গবাদিপশু, মিথেন গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের হুমকি: সজিনা পাতায় আছে আমাদের জন্য সমাধান!
গ্রিনহাউস এফেক্টের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাস, তারপরেই আছে মিথেন। বিজ্ঞানীরা বলছে, প্রতিদিন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে যে পরিমাণ মিথেন মিশছে, তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসছে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হরিণ প্রভৃতি প্রাণীর পাকস্থলী থেকে নির্গত বায়ু থেকে। কাঁচা ঘাস, খড় ও লতাপাতার ওপর নির্ভরশীল এসব প্রাণীর পাকস্থলিতে যখন খাদ্যের পরিপাক ক্রিয়া চলে সে সময়েই উৎপাদন ও নির্গত হয় মিথেন।
গবাদিপশুর মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল মিথেন গ্যাস নিঃসৃত হয়, যা বার্ষিক গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের ১৫ শতাংশ বলে জানা গেছে জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুসারে।
আমাদের দেশের অর্থনীতিতে গবাদি পশুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবার উষ্ণায়ন এবং পরিবেশ দূষণও বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা দেশজ প্রক্রিয়ায় দুয়ের মধ্যে ভারসাম্য আনার চেষ্টায় গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে সজিনার ব্যবহার নিয়ে কাজ করছি। গবাদিপশুর খাদ্যে সজিনা পাতা যুক্ত করলে গবাদিপশুর পাকস্থলিতে মিথেন উৎপাদন কমবে, এপর্যন্ত পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় যার সত্যতা মিলেছে।
এবার মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বিনিয়োগ করেছেন গরু ও অন্যান্য গবাদিপশু থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস রোধ সম্পর্কিত একটি প্রকল্পে। ‘গবাদি পশুর জন্য বিকল্প খাদ্য প্রস্তুতের এই প্রকল্পে আমাজনের মালিক জেফ বেজোস, চীনা ই কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবার সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা-ও অর্থ বিনিয়োগ করেছেন । আপনি করছেন তো?
*ছবি সজিনা সাইলেজ তৈরির।
![]() |

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন