রিলে (Relay) হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যা ছোট একটি বৈদ্যুতিক সিগন্যাল দ্বারা বড় বৈদ্যুতিক সার্কিট চালু বা বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। সহজভাবে বলতে গেলে, রিলে এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক সুইচ।
রিলের কার্যপ্রণালী ধাপে ধাপে:
1. কয়েল (Coil) সক্রিয়করণ
রিলের ভিতরে একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক কয়েল থাকে। যখন কয়েলে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন এটি একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে।
2. আর্মেচার (Armature) আকর্ষণ
কয়েলের চৌম্বক ক্ষেত্র ধাতব আর্মেচারকে আকর্ষণ করে। আর্মেচার মূলত একটি ছোট লিভার, যা স্প্রিং-এর সাহায্যে নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে।
3. কন্টাক্ট পরিবর্তন
আর্মেচার নড়ে গেলে রিলের কন্টাক্ট (Switching contact) পরিবর্তন হয়।
Normally Open (NO) কন্টাক্ট বন্ধ হয়ে সার্কিট সম্পূর্ণ করে।
Normally Closed (NC) কন্টাক্ট খুলে যায় এবং সার্কিট ভেঙে দেয়।
4. লোড নিয়ন্ত্রণ
এই কন্টাক্টের মাধ্যমে বড় ভোল্টেজ বা কারেন্টের সার্কিট চালু/বন্ধ করা যায়। অর্থাৎ, ছোট কারেন্ট দিয়ে বড় লোড (মোটর, লাইট, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়।
5. ডি-এনার্জাইজড অবস্থা
কয়েলের বিদ্যুৎ কেটে গেলে চৌম্বক ক্ষেত্র নষ্ট হয়। তখন আর্মেচার স্প্রিং-এর সাহায্যে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায় এবং কন্টাক্ট তাদের মূল অবস্থানে চলে আসে।
---
👉 সংক্ষেপে:
রিলে কাজ করে Electromagnetism এর মাধ্যমে। কয়েল বিদ্যুতায়িত হলে চৌম্বক শক্তি তৈরি হয়, যা মেকানিক্যাল কন্টাক্ট পরিবর্তন করে সার্কিটকে চালু বা বন্ধ করে।
(এই পোস্টটি যদি ভালো লাগে এবং এরকম পোস্ট যদি আপনি আরো পেতে চান তাহলে আমাকে ফলো করুন)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন