এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬

দাসের মতো খেয়ে রাজার মতো চিন্তা করা যায় না। আপনার পেট যদি ঠিক না থাকে আপনি কখনোই বড় চিন্তা করতে পারবেন না। সবই পেট থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয়। কলমে মৌঝুরী 

দাসের মতো খেয়ে রাজার মতো চিন্তা করা যায় না। আপনার পেট যদি ঠিক না থাকে আপনি কখনোই বড় চিন্তা করতে পারবেন না। সবই পেট থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয়। কলমে মৌঝুরী ✍️ 🌿 

*******************************************


আপনার বিষন্নতা আপনার মনের সৃষ্টি নয়, আপনার উদ্বেগ আপনার স্বভাব নয় , আর আপনার সেই আলস্য যেটাকে আপনি নিজের দুর্বলতা মনে করেন সেটাও আসলে আপনার দোষ নয় .। আপনি ভাবছেন আপনি নিজে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। কিন্তু সত্যিটা একটু ভয়ঙ্কর। আপনি এক ধরনের পুতুল। আর সেই পুতুলের সুতো আপনার হাতে নেই। সেই সুঁতোগুলো বাঁধা আছে আপনার শরীরের ভেতরে আপনার অন্ত্রে। হ্যাঁ। আপনার অন্ত্রে থাকা কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। আপনি চাইলে এখনই এই লেখাটি পড়া থেকে বিরত থাকতে পারেন । ফিরে যেতে পারেন সেই পরিচিত জীবনে। যেখানে আপনি নিজেকে বলেন আজ আর কাজ করতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু যদি আপনি আর কয়েক মিনিট আমার সাথে থাকেন আমি আপনাকে এমন একটা সত্য দেখাবো যেটা আপনার জীবনটাই বদলে দিতে পারে। আপনার শরীরের ভেতরে এখনই একটা যুদ্ধ চলছে। একটা গৃহযুদ্ধ। একটা বৈশ্বিক যুদ্ধ। আর দুঃখজনক সত্য হলো এই মুহূর্তে আপনি হারছেন। হ্যাঁ বন্ধুরা আমি মৌঝুরী বলছি, আর আপনাদের সবাইকে জানাই স্বাগতম । ছোটো বেলা থেকেই আমরা শিখে আসছি, আমাদের চিন্তা , সিদ্ধান্ত , রাগ, ভালোবাসা সবকিছুই আসে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভুল । আজকের আধুনিক নিউরোসাইন্স আমাদের এই পুরানো ধারণা টাকে ভেঙে ঘুরিয়ে দিয়েছে। তাদের মতে, আপনার একটা নয় দুটি মস্তিষ্ক আছে। একটা আপনার মাথার খুলির ভেতরে আর আরেকটা আপনার অন্ত্রে। ইতিহাসের অন্যতম গভীর চিন্তাবীদ্ ফ্রেড্রারিক নিৎসে বলেছিলেন, দাসের মত খেয়ে রাজার মত চিন্তা করা যায় না। আপনার পেট যদি ঠিক না থাকে, আপনি কখনোই বড় চিন্তা করতে পারবেন না। যখন আপনি অপুষ্টিকর খাবার খান, আপনার খাবার হজম হয় না বরং পচে যায়। আর সেই পচা খাবার তৈরি করে এক ধরনের বিষ যাকে বলা হয় আম। এই বিষ আপনার রক্তে মিশে আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাকে ধ্বংস করতে শুরু করে। আজ বিজ্ঞান যাকে বলে ব্রেন ফগ। মানে আপনার নিজের শরীরই আপনার বুদ্ধির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে। কিন্তু আমরা সেই সংকেত শুনি না। আর তার ফলে আমরা ধীরে ধীরে এক জঙ্গী প্রজন্মে পরিণত হচ্ছি। সকালে ক্লান্ত হয়ে ঘুম থেকে উঠি। দুপুরে খেয়ে আবার ঘুমাই। আর রাতে অস্থির হয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করি । একটা কথা মনে রেখো , যখন তুমি আবর্জনা খাও তুমি শুধু পেট ভরাও না , তুমি নিজের মনের আর মস্তিষ্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। এবার এমন একটা জিনিস বলি যা আমরা কখনো স্কুলে শিখিনি। আপনার পেট আর মস্তিষ্কের মধ্যে একটা সরাসরি সংযোগ আছে। একটা ফোন লাইন। এটার নাম ভেগাস নার্ভ। এটা শরীরের সবচেয়ে বড় স্নায়ু। আগে বিজ্ঞানীরা ভাবতেন মস্তিষ্ক পাকস্থলীকে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু সত্যটা সম্পূর্ণ উল্টো। 90 শতাংশ সংকেত যায় পাকস্থলী থেকে মস্তিষ্কে। মানে আপনার পেটই ঠিক করে দিচ্ছে আপনি কেমন অনুভব করবেন। আপনার অন্ত্রে আছে কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া ভালো আর খারাপ। যখন আপনি চিনি, জাঙ্ক ফুড, প্রসেসড খাবার খান, আপনি খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলোকে শক্তিশালী করেন। তারা বেড়ে ওঠে তাদের সৈন্যদল বাড়ায়। আর তারপর শুরু হয় আসল খেলা। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো আপনার মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। আমাদের চিনি দাও। আপনি ভাবেন আমার মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করছে। না এটা আপনি না। এটা সেই ব্যাকটেরিয়া গুলো। আপনি আপনার আকাঙ্ক্ষার দাস নন। আপনি আসলে এই অদৃশ্য জীবাণুগুলোর দাস। বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করেছিলেন। তাদের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া বদলানোর পর তাদের আচরণও বদলে যায়। ভীতু ইঁদুর হয়ে যায় আক্রমণাত্মক। আর সাহসী ইঁদুর হয়ে যায় ভীতু। ভাবুন যদি একটা ইঁদুরের ব্যক্তিত্ব বদলে যেতে পারে তাহলে আপনারটা আপনার মুড সুইং হঠাৎ রাগ মনোযোগের অভাব। সবকিছুই হতে পারে এক জৈব রাসায়নিক ষড়যন্ত্র আপনার অন্ত্রের ভেতরের। এটা শুধু মুডের ব্যাপার না। এটা আপনার বুদ্ধিমত্তা আর আপনার ভবিষ্যতের প্রশ্ন। 


ডক্টর ডেভিড পার্ল মার্টারের বই গেইন ব্রেন এই বিষয়ে এক বিশাল আলোরণ তুলেছিল। তিনি বলেন, গ্লুটেন আর চিনি আধুনিক মানুষের মস্তিষ্কের জন্য ধীরগতির বিষ। যখন আপনি নিয়মিত পিজ্জা, বার্গার, প্রসেসড খাবার খান তখন আপনার অন্ত্রের প্রাচীর দুর্বল হয়ে যায়। এই প্রাচীরটা হওয়া উচিত একটা ফিল্টারের মতো যা ভালো জিনিস ঢুকতে দেয় খারাপ জিনিস আটকায় কিন্তু খারাপ খাবার এই প্রাচীরের ছিদ্র তৈরি করে এটাকেই বলা হয় লিকি গাট সিনড্রোম। এখন মনোযোগ দিয়ে শুনুন যখন এই ছিদ্র তৈরি হয় , তখন বিষাক্ত পদার্থ আর পচা খাবার আপনার রক্তে ঢুকে যায় আপনার রক্ত সেই বিষকে নিয়ে যায় পুরো শরীরে শেষ পর্যন্ত মস্তিষ্কে, সেখানে এখানে আরেকটা সুরক্ষা প্রাচীর আছে ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ার। কিন্তু যখন শরীরে প্রদাহ বেড়ে যায় তখন এই প্রাচীরটাও ভেঙে পড়ে এবং তখন আপনার শরীরের যুদ্ধ আপনার মস্তিষ্কের ভেতরেও শুরু হয়ে যায়। একে বলা হয় লিকি ব্রেন বা ছিদ্রযুক্ত মস্তিষ্ক। ভাবুন তো আপনার অন্তরের ময়লা আক্ষরিক অর্থেই আপনার মস্তিষ্কে ঢুকে পড়ছে। এর ফল মস্তিষ্কের ধোয়াসা। আপনার কি কখনো এমন হয়েছে? আপনি পড়তে বসেছেন কিন্তু একটা লাইনও বুঝতে পারছেন না। কারো নাম মনে করার চেষ্টা করছেন কিন্তু নামটা কিছুতেই মনে আসছে না। মনে হচ্ছে যেন একটা ঘন কুয়াশা আপনার মস্তিষ্ককে ঢেকে রেখেছে। এটা কোন কল্পনা নয়। এটা কোন আলস্যতা নয়। এটা হলো সেই বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ যা আপনার নিউরনগুলোকে ধীরে ধীরে আটকে দিচ্ছে। আপনি আপনার সম্ভাবনার মাত্র 40 শতাংশ ব্যবহার করছেন। কেন? কারণ আপনি আপনার শরীর নামক ইঞ্জিনে পেট্রোলের বদলে আবর্জনা ঢালছেন। মানুষ সুখ খুঁজে পেতে সবকিছুর আশ্রয় নেয়। মাদক, অ্যালকোহল, অন্য আরো নেশা জাতীয় দ্রব্যাদি , এর সবচেয়ে বড় সত্যটা কি জানেন? আপনার শরীরের 90 শতাংশ সেরোটোনিন আপনার মস্তিষ্কে নয়, আপনার অন্ত্রে তৈরি হয়। 


সেরোটোনিন যাকে আমরা বলি সুখের হরমোন। এই একটা রাসায়নিকই আপনাকে শান্তি দেয়। আপনাকে আত্মবিশ্বাস দেয়। কিন্তু আধুনিক মনোবিজ্ঞান শুধু মস্তিষ্ককে ঠিক করার চেষ্টা করছে। যেখানে আসল কারখানাটা ছিল নিচে। আপনার অন্ত্রে । যদি আপনার অন্ত্র ঠিকমতো কাজ না করে তাহলে সেরোটোনিন তৈরি হবে না। আর যদি সেরোটোনিন তৈরি না হয় তাহলে পৃথিবীর কোনো মোটিভেশনাল জিনিস আপনাকে সত্যিকারের সুখী করতে পারবে না। আপনার ভেতরটা ফাঁকা ফাঁকা লাগবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিউরোমিটার হলো গাবা। এটা এমন একটা রাসায়নিক যা আপনাকে শান্ত করে। উদ্বেগ কমায়। এবং এটি তৈরি হয় আপনার অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে। সমীকরণটা খুব সহজ। খারাপ খাবার, ভালো ব্যাকটেরিয়া মৃত্যু। ভালো ব্যাকটেরিয়ার মৃত্যু, হ্যাপি হরমোনের অভাব। আর তারপরই বিষন্নতা এবং উদ্বেগ। আজকের পৃথিবীতে আমরা বিষন্নতাকে এমনভাবে দেখি যেন বিষাক্ত পানিতে ডুবে থাকা কাউকে শুধু ব্যথানাশক দিচ্ছি। উপসর্গ কমে কিন্তু বিষ ছড়াতেই থাকে। যদি কোন কারখানা থেকে বিষাক্ত ধোঁয়া বের হয় আর আমরা শুধু অ্যলার্মটা বন্ধ করে দিই তাহলে মানুষ বাঁচবে না। সমাধান অ্যলার্ম বন্ধ করা নয়। সমাধান হলো কারখানাটাকে ঠিক করা। আর সেই কারখানা হলো আপনার পেট । এটা শুধু একটা ডায়েট নয় এটা একটা সম্পূর্ণ প্রোটোকল। 


১) প্রথম ধাপ আক্রমণকারীদের হত্যা করুন। শত্রুকে অনাহারে রাখুন। আপনাকে নিয়ন্ত্রণকারী খারাপ ব্যাকটেরিয়ার সরবরাহ লাইন কেটে দিন। মানে চিনি এবং সব প্রক্রিয়াজাত খাবার সম্পূর্ণ বন্ধ। যখন আপনি চিনি ছাড়বেন প্রথম তিনদিন নরকের মত লাগবে। কেন? কারণ আপনার পেটের সেই খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলো ভেগাস নার্ভের মাধ্যমে আপনার মস্তিষ্কে সংকেত পাঠাবে। আপনি মাথা ব্যথা অনুভব করবেন। বিরক্ত হবেন। তীব্র আকাঙ্ক্ষা অনুভব করবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এটা ক্ষুধা নয়। এটা সেই পরজীবীদের মৃত্যুর চিৎকার। এটা সহ্য করুন। নিয়মগুলো খুব পরিষ্কার। কোন চিনি নয়, কোন প্যাকেট জাত খাবার নয়, কোন উদ্ভিজ্য তেল নয়। এমনকি একদিনের জন্য দুধ বন্ধ করে দেখুন। কারণ আজকের দুধও অনেক সময় প্রদাহ বাড়ায়। 


২) দ্বিতীয় ধাপ প্রাচীর মেরামত করুন। আপনার অন্ত্রর প্রাচীর ভেঙে গেছে। এটা ঠিক করা দরকার। এর জন্য দরকার উপবাস। যখন আপনি 14 থেকে 16 ঘন্টা কিছু খান না তখন আপনার শরীর হজমের কাজ বন্ধ করে। আর সেই শক্তি ব্যবহার করে নিজেকে মেরামত করতে। ঘুমানোর তিন থেকে চার ঘন্টা আগে রাতের খাবার খান। কখনোই ভরা পেটে ঘুমোবেন না। কারণ পেট ভরা থাকলে মন কখনোই শান্ত থাকে না। আপনার ঘুমের মান নষ্ট হবে। আর আপনি পরের দিন ক্লান্ত হয়ে উঠবেন।


৩)তৃতীয় ধাপ নতুন সেনাবাহিনী তৈরি করুন। খারাপ ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলার পর ভালো ব্যাকটেরিয়াকে শক্তিশালী করতে হবে। আপনার দরকার দুটি অস্ত্র। প্রিবায়োটিক এবং প্রোবায়োটিক। প্রিবায়োটিক ভালো ব্যাকটেরিয়ার খাবার। যেমন কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন, ওটস, তিশি, আপেল, কলা। এই খাবারগুলো সরাসরি হজম হয় না। এগুলো অন্ত্রে গিয়ে ভালো ব্যাকটেরিয়াকে শক্তিশালী করে। আর প্রোবায়োটিক জীবন্ত ভালো ব্যাকটেরিয়া।যেগুলো আপনি সরাসরি খান। যেমন দই, ঘরে তৈরি ফ্রোজেন ইয়োগার্ট, ঘোল, কাঞ্জি, গাজরের সরষের জল এবং এক অসাধারণ প্রাচীন সুপারফুড ঘরে তৈরি আচার ভিনেগার ছাড়া। একবার ভেবে দেখুন তো। গত বছরে সামান্য সর্দির জন্য আপনি কতবার অন্টিবায়োটিক খেয়েছেন। ডক্টর মার্টিন ব্লাসারের গবেষণা অনুযায়ী একটি অন্টিবায়োটিক কোর্স আপনার অন্তরের জন্য একটা পারমাণবিক বোমার মত। এটা খারাপ ব্যাকটেরিয়াকে মারে। কিন্তু ভালো ব্যাকটেরিয়ার পুরো শহরকেও ধ্বংস করে। আর সেই খালি জমিতে সবার আগে জন্মায় জেদি খারাপ ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক। একবার অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করলে আপনার অন্ত পুরোপুরি ঠিক হতে ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। মানে আপনি নিজের সেনাবাহিনীকেই ধ্বংস করছেন। জাপানের সামুরাইরা বিশ্বাস করত মানুষের আত্মা থাকে তার মস্তিষ্কে নয় তার পেটে। তারা একে বলতো হারা, তারা তাদের অন্ত্রকে পবিত্র রাখতো । আপনাকেও তাই করতে হবে । 


পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ আছে এক যারা নিজেদের জীভের দাস যারা পাঁচ মিনিটের আনন্দের জন্য 50 বছরের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে আর অন্যরা আর অন্যরা যারা জানে প্রকৃত শক্তি ইচ্ছাশক্তিতে নয় নিজের বায়োলজিতে, তখনই তার খাদ্যাভ্যাস বদলালেন। আজ আপনার কাছে একটা সুযোগ আছে। এখনি উঠে যান। আপনার রান্নাঘরে যান। আর সেইসব আবর্জনাগুলো ফেলে দিন যেগুলো ধীরে ধীরে আপনাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। মনে রাখবেন যতক্ষণ না আপনি আপনার নিজের থালাকে জয় করছেন ততক্ষণ আপনি কখনোই এই পৃথিবীকে জয় করতে পারবেন না। এটা সহজ হবে না। সমাজ আপনাকে বারবার টেনে নিয়ে যাবে সেই পুরনো অভ্যাসে। আপনার বন্ধুরা হয়তো আপনাকে নিয়ে হাসবে ঠাট্টা করবে। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন সিংহ কখনো ঘাস খায় না। এমনকি যদি পুরো পৃথিবী ঘাস খায় তবুও না। 

#photochallengesmilechallenge #motivation #inspiration #positivevibes #photochallenge #lifelessons

To to family Facebook page Theke neoa

কোন মন্তব্য নেই:

দাসের মতো খেয়ে রাজার মতো চিন্তা করা যায় না। আপনার পেট যদি ঠিক না থাকে আপনি কখনোই বড় চিন্তা করতে পারবেন না। সবই পেট থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয়। কলমে মৌঝুরী 

দাসের মতো খেয়ে রাজার মতো চিন্তা করা যায় না। আপনার পেট যদি ঠিক না থাকে আপনি কখনোই বড় চিন্তা করতে পারবেন না। সবই পেট থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয়...