১/ চারটা বড় ওড়না

১২/ একটা নরম পাতলা কাঁথা। 

১৩/ তায়াম্মুমের /বা নদীর পাক (অথেনটিক) মাটি

১৪/ তিনটা কাফনের কাপড়

এক্সিডেন্টাল কেসের ক্ষেত্রে কাপড় আরো বেশী লাগবে।

১৫/ ডেডবডি বাধার তিনটা ফিতা

১৬/ একটি হালাল দেশী সাবান (কেয়া সাবান)- কুরবানির আগে গরুকে গোসল দেয় যে দেশী হালাল সাবান সেই সাবান।

১৭/ কুলুপের মাটি পাতলা নরম কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নেবো সাতটি কুলুপ।

১৯/ কর্পূর।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (২)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রত্যেক জীবকে মৃত্যু বরণ করতে হবে। 

— [আল ইমরান, ১৮৫]


☞ প্রথম মৃতের চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে হবে।

একটা কাপড় দিয়ে তার সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে দিতে হবে। 

মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে উপস্থিত সকলে ভালো কথা বলবে।

কারণ ফিরেশতারা তখন আমীন বলে।


☞ দ্রুত তার লোন পরিশোধ করে। 

তাকে দাফনকাজ শুরু করতে হবে। 


আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন—

যে ব্যক্তি কোন মৃত মুসলিম কে গোসল করাবে ও গোপনীয়তা রক্ষা করবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ৪০ বার ক্ষমা করে দিবেন।


যে ব্যক্তি মৃতের জন্য কবর খুড়বে অতপর ঢেকে দিবে, 

কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তার বসবাসের জন্য সদাকা হিসাবে একটি ঘর তৈরি করে দিলে যে সওয়াব পেত -সেই পরিমাণ সওয়াব লিখে দেয়া হবে। 


আর যে ব্যক্তি কাফন পরিয়ে দিবে, 

আল্লাহ তাকে জান্নাতে ইসতিবরাকের রেশমী পোশাক পরিয়ে দিবেন।

— হাদীস টি হাকিম ১/৩৫৪,৩৬২; বায়হাক্বী-৩/৩৯৫

হাদিসটি মুসলিম এর শর্তানুযায়ী সহীহ।


❑ ধাপ সমূহ—

▬▬▬▬▬▬☞

১/ মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে সবকিছু অপসারণ করা 

২/ সর্বাবস্থায় ঢেকে ঢেকে গোসল করানো

৩/ বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করানো

৪/ ডানদিক থেকে ও অজুর স্হান দিয়ে গোসল করানো 

৫/ বেজোড় সংখ্যায় গোসল করানো 

৬/ শেষ বার গোসলের পানিতে কর্পূর মেশানো।

৭/ মহিলাদের চুল তিনটা ভাগ করে মাথার পেছনে ছড়িয়ে দেয়া

৮/ ৩টি সাদা কাপর( সেলাই বিহীন) দিয়ে কাফন পরানো


❑ কার্যপদ্ধতি—

▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে মৃত ব্যক্তির শরীরে কোথাও স্কচটেপ, তবিজ, গহনা, কেনুলা, নাকফুল, ক্যাথেটার, কানের দুল, temporary dialysis pipe, ডাক্তারের সাহায্যে খুলে ফেলতে হবে।


গায়ে পরিহিত কাপড় কাধের উপর থেকে কেচি দিয়ে কাটতে হবে কনুই পর্যন্ত। আবার নীচের দিক থেকে পেট পর্যন্ত। 

কোন ভাবে মৃত ব্যক্তি যেন ব্যথা না পায়।


সাবান কুচি করে কেটে দুই বাটিতে পাতলা করে গুলাতে হবে।

১টি বাটি পায়ের কাছে,

১টি বাটি মাথার কাছে রাখতে হবে। 

কোন অবস্থায় বাটি পরিবর্তন করা যাবেনা।


⚰️ ঢেকে ঢেকে তিন চারটা ওরনা, কাফনের কাপড়, কটন, দড়ি, মোছার জন্য বড় পাতলা নরম কাঁথা, কর্পূর একটা ট্রেতে রাখতে হবে। 


⚰️ অন্য ট্রেতে toothpicks, কুলুপের মাটি (মাটির দলা ৭ টা ছোট টুকরা করে সাদা নরম কাপরে বেধে কুলুপ বানিয়ে নিতে হবে। এই মাটিটা তায়াম্মুমের বা নদীর বা ইট ভাটার কাচা ইট থেকে সংগ্রহ করা উত্তম। 


⚰️ হাতে পেচানোর জন্য পাতলা ছাট কাপড়, /ওড়না/গ্লাভস, চাকু রাখতে হবে। 


⚰️ পানি চুলায় ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বেজোড় সংখ্যক বড়ই পাতা ছেঁচে বা ছিড়ে পানিতে মিশাতে হবে।


চুলার পানিতে বড়ই পাতা না মিশানো ভালো। আগুনের তাপে বড়ই পাতার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবণা থাকে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৩)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

চারজন চারকোনা ধরে ১টা ওড়না দিয়ে মুর্দাকে ঢেকে দিয়ে পড়নের কাপড় কেটে একটা ঝুড়িতে রাখতে হবে। 

সর্বাবস্হায় ঢেকে রাখবেন। 


☞ কার্যক্রম—

▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে দেখে নিতে হবে শরীরের কোথাও ময়লা আছে কিনা।

এরপর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে পানি ঢালতে হবে।

পেশাবের জায়গা, কুচকি, মলদ্বার ভালো করে চেক করে পরিস্কার করে নিতে হবে।


⚰️ যদি দেখা যায় অনবরত মল বের হতেই থাকে-

আবার সাবান দিয়ে প্রথম বারের মতো পরিষ্কার করতে হবে। 

৪র্থ বার মাটির কুলুপের সাহায্য আবার মলদ্বার চেক করতে হবে।

যতক্ষণ মল বের হওয়া শেষ না হয় -অপেক্ষা করতে হবে।

আবার পরিষ্কার করতে হবে। এবং কুলুপ গুলো দ্বিতীয় বাস্কেটে ফেলতে হবে।


☞ আল্লাহর রসূল সঃ বলেছেন—

পৃথিবী যখন শেষ হবে, কুফরি কালামে ভরে যাবে। তাই এই বাস্কেটের সব বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতে হবে অথবা মাটির গভীরে পুতে ফেলতে হবে।


এরপরও যদি মল বের হতে থাকে -

তখন কটনের আগায় কর্পূর বেশী দিয়ে জায়গা আটকে দেবো মলদ্বারে ঢুকিয়ে দিবো। যাতে কাফন নষ্ট না হয়।

যারা লাশ বহন করে নিয়ে যাবে তাদের কষ্ট না হয়।


⚰️ গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য আমরা মাইয়্যাতের মা/মেয়ে/বোন /ছেলের বৌ-এর সাহায্য নেবো।


কিন্তু লোম (বগলের /নাভীর নীচের) কাটা যাবেনা।

নখ কাটা যাবেনা।


⚰️ মাইয়্যাতের পেশাবের জায়গা থেকে টেনে একটা করে কুলুপ মলদ্বার পর্যন্ত ৩ বার টেনে আনতে হবে। 


যদি ময়লা লেগে থাকে—

প্রথম বারেই হাতের তালুর ঠিক মাঝখানে নাভী রেখে ডান দিকে ৩ বার, ও বাম দিকে ৩ বার (clock wise and anti clock wise)করে নাভীর চারপাশে হাত ঘোরাতে হবে।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মুর্দাকে উঠিয়ে বসিয়ে পেটে চাপ দেয়া যাবেনা।


▪️এরপর আমরা ওজুর গোসল যেভাবে করি,

ঠিক সেভাবে ওজুর অঙ্গ গুলো আগে ধুয়ে গোসল করাতে হবে।


❑ ওজুর প্রথম ধাপ—

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে ডান হাত তিনবার কব্জি পর্যন্ত ধোয়াতে হবে। এরপর বাম হাত।

মুর্দাকে কুলি করানো সম্ভব নয়।

তাই হাতে পানি নিয়ে ফেলে দিয়ে শাহাদাৎ আঙ্গুলি / তর্জনী দিয়ে মুখের ডানদিকে ১ বার, ও বাম দিকে ১ বার পরিষ্কার করতে হবে। এভাবে ৩ বার পরিষ্কার করতে হবে। 


যদি পান / জর্দা খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলেও মুখে বেশি ঘষামাজা করা যাবেনা।


▪️এরপর নাকে বাম হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে নাকের দুই ছিদ্র ৩ বার সাফ করতে হবে। 

চাইলে নাক কটন বাড দিয়েও সাফ করা যাবে।


▪️তিনবার ডান হাত দিয়ে মুখমন্ডল মুছে নিতে হবে।

▪️চোখের কোনা সাফ করতে হবে। 


▪️শরীরের নীচের পরশন পরিষ্কার করবে তারা শুধু কোমর থেকে নীচ পর্যন্ত ধোবে। যারা মাথার কাছে থাকবে, তারা শুধু উপরের অংশ নাভী পর্যন্ত ধোবে।


▪️এবার মাথা মাসেহ করবে।

দুই হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা আঙুল দিয়ে কপাল থেকে পুরা চুল মাসেহ করতে হবে। 


শাহাদাত আঙুল দিয়ে কানের প্যাচ গুলো, 

বুড়ো আঙুল দিয়ে কানের পিছনে,

মধ্যমা ও বৃদ্ধা আঙুল দিয়ে কানের লতি পরিষ্কার করতে হবে। 

ঘাড় মাসেহ করার প্রয়োজন নেই। 


☞ এরপর গোসলের পর্ব—

❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৪)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

যেখানে গোসল করাবেন উপরে যেন ছাদ থাকে।

চারিদিকে যেন বেড়া থাকে।

পানির লাইন যেন কাছে থাকে।

জায়গা প্রশস্ত হলে ভালো হয়।


🚫 আগরবাতি গোবর শুকিয়ে বানায়-সাথে একটু পারফিউম মিক্সড করে দেয়-তাই আগরবাতি জালাবেন না।


🚫 মশারীর নীচে গোসল করানো বিদআত। এটা করা যাবেনা।

🚫 মৃতদেহের চোখে সুরমা লাগাবেন না।

🚫 জর্দা যদি থেকে যায় মৃতদেহের মুখে তাহলে গোসল হবেনা।


🚫 মাইয়্যাতের হাতে নেইলপালিশ লাগানো আছে কিনা চেক করুন। রিমুভ করুন।

🚫 পিরিয়ডের সময় ও হাতে নেইলপালিশ লাগানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ কেউ জানেনা মৃত্যু কখন আসবে, পিরিয়ড শুরু হলেও মৃত্যু হয়, হতে পারে।


▪️ওজু শেষ হলে কোন উৎসুক জনতাকে মাইয়্যাতের মুখ দেখতে দিবেন না।

সে যেই হোক। আমি স্ট্রিক্টলি দেখতে দেবোনা।

প্রথম কাজ হচ্ছে প্রত্যেকের হাতে প্যাচানোর জন্য চারটা বড় ওড়না জড়িয়ে বেধে নেবো।

চাইলে গ্লোবসও নেয়া যায় তবে এতে অর্থের অপচয় হয় এবং গ্লোবস পোড়ানোর সময় পরিবেশ দূষণ হবে। তাই ওড়নার কাপড় নেয়া ভালো।


আমার হাত সরাসরি যেন ডেডবডির গায়ে না লাগে।

তাই ওড়না দিয়ে হাত বেধে নেবো। 


এবার মাইয়্যাতের উপরের পরশন, লোয়ার পরশন, লেফট্ পরশন ও রাইট পরশনে লোক ভাগ করে দেবো।


🚫 যিনি উপরের অংশ ধোয়াবেন,

তিনি কোন অবস্থায় নীচের অংশে যাবেন না।


পিছনে অনেক সময় স্টুল /মল থাকে।

এটা দেখবে লোয়ার পরশনে যারা থাকবে শুধু তারা।


প্রথম ধাপে শরীরের কোথায় কোথায় সূচ আছে, ক্যাথেটার আছে সব রিমুভ করবো।


🚫 সব দায়িত্ব আপনি নেবেন না।

নার্স ডাকবেন।

যদি মাইয়্যাত লিভার সিরোসিস এর হয়-

তবে রস ঝড়তেই থাকে একটু একটু করে। 


যে মানুষটা মারা গেছেন, তার ক্যানসার আছে কি না, জেনে নেবো।

☞ মাইয়্যাতের ব্লিডিং শুরু হতে পারে -

কি করবো তখন?


- কটনটা কেটে ভাজ করে তার মধ্যে একটু বেশী কর্পূর দিয়ে ব্লাডকে আটকে দিবো।


▪️লিভার সিরোসিস হলে পুজ সদৃশ ব্লাড বের হবে।

ভয় পাবোনা ইনশাআল্লাহ। 

▪️ল্যাপ্রোস্কোপি করে মারা গেলে ফুটোটা থেকে যায়-

তখন কি করব?


-কটন/তুলা ভাজ করে কর্পূর লাগিয়ে সেখানে আটকে দেবো।


ঘরে সবসময় তায়াম্মুমের মাটি রাখবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে যে মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন।

সূরা মায়েদার ৬ নং আায়াতে তার প্রমান -

সেই প্রমান এখন আপনি পাবেন।


—কিভাবে?


-এক মুঠো মাটি নিয়ে অনবরত ঝড়ে পরা মল আটকে দিবেন।

আচ্ছা এতো পাতা থাকতে বরই পাতা কেন লাগবে?


—কারণ, বরই পাতার এমন একটি সাইন্টিফিক ভ্যালু আছে যা শরীরকে অন্যরকম করে দেয়। 


নাভীটাকে বিসমিল্লাহ বলে -

নাভীর মিডল পয়েন্টে horizontally এবং ক্লক ওয়েরি 

একটু হাত দিয়ে মেসেজ করতে হবে।


▪️নাভীর নীচের অংশ পরিষ্কার করার জন্য মাই্য়্যাতের মেয়ে/বোন/ছেলের বৌ/নিকট আত্মীয় হলে ভালো হয়।


▪️বিশ পচিশটা কুলুপ বানিয়ে ট্রেতে রাখবো।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মাইয়্যাতকে ব্যায়াম করানোর কোন অধিকার আমার নাই। পেটে এভাবে চাপ দিয়ে মল বের করা যাবেনা।


একটা বাস্কেটে পরিধেয় কাপড় ফেলবো-

আরেকটা বাস্কেটে কুলুপ ফেলবো।


▪️মলদ্বার ভালো করে সাফ করে ওজু করিয়ে সমস্ত শরীরে সাবান মাখাবো।


একজন গ্রেটার দিয়ে কুচি কুচি করে সাবান কেটে একটা বাটিতে নেবো।


- লিকুইড সাবান ইউস না করা ভালো। 


▪️একজন মাথায় সাবান মাখবে।

▪️২/১ জন হাতে কাপড় বেধে সমস্ত শরীরে কাধ থেকে পিঠ নাভীর উপর পর্যন্ত কর্পূর ও বরই পাতা মেশানো গরম পানি দিয়ে ধোব।

কাত করবো ডান ও বাম দিকে। 


কাত করে পিঠের একপাশ করে করে ধোব। হাতে সাবান লাগিয়ে নেবো।


▪️শরীর কিচ্ছু নেবেনা। দুনিয়ার কিচ্ছু না।

এমনকি এই দুনিয়ার ময়লাও না।

এভাবে সাবান ও বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে পায়ের আঙুল, হাতের আঙুল সব ময়লা বের হয়ে আসবে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৫)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

▪️কুলুপের কাপড়, সাহায্য কারীদের হাতে পেচানো কাপড় ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির গোসল ও কাফনের ব্যবহৃত ফেলে দেয়ার জিনিস পত্র সব কিছু একত্রিত করে কেরোসিন বা কোন দাহ্য পদার্থের সাহায্যে পুড়িয়ে ছাই করে দিন। 

যাতে কেউ এগুলোর সাহায্যে কুফরি করতে না পারে।


▪️কাফন পড়ানোর পর গোলাপজল ছিটাবেন না।

ফুলের তোড়া, ফুল দিবেন না।


▪️কাফনের উপর দুয়া লিখবেন না।

▪️মুর্দা গোসল করালে গোসল ফরজ না। নাপাকী লাগলে গোসল করতে পারেন।


🚨 সতর্কতা—

▬▬▬▬▬▬☞

১/মুর্দার খারাপ কিছু দেখলে আলোচনা করবেন না।

২/শুধু মাত্র যারা গোসল করাবেন তারাই থাকবেন।

উৎসুক জনতাকে দেখতে দিবেন না।মুর্দার ব্যপারে যেন কন গীবত না হয়।

৩/আতর, সুরমা, জাফরান ব্যবহার নিষিদ্ধ। 

৪/কাফনের উপর আলাদা চাদর দিয়ে ঢেকে দিবেন।

৫/কাফন পরানোর পর মাহরাম বাদে কোন পুরুষের সামনে মুখ খুলবেন না।

৬/গোসলের আগে পরে গোসলের সহায়তাকারীগণ। 

আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন দুয়া মোনাজাত করবেন না।

৭/মুর্দা গোসল করানোর পর শরীরে নাপাকি না লাগলে 

সাহায্য কারী গণের গোসল ফরজ না। 


গোসল না করে ঘরে ঢোকা যাবেনা, এ ধারনা ভুল। 

চাইলে আপনি গোসল করতে পারেন।


৮/যেখানে গোসল করানো হয়েছে, সেখানে কন রকম বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন না।


❑ উক্ত আলোচনার কোন তথ্য ভুল পেলে অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে জানাবেন।

তাইবাহ একাডেমির লেকচার থেকে নেয়া।

— আসমা খাতুন

oryou #CopyPost #viralpost #foryoupage #vira

গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা,পজিটভ নহাটা থৈকে নেওয়া

 

গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা: দেশভাগ, স্মৃতি ও শিকড়ের গল্প

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বাংলাদেশের গ্রামগুলো শুধু ভৌগোলিক সীমানা নয়—প্রতিটি গ্রামই বহন করে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানুষের অগণিত স্মৃতির ভার। মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের একটি এমনই গ্রাম পরমেশ্বরপুর, যার অতীত, মানুষের জীবনগাথা ও দেশভাগের বেদনাময় স্মৃতি একত্রে ধরা পড়েছে “গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা” বইয়ে।

গ্রাম ও গাঙের গল্প

পরমেশ্বরপুর গ্রামের পাশে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদী শুধু একটি জলধারা নয়, বরং এই অঞ্চলের জীবন, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছিল মানুষের বসতি, জীবিকা ও সামাজিক কাঠামো। তাই বইটির নামেই গ্রাম ও গাঙকে পাশাপাশি তুলে ধরা হয়েছে—যেন একে অপরের অবিচ্ছেদ্য পরিচয়।

দেশভাগ ও বিচ্ছিন্নতার বেদনা

১৯৪৭ সালের দেশভাগ এই গ্রামের মানুষের জীবনে নিয়ে আসে এক গভীর পরিবর্তন। বহু পরিবার তাদের শতবর্ষের বসতভিটা ছেড়ে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয় ভারতে। পরমেশ্বরপুরও সেই ইতিহাসের সাক্ষী—যেখানে একসময় গড়ে ওঠা সমাজ ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে। এই বইতে সেইসব মানুষের স্মৃতি, কষ্ট, বিচ্ছেদ ও নতুন জীবনের গল্প উঠে এসেছে হৃদয়স্পর্শীভাবে।

দীর্ঘ গবেষণা ও তথ্যসংগ্রহ

ড. শঙ্করকুমার ঘোষ ও রতনকুমার ঘোষ প্রায় নয় বছরের নিরলস পরিশ্রমে এই বইটি সম্পাদনা করেছেন। তারা শুধু বইপত্র ঘেঁটে থেমে থাকেননি; বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা পরমেশ্বরপুরের মানুষ ও তাদের উত্তর-প্রজন্মকে খুঁজে বের করেছেন। সংগ্রহ করেছেন তাদের স্মৃতিকথা, পারিবারিক ইতিহাস ও বংশতালিকা। এমনকি তারা সরাসরি গ্রাম পরিদর্শন করে বাস্তব তথ্যও সংগ্রহ করেছেন।

বইয়ের বৈশিষ্ট্য

🔸প্রায় হাজার পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে রয়েছে—
গেজেটিয়ারধর্মী বিস্তারিত ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য
🔸পঞ্চাশটিরও বেশি স্মৃতিকথা
🔸পারিবারিক ইতিবৃত্ত ও বংশতালিকা
🔸পুরনো আলোকচিত্র ও মানচিত্র

এই উপাদানগুলো বইটিকে শুধু একটি ইতিহাসগ্রন্থ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

কেন বইটি গুরুত্বপূর্ণ

“গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা” আসলে একটি গ্রামের গল্প হলেও, এটি বৃহত্তর বাংলার ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। এখানে আছে দেশভাগের প্রভাব, মানুষের শিকড় হারানোর বেদনা এবং স্মৃতির মাধ্যমে সেই শিকড়কে ধরে রাখার প্রয়াস।
এ ধরনের বই আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ইতিহাস শুধু রাজা-বাদশাহদের নয়, সাধারণ মানুষের জীবনগাথাও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছোট একটি গ্রামের এত বিস্তৃত ও গবেষণাভিত্তিক দলিল সত্যিই বিরল।

উপসংহার

পরমেশ্বরপুর শুধু একটি গ্রামের নাম নয়; এটি এক হারানো সময়ের প্রতিচ্ছবি, এক বিচ্ছিন্ন জনপদের স্মৃতির ভান্ডার। নবগঙ্গার জলে যেমন অতীতের ছায়া ভেসে ওঠে, তেমনি এই বইয়ের পাতায় পাতায় ধরা পড়ে মানুষের ভালোবাসা, বেদনা ও শিকড়ের টান।

যারা নিজের এলাকা, ইতিহাস ও শিকড়কে জানতে চান, তাদের জন্য এই বইটি নিঃসন্দেহে এক অমূল্য সম্পদ।

শিমুল পারভেজ
সম্পাদক, পজিটিভ নহাটা

সহযোগিতায়ঃ হাদিউজ্জামান


 








বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ২৩-০৪-২০২৬ খ্রি:। 

 সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২৩-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটের ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার - প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে সিদ্ধান্ত । * পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার - সংসদে জানালেন তারেক রহমান।


দেশে সব ধরনের টিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।


অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


আগামী তেসরা মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ই মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু।


যুদ্ধবিরতির প্রকাশ্য লঙ্ঘনের কারণে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ইরান।


চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজ তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে সিরিজ নির্ধারণী ক্রিকেট ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটের ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার --- প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে সিদ্ধান্ত ।


পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : সংসদে জানালেন তারেক রহমান। 


দেশে সব ধরনের টিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী । 


অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


আগামী তেসরা মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ই মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে।


হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকালে তিনটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানোর পর দুটি জাহাজ আটক করেছে ইরান।


এবং চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আগামীকাল তৃতীয় ও শেষ ওয়ান্ডেতে সিরিজ নির্ধারণী ক্রিকেট ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:। 

 সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২০-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু - প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি জোরদার করা হয়েছে - বললেন শিক্ষামন্ত্রী।


বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০ দশমিক ছয়-ছয় মিলিয়ন ডলার  - সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য প্রকাশ।


দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে - ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান।


ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট - স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান।


আজ রাজশাহীতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা নারী দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ।

সূরা লাহাব: কুরআনের এক জীবন্ত ভবিষ্যদ্বাণী! ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সূরা লাহাব: কুরআনের এক জীবন্ত ভবিষ্যদ্বাণী! কুরআনের ১১১ নং সূরা হলো সূরা আল-লাহাব (তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাব)। এই সূরায় আল্লাহ তাআলা সরাসরি র...