এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের সাথে একসময় পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঘোষিত স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা গড়ে উঠেছিল

 গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের মহৎ গুণ ছিল অন্য কেউ ভাল গান লিখলে তিনি মুক্ত কণ্ঠে প্রশংসা করতেন। তবে এই গুণ মোটেও ছিল না পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! গীতিকার পুলকের লেখা 'তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে আমার মরণযাত্রা যেদিন যাবে '। কিশোরকুমার অসাধারণ গেয়েছেন তবে তিনি কম রসিক নন। গানের কথা শুনে নাকি বলেছিলেন! না ভাই, এ গান গান আমি গাইব না। আমার তো দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এই গান গাইলে তিন নম্বরটা হয়ে যাবে!


গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের সাথে একসময় পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঘোষিত স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা গড়ে উঠেছিল


। গৌরীপ্রসন্ন লিখলেন ' যদি কাগজে লেখ নাম কাগজ ছিঁড়ে যাবে। পুলক তার উত্তরে লিখলেন ' আমার ভালবাসার রাজপ্রসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে '। দুজনের স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতায় অসামান্য সব অমর গান তৈরি হয়েছে। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের আরও একটি গুণ ছিল ভাল গানকে মুক্ত কণ্ঠে তারিফ করতেন। শেষের দিকে খোলাখুলি বলতেন পুলকবাবু যা গান লিখেছেন তা সত্যিই অপূর্ব। কিন্তু এই গুণটা নাকি পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছিল না অন্তত মান্না দে সেকথা স্বয়ং বলছেন।


গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের জীবনের শেষ গান মান্না দে গেয়েছেন। এই গানটি শুধু গৌরীবাবুর জীবনের শেষ গান নয় এই গানে আছে তাঁর অনেক ব্যাথা - বেদনা। রোগশয্যায় শুয়ে সত্যি সত্যি ভাবতেন, তিনি কি আর ভাল হবেন না। তাই সেই গান অমর কিনা প্রশ্ন নয় প্রশ্ন হল কত বেদনার হতে পারে একটি শিল্পীর জীবনের প্রতি ভালবাসা ' আমি কি আর ভাল হব না, ডাক্তার রায় '? গানটি যখন রেকর্ডিং হয় ততদিনে গৌরীপ্রসন্ন জীবনের মায়া কাটিয়ে অমৃতলোকে যাত্রা করেছেন।


পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মান্না দে 'র সখ্য সর্বজনবিদিত।

পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় অসাধারণ লিখতেন। তাঁর মৃত্যু মান্না দে কে গভীর আঘাত করে। গানটি গাওয়ার ব্যাপারে তিনি ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু বন্ধুবর পুলকের অনুরোধে গাইলেন ' যখন এমন হয় জীবনটা মনে হয় ব্যর্থ আবর্জনা,ভাবি গঙ্গায় ছাঁপ দিই রেলের লাইনে মাথা রাখি '। তখন কে আর জানতেন এই কথা গুলো আসপে পুলকের মনের কথা!

এত বেদনার মাঝে আর একটি গানের কথা বলি সেখানেও মান্না দে পুলকের গান গাইতে রাজি হলেন না।  সেই গান গেয়েছেন কিংবদন্তি কিশোরকুমার। ' তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে আমার মরণযাত্রা যেদিন যাবে '। ব্যক্তিগত কারণেই গানটি গাওয়ার প্রস্তাব মান্না ফেরালেন। পরে কিশোরকুমার অসাধারণ গানটি গেয়েছেন। তিনি অসাধারণ গেয়েছেন, অনবদ্য প্রবল জনপ্রিয় গান। তবে কিশোরকুমার রসিক মানুষ গানের কথা শুনে নাকি বলেছিলেন! না ভাই, এ গান গান আমি গাইব না। আমার তো দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এই গান গাইলে তিন নম্বরটা হয়ে যাবে!


#সংগৃহীত 

#kishorekumar 

#MannaDey 

#PulakBandyopadhyay

#bengalilyricist

#musiccomposer

#GauriPrasannaMazumder


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, জীবনের জলসাঘরে মান্না দে

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...