১৮+ এলার্ট
ধীরে ধীরে শরীরের সমস্ত কা প *ড় খু* লে ন গ্ন দে হে সুলতানকে শ-য্যা য় ডাকলো মেরী। বুকে সদ্য বাবা হারানোর শোক আর প্রতিশোধের আগুন মেরীকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে আরও মজবুত করে গড়ে তুলছে প্রতিক্ষণ।
জানালার পাশে দাড়ানো সুলতান তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললো,– কোথায় বাবার হ * ত্যা, *র প্রতিশোধ নেবে তা না করে বা'বার হ'ত্যা'কারী'র সাথে সো হা-গ রাত করতে প্রস্তুত হয়ে আছো, তোমার আর কি-ই বা করার আছে, কারণ তুমি নারীজাতি। ভো গ্য প' ণ্যের মতোই নিজেকে মেলে ধরেছো একজন পুরুষের সামনে, এটা ছাড়া আর কিইবা করার আছে তোমাদের!
মেরী বললো,– পুরুষের সামনে বলতে আপনি আমার স্বামী, আমার যা-কিছু আপনারই, আপনার সামনে নিজেকে মেলে ধরা পাপ অথবা অন্যায় কিছু নয় রাজপুত্র সুলতান।
সুলতান জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বললো,– কোথায় গেল তোমার বাবার অহঙ্কার আর গৌরব রাজকুমারী মেরী? তোমার বাবার রাজ্যে আমাকে তোমার বাবা যে অপমান করেছিল তার প্রতিশোধ স্বরূপ নিজের হাতে তোমার বা'বা'কে হ'' ত্যা করলাম, তার মেয়েকে বিয়ে করলাম। তোমার বাবা আমাকে বলেছিল জা' লিম ব' র্বর, অথচ দ্যাখো এই জা লিম ব র্বর তার একমাত্র মেয়ের স্বামী। আশেপাশের শত রাজ্যে রাজকুমারী মেরীর রূপের প্রশংসা, বুদ্ধিমত্তার তারিফ, মির্জানগর রাজ্যের রাজকন্যা সুন্দরী মেরী আজ আমার বিছা *নায় ন *গ্ন দেহে, হা- হা হা, কোথায় তোমার বাবার গর্ব, কোথায় দম্ভ, কোথায় অহঙ্কার!
নরম গলায় মেরী বললো,– রাত অনেক হয়েছে এবার শুতে আসুন।
আবারও সুলতান হো হো করে হেসে বললো,– ভেবনা তোমায় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছি মেরী, এটা সেই অপমানের বদলা যেটা তুমি করেছিলে আমায়। আজ সারারাত তোমার শ রী র ভো'' গ করে সকালে নগ্ন শরীরে মির্জানগর রাজ্যে ছু ড়ে ফেলে আসবো তাদের সুন্দরী রাজকন্যাকে, সবাই দেখবে আর ভাববে সুলতাননগর রাজ্যের রাজপুত্র কতটা ভ য় ঙ্কর, তার সাথে পাঙ্গা নিলে পরিনাম কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে।
মেরীর বাবার রাজ্য মির্জানগর এবং সুলতানের রাজ্য সুলতান নগর পাশাপাশি। সুলতান অ ত্যা চারী এবং জু লু ম. কারী হিসেবেই পরিচিত আশেপাশের রাজ্যে।
পাশাপাশি রাজ্য হওয়ায় সুলতান তার দলবল এবং পোষা চারটি হিং স্র বা ঘ নিয়ে প্রায়ই হা *মলা চালাতো মেরীর বাবার রাজ্যে, এতে যেমন প্রাণনাশ হতো তেমনই ক্ষয়ক্ষতি।
মেরীর বাবা শান্তশিষ্ট রাজা হিসেবেই পরিচিত, যেমন দয়ালু তেমনই উদার মনের মানুষ বলে তার প্রসংশা লোকমুখে। আর এই কারনেই সুলতান ও সুলতানের বাবার খুব হিং সা হতো। তারা সবসময় চাইতো মেরীর বাবার এই সম্মান যেকোনো উপায়ে ধ্বং স করতে।
হঠাৎ করে সুলতান মেরীর বাবার রাজ্য থেকে কুমারী মেয়েদের তুলে এনে ধ* র্ষ"" ণ, এবং ধ"" র্ষ"" ণ শেষে অ"" র্ধ মৃ ত অথবা মৃ"" ত অবস্থায় ফেলে আসতে শুরু করে। আর সুলতান এবং সুলতানের লোকজন আশেপাশের রাজ্যে বলতে থাকে যে রাজা নিজের প্রজাদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ, সে রাজ সিংহাসনের অযোগ্য, তার রাজ্য ত্যাগ করে চলে যাওয়া উচিৎ।
হিং স্র চারটি বা ঘ এবং ভয়ংকর দ স্যু নিয়ে হানা দিয়ে মেরীর বাবার রাজ্যে মেয়ে দের তু লে নিয়ে আসা, লু *টপা ট এবং নৃ শং সতা যখন চরম পর্যায়ে তখন আর মেরীর বাবা শান্ত থাকলেন না। তিনি সাফসাফ জানিয়ে দিলেন পরেরবার যদি সুলতান তার রাজ্যে প্রবেশ করে তবে সেদিন হবে সুলতানের জীবনের শেষ দিন, সুলতানের দে **হ থেকে মা **থা আলাদা করে চার রা স্তার মো ড়ে ঝু** লি য়ে রেখে বুঝিয়ে দেয়া হবে অপরাধী সে রাজপুত্র হোক আর যে-ই হোক, মির্জানগর রাজ্যের রাজা কাউকে ছাড় দেবেনা।
এই কথা শোনার পরে সুলতান আরও শতগুণ ক্ষেপে গিয়ে পরিকল্পনা করলো মেরীর বাবার রাজ্যে সোজা রাজপ্রাসাদে হা **ম লা করার।
যেমন ভাবা তেমন কাজ–
গভীর রাতে অসংখ্য দস্যু এবং চারটি হিং স্র বা ঘ নিয়ে মির্জানগর রাজ্যে উপস্থিত সুলতান। মেরীর বাবার রাজপ্রাসাদের বিশাল বাউন্ডারির মেইন গেটের কাছে এসে র ক্ষী দের দিকে বা *ঘ লে লি য়ে দিলো সুলতান। হঠাৎ আbক্র মনে অনেক র ক্ষীর প্রা. ণ গেল।
এবার সুলতান দলবল নিয়ে মেইন গেট দিয়ে ঢুকে রাজপ্রাসাদের সামনে এসে উপস্থিত। রাজ প্রাসাদে ঢোকার সিং হদুয়ার বন্ধ করে দিলো দ্বাররক্ষকরা। সুলতান তাদের দিকেও বা. ঘ লে লি য়ে দিলো।
নিজের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল মেরী, বাইরের চিৎকার চেচামেচি এবং গোলযোগের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল মেরীর। লাফিয়ে উঠে বসে আসন্ন বিপদ আঁচ করতে পেরে দৌড়ে ছাদে এসে সবকিছু দেখে মেরীর আর কিছু বুঝতে বাকী নেই।
মেরী তার বাবার একমাত্র সন্তান বলেই মেরীকে তার বাবা চিন দেশে পাঠিয়েছিল কুংফু রপ্ত করতে, পাশাপাশি মেরী ধনুক বিদ্যায়ও যোগ্যতা অর্জন করে। অন্তত যেন বিপদকালে নিজেকে রক্ষা করতে পারে মেরী, এটা ভেবেই মেরীর বাবা মেরীকে চিন দেশে পাঠিয়েছিল।
মেরী দৌড়ে নিচে এসে তী **র ধনুক নিয়ে আবার ছাঁদে ফিরে এসে ধ**নু;কে তীর রেখে গুন টেনে পরাপর চারটা তীর ছুড়লো চা *রটা বা**ঘকে লক্ষ্য করে, একটা তী রও লক্ষ্যচুত হলোনা, চারটা তীর চারটা বা ঘে*র গায়ে আ ঘা;ত করামাত্রই বা: ঘগুলো ভয়ঙ্কর হুংকার দিয়ে শূন্যে লাফিয়ে উঠে আবার মাটিতে পড়ে ছ ট ফ ট করে মা **রা গেল।
সুলতান ও তার লোকজন ভীষণ অবাক! মেরীর গায়ে ভীষণ জোর নাকি এই তীরের আলাদা কোনো বৈশিষ্ট্য আছে!
