#অস্টিওপেনিয়া ও অস্টিওপোরোসিস: কারণ, প্রতিকার ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা
#অস্টিওপেনিয়া-
অস্থির ঘনত্ব (Bone density) স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কমে যাওয়া।
এটি অস্টিওপোরোসিসের প্রাথমিক ধাপ।
#অস্টিওপোরোসিস-
হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার অবস্থা।
বিশেষ করে বয়স্ক নারী-পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
কারণ-
1. বয়স বৃদ্ধি (৫০ বছরের পর বেশি ঝুঁকি)
2. নারীদের মেনোপজের পর হরমোন পরিবর্তন
3. ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি ঘাটতি
4. দীর্ঘদিন স্টেরয়েড/এলোপ্যাথি ওষুধ খাওয়া
5. হাড়ে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়া
6. শারীরিক পরিশ্রমের অভাব
7. ধূমপান, অতিরিক্ত কফি/চা, মদ্যপান
★ প্রতিকার-
নিয়মিত ব্যায়াম (হাঁটা, হালকা ব্যায়াম, যোগাসন)
ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (দুধ, দই, ডিম, মাছ, শাক-সবজি)
রোদে থাকা (Vitamin D-এর জন্য)
অতিরিক্ত লবণ, কোল্ড ড্রিংকস, ধূমপান এড়িয়ে চলা
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Bone density test – DEXA scan)
#হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা-
হোমিওপ্যাথিতে Constitution অনুযায়ী ওষুধ সবচেয়ে ভালো কাজ করে। তবে সাধারণভাবে যেসব ওষুধ কার্যকর—
Mother Tincture (মিশিয়ে খাওয়ার নিয়ম)
1. Symphytum Q – হাড় শক্ত করতে ও দ্রুত জোড়া লাগাতে
2. Calcarea phosphorica Q – হাড়ে মিনারেল জমা করে শক্তিশালী করে
3. Alfalfa Q – ক্ষুধা বাড়ায়, শরীর ও হাড়ে পুষ্টি জোগায়
একসাথে ১০ ফোঁটা করে, ¼ কাপ পানিতে, দিনে ২ বার।
#Biochemic-
Calcarea phosphorica 6x – দিনে ২ বার ৪টা
Silicea 6x – দিনে ২ বার ৪টা
#Potency (কনস্টিটিউশন অনুযায়ী দিতে হয়)
Calcarea carb 200 / 1M
Phosphorus 200 / 1M
Symphytum 200
সপ্তাহে ১ বার, ডাক্তারের পরামর্শে
উপসংহার-
অস্টিওপেনিয়া ও অস্টিওপোরোসিস অবহেলা করলে হাড় সহজেই ভেঙে যেতে পারে।
প্রাথমিক অবস্থায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে সুস্থ ও শক্ত হাড় পাওয়া সম্ভব।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ বিবেচনা করে ঔষধ শক্তি মাত্রা ও প্রয়োগ নির্ধারণ করা হয়।
অতএব, চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন উচিৎ না।
ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
গ্রীনরোড, ঢাকা-১২০৫
01707-956015
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন