এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

গল্প অভিশপ্ত পরী পর্ব __১২ #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প অভিশপ্ত পরী

পর্ব __১২

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


কিহহ তোর সাথে আমার বিয়ে। 


আমার কথায় অভি*শপ্ত পরী বললেন হ্যাঁ তোকে বিয়ে করবো। তুই ম*রতে চাস না আমাকে বিয়ে করলে তুই ম*রবি কিন্তু সেটা ধীরে ধীরে। 


পরীর কথায় আমি কিছু বুঝতে না পেরে বললাম৷ 

মানে, কি বলিস আমি কিছু বুঝতে পারছিনা। 


আমার কথায় পরী বললেন৷ শোন আমাকে তোরা অভি*শপ্ত পরী হিসেবে চিনিস জানিস৷ আমার বয়স অনেক বছর। আমি অনেক সাধণা করে একটা বিষয় জানতে পেরেছি, বলতে পারিস কালোজাদু তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে এটা করা। 


তুই যদি আমাকে বিয়ে করিস৷ তোর আর আমাদের যদি বিয়ে হয়। বিয়ের পর তুই ইচ্ছেকৃতভাবে আমাকে সাতটা রাত তোর শরীলের র*ক্ত আমার শরীলে ফেললে আমি আবার যুবতী হয়ে যাবো৷ আমি তখন বেঁচে থাকবো আরো অনেক বছর৷ 


আমার এই তন্ত্র মন্ত্র জোর করে হবেনা৷ তুই যদি ইচ্ছে করে আমাকে বিয়ে করিস আর সাতটা রাতে তোর শরীলের র*ক্ত আমার শরীলে ফেলিস তাহলে কাজ হবে। তুই রোজ রোজ আমার শরীলে র*ক্ত ফেলার সাতদিন পর তুই মা*রা যাবি আর আমি ফিরে পাবো আমার রূপ ও যৌবন। 


-পরীর কথায় আমি বললাম না আমি কখনও এটা করবোনা। তোর এই ইচ্ছে কখনও পূরণ হবেনা। 


তখন পরী আমার দিকে তাকিয়ে বললেন। আমাকে যদি ইচ্ছেকৃতভাবে বিয়ে করিস এতে তোর গ্রামের যাঁরা বেঁচে আছে সবাইকে সুস্থ করবো। তুই কি চাসনা তোর গ্রামে যাঁরা এখনো বেঁচে আছে সবাই বেঁচে যাক। 


হ্যাঁ আমি চাই সবাই সুস্থ হোক বেঁচে যাক। 


পরী " তাহলে আমার কথায় রাজি হয়ে যা। আমাকে বিয়ে কর। ভেবে দেখ নিজে বেঁচে থাকবি নাকি নিজের মৃ*ত্যু দিয়ে গ্রামের সবাইকে বাঁচাবি। মনে রাখিস গ্রামের সবার সাথে তোর মা বাবা ও বেঁচে যাবে।


পরীর এমন কথায় কি বলবো বুঝতে পারছিনা চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। 

তখন পরী বললো কিহ এত চিন্তা করছো। তোমার হাতে একটাই অপশন হয় নিজে বেঁচে থাকো, নইলে নিজের জিবন দিয়ে গ্রামের সবাইকে বাঁচাও। তোমাকে আজকের রাতটা ভাবার সময় দিলাম। ভেবে আমাকে জানাবে  আমি আবার তোমার কাছে কালকে আসবো। আর হ্যাঁ এই পানি টুকু নাও তোমার মা বাবা বা অন্য কেউ অনেক বেশি অসুস্থ থাকলে এটা খাওয়াই দিবে দেখবে ওনি একটু সাভাবিক ও সুস্থ হবে। এইটুকু পানি দিলাম তোমাকে বিশ্বাস করানোর জন্য এটা নাও আর বাড়িতে চলে যাও। 


পরীর কথায় চিন্তায় চিন্তায় বাড়িতে চলে গেলাম। 

বাড়িতে যাবার পর মা অনেক কষ্টে আমার রুমে এসে বললেন। 

-বাবা নিশাদ তোর বাবা ও আমার শরীলটা ভালোনা যানিনা কখন কি হয়ে যায়। আমাদের দুজনের কিছু একটা হলে তোর কি হবে। কথাটা বলে মা কান্না করতে লাগলেন। 


মায়ের কান্না দেখে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না আমিও কান্না করতে থাকি। 


কিহ করবো। মা বাবা অসুস্থ আমি ভেঙে পড়লে ওরা আরে দূর্বল হয়ে পড়বে। এই ভেবে আমি কান্না থামিয়ে মা কে ওনার ঘরে রেখে আসলাম আর বললাম চিন্তা করোনা মা আল্লাহর রহমতে কিছুই হবেনা। দেখে নিও একটা না একটা ব্যাবস্তা হবে। 


এই বলে আমি ঘরে চলে গেলাম। ঘরে গিয়ে শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম কি করবো কি করলে ঠিক হবে। আমিকি পরীর কথায় রাজি হবো নাকি হবোনা।


চোখে ঘুম আসছেনা এসব ভাবছি আর মন খারাপ করে শুয়ে আছি। 

সময়টা তখন মধ্যে রাত, মায়ের চিৎ*কার শুনে দৌড়ে ওনার রুমে গিয়ে দেখি মা বাবার শরীল অনেক খারাপ ওরা ওদের শরীল এক প্রকার ছেড়ে দিছে। এই দেখে আমি অভি*শপ্ত পরীর দেয়া ঐ পানিটুকু একটু মাকে ও একটু বাবাকে খাওয়াই দিলাম। 


মা বাবাকে ঐ পানিটুকু খাওয়ানোর একটু পর আল্লাহর রহমতে মা বাবা একটু সাভাবিক হলেন। আর বাবা আমাকে অবাক করে দিয়ে কথা বলে উঠলেন বাবা বললেন। 


বাবা নিশাদ আমাদের কি খাওয়াইলি। পানিটা খেয়ে কেন জানিনা ভালো লাগছে, শরীলটা আগের থেকে একটু ভালো মনে হচ্ছে। 


বাবার কথায় আমি একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বললাম। তোমরা চিন্তা করোনা বাবা আল্লাহর রহমতে তোমরা সহ গ্রামে সবাই সুস্থ হবা। এখন ঘুমাও। 


কথাটা বলে আমি ঘরে গিয়ে আমার জিবনের শেষ ডিসিশনটা নিয়ে নিলাম। আমি ভাবলাম পরীর দেয়া একটুকু পানি খেয়ে মা বাবা সুস্থ হলে গ্রামের সবাই সুস্থ হবে। আমি এই অভি*শাপ নিয়ে আসছি আমি শেষ করবো। আমি পরীর কথায় রাজি হবো। আমি ওকে বিয়ে করবো। নিজের জিবন দিয়ে আমি গ্রামের সবাইকে সুস্থ করবো ইনশাআল্লাহ। 


এসব ভাবতে ভাবতে রাতটা কেটে গেলো। 

পরেরদিন গ্রামে আরো দুই তিনজন মা*রা যাওয়ায়। গ্রামের কয়েকজন লাঠি হাতে আমার বাড়িতে এসে আমাকে ডাকতে লাগলো। 


ওঁদের ডাকে আমি বাহিরে যাওয়ায় ওরা বললো। আজকেও গ্রামের দুই তিনজন মা*রা গেছে। এসব তোমার কারণে হইছে, আমরা হয়তো মা*রা যাবো। আমরা মা*রা যাবার আগে তোমাকে মে*রে তারপর ম*রবো। তোমার জন্য গ্রামের আজ এই অবস্থা। 


ওঁদের কথায় আমি বললাম মানলাম আমি ভুল করছি। এখন আমাকে মা*রলে কি সবাই বেঁচে যাবেন না বাঁচবেন না। আমি সবার জন্য অভি*শাপ নিয়ে আসছি আমি সবার জন্য মঙ্গল নিয়ে আসবো। আমাকে আজকে আজকে রাতটা সময় দিন। আমি যদি আজ রাতে সবাইকে সুস্থ করার কোন ব্যাবস্তা করতে না পারি তাহলে কাল আমাকে যা ইচ্ছে করিয়েন৷


আমার কথায় সবাই বললো ঠিক তো। যদি কালকের মধ্যে কোন ব্যাবস্হা না হয় তাহলে কাল তোমাকে ছাড়বোনা৷ এই বলে সবাই চলে গেলো। 


সবাই যাবার পর আমি ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।। 

আমি শুয়ে শুয়ে অভি*শপ্ত পরীর জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। আমি জানি আজ হয়তো আমার  বাড়িতে থাকা শেষদিন। 


আমার অনেক খারাপ লাগছিলো৷ 

অনেক কষ্টে সেই দিনটা পার করলাম। 

দিন পেড়িয়ে রাত আসলো। 

রাত দশটা এগারোটা বাজার সময় আমি মা বাবার ঘরে আরেকবার গিয়ে ওঁদের বললাম। 


মা বাবা আমাকে যদি আজকের পর খুঁজে না পাও তাহলে আর খুঁজনা সুধু আমার জন্য দোয়া করো। কথাটা বলে বাহিরে গেলাম। 


আমার কথায় মা বাবা কিছু বুঝতে না পেরে পিছন থেকে আমাকে ডেকে বলতে লাগলেন, কি বলিস কিছু তো বুঝলাম না এই নিশাদ এত রাতে কোথায় যাস। 


মা বাবার কথায় আমি কোন কথা না বলে সেখান থেকে বাহিরে চলে আসলাম। 

বাহিরে সেই মাঠের কাছে যেতে দেখলাম অভি*শপ্ত পরী দাঁড়িয়ে আছে। 


আমি ওখানে যেতে ও কিছু বলতে যাবে তখনি আমি বললাম। ✋ কিছু বলতে হবেনা, আমি আপনার কথায় রাজি৷ আগে ঐ পানি আমাকে দিন আমি গ্রামের সবাইকে খাওয়াই সুস্থ করি তারপর। 


আমার কথায় পরী বললেন না না তা হবেনা তুমি আমাকে এতটা বোকা ভেবেছো। আগে আমাকে বিয়ে করবা তারপর পানি দিবো। 


আর যদি না দেন তখন কি হবে৷ 

আমার কথায় পরী বললো দিবো৷ না দিলে তখন তুমি ইচ্ছেকৃতভাবে তোমার শরীলের র*ক্ত আমাকে দিওনা। 


পরীর কথায় আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে চিন্তা করলাম গ্রামের সবাইকে বাঁচাতে আমাকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ 


পরীর কথায় আমি বললাম ঠিক আছে আমি রাজি৷ আমি বাড়ি থেকে চলে আসছি৷ আপনি বিয়ের ব্যাবস্তা করুন৷ 


আমার কথায় পরী বললেন ঠিক আছে তাই হবে। 

এই বলে পরী আমাকে স্পর্শ করতে আমার কিছু মনে নেই৷ 


আমার যখন হুস ফেরে তখন আমি অন্য রকম একটা জায়গায় নিজেকে দেখতে পারি। আমি দেখি পরী আমার পাশে বসে ও সেখানে বেশ কয়েকটা জ্বীন। আমার হুস ফেরায় পরী বললো আমাদের নিয়মমত তোমার আমার এখন বিয়ে হবে। তুমিকি রাজি সবাইকে বলো তুমি রাজি৷ 


পরীকে আমার পাশে দেখে জানিনা কেনো তখন পরীর রানি মায়ামনির কথা অনেক মনে পড়ছিলো। গ্রামের সবাই এমন অবস্থার মাঝে ও মাঝে মধ্যে মায়ামনির কথা ভাবতাম কিন্তু কখনও কাউকে বুঝতে দেইনি৷ আজ কেনো জানিনা মায়ামনির কথা অনেক মনে পড়ছে। আমি মায়ামনির কথা ভাবছি তখন অভি*শপ্ত পরী আমাকে বললো এই কি ভাবছো সবাইকে বলো তুমি বিয়েতে রাজি আমাদের বিয়ে হবে তো৷  


পরীর কথায় আমি বললাম হ্যাঁ আমি বিয়েতে রাজি৷ আপনারা বিয়ে শুরু করুন৷ 

আমার কথায় জ্বীনেরা বিয়ের কাজ শুরু করবে আমাদের বিয়ে হবে এমন সময় সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেখানে আসলেন পরীর রানী মায়ামনি। 😮


পরীর রানী মায়ামনি তার সৈন্যদের নিয়ে আসায় অভি*শপ্ত পরী দাঁড়িয়ে বললেন। 

এই কে তুই, এখানে তোর কি, দেখছিসনা এখানে একটা বিয়ে হচ্ছে চলে যা এখান থেকে। 


অভি*শপ্ত পরীর কথায় মায়ামনি আমার দিকে তাকিয়ে দেখলেন আমি কান্না করছি। 

তখন মায়ামনি বললেন, জোর করে একটা মানুষকে বিপদে ফেলে তাঁর দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাঁকে বিয়ে করা অন্যায়। 


আমি এই বিয়ে হতে দিবো না। 


Next_____

কোন মন্তব্য নেই:

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...