পাঁচ নাম্বার তী;র;টা ধ নু কে রেখে গুন টেনে সুলতানের দি কে তাক করে মেরী বললো,– অত্যাচারী সুলতান, চা ইলে এই পাঁচ নাম্বার তী রটা তো মার ব **ক্ষ ভেদ করে প্রা**ণ কে প;র*পা রে পাঠাতে পারে এই মুহুর্তে, কিন্তু সেটা করলে আমাদের আর তোমার মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না। তবে তুমি তোমার কৃতকর্মের জন্য শাস্তি অবশ্যই পাবে।
মেরীর বাবার লোকজন এসে সুলতান ও তার লোকজন বন্দী করে ফেললো। তার পরদিন সুলতান সহ তার লোকজনের মা থা ন্যা **ড়া করে খা লি পায়ে মির্জানগর রাজ্য থেকে বিদায় করা হলো।
মেরীর বাবা হু মকি দিলেন,– এবারের মতো প্রা ণ ভি. ক্ষা দেয়া হলো, পরেরবার আর সেই সুযোগও থাকবে না।
প্রতিশোধের নেশায় পাগলপ্রায় সুলতান, এই অপমানের বদলা নিতেই হবে, ধ্বং স করতে হবে মি র্জানগর রা জ্যের রা *জা ও রাজ্য, তবেই সুলতানের শান্তি হবে।
মেরীর যে তী রে বা ঘ গুলো মূহুর্তে ছটফট করে মা **রা গেছিলো সেগুলো স্বাভাবিক তীর হলেও তীরের ড গায় মা খা ছিল পৃথিবীর মারা ত্মক প্রা. ণ ঘাতী বি ষের একটি।
চিনে কুংফু এবং ধনুক বিদ্যা রপ্ত করার পরে মেরী গিয়েছিল আফ্রিকা সফরে। সেখানে একজন শতবর্ষী বয়স্ক আফ্রিকানের সাথে পরিচয় হয় মেরীর। মেরী রাজকন্যা জেনে সেই বয়স্ক লোক মেরীকে দিয়েছিল এই বি** ষ। বলেছিল ঘোর বিপদে এই বি *ষ নাকি মেরীর কাজে লাগবে, হলোও তাই। ডে থ স্কর পিয়ন নামে একধরনের মা *র ত্মক বি* ছা এবং মারাত্মক বি ষধ *র সা**পের বি **ষ মিশিয়ে তৈরি এই বি *ষ মূহুর্তের মধ্যে যে কারো প্রা** ণ নিয়ে নিতে পারে।
সেই বি ষ তীরের ড গায় মেখে তীর ছুড়েছিল বলেই বা ঘগু লোক মুহূ র্তে ম রে **ছিল।
যা-ই হোক–
সুলতান রাজ্যের নামকরা বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে গোপন বৈঠকে বসলেন, ষড়যন্ত্রের জাল বিছানোর পরিকল্পনা শুরু হলো, কীভাবে মির্জানগর রাজ্যের রাজাকে উচিৎ জবাব দেয়া যায়, শুধু তাই নয়, রাজাকে হ** ত্যা সহ রাজকন্যা মেরীকেও উচিৎ শিক্ষা দেবার পরিকল্পনা।
বেশ কিছুদিন সবকিছু শান্ত। সুলতান ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে তার প্ল্যান মোতাবেক। যেহেতু সুলতানের রাজ্যের পাশের রাজ্য মেরীর বাবার, সেহেতু হা** মলা করা নিয়ে অতটা চিন্তিত নয় সুলতান। সুলতানের প্ল্যানের সর্বপ্রথম টোপটা গেলাতে হবে মেরীর বাবার মন্ত্রীকে। মারাত্মক ভয়ংকর এক চাল চালতে চলেছে সুলতান, সেটা থেকে বাঁ **চা মেরীর বা বার পক্ষে অসম্ভব প্রায় ভেবেই আনন্দে সুলতানের মুখে পৈ* শা চিক হাসি।
পরবর্তী পর্বে আমরা জানবো কীভাবে মেরীর বাবাকে হ** ত্যা করা হলো, সুলতান মেরীর বাবার হ** ত্যাকারী জেনেও মেরী কেন সুলতানকে বিয়ে করলো। সুলতানের মতো মেরীরও কি কোনো প্ল্যান আছে বাবার হ **ত্যাকা** রীকে সায়েস্তা করার! যদি তাই হয় তবে মেরী কি পারবে উদ্দেশ্য হাসিল করতে? নাকি সুলতানের হাতে বাবা*র ম তো ই প্রা ণ যাবে মেরীর?
চলবে...
গল্পঃ মেরীর প্রতিজ্ঞা
( ১ম পর্ব )
লেখকঃ হৃদয় চৌধুরী।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন