এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

আপনার সন্তানকে আপনি বাহিরের কোন খাবার (চকলেট, চিপস, জুস) ইত্যাদি খেতে দেন না

 আপনার সন্তানকে আপনি বাহিরের কোন খাবার (চকলেট, চিপস, জুস) ইত্যাদি খেতে দেন না। কিন্তু হঠাৎ আপনার সন্তানের স্কুলের কোন শিক্ষক বাচ্চাদের CT পরীক্ষার খুশি হয়ে উপহার হিসাবে সবাইকে একটি করে চকলেট উপহার দিতে চাইল। সবাইকে দেয়ার মাঝে আপনার সন্তানকে যখন দিতে আসলো সে কিভাবে শিক্ষককে বুঝাবে "আমি বাহিরের খাবার খাই না।" অর্থাৎ কিভাবে সুন্দরভাবে প্রত্যাখ্যান করবে। 


আপনি তাকে এই সম্পর্কে কিভাবে শেখাবেন? 


১. আগে মন থেকে শিশুকে বোঝান কেন বাইরে খাবার না খাওয়া ভালো:

সন্তানকে আদর ও ভালোবাসা নিয়ে বলুন, 


“আব্বু/আম্মু, আমরা বাইরের খাবার খাই না কারণ অনেক সময় সেগুলোতে এমন কিছু থাকতে পারে যা তোমার শরীরের জন্য ভালো না। তুমি জানো, আমরা সবসময় চাই তুমি সুস্থ থাকো।” 


২. বাহিরের খাবার কিভাবে অস্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি হয় সেগুলো দেখানো বা বুঝানোর চেষ্টা করুন: 


সন্তানকে বাহিরে খোলা খাবার তৈরি হচ্ছে এমন জায়গায় নিয়ে যান অথবা বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক ভিডিও পাওয়া যায় যেগুলোতে দেখানো হয় কিভাবে অস্বাস্থ্যকর উপায়ে খাবার তৈরি হচ্ছে। সেগুলো বাচ্চাকে দেখানোর চেষ্টা করুন। যেন তারা বুঝতে পারে, কেন বাবা-মা তাদের নিষেধ করছে। 


৩.শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কীভাবে না বলতে হয় তা শেখান: 


আপনার সন্তানকে এইরকম বলার জন্য অনুশীলন করাতে পারেন:

“স্যার/ম্যাম, জাযাকাল্লাহু খইর । আপনি আমাকে চকলেট দিতে চেয়েছেন বলে আমি খুব খুশি হয়েছি। কিন্তু আমার আব্বু/আম্মু আমাকে বাইরের কিছু খেতে নিষেধ করেছেন, তাই আমি নিতে পারছি না। দয়া করে রাগ করবেন না। আপনার উপহারের জন্য অনেক ধন্যবাদ।" 


৪. বিকল্প সমাধানের কথা বলুন 


যদি শিক্ষক নিতে জোর করেন, তাহলে বাচ্চা বলতে পারে:

"আমি এটা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আব্বু/আম্মু অনুমতি দিলে খাবো। 


পরে আপনি চকলেটটি গ্রহণ করে তার জন্য অন্য কোনো স্বাস্থ্যকর উপহার (যেমন ফল, বাদাম) দিতে পারেন। 


৫. শিক্ষককে আগেই জানানো (যদি সম্ভব হয়) 


স্কুলের শিক্ষক/অভিভাবক দলের সাথে যোগাযোগ করে আগেই জানিয়ে রাখুন যে আপনার সন্তান বাইরের নির্দিষ্ট খাবার খায় না। 


৬. মানসিক প্রস্তুতি দিন 


বাচ্চাকে বুঝিয়ে বলুন:

 "তোমার জন্য ভালো বলে আমরা কিছু নিয়ম করি, কিন্তু অন্যরা হয়তো জানে না। তাই কেউ দিলে রাগ না করে ধন্যবাদ দিয়ে বলবে।" এতে তার মধ্যে হতাশা বা বিভ্রান্তি তৈরি হবে না। 


৭. ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি শেখান 


"না বলার অধিকার তোমার আছে"—এই বার্তা তাকে দিন।  


৮. বাড়িতেই রোল প্লে করে শেখান 


বাচ্চাকে সাথে নিয়ে স্কুলের মতো করে একটি দৃশ্য তৈরি করুন। বাসায় এই পরিস্থিতির অভিনয় করে অভ্যাস করান, যাতে বাচ্চা সহজে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে। 


৯. উৎসাহ ও পুরস্কার: 


বাড়িতে ফিরে এলে বাচ্চার আত্মসংযম ও নীতিবোধের জন্য তাকে প্রশংসা করুন ও উৎসাহ দিন। 


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বাচ্চাকে শেখানো যে এই প্রত্যাখ্যান করা কোন অপরাধ নয় এবং তার মূল্যবোধ ও পারিবারিক নিয়ম মেনে চলা একটি গর্বের বিষয়। এতে করে বাচ্চা নিজের সিদ্ধান্তে দৃঢ় থাকতে শিখবে এবং সামাজিক চাপ মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।


🍏 আপনারা জানেন দীর্ঘদিন ধরে "শিশু লালন-পালন | শিশু শিক্ষা" গ্রুপে আদর্শ সন্তান প্রতিপালন সম্পর্কে আপনাদের বিভিন্ন টিপস, সেমিনার, ওয়েবিনারের আয়োজন করা হচ্ছে। এছাড়াও সন্তানদের বিভিন্ন তারবিয়াহ মূলক শিশু শিক্ষার আয়োজনও এখানে রয়েছে। 


টেলিগ্রাম প্যারেন্টিং গ্রুপ লিংক: https://t.me/goodparenting1000


হোয়াটসঅ্যাপ প্যারেন্টিং গ্রুপ লিংক: https://whatsapp.com/channel/0029VaHztxAGU3BTlowja32h

জাযাকাল্লাহু খইর।


#প্যারেন্টিং #শিশু #শিশুশিক্ষা #সন্তান #ParentingJourney #parentingtips #parenting #parents #parentinghacks #positiveparenting

কোন মন্তব্য নেই:

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...