এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কম্পনের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-

 কম্পনের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-


♣পার্কিনসন রোগ কাকে বলে?


পার্কিনসন রোগ হল একটি স্নায়বিক অসুস্থতা যেটি নিউরোনের (স্নায়ুর কোষ) উপর প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে মস্তিষ্কে বর্ধনশীল ক্ষয়ের সৃষ্টি করে। এই নিউরোনগুলি ডোপামিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের সাহায্যে মস্তিস্ক জুড়ে বার্তা পাঠানোর জন্য দায়ী। স্বাভাবিক অবস্থায় ডোপামিনের সাহায্যে মসৃণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পেশী নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। এই নিউরোট্রান্সমিটারটির অভাবের ফলেই পার্কিনসন রোগের উপসর্গগুলি দেখা দেয়।


♣এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলি কি?


পার্কিনসন রোগের সবথেকে প্রথম ও সাধারণ উপসর্গগুলির মধ্যে একটি হল দেহের কোন একটি অংশে কম্পনের অনুভূতি, এটি হতে পারে হাতে বা পায়ে, এমনকি চোয়ালেও। হাতের বিশ্রামের সময় সাধারণত এই কম্পন দেখতে পাওয়া যায়, মূলত তর্জনীর উপর বুড়ো আঙুলের নড়াচড়া হিসাবে।


দ্বিতীয় যে উপসর্গটি সাধারণত দেখতে পাওয়া যায় সেটি হল পেশীর কাঠিন্য। অনিয়ন্ত্রিত পেশী কাঠিন্যের ফলে অবাধ অঙ্গপরিচালনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। এই রোগীদের মধ্যে যেকোন ক্রিয়াকলাপের গতি ক্রমশ কমতে থাকে। স্নান বা খাওয়ার মত সহজ কাজ সম্পূর্ণ করতেও অস্বাভাবিক রকম বেশি সময় লাগতে পারে।


এই রোগের অগ্রসর পর্যায়ের উপসর্গগুলির মধ্যে আছে ভারসাম্যের অভাব, ডিপ্রেসন বা অবসাদ, মুখোশসদৃশ অভিব্যক্তি এবং নুয়ে পড়া দেহভঙ্গিমা।


তুলনামূলক অপরিচিত উপসর্গগুলি হল ভয়, লালাক্ষরণ, ত্বকের সমস্যা, মূত্র-সংক্রান্ত সমস্যা এবং যৌনক্রিয়ায় অক্ষমতা। কম্পনের কারণে রোগীর হাতের লেখা এবং কথা বলাও যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ হয়।


♣এটির প্রধান কারণ কি?


যদিও এই রোগের সম্ভাব্য কারণের খোঁজে গবেষণা চলছে, এখনো অবধি তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। জিনগত কারণ এবং কিছু পরিবেশগত উপাদান পার্কিনসনের সম্ভাবনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়।


জিনের পরিবর্তনকেও পার্কিনসন রোগের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, কিন্তু এর নিশ্চিত প্রভাব এখনো পরিষ্কার নয়।


কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত কীটনাশকের সংস্পর্শ এই রোগটির একটি সম্ভাব্য পরিবেশগত উপাদান। অন্যান্য বিরল কারণগুলি হলো কয়েকটি এন্টিসাইকোটিক ওষুধ বা মস্তিষ্কের অসুস্থতা বা অতীতে একাধিক স্ট্রোকের আক্রমণ।


♣হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধের লক্ষনভিত্তিক আলোচনা


♦আর্জেন্ট মেট:

হস্তমৈথুন, সপ্নদোষ, অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম জনিত শুক্র ক্ষয় করিয়া দুর্বলতা, স্মরন শক্তি রোপ, খিটখিটে মেজাজ, শীতে কাতর এই ধাতুর রোগীদের লিখতে আঙ্গুল কাপায় ইহা উৎকৃষ্ট ঔষধ।


♦জেলসিমিয়াম:

স্নায়ুবিক দুর্বলতা নিস্তেজ ভাব, ক্লান্তি, লিখতে বা কোন কিছু ধরতে গেলে হাত কাপে।চলিতে পা ইচ্ছা অনুসারে ফেলিতে পারে না। সর্বদা ঘুম ঘুম ভাব। ঘুমাইলে রোগী চমকাইয়া উঠে প্রভৃতি লক্ষনে ইহা ইহা উপকারী।


♦এগারিকাস:

বৃদ্ধ বয়সে মাথা হইতে কম্পন আরাম্ভ হইয়া হাত, পা, কাপে, কাহারো সমস্হ শরীরও কাপিতে দেখা যায়।


♦ স্ট্যানাম মেট:

রোগী অত্যন্ত বিষন্ন, অল্পেই কেদে ফেলে, ক্রন্দনশীল, মনে করে বুকের ভিতরটা খালি,বুকের দুর্বলতা, অল্প পরিম্রমে অত্যান্ত ক্লান্তি বোধ করে উপর থেকে নিচে নামিতে, অর্তাৎ সিড়ি বাহিয়া নামিতে হাপাইয়া পড়ে।শীতে কাতর এই ধাতুর রোগীদের কোন দ্রব্য ধরিতে গেলে হাত কাপে। লিখতে বা টাইপ কোরতে গেলে হঠাৎ আঙ্গুল ধাক্কা মারে।


♦ প্লাটিনা:

লিখতে বা কোন কিছু ধরিতে হাত কাপে, আঙ্গুলের কম্পন জনিত কারনে লেখা অসাধ্য হইয়া পড়ে।


♦ এসিড সালফ:

অতিরিক্ত লেখার কাজ করে হাতে পক্ষাঘাত। এমনকি লিখতে গেলে হাত কাপে। এসিড সালফ তা আরোগ্য করিতে পারে।


♦আর্নিকা মন্ট:

শরীরের কোন স্হানে আঘাত লাগা হেতু কম্পন রোগের সৃষ্টি হইলে আর্নিকা মন্ট অব্যর্থ।


♦জিঙ্কাম মেট:

শরীরের নিম্নাঙ্গের অর্থাৎ উভয় পায়ের কম্পন রোগে জিঙ্কাম একটি মহৎ কার্যকারী ষধঔ। কোন প্রকার কঠিন পীরায় রোগীর পা নাড়িতে দেখিলে জিঙ্কামে উপকার হইবে। চেয়ারে বসিয়া কিংবা দাড়াইয়া পা নাচানোর মুদ্রা দোষ জিঙ্কামে দুর হয়।


♦বাইওকেমিক চিকিৎসা :

ম্যাগনেশিয়াম ফস 

ইহা কম্পনের প্রধান ঔষধ। রক্তশুন্য দুর্বল রোগীদের ম্যাগনেশিয়া ফসের সঙ্গে ক্যালকেরিয়া ফস পর্যাযক্রমে কিছু অধিক দিন সেবনে উপকার হয়।

♣রোগীকে যে সকল নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে:


এ রোগে আক্রান্তদের নিয়মিত পুষ্টিকর সুষম খাবার খেতে হবে।

♠প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি, ফলমূল থাকতে হবে।

♠আক্রান্তদের কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা যায়, এ জন্য ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়ার পাশপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি পান জরুরি।

♠আক্রান্তরা হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে আহত হন। হাঁটার সময় সচেতন হতে হবে।

♠তাড়াহুড়া করা যাবে না, কেউ ডাকলে ধীরে ধীরে ইউ-টার্ন নিতে হবে।

♠হাঁটার সময় কোনো কিছু বহন করবেন না।

♠পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।

♠ মস্তিষ্ককে যতটা সম্ভব ক্রিয়াশীল রাখতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...